রোডসের বিশাল মূর্তির পতন: প্রাচীন বিশ্বের বিস্ময় কীভাবে হারিয়ে গেল
প্রায় ৩২ মিটার উঁচু এক বিশাল ব্রোঞ্জের মূর্তি, যা একসময় প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম বিস্ময় হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল—সেই রোডসের কলোসাস আজ শুধুই ইতিহাসের গল্প।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
প্রায় ৩২ মিটার উঁচু এক বিশাল ব্রোঞ্জের মূর্তি, যা একসময় প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম বিস্ময় হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল—সেই রোডসের কলোসাস আজ শুধুই ইতিহাসের গল্প।
টোকিও শহরের ব্যস্ততার ভেতরেও কিছু গল্প থাকে নিঃশব্দে বয়ে চলা সময়ের মতো—যেখানে একটি ঘড়ি হয়ে ওঠে শুধু সময় জানানোর যন্ত্র নয়, বরং স্মৃতি, সম্পর্ক আর ইতিহাসের সাক্ষী।
মধ্যযুগকে সাধারণত মৃত্যু, নোংরা পরিবেশ আর রোগব্যাধির সময় হিসেবে দেখা হয়।
১৯২৬ সালের মে মাসের শুরুতেই ব্রিটেন যেন হঠাৎ থমকে দাঁড়ায়।
আজকের যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন যেন এক অনিবার্য বাস্তবতা। ইউক্রেন থেকে ইরান—বিশ্বজুড়ে সংঘাতের ধরন বদলে দিয়েছে এই প্রযুক্তি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ড্রোন যুদ্ধের শুরুটা কোথায়?
আজকের আধুনিক জীবনে প্লাস্টিক যেন অপরিহার্য একটি উপাদান। কিন্তু এই প্লাস্টিকের যাত্রা শুরু হয়েছিল বহু আগেই, প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার থেকে ধীরে ধীরে বিজ্ঞানভিত্তিক আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
বিশ্ব রাজনীতির দ্রুত পরিবর্তন, সাম্রাজ্যের পতন আর সমাজের রূপান্তরের মধ্য দিয়ে টানা সাত দশক ব্রিটেনকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রানি এলিজাবেথ দ্বিতীয়।
স্বাধীনতার ঘোষণায় বলা হয়েছিল—সব মানুষ সমান। কিন্তু বাস্তবে সেই সময় আমেরিকার এক-পঞ্চমাংশ মানুষই ছিল দাসত্বে বন্দি।
প্রাচীন রোমের ধর্মীয় জীবন ছিল বহুদেবতাবাদ, আচার ও সামাজিক বন্ধনের এক জটিল জাল।
মধ্যযুগের ইউরোপকে আমরা অনেক সময় নোংরা আর দুর্গন্ধে ভরা এক সময় হিসেবে কল্পনা করি। কিন্তু বাস্তবতা ছিল কিছুটা ভিন্ন।
ইতিহাসের পাতায় জেমস কনোলি এমন এক নাম, যিনি একই সঙ্গে শ্রমিক আন্দোলনের নেতা, সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ এবং সশস্ত্র বিদ্রোহের সাহসী যোদ্ধা।
বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত সময় শীতল যুদ্ধকে আমরা সাধারণত বড়দের দৃষ্টিতে দেখি—রাষ্ট্র, ক্ষমতা আর অস্ত্র প্রতিযোগিতার গল্প হিসেবে।
পাতা ৫ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা