১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর

৯২% মানুষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করছে, সাইবার নিরাপত্তায় বাড়ছে সতর্কতা

বিশ্বব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাকআপ ডে’ সামনে রেখে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অধিকাংশ মানুষ এখন তাদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ডিজিটাল সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়ছে।

ডিজিটাল সংরক্ষণে দ্রুত ঝোঁক
গবেষণা অনুযায়ী, ইউএই-র প্রায় ৯২ শতাংশ বাসিন্দা এখন এমিরেটস আইডি, ব্যাংক তথ্য, মেডিকেল রেকর্ড ও ব্যক্তিগত ছবি সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করছেন।

এর মধ্যে ৬৬ শতাংশ ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা হার্ডড্রাইভে তথ্য রাখেন, ৪৩ শতাংশ ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করেন এবং ৩৫ শতাংশ সরকারি ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে নথি সংরক্ষণ করেন।

এই প্রবণতা দেশটির দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের প্রতিফলন, যেখানে ক্লাউড সেবা, ই-গভর্নেন্স ও মোবাইল প্ল্যাটফর্ম দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও করণীয়
যদিও ৯৮ শতাংশ ব্যবহারকারী কিছু না কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন, তবুও প্রায় ৩২ শতাংশ এখনও সহজ ও অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, যা সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল তথ্য নিরাপদ রাখতে ‘৩-২-১ ব্যাকআপ রুল’ অনুসরণ করা জরুরি। এতে অন্তত তিনটি কপি রাখতে হয়, দুই ধরনের মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে হয় এবং একটি কপি আলাদা স্থানে বা ক্লাউডে রাখতে হয়।

এছাড়া দুই ধাপ যাচাইকরণ (টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন), পাসকি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ চালু করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিতভাবে ডেটা পুনরুদ্ধার পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজন্মভিত্তিক পার্থক্য
গবেষণায় দেখা গেছে, তরুণ প্রজন্ম—বিশেষ করে মিলেনিয়াল ও জেন জেড—ডিজিটাল সংরক্ষণে বেশি আগ্রহী। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এখনও কাগজে নথি রাখার ওপর নির্ভর করেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। সঠিক ব্যাকআপ ব্যবস্থা না থাকলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারানোর ঝুঁকি দ্রুত বাড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি

৯২% মানুষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করছে, সাইবার নিরাপত্তায় বাড়ছে সতর্কতা

০৭:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাকআপ ডে’ সামনে রেখে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অধিকাংশ মানুষ এখন তাদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ডিজিটাল সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়ছে।

ডিজিটাল সংরক্ষণে দ্রুত ঝোঁক
গবেষণা অনুযায়ী, ইউএই-র প্রায় ৯২ শতাংশ বাসিন্দা এখন এমিরেটস আইডি, ব্যাংক তথ্য, মেডিকেল রেকর্ড ও ব্যক্তিগত ছবি সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করছেন।

এর মধ্যে ৬৬ শতাংশ ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা হার্ডড্রাইভে তথ্য রাখেন, ৪৩ শতাংশ ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করেন এবং ৩৫ শতাংশ সরকারি ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে নথি সংরক্ষণ করেন।

এই প্রবণতা দেশটির দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের প্রতিফলন, যেখানে ক্লাউড সেবা, ই-গভর্নেন্স ও মোবাইল প্ল্যাটফর্ম দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও করণীয়
যদিও ৯৮ শতাংশ ব্যবহারকারী কিছু না কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন, তবুও প্রায় ৩২ শতাংশ এখনও সহজ ও অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, যা সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল তথ্য নিরাপদ রাখতে ‘৩-২-১ ব্যাকআপ রুল’ অনুসরণ করা জরুরি। এতে অন্তত তিনটি কপি রাখতে হয়, দুই ধরনের মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে হয় এবং একটি কপি আলাদা স্থানে বা ক্লাউডে রাখতে হয়।

এছাড়া দুই ধাপ যাচাইকরণ (টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন), পাসকি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ চালু করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিতভাবে ডেটা পুনরুদ্ধার পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজন্মভিত্তিক পার্থক্য
গবেষণায় দেখা গেছে, তরুণ প্রজন্ম—বিশেষ করে মিলেনিয়াল ও জেন জেড—ডিজিটাল সংরক্ষণে বেশি আগ্রহী। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এখনও কাগজে নথি রাখার ওপর নির্ভর করেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। সঠিক ব্যাকআপ ব্যবস্থা না থাকলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারানোর ঝুঁকি দ্রুত বাড়তে পারে।