ইয়ামাতো: জাপানের যুদ্ধস্মৃতি, প্রযুক্তির গর্ব এবং ফিরে আসা সামরিক শক্তির ছায়া
জাপানের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এমন এক অধ্যায়, যার সঙ্গে দেশটির বর্তমান পরিচয়ও অদ্ভুতভাবে জড়িয়ে আছে।
রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও বিশ্ব নিয়ে লেখকদের বিশ্লেষণ ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
জাপানের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এমন এক অধ্যায়, যার সঙ্গে দেশটির বর্তমান পরিচয়ও অদ্ভুতভাবে জড়িয়ে আছে।
বিশ্ব অর্থনীতিতে পুঁজি একসময় ছিল সীমান্ত অতিক্রমকারী শক্তি। যেখানে বেশি মুনাফার সম্ভাবনা, সেখানেই বিনিয়োগ—এটাই ছিল বৈশ্বিক পুঁজির স্বাভাবিক যুক্তি।
একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি যখন জাতীয় স্বার্থের হিসাবের বদলে অন্য কোনো শক্তির প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য কিংবা আরেক শক্তির প্রতি গভীর বিরাগ দ্বারা পরিচালিত হয়, তখন স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাই ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়।
ইরানকে ঘিরে যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার যখন অস্থির, তেলের দাম যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, তখন বিশ্বের বৃহৎ তেল কোম্পানিগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা সামনে এনেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু প্রতিযোগিতা এতদিন মূলত স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান ও অন্যান্য সামরিক সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
প্রমাণ ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। প্রজাপতি থেকে গুবরেপোকা—বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় উদ্বেগজনক হারে কমে যাচ্ছে।
বিগত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।
বিশ্ব রাজনীতি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পুরোনো ধারণা দিয়ে নতুন বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
করোনা মহামারির আগে ‘বাড়ি থেকে কাজ’ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম ছিল মূলত প্রযুক্তিনির্ভর কিছু প্রতিষ্ঠানের সীমিত অভিজ্ঞতা।
যুদ্ধের ইতিহাস সাধারণত রাষ্ট্র, সেনাবাহিনী, কৌশল বা চুক্তির ভাষায় লেখা হয়। সেখানে বিজয়-পরাজয়, সামরিক সাফল্য কিংবা কূটনৈতিক হিসাবই বেশি গুরুত্ব পায়।
ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে আরেকবার মনে করিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি শুধু অর্থনীতির বিষয় নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক নীতি এবং শিল্প প্রতিযোগিতারও অন্যতম ভিত্তি।
পাতা ৩২ / ১৭৪ মোট ২,০৭৯টি লেখা