রাষ্ট্রের শক্তি কি দমন-পীড়নে, নাকি জনগণের আস্থায়?
কোনো রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা কিংবা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব কেবল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা, কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা বা বিরোধী কণ্ঠ দমনের ওপর নির্ভর করে না।
রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও বিশ্ব নিয়ে লেখকদের বিশ্লেষণ ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
কোনো রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা কিংবা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব কেবল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা, কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা বা বিরোধী কণ্ঠ দমনের ওপর নির্ভর করে না।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক এখন আর কেবল প্রচারণা, ভোটের হিসাব বা জনসমর্থনের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজগতে নতুন এক বাস্তবতা তৈরি করেছে। কিন্তু বিতর্কের মূল প্রশ্নটি প্রযুক্তি নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর সামনে আজ এক অদ্ভুত বাস্তবতা দাঁড়িয়ে আছে।
আর্জেন্টিনার ফুটবলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে কয়েকজন খেলোয়াড় আছেন, যাদের অবদান পরিসংখ্যান দিয়ে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায় না। নিকোলাস ওতামেন্দি সেই বিরল গোষ্ঠীর একজন।
ওয়াশিংটনের নীতিতে অনিশ্চয়তা যত বাড়ছে, নয়াদিল্লির কৌশলগত হিসাবও তত জটিল হয়ে উঠছে।
রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের আবির্ভাব প্রায়ই আশাবাদের জন্ম দেয়। নতুন সরকার সাধারণত দ্রুত একের পর এক নীতি ঘোষণা করে জনগণকে বোঝাতে চায় যে পরিবর্তন শুরু হয়ে গেছে।
ভারতের সাম্প্রতিক শিক্ষার্থী আন্দোলনকে কেবল একটি পরীক্ষা-সংক্রান্ত সংকট বা প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখলে ভুল হবে।
তিন দশক আগে ইন্দোনেশিয়ার রাজনীতিতে এমন এক মুহূর্ত এসেছিল, যখন রাষ্ট্রশক্তির সামনে নতি স্বীকার না করে একজন রাজনৈতিক নেতা আইনের পথ, শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার সংগ্রামকে বেছে নিয়েছিলেন।
একটি রাষ্ট্রের করব্যবস্থার সফলতা কেবল কত রাজস্ব আদায় হলো, সেই পরিসংখ্যানে মাপা যায় না।
মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে—এটি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় সাফল্য। কিন্তু দীর্ঘজীবন মানেই কি সুস্থ জীবন?
দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে লেবাননকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হয়েছে, যার রাজনীতি আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে আটকে আছে।
পাতা ৪০ / ১৭৪ মোট ২,০৮৩টি লেখা