০৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ

এক হাতে কেটলবেল তুলে শরীরের ভরকেন্দ্রকে কাজে লাগিয়ে শক্তি গড়ে তোলার এই অনুশীলন এখন নারীদের ফিটনেস রুটিনে দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে। সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিন এমন একটি ব্যায়াম, যা পা, নিতম্ব, কোমর ও শরীরের মধ্যভাগের বড় পেশিগুলোকে একসঙ্গে সক্রিয় করে। নিয়মিত চর্চায় বাড়ে পুরো শরীরের শক্তি, গতি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতা, পাশাপাশি উন্নত হয় ভারসাম্য ও সমন্বয়।

কোন পেশিতে কাজ করে

এই ব্যায়ামে হাঁটু ভাঁজ করে ও নিতম্বের জোরে কেটলবেল ওপরে তোলা হয়। ফলে উরু ও নিতম্বের পেশি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। সঙ্গে শরীরের মধ্যভাগ শক্ত হয়ে ভর ধরে রাখে, আর এক হাতের কাজ হওয়ায় কাঁধ ও বাহুর স্থিতিশীলতাও বাড়ে। একপাশে কাজ করার কারণে শরীরের দুই দিকের শক্তির ভারসাম্য ধীরে ধীরে সমান হয়।

Image

কীভাবে রুটিনে যোগ করবেন

শক্তি অনুশীলনের আগে শরীর গরম করতে এই ব্যায়াম কার্যকর। দুই থেকে তিন দফায় অল্প সংখ্যক পুনরাবৃত্তিতে করলে নিচের অংশের পেশি সক্রিয় হয় এবং পরের ভারী অনুশীলনের জন্য শরীর প্রস্তুত থাকে। নিয়মিত রুটিনে রাখলে অল্প সময়েই শক্তির উন্নতি টের পাওয়া যায়।

কত ওজন নেবেন

বুকের কাছে আরাম করে ধরা যায় এমন কেটলবেল বেছে নেওয়াই ভালো। সাধারণভাবে দশ থেকে চৌদ্দ কেজি ওজন উপযোগী ধরা হয়। খুব হালকা হলে নিতম্বের বদলে হাতের জোর বেশি লাগতে পারে, এতে ব্যায়ামের আসল উপকার কমে যায়।

Image

সঠিক ভঙ্গির প্রস্তুতি

অনেকে কেটলবেল তুলতে গিয়ে কবজিতে আঘাত পান। এ ক্ষেত্রে আগে নিতম্বের দিকে কেটলবেল টানার অনুশীলন কাজে দেয়। এতে ওজনের পথ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং কবজিতে বাড়তি চাপ পড়ে না। ফিটনেস প্রশিক্ষক লরেন কানস্কির মতে, ভঙ্গি ঠিক রাখতে নিতম্বের জোরকে প্রাধান্য দিতে হবে, হাত শুধু দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

ধাপে ধাপে করার কথা

শুরুতে পায়ের মাঝখানে নিতম্বের নিচে কেটলবেল রাখুন। বুককে নিতম্বের ওপরে রেখে হাঁটু ভাঁজ করে এক হাতে ধরুন এবং ওজনকে পায়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত তুলুন। এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে দাঁড়িয়ে নিতম্বের জোরে কেটলবেলকে ওপরে আনুন। শরীরের মধ্যভাগ টানটান রাখুন এবং কেটলবেলকে কবজির চারপাশে ঘুরে বুকের কাছে স্থির অবস্থায় আনুন। নামানোর সময় ধীরে নিয়ন্ত্রণে রেখে নাভির পাশ দিয়ে নিচে নামান, নিতম্ব পেছনে ঠেলে দিন, তবে মেঝেতে আঘাত লাগতে দেবেন না।

Image

কেন এই ব্যায়াম আলাদা

এক হাতে কাজ হওয়ায় শরীরকে বেশি সচেতন থাকতে হয়। এতে দৈনন্দিন কাজের শক্তি বাড়ে, দৌড়ঝাঁপ বা খেলাধুলায় গতি আসে এবং আঘাতের ঝুঁকিও কমে। সময় কম থাকলেও এই একটি ব্যায়ামেই পুরো শরীরের কাজ হয়ে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ

০১:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

এক হাতে কেটলবেল তুলে শরীরের ভরকেন্দ্রকে কাজে লাগিয়ে শক্তি গড়ে তোলার এই অনুশীলন এখন নারীদের ফিটনেস রুটিনে দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে। সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিন এমন একটি ব্যায়াম, যা পা, নিতম্ব, কোমর ও শরীরের মধ্যভাগের বড় পেশিগুলোকে একসঙ্গে সক্রিয় করে। নিয়মিত চর্চায় বাড়ে পুরো শরীরের শক্তি, গতি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতা, পাশাপাশি উন্নত হয় ভারসাম্য ও সমন্বয়।

কোন পেশিতে কাজ করে

এই ব্যায়ামে হাঁটু ভাঁজ করে ও নিতম্বের জোরে কেটলবেল ওপরে তোলা হয়। ফলে উরু ও নিতম্বের পেশি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। সঙ্গে শরীরের মধ্যভাগ শক্ত হয়ে ভর ধরে রাখে, আর এক হাতের কাজ হওয়ায় কাঁধ ও বাহুর স্থিতিশীলতাও বাড়ে। একপাশে কাজ করার কারণে শরীরের দুই দিকের শক্তির ভারসাম্য ধীরে ধীরে সমান হয়।

Image

কীভাবে রুটিনে যোগ করবেন

শক্তি অনুশীলনের আগে শরীর গরম করতে এই ব্যায়াম কার্যকর। দুই থেকে তিন দফায় অল্প সংখ্যক পুনরাবৃত্তিতে করলে নিচের অংশের পেশি সক্রিয় হয় এবং পরের ভারী অনুশীলনের জন্য শরীর প্রস্তুত থাকে। নিয়মিত রুটিনে রাখলে অল্প সময়েই শক্তির উন্নতি টের পাওয়া যায়।

কত ওজন নেবেন

বুকের কাছে আরাম করে ধরা যায় এমন কেটলবেল বেছে নেওয়াই ভালো। সাধারণভাবে দশ থেকে চৌদ্দ কেজি ওজন উপযোগী ধরা হয়। খুব হালকা হলে নিতম্বের বদলে হাতের জোর বেশি লাগতে পারে, এতে ব্যায়ামের আসল উপকার কমে যায়।

Image

সঠিক ভঙ্গির প্রস্তুতি

অনেকে কেটলবেল তুলতে গিয়ে কবজিতে আঘাত পান। এ ক্ষেত্রে আগে নিতম্বের দিকে কেটলবেল টানার অনুশীলন কাজে দেয়। এতে ওজনের পথ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং কবজিতে বাড়তি চাপ পড়ে না। ফিটনেস প্রশিক্ষক লরেন কানস্কির মতে, ভঙ্গি ঠিক রাখতে নিতম্বের জোরকে প্রাধান্য দিতে হবে, হাত শুধু দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

ধাপে ধাপে করার কথা

শুরুতে পায়ের মাঝখানে নিতম্বের নিচে কেটলবেল রাখুন। বুককে নিতম্বের ওপরে রেখে হাঁটু ভাঁজ করে এক হাতে ধরুন এবং ওজনকে পায়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত তুলুন। এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে দাঁড়িয়ে নিতম্বের জোরে কেটলবেলকে ওপরে আনুন। শরীরের মধ্যভাগ টানটান রাখুন এবং কেটলবেলকে কবজির চারপাশে ঘুরে বুকের কাছে স্থির অবস্থায় আনুন। নামানোর সময় ধীরে নিয়ন্ত্রণে রেখে নাভির পাশ দিয়ে নিচে নামান, নিতম্ব পেছনে ঠেলে দিন, তবে মেঝেতে আঘাত লাগতে দেবেন না।

Image

কেন এই ব্যায়াম আলাদা

এক হাতে কাজ হওয়ায় শরীরকে বেশি সচেতন থাকতে হয়। এতে দৈনন্দিন কাজের শক্তি বাড়ে, দৌড়ঝাঁপ বা খেলাধুলায় গতি আসে এবং আঘাতের ঝুঁকিও কমে। সময় কম থাকলেও এই একটি ব্যায়ামেই পুরো শরীরের কাজ হয়ে যায়।