চলছো কি দিগন্তের পথে?
আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি- কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল- না কোন অন্ধকার রাত- কোন নদীর তীর- হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব- সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি- কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল- না কোন অন্ধকার রাত- কোন নদীর তীর- হোক সে গঙ্গা, পদ্মা, মেকং, ডানিউব- সকলেই মুহূর্ত মাত্র।
একাদশ পরিচ্ছেদ 'খেয়াল রাখিস ফোঁদয়া... ছেলেটারে লস্ট করে দিলে ভালো হবে না কিন্তু।
একাদশ পরিচ্ছেদ তারপর খুলে রাখতি ভুলে বসেছিল আর কি। অবিশ্যি মালটা ছিল শস্তাগণ্ডার, শান্তির সময় বাজারে ওর দাম রুল পাঁচেকের বেশি হবে না।
একাদশ পরিচ্ছেদ যাওয়ার পথে ডানদিকে তাঁর একটা বাঁক নিয়ে আর সারা রাত্তির লম্বা লম্বা পাড়ি দিয়ে আমরা জিখারেভ আমাদের জন্যে যে-ফাঁদ পেতে রেখেছিল তা এড়িয়ে, অনেক দূর দিয়ে এগিয়ে গেলুম।
একাদশ পরিচ্ছেদ একে একে সব কথা খুলে বললুম কমরেডদের। কী করে শ্বেতরক্ষীদের সঙ্গে আমার দেখা হয়ে গিয়েছিল, কী করে ধরা পড়ে মারা গেলেন আমাদের বীর চুবুক সব কথা।
একাদশ পরিচ্ছেদ নিজের ওপর ফু'সে-ওঠা উন্মত্ত ক্রোধের সঙ্গে চারিদিকের সেই অভিশপ্ত বুক- খাঁখাঁ-করা নৈঃশব্দ্যের প্রতি বিতৃষ্ণা মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছিল আমার মধ্যে।
একাদশ পরিচ্ছেদ ক্রমে হতাশা টু'টি টিপে ধরল আমার। কোথায় যাব আমি, কোথায় খুঁজব?
একাদশ পরিচ্ছেদ ওই রাত্রেই, সৈন্যদলের যাত্রা শুরু হবার পর প্রথম পাঁচ মিনিটের বিশ্রামের সময় আমি পালিয়ে গেলুম। সঙ্গে রাখলুম আমার মাওজারটা।
হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো— অথচ তুমি তাদের দিকে না তাকিয়ে ভোরের বাতাসে তোমার প্রিয়তমের হাত ধরে চলে গেলে।
একটা কবিতা লিখবো বহুদিন বহুরাত গত; আহত নিহত যত শব্দ আছে জমা করে রাখি চুলখোলা অন্ধকারে, ধর্ষিতার বিধ্বস্ত উদ্যানে -- না, কবিতা আসে না আর পরাধীন বিবর্ণ খাতায়।
কখনও ভর দুপুরে সন্ধ্যা নামে- গভীর হয় অন্ধকার- তখন সবাইকে শিশু হতে হয়- ভূতেরা তখন অনেক নৃত্য দেখায়।
সারসংক্ষেপ ক্রাস্নাহরকাই ‘মধ্য ইউরোপীয় ঐতিহ্যের এক মহান মহাকাব্যিক লেখক’ বিজয়ী বলেন, তিনি মূলত একটি বইই লেখার পরিকল্পনা করেছিলেন দ্বিতীয় হাঙ্গেরিয়ান যিনি নোবেল সাহিত্য…
পাতা ৫ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা