১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৭)

তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

পুকুরের পাশে একটি বরদারি। কুপটি পরিচিত গুরু নানকের কূপ বা কুয়ো নামে। জনশ্রুতি অনযায়ী গুরু নানক এই কুয়ো থেকে পানি পান করতেন। তিনি নাকি তার হাতের লাঠি দিয়ে রূপটি খনন করেছিলেন। ঢাকার সবচেয়ে দৃশ্যমান পুরনো স্থাপত্য বিনতবিবির ও আরেকটি মসজিদ ছাড়া এটিই ছিল ঢাকার প্রাচীন স্থাপত্যিক নিদর্শন। নাসিরুদ্দীন মোহাম্মদের সময় ১৪৫৮ সালে বিনতবিবির মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল।

চৈত্র মাসে এই কূপকে ঘিরে মেলা বসতো। ওই সময় মাছ মাংস খাওয়া হতো না। অনেকে বিশ্বাস করতেন, এই কুয়োর পানি অসুখ-বিসুখ সারায়। ক্রমেই এটি লুপ্ত হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছায়। ওই সময় একটি শিখ রেজিমেন্ট ওই জায়গায় কয়েকদিনের জন্য তাঁবু পেতেছিল। তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

এরপর আসে সুজাতপুরের গুরু দোয়ারার কথা। ইসলাম খাঁ ঢাকায় রাজধানী স্থাপনের পর সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় ষষ্ঠ শুরু আলমাস্ট নামে একজনকে ঢাকায় পাঠান। তিনিই এই গুরু দোয়ারার পত্তন করেন। আলমাস্টের পর নাথি সাহেব এর দায়িত্ব পান। তিনি ছিলেন তৃতীয়। দ্বিতীয়জনের নাম পাওয়া যায়নি। সেই থেকে নাথি সাহেবের নামেই গুরু দোয়ারিটি পরিচিত। এর ফলকে লেখা আছে- সত্য ঈশ্বর, স্রষ্টার এবং গুরু নানকের নামে, আলমাস্ট রাজের নানকসভার গুরু গদ্দি। সুজাতপুরের নাথি সাহেবের সঙ্গত।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৭)

০৭:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

পুকুরের পাশে একটি বরদারি। কুপটি পরিচিত গুরু নানকের কূপ বা কুয়ো নামে। জনশ্রুতি অনযায়ী গুরু নানক এই কুয়ো থেকে পানি পান করতেন। তিনি নাকি তার হাতের লাঠি দিয়ে রূপটি খনন করেছিলেন। ঢাকার সবচেয়ে দৃশ্যমান পুরনো স্থাপত্য বিনতবিবির ও আরেকটি মসজিদ ছাড়া এটিই ছিল ঢাকার প্রাচীন স্থাপত্যিক নিদর্শন। নাসিরুদ্দীন মোহাম্মদের সময় ১৪৫৮ সালে বিনতবিবির মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল।

চৈত্র মাসে এই কূপকে ঘিরে মেলা বসতো। ওই সময় মাছ মাংস খাওয়া হতো না। অনেকে বিশ্বাস করতেন, এই কুয়োর পানি অসুখ-বিসুখ সারায়। ক্রমেই এটি লুপ্ত হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছায়। ওই সময় একটি শিখ রেজিমেন্ট ওই জায়গায় কয়েকদিনের জন্য তাঁবু পেতেছিল। তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

এরপর আসে সুজাতপুরের গুরু দোয়ারার কথা। ইসলাম খাঁ ঢাকায় রাজধানী স্থাপনের পর সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় ষষ্ঠ শুরু আলমাস্ট নামে একজনকে ঢাকায় পাঠান। তিনিই এই গুরু দোয়ারার পত্তন করেন। আলমাস্টের পর নাথি সাহেব এর দায়িত্ব পান। তিনি ছিলেন তৃতীয়। দ্বিতীয়জনের নাম পাওয়া যায়নি। সেই থেকে নাথি সাহেবের নামেই গুরু দোয়ারিটি পরিচিত। এর ফলকে লেখা আছে- সত্য ঈশ্বর, স্রষ্টার এবং গুরু নানকের নামে, আলমাস্ট রাজের নানকসভার গুরু গদ্দি। সুজাতপুরের নাথি সাহেবের সঙ্গত।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)