এইচ-১বি ভিসার অবসানেই কি ভারতীয়দের নতুন সুযোগ?
যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা নিয়ে নতুন করে কড়াকড়ি শুরু হওয়া শুধু অভিবাসননীতির বিষয় নয়; এটি দক্ষ বিদেশি কর্মী, মার্কিন শ্রমবাজার এবং প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।
রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও বিশ্ব নিয়ে লেখকদের বিশ্লেষণ ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা নিয়ে নতুন করে কড়াকড়ি শুরু হওয়া শুধু অভিবাসননীতির বিষয় নয়; এটি দক্ষ বিদেশি কর্মী, মার্কিন শ্রমবাজার এবং প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।
ব্রিটিশ রাজনীতিতে রিফর্ম ইউকের গুরুত্বপূর্ণ নেতা জিয়া ইউসুফকে সহজেই এমন একজন রাজনীতিক হিসেবে দেখা যায়, যিনি নিজের বক্তব্যের সীমা বোঝেন না, অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন এবং ব্যক্তিগত ঔদ্ধত্যকে রাজনৈতিক আচরণে পরিণত করেছেন।
শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি বিষয় বারবার ফিরে এসেছে—সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সবাই স্বীকার করেছে, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্তে সেই সংস্কারই পিছিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলে এসেছে।
পাকিস্তানের শাসনব্যবস্থাকে ‘ধসে পড়া’ বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি নতুন প্রদেশ ও প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানানোর পর দেশটির প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে।
বিশ্বায়নের সেই সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, যখন বাণিজ্যকে কেবল ব্যবসা আর ভূরাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা হিসেবে আলাদা করে দেখা যেত।
কোনো সরকার যখন নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা মতামত, নথি ও প্রক্রিয়ার তথ্য মুছে ফেলতে শুরু করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—কী আড়াল করার চেষ্টা চলছে?
ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ৮১ বছর পূর্তি ঘিরে যখন জাকার্তায় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন চলছে, ঠিক তার দুদিন আগে পূর্ব নুসা তেংগারার ফ্লোরেসে আঘাত হেনেছিল ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প।
ইরানের সঙ্গে বহু দশকের সংঘাতময় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত যে যুদ্ধ চেয়েছিলেন, তা পেয়েছেন।
রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনায় ভরা। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই উত্তেজনা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে দুই দেশের সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা আর কেবল কূটনৈতিক মহলের উদ্বেগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ফিলিপাইনের অর্থনীতির সবচেয়ে নির্মম বৈপরীত্য এখন স্পষ্ট: একদিকে দেশ পেয়েছে নতুন এক ট্রিলিয়নিয়ার, যার সম্পদের পরিমাণ সম্ভবত নিচের ৪৯ শতাংশ ফিলিপিনোর সম্মিলিত সম্পদের…
একটি খনি চালু হওয়ার পরই বিনিয়োগের গল্প শেষ হয়ে যায়—এমন ধারণা এখন আর টেকসই নয়।
পাতা ২১ / ১৭৪ মোট ২,০৭৮টি লেখা