০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

তীক্ষ্ণ মস্তিষ্কের শুরু এখানেই: সক্রিয় জীবনধারায় কমে স্মৃতিভ্রংশ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি

সুস্থ জীবনের জন্য সুস্থ মস্তিষ্ক অপরিহার্য। দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৃত্তিক অবক্ষয় ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বয়স যাই হোক না কেন, ধারাবাহিক স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

জীবনযাপনের ছোট বদল, বড় সুরক্ষা

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও নিয়মিত শরীরচর্চা মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী সহায়। এসব অভ্যাস তাৎক্ষণিকভাবে মনোযোগে সামান্য উন্নতি আনতে পারে, তবে আসল লাভ আসে নিয়মিত চর্চায়। বহু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই অভ্যাসগুলো স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং অবক্ষয়ের গতি ধীর করে।

ঘুমে গড়ে ওঠে স্মৃতির ভান্ডার

পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাত থেকে আট ঘণ্টার গভীর ঘুম স্মৃতি ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়। এই সময়েই মস্তিষ্ক স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিকে দীর্ঘমেয়াদি ভান্ডারে সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্ক নিজস্ব পরিস্কার প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকর প্রোটিন দূর করে, যা স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক সক্রিয়তা

হাঁটা, দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। এতে নতুন স্নায়ু সংযোগ গড়ে ওঠে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ, একাকিত্ব এড়িয়ে চলা এবং নতুন কিছু শেখার অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি

একদিনের যত্নে ফল মিললেও দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য নিয়মিত চর্চা জরুরি। স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে, রোগের ঝুঁকি কমায় এবং জীবনের মান উন্নত করে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

তীক্ষ্ণ মস্তিষ্কের শুরু এখানেই: সক্রিয় জীবনধারায় কমে স্মৃতিভ্রংশ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি

০১:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

সুস্থ জীবনের জন্য সুস্থ মস্তিষ্ক অপরিহার্য। দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৃত্তিক অবক্ষয় ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বয়স যাই হোক না কেন, ধারাবাহিক স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

জীবনযাপনের ছোট বদল, বড় সুরক্ষা

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও নিয়মিত শরীরচর্চা মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী সহায়। এসব অভ্যাস তাৎক্ষণিকভাবে মনোযোগে সামান্য উন্নতি আনতে পারে, তবে আসল লাভ আসে নিয়মিত চর্চায়। বহু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই অভ্যাসগুলো স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং অবক্ষয়ের গতি ধীর করে।

ঘুমে গড়ে ওঠে স্মৃতির ভান্ডার

পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাত থেকে আট ঘণ্টার গভীর ঘুম স্মৃতি ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়। এই সময়েই মস্তিষ্ক স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিকে দীর্ঘমেয়াদি ভান্ডারে সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্ক নিজস্ব পরিস্কার প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকর প্রোটিন দূর করে, যা স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক সক্রিয়তা

হাঁটা, দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। এতে নতুন স্নায়ু সংযোগ গড়ে ওঠে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ, একাকিত্ব এড়িয়ে চলা এবং নতুন কিছু শেখার অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি

একদিনের যত্নে ফল মিললেও দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য নিয়মিত চর্চা জরুরি। স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে, রোগের ঝুঁকি কমায় এবং জীবনের মান উন্নত করে।