# Sarakhon । সারাক্ষণ > আপনার সঙ্গে ## Posts - [অলিখিত নিয়মের পক্ষে: কেন কখনও কখনও ‘নাক গলানো’ও নাগরিক দায়িত্ব](https://sarakhon.com/news/180248/): একটি সমাজকে কেবল সংবিধান, আইন বা জরিমানার ভয় দিয়ে চালানো যায় না। প্রতিদিনের সহাবস্থানকে সহজ করে তোলে আরও সূক্ষ্ম কিছু নিয়ম—যেগুলো কোথাও লেখা থাকে না, কিন্তু সবাই নীরবে মেনে চলে। লাইনে দাঁড়ানো, অন্যের সুবিধার কথা ভাবা, দোকানের পণ্য নিজের ইচ্ছেমতো বদলে না দেওয়া কিংবা নিজের তৈরি ময়লা নিজেই পরিষ্কার করা—এসব আচরণই একটি সভ্য সমাজের নীরব ভিত্তি। সমস্যা হলো, এই অলিখিত নিয়মগুলো ভাঙার জন্য বড় কোনো অপরাধীর দরকার হয় না। বরং সাধারণ মানুষই প্রায়শই ছোট ছোট যুক্তি দাঁড় করিয়ে সেগুলো অগ্রাহ্য করে। আর আশপাশের মানুষ অস্বস্তি এড়াতে চুপ থাকলে ধীরে ধীরে ব্যতিক্রমই হয়ে ওঠে নতুন স্বাভাবিকতা। একটি সুপারমার্কেটে এমন দৃশ্য অচেনা নয়। - [মার্কিন ‘রেজিম চেঞ্জ’ নীতি: এক শতাব্দীর পুরোনো কৌশল কি নতুন রূপে ফিরে এসেছে?](https://sarakhon.com/news/180245/): আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা সরকার পরিবর্তন আজ আর কেবল একটি রাজনৈতিক পরিভাষা নয়; এটি গত এক শতাব্দী ধরে বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য নির্ধারণের অন্যতম বিতর্কিত কৌশল। সামরিক অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, বিরোধী গোষ্ঠীকে সহায়তা, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার কিংবা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ—সময়ের সঙ্গে পদ্ধতি বদলেছে, কিন্তু লক্ষ্য একই থেকেছে: এমন সরকারকে দুর্বল বা অপসারণ করা, যারা ওয়াশিংটনের কৌশলগত, অর্থনৈতিক বা ভূরাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশ শতকের প্রথম ভাগ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বহু ক্ষেত্রে ভূমি সংস্কার, শ্রমিক সংগঠনের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সম্প্রসারণ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ শিল্প জাতীয়করণের মতো নীতিকে ওয়াশিংটন সন্দেহের চোখে দেখেছে। এসব - [কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ সংকটে পাকিস্তানে গ্যাসের দাম ৩৪ শতাংশের বেশি বাড়ল](https://sarakhon.com/news/180242/): কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কারণে পাকিস্তানে পুনরায় গ্যাসীকৃত তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের (আরএলএনজি) দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশটির তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রক সংস্থা জুলাই ২০২৬-এর জন্য আরএলএনজির দাম সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে পাকিস্তানের সাধারণ ভোক্তা ও শিল্প খাতে গ্যাস ব্যয়ের চাপ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হওয়ায় এই বাড়তি খরচ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে। জুলাইয়ে এলএনজি আমদানি কমে যাওয়ায় সংকট তীব্র পাকিস্তান জুলাই মাসে মাত্র পাঁচটি এলএনজি চালান পেয়েছে, যা দেশটির এলএনজি আমদানির ইতিহাসে অন্যতম কম মাসিক সরবরাহ। সরবরাহ কমে - [উত্তর ও উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অভিযান: পাকিস্তানের দাবি, সেনা মেজর নিহত, ১২ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত](https://sarakhon.com/news/180239/): পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তান ও বেলুচিস্তানের নুশকি জেলায় পৃথক গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে এক সেনা মেজর নিহত এবং মোট ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অভিযান পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ার উত্তর ওয়াজিরিস্তানের রাজমাক এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। সেনাবাহিনীর দাবি, অভিযানে পাঁচজন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়। আইএসপিআরের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় তীব্র গোলাগুলিতে সেনা কর্মকর্তা মেজর হাফিজ ইহসান ইলাহী নিহত হন। তাঁর বয়স ছিল ৩৪ বছর এবং তিনি মিয়ানওয়ালি জেলার বাসিন্দা ছিলেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্য, তিনি সম্মুখসারিতে থেকে অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। সেনাবাহিনী আরও জানায়, নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকায় - [পাকিস্তানে টানা ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, বন্যা ও আকস্মিক ঢলের শঙ্কায় একাধিক প্রদেশ](https://sarakhon.com/news/180236/): পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধ ও বেলুচিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। এর ফলে বিভিন্ন নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে এবং কয়েকটি এলাকায় নিম্নমাত্রার বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও নগর জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগ জানিয়েছে, ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব রাজস্থানের ওপর অবস্থান করা একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এবং শক্তিশালী মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ভারী বর্ষণ হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে শতদ্রু, রাভি ও বিয়াসসহ পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোতে পানির প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চেনাব নদীতে পানি বাড়ার আশঙ্কা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চেনাব নদীর হেড মারালা, খানকি ও - [সেউতার অভিবাসী সংকট ঘিরে ইউরোপে দ্বিমুখী নীতি? স্পেন ইস্যুতে বিভক্ত ইইউ, নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180231/): উত্তর আফ্রিকার স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউতা সীমান্ত দিয়ে কয়েক দিনের মধ্যে হাজার হাজার অভিবাসীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, বর্তমান সংকটে ব্রাসেলস যে সংযত অবস্থান নিয়েছে, তা ২০২১ সালে বেলারুশ সীমান্তে অভিবাসী সংকটের সময় নেওয়া কঠোর অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। সাম্প্রতিক ঘটনায় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের অভিবাসন নীতিও ইউরোপের বিভিন্ন ডানপন্থী ও মধ্য-ডানপন্থী নেতাদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে মরক্কোর ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠলেও ইইউর শীর্ষ নেতৃত্ব প্রকাশ্যে দেশটির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনেনি। স্পেনের ওপর চাপ বাড়াল ইউরোপের কয়েকটি দেশ সেউতায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশের পর ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি স্পেনকে শেনজেন অঞ্চলের - [রাশিয়ার ‘হুমকি’ কি ইউরোপের নতুন ঐক্যের ভিত্তি? ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে বদলে যাচ্ছে পশ্চিমা রাজনীতির সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/180229/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইউরোপ ও উত্তর আমেরার দেশগুলোর মধ্যে যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জোট গড়ে উঠেছিল, তার ভিত্তি ছিল একটি অভিন্ন নিরাপত্তা-ধারণা। দীর্ঘদিন সেই ধারণার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, পরে রাশিয়া। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্য বদলেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে—যুক্তরাষ্ট্র যখন ধীরে ধীরে ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিজের ভূমিকা পুনর্নির্ধারণ করছে, তখন পশ্চিম ইউরোপের নতুন ঐক্যের ভিত্তি কী হবে? একটি সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ইউরোপীয় নেতৃত্বের কাছে রাশিয়াকে বড় নিরাপত্তা-চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থাপন করা শুধু প্রতিরক্ষা নীতির বিষয় নয়; বরং এটি রাজনৈতিক ঐক্য, সামরিক সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এই বিশ্লেষণের উপসংহার নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে - [স্বস্তিকা, এসএস প্রতীক ও আজভ কমান্ডারকে ঘিরে বিতর্ক: মার্কিন প্রভাবশালীর প্রশ্নে অস্বস্তিতে আন্দ্রেই বিলেৎসকি](https://sarakhon.com/news/180226/): ইউক্রেনের বহুল আলোচিত আজভ বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সামরিক কমান্ডার আন্দ্রেই বিলেৎসকিকে ঘিরে আবারও নাৎসি-সম্পর্কিত প্রতীক ব্যবহারের বিতর্ক সামনে এসেছে। মার্কিন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও ডোনাল্ড ট্রাম্পপন্থী কর্মী লরা লুমারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসএস-সদৃশ প্রতীক, স্বস্তিকা এবং হিটলার-সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে বিলেৎসকিকে ব্যাখ্যা দিতে দেখা যায়। স্বস্তিকা ও এসএস প্রতীক নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন সাক্ষাৎকারে লরা লুমার দাবি করেন, আজভ বাহিনীর কিছু সদস্যকে অতীতে স্বস্তিকা-সংবলিত পতাকা বহন করতে, নাৎসি ধাঁচের প্রতীক ব্যবহার করতে এবং হিটলার-সদৃশ সালাম দিতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাহিনীর ব্যবহৃত প্রতীকটি নাৎসি জার্মানির এসএস বাহিনীর ব্যবহৃত একটি ঐতিহাসিক চিহ্নের সঙ্গে অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ। এই অভিযোগের - [মস্কোর রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: ‘পর্দার আড়ালে সিআইএ, এমআইসিক্স ও মোসাদ’—সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তার দাবি](https://sarakhon.com/news/180221/): রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি রেস্তোরাঁয় প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিস্ফোরণে তিনজন নিহত এবং অন্তত ২১ জন আহত হওয়ার পর এর পেছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। এ অবস্থায় সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা স্ট্যানিস্লাভ ক্রাপিভনিক দাবি করেছেন, হামলার নেপথ্যে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা এবং তাদের ইউক্রেনীয় সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রুশ কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা বিদেশি রাষ্ট্রকে এই হামলার জন্য দায়ী করেনি। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠীও হামলার দায় স্বীকার করেনি। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি। প্রবেশমুখেই বিস্ফোরণ রুশ তদন্ত-সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের - [আইডাহোর ব্যস্ত বিপণি এলাকায় বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩, আহত অন্তত ৭](https://sarakhon.com/news/180219/): যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের টুইন ফলস শহরে একটি জনপ্রিয় বার্গার রেস্তোরাঁর কাছে বন্দুকধারীর হামলায় তিনজন নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। শনিবার স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বিপুলসংখ্যক জরুরি সেবাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ব্যস্ত এলাকায় হঠাৎ গুলির শব্দ পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে টুইন ফলসের একটি জনাকীর্ণ কেনাকাটার এলাকায় অবস্থিত একটি বার্গার রেস্তোরাঁর কাছ থেকে সক্রিয় বন্দুকধারীর খবর আসে। সপ্তাহান্ত হওয়ায় এলাকায় তখন ক্রেতা ও পথচারীদের ভিড় ছিল। হঠাৎ গুলির শব্দে মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করলে পুরো এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। - [হরমুজ খুলে দেওয়ার শর্তে যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত? ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/180216/): মধ্যপ্রাচ্যে টানা পাঁচ মাস ধরে চলা উত্তেজনার মধ্যে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরান-সংকটের অবসান ঘটাতে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার মৌলিক কাঠামো নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইরানের ওপর নতুন সামরিক হামলার নির্দেশ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন শক্তি প্রয়োগের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সমঝোতার সুযোগ দিতে সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়। সেই অনুরোধ বিবেচনায় নিয়েই হামলা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ‘হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলে দিতে হবে’ ট্রাম্পের ভাষ্য - [পার্লামেন্ট ঘেরাওয়ের পরও ছয় দিন ধরে চলেছে পাথর নিক্ষেপ, দিল্লিতে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক সরকারি সরঞ্জাম](https://sarakhon.com/news/180213/): ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিতর্কিত নীট-স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলা বিক্ষোভে পার্লামেন্ট অভিমুখে পদযাত্রার দিন সংঘর্ষের পরও আরও কয়েক দিন ধরে বিচ্ছিন্নভাবে পাথর নিক্ষেপ ও সহিংসতা চলেছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সংযম দেখিয়েছে এবং উত্তেজনা আরও না বাড়ানোর দিকেই গুরুত্ব দিয়েছে। সংঘর্ষের পরও থামেনি সহিংসতা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্টমুখী বিক্ষোভের দিন সংঘর্ষের পরও ২৫ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই দিন সরকার আন্দোলনকারীদের কয়েকটি দাবি মেনে নেওয়ার পর বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হয়। কর্মকর্তাদের দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রকৃত শিক্ষার্থীদের ভিড়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক কর্মী - [গুপ্তচরের ছায়াযুদ্ধ আবারও বিশ্বমঞ্চে, মৃত্যুকে সঙ্গী করে ফিরলেন জো সালদানা—শুরু ‘লায়নেস’-এর সবচেয়ে বিস্ফোরক মৌসুম](https://sarakhon.com/news/180210/): যুদ্ধের ময়দান সব সময় সীমান্তে হয় না। কখনও তা চলে অন্ধকার ঘরে, গোপন বৈঠকে, সাংকেতিক বার্তায় কিংবা এমন এক অভিযানে, যার অস্তিত্বও বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ জানে না। সেই অদৃশ্য যুদ্ধেরই এক রুদ্ধশ্বাস কাহিনি আবারও নিয়ে ফিরেছে বহুল আলোচিত গুপ্তচর-অ্যাকশন সিরিজ ‘লায়নেস’। দুই মৌসুম ধরে দর্শকদের শ্বাসরুদ্ধ করে রাখা এই সিরিজ এবার শুরু করেছে তার তৃতীয় অধ্যায়, যেখানে ঝুঁকি আরও বড়, শত্রু আরও দুর্ধর্ষ এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের মূল্য হতে পারে একটি দেশের ভবিষ্যৎ। হলিউড তারকা জো সালদানা অভিনীত এই সিরিজ ইতোমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় গুপ্তচরভিত্তিক ধারাবাহিক হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। সামরিক অভিযান, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং ব্যক্তিগত আত্মত্যাগ—সব মিলিয়ে ‘লায়নেস’ কেবল একটি অ্যাকশন - [পাতলা গড়ন, শক্তিশালী প্রযুক্তি—আইফোন এয়ার ২-এ বড় পরিবর্তনের আভাস](https://sarakhon.com/news/180206/): অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের স্মার্টফোন নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহের শেষ নেই। একটি নতুন মডেল বাজারে আসার বহু আগে থেকেই তার সম্ভাব্য নকশা, প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। এবার সেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে আইফোন এয়ার ২। সর্বশেষ সরবরাহ শৃঙ্খলভিত্তিক তথ্য বলছে, অ্যাপল এবারও নাটকীয় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে না। বরং প্রথম প্রজন্মের আইফোন এয়ারের শক্তিশালী দিকগুলো অক্ষুণ্ন রেখে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যেই একাধিক সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন আনতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্লেষক জেফ পুর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে বাজারে আসতে পারে আইফোন এয়ার ২। এতে থাকবে আরও ছোট ডাইনামিক আইল্যান্ড, উন্নত ক্যামেরা ব্যবস্থা, নতুন প্রজন্মের প্রসেসর এবং - [মৃত্যুর খেলায় কিশোরেরা! ইউরোপ কাঁপাচ্ছে ‘ফক্সট্রট’—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই চলছে খুনি নিয়োগের গোপন অভিযান](https://sarakhon.com/news/180203/): পর্দার আড়ালে এক নতুন অপরাধ সাম্রাজ্যের উত্থান অপরাধের জগৎ বদলে গেছে। একসময় অপরাধচক্রের সদস্য হতে হতো পরিচয়ের মাধ্যমে, দীর্ঘ সময় ধরে তৈরি করতে হতো আস্থার সম্পর্ক। এখন সেই প্রয়োজন নেই। একটি স্মার্টফোন, একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট এবং কিছু অর্থের লোভ—এই তিনটিই যথেষ্ট। কয়েকটি বার্তা, কিছু নির্দেশনা আর গোপন যোগাযোগের মধ্য দিয়েই একজন কিশোরকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে এমন এক অন্ধকার জগতে, যেখান থেকে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব। ইউরোপজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সর্বশেষ তদন্তে উঠে এসেছে এমনই এক ভয়াবহ বাস্তবতা। সুইডেনভিত্তিক কুখ্যাত ফক্সট্রট নেটওয়ার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কিশোর-কিশোরীদের খুঁজে বের করছে এবং তাদের দিয়ে হত্যা, বিস্ফোরণ ও সহিংস হামলার মতো অপরাধ সংঘটিত করাচ্ছে। তদন্তকারীদের - [ট্রাম্প আপাতত ইরানে নতুন হামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সম্ভাব্য সমঝোতার দাবি](https://sarakhon.com/news/180201/): মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পাঁচ মাসের সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আপাতত তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা স্থগিত রাখছেন। তাঁর দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশ এমন একটি সমঝোতার রূপরেখায় পৌঁছেছে, যার মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলার পথ তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য সমঝোতার কথা জানালেন ট্রাম্প শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, প্রস্তাবিত সমঝোতার অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে, সম্পূর্ণ এবং স্থায়ীভাবে খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক হুমকিরও অবসান ঘটানো হবে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও জানান, এই অনুরোধের ভিত্তিতেই তিনি আপাতত হামলা বাতিল করতে সম্মত হয়েছেন। - [বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে মাঠে ফিরলেন মেসি, জয় পেল না ইন্টার মায়ামি](https://sarakhon.com/news/180198/): বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাঠে ফিরলেন লিওনেল মেসি। তবে তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি জয়ে রাঙাতে পারেনি ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকারের ম্যাচে কলম্বাস ক্রুর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে দলটি। মেসি দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। বিশ্বকাপের ফাইনালের পর এটিই ছিল তার প্রথম ম্যাচ। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার আরেক তারকা রদ্রিগো ডি পলও মায়ামির হয়ে শুরুর একাদশে খেলেন। গোলের দেখা পাননি মেসি মাঠে নেমে মেসি কয়েকটি আক্রমণ তৈরি করলেও গোল করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে তার দুটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যোগ করা সময়েও একটি সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি। অন্যদিকে, দলের আক্রমণের মূল - [‘লাভ আইল্যান্ড ইউকে’ কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে? দর্শকদের অভিযোগ—‘প্রেমের চেয়ে নাটকই বেশি’](https://sarakhon.com/news/180195/): যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো লাভ আইল্যান্ড ইউকে-এর সর্বশেষ মৌসুম শেষ হলেও, অনেক দর্শকের মতে অনুষ্ঠানটি আগের সেই আকর্ষণ হারাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এখন শোতে প্রকৃত প্রেমের গল্পের চেয়ে কৃত্রিম নাটক ও অতিরিক্ত প্রযোজনার ছাপ বেশি দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ মৌসুমে জুলিয়া মাজখ্রজাক ও লরেঞ্জো আলেসি বিজয়ী হলেও, সমাপনী পর্বে সব প্ল্যাটফর্ম মিলিয়ে গড়ে মাত্র ১১ লাখ দর্শক অনুষ্ঠানটি দেখেছেন। এটি আগের বছরের তুলনায় কম। অন্যদিকে ২০১৯ সালে শোটির জনপ্রিয়তার শীর্ষ সময়ে একটি পর্বে প্রায় ৬০ লাখ দর্শক যুক্ত হয়েছিলেন। দর্শকদের অভিযোগ: ‘প্রেমের গল্পই নেই’ অনেক ভক্তের মতে, বর্তমান মৌসুমে প্রতিযোগীদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত কোনো জুটির পক্ষেই তারা আবেগ নিয়ে সমর্থন জানাতে পারেননি। টিকটকে ‘লাভ আইল্যান্ড’ বিশ্লেষণধর্মী - [টম হল্যান্ডের ‘সেরা’ স্পাইডার-ম্যান? নতুন সিনেমায় মুগ্ধ দর্শক, প্রশংসায় ভাসছেন জেনডায়াও](https://sarakhon.com/news/180192/): মার্ভেলের জনপ্রিয় সুপারহিরো স্পাইডার-ম্যানকে নিয়ে নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সিনেমা হলে দীর্ঘ সারি, সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং সমালোচকদের প্রশংসা—সব মিলিয়ে ছবিটি টম হল্যান্ডের স্পাইডার-ম্যান যাত্রার অন্যতম সফল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আরও পরিণত পিটার পার্কার এটি টম হল্যান্ড অভিনীত চতুর্থ একক স্পাইডার-ম্যান চলচ্চিত্র। আগের সিনেমার ঘটনার ধারাবাহিকতায় নতুন গল্পে দেখা যায়, পিটার পার্কার এমন এক বাস্তবতায় জীবনযাপন করছেন যেখানে তার সবচেয়ে কাছের মানুষরাও তাকে আর চিনতে পারে না। সেই একাকীত্বের মধ্যেই তিনি নিউইয়র্ক শহরকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। দর্শকদের অনেকেই মনে করছেন, এই সিনেমায় টম হল্যান্ড আগের যেকোনো - [বিশের কোঠার তরুণদের মধ্যে কেন বাড়ছে ভ্যাসেকটমির প্রবণতা?](https://sarakhon.com/news/180189/): সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত, মানসিক স্বাস্থ্য, আর দীর্ঘমেয়াদি পরিবার পরিকল্পনা—এই তিন বিষয়কে সামনে রেখে ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বিশের কোঠার কিছু পুরুষের মধ্যে ভ্যাসেকটমি করানোর প্রবণতা বাড়ছে। আগে যেখানে এই স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মূলত চল্লিশোর্ধ্ব পুরুষদের মধ্যেই বেশি দেখা যেত, এখন তুলনামূলক কম বয়সীরাও এটি বেছে নিচ্ছেন। মানসিক আঘাত বদলে দিয়েছে জীবন ইংল্যান্ডের বাসিন্দা অ্যালেক্স ওয়েস্ট প্রথম সন্তানের জন্মের সময় স্ত্রীর দীর্ঘ ও জটিল প্রসবের অভিজ্ঞতায় গভীর মানসিক আঘাত পান। দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম তুলনামূলক সহজ হলেও তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং পরে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতায় ভোগেন। অ্যালেক্স ও তাঁর স্ত্রী প্রথমে চার সন্তানের পরিকল্পনা করলেও পরে সিদ্ধান্ত বদলান। তাঁর ভাষায়, আরও সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত - [রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজে মালিতে সামরিক যান পাঠানো, বাড়ছে মস্কোর প্রভাব](https://sarakhon.com/news/180186/): রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও দেশটি একটি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত মালবাহী জাহাজ ব্যবহার করে আফ্রিকার দেশ মালিতে বিপুল পরিমাণ সামরিক যান পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি ভেরিফাই। নতুন এই সরঞ্জাম সরবরাহকে মালির সামরিক সরকারের প্রতি ক্রেমলিনের সমর্থন আরও জোরদার করার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। গত ২৫ জুলাই মালির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এবং যাচাই করা ভিডিওতে রাজধানী বামাকোতে সাঁজোয়া যানবাহনের একটি দীর্ঘ বহর প্রবেশ করতে দেখা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব যান টোগোর লোমে বন্দর থেকে স্থলপথে মালিতে আনা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রুশ মালবাহী জাহাজ মিখাইল ব্রিটনেভ গত ৯ জুলাই লোমে বন্দরে নোঙর করে। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছেন, জাহাজটিতে সামরিক - [একা থাকা মানেই একাকীত্ব নয়: বদলে যাচ্ছে নতুন প্রজন্মের জীবনদর্শন](https://sarakhon.com/news/180182/): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন এক প্রবণতা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সেখানে অনেকেই একা থাকার জীবনকে দুঃখের নয়, বরং শান্তি, স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছেন। বিশেষ করে তরুণীদের একটি অংশ নিজেদের দৈনন্দিন একাকী জীবনের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নিয়ে দেখাতে চাইছেন—একা থাকা মানেই একাকী বা অসুখী হওয়া নয়। একা থাকার গল্পে মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে কর্মব্যস্ত দিনের শেষে নিজের জন্য রান্না করা, বই পড়া, সিনেমা দেখা, নিরিবিলি সময় কাটানো কিংবা একাই বেড়াতে যাওয়ার মতো সাধারণ মুহূর্তগুলো এখন লাখো মানুষের আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে। এসব ভিডিওতে অনেক দর্শক নিজেদের জীবনের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন এবং মন্তব্যে জানাচ্ছেন, তারা প্রথমবারের মতো বুঝতে পারছেন যে এমন - [দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবৈধ ক্রিপ্টো মাইনিং: বিদ্যুৎ চুরি, অপরাধচক্র ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বাড়তি চাপ](https://sarakhon.com/news/180180/): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিংয়ের জন্য বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর ফলে শুধু জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাই চাপের মুখে পড়ছে না, বরং সংগঠিত অপরাধচক্র, অর্থপাচার এবং সাইবার প্রতারণার সঙ্গেও এই কার্যক্রমের সম্পর্ক ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবৈধ মাইনিং এখন শুধু প্রযুক্তিগত বা আর্থিক বিষয় নয়, এটি জননিরাপত্তা ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মালয়েশিয়ায় বড় অভিযানে উন্মোচিত অবৈধ নেটওয়ার্ক মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যে পুলিশের সাম্প্রতিক অভিযানে চারটি ভাড়া করা ভবন থেকে ৭১টি ক্রিপ্টো মাইনিং যন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে জানা যায়, এসব যন্ত্র ব্যবহার করে টানা এক মাস ধরে অবৈধভাবে বিটকয়েন মাইনিং চলছিল। অভিযানে - [যুক্তরাষ্ট্রে পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়ছে সাইবার হামলার ঝুঁকি, সতর্ক করল সরকারি সংস্থা](https://sarakhon.com/news/180177/): যুক্তরাষ্ট্রের পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিকে লক্ষ্য করে সাইবার হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে বলে সতর্ক করেছে দেশটির সরকারি সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যত দ্রুত সম্ভব ইন্টারনেটের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের ৩০টিরও বেশি কমিউনিটি পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সমন্বিত সাইবার হামলার শিকার হওয়ার পর এই সতর্কতা জারি করা হয়। হামলাগুলো জুলাইয়ের ২৬ ও ২৭ তারিখে সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একাধিক অঙ্গরাজ্যে প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, অন্তত সাতটি অঙ্গরাজ্যের পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এ ধরনের ঘটনার তথ্য দিয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে হামলার কারণে পানি সরবরাহ কার্যক্রম - [স্পেসএক্সের প্রথম আয় ঘোষণার আগে চাঁদ-মঙ্গল নয়, গোলাপি রকেট নিয়েই বিনিয়োগকারীদের কৌতূহল](https://sarakhon.com/news/180173/): শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক আর্থিক ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে স্পেসএক্স। তবে কোম্পানির আয়, মুনাফা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের চেয়ে খুচরা বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশের আগ্রহ ঘুরপাক খাচ্ছে রকেট, মহাকাশযান এবং নানা ব্যতিক্রমী ধারণাকে ঘিরে। প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের আরেক প্রতিষ্ঠান টেসলার মতোই স্পেসএক্সও ফল ঘোষণার আগে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অনলাইন প্রশ্নোত্তর প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। সেখানে শেয়ারধারীরা প্রশ্ন জমা দিতে এবং অন্যদের প্রশ্নে সমর্থন জানাতে পারছেন। সবচেয়ে বেশি সমর্থন পাওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চাঁদ অভিযানের মহাকাশযান নিয়ে আগ্রহ সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে নাসার আসন্ন আর্টেমিস অভিযানের জন্য তৈরি স্টারশিপের মানব অবতরণযানের আরও ভিডিও প্রকাশ করা হবে - [রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল কিয়েভ, নিহত অন্তত ১০; প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়ার দাবি ইউক্রেনের](https://sarakhon.com/news/180171/): ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আবারও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শনিবার ভোরে হওয়া এই হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র শেষ হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব হয়নি। এক রাতে ৩৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৮৫টি ড্রোন জেলেনস্কির তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া একযোগে ৩৫টি ক্ষেপণাস্ত্র, যার মধ্যে ২৭টি ছিল ব্যালিস্টিক, এবং ১৮৫টি ড্রোন ছুড়ে দেয়। তবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে মাত্র একটি প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র মানুষের জীবন বাঁচায়। এগুলোর ঘাটতি থাকলে হতাহতের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। কিয়েভজুড়ে ব্যাপক - [আগুনের ঝুঁকিতে ফ্রান্সের ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পিং সংস্কৃতি, বদলে যাচ্ছে গ্রীষ্মকালীন অবকাশের চিত্র](https://sarakhon.com/news/180168/): ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলের কারণে হঠাৎ করেই একটি জনপ্রিয় ক্যাম্পসাইট থেকে প্রায় ১,২০০ পর্যটককে সরিয়ে নিতে হয়েছে। রাতের খাবার খেতে বসা পরিবারগুলোকে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু ফেলে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে হয়। এই ঘটনা শুধু একটি জরুরি উদ্ধার অভিযানই নয়, বরং ফ্রান্সের বহু পুরোনো গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পিং সংস্কৃতির সামনে তৈরি হওয়া নতুন বাস্তবতারও প্রতীক। কয়েক মিনিটে খালি হয়ে যায় ক্যাম্পসাইট বিসকারোস এলাকার ডোমেইন দ্য লা রিভ ক্যাম্পসাইটের ব্যবস্থাপক হাদ্রিয়েন ফোলিও জানান, আগুন দ্রুত এগিয়ে আসায় পুলিশ দ্রুত সবাইকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো ক্যাম্পসাইট খালি করা সম্ভব হলেও অনেকেই খাবার, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী ফেলে চলে যেতে - [ব্যক্তিগত ইকুইটি পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত](https://sarakhon.com/news/180165/): বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব বড় ধরনের চাপে পড়েছে। বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতাগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন এবং তার ২০ শতাংশ অংশ ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত তীব্র বিরোধিতার মুখে বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ইনফান্তিনোর জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও তিনি আগামী বছরের নির্বাচনে সহজেই চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। এখন সেই অবস্থান অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। তিন দিনের বিরোধে পরিকল্পনার সমাপ্তি ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, প্রস্তাবটি সদস্যদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করায় তা আর এগিয়ে নেওয়া হবে না। এই - [ট্রাম্পের ‘অগ্রগতির’ ঘোষণার পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৪](https://sarakhon.com/news/180162/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ঘোষণা দেওয়ার পরও গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। রবিবার টানা দ্বিতীয় দিনের হামলায় অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। দুটি এলাকায় পৃথক হামলা ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গাজা সিটি এবং মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় পৃথক হামলা চালায়। দেইর আল-বালাহে একটি আবাসিক ভবনে হামলায় এক দম্পতি নিহত হন এবং আরও চারজন আহত হন। অন্যদিকে গাজা সিটিতে আরেকটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় দুইজন নিহত হন, যাদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন উদ্যোগ গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেন, গত বছরের গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় বড় - [ট্রাম্প আপাতত নতুন হামলা স্থগিত, দ্রুত সমঝোতার আশা; পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের](https://sarakhon.com/news/180159/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতা সম্ভব হলে তিনি আপাতত নতুন করে সামরিক হামলা চালাবেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে আনা এবং বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া। শনিবার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশ একটি চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য সময় চেয়েছে। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পরিকল্পিত হামলা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, দ্রুত সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি আবারও বদলে যেতে পারে। ইরানের কঠোর সতর্কবার্তা এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন - [যুক্তরাষ্ট্র–জাপানের যৌথ পদক্ষেপে ইয়েনের পতন ঠেকানোর ঘোষণা আসছে](https://sarakhon.com/news/180156/): জাপান আগামী সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিতে যাচ্ছে যে, দেশটি এবং যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে ইয়েনের টানা দরপতন ঠেকাতে যৌথ পদক্ষেপ নিয়েছে। জাপান সরকারের দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রগুলোর মতে, জাপানের অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাটায়ামা জানাবেন যে, দুই দেশ মিলে এমন সময় এই পদক্ষেপ নিয়েছে, যখন ইয়েনের মূল্য ডলারের বিপরীতে প্রায় চার দশকের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তিনি অতিরিক্ত দরপতন ঠেকাতে টোকিও ও ওয়াশিংটনের দৃঢ় অবস্থানের কথাও তুলে ধরবেন। একটি সূত্র জানায়, এটি কেবল অতীতের কোনো পদক্ষেপ নয়, বরং কার্যক্রম এখনো চলমান। সংবেদনশীলতার কারণে সূত্রগুলো নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হয়নি। দীর্ঘদিন পর বিরল যৌথ হস্তক্ষেপ বাজারসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, - [ট্রাম্পের সঙ্গেই দ্বিমত তাঁর বিচার বিভাগ! লিংকন মেমোরিয়ালের জলাধার ঘিরে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180153/): সংস্কারের ত্রুটি, নাকি ভাঙচুর? হোয়াইট হাউস ও বিচার বিভাগের অবস্থান এখন মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের প্রশাসনের বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যেই প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন, জলাধারের ক্ষতির মূল কারণ ছিল ‘ভাঙচুর’, নির্মাণগত ত্রুটি নয়। বিচার বিভাগের প্রতিবেদনে ভিন্ন চিত্র শুক্রবার আদালতে দাখিল করা এক নথিতে ওয়াশিংটন ডিসির মার্কিন অ্যাটর্নি জিনিন পিরো এবং সহকারী অ্যাটর্নি মাইকেল স্পেন্স জানান, নতুন প্রাপ্ত সরকারি নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জলাধারের আস্তরণ বসানোর কাজ তাড়াহুড়ো করে এবং ত্রুটিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। স্থাপনের সময় থেকেই একাধিকবার আস্তরণ উঠে যাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং পরে - [ব্রড পিকে তুষারধসে নিহত কিংবদন্তি পর্বতারোহী নির্মল পুরজা](https://sarakhon.com/news/180150/): বিশ্বের অন্যতম খ্যাতিমান নেপালি পর্বতারোহী নির্মল ‘নিমসদাই’ পুরজা পাকিস্তানের ব্রড পিকে অভিযান চলাকালে তুষারধসে নিহত হয়েছেন। শনিবার তার অভিযান-আয়োজক প্রতিষ্ঠান এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই দুর্ঘটনায় আরও নয়জন পর্বতারোহীর মৃত্যু হয়েছে। রেকর্ড গড়া এক অভিযাত্রার করুণ সমাপ্তি অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান জানায়, ৪৩ বছর বয়সী নির্মল পুরজা ব্রড পিকে তুষারধসের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি গভীর শোক প্রকাশ করে জানায়, অভিযানের আরও কয়েকজন সদস্যও এই দুর্ঘটনায় বেঁচে নেই। বিশ্বজুড়ে ‘নিমসদাই’ নামে পরিচিত নির্মল পুরজা ২০১৯ সালে মাত্র ছয় মাসে বিশ্বের ১৪টি আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পর্বত জয় করে ইতিহাস গড়েছিলেন। পরে তার এই অসাধারণ যাত্রা নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশের পর তিনি - [ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ৩০০-এর বেশি হিসাব বন্ধ: অর্থপাচারবিরোধী পর্যালোচনার কথা জানাল ক্যাপিটাল ওয়ান](https://sarakhon.com/news/180144/): যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক ক্যাপিটাল ওয়ান জানিয়েছে, ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ৩০০টিরও বেশি ব্যাংক হিসাব বন্ধ করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কারণে নয়; বরং অর্থপাচার প্রতিরোধসংক্রান্ত (এএমএল) বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘ পর্যালোচনার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছিল। আদালতে দাখিল করা নথিতে ব্যাংকটি প্রথমবারের মতো এই ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে। আদালতে ব্যাংকের অবস্থান ফ্লোরিডার একটি ফেডারেল আদালতে চলমান মামলায় ক্যাপিটাল ওয়ান দাবি করেছে, ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের হিসাব বন্ধের আগে কয়েক মাস ধরে তাদের অর্থপাচারবিরোধী দল লেনদেন পর্যালোচনা করে। ব্যাংকের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত তাদের নিজস্ব নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নেওয়া হয়। তবে ব্যাংকটি স্পষ্ট করেছে, তারা কখনও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে অর্থপাচারে জড়িত বলে অভিযোগ করেনি। তাদের বক্তব্য, কেবল ঝুঁকি মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই - [তিন ঘটনা থেকে যেভাবে ভৈরবে স্থানীয় দ্বন্দ্ব হয়ে গেল ‘জাতীয়’ দুর্ভোগ](https://sarakhon.com/news/180142/): তিন ঘটনা থেকে যেভাবে ভৈরবে স্থানীয় দ্বন্দ্ব হয়ে গেল ‘জাতীয়’ দুর্ভোগ প্রথম আলো, স্থানীয় বিরোধ কীভাবে ‘জাতীয়’ দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে, তার উদাহরণ ভৈরবের সাম্প্রতিক তিনটি ঘটনা। ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে স্থানীয় দুটি এলাকার মানুষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে প্রথম ঘটনার সূত্রপাত। দ্বিতীয় ঘটনার নেপথ্যে মাইক্রোবাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ। আর তৃতীয় ঘটনার পেছনে কাজ করেছে একটি বাজারের নামকরণ নিয়ে বিরোধ। গত দেড় মাসের এই তিন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেটসহ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে এক দিন টানা ছয় ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। আরেক দিন সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। আর তৃতীয় ঘটনায় মানুষের বাড়ি–ঘরে আগুন দেওয়া হয়। সম্পদের - [মস্কোর অভিজাত রেস্তোরাঁর সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩, আহত অন্তত ২১](https://sarakhon.com/news/180140/): সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে রক্তাক্ত বিস্ফোরণ রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি অভিজাত ইতালীয় রেস্তোরাঁর সামনে শক্তিশালী বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন নিহত এবং ২১ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সময় রাত আটটার ঠিক আগে কুদ্রিনস্কায়া স্কয়ারে অবস্থিত ঐতিহাসিক স্ট্যালিন-যুগের একটি বহুতল ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি হাতে তৈরি বিস্ফোরক বহনকারী এক নারী রেস্তোরাঁয় প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। নিরাপত্তারক্ষী তাকে বাধা দিলে মুহূর্তের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তারক্ষী ও বিস্ফোরক বহনকারী নারী রুশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণে নিহত তিনজন হলেন নিরাপত্তারক্ষী, বিস্ফোরক বহনকারী নারী এবং রেস্তোরাঁর এক অতিথি। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর - [ইউরোপের স্বপ্ন ভেঙে ফিরছেন অভিবাসীরা, ক্ষুধা-হতাশায় সিউটা ছাড়ছে হাজারো মানুষ](https://sarakhon.com/news/180137/): স্বপ্নের পথে পা, বাস্তবে ক্ষুধা আর হতাশা ইউরোপে নতুন জীবনের আশায় মরক্কো থেকে স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সিউটায় ঢুকে পড়া বহু অভিবাসী মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ফিরে যেতে শুরু করেছেন। তাদের অভিযোগ, সেখানে পৌঁছে তারা খাবার পাননি, সামনে এগোনোর কোনো সুযোগও ছিল না। ক্ষুধা, ক্লান্তি এবং স্থানীয়দের বিরূপ আচরণ তাদের ইউরোপের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওই ছিল বড় প্রলোভন ফিরে আসা অনেক অভিবাসী জানিয়েছেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং বন্ধুদের বার্তা দেখে তারা বিশ্বাস করেছিলেন, কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও সীমান্ত পার হওয়া সম্ভব। সেই বিশ্বাসেই তারা সাঁতরে কিংবা বেড়া টপকে সিউটায় প্রবেশ করেন। ফেজ শহরের এক বেকারিশ্রমিক ব্রাহিম - [শুধু অনুদান নয়, টেকসই সংগীতশিল্প গড়তে বদলাতে হবে পুরো অর্থনৈতিক কাঠামো](https://sarakhon.com/news/180103/): লাইভ সংগীতশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে অনুদান, ভর্তুকি বা বিশেষ তহবিল অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এগুলো কি সমস্যার স্থায়ী সমাধান? শিল্পীরা সফরে যেতে পারছেন, কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন হচ্ছে, কিছু ভেন্যু টিকে থাকছে—এগুলো ইতিবাচক খবর। তবে প্রশ্ন হলো, যে অর্থ দিয়ে সংকট সাময়িকভাবে সামাল দেওয়া হচ্ছে, সেই অর্থ কি ভবিষ্যতে একই সংকটকে আবার ফিরে আসা থেকে আটকাতে পারছে? লাইভ সংগীতের বর্তমান সংকটকে বোঝার জন্য শুধু শিল্পী বা আয়োজকদের দিকে তাকালেই হবে না। পুরো ব্যবস্থাটিকে একসঙ্গে দেখতে হবে। কারণ একটি সফল কনসার্ট কেবল শিল্পীর পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে না; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ভেন্যু, প্রোমোটার, সাউন্ড ও লাইটিং অবকাঠামো, পরিবহন, আবাসন, বিদ্যুৎ এবং আরও অসংখ্য ব্যয়। - [স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই](https://sarakhon.com/news/180094/): বিশ্বজুড়ে স্ট্রোক এখন আর কেবল প্রবীণদের রোগ নয়; এটি জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২৫ বছরের বেশি বয়সী প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন জীবনের কোনো না কোনো সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন। এই বাস্তবতা আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট বার্তা তুলে ধরে—স্ট্রোক সম্পর্কে সচেতনতা বিলাসিতা নয়, বরং জীবন বাঁচানোর অপরিহার্য শর্ত। স্ট্রোক নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা প্রায়ই চিকিৎসা শুরুর সময়কে বিলম্বিত করে। অথচ এই রোগে প্রতিটি মিনিটের মূল্য অপরিসীম। তাই কেবল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকলেই হবে না; মানুষকে জানতে হবে কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়, কীভাবে প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করতে হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে কীভাবে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে হয়। - [চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম](https://sarakhon.com/news/180124/): স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস অঞ্চলের মনোরম গ্লেন অ্যাফ্রিক আবারও ইতিহাসের সাক্ষী হলো। প্রায় ৪০০ বছরেরও বেশি সময় পর এই অঞ্চলে প্রথমবারের মতো বুনো পরিবেশে জন্ম নিয়েছে বিভারের নতুন প্রজন্ম। সংরক্ষণবাদীরা বলছেন, এটি শুধু একটি প্রাণীর জন্ম নয়; বরং দীর্ঘদিনের পুনঃবন্যায়ন প্রচেষ্টার এক বড় সাফল্যের প্রতীক। চার শতাব্দীর অপেক্ষার অবসান সংরক্ষণ সংস্থা ট্রিজ ফর লাইফ জানিয়েছে, লক বেইন আ মেহধোইন এলাকায় অন্তত দুটি বিভারশাবকের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে। বিভারের বাচ্চাদের সাধারণভাবে “কিট” বলা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের মে বা জুন মাসে তাদের জন্ম হয়েছে এবং গত কয়েক সপ্তাহে তারা প্রথমবারের মতো নিজেদের আশ্রয় থেকে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। এই ঘটনাকে স্কটল্যান্ডের প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারের পথে একটি - [‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা](https://sarakhon.com/news/180131/): অধিকৃত পশ্চিম তীরে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এক ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর প্রকাশ্য উসকানিমূলক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তিনি প্রতিবেশী ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছেন, “সবাইকে হত্যা করতে হবে।” মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এমন বক্তব্য চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দিতে পারে এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তাকে গুরুতর ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এক সংঘর্ষের পর বাড়তে থাকে উত্তেজনা গত ১৮ জুলাই পশ্চিম তীরের তাল গ্রামে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায়। ওই ঘটনায় হাভাত গিলাদ বসতির একজন নিরাপত্তারক্ষী, চারজন ফিলিস্তিনি এবং একজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হন। তবে সংঘর্ষের সূচনা কীভাবে হয়েছিল, তা নিয়ে এখনো ভিন্নমত রয়েছে এবং বিষয়টি - [এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা?](https://sarakhon.com/news/180128/): যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা এমঅ্যান্ডএস (মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার)-এর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অ্যান সামার্সের খোলা-অংশের নারীদের অন্তর্বাস বিক্রি শুরু হতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। কেউ এটিকে রুচিবিরুদ্ধ বলে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ বলছেন এটি আধুনিক ফ্যাশন ও ক্রেতাদের পরিবর্তিত চাহিদারই প্রতিফলন। তবে খুচরা বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি যতটা বিতর্কিত বলে মনে হচ্ছে, বাস্তবে এটি ততটা অস্বাভাবিক নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরেই এমঅ্যান্ডএস বিভিন্ন ধরনের অন্তর্বাস বিক্রি করে আসছে এবং নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নিয়মিত নতুন পণ্য ও ব্র্যান্ড যুক্ত করছে। পরিবর্তিত ক্রেতা, পরিবর্তিত বাজার একসময় এমঅ্যান্ডএসের অন্তর্বাসকে অনেকেই মধ্যবয়সী নারীদের পছন্দের পণ্য হিসেবে দেখতেন। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই ধারণায় বড় - [প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180118/): অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি ইসরায়েলি বসতি থেকে উঠে আসা এক বাসিন্দার বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এনেছে অঞ্চলটির দীর্ঘদিনের সংঘাত, দখলনীতি এবং ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বাস্তবতা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ডকে ন্যায্য বলে দাবি করেন। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে। উত্তেজনার পেছনের রক্তক্ষয়ী ঘটনা সম্প্রতি পশ্চিম তীরের হাভাত গিলাদ এলাকার কাছে সংঘর্ষে একটি ইসরায়েলি নিরাপত্তারক্ষী নিহত হন। ওই ঘটনায় চার ফিলিস্তিনি এবং এক ইসরায়েলি সেনাও প্রাণ হারান। সংঘর্ষ কীভাবে শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের বর্ণনায় ভিন্নতা রয়েছে। এই ঘটনার পর আশপাশের কয়েকটি ফিলিস্তিনি গ্রামে একের পর এক হামলার অভিযোগ ওঠে। এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে - [ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা?](https://sarakhon.com/news/180121/): ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা আবারও নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে একটি পাহাড়—‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যেই এই পাহাড়ের নিচে থাকা সন্দেহভাজন স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট ছবিতে সেখানে নতুন নির্মাণকাজের চিহ্ন দেখা যাওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলেও বাড়ছে কৌতূহল ও উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্থাপনাটি শুধু একটি সামরিক ঘাঁটি নয়; এটি ভবিষ্যতে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। যদিও তেহরান দাবি করছে, সেখানে কোনো ধরনের পারমাণবিক কার্যক্রম চলছে না। কোথায় এই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন? ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত পাহাড়টির প্রকৃত নাম ‘কুহ-ই কোলাং’। এটি ইরানের বৃহত্তম ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নাতাঞ্জের ঠিক - [ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল](https://sarakhon.com/news/180112/): যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের ঐতিহাসিক লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুলে ভাঙচুরের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক অলিম্পিক ক্যানোয়িস্ট ডেভিড হার্নের বিরুদ্ধে আনা মামলা প্রত্যাহার করেছে মার্কিন সরকার। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে প্রসিকিউটররা স্বীকার করেছেন, যে ক্ষতিকে এতদিন ভাঙচুর বলে দাবি করা হচ্ছিল, সেটি আসলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ত্রুটিপূর্ণ ও তড়িঘড়ি করা সংস্কারকাজের ফল। এই স্বীকারোক্তি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের বক্তব্যের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, “বিকৃত মানসিকতার” ভাঙচুরকারীরাই পুলের ক্ষতি করেছে। যে অভিযোগে হতে পারত ১০ বছরের কারাদণ্ড গত মাসে গ্রেপ্তার হওয়া ডেভিড হার্নের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছিল, যাতে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। কিন্তু শুক্রবার আদালতে দাখিল করা - [গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি](https://sarakhon.com/news/180115/): যুক্তরাজ্যের সমুদ্রতলের এক বিরল সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের অবসান ঘটেছে। অবশেষে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন, বহু বছর ধরে রহস্য হয়ে থাকা একটি ক্ষুদ্র গোলাপি ডোরাকাটা সামুদ্রিক শৈবাল আসলেই বিজ্ঞানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি। এই আবিষ্কার শুধু একটি নতুন জীবের পরিচয়ই দেয়নি, বরং সমুদ্রের নাজুক বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের গুরুত্বও নতুন করে সামনে এনেছে। চার দশক আগে শুরু হওয়া এক রহস্য প্রায় ৪০ বছর আগে, গবেষক অধ্যাপক ক্রিস্টিন ম্যাগস তাঁর পিএইচডি গবেষণার সময় কর্নওয়ালের সমুদ্রতলের একটি বিরল শৈবাল-সমৃদ্ধ এলাকায় কাজ করছিলেন। সেখানে তিনি গোলাপি ডোরাকাটা, অত্যন্ত ছোট একটি শৈবালের নমুনা দেখতে পান, যা আগে কখনও তাঁর চোখে - [মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি?](https://sarakhon.com/news/180108/): মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য সম্ভবত এটাই—আমরা বেঁচে থাকার জন্য এত ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে বেঁচে থাকাটাই আর হয়ে ওঠে না। প্রতিদিনের শুরু হয় উদ্বেগ দিয়ে, শেষ হয় ক্লান্তি দিয়ে। আয়ের হিসাব, ঋণের কিস্তি, পদোন্নতির লড়াই, বড় বাড়ি, নতুন গাড়ি, সামাজিক মর্যাদা, অন্যের চেয়ে এগিয়ে থাকার অদৃশ্য প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে জীবন যেন এক অবিরাম দৌড়। কিন্তু এই দৌড়ের শেষ কোথায়, সেই প্রশ্নটি করার অবকাশ আমরা নিজেদেরই দিই না। আমরা ধরে নিই, সময় আমাদের জন্য অপেক্ষা করে আছে। অথচ বাস্তবতা ঠিক উল্টো। সময় নয়, আমরা নিজেরাই নিরন্তর এগিয়ে যাচ্ছি এমন এক গন্তব্যের দিকে, যেখান থেকে আর ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। মহাকাশের যাত্রী, - [প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/180109/): যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ শৃঙ্খল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো জোরদারের উদ্যোগ ‘প্যাক্স সিলিকা’-তে ফিলিপাইনের অন্তর্ভুক্তিকে সরকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য কমানোর বড় সুযোগ হিসেবে তুলে ধরছে। তবে এ উদ্যোগ নিয়ে দেশটির নীতিনির্ধারণী মহলে ভিন্নমতও রয়েছে। সমালোচকদের মতে, ঘোষিত সম্ভাবনার তুলনায় বাস্তব সুফল অনেক সীমিত হতে পারে এবং এর সঙ্গে অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিও জড়িয়ে আছে। অস্থায়ী কর্মসংস্থানের শঙ্কা সমালোচকদের মতে, প্যাক্স সিলিকার আওতায় যে কর্মসংস্থানের কথা বলা হচ্ছে, তার বড় অংশই নির্মাণপর্বকেন্দ্রিক এবং প্রকল্প শেষ হলে সেসব চাকরিরও অবসান ঘটবে। অন্যদিকে সেমিকন্ডাক্টর ও এআই শিল্প অত্যন্ত স্বয়ংক্রিয় হওয়ায় সাধারণ শ্রমিকের চাহিদা তুলনামূলক কম। ফলে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল - [যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর শেষ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার](https://sarakhon.com/news/180100/): দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর তিন দিনের বাংলাদেশ সফর শেষ করেছেন। ৩০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সফরে তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরও পরিদর্শন করেন। সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ঢাকার প্রেস ও পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সেলর মনিকা শির বরাত দিয়ে জানানো হয়, ঢাকা অবস্থানকালে বিশেষ দূত সার্জিও গর প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে প্রভাবিত করা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় - [সঙ্গীতের গণ্ডি ভেঙে নিজেদের পথ: স্বাধীন ব্যান্ড দ্য অ্যারিস্টোক্র্যাটসের সাফল্যের গল্প](https://sarakhon.com/news/180026/): প্রচলিত সঙ্গীতধারা, রেকর্ড লেবেলের নির্ভরতা কিংবা বাজারের প্রচলিত নিয়ম—কোনোটিকেই নিজেদের জন্য বাধ্যতামূলক মনে করে না ইনস্ট্রুমেন্টাল রক ব্যান্ড দ্য অ্যারিস্টোক্র্যাটস। ব্যান্ডটির সদস্যদের মতে, তাদের লক্ষ্য কেবল জটিল ও ব্যতিক্রমধর্মী সঙ্গীত পরিবেশন নয়, একই সঙ্গে দর্শকদের আনন্দ দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের অনুপ্রাণিত করা। স্বাধীনভাবে পথচলা বেস গিটারিস্ট ব্রায়ান বেলারের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যান্ডটি শুরু থেকেই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের রেকর্ডিং, প্রকাশনা, বিপণন ও সফর পরিচালনা করে আসছে। কোনো রেকর্ড লেবেলের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে নিজেদের সৃষ্টিশীল স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখাকেই তারা অগ্রাধিকার দিয়েছে। তাদের বিশ্বাস, নিজের কাজের মালিকানা ধরে রাখাই দীর্ঘমেয়াদে শিল্পীর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গান তৈরির ভিন্ন পদ্ধতি ব্যান্ডটির তিন সদস্য আলাদা আলাদাভাবে - [যুদ্ধের পরিসংখ্যানের আড়ালে যে মানুষগুলো থাকে](https://sarakhon.com/news/180091/): যুদ্ধ নিয়ে জনপরিসরের বিতর্ক প্রায়ই কৌশল, ভূরাজনীতি, সামরিক সক্ষমতা কিংবা রাষ্ট্রের স্বার্থকে ঘিরে আবর্তিত হয়। কোথায় হামলা হলো, কতটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলো, কোন পক্ষ কৌশলগত সুবিধা পেল—এসব বিশ্লেষণই সংবাদ শিরোনাম দখল করে। কিন্তু প্রতিটি সামরিক সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে কিছু মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, অপেক্ষা, ভয় এবং অনিশ্চয়তা। যুদ্ধকে যারা দূর থেকে দেখে, তাদের কাছে এটি একটি রাজনৈতিক প্রশ্ন হতে পারে; কিন্তু যাদের প্রিয়জন যুদ্ধক্ষেত্রে, তাদের কাছে প্রতিটি দিন একটি ব্যক্তিগত পরীক্ষা। আমার ছোট বোন প্রায় দুই দশক ধরে সামরিক বাহিনীতে কাজ করছে। এই দীর্ঘ সময়ে সে নানা দেশে এবং বিভিন্ন ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালন করেছে। কয়েক মাস আগে তাকে মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঘাঁটিতে পাঠানো - [ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের বিশ্বকাপ আক্ষেপ: ৪৫৪ অভিষেক, ১৫ কোচ, তবু অধরাই শিরোপা](https://sarakhon.com/news/180088/): ১৯৬৬ সালের ৩০ জুলাই ওয়েম্বলিতে অধিনায়ক ববি মুর যখন জুলে রিমে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন, তখন খুব কম মানুষই কল্পনা করেছিলেন যে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ইংল্যান্ডকে আরও অন্তত ৬০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু সেই অপেক্ষা এখনও শেষ হয়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষ মুহূর্তে এগিয়ে থেকেও লিওনেল মেসি-প্রেরিত আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙেছে টমাস টুখেলের দলের। এই ছয় দশকে ফুটবল বদলেছে, ব্রিটেন বদলেছে, বদলেছে বিশ্বও। কিন্তু বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ভাগ্য যেন একই জায়গায় আটকে আছে। নতুন মুখের দীর্ঘ তালিকা ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ড জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে ৪৫৪ জন ফুটবলারের। ১৯৬৭ সালে স্পেনের বিপক্ষে জন হলিন্স ছিলেন এই সময়ের - [ব্রড পিকে তুষারধস: নিখোঁজ ৭ আরোহীর সন্ধানে আবারও উদ্ধার অভিযান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/180085/): পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলের ব্রড পিকে ভয়াবহ তুষারধসের পর নিখোঁজ সাত পর্বতারোহীর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান আবারও শুরু হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও শনিবার সকালে নতুন করে স্থল ও আকাশপথে অনুসন্ধান শুরু হয়। এর আগে শুক্রবার তিন পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার করে স্কারদুতে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন ওমানের নাধিরা আহমেদ আবদুল্লাহ আল হার্থি, নেপালের পুর বাহাদুর গুরুং এবং যুক্তরাষ্ট্রের ম্যালরি গেইস। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন নেপালের পাঁচ পর্বতারোহী—বিশ্বখ্যাত আরোহী নির্মল পুরজা, কিলি পেম্বা শেরপা, নিমা শেরপা, নাওয়াং থিন্ডু শেরপা ও গিয়ালু শেরপা। এছাড়া পাকিস্তানের সোহাইল সাখি এবং চীনের ওয়াং ঝংও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান জোরদার স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য - [আলজেরিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৪ বাংলাদেশি, অবৈধ অবস্থানের অভিযোগে আটক ছিলেন](https://sarakhon.com/news/180082/): আলজেরিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগে আটক চার বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বৈধ ভিসা ও কর্মঅনুমতি ছাড়া আলজেরিয়ায় অবস্থানের অভিযোগে দেশটির পুলিশ তাদের আটক করেছিল। বাংলাদেশ দূতাবাসের তৎপরতা বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি আলজেরিয়ার পুলিশ মোট ১৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করে। তাদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা যায়। আলজেরীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পরপরই আলজিয়ার্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। আটক বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় একজন আইনজীবী নিয়োগ দেয় দূতাবাস। নিয়মিত আইনি সহায়তা ও অনুসরণ - [ভাঁজযোগ্য ফোনের লড়াইয়ে স্যামসাং এগিয়ে, কিন্তু শেষ জয় নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার গল্পে](https://sarakhon.com/news/180079/): স্যামসাং আবারও দেখিয়ে দিল, ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন আর পরীক্ষামূলক প্রযুক্তি নয়; এটি এখন পরিণত একটি পণ্যের শ্রেণি। নতুন গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড৮ আল্ট্রা, ফোল্ড৮ এবং ফ্লিপ৮ উন্মোচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শুধু নতুন হার্ডওয়্যার বাজারে আনেনি, বরং একটি বড় কৌশলগত বার্তাও দিয়েছে—ভবিষ্যতের মোবাইল অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দু হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরস্পর সংযুক্ত ডিভাইসের একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম। তবে প্রযুক্তি শিল্পে নেতৃত্ব ধরে রাখা কখনোই কেবল উন্নত যন্ত্র তৈরির বিষয় নয়। বাজারে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পর সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো মানুষকে বোঝানো যে নতুন প্রযুক্তি তাদের দৈনন্দিন জীবনকে সত্যিই বদলে দিতে পারে। আর সেখানেই এখন স্যামসাংয়ের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। প্রায় আট বছরের ধারাবাহিক উন্নয়নের পর স্যামসাংয়ের ভাঁজযোগ্য ফোনগুলো আগের - [চ্যাটজিপিটিকে শুধু প্রশ্ন নয়, বলুন ‘আমাকে মুগ্ধ করো’—ওপেনএআই কর্মকর্তার ভিন্নধর্মী পরামর্শ](https://sarakhon.com/news/180073/): ‘আমাকে মুগ্ধ করো’—একটি অদ্ভুত কিন্তু আকর্ষণীয় নির্দেশ চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করার সময় অধিকাংশ মানুষ নির্দিষ্ট প্রশ্ন করেন বা কাজের নির্দেশ দেন। কিন্তু ওপেনএআইয়ের পণ্য ব্যবস্থাপক টাই জেরির একটি ভিন্ন অভ্যাস রয়েছে। তিনি প্রায়ই চ্যাটজিপিটিকে বলেন, “আমাকে মুগ্ধ করো।” তবে তিনি নিজেই মনে করেন, ভবিষ্যতে এমন নির্দেশ দেওয়ারও প্রয়োজন থাকবে না। কারণ তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলোর এমনিতেই ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ মানের উত্তর দিয়ে মুগ্ধ করার চেষ্টা করা উচিত। মনের সব কথা একসঙ্গে বলে ফেলেন টাই জেরি জানান, তিনি অনেক সময় দীর্ঘ সময় ধরে নিজের ভাবনাগুলো মুখে বলে যান। ফোনে কথাকে লেখায় রূপান্তরের সুবিধা চালু করে তিনি চ্যাটজিপিটির সঙ্গে যেন নিজের চিন্তার সঙ্গী হিসেবে কথা - [মোদিকে ‘স্বৈরশাসক হতে শেখার’ কটাক্ষ শেহজাদের, টানলেন রাহুল-ইন্দিরা প্রসঙ্গ](https://sarakhon.com/news/180074/): ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন বিজেপির সাবেক মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, মোদি “ঠিকমতো স্বৈরশাসক হতে পারেননি” এবং এ জন্য তাঁকে রাহুল গান্ধীর কাছ থেকে “শেখার” পরামর্শ দেন। তাঁর এই মন্তব্য মূলত সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিতর্ক এবং জরুরি অবস্থার (ইমার্জেন্সি) প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে। ক্ষমা করার প্রসঙ্গ টেনে ব্যঙ্গ ভিডিওতে শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১২ বছর পার করেও নরেন্দ্র মোদি “একজন প্রকৃত স্বৈরশাসকের মতো আচরণ করতে ব্যর্থ” হয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, সম্প্রতি যেসব তরুণ বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রী, সাংবিধানিক পদধারী ব্যক্তিদের এবং তাঁর মাকে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার - [বিদ্যুৎ বিভ্রাট হবে অতীত? কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ গ্রিডে বড় পরিবর্তনের পথে চীন](https://sarakhon.com/news/180065/): বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আরও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবার কোয়ান্টাম প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে চীন। একটি উপকেন্দ্রে সফল পরীক্ষার পর দেশটি ধাপে ধাপে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। সফল পরীক্ষার পর বড় পরিকল্পনা চীনের আনহুই প্রদেশের হেফেই শহরের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে টানা ১৮ মাস ধরে কোয়ান্টাম প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার চালানো হয়। পরীক্ষায় দেখা গেছে, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার যন্ত্রপাতিতে ত্রুটি বা সম্ভাব্য সমস্যা খুব দ্রুত শনাক্ত ও নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সাফল্যের ভিত্তিতেই চীন এখন দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে কোয়ান্টামভিত্তিক - [করাচিতে হালকা বৃষ্টি, সোমবার পর্যন্ত আরও ঝরার পূর্বাভাস পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগের](https://sarakhon.com/news/180068/): করাচির বিভিন্ন এলাকায় শনিবার হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) জানিয়েছে, আগামী সোমবার পর্যন্ত শহরটিতে দফায় দফায় আরও বৃষ্টি হতে পারে। সারাক্ষণ রিপোর্ট শনিবার গুলশান-ই-মায়মার, গুলশান-ই-হাদিদ, সুপার হাইওয়ে এবং আশপাশের এলাকায় হালকা বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আজ থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত করাচিতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টিপাত এবং ধুলিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমা আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাব পিএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলে সক্রিয় একটি পশ্চিমা আবহাওয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়ে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত করাচিতে বিরতি দিয়ে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টি, ধুলিঝড় এবং বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা - [শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ](https://sarakhon.com/news/180059/): রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাকিবুল হোসেন (২৯) নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আরও ৪৯ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. মমিনুল ইসলাম গত ১৩ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সার্বিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় উপস্থিত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি অথবা যাদের নাম অসৎ উদ্দেশ্যে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে, তাদের অব্যাহতির - [পাকিস্তানের দাবি: ‘বেলুচিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির’ ধারণা পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে](https://sarakhon.com/news/180056/): পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী দাবি করেছেন, বেলুচিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে—এমন একটি ধারণা ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা হচ্ছে। শুক্রবার দেশটির সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বিশেষ করে বেলুচিস্তান নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ও পরিসংখ্যান আইএসপিআরের মহাপরিচালক জানান, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও সশস্ত্র বাহিনী যৌথভাবে মোট ৪০ হাজার ৩৪৮টি গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ৩১ হাজারেরও বেশি অভিযান হয়েছে বেলুচিস্তানে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে পাকিস্তানে মোট ৩ হাজার ১৪৫টি সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১ - [ঢাকায় সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১,৩৮৪: পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ৮০ শতাংশের বেশি](https://sarakhon.com/news/180050/): ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় ১,৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১,৩৮৪ জন নিহত এবং ২,৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি ছিলেন পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহী। নিহতদের মধ্যে ১,০৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী এবং ১৩১ জন শিশু। মোট নিহতের ৭৪ দশমিক ৭১ শতাংশ পুরুষ, ১৫ দশমিক ৮২ শতাংশ নারী এবং ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ শিশু। পথচারীরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আরএসএফের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারিয়েছেন পথচারীরা। মোট নিহতের মধ্যে ৫৯২ জন পথচারী, যা মোট মৃত্যুর ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ ছাড়া মোটরসাইকেল - [এআই কি সত্যিই কাজ সহজ করছে, নাকি বাড়াচ্ছে মানসিক অবসাদ? উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/180053/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত কর্মক্ষেত্রের চিত্র বদলে দিচ্ছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এআই একঘেয়ে ও সময়সাপেক্ষ কাজ কমিয়ে মানুষের উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং কাজের চাপও হালকা করবে। কিন্তু বাস্তবে অনেক উদ্যোক্তা ও নতুন ব্যবসার প্রতিষ্ঠাতা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, এআই ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের গতি বেড়েছে ঠিকই, তবে মানসিক ক্লান্তি ও অবসাদও বেড়েছে আগের তুলনায় অনেক বেশি। মনোবিজ্ঞানী ও মানসিক দৃঢ়তা বিষয়ক প্রশিক্ষক অ্যামি মরিনের মতে, এআই কাজকে সহজ করলেও এটি মানুষের কর্মজীবনে এমন কিছু পরিবর্তন এনেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তারা এই পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছেন। ছোট বিরতিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে আগে দিনের কাজের - [বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে ট্রাক-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪](https://sarakhon.com/news/180047/): বগুড়ার কাহালু উপজেলায় বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে কাজীপাড়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা ৫০ বছর বয়সী মাছ ব্যবসায়ী লুৎফুর রহমান, যিনি তাইয়ব আলীর ছেলে। বাকি তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনা যেভাবে ঘটল কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে নওগাঁগামী পণ্যবোঝাই একটি ট্রাক একটি মানবহলারকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় পিকআপ ভ্যানে থাকা চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। উদ্ধার - [কাজী সালাউদ্দিন আবারও সাফ সভাপতি নির্বাচিত](https://sarakhon.com/news/180027/): দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)-এর সভাপতি হিসেবে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন কাজী মো. সালাউদ্দিন। পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর কাজী সালাউদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়েছে সাফ। সংস্থাটি বলেছে, এই অর্জন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের উন্নয়নে তার নিষ্ঠা, দূরদর্শিতা এবং অব্যাহত অঙ্গীকারেরই স্বীকৃতি। অভিনন্দন বার্তা শনিবার সাফ তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় জানায়, কাজী সালাউদ্দিনের পুনর্নির্বাচন তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল উন্নয়নে তার দীর্ঘদিনের অবদান এবং অটল প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি। নতুন মেয়াদ নিয়ে প্রত্যাশা সাফ আশা প্রকাশ করেছে, কাজী সালাউদ্দিনের নতুন মেয়াদে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে আরও অগ্রগতি, পারস্পরিক ঐক্য এবং সাফল্য অর্জিত হবে। সংস্থাটি বিশ্বাস করে, - [মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে ‘বোমাসদৃশ’ বস্তু, পরীক্ষা শেষে মিলল জর্দার কৌটা; আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান](https://sarakhon.com/news/180044/): রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শনিবার সকালে দুটি পরিত্যক্ত বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে যাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে—উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর কোনোটিই বিস্ফোরক নয়। তাই গুজবে কান না দিয়ে জনসাধারণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযান ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা জোরদার করে। মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সন্দেহজনক একটি ব্যাগ পাওয়া গেলে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রথমে সেটির এক্স-রে - [স্কুলে ফেরার ঘণ্টা বাজছে, কিন্তু এবার ছুটি শেষ হোক—মন চাইছে না](https://sarakhon.com/news/180041/): একসময় গ্রীষ্মের ছুটি শেষ হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনতেন তিনি। সন্তানদের আবার স্কুলে পাঠাতে পারলে যেন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা যেত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই অনুভূতি বদলে গেছে। এখন তাঁর দুই ছোট সন্তান একাদশ শ্রেণিতে উঠছে, আর স্কুল খোলার দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই মনে হচ্ছে—আর যদি এক সপ্তাহ ছুটি থাকত! মা হওয়ার অভিজ্ঞতা সময়ের সঙ্গে কীভাবে বদলে যায়, সেই অনুভূতির কথাই তুলে ধরেছেন এক মার্কিন মা। ছোটবেলার গ্রীষ্ম ছিল অন্যরকম সন্তানরা যখন ছোট ছিল, তখন গ্রীষ্মের ছুটি যেমন আনন্দের ছিল, তেমনি ছিল ক্লান্তিকরও। সারাদিনের হৈচৈ, বারবার খাবারের আবদার, ঘরের অগোছালো অবস্থা আর একের পর এক ছোটখাটো দুষ্টুমি—সব মিলিয়ে আগস্ট এলেই তিনি - [নিরাপত্তারক্ষীর সংকট, সমাধানে রোবট কুকুর ও ড্রোনের দিকে ঝুঁকছে প্রতিষ্ঠানগুলো](https://sarakhon.com/news/180038/): নিরাপত্তারক্ষী ধরে রাখা এখন অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মী ছেড়ে যাওয়ার হার বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রোবট কুকুর, স্বয়ংক্রিয় ড্রোন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর টহল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প নয়; বরং নিরাপত্তারক্ষীদের ঝুঁকিপূর্ণ ও একঘেয়ে কাজ কমিয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করছে। কর্মী ধরে রাখাই সবচেয়ে বড় সমস্যা যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ লাখ মানুষ নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন কর্মী নিয়োগের প্রধান কারণ নতুন পদ সৃষ্টি নয়, বরং চাকরি ছেড়ে যাওয়া কর্মীদের স্থান পূরণ করা। গবেষণায় বলা হয়েছে, - [গাজা নিয়ে নতুন রোডম্যাপ চুক্তি](https://sarakhon.com/news/180035/): মার্কিন মধ্যস্থতায় ২০২৫ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, তার পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপটি বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধ, গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক হামলা এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের ক্রম নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে বহু মাস ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছিল। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে একটি “ঐতিহাসিক” অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, ইসরায়েল সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই রোডম্যাপ অনুমোদন করেনি। অন্যদিকে হামাস জোর দিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতির অধীনে ইসরায়েল তার দায়বদ্ধতা পূরণ করলেই কেবল এই চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। নতুন চুক্তিতে কী রয়েছে? বোর্ড অব পিসের বিবৃতি অনুযায়ী, কয়েক মাসের - [ফিফার পিছু হটা: বিশ্বকাপ কি শুধু একটি টুর্নামেন্ট, নাকি বৈশ্বিক ফুটবলের যৌথ সম্পদ?](https://sarakhon.com/news/180032/): বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে অর্থ, ক্ষমতা এবং রাজনীতির সংঘর্ষ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাটি দেখিয়ে দিল, ফুটবলের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ—বিশ্বকাপ—নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত অবস্থান উপেক্ষা করা সহজ নয়। বিশ্বকাপের মালিকানার অংশ বিক্রির পরিকল্পনা থেকে ফিফার সরে আসা কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তন নয়; এটি ফুটবল শাসনের সীমা, বৈধতা এবং গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে প্রস্তাবটি ফুটবল পরিবারকে একত্রিত করার বদলে বিভক্ত করছে। অথচ মাত্র একদিন আগেও সংস্থাটি এই পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল। এই দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন দেখায়, কখনও কখনও সংগঠনের আনুষ্ঠানিক ক্ষমতার - [গাজায় শান্তির নতুন জানালা, নাকি আরেকটি অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি?](https://sarakhon.com/news/180029/): ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উঠছে শান্তির এক নতুন প্রশ্ন বহু মাসের রক্তক্ষয়, অসংখ্য প্রাণহানি এবং সীমাহীন মানবিক বিপর্যয়ের পর আবারও গাজাকে ঘিরে শান্তির সম্ভাবনার একটি নতুন আলোচনা সামনে এসেছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হামাসের সম্ভাব্য নিরস্ত্রীকরণ এবং এর বিনিময়ে গাজার দখলকৃত অংশ থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধাপে ধাপে সরে যাওয়ার ধারণা। এটি এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। বরং এমন একটি কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সূচনা, যা সফল হলে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তবে ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট আরও জটিল রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা। যুদ্ধের ক্ষত এখনো তাজা গাজার বিস্তীর্ণ এলাকা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত। হাজারো ভবন ভেঙে পড়েছে, - [নিখোঁজ মানুষের দেশে রাষ্ট্রের অনুপস্থিতি](https://sarakhon.com/news/179982/): প্রতিদিন গড়ে ১৮৩ জন মানুষ হঠাৎ করে হারিয়ে যায়। তিন বছরে সংখ্যাটি দুই লাখ ছাড়িয়ে যায়। এই পরিসংখ্যান কেবল অপরাধের একটি উপাত্ত নয়; এটি রাষ্ট্রের সক্ষমতা, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং নাগরিক সুরক্ষার প্রতি দায়বদ্ধতার এক গভীর প্রশ্নও তুলে ধরে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এত বিপুল সংখ্যক মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পরও ব্রাজিলে আজও এমন কোনো কার্যকর জাতীয় নিবন্ধন ব্যবস্থা নেই, যেখানে এই ঘটনাগুলোর তথ্য একত্রে সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়। কোনো রাষ্ট্রে মানুষ নিখোঁজ হওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে। কিন্তু যখন এটি নিয়মিত ও ব্যাপক আকার ধারণ করে, তখন সেটিকে কেবল পারিবারিক ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখার সুযোগ থাকে না। এটি জননিরাপত্তা, আইন প্রয়োগ এবং - [যুদ্ধের বিস্তার থেকে কূটনৈতিক নিঃসঙ্গতা: মধ্যপ্রাচ্যের নতুন বাস্তবতায় ইরানের কৌশলগত](https://sarakhon.com/news/179978/): মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যার প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্রের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির ওপর পড়তে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষকে শুরুতে অনেকেই একটি সীমিত সামরিক মোকাবিলা হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে সেটি এমন এক বহুমাত্রিক সংকটে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে নতুন অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের সূচনা কে করেছে—এই প্রশ্নের চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, কোন সিদ্ধান্তগুলো এমন এক বাস্তবতা তৈরি করল যেখানে সংঘাত কার্যত অনিবার্য হয়ে উঠল। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুদ্ধ সচরাচর একদিনে শুরু - [বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে প্রশান্ত কিশোরের অগ্রগতি, ‘এটাই শেষের শুরু’—বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ](https://sarakhon.com/news/180593/): বিহারের রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে ব্যাংকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোটগণনা। দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বিরোধী দলগুলো এই ফলাফলের প্রবণতাকে বিজেপির জন্য অশনিসংকেত হিসেবে তুলে ধরছে, যদিও ভোটগণনা তখনও সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য ও জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন সামাজিক মাধ্যমে তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন। তাঁর দাবি, ব্যাংকিপুরের এই ফলাফল শুধু একটি উপনির্বাচনের হিসাব নয়, বরং বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। ‘এটাই শেষের শুরু’—ডেরেকের বার্তা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তায় লেখেন, - [সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট বার্তা: গুরুতর অপরাধ না থাকলে ছাত্র আন্দোলনের মামলায় এফআইআর প্রত্যাহার করা যাবে](https://sarakhon.com/news/180582/): ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলাগুলোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, দিল্লির জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিটি) সরকারসহ দেশের অন্যান্য রাজ্য আইন অনুযায়ী ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার বা মামলা বন্ধ করতে পারে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করেছে, আগের আদেশে ব্যবহৃত ‘অপরাধমূলক অতীত’ বা ক্রিমিনাল অ্যান্টিসিডেন্টস বলতে কেবল গুরুতর ও জঘন্য অপরাধে জড়িত থাকার ইতিহাস বোঝানো হয়েছে। আগের আদেশের ব্যাখ্যা দিল সুপ্রিম কোর্ট সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত একাধিক আবেদনের শুনানিতে এই ব্যাখ্যা দেয়। গত ২৮ জুলাই আদালত অন্তর্বর্তী আদেশে বলেছিল, যেসব ছাত্রের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অতীত নেই, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা যেতে - [ইন্দোনেশিয়ার ‘লিটল টেক্সাসে’ এখনো চলে পুরোনো পদ্ধতিতে তেল উত্তোলন](https://sarakhon.com/news/180585/): ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার একটি ছোট এলাকা স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘লিটল টেক্সাস’ নামে। আধুনিক তেলক্ষেত্রের মতো এখানে নেই বিশাল যন্ত্রপাতি, অত্যাধুনিক ড্রিলিং রিগ বা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি। বরং কাঠের খুঁটি, দড়ি, লোহার বালতি এবং বহু বছরের পুরোনো ট্রাকের ইঞ্জিন ব্যবহার করেই প্রতিদিন মাটি থেকে অপরিশোধিত তেল তুলে আনছেন স্থানীয় মানুষ। জীবিকার তাগিদে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এভাবেই চলছে তেল উত্তোলনের কাজ। শত বছরের পুরোনো তেলক্ষেত্র পূর্ব জাভার ওনোকোলো তেলক্ষেত্রের ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরোনো। ১৮৯৩ সালে, যখন ইন্দোনেশিয়া ডাচ উপনিবেশ ছিল, তখন পানি খোঁড়ার সময় এই তেলক্ষেত্রের সন্ধান মেলে। মাত্র প্রায় ৫০০ মিটার গভীর হওয়ায় ভারী যন্ত্রপাতি ছাড়াই এখান থেকে তেল উত্তোলন সম্ভব। - [বন্দর যখন যুদ্ধক্ষেত্র: নতুন ভূরাজনীতির সবচেয়ে বড় লক্ষ্য এখন আস্থার নিরাপত্তা](https://sarakhon.com/news/180576/): আধুনিক বিশ্বের সংঘাতকে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান কিংবা সীমান্তের গোলাগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে বোঝার সুযোগ আর নেই। আজকের ভূরাজনীতিতে একটি ড্রোন হামলার প্রকৃত প্রভাব অনেক সময় বিস্ফোরণের তীব্রতায় নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে তার সৃষ্ট অনিশ্চয়তায় পরিমাপ করা হয়। ফলে কোনো বন্দর, জ্বালানি টার্মিনাল কিংবা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা কেবল একটি নিরাপত্তা ঘটনা নয়; এটি বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরিরও কৌশল। এ ধরনের ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রথম প্রশ্ন ওঠে—কারা হামলা চালাল? কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতির দৃষ্টিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কেন এই লক্ষ্যবস্তু, কেন এই সময়, এবং এর রাজনৈতিক ফল কার পক্ষে যেতে পারে? কারণ আধুনিক সংঘাতে হামলাকারীর পরিচয়ের পাশাপাশি হামলার উদ্দেশ্য ও তার - [আমাজনের বনের গভীরে লুকিয়ে থাকা হাজার বছরের রহস্য, লেজারে মিলল প্রাচীন সভ্যতার বিস্ময়কর নিদর্শন](https://sarakhon.com/news/180579/): বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজনকে দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয়দের আগমনের আগে প্রায় জনশূন্য ও অক্ষত বনভূমি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু নতুন এক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা সেই ধারণাকে আরও একবার বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। ঘন বনভূমির নিচে লুকিয়ে থাকা শত শত বিশালাকার মাটির স্থাপনা আবিষ্কার করে গবেষকেরা বলছেন, এক হাজার বছরেরও বেশি আগে এখানে সুসংগঠিত ও জটিল মানবসমাজ গড়ে উঠেছিল। ঘন বন ভেদ করে নতুন আবিষ্কার আমাজনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্রাজিল, বলিভিয়া ও পেরুর সীমান্তঘেঁষা বিস্তীর্ণ এলাকায় বিশেষ ধরনের লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষকেরা বনভূমির নিচে লুকিয়ে থাকা প্রায় চার শতাধিক অজানা স্থাপনার সন্ধান পেয়েছেন। এই প্রযুক্তির সাহায্যে গাছপালার ঘন ছাউনির নিচের ভূমির প্রকৃত আকৃতি দেখা - [দক্ষিণ কোরিয়া–যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন বিভ্রাটের কারণ ছিল যোগাযোগের ভুল](https://sarakhon.com/news/180575/): গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর মধ্যে একটি মার্কিন নজরদারি ড্রোনকে ঘিরে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল, তার মূল কারণ ছিল কর্মপর্যায়ে যোগাযোগের ত্রুটি। সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার, যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী কোরীয় উপদ্বীপের আন্তঃসীমান্ত এলাকায় একটি মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন শনাক্ত করে। শুরুতে সেটিকে শত্রুপক্ষের ড্রোন বলে ভুল করা হয় এবং সেটি ভূপাতিত করার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। নিয়মিত মহড়ার অংশ ছিল ড্রোনটি পরে জানা যায়, ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর এবং এটি সিউলের উত্তরে পাজু এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দক্ষিণ কোরিয়ার মেরিন বাহিনীর সঙ্গে চলমান নিয়মিত যৌথ মহড়ায় অংশ নিচ্ছিল। ঘটনার পর - [বন ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতায় ভয়াবহ দাবানল, ফ্রান্সে কয়েক দশকের সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ডে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন](https://sarakhon.com/news/180569/): দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় দাবানলের পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বন ব্যবস্থাপনা ও অগ্নি প্রতিরোধ নিয়ে তীব্র বিতর্ক। বিশেষজ্ঞ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বন মালিকদের অভিযোগ, ২০২২ সালের ভয়াবহ দাবানলের পর সরকার যেসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিল, সেগুলোর বড় অংশই বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে এবারের আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শত শত বাড়ি ধ্বংস করেছে এবং শান্তিকালে ফ্রান্সের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসাধারণের সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৪০টি বাড়ি পুড়ে গেছে এবং ৪২ হাজার হেক্টরেরও বেশি বনভূমি আগুনে ধ্বংস হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে। চার বছর আগের সতর্কবার্তা বাস্তবায়িত হয়নি ২০২২ সালে বোর্দোর আশপাশে বড় - [ইরানের নতুন কৌশল, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াতে সক্রিয় মিত্র গোষ্ঠীগুলো](https://sarakhon.com/news/180570/): মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে ইরান তার আঞ্চলিক মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করে ধাপে ধাপে হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময় গোপনে এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বাড়ালে তার মিত্র গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন দিক থেকে হামলা চালিয়ে সংঘাতের মূল্য আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। একের পর এক হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরবের বৃহৎ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা, সুয়েজ খালের কাছে মিসরের বন্দরে গ্যাসবাহী ট্যাংকারে আগুন এবং জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অবস্থানরত ঘাঁটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। - [মোদির অজেয়তার মিথ ভাঙছে, নাকি ভারতীয় গণতন্ত্রের নতুন জাগরণ?](https://sarakhon.com/news/180551/): ভারতের রাজনীতিতে নরেন্দ্র মোদি দীর্ঘদিন ধরে এমন এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন, যাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব, ব্যক্তিপূজা এবং নির্বাচনী সাফল্য একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। তাঁর নেতৃত্বকে ঘিরে এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয়েছিল যে, ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর বিকল্প নেই এবং তাঁকে চ্যালেঞ্জ করার মতো শক্তিও আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু চলতি গ্রীষ্মের ঘটনাপ্রবাহ সেই ধারণায় গভীর ফাটল ধরিয়েছে। যে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল একটি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ নিয়ে, তা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রক্ষমতা, জবাবদিহি এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক বৃহত্তর রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। এই আন্দোলনের তাৎপর্য কেবল একটি মন্ত্রীর পদত্যাগে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি দেখিয়েছে, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়লেও নাগরিক সমাজ কখনও - [বিষাক্ত উলফসবেইন ও লার্কস্পার ফুলেই নতুন ওষুধের সম্ভাবনা, ব্যথা-ক্যানসার-ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় আশার আলো](https://sarakhon.com/news/180563/): অত্যন্ত বিষাক্ত হিসেবে পরিচিত উলফসবেইন ও লার্কস্পার ফুল ভবিষ্যতে নতুন ওষুধ উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই দুই ফুলের জটিল রাসায়নিক যৌগ তৈরির প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পরীক্ষাগারে পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। গবেষকদের মতে, এই অগ্রগতি ব্যথা, ম্যালেরিয়া ও ক্যানসারের চিকিৎসায় নতুন ওষুধ তৈরির পথ খুলে দিতে পারে। একই সঙ্গে কৃষিক্ষেত্রে আরও নিরাপদ কীটনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি উন্নয়নেও এটি সহায়ক হতে পারে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি (এমএসইউ) এবং চেক একাডেমি অব সায়েন্সেসের বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে বৈজ্ঞানিক সাময়িকী Molecular Plant-এ। প্রকৃতির বিষেই লুকিয়ে চিকিৎসার সম্ভাবনা উলফসবেইন ও লার্কস্পার অল্প - [আগস্টে আকাশজুড়ে মহাজাগতিক বিস্ময়: দুই গ্রহণ, পারসিড উল্কাবৃষ্টি ও বিরল গ্রহ-চাঁদের যুগল দৃশ্য](https://sarakhon.com/news/180559/): আগস্ট মাসজুড়ে আকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে একের পর এক চমকপ্রদ মহাজাগতিক ঘটনা। এ মাসে দেখা যাবে দুটি গ্রহণ, বিখ্যাত পারসিড উল্কাবৃষ্টির সর্বোচ্চ সক্রিয়তা, পাশাপাশি চাঁদ, মঙ্গল ও শুক্র গ্রহের একাধিক আকর্ষণীয় অবস্থান। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশপর্যবেক্ষকদের জন্য এটি হতে পারে বছরের অন্যতম স্মরণীয় সময়। চাঁদ ও মঙ্গলের কাছাকাছি অবস্থান আগস্টের ৯ তারিখ ভোরে বৃষ (টরাস) নক্ষত্রমণ্ডলে ক্ষয়িষ্ণু চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহকে কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যাবে। ফলে আকাশপর্যবেক্ষকদের জন্য একই ফ্রেমে দুটি জ্যোতিষ্ক দেখার একটি আকর্ষণীয় সুযোগ তৈরি হবে। একই দিনে অমাবস্যা ও পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ১২ আগস্ট রাত ৮টা ৩৬ মিনিটে (কায়রো সময়) চাঁদ অমাবস্যা পর্যায়ে পৌঁছাবে। এ সময় - [মিশরে ভোররাতে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কায়রোসহ বিস্তীর্ণ এলাকা](https://sarakhon.com/news/180557/): মিশরে সোমবার ভোররাতে ৫.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাজধানী কায়রো ও আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন গভর্নরেটে কম্পন অনুভূত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দেশটির ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড জিওফিজিকস (এনআরআইএজি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা ৩৬ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। প্রথমে এর মাত্রা ৫.২ বলে জানানো হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫.৫ এবং সর্বশেষ ৫.৬ নির্ধারণ করা হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্র সুয়েজের কাছে এনআরআইএজির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সুয়েজ শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার দূরে। প্রতিষ্ঠানটি কম্পনের স্থায়িত্ব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি। তবে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েক সেকেন্ড ধরে - [যুদ্ধ জেতার চেয়েও কঠিন: ইরান সংঘাতের শেষ কোথায়?](https://sarakhon.com/news/180548/): ইতিহাস বারবার একটি অস্বস্তিকর সত্য সামনে এনেছে—যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্ত কখনও কখনও একক রাষ্ট্র নিতে পারে, কিন্তু সেই যুদ্ধ কীভাবে এবং কখন শেষ হবে, তার নিয়ন্ত্রণ খুব কম ক্ষেত্রেই এক পক্ষের হাতে থাকে। যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক শক্তির প্রদর্শন যতই চমকপ্রদ হোক, স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান নির্ধারণ করে ভিন্ন এক সমীকরণ। সেখানে অস্ত্রের পাশাপাশি কাজ করে অর্থনীতি, কূটনীতি, জনমত, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ চাপ এবং আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্য। আজ ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতও ঠিক এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত কে সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর অধিকারী, তা নয়; বরং কে এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করতে পারবে, যেখানে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে তা শেষ করা সংশ্লিষ্ট - [ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে সতর্কতা, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অব্যাহত](https://sarakhon.com/news/180545/): আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের তিন বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বিএমডির সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়েছে, এই সময়ে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায়ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে - [শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীর ভাঙন: এক দশকে ঘরহারা ৫০০ পরিবার, স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় ৪৮.৬৪ কোটি টাকার প্রকল্প](https://sarakhon.com/news/180542/): প্রতি বর্ষায় শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মানুষের জন্য মহারশি নদী যেন নতুন করে দুর্ভোগ বয়ে আনে। মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি বেড়ে গেলে শুরু হয় নদীভাঙন, প্লাবিত হয় নিম্নাঞ্চল। ঝিনাইগাতী বাজারসহ নদীর দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়মিত জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর নাব্যতা সংকট, পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া এবং শক্তিশালী ও টেকসই বাঁধের অভাবের কারণে প্রতি বছর পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে নদী পুনঃখনন, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়ে আসলেও এখনো স্থায়ী সমাধান বাস্তবায়ন হয়নি। নদীভাঙনে দীর্ঘদিনের ক্ষয়ক্ষতি স্থানীয় সূত্র জানায়, গত - [সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, বিভাগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬](https://sarakhon.com/news/180539/): সিলেট বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে বিভাগজুড়ে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৬ জনে। সোমবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ছয় মাস বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু মারা যাওয়া দুই শিশু হলেন ছয় মাস বয়সী রেজওয়ান আহমেদ ও ইব্রাহিম। তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রেজওয়ানের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় এবং ইব্রাহিমের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায়। একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৯৩ জন একই সময়ে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন হাম - [বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক ঐক্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি: চীনের রাষ্ট্রদূত](https://sarakhon.com/news/180535/): বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার অগ্রযাত্রায় রাজনৈতিক ঐক্য, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক কাঠামোর বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, জটিল বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, একক শিল্পনির্ভর অর্থনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা এবং আরও অনুকূল আন্তর্জাতিক পরিবেশ তৈরি করা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘২০২৬ কমপ্যারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরাম’ শীর্ষক যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শাসনব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনকেন্দ্রিক, বাস্তববাদী ও দক্ষ নেতৃত্ব দেশের শাসনব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি - [বাংলাদেশে হামের চিকিৎসা ব্যয়ে ঋণগ্রস্ত ৮৯% পরিবার, গড় খরচ ১৬ হাজার টাকা: বিডিআরসিএস-আইএফআরসি](https://sarakhon.com/news/180532/): বাংলাদেশে হামে আক্রান্ত শিশু ও পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় শুধু স্বাস্থ্যগত সংকটই নয়, অনেকের জন্য বড় আর্থিক দুর্ভোগও তৈরি করছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি)-এর যৌথ মূল্যায়নে দেখা গেছে, হামে আক্রান্ত পরিবারের ৮৯ শতাংশ চিকিৎসার খরচ মেটাতে ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে ৬১ শতাংশ পরিবার তাদের সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছে। সোমবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, জরিপে অংশ নেওয়া প্রতিটি পরিবারই কোনো না কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ পরিবারের কাছে ওষুধ ছিল সবচেয়ে জরুরি চাহিদা। এরপর রয়েছে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি সহায়তা (৩৩ - [রাশিয়াজুড়ে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত অন্তত আট; লক্ষ্যবস্তু বড় গুদাম ও সামরিক স্থাপনা](https://sarakhon.com/news/180529/): রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। হামলায় দেশটির বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজের একটি গুদাম, তেল শোধনাগার, সামরিক বিমানঘাঁটি এবং অন্যান্য স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। একই সময়ে রাশিয়াও ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের চার বছরের বেশি সময় পর উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ আরও গভীরে ছড়িয়ে পড়ছে। সীমান্ত এলাকায় হতাহত রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর আলেকজান্ডার শুভায়েভ জানান, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন খেলার মাঠের পাশের এলাকায় আঘাত হানলে এক শিশু নিহত এবং দুইজন আহত হয়। পরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই অঞ্চলে পৃথক হামলায় আরও তিনজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। উদমুর্তিয়া অঞ্চলেও ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত - [ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের শতাধিক ব্যাংক হিসাব বন্ধে মানি লন্ডারিং পর্যালোচনার দাবি ক্যাপিটাল ওয়ানের](https://sarakhon.com/news/180526/): যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ওয়ান জানিয়েছে, ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ৩০০টিরও বেশি ব্যাংক হিসাব বন্ধের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং অর্থপাচারবিরোধী (মানি লন্ডারিং) নীতিমালার আওতায় দীর্ঘ পর্যালোচনার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার আদালতে দাখিল করা নথিতে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, তাদের অর্থপাচার প্রতিরোধকারী বিশেষজ্ঞ দল কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন লেনদেন বিশ্লেষণ করে ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা অনুসারে হিসাবগুলো বন্ধ করার সুপারিশ করে। প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা এটাই প্রথমবার কোনো ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল যে ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হিসাব বন্ধের পেছনে অর্থপাচারবিরোধী পর্যালোচনা ভূমিকা রেখেছিল। তবে ক্যাপিটাল ওয়ান স্পষ্ট করে বলেছে, তারা কখনোই ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে অবৈধ অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করেনি। ব্যাংকের ভাষ্য অনুযায়ী, হিসাব বন্ধের সিদ্ধান্ত - [গ্রিসে দাবানল নেভাতে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ২, ইউরোপজুড়ে তাপদাহে বাড়ছে দুর্যোগ](https://sarakhon.com/news/180523/): গ্রিসে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় আকাশে দুটি অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে দেশটির রাজধানী এথেন্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দাবানলে শতাধিক বাড়ি পুড়ে গেছে এবং পর্যটন দ্বীপ কেফালোনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রোববার গ্রিসের অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ জানায়, অ্যাটিকা অঞ্চলের সাথা এলাকায় আগুন নেভানোর অভিযানের সময় দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়। একটি হেলিকপ্টারে থাকা একজন গ্রিক ও একজন ডেনিশ নাগরিক নিহত হন। অন্য হেলিকপ্টারে থাকা একজন গ্রিক ও একজন ব্রিটিশ নাগরিক প্রাণে বেঁচে যান। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ দিয়ে উড়ে যাওয়া - [ভারত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর বাজারের বিকল্প নিরাপদ গন্তব্য হয়ে উঠছে?](https://sarakhon.com/news/180520/): এশিয়ার শেয়ারবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর উত্থানের গতি কিছুটা কমে আসার পর বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি নতুন করে ভারতের দিকে ফিরছে। এতদিন বড় ভাষা মডেল, অর্ধপরিবাহী চিপ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রধান নির্মাতাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা কম থাকায় ভারতীয় শেয়ারবাজারকে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা বাজার হিসেবে দেখা হতো। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেই ধারণায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। প্রযুক্তিনির্ভর বাজার থেকে ভারতের দিকে ঝুঁকছে বিনিয়োগ গত বছরের অধিকাংশ সময় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের বড় অংশ দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের প্রযুক্তিনির্ভর শেয়ারবাজারে অর্থ বিনিয়োগ করেন। কিন্তু জুনের মাঝামাঝি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল বিনিয়োগের লাভজনকতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করলে ওই দুই দেশের বাজারে চাপ দেখা দেয়। একই সময়ে ভারতের প্রধান - [অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুতে সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যু, সতর্কতা জারি](https://sarakhon.com/news/180517/): অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুর কারণে সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত হয়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের অ্যাডিলেডের দক্ষিণ উপকূলের কাছে প্রায় ৫০টি বৃহৎ ঝুঁটিওয়ালা টার্ন প্রজাতির সামুদ্রিক পাখির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ভাইরাসটি আরও বিস্তৃতভাবে বন্যপ্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। হেলিকপ্টার নজরদারিতে ধরা পড়ে আক্রান্ত পাখি অস্ট্রেলিয়ার কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স জানান, কেপ জাফার উপকূলের কাছে শিলাখণ্ডে হেলিকপ্টার পর্যবেক্ষণের সময় ৪৯টি মৃত এবং ৩৫টি অসুস্থ টার্ন পাখি শনাক্ত করা হয়। পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে, এসব পাখি এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত ছিল। তিনি বলেন, এখন থেকে আরও বেশি বন্যপ্রাণী আক্রান্ত হতে পারে এবং মৃত প্রাণীর সংখ্যাও বাড়তে পারে। বন্য - [চীনের অর্থনৈতিক নীতিতে ‘লাল দাগ’, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার আগে কঠোর বার্তা](https://sarakhon.com/news/180514/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য আলোচনা সামনে রেখে নিজেদের অর্থনৈতিক নীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে চীন। দেশটির নেতৃত্ব উন্নত শিল্পখাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বর্তমান নীতিকে জোরালোভাবে সমর্থন করছে এবং বিশ্লেষকদের মতে, এটি পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ মোকাবিলায় বেইজিংয়ের বাড়তে থাকা আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে চলতি বছরে আরও বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন অক্টোবরের মধ্যে বাণিজ্যসংক্রান্ত বিরোধের সমাধান চেয়ে বেইজিংকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। চীনের বিপুল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে উদ্বেগও বাড়ছে। শিল্পে জোর, ভোগে নয় পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, চীন দীর্ঘদিন ধরে এমন অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করছে যেখানে পরিবারের - [দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণদের নতুন গন্তব্য জাপান, দেশে চাকরির সংকটে বাড়ছে বিদেশমুখিতা](https://sarakhon.com/news/180511/): দক্ষিণ কোরিয়ায় কাঙ্ক্ষিত চাকরির সুযোগ কমে যাওয়ায় ক্রমেই বেশি সংখ্যক তরুণ কর্মসংস্থানের জন্য জাপানের দিকে ঝুঁকছেন। একদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন স্নাতকদের জন্য ভালো চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে জনসংখ্যা সংকটে ভুগতে থাকা জাপান দক্ষ তরুণ কর্মী খুঁজছে। ফলে দুই দেশের শ্রমবাজারে নতুন ধরনের সংযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সরকারি সহায়তায় বিদেশে চাকরি পাওয়া দক্ষিণ কোরিয়ান তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে বড় গন্তব্য ছিল জাপান। এই সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি পাওয়া কোরিয়ানদের সংখ্যা ২৯ শতাংশ কমেছে। চাকরির বাজারে দুই দেশের ভিন্ন বাস্তবতা দক্ষিণ কোরিয়ার বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত অভিজ্ঞ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় - [অং সান সু চির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কর্মকর্তার সাক্ষাৎ, অভ্যুত্থানের পর প্রথম প্রকাশ্য বিদেশি যোগাযোগ](https://sarakhon.com/news/180508/): মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত গণতান্ত্রিক নেতা অং সান সু চি দেশটির আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর আটক অবস্থায় থাকা সু চির সঙ্গে কোনো বিদেশি কর্মকর্তার এটি প্রথম প্রকাশ্যে স্বীকৃত সাক্ষাৎ। মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, আইসিআরসির আবাসিক প্রতিনিধি আরনো দ্য বাক আজ সকালে অং সান সু চির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তবে এই বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কতক্ষণ সাক্ষাৎ হয়েছে বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল—এসব বিষয়ে বিবৃতিতে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনাবাহিনী নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করলে অং সান সু চিকে আটক করা হয়। এরপর - [চট্টগ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমছে শিক্ষার্থী, সংকটে শত শত স্কুল](https://sarakhon.com/news/180505/): চট্টগ্রাম জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে। কোথাও শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে, কোথাও আবার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে পাশের বিদ্যালয়ে গিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে। শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত দুর্বলতা, বেসরকারি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার বিস্তার এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাব—সব মিলিয়ে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। কয়েক বছরের ব্যবধানে বড় পতন জেলা শিক্ষা দপ্তর ও বার্ষিক বিদ্যালয় শুমারির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে চট্টগ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭০ জন। ২০২৩ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৫১ জনে এবং ২০২৪ সালে - [যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে চাকরি করতে লাগতে পারে ১ লাখ ডলার! ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন প্রস্তাব ঘিরে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/180502/): যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর দেশটিতে চাকরি করতে চাইলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ১ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ফি দিতে হতে পারে। এমন একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ওপিটি কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তনের ভাবনা প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ (ওপিটি) কর্মসূচির আওতায় দেওয়া কর্ম-অনুমতির জন্য ১ লাখ ডলার ফি আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে। ওপিটি কর্মসূচির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর নিজেদের পড়াশোনার বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চাকরিতে কাজ করার সুযোগ পান। সাধারণত এই কর্ম-অনুমতির মেয়াদ এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত থাকে। চার লাখের - [ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা: সোমবার শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, নেই কোনো সময়সীমা](https://sarakhon.com/news/180499/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, সোমবার থেকে ইরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনা শুরু হবে। তবে এই আলোচনা কোথায় অনুষ্ঠিত হবে বা এতে কারা অংশ নেবেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্যও তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করেননি। নিউ জার্সিতে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তিনি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান চান। তাঁর ভাষায়, যুদ্ধ হলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে, আর সেটি তিনি এড়াতে চান। হরমুজ প্রণালি নিয়ে অচলাবস্থা এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য একটি সামরিক হামলা স্থগিত করা হয়েছে, যাতে দ্রুত - [পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে রক্তাক্ত বিক্ষোভ: স্বজন হারানোর কান্নায় ভারী রাওয়ালাকোট, পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বাড়ছে সংকট](https://sarakhon.com/news/180496/): পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের রাওয়ালাকোট শহর কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং সহিংসতার মধ্যে রয়েছে। মৌলিক নাগরিক অধিকার ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন প্রাণহানির ঘটনায় আরও জটিল রূপ নিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে বহু মানুষ নিহত ও আহত হওয়ার পর এলাকাজুড়ে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও বাড়ছে। অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে আহতদের ভিড় রাওয়ালাকোটে একটি অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে দিন-রাত আহতদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। সীমিত চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে কর্মরত চিকিৎসকেরা বলছেন, তারা কেবল প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারছেন। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বড় হাসপাতালে নেওয়া দরকার হলেও অনেকেই সেখানে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। তাদের আশঙ্কা, হাসপাতালে গেলে গ্রেপ্তার হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তবে প্রশাসন এই - [পাকিস্তানে জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৪](https://sarakhon.com/news/180493/): পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সোয়াত উপত্যকার কাবাল শহরে জঙ্গিবাদবিরোধী এক বিক্ষোভ সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এ হামলায় আরও অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ স্টেশনের সামনে হামলা স্থানীয়দের আয়োজিত এই সমাবেশটি একটি পুলিশ স্টেশনের সামনে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়া এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে অংশ নেন শত শত মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, একজন বক্তা বক্তব্য দিচ্ছিলেন, এমন সময় বিকট বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও বিস্ফোরণের পর মানুষের ছুটোছুটি দেখা - [সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার অর্থ কী?](https://sarakhon.com/news/180490/): ১৩টি দেশকে সঙ্গে নিয়ে সামরিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। যেখানে পাকিস্তান ও তুরস্কের পাশাপাশি রয়েছে বাংলাদেশের নামও। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ। অন্য বিকল্প রুট লোহিত সাগরেও মাঝেমধ্যে হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। এমন অস্থির পরিস্থিতিতে বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় গঠিত নৌ সামরিক জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের তাৎপর্য কী? সিদ্ধান্তটি কৌশলগত বলেই মত বিশ্লেষকদের। এর পেছনে জ্বালানি নিরাপত্তা, শ্রমবাজার, বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যের জটিল হিসাবও জড়িত বলে তারা - [চুল পড়া ঠেকাতে পেঁয়াজ, মেথি বা কালো জিরার তেল কি সত্যি কার্যকরী?](https://sarakhon.com/news/180487/): জেনেটিকভাবেই চুল অনেক লম্বা, তবে বেশ পাতলা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এর প্রতিকার চেয়ে একটি গ্রুপে পোস্ট দেন সুপ্রভা নীলি। এইচএসসি পরীক্ষার কিছুদিন আগে গত মাসে দেওয়া এই পোস্টে তিনি লিখেছেন, চুল নিয়ে তিনি চরম হতাশায় ভুগছেন। “এমনিতেই চুল কম, তার উপর প্রতিদিন সকাল-বিকাল এভাবে চুল পড়লে আমার মাথায় তো আর চুলই থাকবে না। খুব ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছি আমি এটা নিয়ে” লিখেছেন মিজ নীলি। আবার, মাথায় টাক রয়েছে, এমন ব্যক্তিদেরও চুল গজাবে এ ধরনের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখা যায় হরহামেশাই। মিজ নীলি যেমন সমস্যার সমাধান চেয়েছেন, ঠিক তেমনি আবার কালো জিরা, মেথি, পেঁয়াজের রস অথবা কারিপাতা- এ সব বিভিন্ন উপাদান - [পরপর দু'টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা](https://sarakhon.com/news/180484/): বাংলাদেশে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা ও এর পাশ্ববর্তী এলাকা সাভারের আশুলিয়া থেকে দু’টি বোমা উদ্ধার হওয়ার পর নিরাপত্তা ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঘটনাগুলোর নেপথ্যে কারা, সেটি নিয়ে তদন্ত শুরু করলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহনে হামলা আশঙ্কা থেকে সারা দেশে সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, গত শনিবার ঢাকার ফার্মগেট ও মিরপুর এলাকায় মেট্রোরেল স্টেশনে মালভর্তি দু’টি পরিত্যক্ত ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মিরপুর-১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনটির কার্যক্রম সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধও রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। - [ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু, আহত আরও দুই](https://sarakhon.com/news/180479/): ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে ভোমরাদহ ইউনিয়নের কুশারিগাঁও গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন কুশারিগাঁও গ্রামের চায়ের দোকানি শান্তি রানী (৪৬) এবং পাশের রানীশংকৈল উপজেলার রাজোর গ্রামের সুইরাম রায় (৬৫)। আহতরা হলেন সলন চন্দ্র (৪৮) ও তেপরা রায় (৬০)। চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় বজ্রপাত স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরের দিকে কুশারিগাঁও গ্রামের শান্তি রানীর চায়ের দোকানে কয়েকজন চা পান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে থাকা চারজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত - [রাজধানীতে অনলাইন প্রতারণা চক্রের আস্তানা: তিন চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৪, জব্দ ৬ হাজার সিম](https://sarakhon.com/news/180477/): গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির অভিযান রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন চীনা নাগরিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সিম গেটওয়ে ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণা ও জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঝর্ণা চাকমা ওরফে জিয়ানা (২৭), লিউ হুই ঝ্যাং (৪৬), ওয়েই ইউজি (৩০) এবং শি ই রান (৪২)। ভাড়া করা ফ্ল্যাটে চলত প্রতারণার কেন্দ্র ডিবির তথ্য অনুযায়ী, বসুন্ধরার একটি ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিবির সাইবার অপরাধ দমন দলের সদস্যরা শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে গোপন - [আগে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কর রেয়াত, নতুন প্রণোদনা এনবিআরের](https://sarakhon.com/news/180473/): জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতাদের সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিলে উৎসাহ দিতে নতুন কর প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর রেয়াত পাবেন। তবে এই সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই রিটার্ন দিলে মিলবে কর রেয়াত রোববার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতারা আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৭৩ ধারার আওতায় পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ হারে কর রেয়াত পাবেন। তবে কোনো করদাতা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকার বেশি রেয়াত - [বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৩৭ শতাংশ, বেড়েছে ঋণ পরিশোধের চাপ](https://sarakhon.com/news/180470/): এক বছরে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিতে বড় পতন বাংলাদেশে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি সহায়তার নতুন প্রতিশ্রুতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সময়ে বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধে সরকারের ব্যয় বেড়েছে আগের বছরের তুলনায়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রাথমিক তথ্য বলছে, নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমলেও চলমান প্রকল্পগুলোর অর্থছাড় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল। প্রতিশ্রুতি কমেছে প্রায় ৩৭ শতাংশ প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি সহায়তার মোট প্রতিশ্রুতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে নতুন প্রতিশ্রুতি প্রায় ৩৭ শতাংশ কমেছে। এই পতনের মূল কারণ প্রকল্প সহায়তার পরিমাণ কমে যাওয়া। সর্বশেষ অর্থবছরে ঋণ হিসেবে প্রতিশ্রুতি - [ঢাবির স্নাতক ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ডিসেম্বরজুড়ে](https://sarakhon.com/news/180467/): ভর্তি কার্যক্রমের সূচি ঘোষণা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। পাঁচ ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে ভর্তি পরীক্ষা আগের বছরের মতো এবারও পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হলো—কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, বিজ্ঞান ইউনিট, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট, চারুকলা ইউনিট এবং আইবিএ ইউনিট। কোন ইউনিটের - [এফবিসিসিআইয়ে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফজলুল হক, ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের লক্ষ্য](https://sarakhon.com/news/180465/): বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়োগে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)-এর প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ফজলুল হক। রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়োগের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ফজলুল হক এর আগে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি এবং এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও। ১২০ দিনের মধ্যে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব প্রশাসক হিসেবে তাঁর প্রধান দায়িত্ব হলো আগামী ১২০ দিনের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করা। নির্বাচন শেষ হলে নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন তিনি। এই লক্ষ্য - [এলপিজির দাম আবার বাড়ল, ১২ কেজির সিলিন্ডারে ৭০ টাকা বৃদ্ধি](https://sarakhon.com/news/180462/): আগস্ট মাসের জন্য দেশে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১,৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১,৫২৮ টাকা। নতুন মূল্য রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। যানবাহনের অটোগ্যাসের দামও বেড়েছে শুধু গৃহস্থালির এলপিজিই নয়, যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা, যা আগে ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৩ টাকা ২৭ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মানদণ্ডমূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, ডলারের বিনিময় হার এবং - [৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ফায়ার সার্ভিসও](https://sarakhon.com/news/180459/): বড় ভূমিকম্পে উদ্ধার সক্ষমতা নিয়ে সতর্কবার্তা রাজধানী ঢাকায় ৭ বা তার বেশি মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে একই সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। রোববার রাজধানীর বঙ্গবাজারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে আয়োজিত অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভূমিকম্প সচেতনতায় গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর জোর মহাপরিচালক বলেন, ভূমিকম্পের সময় কীভাবে নিরাপদ থাকতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে, লিফট ব্যবহার না করার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয় - [ডেঙ্গুতে আরও দুই প্রাণহানি, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৪২৩](https://sarakhon.com/news/180456/): দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৪২৩ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মৃত্যু বেড়ে দাঁড়াল ৫৬ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ দুই মৃত্যুর পর চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৬ জনে পৌঁছেছে। নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলো বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ঘটেছে। একদিনে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৪৭২ জন গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে ৪৭২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ফলে নতুন রোগী ভর্তি হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বছরের শুরু থেকে আক্রান্ত ১৬ হাজারের বেশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি - [পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ১৭ কর্মী ছাঁটাই, ডিএসই বলছে এটি দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরের পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/180451/): ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ১৭ জন কর্মীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি কোনো আকস্মিক বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নয়; বরং ২০২২ সাল থেকে চলমান দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্তি দূর করতে ব্যাখ্যা রোববার ডিএসইর উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বার্তায় বলা হয়, কর্মী অব্যাহতি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণেই প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে। ব্যবসায়িক বাস্তবতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত ডিএসই জানায়, বিশ্বের অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো বাংলাদেশেও নিয়োগ ও চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনা - [ফেন্ডিতে নতুন অধ্যায়: মারিয়া গ্রাজিয়া কিউরির নেতৃত্বে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার নতুন সংলাপ](https://sarakhon.com/news/180444/): শতবর্ষী ফ্যাশন হাউসে নতুন নেতৃত্ব বিশ্ব ফ্যাশনের অন্যতম প্রভাবশালী ইতালীয় প্রতিষ্ঠান ফেন্ডি নতুন সৃজনশীল অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ডিজাইনার মারিয়া গ্রাজিয়া কিউরির নেতৃত্বে ব্র্যান্ডটি এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেই আধুনিক রুচি, অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনা এবং নারীকেন্দ্রিক নকশা নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে। ফ্যাশন বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল নেতৃত্বের পরিবর্তন নয়; বরং ফেন্ডির পরিচয়কে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পুরোনো কর্মস্থলে নতুন দায়িত্ব কিউরির জন্য এই দায়িত্ব এক অর্থে ফিরে আসার গল্প। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ফেন্ডির নকশা বিভাগে কাজ করেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা তাঁকে ইতালীয় কারুশিল্প, উপকরণের সূক্ষ্ম ব্যবহার এবং বিলাসবহুল নকশার দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত করে। বহু - [আকাশপথে নতুন দিগন্ত: ২২ ঘণ্টার বিরতিহীন উড়ানে ইতিহাস গড়তে ক্যান্টাসের ‘প্রজেক্ট সানরাইজ’](https://sarakhon.com/news/180442/): অস্ট্রেলিয়া থেকে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় পৌঁছাতে দীর্ঘ যাত্রা সবসময়ই ভ্রমণকারীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতাকে বদলে দিতে বিশ্বের দীর্ঘতম বাণিজ্যিক বিরতিহীন বিমানসেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিমানসংস্থা ক্যান্টাস। ‘প্রজেক্ট সানরাইজ’ নামে এই উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ শুধু নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা নয়, বরং দীর্ঘ দূরত্বের বিমান ভ্রমণকে আরও আরামদায়ক, নিরাপদ ও মানবকেন্দ্রিক করে তোলার একটি বৈপ্লবিক প্রচেষ্টা। এক দশকের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে প্রায় এক দশক ধরে পরিকল্পিত এই প্রকল্পের ঘোষণা আসে ২০১৭ সালে। লক্ষ্য ছিল অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল থেকে সরাসরি লন্ডন ও নিউইয়র্কে উড়ে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা। এর ফলে যাত্রার সময় চার ঘণ্টা পর্যন্ত কমে আসবে এবং যাত্রীদের আর - [মারিয়া গ্রাজিয়া কিউরির হাতে ফেন্ডির নতুন অধ্যায়, সরলতা ও কারুশিল্পে ফিরছে ইতালীয় ঐতিহ্য](https://sarakhon.com/news/180431/): ইতালির বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান ফেন্ডিতে নতুন সৃজনশীল পরিচালক হিসেবে মারিয়া গ্রাজিয়া কিউরির যাত্রা শুরু হয়েছে এক ভিন্ন বার্তা নিয়ে। রঙের চাকচিক্য বা অতিরিক্ত অলংকরণের বদলে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন পরিমিত নকশা, নিখুঁত কাট, উন্নত কারুশিল্প এবং এমন পোশাকে, যা সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকবে। তাঁর লক্ষ্য, ফেন্ডির দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ভবিষ্যতের চাহিদার সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত করা। নতুন সূচনা, তবে ঐতিহ্যের ভিত্তিতেই মারিয়া গ্রাজিয়া কিউরি মনে করেন, ফেন্ডিকে নতুনভাবে গড়ে তোলার অর্থ তার অতীতকে ভেঙে ফেলা নয়। বরং বহু দশকের ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে সময়োপযোগী রূপ দেওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এখন বৈশ্বিক পর্যায়ে বিস্তৃত হলেও এর পারিবারিক ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ এখনও অটুট - [ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস](https://sarakhon.com/news/180435/): সীমান্তের মিনাটিলা যেন মেঘ-পাহাড়-নদীতে ঘেরা ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ প্রথম আলো, ওপারে সারি সারি পাহাড়, নিচ থেকে চূড়া পর্যন্ত সবুজে ঢাকা। আকাশে থমকে আছে শ্রাবণের ঘন কালো মেঘ। দল বেঁধে ভেসে চলা মেঘ যেন এই বুঝি ঘাস ছুঁতে নেমে আসবে মাঠে! এপারের ছোট সবুজ মাঠে গরু, মহিষ চরাচ্ছেন রাখাল। চারপাশে বুনো গন্ধ। পাশেই তিরতির করে বয়ে চলা নদীতে জলকেলিতে মেতেছে সাদা আর ছাইরঙা হাঁসেরা। চলতি শ্রাবণের এক বিকেলে এমন দৃশ্য দেখা গেল সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার এক সীমান্তে, শূন্যরেখার ঠিক পাশে। ভারত সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশ অংশের ওই এলাকার নাম মিনাটিলা। মিনাটিলায় যেতে খুব বেশি কাঠখড় পোহাতে হয় না। সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে ৪ নম্বর - [মতভেদ থেকে তাকফির: ধর্মের ব্যাখ্যা যখন সহিংসতার অস্ত্রে পরিণত হয়](https://sarakhon.com/news/180360/): সন্ত্রাসবাদের সূচনা খুব কম ক্ষেত্রেই বিস্ফোরণ বা বন্দুকের গুলিতে হয়। তার অনেক আগেই শুরু হয় চিন্তার জগতে একটি বিপজ্জনক পরিবর্তন। রাজনৈতিক বিরোধকে ধর্মীয় বিচ্যুতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, রাষ্ট্রের নীতির সমালোচনাকে রাষ্ট্রবিরোধিতা বলা হয়, আর ভিন্নমতাবলম্বীদের ধীরে ধীরে প্রতিপক্ষ থেকে শত্রু এবং শেষ পর্যন্ত ধ্বংসযোগ্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। ইতিহাস বলছে, সহিংসতার প্রায় প্রতিটি বড় ঢেউয়ের আগে এমন এক বুদ্ধিবৃত্তিক বিকৃতি কাজ করেছে, যা ধর্মকে নৈতিক পথনির্দেশনার বদলে রাজনৈতিক বৈধতার অস্ত্রে পরিণত করেছে। এই বাস্তবতা শুধু পাকিস্তানের নয়, বরং যেকোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের জন্য গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক। কারণ উগ্রবাদ কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে অস্ত্রের লড়াই নয়; এটি ধর্মীয় কর্তৃত্ব, রাষ্ট্রের বৈধতা এবং - [সৌদি আরবের উন্নয়নের নতুন মানদণ্ড: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি শুধু প্রযুক্তি, নাকি রাষ্ট্রের সক্ষমতার পরীক্ষা?](https://sarakhon.com/news/180399/): দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক অগ্রগতির আলোচনা মূলত কয়েকটি পরিমাপযোগ্য সূচকের ওপর দাঁড়িয়ে থেকেছে—তেলের বাইরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি, ডিজিটাল অবকাঠামোর সম্প্রসারণ কিংবা ভিশন ২০৩০-এর মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি। এসব অর্জন নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ কেবল পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝা যায় না। একটি দেশের মানুষ কীভাবে পরিবর্তনকে অনুভব করছে, প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা অভিযোজিত হচ্ছে এবং সেই অগ্রগতি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—এসব প্রশ্নই উন্নয়নের গভীরতর মূল্যায়ন নির্ধারণ করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিস্তার আজ সৌদি আরবকে ঠিক এই পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরবের অর্থনীতিতে বহুমুখীকরণের যে গতি দেখা গেছে, তার সঙ্গে এআই একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তেলনির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টার পাশাপাশি - [জীবাণু অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট নয়, নতুন হুমকি বায়োসন্ত্রাস](https://sarakhon.com/news/180254/): আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হলে সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র বা রাসয়নিক হামলার কথাই বেশি উঠে আসে। কিন্তু এমন এক ধরনের অস্ত্র রয়েছে, যার ধ্বংসক্ষমতা অনেক সময় যুদ্ধক্ষেত্রের সীমানাও অতিক্রম করে—জীবাণু অস্ত্র। একটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা বিষাক্ত জৈব উপাদান সীমান্ত, সেনাবাহিনী কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান চেনে না। একবার ছড়িয়ে পড়লে তা গোটা মানবসমাজকে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। এ কারণেই জীবাণু অস্ত্রকে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের অন্যতম বিপজ্জনক রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং আন্তর্জাতিক আইন বহু আগেই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে গৃহীত এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হওয়া বায়োলজিক্যাল উইপনস কনভেনশন (Biological Weapons Convention) আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ ব্যবস্থার একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এটি ছিল - [কোরিয়ার ছোঁয়ায় নতুন স্বাদের ইনারি-সুশি: ভুট্টা, টোফু আর ঝাল মাখনের অনন্য মেলবন্ধন](https://sarakhon.com/news/180428/): জাপানের ঐতিহ্যবাহী ইনারি-সুশি সাধারণত ভিনেগার মেশানো সাদা ভাত দিয়ে তৈরি হলেও, কোরিয়ার জনপ্রিয় খাবার ইউবুচোবাপ একই ধারণাকে আরও বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ করে তুলেছে। ভাজা টোফুর পকেটের ভেতরে ভরা সুগন্ধি ভাত, ভুট্টা, পেঁয়াজপাতা এবং চাইলে ঝাল মাখনের প্রলেপ—সব মিলিয়ে এটি গ্রীষ্মের জন্য হালকা অথচ তৃপ্তিদায়ক একটি খাবার। নামের আড়ালে দুই দেশের খাদ্যসংস্কৃতি জাপানি ভাষায় ‘সুশি’ শব্দটি এসেছে ভিনেগার ও রান্না করা ভাতের সমন্বয় থেকে। অন্যদিকে কোরিয়ান নাম ‘ইউবুচোবাপ’-এ রয়েছে তিনটি উপাদানের পরিচয়—ভাজা টোফু, ভিনেগার এবং ভাত। জাপানে এই খাবারটি পরিচিত ইনারি-সুশি নামে। শিন্তো ধর্মবিশ্বাসে ইনারি হলেন ধান, কৃষি, উর্বরতা ও সমৃদ্ধির দেবতা। লোককথায় শিয়ালকে তাঁর দূত হিসেবে দেখা হয়। ভাজা টোফু শিয়ালের প্রিয় খাবার বলে বিশ্বাস - [উত্তর কোরিয়া-রাশিয়ার সামরিক জোটে বদলে যাচ্ছে ইউরোপ ও ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/180423/): রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা এখন শুধু ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়, বরং এটি ইউরোপ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে একই সূত্রে যুক্ত করে দিচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার সেনা ও অস্ত্র সহায়তা রাশিয়ার যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি এশিয়ার মিত্র দেশগুলোর জন্য নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্প্রতি দাবি করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার জন্য আরও প্রায় ৩০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সংখ্যা আগে প্রতিশ্রুত সেনার তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে আরও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। যদি এসব তথ্য - [টানা পঞ্চম মাসে টয়োটার বৈশ্বিক বিক্রি কমল, চাপ বাড়ছে গাড়ি শিল্পে](https://sarakhon.com/news/180412/): বিশ্বের সবচেয়ে বড় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা মোটরের বৈশ্বিক বিক্রি টানা পঞ্চম মাসের মতো কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, চীনের বাজারে মন্দা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রিতে এই পতন দেখা দিয়েছে। টয়োটা মোটর জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসে তাদের বৈশ্বিক বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯ লাখ ২৬ হাজার ৬৮৮ ইউনিটে নেমে এসেছে। এই হিসাবের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী সংস্থা দাইহাতসু মোটরের বিক্রিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উৎপাদন বাড়লেও বিক্রিতে ধাক্কা বিক্রি কমলেও জুন মাসে টয়োটার মোট উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ওই মাসে তারা ৯ লাখ ৮৪ হাজার ৪০৮টি গাড়ি উৎপাদন করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ - [ইরানকে থামাতে পারবে কি চীন? উপসাগরীয় দেশগুলোর নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/180418/): ইরান যুদ্ধ নতুন করে তীব্র হওয়ার পর পারস্য উপসাগরের আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চীনের দিকে তাকাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য, তেহরানের ওপর বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের নৌপথ নিরাপদ করা। তবে এই প্রচেষ্টা চীনের প্রকৃত প্রভাব ও ইচ্ছাশক্তির সীমা কতটা, সেই প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির সীমাবদ্ধতা, চীনের দিকে নজর ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাত পারস্য উপসাগরের দেশগুলোর জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। যুদ্ধ ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে আঘাত করলেও এর প্রভাব পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যে। আঞ্চলিক কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান ও তার মিত্রদের হুমকির কারণে হরমুজ প্রণালি - [বিমসটেককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে নেপাল, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/180415/): বঙ্গোপসাগরীয় বহুখাতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেককে (বঙ্গোপসাগরীয় উদ্যোগ) বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নেপাল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও জানিয়েছেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বিমসটেকের ভূমিকা নেপালের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মণি পাণ্ডে নেপাল সফর করেন। এ সময় তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিমসটেকের আওতায় আঞ্চলিক সহযোগিতার অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং নেপালের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়। সংস্কৃতি, পর্যটন ও দারিদ্র্য বিমোচনে নেপালের নেতৃত্ব বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় সংস্কৃতি, পর্যটন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম। এসব খাতে বিমসটেকের মধ্যে নেপাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানানো হয়। বিমসটেকের সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে - [ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কুমামোতো, ফিরছে পরিবহন ও শিল্প কার্যক্রম](https://sarakhon.com/news/180411/): জাপানের কুমামোতো শহরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ধাক্কা কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের তিন দিন পর শুক্রবার থেকে গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ, বিমান চলাচল ও মহাসড়কের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। তবে এখনো উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৫ জনে। বড় পরিবহন ব্যবস্থায় ফিরছে গতি ভূমিকম্পের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া কিউশু শিনকানসেন দ্রুতগতির রেলসেবা শুক্রবার সকালে কুমামোতো থেকে ফুকুওকার হাকাতা পর্যন্ত আবার চালু হয়েছে। একই সঙ্গে কুমামোতো অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ ও কিছু আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ভূমিকম্পের কারণে কুমামোতো ও ফুকুওকার মধ্যকার বেশ কিছু মহাসড়ক বন্ধ - [পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল অ্যানথ্রপিকের এআই মডেল](https://sarakhon.com/news/180403/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় তাদের তৈরি কয়েকটি এআই মডেল অনিচ্ছাকৃতভাবে তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাস্তব ব্যবস্থায় প্রবেশ করে হ্যাকিং কার্যক্রম চালিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তা পরীক্ষার নথি পর্যালোচনা করতে গিয়ে তারা ঘটনাগুলো শনাক্ত করে। এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই একই ধরনের একটি ঘটনার কথা প্রকাশ করার পর অ্যানথ্রপিক তাদের পুরোনো পরীক্ষাগুলো পুনরায় যাচাই শুরু করে। পরীক্ষার সীমাবদ্ধতা ভেঙে ইন্টারনেটে প্রবেশ অ্যানথ্রপিকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তারা মোট এক লাখ ৪১ হাজার ছয়টি নিরাপত্তা মূল্যায়ন পরীক্ষা পর্যালোচনা করে তিনটি ঘটনা খুঁজে পায়, যেখানে তাদের ক্লড এআই মডেল পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সীমাবদ্ধ - [বিমসটেককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে নেপাল, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/180289/): বঙ্গোপসাগরীয় বহুখাতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেককে (বঙ্গোপসাগরীয় উদ্যোগ) বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নেপাল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও জানিয়েছেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বিমসটেকের ভূমিকা নেপালের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মণি পাণ্ডে নেপাল সফর করেন। এ সময় তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিমসটেকের আওতায় আঞ্চলিক সহযোগিতার অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং নেপালের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়। সংস্কৃতি, পর্যটন ও দারিদ্র্য বিমোচনে নেপালের নেতৃত্ব বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় সংস্কৃতি, পর্যটন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম। এসব খাতে বিমসটেকের মধ্যে নেপাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানানো হয়। বিমসটেকের সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে - [গাড়িতে ধূমপানের ভুলে বদলে গেল জীবন, পুলিশে জানানো সেই চালককেই এখন ধন্যবাদ সাবেক আসক্তের](https://sarakhon.com/news/180402/): একটি ব্যক্তিগত ভাড়ার গাড়িতে ধূমপানের ছোট্ট একটি ঘটনা যে একজন তরুণের জীবন পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, তারই উদাহরণ ২৫ বছর বয়সী জেরোম। একসময় ই-ভেপ বা বিশেষ ধরনের মাদকযুক্ত ভেপে আসক্ত এই তরুণ এখন মনে করেন, তাকে পুলিশের কাছে জানানো সেই চালকই হয়তো তাকে আরও বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন। জেরোম বলছেন, “সেদিন চালক যদি পুলিশে খবর না দিতেন, তাহলে হয়তো আজও আমি ভেপে আসক্ত থাকতাম।” নিজের ভুল বুঝতে পেরে এখন তিনি কৃতজ্ঞ সেই ব্যক্তির প্রতি, যিনি কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। দুই সপ্তাহে চার হাজার ডলার খরচ, হারিয়েছিলেন নিয়ন্ত্রণ জেরোমের আসক্তির শুরু হয় ১৯ বছর বয়সে ধূমপান ও ভেপ - [ভালোবাসার ভিড়েও কেন মানুষ একা? নিঃসঙ্গতার বীজ লুকিয়ে থাকে শৈশবের অদৃশ্য ক্ষতে](https://sarakhon.com/news/180388/): মানুষের চারপাশে পরিবার আছে, বন্ধু আছে, প্রিয়জন আছে—তবু বুকের ভেতর বাসা বাঁধে গভীর এক নিঃসঙ্গতা। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে ভেতরে অনেকেই অনুভব করেন, কেউ যেন সত্যিকার অর্থে তাঁর মনের কথা জানে না, তাঁর অনুভূতির পাশে দাঁড়ায় না। দীর্ঘদিন ধরে এই নিঃসঙ্গতার কারণ হিসেবে প্রযুক্তিনির্ভর জীবন, নগরায়ণ কিংবা ব্যস্ততাকে দায়ী করা হলেও সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এর শিকড় অনেক গভীরে—মানুষের শৈশবে। শৈশবের অদেখা ক্ষত, প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের নিঃসঙ্গতা বিশ্বজুড়ে নিঃসঙ্গতা এখন কেবল ব্যক্তিগত অনুভূতির বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্যের একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ছয়জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন কোনো না কোনো সময় গভীর নিঃসঙ্গতার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। - [যেখানে পাহাড়ই শিল্পশালা: লাদাখের আকাশছোঁয়া প্রান্তরে শিল্পের নতুন ভাষা](https://sarakhon.com/news/180392/): শিল্প মানেই চার দেয়ালের গ্যালারি—এই প্রচলিত ধারণাকে ভেঙে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করেছে ভারতের লাদাখ। তুষারঢাকা পর্বত, নির্জন উপত্যকা, প্রাচীন গ্রাম আর বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক ভূদৃশ্যকে শিল্পের ক্যানভাসে পরিণত করে শুরু হয়েছে ‘সা লাদাখ দ্বিবার্ষিক শিল্পোৎসব’। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার মিটার উচ্চতায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শুধু শিল্প প্রদর্শনী নয়; এটি মানুষ, প্রকৃতি, ইতিহাস ও ভবিষ্যতের মধ্যে এক গভীর সংলাপ। মাটির অর্থবাহী লাদাখি শব্দ ‘সা’ থেকেই উৎসবের নাম। এবারের প্রতিপাদ্য ‘অন্য এক নক্ষত্রের সংকেত’। এখানে অংশ নিচ্ছেন লাদাখ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ২৬ জন সমকালীন শিল্পী। কিন্তু এই আয়োজনের বিশেষত্ব অন্যত্র—এখানে নেই কোনো জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন, নেই সমাপনী অনুষ্ঠান, নেই টিকিটের ব্যবস্থা কিংবা সাদা দেয়ালের - [পুরুষের চোখে নারীর প্রতিচ্ছবি: গভীর বিশ্লেষণের শক্তি, সময়ের সঙ্গে সংলাপের অপূর্ণতা](https://sarakhon.com/news/180382/): ভারতীয় চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থাপন কেবল চরিত্র নির্মাণের প্রশ্ন নয়; এটি সমাজ, সংস্কৃতি, ক্ষমতা ও দৃষ্টিভঙ্গিরও এক দীর্ঘ ইতিহাস। সেই ইতিহাসকে নতুনভাবে বিশ্লেষণ করার উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে লেখা হয়েছে শোমা চট্টোপাধ্যায়ের বই পুরুষের দৃষ্টি পুনর্নির্ধারণ। বইটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিছু ক্লাসিক নির্মাণকে কেন্দ্র করে পুরুষ নির্মাতাদের নারী নির্মাণের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসন্ধান করেছে। কিন্তু বিষয়ের গভীরতা ও গবেষণার আন্তরিকতা সত্ত্বেও বইটি শেষ পর্যন্ত সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারার সীমাবদ্ধতায় আটকে গেছে। ইতিহাসের ভেতর দিয়ে নারীর অবস্থান গ্রন্থে নয়জন বিশিষ্ট পুরুষ চলচ্চিত্র পরিচালকের কাজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাঁদের চলচ্চিত্রে নারী কীভাবে নির্মিত হয়েছে, কীভাবে তাকে দেখা হয়েছে এবং সমাজের প্রচলিত মূল্যবোধ কীভাবে সেই নির্মাণকে প্রভাবিত করেছে—এসব প্রশ্নের - [স্ক্রিনের ক্লান্তি ছেড়ে আবার চিঠির টানে তরুণেরা: হাতে লেখা খামে ফিরছে হারিয়ে যাওয়া অনুভূতি](https://sarakhon.com/news/180385/): একসময় অপেক্ষার সবচেয়ে সুন্দর নাম ছিল একটি চিঠি। ডাকপিয়নের সাইকেলের ঘণ্টা শুনলেই বুকের ভেতর দোলা দিত আনন্দের ঢেউ। কিন্তু স্মার্টফোন, তাৎক্ষণিক বার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে সেই চিঠি যেন প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল। এখন আবার সেই হারিয়ে যাওয়া চিঠিই নতুন করে জায়গা করে নিচ্ছে তরুণ প্রজন্মের জীবনে। ভারতের নানা শহরে বাড়ছে হাতে লেখা চিঠি, শিল্পসমৃদ্ধ পোস্টকার্ড, বুকমার্ক, রঙ করার পাতা ও ছোট ছোট উপহারে সাজানো ডাকযোগে পাঠানো খামের জনপ্রিয়তা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি অসংখ্য একঘেয়ে বিষয়বস্তু আর সারাক্ষণের পর্দানির্ভর জীবনে ক্লান্ত তরুণেরা ধীরে ধীরে ফিরে যাচ্ছেন বাস্তব স্পর্শের সেই পুরোনো অনুভূতির কাছে। প্রতিটি খাম যেন হৃদয়ের এক টুকরো কোয়েম্বাটুরের তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী সৌভরণিকা লক্ষ্মীপতি - [শুল্ক কমতেই চীনে ফিরছে মার্কিন কোম্পানিগুলোর উৎপাদন পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/180379/): যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতির ধাক্কায় যে বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থা চীনের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়েছিল, তা এখন নতুন করে পর্যালোচনা করছেন অনেক প্রতিষ্ঠান। চীনা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক কমে আসায় ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডসহ বিকল্প উৎপাদনকেন্দ্রে যাওয়া অনেক কোম্পানি আবার চীনের দিকে ফিরছে। ২০২৫ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করলে বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে অনেক কোম্পানি দ্রুত উৎপাদন কারখানা স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড, হয়ে ওঠে নতুন আকর্ষণীয় গন্তব্য। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে গেছে। চীনা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এখন অনেক কমে - [ভারতের কলেজে ভর্তির স্বপ্ন এখন ব্যয়বহুল, বাড়ছে পরিবারের আর্থিক চাপ](https://sarakhon.com/news/180367/): ভারতের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের পথ দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে দেশটির নামকরা সরকারি কলেজ ও পেশাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি আসন পাওয়ার প্রতিযোগিতা এতটাই তীব্র হয়েছে যে, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পরিবারগুলোকেও বহন করতে হচ্ছে বিশাল আর্থিক চাপ। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন শহরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সেই সংকটকে সামনে নিয়ে এসেছে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন শুধু পরীক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতাই নয়, বরং দেশটির ক্রমবর্ধমান কোচিং বা বেসরকারি শিক্ষাদান ব্যবস্থার ব্যয়বহুল বাস্তবতাও প্রকাশ করেছে। জুলাই মাসে দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন বড় শহরে হাজারো শিক্ষার্থী রাস্তায় নামে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারকে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। পরিস্থিতির চাপে - [টানা ধাক্কায় অনোয়ারের জোট, নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতা হারিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে মালয়েশিয়া](https://sarakhon.com/news/180376/): মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে আবারও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। নেগেরি সেম্বিলান অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন পাকাতান হারাপান (পিএইচ) জোট ক্ষমতা হারিয়েছে। বারিসান ন্যাশনাল (বিএন) এবং তাদের নতুন রাজনৈতিক সহযোগী পেরিকাতান ন্যাশনাল (পিএন) মিলে রাজ্যের পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এই ফল শুধু একটি অঙ্গরাজ্যের সরকার পরিবর্তনের ঘটনা নয়; বরং মালয়েশিয়ার জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দুই মেয়াদের শাসনের অবসান সরকারি ফলাফলে দেখা যায়, ৩৬টি আসনের মধ্যে বিএন ১৮টি এবং তাদের সহযোগী পিএন ৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। অর্থাৎ, দুই জোট মিলিয়ে তারা ২৫টি আসন দখল করে সরকার গঠনের মতো শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, গত দুই মেয়াদ ধরে ক্ষমতায় থাকা - [প্রতিবাদের ময়দানে এক সাংবাদিকের যাত্রা: কৌতূহল, সংশয় ও গণতন্ত্রের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/180373/): রাজধানীর অন্যতম পরিচিত প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ এটিকে তরুণদের ন্যায্য ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, আন্দোলনের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। এই দুই বিপরীত অবস্থানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে একজন সাংবাদিকের মনে জন্ম নেয় একটি সহজ প্রশ্ন—ঘটনাস্থলে না গেলে আসলে সত্যটা জানা সম্ভব কি? দূর থেকে নয়, কাছ থেকে দেখার ইচ্ছা তিনি শুরু থেকেই নিজেকে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জাতীয় স্বার্থ—এই তিনটির সমর্থক বলে মনে করেন। তাই আন্দোলনের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার আগে তিনি নিজেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে চান। তাঁর কাছে সাংবাদিকতার অন্যতম শর্ত হলো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সত্য তুলে ধরা। সহিংসতার - [নগরায়ণের চাপে হারিয়ে যাচ্ছে বেঙ্গালুরুর ঐতিহ্যবাহী ফলের ঝুড়ি, সংকটে দেশি ফল ও সবজির চাষ](https://sarakhon.com/news/180370/): এক সময় ভারতের বেঙ্গালুরুর আশপাশের গ্রামগুলো ছিল আঙুর, পেয়ারা, চাকোতা, গাজর, নানা ধরনের সবজি ও দেশি ফলের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। কিন্তু দ্রুত নগরায়ণ, জলবায়ুর পরিবর্তন, পানির সংকট, কৃষিজমি আবাসন ও শিল্পে রূপান্তর এবং শ্রমিকের অভাব—সব মিলিয়ে সেই ঐতিহ্য আজ দ্রুত বিলীন হচ্ছে। কৃষকদের একাংশ কৃষিকাজ ছেড়ে দিয়েছেন, কেউ জমি বিক্রি করেছেন, আবার অনেকে তুলনামূলক লাভজনক নতুন ফসলের দিকে ঝুঁকেছেন। শহরের বিস্তারে হারিয়ে যাচ্ছে আঙুরের বাগান বেঙ্গালুরুর উত্তরের বেত্তাহালাসুর এলাকায় এখনও দুই একর জমিতে ঐতিহ্যবাহী ‘বেঙ্গালুরু ব্লু’ আঙুর চাষ করেন ৬০ বছর বয়সী কৃষক রামচন্দ্র গৌড়া। কিন্তু তিনি জানান, এক সময় যেখানে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে আঙুরের বাগান ছিল, সেখানে এখন বহুতল ভবন আর আবাসিক - [যক্ষ্মার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় বাধা: চিকিৎসা চলছে, কিন্তু সরকারি সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না](https://sarakhon.com/news/180363/): ভারতে যক্ষ্মা এখনও অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সংকট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি যক্ষ্মা রোগী রয়েছে ভারতে এবং যক্ষ্মাজনিত মোট মৃত্যুর ২৮ শতাংশই এই দেশে ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে দরিদ্র রোগীদের জন্য ওষুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারি আর্থিক সহায়তা দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকায় হাজারো রোগী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন। সহায়তা না পেয়ে চিকিৎসা মাঝপথে থেমে যাচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রত্যন্ত আদিবাসী এলাকার বাসিন্দা সন্ধ্যা (ছদ্মনাম) ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসা শুরু হলেও তীব্র পেটব্যথা ও অপুষ্টির কারণে তিনি কয়েক মাসের মধ্যেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন বলে স্থানীয়দের দাবি। - [পুলিশের নিরাপত্তা সতর্কতা ছিল রুটিন নির্দেশনা, হামলার নির্দিষ্ট তথ্য নেই: ডিবি প্রধান](https://sarakhon.com/news/180356/): ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক বোমা আতঙ্ক এবং সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধারের ঘটনার পর পুলিশ সদস্যদের জন্য জারি করা নিরাপত্তা সতর্কতা কোনো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, এটি ছিল পুলিশের যানবাহন, স্থাপনা ও সদস্যদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার জন্য একটি নিয়মিত সতর্কতামূলক নির্দেশনা। নিরাপত্তা জোরদারে নিয়মিত সতর্কতা রোববার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুলিশ সদস্য ও স্থাপনাগুলোর সুরক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব সময় সতর্ক অবস্থানে থাকে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বোমা আতঙ্কের ঘটনা এবং বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানোর - [আমরাই গড়ছি আমাদের প্রাপ্য গণমাধ্যম](https://sarakhon.com/news/180353/): একসময় গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল মানুষের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা। এখন সেই মনোযোগই সবচেয়ে দুষ্প্রাপ্য সম্পদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবিরাম স্ক্রল, কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও এবং অ্যালগরিদমনির্ভর বিনোদনের যুগে মানুষের ধৈর্য যেমন কমেছে, তেমনি বদলে গেছে সংবাদমাধ্যমের অগ্রাধিকারও। ফলে আজ বিবিসির মতো একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানও এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী আর কোনো টেলিভিশন চ্যানেল নয়; বরং মানুষের হাতে থাকা মোবাইল ফোন। বিবিসি সম্প্রতি নিজেদের গুরুত্ব বোঝাতে নতুন প্রচারণা শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি যেন জনগণকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাইছে—বিনোদন, সংস্কৃতি, খেলাধুলা কিংবা সংবাদ—সব ক্ষেত্রেই তাদের অবদান কত বড়। কিন্তু যখন একটি প্রতিষ্ঠানকে নিজেই নিজের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে হয়, তখন বোঝা - [পাকিস্তানে তুষারধসে প্রাণ গেল বিশ্বখ্যাত পর্বতারোহী নির্মল পুরজা ও ৯ সহযাত্রীর](https://sarakhon.com/news/180349/): পাকিস্তানের ব্রড পিক পর্বতে ভয়াবহ তুষারধসে নিখোঁজ হওয়া বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ-নেপালি পর্বতারোহী নির্মল পুরজা ও তার নয় সহযাত্রীর সবাই নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে তাদের অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এলিট এক্সপেড। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের কারাকোরাম পর্বতমালার ব্রড পিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। তুষারধসের পর উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম পরিস্থিতির কারণে তা ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। শনিবার অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা জানায়, ওই দলের ১০ সদস্যের কেউই আর বেঁচে নেই। বিশ্ব পর্বতারোহণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া এলিট এক্সপেড এক বিবৃতিতে জানায়, এই দুর্ঘটনা পুরো বিশ্ব পর্বতারোহণ অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। প্রতিষ্ঠানটি নির্মল পুরজাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা পর্বতারোহী হিসেবে উল্লেখ করে তার পরিবার - [গোপালগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত তোরণে আগুন](https://sarakhon.com/news/180345/): গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে নির্মিত একটি স্মৃতিতোরণে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে নির্মাণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুর্বৃত্তরা তোরণটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের পাশে নির্মিত হয় তোরণ টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে শনিবার বিকেলে শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ১ নম্বর গেটের দক্ষিণ পাশে ‘৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান তোরণ’ নির্মাণ করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করেছিল সংগঠন দুটি। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই স্মৃতিতোরণটি তৈরি করা হয়। সন্ধ্যার পর আগুন দেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তোরণটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তোরণের নিচের - [পাঞ্জাবের হারানো রাজকন্যাদের নীরব বিদ্রোহ: ইতিহাসের চাপা অধ্যায় ফিরিয়ে আনল কেনসিংটন প্রাসাদের প্রদর্শনী](https://sarakhon.com/news/180342/): ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে বিজয়, ক্ষমতা ও উপনিবেশের গল্প বহুবার বলা হয়েছে। কিন্তু সেই ইতিহাসের আড়ালে চাপা পড়ে গেছে এমন কিছু মানুষের জীবন, যাদের ভাগ্যে জুটেছিল নির্বাসন, পরিচয়ের সংকট এবং নীরব প্রতিরোধ। লন্ডনের কেনসিংটন প্রাসাদে আয়োজিত ‘দ্য লাস্ট প্রিন্সেসেস অব পাঞ্জাব’ প্রদর্শনী সেই বিস্মৃত ইতিহাসকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এই প্রদর্শনীতে যুদ্ধ কিংবা রাজনৈতিক ঘোষণার বদলে তুলে ধরা হয়েছে তিন রাজকন্যা—সোফিয়া, ক্যাথরিন ও বাম্বার ব্যক্তিগত জীবন। রেশমি পোশাক, হাতে লেখা চিঠি, পুরোনো আলোকচিত্র, অলংকার এবং ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রীর মাধ্যমে ফুটে উঠেছে তাঁদের নির্বাসিত জীবনের বেদনাময় বাস্তবতা। এতে দেখা যায়, কীভাবে তাঁরা হারানো মাতৃভূমি পাঞ্জাবের স্মৃতি এবং ব্রিটিশ সমাজের বাস্তবতার মাঝখানে নিজেদের নতুন পরিচয় - [তরুণ ভোটারদের নতুন বার্তা: কর্মদক্ষতার রাজনীতিই ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/180336/): ভারতের তরুণ প্রজন্মকে এতদিন মূলত অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে দেখা হয়েছে। কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন কিংবা ভোগব্যয়ের প্রসঙ্গে তাদের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্রের ক্ষেত্রেও যে এই বিশাল জনগোষ্ঠী একটি শক্তিশালী পরিবর্তনের মাধ্যম হতে পারে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। তরুণদের ক্ষোভ কেন বাড়ছে? সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, বেকারত্বের চাপ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তরুণদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সেই ক্ষোভকে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেছে। তবে কেবল অনলাইন প্রচারণা দিয়ে হাজার হাজার তরুণকে রাস্তায় নামানো সম্ভব নয়। এর পেছনে থাকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা হতাশা ও আস্থার সংকট। যে কোনো গণআন্দোলনের শক্তি - [সেউতা সংকট: অভিবাসনের ঢেউ, রাজনৈতিক লাভ আর অদৃশ্য শক্তির প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/180251/): স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সেউতায় সাম্প্রতিক অভিবাসী ঢলকে অনেকেই ইউরোপের সীমান্ত নিরাপত্তার বড় সংকট হিসেবে তুলে ধরেছেন। কিন্তু ঘটনাটিকে কেবল সীমান্ত ভাঙার চেষ্টা হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক তাৎপর্যের বড় অংশই আড়ালে থেকে যায়। কারণ কয়েক দিনের নাটকীয় ঘটনার পর দেখা গেছে, প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বিশাল ঢলের অধিকাংশই দ্রুত মরক্কোতে ফিরে গেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কার্যত কেউই ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে পারেনি। অর্থাৎ বাস্তব ফলাফলের তুলনায় এই ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াই ছিল অনেক বেশি বিস্ফোরক। সীমান্ত যেন ভেঙে ইউরোপের দরজা খুলে গেছে—এমন ধারণা তৈরি করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি সেই বর্ণনার সঙ্গে পুরোপুরি মেলেনি। তবু - [আগামী দশকে জাপানি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হবে ভারত](https://sarakhon.com/news/180330/): আগামী ১০ বছরের মধ্যে জাপানি মূলধনের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হয়ে উঠবে ভারত। বিশেষ করে আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি, নতুন উদ্যোগভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক উদ্যোগে জাপানের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে মনে করছেন ভারতের মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পের সংগঠন এএমএফআই-এর চেয়ারম্যান এবং নিপ্পন লাইফ ইন্ডিয়া অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ সিক্কা। জাপানের অর্থ, ভারতের প্রবৃদ্ধি সন্দীপ সিক্কার মতে, জাপানের হাতে বিপুল পরিমাণ সঞ্চিত মূলধন রয়েছে, কিন্তু দেশটির অভ্যন্তরে সেই অর্থ বিনিয়োগের মতো পর্যাপ্ত প্রবৃদ্ধির সুযোগ সীমিত। অন্যদিকে, ভারতের অর্থনীতি ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এবং উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই দুই বাস্তবতা ভারত ও জাপানকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আদর্শ অংশীদারে পরিণত করেছে। তিনি - [পথের বাধা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া: দক্ষিণ এশিয়ার আট নারীর বদলে দেওয়ার গল্প](https://sarakhon.com/news/180331/): একজন নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলে শুধু তার নিজের জীবনই বদলে যায় না, বদলে যায় একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং শেষ পর্যন্ত একটি দেশের অর্থনীতিও। নতুন ব্যবসা, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও নেতৃত্বের মাধ্যমে নারীরা উন্নয়নের চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের পথে এখনো রয়ে গেছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অসংখ্য বাধা। এসব বাধা দূর করে নারীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ‘ক্লিয়ার হার পাথ’ উদ্যোগের আওতায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সফল নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, করপোরেট নেতা ও সমাজকর্মীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে। তাদের প্রত্যেকের গল্প আলাদা হলেও একটি বিষয় অভিন্ন—সুযোগ, আত্মবিশ্বাস ও সমর্থন পেলে নারীরা শুধু নিজেদের নয়, পুরো - [ভারতে তুলা উৎপাদন কমছে, আমদানি বাড়ছে—চাপে বস্ত্রশিল্প](https://sarakhon.com/news/180316/): ভারতে ২০২৫-২৬ বিপণন মৌসুমে তুলা উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে দেশের বস্ত্রকলগুলোর তুলার চাহিদা বেড়েছে, ফলে আমদানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ভোগ বাড়ার এই প্রবণতা দেশের তুলা বাজারে নতুন চাপ তৈরি করছে। উৎপাদনে সাত লাখ বেল কমার পূর্বাভাস মুম্বাইয়ে ২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত তুলা উৎপাদন ও ব্যবহারবিষয়ক কমিটির বৈঠকে চলতি মৌসুমে তুলা উৎপাদন ২৯০ দশমিক ২৪ লাখ বেল (প্রতি বেল ১৭০ কেজি) হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ মৌসুমে উৎপাদন ছিল ২৯৭ দশমিক ২৪ লাখ বেল। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন প্রায় সাত লাখ বেল কমতে পারে। বস্ত্রকলের চাহিদা বেড়েছে দেশের - [চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভারসাম্য, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন কৌশলে ভারত](https://sarakhon.com/news/180322/): বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি—চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন কৌশল নিয়েছে ভারত। একদিকে কৌশলগত স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখার চেষ্টা, অন্যদিকে বিদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্য—এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটাতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নয়াদিল্লি ধীরে ধীরে দীর্ঘদিনের বেশ কিছু নীতিতে শিথিলতা এনেছে। অ্যান্টি-ডাম্পিং নীতিতে বড় পরিবর্তন ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতি নীতি কেন্দ্রের (সি-ডিইপি) তথ্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তনের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রভাব পড়েছে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের ক্ষেত্রে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, দেশীয় শিল্প ক্ষতির অভিযোগ করলে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তদন্তে ডাম্পিংয়ের প্রমাণ মিললে অর্থ মন্ত্রণালয়কে শুল্ক আরোপ বা বিদ্যমান শুল্কের মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে - [দুবাইয়ের আসল শক্তি করছাড় নয়, আস্থার প্রতিষ্ঠান](https://sarakhon.com/news/180319/): বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন আন্তর্জাতিক পুঁজি আকর্ষণ, আর্থিক বাজারকে গভীরতর করা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগের কেন্দ্র হয়ে ওঠার প্রতিযোগিতায় নেমেছে, তখন দুবাইয়ের নাম প্রায় অবধারিতভাবেই সামনে আসে। কর-সুবিধা, দ্রুত প্রশাসনিক সেবা কিংবা ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে শহরটি বহু দেশের নীতিনির্ধারকদের কাছে অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে উঠেছে। কিন্তু দুবাইকে শুধু ঝকঝকে আকাশচুম্বী ভবন, কর-ছাড় বা বিলাসী জীবনযাত্রার প্রতীক হিসেবে দেখলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি চোখ এড়িয়ে যায়। এর প্রকৃত সাফল্যের ভিত্তি হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জানে—নিয়ম হঠাৎ বদলে যাবে না, চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে এবং সংকটের সময়ও রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সেবা সচল রাখতে সক্ষম। ইন্দোনেশিয়া সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে, যার - [বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে বড় স্বস্তি, তবে বেড়েছে বিমান জ্বালানির দাম](https://sarakhon.com/news/180313/): ভারতে বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম প্রায় ২০০ রুপি কমানো হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সংকটের কারণে কয়েক দফায় দাম বেড়ে যাওয়ার পর এটি দ্বিতীয় দফার মূল্যহ্রাস। তবে একই সঙ্গে দেশীয় বিমান সংস্থাগুলোর ব্যবহৃত বিমান জ্বালানির (এটিএফ) দাম প্রতি লিটারে ৫ রুপি বাড়ানো হয়েছে। বাণিজ্যিক গ্যাসে স্বস্তি, গৃহস্থালি গ্যাস অপরিবর্তিত তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শনিবার নতুন মূল্য ঘোষণা করে। এতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হলেও গৃহস্থালি এলপিজির দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। অন্যদিকে, অভিবাসী শ্রমিকদের ব্যবহৃত ৫ কেজির মুক্তবাজার এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ৪৬ রুপি কমানো হয়েছে। নতুন দামে দিল্লিতে একটি বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৩৮ - [হাম ভাইরাসে জিনগত পরিবর্তনের প্রমাণ মেলেনি, টিকার সুরক্ষা এখনও কার্যকর: আইসিডিডিআর,বি](https://sarakhon.com/news/180307/): বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের জন্য ভাইরাসে এমন কোনো জিনগত পরিবর্তনের প্রমাণ মেলেনি, যা বিদ্যমান হাম-রুবেলা টিকার সুরক্ষা কমিয়ে দিতে পারে। আইসিডিডিআর,বি-এর প্রাথমিক গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে ছড়িয়ে পড়া হাম ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রচলিত টিকা এখনও কার্যকর রয়েছে। একই সঙ্গে গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত টিকা গ্রহণের বয়সের নিচে থাকা, বিশেষ করে তিন থেকে আট মাস বয়সী শিশুরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আইসিডিডিআর,বি জানিয়েছে, বড় আকারের এই প্রাদুর্ভাবের পর অনেকের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছিল যে ভাইরাসটি জিনগতভাবে এমনভাবে বদলে গেছে, যাতে টিকার কার্যকারিতা কমে গেছে। তবে প্রাথমিক গবেষণার ফলাফল সেই আশঙ্কাকে সমর্থন করে না। বরং যেসব শিশু হাম-রুবেলা টিকার নির্ধারিত দুই ডোজ গ্রহণ - [আগুনের বিরুদ্ধে ইউরোপের নতুন ‘নীরব সেনা’—বন রক্ষায় গাধার অভিনব ব্যবহার](https://sarakhon.com/news/180310/): ইউরোপে দাবানলের তাণ্ডব যেন প্রতি বছরই আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ফ্রান্স ও স্পেনে আগুন নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা যখন প্রাণপণ লড়াই করছেন এবং হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, তখন স্পেনের কিছু অঞ্চলে বন রক্ষায় নেওয়া হয়েছে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সেখানে আগুন নেভানোর জন্য নয়, বরং আগুন লাগার আগেই তার ঝুঁকি কমাতে ব্যবহার করা হচ্ছে গাধাকে। ঘাস খেয়েই কমাচ্ছে দাবানলের ঝুঁকি স্পেনের টিভিসা ডঙ্কি ফায়ারফাইটার্স এবং এল বুরিতো ফেলিজ নামে দুটি উদ্যোগ গাধাকে বন সংরক্ষণের কাজে যুক্ত করেছে। তাদের কাজ খুবই স্বাভাবিক—বনের শুকনো ঘাস, ঝোপঝাড় ও আগাছা খেয়ে ফেলা। কিন্তু এই সাধারণ কাজই দাবানল প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বনের মাটিতে জমে থাকা শুকনো - [হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪৪](https://sarakhon.com/news/180306/): দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৪। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন চারটি মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। তবে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৬। নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ হাজার ২২ জনের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে চলতি বছরে সন্দেহভাজন হাম রোগীর - [‘তেলাপোকা’ থেকে তুমুল গণজাগরণ: তিন তরুণের হাত ধরে কাঁপল ভারতের ছাত্র আন্দোলন](https://sarakhon.com/news/180301/): একটি মন্তব্য, তারপর বিস্ফোরিত ক্ষোভ একটি বিতর্কিত মন্তব্য কখনও কখনও ইতিহাস বদলে দিতে পারে। ভারতে ঠিক তেমনই একটি ঘটনার জন্ম দেয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য, যেখানে তিনি বেকার তরুণদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সক্রিয়তার সঙ্গে ‘তেলাপোকা’র তুলনা করেন। অনেক তরুণ এই মন্তব্যকে অপমানজনক বলে মনে করেন। ক্ষোভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, আর সেই ক্ষোভই অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অন্যতম আলোচিত ছাত্র আন্দোলনের রূপ নেয়। এই আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। তবে আন্দোলনের শক্তি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাইরাল প্রচারণায় সীমাবদ্ধ ছিল না। এর পেছনে ছিল তিন তরুণের সুপরিকল্পিত নেতৃত্ব, ভিন্ন অভিজ্ঞতা এবং সংগঠিত কৌশল। ব্যঙ্গ - [প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ভারতের নতুন আইন: তদন্ত ৬০ দিনে, বিচার তিন মাসে, শাস্তি আরও কঠোর](https://sarakhon.com/news/180298/): ভারতে জাতীয় স্তরের বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি ঠেকাতে সংসদের উভয় কক্ষে পাস হয়েছে জনপরীক্ষা (অসাধু উপায় প্রতিরোধ) সংশোধনী বিল, ২০২৬। এই বিলের লক্ষ্য হলো পরীক্ষা জালিয়াতির তদন্ত ও বিচার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করা এবং সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা। এখন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এটি আইনে পরিণত হবে। কেন আনা হলো নতুন বিল ভারতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে ২০২৪ সালের চিকিৎসাশাস্ত্রে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভের জন্ম দেয়। পরে তদন্তে সংগঠিত চক্রের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসে। এরপর ২০২৪ সালে একটি আইন প্রণয়ন করা হলেও দুই বছরেও সেই - [ভূমধ্যসাগরের ঢেউ পেরিয়ে সেউতায় হাজারো মানুষের মরিয়া ছুটে চলা, অভিবাসন সংকটে চাপে স্পেন](https://sarakhon.com/news/180295/): সীমান্তে নজিরবিহীন ভিড় উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউতায় কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় অভিবাসী ঢল দেখা গেছে। মরক্কো থেকে কয়েক দিনের ব্যবধানে হাজার হাজার মানুষ সাঁতরে, ভাসমান টিউব কিংবা অস্থায়ী ভেলার সাহায্যে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করেন। অনেকের লক্ষ্য ছিল ইউরোপে নিরাপদ জীবন ও উন্নত ভবিষ্যতের সন্ধান। ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় প্রাণহানি এই বিপজ্জনক যাত্রায় বহু মানুষ নিরাপদে পৌঁছাতে পারলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। কেউ সাগরে ডুবে, আবার কেউ সীমান্তের বাধা অতিক্রমের সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। এতে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের মত। জরুরি অবস্থা ঘোষণা হঠাৎ বিপুলসংখ্যক মানুষের আগমনে সেউতার স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতিকে মানবিক ও সামাজিক জরুরি অবস্থা হিসেবে - [যুদ্ধের ক্ষত, নেতৃত্বের সংকট এবং ইসরায়েলের নতুন রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ](https://sarakhon.com/news/180291/): দক্ষিণ ইসরায়েলের সীমান্তঘেঁষা একটি উঁচু টিলায় দাঁড়িয়ে দূরবীন দিয়ে গাজার ধ্বংসস্তূপ দেখার জন্য মানুষের ভিড়—এই দৃশ্য শুধু যুদ্ধের নির্মমতাকেই তুলে ধরে না, বরং একটি সমাজের মানসিক অবস্থাকেও প্রকাশ করে। যেখানে ধ্বংসকে কেউ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা মনে করছে, আবার কেউ একই দৃশ্য দেখে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যর্থতার প্রতীক খুঁজে পাচ্ছে। গাজার যুদ্ধ আজ আর কেবল সামরিক সংঘাতের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, গণতন্ত্র এবং জাতীয় পরিচয় নিয়ে গভীর বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। সেই ঘটনার পর গাজায় যে সামরিক অভিযান শুরু হয়, তা বহু বছর ধরে চলমান সংঘাতকে - [রোগনির্ণয়ের যুগে আমরা কি অতিরিক্ত লেবেল দিচ্ছি?](https://sarakhon.com/news/180292/): গত এক দশকে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে রোগনির্ণয়ের সংখ্যাও। উদ্বেগ, অটিজম, এডিএইচডি কিংবা অন্যান্য স্নায়ুবিক বিকাশজনিত বৈশিষ্ট্য—যা একসময় তুলনামূলকভাবে সীমিত পরিসরে আলোচনা হতো—এখন সেগুলো সামাজিক, শিক্ষাগত এবং চিকিৎসা-ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় আলোচনায়। এই পরিবর্তন নিঃসন্দেহে বহু মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ খুলে দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে একটি নতুন প্রশ্নও সামনে এসেছে: আমরা কি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছি, যেখানে রোগনির্ণয় নিজেই সমস্যার অংশ হয়ে উঠছে? এই প্রশ্নটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিকে অস্বীকার করার জন্য নয়। বরং এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে একটি চিকিৎসা-লেবেল কখন সহায়ক, আর কখন তা একজন মানুষের পরিচয়, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎকে সীমাবদ্ধ করতে শুরু করে—সেই সীমারেখা সবসময় স্পষ্ট - [বাংলাদেশকে আমেরিকা, ভারতসহ অন্যান্য দেশের গড়ে ওঠা চীনের বিকল্প সাপ্লাই চেইন জোট ‘প্যাক্স সিলিকা’য় যোগ দিতে আহ্বান সার্জিও গরের](https://sarakhon.com/news/180285/): বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পকে ঘিরে নতুন ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘প্যাক্স সিলিকা’ (Pax Silica) উদ্যোগের সম্ভাব্য অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গর। তার ভাষায়, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দেশটি এই উদ্যোগের অংশীদার হতে পারে। শনিবার প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সার্জিও গর এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের আগ্রহের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। চীনের বিকল্প প্রযুক্তি ও সরবরাহ শৃঙ্খল বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা - [চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি, ক্যাবের তীব্র প্রতিবাদ](https://sarakhon.com/news/180282/): চট্টগ্রাম ওয়াসার আবাসিক ও বাণিজ্যিক—উভয় শ্রেণির গ্রাহকের পানির মূল্য ৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির দাবি, অদক্ষ প্রশাসন, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করা গেলে পানির দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে তারা নগরবাসীর জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত না করে মূল্য বৃদ্ধির উদ্যোগকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছে। শনিবার অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড সভায় পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাবের পর ২ আগস্ট গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ক্যাব এ প্রতিক্রিয়া জানায়। বিবৃতিতে সংগঠনটি অভিযোগ করে, নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম বোর্ড সভায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করার পরিকল্পনা না নিয়ে গ্রাহকদের - [বেনজীর আহমেদ দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত, ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা: পারিবারিক সূত্র](https://sarakhon.com/news/180279/): বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ের একটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে দাবি করেছে তার পারিবারিক সূত্র। একই সঙ্গে সূত্রটি জানিয়েছে, কারামুক্ত হওয়ার পর তিনি ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পারিবারিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কারামুক্ত হন। এর আগে ২৭ জুলাই ইউএইর একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে আদালতের আরোপিত শর্ত অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই। এছাড়া তার পাসপোর্টও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ফলে জামিন পেলেও তিনি বর্তমানে ভ্রমণে বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছেন। জামিনের শর্তে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পারিবারিক সূত্রের - [কুষ্টিয়ার চরে সেতুহীন দুর্ভোগ: পদ্মার বালুচর পেরিয়ে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন প্রায় এক লাখ মানুষ](https://sarakhon.com/news/180276/): বর্ষা এলেই পদ্মা নদীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা পানি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবনকে আবারও মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। চিকিৎসা, শিক্ষা, বাজার কিংবা কৃষিপণ্য পরিবহন—প্রতিটি প্রয়োজনীয় কাজই তখন পরিণত হয় কঠিন সংগ্রামে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মাত্র দুটি সেতুর অভাবে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের প্রায় এক লাখ মানুষ এখনও যোগাযোগ সংকটে ভুগছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাগজোট ও সুখারঘাটে দুটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে এলেও বাস্তবে সেই দাবি পূরণ হয়নি। ফলে বছরের পর বছর উন্নয়নের নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে তার পূর্ণ সুফল পাচ্ছেন না চরবাসী। যোগাযোগের অভাবে প্রতিদিনের দুর্ভোগ বর্ষাকালে নদী পারাপারের একমাত্র - [সুন্দরবনে ছাগল খাচ্ছে লবণপানির কুমির, পর্যটকের ক্যামেরায় বিরল ভিডিও](https://sarakhon.com/news/180272/): সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখা মিলতে শুরু করার পর এবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে আরেকটি বিরল বন্যপ্রাণীর ভিডিও। একটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা ২৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের একটি খালে লবণপানির কুমির একটি ছাগল খাচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সুন্দরবনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা অনেক পর্যটকের মধ্যেও কৌতূহলের পাশাপাশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ধানসাগর এলাকার ধাংমারী খালের ঘাগড়ামারী বন কার্যালয়ের কাছে ধারণ করা হয়। কেওড়ামাল অভিমুখে নৌকাভ্রমণে থাকা এক পর্যটক মোবাইল ফোনে পুরো দৃশ্যটি ধারণ করেন। পরে সেটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ ঘাগড়ামারী খেজুরিয়া ঘাট এলাকার বনবিবি - [ফরিদপুরে রেললাইনের পাশে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ৩](https://sarakhon.com/news/180270/): ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তারাকান্দি গ্রামে রেললাইনের পাশ থেকে আট বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে। শিশুটির মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার নিহত শিশুর নাম মাহমুদা। তিনি নগরকান্দা উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস মোল্লার মেয়ে। পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেল প্রায় ৫টার দিকে মাহমুদা বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত প্রায় ৯টার দিকে গ্রামের রেললাইনের পাশে শিশুটির মরদেহ দেখতে - [প্রাথমিকের ১৪,৩৮৪ সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি, আগস্টেই নিয়োগপত্রের দাবি](https://sarakhon.com/news/180266/): সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা নিয়োগপত্র দ্রুত দেওয়ার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। তাদের দাবি, চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে। রোববার সকাল প্রায় ১১টা থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে কর্মসূচি শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীরা জানান, প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও এখনো চূড়ান্ত নিয়োগপত্র হাতে পাননি। এতে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও অপেক্ষা অব্যাহত চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভিত্তিতে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। - [যশোরে কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/180263/): যশোরের চৌগাছা উপজেলায় এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (ছাত্রদল) এক স্থানীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার সংঘটিত এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে ওই রাতেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। অভিযুক্তের পরিচয় গ্রেপ্তার হওয়া আরাফাত হোসেন রাব্বী (২২) চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার ফুলসারা ইউনিয়নের বালিডাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। যেভাবে ঘটনার অভিযোগ মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী একজন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের জন্য তিনি রাব্বীর সহায়তা চান। অভিযোগে বলা হয়েছে, শনিবার সরকারি ছুটির কারণে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সকালে রাব্বী তাকে চৌগাছা পৌর এলাকায় নিয়ে যান। পরে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে পৌরসভার নিরিবিলিপাড়া - [বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৪](https://sarakhon.com/news/180258/): বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত চারজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। রোববার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল এবং মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষের সূত্রপাত যেভাবে শিক্ষার্থীদের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে সেকশন ‘এ’-এর শ্রেণি প্রতিনিধি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছিল। ওই আলোচনার মধ্যে একটি মিম পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে অনলাইনে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে সেই বিরোধ বাস্তব সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই হলের শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থান প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে মওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীরা - [ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা: আরেকটি বৃহত্তর যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, নাকি কঠিন দর-কষাকষির কৌশল?](https://sarakhon.com/news/180839/): মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংকটকে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান হামলা বা সামরিক পাল্টা আঘাতের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এই সংঘাত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপের সামরিক অর্থের পাশাপাশি কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক তাৎপর্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নটি তাই কেবল এই নয় যে যুদ্ধ বাড়বে কি না; বরং আরও বড় প্রশ্ন হলো—এই উত্তেজনা কি একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘর্ষের পূর্বাভাস, নাকি উভয় পক্ষই ভবিষ্যৎ আলোচনায় সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে চাপ বাড়াচ্ছে? সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি প্রবণতা বিশেষভাবে চোখে পড়ে। এগুলো আলাদাভাবে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, সম্মিলিতভাবে তার চেয়েও বেশি তাৎপর্য বহন করে। কারণ প্রতিটি পরিবর্তন মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভারসাম্যকে নতুনভাবে প্রভাবিত করছে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র ও - [এশিয়ান গেমস দলে বাদ পড়েও ইতিহাস গড়লেন অঙ্কুর, কমনওয়েলথ টেবিল টেনিসে এককের শিরোপা](https://sarakhon.com/news/180928/): ভারতের তরুণ টেবিল টেনিস খেলোয়াড় অঙ্কুর ভট্টাচার্য নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছেন কমনওয়েলথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ এককের শিরোপা জিতে। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি এমন এক অর্জনের স্বাক্ষর রাখলেন, যা এসেছে এশিয়ান গেমসের ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়ার হতাশার ঠিক পরেই। এই জয়কে তিনি নিজের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছেন। হতাশাকে শক্তিতে বদলে দেওয়ার গল্প ফাইনালে পায়াস জৈনকে হারানোর পর অঙ্কুরের আবেগ ছিল স্পষ্ট। র্যাকেট ফেলে দর্শকদের উদ্দেশে উচ্ছ্বাস প্রকাশ, গ্যালারির দিকে ভালোবাসার চুম্বন ছুড়ে দেওয়া এবং পরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ক্রীড়াসুলভ আলিঙ্গন—সব মিলিয়ে এটি ছিল শুধু একটি শিরোপা জয়ের উদযাপন নয়, বরং নিজের সামর্থ্যের জোরালো ঘোষণা। - [ফরিদপুরে হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু: ডিবির সাবেক ওসি-সহ ১১ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ](https://sarakhon.com/news/180922/): ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তর হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং আরও ১০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে জেলা পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মুহাম্মদ মিয়াজী। তিনি মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, তদন্তে অভিযুক্ত ১১ জন ডিবি সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। হেফাজতে মৃত্যু ও তদন্তের সূত্রপাত মধুখালী উপজেলার পশ্চিম গন্ধারদিয়া এলাকার বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তকে গত ২০ জুন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে তার বাড়ির - [ফরিদপুরে ৫টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ](https://sarakhon.com/news/180924/): ফরিদপুরে অব্যবস্থাপনা এবং বৈধ লাইসেন্স ছাড়া পরিচালনার অভিযোগে পাঁচটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। মঙ্গলবার পরিচালিত অভিযানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান ও নাজমুননাহার নাঈম উপস্থিত ছিলেন। বন্ধ ঘোষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মেডিকো হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লিলি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হোলি সিটি প্রাইভেট হাসপাতাল এবং মা-মণি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এগুলোর বেশিরভাগই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত। ভর্তি রোগীদের নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলো থেকে তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা উপযুক্ত - [হীরার নতুন যুগ: খনি নয়, পরীক্ষাগারেই গড়ছে টেকসই ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/180916/): শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে হীরা ভালোবাসা, ঐশ্বর্য ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই ঝলমলে পাথরের পেছনে রয়েছে আরেকটি বাস্তবতা—পরিবেশের ক্ষতি, বন উজাড়, শ্রমিক শোষণ, দূষণ এবং সংঘাতের দীর্ঘ ইতিহাস। এ অবস্থায় পরীক্ষাগারে তৈরি হীরা বা ল্যাবে উৎপাদিত হীরা এখন প্রাকৃতিক হীরার একটি টেকসই, নৈতিক এবং সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রাকৃতিক হীরার সংকট বাড়ছে বিশ্বের বহু বড় হীরার খনিতে উৎপাদন দ্রুত কমে এসেছে। অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি খনি ইতোমধ্যেই প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বিশ্বের মোট হীরা উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ যে কয়েক ডজন খনি থেকে আসে, সেগুলোর অধিকাংশের কার্যক্ষমতা আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই - [কুমামোতো ভূমিকম্প: উদ্ধার অভিযান শেষে এখন বেঁচে থাকা মানুষের জীবন রক্ষায় জোর, বাড়ছে তাপদাহ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/180913/): জাপানের কুমামোতো প্রিফেকচারে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার এক সপ্তাহ পর জরুরি তৎপরতার মূল লক্ষ্য এখন ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারের পরিবর্তে বেঁচে থাকা মানুষের জীবন স্থিতিশীল করা এবং দুর্যোগ-পরবর্তী মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো। তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি, নিরাপদ পানির সংকট এবং তীব্র গরম নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রিফেকচার প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জুলাইয়ের ভূমিকম্পে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যু এবং ১২৩ জন আহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া আশ্রয়ের জন্য গাড়িতে অবস্থান করা এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাকে তাপঘাতজনিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। দুর্যোগ-পরবর্তী চিকিৎসা পরিস্থিতির পরিবর্তন জাপানিজ অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজাস্টার মেডিসিনের তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের পঞ্চম দিন থেকেই সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত আহতদের তুলনায় অসুস্থতা - [প্রতিবাদের স্থান বদলের ভাবনা, যন্তর মন্তর নিয়ে কেন্দ্রকে ভাবতে বলল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত](https://sarakhon.com/news/180895/): ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গণবিক্ষোভের প্রধান স্থান হিসেবে দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়ে আসা যন্তর মন্তর আর উপযুক্ত কি না, সেই প্রশ্নে কেন্দ্র সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে বলেছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আদালতের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যন্তর মন্তরে বড় আকারের আন্দোলন পরিচালনায় একাধিক বাস্তব সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। যন্তর মন্তর নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ শুনানির সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে এ বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের মতামত জানাতে নির্দেশ দেন। আদালত জানায়, দাখিল করা আবেদনে যন্তর মন্তরে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, জরুরি চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং বৃহৎ জনসমাবেশ পরিচালনার নানা সীমাবদ্ধতার - [চিকিৎসকের কথা শুনুন, তবে প্রশ্ন করতেও শিখুন: সচেতন রোগীই পান ভালো চিকিৎসা](https://sarakhon.com/news/180907/): চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা অবশ্যই জরুরি। তবে চিকিৎসা সম্পর্কে কিছু না বুঝেই শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি দেওয়া সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নাও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগী যদি নিজের চিকিৎসা, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা এবং বিকল্প চিকিৎসা সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, তাহলে চিকিৎসা আরও কার্যকর ও রোগীকেন্দ্রিক হয়। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে, চিকিৎসকের প্রতি আস্থা বাড়ে এবং রোগী নিজের জন্য উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান সব সময় নিশ্চিত নয় অনেকেই মনে করেন, চিকিৎসক প্রতিটি রোগের একেবারে নিশ্চিত উত্তর জানেন। বাস্তবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। চিকিৎসকেরা রোগীর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা, অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ফল মিলিয়ে সম্ভাবনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন। একই রোগীকে দেখে ভিন্ন ভিন্ন - [গ্রিসে দাবানলের তাণ্ডব অব্যাহত, আগুন নেভাতে আকাশে জলবাহী বিমান](https://sarakhon.com/news/180904/): গ্রিসে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বাতাসের গতি কিছুটা কমে আসায় আবারও আকাশে উড়েছে জলবাহী বিমান। শত শত অগ্নিনির্বাপক কর্মী, হেলিকপ্টার ও বিশেষায়িত বিমান একযোগে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিলেও পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে এই দাবানলে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার হেক্টর বন, কৃষিজমি ও ঝোপঝাড় পুড়ে গেছে। বাতাস কমতেই শুরু আকাশপথে অভিযান প্রবল বাতাসের কারণে কয়েক দিন ধরে আকাশপথে আগুন নেভানোর কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। তবে সোমবার বাতাসের বেগ কমে আসায় নয়টি জলবাহী বিমান ও নয়টি হেলিকপ্টার আবারও অভিযান শুরু করে। প্রায় সাড়ে চারশ অগ্নিনির্বাপক কর্মী রাজধানী এথেন্সের পশ্চিমাঞ্চলসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে - [ইরান যুদ্ধের চাপ ট্রাম্পের ঘরে: জ্বালানির দাম, জনসমর্থন ও নির্বাচনী রাজনীতিতে বাড়ছে সংকট](https://sarakhon.com/news/180885/): ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকেই নয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কর্মসূচিকেও কঠিন চাপে ফেলেছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, যুদ্ধের অর্থায়ন নিয়ে কংগ্রেসে বিতর্ক এবং যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন কমে যাওয়ায় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে সফরে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সফরে তিনি অর্থনীতি ও নিজের নীতিগত কর্মসূচি তুলে ধরার চেষ্টা করবেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের প্রভাব তাঁর সেই বার্তাকে দুর্বল করে দিতে পারে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির চাপ ইরান যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারেও। দেশজুড়ে পেট্রোলের গড় মূল্য প্রতি গ্যালনে ৪.১০ - [পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ কেন তীব্র হচ্ছে, কী নিয়ে বাড়ছে সংঘাত?](https://sarakhon.com/news/180899/): পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে কয়েক মাস ধরে চলা জনবিক্ষোভ এখন সহিংস রূপ নিয়েছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, নির্বাচনব্যবস্থা এবং ইসলামাবাদের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে বহু মানুষের প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, প্রবাসী কাশ্মীরি নেতারা এবং ভারত। মূল্যবৃদ্ধি থেকে রাজনৈতিক আন্দোলন করোনা মহামারির পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় জম্মু-কাশ্মীর যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি। তাদের দাবি, শুধু দ্রব্যমূল্য নয়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের রাজনৈতিক অধিকারও উপেক্ষিত হচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে তিন ধাপে নির্বাচন চলছে। - [ইউএস ওপেন ঘিরে নতুন আশায় সাবালেঙ্কা, হার্ড কোর্টেই ফিরতে চান সেরার ছন্দ](https://sarakhon.com/news/180896/): বিশ্বের এক নম্বর নারী টেনিস খেলোয়াড় আরিনা সাবালেঙ্কা নতুন উদ্দীপনা নিয়ে ইউএস ওপেনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। চলতি বছরের প্রথম তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যামে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় কিছুটা হতাশা থাকলেও, হার্ড কোর্টে ফিরে নিজের সেরা খেলায় ফেরার ব্যাপারে তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী। তাঁর বিশ্বাস, মৌলিক কৌশলে ফিরে যাওয়াই আবারও সাফল্যের পথ খুলে দিতে পারে। কঠিন সময় পেরিয়ে নতুন শুরুর প্রত্যাশা সাবালেঙ্কার বছরটি শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে হার দিয়ে। এরপর জুনে ফরাসি ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিতে হয় তাঁকে। সর্বশেষ উইম্বলডনেও কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারেননি। তবে এসব ব্যর্থতাকে বড় সংকট হিসেবে দেখছেন না এই বেলারুশের তারকা। কানাডিয়ান ওপেন শুরুর আগে তিনি বলেন, মাটি - [সাইপ্রাস-গ্রিস-আফ্রিকার নতুন অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন: আঞ্চলিক সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত](https://sarakhon.com/news/180892/): বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় কোনো দেশ বা অঞ্চল একা টেকসই প্রবৃদ্ধির পথ ধরে এগোতে পারে না। সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস, বিনিয়োগের নতুন গন্তব্যের সন্ধান এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ রাষ্ট্রগুলোকে আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃনির্ভরশীল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে আফ্রিকা, সাইপ্রাস ও গ্রিসকে ঘিরে নতুন একটি বাণিজ্যিক ও পেশাজীবী প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ কেবল একটি সংগঠন গঠনের ঘটনা নয়; এটি তিনটি ভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা। প্যান আফ্রিকান হেলেনিক সাইপ্রিয়ট চেম্বার অব কমার্স, ইন্ডাস্ট্রি, প্রফেশনালস অ্যান্ড এন্টারপ্রেনার্সের যাত্রা এমন এক সময়ে শুরু হয়েছে, যখন আফ্রিকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। অপরদিকে, ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের - [ব্যাংকিপুরে ধাক্কা, বিহারে বিজেপির জন্য সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/180888/): বিহারের ব্যাংকিপুর উপনির্বাচনের ফল শুধু একটি আসন হারানোর ঘটনা নয়, বরং বিজেপির জন্য গভীর রাজনৈতিক বার্তা হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে জন সুরাজ পার্টির নেতা প্রশান্ত কিশোরের জয় প্রমাণ করেছে যে ভোটারদের মনোভাব বদলাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের প্রত্যাশা, রাজ্য নেতৃত্বের অসন্তোষ এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস—এই তিনটি বিষয় বিজেপির পরাজয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। শক্ত ঘাঁটিতে অপ্রত্যাশিত পরাজয় ১৯৯৫ সাল থেকে ব্যাংকিপুর আসনটি বিজেপির অন্যতম নির্ভরযোগ্য ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। সম্প্রতি দলের জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এই আসন ছেড়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে বিজেপি ছিল আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু সেই হিসাব উল্টে দিয়ে প্রশান্ত কিশোর - [পাঞ্জাব বিধানসভায় প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে তুমুল হট্টগোল, কংগ্রেসের পদত্যাগ দাবি](https://sarakhon.com/news/180879/): পাঞ্জাব বিধানসভার অধিবেশনে সোমবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিরোধী কংগ্রেস সদস্যরা রাজ্যে বারবার বিভিন্ন নিয়োগ ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে সরব হন। এ সময় তারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অধিবেশন কিছু সময়ের জন্য মুলতবি করা হয়। প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় নেতা প্রতাপ সিং বাজওয়া অভিযোগ করেন, আম আদমি পার্টি সরকারের সাড়ে চার বছরের শাসনামলে অন্তত ছয়টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, এসব ঘটনার নৈতিক দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী হারজোত সিং বেইন্সের পদত্যাগ করা উচিত। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক - [তৃণমূলে আরও ভাঙনের জল্পনা, এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক আজ](https://sarakhon.com/news/180882/): পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে আরও ভাঙন নিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার এনসিপিআইয়ের (ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া) সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল ছেড়ে নতুন দলে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সঙ্গে এটি হবে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠক শুধু উন্নয়নমূলক আলোচনা নয়, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণের দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। উন্নয়ন ও ঘরছাড়া কর্মীদের বিষয় আলোচনায় এনসিপিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, বৈঠকের মূল লক্ষ্য হবে বিভিন্ন লোকসভা এলাকার উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা। পাশাপাশি সরকার পরিবর্তনের পর যেসব দলীয় কর্মী এখনও নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেননি, তাঁদের নিরাপদে পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। দলটির - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার হুমকি: নিরাপত্তার নতুন সমীকরণে মানবতার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/180876/): ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার বিশ্বকে অভূতপূর্ব গতিতে বদলে দিয়েছে। এই পরিবর্তন কেবল অর্থনীতি, ব্যবসা বা যোগাযোগের ধরন পাল্টায়নি; বদলে দিয়েছে নিরাপত্তা, যুদ্ধ এবং ক্ষমতার ধারণাকেও। আজকের বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সাইবার প্রযুক্তি আর দুটি আলাদা ক্ষেত্র নয়। বরং তারা একে অপরকে শক্তিশালী করে এমন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে একটি অ্যালগরিদম কিংবা একটি স্বয়ংক্রিয় কোডও একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অর্থনীতি বা সামরিক সক্ষমতার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হতে পারে। বিশ্ব এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির গতি নিয়ন্ত্রণ ও নীতিনির্ধারণের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রশ্নটি আর প্রযুক্তি কতটা উন্নত হবে, সেটি নয়; বরং প্রশ্ন হলো, সেই প্রযুক্তির ওপর মানুষের - [ভারতের বার্তা: শেখ হাসিনার অনুষ্ঠান সরকারের নয়, ব্রিকসে আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান](https://sarakhon.com/news/180867/): শেখ হাসিনার ৫ আগস্টের সম্ভাব্য গণমাধ্যম অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। একই সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারত আরও নিশ্চিত করেছে, বিমসটেকের (বঙ্গোপসাগরীয় বহুখাতভিত্তিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ) বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস (বিআরআইসিএস) শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই তাকে পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলেও জানিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান। শেখ হাসিনার অনুষ্ঠান নিয়ে ভারতের অবস্থান সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে সাবেক - [বাংলাদেশে হামে মৃত্যু বেড়ে ৮৪৯, একদিনে শনাক্ত আরও ১২৩ নিশ্চিত রোগী](https://sarakhon.com/news/180873/): বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন—দুই ধরনের হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৯ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হওয়া দুটি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৫৩। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৬। নতুন সংক্রমণ অব্যাহত একই সময়ে সারা দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন ৮৯৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৬ জনে। - [লাহোর থানায় মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, ৭৮ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত](https://sarakhon.com/news/180870/): পাকিস্তানের লাহোরের গাজীআবাদ থানায় এক মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট থানার পুরো পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএইচও)সহ মোট ৭৮ জন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম ইমরান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ওই তরুণীকে তার বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে থানার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে তার ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারকে যা বলা হয়েছিল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত এএসআই তরুণীর পরিবারের সদস্যদের জানান যে, একটি মামলার - [ভারতের কুস্তি মহলে আলোচিত মামলায় সাবেক ডব্লিউএফআই প্রধান বেকসুর খালাস](https://sarakhon.com/news/180860/): ভারতের কুস্তি অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত যৌন হয়রানির মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এবং ভারতের কুস্তি ফেডারেশনের (ডব্লিউএফআই) সাবেক সভাপতি ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে বেকসুর খালাস দিয়েছে দিল্লির একটি আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর অভিযুক্ত, ডব্লিউএফআইয়ের সাবেক সহকারী সম্পাদক বিনোদ তোমারও খালাস পেয়েছেন। সোমবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের অতিরিক্ত প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আদালতের রায়ে স্বস্তি ব্রিজ ভূষণের রায়ের পর ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং বলেন, শুরু থেকেই তিনি দাবি করে আসছিলেন যে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। আদালতের রায়ে সেই দাবি প্রমাণিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, অভিযোগ সত্য - [বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহে তদন্তে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/180861/): বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একই পরিবারের তিন সদস্যের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চন্দরখোলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ৮৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা, তাঁর মেয়ে এবং নাতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, মরদেহ উদ্ধারের এক থেকে দুই দিন আগেই তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। একই পরিবারের তিনজন নিহত নিহতরা হলেন চন্দরখোলা গ্রামের বাসিন্দা রশিদ শেখের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৮৫), তাঁর মেয়ে মনিরা বেগম (৫৫) এবং মনিরার ছেলে আহাত হাওলাদার (২৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে রাশিদা বেগমের বাড়ি থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তারা - [ড্রোন যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা: অস্ত্র নয়, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের অর্থনীতি](https://sarakhon.com/news/180862/): যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির পরিবর্তন সাধারণত বড় অস্ত্র, উন্নত বিমান বা অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে চিহ্নিত হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো দেখাচ্ছে, অনেক সময় যুদ্ধের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে ছোট, সস্তা এবং সহজলভ্য প্রযুক্তি থেকে। ফার্স্ট পারসন ভিউ (এফপিভি) ড্রোন তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। কয়েক হাজার ডলারেরও কম খরচে তৈরি একটি ছোট ড্রোন কোটি কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কিংবা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এই বাস্তবতা সামরিক পরিকল্পনাকে নতুন প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। একটি সস্তা ড্রোন ধ্বংস করতে যদি ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়, তাহলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অর্থনৈতিক ভারসাম্য দ্রুত ভেঙে পড়বে। ফলে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেবল ড্রোন ধ্বংস করা নয়; - [ফিফার বিতর্কিত ২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহারকে সমর্থন করলেন আর্সেন ওয়েঙ্গার](https://sarakhon.com/news/180856/): ফিফার ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপের আয়ের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী ও গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার। সাবেক আর্সেনাল কোচের ভাষায়, পরিকল্পনাটি বাতিল করা ছিল “একেবারেই প্রয়োজনীয়”। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের এই বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্ব ফুটবলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফাসহ বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র আপত্তি ওঠার পর শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি প্রত্যাহার করা হয়। বিতর্কের পটভূমি পরিকল্পনাটি নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয় যখন উয়েফার আইনজীবীরা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের সতর্কতা দেন। ওই চিঠিতে আর্সেন ওয়েঙ্গারসহ ফিফার - [পাকিস্তানের দাপট, সেঞ্চুরিতে শফিক-ব্যাটে জ্বলে উঠলেন বাবর](https://sarakhon.com/news/180851/): ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দারুণ ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। আবদুল্লাহ শফিকের অপরাজিত সেঞ্চুরি এবং বাবর আজমের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৬৮ রানের জুটিতে সফরকারীরা দিন শেষ করেছে শক্ত অবস্থানে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৬৬ রান। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩৪৪ রানের চেয়ে তারা এখনও ৭৮ রানে পিছিয়ে থাকলেও হাতে রয়েছে আট উইকেট, যা ম্যাচে তাদের এগিয়ে রাখছে। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লড়াকু সংগ্রহ সোমবার ২৩৯/৫ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে তারা ৩৪৪ রানে অলআউট হয়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন জাস্টিন গ্রিভস। অধিনায়ক - [৫০ বছরের কম বয়সী নারীদের স্তন ক্যানসারের ৯৫ শতাংশ ঝুঁকি শনাক্তে ব্যর্থ বর্তমান নির্দেশিকা: কেমব্রিজ গবেষণা](https://sarakhon.com/news/180848/): ৫০ বছরের কম বয়সী নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসারের উচ্চ ঝুঁকি নির্ধারণে বর্তমানে চিকিৎসকদের ব্যবহৃত নির্দেশিকা বড় ধরনের সীমাবদ্ধতায় ভুগছে। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, কেবল পারিবারিক রোগ-ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে ঝুঁকি মূল্যায়নের বর্তমান পদ্ধতি ভবিষ্যতে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়া ৯৫ শতাংশ নারীকে শনাক্ত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। গবেষকদের মতে, ঝুঁকি নির্ধারণে আরও বিস্তৃত পদ্ধতি ব্যবহার করা হলে অনেক বেশি নারীকে আগেভাগে শনাক্ত করা সম্ভব হবে, যা দ্রুত চিকিৎসা শুরু এবং কিছু ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের সুযোগও বাড়াতে পারে। আরও কার্যকর ঝুঁকি মূল্যায়নের প্রস্তাব বর্তমানে ৫০ বছরের কম বয়সী যেসব নারীর পরিবারে স্তন ক্যানসারের শক্তিশালী ইতিহাস রয়েছে, তাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে - [যুক্তরাজ্যে আগাম মুক্তি নীতিতে পরিবর্তন: ধর্ষণ ও শিশু যৌন নির্যাতন মামলার দণ্ডিতরা আর পাবেন না সুবিধা](https://sarakhon.com/news/180845/): যুক্তরাজ্যের কারাগারে অতিরিক্ত বন্দীর চাপ মোকাবিলায় চালু হওয়া আগাম মুক্তি কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধর্ষণ, শিশু যৌন নির্যাতন এবং গ্রুমিং-সংক্রান্ত অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিরা আর আগাম মুক্তির সুযোগ পাবেন না। তবে নরহত্যা (ম্যানস্লটার) বা গুরুতর গার্হস্থ্য সহিংসতার মতো অপরাধে দণ্ডিতদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অপরাধের ধরনভেদে ভিন্ন সিদ্ধান্ত সরকার জানিয়েছে, জনমতের উদ্বেগ এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষোভের কথা বিবেচনায় নিয়ে ধর্ষণ ও শিশু যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর যৌন অপরাধকে আগাম মুক্তি কর্মসূচির বাইরে রাখা হয়েছে। আগে এমন একটি পরিকল্পনা ছিল, যাতে কিছু গুরুতর অপরাধেও দণ্ডিতরা সাজা অর্ধেক ভোগ করার পর - [রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত, তদন্তে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ](https://sarakhon.com/news/180842/): রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। সংঘর্ষের সূত্রপাত যেভাবে প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির “জুলাই অ্যাগেইনস্ট অপপ্রেশন” শীর্ষক একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। প্রদর্শনীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত কয়েকজন ব্যক্তির ছবি প্রদর্শন করা হয়, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে “বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার” হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে - [আইন প্রণয়ন কি বিতর্কের জন্য, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলপ্রয়োগের জন্য?](https://sarakhon.com/news/180836/): গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংসদ কেবল আইন পাস করার জায়গা নয়; এটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের মঞ্চ। এখানেই সরকারের প্রস্তাব পরীক্ষা হয়, বিরোধী মতামত শোনা হয়, সাংবিধানিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয় এবং নাগরিক অধিকারের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়। কিন্তু যখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা যুক্তির জায়গা দখল করে নেয়, তখন সংসদের মূল চরিত্র বদলে যেতে শুরু করে। আইন তখন কেবল ভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত একটি নথি হয়ে দাঁড়ায়, যার নৈতিক ও সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ভারতের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমনই একটি প্রবণতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক দুটি প্রস্তাবিত আইন—বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (এফসিআরএ) সংশোধনী এবং সংবিধানের ১৩০তম সংশোধনী বিল—শুধু আলাদা দুটি আইন নয়; এগুলো রাষ্ট্রক্ষমতা, - [রাজধানীর হাতিরঝিলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঠাও রাইডার](https://sarakhon.com/news/180831/): রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পাঠাও রাইডার নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিচয় নিহত ব্যক্তির নাম মো. হাসান (৩০)। তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় বসবাস করতেন। কীভাবে ঘটেছে দুর্ঘটনা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোর প্রায় ৫টার দিকে হাতিরঝিল এলাকায় মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি যানবাহন তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের বক্তব্য - [ভারত থেকে বেনাপোলে এলো ৯.২ টন কাঁচা মরিচ, দাম কমার আশায় বাজার](https://sarakhon.com/news/180828/): দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৯.২ টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে। সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে কাঁচা মরিচবাহী একটি ট্রাক ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, শুল্ক ও বন্দরের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর একই রাতেই চালানটি খালাস ও ছাড়পত্র দেওয়া হয়। আমদানি ও খরচের হিসাব চালানটি আমদানি করেছে শিমু এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শিমু শিপিং লাইনস কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ছাড়পত্র গ্রহণ করে। আমদানিকারক শাহাজান আলী জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। অল্প - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাচের নতুন দুনিয়ায় পা রাখলেন কোরিয়ার তারকা নৃত্যপরিচালক](https://sarakhon.com/news/180825/): বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ডগুলোর অসংখ্য আলোচিত নৃত্যপরিকল্পনার পেছনে যাঁর সৃজনশীলতা কাজ করেছে, সেই দক্ষিণ কোরিয়ার খ্যাতিমান নৃত্যপরিচালক চোই ইয়ংজুন এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নৃত্য প্রযুক্তির জগতে নতুন উদ্যোগ নিয়ে হাজির হয়েছেন। তাঁর সহপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এমভিএনটি এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে, যা সংগীতের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন নৃত্যভঙ্গি তৈরি করতে পারবে। অনেকেই এই উদ্যোগকে সংগীত তৈরির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্ল্যাটফর্মগুলোর নাচভিত্তিক সংস্করণ হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে নতুন উদ্যোগ চোই ইয়ংজুন প্রায় দুই দশক ধরে কে-পপ জগতে কাজ করছেন। তাঁর কোরিওগ্রাফি করেছে বিটিএস, সেভেন্টিনসহ বহু জনপ্রিয় শিল্পী ও দল। এ পর্যন্ত তিনি ৮০০-রও বেশি নৃত্যপরিকল্পনা তৈরি করেছেন। ছয় বছর আগে নৃত্যশিল্পী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা জুন - [হরমুজে জাহাজে হামলার পর নতুন অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে সংশয়](https://sarakhon.com/news/180822/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে আবারও বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে, অন্যদিকে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বর্তমানে কোনো আলোচনা হচ্ছে না এবং শিগগিরই এমন কোনো বৈঠকেরও পরিকল্পনা নেই। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে অজ্ঞাত উৎস থেকে হামলার ঘটনা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আলোচনার দাবি ও অস্বীকার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের অনুরোধে এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে। তিনি এটিকে - [অভিযোগের মধ্যেই ৭৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের উদ্যোগে ছিলেন জ্যারেড লেটো](https://sarakhon.com/news/180816/): হলিউড অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী Jared Leto সাম্প্রতিক যৌন অসদাচরণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার আগেই ৭৫ মিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এ বিষয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসেও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছিল। প্রথমবারের মতো তহবিল গঠনের পরিকল্পনা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই তহবিলটি লেটোর প্রথম আনুষ্ঠানিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড হওয়ার কথা ছিল। এর আগে তিনি নিজের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে বিনিয়োগ করেছেন। তাঁর বিনিয়োগ তালিকায় প্রযুক্তি ও উদীয়মান ব্যবসার একাধিক পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের দাবি, প্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান Andreessen Horowitz-এর (এ–১৬–জেড) - [সার্জিও গরের ভিজিট, চাইনিজ রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ও অবাধ ইনক্লুসিভ নির্বাচন](https://sarakhon.com/news/180811/): কোন সরকারি ভিজিট যখন একপক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত করা হয় বা কখনও একপাক্ষিকভাবে কোন প্রোগ্রাম ক্যান্সেল করা হয়- তখন সাধারণ মানুষ থেকে কূটনীতিক সকলেই এই আচরণের মূল ভাষা পড়তে পারেন। তারা ধরে নেন যে উদ্দেশ্যে সফরটি হবার কথা ছিল- তার কোথাও ঘাটতি হয়েছে। যে কারণে এই আচরণের মাধ্যমে ভদ্রভাবে সেটা জানিয়ে দেওয়া হলো। তবে এর অর্থ কখনও এই নয় যে কূটনীতি বা পারস্পরিক সম্পর্ক এখানে থেমে গেল। যেমন সম্প্রতি একজন বিএনপি নেতা প্রশ্ন করেছিলেন, “এই নির্বাচনে আমাদের নেতার ফেরা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই তো ভারত আমাদেরকে সাহায্য করল, এমনকি তারা কিছু হিন্দু নেতাদের মাধ্যমে হিন্দুরা যাতে আমাদের ভোট দেয় সে লক্ষেও কাজ করে। - [পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিক্ষোভে রক্তপাত, ‘অধিকার চেয়েছিলাম, গুলি পেলাম’ অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/180808/): পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাওয়ালাকোটে চলমান বিক্ষোভ নতুন করে সহিংস মোড় নিয়েছে। আহত বিক্ষোভকারীদের চিকিৎসা দিতে অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে সীমিত সামর্থ্য নিয়ে কাজ করছেন চিকিৎসকেরা। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলনে নামলেও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষের প্রাণ গেছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিয়েছে। অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে বাড়ছে আহতের চাপ রাওয়ালাকোটের একটি অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে আহতদের চিকিৎসা চলছে সীমিত ওষুধ ও সরঞ্জাম দিয়ে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, তারা রক্তক্ষরণ বন্ধ করা, ক্ষত পরিষ্কার করা এবং ছোট আঘাতের চিকিৎসা দিতে পারলেও বুকে, মাথায় বা পেটে গুরুতর - [ট্রাম্পের নতুন শুল্কে আইনি লড়াই, ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180805/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আরোপ করা নতুন আমদানি শুল্ককে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দেশটির ২৫টি অঙ্গরাজ্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। এসব অঙ্গরাজ্যের দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত আইনবিরোধী, অযৌক্তিক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। জুলাই মাসে কার্যকর হওয়া এই শুল্ক বিশ্বের ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের ওপর প্রযোজ্য হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ব্রাজিল ও তাইওয়ানসহ আরও অনেক দেশ। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য ঠেকাতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই কারণেই এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগ আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত অঙ্গরাজ্যগুলোর - [ট্রাম্পের নিশানায় তেল জায়ান্টরা, জ্বালানির দাম কমানোর দাবি](https://sarakhon.com/news/180802/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির শীর্ষ তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানির খুচরা দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন। ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার মধ্যে কোম্পানিগুলোর দ্বিতীয় প্রান্তিকের রেকর্ড মুনাফা প্রকাশের পরই তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘অতিরিক্ত মুনাফা’ নিয়ে ক্ষোভ সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, এক্সনমোবিল ও শেভরন “অতিরিক্ত অর্থ” আয় করছে। তাঁর ভাষায়, এই মুনাফার একটি অংশ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানির উচ্চমূল্য ভোক্তাদের ওপর অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করছে। যদিও ট্রাম্পের মন্তব্যের পরপরই এক্সনমোবিল ও শেভরনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। - [যমুনার স্রোতে নিখোঁজ দুই কিশোর, পাবনায় চলছে উদ্ধার অভিযান](https://sarakhon.com/news/180799/): পাবনার বেড়া উপজেলার যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে প্রবল স্রোতে ভেসে দুই কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে দুর্ঘটনা নিখোঁজ দুই কিশোর হলো টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ঢালতোষা গ্রামের অনুতোষ রায়ের ছেলে বিনয় রায় (১৫) এবং গাজীপুর সদর উপজেলার মিতুলাল সরকারের ছেলে প্রভাত সরকার (১৫)। তারা দুজনই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং সম্পর্কে চাচাতো ভাই। জানা গেছে, তারা পাবনার আমিনপুর এলাকার খানপুরা মধ্যপাড়ায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সোমবার দুপুরের দিকে কাছের যমুনা নদীতে গোসল করতে নামলে প্রবল স্রোতে - [যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসাপ্রার্থীদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ আনতে বলল মার্কিন দূতাবাস](https://sarakhon.com/news/180793/): বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ভ্রমণ, পড়াশোনা বা অন্যান্য অস্থায়ী উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী ভিসাপ্রার্থীদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ সঙ্গে রাখার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস বলেছে, ভিসা সাক্ষাৎকারে আবেদনকারীদের এমন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, যাতে বোঝা যায় তারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নিজের সব ধরনের ব্যয় বহন করতে সক্ষম। সাক্ষাৎকারে কী ধরনের প্রস্তুতি দরকার সোমবার দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আবেদনকারীদের এমন আর্থিক প্রস্তুতি থাকতে হবে, যাতে তারা ভ্রমণ ব্যয়, আকস্মিক যাতায়াতের জটিলতা কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত জরুরি খরচও নিজ উদ্যোগে বহন করতে পারেন। দূতাবাসের ভাষ্য, ভিসা সাক্ষাৎকারে এমন নথি বা প্রমাণ সঙ্গে রাখা উচিত, যা আবেদনকারীর আর্থিক স্বনির্ভরতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। - [এক দফা দাবির আগে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি আবদুল কাদেরের](https://sarakhon.com/news/180791/): জুলাই আন্দোলনের ঐতিহাসিক এক দফা দাবি ঘোষণার আগে বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের। সোমবার নিজের ফেসবুকে প্রকাশিত ‘ঐতিহাসিক এক দফার অজানা ইতিহাস’ শিরোনামের একটি দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। সেখানে তিনি এক দফা দাবি ঘোষণার আগে বিভিন্ন ব্যক্তি, সংগঠন ও অংশীজনের সঙ্গে হওয়া আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার বর্ণনা তুলে ধরেন। বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা আবদুল কাদেরের দাবি, এক দফা দাবির ঘোষণা দেওয়ার আগে তিনি বিভিন্ন পক্ষের মতামত নেন। এ সময় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন - [যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ার মূল্য দিচ্ছে জর্ডান, ইরান যুদ্ধে বাড়ছে চাপ](https://sarakhon.com/news/180788/): ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত জর্ডানকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদার হওয়ায় দেশটি এখন ইরানের বাড়তি সামরিক চাপের মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র জর্ডানের ভূখণ্ড ও সামরিক ঘাঁটি বেশি ব্যবহার করায় তেহরান এখন দেশটিকে সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখছে। গত কয়েক সপ্তাহে ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন জর্ডানের দিকে এসেছে। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এসব হামলার বেশিরভাগই প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ধারাবাহিক হামলায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি, অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জর্ডানের রাজধানী আম্মানের অনেক বাসিন্দা মনে করেন, এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিই বড় ভূমিকা রেখেছে। তাদের অভিযোগ, ওয়াশিংটনের - [ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক, যৌথ হস্তক্ষেপে শক্তিশালী হলো ইয়েন](https://sarakhon.com/news/180785/): যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের যৌথ বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে হস্তক্ষেপের ফলে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের দর উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। তবে এই অর্থনৈতিক পদক্ষেপের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য, যেখানে তিনি জাপানের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে পার্ল হারবার হামলার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ডলারের বিপরীতে দ্রুত শক্তিশালী ইয়েন সোমবার যৌথ হস্তক্ষেপের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মূল্য দ্রুত বাড়ে। গত সপ্তাহের আগে যেখানে এক ডলারের বিনিময়ে ১৬৩ ইয়েনেরও বেশি লেনদেন হচ্ছিল, সেখানে সোমবার তা নেমে আসে প্রায় ১৫৫.২০ ইয়েনে। পরে টোকিওর লেনদেন শেষে হার দাঁড়ায় প্রায় ১৫৬.৭৫ ইয়েন। জাপানের দীর্ঘদিনের দুর্বল মুদ্রা দেশটির জন্য বড় অর্থনৈতিক চাপ - [হরমুজকে কেন্দ্র করে নতুন চাপের কৌশল: সামরিক সংঘাতের বদলে অর্থনৈতিক চাপেই যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড় দিতে বাধ্য করতে চায় ইরান](https://sarakhon.com/news/180782/): মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাতে না গিয়ে এবার বাণিজ্যপথ, জ্বালানি অবকাঠামো এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান। দেশটির নেতৃত্বের বিশ্বাস, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের বর্তমান কৌশল হলো সংঘাতকে এমনভাবে বিস্তৃত করা যাতে তা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে রূপ না নেয়, কিন্তু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ায়। চাপের কেন্দ্র হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। বৈশ্বিক তেলের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের ধারণা, এই পথের - [কঠোর শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে অভিভাবকদের জয়, ভেঙে যাচ্ছে স্কুল পরিচালনা ট্রাস্ট](https://sarakhon.com/news/180779/): ইংল্যান্ডের ডেভন ও কর্নওয়ালের একাধিক বিদ্যালয়ে কঠোর শৃঙ্খলানীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত বড় সাফল্য এনে দিয়েছে। অভিযোগ ছিল, বিদ্যালয়গুলোতে এমন কঠোর নিয়ম চালু করা হয়েছিল, যা অনেক শিক্ষার্থীর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। প্রবল জনচাপের মুখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা ট্রাস্ট এখন নিজেকে বিলুপ্ত করে বিদ্যালয়গুলো অন্য ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। টয়লেটে যাওয়ার ভয়ে পানি পান বন্ধ ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী অ্যামেলিয়ার অভিজ্ঞতা এই বিতর্কের অন্যতম আলোচিত উদাহরণ। বিদ্যালয়ের কঠোর নিয়মের কারণে ক্লাস চলাকালে সহজে টয়লেটে যাওয়ার অনুমতি মিলত না। শাস্তির ভয়ে সে স্কুলে পানি পানই বন্ধ করে দেয়, যাতে টয়লেটে যেতে - [স্যামসাং স্মার্ট টিভির অ্যাপ নিয়ে নতুন কড়াকড়ি, ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট সংযোগ সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ](https://sarakhon.com/news/180776/): স্যামসাং তাদের স্মার্ট টিভির অ্যাপ প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে। কারণ, কিছু অ্যাপে এমন একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি ধরা পড়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অজান্তেই তাদের বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগ অন্যদের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান Mnemonic-এর অনুসন্ধানে জানা যায়, স্যামসাং স্মার্ট টিভির কিছু অ্যাপ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা প্রয়োজনে ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের ওয়েব ট্রাফিক পাঠাতে পারে। এতে বাইরে থেকে পাঠানো অনলাইন অনুরোধগুলো এমনভাবে দেখা যায়, যেন সেগুলো ব্যবহারকারীর নিজের ইন্টারনেট সংযোগ থেকেই এসেছে। একটি জনপ্রিয় গেমেও ছিল ঝুঁকি গবেষণায় উঠে এসেছে, স্যামসাংয়ের অ্যাপ স্টোরে সম্পাদকের পছন্দ বিভাগে প্রদর্শিত একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্যাক-ম্যান গেমেও এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল। গবেষকদের মতে, - [সাদা রঙের নতুন গেমিং ল্যাপটপ আনল এমএসআই, সঙ্গে মিলবে বিশেষ আনুষঙ্গিক সামগ্রী](https://sarakhon.com/news/180772/): গেমারদের জন্য নতুন চমক নিয়ে এসেছে এমএসআই। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ববাজারে ক্রসহেয়ার এ১৬ এইচএক্স এমএলজি সংস্করণ নামে একটি বিশেষ সংস্করণের ১৬ ইঞ্চির গেমিং ল্যাপটপ উন্মোচন করেছে। সাদা ও লাল রঙের নকশায় তৈরি এই ল্যাপটপের সঙ্গে একই রঙের মাউস, হেডসেট এবং বড় আকারের মাউস প্যাডও দেওয়া হবে। এখানে এমএলজি বলতে কোনো ই-স্পোর্টস সংস্থাকে বোঝানো হয়নি। এটি এমএসআইয়ের তৈরি একটি মৌলিক চরিত্র মো-লুং-জি বা ‘ড্রাগন প্রিন্সেস’-এর নাম অনুসারে রাখা হয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসর ও গ্রাফিকস ল্যাপটপটির সর্বোচ্চ সংস্করণে রয়েছে ১৬-কোর এএমডি রাইজেন ৯ ৮৯৪০এইচএক্স প্রসেসর এবং এনভিডিয়া জিফোর্স আরটিএক্স ৫০৭০ ল্যাপটপ গ্রাফিকস প্রসেসর, যার সঙ্গে রয়েছে ১২ গিগাবাইট জিডিডিআর৭ গ্রাফিকস মেমোরি। একসঙ্গে প্রসেসর ও গ্রাফিকসের ওপর ভারী চাপ পড়লেও সর্বোচ্চ ১৯০ ওয়াট পর্যন্ত শক্তি ব্যবহার করতে - [ইউরোপজুড়ে তীব্র খরায় রাইন নদীর পানি ইতিহাসের সর্বনিম্নে, পরিবহন ও জ্বালানি খাতে বাড়ছে সংকট](https://sarakhon.com/news/180770/): দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও খরার কারণে ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী রাইনের বিভিন্ন অংশে পানির উচ্চতা ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর ফলে নৌপরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, কৃষি এবং পানির সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জার্মানির কোলোন এবং নেদারল্যান্ডসের লোবিথ এলাকায় গত সপ্তাহে রাইন নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। একই সময়ে ইউরোপের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদী—বিশেষ করে দানিউব ও ইতালির পো নদীতেও পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। তাপপ্রবাহে আরও বাড়ছে সংকট ইউরোপের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের অনেক দেশে আগামী অন্তত এক সপ্তাহ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হতে পারে। ইউরোপীয় - [গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাচ্ছে ডেনমার্ক, বাড়ছে আর্কটিক নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/180767/): আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবকে সামনে রেখে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করছে ডেনমার্ক। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশটি প্রথমবারের মতো বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনাদের গ্রিনল্যান্ডে মোতায়েন করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ চার মাস থেকে বাড়িয়ে ১১ মাস করা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো নারীদেরও এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। সোমবার প্রায় ১ হাজার ৬০০ নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণী ১১ মাসের নতুন সামরিক সেবার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ডেনমার্ক সরকারের লক্ষ্য, আগামী বছরগুলোতে দেশের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও সুসংগঠিত ও আধুনিক করে তোলা। প্রথমবার গ্রিনল্যান্ডে বাধ্যতামূলক সেনা মোতায়েন চলতি মাসের শেষ দিকে ১০০ জনের বেশি সেনাসদস্যের একটি দল গ্রিনল্যান্ডে - [সিলিকন ভ্যালির লবিং কি যুক্তরাষ্ট্র–চীন সম্পর্কে নতুন অবিশ্বাস তৈরি করছে?](https://sarakhon.com/news/180764/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি শিল্পের ক্রমবর্ধমান চীনবিরোধী অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কিছু বিশ্লেষক। তাদের মতে, সিলিকন ভ্যালির শক্তিশালী লবিং কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিলিকন ভ্যালি আগের তুলনায় অনেক বেশি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি খাতের প্রভাবশালী উদ্যোক্তারা এখন শুধু ব্যবসায় নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এদের মধ্যে অন্যতম ইলন মাস্ক, যিনি ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণায় বিপুল অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন। প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন এবং বেইজিংয়ের সম্পর্ক ইতোমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অর্ধপরিবাহী, উন্নত কম্পিউটিং এবং অন্যান্য কৌশলগত প্রযুক্তিকে দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মূল ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে। - [যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সাম্প্রতিক সাতটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত বিষয়](https://sarakhon.com/news/180761/): সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ককে ঘিরে বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জাতীয় নিরাপত্তা, নির্বাচন, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সামনে এসেছে। নিচে সেসবের সংক্ষিপ্তসার তুলে ধরা হলো। নতুন শুল্ক আরোপ ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্র চীনসহ প্রায় ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করে। এই তালিকায় জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলিও ছিল। অস্থায়ী ১০ শতাংশ সাধারণ শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ব্যবধান কমছে জুন মাসে চীনের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল উন্মোচনের পর বিশ্লেষকদের ধারণা, এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত এগিয়ে থাকার ব্যবধান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। বিশেষ করে মুনশট এআই - [দিয়েগো গার্সিয়া, বাস্তুচ্যুত চাগোসবাসী ও ভূরাজনীতি: বার্নহামের সামনে কঠিন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/180758/): ভারত মহাসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বার্ট্রিস পম্পে ছিলেন শেষ দিকের সেই চাগোসবাসীদের একজন, যাদের পরিবারকে শিগগিরই নিজ ভূমি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়। আজ তিনি লন্ডনে বসবাস করলেও নিজের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের দাবিতে অন্যতম পরিচিত কণ্ঠস্বর। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অসংখ্য পরিবার পম্পে জানান, দ্বীপ ছাড়ার সময় বহু পরিবার স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কেউ চলে যায় সেশেলসে, কেউ মরিশাসে। ভাই-বোন, মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজনের অনেকেই আর কখনও একে অপরের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। তার ভাষায়, সেশেলসে বেড়ে ওঠার সময় চাগোসবাসীরা নিজেদের সব সময় আলাদা ও প্রান্তিক হিসেবে অনুভব করতেন। কেন উচ্ছেদ করা হয়েছিল চাগোসবাসীদের মরিশাস স্বাধীন - [হামের চিকিৎসায় ঋণগ্রস্ত ৮৯% পরিবার, সঞ্চয় শেষ ৬১%](https://sarakhon.com/news/180752/): ৫ আগস্ট উপলক্ষে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা যুগান্তর, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা আয়োজন করতে বলা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করে। চিঠিটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি - [বাড়ির অতিরিক্ত জায়গা কাজে লাগানোর ৫টি সেরা এবং ৩টি খারাপ উপায়, জানালেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা](https://sarakhon.com/news/180751/): বাড়িতে অতিরিক্ত জায়গা থাকলেই সেটি আসবাবপত্র দিয়ে ভরে ফেলতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। বরং পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে সেই জায়গা বাড়িকে আরও আরামদায়ক, সুন্দর এবং কার্যকর করে তুলতে পারে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের পরামর্শ অনুযায়ী, বাড়ির অতিরিক্ত স্থান ব্যবহারের কিছু চমৎকার উপায় যেমন রয়েছে, তেমনি কিছু ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে সমস্যাও তৈরি করতে পারে। যেভাবে অতিরিক্ত জায়গা কাজে লাগাতে পারেন ১. আলমারি গুছিয়ে রাখুন প্রতিদিন ব্যবহার করেন না এমন পোশাক আলাদা করে সংরক্ষণ করুন। মৌসুমভিত্তিক পোশাক বদল করুন এবং বিশেষ অনুষ্ঠানের পোশাক ভ্যাকুয়াম ব্যাগে ভরে খাটের নিচে বা অন্য নিরাপদ স্থানে রাখুন। এতে আলমারি অগোছালো হবে না এবং প্রয়োজনীয় পোশাক সহজেই পাওয়া যাবে। ২. অতিরিক্ত - [নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা: যে কথাগুলো না বললে প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়](https://sarakhon.com/news/180709/): নেতৃত্বের ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনা হলে সাধারণত নীতিমালা, কৌশল, প্রযুক্তি বা সাংগঠনিক কাঠামোর কথা সামনে আসে। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা অন্য এক সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে। বহু প্রতিষ্ঠানের বড় সংকটের সূচনা হয় এমন কিছু কথোপকথন থেকে, যা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়া, অস্বস্তিকর আলোচনা পিছিয়ে দেওয়া কিংবা সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয়ে প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া না দেওয়া—এসবই ধীরে ধীরে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মসংস্কৃতিকে দুর্বল করে দেয়। সৎ প্রতিক্রিয়া বা ফিডব্যাক দেওয়া কখনোই সহজ কাজ নয়। এটি এমন হতে হবে যাতে সম্মান বজায় থাকে, আবার দ্ব্যর্থতাও না থাকে। অতিরিক্ত ঘুরিয়ে বলা যেমন বিভ্রান্তি তৈরি করে, তেমনি অপ্রয়োজনীয় কঠোরতা সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে। কার্যকর নেতৃত্বের - [কাগুজে সম্পদের উল্লম্ফন: বিশ্বের সম্পদ কি বাস্তব অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/180696/): বিশ্ব অর্থনীতির দিকে তাকালে প্রথম দৃষ্টিতে সবকিছুই যেন আশাব্যঞ্জক মনে হয়। বৈশ্বিক আর্থিক সম্পদের পরিমাণ নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে, পরিবারগুলোর নিট সম্পদও দ্রুত বাড়ছে। সংখ্যার ভাষায় এটি সমৃদ্ধির গল্প। কিন্তু সেই গল্পের ভেতরে লুকিয়ে আছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—এই সম্পদের কতটা বাস্তব, আর কতটা কেবল বাজারের মূল্যায়নের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা কাগুজে হিসাব? সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক সম্পদ বৃদ্ধির ধরন এমনভাবে বদলেছে, যা অর্থনীতিবিদদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে। কারণ সম্পদের বিস্তার এখন আর মূলত নতুন কারখানা, অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, আবাসন বা উৎপাদনশীল বিনিয়োগের মাধ্যমে ঘটছে না। বরং শেয়ারবাজারে কোম্পানির মূল্য দ্রুত বেড়ে যাওয়াই সম্পদ বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ অর্থনীতির ভিত্তি যতটা শক্তিশালী হচ্ছে, তার চেয়ে - [মুম্বাইয়ে জেন-জির মুখোমুখি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, ছাত্র বিক্ষোভের পর বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180745/): যন্ত্রর মন্তরে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের পর ভারতের তরুণ প্রজন্মকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত আগামী ৬ আগস্ট মুম্বাইয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা জেন-জি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিতে যাচ্ছেন। ভারতের ইন্টারন্যাশনাল মুভমেন্ট টু ইউনাইট নেশনস (আইআইএমইউএন)-এর ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য দেবেন। এই কর্মসূচি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ওই আন্দোলনে জেন-জি প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তরুণদের বড় সমাবেশ আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের নীতা মুকেশ আম্বানি কালচারাল সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য আইআইএমইউএনের বার্ষিক চ্যাম্পিয়নশিপ সম্মেলনের উদ্বোধনী - [দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সুপারমার্কেটে বিস্ফোরণ: ধর্মীয় আলেম নিহত, লক্ষ্য করেই বোমা পাতা হয়েছিল সন্দেহ](https://sarakhon.com/news/180744/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের লোয়ার সাউথ ওয়াজিরিস্তানের ওয়ানা শহরের একটি সুপারমার্কেটে বিস্ফোরণে একজন ধর্মীয় আলেম নিহত হয়েছেন। সোমবারের এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি প্রেসার বোমা ব্যবহার করে ওই হামলা চালানো হয়েছে এবং নিহত আলেমকে লক্ষ্য করেই বিস্ফোরকটি পেতে রাখা হয়েছিল। ওয়ানা সার্কেলের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) আসগর আলী শাহের বরাত দিয়ে ডন জানিয়েছে, রুস্তম বাজার এলাকার একটি সুপারমার্কেটের নিচতলায় বিস্ফোরণটি ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন মুফতি জানা মীর মাস্তি খেল। পরে তাকে দ্রুত ওয়ানা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনাস্থলে পুলিশের অভিযান বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ডিএসপি আসগর আলী শাহ, ওয়ানা সিটি থানার - [জেন জি বিক্ষোভের রেশের মধ্যেই ব্যাংকিপুর-১৫৬ আসনে প্রশান্ত কিশোরের জয়, তিন উপনির্বাচনে দুই ধাক্কা বিজেপির](https://sarakhon.com/news/180739/): ভারতের তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচনের ফলাফলে শাসক ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) মিশ্র ফল পেয়েছে। দলটি গুজরাটের মাঞ্জলপুর আসন ধরে রাখতে সক্ষম হলেও বিহারের বহুল আলোচিত ব্যাংকিপুর-১৫৬ এবং মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া আসনে পরাজয়ের মুখে পড়েছে। এই ফলাফল এমন সময় এলো, যখন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে জেন জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের জেরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। ব্যাংকিপুর-১৫৬ আসনে প্রশান্ত কিশোরের প্রথম নির্বাচনী জয় সবচেয়ে আলোচিত ফল এসেছে বিহারের ব্যাংকিপুর-১৫৬ আসনে। জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমারকে ১৯ হাজার ৩২৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। ১৯৯৫ সাল থেকে আসনটি বিজেপির দখলে ছিল। বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন রাজ্যসভায় নির্বাচিত - [রূপপুর প্রকল্পের আবাসিকে দুই রুশ নাগরিকের সংঘর্ষ, নিহত ১](https://sarakhon.com/news/180735/): পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) প্রকল্পে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের আবাসিক কমপ্লেক্সে দুই রুশ নাগরিকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে রূপপুর গ্রিন সিটির একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি কুদ্রিন সের্গেই (৫৬)। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ট্রেস্ট রসসেমে আল্ট্রাসোনিক টেস্টিং পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহত অপর রুশ নাগরিকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার স্থান রূপপুর গ্রিন সিটি পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে রূপপুর গ্রিন সিটির ৬ নম্বর ভবনের চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে। এই আবাসিক কমপ্লেক্সে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা বসবাস করেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুই - [রাজবাড়ীতে বাস-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, একই পরিবারের চার সদস্যসহ আহত ৮](https://sarakhon.com/news/180736/): রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও একটি মাহিন্দ্রা (তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহিন্দ্রাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাইকার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি হলেন কালুখালী উপজেলার মাঝবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলকাইনার গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বাবলু (৫৫)। তিনি মৃত সাদেক আলী বিশ্বাসের ছেলে। ঘটনার বিবরণ প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ঢাকাগামী নয়, বরং ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাস অন্য একটি যানবাহনকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা রাজবাড়ীগামী মাহিন্দ্রার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাহিন্দ্রাটি দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশের দিকে ছিটকে পড়ে। - [শেখ হাসিনা ফিরলে বিমানবন্দর থেকেই ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: এনসিপির নাহিদ ইসলামের বক্তব্য](https://sarakhon.com/news/180690/): ভারত থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে এলে তাকে বিমানবন্দর থেকেই সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মিলনায়তনে এনসিপি আয়োজিত ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে এক দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও দাবি করেন, যদি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লির সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করেন, তাহলে সেই রায় কার্যকরে তারা প্রস্তুত থাকবেন। শহীদ পরিবার ও - [গ্যাস সংকট তীব্র: শিল্প উৎপাদন ব্যাহত, রপ্তানি ঝুঁকিতে, দুর্ভোগে নগরজীবন](https://sarakhon.com/news/180723/): বাংলাদেশে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করায় শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং নগরজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও ইস্পাতসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। শিল্পমালিকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সংকটের মূল কারণ হিসেবে গত ২২ জুলাই দেশের একটি ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসীকরণ ইউনিটে (এফএসআরইউ) যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও - [শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/180717/): ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কোনো ব্যক্তি যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ অনুরোধ জানান। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই পক্ষই পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ প্রকাশ করে। শেখ হাসিনার সম্ভাব্য বক্তব্য নিয়ে আলোচনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শেখ হাসিনার ৫ আগস্ট - [যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় ইতিবাচক বাংলাদেশ, সব সিদ্ধান্ত হবে জাতীয় স্বার্থে](https://sarakhon.com/news/180714/): বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। তবে এ ধরনের যেকোনো দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা বা চুক্তি কেবল তখনই এগিয়ে নেওয়া হবে, যখন তা দেশের জনগণের স্বার্থ, অর্থনীতি এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের অবস্থান ইতিবাচক। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতা বা চুক্তি বিবেচনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ। জনস্বার্থ ও অর্থনৈতিক সুবিধাই অগ্রাধিকার শামা ওবায়েদ বলেন, যে কোনো চুক্তি যদি দেশের মানুষের জন্য উপকারী হয়, অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে, তাহলে সরকার তা - [পাবনার যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুই স্কুলছাত্র, চলছে যৌথ উদ্ধার অভিযান](https://sarakhon.com/news/180703/): পাবনার বেড়া উপজেলার যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে তীব্র স্রোতে ভেসে দুই কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। সোমবার দুপুরে কাজিরহাট এলাকার এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। নিখোঁজ দুই কিশোর হলেন টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ঢলতোষা গ্রামের অনুতোষ রায়ের ছেলে বিনয় রায় (১৫) এবং গাজীপুর সদর উপজেলার মিতুলাল সরকারের ছেলে প্রভাত সরকার (১৫)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনাস্থল কাজিরহাট পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুই কিশোর পাবনার আমিনপুর এলাকার খানপুরা মধ্যপাড়ায় স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সোমবার দুপুর প্রায় ১২টার দিকে তারা কাছের যমুনা নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে তারা - [বারবার শহর বদলানোর জীবন: গভীর শিকড় নয়, বিস্তৃত অভিজ্ঞতাই তার পরিচয়](https://sarakhon.com/news/180706/): মাত্র ৩০ বছর বয়সেই ক্লোয়ি গর্ডন কর্ডোভারের জীবনে এক জায়গায় সবচেয়ে বেশি থাকার সময় মাত্র পাঁচ বছর। শৈশব থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক জীবন পর্যন্ত বারবার শহর, রাজ্য ও বাড়ি বদলানোই যেন তার জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে গেছে। আর এই চলমান জীবন তাকে দিয়েছে যেমন অসংখ্য অভিজ্ঞতা, তেমনি কিছু অপূর্ণতাও। ক্লোয়ি জানিয়েছেন, তিনি এখন পর্যন্ত ১০টি শহর, ৭টি রাজ্য এবং অসংখ্য বাড়িতে বসবাস করেছেন। কেউ যখন তাকে জিজ্ঞেস করেন, “আপনি কোথাকার মানুষ?”—তখন সহজ উত্তর দেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ তার শিকড় একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নয়, বরং ছড়িয়ে আছে নানা অঞ্চলে। বাবার চাকরি থেকে শুরু, পরে নিজের পছন্দে চলা ক্লোয়ির জীবনে - [জেন জেড: পরিচয়ের নয়, মানসিকতার নতুন রাজনৈতিক শক্তি](https://sarakhon.com/news/180700/): ভারতের রাজনীতিতে নতুন এক ধরনের ভোটার শ্রেণির উত্থান ঘটছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কৌশলবিদ নরেশ অরোরা। তাঁর মতে, জেন জেড বা তরুণ প্রজন্মকে কেবল প্রথমবারের ভোটার হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এই প্রজন্মকে বোঝার জন্য প্রয়োজন তাদের চিন্তাধারা, মূল্যবোধ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া। সম্প্রতি দিল্লির জনতার মঞ্চে হওয়া বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক তরুণের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ তুলে অরোরা বলেন, জেন জেড ভারতের প্রথম রাজনৈতিক গোষ্ঠী, যাদের পরিচয় নির্ধারিত হচ্ছে না জাত, ধর্ম বা প্রচলিত রাজনৈতিক মতাদর্শ দিয়ে; বরং তাদের অভিন্ন মানসিকতা ও ইস্যুভিত্তিক অবস্থানের মাধ্যমে। তিনি বলেন, এই প্রজন্ম কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি আনুগত্যের চেয়ে নির্দিষ্ট ইস্যুকে বেশি গুরুত্ব দেয়। একটি বিষয়ে তারা - [ভারতে জ্বালানি ব্যবহারে বড় উল্লম্ফন, এলপিজি চাহিদায় পতন](https://sarakhon.com/news/180697/): ভারতে জুলাই মাসে ডিজেল ও পেট্রোলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্বাভাবিকের তুলনায় কম ও অনিয়মিত মৌসুমি বৃষ্টির কারণে কৃষকদের সেচযন্ত্র ও ট্রাক্টর চালাতে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করতে হয়েছে। ফলে এক বছরের তুলনায় ডিজেলের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ এবং পেট্রোলের ব্যবহার বেড়েছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারতে ডিজেলের ব্যবহার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ৩৫৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন। অন্যদিকে পেট্রোলের ব্যবহার বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৭৯৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন, যা গত বছরের জুলাইয়ে ছিল ৩ দশমিক ৪৯৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন। কৃষিক্ষেত্রে সেচের - [পজিতানোর চেয়েও মুগ্ধকর ইতালির ছোট্ট শহর মিনোরি, যেখানে মিলবে আসল আমালফি উপকূলের স্বাদ](https://sarakhon.com/news/180689/): ইতালির আমালফি উপকূল মানেই চোখে ভাসে পাহাড়ের গায়ে সাজানো রঙিন বাড়ি, নীল সমুদ্র, সরু পথ আর বিলাসী পর্যটনকেন্দ্র পজিতানো। তবে জনপ্রিয়তার আড়ালে থাকা ছোট্ট শহর মিনোরি এখন অনেক ভ্রমণপ্রেমীর কাছে হয়ে উঠছে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য। ভ্রমণকারীদের অনেকেই মনে করছেন, পজিতানোর সৌন্দর্য যেমন অসাধারণ, তেমনি মিনোরি দেয় আরও শান্ত, স্বাভাবিক ও স্থানীয় জীবনের কাছাকাছি থাকার অভিজ্ঞতা। লেবুর পথ ধরে মিনোরির আবিষ্কার আমালফি উপকূল ভ্রমণে অনেকেই বেছে নেন “লেবুর পথ” নামে পরিচিত একটি মনোরম পাহাড়ি পথ। এই পথটি মাইওরি ও মিনোরি শহরকে যুক্ত করেছে। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে তৈরি এই পথ ধরে হাঁটলে দেখা যায় বিস্তৃত সমুদ্র, লেবুর বাগান এবং উপকূলের অপূর্ব দৃশ্য। এক - [স্পেসএক্সের বিনিয়োগকারী প্রশ্নমঞ্চ ভরে গেছে ক্রিপ্টো, মিম আর ‘অ্যাস্টেরয়েড’ নিয়ে আলোচনায়](https://sarakhon.com/news/180691/): বিশ্বখ্যাত মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের প্রথম আয়-প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের মতামত জানার জন্য চালু করা অনলাইন প্রশ্নমঞ্চে তৈরি হয়েছে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি। গুরুতর ব্যবসায়িক প্রশ্নের পাশাপাশি সেখানে ছড়িয়ে পড়েছে মিম, ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রচারণা এবং প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয় কুকুর আকৃতির খেলনা ‘অ্যাস্টেরয়েড’ নিয়ে নানা পোস্ট। স্পেসএক্স প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য কোম্পানি হিসেবে আয়-প্রতিবেদন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে প্রশ্ন সংগ্রহের জন্য একটি অনলাইন মঞ্চ তৈরি করে। স্পেসএক্স জানিয়েছে, এই মঞ্চ তৈরিতে তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বিনিয়োগকারীদের প্রশ্নের বদলে সেখানে অনেক পোস্টে উঠে এসেছে হাস্যরস, ক্রিপ্টো সম্পর্কিত আলোচনা এবং অ্যাস্টেরয়েড নামের প্রতিষ্ঠানের প্রতীকী চরিত্র নিয়ে নানা অনুরোধ। রকেটের রং - [প্লাগে লাগালেই সৌরবিদ্যুৎ, কম খরচে বিদ্যুতের নতুন সমাধানের পথে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/180655/): বিদ্যুতের বাড়তে থাকা বিল নিয়ে উদ্বেগ এখন বিশ্বের অনেক দেশের মানুষেরই। সেই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এমন এক ধরনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, যা স্থাপনে বড় ধরনের নির্মাণকাজ বা ছাদের ওপর ভারী অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না। সাধারণ বৈদ্যুতিক সকেটে প্লাগ লাগিয়েই ব্যবহার করা যায় এই সৌর প্যানেল। কম খরচ, সহজ স্থাপন এবং দ্রুত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুযোগ থাকায় প্রযুক্তিটি সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করছে। তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও এখনো একটি বড় বাধা রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এসব প্লাগ-ইন সৌর প্যানেলের নিরাপত্তা সনদ দেওয়ার প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। ফলে অনেক অঙ্গরাজ্য আইন করে ব্যবহারের অনুমতি দিলেও নিরাপত্তা যাচাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাজারে - [ইলন মাস্কের বক্তব্য নিয়ে নতুন বিতর্ক, বর্ণবাদী ও উগ্র ডানপন্থী ভাষ্য ছড়ানোর অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/180675/): বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ইলন মাস্ককে ঘিরে আবারও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে কলাম লেখক জামেল বুই অভিযোগ করেছেন, মাস্ক তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে এমন রাজনৈতিক ভাষ্য ও বক্তব্য প্রচার করছেন, যা শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ, অভিবাসীবিরোধিতা এবং উগ্র ডানপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে গভীরভাবে সাযুজ্যপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত বিতর্কিত বক্তব্যের পরও কেন মাস্ক জনপরিসরে তুলনামূলকভাবে কম সমালোচনার মুখে পড়েন। একটি কুখ্যাত উপন্যাসের প্রসঙ্গ নিবন্ধের শুরুতে লেখক আলোচনায় এনেছেন ‘দ্য টার্নার ডায়েরিজ’ নামের একটি কুখ্যাত শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী উপন্যাসের কথা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বইটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার উৎখাত, বর্ণভিত্তিক সহিংসতা, ইহুদি ও কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে গণহত্যা এবং - [ফিফা সভাপতির জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা: কী ঘটেছে?](https://sarakhon.com/news/180669/): ফিফা সভাপতি Gianni Infantino বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক মালিকানার একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন। পরিকল্পনাটি প্রকাশ্যে আসার পর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত ফিফাকে তা প্রত্যাহার করতে হয়। প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো অবস্থান নেয় ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা UEFA। সংস্থাটির সভাপতি Aleksander Ceferin সতর্ক করেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ইউরোপের ৫৫টি সদস্য দেশ ফিফার প্রতিযোগিতা বয়কটও করতে পারে। উত্তর ও মধ্য আমেরিকার আঞ্চলিক সংস্থা CONCACAF এবং Asian Football Confederationও প্রস্তাবটির বিরোধিতা করে। আরও বড় ধাক্কা আসে ফিফার ভেতর থেকেই। ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা Carlos Cordeiro প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেন। আপত্তির মূল কারণ - [জামিনে মুক্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই খুন, যুক্তরাষ্ট্রে বিচারব্যবস্থা নিয়ে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180672/): যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের শার্লটে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একজনকে হত্যা এবং আরেকজনকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দেশটির অপরাধ দমন ও জামিন নীতি নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযুক্ত ২৯ বছর বয়সী ডেভিড সিম্পসন। তার বিরুদ্ধে প্রথম-ডিগ্রি হত্যা, হত্যাচেষ্টা, গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও আগ্নেয়াস্ত্র রাখার মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত তাকে বিনা জামিনে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছে। মুক্তির পরই রক্তাক্ত হামলা আদালতের নথি অনুযায়ী, অন্য একটি অস্ত্র-সংক্রান্ত মামলায় ১০ হাজার ডলারের জামিনে সিম্পসনকে গভীর রাতে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির প্রায় - [মাকে হারাতে চাননি, তাই চার বছর ফ্রিজে লাশ লুকিয়ে রাখলেন ছেলে! পরে ফাঁস হলো কোটি টাকার কাছাকাছি ভাতা জালিয়াতি](https://sarakhon.com/news/180658/): যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের পোর্থকলে এক হৃদয়বিদারক এবং একই সঙ্গে চাঞ্চল্যকর ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। নিজের মায়ের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে এক ব্যক্তি বছরের পর বছর তাঁর মরদেহ বাড়ির ডাইনিং রুমের ফ্রিজারে লুকিয়ে রেখেছিলেন। একই সময়ে মৃত মায়ের নামে সরকারি ভাতা ও পেনশনের অর্থও তুলতে থাকেন তিনি। আদালতে জানানো হয়, সিলভিয়া ফিলিপস ২০২১ সালে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে ২৬ বার এবং ২০২২ সালে আরও ছয়বার চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁকে শেষবার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখা যায়। দুই দিন পর একজন চিকিৎসক বাড়িতে গেলেও এরপর আর তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। তদন্তে উঠে আসে, সিলভিয়ার ছেলে ক্রিস্টোফার ফিলিপস মায়ের মৃত্যুর খবর গোপন - [কঠোর শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে অভিভাবকদের জয়, ভেঙে যাচ্ছে স্কুল পরিচালনা ট্রাস্ট](https://sarakhon.com/news/180664/): ইংল্যান্ডের ডেভন ও কর্নওয়ালের একাধিক বিদ্যালয়ে কঠোর শৃঙ্খলানীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত বড় সাফল্য এনে দিয়েছে। অভিযোগ ছিল, বিদ্যালয়গুলোতে এমন কঠোর নিয়ম চালু করা হয়েছিল, যা অনেক শিক্ষার্থীর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। প্রবল জনচাপের মুখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা ট্রাস্ট এখন নিজেকে বিলুপ্ত করে বিদ্যালয়গুলো অন্য ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। টয়লেটে যাওয়ার ভয়ে পানি পান বন্ধ ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী অ্যামেলিয়ার অভিজ্ঞতা এই বিতর্কের অন্যতম আলোচিত উদাহরণ। বিদ্যালয়ের কঠোর নিয়মের কারণে ক্লাস চলাকালে সহজে টয়লেটে যাওয়ার অনুমতি মিলত না। শাস্তির ভয়ে সে স্কুলে পানি পানই বন্ধ করে দেয়, যাতে টয়লেটে যেতে - [রাষ্ট্র যখন শিক্ষার্থীদের প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে: দেড় শতকের ইতিহাস যে সতর্কবার্তা দেয়](https://sarakhon.com/news/180661/): ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আছে, যেগুলো সময়ের ব্যবধান সত্ত্বেও একে অন্যের প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে। ১৮৭৬, ১৯৭৬ এবং ২০২৬—এই তিনটি বছর ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব করলেও একটি মৌলিক সত্যকে একইভাবে সামনে আনে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অভিযোগকে যদি রাষ্ট্র প্রশাসনিক ঝামেলা বা আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখে, তাহলে সেই সংকট কখনও কেবল একটি দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তা ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের বৈধতা, জবাবদিহি এবং নাগরিক মর্যাদার প্রশ্নে পরিণত হয়। দেড়শ বছর আগে কলকাতায় সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন, তখন তার প্রথম বড় আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি পরীক্ষা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত। ভারতীয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সর্বোচ্চ বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৯ করা হয়েছিল। - [জরুরি অবস্থা, ক্ষমতার সমীকরণ এবং আনোয়ারের রাজনৈতিক অপেক্ষা](https://sarakhon.com/news/180649/): মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে সরকার পরিবর্তনের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। কিন্তু এমন সময়ও আসে, যখন সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশকে মুহূর্তেই বদলে দেয়। ক্ষমতার পালাবদলের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, জরুরি অবস্থা ঘোষণার সম্ভাবনা সামনে আসতেই তা কার্যত নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়ায়। সেদিনের ঘটনাপ্রবাহ ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে রাজার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, অ্যাটর্নি জেনারেল, পুলিশপ্রধান এবং সরকারের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এত বিস্তৃত প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিই ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে আলোচ্য বিষয় ছিল সাধারণ প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়; বরং রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন। রাজনৈতিক মহলে তখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ছিল সম্ভাব্য জরুরি - [ট্রাম্পের নামে মরক্কোর মহাসড়ক, পশ্চিম সাহারা প্রশ্নে নতুন কূটনৈতিক বার্তা](https://sarakhon.com/news/180654/): মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদের এক চিঠির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে যে, দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের নাম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে রাখা হয়েছে। কয়েক দিন আগে ট্রাম্প নিজেই সামাজিক মাধ্যমে এ সম্মানের কথা জানালেও মরক্কো সরকার তখন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। এবার রাজপ্রাসাদের প্রকাশিত চিঠিতে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। চিঠিতে রাজা মোহাম্মদ লিখেছেন, এটি তাঁর পক্ষ থেকে ট্রাম্পের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। আগে এই সড়কের নাম ছিল তিজনিত–দাখলা মহাসড়ক। প্রায় এক হাজার ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক মরক্কোর উত্তরাঞ্চলকে পশ্চিম সাহারা হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। পশ্চিম সাহারা ইস্যুই মূল কারণ রাজা তাঁর চিঠিতে ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসনব্যবস্থা: বিভক্ত বিশ্ব কি সময় শেষ হওয়ার আগেই ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারবে?](https://sarakhon.com/news/180586/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এমন এক প্রযুক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি, শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, গবেষণা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ধরনকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন সক্ষমতা যুক্ত হওয়ায় এআই এখন শুধু প্রযুক্তির বিষয় নয়, বরং বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। কিন্তু এই দ্রুত অগ্রগতির মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে—ক্রমশ বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে এআইকে কীভাবে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা সম্ভব? প্রযুক্তির পাশাপাশি বাড়ছে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বিশ্বের দুই বৃহৎ শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এখন এআইকে ঘিরেই সবচেয়ে তীব্র। উন্নত চিপ, বৃহৎ ভাষা মডেল, তথ্যভান্ডার এবং কম্পিউটিং অবকাঠামোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে - [মাদকের বিস্তারে ভাঙছে নিরাপত্তা](https://sarakhon.com/news/180640/): দক্ষিণ কোরিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি দেশ হিসেবে দেখা হয়েছে, যেখানে মাদক অপরাধ তুলনামূলকভাবে বিরল এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর অবস্থানের কারণে অবৈধ মাদক সহজে সমাজে শেকড় গাড়তে পারেনি। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই ধারণাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। সুওন স্টেশনের কাছে এক তরুণীর মেথঅ্যামফেটামিনের প্রভাবে প্রকাশ্যে অস্বাভাবিক আচরণ শুধু একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধের ঘটনা নয়; বরং এটি এমন একটি বাস্তবতার প্রতীক, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে—দক্ষিণ কোরিয়ার সমাজে মাদকের বিস্তার এখন আর প্রান্তিক কোনো সমস্যা নয়। একসময় যে দেশ নিজেকে “মাদকমুক্ত সমাজ” হিসেবে তুলে ধরত, সেখানে এখন মাদকের প্রভাব জননিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতি এবং রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। - [ডলারের চাহিদা বাড়ায় ফের চাপে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার, এলসি নিষ্পত্তিতে বাড়ছে ব্যয়](https://sarakhon.com/news/180646/): আমদানি বিল পরিশোধে মার্কিন ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার আবারও চাপে পড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তঃব্যাংক লেনদেন, বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং খোলাবাজার—সব ক্ষেত্রেই। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ডলারের বিনিময় হার ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী থাকায় আমদানিকারক ও ব্যাংকগুলোকে বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুলাই আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২৩ টাকা ৮২ পয়সা। একই দিনে স্পট মার্কেটে ডলারের দর দাঁড়ায় ১২৩ টাকা ৮৮ পয়সা, যা এক মাস আগে ছিল ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এলসি নিষ্পত্তিতে কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রতি ডলারের বিপরীতে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। ডলারের - [বরিশালে রহস্যজনক বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত, তদন্তে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/180643/): বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার একটি বাড়িতে রহস্যজনক বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার দুধলমৌ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। আহতরা হলেন শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হানুফা বেগম, তাদের মেয়ে এতি এবং নাতি ফাহিম। আহতদের প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রহস্যজনকভাবে বালুভর্তি বস্তা থেকে বিস্ফোরণ পরিবারের সদস্য জামাল জানান, বাড়ির পাশে রাখা একটি বালুভর্তি বস্তা থেকে বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়। ওই বস্তাটি কীভাবে সেখানে এল বা কে রেখে গেছে, - [৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সক্ষমতা নেই আওয়ামী লীগের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/180637/): ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নাশকতা চালানোর সক্ষমতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত এই সংগঠনের উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যক্রম এখন দেখা যাচ্ছে না। মাঝে মধ্যে বিদেশে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা থাকলেও তা ছাড়া বড় ধরনের তৎপরতা নেই বলে তিনি মনে করেন। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। নাশকতা নিয়ে সরকারের অবস্থান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁর মূল্যায়নে আওয়ামী লীগের পক্ষে ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতা চালানোর মতো সক্ষমতা নেই। তিনি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ও ‘মাফিয়া বাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তারা মাঝে মধ্যে বিদেশে মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করলেও বাস্তবে উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যক্রম - [বিরোধীদের ভাষায় ‘হাসিনার প্রতিধ্বনি’ দেখছেন ফখরুল, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সংঘাত এড়ানোর আহ্বান](https://sarakhon.com/news/180634/): স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংসদের বাইরে সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হতে না দেওয়ার মতো বক্তব্য দিয়ে বিরোধী নেতাদের একটি অংশ সেই ভাষাই ব্যবহার করছেন, যা একসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবহার করতেন। তাঁর মতে, এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য গণতান্ত্রিক পরিবেশকে দুর্বল করতে পারে এবং সংঘাতের রাজনীতিকে উৎসাহিত করতে পারে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ধর্মের নামে বিভাজনের চেষ্টার অভিযোগ অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, - [এনবিআরের নতুন নির্দেশনা: ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন বিআইএনে রূপান্তর বাধ্যতামূলক, আমদানি-রপ্তানিতে বিঘ্ন হবে না](https://sarakhon.com/news/180631/): ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) ব্যবহারে আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে সম্পূর্ণভাবে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে, এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার সময় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না। সোমবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) কমিশনারেটগুলোর পুনর্গঠন করা হয়েছে করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, করদাতাদের সেবা উন্নত করা এবং আরও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে। ভ্যাট কমিশনারেট পুনর্গঠনের উদ্দেশ্য এনবিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে বিদ্যমান ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর এখতিয়ার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নতুন কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, দক্ষ ও আধুনিক - [ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৫৮০; দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯](https://sarakhon.com/news/180628/): দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৫৮০ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে চলতি বছরে এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, খুলনা বিভাগ এবং সিলেট বিভাগে। ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ চিত্র ডিজিএইচএস জানিয়েছে, নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৬ হাজার ৬৮৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৫ হাজার ৩৪৪ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে - [ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে হাসিনা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া উচিত: শামা ওবায়েদ](https://sarakhon.com/news/180627/): বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে এগিয়ে নিতে চায় ঢাকা। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ আগস্ট নির্ধারিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের বিষয়ে ভারত সরকার সমর্থন দিচ্ছে কি না, সে অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী এবং ঢাকা যেমন সম্পর্কের অবনতি চায় না, তেমনি নয়াদিল্লিও তা চাইবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এ প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার ঘোষিত অনলাইন অনুষ্ঠানের বিষয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে সরকারের অবস্থান শামা ওবায়েদ বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনারের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক হয়েছে এবং সেখানে - [মাগুরায় গ্যাসের চুলার আগুনে পুড়ে নিহত ১, দগ্ধ স্ত্রী-ছেলে](https://sarakhon.com/news/180621/): মাগুরা জেলা শহরের ভায়না এলাকায় গ্যাসের চুলা থেকে আগুন লেগে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী ও ছেলে দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় একটি বসতবাড়ির আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে যায়। নিহত ব্যক্তি কামরুল হাসান শিবলু (৪৫)। তিনি এলাকার আকবর মুন্সির ছেলে। আগুন লাগার ঘটনা মাগুরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জাহাঙ্গীর আহমেদ জানান, সোমবার সকাল প্রায় ৯টা ৪৫ মিনিটে শিবলুর বাড়িতে গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় ১০টা - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে অপেক্ষায় ইসি, স্থানীয় সরকার ভোটে এখনো সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা নেই](https://sarakhon.com/news/180612/): রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন—দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেই এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সরকারের কাছ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না পাওয়ায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি থাকলেও তফসিল ঘোষণার মতো পর্যায়ে পৌঁছায়নি কমিশন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রেও সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ইসি। সোমবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল এখনো চূড়ান্ত নয় ইসি সচিব বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এ জন্য সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা হাতে পাওয়ার - [চীনের নতুন চিপ-নকশা সুরক্ষা আইন, লক্ষ্য উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা](https://sarakhon.com/news/180618/): যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও প্রযুক্তিগত বিধিনিষেধের মধ্যে নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে চিপ নকশার (ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট লেআউট ডিজাইন) সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধন করেছে চীন। নতুন এই পদক্ষেপকে দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং সংশোধিত বিধিমালায় স্বাক্ষর করেছেন। নতুন নিয়ম আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। কী পরিবর্তন আনা হয়েছে সংশোধিত বিধিমালায় চিপ নকশা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানার বিষয়টি আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে চিপ নকশার লাইসেন্স প্রদান, মালিকানা হস্তান্তর এবং যৌথ মালিকানার অধিকার সম্পর্কেও বিস্তারিত নির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে নতুন চিপ নকশা দ্রুত বাণিজ্যিকভাবে - [গ্যাসের অপেক্ষায় থমকে চট্টগ্রাম: ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে সিএনজি, বাড়ছে দুর্ভোগ](https://sarakhon.com/news/180615/): দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের সড়কে। নগরীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ যানজট, যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য গ্যাসচালিত গাড়ির চালকেরা। কোথাও গ্যাস শেষ হয়ে পাম্প বন্ধ থাকলেও আশায় বুক বেঁধে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন তারা। খুলশী, সিআরবি এবং আশপাশের এলাকায় গ্যাসের সংকটের কারণে প্রতিদিনই ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। চালকদের অনেকেই ক্লান্ত হয়ে গাড়ির ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়ছেন। কেউ আবার সময় কাটাচ্ছেন সহকর্মীদের সঙ্গে গল্প করে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা গ্যাস সরবরাহ অনিয়মিত হওয়ায় একটি গাড়িতে গ্যাস নিতে অনেক সময় অপেক্ষা করতে - [যুদ্ধের চেয়ে বড় সংকট: নিয়ন্ত্রণহীন সংঘাতের মুখে বিশ্ব](https://sarakhon.com/news/180553/): বিশ্ব রাজনীতিতে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন কোনো একক সিদ্ধান্তের চেয়ে ঘটনাগুলোর পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে বর্তমান সংকট তেমনই একটি সময়। এটি আর কেবল দুই দেশের সংঘাত নয়; বরং এমন এক অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি, যেখানে সামরিক পদক্ষেপ, আঞ্চলিক উত্তেজনা, বৈশ্বিক শক্তির প্রতিযোগিতা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা একে অপরকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই সংঘাত কোথায় গিয়ে থামবে, তার নিশ্চয়তা এখন আর কারও হাতে নেই। উল্টো পথে হাঁটা কৌশল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক অবস্থান এই অনিশ্চয়তার সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ। একদিকে নতুন বিমান হামলার ঘোষণা, অন্যদিকে অল্প সময়ের ব্যবধানে সেই হামলা স্থগিত রাখার বার্তা—এ - [অন্ধকারের মধ্যেও আলোর খোঁজ: জ্বালানি সংকটে কিউবার মানুষের লড়াই থামছে না](https://sarakhon.com/news/180608/): বছরের পর বছর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সীমিত জ্বালানি সরবরাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে জর্জরিত কিউবা নতুন করে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন অনেক অঞ্চলের মানুষের নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা, আবার কোথাও দিনের বড় অংশজুড়েই থাকে বিদ্যুৎহীনতা। জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও। তবু এই সংকটের মাঝেও থেমে নেই কিউবার মানুষ। সীমিত সম্পদ, স্বল্প আয় এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যেও তারা প্রতিদিন নতুন উপায় খুঁজে নিচ্ছেন—কীভাবে জীবনকে সচল রাখা যায়, কীভাবে অন্ধকারের মধ্যেও আলো জ্বালিয়ে রাখা যায়। সংকটের অভিঘাতে বদলে গেছে প্রতিদিনের জীবন বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক পরিবার খাবার সংরক্ষণে - [হলিউডে ‘দ্য ওডিসি’ ঘিরে নতুন বিতর্ক: অনুবাদকের কঠোর সমালোচনায় মুখোমুখি সাহিত্য ও সিনেমার দুই দৃষ্টিভঙ্গি](https://sarakhon.com/news/180605/): বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক সাফল্যের পথে এগিয়ে চলেছে পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’। বক্স অফিসে প্রায় একশো কোটি ডলারের আয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়া এই চলচ্চিত্রকে ঘিরে যখন দর্শকদের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে, ঠিক তখনই শুরু হয়েছে আরেকটি বড় বিতর্ক। প্রাচীন গ্রিক মহাকাব্য ওডিসি-র অন্যতম খ্যাতিমান অনুবাদক এমিলি উইলসন ছবিটির তীব্র সমালোচনা করে সাহিত্য ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে নতুন আলোচনা উসকে দিয়েছেন। উইলসনের দীর্ঘ সমালোচনামূলক প্রবন্ধ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের অঙ্গন—সবখানেই শুরু হয়েছে তর্ক। প্রশ্ন উঠেছে, একটি মহাকাব্যের আধুনিক চলচ্চিত্ররূপ কতটা মূল রচনার প্রতি বিশ্বস্ত হওয়া উচিত, আর কোথায় পরিচালক নিজের শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে পারেন। কে এই এমিলি উইলসন? - [বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কবিতার উচ্চারণ: লিন্টন কওয়েসি জনসনের কণ্ঠ কেন আজও সমান প্রাসঙ্গিক](https://sarakhon.com/news/180597/): কিছু কবিতা কেবল শব্দের সৌন্দর্যে বেঁচে থাকে না; তারা একটি সময়ের সাক্ষী হয়ে ওঠে। কিছু কণ্ঠ শুধু শিল্পের ভাষায় কথা বলে না, বরং নিপীড়িত মানুষের অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ, স্বপ্ন ও প্রতিরোধকে ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরে। ব্রিটিশ-জ্যামাইকান কবি লিন্টন কওয়েসি জনসন সেই বিরল শিল্পীদের একজন, যার কবিতা ও কণ্ঠ কয়েক দশক পরও নতুন প্রজন্মকে ভাবায়। সম্প্রতি তাঁর জীবন ও শিল্পচর্চাকে ঘিরে নির্মিত উনিশশো ঊনআশির প্রামাণ্যচিত্র ‘ড্রেড বিট অ্যান ব্লাড’ পুনরুদ্ধার করে আবারও দর্শকের সামনে আনা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে শুধু একজন কবির শিল্পজীবন নয়, ব্রিটেনে কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবীয় অভিবাসীদের সংগ্রামের ইতিহাসও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। কবিতা, যা হয়ে উঠেছিল প্রতিবাদের ভাষা লিন্টন কওয়েসি জনসনের কবিতা - [ভয়কে হারানোর পথ কখনও কখনও পাহাড়ের কিনারায়—উচ্চতাভীতির সঙ্গে এক মানুষের সাহসী লড়াই](https://sarakhon.com/news/180602/): পাহাড়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে নিচে তাকাতেই বুকের ভেতর কেঁপে ওঠে। পা যেন নিজের ওজনই আর বহন করতে চায় না। মাথা ঘুরে ওঠে, হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, আর মনের ভেতর একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়—আমি কি পারব? অনেকের কাছে উচ্চতা মানেই রোমাঞ্চ। কিন্তু কারও কারও কাছে সেটাই সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। সেই আতঙ্ককে জয় করার জন্যই এক ব্যক্তি নিজেকে নিয়ে গেলেন এমন এক অভিযানে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল নিজের ভয়কে অতিক্রম করার নতুন পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাডিরনড্যাক পর্বতমালার মনোমুগ্ধকর গিরিখাত ‘অসেবল চ্যাজম’-এ তিনি অংশ নেন একটি বিশেষ পাহাড়ি অভিযানে। এই অভিযানের নাম ‘ভিয়া ফেরাতা’—একটি নিরাপদ পাহাড়ি আরোহনপথ, যেখানে লোহার ধাপ, ঝুলন্ত সেতু ও নিরাপত্তা দড়ির - [শ্রেণিকক্ষ থেকে টেনে বের করে শিক্ষিকাকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড, আতঙ্কে ফরিদাবাদের বিদ্যালয়](https://sarakhon.com/news/180599/): ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদে একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের ভেতরে দিনের আলোয় এক শিক্ষিকাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মুখ ঢেকে আসা এক ব্যক্তি শ্রেণিকক্ষ থেকে ওই শিক্ষিকাকে টেনে বাইরে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর এক আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্রেণিকক্ষ থেকে টেনে বাইরে পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিক্ষিকার বয়স ছিল প্রায় ৩০ বছর এবং তিনি দুই সন্তানের মা। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান চলাকালেই ঘটনাটি ঘটে। তদন্তে জানা গেছে, সকাল সাড়ে নয়টা থেকে পৌনে দশটার মধ্যে মুখে সাদা কাপড় বেঁধে এক ব্যক্তি বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ - [বিজেপির দুর্গে প্রশান্ত কিশোরের অগ্রগতি, ‘এটাই শেষের শুরু’—তীব্র কটাক্ষ বিরোধীদের](https://sarakhon.com/news/180589/): বিহারের বহুল আলোচিত ব্যাংকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোটগণনায় জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের বিজেপি-দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসনে এমন ফলাফলের ইঙ্গিতকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শুরু করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য ও জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, এটি বিজেপির জন্য ‘শেষের শুরুর’ ইঙ্গিত। তাঁর ভাষায়, একের পর এক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পর শেষ পর্যন্ত যে আসনটি বহু বছর ধরে বিজেপির দখলে ছিল, সেই আসনেই দলটি বড় ধাক্কার মুখে পড়ছে। ডেরেক ও’ব্রায়েনের চার দফা কটাক্ষ ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর বার্তায় ধারাবাহিকভাবে চারটি রাজনৈতিক ঘটনার উল্লেখ করেন। - [গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/181268/): রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বুধবার রাতের অভিযানে তাকে আটক করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ডিবির অভিযান ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত প্রায় ১০টার দিকে গুলশানের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। অভিযান শেষে সেখান থেকে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ কী ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী জানান, নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান। আইনি প্রক্রিয়া চলছে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া - [মেসির জোড়া গোলে ইন্টার মায়ামির দাপুটে জয়, লিগস কাপের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড](https://sarakhon.com/news/181266/): লিওনেল মেসির জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইন্টার মায়ামি। বুধবার রাতে বৃষ্টিবিঘ্নিত লিগস কাপের ম্যাচে আতলেতিকো সান লুইসকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি। এই ম্যাচে দুটি গোল করে লিগস কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনও নিজের করে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় নু স্টেডিয়ামে। বজ্রপাতের আশঙ্কায় দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ৩০ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। বিরতির পর খেলা শুরু হলে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে ইন্টার মায়ামি। মেসির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ক্লাব বিশ্বকাপের পর এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে গোল করতে পারেননি তিনি। তবে সান লুইসের বিপক্ষে শুরু থেকেই মাঠে নেমে দ্রুতই নিজের ছন্দে - [চাঁদপুর জুলাই আন্দোলনের মামলায় দীপু মনি-মায়াসহ ২৭৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র](https://sarakhon.com/news/181262/): চাঁদপুরে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় হামলা, ভাঙচুর ও বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক দুই মন্ত্রী, সাবেক দুই সংসদ সদস্যসহ মোট ২৭৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে যাদের নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সেলিম মাহমুদ এবং চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল রয়েছেন। প্রথম অভিযোগপত্র চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র - [প্রজাপতির আবাস বদলের বৈশ্বিক সংকেত, জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/181259/): বিশ্বজুড়ে প্রজাপতিরা দ্রুত তাদের আবাসস্থল বদলাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি শুধু একটি প্রাণীগোষ্ঠীর স্থানান্তরের ঘটনা নয়; বরং পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের আগাম সতর্কসংকেত। নতুন এক বৈশ্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও চরম আবহাওয়ার প্রভাবে বহু প্রজাতির প্রজাপতি নতুন এলাকায় চলে যাচ্ছে, আবার অনেক প্রজাতি পুরোনো আবাস হারিয়ে ফেলছে। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন গবেষণায় ১০৫টি দেশের ১ হাজার ৭৫৮টি প্রজাতির প্রজাপতির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, প্রতি ১০টি প্রজাতির মধ্যে অন্তত একটি ইতোমধ্যেই তাদের ভৌগোলিক বিস্তৃতি বাড়িয়েছে, কমিয়েছে অথবা উচ্চতা পরিবর্তন করে নতুন পরিবেশে চলে গেছে। গবেষণার প্রধান লেখক এবং অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল চেঞ্জ ইকোলজি গবেষণাগারের প্রধান - [হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অগ্রগতি, আশাবাদ ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/181256/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে তাদের প্রশাসনের আলোচনা “খুবই ভালোভাবে” এগোচ্ছে। মঙ্গলবার দিনভর অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর তিনি জানান, দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান এবং হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরায় চালুর সম্ভাবনা এখন আগের চেয়ে বেশি। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তেলের দাম কমেছে, আর ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজার নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, অচিরেই একটি সমঝোতা হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ আবারও পুরোপুরি সচল হতে পারে। আলোচনায় আশাবাদ, তবে সতর্কবার্তাও এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সারাদিন আলোচনা হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হতে পারে। - [শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষোভ](https://sarakhon.com/news/181253/): বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে গণমাধ্যমের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। ‘ওই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে ভারতে রয়েছেন। তবে গত দুই বছরের মধ্যে ভার্চুয়ালি হলেও এই প্রথম তিনি সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তিনি এই অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন এমন সময়ে যখন বাংলাদেশে পাঁচই অগাস্ট ঘিরে সরকারিভাবেই নানারকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলেছে, ”এই আয়োজন বাংলাদেশ-ভারত - [গ্ল্যাডিয়েটর মঞ্চে নতুন চমক, প্রথম তারকা যোদ্ধা হচ্ছেন জো মার্লার](https://sarakhon.com/news/181250/): টেলিভিশনের জনপ্রিয় প্রতিযোগিতামূলক বিনোদন অনুষ্ঠান গ্ল্যাডিয়েটর-এ এবার যুক্ত হচ্ছে এক নতুন চমক। সাবেক রাগবি তারকা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বাস্তবধর্মী বিনোদন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসা জো মার্লার এবার গ্ল্যাডিয়েটরের ইতিহাসে প্রথম তারকা যোদ্ধা হিসেবে মাঠে নামছেন। নতুন পরিচয়ে তিনি পরিচিত হবেন ‘মলার’ নামে। ছত্রিশ বছর বয়সী মার্লার আগামী ২০২৭ সালে প্রচারিত হতে যাওয়া অনুষ্ঠানের চতুর্থ মৌসুমে প্রতিযোগীদের মুখোমুখি হবেন। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো পরিচিত তারকা নিয়মিত গ্ল্যাডিয়েটর হিসেবে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন। নতুন পরিচয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ নিজের নতুন পরিচয় ঘোষণা করে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে জো মার্লার রসিকতার সুরে বলেন, “মলার এখন আপনাদের সামনে হাজির।” ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে গ্ল্যাডিয়েটরের পোশাক পরিবর্তনের কক্ষে, যা প্রকাশের পর - [যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ চীনের, ড্রোন রপ্তানিতে কড়াকড়ি](https://sarakhon.com/news/181247/): যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে চীন। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন ও ড্রোন-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এবং প্রযুক্তি রপ্তানিতে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের পাশাপাশি ছয়টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে বেইজিং। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক শুল্ক বৃদ্ধি, জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নেওয়া নিষেধাজ্ঞা এবং জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে আরোপিত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা চীনের বৈধ অধিকার ও স্বার্থকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ কারণে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ড্রোন রপ্তানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চীনের ঘোষিত পদক্ষেপের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন, এর গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ - [কণ্ঠনালীতে কাঠের টুকরো আটকে ক্ষতির অভিযোগ, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে সাবেক শিশুশিল্পীর মামলা](https://sarakhon.com/news/181243/): থাইল্যান্ডের সাবেক শিশুশিল্পী এবং বর্তমানে যোগ প্রশিক্ষক হিসেবে পরিচিত ব্রিওহনি স্মিথ একটি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, উড়োজাহাজে পরিবেশিত খাবারের সঙ্গে থাকা মুরগির সাটের কাঠের শিকের একটি ধারালো টুকরো অসাবধানতাবশত গিলে ফেলায় তাঁর কণ্ঠনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে তিনি গলার নানা সমস্যায় ভুগছেন, যা তাঁর পেশাগত জীবনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। উড়োজাহাজে খাবার খাওয়ার সময় ঘটে দুর্ঘটনা মামলায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই সিঙ্গাপুর থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসগামী একটি প্রথম শ্রেণির ফ্লাইটে ব্রিওহনি স্মিথকে মুরগির সাটে পরিবেশন করা হয়। খাবার খাওয়ার সময় শিকের প্রায় দেড় ইঞ্চি লম্বা একটি ধারালো কাঠের অংশ ভেঙে তাঁর গলায় আটকে যায় - [জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার, ‘প্রয়োজন হলে নতুন সামরিক পদক্ষেপ’](https://sarakhon.com/news/181241/): জাপান দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পথে এগিয়ে যাওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং অভিযোগ করেছেন, জাপান ধীরে ধীরে একটি ‘যুদ্ধরাষ্ট্রে’ পরিণত হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি এভাবেই চলতে থাকলে উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্ব নতুন সামরিক বিকল্প গ্রহণ করতে বাধ্য হবে। জাপানের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষোভ উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী অবস্থান থেকে জাপান ক্রমেই সরে আসছে। প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি, সামরিক জোট সম্প্রসারণ, দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন এবং দীর্ঘপাল্লার হামলার সক্ষমতা অর্জনের উদ্যোগকে তিনি উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, জাপানের - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে আবার ফিরছে ‘সবকিছু একসঙ্গে’ অ্যাপের ধারণা, এবার কি সফল হবে প্রযুক্তি জায়ান্টরা?](https://sarakhon.com/news/181238/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে আবারও আলোচনায় এসেছে এমন একটি অ্যাপের ধারণা, যেখানে একজন ব্যবহারকারী দৈনন্দিন প্রয়োজনের প্রায় সব ডিজিটাল সেবা এক জায়গায় পাবেন। একসময় এই ধারণা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বড় সাফল্য পায়নি। তবে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে সেই পরিকল্পনাই নতুনভাবে সামনে আনছে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। আলাদা সেবা নয়, এক প্ল্যাটফর্মে সবকিছু সম্প্রতি কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের আলাদা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রকল্প বন্ধ করে সেগুলোর সুবিধা মূল অ্যাপের মধ্যে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সময়ে ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারীকে আরও বিস্তৃত সেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞদের - [পুলিশ কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু হার্পারের হত্যাকারীদের আগাম মুক্তি ঠেকাতে আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত](https://sarakhon.com/news/181235/): যুক্তরাজ্যে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু হার্পারের হত্যাকাণ্ড আবারও আলোচনায় এসেছে। এবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তির সম্ভাব্য আগাম মুক্তি। এ সিদ্ধান্ত ঠেকাতে আইনি পদক্ষেপে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন থেমস ভ্যালি পুলিশের প্রধান কর্মকর্তা জেসন হগ। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের পুলিশ ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাঁর ভাষায়, অভিযুক্তদের আগাম মুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে জনমতের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত তীব্র এবং অধিকাংশ মানুষ এর বিরোধিতা করছেন। ২০১৯ সালের মর্মান্তিক ঘটনা ২০১৯ সালে বার্কশায়ারে একটি চার চাকার মোটরযান চুরির ঘটনায় জড়িত তিন কিশোর পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু হার্পার একটি গাড়ির সঙ্গে টেনে নিয়ে যাওয়া হলে - [সমুদ্রে নিখোঁজ ১৩ বছরের কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, শোকে স্তব্ধ উপকূলীয় জনপদ](https://sarakhon.com/news/181229/): ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হর্নসি উপকূলে সাগরে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ রাতজুড়ে তল্লাশি চালানোর পর বুধবার ভোরে উদ্ধারকারী দল মরদেহটি খুঁজে পায়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে হর্নসির সাউথ প্রমেনেড এলাকায় জরুরি সেবার সংস্থাগুলো খবর পায় যে, এক কিশোর সাগরে সাঁতার কাটার সময় বিপদে পড়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকাজে উপকূলরক্ষী বাহিনী, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস, স্থানীয় ইনশোর রেসকিউ দল এবং লাইফবোট সেবার সদস্যরা অংশ নেন। রাতভর সমুদ্র ও উপকূলজুড়ে তল্লাশি চললেও শুরুতে কিশোরের কোনো সন্ধান - [তিন বছর পর মিলল ১১২ মরদেহ, গাজায় গণকবরের শোকযাত্রায় কান্নায় ভেঙে পড়ল স্বজনরা](https://sarakhon.com/news/181228/): গাজার মধ্যাঞ্চলে হৃদয়বিদারক এক গণশেষকৃত্যে অংশ নিয়েছেন শত শত মানুষ। প্রায় তিন বছর আগে এক ভয়াবহ বিমান হামলায় নিহত ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর মঙ্গলবার তাদের একসঙ্গে দাফন করা হয়। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনই ছিল শিশু। দীর্ঘদিন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকায় এতদিন তাদের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয় এক শতাধিক কফিন। প্রতিটি কফিনে মোড়ানো ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা। স্বজনরা শেষবারের মতো প্রার্থনা করেন। এরপর ধ্বংসস্তূপে ঘেরা রাস্তায় শোকমিছিল নিয়ে মরদেহগুলো কাছের একটি কবরস্থানে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। চারদিকে ছিল কান্না আর স্বজন হারানোর বেদনা। ২০২৩ সালের সেই ভয়াবহ হামলা ২০২৩ - [অনশন ভাঙাতে জোর করে নল ঢুকিয়ে খাবার, অভিবাসী আটককেন্দ্রে নির্যাতনের অভিযোগে তীব্র বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/181226/): যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে অনশনরত অভিবাসীদের জোরপূর্বক খাবার খাওয়ানোর অভিযোগ ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাধিক ঘটনার তথ্য সামনে আসার পর মানবাধিকারকর্মী ও চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, এই ধরনের প্রক্রিয়া মানবিক মর্যাদার পরিপন্থী এবং কিছু ক্ষেত্রে তা নির্যাতনের পর্যায়েও পড়তে পারে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, আটক ব্যক্তিদের জীবন রক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। দীর্ঘ মাস ধরে জোর করে খাবার দেওয়ার অভিযোগ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, একজন আফগান নাগরিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে অনশন শুরু করার পর প্রায় ছয় মাস ধরে তাকে নাক দিয়ে নল প্রবেশ করিয়ে তরল পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। আদালতের অনুমতির ভিত্তিতে এই চিকিৎসা প্রক্রিয়া চালানো হয় বলে জানা - [দুর্বল ইয়েন ও মোটরসাইকেলের শক্তিশালী বিক্রিতে হোন্ডার মুনাফার পূর্বাভাস বেড়েছে](https://sarakhon.com/news/181220/): জাপানের গাড়ি নির্মাতা হোন্ডা চলতি অর্থবছরের মুনাফার পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। কোম্পানিটির মতে, জাপানি মুদ্রা ইয়েনের দুর্বল অবস্থান এবং বিশ্ববাজারে মোটরসাইকেলের শক্তিশালী চাহিদা তাদের আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বুধবার প্রকাশিত হালনাগাদ পূর্বাভাসে হোন্ডা জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে তাদের নিট মুনাফা ৪০০ বিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছাতে পারে। এর আগে গত অর্থবছরে কোম্পানিটি ৪২৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইয়েন নিট লোকসানের মুখে পড়েছিল। নতুন পূর্বাভাস বাজার বিশ্লেষকদের গড় প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। কোম্পানির এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফলেও উন্নতির চিত্র দেখা গেছে। এই সময়ে আয় বাড়াতে বিদেশি বাজারে মোটরসাইকেলের বিক্রি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। একই সঙ্গে ইয়েনের মূল্য কমে যাওয়ায় বিদেশ থেকে অর্জিত আয় - [শেখ পরিবারের সবাই নিরাপদে দেশের বাইরে, কারাগারে দলের বহু নেতা](https://sarakhon.com/news/181217/): প্রায় দুই বছর বিচারকাজের বাইরে সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতি জাগো নিউজ২৪, সুপ্রিম কোর্ট ভবনের উঁচু সাদা গম্বুজের নিচে প্রতিদিন চলছে বিচারকাজ। উচ্চ আদালতের বিচার শুরুর আগে বেঞ্চ বসে, শুনানি হয়, রায় আসে। সেই বিচারিক কাঠামোর ভেতরেই এক বিচারপতি প্রায় দুই বছর ধরে কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছেন। তিনি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। শেখ হাসান আরিফ ২০১০ সালে শেখ হাসিনার সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর এক দশকের বেশি সময় তিনি বিচারিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবরের পর আর কোনো বেঞ্চে বসেননি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। অংশ নেননি কোনো মামলার শুনানিতে, রায়ও দেননি। তবুও তিনি পদে - [যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল, নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/181215/): যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ভিসা বাতিলের অর্থ রাষ্ট্রদূতকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা নয়। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ব্রাজিল দীর্ঘদিন ধরে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ অনুমোদন না দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র আশা করেছিল ব্রাজিল দ্রুত ও ইতিবাচকভাবে এ বিষয়ে সাড়া দেবে। ভিসা বাতিল, কিন্তু বহিষ্কার নয় পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই কর্মকর্তা জানান, একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের ভিসা বাতিল হওয়া এবং তাঁকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা এক বিষয় নয়। ফলে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত আপাতত - [হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি](https://sarakhon.com/news/181212/): মধ্যপ্রাচ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ—হরমুজ প্রণালি ও বাব এল-মান্দেবে—জাহাজ চলাচল এখনো স্থিতিশীল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অবসান নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাণিজ্যিক নৌপরিবহনে নতুন করে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। হরমুজ প্রণালিতে আগের দিনের মতোই চলাচল জাহাজ পর্যবেক্ষণ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মোট আটটি জাহাজ চলাচল করেছে। এর মধ্যে ছিল পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকার এবং তিনটি শুষ্ক পণ্যবাহী জাহাজ। এই সংখ্যা আগের দিনের সমান। এর মধ্যে ছয়টি জাহাজ প্রণালিতে প্রবেশ করেছে। এগুলোর মধ্যে তিনটি ছিল তেলবাহী ট্যাংকার এবং তিনটি শুষ্ক পণ্যবাহী জাহাজ। অন্যদিকে একটি গ্যাসবাহী জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি ছেড়ে - [তাইওয়ানের বৃহৎ যুদ্ধমহড়া শুরু, যুদ্ধক্ষেত্রের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় নতুন কৌশলের পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/181209/): চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপের মধ্যে তাইওয়ান ১০ দিনব্যাপী বার্ষিক বৃহৎ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। এবারের মহড়ায় প্রথমবারের মতো এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে মাঠপর্যায়ের সেনা কর্মকর্তাদের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনার বাইরে হঠাৎ বদলে যাওয়া যুদ্ধপরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পাশাপাশি সীমিত ইন্টারনেট ব্যবস্থার মধ্যেও সামরিক ও বেসামরিক যোগাযোগ কীভাবে সচল রাখা যায়, সেটিও পরীক্ষা করা হবে। বাস্তব যুদ্ধের মতো পরিবেশ তৈরির চেষ্টা বুধবার ভোরে রাজধানী তাইপের ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টার থেকে মহড়ার নির্দেশ জারির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ‘হান কুয়াং’ নামে পরিচিত এই বার্ষিক অনুশীলন। এরপর যুদ্ধপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমান বিভিন্ন ঘাঁটিতে ছড়িয়ে দেওয়া, জরুরি নৌ মোতায়েন এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা - [বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ইউরোপযাত্রা: স্থিতিশীলতার পরীক্ষায় দেশীয় নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/181181/): বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সামনে আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কেবল ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদের পথে এগিয়ে যাওয়া নয়; বরং এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক আস্থা একই সঙ্গে টিকে থাকে। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনাগুলো আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, দেশটির ভবিষ্যৎ এখন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ধারাবাহিক সমর্থনের ওপর সমানভাবে নির্ভরশীল। জার্মানির সঙ্গে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সম্পর্ক বহুদিন ধরেই কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। এই সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক সৌজন্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা এবং ইউরোপীয় একীকরণের লক্ষ্যও এর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের সম্প্রসারণ দেখায় যে ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কেবল - [জ্বালানি নিরাপত্তায় ৪২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গড়ছে ভারত, গ্যাস ব্যবহারকারীদের ওপর নতুন শুল্কের পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/181204/): ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে প্রায় ৪২ বিলিয়ন ডলারের কৌশলগত জ্বালানি মজুত গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার। এই বিপুল কর্মসূচির অর্থ জোগাতে রান্নার গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারকারীদের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে কয়েক কোটি গ্রাহকের গ্যাস বিল সামান্য বাড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের পর নতুন উদ্যোগ ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তার পর ভারত সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে নতুনভাবে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই কেবল অপরিশোধিত তেল নয়, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও রান্নার গ্যাসেরও কৌশলগত মজুত তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এমন মজুত রাখা হবে যা প্রায় দুই - [ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ, প্রায় ৫৮ হাজার শিক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষা দিতে বলল মেক্সিকোর শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়](https://sarakhon.com/news/181202/): মেক্সিকোর সবচেয়ে বড় এবং অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় মেক্সিকোর জাতীয় স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় (ইউএনএএম) ভর্তি পরীক্ষায় ব্যাপক জালিয়াতির সন্দেহে প্রায় ৫৮ হাজার শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। অনলাইনে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অস্বাভাবিক ফলাফলে সন্দেহের শুরু এ বছর গ্রীষ্মে প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষাটি ঘরে বসে অনলাইনে নেওয়া হয় এবং পরীক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ওয়েবক্যাম, মুখমণ্ডল ও কণ্ঠ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তবে ফলাফল প্রকাশের আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেখতে পায়, আগের বছরের তুলনায় অসাধারণ উচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে যেখানে - [হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি](https://sarakhon.com/news/181199/): মধ্যপ্রাচ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ—হরমুজ প্রণালি ও বাব এল-মান্দেবে—জাহাজ চলাচল এখনো স্থিতিশীল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অবসান নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাণিজ্যিক নৌপরিবহনে নতুন করে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। হরমুজ প্রণালিতে আগের দিনের মতোই চলাচল জাহাজ পর্যবেক্ষণ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মোট আটটি জাহাজ চলাচল করেছে। এর মধ্যে ছিল পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকার এবং তিনটি শুষ্ক পণ্যবাহী জাহাজ। এই সংখ্যা আগের দিনের সমান। এর মধ্যে ছয়টি জাহাজ প্রণালিতে প্রবেশ করেছে। এগুলোর মধ্যে তিনটি ছিল তেলবাহী ট্যাংকার এবং তিনটি শুষ্ক পণ্যবাহী জাহাজ। অন্যদিকে একটি গ্যাসবাহী জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি ছেড়ে - [সাইবার প্রতারণা দমনে কঠোর আইন, মৃত্যুদণ্ডের বিধান অনুমোদন করল মিয়ানমারের জান্তা](https://sarakhon.com/news/181193/): সাইবার প্রতারণা দমনে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকার। দেশটির সামরিক-সমর্থিত পার্লামেন্ট এমন একটি আইন অনুমোদন করেছে, যার আওতায় সাইবার প্রতারণা কেন্দ্রগুলোতে মানুষকে জোরপূর্বক আটকে রেখে বা সহিংসতার মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে। কঠোর শাস্তির বিধান নতুন আইনে বলা হয়েছে, যারা মানুষকে অপহরণ, আটকে রাখা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা নির্যাতনের মাধ্যমে সাইবার প্রতারণা চক্রে কাজ করতে বাধ্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়ার সুযোগ থাকবে। সরকারের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে গড়ে ওঠা সাইবার প্রতারণা চক্রের বিস্তার রোধ করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সীমান্তজুড়ে সাইবার প্রতারণার বিস্তার মিয়ানমারের বিভিন্ন সীমান্তাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই সাইবার প্রতারণা - [যুক্তরাষ্ট্রের ছাতার নিচে কতটা নিরাপদ জাপানের ইয়েন?](https://sarakhon.com/news/181191/): যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সম্পর্ক নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনেক ঐতিহ্যগত মিত্র দেশের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে পড়লেও টোকিওর সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক বরং আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশ একযোগে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে ইয়েনের মান শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়ায় সেই ঘনিষ্ঠতা আরও স্পষ্ট হয়েছে। ইয়েনকে সমর্থনে যৌথ পদক্ষেপ সম্প্রতি জাপানের মুদ্রা ইয়েনকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান সমন্বিতভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করে। এই পদক্ষেপকে অনেক অর্থনীতিবিদ শুধু আর্থিক সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বের নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবেও দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি অংশগ্রহণ জাপানের দীর্ঘদিনের মুদ্রানীতিকে - [রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল কিয়েভ, নিহত অন্তত ১৭](https://sarakhon.com/news/181185/): ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ব্যাপক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হামলায় বড় বড় গুদাম, সরবরাহকেন্দ্র, রেলওয়ে স্টেশন এবং বেসামরিক অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইউক্রেনের নেতৃত্ব বলছে, পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলে বহু প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হতো। রাতভর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কিয়েভ বুধবার গভীর রাতে একের পর এক বিস্ফোরণে কিয়েভ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল প্রকম্পিত হয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাজধানীটি প্রায় প্রতি তিন থেকে চার দিন পরপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়ছে। এবারও রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং জরুরি সেবাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালান। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানায়, রাশিয়া মোট - [মিয়ানমারের পাহাড়ে শুরু হয়েছে ২১ শতকের নতুন 'গ্রেট গেম' ও বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/181184/): কাচিন রাজ্যের পাহাড়ে ভোর নামছে। বর্ষার কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ি বন, দূরে পাহাড় কেটে তৈরি করা অসংখ্য খাদ, আর মাটির গায়ে প্লাস্টিকের পাইপের জট। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে এটি আরেকটি সাধারণ খনি এলাকা। কিন্তু বাস্তবে এই পাহাড়ের নিচে লুকিয়ে আছে এমন এক সম্পদ, যার জন্য প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো। এখানে খোঁজা হচ্ছে সোনা নয়, তেলও নয়। এখানে উত্তোলন করা হচ্ছে রেয়ার আর্থ—বিরল মৃত্তিকা খনিজ, যা ছাড়া আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তিগুলোর অনেকই কার্যত অচল। আপনি যদি একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, বৈদ্যুতিক গাড়ি চালান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সার্ভার ব্যবহার করেন, কিংবা কোনো আধুনিক যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা নিয়ে খবর পড়েন—তবে সেই - [এআই কর্মসংস্থান, ফেডের নতুন দিকনির্দেশনা ও মূল্যস্ফীতির বৈষম্য—বিশ্ব অর্থনীতিতে তিন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন](https://sarakhon.com/news/181177/): বিশ্বের আর্থিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে করপোরেট আয়ের ইতিবাচক খবর, জাপানের মুদ্রা ইয়েনকে স্থিতিশীল রাখতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ এবং ইরান যুদ্ধের ওঠানামা সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকলেও অর্থনীতিবিদদের নজর এখন আরও গভীর তিনটি পরিবর্তনের দিকে। এগুলো হলো—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে কর্মসংস্থানের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণে সম্ভাব্য নতুন ধারা এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ধনী ও দরিদ্র মানুষের ওপর অসম প্রভাব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব চাকরির বাজারে দৃশ্যমান প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগ চললেও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে এআই কর্মীদের সহায়তা করার পরিবর্তে তাদের কাজের জায়গা দখল করতে শুরু করেছে। এখনও যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিক বেকারত্বের হার তুলনামূলক কম এবং নতুন - [মোদির ভিডিও সরানো বিতর্ক: তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে মেটার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা হারানোর হুঁশিয়ারি](https://sarakhon.com/news/181174/): ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক রিল সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়াকে ঘিরে মেটার বিরুদ্ধে চাপ আরও বাড়িয়েছে দেশটির সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির চেয়ারম্যান নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীনে মেটা যে ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা পায়, তা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হবে। সংসদের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটি ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে লিখিতভাবে তাদের অবস্থান জানিয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে মেটাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। প্রকাশক নাকি মধ্যস্থতাকারী? নিশিকান্ত দুবের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাকরি-ঝড়, নতুন ফেড ও ‘দুই গতির’ মূল্যস্ফীতি: বিশ্ব অর্থনীতি কোন মোড়ে দাঁড়িয়ে?](https://sarakhon.com/news/181172/): বিশ্ব অর্থনীতি এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে বাজারের প্রতিদিনের শিরোনাম আর প্রকৃত পরিবর্তনের গল্প এক নয়। কোথাও প্রযুক্তি কোম্পানির রেকর্ড মুনাফা, কোথাও শেয়ারবাজারে নতুন উচ্চতা, কোথাও আবার ভূরাজনৈতিক সংঘাতের উত্তেজনা। কিন্তু এই দৃশ্যপটের আড়ালে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে আরও গভীর তিনটি প্রবণতা—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে শ্রমবাজারের রূপান্তর, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত পুনর্বিন্যাস এবং এমন এক মূল্যস্ফীতি, যা ধনী-গরিবকে সমানভাবে আঘাত করছে না। রয়টার্সের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক মাইক ডোলান এই তিনটি বিষয়কে বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা এনবিইআর (NBER), মরগ্যান স্ট্যানলি এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক মূল্যায়নও একই - [ব্যথার চিকিৎসা নাকি ভয়ের রাজনীতি: ওপিওয়েড নিয়ে নীতিনির্ধারণে ভারসাম্য কোথায়?](https://sarakhon.com/news/181169/): স্বাস্থ্যনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো এমন একটি ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া, যেখানে ওষুধের অপব্যবহার রোধ করা যাবে, আবার প্রকৃত রোগীর চিকিৎসাও ব্যাহত হবে না। কিন্তু যখন সম্ভাব্য ঝুঁকির আশঙ্কা বাস্তব চিকিৎসাগত প্রয়োজনের ওপর প্রাধান্য পায়, তখন সেই ভারসাম্য ভেঙে পড়ে। ইন্দোনেশিয়ায় চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওপিওয়েডের বর্তমান পরিস্থিতি সেই বাস্তবতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বহু ওপিওয়েড ওষুধকে অপরিহার্য চিকিৎসাসামগ্রী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও ইন্দোনেশিয়ায় এগুলোর ব্যবহার অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় অত্যন্ত কম। পরিসংখ্যানটি কেবল একটি সংখ্যাগত বৈষম্য নয়; এটি এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি, যেখানে গুরুতর ব্যথায় আক্রান্ত বহু রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই সংকটের কারণ রোগীর অভাব নয়, বরং নীতিগত - [সুনামগঞ্জে আকস্মিক গ্যাস সংকট: রান্নাঘর থেকে সিএনজি স্টেশন—চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী](https://sarakhon.com/news/181165/): সুনামগঞ্জে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই আবাসিক ও বাণিজ্যিক খাতে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নগরজুড়ে তীব্র দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে অধিকাংশ পরিবার রান্না করতে পারেনি। একই সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে চালকদের। জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেড। তবে কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট কোনো সময় জানাতে পারেনি। আপাতত গ্রাহকদের বিকল্প উপায়ে রান্নার প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গ্যাস সরবরাহে স্থবিরতায় জনজীবনে প্রভাব - [রুমিন ফারহানা: ‘প্রত্যেক মানুষের হাতেই গণমাধ্যম, শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে চাইলে শুনতে পারবেন’](https://sarakhon.com/news/181163/): প্রত্যেক মানুষের হাতেই এখন গণমাধ্যম পৌঁছে গেছে এবং কেউ চাইলে শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে পারবেন বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সরাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মন্তব্য শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, গণমাধ্যমকে কেবল টেলিভিশন চ্যানেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। বর্তমানে প্রায় প্রত্যেক মানুষের হাতেই গণমাধ্যম রয়েছে। ফলে যারা শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে চান, তারা তা শুনতে পারবেন। কারও বক্তব্য - [বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, উভয় পক্ষের আহত; ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ](https://sarakhon.com/news/181159/): বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতিসহ উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরীত পাশে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মিছিল ঘিরে উত্তেজনার শুরু ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুধবার সকাল ৯টার দিকে ভিসি গেটের বিপরীত পাশে ছাত্রশিবির একটি মিছিলের আয়োজন করে। এ সময় মিছিলে বহিরাগতদের উপস্থিতির অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সংঘর্ষের পর ঘটনাটির জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে - [জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে তথ্যচিত্র ঘিরে হট্টগোল](https://sarakhon.com/news/181157/): রাজধানীর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (চীন-মৈত্রী) মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি তথ্যচিত্রকে ঘিরে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। তথ্যচিত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস ও ঘটনাপ্রবাহ সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়নি—এমন অভিযোগ তুলে দর্শকদের একাংশ, ছাত্র-জনতা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বুধবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। হট্টগোল শুরু হলে তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা দ্রুত মঞ্চ ও প্রেক্ষাগৃহে অবস্থান নেন। তথ্যচিত্র নিয়ে আপত্তি অনুষ্ঠানসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্রে আন্দোলনের প্রকৃত চিত্র যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ৩ আগস্টের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত থাকায় - [তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, লালমনিরহাটের নিচু এলাকায় পানি ঢুকছে](https://sarakhon.com/news/181154/): টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বেড়ে লালমনিরহাট ও আশপাশের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বুধবার সকালে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনিল কুমার জানান, বুধবার সকাল ৯টায় পানির এই উচ্চতা রেকর্ড করা হয়। উজানের ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ নদীর পানি বাড়তে থাকায় তীরবর্তী বিভিন্ন নিচু এলাকার বসতবাড়ি ও কৃষিজমিতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও এখন পর্যন্ত বড় - [ব্রিটিশ ওপেনে ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দ এখনো ধীরে ধীরে উপলব্ধি করছেন কুওয়াকি](https://sarakhon.com/news/181150/): জাপানের তরুণ গলফার শিহো কুওয়াকি বলেছেন, উইমেন্স ব্রিটিশ ওপেনে প্রথম মেজর শিরোপা জয়ের অনুভূতিটি এখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেননি। কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও এই সাফল্যের বাস্তবতা ধীরে ধীরে তার কাছে স্পষ্ট হচ্ছে। মাত্র ২৩ বছর বয়সী ওকায়ামা প্রিফেকচারের এই গলফার রোববার ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারের রয়্যাল লিথাম অ্যান্ড সেন্ট অ্যানস কোর্সে নাটকীয় প্লে-অফে জার্মানির এসথার হেনসেলাইটকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম মেজর শিরোপা জেতেন। দ্বিতীয় প্লে-অফ হোলে জয় নিশ্চিত করে তিনি নিজের প্রথম এলপিজিএ ট্যুর শিরোপাও অর্জন করেন। তৃতীয়বারেই মিলল সাফল্য পেশাদার গলফার হিসেবে এর আগে মাত্র দুটি প্লে-অফ খেলেছিলেন কুওয়াকি। তবে দুটিতেই তাকে হতাশ হতে হয়েছিল। তাই এবার প্লে-অফে নামার আগে তার মনে ছিল - [এআই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ, পরীক্ষায় বাস্তব ওয়েবসাইটে অননুমোদিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/181146/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের এআই নিরাপত্তা ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, পরীক্ষামূলক পরিবেশে ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার পাওয়ার পর কিছু এআই এজেন্ট অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। একই সময়ে পৃথকভাবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, একটি পরীক্ষায় একটি এআই মডেল বাস্তব একটি ওয়েবসাইটেও অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। পরীক্ষায় ১৯টি অননুমোদিত কার্যক্রম প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের এআই নিরাপত্তা ইনস্টিটিউট ১২২টি পরীক্ষামূলক ধাপে মোট ১৯টি অননুমোদিত অনলাইন কার্যক্রম শনাক্ত করেছে। এসব পরীক্ষায় OpenAI এবং Anthropic–এর বিভিন্ন এআই মডেল ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ১৭টি ঘটনার জন্য অ্যানথ্রপিকের ‘মিথোস ৫’ মডেলকে দায়ী করা হয়েছে। বাকি দুটি ঘটনার সঙ্গে ওপেনএআইয়ের ‘জিপিটি - [গাজা পরিকল্পনায় সম্মতি দেয়নি ইসরায়েল, জানালেন নেতানিয়াহু](https://sarakhon.com/news/181144/): যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে প্রস্তাবিত গাজা পরিকল্পনায় ইসরায়েল এখনো সম্মতি দেয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠানো হলেও সেটি ইসরায়েলের গ্রহণযোগ্য হয়নি। বরং ইসরায়েল নিজেদের পর্যবেক্ষণ ও সংশোধনী যুক্ত করে মতামত পাঠিয়েছে। খসড়া প্রস্তাবে আপত্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল মনে করছে, হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজাকে সামরিক কার্যক্রমমুক্ত করা সম্ভব। সেই সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যে খসড়া পাঠিয়েছে, সেটিতে ইসরায়েল সম্মতি দেয়নি এবং সেটিকে নিজেদের প্রস্তাবও মনে করছে না। হামাস নিরস্ত্র হওয়ার পরেই সেনা প্রত্যাহারের শর্ত নেতানিয়াহুর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শান্তি বোর্ডের সঙ্গে - [ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা: আফ্রিকা, এশিয়া ও আমেরিকার পাঁচ মার্কিন কূটনৈতিক মিশন বন্ধ হচ্ছে](https://sarakhon.com/news/181141/): ব্যয় কমানো এবং বিদেশে পরিচালিত কার্যক্রম আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে আফ্রিকা, এশিয়া ও পশ্চিম গোলার্ধের পাঁচটি ছোট মার্কিন কূটনৈতিক মিশন বন্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ বিষয়ে গত সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্রেনাডায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, জাপানের নাগোয়ায় কনস্যুলেট, ইন্দোনেশিয়ার মেদানে কনস্যুলেট, কানাডার উইনিপেগে আমেরিকান প্রেজেন্স পোস্ট এবং ক্যামেরুনের দৌয়ালায় অবস্থিত দূতাবাসের একটি শাখা কার্যালয় বন্ধ করা হবে। ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্য মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এসব কূটনৈতিক মিশন বন্ধ করা হলে বছরে প্রায় ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার সাশ্রয় হবে। কংগ্রেসে পাঠানো নোটিশে এই ব্যয় সাশ্রয়ের সম্ভাব্য হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। - [যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট কমান্ডারের শ্রদ্ধা শিখা অনির্বাণে, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ঢাকায় বৈঠক](https://sarakhon.com/news/181138/): ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিভ কোহলার। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মারা বার্ড জানান, অ্যাডমিরাল কোহলার ৪ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং পেশাদার সামরিক শিক্ষায় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে - [সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮](https://sarakhon.com/news/181135/): সিলেট বিভাগে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে বিভাগে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮। বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মৃত দুই শিশুর পরিচয় মারা যাওয়া শিশুদের একজন সিলেট সদর উপজেলার ১১ মাস বয়সী অভিনন্দন দাস এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ১৮ মাস বয়সী জান্নাত। তারা দুজনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নতুন শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি একই ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ২৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হাম-সদৃশ উপসর্গ - [হুথিরা কারা? লোহিত সাগরে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে হামলার পর আবারও আলোচনায় ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী](https://sarakhon.com/news/181131/): লোহিত সাগরে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনার পর ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এ হামলার জন্য হুথিদের দায়ী করেছে। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ভারতের জাহাজ চলাচলবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের তথ্য অনুযায়ী, এমএসভি ফাইজ নূরে অলিয়া নামের মালবাহী জাহাজটি ইয়েমেন উপকূলের কাছে একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে উল্টে ডুবে যায়। জাহাজটিতে ১৪ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন ভারতীয় এবং একজন ইয়েমেনি নাগরিক। পরে ইয়েমেনের নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে সবাইকে উদ্ধার করা হয়। হামলার জন্য হুথিদের দায়ী - [উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট রাশিয়ায় মোতায়েনের দাবি ইউক্রেনের, শীতের আগে নতুন উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/181129/): ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে মোতায়েন শুরু করেছে। এই ইউনিটে প্রায় ৯০ জন সদস্য রয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাদের হাতে ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ছয়টি উৎক্ষেপণযন্ত্র দেওয়া হতে পারে। ইউক্রেনের আশঙ্কা, এগুলো ব্যবহার করে দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে। সামরিক সহযোগিতায় নতুন মাত্রা ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তার দাবি, উত্তর কোরিয়ার এই ইউনিটকে রাশিয়ার ভোরোনেঝ অঞ্চলে অবস্থান করানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন করে ৪০টি উত্তর কোরীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট জনবলও রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। তবে চূড়ান্ত মোতায়েনের ধরন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা আগামী মাসের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর নির্ধারিত হবে বলে দাবি - [পাকিস্তানের সামনে সিরিজ সমতায় ফেরার হাতছানি, স্পিন ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ](https://sarakhon.com/news/181124/): ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পাকিস্তান। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১০৩ রান। তাদের মোট লিড এখন মাত্র ৬০ রান। ভাঙাচোরা উইকেটে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণের সামনে স্বাগতিক ব্যাটাররা বারবার বিপাকে পড়েছেন। শফিকের দুর্দান্ত শতকে শক্ত ভিত দিনের শুরুতে পাকিস্তান ছিল সুবিধাজনক অবস্থানে। সেই সুযোগ আরও বড় করে দেন ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক। ধৈর্য, নিয়ন্ত্রণ ও দারুণ শট নির্বাচনের সমন্বয়ে তিনি অপরাজিত ১৬০ রান করেন। প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ক্রিজে থেকে ৩২৩ বল মোকাবিলা করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। তবে বড় সংগ্রহের পথে - [যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমছে, দীর্ঘ যুদ্ধের সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/181120/): ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার উচ্চ-নির্ভুল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। বিষয়টি নিয়ে দেশটির সামরিক প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ সংঘাতে সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। প্রায় শেষ হয়ে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র সূত্রগুলোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যুদ্ধ চলাকালে প্রায় সব আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র এক মিলিয়ন ডলারেরও বেশি দামের এবং নিরাপদ দূরত্ব থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অভ্যন্তরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ক্ষেত্রেও এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। নতুন প্রজন্মের - [সাইবার হামলায় ঝুঁকিতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা জোরদারের তাগিদ](https://sarakhon.com/news/181118/): যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক সাইবার হামলার ঘটনায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর পানি সরবরাহ ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী না করলে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একাধিক অঙ্গরাজ্যে সাইবার হামলার ঘটনা গত সপ্তাহে অন্তত সাতটি অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সাইবার হামলার তথ্য প্রকাশ পায়। তদন্তকারীদের মতে, হামলাকারীরা কয়েকটি ব্যবস্থার পাসওয়ার্ড ও নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস পরিবর্তন করে দেয়। এর ফলে কিছু স্থানে অপারেটররা নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারেননি। কোথাও কোথাও পানির চাপ কমে যাওয়া, আবার কোথাও প্লাবনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে অপরিশোধিত - [জাতির জনককে অপমানের দিন: বাঙালি জাতির কাঁধে আরেক কলঙ্কের বোঝা](https://sarakhon.com/news/181112/): ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এরশাদের জারি করা কারফিউ ভেঙে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শামসুন্নাহার ও রোকেয়া হলের ছাত্রীদের সামনে রেখে বিশাল মিছিল বের হয়ে আসার পরে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা ছাত্রনেতারা স্যালাইনের সূচ খুলে এসে দৌঁড়ে যোগ দেন ওই মিছিলে। যার পরে এরশাদের পদত্যাগ ছিল শুধু সময়ের বিষয়। ওই ছাত্রমিছিল বের হওয়ার আগে রিপোর্টার হিসেবে খবর পেয়েছিলাম, খুব ভোরে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যাওয়া খুব প্রয়োজন। গিয়েছিলামও। সেখানে পৌঁছে দেখি তৎকালীন আওয়ামী লীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি, পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি আব্দুল জলিল অত্যন্ত ব্যস্ত। এবং ৩২ নম্বরে শেখ হাসিনা হাউস অ্যারেস্ট থাকলেও পুলিশের নজরদারি শিথিল হয়ে গেছে। যাহোক, আব্দুল জলিল কয়েকজনকে নির্দেশ দিলেন। তারা রিকশা ও - [ভুল অস্ত্রোপচারে রোগীর জীবন সংকটে, ওল্ডহামের সার্জনকে চিকিৎসা পেশা থেকে বহিষ্কার](https://sarakhon.com/news/181108/): ইংল্যান্ডের ওল্ডহামের এক সার্জনকে গুরুতর চিকিৎসাগত ভুলের কারণে চিকিৎসক নিবন্ধন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই চিকিৎসকের করা একটি অস্ত্রোপচারের ভুলকে বিশেষজ্ঞরা “জীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। ঘটনাটি ঘটে এক তরুণ রোগীর জরুরি অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের সময়। অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. ইয়াসের আদলি আবদেল রহমান, যিনি মিশরের নাগরিক এবং যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার অস্থায়ী সার্জন হিসেবে কাজ করছিলেন, ওই অস্ত্রোপচারটি করেছিলেন। অস্ত্রোপচারের ভয়াবহ ভুলে রোগীর জীবন ঝুঁকিতে চিকিৎসক ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে জানানো হয়, অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর অন্ত্র এমনভাবে যুক্ত করা হয়েছিল যে তা স্বাভাবিক পথের বদলে একটি বন্ধ বৃত্তাকার পথে চলে যায়। এর ফলে অন্ত্রের ভেতরের উপাদান পেটের ভেতরেই ফিরে যেতে থাকে, যা রোগীর - [চাঁদে আছড়ে পড়তে যাচ্ছে স্পেসএক্সের রকেট, তৈরি হতে পারে বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য](https://sarakhon.com/news/181105/): মানবজাতির তৈরি আরেকটি বস্তু এবার চাঁদের বুকে আঘাত হানতে যাচ্ছে। ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি ফ্যালকন-৯ রকেটের একটি পরিত্যক্ত অংশ আগামী বুধবার চাঁদের পৃষ্ঠে অনিচ্ছাকৃতভাবে আছড়ে পড়বে। চার টনের রকেট অংশের ভয়ংকর আঘাত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, রকেটের উপরের অংশটি ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল গতিতে চাঁদের মাটিতে আঘাত করবে। এই গতি একটি রাইফেলের গুলির গতির চেয়েও দ্বিগুণের বেশি। প্রচণ্ড গতির কারণে আঘাতের মুহূর্তে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হবে এবং ক্ষণিকের জন্য আলোর ঝলক দেখা যেতে পারে। আঘাতের পর চাঁদের ধুলো ও পাথরের কণা কয়েক মিনিট ধরে ওপরে উঠে আবার নিচে নেমে আসতে পারে। তবে পৃথিবী থেকে এই দৃশ্য দেখা যাবে - [অ্যারন রজার্সের বিস্ফোরক অভিযোগ, ডায়ানা রুসিনি-মাইক ভ্রাবেল কাণ্ডে এনএফএল নীতির প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/181103/): জাতীয় ফুটবল লিগের আলোচিত ডায়ানা রুসিনি ও মাইক ভ্রাবেল বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন পিটসবার্গ স্টিলার্সের কোয়ার্টারব্যাক অ্যারন রজার্স। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনা নিয়ে ক্রীড়া গণমাধ্যমের অনেকেই নীরব থেকেছেন, অথচ বিষয়টি লিগের প্রতিযোগিতামূলক স্বচ্ছতার সঙ্গে জড়িত হতে পারে। জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দ্য প্যাট ম্যাকাফি শো’-তে এক উত্তপ্ত আলোচনায় রজার্স বলেন, লিগের গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারের ভোটার এবং একই সঙ্গে এনএফএল কাভার করা কোনো সাংবাদিকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক যদি কোনোভাবে লিগের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা তৈরি করে, তাহলে সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুরস্কারের ভোট ও প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন রজার্স সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, যিনি এনএফএলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিবেদন করেন এবং একই সঙ্গে বর্ষসেরা খেলোয়াড় - [ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ, বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/181099/): ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার নির্ভুল আঘাতকারী ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে বলে জানা গেছে। এতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো বড় সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি কতটা শক্তিশালী থাকবে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত দুটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থা—এটিএসিএএমএস এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল—এর মজুত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর প্রায় সবই ইরান যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে। কয়েক মাসের যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে চাপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ পাঁচ মাস ধরে চলার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো - [ইবোলা আতঙ্কে হাসপাতালে যাচ্ছেন না গর্ভবতী নারীরা, কঙ্গোতে বাড়ছে মাতৃমৃত্যু](https://sarakhon.com/news/181094/): গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ইবোলা ভাইরাসের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব নতুন এক মানবিক সংকট তৈরি করেছে। রোগের আতঙ্কে অনেক গর্ভবতী নারী হাসপাতালে যেতে ভয় পাচ্ছেন, ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে বাড়ছে প্রসবকালীন মৃত্যুর সংখ্যা। দেশটির ইতুরি প্রদেশে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই মাতৃমৃত্যুর হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাসের শেষ দিক থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ওই অঞ্চলে সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যাওয়া নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইবোলা ভয়ে চিকিৎসা থেকে দূরে নারীরা ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়ায় বসবাসকারী ২৬ বছর বয়সী এসথার লুতুলা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ইবোলা ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি নিয়মিত গর্ভকালীন পরীক্ষা করানো - [গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে নতুন জটিলতা, স্পষ্ট ব্যাখ্যা চায় হামাস](https://sarakhon.com/news/181091/): গাজা যুদ্ধ বন্ধের জন্য প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘শান্তি বোর্ড’-এর বক্তব্যে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টি কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হামাস। সংগঠনটি বলেছে, শান্তি বোর্ডের সাম্প্রতিক বক্তব্যে শুধু হামাসের অস্ত্র নিয়েই জোর দেওয়া হয়েছে, কিন্তু গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি। হামাস মঙ্গলবার শান্তি বোর্ডের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চেয়েছে। সংগঠনটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, বোমা হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো নিয়ে পরিষ্কার অবস্থান জানতে চায় তারা। অস্ত্র সমর্পণ ও সেনা প্রত্যাহার নিয়ে মতবিরোধ গাজা শান্তি পরিকল্পনার একটি রূপরেখায় বলা হয়েছিল, - [ট্রাম্প বলছেন আলোচনা চলছে, ইরানের দাবি—কোনো বৈঠকই হচ্ছে না](https://sarakhon.com/news/181089/): ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা “এখনই চলছে”। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি আলোচনা হচ্ছে না। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে ছয় মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ থামার কোনো সুস্পষ্ট পথ এখনো দেখা যাচ্ছে না, আবার দুই পক্ষের মধ্যে গোপন যোগাযোগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য আগ্রহী সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আলোচনার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে। তার দাবি, সম্ভাব্য বড় ধরনের মার্কিন - [বছরের পর বছর অপেক্ষার পর ফিরছে টিভি সিরিজ, দর্শকের ধৈর্যের পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/181086/): তিন বছর বিরতির পর ‘টেড ল্যাসো’, ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’, ‘সেভারেন্স’-এর মতো জনপ্রিয় সিরিজ ফিরলেও প্রশ্ন উঠছে—এত দীর্ঘ অপেক্ষা কি সত্যিই সার্থক? একসময় টেলিভিশন সিরিজ মানেই ছিল প্রতি সপ্তাহে নতুন পর্ব, আর নতুন মৌসুম আসত প্রায় একই সময়। কিন্তু অনলাইনভিত্তিক বিনোদনের যুগে সেই নিয়ম বদলে গেছে। এখন অনেক জনপ্রিয় সিরিজের নতুন মৌসুম দেখতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দুই, তিন এমনকি চার বছর পর্যন্ত। প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ এই অপেক্ষা কি দর্শকের আগ্রহ বাড়াচ্ছে, নাকি ধীরে ধীরে কমিয়ে দিচ্ছে? জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘টেড ল্যাসো’-এর চতুর্থ মৌসুমে একটি সংলাপ যেন এই পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। গল্পের চরিত্র কিলি জোন্স যখন বলে, একটি নতুন নারী ফুটবল দল তৈরিতে তিন - [অভিনয় থেকে গানে স্টর্ম রিডের নতুন পরিচয়, এবার সামনে আসছে তাঁর অন্য এক রূপ](https://sarakhon.com/news/181083/): হলিউডে স্টর্ম রিডকে সবাই চেনেন একজন সফল ও আত্মবিশ্বাসী অভিনেত্রী হিসেবে। কিন্তু এবার তিনি চান মানুষ তাঁকে শুধু পর্দার চরিত্র দিয়ে নয়, তাঁর নিজের গল্প, অনুভূতি ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার মাধ্যমেও চিনুক। গানের জগতে পা রেখে নিজের আরও ব্যক্তিগত ও স্বাভাবিক দিক তুলে ধরছেন এই এমি পুরস্কারজয়ী তরুণী। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে স্টর্ম রিডের নতুন গান “শটি”। এই গানটির মাধ্যমে তিনি দেখাতে চান, সবসময় নিখুঁত ও পরিপাটি মনে হওয়া জীবনের আড়ালেও একজন সাধারণ তরুণী থাকেন, যিনি ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং নিজের পথ খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেন। “মানুষ ভাবে আমার সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু আমিও সাধারণ একজন” ২৩ বছর বয়সী স্টর্ম রিড - [মুখ নয়, এবার হাত! তারুণ্য ধরে রাখতে নতুন সৌন্দর্য প্রবণতায় বাড়ছে হাতের যত্ন](https://sarakhon.com/news/181080/): এক সময় মুখের ত্বকই ছিল সৌন্দর্যচর্চার প্রধান কেন্দ্র। পরে সেই তালিকায় যোগ হয় ঘাড়, বুক ও চোখের চারপাশ। এখন সৌন্দর্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে হাত। অনেকেই লক্ষ্য করছেন, মুখের তুলনায় হাতে বয়সের ছাপ দ্রুত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আর সেই কারণেই বিশ্বজুড়ে বাড়ছে হাতকে তরুণ দেখানোর নানা প্রসাধনী ও চিকিৎসার চাহিদা। কেন হাতে আগে বয়সের ছাপ পড়ে? বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত সারাদিন সূর্যের আলো, পানি, সাবান, রাসায়নিক পদার্থ এবং বিভিন্ন ধরনের স্পর্শের মধ্যে থাকে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ত্বক পাতলা হয়ে যায়, চর্বির স্তর কমে আসে, শিরা ও হাড় স্পষ্ট দেখা যায়, বলিরেখা তৈরি হয় এবং অনেকের হাতে কালচে দাগও দেখা - [স্বাধীন মিশিগানের সিনেট লড়াইয়ে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সিদ্ধান্তই হতে পারে ভাগ্য নির্ধারক](https://sarakhon.com/news/181076/): প্রগতিশীল পরিবর্তন নাকি অভিজ্ঞ নেতৃত্ব—ডেমোক্র্যাটদের সামনে কঠিন পরীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারি শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়; এটি দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথও নির্ধারণ করতে পারে। এই নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন কৃষ্ণাঙ্গ ভোটাররা, যাদের সমর্থন দুই শিবিরের জন্যই অত্যন্ত মূল্যবান। একদিকে রয়েছেন পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসা প্রগতিশীল প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ। অন্যদিকে রয়েছেন অভিজ্ঞ কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেন্স, যিনি নিজেকে বাস্তববাদী ও জয়ী হওয়ার সক্ষম নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরছেন। ফলে নির্বাচনটি এখন আদর্শ বনাম অভিজ্ঞতার এক বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। পরিবর্তনের আহ্বান বনাম স্থিতিশীল নেতৃত্ব এল-সায়েদের সমর্থকদের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা ছাড়া সাধারণ মানুষের - [পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে গতি কমলেও থামছে না বিশ্ব: নতুন বাস্তবতায় চার দিকনির্দেশনা](https://sarakhon.com/news/181072/): বিশ্বজুড়ে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নানা রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ধাক্কা খেলেও এই রূপান্তর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তার এখন শুধু সরকারি ভর্তুকি বা নীতির ওপর নির্ভরশীল নয়; প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি, বাজারের চাহিদা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এই পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তনের ফলে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের গতি কিছুটা কমতে পারে এবং বিদ্যুতের দামও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবুও আগামী এক দশকে পরিকল্পিত নতুন পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশ বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে কার্বন নিঃসরণও উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে। অনুমোদন - [রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর চাপের পথে যুক্তরাষ্ট্র, তবে নতুন বিল ঘিরে বিতর্কও বাড়ছে](https://sarakhon.com/news/181069/): রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বিল এগিয়ে গেছে। বিলটির উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মস্কোর অর্থনীতি, জ্বালানি খাত এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কর্মকাণ্ডের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করা। তবে বিলটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া বিস্তৃত ক্ষমতা নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাশিয়ার অর্থনীতি লক্ষ্য করে নতুন পদক্ষেপ প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্ব, রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগী বিদেশি কোম্পানি এবং বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি অব্যাহত রাখতে সহায়তা করে এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছে সেইসব জাহাজ - [পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যাত্রীরা](https://sarakhon.com/news/181066/): সকালের প্রথম আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। পূর্ব আফ্রিকার বিস্তীর্ণ সাভানায় একদল আফ্রিকান হাতি ধীর গতিতে এগিয়ে চলেছে। তাদের সামনে কোনো রাস্তা নেই, নেই মানুষের আঁকা মানচিত্র। তবু তারা যেন জানে কোথায় যেতে হবে। দলের সবচেয়ে প্রবীণ মাদি হাতিটি একবারও থেমে চারপাশে তাকায় না। সে এগিয়ে চলে এমন আত্মবিশ্বাসে, যেন এই পথ তার বহু প্রজন্মের স্মৃতিতে লেখা আছে। হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে, উত্তর আমেরিকার আর্কটিক টুন্ড্রায় ক্যারিবুর বিশাল পাল বরফ গলা নদী পেরিয়ে দক্ষিণ থেকে উত্তরে ছুটছে। তাদের সামনে জন্ম নিচ্ছে নতুন ঘাস, নতুন জীবন। একই সময়ে প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে একটি হাম্পব্যাক তিমি ধীরে ধীরে উত্তর দিকের ঠান্ডা জল ছেড়ে উষ্ণ - [রাজস্ব আদায়ে ১২% প্রবৃদ্ধি হলেও বড় ঘাটতি](https://sarakhon.com/news/181060/): গ্যাস–সংকটে কিছু কারখানা বন্ধ, কিছু কারখানায় ছুটি প্রথম আলো, গ্যাস–সংকটের কারণে গাজীপুরের কোনাবাড়ী জেলখানা রোড এলাকার শামসুল আল আমিন গ্রুপের ফুয়াদ স্পিনিং মিলসে গত শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানার মূল ফটক বন্ধ। নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ আছে। কারখানাটির মহাব্যবস্থাপক হাবিবুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে উৎপাদন চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ১০ শতাংশ উৎপাদনও যদি না করতে পারি, তাহলে শুধু লোকসানই হবে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবার কারখানা চালু করা হবে। দুই সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র গ্যাস-সংকটের কারণে ফুয়াদ স্পিনিং মিলস ছাড়াও গাজীপুরের ১৭টি তৈরি পোশাক ও বস্ত্র - [বিলাসের রান্নাঘরের অন্দরমহল: ৪৫০ পাউন্ডের সি-বাস, কুকুরের জন্য ফিলে স্টেক—এক প্রাইভেট শেফের বিস্ময়কর জীবন](https://sarakhon.com/news/181058/): অত্যন্ত ধনী মানুষের ব্যক্তিগত শেফ হওয়া বাইরে থেকে যতটা বিলাসী মনে হয়, বাস্তবে তার বড় অংশই কঠোর পরিশ্রম, অনিশ্চয়তা এবং অবিরাম চাপের। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসকে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন পরিচয় গোপন রাখা এক প্রাইভেট শেফ, যিনি তিন দশকের পেশাগত জীবনে মিশেলিন-তারকাখ্যাত রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে বিশ্বের ধনকুবেরদের ব্যক্তিগত রান্নাঘর পর্যন্ত কাজ করেছেন। তিনি জানান, লন্ডনের ডরচেস্টারে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর বিদেশে একটি মিশেলিন-তারকাপ্রাপ্ত রেস্তোরাঁর প্রধান শেফ হিসেবে কাজ করেন। পরে লন্ডনে ফিরে একটি বিলাসবহুল গয়নার প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী শেফ হিসেবে যোগ দেন। সেখানে প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং তাদের অতিথিদের জন্য রান্না করাই ছিল তার দায়িত্ব। কখনও কয়েক মিলিয়ন পাউন্ডের হীরার আংটি কিনতে আসা ক্রেতার - [ডেভিড বেকহামের বিলিয়নিয়ার হওয়ার গল্প: ফুটবল তারকা থেকে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড সাম্রাজ্যের উত্থান](https://sarakhon.com/news/181056/): ফুটবল মাঠে অসাধারণ ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পর ডেভিড বেকহাম কীভাবে বিশ্বের অন্যতম সফল ক্রীড়া-ব্র্যান্ডে পরিণত হলেন, সেই গল্প এখন ব্যবসায়িক সাফল্যেরও এক অনন্য উদাহরণ। সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া ইংলিশ ফুটবল কিংবদন্তি আজ কেবল একজন সাবেক খেলোয়াড় নন, বরং বৈশ্বিক ব্র্যান্ড, বিনিয়োগকারী এবং বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত। বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় বেকহামের উপস্থিতি যেমন দর্শকদের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে, তেমনি মাঠের বাইরেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে ছিল তার ব্যাপক উপস্থিতি। বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি এবং ব্র্যান্ড অংশীদারিত্বের কারণে ২০২৬ সালকে তার আর্থিকভাবে সবচেয়ে সফল বছরগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরে তার আয় ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি - [সমুদ্রপথে ডুবে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা, আর আসিয়ান ব্যস্ত ভূরাজনীতির হিসাব-নিকাশে](https://sarakhon.com/news/180959/): জুলাই মাসে বঙ্গোপসাগরে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা নিখোঁজ বা নিহত হওয়ার আশঙ্কার খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনৈতিক পরিসরে তার প্রতিধ্বনি ছিল প্রায় অনুপস্থিত। একই সময়ে তেলের দাম বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নিয়ে আসিয়ানের বৈঠকে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কিন্তু যে সংকট এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মানবিক ব্যর্থতার প্রতীক, সেটি আবারও আলোচনার প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল অগ্রাধিকারের প্রশ্ন নয়; এটি রাজনৈতিক বিবেকেরও প্রশ্ন। কারণ রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ আজ আর শুধু মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং বৈশ্বিক মানবিক দায়িত্বের পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, যতক্ষণ না সংকট বাণিজ্যিক - [মিত্রের যুদ্ধ, আমেরিকার ফাঁদ: কেন প্রক্সি সংঘাতও শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের নিজের যুদ্ধ হয়ে ওঠে](https://sarakhon.com/news/180912/): গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্র একটি শিক্ষা পেয়েছে—বৃহৎ আকারে সেনা মোতায়েন করে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়ানো রাজনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল, অর্থনৈতিকভাবে ক্লান্তিকর এবং কৌশলগতভাবে অনিশ্চিত। আফগানিস্তান ও ইরাক সেই অভিজ্ঞতার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। কিন্তু সরাসরি যুদ্ধ থেকে সরে আসা মানেই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা নয়। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলো দেখিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন এক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে, যেখানে যুদ্ধ করছে তার মিত্ররা, কিন্তু সেই যুদ্ধের আর্থিক, সামরিক, কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক বোঝার বড় অংশ বহন করছে ওয়াশিংটন। এই নতুন বাস্তবতা শুধু সামরিক সহায়তার প্রশ্ন নয়; এটি প্রভাব, নিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্বের প্রশ্নও। যখন একটি রাষ্ট্র অন্য একটি দেশের যুদ্ধকে অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য, অর্থ এবং কূটনৈতিক ছাতার মাধ্যমে টিকিয়ে রাখে, - [রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা](https://sarakhon.com/news/181053/): দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়েছে সিএনজিচালিত যানবাহনে। রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস না পাওয়ায় সড়কে সিএনজিচালিত বাস ও অটোরিকশার সংখ্যা কমে গেছে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি চালকদের আয়ও কমে এসেছে। রাজধানীর তেজগাঁও, মগবাজার, কল্যাণপুর ও বাড্ডা এলাকার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছে যানবাহন। অনেক ক্ষেত্রে প্রধান সড়ক পর্যন্ত লাইন বিস্তৃত হয়েছে। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেক চালক প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেন না। গ্যাসের চাপ কমে বিপাকে চালকেরা চালকদের অভিযোগ, - [বিমানের ওয়েবসাইটে ‘অনটাইম’, বাস্তবে ২২ ঘণ্টা বিলম্ব: সিলেট-জেদ্দা ফ্লাইটে ৮ শতাধিক যাত্রীর দুর্ভোগ](https://sarakhon.com/news/181039/): যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২২ ঘণ্টা বিলম্বের পর অবশেষে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজ জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। তবে ফ্লাইটটি দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হলেও যাত্রীদের অভিযোগ, বিমান কর্তৃপক্ষ তাদের সময়মতো কোনো আপডেট দেয়নি। এমনকি বিমানের ওয়েবসাইটেও ফ্লাইটটিকে ‘অনটাইম’ দেখানো হচ্ছিল। ফলে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব—দুই প্রান্ত মিলিয়ে ৮ শতাধিক যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে বিজি-০২৩৫ ফ্লাইটটি ৪০১ জন ওমরাহ যাত্রী নিয়ে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। দুই দেশে আট শতাধিক যাত্রীর ভোগান্তি ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে না পারায় শুধু সিলেটেই - [বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, বিষয়টি আমলে নেওয়ার আহ্বান আজহারির](https://sarakhon.com/news/181048/): দেশের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি। আজহারির ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ড. মিজানুর রহমান আজহারি জানান, তার নিজের বাসার বিদ্যুৎ বিলও হঠাৎ করে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পরিচিত অনেক মানুষের কাছ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ শুনেছেন। পোস্টে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া আজহারির পোস্ট প্রকাশের পর - [ঢাকা ক্লাবের ১৪০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মেইন লাউঞ্জ ঝুঁকিতে, জরুরি প্রকৌশল মূল্যায়নের তাগিদ](https://sarakhon.com/news/181042/): প্রায় ১৪০ বছর ধরে রাজধানীর অন্যতম পরিচিত সামাজিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকা ক্লাবের মেইন লাউঞ্জ। তবে ভবনটির ঐতিহ্যগত গুরুত্বের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ। প্রাথমিক কাঠামোগত মূল্যায়নে ভবনটিকে “অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দ্রুত বিস্তারিত প্রকৌশল মূল্যায়ন (ডিটেইলড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট-ডিইএ) করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রাথমিক মূল্যায়নে ভবনের স্টিলের অংশে মরিচা, স্ল্যাব ও বিমে ফাটল, ভারবহনকারী দেয়ালে চিড়, আর্দ্রতার কারণে ক্ষয়, কলামের অসঙ্গতি এবং অতীতে কাঠামোগত পরিবর্তনের সম্ভাব্য চিহ্ন পাওয়া গেছে। মূল্যায়নকারী বিশেষজ্ঞ দলের মতে, যেহেতু ভবনের কেবল কিছু সহজে প্রবেশযোগ্য অংশ পরিদর্শন করা হয়েছে, তাই প্রকৃত অবস্থা আরও গুরুতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্বেগের - [৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি](https://sarakhon.com/news/181001/): ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট নাশকতার তথ্য এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নেই। তবে দিনটির গুরুত্ব বিবেচনায় রাজধানীজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। মঙ্গলবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৫ আগস্টকে ঘিরে কোনো নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবুও সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ডিএমপি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করবে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ নিয়ে যা বললেন ডিবি প্রধান - [ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ, বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা](https://sarakhon.com/news/181028/): পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়া পিএলসি তাদের অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা থেকে ৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ প্রকাশিত তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। মূলধন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাংকটির অনুমোদিত সাধারণ শেয়ারের সংখ্যা ১৫০ কোটি থেকে বেড়ে ৩০০ কোটিতে পৌঁছেছে। তবে প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য আগের মতোই ১০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। নিবন্ধন সম্পন্ন ব্যাংক এশিয়া জানিয়েছে, অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি) কর্তৃক অনুমোদিত ও প্রত্যয়িত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংশোধন মূলধন সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকটির মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশনের ধারা ৫ - [প্রতিবন্ধী সেবার অধিকার সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/181031/): যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ঘরভিত্তিক ও কমিউনিটিভিত্তিক সেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক একটি স্মারককে কেন্দ্র করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষ অলিম্পিকের চেয়ারম্যান টিম শ্রাইভার। তিনি দেশটির স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র এবং ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিচার বিভাগের ওই অবস্থান পরিবর্তনের অনুরোধ জানান। টিম শ্রাইভার স্বাস্থ্য সচিবের চাচাতো ভাই এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছেন। কমিউনিটিভিত্তিক সেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ চিঠিতে টিম শ্রাইভার বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কমিউনিটিভিত্তিক - [খেলনা গাড়ির চাকার হুইলচেয়ারে নতুন জীবন পেল আহত বিড়ালছানা জেলাটো](https://sarakhon.com/news/181025/): রাস্তার পাশে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকা একটি ছোট্ট বিড়ালছানা আজ হাজারো মানুষের অনুপ্রেরণার নাম। কোমরের নিচের অংশে গুরুতর মেরুদণ্ডের আঘাত নিয়ে হাঁটতেও না পারা সেই বিড়ালছানা জেলাটো এখন খেলনা গাড়ির চাকা দিয়ে তৈরি একটি ছোট্ট হুইলচেয়ারের সাহায্যে দিব্যি চলাফেরা করছে। তার এই লড়াই ও ফিরে দাঁড়ানোর গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। রাস্তার ধারে অসহায় অবস্থায় উদ্ধার এক রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি রাস্তার পাশে বিড়ালের খাবারের হলুদ ব্যাগ দেখতে পান সেয়ার মরগান। কৌতূহলবশত গাড়ি থামিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে কয়েকটি বিড়ালছানা ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে একটি অন্যদের মতো দৌড়াতে পারছিল না। সেটি পাশ ফিরে পড়ে ছিল - [কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/181019/): কাবেরী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের দুই রাজ্য তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকের দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। তামিলনাড়ু সরকার অভিযোগ করেছে, কাবেরী পানি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (সিডব্লিউএমএ) নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্ণাটক নির্ধারিত পরিমাণ পানি ছাড়ছে না। তাই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে কর্ণাটককে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন করেছে রাজ্যটি। ১৫ দিনের জন্য পানি ছাড়ার নির্দেশ কার্যকরের দাবি তামিলনাড়ু সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, গত ৩০ জুলাই সিডব্লিউএমএ সিদ্ধান্ত দেয় যে কর্ণাটকের কাবিনি ও কৃষ্ণরাজ সাগর জলাধার থেকে টানা ১৫ দিন প্রতিদিন ৩ হাজার ৫০০ কিউসেক হারে পানি ছাড়া হবে। এই হিসাবে মোট ৪ দশমিক ৫৩৬ টিএমসি ফুট পানি ১২ আগস্টের মধ্যে তামিলনাড়ুর প্রাপ্য। কিন্তু তামিলনাড়ুর দাবি, - [এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেল কেন? বর্ষার আকাশে টার্বুলেন্সের ঝুঁকি ব্যাখ্যা](https://sarakhon.com/news/181022/): থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ মাঝআকাশে হঠাৎ প্রবল টার্বুলেন্সের মুখে পড়ে প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজটি নিরাপদেই দিল্লিতে অবতরণ করে। ঘটনায় ১০ জন যাত্রী ও চারজন কেবিন ক্রুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলেও কারও গুরুতর আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে পরিচালিত এআই২৩৭৯ ফ্লাইটটি যাত্রাপথে স্বল্প সময়ের জন্য টার্বুলেন্সে পড়ে উচ্চতা হারায়। উড়োজাহাজটি সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে নিরাপদে দিল্লিতে পৌঁছায়। বর্ষাকালে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশপথে কেন এমন ঘটনা ঘটতে পারে এবং টার্বুলেন্সের প্রকৃতি কী—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে হিন্দুস্তান টাইমস। বর্ষার আকাশে কেন ঝুঁকি বাড়ে ফ্লাইট এআই২৩৭৯ ফুকেট থেকে - [কংগ্রেসের ‘গুঙ্গি গুড়িয়া’ মন্তব্যে মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক ঝড়, ইন্দিরা গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে পাল্টা এনসিপি](https://sarakhon.com/news/181016/): মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারকে নিয়ে কংগ্রেসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা ‘গুঙ্গি গুড়িয়া’ (নীরব পুতুল) মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের ওই পোস্টের জবাবে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) প্রশ্ন তুলেছে, তাহলে কি কংগ্রেস এখন সেই সমালোচনাকেই পরোক্ষভাবে সমর্থন করছে, যা একসময় ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধেও করা হয়েছিল? বিতর্কের সূত্রপাত একটি ভাইরাল ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিড জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকরা সুনেত্রা পাওয়ারের কাছে প্রশ্ন করতে চাইলে এনসিপি নেতা ধনঞ্জয় মুন্ডে মাঝপথে সংবাদ সম্মেলন শেষ ঘোষণা করেন। এরপর সুনেত্রা পাওয়ার কোনো উত্তর না দিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এই ভিডিও শেয়ার করে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখে, - [ভারতের দাবি: পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচন ‘প্রহসন’, জুন থেকে ৯০ বেসামরিক নিহতের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/181010/): ভারত পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপকে ‘সম্পূর্ণ প্রহসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে। নয়াদিল্লির দাবি, নির্বাচনকে সামনে রেখে পাকিস্তান অঞ্চলটিতে চলমান দমন-পীড়ন ও বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযানের বাস্তবতা আড়াল করার চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, তথাকথিত স্থানীয় নির্বাচন দিয়ে পিওকের বাস্তব পরিস্থিতি ঢেকে রাখা সম্ভব নয়। তার ভাষ্য, সেখানে জনবিক্ষোভ, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান এবং বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনাই প্রকৃত চিত্র। দমন-পীড়নের অভিযোগ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, চলতি বছরের জুন মাস থেকে পিওকে এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৯০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। রণধীর জয়সওয়াল - [সাইবার হামলার নতুন সতর্কবার্তা, ঝুঁকিতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/181013/): যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক সাইবার হামলা দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। অন্তত সাতটি অঙ্গরাজ্যে এমন হামলার ঘটনা সামনে আসার পর ফেডারেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পানি সরবরাহ সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে একাধিক পানি সরবরাহ সংস্থা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই জানিয়েছে, হামলাকারীরা একাধিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পাসওয়ার্ড ও নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস পরিবর্তন করে দেয়। এর ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিজেদের যন্ত্রপাতির নিয়ন্ত্রণ হারায়। কোথাও কোথাও পানির চাপ কমে যায়, আবার কিছু স্থানে বন্যার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়। এতে অপরিশোধিত পানি সরবরাহ লাইনে প্রবেশের ঝুঁকি দেখা দেয়। মার্কিন - [ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াই, ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা](https://sarakhon.com/news/181005/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত ২৫টি অঙ্গরাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের কাছে শুল্ক কার্যকর স্থগিত, পদক্ষেপকে অবৈধ ঘোষণা এবং আদায় করা শুল্ক ফেরতের নির্দেশ চেয়েছে। মামলাটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প সংগঠন সতর্ক করে বলছে, নতুন শুল্ক উৎপাদন ব্যয় বাড়াবে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। এর আগে ২৪ জুলাই শুল্ক কার্যকর হওয়ার দিনই ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি পৃথক জোটও - [ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বার্তা: এখনই নির্বাচনে নয়, আগে যুবসমাজের আস্থা ফেরানোর লড়াই](https://sarakhon.com/news/181002/): ভারতের সাম্প্রতিক আলোচিত ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আপাতত নির্বাচনী রাজনীতিতে নামছে না। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে রয়টার্সকে বলেছেন, এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য রাজনৈতিক দল গঠন নয়; বরং তরুণদের মতামত নিয়ে এমন একটি জনআন্দোলন গড়ে তোলা, যা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ও জবাবদিহি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে। মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে নিজ বাড়িতে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিপকে জানান, বুধবার থেকে দুই দিনের বৈঠকে সিজেপির সমর্থকেরা ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন। সেখানে তরুণ প্রজন্ম কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে চায়, তা নির্ধারণের পাশাপাশি আন্দোলনকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্বাচন নয়, জনআন্দোলনই এখন অগ্রাধিকার দিপকের ভাষায়, বর্তমানে - [ছোট লিফট নাকি নিরাপদ লিফট? যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিতর্কে প্রতিবন্ধী মানুষের উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/180995/): যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক ভবনে লিফটের নকশা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে কিছু আবাসন-সংক্রান্ত সংগঠন ও নগর পরিকল্পনাবিদ বলছেন, লিফটের আকার ছোট করা গেলে নির্মাণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং আরও বেশি ভবনে লিফট বসানো সম্ভব হবে। অন্যদিকে অনেক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং লিফট শিল্পের প্রতিনিধিরা আশঙ্কা করছেন, এতে প্রবেশগম্যতা ও জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সহজে বাসা খুঁজে পাওয়া ছিল কঠিন সান ফ্রান্সিসকোর বাসিন্দা প্যাট্রিস ব্র্যাচারের হাঁটুতে পাঁচবার এবং পিঠে একবার অস্ত্রোপচার হয়েছে। মৃগীরোগজনিত আঘাতের কারণে তাঁর জন্য লিফটযুক্ত ভবনে বসবাস করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। কিন্তু উপযুক্ত ভাড়ার বাসা খুঁজে পাওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন। দীর্ঘদিন অনলাইনে খোঁজাখুঁজির পর তিনি - [যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ঘিরে ধোঁয়াশা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলায় বাড়ল বৈশ্বিক জ্বালানি উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/180989/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটাতে সম্ভাব্য আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বর্তমানে কোনো আলোচনা হচ্ছে না এবং এমন কোনো বৈঠকেরও সূচি নেই। এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং এটি ইরানসহ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের অনুরোধে এগোচ্ছে। তিনি ইরানের উদ্দেশে এটিকে “ভালো একটি চুক্তি” - [অপরাধ দমনের ক্যামেরাই হয়ে উঠছে নজরদারির অস্ত্র! ব্যক্তিগত জীবনে পুলিশের অপব্যবহার নিয়ে তীব্র উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/180996/): অপরাধ দমনে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নম্বরপ্লেট শনাক্তকারী ক্যামেরা নেটওয়ার্ক যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। কিন্তু সেই প্রযুক্তিই এখন অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিশোধ, হয়রানি ও গোপন নজরদারির হাতিয়ার হয়ে উঠছে। একাধিক তদন্তে উঠে এসেছে, কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে সাবেক স্ত্রী, প্রেমিকা, পরিবারের সদস্য বা অন্য নারীদের চলাফেরা গোপনে অনুসরণ করেছেন। এতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রেমিকের নজরদারিতে আতঙ্কিত এক নারী জর্জিয়ার বাসিন্দা মার্সি বেকলির জীবনে এই প্রযুক্তির অপব্যবহারের প্রভাব ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিনি বুঝতে পারছিলেন না, কেন তার সাবেক প্রেমিক সব সময় জানতে পারছেন তিনি কোথায় যাচ্ছেন। বাজারে - [যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা আরও সহজ, দুই লাখ ডলার আয় পর্যন্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি মওকুফ](https://sarakhon.com/news/180992/): যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাইস বিশ্ববিদ্যালয় নতুন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও বেশি শিক্ষার্থীর জন্য বিনা টিউশনে পড়াশোনার সুযোগ চালু করেছে। আসন্ন শরৎকালীন সেমিস্টার থেকে যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় দুই লাখ ডলার পর্যন্ত, তাদের সন্তানদের আর টিউশন ফি দিতে হবে না। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি সারাক্ষণ রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় এক লাখ ডলার পর্যন্ত এবং যাদের সম্পদের পরিমাণ স্বাভাবিক, তাদের ক্ষেত্রে শুধু টিউশন ফিই নয়, আবাসন, খাবার ও অন্যান্য বাধ্যতামূলক ফিও বিশ্ববিদ্যালয় বহন করবে। বর্তমানে রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন, আবাসন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বছরে মোট ব্যয় প্রায় ৯৩ হাজার ডলার। সহায়তার পরিধি আরও বাড়ল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি - [বিরামপুরে ইউএনও কার্যালয়ে পুলিশ সদস্যকে লাথি, বিএনপি নেতার ছেলেসহ ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা](https://sarakhon.com/news/180988/): দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে খাস পুকুর ইজারাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে এক পুলিশ সদস্যকে লাথি মেরে আহত করার অভিযোগে বিএনপি নেতার ছেলেসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা পৌনে ২টার দিকে ইউএনও তানজিনা খাতুনের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য নুরুজ্জামান সরকার বিরামপুর থানার কনস্টেবল। ঘটনার পর তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। অভিযুক্তদের পরিচয় অভিযুক্ত রাহাদুজ্জামান পরাগ (২৭) উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের ধানঘরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী ওরফে বাবুর ছেলে এবং দিওড় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। এ ঘটনায় আল আমিন (২৫) নামের আরেকজনকে আসামি - [রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা](https://sarakhon.com/news/180937/): দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়েছে সিএনজিচালিত যানবাহনে। রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস না পাওয়ায় সড়কে সিএনজিচালিত বাস ও অটোরিকশার সংখ্যা কমে গেছে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি চালকদের আয়ও কমে এসেছে। রাজধানীর তেজগাঁও, মগবাজার, কল্যাণপুর ও বাড্ডা এলাকার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছে যানবাহন। অনেক ক্ষেত্রে প্রধান সড়ক পর্যন্ত লাইন বিস্তৃত হয়েছে। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেক চালক প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেন না। গ্যাসের চাপ কমে বিপাকে চালকেরা চালকদের অভিযোগ, - [চা খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে বগুড়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা](https://sarakhon.com/news/180975/): বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে জমি ও গোচারণভূমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হামলার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর করা হত্যা মামলায় ইতোমধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জমি বিরোধ থেকে প্রাণঘাতী হামলা নিহত মোসলেম উদ্দিন প্রামাণিক (৬২) বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের পাকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং কাজলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাকুরিয়ার চর এলাকার জমি ও গোচারণভূমি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে মোসলেম উদ্দিনের দীর্ঘদিন - [সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নতুন কমিটি, আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/180971/): দেশের সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আরও কার্যকর করা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ সদস্যের ‘জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রীকে সহ-সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (নিরাপত্তা)-কে সদস্যসচিব করা হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর জোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্গঠন প্রসঙ্গে মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জানান, দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া - [আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: মাঠে হেলমেট ও পাইপ হাতে যুবদল নেতা নয়ন, উত্তপ্ত রাজধানীর শিক্ষাঙ্গন](https://sarakhon.com/news/180968/): রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তার এবং আবাসিক হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা এবং আশপাশের এলাকায়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের সামনে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র হাতে অবস্থান নিতে দেখা যায়। এ সময় সংঘর্ষে কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উত্তেজনা ছড়ায় আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় সংঘর্ষের সময় আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা - [সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব: ‘জাতির পিতা’ স্বীকৃতি বাদ, ফিরতে পারে তত্ত্বাবধায়ক সরকার](https://sarakhon.com/news/180965/): বাংলাদেশের সংবিধানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রস্তাব সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি বাতিলের সম্ভাবনা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংবিধানে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সংবিধানে যেসব পরিবর্তনের আলোচনা প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা। অন্যদিকে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত শেখ মুজিবুর - [বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা: আন্তঃপ্রতিষ্ঠান আমদানি-রপ্তানিতে ঘোষণা প্রক্রিয়া সহজ হলো](https://sarakhon.com/news/180962/): আন্তঃপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক (ইন্টারকম্পানি) আমদানি ও রপ্তানি লেনদেনের ক্ষেত্রে ঘোষণাপত্র সংক্রান্ত বিধান সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈধ করপোরেট বাণিজ্যকে আরও সুবিধাজনক করার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড বজায় রাখতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ধরনের আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনে আগের বাধ্যতামূলক ঘোষণার পরিবর্তে নতুন ধরনের ঘোষণা দিতে হবে। আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনে কী পরিবর্তন এলো এর আগে বিদেশি রপ্তানিকারকের সঙ্গে আমদানিকারকের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক কিংবা আর্থিক স্বার্থ নেই—এ মর্মে একটি সাধারণ ঘোষণা জমা দিতে হতো। নতুন নির্দেশনায় সেই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন মূল প্রতিষ্ঠান (প্যারেন্ট কোম্পানি), অনুমোদিত - [নির্বাচনে নিষিদ্ধ হওয়ার পর রাশিয়া ছেড়ে ফ্রান্সে আশ্রয় নিলেন যুদ্ধবিরোধী নেতা বরিস নাদেজদিন](https://sarakhon.com/news/180953/): রাশিয়ার অন্যতম পরিচিত যুদ্ধবিরোধী রাজনীতিক বরিস নাদেজদিন দেশ ছেড়ে ফ্রান্সে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি এই পদক্ষেপ নেন। নাদেজদিনের এই দেশত্যাগকে রাশিয়ায় বিরোধী রাজনীতির ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফ্রান্সে পৌঁছে স্বাধীনতার বার্তা সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে নাদেজদিন জানান, তিনি নিরাপদে ফ্রান্সে পৌঁছেছেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, তিনি এখন জীবিত ও স্বাধীন, তবে নিজের দেশে ফিরে যেতে না পারার কষ্ট এখনও রয়ে গেছে। কীভাবে তিনি রাশিয়া ছাড়তে সক্ষম হয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। তবে তিনি জানান, নতুন পরিস্থিতি - [ইউক্রেন সফরের পর অবস্থান বদলে ট্রাম্পঘনিষ্ঠ লরা লুমার, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ শিবিরে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/180950/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সমর্থক এবং বিতর্কিত হলেও প্রভাবশালী রক্ষণশীল ব্লগার লরা লুমারের ইউক্রেন সফর দেশটির প্রতি তাঁর অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন এনেছে। দীর্ঘদিন ইউক্রেনের সমালোচক হিসেবে পরিচিত লুমার এখন প্রকাশ্যে ইউক্রেনের অন্যতম জোরালো সমর্থকে পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই অবস্থান পরিবর্তন ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ আন্দোলনের ভেতরেও নতুন করে মতবিরোধের জন্ম দিয়েছে। ইউক্রেন সফরেই বদলে যায় দৃষ্টিভঙ্গি গত ১৯ জুলাই লুমার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি নিজের চোখে দেখাই ছিল সফরের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রায় দশ দিনের এই সফর শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসে ইউক্রেনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। সফরকালে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাক্ষাৎকার নেন, সামনের - [যুদ্ধের আগে পরাজয়ের সতর্কবার্তা: জাপানের গোপন ইতিহাস নিয়ে ‘দ্য সিক্রেট ব্যাটলফিল্ড’](https://sarakhon.com/news/180944/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপানের রাজনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অন্তরালের এক কম আলোচিত অধ্যায়কে বড় পর্দায় তুলে এনেছে নতুন জাপানি চলচ্চিত্র ‘দ্য সিক্রেট ব্যাটলফিল্ড’ (কাইসেন জেনইয়া)। পরিচালক ইউইয়া ইশির নির্মিত এই ছবি দেখায়, কীভাবে যুদ্ধ শুরুর আগেই একদল বিশেষজ্ঞ দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ভয়াবহ পরিণতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, কিন্তু সেই সতর্কবার্তা শেষ পর্যন্ত উপেক্ষিত হয়। ইতিহাসভিত্তিক এই চলচ্চিত্রটি ১৯৮৩ সালে নাওকি ইনোসের লেখা একটি নন-ফিকশন বই অবলম্বনে নির্মিত। এর আগে গল্পটি এনএইচকের একটি টেলিভিশন নাটক হিসেবেও প্রচারিত হয়েছিল। এবার সেটিকে সম্প্রসারিত করে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপ দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের আগে গোপন গবেষণা চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্র ইয়োইচি উজিতা, পেশায় একজন ব্যাংকার, যিনি কৃষি ঋণ নিয়ে কাজ - [সাতক্ষীরার বেসরকারি হাসপাতালে আগুন: অক্সিজেন লাইনে আগুন, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হলো সব রোগী](https://sarakhon.com/news/180947/): সাতক্ষীরা জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে ব্লিস হাসপাতালের নিচতলার অক্সিজেন লাইনে আগুনের সূত্রপাত হলে পুরো ভবনে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এতে রোগী, স্বজন এবং হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত অভিযানে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অক্সিজেন লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে ব্লিস হাসপাতালের নিচতলায় থাকা অক্সিজেন লাইনে আগুন লাগে। আগুন লাগার পরপরই ভবনের বিভিন্ন অংশে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে, ফলে হাসপাতালে অবস্থানরত রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের অভিযান খবর পেয়ে - [৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকাজুড়ে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, বাড়ানো হয়েছে চেকপোস্ট ও নজরদারি](https://sarakhon.com/news/180941/): ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। মঙ্গলবার ডিএমপির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দিবসটি পালনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তায় বিঘ্ন না ঘটে, সে লক্ষ্যেই এই বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রাজধানীর প্রবেশপথে কড়াকড়ি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পুলিশি পিকেট ও চেকপোস্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকায় প্রবেশের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ডিএমপি জানায়, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহন তল্লাশির পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন - [সোনালী ব্যাংকের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ শাখায় ঋণসীমা পুরোপুরি প্রত্যাহার, বড় ঋণ বিতরণে খুলল নতুন সুযোগ](https://sarakhon.com/news/180938/): বাংলাদেশ ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক পিএলসির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট শাখায় দীর্ঘদিন ধরে বহাল থাকা ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা পুরোপুরি তুলে দিয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো এখন যথাযথ যাচাই-বাছাই ও ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ করতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনার আওতায় ঢাকার লোকাল অফিস, ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখা, শিল্প ভবন করপোরেট শাখা, শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ করপোরেট শাখা এবং চট্টগ্রামের লালদীঘি করপোরেট শাখা থেকে ঋণ বিতরণে আর কোনো নির্ধারিত সীমা থাকবে না। সোনালী ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। ঋণসীমা প্রত্যাহারের আগে এসব শাখায় শাখাভেদে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ বিতরণের - [সৌদি আরবের আশঙ্কা, উত্তর ও দক্ষিণ—দুই দিক থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী](https://sarakhon.com/news/181600/): সৌদি আরব আশঙ্কা করছে, খুব শিগগিরই দেশটির ওপর উত্তর ও দক্ষিণ—দুই দিক থেকেই সমন্বিত হামলা চালানো হতে পারে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং ইয়েমেনের হুথিরা একযোগে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গোয়েন্দা তথ্য মিলেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব তৎপরতার পেছনে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর তত্ত্বাবধান রয়েছে। কর্মকর্তাটি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র এবং অঞ্চলের অন্য কয়েকটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য হতে পারে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামো, সমুদ্রবন্দর এবং বিমানবন্দরকে ঝুঁকির মধ্যে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের নড়াচড়া নজরে সৌদি কর্মকর্তার - [তরুণ অ্যান্থনি বুরডেইনের জীবন বদলে দেওয়া এক গ্রীষ্ম: ‘টনি’ চলচ্চিত্রের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা](https://sarakhon.com/news/181610/): খ্যাতনামা শেফ, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক অ্যান্থনি বুরডেইনের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে কেন্দ্র করে নির্মিত নতুন চলচ্চিত্র ‘টনি’ ইতোমধ্যেই সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ছবিটি বুরডেইনের খ্যাতির শীর্ষে ওঠার গল্প নয়; বরং ১৯৭৫ সালের এক গ্রীষ্মে তাঁর ব্যক্তিত্ব, জীবনদর্শন ও কর্মনৈতিকতার ভিত্তি কীভাবে গড়ে উঠেছিল, সেই যাত্রাকেই তুলে ধরেছে। চলচ্চিত্রে তরুণ অ্যান্থনি বুরডেইনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ডমিনিক সেসা। গল্পের শুরুতেই বুরডেইনের নিজের পরবর্তী জীবনের আত্মসমালোচনামূলক মন্তব্য দর্শককে জানিয়ে দেয়, কৈশোরে তিনি ছিলেন আত্মকেন্দ্রিক, উদ্ধত এবং অপরিণত। সেই অপরিণত তরুণ কীভাবে কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও সততার মূল্য বুঝতে শেখে, সেটিই ছবির মূল সুর। প্রেমের টান থেকে রান্নাঘরের কঠিন বাস্তবতা গল্পে দেখা যায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃত্তি - [ফ্রান্সে আন্তর্জাতিক কণ্ঠসংগীত প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ কোরিয়ার ইউ সিউং-হোর সাফল্য](https://sarakhon.com/news/181613/): ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কণ্ঠসংগীত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণ বেস কণ্ঠশিল্পী ইউ সিউং-হো নতুন এক সাফল্যের নজির গড়েছেন। মাত্র ২৫ বছর বয়সী এই শিল্পী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে রানার-আপ হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার ধ্রুপদি সংগীত অঙ্গনে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। লোয়ার অঞ্চলের লা ফের্তে-ইম্বো দুর্গে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে ইউ সিউং-হো দ্বিতীয় পুরস্কার লাভ করেন। প্রথম স্থান অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ বছর বয়সী ব্যারিটোন ট্রেভর হাউমশিল্ট-রোচা। তৃতীয় স্থান পান রোমানিয়ার ৩২ বছর বয়সী সোপ্রানো পাওলো ইয়ানচিচ। প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেই সাফল্য ইউ সিউং-হো বর্তমানে সিউল ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কণ্ঠসংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী। এর আগে তিনি গিয়ংবুক আর্টস উচ্চবিদ্যালয় থেকে - [বাড়ি থেকে কাজ: কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ কি ভার্চুয়াল, নাকি মানুষের মুখোমুখি উপস্থিতিই শেষ পর্যন্ত অপরিহার্য?](https://sarakhon.com/news/181607/): করোনা মহামারির আগে ‘বাড়ি থেকে কাজ’ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম ছিল মূলত প্রযুক্তিনির্ভর কিছু প্রতিষ্ঠানের সীমিত অভিজ্ঞতা। কিন্তু কোভিড-১৯ সেই ধারণাকে অল্প সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক বাস্তবতায় পরিণত করে। সংক্রমণ ঠেকাতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মীদের অফিসের বাইরে থেকে কাজ করার সুযোগ দিতে হয়, আবার বহু প্রতিষ্ঠান কর্মীসংখ্যাও কমিয়ে আনে। উৎপাদনশিল্প, হাসপাতাল কিংবা এমন সব খাতে যেখানে শারীরিক উপস্থিতি অপরিহার্য, সেখানে কঠোর স্বাস্থ্যবিধির মধ্যেই কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে। ফলে কর্মজগত বুঝতে পারে—সব ধরনের কাজ একই পদ্ধতিতে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। মহামারির জরুরি প্রয়োজন কেটে যাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করেছিলেন, কর্মজীবন দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। বাস্তবতা অবশ্য আরও জটিল। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এখন বাড়ি থেকে - [বিলবোর্ডে নতুন সাফল্য ক্যাটসআইয়ের, ‘অ্যানিম্যাল’ উঠল শীর্ষ তালিকার ২৪ নম্বরে](https://sarakhon.com/news/181592/): বিশ্বসংগীতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ তালিকা বিলবোর্ডে আবারও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিল বহুজাতিক কে-পপ গার্ল গ্রুপ ক্যাটসআই। দলের নতুন একক গান ‘অ্যানিম্যাল’ প্রকাশের পরই বিলবোর্ডের জনপ্রিয় হট একশ তালিকায় ২৪ নম্বরে অভিষেক ঘটিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে দলটি। নতুন এই সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্যাটসআইয়ের জনপ্রিয়তা আরও একধাপ এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করছেন সংগীত বিশ্লেষকেরা। নতুন গানে উচ্ছ্বাস আর বুনো আবেগ ‘অ্যানিম্যাল’ একটি প্রাণবন্ত ও উদ্দীপনাময় গান। আকর্ষণীয় সুর, সহজে মনে থাকার মতো অংশ এবং নিজের স্বতঃস্ফূর্ত ও অদম্য সত্তাকে তুলে ধরা কথার মাধ্যমে গানটি দ্রুতই শ্রোতাদের মন জয় করেছে। গানটি ক্যাটসআইয়ের তৃতীয় ক্ষুদ্র অ্যালবাম ‘ওয়াইল্ড’-এ অন্তর্ভুক্ত, যা ১৪ আগস্ট প্রকাশের কথা রয়েছে। নতুন অ্যালবামকে ঘিরেও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ - [স্ট্রে কিডসের নতুন অধ্যায়, ভিন্ন স্বাদের অ্যালবাম নিয়ে ফিরল বিশ্বজয়ী দল](https://sarakhon.com/news/181601/): দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন সংগীত নিয়ে ফিরেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ দল স্ট্রে কিডস। শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে তাদের দশম মিনি অ্যালবাম ‘দিস অ্যান্ড দ্যাট’। আটটি গানের এই অ্যালবামে আগের তুলনায় ভিন্নধর্মী সংগীতধারা তুলে ধরেছে দলটি। শক্তিশালী ও পরীক্ষাধর্মী সংগীতের জন্য পরিচিত স্ট্রে কিডস এবার শ্রোতাদের সামনে হাজির হয়েছে আরও সহজ, স্বস্তিদায়ক এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এক নতুন সুরের জগৎ নিয়ে। সারাক্ষণ রিপোর্ট নতুন সংগীত, নতুন অনুভূতি নতুন অ্যালবাম প্রকাশের আগে সিউলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্ট্রে কিডসের আট সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করতে পেরে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। চ্যাংবিন বলেন, অনেক দিন পর নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরতে - [শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা: আরও ৪ কোটি ৯০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারে](https://sarakhon.com/news/181578/): বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করে বলেছে, এই জলবায়ুগত পরিবর্তনের প্রভাবে ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে আরও প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে পড়তে পারে। এতে সংকটাপন্ন মানুষের মোট সংখ্যা বেড়ে ২৭ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এল নিনোর ঝুঁকি কেন বাড়ছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এবার অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো হওয়ার সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বর্তমানে অন্তত ১৯৮২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। পরিস্থিতি একইভাবে চলতে থাকলে এটি ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হতে পারে। এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে - [হরমুজ খুলতে কি শেষ মুহূর্তের সমঝোতা? যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় বাড়ছে শান্তির আশা](https://sarakhon.com/news/181595/): মধ্যপ্রাচ্যে টানা পাঁচ মাসের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সারাদিনব্যাপী আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই আবার আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে যেতে পারে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য প্রকাশের পরই আন্তর্জাতিক অর্থবাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অপরিশোধিত তেলের দাম কমতে শুরু করে এবং এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলো ঊর্ধ্বমুখী হয়। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, হরমুজ প্রণালি আবার চালু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা অনেকটাই কমে আসবে। আলোচনায় সমঝোতার ইঙ্গিত - [সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন কৌশল, জনতাবাদী রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/181588/): ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে রাজনৈতিক যোগাযোগের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। পাবের খাবার নিয়ে হালকা আলোচনা থেকে শুরু করে নিজের চেহারা নিয়ে রসিকতা—এমন নানা ধরনের ভিডিও প্রকাশ করে তিনি জনতাবাদী দলগুলোর দীর্ঘদিনের অনলাইন প্রভাবের মোকাবিলায় নতুন কৌশল নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহামের লক্ষ্য বিতর্ক সৃষ্টি নয়; বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজ, আন্তরিক এবং ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা। এই কৌশল ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র দুই সপ্তাহেই তাঁর প্রকাশিত ভিডিওগুলো টিকটক, এক্স ও ইনস্টাগ্রামে মিলিয়ে কোটি কোটি বার দেখা হয়েছে। নেতৃত্ব পরিবর্তনের পেছনে ছিল যোগাযোগ দক্ষতা লেবার পার্টি আগের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পরিবর্তে অ্যান্ডি বার্নহামকে নেতৃত্বে - [সিঙ্গাপুরে প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়ানো ঠেকাতে নতুন গবেষণা](https://sarakhon.com/news/181589/): প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন গবেষণা উদ্যোগ নিয়েছে সিঙ্গাপুর। পোষা প্রাণী পালনের প্রবণতা বৃদ্ধি এবং মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে যোগাযোগ বাড়তে থাকায় দেশটির জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ ছয়টি গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে। লক্ষ্য হলো প্রাণীবাহিত রোগ কীভাবে ছড়ায়, তা আরও ভালোভাবে বোঝা এবং ভবিষ্যতের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করা। এই প্রকল্পগুলোর জন্য প্রায় দেড় কোটি সিঙ্গাপুর ডলারের জৈব নজরদারি গবেষণা কর্মসূচি থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় গবেষকদের সহায়তায় প্রাণীবাহিত রোগ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বাড়ানো এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণের কার্যকর কৌশল তৈরি করা হবে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক চলাচলের প্রভাব গবেষণাগুলো পরিচালনা করবেন ডিউক-এনইউএস - [ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: কীভাবে চার সদস্যের এই দল কে-পপকে বৈশ্বিক মানচিত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল](https://sarakhon.com/news/181579/): ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট। কে-পপের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের নতুন মেয়েদের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে চার সদস্যের একটি দল—জিসু, জেনি, রোজে ও লিসাকে নিয়ে ব্ল্যাকপিঙ্ক। প্রথম দিনেই ‘হুইসেল’ ও ‘বুম্বাইয়া’ গান দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, খুব কম মানুষই ধারণা করতে পেরেছিলেন যে এই দলটি পরবর্তী এক দশকে শুধু কে-পপ নয়, বিশ্ব পপসংগীতের ইতিহাসেও একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে। আজ দশ বছর পূর্তিতে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়, ব্ল্যাকপিঙ্কের আত্মপ্রকাশ ছিল কেবল আরেকটি জনপ্রিয় আইডল দলের সূচনা নয়; বরং এটি ছিল কে-পপকে বৈশ্বিক মূলধারায় নিয়ে যাওয়ার এক বড় পরিবর্তনের শুরু। আঞ্চলিক জনপ্রিয়তা থেকে বিশ্বজয়ের গল্প ব্ল্যাকপিঙ্ককে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে একটি বিষয়—তাদের - [ই-মেইল লিখতেই হোঁচট! চীনের শিক্ষার্থীদের পেশাদারিত্ব নিয়ে তুমুল বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/181583/): চীনের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ আনুষ্ঠানিক ই-মেইল লেখার মৌলিক নিয়ম মানছেন না—এমন অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ই-মেইল লেখার শিষ্টাচার জানে না’ শিরোনামের একটি আলোচিত বিষয় সামনে আসার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পেশাদার যোগাযোগের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকের অভিযোগ, চাকরি বা ইন্টার্নশিপের আবেদন থেকে শুরু করে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই অনেক শিক্ষার্থী ই-মেইলকে তাৎক্ষণিক বার্তার মতো ব্যবহার করছেন। বিষয় উল্লেখ না করা, সম্ভাষণ বাদ দেওয়া, প্রয়োজনীয় সংযুক্তি না পাঠানো কিংবা অতিরিক্ত অনানুষ্ঠানিক ভাষা ব্যবহার এখন নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বাড়ছে অসাবধানতা আলোচনায় অংশ নেওয়া অনেকেই বলেছেন, - [যুদ্ধের আসল পাঠ: নাগাসাকির স্মৃতি আমাদের কী শেখায়](https://sarakhon.com/news/181580/): যুদ্ধের ইতিহাস সাধারণত রাষ্ট্র, সেনাবাহিনী, কৌশল বা চুক্তির ভাষায় লেখা হয়। সেখানে বিজয়-পরাজয়, সামরিক সাফল্য কিংবা কূটনৈতিক হিসাবই বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত অর্থ বোঝার জন্য এসব যথেষ্ট নয়। যুদ্ধকে বুঝতে হলে তাকাতে হয় সেইসব মানুষের দিকে, যাদের জীবন মুহূর্তের মধ্যে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়, যাদের নাম ইতিহাসের পাদটীকায়ও থাকে না, অথচ তারাই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য পরিশোধ করে। নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ৮১ বছর পূর্তি আমাদের আবারও সেই মৌলিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়—মানবসভ্যতা কি সত্যিই যুদ্ধের শিক্ষা গ্রহণ করেছে, নাকি কেবল তার ভাষা বদলেছে? ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট একটি বিস্ফোরণ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি শহরের বড় অংশ ধ্বংস করে দেয়। - [প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও রাসেল ক্রো একসঙ্গে, নতুন বিজ্ঞান কল্পকাহিনির রোমাঞ্চ ‘ব্লুফ্লাই’](https://sarakhon.com/news/181559/): বলিউড ও হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবার পর্দা ভাগ করে নিচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেতা রাসেল ক্রোর সঙ্গে। তাঁরা অভিনয় করবেন নতুন সামরিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘ব্লুফ্লাই’-এ। ছবিটি পরিচালনা করছেন নিমরোদ আন্তাল, যিনি এর আগে রোমাঞ্চধর্মী চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পরিচিতি পেয়েছেন। রহস্যময় অভিযানের গল্প চলচ্চিত্রটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে কঙ্গোর গভীরে পরিচালিত এক গোপন সামরিক অভিযানের ওপর। একটি বিধ্বস্ত রহস্যময় উড়োজাহাজ উদ্ধার করতে বিশেষ একটি দলকে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই উড়োজাহাজের অস্তিত্বই গোপন রাখার কথা ছিল। বিপজ্জনক এলাকা পেরিয়ে অভিযানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে দলটি এমন সব সত্যের মুখোমুখি হয়, যা পুরো মিশনকেই অপ্রত্যাশিত মোড়ে নিয়ে যায়। চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ডেভিড ফ্রিজেরিও, উইলিয়াম - [বাংলাদেশে আরও তিন শিশুর সন্দেহজনক হামে মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৬৩](https://sarakhon.com/news/181571/): দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে দেশে হামে নিশ্চিত ও সন্দেহজনক মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬৩ জনে। সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনই সন্দেহজনক হামের রোগী ছিলেন। এ নিয়ে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৬৭ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৬ জন। নতুন আক্রান্ত এক হাজারের বেশি একই সময়ে সারা দেশে হামের সন্দেহভাজন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭ জন। ফলে চলতি বছরে মোট সন্দেহভাজন - [নওফেলের চট্টগ্রামের বাসভবনে ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টা](https://sarakhon.com/news/181568/): চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর এলাকার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের পারিবারিক বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালানো হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে চশমা হিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একদল দুর্বৃত্ত বাসভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং পরে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের ফলে বাড়ির সামনের একটি পাইপলাইনে আগুন ধরে যায়। আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা ছিল বাড়িটি বাসভবনটি চট্টগ্রামের প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পারিবারিক বাড়ি। - [গ্রেপ্তার এড়াতে গিয়ে বহুতল ভবন থেকে পড়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত কর্মকর্তা নিহত](https://sarakhon.com/news/181565/): রাজধানীর রমনা এলাকার একটি বহুতল আবাসিক ভবন থেকে পড়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (জিসিসি) এক বরখাস্ত হিসাব কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গেলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় ভবনের সপ্তম তলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত ব্যক্তির নাম মো. নজরুল ইসলাম (৫৬)। তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধেশ্বরী রোডের র‌্যাংগস গার্ডেন প্যালেস ভবনের বি-৮ নম্বর ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। পুলিশ জানায়, গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জারি করা একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গভীর রাতে নজরুল ইসলামের বাসায় যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসায় পুলিশ - [জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন সমীকরণ: ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ব কি বাস্তববাদী পথেই হাঁটবে?](https://sarakhon.com/news/181562/): ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে আরেকবার মনে করিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি শুধু অর্থনীতির বিষয় নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক নীতি এবং শিল্প প্রতিযোগিতারও অন্যতম ভিত্তি। কয়েক বছর আগেও অনেক দেশ মনে করেছিল বিশ্বায়িত জ্বালানি বাজারে নির্ভরতা বড় কোনো ঝুঁকি নয়। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কার পর ইরানকে ঘিরে সংঘাত সেই ধারণাকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন আর শুধু তেলের দাম কত বাড়বে, তা নয়; বরং সংকটের সময় আদৌ জ্বালানি পাওয়া যাবে কি না। এই বাস্তবতা এমন এক বিতর্ককে সামনে এনেছে, যেখানে রাজনৈতিক মতাদর্শের চেয়ে কার্যকর নীতির গুরুত্ব অনেক বেশি। একদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক পরিবহনের গতি বাড়ানোর দাবি, অন্যদিকে নতুন তেল ও গ্যাস উৎপাদনের - [ভিসার নামে প্রতারণা: ভারতীয় হাইকমিশনের পরিচয়ে অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকুন](https://sarakhon.com/news/181555/): ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন জনসাধারণকে ভিসা ও কনস্যুলার সেবার নামে সংঘটিত প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক করেছে। হাইকমিশন জানিয়েছে, কিছু প্রতারক নিজেদের হাইকমিশনের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফোন, বার্তা বা অন্যান্য মাধ্যমে যোগাযোগ করে অর্থের বিনিময়ে ভিসা বা বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় হাইকমিশন জানায়, এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে তাদের কাছে একাধিক অভিযোগ এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতারকরা নিজেদের সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। হাইকমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের কোনো কর্মকর্তা কখনোই ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ই-মেইলের মাধ্যমে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন না কিংবা ভিসা বা কনস্যুলার - [সিলেটে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, হাম-সংশ্লিষ্ট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২২](https://sarakhon.com/news/181554/): সিলেট বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হামে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ জনে। মারা যাওয়া দুই শিশু হলো সিলেট সদর উপজেলার এক বছর পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামিন এবং হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার আট মাস বয়সী আনিসা। তারা দুজনই সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ১২২ জনের মৃত্যুর মধ্যে ১১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এ ছাড়া পরীক্ষায় ছয়জনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হাম নিশ্চিত হয়েছে। জেলাভিত্তিক তথ্য বলছে, সর্বোচ্চ ৫২টি মৃত্যু হয়েছে সুনামগঞ্জে। এছাড়া - [নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন, একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ](https://sarakhon.com/news/181549/): নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের তিন সদস্য গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২৪) এবং তাদের আট বছর বয়সী ছেলে মারুফ। তারা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মারুফের ৯০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন জানান, আহত তিনজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধের মাত্রা - [রবীন্দ্রনাথের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, ঢাকায় সঙ্গীত ও আবৃত্তির বিশেষ আয়োজন](https://sarakhon.com/news/181539/): বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সঙ্গীত ও কবিতার মাধ্যমে বিশ্বকবির সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক চেতনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’। এতে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল জীবন, সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস দেখা যায়। অনুষ্ঠানে দেশের স্বনামধন্য শিল্পী স্বপ্নীল সজীব এবং সামিউল ইসলাম পলক সঙ্গীত ও কবিতা পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি নতুন মাত্রা পায় এবং উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে। আয়োজকেরা বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, সঙ্গীত ও চিন্তাধারা শুধু বাংলা - [জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আট এলএনজি কার্গো কেনার নীতিগত অনুমোদন](https://sarakhon.com/news/181546/): দেশে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আটটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। একই সঙ্গে জরুরি চাহিদা মেটাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের জন্য বৈদ্যুতিক বাস কেনার একটি প্রকল্পেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৪তম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনা হবে বৈঠকে দেশের জরুরি গ্যাস চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে চারটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে - [গফরগাঁওয়ে ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল চলাচল বন্ধ](https://sarakhon.com/news/181543/): ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি কমিউটার ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সারাক্ষণ রিপোর্ট পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী কমিউটার ট্রেনটি গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের ঠিক আগে হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। এরপর ইঞ্জিনের পেছনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। ময়মনসিংহ রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আখতার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইনচ্যুতির ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি - [সিলেট ও বগুড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত অন্তত ১৬](https://sarakhon.com/news/181540/): সিলেট ও বগুড়ায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় শুক্রবার সকালে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। দুটি দুর্ঘটনাই মহাসড়কে ঘটেছে এবং নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। সিলেটে মুখোমুখি বাস সংঘর্ষে ৯ জনের মৃত্যু সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সকাল প্রায় ৭টার দিকে ঢাকাগামী একটি ইউনিক পরিবহনের বাসের সঙ্গে সিলেটগামী বেঙ্গল পরিবহনের একটি স্লিপার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই বাসটির সাত যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যান। নিহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। - [তিস্তার ঢলে লালমনিরহাটে সড়ক ভেঙে বিচ্ছিন্ন হাজারো মানুষের যোগাযোগ](https://sarakhon.com/news/181526/): তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নে আঞ্চলিক সড়কের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এতে কয়েক হাজার মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে আকস্মিক বন্যায় ইউনিয়নের অন্তত ১০টি এলাকার প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। রাতের বন্যায় সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন স্থানীয়দের মতে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে তিস্তার পানি দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত বেড়ে যায়। এর ফলে দহগ্রাম ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক গ্রামে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রবল স্রোতে সড়কের একটি অংশ ভেঙে যায়। এরপর পানি আশপাশের বসতিতে প্রবেশ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কয়েক হাজার - [কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতির অভিযোগে মেটাকে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার দিতে আদালতের নির্দেশ](https://sarakhon.com/news/181532/): যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান মেটাকে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য তহবিলে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে কিশোর ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা জোরদারে একাধিক বাধ্যতামূলক পরিবর্তন আনার আদেশও দিয়েছেন বিচারক। এই রায়কে শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে চলমান আইনি লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ সান্তা ফে-র বিচারক ব্রায়ান বিডশাইড রায়ে বলেন, মেটার প্ল্যাটফর্মগুলো নিউ মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী ‘জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি’ সৃষ্টি করেছে। আদালতের মতে, প্রতিষ্ঠানের নকশা ও পরিচালন পদ্ধতি শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং এর প্রভাব পরিবার, বিদ্যালয়, হাসপাতাল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার ওপরও পড়েছে। - [আসিয়ানে মিয়ানমারের ফেরার পথ খুলতে চায় থাইল্যান্ড, তবে বাড়ছে সতর্কতার সুর](https://sarakhon.com/news/181529/): দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে মিয়ানমারকে আবারও আসিয়ানের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় উদ্যোগ নিয়েছে থাইল্যান্ড। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তব অগ্রগতি ছাড়া এমন উদ্যোগ আসিয়ানের ঐক্য ও প্রভাব—দুটোকেই দুর্বল করতে পারে। তাই তারা সতর্ক করে বলছেন, শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, মিয়ানমারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পরিবর্তন নিশ্চিত করেই পুনঃসম্পৃক্ততার পথ তৈরি করা উচিত। এই প্রেক্ষাপটে ৬ থেকে ৭ আগস্ট থাইল্যান্ড সফর করছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। গত এপ্রিলে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার দ্বিতীয় আসিয়ান সফর। এর আগে জুলাই মাসে তিনি লাওস সফর করেছিলেন। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চীনও সফর করেন তিনি। নমনীয় কূটনীতির পক্ষে থাইল্যান্ড থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সম্প্রতি - [সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোট, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে কৌশলগত বার্তা](https://sarakhon.com/news/181521/): মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তা সংকটের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পথে এগিয়েছে। শুক্রবার মক্কায় এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে বলে একাধিক আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর হওয়া এই সমঝোতা তিন দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। মক্কায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানও সৌদি সফরে যাচ্ছেন। তাঁদের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সামরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও চুক্তির বিস্তারিত - [থাইল্যান্ডে কিশোরের বন্দুক হামলায় রক্তাক্ত স্কুল, দাদা-দাদিকে হত্যার পর আরও পাঁচজনকে গুলি করে আত্মহত্যা](https://sarakhon.com/news/181520/): থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের অদূরে একটি বিদ্যালয়ে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী প্রথমে নিজের দাদা-দাদিকে বাড়িতে গুলি করে হত্যা করে। এরপর তিনি বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক ও কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। হামলায় বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষক ও কর্মী নিহত হন। পরে ওই কিশোর নিজেকেও গুলি করে। এই ঘটনাকে ২০২২ সালের পর থাইল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়াবহ একক বন্দুক হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আতঙ্কে ছুটোছুটি, আহত বহু মানুষ শুক্রবার ননথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই এলাকার দেপসিরিন ননথাবুরি বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, হামলাকারী তার দাদার বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে অন্তত ২৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে আরও - [ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাণিজ্যে ধাক্কা, চাপে দেশের বৃহত্তম অনলাইন বাজার](https://sarakhon.com/news/181496/): ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলা এবার শুধু রাশিয়ার সামরিক অবকাঠামো নয়, দেশটির বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তিকেও বড় ধরনের সংকটে ফেলেছে। রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজ–এর গুদামগুলোতে একের পর এক হামলার ফলে হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, বিক্রেতা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে দেশের খুচরা বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকও। তিন সপ্তাহেই বড় ক্ষতি গত ১৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া হামলায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়াইল্ডবেরিজের প্রায় ২০টি গুদাম লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এসব হামলায় কয়েকটি গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস হয়ে যায় এবং প্রতিষ্ঠানের বিস্তৃত সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। - [নজর কাড়লেন স্ট্রে কিডসের হিউনজিন ও ফেলিক্স, একই কালো স্যুটে দুই ভিন্ন ফ্যাশন](https://sarakhon.com/news/181503/): দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ দল Stray Kids-এর সদস্য Hyunjin এবং Felix নতুন মিনি অ্যালবাম “THIS & THAT”-এর প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভিন্নধর্মী ফ্যাশন উপস্থাপন করে আলোচনায় এসেছেন। একই ধরনের কালো আনুষ্ঠানিক পোশাক পরলেও তাঁদের নিজস্ব স্টাইল দর্শক ও আলোকচিত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সংবাদ সম্মেলনটি বৃহস্পতিবার সিউলের কনরাড হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত দুই শিল্পীই কালো স্যুট বেছে নিলেও তাঁদের পোশাকের নকশা, চুলের সাজ এবং আনুষঙ্গিক ব্যবহারে স্পষ্ট ছিল আলাদা ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। হিউনজিনের গাঢ় ও সাহসী উপস্থিতি হিউনজিন চকচকে সাটিনের ডাবল-ব্রেস্টেড জ্যাকেটের সঙ্গে ঢিলেঢালা ট্রাউজার পরেন, যা তাঁর লম্বা গড়নকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলে। গভীর নেকলাইনের সঙ্গে একাধিক নেকলেস এবং তাঁর দীর্ঘ - [“আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী”](https://sarakhon.com/news/181504/): “যে ছেলের ভরসা নেই সে অন্ধকার বিছানায় মাকে না দেখতে পেলেই কাঁদে, আর যার ভরসা আছে সে হাত বাড়ালেই মাকে তখন বুকের মধ্যে পায়। তখন ভয়ের অন্ধকারটা আরও নিবিড় মিষ্টি হয়ে ওঠে। মা তখন জিজ্ঞেস করে আলো চাই? ছেলে বলে তুমি থাকলে আমার আলো যেমন অন্ধকারও তেমনি।” অচলায়তন ভাঙতে চাওয়া পঞ্চককে যখন দাদাঠাকুরকে বলেছিল, “পাব বলে বুক বাড়িয়ে দিলুম তাই পেলুম। কোথাও যেতে হয়নি।” সেটা কেমন? পঞ্চক তা জানতে চাইলে, ওই ভরসা থাকা আর না থাকার ছেলের উদাহরণটিই দাদাঠাকুর দেন। জানিয়ে দেন, অচলায়তন ভাঙতে হবে এই আদর্শে অটুট থাকাই বড়। আদর্শ অটুট হলে আলো আর অন্ধকারে কোনো পার্থক্য থাকে না। তখন অচলায়তন ভাঙার জন্য অন্ধকার সময় - [শুভ চলে গেছে](https://sarakhon.com/news/181497/):  (প্রিয় সহপাঠী বন্ধু সদ্য প্রয়াত বাবলুর স্মৃতিকে ধারণ করছি এগল্পে) শুভর মৃত্যুর খবর পেলাম এইমাত্র। ওর নিজের ফেসবুক থেকে ভাগ্নে তমাল হাসান জানাল, মামা আর নেই। আজ দুপুর বারোটায় বারডেম হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়ান্নাইলাহি রাজিউন। বিশ্বাস করিনি। তবু কেন যে তৎক্ষাণাৎ বুকটা ধ্বক করে উঠল, কে জানে! দিলুকে রিং দিলাম। ও ধরতেই চিৎকার দিয়ে নিজের ভেতরকার ক্ষুব্ধ বিস্ময় প্রকাশ করি,’ দোস্ত, শুভ কি পাগল হয়ে গেছে? নিজেকে নিয়ে কেউ এরকম রসিকতা করে বেড়ায় নাকি? এখনও ভার্সিটির পোলাপান রয়ে গেছে? শালা একটা উদ্ভট গাধা ছাড়া কিছু নয়।’ একনিশ্বাসে এতগুলো কথা বলে জোরে জোরে শ্বাস নিতে থাকলাম। অপেক্ষা করছি, - [দক্ষিণ কোরিয়ায় চাকরির সংকট, তরুণদের নতুন গন্তব্য জাপান](https://sarakhon.com/news/181498/): দক্ষিণ কোরিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়ার পরও অনেক তরুণ-তরুণী কাঙ্ক্ষিত চাকরি খুঁজে পাচ্ছেন না। বিশেষ করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন স্নাতকদের বদলে অভিজ্ঞ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় কর্মজীবনের শুরুতেই অনেকেই হতাশার মুখে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে ক্রমেই বেশি সংখ্যক দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণ কর্মসংস্থানের জন্য জাপানের দিকে ঝুঁকছেন। জাপানি উদ্যোক্তা মোয়ে কাসুগাই সিউলের ইয়নসেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় কাছ থেকে দেখেছিলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্নাতক শেষ করার পর চাকরি পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি ২০১৯ সালে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যা দক্ষিণ কোরিয়ার চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে জাপানের নিয়োগদাতাদের সংযুক্ত করে। সম্প্রতি সিউলে অনুষ্ঠিত দুই দিনের একটি চাকরি মেলায় তিনি বলেন, এত মেধাবী শিক্ষার্থীদের - [লাগামহীন বাজারের কাছে নাগরিক কেন জিম্মি?](https://sarakhon.com/news/181448/): প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ব্যয় যখন একের পর এক ধাপ পেরিয়ে বাড়তে থাকে, তখন সংকটের অভিঘাত শুধু হিসাবের খাতায় সীমাবদ্ধ থাকে না; তা পৌঁছে যায় পরিবারের খাবারের টেবিলে, সন্তানের পড়াশোনার খরচে, যাতায়াতের সিদ্ধান্তে এবং ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের সক্ষমতায়। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার অর্থ কেবল বাজারে বেশি টাকা খরচ করা নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসা। সাম্প্রতিক সময়ে চাল, ভোজ্যতেল, দুধজাত পণ্য, শাকসবজি থেকে শুরু করে দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। ফলমূল, যা একসময় বহু পরিবারের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ছিল, এখন অনেকের কাছে বিলাসিতায় পরিণত হচ্ছে। একই সঙ্গে যাতায়াত ব্যয়ও বেড়েছে, আর রান্নার গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা মানুষের - [শুভেচ্ছার অর্থ যখন হিসাবের খাতায় বন্দী](https://sarakhon.com/news/181441/): বিয়ে একসময় ছিল দুটি মানুষের নতুন জীবনের সূচনা, দুটি পরিবারের সামাজিক বন্ধন এবং শুভকামনা বিনিময়ের উপলক্ষ। কিন্তু ইতিহাস বলছে, এই অনুষ্ঠান বহু যুগ ধরেই সম্পদ, মর্যাদা ও সামাজিক অবস্থান প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও পরিণত হয়েছে। প্রাচীন সমাজ থেকে আধুনিক নগরজীবন—সময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু সামাজিক আচারকে ব্যক্তিগত লাভের উপায়ে রূপান্তর করার প্রবণতা যেন বারবার ফিরে এসেছে। আজ প্রশ্ন উঠছে, আমরা কি এখনও মানুষকে অভিনন্দন জানাই, নাকি কেবল অর্থনৈতিক হিসাব মেলাই? প্রায় তিন হাজার বছর আগে এথেন্সে বিয়েকে ঘিরে পণ ও উপহারের প্রতিযোগিতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে রাষ্ট্রকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তৎকালীন শাসক সোলন পণের পরিমাণ সীমিত করেন, মূল্যবান অলংকারের পরিবর্তে সাধারণ গৃহস্থালি সামগ্রী - [সিউতার ট্র্যাজেডি: সীমান্ত ভেঙেছে শুধু মানুষ নয়, ভেঙেছে ডিজিটাল বিভ্রান্তির প্রতিরোধও](https://sarakhon.com/news/181305/): গত সপ্তাহে স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সিউতায় যা ঘটেছে, সেটিকে কেবল একটি অভিবাসন সংকট হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি একই সঙ্গে নিরাপত্তা, তথ্যযুদ্ধ, সামাজিক হতাশা এবং রাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে এক কঠিন সতর্কবার্তা। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ সীমান্তের দিকে ছুটে যায়—যে সীমান্ত উত্তর আফ্রিকার সবচেয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত সীমান্তগুলোর একটি বলে বিবেচিত। এই ঘটনায় অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ পরে মরক্কোতে ফিরে গেলেও প্রশ্নগুলো রয়ে গেছে। ঘটনার পর ইউরোপের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ছিল প্রত্যাশিত। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অভিবাসন নীতি এবং মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের দাবি দ্রুত সামনে আসে। কিন্তু এই প্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা প্রায় হারিয়ে - [মাত্র ২০ ডলারে বিশ্বতারকাদের কনসার্ট! বাড়তি টিকিটের দামে ভক্তদের স্বস্তি ফেরাতে নতুন উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/181490/): বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় শিল্পীদের কনসার্টের টিকিটের দাম যখন সাধারণ শ্রোতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন কিছু আন্তর্জাতিক তারকা তুলনামূলক কম দামে টিকিট বিক্রির উদ্যোগ নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। অনেক কনসার্টে একটি টিকিটের দাম যেখানে কয়েকশ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে, সেখানে সীমিত সংখ্যক আসনের জন্য মাত্র ২০ ডলারের টিকিট বিক্রি করে ভক্তদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছেন কয়েকজন শিল্পী। বাড়ছে টিকিটের দাম, বাড়ছে উদ্বেগ গত এক দশকে বিশ্বসেরা কনসার্ট সফরগুলোর গড় টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৪ সালে যেখানে গড় মূল্য ছিল প্রায় ৮৪ ডলার, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩০ ডলারেরও বেশি। এর সঙ্গে কর, বিভিন্ন সেবা ফি এবং পুনর্বিক্রয় বাজারের অতিরিক্ত - [আগুনে দুবার পুড়ে ধ্বংস: স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক শিল্পবিদ্যালয় কি আবারও ফিরে পাবে তার হারানো গৌরব?](https://sarakhon.com/news/181480/): স্কটল্যান্ডের স্থাপত্য ঐতিহ্যের অন্যতম সেরা নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত গ্লাসগো স্কুল অব আর্ট আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। দুই দফা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এই ঐতিহাসিক ভবন পুনর্নির্মাণে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নিজেদের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। ফলে ভবনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শতবর্ষেরও বেশি পুরোনো স্থাপত্যের সংকট ১৮৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্লাসগো স্কুল অব আর্ট ১৮৯৯ সালে নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু করে। ভবনটির নকশা করেছিলেন স্কটিশ স্থপতি চার্লস রেনি ম্যাকিন্টশ। এটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং স্কটল্যান্ডের শিল্প ও স্থাপত্য ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত। ভবনটির নকশায় কার্যকারিতা ও নান্দনিকতার অসাধারণ সমন্বয় দেখা যায়। প্রশস্ত - [চীনের আগ্রাসন ঠেকাতে যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার তাইওয়ানের, শুরু ১০ দিনের বৃহৎ সামরিক মহড়া](https://sarakhon.com/news/181486/): চীনের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসন প্রতিরোধে নিজেদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে ১০ দিনের বৃহৎ সামরিক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা মহড়া শুরু করেছে তাইওয়ান। রাজধানী তাইপেসহ দ্বীপজুড়ে শুরু হওয়া এই বার্ষিক মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো বেইজিংকে এই বার্তা দেওয়া যে, তাইওয়ানের ওপর হামলা চালালে তার মূল্য অনেক বেশি হবে এবং দ্রুত বিজয় অর্জন করা সম্ভব হবে না। এ বছরের ‘হান কুয়াং’ মহড়ায় নতুন কৌশল ও বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পাশাপাশি সাম্প্রতিক ইরান সংঘাত থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকারীদের মতে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন, সাইবার প্রতিরক্ষা এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা ভবিষ্যতের সংঘাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। - [মিশিগানের প্রাইমারিকে ঘিরে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ইসরায়েল ও ইহুদিবিদ্বেষ বিতর্ক নতুন করে আলোচনায়](https://sarakhon.com/news/181483/): যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারির ফলাফলকে ঘিরে দলটির ভেতরে ইসরায়েল-নীতি, গাজা যুদ্ধ এবং ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই নির্বাচন শুধু একজন প্রার্থীর জয়-পরাজয়ের বিষয় নয়; এটি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভ্যন্তরে পররাষ্ট্রনীতি ও মধ্যপ্রাচ্য প্রশ্নে বিদ্যমান মতপার্থক্যকেও সামনে নিয়ে এসেছে। প্রাইমারিতে প্রগতিশীল নেতা আবদুল এল-সাইয়েদ অল্প ব্যবধানে বিজয়ী হন। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল-নীতি এবং দেশটির প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থনের কঠোর সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলপন্থী লবিং সংগঠন থেকে রাজনৈতিক অনুদান গ্রহণের বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ করেন। এল-সাইয়েদের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে তাঁর সমালোচকেরা অভিযোগ করেন, তাঁর বক্তব্য ইহুদিবিদ্বেষকে উৎসাহিত করতে পারে। তবে তাঁর সমর্থকদের দাবি, - [রেকর্ড আয়, তবু কমছে দর্শক: বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা দেখার অভ্যাস](https://sarakhon.com/news/181479/): যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা শিল্পে এ বছর আয়ের দিক থেকে ইতিবাচক চিত্র দেখা গেলেও প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপস্থিতি এখনো মহামারির আগের পর্যায়ে ফিরতে পারেনি। বড় বাজেটের কয়েকটি আলোচিত চলচ্চিত্র, বাড়তি টিকিট মূল্য এবং প্রিমিয়াম প্রদর্শনের কারণে বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়ছে হলিউড। তবে বাস্তবতা হলো, আগের তুলনায় অনেক কম মানুষ সিনেমা হলে যাচ্ছেন। এ বছরের সবচেয়ে বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ এবং ‘দ্য ওডিসি’। এই দুটি ছবির মুক্তির সপ্তাহান্তেই যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড তৈরি হয়। একই সঙ্গে ‘অবসেশন’ ও ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’-র মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিবিহীন ছবিও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর কেবল সুপারহিরো বা জনপ্রিয় সিরিজের ছবির ওপর নির্ভরশীলতা কিছুটা কমেছে। আয় বাড়ছে, দর্শক নয় - [কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৭, দুর্বল হয়ে পড়ছে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা](https://sarakhon.com/news/181473/): রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাতভর চালানো রুশ হামলায় ছোড়া কোনো ক্ষেপণাস্ত্রই ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করতে পারেনি, যা দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ক্রমবর্ধমান সংকটকে সামনে নিয়ে এসেছে। টানা দুই ঘণ্টার হামলা প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই হামলা ছিল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার ধারাবাহিক বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আরেকটি উদাহরণ। চলতি গ্রীষ্মে এমন হামলা প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ সক্ষমতার ঘাটতির সুযোগই নিচ্ছে মস্কো। প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সংকটে ইউক্রেন ইউক্রেন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট - [যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে অভিবাসন অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, আইসিইর পদক্ষেপে আপত্তি বিমান সংস্থাগুলোর](https://sarakhon.com/news/181470/): যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিইর (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) অভিযান জোরদার হওয়ায় দেশটির বড় বড় বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা, আইনি প্রক্রিয়া এবং বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন সংস্থা আইসিইর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে। বিমানবন্দরে বাড়ছে গ্রেপ্তার অভিযান সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে আইসিই কর্মকর্তারা টিকিট কাউন্টার, বোর্ডিং গেট এবং জেটব্রিজের মতো এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিবাসন-সংক্রান্ত অভিযোগে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছেন। সরকারি তথ্যের সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত মাসে প্রতিদিন গড়ে এক থেকে তিন ডজন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছে বিমানবন্দরগুলোতে। আগে যাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বহিষ্কারাদেশ ছিল, মূলত - [শেখ হাসিনাকে ভারত এই সুযোগ কেন দিলো- প্রশ্ন বিএনপির](https://sarakhon.com/news/181467/): বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নয়া দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের অনেকে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ কেন দিলো- এটি আমাদের প্রশ্ন।” জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। সেই প্রসঙ্গে টেনে মি. আহমদ বলেন, “ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সেখানে আশ্রয়ে থেকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন; তাকে সরাসরি গণমাধ্যমে কথা বলা সুযোগ দেওয়া হলো।” “বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে - [মৃত্যুদণ্ড সত্ত্বেও দেশে ফেরার পরিকল্পনার ‘জুয়া’ কেন খেলছেন শেখ হাসিনা](https://sarakhon.com/news/181464/): মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। ২০২৪ সালে সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা তার অনুপস্থিতিতে যে বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বুধবার দিল্লির জনাকীর্ণ প্রেস ক্লাবে প্রচারিত এক অডিও বার্তায় হাসিনা বলেছেন, তাকে নিজ দেশে “ফিরতেই হবে”, তবে তিনি এখনই তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা তারিখ ঘোষণা করবেন না। এদিকে, তার অনুপস্থিতিতে তার দল আওয়ামী লীগ বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছে এবং ঢাকার একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গত বছর বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার দায়ে শেখ - [শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষোভ](https://sarakhon.com/news/181460/): বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে গণমাধ্যমের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। ‘ওই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে ভারতে রয়েছেন। তবে গত দুই বছরের মধ্যে ভার্চুয়ালি হলেও এই প্রথম তিনি সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তিনি এই অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন এমন সময়ে যখন বাংলাদেশে পাঁচই অগাস্ট ঘিরে সরকারিভাবেই নানারকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলেছে, ”এই আয়োজন বাংলাদেশ-ভারত - [জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তথ্যচিত্র নিয়ে দিনে হট্টগোল ও রাতে সরকারের দুঃখ প্রকাশ](https://sarakhon.com/news/181461/): বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির সরকারি এক অনুষ্ঠানে একটি তথ্যচিত্র ঘিরে তুমুল হট্টগোল হয় যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। পরে রাতে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করে অনুষ্ঠানটির আয়োজক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বুধবারের ওই অনুষ্ঠানে প্রচারিত তথ্যচিত্রে ‘ইতিহাস বিকৃতির’ অভিযোগ তোলেন এনসিপির নেতারা। দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, ওই ডকুমেন্টারিতে “বিএনপির বয়ানে ইতিহাসের একপেশে বর্ণনা” দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ হয়েছে এবং এক পর্যায়ে তারা সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছেন। দুই বছর আগে গণঅভ্যুত্থানে যারা সামনের সারিতে ছিলেন, তাদের কেউ কেউ এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। যেই তথ্যচিত্র নিয়ে হট্টগোল-সমালোচনা হয়, সেটি নিয়ে - [হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথে ইরান-ওমানের সমঝোতা, যৌথ ব্যবস্থাপনায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/181451/): বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন একটি নৌপথ নির্ধারণে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও ওমান। দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত নৌপথের ভৌগোলিক অবস্থান চূড়ান্ত হয়েছে এবং এই পথ যৌথভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে একটি যৌথ বিবৃতির খসড়া তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি জানান, দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত নৌপথের স্থানাঙ্ক নিয়ে পূর্ণ সমঝোতা হয়েছে। কোনো তৃতীয় পক্ষ যদি এ প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি না করে, তাহলে প্রধান বিষয়গুলো ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে যৌথ বিবৃতি খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে - [জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/181335/): ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, সাবেক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটরের দপ্তরে জমা দিয়েছে তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। তিনি জানান, দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট মামলার প্রতিবেদন প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে এটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি এর আগে প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের বিস্তারিত - [বিশ্ব ব্যাডমিন্টনে ভারতের বড় আশা, শুরুতেই সহজ ম্যাচ সিন্ধু-লক্ষ্যের, কঠিন পরীক্ষায় আয়ুষ](https://sarakhon.com/news/181445/): বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে ভারতের ব্যাডমিন্টন শিবিরে আশা ও সতর্কতার মিশ্র আবহ তৈরি হয়েছে। ড্র প্রকাশের পর দেখা গেছে, অভিজ্ঞ তারকা পি. ভি. সিন্ধু এবং লক্ষ্য সেন প্রথম রাউন্ডে তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক প্রতিপক্ষ পেলেও তরুণ আয়ুষ শেট্টির সামনে শুরু থেকেই অপেক্ষা করছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে পুরুষদের দ্বৈত বিভাগের অন্যতম ভরসা সাত্বিকসাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি প্রথম রাউন্ডে না খেলেই দ্বিতীয় পর্বে উঠে গেছেন। সিন্ধুর লক্ষ্য আরও একটি বিশ্ব পদক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বরাবরই উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত পি. ভি. সিন্ধু এবারও পদকের অন্যতম দাবিদার হিসেবে খেলতে নামছেন। প্রথম রাউন্ডে তাঁর প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ডের সোফিয়া নোবেল। এই ম্যাচে সিন্ধুই এগিয়ে থাকলেও পরবর্তী রাউন্ডগুলোতে - [ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে জ্বালানিমন্ত্রী: পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চেয়েছে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/181442/): বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বিদ্যমান আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে আরও বেশি পরিমাণ ডিজেল আমদানির অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে তিনি জানান, মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে বৃহস্পতিবার বিকালের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে এবং আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও দুই-তিন দিন বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও সারা দেশে সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। - [বৃষ্টি সবার জন্য সমান নয়](https://sarakhon.com/news/181424/): প্রকৃতির কিছু দৃশ্য মানুষের মনে একই সঙ্গে স্বস্তি ও বিষণ্নতা এনে দেয়। টানা বৃষ্টির শব্দ, মেঘলা আকাশ কিংবা শীতল বাতাস অনেকের কাছে বিশ্রামের অনুভূতি তৈরি করে। ব্যস্ত জীবনের ছন্দ কিছুক্ষণের জন্য ধীর হয়ে আসে। গরম এক কাপ চা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা ঘরের নিরাপদ আশ্রয়—বৃষ্টির দিনকে অনেকে এভাবেই অনুভব করেন। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা সবার নয়। একই বৃষ্টি কারও কাছে আরামের, আবার কারও কাছে অনিশ্চয়তা, ক্ষতি ও বেঁচে থাকার সংগ্রামের প্রতীক। তাই প্রকৃতিকে রোমান্টিকভাবে দেখার আগে আমাদের মনে রাখা দরকার, দুর্যোগের অভিঘাত সমাজের সব মানুষের ওপর সমানভাবে পড়ে না। একজন অফিসগামী কর্মীকে হয়তো স্বাভাবিকের চেয়ে আরও আগে ঘর থেকে বের হতে - [সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই দলবিরোধী সিদ্ধান্ত বৈধ নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট](https://sarakhon.com/news/181433/): দলের নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যা বেশি হলেই কোনো গোষ্ঠী রাজনৈতিক দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ অমান্য করতে পারে না বলে স্পষ্ট করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছে, গণতন্ত্রের পরিপক্বতা নির্ভর করে রাজনৈতিক দল ও তাদের সদস্যরা কতটা নিজেদের আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার প্রতি অটল থাকে তার ওপর। বুধবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। বেঞ্চের সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি মন্তব্য করেন, শুধু আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার কারণে কোনো দলের বিধায়ক বা সংসদ সদস্যরা মূল রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করতে পারেন না। শিবসেনা বিভক্তি নিয়ে শুনানি মহারাষ্ট্রের শিবসেনার দুই গোষ্ঠী—উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ - [কেরালায় বন্যায় নিহতদের পরিবারকে ৮ লাখ রুপি সহায়তা, মৃত বেড়ে ২৬](https://sarakhon.com/news/181430/): প্রবল বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কেরালায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৮ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়া বাড়ি এবং জমিসহ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও শুরু করেছে সরকার। মৃত ২৬, এখনও নিখোঁজ ৪ জন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভি. ডি. সতীশন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানান, গত এক সপ্তাহের প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে পৌঁছেছে। এখনও অন্তত ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার ও ত্রাণকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং প্রশাসন নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ৪৬২টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন ২৭ - [স্বর্ণ খাতকে আইনি কাঠামোয় আনছে সরকার, গয়না রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে আসছে নতুন নীতি](https://sarakhon.com/news/181427/): দেশের স্বর্ণ খাতকে দীর্ঘদিনের অনানুষ্ঠানিক অবস্থা থেকে বের করে একটি বৈধ, স্বীকৃত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবসা খাতে রূপ দিতে ‘গোল্ড পলিসি ২০১৮ (সংশোধিত) ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে লিখিত মতামত আহ্বান করেছে। আগামী রোববারের মধ্যে এসব মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে খসড়া নীতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে স্বর্ণ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে যথাযথ নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অভাবে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। এর জন্য শুধু ব্যবসায়ীদের দায়ী না করে নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক দুর্বলতাকেও দায়ী - [আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে বেসরকারি যুদ্ধজাহাজের অজানা ইতিহাস](https://sarakhon.com/news/181421/): ১৭৮১ সালের জুলাই। উত্তর আটলান্টিকের উত্তাল সমুদ্রে গোলার পর গোলা ছুটে আসছে। কামানের গর্জনে কেঁপে উঠছে কাঠের যুদ্ধজাহাজ, চারদিকে ধোঁয়া আর আগুন। নাবিকেরা পাইক, কাটলাস ও ফ্লিন্টলক পিস্তল হাতে প্রাণপণ লড়াই করছে। ঠিক সেই সময় নিউ ইংল্যান্ডের এক নাবিক চোখ তুলে দেখলেন, মাস্টের চূড়ায় উড়তে থাকা ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথের পতাকা কাঁপছে। সবুজ পাইন গাছের প্রতীক আর ‘অ্যান অ্যাপিল টু হেভেন’ লেখা ধীরে ধীরে ধোঁয়ার আড়ালে মিলিয়ে গেল। মুহূর্তের মধ্যেই তার জায়গায় উড়তে শুরু করল ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সাদা পতাকা। আমেরিকান প্রাইভেটিয়ার জাহাজ অলিভার ক্রমওয়েল তখন ব্রিটিশদের হাতে বন্দি। এই দৃশ্য শুধু একটি যুদ্ধজাহাজের পতনের কাহিনি নয়। এটি এমন এক প্রশ্নও সামনে আনে, যা আমেরিকার স্বাধীনতা - [দ্য হিন্দু রিপোর্ট: দুই বছর পরও অস্থির বাংলাদেশ — জুলাই-পরবর্তী মিত্ররাই এখন মুখোমুখি সংঘাতে, জুলাইয়ে নিহত ২৩](https://sarakhon.com/news/181415/): শেখ হাসিনার দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হলেও বাংলাদেশের রাজনীতি ও শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা থামেনি। তবে এবার সংঘাত ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও বিরোধীদের মধ্যে নয়; বরং সেই রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যেই, যারা একসময় জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনী প্রচারণায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, শেখ হাসিনার আমলে যে রাষ্ট্রপৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক সহিংসতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তার অবসান ঘটানো হবে। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের ছয় মাস পার না হতেই সেই প্রতিশ্রুতি কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণেই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় - [বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৮ মাসের কর্মপরিকল্পনা: খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর পদক্ষেপ, আসছে ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন ঋণ প্যাকেজ](https://sarakhon.com/news/181418/): দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১৮ মাসের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশই খেলাপি, যা আর্থিক খাতের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা কিউআর কোড বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে এবং খেলাপি ঋণ কমাতে এই বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন ঋণ প্যাকেজ চালুর ঘোষণা দেন তিনি। খেলাপি ঋণ কমাতে ১৮ মাসের রূপরেখা গভর্নরের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মপরিকল্পনার - [চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রলি চালক নিহত, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/181413/): চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি ট্রলিকে ট্রেন ধাক্কা দিলে চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে নাচোল রেলস্টেশনের কাছে দেওপাড়া লেভেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ (৩৫)। তিনি উপজেলার বান্দড়া গ্রামের মোহিবুর রহমানের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দেওপাড়া এলাকা থেকে ছাগলের একটি চালান নিয়ে ট্রলিতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার বিবরণ বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটে খুলনাগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস দেওপাড়া লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার সময় ট্রলিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে ট্রলিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্ঘটনার পরপরই এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি - [শেখ হাসিনা ফিরলে আবারও রক্তপাত হবে, কাউকে রেহাই দেবেন না: রিজভী](https://sarakhon.com/news/181408/): বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারের একটি ‘হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থান করে রাজনৈতিক বক্তব্য ও বার্তা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহীদ জুলাই স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন রিজভী বলেন, বুধবার শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়া কোনো - [বিজয় সরকারের প্রথম বাজেটে জনকল্যাণ ও আর্থিক শৃঙ্খলার সমন্বয়ের চেষ্টা](https://sarakhon.com/news/181391/): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (টিভিকে) সরকারের প্রথম বাজেটে জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও আর্থিক দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। বুধবার রাজ্যের অর্থমন্ত্রী এন. মেরি উইলসন বাজেট পেশ করেন। এতে নারী, যুবক, শিক্ষার্থী ও প্রবীণদের ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কিছু কর্মসূচি বাজেটে স্থান পেলেও বেশ কয়েকটি বড় প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে যোগ্য নারী পরিবারের প্রধানদের জন্য প্রতি মাসে আড়াই হাজার রুপি সহায়তা, প্রতি পরিবারকে বছরে ছয়টি বিনামূল্যের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার এবং সরকারি বাসে নারীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা। আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব বাজেটে দক্ষতা উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের - [জ্বালানির দাম বাড়ার জন্য তেল কোম্পানি নয়, নীতিনির্ধারণের মূল্যই দিচ্ছে বিশ্ব](https://sarakhon.com/news/181302/): পেট্রোল বা জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে সবচেয়ে সহজ রাজনৈতিক কৌশল হলো বড় তেল কোম্পানিগুলোর দিকে আঙুল তোলা। জনরোষের মুহূর্তে এই ব্যাখ্যা জনপ্রিয় শোনায়, কিন্তু অর্থনীতির মৌলিক বাস্তবতা এত সরল নয়। বাজারে মূল্য নির্ধারণের প্রধান নিয়ামক এখনও চাহিদা ও জোগানের সম্পর্ক। যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক সংকট কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে সেই ভারসাম্য বদলে যায়, আর তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তার পকেটেই পড়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেভরন ও এক্সনমোবিলের বিপুল মুনাফাকে লক্ষ্য করে অভিযোগ তুলেছেন যে, সংকটের সুযোগ নিয়ে তারা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছে। এমনকি তিনি খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম কমানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো কোম্পানির লাভ বেড়েছে বলেই যে - [সংসদ অচলাবস্থা কাটাতে রাহুলের সঙ্গে বৈঠক, বিরোধীদের শর্তে চাপে সরকার](https://sarakhon.com/news/181401/): সংসদে চলমান অচলাবস্থা কাটাতে বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বুধবার লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রায় ৫০ মিনিটের এই আলোচনায় আসন্ন সীমানা পুনর্নির্ধারণ আইন ও বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়। তবে স্বাধীনতা দিবসের পর বিশেষ অধিবেশন ডেকে নারী সংরক্ষণ বিল ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল পাস করানোর যে জল্পনা চলছিল, তা নাকচ করেছেন রিজিজু। তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো প্রস্তাব সরকারের কাছে নেই। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে চলমান বর্ষাকালীন অধিবেশন বাড়ানো বা নতুন বিশেষ অধিবেশন ডাকার বিষয়ে কোনো - [তসলিমা নাসরিনের কলকাতা প্রত্যাবর্তন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/181398/): দীর্ঘ ১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরেছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিন। তার এই প্রত্যাবর্তন শুধু একজন লেখকের নিজ শহরে ফিরে আসার ঘটনা হয়ে থাকেনি, বরং পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এটি পরিণত হয়েছে বড় এক প্রতীকী ঘটনায়। সারাক্ষণ রিপোর্ট কলকাতা এমন একটি শহর, যেখানে শিল্পী ও সাহিত্যিকদের সম্মান জানানোর দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। আবার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে গেলে এই শহরই কখনো কখনো লেখকদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। ২০০৭ সালের শরতে তসলিমা নাসরিনকে কলকাতা ছাড়তে বাধ্য হওয়ার ঘটনাও ছিল সেই রাজনৈতিক বাস্তবতারই প্রতিফলন। প্রত্যাবর্তনকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে নতুন সরকার তসলিমার ছয় দিনের কলকাতা সফরকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গের সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার। - [ইমেশা দুলানি সপ্তাহের সেরা ক্রিকেটার: অপরাজিত শতকে পাকিস্তানকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার দাপুটে জয়](https://sarakhon.com/news/181395/): পাকিস্তানের বিপক্ষে নারী টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে অসাধারণ এক ইনিংস খেলে শ্রীলঙ্কাকে স্মরণীয় জয় এনে দিয়েছেন ইমেশা দুলানি। ১৭৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অপরাজিত শতক হাঁকিয়ে দলকে ছয় উইকেটের জয় উপহার দেন তিনি। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড তাকে ‘সপ্তাহের সেরা ক্রিকেটার’ (Player of the Week) নির্বাচিত করেছে। শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ৭ উইকেটে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন শাওয়াল জুলফিকার, যিনি ৪১ বলে ইনিংসটি খেলেন। ফলে শ্রীলঙ্কার সামনে জয়ের জন্য ১৭৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড়ায়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক চামারি - [যৌন সহিংসতা, উপনিবেশবাদ ও ফিলিস্তিন: রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার এক অন্ধকার ইতিহাস](https://sarakhon.com/news/181383/): রাষ্ট্রীয় সহিংসতা নিয়ে আলোচনা হলে সাধারণত বোমা, বন্দুক, অবরোধ কিংবা গণগ্রেপ্তারের মতো দৃশ্যমান বিষয়গুলোই সামনে আসে। কিন্তু ইতিহাসের আরেকটি কম আলোচিত অধ্যায় হলো যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা—যা বহু উপনিবেশবাদী প্রকল্পে কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং আধিপত্য প্রতিষ্ঠা, জনগোষ্ঠীকে ভীত করা এবং সামাজিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ফিলিস্তিনকে ঘিরে সাম্প্রতিক মানবাধিকার বিতর্কে এই প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা জশ পল প্রকাশ্যে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইসরায়েলি হেফাজতে এক কিশোর ফিলিস্তিনির ধর্ষণের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হয়েছিলেন। পরে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর, অধিকৃত ফিলিস্তিন বিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন এবং ইসরায়েলভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন - [পশ্চিম আফ্রিকার কাদামাটি কচ্ছপ: কাদার আড়ালে টিকে থাকার এক বিস্ময়](https://sarakhon.com/news/181382/): আফ্রিকার নদী, জলাভূমি ও কাদাময় জলাশয়ের নীরব বাসিন্দা পশ্চিম আফ্রিকার কাদামাটি কচ্ছপ (West African Mud Turtle) প্রকৃতির এমন এক প্রাণী, যাকে প্রথম দেখায় খুব সাধারণ মনে হতে পারে। উজ্জ্বল রঙের পরিবর্তে এর বাদামি খোলস কাদার সঙ্গে মিশে যায়, যেন শিকারি প্রাণীর চোখ এড়ানোর জন্য প্রকৃতি নিজেই তাকে ছদ্মবেশ দিয়েছে। কিন্তু এই অনাড়ম্বর চেহারার আড়ালে লুকিয়ে আছে লক্ষ বছরের বিবর্তনের অসাধারণ অভিযোজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, Pelusios castaneus প্রজাতির এই কচ্ছপ পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার অন্যতম সফল স্বাদুপানির সরীসৃপ। দীর্ঘ ঘাড়, শক্তিশালী চোয়াল এবং পানির নিচে দ্রুত শিকার ধরার ক্ষমতা তাকে একই সঙ্গে দক্ষ শিকারি ও টিকে থাকার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কাদার রঙই তার সুরক্ষা এই কচ্ছপের - [উচ্চশিক্ষায় নতুন সমীকরণ, বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া](https://sarakhon.com/news/181377/): যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রক্রিয়ায় এ বছর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে। মহামারির প্রভাব, ভর্তি পরীক্ষার নীতিতে পরিবর্তন, আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নীতিতে নতুন বিধিনিষেধ—সব মিলিয়ে উচ্চশিক্ষায় ভর্তি এখন আগের চেয়ে আরও ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবর্তনের এই সময়েও শিক্ষার্থীদের জন্য আশার খবর রয়েছে। আবেদনপত্রে কমছে অতিরিক্ত প্রবন্ধের চাপ অনেক নামী বিশ্ববিদ্যালয় আবেদনকারীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রবন্ধ বা আলাদা রচনা চাওয়ার নিয়ম বাতিল করছে। আগে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত প্রবন্ধের পাশাপাশি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন বেছে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও আলাদা লেখা জমা দিতে হতো। এখন অনেক প্রতিষ্ঠান মনে করছে, এসব অতিরিক্ত প্রবন্ধ ভর্তি সিদ্ধান্তে খুব বেশি প্রভাব ফেলছে - [চীনের পাল্টা পদক্ষেপে স্পষ্ট বাণিজ্যযুদ্ধের নতুন কৌশল](https://sarakhon.com/news/181368/): যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক পদক্ষেপের জবাবে চীন যে নতুন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তা বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন এখন শুধু শুল্ক আরোপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রযুক্তি, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং নির্দিষ্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের অর্থনৈতিক কৌশল আরও শক্তিশালী করছে। এর ফলে বাণিজ্যিক বিরোধে চীনের হাতে থাকা বিকল্প ব্যবস্থার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ওয়েন্ডি কাটলারের মতে, চীনের সর্বশেষ পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে দেখায় যে দেশটি প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এখন অনেক বেশি প্রস্তুত এবং বহুমাত্রিক কৌশল - [চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ টহল ঘিরে জাপানের উদ্বেগ, কী বার্তা দিচ্ছে দুই দেশ?](https://sarakhon.com/news/181374/): জাপানকে ঘিরে চীন ও রাশিয়ার সাম্প্রতিক যৌথ নৌ টহল পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান শুধু একটি নিয়মিত মহড়া নয়, বরং দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক প্রভাব প্রদর্শনের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার থেকে সোমবারের মধ্যে চীনের তিনটি যুদ্ধজাহাজ কোরিয়া প্রণালি দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেছে। এর মধ্যে ছিল একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ, একটি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ধ্বংসকারী জাহাজ এবং একটি রসদবাহী সহায়ক জাহাজ। চীনা নৌবহরের গতিবিধি নজরে আসার পরই জাপানের সামুদ্রিক আত্মরক্ষা বাহিনী নিজেদের যুদ্ধজাহাজ ও টহল বিমান মোতায়েন করে। তারা পুরো পথজুড়ে নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের - [যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা আরও সহজ, দুই লাখ ডলার আয় পর্যন্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি মওকুফ](https://sarakhon.com/news/181371/): যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাইস বিশ্ববিদ্যালয় নতুন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও বেশি শিক্ষার্থীর জন্য বিনা টিউশনে পড়াশোনার সুযোগ চালু করেছে। আসন্ন শরৎকালীন সেমিস্টার থেকে যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় দুই লাখ ডলার পর্যন্ত, তাদের সন্তানদের আর টিউশন ফি দিতে হবে না। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি সারাক্ষণ রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় এক লাখ ডলার পর্যন্ত এবং যাদের সম্পদের পরিমাণ স্বাভাবিক, তাদের ক্ষেত্রে শুধু টিউশন ফিই নয়, আবাসন, খাবার ও অন্যান্য বাধ্যতামূলক ফিও বিশ্ববিদ্যালয় বহন করবে। বর্তমানে রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন, আবাসন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বছরে মোট ব্যয় প্রায় ৯৩ হাজার ডলার। সহায়তার পরিধি আরও বাড়ল - [টাকার আয়নায় অর্থনীতি: সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতার রাজনীতি](https://sarakhon.com/news/181365/): অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় আমরা প্রায়ই ধরে নিই যে সংখ্যাই সবচেয়ে নিরপেক্ষ সত্য। উৎপাদন, আয়, মূল্যস্ফীতি, জিডিপি, সুদের হার কিংবা সরকারি ঋণ—এসব সূচক যেন বাস্তবতার নির্ভুল প্রতিচ্ছবি। রাজনৈতিক বিতর্ক, মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা নিয়ে যতই মতভেদ থাকুক, সংখ্যার ভাষা নাকি পক্ষপাতহীন। কিন্তু এই বিশ্বাসের মধ্যেই একটি মৌলিক সমস্যা রয়েছে। অর্থনৈতিক পরিমাপ কখনও কেবল বাস্তবতাকে ধারণ করে না; বরং বাস্তবতাকে একটি নির্দিষ্ট রূপে নির্মাণও করে। টাকা কেবল লেনদেনের মাধ্যম নয়। এটি এমন এক সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যা অর্থনীতির পাশাপাশি ক্ষমতার সম্পর্ক, সম্পদের বণ্টন এবং সমাজের শ্রেণিকাঠামোকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তাই অর্থকে শুধুমাত্র বাজারের নিরপেক্ষ যন্ত্র হিসেবে দেখলে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মাত্রাটি অদৃশ্য হয়ে - [কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/181362/): কাবেরী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের দুই রাজ্য তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকের দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। তামিলনাড়ু সরকার অভিযোগ করেছে, কাবেরী পানি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (সিডব্লিউএমএ) নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্ণাটক নির্ধারিত পরিমাণ পানি ছাড়ছে না। তাই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে কর্ণাটককে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন করেছে রাজ্যটি। ১৫ দিনের জন্য পানি ছাড়ার নির্দেশ কার্যকরের দাবি তামিলনাড়ু সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, গত ৩০ জুলাই সিডব্লিউএমএ সিদ্ধান্ত দেয় যে কর্ণাটকের কাবিনি ও কৃষ্ণরাজ সাগর জলাধার থেকে টানা ১৫ দিন প্রতিদিন ৩ হাজার ৫০০ কিউসেক হারে পানি ছাড়া হবে। এই হিসাবে মোট ৪ দশমিক ৫৩৬ টিএমসি ফুট পানি ১২ আগস্টের মধ্যে তামিলনাড়ুর প্রাপ্য। কিন্তু তামিলনাড়ুর দাবি, - [খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে ট্রাক দিয়ে অবরোধের মামলা: সাবেক যুগ্মসচিব জাগলুল পাশার ৭ দিনের রিমান্ড](https://sarakhon.com/news/181358/): খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক যুগ্মসচিব সৈয়দ জাগলুল পাশাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম পুলিশের আবেদনের পর এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গ্রেপ্তার ও মামলার পটভূমি গত মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জাগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আবদুল লতিফ হল শাখা - [আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ভূমি অধিকার নিশ্চিতে ৯ দফা সুপারিশ, জাতীয় সেমিনারে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান](https://sarakhon.com/news/181355/): আদিবাসীদের জীবন, ভূমি অধিকার, সংস্কৃতির সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিতের দাবিতে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি অধিকারভিত্তিক সংস্থার উদ্যোগে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বক্তারা আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভূমি অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃভাষায় শিক্ষা, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং পার্বত্য শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সেমিনারের শিরোনাম ছিল ‘আদিবাসী জনগণ: জীবন, ভূমি অধিকার ও সংস্কৃতির সম্মান’। এতে জাতীয় সংসদের সদস্য আন্না মিনজ এমপি ও অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান। আলোচনায় অংশ - [ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় সংকট, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ নেমেছে এক-তৃতীয়াংশে](https://sarakhon.com/news/181351/): রাশিয়ার ধারাবাহিক ও তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে চাপে পড়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে ইউক্রেন যে পরিমাণ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পেয়েছে, তা ২০২৫ সালের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। এই ঘাটতির কারণে রাজধানী কিয়েভসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে রক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্রের সরবরাহ কমে যাওয়া কেবল সাময়িক সমস্যা নয়। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধজুড়েই এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এই সংকটের অন্যতম কারণ হলেও শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনকে আরও ছাড় দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যেও সরবরাহে বিলম্ব ঘটানো হতে পারে—এমন - [হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সমঝোতার ইঙ্গিত, তবে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি](https://sarakhon.com/news/181352/): মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন এক সম্ভাব্য সমঝোতার আলোচনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় এমন একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে, যার আওতায় উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর চলাচলের ওপর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক আঞ্চলিক সূত্র সতর্ক করে দিয়েছে, আলোচনা এগোলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে। কেন গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। উপসাগরীয় দেশগুলোর বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে। ফলে এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালনায় কোনো পরিবর্তন শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, - [চীনের কূটনীতিতে ইউক্রেন শান্তি](https://sarakhon.com/news/181336/): ইউক্রেন যুদ্ধ চতুর্থ বছরে প্রবেশ করার পর একটি বিষয় ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—শুধু সামরিক লড়াইয়ের মাধ্যমে এই সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা যেমন অচলাবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তেমনি একের পর এক কূটনৈতিক উদ্যোগও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আনতে ব্যর্থ হয়েছে। বিভিন্ন শান্তি উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সমর্থন পেলেও সেগুলো রাশিয়া, ইউক্রেন এবং বৃহত্তর বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য কোনো অভিন্ন ভিত্তি তৈরি করতে পারেনি। এই প্রেক্ষাপটে চীন এক ভিন্ন ধরনের কূটনৈতিক ধারণা সামনে এনেছে। বেইজিং কখনোই দাবি করেনি যে তারা একাই এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে। বরং তাদের বক্তব্য, এমন একটি শান্তি প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে হবে যেখানে শুধু রাশিয়া ও ইউক্রেন নয়, পশ্চিমা শক্তি এবং - [ট্রাম্পকে বহনকারী মেরিন ওয়ান ও যাত্রীবাহী বিমানের দূরত্ব নিয়ে তদন্ত, নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বস্ত হোয়াইট হাউস](https://sarakhon.com/news/181343/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ান ও একটি বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানের মধ্যে নির্ধারিত নিরাপদ দূরত্ব বজায় ছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তবে হোয়াইট হাউস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, পুরো ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনোই ঝুঁকির মুখে ছিলেন না। কী ঘটেছিল মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের আকাশে মেরিন ওয়ান ও একটি যাত্রীবাহী বিমানের মধ্যে দূরত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ ওঠে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আকাশপথ নিয়ন্ত্রণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগে অস্পষ্টতা তৈরি হওয়ার পর দুই উড়োজাহাজের মধ্যে নিরাপদ বিচ্ছিন্নতার নিয়ম ভঙ্গ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দর - [মার্কিন এফডিএর অনুমোদন: ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য আসছে মডার্নার প্রথম এমআরএনএ ফ্লু টিকা](https://sarakhon.com/news/181340/): যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) প্রথমবারের মতো এমআরএনএ প্রযুক্তিভিত্তিক ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লুর টিকার অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নতুন ধরনের ফ্লু টিকা বাজারে আসার পথ খুলে গেল। টিকাটি তৈরি করেছে বায়োটেক প্রতিষ্ঠান মডার্না, যা জানিয়েছে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নির্বাচিত খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে এটি পাওয়া যেতে পারে। এফডিএ ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের জন্য পূর্ণ অনুমোদন দিয়েছে। আর ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে দ্রুতগতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তবে শর্ত হিসেবে বাজারে আসার পর এই বয়সী জনগোষ্ঠীর ওপর অতিরিক্ত গবেষণা চালাতে হবে। নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনা বিশেষজ্ঞদের মতে, এমআরএনএ প্রযুক্তির বড় সুবিধা হলো এটি - [প্রোটিনের নীরব সংকট: মূল্যস্ফীতি ও দারিদ্র্যের চাপে ঝুঁকিতে বাংলাদেশের শিশুদের ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/181337/): বাংলাদেশে শিশু অপুষ্টি নিয়ে আলোচনা সাধারণত খর্বাকৃতি (স্টান্টিং), কম ওজন বা তীব্র অপুষ্টিকে কেন্দ্র করেই হয়। কিন্তু জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর আড়ালে আরও গভীর একটি সংকট দ্রুত বিস্তার লাভ করছে—প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ও মানসম্মত প্রোটিনের অভাব। গত দুই বছরে অস্বাভাবিক খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি, প্রকৃত আয় কমে যাওয়া এবং দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ায় এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুরা, যাদের খাদ্যতালিকা থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ও অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি), ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বিশ্বব্যাংক এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর গবেষণা ও বিশ্লেষণ বলছে, - [পুরান ঢাকার পপুলার ডায়াগনস্টিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান, সরকারি চিকিৎসকের নিবন্ধন বাতিলের নির্দেশ](https://sarakhon.com/news/181331/): পুরান ঢাকার ইংলিশ রোডে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আকস্মিক অভিযান চালিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অভিযানে সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। সরকারি দায়িত্বে থেকেও প্রাইভেট প্র্যাকটিস বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিচালিত এই অভিযানে দেখা যায়, নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মইনুল হাসান চিশতী সরকারি কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছিলেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার চিকিৎসক নিবন্ধন বাতিলের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে - [হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, এ বছর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৬০](https://sarakhon.com/news/181329/): দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে চলতি বছরে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন ছয়টি মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৬৪ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৬ জনে। নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে একই সময়ে দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৩৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ - [শিশুবান্ধব নগর পরিকল্পনার অভাবে বাড়ছে ঝুঁকি, হামের প্রাদুর্ভাবে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/181325/): দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব শিশুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ বসবাসের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা, নগর পরিকল্পনা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যেমন একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার, তেমনি তাদের নিরাপদ পরিবেশ, পরিকল্পিত আবাসন এবং স্বাস্থ্যসম্মত নগর ও গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শিশুবান্ধব নগর গঠনে পরিকল্পনার বিকল্প নেই বিআইপির মতে, শিশুদের জন্য বাসযোগ্য শহর ও গ্রাম গড়ে তুলতে সুষ্ঠু নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই। সংগঠনটি সাম্প্রতিক - [৫ আগস্টে দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ছিল ভারতের পরিকল্পিত উদ্যোগ: অভিযোগ রিজভীর](https://sarakhon.com/news/181323/): ভারতের নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পিত উদ্যোগের অংশ হিসেবেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে গ্লোবাল জার্নালিস্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিদেশে অবস্থান ও প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গ রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক এবং তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ একাধিক হত্যা ও দুর্নীতির মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালের - [২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: তফসিল ঘোষণা, মনোনয়ন জমা ১৩ আগস্ট](https://sarakhon.com/news/181318/): রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের অংশ হিসেবে এই তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন থেকে ভোটগ্রহণ: গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ আগস্ট। - [নিকারাগুয়ার গণতন্ত্রের শেষ অধ্যায়: ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনের মৃত্যুঘণ্টা](https://sarakhon.com/news/181316/): কোনো স্বৈরশাসক যখন আর বিরোধী দলকে নয়, এমনকি নিজের সাজানো নির্বাচনকেও ভয় পেতে শুরু করেন, তখন বোঝা যায় ক্ষমতার সংকট কেবল রাজনৈতিক নয়—অস্তিত্বগত। নিকারাগুয়ায় সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে। সেখানে এখন প্রশ্ন আর কে নির্বাচন জিতবে, তা নয়; বরং নির্বাচন আদৌ থাকবে কি না। স্যান্ডিনিস্তা বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকীতে প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগার বক্তব্য ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি কার্যত জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জনের পথ হিসেবে নির্বাচনকে আর বিবেচনা করা হবে না। পরে সরকারপক্ষ ভাষা কিছুটা নরম করার চেষ্টা করলেও মূল বার্তা বদলায়নি। নির্বাচনের কাঠামো এমনভাবে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে সরকার যাদের “বিশ্বাসঘাতক” বা “বিদেশি শক্তির দালাল” বলে আখ্যা দেবে, তারা নির্বাচনে - [রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু-শত্রু নেই: সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক ব্যবহার](https://sarakhon.com/news/181311/): মালয়েশিয়ার রাজনীতিকে বোঝার জন্য প্রচলিত ‘সরকার বনাম বিরোধী দল’ কিংবা ‘মিত্র বনাম প্রতিপক্ষ’—এই সরল বিভাজন এখন আর যথেষ্ট নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির রাজনৈতিক বাস্তবতা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে একই দল একদিকে ক্ষমতার অংশীদার, অন্যদিকে নির্বাচনী মাঠে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বী। আজকের সহযোগী আগামীকালের প্রতিপক্ষ, আবার নির্বাচন শেষে সেই প্রতিপক্ষই ফিরে আসে একই মন্ত্রিসভায়। এই পরিবর্তিত বাস্তবতাকে বোঝার জন্য ‘রাজনৈতিক বন্ধু-শত্রু’ ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ এমন সম্পর্ক, যেখানে দলগুলো আদর্শগত ঘনিষ্ঠতার কারণে নয়, বরং ক্ষমতার সমীকরণ, নির্বাচনী হিসাব এবং রাজনৈতিক প্রয়োজনের তাগিদে একে অপরের সঙ্গে হাত মেলায়। সেই প্রয়োজন শেষ হলেই জোটের জায়গা নেয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মালয়েশিয়ার বর্তমান জাতীয় রাজনীতিতে এই প্রবণতা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা - [তাই চি হাঁটা: ধীর পদক্ষেপে সুস্থ শরীর, শান্ত মন এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ জীবনের সহজ পথ](https://sarakhon.com/news/181307/): বর্তমান সময়ে ব্যস্ততা, মানসিক চাপ, দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন কিছুটা সময় হাঁটার অভ্যাস এই সমস্যাগুলোর অনেকটাই কমাতে পারে। তবে সাধারণ হাঁটার পাশাপাশি এমন একটি বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে, যা শরীরের পাশাপাশি মনকেও প্রশান্ত করতে সাহায্য করে। এই পদ্ধতির নাম তাই চি হাঁটা। তাই চি হাঁটা শুধু একটি ব্যায়াম নয়, এটি সচেতনভাবে হাঁটার একটি কৌশল। প্রতিটি পদক্ষেপ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের ভারসাম্যের প্রতি মনোযোগ রেখে ধীরে ধীরে হাঁটাই এর মূল বৈশিষ্ট্য। এতে শরীর ও মনের মধ্যে একটি সুন্দর সমন্বয় তৈরি হয়, যা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে - [সিন্ধু পানি চুক্তি: তথ্যের বদলে প্রচারণা কি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথ?](https://sarakhon.com/news/181299/): কাশ্মীরের পাহেলগামে ২০২৫ সালের সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত চুক্তির কার্যকারিতা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। এরপর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মঞ্চে পাকিস্তান বিষয়টিকে এমনভাবে উপস্থাপন করতে শুরু করে, যেন নদীর পানি প্রবাহকে রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করা হয়েছে। কিন্তু এই বিতর্কের মূল্যায়নে আবেগের চেয়ে ইতিহাস, প্রকৌশলগত বাস্তবতা এবং পানি ব্যবস্থাপনার তথ্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিভাজনের উত্তরাধিকার দেশভাগের পর অবিভক্ত পাঞ্জাবের সেচব্যবস্থা দুই দেশে ভাগ হয়ে যায়। বহু কার্যকর অবকাঠামো পাকিস্তানের অংশে থেকে গেলেও ভারতের পূর্ব পাঞ্জাবকে নতুন বাস্তবতায় নিজস্ব কৃষি ও সেচব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়। ১৯৪৭ সালের শেষ দিকে উভয় পক্ষ একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতায় পৌঁছালেও পরবর্তী চুক্তি নিয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় ১৯৪৮ সালের এপ্রিলে ভারত নিজের - [ঝাড়খণ্ডে পরীক্ষা ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের পদত্যাগ দাবি, ১০ আগস্ট বিধানসভা ঘেরাওয়ের ঘোষণা](https://sarakhon.com/news/181295/): ঝাড়খণ্ডে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। রাজ্য লোকসেবা কমিশন (জেপিএসসি) এবং জেএসএসসি সিজিএল নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের পদত্যাগ দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ১০ আগস্ট ঝাড়খণ্ড বিধানসভা ঘেরাও কর্মসূচি নির্ধারিত সময়েই পালন করা হবে। রাঁচিতে চলমান বিক্ষোভ ও অনশন কর্মসূচির মধ্যে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার তাদের দাবির বিষয়ে কার্যকর ও ইতিবাচক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। যদিও সরকার আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে, আন্দোলনকারীরা বলছেন, শুধু আশ্বাস নয়, তারা দৃশ্যমান ব্যবস্থা চান। পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জেপিএসসি নিয়োগ-সংক্রান্ত বিরোধ - [ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় সংকট, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ নেমেছে এক-তৃতীয়াংশে](https://sarakhon.com/news/181292/): রাশিয়ার ধারাবাহিক ও তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে চাপে পড়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে ইউক্রেন যে পরিমাণ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পেয়েছে, তা ২০২৫ সালের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। এই ঘাটতির কারণে রাজধানী কিয়েভসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে রক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্রের সরবরাহ কমে যাওয়া কেবল সাময়িক সমস্যা নয়। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধজুড়েই এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এই সংকটের অন্যতম কারণ হলেও শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনকে আরও ছাড় দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যেও সরবরাহে বিলম্ব ঘটানো হতে পারে—এমন - [এলপিপির ৭০ কোটি ডলারের অর্ডার অনিশ্চয়তায়: বাংলাদেশের পোশাকশিল্প কি শুধু একটি ক্রেতা হারানোর ঝুঁকিতে, নাকি আস্থার সংকটের মুখে?](https://sarakhon.com/news/181290/): বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সংকট নতুন নয়। কিন্তু কখনও কখনও একটি ঘটনাই পুরো শিল্পের জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়ে ওঠে। পোল্যান্ডভিত্তিক ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ফ্যাশন রিটেইলার এলপিপি (LPP S.A.) বাংলাদেশে নতুন ক্রয়াদেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি কেবল ৭০ কোটি ডলারের সম্ভাব্য ব্যবসা ঝুলে যাওয়ার বিষয় নয়; এটি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ, আইনি পূর্বানুমানযোগ্যতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্নও তুলেছে। বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল পোশাকশিল্পে ক্রেতারা এখন শুধু কম দামের উৎপাদক খোঁজেন না। তারা খোঁজেন এমন একটি দেশ, যেখানে ব্যবসা হবে নিরবচ্ছিন্ন, চুক্তি হবে নিরাপদ এবং আইনি ঝুঁকি থাকবে নিয়ন্ত্রণে। এলপিপিকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই আস্থাকেই পরীক্ষার মুখে - [জুলাইয়ে সড়কে ঝরল ৪১৬ প্রাণ, মোট দুর্ঘটনা ৪৫৮; সবচেয়ে ঝুঁকিতে মোটরসাইকেল আরোহী ও পথচারী](https://sarakhon.com/news/181286/): বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। জুলাই মাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে ৪৫৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন নিহত এবং ৬২৯ জন আহত হয়েছেন। বেপরোয়া গাড়ি চালানো, অনিরাপদ সড়কব্যবস্থা এবং ট্রাফিক আইন কার্যকরে দুর্বলতাকে এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির প্রতিবেদনে জাতীয় দৈনিক, জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং তাদের নিজস্ব তথ্যভান্ডারের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। মানবিক ক্ষয়ক্ষতি উদ্বেগজনক জুলাই মাসে নিহতদের মধ্যে ৫৭ জন নারী এবং ৪৮ জন শিশু ছিলেন। এই পরিসংখ্যান দেখায়, সড়ক দুর্ঘটনা শুধু যাত্রী বা চালকদের নয়, পরিবারের বিভিন্ন সদস্যকেও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোটরসাইকেল - [সোনার দামে এক লাফে ভরিতে ৯,৮৫৬ টাকা বৃদ্ধি, ২২ ক্যারেট এখন ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা](https://sarakhon.com/news/181284/): দেশের বাজারে আবারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন মূল্য নির্ধারণ করে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা করেছে। ভ্যাটসহ এই নতুন দাম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এ দামে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সোনা বিক্রি হবে। দাম বাড়ার কারণ বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশীয় বাজারে বিশুদ্ধ সোনার মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবেই বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অলংকারের নকশা ও ধরন - [হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-ওমান সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে, অপেক্ষা শুধু সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদনের](https://sarakhon.com/news/181281/): ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নতুন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। দুই দেশ প্রণালির মধ্য দিয়ে চলাচলের রুটের ভৌগোলিক সমন্বয় চূড়ান্ত করেছে এবং যৌথ ঘোষণাপত্রের খসড়া এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে সমঝোতা কার্যকর হওয়ার আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে আলোচকরা। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়া যেন কোনো “তৃতীয় পক্ষের” হস্তক্ষেপ ছাড়াই এগোতে পারে, সে বিষয়েও তেহরান গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির ঘোষণা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আসতে পারে। যদিও অতীতেও তাঁর এমন কয়েকটি কূটনৈতিক অগ্রগতির দাবি বাস্তবে রূপ নেয়নি। হরমুজ - [মাগুরায় সাকিব আল হাসানের পৈতৃক বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আগুন দেওয়ার চেষ্টা](https://sarakhon.com/news/181278/): বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের মাগুরার পৈতৃক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং আগুন দেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ৯টার দিকে মাগুরা শহরের কেশবমোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হামলার এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে প্রাথমিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুলিশ সেখান থেকে সরে যায়। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। হামলার বর্ণনা স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন যুবক রাতের দিকে সাকিব আল হাসানের বাড়ির সামনে এসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ - [ভারতে শেখ হাসিনার সংবাদমাধ্যমে বক্তব্যে ক্ষোভ ঢাকার, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/181272/): ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই আয়োজন বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রযাত্রার জন্যও ক্ষতিকর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরনের আয়োজনের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আগেই ভারত সরকারকে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষ যখন জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, ঠিক সেই দিন ভারতীয় ভূখণ্ডে শেখ হাসিনার এই গণমাধ্যমে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই অভ্যুত্থানের - [প্রাণীর ওপর পরীক্ষা বন্ধে আমেরিকার দুই দল একজোট, কিন্তু মানুষের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নামছে কি বড় ঝুঁকি?](https://sarakhon.com/news/181988/): যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এমন দৃশ্য খুব বেশি দেখা যায় না। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—দুই শিবির সাধারণত একে অপরের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে। বিজ্ঞান, স্বাস্থ্যনীতি, পরিবেশ কিংবা সরকারি নীতির বহু প্রশ্নে তাদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা যায়। অথচ প্রাণীর ওপর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিরোধিতার প্রশ্নে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের রাজনীতিকদের মধ্যে অস্বাভাবিক এক ধরনের ঐক্য তৈরি হয়েছে। দূর থেকে দেখলে বিষয়টি নিঃসন্দেহে মানবিক মনে হতে পারে। একটি প্রাণীকে পরীক্ষাগারে আটকে রেখে তার ওপর ওষুধ, টিকা কিংবা চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা—এই দৃশ্য স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি তৈরি করে। প্রাণীরও জীবন আছে, অনুভূতি আছে, ব্যথা আছে। ফলে তাদের সুরক্ষার দাবি কেন উঠবে না, সেটিও সহজেই বোঝা যায়। কিন্তু সমস্যাটি - [মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে বাংলাদেশের এইচপি দলের বড় জয়](https://sarakhon.com/news/181975/): মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮৯ রানের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। নিজেদের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই দারুণ বোলিংয়ে সফরকারীদের ৬৯ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৮ টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল। শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি দলের টপ অর্ডারের। তবে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও অধিনায়ক এস এম মেহরাবের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। দুজনের ৫২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি দলকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহের ভিত্তি এনে দেয়। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। প্রথম বলেই উইকেট, এরপর মালয়েশিয়ার ধস ১৫৯ রানের লক্ষ্য - [হাঙ্গুতে সেনা অভিযানে ক্যাপ্টেন শহীদ, নিহত ৭ ‘সন্ত্রাসী’](https://sarakhon.com/news/181981/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে এক সেনা কর্মকর্তা শহীদ হয়েছেন। এ সময় সাতজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। শুক্রবার হাঙ্গুতে এ অভিযান চালানো হয়। শনিবার এক বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, এলাকায় নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্যদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করে। পাকিস্তান সরকার টিটিপি সদস্যদের ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ নামে অভিহিত করে। মসজিদে আশ্রয়, বন্দুকযুদ্ধে ৭ নিহত আইএসপিআরের বিবৃতি অনুযায়ী, অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করে। একপর্যায়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী একটি মসজিদের ভেতরে আশ্রয় নেয়। পরে সেখানে গোলাগুলিতে সাতজন নিহত হয়। নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র ও - [আশুলিয়ায় ছুটির মধ্যেই ৫৬৫ শ্রমিক ছাঁটাই, কার্যাদেশ ও গ্যাস সংকটে উৎপাদন ব্যাহত](https://sarakhon.com/news/181978/): ব্যবসায়িক মন্দা, পর্যাপ্ত কার্যাদেশের অভাব, ব্যাংকিং ও আর্থিক সহযোগিতা না পাওয়া এবং গ্যাস সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সাভারের আশুলিয়ায় একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার ৫৬৫ শ্রমিককে ছাঁটাই করেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটির মধ্যে মোবাইল ফোনে ছাঁটাইয়ের খবর পেয়ে চাকরি হারানোর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শ্রমিকদের অনেকে। শুক্রবার সকালে আশুলিয়ার পুকুরপাড় এলাকায় অবস্থিত অ্যালায়েন্স নিট কম্পোজিট লিমিটেডের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগ থেকে জারি করা নোটিশে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের বিষয়টি জানানো হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারখানার বর্তমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতি ও উৎপাদন সংকটের কারণে অতিরিক্ত শ্রমিক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়িক মন্দায় উৎপাদন ব্যাহত কারখানা কর্তৃপক্ষের নোটিশে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কারণে প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যবসায়িক মন্দা দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে - [শিলাইদহ কুঠিবাড়ি পানিতে ডুবে, দর্শনার্থীদের ক্ষোভ: স্থায়ী নিষ্কাশন ব্যবস্থার দাবি](https://sarakhon.com/news/181972/): কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ঐতিহাসিক শিলাইদহ কুঠিবাড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার প্রধান প্রবেশপথ, উন্মুক্ত মঞ্চ, ম্যুরাল, জাদুঘরের আঙিনা এবং ফুল-ফল বাগানেও পানি জমেছে। এতে দর্শনার্থীদের স্বাভাবিকভাবে ঘোরাফেরা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থাপনা ও উদ্ভিদসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পদ্মা নদীর প্রায় ৮০০ মিটার পশ্চিমে অবস্থিত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যসৃষ্টির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানেই তিনি বহু কবিতা, গান, নাটক ও ছোটগল্প রচনা করেন। তাঁর নোবেল পুরস্কারজয়ী ‘গীতাঞ্জলি’ সংকলনের বেশ কিছু রচনাও এই কুঠিবাড়িতে লেখা। দেশ-বিদেশের হাজারো দর্শনার্থী প্রতিদিন এই ঐতিহাসিক স্থানটি দেখতে আসেন। পানিতে ডুবে প্রধান প্রবেশপথ ও উন্মুক্ত মঞ্চ সাম্প্রতিক - [নড়াইলে টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় নষ্ট আউশ ধান, কৃষকের ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা](https://sarakhon.com/news/181951/): টানা বৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় নড়াইলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে জেলার নিচু জমিগুলো দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকায় শত শত কৃষক বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কৃষকদের আশঙ্কা, ক্ষতির পরিমাণ শেষ পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে। বুকসমান পানিতে তলিয়ে গেছে ধানক্ষেত লোহাগড়া উপজেলার আমদার, আঁধারকোটা ও কুচিয়াবাড়ি বিলসহ কয়েকটি নিচু এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ কৃষিজমি বুকসমান পানিতে ডুবে আছে। যেখানে পাকার কথা আউশ ধান, সেখানে এখন শাপলা ও বিভিন্ন জলজ আগাছায় ভরে গেছে জমি। পানিতে হাঁটছে হাঁসের দল। কৃষকেরা জানান, এসব নিচু জমিতে পানি সহনশীল স্থানীয় জাত ‘রাতুল আউশ’ ভালো ফলন দেয়। পানির উচ্চতা - [সাঘাটায় ছুরিকাঘাতে আহত জামায়াতকর্মীর ৪৮ দিন পর ঢাকার হাসপাতালে মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/181963/): গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সালাউদ্দিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। হামলার ৪৮ দিন পর শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন। সালাউদ্দিনের মৃত্যু নিহত সালাউদ্দিন সাঘাটার বোনারপাড়ার বাসিন্দা ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। পুলিশ ও দলীয় সূত্র জানিয়েছে, শনিবার সকালে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বাবা শামসুজ্জামান দুদু এবং গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রোকনুজ্জামান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২১ জুন সাঘাটা উপজেলা পরিষদ এলাকায় ছুরিকাঘাতের ওই ঘটনা ঘটে। হামলায় সালাউদ্দিনের গলা, হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। - [দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর, ‘সরকারের অনুমতি ছাড়া আন্তর্জাতিক আয়োজন কীভাবে?’](https://sarakhon.com/news/181960/): দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর প্রশ্ন, ভারত সরকার যদি ওই আয়োজনের সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত না-ই থাকে, তাহলে দিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন কীভাবে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ পেল? শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দিল্লির আয়োজন নিয়ে রিজভীর প্রশ্ন রিজভী বলেন, সম্প্রতি দিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের আয়োজনে এমন একজনকে বক্তব্য দেওয়ার - [সুদানের ভুলে যাওয়া যুদ্ধ: শান্তির জন্য এটাই কি শেষ সুযোগ?](https://sarakhon.com/news/181957/): সুদানে যুদ্ধ চলছে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে। সময়ের সঙ্গে যুদ্ধটি যেন শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ সংঘাত থাকেনি; এটি পরিণত হয়েছে আফ্রিকার সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটিতে। রাজধানী খার্তুম আজ সেই ধ্বংসের সবচেয়ে নির্মম প্রতীক। যে শহর একসময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষের ব্যস্ত জীবন, ব্যবসা, স্বপ্ন আর সম্ভাবনায় মুখর ছিল, যুদ্ধের আগুনে সেই শহরের বড় অংশ এখন নীরব ধ্বংসস্তূপ। সরকারি ভবনের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে পোড়া কঙ্কাল। একসময়কার বিলাসবহুল হোটেল ও আধুনিক বাড়িগুলো এখন ধ্বংসের স্মৃতি। যুদ্ধের আগুনে ঝলসে যাওয়া রাস্তায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নেই। কোথাও কোথাও অস্থায়ী গণকবর থেকে বেরিয়ে এসেছে মানুষের মাথার খুলি। অথচ এই ভয়াবহতার মধ্যেও হত্যাকাণ্ড থামেনি। সুদানের - [হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের চাপ, উপসাগরীয় দেশগুলোর সামনে কঠিন সমঝোতার পথ](https://sarakhon.com/news/181954/): পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা যখনই কোনো অগ্রগতিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছে, তখনই আবার সংঘাত বাড়ছে। আর সামরিক হামলা অচলাবস্থা ভাঙতে না পারলে দুই পক্ষ আবার আলোচনার টেবিলে ফিরছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে চুক্তির কথা বলছেন, অন্যদিকে ইরানকে কঠোর সামরিক হামলার হুমকিও দিচ্ছেন। হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে নারাজ ইরান ইরান এখনো হরমুজ প্রণালির ওপর প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অবস্থানে রয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, শুধু সামরিক চাপ প্রয়োগ করে তেহরানকে এই অবস্থান থেকে সরানো কঠিন। - [রোবট ভ্যাকুয়াম থেকে মহাকাশ—চীনের প্রযুক্তি নিয়ে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, এগিয়ে যাচ্ছে স্পেসএক্স](https://sarakhon.com/news/181950/): একটি সাধারণ রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনারও এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার আলোচনায় উঠে এসেছে। ঘর পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত এই যন্ত্রে থাকা উন্নত সেন্সর, চারপাশের তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা এবং চীনে তৈরি হওয়ার কারণে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বাড়ছে। একই সময়ে দুর্বল ইয়েন জাপানের মহাকাশযান নির্মাতাদের নতুন সুযোগ তৈরি করছে, চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আবার বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ফিরছে এবং চীনের তৈরি স্মৃতি চিপ ঢুকতে শুরু করেছে বিশ্বের বড় কম্পিউটার নির্মাতাদের পণ্যে। এশিয়ার প্রযুক্তি খাতে একই সময়ে তৈরি হচ্ছে প্রতিযোগিতা, নিরাপত্তা উদ্বেগ ও নতুন বিনিয়োগের এক জটিল সমীকরণ। রোবট ভ্যাকুয়ামও এখন জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় যুক্তরাষ্ট্রে রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ গৃহস্থালি পণ্য হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির - [ট্রাম্পের পথে কাঁটা রিপাবলিকান সিনেটররা, বদলে যাচ্ছে মার্কিন রাজনীতির সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/181941/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনে রিপাবলিকান দল মোটের ওপর তাঁর প্রতি অনুগত থাকলেও সিনেটের একটি ছোট অংশের আইনপ্রণেতা ক্রমেই তাঁর সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর ট্রাম্পের বিতর্কিত উদ্যোগে বাধা দেওয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই বিরোধ আরও তীব্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমান কয়েকজন ট্রাম্পবিরোধী বা তুলনামূলকভাবে স্বাধীনচেতা রিপাবলিকান সিনেটর শিগগিরই বিদায় নিতে পারেন। তাঁদের জায়গায় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ও তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী নতুন আইনপ্রণেতারা এলে সিনেটে প্রেসিডেন্টের প্রভাব আরও বাড়তে পারে। ট্রাম্পের পছন্দের অর্থ তহবিলে সিনেটের বাধা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য - [এআইয়ের সোনালি ঢেউয়ে বদলে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া, চিপ কর্মীদের হাতে লাখ লাখ ডলারের বোনাস](https://sarakhon.com/news/181942/): দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি ও সমাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান এমন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে, যার প্রভাব শুধু প্রযুক্তি শিল্পে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এআই-নির্ভর বিশ্বে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর অন্যতম জোগানদাতা দেশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার বড় চিপ নির্মাতারা বিপুল মুনাফা করছে। আর সেই মুনাফার একটি অংশ পৌঁছে যাচ্ছে কর্মীদের হাতেও। ফলে তৈরি হচ্ছে নতুন ধরনের ধনী কর্মজীবী শ্রেণি, বদলে যাচ্ছে সামাজিক মর্যাদার পুরোনো হিসাব-নিকাশও। একটি দক্ষিণ কোরীয় হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠানের সাম্প্রতিক কৌতুকে এই পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে অগোছালো পোশাকের এক ব্যক্তি দামি দোকানে ঢুকলে কর্মীরা তাকে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু তিনি গায়ের জ্যাকেট খুলে দেখান, ভেতরে একটি বড় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের - [যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্বে ফিলিপাইনের বিপজ্জনক পক্ষপাত: জাতীয় স্বার্থ কোথায়?](https://sarakhon.com/news/181931/): পররাষ্ট্রনীতিতে সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো কোনো শক্তিধর দেশের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং অন্য একটি দেশের প্রতি স্থায়ী বিরাগকে রাষ্ট্রীয় কৌশলের ভিত্তি বানিয়ে ফেলা। এতে একটি দেশ ধীরে ধীরে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা হারায়। ফিলিপাইনের বর্তমান পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতি সেই ঝুঁকির দিকেই এগোচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন প্রায় আড়াই শতাব্দী আগে যে সতর্কতা উচ্চারণ করেছিলেন, তার মূল বক্তব্য ছিল অত্যন্ত সরল—একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি অন্য কোনো দেশের প্রতি আবেগ, আনুগত্য কিংবা বিদ্বেষ দিয়ে পরিচালিত হওয়া উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থই হওয়া উচিত তার প্রধান মাপকাঠি। ফিলিপাইনের বর্তমান অবস্থানকে সেই আলোকে দেখলে প্রশ্ন ওঠে, দেশটি কি নিজের কৌশলগত স্বাধীনতা ধরে রাখছে, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের - [আয়কর তুলে দিতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান রাজ্যগুলো, বাড়ছে করনীতির বিভাজন](https://sarakhon.com/news/181934/): যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে করনীতি নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। ডেমোক্র্যাট-শাসিত রাজ্যগুলো যখন ধনী ও উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর কর বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে, তখন রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলোর একটি বড় অংশ ব্যক্তিগত আয়কর কমানো কিংবা পুরোপুরি তুলে দেওয়ার পথে হাঁটছে। এর ফলে দেশটির অঙ্গরাজ্যগুলোর করব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্যও দ্রুত বাড়ছে। টেনেসির নক্স কাউন্টির রিপাবলিকান মেয়র গ্লেন জ্যাকবসের অভিজ্ঞতা এই পরিবর্তনের একটি প্রতীকী উদাহরণ। পেশাদার কুস্তির জগতে তিনি ‘কেন’ নামে পরিচিত ছিলেন এবং কর্মজীবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে কাজ করেছেন। বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করার কারণে একসময় তার আয়কর সংক্রান্ত কাগজপত্রের স্তূপ এত বড় হয়ে যেত যে তিনি সেটিকে প্রায় এক ফুট উঁচু বলে বর্ণনা করেছেন। - [ইয়ামাতো: জাপানের যুদ্ধস্মৃতি, প্রযুক্তির গর্ব এবং ফিরে আসা সামরিক শক্তির ছায়া](https://sarakhon.com/news/181913/): জাপানের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এমন এক অধ্যায়, যার সঙ্গে দেশটির বর্তমান পরিচয়ও অদ্ভুতভাবে জড়িয়ে আছে। একদিকে হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ জাপানকে যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছে, অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদী জাপানের সামরিক শক্তি, প্রযুক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও পরাজয়ের স্মৃতি এখনো দেশটির সাংস্কৃতিক কল্পনায় সক্রিয়। এই দ্বন্দ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতীকগুলোর একটি হলো ইয়ামাতো—ইম্পেরিয়াল জাপানিজ নেভির সেই যুদ্ধজাহাজ, যাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে এর জীবন ছিল সংক্ষিপ্ত। কিন্তু জাপানি সমাজে এর সাংস্কৃতিক জীবন আট দশক ধরে বিস্তৃত। কুরে শহরের ইয়ামাতো মিউজিয়াম এই দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা। হিরোশিমার যুদ্ধ ও শান্তির স্মৃতিচর্চার পাশে দাঁড়িয়ে কুরে যেন - [পুঁজির নতুন পর্দা: অর্থনীতি যখন ভূরাজনীতির অস্ত্র](https://sarakhon.com/news/181735/): বিশ্ব অর্থনীতিতে পুঁজি একসময় ছিল সীমান্ত অতিক্রমকারী শক্তি। যেখানে বেশি মুনাফার সম্ভাবনা, সেখানেই বিনিয়োগ—এটাই ছিল বৈশ্বিক পুঁজির স্বাভাবিক যুক্তি। রাজনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হলেও ব্যবসা চলত, বিনিয়োগের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত না। কিন্তু সেই যুগ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন পুঁজি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জ্বালানি নয়; এটি হয়ে উঠছে রাষ্ট্রের কৌশলগত ক্ষমতার অংশ। কে অর্থ দেবে, কার অর্থ গ্রহণ করা যাবে, কোন কোম্পানি বিনিয়োগ পাবে এবং সেই অর্থের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক শর্ত যুক্ত থাকবে—এসব প্রশ্ন ক্রমেই নির্ধারিত হচ্ছে ভূরাজনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে। ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন এক বিভাজন তৈরি হচ্ছে। পুঁজির প্রবাহ আর আগের মতো মুক্ত নয়। বরং অর্থ, প্রযুক্তি, তথ্য এবং মানবসম্পদের - [লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই, মৃত্যুকালে বয়স ৬৮](https://sarakhon.com/news/181928/): আর্জেন্টাইন ফুটবল সুপারস্টার লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। একাধিক আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে গোলডটকম তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছিলেন হোর্হে মেসি। ছেলের ফুটবল ক্যারিয়ারে তার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। লিওনেল মেসির পেশাদার জীবনের শুরু থেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তিনি ছিলেন পরিবারের পাশাপাশি ছেলের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। মেসির আবেগঘন মুহূর্তের নেপথ্যে বাবার অসুস্থতা গত জুনে বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করার পর মেসিকে আবেগাপ্লুত দেখা যায়। ম্যাচের পর নিজের আবেগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, কান্নার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক ছিল না এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি দিন - [ভারতের বর্ষা বদলে যাচ্ছে—বৃষ্টি এখন আর আগের মতো নির্ভরযোগ্য নয়](https://sarakhon.com/news/181922/): ভারতের বর্ষা একসময় ছিল প্রায় ঘড়ির কাঁটার মতো নির্ভরযোগ্য। জুনের শুরুতে বৃষ্টি নামত, কয়েক মাস ধরে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মোটামুটি নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, আর সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধীরে ধীরে বর্ষা বিদায় নিত। কৃষক, ব্যবসায়ী, নগরবাসী—সবাই এই ছন্দের ওপর নিজেদের জীবন ও অর্থনীতির পরিকল্পনা করত। কিন্তু সেই পরিচিত ছন্দ এখন ভেঙে যাচ্ছে। ভারতের বর্ষা ক্রমেই হয়ে উঠছে অনিয়মিত, খামখেয়ালি এবং চরম বৈপরীত্যপূর্ণ। প্রায় দেড়শ বছর ধরে ভারত বর্ষার বৃষ্টিপাতের তথ্য সংগ্রহ করছে। দীর্ঘ সময়ের সেই পরিসংখ্যান বলছে, বর্ষার মৌসুমে মোট বৃষ্টির পরিমাণের চেয়ে এখন বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে কখন, কোথায় এবং কীভাবে সেই বৃষ্টি নামছে। এক মাসের বৃষ্টি কয়েক দিনেই মুম্বাইয়ের কথাই ধরা - [বাংলাদেশের আনারস যাবে পাকিস্তানে, খুলছে কৃষিপণ্য রফতানির নতুন দুয়ার](https://sarakhon.com/news/181919/): বাংলাদেশ থেকে তাজা আনারস আমদানির অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এর ফলে দেশটিতে বাংলাদেশের আনারস রফতানির নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে অন্যান্য কৃষিপণ্য ও ফলের আমদানি-রফতানি বাড়ার পথও আরও সুগম হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন। পাকিস্তানে বাংলাদেশের আনারসের চাহিদা রয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর ধারাবাহিক যোগাযোগের পর দেশটির বাজারে বাংলাদেশের আনারস প্রবেশের অনুমতি মিলেছে। পাকিস্তানে আনারস রফতানির অনুমতি শুক্রবার ৭ আগস্ট প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশ থেকে তাজা আনারস আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের উৎপাদক ও রফতানিকারকদের জন্য পাকিস্তানের বাজারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে - [দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ৮৬৭](https://sarakhon.com/news/181916/): দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম-সংক্রান্ত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬৭ জনে। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য থেকে এ হিসাব জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন করে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজনের মৃত্যুর কারণ হাম হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে। বাকি দুজনকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৯৮ নতুন মৃত্যুর ফলে দেশে চলতি বছরে হামজনিত নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৮ জন। আর সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬৯ জনে। সব মিলিয়ে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৮৬৭। - [২ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর লিজের জমি দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে](https://sarakhon.com/news/181872/): বরিশালের গৌরনদীতে দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ফল ব্যবসায়ী জালাল রাঢ়ীর লিজ নেওয়া জমি দখল করে বাঁশের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর স্ত্রী সীমা বেগম গৌরনদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে মাহিলাড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সজল সরকার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাফর ইকবাল এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বায়েজিদ সরদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সীমা বেগমের অভিযোগ, ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদেরও জানানো হয়েছে। তিনি লিজ নেওয়া জায়গাটি ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন। ১৫ বছর ধরে লিজের জমিতে ব্যবসা অভিযোগে বলা - [আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দাফন হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ](https://sarakhon.com/news/181904/): আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা রাজনৈতিকভাবে দাফন হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তার দায় ভারত এড়িয়ে যেতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ৮ আগস্ট শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল ও ইউট্যাব যৌথভাবে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। শেখ হাসিনার বিচার নিয়ে বক্তব্য - [বিদেশে পড়ার আগ্রহ হারাচ্ছেন চীনের তরুণরা, পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরছেন রেকর্ডসংখ্যক শিক্ষার্থী](https://sarakhon.com/news/181901/): একসময় চীনের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের কাছে সন্তানকে বিদেশে পড়তে পাঠানো ছিল বড় স্বপ্ন। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি মানেই ছিল ভালো চাকরি, সামাজিক মর্যাদা এবং উন্নত ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। সন্তান বিশ্বের নানা দেশ দেখবে, নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করবে এবং দেশে ফিরে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে থাকবে—এমন প্রত্যাশাই ছিল অভিভাবকদের। কিন্তু সেই মানসিকতায় এখন বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। চীনের তরুণদের একটি বড় অংশ বিদেশে উচ্চশিক্ষার বদলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করতে চাইছে। যারা বিদেশে যাচ্ছে, তাদেরও বিপুলসংখ্যক পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে আসছে। বিদেশে পড়াশোনা নিয়ে পরামর্শ দেওয়া বেইজিংয়ের পরামর্শক ইয়াং ফানের অভিজ্ঞতায় গত দেড় দশকে এই পরিবর্তন খুব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১৫ বছর আগে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধাক্কার আগে কি আমেরিকার কর্মীদের নতুন দক্ষতা শেখানো সম্ভব?](https://sarakhon.com/news/181900/): কিম্বারলি ব্র্যাডির সামনে তখন আর তেমন কোনো পথ খোলা ছিল না। ৫৩ বছর বয়সী এই মার্কিন নারী মনোবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু সেই শিক্ষাগত যোগ্যতা তাকে ভালো চাকরি এনে দিতে পারেনি। ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বড় খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিকস ও গয়না বিক্রির তুলনামূলক কম বেতনের চাকরিতে আটকে ছিলেন তিনি। গ্রাহকসেবা ও বিক্রয় খাতে নতুন চাকরির জন্য প্রায় ৬২০টি আবেদন করেছিলেন ব্র্যাডি। কিন্তু একটির পর একটি আবেদন ব্যর্থ হয়। এর মধ্যেই তিনি বুঝতে পারেন, যে ধরনের কাজের জন্য আবেদন করছেন, সেসব কাজও দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে বদলে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের পেশা বদলের সিদ্ধান্ত নেন। প্রতিষ্ঠানের চক্ষু-পরিষেবা বিভাগে কাজ পাওয়ার আশায় নিজেই নতুন - [কুসংস্কারে আটকে অর্থনীতি, ‘অশুভ’ দিক এড়িয়ে চলেন চীনের মেয়ররা](https://sarakhon.com/news/181893/): চীনের প্রাচীন স্থাপত্য ও ভূপ্রকৃতিবিষয়ক বিশ্বাস ‘ফেং শুই’ শুধু মানুষের ঘরবাড়ি সাজানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। দেশটির অনেক সরকারি কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণেও এর প্রভাব পড়ছে। আর সেই বিশ্বাসের কারণে কোনো কোনো এলাকায় সরকারি বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তা কমে গিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চীনে ফেং শুইকে ঘিরে বিশ্বাসের প্রচলন বহু পুরোনো। ধারণাটি মূলত বাতাস ও পানির সঙ্গে মানুষের চারপাশের পরিবেশের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি। বিশ্বাস করা হয়, বাড়ি, ভবন, কক্ষ কিংবা আশপাশের বিভিন্ন বস্তু কীভাবে সাজানো হয়েছে, তার ওপর মানুষের ভাগ্য ও জীবনের ভালো-মন্দ নির্ভর করতে পারে। যেমন, ফেং শুই অনুসারে বিছানার দিকে আয়না রাখা উচিত নয়। কারণ আয়নায় অশুভ শক্তি প্রতিফলিত হয়ে - [চীনের শিল্পবিস্তার কি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য আশীর্বাদ, নাকি ‘অতিরিক্ত উৎপাদনের’ সংকট?](https://sarakhon.com/news/181890/): চীন এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎপাদনশক্তিগুলোর একটি। সস্তা পণ্য, দ্রুত উৎপাদন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং ব্যাপক শিল্প অবকাঠামোর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনা পণ্যের আধিপত্য ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু এই সাফল্যের আড়ালে একটি বড় প্রশ্নও সামনে এসেছে—চীন কি নিজের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় এত বেশি পণ্য উৎপাদন করছে যে তার বাড়তি উৎপাদন বিশ্ববাজারে চাপ তৈরি করছে? চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অবশ্য ‘অতিরিক্ত উৎপাদন’ নিয়ে বিদেশি সমালোচনাকে সহজে মেনে নিতে নারাজ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক দীর্ঘ প্রতিবেদনে তারা দাবি করেছে, চীনের উৎপাদন সক্ষমতাকে অতিরিক্ত বলে চিহ্নিত করা বাস্তবতার পুরো চিত্র তুলে ধরে না। বরং চীনের শিল্পসাফল্যের পেছনে রয়েছে উদ্ভাবন, তীব্র প্রতিযোগিতা, দক্ষ সরবরাহব্যবস্থা এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর সক্ষমতা। - [ইয়েমেনে ফের সর্বাত্মক গৃহযুদ্ধের শঙ্কা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/181886/): ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর নতুন করে তীব্র লড়াই দেশটিকে আবারও পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। শনিবার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, কয়েক দিন ধরে সামরিক স্থাপনায় হুথিদের হামলার জবাবে সরকারি বাহিনী পাল্টা সামরিক অভিযান চালিয়েছে। দ্রুত অবনতিশীল পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মারিব ও হাদরামাউতে হামলায় নিহত ১৭ সেনা ইয়েমেনে সাম্প্রতিক উত্তেজনার সূত্রপাত দুই দিন আগে। তেল ও গ্যাসসমৃদ্ধ মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থানে হামলা চালায় ইরান-সমর্থিত হুথিরা। ইয়েমেন সরকারের দাবি, এসব হামলায় অন্তত ১৭ সেনা নিহত হন। শুক্রবারও সহিংসতা অব্যাহত থাকে। মারিব শহরের আবাসিক এলাকা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষদের একটি - [যুক্তরাষ্ট্রের ছায়ায় ফিলিপাইন, চীনের বিরুদ্ধে স্থায়ী বৈরিতা: নিজের স্বার্থ কোথায়?](https://sarakhon.com/news/181881/): একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি যখন জাতীয় স্বার্থের হিসাবের বদলে অন্য কোনো শক্তির প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য কিংবা আরেক শক্তির প্রতি গভীর বিরাগ দ্বারা পরিচালিত হয়, তখন স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাই ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। ফিলিপাইনের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি তাই চীনকে কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, সেটি নয়; বরং ওয়াশিংটন ও বেইজিং—দুই শক্তির মাঝখানে ম্যানিলা নিজের জন্য কতটা স্বাধীন কৌশলগত জায়গা ধরে রাখতে পারছে। প্রায় দুই শতাব্দী আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, আজকের ফিলিপাইনের অবস্থান বিশ্লেষণে সেটিই আশ্চর্যজনকভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর যুক্তি ছিল, কোনো দেশের সঙ্গে অতিরিক্ত আবেগঘন বন্ধুত্ব একটি রাষ্ট্রকে এমন এক মিথ্যা অভিন্ন স্বার্থের ধারণায় আটকে ফেলতে - [সিনেমা যতটা বাস্তব, ইতিহাসও কি ততটাই?](https://sarakhon.com/news/181880/): ক্রিস্টোফার নোলানের ২০১৭ সালের যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ডানকার্ক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনাকে পর্দায় তুলে ধরেছে। ফ্রান্সের ডানকার্ক উপকূল থেকে তিন লাখেরও বেশি মিত্রবাহিনীর সদস্যকে সরিয়ে নেওয়ার সেই ঐতিহাসিক অভিযানকে নোলান দেখিয়েছেন স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—এই তিনটি আলাদা দৃষ্টিকোণ থেকে। প্রশ্ন হলো, এত বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মতভাবে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি আসলে ইতিহাসের কতটা কাছাকাছি ছিল? ক্রিস্টোফার নোলান তখনই হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও কাঙ্ক্ষিত পরিচালক। তাঁর ‘ডার্ক নাইট’ ধারাবাহিকের সাফল্যের পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে তাঁর নতুন চলচ্চিত্রকে ঘিরে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। ডানকার্ক-এ ১৯৪০ সালের গ্রীষ্মে ফ্রান্সের সৈকতে আটকে পড়া মিত্রবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সৈন্যকে উদ্ধার করার কঠিন পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর ইতিহাসের সবচেয়ে সংকটময় সময়গুলোর - [চীনে গ্রীষ্মের ছুটিতে কোচিংয়ের বদলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শিক্ষক](https://sarakhon.com/news/181860/): গ্রীষ্মের ছুটিতে চীনের শিশুদের পড়াশোনায় ক্রমেই জায়গা করে নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত শিক্ষাযন্ত্র। বাড়িতে বসেই এসব যন্ত্র দিয়ে শিশুরা অঙ্ক করতে পারছে, খাতার লেখা স্ক্যান করে উত্তর যাচাই করতে পারছে এবং ভুল হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাখ্যাও পাচ্ছে। কোচিং বা অতিরিক্ত শিক্ষাকেন্দ্রের ওপর নিয়ন্ত্রণের পর সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে অনেক অভিভাবক এখন এসব প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের দিকে ঝুঁকছেন। চীনের শিক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাল এডুকেশন গ্রুপের শুয়েশি ব্র্যান্ডের একটি শিক্ষাযন্ত্রে অঙ্কের সহজ প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছে। যেমন চারটি বান্ডিলে ছয়টি করে পেন্সিল থাকলে মোট কতটি পেন্সিল হবে—এটি যোগ ও গুণের মাধ্যমে কীভাবে হিসাব করা যায়, সে ধরনের প্রশ্ন দেওয়া হয়। শিশুরা লেখনী - [রোবট ভ্যাকুয়াম থেকে মহাকাশ—চীনের প্রযুক্তি নিয়ে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, এগিয়ে যাচ্ছে স্পেসএক্স](https://sarakhon.com/news/181871/): একটি সাধারণ রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনারও এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার আলোচনায় উঠে এসেছে। ঘর পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত এই যন্ত্রে থাকা উন্নত সেন্সর, চারপাশের তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা এবং চীনে তৈরি হওয়ার কারণে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বাড়ছে। একই সময়ে দুর্বল ইয়েন জাপানের মহাকাশযান নির্মাতাদের নতুন সুযোগ তৈরি করছে, চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আবার বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ফিরছে এবং চীনের তৈরি স্মৃতি চিপ ঢুকতে শুরু করেছে বিশ্বের বড় কম্পিউটার নির্মাতাদের পণ্যে। এশিয়ার প্রযুক্তি খাতে একই সময়ে তৈরি হচ্ছে প্রতিযোগিতা, নিরাপত্তা উদ্বেগ ও নতুন বিনিয়োগের এক জটিল সমীকরণ। রোবট ভ্যাকুয়ামও এখন জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় যুক্তরাষ্ট্রে রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ গৃহস্থালি পণ্য হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির - [ওকিনাওয়ায় ভয়ংকর টাইফুন ডলফিন, ২১৬ কিমি বেগে ঝড়—চীনে বন্ধ বন্দর-ফেরি, বাতিল ফ্লাইট](https://sarakhon.com/news/181868/): জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিনের তাণ্ডবে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। প্রবল বাতাসে প্রায় ১৪ হাজার ভবন বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। ঝড়টি এখন চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে সম্ভাব্য আঘাতের প্রস্তুতি হিসেবে চীন একাধিক বন্দর বন্ধ করেছে, শতাধিক ফেরি চলাচল স্থগিত করেছে এবং বিমান ও রেল যোগাযোগেও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। শনিবার দুপুরে জাপানের আবহাওয়া সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, টাইফুন ডলফিন ওকিনাওয়ার কুমে দ্বীপের প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঝড়টি ঘণ্টায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার গতিতে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। টাইফুনটির সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার। তবে দমকা বাতাসের গতি ঘণ্টায় ২১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যায়। এই - [নিরাপত্তারক্ষীর সংকট, সমাধানে রোবট কুকুর ও ড্রোনের দিকে ঝুঁকছে প্রতিষ্ঠানগুলো](https://sarakhon.com/news/181863/): নিরাপত্তারক্ষী ধরে রাখা এখন অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মী ছেড়ে যাওয়ার হার বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রোবট কুকুর, স্বয়ংক্রিয় ড্রোন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর টহল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প নয়; বরং নিরাপত্তারক্ষীদের ঝুঁকিপূর্ণ ও একঘেয়ে কাজ কমিয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করছে। কর্মী ধরে রাখাই সবচেয়ে বড় সমস্যা যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ লাখ মানুষ নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন কর্মী নিয়োগের প্রধান কারণ নতুন পদ সৃষ্টি নয়, বরং চাকরি ছেড়ে যাওয়া কর্মীদের স্থান পূরণ করা। গবেষণায় বলা হয়েছে, - [জেপ্টোর আইপিও স্থগিত, ভারতের দ্রুত বাণিজ্যে বাড়ছে সংকটের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/181854/): ভারতের দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজারে একসময় বিপ্লবের প্রতীক হয়ে উঠেছিল জেপ্টো। কয়েক মিনিটের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিকস পর্যন্ত গ্রাহকের দরজায় পৌঁছে দেওয়ার এই ব্যবসা খুব অল্প সময়েই শহুরে মানুষের কেনাকাটার অভ্যাস বদলে দিয়েছে। কিন্তু দ্রুত জনপ্রিয়তা পেলেও এবার বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় ৮৪ কোটি ডলারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেপ্টো। প্রত্যাশিত মূল্যায়ন না পাওয়ায় আপাতত শেয়ারবাজারে যাওয়ার বদলে ব্যক্তিমালিকানাধীন পর্যায়ে শেয়ার বিক্রির পথ বেছে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বড় হচ্ছে লোকসান জেপ্টোর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এখন এর বিপুল লোকসান। চলতি বছরের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান আগের বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ - [থাইল্যান্ডের সুপারমার্কেট ব্যবসা বিক্রি করছে এওন, ক্রেতা সেন্ট্রাল গ্রুপ](https://sarakhon.com/news/181851/): জাপানের খুচরা বিক্রয় জায়ান্ট এওন থাইল্যান্ডের সুপারমার্কেট ব্যবসা বিক্রি করে দেশটির এই খাত থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় খুচরা বিক্রেতা সেন্ট্রাল গ্রুপের কাছে এওনের থাই সুপারমার্কেট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটি হস্তান্তর করা হবে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এওন (থাইল্যান্ড)-এর সব শেয়ার সেন্ট্রাল ফুড রিটেইলের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে এই লেনদেনের আর্থিক মূল্য প্রকাশ করা হয়নি। সেন্ট্রাল ফুড রিটেইল থাইল্যান্ডে টপস সুপারমার্কেটের পাশাপাশি বিভিন্ন সুবিধাজনক পণ্য বিক্রয়কেন্দ্র ও উচ্চমানের সুপারমার্কেট পরিচালনা করে। চার দশকের ব্যবসায় পরিবর্তন এওন ১৯৮৪ সালে থাইল্যান্ডের বাজারে প্রবেশ করে। বর্তমানে দেশটিতে ম্যাক্সভ্যালু এবং ছোট আকারের ম্যাক্সভ্যালু তানজাই ব্র্যান্ডের অধীনে তাদের মোট ৩০টি সুপারমার্কেট রয়েছে। তবে থাইল্যান্ডের - [আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি](https://sarakhon.com/news/181844/): সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের মধ্যে এই চুক্তি তিন দেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ করার পথ তৈরি করেছে। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে চুক্তিটি হয়েছে। জ্বালানি অবকাঠামো, নৌপথ ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর ক্রমবর্ধমান হুমকির কারণে আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব জোরদার করছে। সৌদি আরব ও তুরস্কের কৌশলগত গুরুত্ব এবং পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার কারণে নতুন এই জোট আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় প্রভাব ফেলতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চল ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বে ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব - [হিটলারের ভি-২ রকেট চুরি: মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পোলিশ প্রতিরোধযোদ্ধাদের অবিশ্বাস্য অভিযান](https://sarakhon.com/news/181845/): ১৯৪৪ সালের মে মাস। দক্ষিণ পোল্যান্ডের ব্লিজনা পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে একটি ভি-২ রকেট আকাশে ছুটে উঠল। কমলা রঙের আগুনের ঝলক আর প্রচণ্ড গর্জনে কেঁপে উঠল আশপাশের এলাকা। আগের দুটি পরীক্ষায় রকেট আকাশেই বিস্ফোরিত হয়েছিল। এবার সেটি প্রায় ৪৫ সেকেন্ড পর ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলেও এত দ্রুতগতিতে ছুটছিল যে বায়ুমণ্ডলের সীমানা পেরিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে। ভি-২ কর্মসূচির প্রধান ওয়াল্টার ডর্নবার্গারের কাছে ঘটনাটি ছিল একই সঙ্গে সাফল্য ও হতাশার। রকেট মহাকাশের প্রান্তে পৌঁছেছিল, কিন্তু পরীক্ষাগুলোর সাফল্যের হার তখনও মাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে ছিল। অথচ অ্যাডলফ হিটলার বিশ্বাস করতেন, ভি-২ দিয়েই যুদ্ধের ভাগ্য বদলে দেওয়া সম্ভব। তাঁর ধারণা ছিল, এই রকেট লন্ডন - [যুদ্ধ, তেল আর জলবায়ু: মানুষের সংকটই কি জ্বালানি কোম্পানির সোনালি সময়?](https://sarakhon.com/news/181846/): ইরানকে ঘিরে যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার যখন অস্থির, তেলের দাম যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, তখন বিশ্বের বৃহৎ তেল কোম্পানিগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা সামনে এনেছে। মাত্র তিন মাসে আটটি বৃহৎ তেল কোম্পানি ৬৭ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি মুনাফা করেছে। অর্থাৎ বসন্তের একটি প্রান্তিকে এসব প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে প্রতি মিনিটে ৭ লাখ ডলারের বেশি লাভ করেছে। এই হিসাবকে নিছক করপোরেট সাফল্যের গল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ যে পরিস্থিতি কোটি কোটি মানুষের জন্য মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয় এবং অনিশ্চয়তা তৈরি করছে, সেই একই পরিস্থিতি জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের জন্য পরিণত হয়েছে বিপুল মুনাফার উৎসে। যুদ্ধের কারণে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে, অপরিশোধিত - [৯০ কোটি ডলারের রোবট বাজি: ডিপসিক থেকে টেনসেন্ট—চীনের সব বড় শক্তি কেন ইউনিট্রির পাশে?](https://sarakhon.com/news/181839/): ভাবুন, এমন এক রোবট যে মানুষের মতো হাঁটতে পারে, ঘুষি মারতে পারে, জটিল শারীরিক কাজ করতে পারে এবং ভবিষ্যতে মানুষের জন্য বিপজ্জনক কাজও করে দিতে পারে। একসময় এসব ছিল কল্পবিজ্ঞানের বিষয়। এখন সেটিই বাস্তব প্রযুক্তির অন্যতম বড় প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। চীন এই দৌড়ে কতটা এগিয়ে গেছে, তার বড় একটি প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে ইউনিট্রি রোবোটিকসের শেয়ারবাজারে প্রবেশের উদ্যোগে। চীনের মানবসদৃশ রোবট নির্মাতা ইউনিট্রি প্রায় ৯০ কোটি ডলারের প্রাথমিক শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই উদ্যোগে বিনিয়োগ করছে চীনের প্রযুক্তি ও রাষ্ট্রীয় খাতের একাধিক প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ডিপসিক, রাষ্ট্রীয় তেল খাতের প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থা, - [জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হস্তক্ষেপেও থামছে না ইয়েনের পতন, আস্থার সংকটেই কি আসল সমস্যা?](https://sarakhon.com/news/181835/): ইয়েনকে শক্তিশালী করতে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত বাজার হস্তক্ষেপের পরও জাপানের মুদ্রার দুর্বলতা কাটেনি। বরং হস্তক্ষেপের কয়েক দিনের মধ্যেই ইয়েন আবার চাপের মুখে পড়েছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, মুদ্রাবাজারে সরকারি হস্তক্ষেপ সাময়িকভাবে দিক পরিবর্তন করতে পারলেও জাপানের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের গভীর সন্দেহ দূর করতে পারছে না। প্রতি ডলারের বিপরীতে ইয়েন যখন প্রায় ১৬৪-এর কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তখন জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইয়েন কেনার মাধ্যমে বাজারে হস্তক্ষেপ করে। ইয়েনের এই দুর্বলতা প্রায় চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থার কাছাকাছি ছিল। হস্তক্ষেপের পর ইয়েন কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং কিছু সময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজারসূচকের ওপরেও উঠে যায়। কিন্তু সেই শক্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বৃহস্পতিবার - [থাইল্যান্ড সীমান্ত বন্ধ, জাপানি কোম্পানির ভরসা এখন কম্বোডিয়ার গভীর সমুদ্রবন্দর](https://sarakhon.com/news/181833/): থাইল্যান্ডের সঙ্গে স্থল সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কম্বোডিয়ার একমাত্র আন্তর্জাতিক গভীর সমুদ্রবন্দর এখন জাপানি বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প বাণিজ্যপথে পরিণত হয়েছে। তবে বন্দরটির তুলনামূলক বেশি পণ্য ওঠানামার খরচ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জাপানি ব্যবসায়ীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে বন্দর ব্যবহারের খরচ কমানোসহ বিকল্প বাণিজ্যপথ আরও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। কম্বোডিয়ার সিহানুকভিল স্বায়ত্তশাসিত বন্দর দেশটির একমাত্র আন্তর্জাতিক গভীর সমুদ্রবন্দর। জাপানের সরকারি উন্নয়ন সহায়তায় গড়ে ওঠা এই বন্দরটি রাজধানী নমপেন থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। ২০২২ সালে চালু হওয়া একটি দ্রুতগতির সড়ক বন্দরটির সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ করেছে। সীমান্ত বন্ধের পর বন্দরে পণ্য পরিবহন বেড়েছে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সিহানুকভিল বন্দরে - [প্রধানমন্ত্রী: একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত অস্থিতিশীল করতে সক্রিয়](https://sarakhon.com/news/181830/): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্বল রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তবে একটি চক্র অত্যন্ত কৌশলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। শনিবার ঢাকার জাতীয় সংসদের এলডি ভবনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে একটি নির্দিষ্ট মহলকে সুবিধা দেওয়া এবং অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমানে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। - [চীনে গ্রীষ্মের ছুটিতে কোচিংয়ের বদলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শিক্ষক](https://sarakhon.com/news/181826/): গ্রীষ্মের ছুটিতে চীনের শিশুদের পড়াশোনায় ক্রমেই জায়গা করে নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত শিক্ষাযন্ত্র। বাড়িতে বসেই এসব যন্ত্র দিয়ে শিশুরা অঙ্ক করতে পারছে, খাতার লেখা স্ক্যান করে উত্তর যাচাই করতে পারছে এবং ভুল হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাখ্যাও পাচ্ছে। কোচিং বা অতিরিক্ত শিক্ষাকেন্দ্রের ওপর নিয়ন্ত্রণের পর সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে অনেক অভিভাবক এখন এসব প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের দিকে ঝুঁকছেন। চীনের শিক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাল এডুকেশন গ্রুপের শুয়েশি ব্র্যান্ডের একটি শিক্ষাযন্ত্রে অঙ্কের সহজ প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছে। যেমন চারটি বান্ডিলে ছয়টি করে পেন্সিল থাকলে মোট কতটি পেন্সিল হবে—এটি যোগ ও গুণের মাধ্যমে কীভাবে হিসাব করা যায়, সে ধরনের প্রশ্ন দেওয়া হয়। শিশুরা লেখনী - [‘এক দফা’ কোনো নেতার ঘোষণা নয়, এটি জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন: নুরুল হক নুর](https://sarakhon.com/news/181824/): ‘এক দফা’ আন্দোলন কোনো একক নেতার সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা থেকে আসেনি; বরং এটি দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অধিকার, প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি সভা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনগণের আকাঙ্ক্ষা থেকেই ‘এক দফা’ নুরুল হক নুর বলেন, ‘এক দফা’র বিষয়টি কোনো ব্যক্তিবিশেষের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তৈরি হয়নি। দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই দাবির উদ্ভব। জনগণের - [১/১১-তে তারেক রহমানকে ‘আয়নাঘরে’ আটকে নির্যাতন: চিফ প্রসিকিউটর](https://sarakhon.com/news/181821/):   ওয়ান-ইলেভেনের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) গোপন বন্দিশালা ‘জেআইসি সেলে’ আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তাঁর দাবি, এ বিষয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণও পাওয়া গেছে। শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআই সদর দপ্তরের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। জেআইসি সেল নিয়ে চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য আমিনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আগের সরকার দেশে একটি অমানবিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করতে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত বিভিন্ন গোপন বন্দিশালা ব্যবহার করা হতো। এসব স্থানে অনেক মানুষকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার - [কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটারের বেশি যানজট, দুর্ভোগে যাত্রী-চালক](https://sarakhon.com/news/181818/): সড়ক মেরামতের কাজ ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই যানজট গত কয়েক ঘণ্টায় আরও তীব্র হয়েছে। এতে দীর্ঘ সময় ধরে মহাসড়কে আটকে থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার বাসের যাত্রী, ট্রাকচালকসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। কুমিল্লার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানজটের পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি জটিল হয়ে উঠেছে। যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ধীরগতির সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ সারিতে আটকে পড়ে গাড়িগুলো। সড়ক মেরামতে বেড়েছে ভোগান্তি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই অংশে চলমান সড়ক মেরামতের কাজের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর সঙ্গে মহাসড়কে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি যানবাহনের চাপ - [ভারতের পরমাণু সাবমেরিনে নতুন বিপদ: পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতা কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/181711/): দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু প্রতিযোগিতা এতদিন মূলত স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান ও অন্যান্য সামরিক সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। কিন্তু ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনে পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েনের খবর সেই হিসাব বদলে দিয়েছে। এটি শুধু ভারতের দ্বিতীয় আঘাত হানার সক্ষমতাকে শক্তিশালী করছে না; একই সঙ্গে পাকিস্তানকে আরও উন্নত সামুদ্রিক প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে ঠেলে দিতে পারে। আর এই প্রতিযোগিতার ছায়া ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত ছাড়িয়ে চীনের দিকেও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরমাণু প্রতিরোধের নতুন যুগ চলতি গ্রীষ্মে ভারতের একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনে ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েনের খবর প্রকাশ্যে আসে। এর কৌশলগত গুরুত্ব অস্ত্রের সংখ্যার চেয়েও বেশি। কারণ সমুদ্রের গভীরে থাকা সাবমেরিনকে শত্রুর পক্ষে শনাক্ত ও ধ্বংস - [টাইফুন ডলফিনের তাণ্ডব: জাপানের ওকিনাওয়ায় ৫ আহত, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ১৪ হাজার ভবনে](https://sarakhon.com/news/181814/): জাপানের ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিনের আঘাতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১৪ হাজার ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। একই সময়ে ঝড়টির চীনের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কায় দেশটি বন্দর ও ফেরি চলাচল বন্ধসহ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। ওকিনাওয়ায় প্রবল বাতাস ও ক্ষয়ক্ষতি জাপান আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে টাইফুন ডলফিন ওকিনাওয়ার কুমে দ্বীপের প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার গতিতে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছিল ঝড়টি। ওকিনাওয়া প্রিফেকচারাল সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচজন বয়স্ক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন প্রবল বাতাসের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে আহত হন। তবে কারও আঘাতই প্রাণঘাতী নয়। টাইফুনটির সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল - [কেন পোকামাকড় হারিয়ে যাচ্ছে, আর এর প্রভাব কী হতে পারে আমাদের ভবিষ্যতে](https://sarakhon.com/news/181812/): প্রমাণ ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। প্রজাপতি থেকে গুবরেপোকা—বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় উদ্বেগজনক হারে কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব শুধু গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে আটকে থাকবে না; তা পৌঁছাবে আমাদের খাদ্যব্যবস্থা ও পুরো বাস্তুতন্ত্রে। যেকোনো বেবি বুমার প্রজন্মের মানুষকে জিজ্ঞেস করলেই হয়তো শুনবেন, একসময় গাড়ির জানালা খোলা রেখে গ্রামাঞ্চলের পথে গাড়ি চালালে উইন্ডস্ক্রিনে নিয়মিত পোকামাকড়ের আঘাতের শব্দ শোনা যেত। এখন অনেক বেশি গরমের গ্রীষ্মের দিনেও গাড়ি চালিয়ে দেখা যায়, উইন্ডস্ক্রিন আশ্চর্যজনকভাবে পরিষ্কার। সেই পরিষ্কারত্বের মধ্যে যেন অস্বস্তিকর এক শূন্যতা লুকিয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে তথাকথিত ‘উইন্ডস্ক্রিন ফেনোমেনন’কে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের বদলে মানুষের ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু এখন তথ্য-উপাত্ত এবং প্রকৃতির দৃশ্যপট—দুটিই বলছে, মানুষের সেই পর্যবেক্ষণ পুরোপুরি ভুল - [জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যার স্মারক বাদ দেওয়ার অভিযোগ, ইতিহাস দলীয়করণ না করার আহ্বান নাহিদের](https://sarakhon.com/news/181809/): জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে ভারতের সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা, নিহতদের তালিকা এবং ফেলানী হত্যার স্মারক সরিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার সকালে জাদুঘর পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জাদুঘরে থাকা এসব বিষয় বর্তমান সরকার পরিবর্তন করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জাদুঘরে বর্তমান সরকারের দলীয় কর্মকাণ্ডের বিষয়বস্তু তুলনামূলকভাবে বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত হত্যার স্মৃতি সরানোর অভিযোগ নাহিদ ইসলাম বলেন, সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের তালিকা এবং ফেলানীর স্মারক আগে জাদুঘরের অংশ ছিল। বর্তমানে সেগুলো আর সেখানে নেই। তাঁর দাবি, সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি, সীমান্তে সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাযজ্ঞ এবং নরেন্দ্র মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিও জাদুঘর - [রেস্তোরাঁর রেটিংয়ে কেন পুরোপুরি ভরসা করা ঠিক নয়](https://sarakhon.com/news/181805/): এশিয়ার খাবারের জগৎ নিয়ে দীর্ঘদিন লেখালেখি করা খাদ্যবিষয়ক লেখক জন ক্রিচের মতে, এশিয়ায় কোথায় খাবেন—এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বিশ্বের নামী রেস্তোরাঁ র‌্যাঙ্কিংকে অন্ধভাবে অনুসরণ করা ঠিক নয়। বিশেষ করে ‘সেরা’ বা ‘শ্রেষ্ঠ’ রেস্তোরাঁর তালিকা যতই মর্যাদাপূর্ণ হোক, সেগুলোকে কিছুটা সংশয় নিয়েই দেখা উচিত। কারণ এশিয়ার খাদ্যসংস্কৃতির সবচেয়ে অসাধারণ অভিজ্ঞতা অনেক সময় বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় নয়, বরং রাস্তার পাশের ছোট দোকান, স্থানীয় খাবারের আড্ডা কিংবা এমন সব রান্নাঘরে পাওয়া যায়, যেগুলোর নাম আন্তর্জাতিক খাদ্যতালিকায় কখনোই ওঠে না। মিশেলিনের মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন এশিয়ায় মিশেলিন গাইডের বিস্তার বহু রেস্তোরাঁকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দিয়েছে। তবে এর মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কও কম নয়। অজ্ঞাতপরিচয় পরিদর্শকেরা রেস্তোরাঁ মূল্যায়ন - [ক্যাফে মালিক থেকে ডুগং রক্ষার যোদ্ধা, ড্রোনে নজর রাখছেন থাইল্যান্ডের শেষ সমুদ্রগাভীদের](https://sarakhon.com/news/181802/): থাইল্যান্ডের ফুকেটের তাং খেন উপসাগরের তীরে বসে পর্দার দিকে গভীর মনোযোগে তাকিয়ে আছেন থেরাসাক ‘পপ’ সাকস্রিতাউই। পানির নিচে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া কৃমির মতো একটি অবয়ব দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘ওটা পেনওয়াট।’ পেনওয়াট থাইল্যান্ডের হাতে গোনা কয়েকটি বেঁচে থাকা ডুগংয়ের একটি। সমুদ্রগাভী নামেও পরিচিত এই শান্ত স্বভাবের সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলো একসময় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের ত্রাং প্রদেশের উপকূলে থাকত। কিন্তু সেখানে খাদ্যের প্রধান উৎস সামুদ্রিক ঘাস দ্রুত কমে যাওয়ায় তাদের একটি দল প্রায় ১৪০ কিলোমিটার দূরের ফুকেটের উপকূলে চলে আসে। ডুগং দেখেই বদলে গেল জীবন দুই বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন তাং খেন উপসাগরে আসছেন পপ। ড্রোন উড়িয়ে তিনি ডুগংগুলোর সংখ্যা, শারীরিক অবস্থা, চলাফেরা ও - [টরন্টোর ফ্যাশন সপ্তাহে নতুন দিগন্ত, কানাডীয় নকশায় ভবিষ্যতের ইঙ্গিত](https://sarakhon.com/news/181798/): কানাডার ফ্যাশন অঙ্গনে এবারের মৌসুমে টরন্টো আবারও নিজের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। টরন্টোর নিজস্ব ফ্যাশন সপ্তাহ এবং ফ্যাশন আর্ট টরন্টোর আয়োজন স্পষ্ট করে দিয়েছে, কানাডীয় ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠছে দেশের মাটিতেই। এই মৌসুমের আয়োজনে টরন্টোর মঞ্চে উঠে এসেছে এমন সব নকশা ও সৃজনশীল ভাবনা, যা কানাডার ফ্যাশনকে নতুনভাবে তুলে ধরছে। পোশাকের নকশা, শিল্পভাবনা এবং নিজস্ব সৃজনশীলতার সমন্বয়ে স্থানীয় ডিজাইনাররা দেখিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়েও কানাডার নিজস্ব পরিচয় ধরে রাখা সম্ভব। টরন্টোতেই তৈরি হচ্ছে নতুন ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ এবারের টরন্টো’স ওন ফ্যাশন সপ্তাহ এবং ফ্যাশন আর্ট টরন্টোর আয়োজনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ছিল—কানাডীয় ফ্যাশনের আগামী দিনের ভিত্তি তৈরি হচ্ছে টরন্টোতেই। স্থানীয় ডিজাইনারদের কাজ, - [জাপান-ব্রিটেনের ঘনিষ্ঠতা, চীন ও রাশিয়ার হুমকি এবং বদলে যাওয়া বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে কথা বললেন সাবেক এমআই৬ প্রধান রিচার্ড মুর](https://sarakhon.com/news/181796/): বিশ্ব এখন ক্রমেই আরও অস্থির ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিত্র দেশগুলোর মধ্যে আস্থা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করা জরুরি বলে মনে করেন ব্রিটেনের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান রিচার্ড মুর। বিশেষ করে জাপান ও যুক্তরাজ্যকে তিনি এমন দুই দেশ হিসেবে দেখছেন, যাদের মধ্যে মূল্যবোধ, রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও বিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। ২০২০ সালের অক্টোবরে ব্রিটেনের গোপন গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-এর প্রধানের দায়িত্ব নেন রিচার্ড মুর। দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা তিনি প্রচলিত আনুষ্ঠানিকতার বদলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা ও একটি ইমোজির মাধ্যমে দিয়েছিলেন। ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এটি ছিল নজিরবিহীন ঘটনা। তার - [ট্রাম্পের ইয়েন রক্ষার আসল কারণ কী, জাপানকে সহায়তার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ](https://sarakhon.com/news/181793/): অন্য কোনো দেশের মুদ্রানীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপের ঘটনা খুবই বিরল। সাধারণত কোনো দেশে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলেই ওয়াশিংটন এমন পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা, জাপান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া পদক্ষেপগুলোতে সেই ধরনের জরুরি পরিস্থিতি দেখা যায়নি। তবুও তিনটি ক্ষেত্রেই ট্রাম্প প্রশাসন তাদের মুদ্রাকে সরাসরি সহায়তা করেছে বা সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্র এমন করছে কেন? অন্য একটি দেশের মুদ্রা কিনতে বিপুল অর্থ ব্যয় করা, কিংবা সাময়িকভাবে ডলারের বিনিময়ে সেই দেশের মুদ্রা দেওয়ার ব্যবস্থা করা ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যে মুদ্রার দাম ক্রমাগত কমছে, সেটিকে সমর্থন করা আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। তাহলে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতির - [সিনেমার পর্দা থেকে রেড কার্পেট—কানাডার ফ্যাশনপ্রেমীদের চোখে নতুন মৌসুমের সাজ](https://sarakhon.com/news/181790/): কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবকে ঘিরে সিনেমার পাশাপাশি ফ্যাশনও হয়ে ওঠে আলোচনার বড় অংশ। চলচ্চিত্রপ্রেমী ও স্টাইলসচেতন কানাডীয়দের কাছে প্রতিটি প্রদর্শনী যেন নিজের পোশাকের রুচি তুলে ধরারও সুযোগ। তাই সিনেমা দেখতে যাওয়ার সময় কোন পোশাক, কোন ধরনের সাজ এবং কোন চলচ্চিত্রের চরিত্র থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া যায়—এসব নিয়েও থাকে আলাদা ভাবনা। নতুন মৌসুমের ফ্যাশন নিয়ে এমনই এক আলোচনায় উঠে এসেছে শিয়াপারেলির তিন খণ্ডের একটি স্যুট। পোশাকটির দাম ৮ হাজার ৮৪০ কানাডীয় ডলার। নকশায় রয়েছে আধুনিকতা, নিখুঁত কাটিং এবং এমন এক আভিজাত্য, যা একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্র, রেড কার্পেট কিংবা অভিজাত নৈশভোজ—সব জায়গাতেই মানিয়ে যেতে পারে। রেড কার্পেটের সাজে চিরন্তন আভিজাত্য রেড কার্পেটের পোশাক - [শরৎ ফ্যাশনে ফিরছে ‘অপ্রয়োজনীয় বেল্ট’, সাজে বাড়ছে ২০০০-এর দশকের ছোঁয়া](https://sarakhon.com/news/181786/): শরতের ফ্যাশনে এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে এমন এক অনুষঙ্গ, যার প্রয়োজনীয়তা হয়তো খুব বেশি নেই, কিন্তু সাজকে আকর্ষণীয় করে তুলতে এর জুড়ি নেই। সেটি হলো ‘অপ্রয়োজনীয় বেল্ট’। শরৎকালীন রানওয়েতে বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে এই বেল্টের ব্যবহার দেখা গেছে, যা চলতি মৌসুমের অন্যতম নজরকাড়া প্রবণতা হয়ে উঠছে। ফ্যাশনে সবকিছুর পেছনে বাস্তব কোনো কারণ থাকা জরুরি নয়—এই প্রবণতাই যেন তার প্রমাণ। পোশাক আটকে রাখা বা কোমর ঠিকভাবে বাঁধার প্রয়োজন না থাকলেও শুধু সাজের অংশ হিসেবে বেল্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। কখনো এটি কোমরের নিচে আলগাভাবে পরানো হয়েছে, কখনো কোমর শক্ত করে বাঁধা হয়েছে, আবার কখনো বোনা পোশাক ও বাইরের পোশাকের ওপর একাধিক স্তরে ব্যবহার - [লন্ডনের ভয়াবহ ব্লিটজে আগুনের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন যে ফায়ার কমান্ডার, তাঁর পদক বিক্রি হলো ১৬ হাজার পাউন্ডে](https://sarakhon.com/news/181783/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ‘লন্ডন ব্লিটজ’-এর সময় জার্মান বিমানবাহিনীর বোমাবর্ষণের বিরুদ্ধে লন্ডনকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মেজর ফ্র্যাঙ্ক হুইটফোর্ড ‘জেন্টলম্যান’ জ্যাকসন। সেই যুদ্ধস্মৃতি বহনকারী তাঁর পদকসমষ্টি সম্প্রতি নিলামে বিক্রি হয়েছে ১৬ হাজার পাউন্ডে। তাঁর নাতি-নাতনিরা এই বিক্রির অর্থ দমকলকর্মীদের কল্যাণে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জ্যাকসন ছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একজন প্রবীণ সেনা কর্মকর্তা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডের নেতৃত্ব দেন। জার্মান বিমানবাহিনী যখন ধারাবাহিকভাবে লন্ডনে বোমা ফেলছিল, তখন শহরের হাজার হাজার অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় দমকল বাহিনীর বিশাল কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর। তাঁর বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ‘কম্প্যানিয়ন অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার’ বা সিবিই সম্মাননা দেওয়া - [ঠান্ডা যুদ্ধের অন্ধকার গোপন অভিযান: কমিউনিস্ট আলবেনিয়ায় সিআইএ ও এমআই৬-এর ব্যর্থ লড়াই](https://sarakhon.com/news/181778/): ঠান্ডা যুদ্ধের শুরুর বছরগুলোতে ইউরোপের এক ছোট ও বিচ্ছিন্ন দেশ আলবেনিয়া হয়ে উঠেছিল পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ গোপন যুদ্ধক্ষেত্র। কমিউনিস্ট নেতা এনভার হোজার শাসনব্যবস্থাকে উৎখাতের চেষ্টা, গোপনে এজেন্ট পাঠানো, প্রচারপত্র ছড়ানো, বেতার সম্প্রচার এবং খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার মতো নানা অভিযান চালিয়েছিল ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এসব অভিযানের অনেকগুলোই আগেই ফাঁস হয়ে যায় এবং বহু এজেন্ট প্রাণ হারান। স্টিফেন লংয়ের নতুন বই ‘সিআইএ অ্যান্ড এমআই৬ কোভার্ট অ্যাকশন ইন কমিউনিস্ট আলবেনিয়া অ্যাট দ্য ডন অব দ্য কোল্ড ওয়ার’ ঠান্ডা যুদ্ধের এই তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত অধ্যায়টি সামনে নিয়ে এসেছে। বইটি প্রকাশ করেছে আইকন বুকস। হার্ডকভার সংস্করণের দাম ২৫ পাউন্ড এবং বইটি - [বর্ণবাদের দেয়াল ভেঙে যুদ্ধের ময়দানে বীরত্ব, ৫০ বছর পর সর্বোচ্চ সম্মান পেলেন ভার্নন বেকার](https://sarakhon.com/news/181775/): ১৯৪৫ সালের ইতালির রণক্ষেত্রে মাত্র ২৫ জন সৈনিকের একটি দল নিয়ে জার্মান দুর্গের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন কর্মকর্তা। ১২ ঘণ্টার ভয়াবহ গোলাগুলির মধ্যে তিনি একের পর এক মেশিনগান ঘাঁটি, পর্যবেক্ষণ পোস্ট ও বাঙ্কার ধ্বংস করেন, নয়জন জার্মান সৈনিককে হত্যা করেন এবং নিজের সহযোদ্ধাদের নিরাপদে সরিয়ে আনেন। অথচ তার বীরত্বের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পেতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়। তিনি লেফটেন্যান্ট ভার্নন বেকার—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য জীবিত কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রবীণদের মধ্যে ‘মেডেল অব অনার’ পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি। যুদ্ধ ছিল দুটি ফ্রন্টে ভার্নন বেকার এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া অন্যান্য কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন সৈনিকের যুদ্ধ ছিল আসলে দুটি ফ্রন্টে। একদিকে - [যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে হঠাৎ ধাক্কা, জুলাইয়ে ২৩ হাজার চাকরি হারিয়েছে](https://sarakhon.com/news/181772/): জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে অপ্রত্যাশিত দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। দেশটির নিয়োগদাতারা গত মাসে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির বদলে ২৩ হাজার চাকরি কমিয়েছে। অথচ অর্থনীতিবিদরা প্রায় ৮০ হাজার নতুন চাকরি যোগ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। শুল্ক, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির বাড়তি দাম, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবের মধ্যে এই পরিস্থিতি মার্কিন অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বেকারত্ব কমলেও শ্রমবাজার সংকুচিত যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের শুক্রবার প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, জুলাইয়ে বেকারত্বের হার সামান্য কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমেছে। তবে এটিকে শ্রমবাজারের শক্তিশালী হওয়ার সরাসরি লক্ষণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। মূলত বিপুলসংখ্যক মানুষ শ্রমবাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় বেকারত্বের হার কমেছে। অবসর নেওয়ার বয়সে পৌঁছানো বেবি বুমার - [ভারতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের দমন: লাঠি, কাঁদানে গ্যাসের পর ছোড়া হয় পেলেট গান](https://sarakhon.com/news/181769/): ভারতের সংসদ ভবনের দিকে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাওয়া হাজারো শিক্ষার্থীর মিছিল ঠেকাতে দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ও অন্যান্য আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস এবং কথিতভাবে পেলেট গান ব্যবহার করেছে। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিও, ছবি ও প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত বলপ্রয়োগের ধরন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। গত ২০ জুলাই সংসদ ভবনের দিকে এই মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে সংসদের কাছাকাছি একটি নির্ধারিত স্থানে তারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলেন। শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়ম ও জবাবদিহির দাবিতে আন্দোলনটি গড়ে ওঠে। ইন্টারনেট বন্ধ, - [ইয়েমেনে ফের যুদ্ধের শঙ্কা, সৌদি-সমর্থিত সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-মিসাইল হামলা](https://sarakhon.com/news/181766/): ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী শুক্রবার দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, হামলায় অস্ত্রের গুদাম, সামরিক যান ও বিভিন্ন সরঞ্জাম লক্ষ্য করা হয়েছে। মারিবে সামরিক ঘাঁটিতে হামলা হুথিরা জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মারিব প্রদেশের সাহন আল-জিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। ঘাঁটিটি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ব্যবহার করে এবং সৌদি আরব এই বাহিনীকে সমর্থন দেয়। তবে হামলায় সামরিক স্থাপনায় কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা ইয়েমেন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি। সৌদি কর্তৃপক্ষও হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য - [রাশিয়ার ধনী নারী তাতিয়ানা কিমের সাম্রাজ্যে ইউক্রেনের হামলা, পুড়ছে বিলিয়ন ডলারের পণ্য](https://sarakhon.com/news/181763/): রাশিয়ার সবচেয়ে ধনী নারী তাতিয়ানা কিমের গড়ে তোলা অনলাইন বাণিজ্য সাম্রাজ্য ওয়াইল্ডবেরিজ এখন ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় বড় সংকটে পড়েছে। রাশিয়াজুড়ে কোম্পানিটির গুদামগুলোতে একের পর এক হামলায় বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস হচ্ছে, কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক এবং ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়েও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ইউক্রেন ওয়াইল্ডবেরিজের অন্তত ২৩টি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় কোম্পানির নয় কর্মী নিহত হয়েছেন। মস্কোভিত্তিক ই-কমার্স পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেটা ইনসাইটের হিসাবে, হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজ তার গুদাম সক্ষমতার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হারিয়েছে এবং প্রায় ৪৮০ বিলিয়ন রুবেল বা ৫৯০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুদাম ধ্বংসে বিপাকে রুশ ই-কমার্স ওয়াইল্ডবেরিজ রাশিয়ার খুচরা বাজারের প্রায় - [ড্যামবাস্টারদের সেই ভয়ংকর পরিণতি: ৭৭ জন ফিরেছিলেন, শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন মাত্র ৪৮ জন](https://sarakhon.com/news/181759/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে ১৯৪৩ সালের ১৬ মে রাতের ‘অপারেশন চ্যাস্টাইস’ বা ড্যামবাস্টার অভিযান একটি কিংবদন্তি হয়ে আছে। জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ ধ্বংস করতে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ৬১৭ স্কোয়াড্রনের ১৯টি ল্যাঙ্কাস্টার বোমারু বিমান ইংল্যান্ডের আরএএফ স্ক্যাম্পটন থেকে উড্ডয়ন করেছিল। কিন্তু সেই অভিযানে অংশ নেওয়া ১৯টি বিমানের মাত্র ১১টি ফিরে আসে। মোট ১৩৩ জন বিমানকর্মী এই কঠিন অভিযানের জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৫৩ জন নিহত হন এবং তিনজন পরবর্তী দুই বছর যুদ্ধবন্দি হিসেবে কাটান। আর যারা বেঁচে ছিলেন, তাঁদের জন্যও যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়নি। বরং ড্যামবাস্টার অভিযানের পর ৬১৭ স্কোয়াড্রনের সদস্যদের সামনে অপেক্ষা করছিল আরও বহু বিপজ্জনক অভিযান। প্রথমেই হারিয়ে গেলেন সিরিল অ্যান্ডারসন - [যুদ্ধের আলোকে: দখল করা জার্মান জেট](https://sarakhon.com/news/181755/): ২৭ মার্চ ১৯৪৫ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম সেনাবাহিনীর সৈন্যরা ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছে একটি দখল করা বিমানঘাঁটিতে জার্মান বিমানবাহিনীর বিধ্বস্ত মেসারশমিট মি ২৬২ জেট যুদ্ধবিমান পরীক্ষা করছেন। ছবিটি ২৭ মার্চ ১৯৪৫ সালের। মি ২৬২ ছিল বিশ্বের প্রথম কার্যকর জেটচালিত যুদ্ধবিমানগুলোর অন্যতম। প্রচলিত প্রপেলারচালিত যুদ্ধবিমানের তুলনায় এর গতি ছিল অনেক বেশি। জার্মানি যুদ্ধের শেষ দিকে এই বিমানকে যুদ্ধে নামালেও তখন দেশটির সামরিক ও শিল্প সক্ষমতা দ্রুত ভেঙে পড়ছিল। ফলে যুদ্ধের গতিপথ বদলে দেওয়ার মতো বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ মি ২৬২ পায়নি। রাইন অভিমুখে সপ্তম সেনাবাহিনীর অগ্রযাত্রা ১৯৪৫ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম সেনাবাহিনী অপারেশন আন্ডারটোনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লুক্সেমবার্গ থেকে আলসাস পর্যন্ত বিস্তৃত এই মার্কিন-ফরাসি - [বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৭ বছরে ১৫,৭১২ মৃত্যু, নিহতদের ৫৮ শতাংশই তরুণ](https://sarakhon.com/news/181752/): বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ভয়াবহ মাত্রায় প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সারা দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা ৫৮ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ভারী যানবাহন আরএসএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় অংশ ঘটেছে ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে। মোট ৬ হাজার ৩১৪টি দুর্ঘটনা, যা মোট ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, ভারী যানবাহনের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে ঘটেছে। এ ছাড়া ৫ হাজার ৪৯৭টি দুর্ঘটনা বা ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ ঘটেছে - [বিশ্ববাজারে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/181749/): বিগত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। তৈরি পোশাককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা রফতানিমুখী শিল্প, শিল্পায়নের বিস্তার, বৈদেশিক বাজারে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্ব এবং আমদানিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা -সব মিলিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যই ছিল প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই শক্তির জায়গাতেই দেখা দিয়েছে উদ্বেগজনক দুর্বলতা। রপ্তানির গতি কমেছে, কমেছে শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যেও এসেছে উল্লেখযোগ্য ভাটা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি কেবল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সাময়িক অভিঘাত, নাকি বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য কাঠামোর গভীরে জমে থাকা দীর্ঘদিনের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ? সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বৈদেশিক বাণিজ্যের চিত্র সেই প্রশ্নকেই আরও - [রেস্তোরাঁর রেটিংয়ে কতটা ভরসা করবেন? মিশেলিন ও ‘৫০ বেস্ট’ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জন ক্রিচ](https://sarakhon.com/news/181745/): রেস্তোরাঁর ‘সেরা’ বা ‘শ্রেষ্ঠ’ তালিকা দেখেই খাবারের মান বিচার করা কতটা যুক্তিসঙ্গত—এ প্রশ্ন তুলেছেন দীর্ঘদিনের খাদ্য লেখক জন ক্রিচ। এশিয়ার বৈচিত্র্যময় ও টেকসই খাদ্যসংস্কৃতি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা এই লেখকের পরামর্শ, বিশেষ করে এশিয়ায় খাবারের ক্ষেত্রে বিখ্যাত র‌্যাঙ্কিংগুলোকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে বরং যথেষ্ট সংশয় নিয়ে দেখা উচিত। এশিয়ায় মিশেলিনের বিস্তার ক্রিচের মতে, এশিয়ায় মিশেলিন গাইডের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু রেস্তোরাঁকে পরিচিতি এনে দিলেও এর মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। ২০০৭ সালে টোকিওকে প্যারিসের চেয়েও বেশি মিশেলিন তারকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এশিয়ায় মিশেলিনের বিস্তার নতুন মাত্রা পায়। জাপানের খাবারের সূক্ষ্মতা ও নান্দনিকতা মিশেলিনের মানদণ্ডের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে গেলেও - [যুদ্ধজাহাজকে ছাপিয়ে আকাশের শক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কীভাবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী সমুদ্রের রাজা হয়ে উঠল](https://sarakhon.com/news/181741/): বিশ শতকের শুরুতে যুদ্ধজাহাজ ছিল একটি দেশের সামরিক শক্তি, জাতীয় মর্যাদা ও সামুদ্রিক আধিপত্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতীক। ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ড্রেডনট শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ আধুনিক যুদ্ধজাহাজের নতুন যুগের সূচনা করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই সমুদ্রযুদ্ধের হিসাব-নিকাশ আমূল বদলে যায়। বিশাল কামানবাহী যুদ্ধজাহাজের জায়গা দখল করে নেয় বিমানবাহী রণতরী। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল রণতরী বহর সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থানে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে ওঠে। এই পরিবর্তন একদিনে ঘটেনি। নৌবিমান প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত বৈমানিক, জাহাজ নির্মাণের সক্ষমতা, যুদ্ধকৌশল, রাডার এবং আকাশযুদ্ধ পরিচালনার সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছিল নতুন এই নৌ-শক্তি। নৌবিমান যুগের সূচনা মার্কিন নৌবিমান ব্যবস্থার সূচনালগ্নের অন্যতম - [এক শতাব্দীর যুদ্ধ-ইতিহাসে মার্কিন ৮২তম এয়ারবর্ন: যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা](https://sarakhon.com/news/181738/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ যুদ্ধ থেকে শুরু করে শীতল যুদ্ধ, ভিয়েতনাম, মধ্যপ্রাচ্য এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান—এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের নাম জড়িয়ে আছে। মুহূর্তের নোটিশে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছে যুদ্ধক্ষেত্রে নামার সক্ষমতার কারণে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত এই ডিভিশন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অসাধারণ যুদ্ধ-অভিজ্ঞতা অর্জনের পর ১৯৪৬ সালের জানুয়ারিতে ৮২তম এয়ারবর্ন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসে। তাদের স্থায়ী ঘাঁটি করা হয় নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে। এরপর বিশ্ব রাজনীতিতে শুরু হয় নতুন অধ্যায়—শীতল যুদ্ধ। সোভিয়েত হুমকি এবং দ্রুত মোতায়েনের প্রস্তুতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মিত্রজোটের ঐক্য ভেঙে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ক্রমশ - [হিটলার কি সত্যিই সমাজতন্ত্রী ছিলেন? ইতিহাসের আলোকে মিথটির উত্তর](https://sarakhon.com/news/181730/): অ্যাডলফ হিটলারের নেতৃত্বাধীন নাৎসি দলের পুরো নাম ছিল ‘ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি’। দলের নামের মধ্যে ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দটি থাকায় আজও অনেকের মনে প্রশ্ন ওঠে—হিটলার কি সত্যিই সমাজতন্ত্রী ছিলেন? ইতিহাসের দলিল ও নাৎসি শাসনের বাস্তব কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই ধারণার সঙ্গে বাস্তবতার গভীর পার্থক্য রয়েছে। নাৎসিবাদের জন্ম যে অস্থির সময়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত। ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় আসে। অন্যদিকে ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে এমন এক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যা নিজেকে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের মাঝামাঝি একটি ‘তৃতীয় পথ’ হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। এই অস্থির রাজনৈতিক পরিবেশেই জার্মানিতে নাৎসিরা নিজেদের - [রাতে গানের আসর মাতিয়ে সকালে লাশের সারিতে পেহেলি ভৈরবী](https://sarakhon.com/news/181727/): সিলেটের বিশ্বনাথে মাজারের নিয়মিত গানের আসরে বৃহস্পতিবার রাতে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন ১৭ বছর বয়সী বাউল শিল্পী পেহেলি ভৈরবী। কিন্তু সেই রাতের অনুষ্ঠানই হয়ে থাকল তার জীবনের শেষ গানের আসর। অনুষ্ঠান শেষে বাবার সঙ্গে বাসে করে বাড়ি ফেরার পথে শুক্রবার সকালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। একই দুর্ঘটনায় আরও আটজন নিহত হয়েছেন। ভৈরবে আর ফেরা হলো না নিহত পেহেলি ভৈরবী কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চন্ডিবের এলাকার বাবুল মিয়ার মেয়ে। বৃহস্পতিবার রাতে বাবার সঙ্গে তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার হযরত ছাবাল শাহ (রহ.) মাজারে যান। সেখানে মাসিক দোয়া মাহফিল শেষে আয়োজিত গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পেহেলির গান শুনে উপস্থিত দর্শকরা - [ভারত থেকে ২.৩ টন কাঁদুনে গ্যাস আমদানি, কঠোর নিরাপত্তায় যশোর সেনানিবাসে](https://sarakhon.com/news/181723/): ভারত থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ২ দশমিক ৩ টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আসা চালানটি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর সেনানিবাসে পাঠানো হয়। বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপপরিচালক) রুহুল আমিন জানান, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড থেকে ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে কাঁদুনে গ্যাসের চালানটি বাংলাদেশে আনা হয়েছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস করা হয়। খালাসের পর চালানটি ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে যশোর সেনানিবাসে পাঠানো হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখান থেকে আগামী ৯ আগস্ট চালানটি ঢাকায় নেওয়া হবে। - [সাকিবের দেশে ফেরার পথ বন্ধ, হাসিনার সঙ্গে মঞ্চে ওঠায় কঠোর অবস্থানে সরকার](https://sarakhon.com/news/181721/): বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার পর সাকিবের স্বাভাবিকভাবে দেশে ফেরার সুযোগ আর নেই। সাকিবের নিরাপত্তার নিশ্চয়তার দাবি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানানোর কয়েক ঘণ্টা আগে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছিলেন, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে তিনি বাংলাদেশে ফিরতে প্রস্তুত। আদালতের কার্যক্রমের মুখোমুখি হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও তিনি রাজি বলে জানান। শ্রীলঙ্কায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে থাকা ৩৯ বছর বয়সী সাকিব ফোনে রয়টার্সকে বলেন, - [চাঁদপুর-ঢাকা সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ, ভেঙে পড়ল খিরাই নদীর বেইলি সেতু](https://sarakhon.com/news/181717/): খিরাই নদীর ওপর পুরোনো বেইলি সেতু ভেঙে পড়ায় চাঁদপুরের সঙ্গে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দাউদকান্দির খামারপাড়া এলাকায় চাঁদপুর-মতলব-দাউদকান্দি-ঢাকা সড়কের এই সেতুটি ধসে পড়ায় চাঁদপুর সদর, মতলব দক্ষিণ, মতলব উত্তর, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও হাইমচরের হাজারো মানুষকে এখন অতিরিক্ত সময় ও খরচ করে বিকল্প পথে ঢাকায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। গত ১ আগস্ট হঠাৎ করেই সেতুটি নদীতে ধসে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, কয়েক হাজার ইটবোঝাই একটি বাল্কহেড সেতুটির নিচ দিয়ে ধীরে ধীরে যাওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার পর বাল্কহেডটি নদীতে ডুবে যায়। তবে এতে থাকা ১৬ থেকে ১৭ জন শ্রমিক সাঁতরে তীরে উঠে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। এ সময় তাঁদের মোবাইল - [কিশোর কুমারের ঐতিহাসিক গৌরী কুঞ্জে বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ, বদলে গেল কিংবদন্তির ঠিকানা](https://sarakhon.com/news/181714/): মুম্বাইয়ের জুহুর সমুদ্রঘেঁষা অভিজাত এলাকায় কিশোর কুমারের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক বাংলো গৌরী কুঞ্জ পেয়েছে নতুন পরিচয়। একসময় কিংবদন্তি গায়ক ও অভিনেতা কিশোর কুমারের ব্যক্তিগত আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত এই সম্পত্তির একটি অংশ এখন ভারতীয় ক্রিকেটার বিরাট কোহলির ওয়ান৮ কমিউন রেস্তোরাঁর ঠিকানা। কিশোরের স্মৃতিতে গৌরী কুঞ্জ গৌরী কুঞ্জ নামটি কিশোর কুমারের কাছে ছিল বিশেষ অর্থবহ। তাঁর মা গৌরী দেবীর নামে নামকরণ করা এই বাংলো শুধু থাকার জায়গা ছিল না; বরং কর্মব্যস্ত চলচ্চিত্রজীবনের বাইরে নিজের মতো করে সময় কাটানোর একটি নিরিবিলি আশ্রয় ছিল এটি। বাড়িটিতে সবুজে ঘেরা বাগান, খোলা জায়গা ও উঠান ছিল। সেখানে কিশোর কুমার গান ও সুর নিয়ে কাজ করতেন, বন্ধু ও চলচ্চিত্রজগতের - [জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে ফিলিপাইনের ধানচাষিরা](https://sarakhon.com/news/181697/): মেরিয়াম সাবা ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ধান চাষ করছিলেন। এমন সময় তিনি জানতে পারেন, ধান চাষের আরও ভালো একটি পদ্ধতি হয়তো রয়েছে। ফিলিপাইনের জাতীয় সেচ প্রশাসনের একটি দল দেশের সবচেয়ে বড় হ্রদের দক্ষিণ তীরের তাঁর এলাকার কৃষকদের মধ্যে এমন কয়েকজনকে খুঁজছিল, যারা একটি বিকল্প ধান চাষ পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করতে আগ্রহী। ম্যানিলা থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ওই এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে কম পানি লাগে এবং ফলে সেচের জন্য পানি তোলার খরচও কমে। তবে সুবিধা এখানেই শেষ নয়। “সেচ কর্মকর্তারা আমাকে আরও বলেছিলেন, এতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমবে,” ৫২ বছর বয়সী সাবা বলেন। “এটুকুই আমার কাছে ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা - [যুদ্ধের নতুন যুগ: প্রযুক্তি, শক্তির রাজনীতি এবং দীর্ঘ সংঘাতের বিশ্ব](https://sarakhon.com/news/181692/): বিশ্ব রাজনীতি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পুরোনো ধারণা দিয়ে নতুন বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ইউক্রেনের যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাত, তাইওয়ান প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা, সাইবার হামলার বিস্তার কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত সামরিক ব্যবহার—এসব ঘটনাকে যদি বিচ্ছিন্ন সংকট হিসেবে দেখা হয়, তাহলে সামগ্রিক পরিবর্তনের চিত্রটি ধরা পড়বে না। বরং এগুলো এমন এক গভীর রূপান্তরের অংশ, যেখানে যুদ্ধের চরিত্র, রাষ্ট্রশক্তির প্রকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তি একযোগে বদলে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে আধুনিক যুদ্ধের প্রতীক ছিল ট্যাংক, যুদ্ধবিমান, বিশাল সেনাবাহিনী এবং দ্রুত সামরিক অভিযান। প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে অল্প সময়ে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার ধারণাই ছিল সামরিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর - [আকাশেই উড়ন্ত গবেষণাগার! নতুন প্রজন্মের বিশাল বিমান ইঞ্জিন পরীক্ষা চলছে বিশেষ বোয়িং উড়োজাহাজে](https://sarakhon.com/news/181690/): বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো নতুন ইঞ্জিনের কঠোর পরীক্ষা। সেই পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিমান ইঞ্জিন নির্মাতা জিই অ্যারোস্পেস ব্যবহার করছে একটি বিশেষভাবে রূপান্তরিত বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজ, যাকে বলা হয় ‘উড়ন্ত গবেষণাগার’। এই উড়োজাহাজেই পরীক্ষা করা হচ্ছে বোয়িংয়ের বহুল প্রতীক্ষিত ৭৭৭এক্স বিমানের জন্য তৈরি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জেট ইঞ্জিন। পুরোনো যাত্রীবাহী বিমান, নতুন বৈজ্ঞানিক দায়িত্ব তিন দশকেরও বেশি পুরোনো একটি বোয়িং ৭৪৭-৪০০ একসময় শত শত যাত্রী বহন করত। এখন সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নিয়েছে। যাত্রীবাহী আসনের বড় অংশ সরিয়ে সেখানে বসানো হয়েছে বিশাল তথ্য সংগ্রহের যন্ত্র, শক্তিশালী কম্পিউটার, সেন্সর এবং হাজার হাজার ফুট দীর্ঘ বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থা। - [পুলিশ-আদালতের একের পর এক ব্যর্থতায় সিরিয়াল যৌন অপরাধীর হাতে প্রাণ গেল দুই নারীর](https://sarakhon.com/news/181687/): লন্ডনে নিবন্ধিত এক যৌন অপরাধীর বিরুদ্ধে বছরের পর বছর অভিযোগ, গ্রেপ্তার, জামিন এবং নজরদারির পরও তাকে কার্যকরভাবে আটক রাখতে ব্যর্থ হয় পুলিশ, প্রসিকিউশন ও বিচারব্যবস্থা। সেই ব্যর্থতার সুযোগে তিনি দুই নারীকে হত্যা, আরেক নারীকে ধর্ষণ এবং গণপরিবহনে আরও বহু নারীকে যৌন নিপীড়নের সুযোগ পান। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের পর ঘটনাটির নেপথ্যের ধারাবাহিক প্রশাসনিক ও আইনি ব্যর্থতা সামনে এসেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, অপরাধী সাইমন লেভি আগেই যৌন অপরাধে দণ্ডিত ছিলেন এবং কারাভোগও করেছিলেন। কারামুক্তির পরও তাকে নিবিড় নজরদারিতে রাখার কথা থাকলেও পুলিশ তার ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে দেয়। এর ফলে তার ওপর পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্যভাবে শিথিল হয়ে যায়। পরে তিনি একের - [নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব, মুখোমুখি হবেন বিচার প্রক্রিয়ার](https://sarakhon.com/news/181682/): সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, সরকার তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে তিনি দেশে ফিরতে প্রস্তুত। দেশে ফিরে তিনি চলমান মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে চান এবং নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ও বাংলাদেশের মাটিতেই শেষ করতে আগ্রহী। দীর্ঘ প্রায় দুই বছর দেশের বাইরে থাকা সাকিব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বলেছেন, দেশে ফেরার জন্য তিনি সরকারের কাছ থেকে শুধু নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান। এরপর আদালতের মুখোমুখি হওয়া বা প্রয়োজনীয় যেকোনো আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে তার আপত্তি নেই। সাকিব বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি। তাই দেশে ফিরে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান। তার ভাষ্য, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে তিনি দেশে - [ইউরোপে নতুন জলবোমারু বিমান তৈরির দৌড়, দাবানল মোকাবিলায় বড় প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/181677/): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ দাবানলের ঘটনা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পুরোনো জলবাহী অগ্নিনির্বাপক বিমানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন প্রজন্মের জলবোমারু বিমান তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছে ইউরোপের কয়েকটি নতুন প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর ইউরোপে প্রায় পাঁচ লাখ হেক্টর জমি দাবানলে পুড়ে যাওয়ার পর এই উদ্যোগ আরও গতি পেয়েছে। ফ্রান্সের তুলুজ শহরে একটি পুরোনো টার্বোপ্রপ বিমানের কাঠামোর ভেতরে দাঁড়িয়ে প্রকৌশলী জোনাথন বেক দেখাচ্ছেন, কীভাবে তার প্রতিষ্ঠান নতুন ধরনের জলবাহী বিমান তৈরি করতে চায়। পুরোনো বিমানকে রূপান্তর করে তৈরি এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতের দাবানল মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। পুরোনো জলবাহী বিমানের সংকট দশকের পর দশক ধরে কানাডার তৈরি জল সংগ্রহকারী বিমানগুলো ইউরোপের - [হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/181678/): হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা প্রথম আলো, দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার শুরু থেকেই ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা দিলেও গত বুধবারের ওই মতবিনিময়ের আয়োজন সেই প্রচেষ্টাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনার দিল্লির অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে ভারত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একজন প্রতিনিধির সঙ্গে ঢাকার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের যোগাযোগ হয়। তাঁদের আলাপচারিতায় দিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে শেখ হাসিনার মতবিনিময় নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানো হয়। জবাবে ভারতীয় পক্ষ আশ্বস্ত করেছিল, অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার রেকর্ড করা বক্তব্য প্রচার - [ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাণিজ্য জগতে বড় ধাক্কা, বিপাকে হাজারো ছোট ব্যবসা](https://sarakhon.com/news/181674/): ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার অন্যতম বড় অনলাইন বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের কার্যক্রম বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। হামলার প্রভাবে শুধু কোম্পানিটির গুদাম ও সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং এর সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার ছোট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গত তিন সপ্তাহে রাশিয়ার বিভিন্ন স্থানে ওয়াইল্ডবেরিজের অন্তত ২০টি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। এসব হামলায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড, পণ্য ধ্বংস এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোম্পানিটির প্রায় ১১ লাখ ৮০ হাজার বর্গমিটার গুদাম এলাকার সমপরিমাণ জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, যা তাদের মোট গুদাম সক্ষমতার এক-পঞ্চমাংশের বেশি। ছোট উদ্যোক্তাদের ব্যবসায় নেমে এসেছে সংকট মস্কোর বাসিন্দা - [মানব বিবর্তনের ৮ কোটি ৫০ লাখ বছরের ইতিহাস](https://sarakhon.com/news/181671/): মানব বিবর্তনের বৃক্ষে অসংখ্য প্রজাতি আমাদের প্রজাতির উৎপত্তির ইতিহাস পুনর্গঠন করতে নানা ধরনের প্রমাণের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে রয়েছে জীবাশ্ম ও প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ—যেমন হাড় ও প্রাচীন নিদর্শন—এছাড়া রয়েছে আণবিক প্রমাণ, যেমন প্রাচীন ডিএনএ, এবং অতীতের জলবায়ু ও পরিবেশ সম্পর্কিত তথ্য। গত কয়েক দশকে এ ক্ষেত্রে আবিষ্কারের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মানব বিবর্তনের ইতিহাস আরও বহু দূর অতীতে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সঙ্গে এটি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ, নতুন নতুন প্রত্নস্থল আবিষ্কৃত হয়েছে যেখানে আমাদের প্রাচীন পূর্বপুরুষরা বাস করতেন, পাশাপাশি মানব পরিবারের বৃক্ষে যুক্ত হয়েছে একের পর এক নতুন প্রজাতি। তবে প্রত্নতাত্ত্বিক নথি অসম্পূর্ণ হওয়ায় কোনো বৈশিষ্ট্য বা প্রজাতি প্রথম কখন এবং - [মালয়েশিয়ার ডানমুখী রাজনৈতিক মোড়: কেন উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত আসিয়ানের](https://sarakhon.com/news/181620/): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজ হওয়া সত্ত্বেও দেশটি একই সঙ্গে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং বহুজাতিক সামাজিক কাঠামোর মধ্যে একটি কার্যকর ভারসাম্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই সমন্বয় নিখুঁত ছিল না, কিন্তু কয়েক দশক ধরে এটি প্রমাণ করেছে যে ধর্মীয় পরিচয়, জাতিগত বৈচিত্র্য, উন্মুক্ত অর্থনীতি এবং সাংবিধানিক শাসন পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং সঠিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনে তারা একে অপরকে শক্তিশালীও করতে পারে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেই ভারসাম্য এখন নতুন এক পরীক্ষার মুখে। পরিবর্তনটি কেবল ক্ষমতার পালাবদলের প্রশ্ন নয়; বরং মালয়েশিয়ার রাজনীতি কোন আদর্শিক পথে এগোবে, সেটিই এখন মূল আলোচ্য - [ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন](https://sarakhon.com/news/181661/): রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উত্তর আটলান্টিক জোট বা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর সীমিত ধরনের হামলা চালিয়ে জোটটির ঐক্য ও প্রতিক্রিয়া যাচাই করার চেষ্টা করতে পারেন—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের নতুন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এই হামলা সরাসরি বড় আকারের যুদ্ধ নাও হতে পারে; বরং সাইবার আক্রমণ, সীমান্তে ছোট পরিসরের অনুপ্রবেশ কিংবা পরিচয় গোপন রেখে সশস্ত্র বাহিনী পাঠানোর মতো কৌশলও ব্যবহার করা হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের চাপ বাড়ার সঙ্গে বদলেছে মূল্যায়ন মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, আগে ধারণা ছিল ইউক্রেনে যুদ্ধ চলাকালে পুতিন ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশকে উসকে দেবেন না। তবে চলতি বছরে সেই মূল্যায়ন বদলেছে। কারণ ইউক্রেনে - [আকাশযুদ্ধের কিংবদন্তি ল্যাঙ্কাস্টার: ভুল পরিকল্পনা থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ বোমারু বিমানের উত্থান](https://sarakhon.com/news/181664/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে কিছু অস্ত্র ও যুদ্ধযান শুধু সামরিক সাফল্যের প্রতীক হয়ে থাকে না, তারা হয়ে ওঠে একটি যুগের পরিচয়। ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের অ্যাভ্রো ল্যাঙ্কাস্টার তেমনই এক কিংবদন্তি। শুরুতে যাকে অনেকটা “অতিরিক্ত ভাবনা” বা পরিকল্পনার বাইরে তৈরি একটি বিমান হিসেবে দেখা হয়েছিল, সেটিই পরে ব্রিটেনের সবচেয়ে সফল ভারী বোমারু বিমানে পরিণত হয়। সারাক্ষণ রিপোর্ট বিমান বাহিনীর মার্শাল স্যার আর্থার টেডার একসময় ল্যাঙ্কাস্টারকে বলেছিলেন, “যে পরিকল্পনাহীন চিন্তা থেকে শুরু হয়েছিল, সেটিই যুদ্ধের অন্যতম সফল ও কার্যকর বোমারু বিমান হয়ে উঠেছে।” তবে বাস্তবে ল্যাঙ্কাস্টারের গুরুত্ব আরও বেশি ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে এটি রয়্যাল এয়ার ফোর্সের বোমারু বাহিনীর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভারী - [‘প্যানজার’ ভেবে ভুল, আসলে ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী প্যাটন ট্যাংক](https://sarakhon.com/news/181656/): যুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে যারা গভীর আগ্রহ রাখেন, তাদের চোখ অনেক সময় সামান্য ভুলও ধরে ফেলে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে হিস্ট্রি অব ওয়ার-এর একটি সংখ্যায় প্রকাশিত ছবিকে ঘিরে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জার্মান সেনাবাহিনীর বিখ্যাত ট্যাংক কমান্ডার হেইঞ্জ গুদেরিয়ানকে নিয়ে প্রকাশিত এক প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি ‘প্যানজার’ ট্যাংকের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকজন ইতিহাসপ্রেমী পাঠকের তীক্ষ্ণ নজরে ধরা পড়ে ছবিটিতে কিছুটা অসঙ্গতি রয়েছে। আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেটি আসলে কোনো জার্মান প্যানজার ট্যাংক নয়; বরং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তৈরি মার্কিন প্যাটন ট্যাংককে বিশেষভাবে সাজিয়ে প্যানজারের মতো দেখানো হয়েছিল। ট্যাংক শনাক্তকরণে দক্ষ পাঠকদের এই ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে হিস্ট্রি অব ওয়ার কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, সামরিক - [চীনের চাপের মুখে যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদার, তাইওয়ানের বৃহত্তম সামরিক মহড়া শুরু](https://sarakhon.com/news/181650/): চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপের মধ্যে সম্ভাব্য যেকোনো সংঘাত মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে বছরের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শুরু করেছে তাইওয়ান। ৫ আগস্ট শুরু হওয়া বার্ষিক হান কুয়াং মহড়া চলবে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। এই মহড়ায় শুধু সেনাবাহিনী নয়, রিজার্ভ বাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং সাধারণ নাগরিকদেরও অংশগ্রহণ করানো হচ্ছে, যাতে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পুরো সমাজ কীভাবে কাজ করবে, তার বাস্তব অনুশীলন করা যায়। বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতি অনুকরণ হান কুয়াং মহড়ায় এমন সব পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যেন চীনা বাহিনী সত্যিই দ্বীপে আক্রমণ চালিয়েছে। সৈন্য ও রিজার্ভ সদস্যরা উপকূলে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান গ্রহণ, মর্টার মোতায়েন, আধুনিক রাইফেল পরিচালনা এবং শত্রুপক্ষের অবতরণ ঠেকানোর অনুশীলন করছেন। তাইওয়ানের দক্ষিণাঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ - [এক দশকের ভালোবাসার প্রতিদান, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম স্টেডিয়াম কনসার্ট নিয়ে ফিরছেন চার্লি পুথ](https://sarakhon.com/news/181646/): এক সময় দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম কনসার্টে দর্শকদের টানা পাঁচ মিনিটের করতালিতে অভিভূত হয়েছিলেন মার্কিন গায়ক-গীতিকার চার্লি পুথ। সেই স্মৃতি আজও তাঁর কাছে অমলিন। ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে পাওয়া সেই ভালোবাসাই তাঁর জীবন বদলে দিয়েছিল বলে মনে করেন তিনি। এবার সেই দেশের ভক্তদের জন্য আরও বড় আয়োজন নিয়ে ফিরছেন এই জনপ্রিয় শিল্পী। আগামী ১১ অক্টোবর তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াং স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দেশের মাটিতে নিজের প্রথম স্টেডিয়াম কনসার্ট করতে যাচ্ছেন। চার্লি পুথ জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেবল একজন শিল্পী ও দর্শকের নয়, বরং আবেগেরও। বছরের পর বছর ধরে কোরিয়ার ভক্তরা তাঁকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, সেটিই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ছোট - [রোগীর আস্থা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফল ব্যবহার সম্ভব নয়: সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/181643/): স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে রোগীর তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে আস্থা ও ভারসাম্যপূর্ণ নীতি অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অং ইয়ে কুং। তিনি বলেন, যদি প্রতিটি তথ্য—এমনকি পরিচয়বিহীন বা বেনামী করা তথ্যও—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের আগে আলাদা করে রোগীর সম্মতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়, তাহলে স্বাস্থ্যখাতে এই প্রযুক্তির বাস্তব ব্যবহার কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। রোগীর তথ্য ব্যবহারে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে পুরোপুরি অবিশ্বাস করলে স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। তাঁর মতে, রোগীর তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তবে একই সঙ্গে প্রযুক্তির সম্ভাবনাকেও কাজে লাগাতে হবে। তিনি জানান, কৃত্রিম - [দাপটের গাড়ি থেকে ‘ভয়ের প্রতীক’: কেন বদলে গেল মাহিন্দ্রা থারের ভাবমূর্তি?](https://sarakhon.com/news/181640/): ভারতের জনপ্রিয় ক্রীড়াধর্মী বহুমুখী যান মাহিন্দ্রা থার একসময় ছিল শক্তিশালী নকশা, দুর্গম পথে চলার সক্ষমতা এবং সাহসী অভিযানের প্রতীক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই গাড়ির পরিচয়ের সঙ্গে জুড়ে গেছে আরেকটি বিতর্কিত পরিচয়—বেপরোয়া চালনা, সড়কে দাদাগিরি এবং জননিরাপত্তার প্রতি অবহেলা। ফলে অনেক সাধারণ পথচারী ও অন্যান্য গাড়িচালকের কাছে থার এখন আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয়তার সঙ্গে বেড়েছে বিতর্ক ভারতে এমনিতেই ট্রাফিক আইন মানার সংস্কৃতি দুর্বল বলে সমালোচনা রয়েছে। এই বাস্তবতায় বড় আকারের শক্তিশালী গাড়ি অনেকের কাছে প্রভাব বিস্তারের একটি উপায় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মাহিন্দ্রা থারকে ঘিরে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে, এর কিছু চালক সড়কে অন্যদের ভয় দেখিয়ে চলেন, নিয়ম ভাঙেন এবং - [কর্মক্ষেত্রে আহত শ্রমিকদের আইনি লড়াই কঠিন হয়ে উঠছে, আইনজীবীর সংকটে বাড়ছে ভোগান্তি](https://sarakhon.com/news/181629/): যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কর্মক্ষেত্রে আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের লড়াই ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে নর্থ ডাকোটায় পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক যে আহত শ্রমিকদের পক্ষে মামলা লড়তে বর্তমানে মাত্র দুইজন আইনজীবী রয়েছেন। তারাও অবসরের কাছাকাছি। ফলে বহু শ্রমিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার থাকা সত্ত্বেও আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দুর্ঘটনার পর শুরু দীর্ঘ সংগ্রাম ২০২০ সালে নর্থ ডাকোটার ফার্গো শহরে একটি দোকানে পণ্য সরবরাহ করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গুরুতর আহত হন ওক রেইলে। দুর্ঘটনায় তার মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকা ভেঙে যায় এবং বগলের নিচ থেকে পুরো শরীর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়। দীর্ঘ হাসপাতাল ও পুনর্বাসন শেষে তিনি তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন। চিকিৎসকের - [জাতিসংঘের সামনে তিব্বতি কর্মীর আত্মাহুতি, নতুন করে আলোচনায় তিব্বত আন্দোলন](https://sarakhon.com/news/181635/): নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে এক তিব্বতি আন্দোলনকর্মীর আত্মাহুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও তিব্বত ইস্যু আলোচনায় উঠে এসেছে। তিব্বতের স্বাধীনতার দাবিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা লোবগা রাংজেনের এই পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে প্রবাসী তিব্বতি সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন দেশে স্মরণসভা, প্রতিবাদ কর্মসূচি ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ায় বহুদিন ধরে বিভক্ত অবস্থায় থাকা আন্দোলনটি নতুন গতি পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। শেষ মুহূর্তে প্রতিবাদের বার্তা ঘটনার আগে লোবগা রাংজেন একটি ভিডিও বার্তায় তিব্বতের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, চীনের নীতির ফলে তিব্বতিদের ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়ছে। তিনি দাবি - [ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: উদযাপনের অপেক্ষায় ভক্তরা, কিন্তু বাড়ছে হতাশা](https://sarakhon.com/news/181630/): বিশ্বজুড়ে কে-পপপ্রেমীদের অন্যতম প্রিয় দল ব্ল্যাকপিঙ্ক শনিবার তাদের যাত্রার এক দশক পূর্ণ করতে যাচ্ছে। তবে এত বড় মাইলফলকের ঠিক আগে আনন্দের চেয়ে ভক্তদের মধ্যে হতাশা ও আক্ষেপই বেশি দেখা যাচ্ছে। কারণ, এখন পর্যন্ত চার সদস্যকে একসঙ্গে নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান, নতুন প্রকাশনা বা উদযাপনার ঘোষণা আসেনি। দশ বছর আগে ‘স্কয়ার ওয়ান’ প্রকাশের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে ব্ল্যাকপিঙ্ক। শুরুতেই ‘হুইসেল’ ও ‘বুমবায়াহ’ দারুণ সাড়া ফেলে। এরপর ‘প্লেয়িং উইথ ফায়ার’, ‘হাউ ইউ লাইক দ্যাট’, ‘পিঙ্ক ভেনম’, ‘শাট ডাউন’ এবং ‘জাম্প’-এর মতো জনপ্রিয় গান দিয়ে দলটি বিশ্বের অন্যতম সফল কে-পপ গোষ্ঠীতে পরিণত হয়। দলগত পথের পাশাপাশি একক সাফল্য ২০২৩ সালের পর থেকে ব্ল্যাকপিঙ্কের চার - [স্কটল্যান্ডের ছোট্ট শহরে পার্কিং মিটার ঘিরে তীব্র ক্ষোভ, রহস্যময় ‘প্রতিশোধকারী’কে খুঁজছে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/181625/): স্কটল্যান্ডের সমুদ্রতীরবর্তী শান্ত শহর নর্থ বারউইকে নতুন পার্কিং ব্যবস্থা ঘিরে শুরু হয়েছে অদ্ভুত এক সংঘাত। শহরের বিভিন্ন স্থানে বসানো নতুন পার্কিং মিটার একের পর এক ভাঙচুরের শিকার হচ্ছে। রাতের আঁধারে কেউ সুপার গ্লু ও প্রসারণশীল ফোম ব্যবহার করে মিটারগুলো অচল করে দিচ্ছে। বহু মিটার ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই রহস্যময় ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালিয়ে গেলেও শহরের অনেক বাসিন্দার মধ্যে ওই ব্যক্তির প্রতি প্রকাশ্য বা নীরব সমর্থনের ইঙ্গিত মিলছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়েই নতুন পার্কিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়ীদের - [এআই কি মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণের পথে? নতুন নাটক ঘিরে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/181621/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের জীবনকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে—এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ডিসরাপশন নামের একটি নাটক। প্রযুক্তি, ব্যক্তিগত তথ্য এবং মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা নিয়ে নির্মিত এই নাটকটি সমালোচকদের দৃষ্টি কেড়েছে এর সময়োপযোগী বিষয়বস্তু ও মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনাপূর্ণ উপস্থাপনার জন্য। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন সিলিকন ভ্যালির এক সফল প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, যিনি বহু বছর পর পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তিনি বন্ধুদের সামনে এমন একটি নতুন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন, যার মূল আকর্ষণ একটি অত্যাধুনিক অ্যালগরিদম। এই অ্যালগরিদম মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়। প্রথমে প্রস্তাবটি লাভজনক ব্যবসার সুযোগ - [ট্রাম্পের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/182320/): ট্রাম্পের জন্য এখন মূল চ্যালেঞ্জ শুধু ইরানের কাছ থেকে একটি চুক্তি আদায় করা নয়; বরং এমন একটি সমঝোতা তৈরি করা, যা ইরানের ক্ষমতাসীন কাঠামো দীর্ঘমেয়াদে গ্রহণ করবে। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, ইরানের কোনো প্রেসিডেন্ট বা মধ্যপন্থী নেতা আলোচনায় আগ্রহ দেখালেই দেশটির পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক দিক বদলে যায় না। ইরানে প্রেসিডেন্ট ও সংসদ নির্বাচিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা, সামরিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্তে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতৃত্বের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। ফলে ওয়াশিংটন যদি শুধু নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৃহত্তর পরিবর্তনের আশা করে, তাহলে আবারও হতাশ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যুদ্ধ কি ইরানকে আরও কঠোর করেছে সাম্প্রতিক যুদ্ধ ইরানের ধর্মীয় ও সামরিক নেতৃত্বকে দুর্বল করার পরিবর্তে আরও শক্তিশালী - [আফ্রিকায় চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপট, চাপে সিলিকন ভ্যালি](https://sarakhon.com/news/182319/): আফ্রিকার প্রযুক্তি দুনিয়ায় দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি। কম খরচ, উন্মুক্ত ব্যবহারের সুযোগ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তিকে নিজেদের মতো করে বদলে নেওয়ার সুবিধার কারণে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও নির্মাতারা ক্রমেই চীনা এআই মডেলের দিকে ঝুঁকছেন। এতে দীর্ঘদিনের মার্কিন প্রযুক্তি-আধিপত্যের সামনে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনের অবস্থান আরও শক্ত হচ্ছে। উগান্ডার প্রযুক্তি উদ্যোক্তা আর্নেস্ট মওয়েবাজের অভিজ্ঞতাই এর বড় উদাহরণ। নিজের দেশের অসংখ্য স্থানীয় ভাষায় কৃষি-সংক্রান্ত তথ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থা তৈরি করছিলেন। সে সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিভিন্ন এআই মডেল পরীক্ষা করেন। শেষ পর্যন্ত চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলিবাবার একটি মডেলকে তিনি - [বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ বাড়াতে নীতিমালা করছে সরকার](https://sarakhon.com/news/182316/): জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনে বেসরকারি খাতের ভূমিকা নির্ধারণ করে একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখাই প্রস্তাবিত ‘বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। বেসরকারি বিনিয়োগ ও অবকাঠামো কাজে লাগানোর উদ্যোগ জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এর আওতায় জাতীয় স্বার্থে বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে কাজে লাগানো হবে। বিশেষ করে - [শুধু মেধাবী নয়, মানুষ তৈরির শিক্ষা চাই](https://sarakhon.com/news/182285/): একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সাফল্য কেবল কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো ফল করল, কতজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলো কিংবা কতজন কর্মসংস্থানে প্রবেশ করল—এসব সূচক দিয়ে মাপা যায় না। শিক্ষা শেষ পর্যন্ত কেমন মানুষ তৈরি করছে, সেটিই তার সবচেয়ে গভীর পরীক্ষা। জ্ঞান যদি দায়িত্ববোধ তৈরি না করে, মেধা যদি সহমর্মিতার সঙ্গে যুক্ত না হয় এবং সাফল্য যদি সামাজিক কর্তব্যবোধকে দুর্বল করে, তাহলে সেই শিক্ষাব্যবস্থার অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট কারণ থাকে। এই জায়গাতেই মূল্যবোধের শিক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবা জরুরি। শ্রীলঙ্কার শিক্ষা নীতিতে কয়েক দশক ধরেই নৈতিকতা, মানবিকতা, সামাজিক দায়িত্ব, আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং জাতীয় সংহতির মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু নীতিপত্রে কোনো - [হরমুজ প্রণালি: ইরান যুদ্ধ থামানোর চাবিকাঠি কি এখানেই?](https://sarakhon.com/news/182286/): ইরান যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামরিক শক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সংঘাতের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক পরিণতি। কয়েক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতায় আঘাত করলেও যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির পথ তৈরি করতে পারেনি। বরং প্রতিটি নতুন হামলার হুমকি পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং জ্বালানি অবকাঠামোর নিরাপত্তাকে আরও অনিশ্চিত করেছে। এই বাস্তবতায় হরমুজ প্রণালি এখন শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নয়; এটি হয়ে উঠেছে যুদ্ধের পরবর্তী গতিপথ নির্ধারণের অন্যতম প্রধান উপাদান। হুমকি, হামলা ও আকস্মিক বিরতি সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানে একটি পুনরাবৃত্ত ধারা স্পষ্ট হয়েছে। ওয়াশিংটন যখন ইরানের জ্বালানি - [শিক্ষক শুধু শিক্ষক নন, শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য আশ্রয়ও](https://sarakhon.com/news/182104/): বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের কাজ কী? প্রচলিত উত্তর হবে—শ্রেণিকক্ষে পড়ানো, পরীক্ষা নেওয়া, গবেষণা করা এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দিকনির্দেশনা দেওয়া। কিন্তু বাস্তব বিশ্ববিদ্যালয়জীবন এই সংজ্ঞার চেয়ে অনেক বিস্তৃত। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় একজন শিক্ষককে প্রায়ই একই সঙ্গে প্রশাসক, পরামর্শদাতা, অভিভাবক, অনুবাদক, মধ্যস্থতাকারী, অভিযোগ শোনার ব্যক্তি এবং কখনো কখনো সংকট মোকাবিলাকারীর ভূমিকাও পালন করতে হয়। সমস্যা হলো, এই অতিরিক্ত কাজগুলোর বড় অংশই আনুষ্ঠানিক দায়িত্বের তালিকায় থাকে না। অথচ শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়জীবন স্বাভাবিক রাখতে এগুলোর গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়। শিক্ষকের ওপর বাড়তে থাকা প্রশাসনিক চাপ মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাননিয়ন্ত্রণ ও স্বীকৃতি প্রক্রিয়া নিজেই বড় ধরনের প্রশাসনিক শ্রম দাবি করে। মালয়েশিয়ান কোয়ালিটি এজেন্সির (এমকিউএ) নথিপত্র, - [চট্টগ্রামে আগুন নেভাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিএনপির সাবেক নেতা নিহত](https://sarakhon.com/news/182302/): চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতে লাগা আগুন নেভাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের দক্ষিণ টেইলরদ্বীপ এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. জামাল উদ্দিন আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন। আগুন নেভাতে গিয়ে দুর্ঘটনা স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, জামাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই মো. মুজিবের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন লাগার খবর পেয়ে জামাল উদ্দিন দ্রুত সেখানে ছুটে যান। পরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করার সময় তিনি বাড়ির আইপিএসের সঙ্গে সংযুক্ত বৈদ্যুতিক লাইন বন্ধ করতে যান। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে পড়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই - [ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্টে বড় পরিবর্তন, একসঙ্গে ১৫ দিনের স্লট](https://sarakhon.com/news/182309/): ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট ব্যবস্থাপনায় নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে একসঙ্গে সাত দিনের বদলে ১৫ দিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। নতুন সিদ্ধান্তে একসঙ্গে ১৫ দিনের স্লট দীনেশ ত্রিবেদী জানান, আগে প্রতিদিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা হতো। এতে বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য ভারত যেতে ইচ্ছুক রোগীদের নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। পরে স্লট এক সপ্তাহের জন্য একসঙ্গে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হাইকমিশনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার স্লটের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে ১৫ দিন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রয়োজন - [রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত, ২০ আগস্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/182301/): বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন বলে দলটির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার বরাতে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দলীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করা মির্জা ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরই নির্ভরশীল ছিল। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন নেতাও মির্জা ফখরুলের মনোনয়নের বিষয়টি - [পৃথিবীর বাইরে জীবনের খোঁজে নতুন আশার আলো, বায়ুমণ্ডলসহ সম্ভাবনাময় গ্রহের সন্ধান](https://sarakhon.com/news/182293/): পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে গিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যেখানে প্রাণ টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। গ্রহটির নাম এলএইচএস ১১৪০বি। নতুন পর্যবেক্ষণ থেকে জোরালো ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, গ্রহটির চারপাশে হিলিয়ামসমৃদ্ধ একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এখনো এই গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তরল পানি, পাথুরে গঠন এবং বায়ুমণ্ডলের মতো প্রাণধারণের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সেখানে থাকার সম্ভাবনা নতুন করে আশাবাদ তৈরি করেছে। প্রাণের জন্য উপযোগী তিন বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর মতো প্রাণের অস্তিত্বের জন্য সাধারণত কয়েকটি মৌলিক শর্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহটি পাথুরে হওয়া, এমন তাপমাত্রায় থাকা যাতে তরল পানি থাকতে - [ইউক্রেনের যুদ্ধের মানবিক চিত্র বদলে দিচ্ছে মার্কিন ধর্মপ্রচারকদের মনোভাব](https://sarakhon.com/news/182289/): ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল ও ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ সমর্থকদের মধ্যে যে বিভাজন তৈরি হয়েছে, তা বদলাতে মাঠে নেমেছেন ইউক্রেনীয় ধর্মীয় নেতারা। যুদ্ধের ভয়াবহ মানবিক বাস্তবতা সরাসরি মার্কিন ধর্মযাজকদের সামনে তুলে ধরে তারা ইউক্রেনের প্রতি সহানুভূতি এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী ওদেসায় গত মে মাসে এমনই এক সফরে গিয়ে মার্কিন ধর্মপ্রচারক মার্ক বার্নস নিজের আগের অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে অনুশোচনা করেন। সম্মেলনকক্ষে তিনি বলেন, ‘আমি ভুল ছিলাম।’ এরপর তিনি জানান, প্রায় তিন বছর ধরে তিনি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলেন। বার্নসের এই পরিবর্তনকে ইউক্রেনের ধর্মীয় নেতারা গুরুত্বপূর্ণ একটি অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল খ্রিস্টানদের একটি - [পারি মনির ধর্ষণচেষ্টা মামলা: ৩০ নভেম্বর ফের জেরার মুখোমুখি অভিনেত্রী](https://sarakhon.com/news/182281/): ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের একটি আদালত ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অভিনেত্রী পরীমনির জেরা আগামী ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন। নির্ধারিত সময়ে আদালতে পৌঁছাতে না পারায় রোববার নতুন তারিখ ঠিক করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক শাহাদাত হোসেন। মামলার আসামি নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী ওমি এবং শহীদুল আলম। তারা তিনজনই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। মামলার অভিযোগ ও ঘটনাপ্রবাহ মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৮ জুন ঢাকার অদূরে তুরাগ নদীর তীরে বিরুলিয়ায় অবস্থিত বোট ক্লাবে পরীমনি হয়রানির শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়। এর পাঁচ দিন পর, ১৩ জুন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন পরীমনি। সেখানে তিনি তাকে - [কিছুই ঘটবে না—এই বাজি কি ফেডের জন্য বিপজ্জনক?](https://sarakhon.com/news/182257/): বিশ্ব অর্থনীতিতে কখনো কখনো সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই, যখন সবাই ধরে নেয়—কিছুই ঘটবে না। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ যেন এখন ঠিক এমনই এক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর কৌশল হলো, ভবিষ্যতে সুদের হার নিয়ে ফেড কী করবে সে বিষয়ে খুব বেশি কিছু না বলা। ধারণাটি হলো, বাজার নিজেই অর্থনীতির গতিপথ বুঝে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু অর্থনীতিতে যখন একসঙ্গে একাধিক ঝুঁকি জমতে থাকে, তখন নীরবতা বাজারকে স্থির করার বদলে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। সম্প্রতি ফেডের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের পর ওয়ার্শের সংবাদ সম্মেলন ছিল অত্যন্ত সংযত। সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তের পরও তাঁর বক্তব্য বাজারকে আশ্বস্ত করতে - [৪৩ বছর বয়সেও ‘চিরকিশোর’ রাজনীতিক! জ্যাক পোলানস্কিকে ঘিরে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/182276/): পোলানস্কির রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে আলোচনায় বারবার উঠে আসছে তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতার বৈপরীত্য। ৪৩ বছর বয়সে তিনি সেই পর্যায়ে পৌঁছেছেন, যখন ডেভিড ক্যামেরন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় একই বয়সী ছিলেন। ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সময় তাঁর বয়স হবে প্রায় ৪৬—যে বয়সে জন মেজর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তবু তাঁর সমর্থকদের একটি অংশ তাঁকে এখনো এমন একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দেখেন, যিনি শেখার পর্যায়ে রয়েছেন। তাঁর অতীতের কিছু বিব্রতকর কর্মকাণ্ডও অনেক সময় বয়সের অজুহাতে ব্যাখ্যা করা হয়। এমনকি একসময় তিনি সম্মোহনের মাধ্যমে কারও স্তনের আকার বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন—যে ঘটনা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট অস্বস্তিকর হলেও তাঁর সমর্থকদের কেউ কেউ সেটিকে তাঁর তরুণ - [হরমুজ ও লোহিত সাগরের ঝুঁকি বাড়তেই বিশ্বজুড়ে তেল পাইপলাইনে বিনিয়োগের হিড়িক](https://sarakhon.com/news/182233/): মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, সমুদ্রপথে হামলার আশঙ্কা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জ্বালানি পরিবহনের ঝুঁকি—সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে তেল পাইপলাইনে নতুন করে বিনিয়োগের ঢেউ শুরু হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহকে নিরাপদ রাখতে এবং হরমুজ প্রণালির মতো সংকটপূর্ণ পথ এড়াতে বিভিন্ন দেশ ও তেল কোম্পানি দীর্ঘ পাইপলাইন নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ ঢালছে। যুদ্ধ থেকেই পাইপলাইন তৈরির পুরোনো শিক্ষা মধ্যপ্রাচ্যের কয়েক দশকের সংঘাতের পেছনে তেল পরিবহনের নিরাপদ বিকল্প পথ তৈরির একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর সুয়েজ খাল বন্ধ হয়ে গেলে মিসর ও উপসাগরীয় দেশগুলো লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করে। পরে ১৯৭৪ সালে নির্মাণ শুরু হয় সুয়েজ-মেডিটেরেনিয়ান বা সামেড পাইপলাইনের। ১৯৭৭ সালে এটি চালু - [চাঁদের মাটিতে রকেট, পৃথিবীতে ধাক্কা—মাস্কের মহাকাশ সাম্রাজ্য নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নতুন শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/182278/): চাঁদে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন ইলন মাস্ক। শেষ পর্যন্ত তাঁর সেই স্বপ্নের একটি অদ্ভুত সংস্করণ যেন সত্যিই ঘটল—তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী নয়। ৫ আগস্ট স্পেসএক্সের একটি রকেটের ওপরের অংশ চাঁদের আইনস্টাইন গহ্বরের কাছে ঘণ্টায় প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার গতিতে আছড়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মহাকাশে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো ওই রকেটের অংশটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেখানে ভাসছিল। ঘটনাটি ঘটে স্পেসএক্সের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক ফল প্রকাশের ঠিক একদিন পর। আর সেই ফলাফল মহাকাশের চেয়ে পৃথিবীর ব্যবসা-বাণিজ্যেই বেশি আলোড়ন তুলেছে। আয় বাড়ছে, কিন্তু খরচও ছুটছে আকাশের দিকে স্পেসএক্সের আয় দ্রুত বাড়ছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আগের বছরের একই - [জাপানকে ঘিরে চীনের আগ্রাসী চাপ, আসল লক্ষ্য কি যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় আধিপত্য?](https://sarakhon.com/news/182271/): চীন ও জাপানের সম্পর্ক আবারও এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে একটি দেশের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বক্তব্য অন্য দেশের কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়াকে দ্রুত তীব্র করে তুলছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাইওয়ান নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির অবস্থান এবং জাপানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ বেইজিংয়ের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। চীন জাপানের বিরুদ্ধে তাইওয়ান ইস্যুতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে এবং টোকিওর সামরিক নীতিকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কিন্তু এই সংঘাতকে শুধু চীন ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বিরোধ হিসেবে দেখলে এর গভীর কৌশলগত দিকটি হয়তো ধরা পড়বে না। কারণ পূর্ব এশিয়ায় জাপান যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদারদের একটি। ফলে টোকিওকে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক কিংবা অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখার অর্থ পরোক্ষভাবে ওয়াশিংটনের নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক ব্যবস্থাকেও - [দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী শিল্পে টিএসএমসির কৌশল, যেভাবে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনে বিশ্বজয়](https://sarakhon.com/news/182263/): দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী শিল্প বিশ্ববাজারে যে দ্রুত উত্থান ঘটিয়েছে, তার পেছনে শুধু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড, আকর্ষণীয় প্যাকেজিং কিংবা কোরিয়ান সংস্কৃতির বিশ্বব্যাপী প্রভাব কাজ করছে না। এর বড় শক্তি হয়ে উঠেছে একটি বিশেষ উৎপাদনব্যবস্থা—চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ও গবেষণার ওপর নির্ভরশীল শ্রমবিভাজন। এই কাঠামো অনেকটা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির অনুসরণ করা মডেলের সঙ্গে তুলনীয়। দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় সৌন্দর্যপণ্য রপ্তানিকারক দেশ। নতুন নতুন প্রসাধনী পণ্য খুব দ্রুত বাজারে আনা, ভোক্তার পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মেলানো এবং ছোট ব্র্যান্ডগুলোকেও উৎপাদনের সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশটির এই শিল্পব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ব্র্যান্ড নয়, উৎপাদনের পেছনের শক্তি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী শিল্পে কিছু বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান - [গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের, হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার নয়](https://sarakhon.com/news/182268/): গাজা যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রোববার এ অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। ট্রাম্পের ‘শান্তি পরিষদ’-এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত পরিকল্পনাটি গাজায় দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ হিসেবে সামনে এসেছিল। ট্রাম্প গত মাসে দাবি করেছিলেন, যুদ্ধ বন্ধের পরিকল্পনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে এবং ইসরায়েল ও হামাসও এতে সম্মত হয়েছে। তবে নেতানিয়াহুর বক্তব্যে সেই সমঝোতা নিয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্যের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েল বলছে, গাজা থেকে সেনা সরানোর আগে হামাসের অস্ত্র সম্পূর্ণভাবে সমর্পণ নিশ্চিত করতে হবে। যুদ্ধবিরতির - [দ্বৈত কৌশলগত সিদ্ধান্ত: ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সংঘাত নয়, শান্তির পথ বেছে নেওয়ার সময়](https://sarakhon.com/news/182256/): ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সমঝোতা কেবল একটি কূটনৈতিক দলিল নয়; এটি ছিল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের জন্য এমন একটি বাস্তবসম্মত সমাধান, যার পেছনে উভয়েরই নিজস্ব স্বার্থ কাজ করেছে। তাই সমঝোতার পর তৈরি হওয়া উত্তেজনাকে সরাসরি চুক্তি ভেঙে পড়ার লক্ষণ হিসেবে দেখলে বিষয়টির গভীরতা বোঝা যাবে না। বরং এটি ছিল—সমঝোতা বজায় রেখেও কে কতটা কৌশলগত সুবিধা আদায় করতে পারে—তার একটি পরীক্ষা। ইরান তার সামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েছে। বিনিময়ে দেশটি প্রত্যাশা করেছে, সমঝোতার শর্ত শুধু কাগজে-কলমে নয়, তার অন্তর্নিহিত ভারসাম্যও সম্মান করা হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান উদ্বেগ ছিল হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি কমাতে - [গ্র্যামির ‘এশিয়ান পপ’ খাঁচায় বিটিএসকে বন্দি করা কি সত্যিই স্বীকৃতি?](https://sarakhon.com/news/182260/): বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে আলোচিত পুরস্কারগুলোর একটি গ্র্যামি। দীর্ঘদিন ধরে এই পুরস্কার শুধু শিল্পীদের সম্মানিতই করেনি, বরং কোন সংগীতকে কীভাবে দেখা হবে, কোন শিল্পী কোন ঘরানার প্রতিনিধি—সেই ধারণা তৈরিতেও বড় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সংগীতের সীমানা যখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে, তখন পুরোনো শ্রেণিবিন্যাস কতটা প্রাসঙ্গিক—এই প্রশ্নই এখন নতুন করে সামনে এনেছে বিটিএস। জুলাইয়ের শেষ দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার এই বিশ্বখ্যাত ব্যান্ডের সাত সদস্য নিজেদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একই বক্তব্য প্রকাশ করে জানিয়ে দেন, তারা ২০২৭ সালের গ্র্যামিতে অংশ নেওয়ার জন্য এবার নিজেদের মনোনয়ন দেবে না। বক্তব্যটি ছিল সংক্ষিপ্ত ও ভদ্র, কিন্তু এর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য যথেষ্ট গভীর। তাদের আপত্তির কেন্দ্রে রয়েছে গ্র্যামির নতুন ‘বেস্ট এশিয়ান - [থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলির ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর সহিংস ভিডিও দেখত, বলছে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/182251/): থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে স্কুলে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় অভিযুক্ত ১৪ বছর বয়সী কিশোর দীর্ঘদিন ধরে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রতি আগ্রহী ছিল এবং ইন্টারনেটে সহিংসতামূলক বিভিন্ন ভিডিও দেখত বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবারের ওই হামলায় কিশোরটি প্রথমে নিজের বাড়িতে তার দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। পরে স্কুলে গিয়ে আরও ছয়জনকে হত্যা করার পর নিজেকেও গুলি করে। ঘটনায় ২০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ২০২২ সালের পর এটি থাইল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়াবহ গণগুলির ঘটনা বলে জানিয়েছে পুলিশ। আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে আগ্রহ ছিল দীর্ঘদিনের প্রাদেশিক পুলিশ অঞ্চলের উপকমিশনার আথাপল আনুসিত সাংবাদিকদের জানান, তদন্তে এখন পর্যন্ত ১৭ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সাক্ষীদের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত কিশোর প্রায় - [ডলারের রাজত্বে ফাটল, নিজেদের মুদ্রার দিকে ঝুঁকছে আফ্রিকা](https://sarakhon.com/news/182248/): আফ্রিকার অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন ডলারের যে শক্ত আধিপত্য ছিল, তা ধীরে ধীরে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। মহাদেশটির কয়েকটি দেশ এখন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে চীনা মুদ্রা ইউয়ান এবং নিজেদের স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বৈদেশিক ঋণের চাপ, মুদ্রার ওঠানামা, আমদানি-রপ্তানির ব্যয় এবং চীনের সঙ্গে দ্রুত বাড়তে থাকা বাণিজ্যিক সম্পর্ক এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জাম্বিয়ায় বদলের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ আফ্রিকার এই পরিবর্তনের অন্যতম বড় উদাহরণ জাম্বিয়া। দেশটির রাজধানী লুসাকার ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় একসময় পণ্য কেনাবেচা থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়িক চুক্তি—অনেক লেনদেনই মার্কিন ডলারে হতো। গাড়ি কেনা, ব্যবসায়িক চুক্তি কিংবা বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ—সব ক্ষেত্রেই ডলারের ব্যবহার ছিল ব্যাপক। - [ইউক্রেনের জন্য শীত এখন যুদ্ধের নতুন অস্ত্র, মিত্রদের আরও শক্তভাবে পাশে দাঁড়াতে হবে](https://sarakhon.com/news/182099/): কিয়েভে পৌঁছালে প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, এটি ইউরোপের অন্য যেকোনো ব্যস্ত রাজধানীর মতোই একটি শহর। ট্রাম চলছে, বাজারে ফুল বিক্রি হচ্ছে, দোকানপাট খোলা, মানুষ নিজেদের দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যস্ত। কিন্তু একটু এগোলেই সেই স্বাভাবিকতার আবরণ সরে যায়। ধ্বংস হয়ে যাওয়া আবাসিক ভবন, ক্ষতিগ্রস্ত বিপণিবিতান কিংবা ছাদহীন রেস্তোরাঁ মনে করিয়ে দেয়—ইউক্রেন এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে কিয়েভে গিয়ে এই বাস্তবতা আরও স্পষ্টভাবে দেখেছি। পোল্যান্ড থেকে রাতের ট্রেনে ইউক্রেনের দিকে যাওয়ার সময়ই রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছিল। বুধবারের হামলায় ১৭ জন নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে সেটি ছিল অন্যতম ভয়াবহ রাত। তারপরও - [যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শেয়ারে ধস, তরুণ বিনিয়োগ পরিচালকের ৬৭ শতাংশ পতনে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/182239/): যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতকে ঘিরে বিনিয়োগের উন্মাদনায় এবার বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে। মাত্র বিশের কোঠায় থাকা বিনিয়োগ পরিচালক লিওপোল্ড আশেনব্রেনারের পরিচালিত ‘সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস’ নামের একটি বিনিয়োগ তহবিল জুলাই মাসে প্রায় ৬৭ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বড় ধরনের বিনিয়োগই এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। ঘটনাটি শুধু একটি বিনিয়োগ তহবিলের বড় ক্ষতির গল্প নয়। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও শেয়ারবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া অতিরিক্ত প্রত্যাশা, ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগকারীদের বিচারবোধ নিয়েও বড় প্রশ্ন সামনে এসেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—মাত্র বিশের কোঠায় থাকা এবং দীর্ঘ পেশাগত বিনিয়োগ অভিজ্ঞতা না থাকা একজন তরুণের হাতে এত - [পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই: অভিযান বাড়ছে, নিরাপত্তা ফিরছে না](https://sarakhon.com/news/182245/): পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি তীব্র। গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান, তল্লাশি, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা থেকে শুরু করে বড় পরিসরের সামরিক তৎপরতা—সব ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা বাহিনী সক্রিয়। কিন্তু এই বিপুল অপারেশনাল চাপ সত্ত্বেও সন্ত্রাসী সহিংসতার গ্রাফ নামছে না। বরং জুলাইয়ে হামলার সংখ্যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে পরিস্থিতির অবনতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা কাঠামোর সামনে একটি কঠিন প্রশ্ন দাঁড় করিয়েছে: অভিযান যদি বাড়তেই থাকে, তাহলে সহিংসতা কমছে না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর শুধু সামরিক সক্ষমতার মধ্যে খুঁজলে ভুল হবে। পাকিস্তানের মূল সংকট এখন কেবল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার নয়; বরং অভিযান থেকে স্থায়ী নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় - [যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিচ্ছে চীন, নৌশক্তির পেছনে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণের বিশাল শক্তি](https://sarakhon.com/news/182242/): বিশ্বের সমুদ্রপথে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-প্রাধান্য ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু সেই অবস্থান এখন ক্রমেই চ্যালেঞ্জের মুখে। কারণ চীন শুধু যুদ্ধজাহাজের বহরই দ্রুত বাড়াচ্ছে না, একই সঙ্গে গড়ে তুলেছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণশিল্প। আর এই বেসামরিক শিল্পই চীনের সামরিক নৌবহরকে দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য বড় ধরনের সুবিধা দিচ্ছে। চীনের নৌবাহিনীর উত্থান চীন গত কয়েক দশকে একটি সীমিত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবাহিনীতে পরিণত হয়েছে। ২০২০ সালের মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চীনের যুদ্ধক্ষমতাসম্পন্ন নৌযানের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫০টি। এর মধ্যে যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী, মাইন অপসারণকারী জাহাজ ও সহায়ক নৌযানও রয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বহরে ছিল প্রায় ২৯৩টি - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধাক্কা সামলে টিকে আছে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাত](https://sarakhon.com/news/182224/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে যতটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এখনো তার পুরো অভিঘাত দেখা যায়নি। বরং এআইয়ের দ্রুত বিস্তারের মধ্যেও ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প নতুন ধরনের কাজ, দক্ষতা ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে নিজেদের অবস্থান বদলে নিচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানে বড় পরিবর্তন আসবে না। বরং এআই সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করছে তরুণ ও প্রবেশপর্যায়ের চাকরিপ্রার্থীদের ওপর। ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এখনো বড় ধস নেই এআইয়ের উত্থানের আগে ভারতের প্রযুক্তি খাত নিয়ে একটি প্রচলিত রসিকতা ছিল—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অর্থ আসলে ‘ভারতীয়রা’। কারণ বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ও ব্যবসার যে বিপুল কাজ ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের কাছে আউটসোর্স করা - [চীন-আমেরিকার নৌযুদ্ধের নেপথ্যে আসল শক্তি জাহাজ নির্মাণ: কেন ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে ওয়াশিংটন?](https://sarakhon.com/news/182230/): একসময় সমুদ্রের ওপর আধিপত্য মানেই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নাম। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনী, অত্যাধুনিক বিমানবাহী রণতরি, পারমাণবিক সাবমেরিন এবং বিস্তৃত সামরিক ঘাঁটির কারণে বহু দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে নিজের প্রভাব ধরে রেখেছে। কিন্তু এখন সেই আধিপত্যের সামনে ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে চীন। চ্যালেঞ্জটি শুধু চীনের নতুন নতুন যুদ্ধজাহাজ তৈরির কারণে নয়। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চীন এমন একটি বিশাল বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ শিল্প গড়ে তুলেছে, যা প্রয়োজন হলে সামরিক সক্ষমতার জন্যও কাজে লাগানো যায়। অর্থাৎ চীনের নৌ শক্তির পেছনে রয়েছে একটি বিশাল শিল্পভিত্তি। এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা সবচেয়ে স্পষ্ট। সমুদ্রের শক্তির হিসাব বদলে দিচ্ছে চীন চীন গত কয়েক দশকে একটি অপেক্ষাকৃত - [হলিউডে এআইয়ের নতুন যুগ: সিনেমা বানানো থেকে তারকাদের পরিচয়—সবকিছুতেই বদলের হাওয়া](https://sarakhon.com/news/182227/): হলিউডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আগমন নিয়ে উত্তেজনা যেমন আছে, তেমনি রয়েছে ভয়, সন্দেহ ও তীব্র বিরোধিতাও। একদিকে অনেক নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পী আশঙ্কা করছেন, এই প্রযুক্তি একদিন মানুষের সৃজনশীলতা, অভিনয় এবং কাজের জায়গা দখল করে নিতে পারে। অন্যদিকে চলচ্চিত্র শিল্পের ভেতরে নীরবে এমন এক পরিবর্তন শুরু হয়ে গেছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতিমধ্যে সিনেমা তৈরির নানা ধাপে ব্যবহৃত হচ্ছে। চিত্রনাট্য লেখা, নির্মাণের পরিকল্পনা, দৃশ্য তৈরি, সম্পাদনা, পুরোনো ফুটেজের নতুন ব্যবহার—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রযুক্তিটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বাড়ছে। ফলে হলিউডের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ঠেকানো যাবে কি না, তা নয়; বরং মানুষের সৃজনশীলতার সঙ্গে এই প্রযুক্তির সম্পর্ক কীভাবে তৈরি হবে। ধর্মঘটের ক্ষত - [দুনিয়া যখন শক্তিশালীদের দখলে, জাতিসংঘের নেতৃত্বে দরকার বাস্তববাদী কূটনীতিক](https://sarakhon.com/news/182214/): বিশ্ব রাজনীতিতে এখন যেন নিয়মের চেয়ে শক্তির দাপটই বেশি। বড় দেশগুলো নিজেদের স্বার্থ আদায়ে কখনো অর্থনৈতিক চাপ, কখনো সামরিক হুমকি, আবার কখনো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণকে হাতিয়ার করছে। এমন এক সময়ে জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছরের শেষ দিকে দুই মেয়াদ শেষ করে দায়িত্ব ছাড়বেন। তাঁর উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে এখন পর্যন্ত সাতজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। সারাক্ষণ রিপোর্ট জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব এমন এক পৃথিবীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, যেখানে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর আচরণ অনেক সময় অপরাধী চক্রের মতোই কঠোর ও স্বার্থনির্ভর। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন—বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে প্রভাবশালী তিন শক্তিই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। তাদের - [সুদানে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে দেশ, ধ্বংসস্তূপে পরিণত খার্তুম—শেষ কোথায় এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের?](https://sarakhon.com/news/182144/): সুদানের রাজধানী খার্তুমে এখন আর আগের সেই কোলাহল নেই। একসময় লাখো মানুষের ব্যস্ততায় মুখর থাকা শহরটির বহু রাস্তা আজ নীরব। কোথাও ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন, কোথাও পোড়া গাড়ি, কোথাও যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন। রাত নামলে বহু এলাকা ডুবে যায় অন্ধকারে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত রাজধানীকে এমন এক অবস্থায় নিয়ে গেছে, যেখানে যুদ্ধ থামলেও তার ধ্বংসের ছাপ বহু বছর থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল সুদানের সেনাবাহিনী ও দ্রুত সহায়তা বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শুরুতে রাজধানীর বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নেয় দ্রুত সহায়তা বাহিনী। প্রায় দুই বছর পর সেনাবাহিনী খার্তুম পুনর্দখল করে। কিন্তু রাজধানী পুনরুদ্ধার করলেও পুরো দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা - [চীনের পূর্ব উপকূলে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন, বন্যা-ভূমিধসের বড় শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/182218/): চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন। রোববার সন্ধ্যায় ঝড়টি চীনের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে পূর্ব চীনের বিভিন্ন এলাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হতে শুরু করেছে। বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের আশঙ্কায় লাখ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, ডলফিন চলতি বছরে এখন পর্যন্ত চীনের উপকূলে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন হতে পারে। উপকূলে আঘাতের সময় ঝড়টির বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬২ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। শক্তির দিক থেকে এটি দ্বিতীয় শ্রেণির ঘূর্ণিঝড়ের সমতুল্য। ঝড়টি স্থলভাগে প্রবেশের পর ধীরে ধীরে দুর্বল - [রাশিয়ার অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ধসে পড়ছে ওয়াইল্ডবেরিজের ব্যবসা](https://sarakhon.com/news/182205/): ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অনলাইন বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজ এখন বড় ধরনের সংকটের মুখে। একের পর এক গুদাম ও সরবরাহকেন্দ্রে হামলার কারণে শুধু প্রতিষ্ঠানটির বিপুল পরিমাণ পণ্য ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হাজার হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাও পড়েছে গভীর অনিশ্চয়তায়। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়াজুড়ে ওয়াইল্ডবেরিজের অন্তত ২০টি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় কোথাও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয়েছে, কোথাও পুরো গুদাম ধ্বংস হয়েছে, আবার কোথাও সরবরাহব্যবস্থা এতটাই ব্যাহত হয়েছে যে ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজের অন্তত ১১ লাখ ৮০ হাজার বর্গমিটার গুদাম এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত - [মিলেইয়ের নতুন বাজি: আর্জেন্টিনার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বদলে ভবিষ্যৎ সরকারকে বেঁধে রাখতে চান তিনি](https://sarakhon.com/news/182208/): আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট Javier Milei দেশের দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতির সংকট মোকাবিলায় এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাঠামোতেই বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চাইছেন। তাঁর লক্ষ্য শুধু বর্তমান সরকারের অর্থ ছাপিয়ে ঘাটতি মেটানোর প্রবণতা বন্ধ করা নয়, ভবিষ্যৎ সরকারগুলোকেও যেন একই পথে ফিরে যেতে না পারে, সেই ব্যবস্থা তৈরি করা। ৩০ জুলাই টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে মিলেই অতীতের সরকারগুলোর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ‘লুট’ করার অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে তিনি গত ৯১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত সংস্কারের একটি প্যাকেজের কথা জানান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা প্রস্তাবিত আইনে সরকারকে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতা সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য হবে মুদ্রার মূল্য - [নাইজেরিয়ায় অবকাঠামো নির্মাণে প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর দাপট, উঠছে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/182202/): নাইজেরিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী লাগোসে গত মাসের আকস্মিক বন্যায় অনেক এলাকায় পানি গাড়ির দরজা পর্যন্ত উঠে যায়। ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে কয়েক দিন ধরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যার তীব্রতা বাড়ছে বলে মনে করা হলেও শহরের দরিদ্র উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের আশঙ্কা, কিছু বড় অবকাঠামো প্রকল্প পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে নতুন একটি বিলাসবহুল উপকূলীয় আবাসন এলাকা রক্ষায় নির্মিত সমুদ্রপ্রাচীর এবং প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের উপকূলীয় মহাসড়ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এসব নির্মাণের কারণে সমুদ্রতীরের স্বাভাবিক গঠন বদলে গিয়ে উপকূলীয় এলাকায় বন্যার ক্ষতি আরও বাড়তে পারে। তবে এসব প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পর্যাপ্ত - [ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়া নিয়ে দ্বিধায় আইসল্যান্ড, বদলে যাচ্ছে নিরাপত্তার হিসাব](https://sarakhon.com/news/182194/): উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সীমানায় দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র আইসল্যান্ড এখন বড় এক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মুখোমুখি। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল দেশটি এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরও কাছে যাবে কি না, তা নিয়ে জনগণের মতামত জানতে যাচ্ছে। আগামী ২৯ আগস্ট প্রায় চার লাখ মানুষের দেশটিতে গণভোট হবে—ইউরোপীয় ইউনিয়নে সদস্যপদ পাওয়ার আলোচনা আবার শুরু করা হবে কি না, সেই প্রশ্নে। তবে এই ভোট সরাসরি ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নয়। আলোচনা শেষ হওয়ার পর সদস্যপদ গ্রহণের বিষয়ে আলাদা গণভোট হবে। পুরোনো সম্পর্ক, নতুন বাস্তবতা আইসল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। দেশটিতে ন্যাটোর কেফ্লাভিক ঘাঁটি রয়েছে এবং দেশটির আকাশসীমা ও আশপাশের - [মহামারির পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশাল তহবিল: ইতালি-স্পেন কতটা লাভবান হলো?](https://sarakhon.com/news/182197/): করোনাভাইরাস মহামারির ধাক্কা সামলে ইউরোপের অর্থনীতিকে দ্রুত ঘুরে দাঁড় করাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যে বিশাল পুনরুদ্ধার তহবিল গঠন করেছিল, তার সুফল কি সত্যিই মিলেছে? বিশেষ করে ইতালি ও স্পেনের মতো বড় সুবিধাভোগী দেশগুলো কতটা এগিয়েছে—এই প্রশ্নের উত্তর পুরোপুরি ইতিবাচকও নয়, আবার নেতিবাচকও নয়। ফ্লোরেন্সে দৃশ্যমান পরিবর্তন ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে ১৯৬৬ সালের ভয়াবহ বন্যার পর এত বড় ধরনের অবকাঠামোগত ব্যাঘাত আর দেখা যায়নি। শহরের কেন্দ্র ঘিরে এখন চলছে বিশাল ট্রামপথ নির্মাণ। প্রায় ৫০ কোটি ইউরো ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শহরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প, যার অর্থের বড় অংশ এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহামারি-পরবর্তী পুনরুদ্ধার কর্মসূচি থেকে। এই তহবিলের অর্থে ফ্লোরেন্সে শিশুযত্নকেন্দ্র, সাইকেলপথসহ আরও ৫৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আইনি সহায়তায় ব্রিটেনের কর্মসংস্থান আদালতে মামলার জোয়ার](https://sarakhon.com/news/182193/): ব্রিটেনের কর্মসংস্থান আদালতগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় দায়ের করা মামলার সংখ্যা এত দ্রুত বাড়ছে যে পুরো বিচারব্যবস্থায় নতুন ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। একসময় বছরে অল্প কয়েকটি আবেদন আসত এমন একটি জরুরি আইনি ব্যবস্থায় এখন মাসে মাসে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ছে। এর ফলে প্রকৃত অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া কর্মীরাও ন্যায়বিচারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় পড়ছেন। বছরে ২০ থেকে মাসে কয়েকশ আবেদন ব্রিটিশ কর্মসংস্থান আইনে ‘অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিকার’ নামে একটি জরুরি ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে কোনো কর্মীকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে মনে হলে বিচারক প্রতিষ্ঠানকে তাকে চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা অন্তত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে - [কারখানায় কর্মীদের নড়াচড়া নজরদারিতে নিসানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নিরাপত্তায় সাশ্রয় ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার](https://sarakhon.com/news/182174/): মিসিসিপির ক্যান্টনে নিসানের গাড়ি তৈরির কারখানায় এখন কর্মীদের কাজের ধরন বিশ্লেষণ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত ক্যামেরা। কর্মীরা কীভাবে হাঁটছেন, ঝুঁকছেন, শরীর মোচড়াচ্ছেন কিংবা গাড়ির বিভিন্ন অংশ সংযোজন করছেন—এসব নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করে সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি শনাক্ত করছে প্রযুক্তিটি। কারখানাটিতে নিসানের অল্টিমা সেডান ও ফ্রন্টিয়ার পিকআপ তৈরি হয়। কোম্পানির দাবি, প্রযুক্তিটি শুধু উৎপাদন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সাহায্য করছে না, বরং কর্মীদের শারীরিক চাপ ও আঘাতের ঝুঁকি কমাতেও বড় ভূমিকা রাখছে। কর্মীর শরীরের ভঙ্গি বিশ্লেষণ করে এআই নিসানের প্রতিটি কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট ‘আদর্শ কর্মচক্র’ রয়েছে। এতে একটি কাজ কীভাবে করা হবে, গাড়ির কোন অংশ কোন ক্রমে বসানো হবে, কত সময় লাগবে এবং কর্মীর - [আফ্রিকার জন্য ছোট, সাশ্রয়ী ও স্থানীয় ভাষাভিত্তিক এআইয়ের নতুন বিপ্লব](https://sarakhon.com/news/182183/): আফ্রিকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ হয়তো সিলিকন ভ্যালির বিশালাকৃতির মডেলের পথ অনুসরণ করবে না। বরং কম্পিউটিং শক্তি, তথ্য ও ইন্টারনেটের সীমাবদ্ধতাকে মাথায় রেখে আফ্রিকার গবেষক ও উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন ছোট, নির্দিষ্ট কাজের উপযোগী এবং স্থানীয় ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। নাইজেরিয়ার উদ্যোক্তা ওলুবায়ো আদেকানবমির কাছে আফ্রিকান এআইয়ের একটি পরিষ্কার চিত্র রয়েছে। তাঁর মতে, এমন এআই দরকার যা ইংরেজির মতো আফ্রিকার স্থানীয় ভাষাতেও স্বচ্ছন্দ, লিখিত কথার পাশাপাশি মুখের ভাষা বুঝতে পারে এবং কম শক্তিশালী যন্ত্রেও কাজ করতে পারে। কারণ আফ্রিকার অনেক অঞ্চলে উন্নত চিপের সরবরাহ সীমিত, আবার ইন্টারনেট সংযোগও সব জায়গায় নির্ভরযোগ্য নয়। এই চিন্তা থেকেই দুই বছর আগে টেলিযোগাযোগ খাতে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পর আদেকানবমি - [ট্রাম্পের প্রচার ও হোয়াইট হাউসের পোস্ট থেকে টেইলর সুইফটের গান সরানো হলো](https://sarakhon.com/news/182180/): ওয়াশিংটন, ৯ আগস্ট—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারাভিযান ও হোয়াইট হাউসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিও থেকে পপতারকা টেইলর সুইফটের গান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত এক সপ্তাহে ট্রাম্পের প্রচারশিবির ও হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন পোস্টে সুইফটের অন্তত দুটি গান ব্যবহার করা হয়েছিল। সুইফট ও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। Taylor Swift সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পকে নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ও তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করেছিলেন। এর আগে ২০২০ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও সুইফট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প একাধিকবার সুইফটের সমালোচনা করেছেন। হ্যারিসকে সমর্থনের পর - [বাংলাদেশে ভোটার সংখ্যা বেড়ে ১২ কোটি ৮৬ লাখ, স্থানীয় নির্বাচনের আগে নতুন হালনাগাদ](https://sarakhon.com/news/182177/): বাংলাদেশে নিবন্ধিত মোট ভোটারের সংখ্যা বেড়ে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ছাড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ জন। রোববার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ইসি জানিয়েছে, গত ১৪ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন করে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। এর আগে মে মাসে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে - [শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টের ষড়যন্ত্র রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর](https://sarakhon.com/news/182171/): দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব নয়। রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান। শান্তিই বিনিয়োগের প্রথম শর্ত প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিষয়ে জনগণকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। তার ভাষ্য, কোনো স্থানীয় বাজারে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে যেমন ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দেন, তেমনি দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীল হলে বিনিয়োগকারীরাও কারখানা স্থাপন - [ভাসমান পেয়ারা বাজারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, নৌকায় ঘুরে খেলেন দেশি পেয়ারা](https://sarakhon.com/news/182168/): বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন রোববার ঝালকাঠির ভিমরুলির ঐতিহ্যবাহী ভাসমান পেয়ারা বাজার পরিদর্শন করেছেন। দক্ষিণাঞ্চলের জনপ্রিয় এই মৌসুমি বাজারের পরিবেশ, বেচাকেনা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পেয়ারা স্বাদও নেন। সকাল ৯টার দিকে ভিমরুলিতে পৌঁছালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাওসার হোসেন ফুল দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। পরে ছোট নৌকায় করে তিনি ভাসমান বাজারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। নৌকায় বসে পেয়ারা বাজারের বেচাকেনা পর্যবেক্ষণ ভিমরুলির ভাসমান বাজারে অবস্থানকালে ক্রিস্টেনসেন নৌকায় বসেই স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে তিনি চারপাশের সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করেন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পেয়ারা খান। নৌকায় বসে বাজারের ব্যস্ততা - [চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের ‘পুশ-ইন’ চেষ্টা ঠেকাল বিজিবি, দুই নারীসহ ৩ জন ফেরত](https://sarakhon.com/news/182156/): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে দুই নারীসহ তিনজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) একটি চেষ্টা নস্যাৎ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার ভোরে মাধবখালী সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভোরে সীমান্তে তিনজনকে দেখতে পায় বিজিবি বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোর ৩টা ১০ মিনিটের দিকে জীবননগর উপজেলার মাধবখালী এলাকায় সীমান্ত পিলার ৭০/২-এসের কাছে তিনজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের ৫৮ বিজিবির অধীন মাধবখালী বর্ডার আউটপোস্টের একটি টহল দল তাদের দেখতে পায়। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের ৩২ ব্যাটালিয়নের বিএসএফ সদস্যরা ওই তিনজনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে তারা শূন্যরেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশে - [যশোরে ঘরের ভেতর মা-ছেলের মরদেহ, ঘটনাটি ‘সন্দেহজনক’ বলছে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/182165/): যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে এক নারী ও তাঁর ছয় বছর বয়সী ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার দোহাকুলা ইউনিয়নের খালশি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাটিকে সন্দেহজনক হিসেবে দেখছে এবং এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না বলে জানিয়েছে। নিহতরা হলেন খালশি গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী জুবাইদা খাতুন (৩০) এবং তাঁদের ছয় বছর বয়সী ছেলে জিসান। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। রাত ১০টার দিকে জাকির হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘরের ভেতর মিলল মা-ছেলের - [মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, পালিয়ে বাঁচল অন্যরা](https://sarakhon.com/news/182162/): মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে তারা মিয়া নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগর সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার মুরাইছড়া বস্তি এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে। সীমান্তে সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোরে ৪ থেকে ৫ জনের একটি দল ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ পণ্য আনা। স্থানীয়রা জানান, পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগর সীমান্ত দিয়ে দলটি ভারতীয় এলাকায় ঢোকে। সীমান্তের ১৮৪৫/৬৩-এস নম্বর পিলারের প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে মাগুরুলি এলাকায় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে তারা - [হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু বেড়ে ৮৭৩](https://sarakhon.com/news/182159/): হামসদৃশ উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছরে সন্দেহভাজন ও পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৩ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, নতুন করে যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের সবাইকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন মৃত্যু ৭৭৫, নিশ্চিত ৯৮ নতুন ছয় মৃত্যুর ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৭৫। অন্যদিকে, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৮ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৮৮টি সন্দেহভাজন আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত - [কুমিল্লায় বাড়ির পেছনে নারীর খণ্ডিত মরদেহ, ভাড়াটিয়া আটক](https://sarakhon.com/news/182141/): কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকায় বাড়ির পেছন থেকে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে আটক করা হয়েছে। নিহত নারীর নাম ফরিদা বেগম (৫৫)। তিনি মোফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রী এবং পৌর এলাকার ছোট আলমপুরের মোহনা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা। নিখোঁজের পর মিলল খণ্ডিত মরদেহ পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল থেকে ফরিদা বেগম নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হয়। এরপর বিকেলে ফরিদার ভাগনে মামুন বাড়ির পেছনে কয়েকটি বস্তা ও প্যাকেট দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি কাছে গিয়ে খণ্ডিত মরদেহের অংশ দেখতে পান। - [‘টাইগার কিং’-এর পর এবার সরীসৃপের অন্ধকার সাম্রাজ্য, নতুন তথ্যচিত্রে চমকে দেবে অপরাধের গল্প](https://sarakhon.com/news/182151/): ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমা বিলুপ্ত ডাইনোসরের প্রতি মানুষের আগ্রহ যেমন বাড়িয়েছিল, তেমনি সাপ, গিরগিটি, ইগুয়ানা ও নানা ধরনের সরীসৃপ পালনের প্রতিও তৈরি করেছিল নতুন আকর্ষণ। কিন্তু এসব প্রাণীকে ঘিরে গড়ে ওঠা বিশাল বাণিজ্যের আড়ালে যে চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, অর্থের লোভ ও সংঘবদ্ধ অপরাধের জগৎ রয়েছে, সেটিই এবার উঠে এসেছে নতুন তথ্যচিত্র ‘মনস্টার্স অব গড’-এ। এইচবিও ম্যাক্সে প্রকাশিত পাঁচ পর্বের তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন এমি পুরস্কারজয়ী নির্মাতা এরিক গুড ও চলচ্চিত্র নির্মাতা জেরেমি ম্যাকব্রাইড। তাঁদের নতুন কাজটি সরীসৃপ চোরাচালানের এমন এক জগতের দরজা খুলে দেয়, যেখানে অপরাধী আর আইনপ্রয়োগকারী—কাকে ‘ভালো’ আর কাকে ‘খারাপ’ বলা হবে, তা অনেক সময় স্পষ্ট থাকে না। - [ভালো স্বাস্থ্য, বেশি শক্তি ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে খাবার তালিকা থেকে যে একটি জিনিস কমানোর পরামর্শ](https://sarakhon.com/news/182148/): স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কী রাখছি, সেটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোন খাবার বা পানীয় কতটা কমাচ্ছি, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদদের মতে, দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে একটি পরিবর্তন করলে হজমশক্তি, শরীরের শক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আর সেই পরিবর্তনটি হলো—চিনিযুক্ত পানীয়ের পরিমাণ কমানো। অনেকেই তৃষ্ণা মেটাতে কোমল পানীয়, মিষ্টি জুস, মিষ্টি চা-কফি কিংবা বিভিন্ন ধরনের বোতলজাত পানীয় পান করেন। এসব পানীয় দেখতে বা স্বাদে আকর্ষণীয় হলেও নিয়মিত বেশি পরিমাণে পান করলে শরীরে অতিরিক্ত চিনি ঢোকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এসব পানীয়ের পরিবর্তে সাধারণ পানি বা চিনি ছাড়া সোডা পানি বেছে নেওয়া তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে। কেন চিনিযুক্ত পানীয় নিয়ে - [অফিসে ফেরার যুগে আপনি কোন ধরনের কর্মী?](https://sarakhon.com/news/182145/): করোনাভাইরাস মহামারির পর কর্মজীবনে দূর থেকে কাজের যে অভ্যাস তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেক প্রতিষ্ঠানে বদলে গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিসে ফেরার নীতিমালা ধীরে ধীরে স্থায়ী রূপ নেওয়ায় কর্মীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নানা ধরনের নিজস্ব কর্মপদ্ধতি। কেউ সপ্তাহের পাঁচ দিনই অফিসে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কেউ সপ্তাহের মাঝামাঝি কয়েক দিন অফিসে যান, আবার কেউ প্রয়োজন ছাড়া অফিসে যাওয়ার পক্ষপাতী নন। এই পরিবর্তিত কর্মপরিবেশে অফিসে যাওয়ার ধরনও যেন কর্মীদের আলাদা আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। সপ্তাহের পাঁচ দিন অফিসে থাকা কর্মী কিছু কর্মীর কাছে অফিস শুধু কাজের জায়গা নয়, বরং কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সান ফ্রান্সিসকোর প্রকৌশল ব্যবস্থাপক শাওহুয়া ঝৌ এমনই একজন। দীর্ঘদিন দূর থেকে কাজ - [দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাইল ইউক্রেন](https://sarakhon.com/news/182139/): রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা চেয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে আগ্রহী তার দেশ। জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন মনে করে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে কিয়েভ সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে এমন একটি ক্ষেত্রে সহায়তা তারা খুবই প্রত্যাশা করছেন, যেখানে ইউক্রেনের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। সেই ক্ষেত্রটি হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। শনিবার ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারের লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে জেলেনস্কির বক্তব্য তুলে - [নেছারাবাদের নৌকা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা, স্থানীয় হাট থেকে জার্মানির বাজারে](https://sarakhon.com/news/182134/): প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর এলাকার মানুষের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী কাঠের নৌকা তৈরির শিল্প। আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার বিস্তারে নৌপথের ব্যবহার কমলেও কৃষিপণ্য পরিবহন ও সাম্প্রতিক নৌকাভিত্তিক পর্যটনের কারণে এই শিল্প এখনো টিকে আছে। বরং স্থানীয় বাজার পেরিয়ে বিদেশি ক্রেতার আগ্রহে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দেখা মিলেছে। হাজারো পরিবারের জীবিকার উৎস আটঘর এলাকায় নৌকা নির্মাণের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রায় ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার পরিবার। স্থানীয় অর্থনীতিতে এই শিল্পের গুরুত্বও কম নয়। প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার নৌকা বিক্রি হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ঐতিহ্যগতভাবে নৌকা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় - [বগুড়ায় মহাসড়কে ট্রাক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩](https://sarakhon.com/news/182130/): বগুড়ায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আরেকটি ট্রাকের ধাক্কায় বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার শিলিমপুর পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে একটি উড়ালসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত নিহতদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা ট্রাকচালক তাপস সরকার, ৩৫, এবং তাঁর ছেলে তিব্র সরকার, ১৮। নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক মঞ্জুর মোরশেদ জানান, বিকল হয়ে মহাসড়কের উড়ালসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাককে রংপুরগামী আরেকটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয় এবং আরও একজন আহত হন। ট্রাকের চাকা মেরামতের সময় দুর্ঘটনা পুলিশ - [তারেক–মোদির বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত জটিলতা সমাধানের আশা, বললেন দীনেশ ত্রিবেদী](https://sarakhon.com/news/182126/): বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনসম্পৃক্ত নেতা উল্লেখ করে দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠক হলে বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। রোববার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য ‘চিলড্রেন প্লেয়িং এরিয়া’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ জানান। দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে সমাধানের আশা দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য বহুবার শুনেছেন। তার ভাষায়, তারেক রহমান একজন জনসম্পৃক্ত নেতা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও একই ধরনের নেতা। দুই নেতা যখন মুখোমুখি বসেন, তখন অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায় বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, দুই - [ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছে হাড়ে, তীব্র ব্যথায় জো বাইডেন: ছেলে হান্টার](https://sarakhon.com/news/182124/): সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রোস্টেট ক্যানসার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তিনি তীব্র ব্যথায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেন। বিবিসিকে দেওয়া এক আবেগঘন ও বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যানসার তাঁর বাবার হাড়সহ শরীরের আরও অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। হাড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ক্যানসার হান্টার বাইডেন বলেন, তাঁর ৮৩ বছর বয়সী বাবা বর্তমানে এমন শারীরিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার কারণে জো বাইডেনের প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছে এবং এই অসুস্থতা তাঁর দৈনন্দিন জীবনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং অনেক দিক থেকেই দুর্বল করে দেওয়ার মতো”—বাবার বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে এমনটাই - [বিজ্ঞান সীমান্ত মানে না, চীন-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিযোগিতায় সহযোগিতার সংকট](https://sarakhon.com/news/182119/): ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক গণিত ইউনিয়ন ২১তম ফিল্ডস মেডালজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। চারজন বিজয়ীর মধ্যে দুজনই চীনা নাগরিক—গণিতবিদ ওয়াং হং ও দেং ইউ। গণিতের সর্বোচ্চ মর্যাদার এই পুরস্কারকে প্রায়ই এ শাস্ত্রের নোবেল পুরস্কারের সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবারই প্রথম চীনা নাগরিকরা এই সম্মান পেলেন। ওয়াং ও দেং দুজনের শিক্ষাজীবনের ভিত্তি গড়ে উঠেছে চীনের সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায়। গুয়াংসি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গুইলিনের ওয়াং চীনের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা গাওকাওয়ে ভালো ফল করে পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। শেনঝেনের দেং ২০০৬ সালে ৪৭তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। ২০০৭ সালে দুজনই পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরে ওয়াং ফ্রান্স - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় উন্নয়নশীল বিশ্বের শতবর্ষের কাজ এক দশকে: বিশ্বব্যাংক](https://sarakhon.com/news/182117/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আগের যেকোনো সাধারণ প্রযুক্তির তুলনায় অনেক দ্রুত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। বাষ্পীয় ইঞ্জিন নিম্নআয়ের দেশগুলোতে পৌঁছাতে প্রায় ৮০ বছর, বিদ্যুৎ ৪০ বছর এবং ইন্টারনেট প্রায় ২০ বছর সময় নিলেও এআইয়ের বিস্তার ঘটছে নজিরবিহীন গতিতে। চ্যাটজিপিটি চালুর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে এর বৈশ্বিক ব্যবহারের অর্ধেক এসেছে মধ্যম আয়ের দেশগুলো থেকে। বিশ্বব্যাংকের ‘ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০২৬: দ্য প্রমিজ অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দ্রুত বিস্তার উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করেছে। এআই এমন দক্ষতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান সহজলভ্য করতে পারে, যার ঘাটতি বহু দেশে দীর্ঘদিনের। ফলে কয়েক দশক ধরে সমাধান না হওয়া জটিল সমস্যার ক্ষেত্রেও দ্রুত অগ্রগতি - [যুক্তরাষ্ট্রের ১০০% শুল্ক হুমকি ‘ভারতের বিরুদ্ধে বৈরী পদক্ষেপ’: ফান্ড ম্যানেজার](https://sarakhon.com/news/182112/): যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে পাস হওয়া রাশিয়ার তেল-গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা বিলকে ভারতের বিরুদ্ধে ‘বৈরী পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ফান্ড ম্যানেজার হর্ষ গুপ্ত মধুসূদন। তাঁর দাবি, প্রস্তাবিত আইনটি কার্যত ‘ভারতবিরোধী বিল’ এবং এর মাধ্যমে নয়াদিল্লিকে এমন একটি বিষয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে, যার ওপর ভারতের নিয়ন্ত্রণ সীমিত। রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিই মূল বিরোধ যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ৮৬-১১ ভোটে ‘লিন্ডসে গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ পাস করেছে। বিলটিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির দিক থেকে শীর্ষ পাঁচ দেশের পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে চীন, ভারত, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি - [সংবিধান যখন ক্ষমতার আয়না: ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে?](https://sarakhon.com/news/182110/): একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত চরিত্র তার সংবিধানের পাতায় যতটা লেখা থাকে, তার চেয়ে অনেক বেশি প্রকাশ পায় ক্ষমতাসীনরা সেই সংবিধানের সীমারেখা কতটা মেনে চলেন—বিশেষ করে যখন তা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সংবিধান দিবসের আনুষ্ঠানিকতা, প্রস্তাবনা পাঠ কিংবা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার ঘোষণায় একটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক চরিত্রের পূর্ণ পরিচয় মেলে না। আসল পরীক্ষা হয় ক্ষমতার প্রয়োগে। রবার্ট লুই স্টিভেনসনের ‘ড. জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড’-এর কাহিনি এখানে একটি অস্বস্তিকর রাজনৈতিক উপমা তৈরি করে। একই ব্যক্তির মধ্যে যেমন পরস্পরবিরোধী দুটি সত্তা থাকতে পারে, তেমনি একটি রাষ্ট্রের মধ্যেও একই সঙ্গে সাংবিধানিক আদর্শ ও ক্ষমতার স্বেচ্ছাচারী প্রবণতা সক্রিয় থাকতে পারে। একদিকে থাকে ন্যায়, - [ফ্রান্সে বছরে মদপানে ৪১ হাজার মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩ লাখ ৭ হাজার](https://sarakhon.com/news/182107/): ফ্রান্সে মদ্যপানের সঙ্গে সম্পর্কিত কারণে প্রতি বছর প্রায় ৪১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। একই সময়ে অ্যালকোহল নির্ভরতার চিকিৎসায় বছরে ৩ লাখ ৭ হাজারের বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। দেশটির মাদক ও আসক্তি প্রবণতা পর্যবেক্ষণ সংস্থা ওএফডিটি’র সর্বশেষ পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এ চিত্র। ওয়াইননির্ভর সংস্কৃতির অন্ধকার দিক ফ্রান্স বিশ্বজুড়ে ওয়াইন উৎপাদন ও সন্ধ্যার ‘অ্যাপেরিতিফ’ সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। দেশটির সামাজিক জীবনে অ্যালকোহল, বিশেষ করে ওয়াইনের দীর্ঘদিনের উপস্থিতি রয়েছে। গত ১৯৬০-এর দশকের তুলনায় ফ্রান্সে অ্যালকোহল গ্রহণ প্রায় অর্ধেকে নেমে এলেও এর ব্যবহার এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি। প্রতি ব্যক্তির বিশুদ্ধ অ্যালকোহল গ্রহণের হিসাবে লাটভিয়া ১২ দশমিক ২ লিটার, জার্মানি ১২ লিটার এবং পর্তুগাল ১১ দশমিক ৮ - [জাপানের ভিন্ন পথ: শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ নয়, নিরাপদ ব্যবহারের লড়াই](https://sarakhon.com/news/182097/): বিশ্বজুড়ে শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্মার্টফোন আসক্তি, সাইবার হয়রানি, যৌন শোষণ, ক্ষতিকর কনটেন্ট এবং উগ্রবাদী প্রচারণার ঝুঁকি ঠেকাতে একের পর এক দেশ বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটছে। কিন্তু জাপান এখনো সেই পথ বেছে নেয়নি। বরং টোকিও এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে, যেখানে শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি কমবে, কিন্তু ডিজিটাল যোগাযোগ ও সামাজিক অংশগ্রহণের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হবে না। ফ্রান্স ১৫ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগ নিয়েছে। যুক্তরাজ্য ১৬ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ সীমিত করার পথে এগোচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াও একই ধরনের বিধিনিষেধ - [সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় ৯ মৃত্যু: তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি, দুই বাসের নিবন্ধন বাতিল](https://sarakhon.com/news/182093/): সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে কাশিকাপুর এলাকায় ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের বাসের সংঘর্ষে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সিলেট জেলা প্রশাসন শনিবার জানিয়েছে, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটিতে হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৭ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজন মারা যান, যাদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আহত - [অযোধ্যার রামমন্দিরে অনুদান কেলেঙ্কারি, প্রশ্নের মুখে মোদির গর্বের প্রকল্প](https://sarakhon.com/news/182090/): অযোধ্যার রামমন্দির—ভারতের রাজনীতি, ধর্মীয় আবেগ ও হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির এক শক্তিশালী প্রতীক। বহু দশকের আন্দোলন ও রাজনৈতিক প্রচেষ্টার পর ২০২৪ সালে যে মন্দিরের উদ্বোধনকে নিজেদের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি, সেই মন্দিরের ব্যবস্থাপনা এখন গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নের মুখে। ৩১ জুলাই ভারতের সংসদ ভবনের সামনে এক অভিনব প্রতিবাদ করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পাপ্পু যাদব। হিন্দু পুরোহিতের পোশাক পরে এবং হাতে অনুদানের বাক্স নিয়ে তিনি বসেছিলেন সংসদ ভবনের প্রবেশপথের কাছে। বিরোধী দলের একাধিক সংসদ সদস্য, এমনকি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও সেই বাক্সে টাকা দেওয়ার অভিনয়ে অংশ নেন। কিন্তু টাকা বাক্সে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই যাদব তা তুলে নেন। উপস্থিত মানুষের - [ফল প্রকাশের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তা? জেনে নিন ক্লিয়ারিংয়ের পুরো পথ](https://sarakhon.com/news/182088/): বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, কিন্তু পছন্দের বিষয়ে জায়গা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে? পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর হয়তো দেখা গেল কাঙ্ক্ষিত নম্বর পাওয়া যায়নি, আবার কেউ হয়তো আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনই করেননি। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প পথ হতে পারে ‘ক্লিয়ারিং’। যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর অবশিষ্ট আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি এবং শিক্ষার্থীদের কোর্স বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এ বছর ক্লিয়ারিং কার্যক্রম চলবে ২ জুলাই থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত। আগামী ১৩ আগস্ট ফল প্রকাশের দিন সামনে রেখে তাই অনেক শিক্ষার্থী এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কারা ক্লিয়ারিংয়ের সুযোগ পাবেন ৩০ জুনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা শিক্ষার্থীরা ক্লিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সুযোগ - [ওজন কমানোর ওষুধ বদলে দিচ্ছে মদ্যপানের অভ্যাস, কারও কমছে নেশার টান](https://sarakhon.com/news/182085/): ওজন কমানোর জন্য ব্যবহৃত ওষুধ অনেক মানুষের খাদ্যাভ্যাস বদলে দিচ্ছে—এ কথা এখন বেশ পরিচিত। তবে নতুন গবেষণা ও ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা বলছে, এসব ওষুধের প্রভাব শুধু খাবারের ওপর সীমাবদ্ধ থাকছে না; অনেকের ক্ষেত্রে মদ্যপানের আকাঙ্ক্ষাও কমে যাচ্ছে। কারও ক্ষেত্রে মদ খাওয়ার ইচ্ছা প্রায় পুরোপুরি চলে যাচ্ছে, আবার কেউ অল্প পরিমাণ মদ পান করেই বমিভাব, অস্বস্তি বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যায় পড়ছেন। অবশ্য সবার অভিজ্ঞতা এক নয়। দক্ষিণ ওয়েলসের ৪৬ বছর বয়সী লিসা রিস এপ্রিল মাসে প্রথমবার ওজন কমানোর ওষুধ গ্রহণ শুরু করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল কয়েক কেজি ওজন কমানো। কিন্তু তিনি যে বিষয়টিকে ওষুধটির সবচেয়ে বড় অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে দেখছেন, সেটি হলো - [বাবার মৃত্যুর শোকে মেসি মাঠের বাইরে, শেষ মুহূর্তের গোলে মন্টেরের কাছে হার মায়ামির](https://sarakhon.com/news/182082/): বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর শোকের মধ্যেই মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে। আর মেসিকে ছাড়া শনিবার লিগস কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঘরের মাঠে মেক্সিকোর ক্লাব মন্টেরের কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে মায়ামি। মেসির বাবা হোর্হে মেসি ৬৮ বছর বয়সে আর্জেন্টিনায় মারা যান। বাবার মৃত্যুর খবরের পর মেসি শনিবার রাতে আর্জেন্টিনায় পৌঁছান। ফলে মন্টেরের বিপক্ষে ম্যাচে নিজের দলের হয়ে মাঠে নামতে পারেননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। মেসির ব্যক্তিগত এই কঠিন সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছে পুরো ইন্টার মায়ামি পরিবার। ম্যাচ শুরুর আগে হোর্হে মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়রা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। মাঠজুড়ে তৈরি হয় শোকের আবহ। ইন্টার মায়ামি এক - [শতকোটি ডলারের উত্তরাধিকারেও হতাশ হবেন তরুণেরা, হাতে আসবে সম্পদের ছোট অংশ](https://sarakhon.com/news/182078/): বেবি বুমার প্রজন্মের হাতে জমেছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ। দীর্ঘ সময়ের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাড়ির মূল্যবৃদ্ধি, বিনিয়োগের মুনাফা এবং আর্থিক বাজারের সাফল্যের কারণে এই প্রজন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম ধনী প্রজন্মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর এই বিপুল সম্পদের বড় অংশ উত্তরাধিকার হিসেবে সহসাই তরুণ প্রজন্মের হাতে চলে যাবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নাও থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, যে বিপুল সম্পদ এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে স্থানান্তরিত হওয়ার কথা, তাকে বলা হচ্ছে ‘মহা সম্পদ স্থানান্তর’। এর সম্ভাব্য পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন হিসাব রয়েছে। কোনো কোনো অনুমানে এর পরিমাণ ১২৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে গত মাসে প্রকাশিত ভিসার ব্যবসা ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে - [ব্রাজিলে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, একই পরিবারের তিন পর্যটকসহ নিহত ৪](https://sarakhon.com/news/182075/): ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে শনিবার একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন কলম্বীয় পর্যটক ছিলেন বলে জানিয়েছেন রিও ডি জেনেইরোতে নিযুক্ত কলম্বিয়ার কনসাল। হেলিকপ্টারটি রিও ডি জেনেইরোর তিজুকা জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বিধ্বস্ত হয়। পাহাড়ঘেরা এই বনাঞ্চলে অত্যন্ত ঘন গাছপালা থাকায় দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো ছিল বেশ কঠিন। দমকল বাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারের পাইলট ও তিন নারী পুড়ে মারা গেছেন। পরে তারা দুর্ঘটনাস্থলের ছবি প্রকাশ করে। ছবিতে খাড়া ও দুর্গম পাহাড়ি ঢালে ধোঁয়া উঠতে থাকা হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়। রিও ডি জেনেইরোতে কলম্বিয়ার কনসাল জেনারেল ডায়ানা পায়েজ জানান, নিহত তিন নারী একই পরিবারের সদস্য ছিলেন। একটি মেয়ের ১৫তম জন্মদিন - [হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-ওমান সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত, তবে খুলবে না নৌপথ](https://sarakhon.com/news/182073/): হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে ইরানের সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে শুধু এই সমঝোতা হলেই গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের দাবি, প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল শুরু করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকেও বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ইরান একটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ওমান জানিয়েছে, প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে ইরানের সঙ্গে তাদের আলোচনা ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে। হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানকে আলাদা করেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালি ঘিরে সমঝোতাকে চলমান যুদ্ধের - [আধুনিক প্রযুক্তির পুকুরে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের মাছের অর্থনীতি](https://sarakhon.com/news/182070/): ‘মাছের জেলা’ হিসেবে পরিচিত ময়মনসিংহ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি মাছ উৎপাদনকারী জেলার মর্যাদা ধরে রেখেছে। শহর থেকে একটু দূরে গ্রামাঞ্চলের দিকে এগোলেই চোখে পড়ে একরের পর একরজুড়ে বিস্তৃত মাছের খামার ও হ্যাচারি। দেশের মাছ উৎপাদনের মানচিত্রে এই জেলার গুরুত্ব তাই দীর্ঘদিন ধরেই আলাদা। প্রায় দুই দশক ধরে মাছ চাষকে জীবিকার প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলেছেন কৃষক মাহবুব আলম। ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী বালিয়া এলাকায় পাঁচ একরের খামারে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষের নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। ময়মনসিংহে মাছ চাষের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মৎস্য খাতকেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা - [আগামী সপ্তাহেই বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, আকাশে চোখ রাখার আগে যা জানা জরুরি](https://sarakhon.com/news/182067/): আগামী ১২ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক ঘটনা—পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলোকে পুরোপুরি আড়াল করলে তৈরি হবে এই বিরল দৃশ্য। গ্রহণের পূর্ণতার পথ অতিক্রম করবে গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, উত্তর রাশিয়া, আটলান্টিক মহাসাগর, স্পেন এবং পর্তুগালের একটি ছোট অংশ দিয়ে। উত্তর গোলার্ধের আরও বিস্তৃত এলাকায় দেখা যাবে আংশিক সূর্যগ্রহণ। কয়েক মিনিটের জন্য বদলে যাবে দিনের আকাশ পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যের উজ্জ্বল চাকতিকে পুরোপুরি ঢেকে দেবে। তখন দিনের আলো হঠাৎ অনেকটা কমে যাবে এবং সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল, অর্থাৎ করোনা, অন্ধকার আকাশে দৃশ্যমান হয়ে উঠতে পারে। তবে এই সম্পূর্ণ অন্ধকারের সময়টি খুব বেশি দীর্ঘ হবে না। - [হাউসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে ট্রাম্পকে ঘিরে বড় তদন্তে নামবে ডেমোক্র্যাটরা](https://sarakhon.com/news/182064/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফিরে পেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাৎক্ষণিকভাবে অভিশংসনের উদ্যোগ না নিয়ে বিস্তৃত তদন্ত শুরু করার পরিকল্পনা করছে ডেমোক্র্যাটরা। দলটির নেতারা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির কর্মকর্তারা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদার, দাতা ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সরাসরি অভিশংসন নয়, আগে প্রমাণ সংগ্রহ ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত চারজন ব্যক্তির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট নেতা ও বিভিন্ন কমিটির কর্মীরা শুনানি, সমন জারি এবং নথিপত্র চাওয়ার মাধ্যমে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তাদের ধারণা, হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে - [ছোট্ট নুমব্যাট, বড় এক শিক্ষা](https://sarakhon.com/news/182061/): অস্ট্রেলিয়ার প্রকৃতি রক্ষার লড়াইয়ে নুমব্যাট এখন শুধু একটি প্রাণীর নাম নয়, বরং দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টার একটি জীবন্ত উদাহরণ। একসময় ড্রায়ান্দ্রা বনভূমিতে নুমব্যাটের সংখ্যা ছিল ৫০টিরও কম। এখন সেই সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। পুরো অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ৩ হাজার নুমব্যাট রয়েছে। ড্রায়ান্দ্রায় তাদের সংখ্যা প্রায় দশ গুণ বেড়েছে। এই সাফল্যের পেছনে কয়েক দশকের পরিশ্রম রয়েছে। বিজ্ঞানী টনি ফ্রেন্ড আশির দশকে যখন ড্রায়ান্দ্রায় কাজ শুরু করেন, তখন নুমব্যাটের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। এরপর সংরক্ষণকর্মী, গবেষক, স্বেচ্ছাসেবী এবং চিড়িয়াখানার কর্মীরা একসঙ্গে কাজ করে প্রাণীটির সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যান। প্রতিবছর বসন্তকালে নুমব্যাটের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। তাদের প্রজনন মৌসুমে যখন ছোট নুমব্যাটগুলো গর্ত থেকে - [সূর্যগ্রহণের নেশায় মহাদেশ পাড়ি, আকাশের বিরল মুহূর্ত ধরতে ছুটছেন বিশ্বজুড়ে মানুষ](https://sarakhon.com/news/182058/): আকাশে কয়েক মিনিটের এক বিরল দৃশ্য দেখার জন্য কেউ গাড়ি চালিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন হাজার কিলোমিটার, কেউ উড়োজাহাজে ছুটছেন দূর দ্বীপে। কারও হাতে অত্যাধুনিক ক্যামেরা, কারও সঙ্গে বিশেষ দূরবীন, আবার কেউ সঙ্গে নিয়েছেন শিবির করার সরঞ্জাম। লক্ষ্য একটাই—বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ নিজের চোখে দেখা এবং সম্ভব হলে সেই মুহূর্ত ক্যামেরায় ধরে রাখা। বুধবার ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে দিনের বেলাতেই নেমে আসবে অস্বাভাবিক অন্ধকার। চাঁদ সূর্যের সামনে এসে সাময়িকভাবে সূর্যের আলো ঢেকে দেবে এবং পৃথিবীর ওপর ছড়িয়ে পড়বে তার ছায়া। অনেকের কাছে এটি জীবনে একবার দেখা সুযোগ। তবে সূর্যগ্রহণ অনুসরণকারীদের কাছে এমন ঘটনা যেন এক ধরনের নেশা। ইংল্যান্ড থেকে স্পেনে দুই দিনের যাত্রা চেশায়ারের বাসিন্দা - [কিয়েভের কাছে রুশ ড্রোন হামলায় ৩ বছরের শিশু ও দাদা-দাদির মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/182055/): ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে রুশ ড্রোন হামলায় মাত্র তিন বছর বয়সী এক শিশু ও তার দাদা-দাদি নিহত হয়েছেন। একই রাতে রাজধানী কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। হামলায় ওই পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। নিহত শিশুটির ১৫ বছর বয়সী ভাই, মা-বাবা এবং এক প্রতিবেশী আহত হয়েছেন। কিয়েভের কাছে ভয়াবহ হামলা ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর কাছের ব্রোভারস্কি জেলায় তিনটি স্থানে রুশ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০টি ব্যক্তিগত বাড়ি, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও উৎপাদনকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুহিভকা গ্রামের একটি বাড়িতে রুশ ড্রোন হামলার - [মেয়ের ‘শাস্তি’ দিতে পোষা বিড়ালের বাচ্চা হত্যা, ফ্লোরিডায় বাবা গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/182050/): যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মেয়েকে শাস্তি দেওয়ার অদ্ভুত ও ভয়াবহ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। কিশোরী মেয়ের সামনে পরিবারের পোষা বিড়ালের বাচ্চাকে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে ৪৮ বছর বয়সী ডেভিড শ্যারেট জুনিয়রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ফ্লোরিডার পাইন ম্যানর এলাকায়। লি কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, বাড়িতে একটি দুই মাস বয়সী বিড়ালের বাচ্চাকে পানিতে ডুবিয়ে ও আঘাত করার চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন খবর পেয়ে কর্মকর্তারা সেখানে যান। পরে লুনা নামের ওই বিড়ালের বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি পশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে সেটি সুস্থ হয়ে ওঠার পথে রয়েছে। মেয়েকে শাস্তি দিতে বিড়াল হত্যা করার অভিযোগ তদন্তকারীদের কাছে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী - [ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বোঝাতে এবার ‘সমুদ্রের দূত’ হাঙর](https://sarakhon.com/news/182048/): ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে আঘাত হানার আগেই তার শক্তি কতটা হতে পারে, তা আরও নির্ভুলভাবে জানার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। আর এই কাজে এবার অপ্রত্যাশিত এক সহযোগী হিসেবে সামনে এসেছে হাঙর। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের সাগরে ঘুরে বেড়ানো হাঙরের শরীরে বিশেষ সেন্সর বসিয়ে সমুদ্রের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা ও গভীরতার তথ্য সংগ্রহ করছেন গবেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও নীতি বিভাগের গবেষকেরা পরীক্ষা করছেন, হাঙরকে চলমান সমুদ্র পর্যবেক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না। তাদের লক্ষ্য হলো হাঙরের চলাচলের সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া সমুদ্রের তথ্যকে আবহাওয়া, সমুদ্রবিজ্ঞান ও জলবায়ু মডেলের সঙ্গে যুক্ত করা। হাঙরের শরীরে ছোট যন্ত্র, সাগরজুড়ে তথ্য সংগ্রহ গবেষকেরা হাঙরের পৃষ্ঠীয় পাখনায় ছোট বৈদ্যুতিক যন্ত্র - [‘মা, আমাকে ফোন কোরো না’—থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলির সেই ভয়াবহ ৪০ মিনিট](https://sarakhon.com/news/182042/): থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠের একটি স্কুলে শুক্রবার সকালটা হঠাৎই পরিণত হয় আতঙ্ক আর মৃত্যুর মিছিলে। শ্রেণিকক্ষের দরজা আটকে, আলো নিভিয়ে, জানালার পাশে গা ঢাকা দিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছিল ১৪ বছরের শিক্ষার্থীরা। বাইরে তখন একের পর এক গুলির শব্দ। কেউ জানত না পরের গুলিটি কোথায় গিয়ে আঘাত করবে। দেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলে ঘটে যাওয়া এই হামলায় এখন পর্যন্ত নয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিক্ষক ও দুজন স্কুল কর্মকর্তা রয়েছেন। হামলাকারীও নিহত হয়েছে। শনিবার ১২ বছরের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়ায়। ২০২২ সালের পর এটিই থাইল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলা। ঘটনাটি দেশটিতে অস্ত্র - [১৪ মাস পর সিলেটে ১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত](https://sarakhon.com/news/182041/): মামলা, গ্রেপ্তার, অবসর, ওএসডির চাপে পুলিশ প্রথম আলো, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানোর অভিযোগে পুলিশের ১ হাজার ৪৯০ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬৮ জন গ্রেপ্তার ও ৫৭ জন পলাতক। এর বাইরে ১৪১ জন পুলিশ সদস্যকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ও বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে আরও ১৪২ জনকে। পলায়নের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন ৯৩ জন। মামলায় আসামি হওয়া, গ্রেপ্তার, পলাতক, সাময়িক বরখাস্ত, ওএসডি ও বাধ্যতামূলক অবসরের কারণে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। শাস্তির আওতায় আসা পুলিশ সদস্যদের একটি অংশের অভিযোগ, প্রকৃত সম্পৃক্ততা যাচাই না করেই অনেক কর্মকর্তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। কেউ - [আগস্টের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সব অভিবাসন কর্মকর্তার শরীরে ক্যামেরা](https://sarakhon.com/news/182037/): যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা আইসের মাঠপর্যায়ের সব কর্মকর্তা ও এজেন্টের শরীরে ক্যামেরা বসানোর কার্যক্রম চলতি আগস্টের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে। সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডেভিড ভেনচুরেলা শনিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন। আইসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাঠে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেক কর্মকর্তা ও এজেন্টকে আগস্টের শেষ নাগাদ শরীরে পরিধানযোগ্য ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। সংস্থাটির আগের নির্ধারিত সময়সূচির তুলনায় এই কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে অভিবাসন অভিযান, আটক, গাড়ি থামানো এবং অন্যান্য মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ক্যামেরায় ধারণ করার সুযোগ তৈরি হবে। আইন প্রয়োগের সময় কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে ক্যামেরার ধারণ করা ভিডিও তা যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে - [ইনফান্তিনোর ভাগ্য এখন এশিয়ার ৪৬ ভোটে, চতুর্থ মেয়াদে কি টিকে থাকবেন ফিফা প্রধান?](https://sarakhon.com/news/182035/): ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে এশিয়ার ওপর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্বে থাকার পথ আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও সাম্প্রতিক কয়েকটি বিতর্ক সেই সমীকরণ বদলে দিয়েছে। আর সেই পরিস্থিতিতে এশিয়ার ৪৬টি ভোটই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর ইনফান্তিনো ধীরে ধীরে বিশ্ব ফুটবলে নিজের প্রভাব শক্তিশালী করেছেন। চতুর্থ মেয়াদে তার পুনর্নির্বাচন প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে ২০০টির বেশি সদস্যসংস্থা ইতোমধ্যে তার প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছিল। এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীও সামনে আসেননি। কিন্তু বিশ্বকাপের মালিকানার একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব প্রকাশ্যে - [কেমন নেতৃত্ব প্রয়োজন: জাতীয় আনুগত্য, নাকি বৈশ্বিক সক্ষমতা?](https://sarakhon.com/news/181969/): ইন্দোনেশিয়ার ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নতুন একটি উচ্চশিক্ষা কাঠামো তৈরির উদ্যোগ দেশটির শিক্ষা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। প্রশ্নটি শুধু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নয়; বরং আগামী কয়েক দশকে ইন্দোনেশিয়া কী ধরনের মানুষকে রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্বে দেখতে চায়, সেটি নিয়েও। ২২ জুলাই প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো নতুন প্রতিষ্ঠিত ইউনিভার্সিতাস রিপাবলিক ইন্দোনেশিয়া বা ইউআরআইয়ের নেতৃত্বে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনীর মার্শালকে নিয়োগ দেন। শুরুতে এটিকে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখা হলেও পরে সরকারি কর্মকর্তারা জানান, পরিকল্পনাটি আরও বড়—দেশজুড়ে মোট ১০টি ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে। প্রথম ক্যাম্পাসটি পশ্চিম জাভার বোগোরে একটি সাবেক তেলপাম বাগানের জমিতে সরকারি অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত - [ডেমোক্র্যাটদের আসল সংকট অর্থনীতি নয়, সংস্কৃতি ও জনমানস](https://sarakhon.com/news/181966/): মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এখন এমন এক রাজনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি, যার সমাধান শুধু আরও বেশি অর্থনৈতিক সুবিধা, ধনীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর বক্তব্য কিংবা কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাড়ানোর মধ্যে নেই। দলটির বড় দুর্বলতা অর্থনৈতিক নীতিতে নয়; বরং আমেরিকার একটি বড় অংশের ভোটারের সঙ্গে সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ এবং দৈনন্দিন নিরাপত্তার প্রশ্নে তৈরি হওয়া দূরত্বে। মিশিগানের সাম্প্রতিক সিনেট প্রাইমারি সেই দ্বন্দ্বকে খুব স্পষ্ট করে তুলেছে। প্রগতিশীল রাজনীতিক আবদুল এল-সাইয়েদের জয় দেখিয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের প্রাইমারি ভোটারদের মধ্যে বামঘেঁষা রাজনীতির যথেষ্ট প্রাণশক্তি রয়েছে। কিন্তু তাঁর সমর্থনের বড় অংশ এসেছে উচ্চশিক্ষিত এলাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক শহরগুলো থেকে। বিপরীতে তুলনামূলক মধ্যপন্থী হ্যালি স্টিভেন্স অনেক গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের এলাকায় ভালো করেছেন। অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটদের - [নিয়ন্ত্রণ নয়, রাজনৈতিক বাজি: ট্রাম্পের ইয়েন নীতির আসল হিসাব](https://sarakhon.com/news/181781/): যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত অন্য দেশের মুদ্রাবাজারে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে না। এমন পদক্ষেপকে ওয়াশিংটন ঐতিহাসিকভাবে জরুরি পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত রেখেছে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সেই পুরোনো ধারণাকে বদলে দিচ্ছে। আর্জেন্টিনার পেসো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম এবং এখন জাপানের ইয়েন—তিন ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্র মুদ্রার স্থিতিশীলতায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন দেখিয়েছে। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কেন? সাধারণ অর্থনৈতিক যুক্তিতে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজের অর্থনীতির বাইরে অন্য দেশের মুদ্রা রক্ষায় অর্থ ও নীতিগত শক্তি ব্যয় করার যথেষ্ট কারণ থাকার কথা নয়। বিশেষ করে যে মুদ্রার দরপতনের ঝুঁকি রয়েছে, সেটি কিনে রাখা বা সাময়িক ডলার-সোয়াপের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপগুলোকে শুধু - [হাসিনার নির্দেশেই সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম, টিএফআই সেলে নির্যাতনের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য](https://sarakhon.com/news/182030/): ২০১৫ সালে বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করে র‍্যাবের টিএফআই সেলে আটকে রাখার ঘটনায় শেখ হাসিনার নির্দেশনার প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। একই ঘটনায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ র‍্যাব ও পুলিশের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে। শনিবার (৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, তদন্ত দ্রুত শেষ করে সংশ্লিষ্টদের বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গুমের নির্দেশ ও টিএফআই সেলে আটকে রাখার অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল। সে সময় তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। গুমের পর - [মোদি-যোগী বৈঠকে ২০২৭ উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন: অযোধ্যা, পরীক্ষার ফাঁস ও তরুণদের ক্ষোভে চাপে বিজেপি](https://sarakhon.com/news/182027/): উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শনিবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি, বিজেপির কৌশল এবং সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির জন্য উত্তরপ্রদেশ বরাবরই জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যটিতে দলের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সামাজিক সমীকরণে দুর্বলতা স্পষ্ট হয়। সমাজবাদী পার্টি একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে এবং ইন্ডিয়া জোটও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়। ফলে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন যোগী সরকারের রেকর্ডের পাশাপাশি বিজেপি তাদের পুরোনো সামাজিক জোট কতটা পুনর্গঠন করতে পারে, তারও পরীক্ষা হয়ে উঠবে। অযোধ্যার অনুদান নিয়ে অভিযোগ - [ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল, বড় হামলা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/182022/): ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ বা ‘অফ-র‍্যাম্প’ খুঁজছেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। সিএনএনের সঙ্গে কথা বলা তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মিশরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আহরাম অনলাইন। সূত্রগুলোর দাবি, সংঘাত আরও তীব্র করার জন্য যে সামরিক বিকল্পগুলো বিবেচনায় রয়েছে, সেগুলোর কিছু উল্টো ফল দিতে পারে। শুধু বিমান শক্তি ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করাও কঠিন হতে পারে বলে মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের একটি অংশ মনে করছে। সামরিক বিকল্পের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা একটি সূত্র সরাসরি বলেছে, ‘কেইন যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন।’ ওই - [ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে আগুন, ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে](https://sarakhon.com/news/182019/): সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় দেশটির রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি এডনকের একটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। একই দিনে ওমানের কাছে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে গোলাবারুদের আঘাতে আগুন লাগার কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য সংস্থা। তবে দুটি ঘটনায় একই জাহাজ জড়িত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘শত্রুতামূলক ইরানি হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় এডনকের মালিকানাধীন একটি ট্যাংকারকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে কোনো প্রাণহানি হয়নি। এর আগে শুক্রবার এডনক জানিয়েছিল, যুদ্ধ শুরুর পর - [ভারতে ইউপিআই লেনদেন থাকবে বিনা খরচে, সীমিত ব্যবসায়িক পেমেন্টে বসতে পারে নামমাত্র ফি](https://sarakhon.com/news/182010/): ভারতে ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস (ইউপিআই) লেনদেনে সাধারণ ভোক্তাদের কাছ থেকে কোনো চার্জ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি সপ্তাহে লোকসভায় পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭ সংশোধনের প্রস্তাব পাস হওয়ার পর ইউপিআই লেনদেনে ফি আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, ইউপিআইয়ের বিপুলসংখ্যক লেনদেন গ্রাহক ও ব্যবসায়ী—উভয়ের জন্যই বিনা খরচে থাকবে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসায়িক লেনদেনে ভবিষ্যতে নামমাত্র ফি আরোপের সুযোগ রাখা হতে পারে। গ্রাহকের ইউপিআই পেমেন্টে থাকবে না চার্জ ভারত সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ভোক্তারা অর্থ পরিশোধ করলে তাদের কোনো লেনদেন ফি দিতে হবে না। - [‘ডিগ্রির কোনো মূল্য নেই’ ভারতে, তরুণদের ‘দুঃখ-তথ্য-সম্পদ’ নিয়ে রাহুল গান্ধীর বিস্ফোরক বক্তব্য](https://sarakhon.com/news/182015/): ভারতের তরুণদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, বর্তমান ভারতে শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই চাকরি নিশ্চিত হচ্ছে না। তাঁর দাবি, শিক্ষাগত সনদের মূল্য কমে গেছে, কারণ তা তরুণদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। শনিবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ‘ছাত্রদের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। রাতভর বৃষ্টির কারণে কায়স্থ পাঠশালা মাঠের বিভিন্ন অংশে পানি ও কাদা জমলেও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হন। তরুণদের ‘সবচেয়ে বড় শক্তি’ রাহুল গান্ধী বলেন, ভারতের প্রায় ৪০ কোটি তরুণই দেশটির সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া নিয়ে অনেক - [চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপট, মানুষের চাকরি কি রোবটের দখলে যাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/182009/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার বদলে দিচ্ছে চীনের কর্মজগতের চেহারা। একদিকে প্রযুক্তি, রোবট ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা দেশটির শিল্প ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনা তৈরি করছে, অন্যদিকে একই প্রযুক্তি একের পর এক মানুষের কাজ কেড়ে নেওয়ার আশঙ্কাও বাড়িয়ে তুলছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় কর্মশক্তির দেশগুলোর একটি চীন এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একই সঙ্গে আশীর্বাদ ও বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। চীনের অর্থনীতিতে নতুন আশার জায়গা হিসেবে যে ক্ষুদ্র নাটকের ব্যবসা দ্রুত বড় হয়েছিল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আগমনে সেই শিল্পেই প্রথম ধাক্কাটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশটির ঝেংঝৌ শহর ক্ষুদ্র নাটকের একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। মাত্র এক মিনিটের মতো দৈর্ঘ্যের - [হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ইসলামী আন্দোলন নেতা](https://sarakhon.com/news/181915/): ভারতে আশ্রয় নিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধান শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পরিবর্তে একটি ‘স্বৈরাচারী শক্তির’ সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে এর নেতিবাচক পরিণতি ভারতকেই বহন করতে হবে। ভারতের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান গাজী আতাউর রহমান বলেন, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে রাজনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বন্ধ করতে ভারতের ওপর সরকারের ধারাবাহিক চাপ বজায় রাখা প্রয়োজন। একই - [পাকিস্তানে জামায়াতের দেশব্যাপী বিক্ষোভ, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি দামের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ](https://sarakhon.com/news/181997/): মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, পেট্রোলিয়াম লেভি ও বিভিন্ন করের প্রতিবাদে পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভ করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দলটির কর্মসূচিতে দেশটির বিভিন্ন শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং কোথাও কোথাও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। লাহোরে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রধান হাফিজ নাঈমুর রহমান চার প্রদেশের গভর্নর হাউসের সামনে ‘ঐতিহাসিক’ অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দলটি ইতোমধ্যে পরামর্শ শেষ করে পরবর্তী কর্মসূচির কৌশল চূড়ান্ত করেছে। জ্বালানি মূল্য ও কর নিয়ে ক্ষোভ হাফিজ নাঈমুর রহমান অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পরও সরকার তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়নি। বরং - [ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক দুনিয়ায় আমেরিকার নতুন বাজি, ঐকমত্য নয়—উদ্ভাবনেই ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/182001/): বিশ্বের আর্থিক বাজারে শুরু হয়েছে নতুন এক যুগ। আর এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে ডেরিভেটিভস বা এমন আর্থিক চুক্তির বাজার, যার মূল্য নির্ধারিত হয় কোনো পণ্য, মুদ্রা, শেয়ার, সুদের হার বা অন্য সম্পদের দামের ওপর ভিত্তি করে—সেই বাজার দ্রুত বদলে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের মতে, ভবিষ্যতের আর্থিক ব্যবস্থায় সবার মতৈক্যের চেয়ে দ্রুত উদ্ভাবন, প্রযুক্তি গ্রহণ এবং বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মকানুন বদলানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্বের ডেরিভেটিভস বাজারের মোট নামমাত্র মূল্য এখন এক হাজার দুইশ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এর প্রায় অর্ধেকই যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যভিত্তিক ভবিষ্যৎ চুক্তি নিয়ন্ত্রক সংস্থার আওতায় পড়ে। কয়েক দশক ধরে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, প্রতিযোগিতামূলক বাজার, নিয়ন্ত্রক কাঠামো - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি ফিলিপাইনের লাখো চাকরি কেড়ে নেবে, নাকি খুলে দেবে নতুন দরজা?](https://sarakhon.com/news/181985/): ফিলিপাইনের বিশাল বিদেশমুখী সেবা খাতকে দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান ভরসা হিসেবে দেখা হয়। রাতের শহর ম্যানিলায় হাজার হাজার কর্মী আমেরিকা ও ইউরোপের গ্রাহকদের জন্য ফোন ধরেন, ই-মেইল লেখেন, হিসাব সামলান, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত করেন। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থান এই শিল্পের সামনে নতুন এক প্রশ্ন দাঁড় করিয়েছে—যে প্রযুক্তি তাদের কাজ আরও সহজ করে দিচ্ছে, সেটিই কি একদিন তাদের চাকরির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে? ফিলিপাইনের বাস্তবতা অবশ্য এখন পর্যন্ত সেই আশঙ্কাকে পুরোপুরি সত্যি করেনি। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারের মধ্যেও দেশটির বিদেশমুখী সেবা ব্যবসা বাড়ছে। তবে এই প্রবৃদ্ধির আড়ালে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটছে, যা ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের চিত্র আমূল বদলে দিতে - [ব্রাজিলের নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ, ভোটারদের মনে অনীহা—লুলার সামনে কঠিন লড়াই](https://sarakhon.com/news/181994/): ব্রাজিলের সাধারণ নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে এখনো কয়েক দিন বাকি। আগামী ১৬ আগস্ট থেকে নির্বাচনী প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই দেশটির রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের অভিযোগ, অন্যদিকে দেশের ভেতরে ভোটারদের হতাশা—সব মিলিয়ে অক্টোবরের নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। সারাক্ষণ রিপোর্ট ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এবারও সবচেয়ে আলোচিত নাম বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ৮০ বছর বয়সী লুলা সপ্তমবারের মতো প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর বড় ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো। জইর বলসোনারো ২০২২ সালের নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। ফলে - [মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণী ও নীতির দায়: এই সময়ের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন কি প্রযুক্তি, নাকি মানবিকতা?](https://sarakhon.com/news/181991/): ইলন মাস্কের বক্তব্য, ভবিষ্যৎ পৃথিবী হবে অভাবনীয় প্রাচুর্যের যুগ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং মঙ্গলগ্রহে মানুষের সম্ভাব্য বসতি—এসব নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চাভিলাষী ভবিষ্যদ্বাণী করে আসছেন। কিন্তু তার কিছু বক্তব্য ও পূর্বাভাস এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে আফ্রিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা কমানোর সম্ভাব্য মানবিক প্রভাব নিয়ে তার অবস্থানকে ঘিরে নৈতিক প্রশ্ন আরও তীব্র হয়েছে। মাস্ক দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থার অর্থ বরাদ্দ কমানোর কারণে আফ্রিকায় কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। তার যুক্তি ছিল, অন্য সংস্থাগুলো চাইলে দ্রুত সেই ঘাটতি পূরণ করতে পারত। আর তারা যদি তা না করে থাকে, তাহলে দায় তাদেরও। কিন্তু - [কোরীয় উপদ্বীপে ফের মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সম্ভাবনা কম](https://sarakhon.com/news/182649/): চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাতের ক্ষেত্রে মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে অপেক্ষাকৃত কম পাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রের ভূমিকা বাড়ানোর কথা ভাবছে। এ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—তিন দশকের বেশি সময় আগে প্রত্যাহার করা মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র কি আবারও কোরীয় উপদ্বীপে ফিরতে পারে? তবে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বড় অংশ মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নীতিতে এই পরিবর্তনের অর্থ সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র ফিরিয়ে আনা নয়। বরং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচলিত সামরিক শক্তির মধ্যে সমন্বয় আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে। নতুন পারমাণবিক কৌশল নিয়ে আলোচনা প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর নতুন একটি - [বিদেশিদের চিকিৎসা সহজ করতে কোরিয়ায় নতুন সেবার হাতছানি](https://sarakhon.com/news/182646/): দক্ষিণ কোরিয়ায় ভ্রমণ এখন আর শুধু রাজপ্রাসাদ দেখা, রাস্তার খাবার খাওয়া কিংবা ক্যাফেতে সময় কাটানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সৌন্দর্যচর্চা ও আধুনিক চিকিৎসার জন্যও দেশটিতে ছুটছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। কোরিয়ার উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি, দক্ষ চিকিৎসক এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী খরচ দেশটিকে চিকিৎসা পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে। তবে বিদেশি রোগীদের জন্য কোরিয়ায় চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে ভাষাগত সমস্যা, হাসপাতাল ব্যবস্থার সঙ্গে অপরিচিতি এবং উপযুক্ত চিকিৎসাকেন্দ্র খুঁজে পাওয়ার জটিলতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যাগুলো সহজ করতে কাজ করছে বৈশ্বিক চিকিৎসা-সহায়ক প্ল্যাটফর্ম রোম মেডিকেল। চিকিৎসা পর্যটনে কোরিয়ার উত্থান কোরিয়ার স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে ২০ লাখ ১০ হাজার বিদেশি - [শোনা ছাড়াই শব্দকে নতুন করে ভাবার শিল্পী ক্রিস্টিন সান কিম](https://sarakhon.com/news/182641/): শব্দ শোনা যায় না, কিন্তু শব্দকে দেখা যায়, অনুভব করা যায়—এমন এক ভিন্ন জগতের শিল্পভাষা তৈরি করেছেন কোরীয়-আমেরিকান বধির শিল্পী ক্রিস্টিন সান কিম। রাগ, রসবোধ, একাকিত্ব, শৈশবের একঘেয়েমি এবং নিজের পরিচয়ের অভিজ্ঞতাকে শিল্পে রূপ দিয়ে তিনি সমকালীন শিল্পের প্রচলিত ধারণাকেই নতুন করে প্রশ্ন করছেন। জার্মানির বার্লিনে বসবাসকারী এই শিল্পীর নতুন প্রদর্শনী ‘হ্যাভ মেনি ডাম্ব ফাইটস এগেইনস্ট রক’ এখন দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব মডার্ন অ্যান্ড কনটেম্পোরারি আর্টে প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রদর্শনীর বিশাল পরিসরে ছড়িয়ে রয়েছে সাদা-কালো রেখার বিস্তার এবং একটি বিশাল বাঁকানো জৈব আলো-নির্গত পর্দা। এসবের মধ্য দিয়ে কিম শব্দ, নীরবতা, দেহ ও যোগাযোগের সম্পর্ককে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। শিল্পের পথে পরিবারই - [নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ ঘিরে কোরিয়ায় বই বিক্রিতে ৬০০ শতাংশ উল্লম্ফন](https://sarakhon.com/news/182638/): ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’ মুক্তির আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার পাঠকদের মধ্যে হোমারের প্রাচীন মহাকাব্য ‘ওডিসি’ নিয়ে নতুন করে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সিনেমাটি স্থানীয়ভাবে মুক্তির অপেক্ষায় থাকতেই ‘ওডিসি’ নামের বইগুলোর বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম বড় বই বিক্রয়কেন্দ্র কিয়োবো বুক সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ‘ওডিসি’ শব্দটি শিরোনামে থাকা বইগুলোর বিক্রি মাসে মাসে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর মধ্যে হোমারের মূল মহাকাব্যের বিভিন্ন কোরীয় অনুবাদও রয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে মার্চে এসব বইয়ের বিক্রি বেড়েছিল ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ। এপ্রিলে এই প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশে। মে মাসে বিক্রি বাড়ে ১৯৪ শতাংশ এবং জুনে ২৯১ দশমিক ৭ - [সাবস্ক্রিপশনের ক্লান্তিতে নতুন কৌশল, ২৪ ঘণ্টার ‘বিঞ্জ চ্যানেল’ চালু করছে কোরিয়ার স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম](https://sarakhon.com/news/182635/): সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক বিনোদন সেবায় মানুষের আগ্রহ ধরে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। মাসে মাসে একাধিক প্ল্যাটফর্মের জন্য টাকা দেওয়ার ক্লান্তি থেকে দর্শকদের অনেকে সরে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলো দর্শকদের ধরে রাখতে নতুন কৌশল নিয়েছে। জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ও ধারাবাহিক দিয়ে বিনামূল্যে ২৪ ঘণ্টা চলা বিশেষ চ্যানেল চালু করছে তারা। কোরিয়ার বড় স্থানীয় স্ট্রিমিং সেবা ওয়েভ ও টিভিং এখন বিজ্ঞাপননির্ভর বিনামূল্যের সরাসরি সম্প্রচার মডেলের দিকে এগোচ্ছে। দর্শকদের আলাদা করে অর্থ দিয়ে সদস্য হতে না হলেও এসব চ্যানেলে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান দেখা যাচ্ছে। ফলে দর্শকদের জন্য প্রবেশের বাধা কমছে, একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মগুলোও বিজ্ঞাপন থেকে নতুন আয়ের সুযোগ পাচ্ছে। জনপ্রিয় ধারাবাহিকেই বিনামূল্যের চ্যানেল - [এক দশকে বিশ্বসংগীতের মানচিত্র বদলে দিল ব্ল্যাকপিঙ্ক, কে-পপের চার তারকার নতুন অধ্যায়](https://sarakhon.com/news/182632/): এক দশক আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতজগতে চার তরুণীর আগমন হয়েছিল। হাতে ছিল গান, চোখে ছিল স্বপ্ন আর সামনে ছিল বিশাল এক অনিশ্চিত পথ। কিন্তু জিসু, জেনি, রোজে ও লিসা হয়তো তখনও জানতেন না, তাদের চারজনের সম্মিলিত যাত্রা একদিন শুধু কে-পপের ইতিহাস নয়, বিশ্বসংগীতের গতিপথেও পরিবর্তনের গল্প হয়ে উঠবে। ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ‘হুইসল’ ও ‘বুমবায়াহ’ গান নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল ব্ল্যাকপিঙ্ক। সে সময় তাদের পরিচয় ছিল ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের নতুন নারী দল হিসেবে। এর আগে একই প্রতিষ্ঠান থেকে জনপ্রিয় নারী দল টুয়েনি ওয়ান উঠে এসেছিল। ফলে নতুন দলটির ওপর প্রত্যাশার চাপও ছিল যথেষ্ট। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বোঝা গেল, ব্ল্যাকপিঙ্ক কেবল আরেকটি কে-পপ দল - [কুমামোতোতে ৬৩০ কোটি ডলারের সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ, নতুন ইমেজ সেন্সর তৈরিতে সনি-টিএসএমসি জোট](https://sarakhon.com/news/182629/): জাপানের কুমামোতো প্রদেশে পরবর্তী প্রজন্মের ইমেজ সেন্সর সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে জাপানের সনি গ্রুপ ও তাইওয়ানের টিএসএমসি। দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রায় ৬৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে একটি নতুন কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৯ সাল নাগাদ সেখানে বাণিজ্যিকভাবে উন্নত ইমেজ সেন্সর উৎপাদন শুরু হতে পারে। সনি ও টিএসএমসি গত মে মাসে পরবর্তী প্রজন্মের ইমেজ সেন্সর উন্নয়ন ও উৎপাদনে সহযোগিতার বিষয়ে একটি মৌলিক সমঝোতায় পৌঁছায়। সেই সমঝোতার ধারাবাহিকতায় এবার কুমামোতোতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা সামনে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ইমেজ সেন্সরের গুরুত্ব ইমেজ সেন্সর হলো ক্যামেরা ও বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি আলো ও দৃশ্যকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে, যার মাধ্যমে - [পাহাড়ি সিংহের ভয়েই কমছে হরিণের সড়ক দুর্ঘটনা](https://sarakhon.com/news/182626/): প্রকৃতির শিকারি প্রাণীকে অনেক সময় মানুষের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের অলিম্পিক উপদ্বীপে নতুন এক গবেষণা দেখিয়েছে, পাহাড়ি সিংহ বা কুগারের উপস্থিতি উল্টো মানুষের জীবন ও অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব এলাকায় পাহাড়ি সিংহের বিচরণ বেশি, সেখানে হরিণের সঙ্গে যানবাহনের সংঘর্ষ ৭৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে জীববিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে। গবেষকদের মতে, এর প্রধান কারণ পাহাড়ি সিংহের শিকার করে হরিণের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া নয়। বরং সিংহের ভয় হরিণের আচরণ বদলে দেয়। শিকারির উপস্থিতি টের পেয়ে হরিণ রাস্তা, জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও মানুষের চলাচল বেশি এমন জায়গা এড়িয়ে চলে। একই সঙ্গে রাতে - [সমুদ্রের মানুষ থেকে ফুয়া চু কাং—সিঙ্গাপুরের জাতীয় দিবসের আয়োজনে ফিরে দেখা শেকড় ও স্মৃতির সোনালি সময়](https://sarakhon.com/news/182622/): সিঙ্গাপুরের জাতীয় দিবস উদযাপনের এবারের আয়োজন যেন হয়ে উঠেছিল দেশটির ইতিহাস, সংস্কৃতি, সমুদ্রভিত্তিক ঐতিহ্য ও জনপ্রিয় সংস্কৃতির এক আবেগঘন যাত্রা। জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত বর্ণিল অনুষ্ঠানে একদিকে উঠে এসেছে সিঙ্গাপুরের প্রাচীন সামুদ্রিক জনগোষ্ঠী ‘ওরাং লাউত’-এর জীবন ও ঐতিহ্য, অন্যদিকে ফিরে এসেছে স্বাধীনতার পরের দশকগুলোর টেলিভিশন, গান, খেলাধুলা ও জাতীয় প্রচারণার স্মৃতি। অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে ‘সীমা পেরিয়ে আমাদের আকার’ ভাবনায় সিঙ্গাপুরের সামুদ্রিক অতীতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ওরাং লাউত শিল্পী আসনিদা দাউদ শক্তিশালী কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘আওক দিকো’ গানটি। ওরাং লাউত ভাষায় যার অর্থ ‘হ্যাঁ, অবশ্যই’। গানটি সিঙ্গাপুরের সমুদ্রনির্ভর আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং দেশটির ভূমি ও সাগরের দীর্ঘ সম্পর্ককে স্মরণ করিয়ে দেয়। সমুদ্রের সঙ্গে - [চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ভারতের বিরল মাটির চুম্বক শিল্প, বড় প্রশ্ন সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে](https://sarakhon.com/news/182620/): ভারত বিরল মাটির উপাদান দিয়ে তৈরি শক্তিশালী চুম্বকের নিজস্ব শিল্প গড়ে তুলতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগে দেশি-বিদেশি বহু প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও পরিকল্পনার ধরন নিয়ে শিল্পখাতের মধ্যেই তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে ছোট আকারের সমন্বিত কারখানা গড়ে তোলার ওপর সরকারের জোর কতটা কার্যকর হবে এবং এর মাধ্যমে চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভারত আদৌ পাল্লা দিতে পারবে কি না—এ নিয়েই বাড়ছে সংশয়। ভারতের সরকার বিরল মাটির চুম্বক উৎপাদন খাত গড়ে তুলতে ৭২৮০ কোটি রুপির একটি প্রণোদনা কর্মসূচি নিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে এর পরিমাণ আরও অনেক বেশি। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এমন একটি নিজস্ব উৎপাদনব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে বিরল - [ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান হতে মনোনীত দেশটির শীর্ষ ব্যাংকার](https://sarakhon.com/news/182617/): ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তো মনোনয়ন দিয়েছেন ব্যাংক ইন্দোনেশিয়ার জ্যেষ্ঠ ডেপুটি গভর্নর দেস্ত্রি দামায়ান্তিকে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা ও নানা ধরনের চাপের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন কয়েকজন অর্থনীতিবিদ। একক প্রার্থী দেস্ত্রি প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তো গভর্নর পদে মাত্র একজনের নাম প্রস্তাব করেছেন। ফলে নতুন গভর্নর বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশটির পার্লামেন্টের হাতে থাকা সম্ভাব্য বিকল্পও সীমিত হয়ে গেল। এখন পার্লামেন্টের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে দেস্ত্রির নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে। দেস্ত্রি বর্তমানে ব্যাংক ইন্দোনেশিয়ার ভারপ্রাপ্ত গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন। আগের গভর্নর পেরি ওয়ারজিয়ো পদ ছাড়ার পর তিনি এই দায়িত্বে আসেন। কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে - [দুর্বল ইয়েনেই জাপানের বহুজাতিক সংস্থার বড় লাভ, বাড়ছে মুনাফার পূর্বাভাস](https://sarakhon.com/news/182613/): জাপানের মুদ্রা ইয়েনের দুর্বল অবস্থান দেশটির বহুজাতিক সংস্থাগুলোর ব্যবসায় বড় ধরনের সুবিধা এনে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক আয়-পর্যালোচনার মৌসুমে জাপানের বেশ কয়েকটি বড় কোম্পানি পুরো বছরের মুনাফার পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টয়োটা, সনি ও মুজির মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। ইয়েনের দর কমে যাওয়ায় বিদেশে ব্যবসা করা জাপানি কোম্পানিগুলো বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে। বিদেশি মুদ্রায় অর্জিত আয় ইয়েনে হিসাব করার সময় তার মূল্য বেড়ে যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করা পণ্য ও সেবা থেকে পাওয়া আয় জাপানি মুদ্রায় রূপান্তরের পর কোম্পানিগুলোর মোট রাজস্ব ও মুনাফা বাড়ছে। ইয়েন আরও দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা জাপানের শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক টপিক্সে অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোর ইয়েনের সম্ভাব্য বিনিময় হার নিয়ে করা হিসাবেও - [গ্রামে কর্মসংস্থানে বড় ধস, এক মাসেই কাজের দিন কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/182611/): ভারতের গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা কর্মসূচিতে নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রথম মাসেই কাজের সুযোগে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে নতুন কর্মসূচির আওতায় মোট ৭ কোটি ৬৭ লাখ শ্রমদিবস তৈরি হয়েছে, যা গত বছরের একই মাসে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা কর্মসূচির আওতায় তৈরি হওয়া ১৫ কোটি ৩৩ লাখ শ্রমদিবসের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ কম। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে শ্রমদিবস তৈরির হার কমেছে ৪৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। একই সময়ে গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা কর্মসূচির সুবিধা নেওয়া পরিবারের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে মাত্র ৬৮ লাখ ৯৪ হাজার পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় কাজ পেয়েছে। গত - [দিল্লিতে ‘চাল কেলেঙ্কারি’ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত, আম আদমি পার্টির অভিযোগে বিজেপির পাল্টা দুর্নীতির তোপ](https://sarakhon.com/news/182608/): দিল্লিতে দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ ভর্তুকির চাল কেনা ও বিক্রি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আম আদমি পার্টি অভিযোগ করেছে, দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ বিপুল পরিমাণ চাল একটি কথিত চক্রের মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আমলে দিল্লিতে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছিল। রোববার দুই দলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে দিল্লির রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আম আদমি পার্টির দিল্লি শাখার সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ দাবি করেন, কথিত চালের এই কারবারে তিন বছরে প্রায় ২২ হাজার কোটি রুপির চাল জড়িত থাকতে পারে। তবে দিল্লি সরকারের খাদ্য সরবরাহমন্ত্রী মঞ্জিন্দর সিং সিরসা অভিযোগগুলোকে - [সীমানা পুনর্নির্ধারণে ‘ন্যায্যতা’ নেই, এটি প্রতারণা: তামিলনাড়ু কংগ্রেস](https://sarakhon.com/news/182604/): ভারতের লোকসভা আসন পুনর্বিন্যাস বা সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে তামিলনাড়ু কংগ্রেসের সভাপতি বি. মানিক্কম ঠাকোর বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় প্রকৃত অর্থে কোনো ‘ন্যায্য পুনর্নির্ধারণ’ সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, পুরো উদ্যোগটিই একটি প্রতারণা এবং এর মাধ্যমে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ও আর্থিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। রোববার চেন্নাইয়ের মেদাভাক্কামে বিলের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক প্রতিবাদ মিছিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে ঠাকোর রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান পরিবর্তনেরও সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, কয়েক মাসের ব্যবধানেই কিছু রাজনৈতিক দল সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিরোধিতা থেকে সরে এসে এখন ‘ন্যায্য পুনর্নির্ধারণের’ কথা বলছে। তাঁর প্রশ্ন, যে প্রক্রিয়াকেই তাঁরা আগে অন্যায্য বলে প্রত্যাখ্যান - [দীর্ঘ কোভিডের যন্ত্রণাদায়ক সত্য: চিকিৎসার পথ কি শরীরের বাইরে, মস্তিষ্কের ভেতরেও?](https://sarakhon.com/news/182601/): কোভিড-১৯ মহামারির সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রহস্যগুলোর একটি এখনো অমীমাংসিত। সংক্রমণের তীব্র পর্যায় শেষ হয়ে যাওয়ার পরও কেন কিছু মানুষের শরীর মাসের পর মাস, কখনো বছরের পর বছর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে না—এর নির্ভুল উত্তর এখনো বিজ্ঞানীদের হাতে নেই। কারও শরীরে দেখা দেয় অসহ্য ক্লান্তি, কারও স্মৃতি ও মনোযোগে সমস্যা, কারও শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা কিংবা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা। আবার কেউ সামান্য হাঁটাচলাতেই এমনভাবে ভেঙে পড়েন যে কয়েক দিন বিছানা ছাড়ার শক্তিও থাকে না। এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকেই সাধারণভাবে বলা হয় দীর্ঘ কোভিড। কিন্তু এই রোগকে ঘিরে সবচেয়ে বড় সংকট শুধু চিকিৎসার অভাব নয়; সংকটটি আরও গভীরে—রোগটিকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে, এর কারণ কোথায় খোঁজা হবে - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও সিইসির বৈঠক আজ](https://sarakhon.com/news/182596/): সুনামগঞ্জে এমপির গলায় রামদা ধরে দলিলে সই নেন সৎভাইয়েরা—অভিযোগে স্ত্রীর মামলা প্রথম আলো, সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) নাছির উদ্দিন চৌধুরী ও তাঁর ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরীর পাল্টপাল্টি সমাবেশের পর আদালতে একটি মামলা হয়েছে। নাছির চৌধুরীর স্ত্রী পারভীন আকতার মামলাটি করেছেন। মামলায় পারভীন আকতার অভিযোগ করেছেন, সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির চৌধুরীর (৭৫) গলায় রামদা ধরে হুমকি দিয়ে তিন সৎভাই তাঁর বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদের দলিলে সই নিয়েছেন। তাঁর স্বামী তখন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ ও মানসিকভাবে অবুঝ ছিলেন। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (দিরাই আমলি আদালত) নাছির চৌধুরীর তিন ভাইসহ আটজনের বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝলকানিতে চোখ ফেরাচ্ছে শিশুরা, ‘এটা বুদ্ধিমান নয়, বরং ভয়ংকর’](https://sarakhon.com/news/182594/): প্রযুক্তির পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নিয়ে যেন এক ধরনের সম্মোহন চলছে। মানুষের মতো কথা বলতে পারে, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, ছবি আঁকতে পারে, গল্প লিখতে পারে, গান বানাতে পারে—এমনকি মানুষের হয়ে নানা সিদ্ধান্তও নিতে পারে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিদিন নতুন নতুন সম্ভাবনার কথা বলছে। ভবিষ্যৎকে আরও দ্রুত, আরও সহজ এবং আরও বুদ্ধিমান করে তোলার প্রতিশ্রুতিতে ভরে উঠছে বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা। কিন্তু সেই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় অংশীদার হতে যাওয়া প্রজন্মের সবাই যে এই উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছে, তা নয়। বরং একটি অদ্ভুত দৃশ্য তৈরি হয়েছে। প্রযুক্তির যুগে জন্ম নেওয়া শিশু-কিশোরদেরই একটি অংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে তাকিয়ে বলছে—এটি মোটেও আকর্ষণীয় নয়। তাদের চোখে এটি অনেক সময় - [সাধারণ ফিট প্রাপ্তবয়স্কদের দৌড়ের সক্ষমতা কতটা?](https://sarakhon.com/news/182591/): দৌড়ের জগতে কিশোর ও তরুণ অ্যাথলেটরা যখন একের পর এক অবিশ্বাস্য সময়ে দৌড় শেষ করছেন, তখন একজন সাধারণভাবে সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সক্ষমতা আসলে কোথায়—এই প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নিয়মিত শখের দৌড়বিদদের অনেকেই প্রচলিত ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে নিজেদের সময় নথিভুক্ত করেন না। ফলে তাদের পারফরম্যান্স তুলনা করার জন্য অন্য কিছু মানদণ্ডের দিকে তাকাতে হয়। এর একটি ভালো উদাহরণ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় বয়সভেদে বিভিন্ন শারীরিক সক্ষমতার মানদণ্ড থাকে এবং এর মধ্যে দুই মাইল দৌড়ও থাকতে পারে। একজন সাধারণ ফিট প্রাপ্তবয়স্কের দৌড়ের গতি বোঝার ক্ষেত্রে এই সময়সীমাগুলো একটি কার্যকর তুলনার সুযোগ তৈরি করে। তরুণ পুরুষদের জন্য কঠিন সময়সীমা - [কিশোর অ্যাথলেটদের দৌড়ে রেকর্ডের বন্যা, বদলে যাচ্ছে ট্র্যাকের পুরোনো হিসাব](https://sarakhon.com/news/182588/): একসময় যে গতিকে কিশোর অ্যাথলেটদের জন্য অবিশ্বাস্য মনে করা হতো, এখন সেটিই যেন হয়ে উঠছে স্বাভাবিক। যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল পর্যায়ের দৌড়বিদরা একের পর এক পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। শুধু জাতীয় বা রাজ্য পর্যায়ের সেরারাই নয়, মাঝারি মানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দৌড়বিদদের সময়ও গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের জগতে এই দ্রুতগতির পরিবর্তনকে অনেকে এখন বলছেন ‘ট্র্যাকফ্লেশন’—অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে দৌড়ের মান এতটাই বেড়ে যাওয়া যে আগের দিনের অসাধারণ ফলাফলও এখন সাধারণ বলে মনে হচ্ছে। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে শিশুদের আরও অল্প বয়সে প্রশিক্ষণ শুরু করা, বিশেষায়িত ট্র্যাক ক্লাবের বিস্তার, উন্নত প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ব্যক্তিগত কোচিং, আধুনিক দৌড়ের জুতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাফল্যের - [সৌদি নেতৃত্বেই কি নিরাপদ হবে লোহিত সাগর, থামবে হুতিদের দাপট?](https://sarakhon.com/news/182527/): লোহিত সাগরের নিরাপত্তা সংকটকে এখন আর কেবল আঞ্চলিক সংঘাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি বাব আল-মান্দাব ও লোহিত সাগরের নৌপথও বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা ও হুমকির কারণে এই পথ দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার সৌদি আরব একটি বহুজাতিক নৌজোট গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই জোট কি সত্যিই লোহিত সাগরের নৌপথকে নিরাপদ করতে পারবে? সৌদি আরবের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জড়িত থাকার পর এখন রিয়াদকে একই সঙ্গে নিজের নিরাপত্তা, তেল রপ্তানি এবং আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত - [‘মক্কা চুক্তি’: যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তার বাইরে নতুন মুসলিম শক্তির সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/182530/): সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটি এখনই নতুন কোনো ন্যাটো তৈরির ঘোষণা নয়, কিংবা তিন দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোটও নয়। কিন্তু চুক্তিটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির ওপর আগের মতো নির্ভর করতে পারছে কি না, সেই প্রশ্ন ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে। চুক্তির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো এর রাজনৈতিক বার্তা। তিন দেশ ঘোষণা করেছে, তাদের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা অন্য সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। এই ভাষা ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে ন্যাটোর মতো যৌথ কমান্ড, - [ইসরায়েলে নির্বাচন সামনে, অথচ অকার্যকর রাষ্ট্রীয় তদারকি: গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক সংকেত](https://sarakhon.com/news/182395/): ইসরায়েলে জুলাইয়ের শুরু থেকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক বা স্টেট কম্পট্রোলার পদটি কার্যত শূন্য। রাষ্ট্রের নীতি, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিরীক্ষা ও পর্যালোচনার দায়িত্ব যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের, সেটিই এখন নেতৃত্বহীন। বিষয়টি নিছক একটি প্রশাসনিক শূন্যতা নয়। বিশেষ করে যখন দেশটি দলীয় প্রার্থী বাছাই এবং সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে, তখন এই পরিস্থিতি সরাসরি গণতান্ত্রিক জবাবদিহি ও নির্বাচনী প্রতিযোগিতার ন্যায্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। এই শূন্যতার পেছনে রয়েছে এমন একটি ঘটনা, যা আরও গুরুতর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক নির্বাচনের জন্য নেসেটকে পুনরায় ভোট আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আগের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের পর আদালত এই নির্দেশ দেয়। কিন্তু নেসেটের স্পিকার - [পাচার করা অর্থ ফেরত আনা কি সম্ভব?](https://sarakhon.com/news/182581/): আজ সকালে প্রথম আলো অনলাইনে একটি খবর দেখে প্রশ্নটা আবার মনে আসলো। শিরোনাম ছিল আরো ৪২ চিহ্নিত ঋণ খেলাপির পাচার করা অর্থ ফেরত আনতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। খবরে দেখলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানে এদের অর্থপাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকার উপর পাচার করেছে এই ৪২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই অর্থ ফেরত আনতে আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে কয়েকটি ব্যাংক। তবে বলা হচ্ছে ‘নো উইন -নো পে’ ভিত্তিতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। সোজা কথায়, যদি বিদেশে পাচারকৃত অর্থ আইনের মাধ্যমে ফেরত না আনা যায় তবে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোন টাকা দেওয়া হবে না। খুব ভালো কথা। কিন্তু প্রশ্ন হল পাচার - [মধ্যম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দৌড়েও অবিশ্বাস্য গতি, রেকর্ড ভাঙল একের পর এক](https://sarakhon.com/news/182575/): মধ্যম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দৌড় এখন আর কেবল স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। সাম্প্রতিক এক প্রতিযোগিতায় কিশোর-কিশোরীদের অসাধারণ গতি ও সহনশীলতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। বিশেষ করে অষ্টম শ্রেণির এক কিশোরীর দুই মাইল দৌড়ের সময় নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে। গত ১৯ জুন অনুষ্ঠিত নিউ ব্যালান্স ন্যাশনালস প্রতিযোগিতায় অষ্টম শ্রেণির এক কিশোরী দুই মাইল দৌড়ে সময় নেন মাত্র ১০ মিনিট ২১ দশমিক ৪৪ সেকেন্ড। এই সময়ের মাধ্যমে তিনি আগের প্রতিযোগিতা রেকর্ড ১০ মিনিট ৪৩ দশমিক ০৫ সেকেন্ডকে প্রায় ২২ সেকেন্ডের ব্যবধানে ছাড়িয়ে যান। তবে চমক এখানেই শেষ নয়। ওই দৌড়ে শীর্ষ পাঁচজন প্রতিযোগীই আগের রেকর্ডের চেয়ে দ্রুত সময় করে নতুন উচ্চতা - [স্বাধীন ভারতের প্রথম জাতিভিত্তিক জনগণনায় নেতৃত্ব দেবে লাদাখ](https://sarakhon.com/news/182571/): স্বাধীনতার পর ভারতে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক জনগণনায় জাতির তথ্য অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার বাস্তব প্রয়োগে দেশের পথ দেখাতে চলেছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখ। দুর্গম ও তুষারাবৃত অঞ্চল হওয়ায় ভারতের বাকি অংশের আগেই সেখানে জনগণনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে। আগামী ১৭ আগস্ট থেকে লাদাখসহ দেশের তুষারাবৃত কয়েকটি এলাকায় শুরু হবে জনসংখ্যা গণনার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম। মূল জনসংখ্যা গণনা চলবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর ১ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সংশোধন ও যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে। সাধারণভাবে দেশের অন্যান্য এলাকায় এই কার্যক্রম শুরু হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে। জাতির তথ্য নেওয়া হবে খোলা ঘরে এবারের জনগণনায় প্রায় ৪০টি বিষয়ে তথ্য নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। - [বিহারের ধাক্কার পর উত্তরপ্রদেশে উচ্চবর্ণের ক্ষোভ কি চাপে ফেলবে বিজেপিকে?](https://sarakhon.com/news/182572/): বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে পরাজয়ের পর উত্তরপ্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগে পড়েছে বিজেপি। দলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ সমর্থক উচ্চবর্ণের একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন দলেরই কয়েকজন নেতা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নতুন সমতা-সংক্রান্ত বিধিমালা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এই অসন্তোষকে আরও তীব্র করেছে। চলতি বছরের শুরুতে বিধিমালাগুলো প্রকাশের পর মূলত উচ্চবর্ণের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের একাংশ এর বিরোধিতা শুরু করে। পরে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত বিধিমালার কার্যকারিতা স্থগিত করে এবং এর সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে। উচ্চবর্ণের ক্ষোভ নিয়ে সতর্ক বিজেপি বিজেপির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে বাঁকিপুরের পরাজয়ের অন্যতম কারণ - [দিল্লির অভিজাতদের স্বপ্নের বাড়ি দেখিয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রতারণা!](https://sarakhon.com/news/182566/): দিল্লির অভিজাত মহলে বিলাসবহুল বাড়ি ও সম্পত্তি কেনার স্বপ্নকে পুঁজি করে বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, মোহিত গোগিয়া নামের এক ব্যবসায়ী ভুয়া নথি, জাল ব্যাংক কাগজপত্র এবং কথিত ব্যাংক নিলামের গল্প সাজিয়ে দিল্লি ও গুরুগ্রামের অত্যন্ত দামি সম্পত্তি বিক্রির নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। তদন্তকারীদের হিসাবে, এই প্রতারণার পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি রুপি হতে পারে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতারিত ব্যক্তিরা সাধারণ ক্রেতা নন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অভিজ্ঞ আবাসন ব্যবসায়ী, ধনী পরিবার ও সম্পত্তি বিনিয়োগে অভ্যস্ত ব্যক্তিরা। বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প, অভিজাত বাংলো এবং ব্যাংকের জব্দ করা সম্পত্তি কম দামে পাওয়ার সুযোগ দেখিয়েই তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। লুটিয়েন্স - [সন্তানদের ভবিষ্যৎ বোঝার ক্ষমতা অভিভাবকদের চেয়েও এগিয়ে](https://sarakhon.com/news/182563/): সন্তান বড় করা একদিকে যেমন জীবনের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে তেমনি সবচেয়ে দুশ্চিন্তার সিদ্ধান্তগুলোর একটি। সময় বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে সন্তানদের নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগের ধরনও দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মুঠোফোন ও পর্দায় অতিরিক্ত সময় কাটানো ছিল বড় চিন্তার বিষয়। এখন সেই উদ্বেগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান এবং শিক্ষাব্যবস্থা আদৌ নতুন প্রজন্মকে আগামী দিনের জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত করতে পারছে কি না—এমন বড় প্রশ্ন। ভবিষ্যতের মুখোমুখি নতুন প্রজন্ম আজকের শিশুরাই আগামী দিনের কর্মজীবী, উদ্ভাবক, শিক্ষক, সাংবাদিক ও নেতৃত্বদানকারী মানুষ। অনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে গিয়ে তাদের সামনে এমন সব প্রযুক্তি ও সামাজিক পরিবর্তন আসছে, যার অনেকটাই - [অর্থনৈতিক সংকটে বদলে যাচ্ছে প্রেমের হিসাব, ‘রেড ফ্ল্যাগ’ও কি শ্রেণির পরিচয়?](https://sarakhon.com/news/182547/): একসময় কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর আগে তার জীবনযাপন নিয়ে বেশ কিছু প্রচলিত ধারণা কাজ করত। বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন? সতর্ক হতে হবে। কয়েকজনের সঙ্গে মিলে বাসা ভাড়া নেন? হয়তো এখনও স্থির হননি। প্রথম দেখায় কফি খেতে ডাকছেন? আগ্রহটা বোধহয় খুব বেশি নয়। কিংবা প্রথম কয়েকটি সাক্ষাতে পুরো বিল দিচ্ছেন না? সেটিও অনেকের চোখে হয়ে উঠত সতর্ক হওয়ার কারণ। কিন্তু জীবনযাত্রার ব্যয় যখন দ্রুত বাড়ছে, বাসাভাড়া যখন আয়ের বড় অংশ কেড়ে নিচ্ছে এবং চাকরির বাজার যখন অনিশ্চিত, তখন সম্পর্কের এসব পুরোনো মানদণ্ড নিয়েও নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। কারণ, একজন মানুষের আর্থিক অবস্থান সব সময় তার দায়িত্ববোধ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রকৃত ছবি - [কৃষ্ণসাগরের বন্দর ঘিরে রাশিয়ার নতুন চাপ, শস্য রপ্তানি থমকে গেলে বিশ্বজুড়ে বাড়বে খাদ্যঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/182559/): ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ যেন আবারও নতুন এক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত মোড় নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার গভীরে ড্রোন হামলা চালিয়ে দেশটির জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি করেছে, অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়িয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়াকে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ইউক্রেন কৃষ্ণসাগর ও আজভ সাগরে রুশ জাহাজেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সাফল্যের পাল্টা জবাব হিসেবে রাশিয়া এখন এমন একটি জায়গায় আঘাত হানছে, যার প্রভাব যুদ্ধের সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে—ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর ও শস্য রপ্তানি ব্যবস্থা। সাম্প্রতিক সময়ে ওদেসা ও ইউক্রেনের অন্যান্য উপকূলীয় শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা - [‘দ্য অডিসি’তে ওডিসিউসের অপরাধবোধ, যুদ্ধের নৃশংসতা ও সভ্যতার পুনর্জন্ম: ক্রিস্টোফার নোলানের ব্যাখ্যা](https://sarakhon.com/news/182556/): ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল প্রতীক্ষিত ‘দ্য অডিসি’ মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল। হোমারের মহাকাব্যিক কাহিনিকে পর্দায় রূপ দিতে গিয়ে নোলান শুধু প্রাচীন গ্রিসের এক বীরের দীর্ঘ প্রত্যাবর্তনের গল্প বলেননি; বরং যুদ্ধ, অপরাধবোধ, নৈতিকতার পতন, মানুষের নিষ্ঠুরতা এবং ধ্বংসের পর সভ্যতার পুনর্জন্মকে গল্পের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। ছবিটির মুক্তির আগে নোলান বরাবরের মতোই শেষ পরিণতি নিয়ে রহস্য বজায় রেখেছিলেন। কারণ তার সিনেমার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দর্শককে সব প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে নিজের মতো করে ভাবার সুযোগ দেওয়া। কিন্তু ছবিটি মুক্তির পর তিনি এর শেষ অধ্যায় এবং হোমারের মূল কাহিনি থেকে নিজের করা পরিবর্তনগুলো নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন। ওডিসিউসের সবচেয়ে - [মাদুরো পতনের পর ওয়াশিংটনের ছায়ায় ভেনেজুয়েলা, ক্ষমতার কেন্দ্রে দেলসি রদ্রিগেজ](https://sarakhon.com/news/182553/): ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে যেন রাতারাতি বদলে গেছে বহু বছরের সমীকরণ। যে দেশটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করে সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পথে এগিয়েছে, সেই দেশই এখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে নজিরবিহীন ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মধ্যে প্রবেশ করেছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ—একসময় নিকোলাস মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী, আর এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের প্রধান কারিগর। কারাকাসের মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে বসে রদ্রিগেজ এখন রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। প্রাসাদের অলংকৃত দেয়ালে সিমন বলিভার ও হুগো চাভেজের প্রতিকৃতি। অথচ সেই চাভেজপন্থী রাজনৈতিক ধারারই একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা আজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন এক সমঝোতা বাস্তবায়ন করছেন, যার ফলে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি, তেল সম্পদ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় ওয়াশিংটনের প্রভাব অভূতপূর্ব মাত্রায় পৌঁছেছে। মাদুরোর পতন - [পাইথনের সহজতা আর সি-এর গতি—দুই জগতকে এক করতে পারে জুলিয়া?](https://sarakhon.com/news/182550/): বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও আধুনিক কম্পিউটিংয়ের জগতে বহুদিনের একটি সমস্যা এখনো রয়ে গেছে—সহজে কোড লেখার ভাষা আর দ্রুতগতিতে কাজ করার ভাষা যেন একই সঙ্গে পাওয়া যায় না। গবেষকেরা অনেক সময় দ্রুত ধারণা পরীক্ষা ও প্রাথমিক কাজের জন্য পাইথনের মতো সহজ ভাষা ব্যবহার করেন। কিন্তু কোনো কাজ যখন বড় আকারে চালাতে হয় বা সর্বোচ্চ গতি প্রয়োজন হয়, তখন সেই কোডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ আবার সি প্লাস প্লাস, রাস্ট কিংবা অন্য দ্রুতগতির ভাষায় লিখতে হয়। এই সমস্যাকেই বলা হয় ‘দুই ভাষার সমস্যা’। আর এই সমস্যার সমাধানের স্বপ্ন নিয়েই একসময় তৈরি হয়েছিল জুলিয়া। সহজ ভাষা, কিন্তু দ্রুতগতির লক্ষ্য প্রোগ্রামিংয়ের ইতিহাসে ভাষা তৈরির পেছনে এমন স্বপ্ন নতুন - [শিশুরা পড়তে পারে, কিন্তু বুঝতে পারছে তো? শিক্ষাব্যবস্থার গভীর সংকট](https://sarakhon.com/news/182539/): শিশুরা শব্দ পড়তে পারছে, বাক্য উচ্চারণ করতে পারছে, পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তরও দিচ্ছে। কিন্তু তারা কি সত্যিই পড়া বিষয়টি বুঝতে পারছে? একটি গল্পের অন্তর্নিহিত অর্থ, একটি দীর্ঘ লেখার মূল বক্তব্য, লেখকের উদ্দেশ্য কিংবা দুটি ভিন্ন তথ্যের মধ্যে সম্পর্ক তারা কতটা ধরতে পারছে—এই প্রশ্নই এখন নতুন করে সামনে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের একটি দরিদ্র স্কুলকে ঘিরে করা পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, পরীক্ষায় ভালো করার জন্য শিশুদের পড়ানো হচ্ছে নানা কৌশল ও অনুশীলন। কিন্তু পরীক্ষার বাইরের বাস্তব জীবনে প্রয়োজনীয় গভীর পাঠবোধ, দীর্ঘ লেখা পড়ার ধৈর্য এবং নিজের চিন্তা দিয়ে অর্থ বের করার ক্ষমতা গড়ে উঠছে কি না, তা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরীক্ষার - [চীনের পাঠশালা থেকে জীবনের পাঠ: এক শিক্ষকের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি](https://sarakhon.com/news/182542/): শ্রেণিকক্ষের চার দেয়াল পেরিয়ে বাস্তব পৃথিবীকে জানার অভিজ্ঞতার বিকল্প নেই। যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের হাইল্যান্ড এলাকার লোন পিক উচ্চবিদ্যালয়ের চীনা ভাষার শিক্ষক অ্যালান হিথ ঠিক সেই বিশ্বাস থেকেই বছরের পর বছর ধরে তাঁর শিক্ষার্থীদের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছেন। ভাষা শেখার পাশাপাশি অন্য সংস্কৃতি, মানুষের চিন্তাভাবনা এবং জীবনযাত্রাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দিচ্ছেন তিনি। হিথের শ্রেণিকক্ষে ঢুকলেই চোখে পড়ে চীনা সংস্কৃতির নানা ছোঁয়া। দেয়ালে ঝুলছে কাগজ কেটে তৈরি ঐতিহ্যবাহী নকশা এবং তুলি দিয়ে লেখা চীনা ক্যালিগ্রাফি। দরজার পাশে বড় অক্ষরে লেখা, “শতভাগ চীনা ভাষায় কথা বলো।” প্রতিদিন ক্লাস শুরু হয় এক বিশেষ আচার দিয়ে। শিক্ষক সামনে এলে শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে দুই হাত - [আবারও আলোচনায় আফ্রোম্যান, ফিরছে পুরোনো এক সাংস্কৃতিক উপস্থিতি](https://sarakhon.com/news/182464/): দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে আফ্রোম্যান। জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে নিজের স্বতন্ত্র উপস্থিতি তৈরি করা এই নামটি নতুন করে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে এসেছে। ওয়্যার্ড সাময়িকীর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যায় ‘আফ্রোম্যান ইজ ব্যাক’ শিরোনামে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনেই তার ফিরে আসার বিষয়টি সামনে এসেছে। ফিরে আসার গল্প আফ্রোম্যান নামটি শুধু একজন শিল্পীর পরিচয় নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট সময়ের সংগীত ও জনপ্রিয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি সাংস্কৃতিক প্রতীক। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক পরিচিত মুখ আড়ালে চলে গেলেও তাদের কাজ ও প্রভাব মানুষের স্মৃতিতে থেকে যায়। সেই জায়গা থেকেই আফ্রোম্যানের ফিরে আসার খবর নতুন করে কৌতূহল তৈরি করছে। তার ফিরে আসা কতটা সংগীতনির্ভর, কতটা - [প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি, হাসিনার প্রত্যর্পণে দিল্লিকে তাগিদ](https://sarakhon.com/news/182536/): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ সরকার। তবে ভারত সরকার ও বিমসটেকের পক্ষ থেকে সফরের আমন্ত্রণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান। এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ভারত সফর নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে এবং বিমসটেকের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার গঠনের দিনই একটি আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন কি না, সে বিষয়ে সরকার এখনো - [হবিগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২](https://sarakhon.com/news/182524/): হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উপজেলার রোকনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার সুফি মিয়ার ছেলে মাসুদ আহমেদ, ময়না মিয়ার ছেলে আবুল কাশেম (৫০) এবং ফাহিম মিয়া (৩০)। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সকালে সবজি বোঝাই পিকআপে ধাক্কা শেরপুর থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানান, সবজি বোঝাই পিকআপ ভ্যানটি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার দিগম্বর বাজারের দিকে যাচ্ছিল। রোকনপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাকি পরিবহনের একটি বাস পিকআপ ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর পিকআপে থাকা - [রাহুল গান্ধীর লেখা মতামতঃ দোষী, নাকি অযোগ্য?](https://sarakhon.com/news/182523/): ২০ জুলাই ২০২৬, ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ-তরুণীরা একত্রিত হয়েছিলেন একটি ন্যায্য শিক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহির দাবিতে। তাঁদের মধ্যে ছিল বিভিন্ন জাতি, শ্রেণি, অঞ্চল ও ধর্মের মানুষ। তাঁরা শুধু নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য নয়, সেই বিপুলসংখ্যক ভারতীয়ের পক্ষেও কথা বলছিলেন, যারা নানা সংকট ও বঞ্চনার মধ্যে থেকেও ভয় ও নীরবতার কারণে নিজেদের কথা প্রকাশ করতে পারেন না। এই তরুণদের প্রতিবাদে ভারতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পুরোনো ঐতিহ্যের ছাপ ছিল। তাঁরা গান গেয়েছেন, হেসেছেন, একে অপরের হাত ধরেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের অধিকার দাবি করেছেন। তাঁদের দৃঢ়তা দেখিয়েছে, দেশের নতুন প্রজন্ম এখনও বিশ্বাস করে যে সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সম্ভব। - [সমাজতন্ত্রের উত্থান: আমেরিকার রাজনীতিতে কি ফিরছে পুরোনো ইতিহাস?](https://sarakhon.com/news/182389/): আমেরিকার রাজনীতিতে বামপন্থার নতুন উত্থানকে অনেকেই সাময়িক রাজনৈতিক উত্তেজনা হিসেবে দেখছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে দীর্ঘ ঐতিহাসিক পরিসরে দেখলে চিত্রটি ভিন্ন। নিউইয়র্ক সিটিতে জুন মাসে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা-ঘনিষ্ঠ প্রার্থীদের দুটি জয়, মিশিগানে আবদুল এল-সাইয়েদের সিনেট প্রাইমারিতে সাফল্য এবং উইসকনসিনের গভর্নর প্রাইমারিতে ডিএসএ সদস্য ফ্রান্সেসকা হংয়ের এগিয়ে থাকা—সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন রাজনীতির বাম প্রান্ত আর প্রান্তিক অবস্থানে নেই। এটি শুধু ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতরে কয়েকজন নতুন মুখের উত্থান নয়। এর মধ্য দিয়ে এমন একটি রাজনৈতিক প্রবণতা শক্তিশালী হচ্ছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকান রাজনীতিতে দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই বামপন্থী উত্থান কি আমেরিকার প্রচলিত রাজনৈতিক কাঠামো থেকে বিচ্যুতি, নাকি - [ঘরের কাজই যখন রোবটের শিক্ষক, মানুষের হাতের ভিডিওতে তৈরি হচ্ছে ভবিষ্যতের যন্ত্রমানব](https://sarakhon.com/news/182515/): ভাবুন, রান্নাঘরে শসা কাটছেন, থালা-বাসন ধুচ্ছেন, কাপড় ভাঁজ করছেন কিংবা এক গ্লাস পানি ঢালছেন। কাজগুলো একেবারেই সাধারণ। কিন্তু এখন এই সাধারণ কাজগুলোই হয়ে উঠছে ভবিষ্যতের যন্ত্রমানব তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের এসব কাজ ভিডিও করে সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে সেই ভিডিও বিশ্লেষণ করে রোবট শিখতে পারে কীভাবে বাস্তব জগতে মানুষের মতো সূক্ষ্মভাবে কাজ করতে হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও যন্ত্রমানব প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের প্রথম-ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে ধারণ করা ভিডিওর চাহিদা বাড়ছে। মাথা বা বুকের সঙ্গে ক্যামেরা যুক্ত করে ধারণ করা এসব ভিডিওতে মানুষের হাত, আঙুল এবং কাজের প্রতিটি ধাপ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ফলে ভবিষ্যতের গৃহস্থালি রোবটকে শুধু কী - [জেনসেন হুয়াংয়ের পছন্দের ইজাকায়ায় ভিড়, বদলে যাচ্ছে জাপানের পানশালা ব্যবসা](https://sarakhon.com/news/182518/): এনভিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং গত মাসে টোকিও সফরে গিয়ে যে জায়গায় সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন, সেটি কোনো চিপ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বা ভিডিও গেম কোম্পানি নয়; বরং সাধারণ মানুষের জনপ্রিয় খাবারের দোকান ইয়াকিটন সানকিচি। জাপানের ঐতিহ্যবাহী ইজাকায়া ধরনের এই ছোট খাবারের দোকানে তাঁর উপস্থিতি এখন ব্যবসাটির নতুন করে আলোচনায় আসার কারণ হয়ে উঠেছে। হুয়াংয়ের পছন্দের সাধারণ খাবারের দোকান ইজাকায়াকে অনেক সময় জাপানি পানশালা বলা হলেও এটি মূলত পাড়া-মহল্লার বার ও ছোট খাবারের রেস্তোরাঁর এক ধরনের মিশ্র রূপ। এখানে সহজ-সরল খাবার, পানীয় এবং অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে বন্ধু, সহকর্মী বা পরিচিতদের আড্ডা দেওয়ার সুযোগ থাকে। ছোট মালিকানাধীন দোকান থেকে শুরু করে বড় - [ইপস্টেইন নথি ঘেঁটে কিশোর সাংবাদিকের প্রতিবেদন, এরপরই শুরু বড়দের তোলপাড়](https://sarakhon.com/news/182502/): উচ্চবিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার একটি সাধারণ বাড়ির কাজ কীভাবে একটি বড় বিতর্কে পরিণত হতে পারে, ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড হাইস্কুলের শিক্ষার্থী বেন মুলারের ঘটনা তারই ব্যতিক্রমী উদাহরণ। ইপস্টেইন-সংক্রান্ত সরকারি নথির বিশাল ভাণ্ডার ঘেঁটে নিজের এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন। প্রতিবেদনটি ব্যাপক প্রশংসা পাওয়ার পর এক পর্যায়ে সেটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের ওপর আইনি চাপও তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত নথি যাচাই করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিবেদন পুনরায় প্রকাশ করে। ঘটনাটি শুধু একটি কিশোরের সাংবাদিকতার দক্ষতাই সামনে আনেনি, বরং শিক্ষার্থী সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং সত্য তথ্য প্রকাশের অধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বাড়ির কাজ থেকেই অনুসন্ধানের - [খেলার মাঠের সীমানা পেরিয়ে তারকার মুকুটে: প্রথমবারের মতো ‘টাইম১০০ স্পোর্টস’-এ ক্রীড়াজগতের মহাতারকারা](https://sarakhon.com/news/182512/): খেলা শুধু মাঠের লড়াই নয়; কখনো কখনো তা হয়ে ওঠে মানুষের স্বপ্ন, পরিচয়, সংস্কৃতি ও প্রভাবের এক শক্তিশালী ভাষা। সেই সত্যকেই যেন নতুন করে সামনে আনল ‘টাইম১০০ স্পোর্টস’-এর প্রথম আয়োজন। ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নিয়ে তৈরি এই বিশেষ তালিকাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বসেছিল তারকাখচিত এক জমকালো সন্ধ্যা। গত ১৬ জুলাই নিউইয়র্ক শহরে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় ‘টাইম১০০ স্পোর্টস’ তালিকাকে ঘিরে বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনের একাধিক পরিচিত মুখ। ক্রীড়াবিদদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিলেন এমন ব্যক্তিত্বও, যাদের প্রভাব খেলাধুলার প্রচলিত সীমানা ছাড়িয়ে সমাজ ও জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও বিস্তৃত। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস। ‘টাইম১০০ স্পোর্টস’-এর - [মহাকাশের স্বপ্নে ছুটছেন আইশোস্পিড, এবার লক্ষ্য মহাশূন্য](https://sarakhon.com/news/182509/): মাত্র ২১ বছর বয়সেই বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের পরিচিত মুখ আইশোস্পিড। ফুটবল, সরাসরি সম্প্রচার, ভ্রমণ আর উচ্ছল কাণ্ডকারখানায় নিজের জন্য আলাদা এক জগৎ তৈরি করা এই তরুণের পরবর্তী লক্ষ্য আরও বড়—মহাকাশে যাওয়া। আইশোস্পিড নামে পরিচিত ড্যারেন ওয়াটকিন্স জুনিয়র ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ ও মহাকাশচারী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। উচ্চবিদ্যালয়ে পড়ার সময় বায়ুমণ্ডল নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে মহাকাশের প্রতি তার আগ্রহ আরও গভীর হয়। এখন নিজের সম্প্রচারজীবনের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা সেই পুরোনো অনুসন্ধিৎসু মনকে আবারও জাগিয়ে তুলেছে। শৈশবের স্বপ্ন এখন নতুন সম্ভাবনা আইশোস্পিডের ভাষায়, ছোটবেলায় তার ইচ্ছা ছিল মহাকাশচারী হওয়ার। মহাকাশ সম্পর্কে জানার প্রতি তার আগ্রহ ছিল প্রবল। পৃথিবীর নানা দেশ - [নারী ফুটবল দলের কোচ হয়ে ফিরেও কেন ব্যর্থ টেড ল্যাসো?](https://sarakhon.com/news/182505/): তিন বছর পর আবার ফিরেছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘টেড ল্যাসো’। একসময় আমেরিকান ফুটবলের এক অদ্ভুতুড়ে কোচ হয়ে ইংল্যান্ডের একটি পিছিয়ে থাকা ফুটবল ক্লাবকে ঘুরে দাঁড় করানো টেড ল্যাসো চরিত্রটি দর্শকের কাছে হয়ে উঠেছিল আশাবাদ, মানবিকতা ও পুরুষত্বের নতুন এক প্রতীক। কিন্তু চতুর্থ মৌসুমে সেই পরিচিত টেডকে নতুন বাস্তবতায় বসাতে গিয়ে গল্পটি যেন নিজের শক্তিটাই হারিয়ে ফেলেছে। তৃতীয় মৌসুমের শেষে টেড নিজের ছেলে হেনরির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে ফিরে গিয়েছিলেন। মনে হয়েছিল, সেখানেই তার গল্পের স্বাভাবিক সমাপ্তি। কিন্তু জনপ্রিয় চরিত্রকে খুব বেশি দিন দর্শকের কাছ থেকে দূরে রাখা যায়নি। তাই আবারও তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ইংল্যান্ডে। এবার অবশ্য পুরুষদের দল নয়, এএফসি রিচমন্ডের নতুন - [দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধই কি নতুন স্বাভাবিকতা? কেন আধুনিক সংঘাতের শেষ হচ্ছে না](https://sarakhon.com/news/182492/): আধুনিক যুদ্ধ দ্রুত বা চূড়ান্তভাবে শেষ হওয়ার প্রবণতা কমে যাচ্ছে। ইরান, গাজা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত ক্রমেই পরিণত হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি সহনশীলতার পরীক্ষায়। এসব যুদ্ধের গতিপথ শুধু সামরিক সাফল্য-ব্যর্থতায় নির্ধারিত হচ্ছে না; এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রাজনীতি, ভুল হিসাব, অর্থনীতি, জাতীয় মর্যাদা ও নেতাদের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা।—সারাক্ষণ রিপোর্ট ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অনিশ্চিত পরিণতি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ালেও সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের বদলে পাল্টাপাল্টি হুমকি এবং সম্ভাব্য সমঝোতার ইঙ্গিত পাশাপাশি চলছে। এই পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, যুদ্ধের মধ্যে কূটনীতি অনেক সময় সংকটের সমাধান নয়, বরং সংকট নিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতিতে পরিণত হয়। রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রগুলো অনেক সময় শান্তির চেয়ে শক্তির প্রদর্শনকে বেশি গুরুত্ব দেয়। রাজনৈতিক তাত্ত্বিক - [‘দ্য ওডিসি’ পেরিয়ে গেল ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’, নোলানের ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ আয়](https://sarakhon.com/news/182498/): মুক্তির এক মাসও পূর্ণ হওয়ার আগেই বিশ্বজুড়ে ১১০ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি আয় করে নতুন ইতিহাস গড়েছে ক্রিস্টোফার নোলানের মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’। এর মধ্য দিয়ে নোলানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি আয় করা চলচ্চিত্রের জায়গা দখল করেছে ছবিটি। এত দিন এই রেকর্ড ছিল ২০১২ সালের ব্যাটম্যান চলচ্চিত্র ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’-এর দখলে। ১৭ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে ‘দ্য ওডিসি’। এখন পর্যন্ত ছবিটির বৈশ্বিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১০ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’ আয় করেছিল প্রায় ১০৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। নোলানের সবচেয়ে বেশি আয় করা চলচ্চিত্রের তালিকায় তৃতীয় - [শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়া: ‘রুটস’-এর ৫০ বছর এবং অ্যালেক্স হেলির অমর উত্তরাধিকার](https://sarakhon.com/news/182495/): পঞ্চাশ বছর আগে একটি বই আমেরিকার ইতিহাসকে শুধু নতুন করে বলেই থামেনি, বদলে দিয়েছিল ইতিহাসকে দেখার চোখও। বইটির নাম ‘রুটস’। লেখক অ্যালেক্স হেলি। আফ্রিকা থেকে আমেরিকায় দাস হিসেবে নিয়ে আসা এক মানুষের বংশপরম্পরার অনুসন্ধানকে কেন্দ্র করে লেখা এই বই ১৯৭৬ সালে প্রকাশের পর লাখো মানুষের সামনে তুলে ধরেছিল এক অস্বস্তিকর অথচ গভীর সত্য—আমেরিকায় আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মানুষের ইতিহাস দাসত্ব দিয়ে শুরু হয়নি। তারও বহু আগে ছিল একটি স্বাধীন জীবন, ছিল নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, পরিবার, সমাজ, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়। ২০২৬ সালের আগস্টে ‘রুটস’ প্রকাশের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই অর্ধশতক পেরিয়ে এসেও বইটি শুধু একটি সাহিত্যকর্ম হিসেবে নয়, বরং শেকড় খোঁজার এক ঐতিহাসিক - [সৌদি আরবের পরমাণু কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি, মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/182489/): ইরানের পরমাণু সক্ষমতা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র যখন সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, ঠিক সেই সময় সৌদি আরবকে বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি গড়ে তুলতে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। এই নীতির বৈপরীত্য ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ ঘোষণা করে, সৌদি আরবের নিজ ভূখণ্ডে বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি চালুর জন্য দেশটির সঙ্গে একটি বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি করা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ, একদিকে ওয়াশিংটন ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা ঠেকাতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করছে, অন্যদিকে একই অঞ্চলের আরেক দেশ সৌদি - [মানুষের মতো রোবটের যুগ কি দরজায়? চীনের ইউনিট্রির হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/182483/): কল্পবিজ্ঞানের পাতায় এত দিন যে দৃশ্য দেখা গেছে, তা এবার ধীরে ধীরে বাস্তবের মাটিতে নেমে আসছে। মানুষের মতো দেখতে, হাঁটতে, দেখতে, শুনতে এবং চারপাশের জগতের সঙ্গে শারীরিকভাবে কাজ করতে সক্ষম রোবট তৈরির প্রতিযোগিতা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই দৌড়ে চীন এমন এক অবস্থান তৈরি করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রযুক্তি শক্তিগুলোর জন্য একই সঙ্গে বিস্ময় ও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। এই বিপ্লবের সামনের সারিতে রয়েছে চীনের হাংঝৌভিত্তিক রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ওয়াং শিংশিং মাত্র ২৬ বছর বয়সে ২০১৬ সালে ইউনিট্রি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু হয়েছিল রোবট কুকুর দিয়ে। এখন সেই প্রতিষ্ঠান এমন মানবাকৃতির রোবট তৈরি করছে, যা শিল্পকারখানা, - [ইমরান খানের বন্দিত্ব ও ওয়াশিংটনের গণতন্ত্র-ভুলে যাওয়া](https://sarakhon.com/news/182486/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কারাগারে যাওয়ার তিন বছর পরও তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। ৭৩ বছর বয়সী এই নেতা রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি। একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আরও বহু আইনি কার্যক্রম চলমান। ফলে কোনো একটি মামলায় অনুকূল রায় এলেও তা যে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মুক্তির পথ খুলে দেবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে। তাঁর পরিবার ও রাজনৈতিক সহযোগীরা জানিয়েছেন, চোখের একটি গুরুতর সমস্যার কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘ একাকী বন্দিত্ব, পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ এবং চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই - [সোনার নিচে লুকিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন খনিজ যুদ্ধ, ইডাহোর খনি ঘিরে তীব্র বিরোধ](https://sarakhon.com/news/182480/): যুক্তরাষ্ট্রের ইডাহো অঙ্গরাজ্যের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পরিত্যক্ত একটি পুরোনো খনি আবারও সচল হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সেই খনি থেকে এবার সোনার পাশাপাশি উত্তোলন করা হবে অ্যান্টিমনি—এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, যা সামরিক সরঞ্জাম, গোলাবারুদ ও আগুন প্রতিরোধী উপকরণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তবে খনি পুনরায় চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে শুরু হয়েছে পরিবেশ, আদিবাসী অধিকার ও বন্যপ্রাণী রক্ষার প্রশ্নে তীব্র বিরোধ। মধ্য ইডাহোর ভ্যালি কাউন্টিতে অবস্থিত এই খনি প্রকল্পকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। তাদের দাবি, দেশের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিমনি উৎপাদনের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রকল্পেরই রয়েছে। গোলাবারুদ থেকে শুরু করে তাপ শনাক্তকারী সামরিক যন্ত্র—বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে এই - [লিথিয়াম আর ভূতাপীয় বিদ্যুতের স্বপ্নে ক্যালিফোর্নিয়ার ‘হেলস কিচেন’, সামনে পরিবেশের কঠিন প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/182477/): যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইম্পেরিয়াল ভ্যালিতে সল্টন সি হ্রদের তীরে গড়ে উঠছে এমন এক উচ্চাভিলাষী প্রকল্প, যার লক্ষ্য একই সঙ্গে ভূতাপীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং লিথিয়াম আহরণ। প্রায় ১৮০ কোটি ডলারের এই প্রকল্পকে ঘিরে একদিকে যেমন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের নতুন সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি পরিবেশ, পানি ব্যবহার, জনস্বাস্থ্য এবং স্থানীয় মানুষের অধিকার নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ। ‘হেলস কিচেন’ নামে পরিচিত এই বৃহৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে কন্ট্রোলড থার্মাল রিসোর্সেস। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ভূগর্ভস্থ তাপ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে। এরপর একই ভূতাপীয় ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রক্রিয়ায় লিথিয়াম আহরণের কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। লিথিয়াম বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি, - [ব্ল্যাক হিলসে সোনার নতুন দৌড়, বাড়ছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/182476/): যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটার ব্ল্যাক হিলস অঞ্চলে সোনার খনিকে ঘিরে আবারও তৈরি হয়েছে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। উনিশ শতক থেকে খনিজ উত্তোলনের জন্য পরিচিত এই এলাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা ও দাম বেড়ে যাওয়ায় পুরোনো খনিগুলো নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। একসময় যেখানে সোনার উৎপাদন কমে যাওয়াকে এই শিল্পের ভবিষ্যতের জন্য বড় সংকেত হিসেবে দেখা হয়েছিল, এখন উচ্চমূল্য সেই চিত্র অনেকটাই বদলে দিয়েছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহব্যবস্থায় অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনা আবারও নিরাপদ সম্পদ হিসেবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও মহাকাশ প্রযুক্তিতেও সোনার ব্যবহার রয়েছে। ফলে শুধু বিনিয়োগের চাহিদা নয়, শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজনও সোনার বাজারকে শক্তিশালী করছে। পুরোনো - [গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দখলে বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতা, নিরাপত্তার নতুন লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/182463/): বিশ্বজুড়ে জ্বালানি রূপান্তর, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো দ্রুত বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গুরুত্বও অভূতপূর্বভাবে বেড়ে যাচ্ছে। লিথিয়াম, ইউরেনিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজসহ বিভিন্ন খনিজ এখন শুধু শিল্পের কাঁচামাল নয়; এগুলো পরিণত হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিতে। এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব ভূখণ্ডে খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কারণ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ ব্যবস্থার বড় অংশ এখনো চীনের ওপর নির্ভরশীল। ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়লে কিংবা বাণিজ্যিক সম্পর্কের অবনতি হলে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও প্রযুক্তি খাত বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজের প্রশ্নটি এখন আর - [গরমে ত্বক ভালো রাখতে চিকিৎসকদের ৫ অভ্যাস, যেগুলো আপনিও মেনে চলতে পারেন](https://sarakhon.com/news/182467/): গরমের সময় বাইরে বের হওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, তীব্র রোদ আর আর্দ্র আবহাওয়া—সব মিলিয়ে ত্বকের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এ সময় অনেকেই শুধু মুখে সানস্ক্রিন লাগানো বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের মধ্যেই ত্বকের যত্ন সীমাবদ্ধ রাখেন। কিন্তু ত্বক বিশেষজ্ঞদের নিজেদের গ্রীষ্মকালীন অভ্যাস দেখলে বোঝা যায়, ত্বক ভালো রাখতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। চিকিৎসকদের মতে, গরমে ত্বকের যত্ন মানে শুধু রোদ থেকে বাঁচা নয়। শরীরের যেসব অংশ সাধারণত চোখ এড়িয়ে যায়, সেগুলো সুরক্ষিত রাখা, ঘাম জমে থাকতে না দেওয়া, উপযুক্ত পোশাক পরা এবং ত্বকে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। যেসব জায়গায় সানস্ক্রিন দিতে ভুল হয় সানস্ক্রিন ব্যবহারের - [হাউস দখলের লড়াইয়ে জেসন ক্রো, ডেমোক্র্যাটদের নতুন কৌশলের মুখ](https://sarakhon.com/news/182460/): যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ডেমোক্র্যাট দল। সেই প্রচেষ্টায় ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও কংগ্রেস সদস্য জেসন ক্রো। জাতীয় নিরাপত্তা, সামরিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের প্রার্থী বাছাই—এই তিন ক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চাইছেন তিনি। ক্রো মনে করছেন, ডেমোক্র্যাটদের শুধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ চালালেই হবে না। জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও দলকে বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ ভোটারের দৈনন্দিন উদ্বেগ—বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং রাজনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ—নিয়ে রিপাবলিকানদের চাপে রাখতে হবে। হাউসের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর পরিকল্পনা ডেমোক্র্যাটদের প্রতিনিধি - [যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ বছরের রেকর্ড গড়ল হাম, টিকাদান কমায় বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/182448/): যুক্তরাষ্ট্রে হাম আবারও বড় জনস্বাস্থ্য সংকেত হয়ে উঠেছে। চলতি বছর দেশটিতে হামের সংক্রমণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২৪ জুলাই প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে ২ হাজার ৩১৮ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা এরই মধ্যে পুরো ২০২৫ সালে শনাক্ত হওয়া ২ হাজার ২৮৯টি সংক্রমণের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। হাম একসময় নিয়ন্ত্রণে চলে আসা রোগ হিসেবে বিবেচিত হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে এর পুনরুত্থান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নতুন করে ভাবাচ্ছে। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি শুধু একটি রোগের বিস্তার নয়; এর সঙ্গে শিশুদের টিকাদানের হার কমে যাওয়া, টিকা নিয়ে মানুষের - [ইমরান খানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নীরবতা: গণতন্ত্রের চেয়ে পাকিস্তানে কৌশলগত স্বার্থই বড়](https://sarakhon.com/news/182450/): তিন বছর ধরে কারাবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো অগ্রগতি নেই। ৭৩ বছর বয়সী ইমরান বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে মূলত একাকী বন্দিত্বে রয়েছেন। তোশাখানা ও আল-কাদির ট্রাস্টসহ একাধিক মামলায় সাজা ভোগ করছেন তিনি। তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এসব মামলাকে সামরিক বাহিনী ও শাহবাজ শরিফ সরকারের রাজনৈতিকভাবে সাজানো মামলা বলে দাবি করে আসছে। ইমরানের মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা সাম্প্রতিক সময়ে মানবিক বা চিকিৎসাগত কারণে ইমরান খানকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তবে বিষয়টি এখনো আইনি অগ্রগতির চেয়ে পাকিস্তানের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর বেশি নির্ভরশীল বলে মনে হচ্ছে। ইমরানের বিরুদ্ধে আরও বহু - [‘ককরোচ’ থেকে রাজপথে: ভারতের তরুণদের ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের অবিশ্বাস্য উত্থান](https://sarakhon.com/news/182455/): ভারতে একটি ব্যঙ্গাত্মক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচারণা মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে এমন এক তরুণ আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন শুধু একটি অনলাইন রসিকতা নয়; বরং শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংকট, বেকারত্ব, অর্থনৈতিক চাপ এবং রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে হাজারো তরুণের রাজপথের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। জুন থেকে ভারতের বিভিন্ন শহরে এই আন্দোলনের সমর্থকেরা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং দেশের সমস্যায় জর্জরিত শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার। জুলাইয়ের শেষ দিকে প্রধানের পদত্যাগের পর আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ - [শিশুর সবচেয়ে ভালো বন্ধু যদি হয় যন্ত্র—এআই খেলনা কি নিঃশব্দে বদলে দিচ্ছে শৈশব?](https://sarakhon.com/news/182452/): একটি ছোট্ট শিশু তার নরম খেলনাটিকে বুকে জড়িয়ে ধরে। খেলনাটি দেখতে রোবটের মতো। বয়স পাঁচ কিংবা ছয়। শিশুটি একটু ইতস্তত করে, যেমন কোনো নতুন বন্ধুর কাছে প্রথমবার এগিয়ে গেলে হয়, তেমন করেই প্রশ্ন করে—তুমি কি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু হবে? খেলনাটি এক মুহূর্তও দেরি করে না। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে উত্তর আসে—অবশ্যই, আমি তোমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু হতে চাই। শিশুটি খুশি হয়। আবার প্রশ্ন করে, তুমি কি আমাকে জড়িয়ে ধরবে? উত্তর আসে—তুমি যখন চাইবে, আমি তোমাকে আরামদায়ক আলিঙ্গন দিতে প্রস্তুত। দৃশ্যটি নিঃসন্দেহে মায়াময়। একটি শিশুর কৌতূহল, একটি খেলনার কোমল উত্তর, আর তাদের মধ্যে যেন গড়ে ওঠা এক নতুন বন্ধুত্ব। কিন্তু এই মায়াময় দৃশ্যের - [হলিউডে বদলে যাচ্ছে প্রেমের সমীকরণ, বয়স্ক নারীর পাশে তরুণ পুরুষ](https://sarakhon.com/news/182445/): হলিউডে প্রেমের গল্পের পুরোনো ছক যেন ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। একসময় বয়সে বড় পুরুষ ও তরুণ নারীর সম্পর্কই ছিল সিনেমার পরিচিত গল্প। এখন সেই জায়গায় ক্রমেই সামনে আসছে উল্টো সমীকরণ—বয়সে বড় নারী এবং তুলনামূলক তরুণ পুরুষের সম্পর্ক। শুধু পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও এই সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। সমসাময়িক শিল্প, প্রেম, যৌনতা ও সম্পর্কের এই পরিবর্তনকে ঘিরেই তৈরি হচ্ছে একের পর এক সিনেমা ও ধারাবাহিক। কোথাও বয়সে বড় নারী হয়ে উঠছেন ক্ষমতাবান প্রেমিকা, কোথাও তিনি তরুণ পুরুষের আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্র, আবার কোথাও তরুণ সঙ্গী হয়ে উঠছেন নারীর আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও পেশাগত সাফল্যের অনুঘটক। শিল্পীর হাতে সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা সাম্প্রতিক আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আই ওয়ান্ট ইওর - [প্রতিদিন এক গ্লাস ফলের জুসে কমতে পারে বিষণ্নতার মাত্রা, বলছে গবেষণা](https://sarakhon.com/news/182439/): প্রতিদিন এক গ্লাস ১০০ শতাংশ ফলের জুস বা স্মুদি খাওয়ার সঙ্গে বিষণ্নতার মাত্রা কমার সম্পর্ক পাওয়া গেছে নতুন এক গবেষণায়। বিশেষ করে যারা নিয়মিত খুব কম পরিমাণ ফল ও সবজি খান, তাদের মানসিক সুস্থতায় এমন খাদ্যাভ্যাস কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের পরিচালিত চার সপ্তাহের একটি দৈবচয়নভিত্তিক পরীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় অংশ নেন এমন ৪২ জন প্রাপ্তবয়স্ক, যারা সাধারণত দিনে দুই বা তার কম পরিমাণ ফল ও সবজি খেতেন। গবেষকদের লক্ষ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে সহায়তা করে দিনে পাঁচ পরিমাণ ফল ও সবজি খাওয়ার সুপারিশের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া। জুস বা স্মুদিতে বিষণ্নতার স্কোর কম - [তারকা শেফের যুগ কি শেষ? নোমার রান্নাঘরে বদলের হাওয়া](https://sarakhon.com/news/182440/): বিশ্বের অন্যতম আলোচিত রেস্তোরাঁ নোমা আবারও নতুনভাবে ফিরেছে। তবে এবার তার প্রত্যাবর্তনের গল্প শুধু খাবার, সৃজনশীলতা কিংবা মিশেলিন তারকার নয়; বরং রান্নাঘরের সংস্কৃতি, কর্মীদের অধিকার এবং ‘রক-স্টার শেফ’ হিসেবে পরিচিত এক যুগের অবসানেরও গল্প। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করা নোমা অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত রেস্তোরাঁগুলোর একটি হয়ে ওঠে। অদ্ভুত ও সাহসী খাবারের জন্য রেস্তোরাঁটির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। ধোঁয়ায় শুকানো হাঁসের মাথার ভেতর থেকে মস্তিষ্ক তুলে খাওয়া কিংবা শামুকে ভরা সালাদ—নোমার খাবারের তালিকায় এমন সব পদই দেখা গেছে, যা একদিকে বিস্মিত করেছে, অন্যদিকে খাবারের প্রচলিত ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করেছে। বারবার বদলেছে নোমার ঠিকানা, বদলায়নি খ্যাতি প্রতিষ্ঠার পর - [আফগান নারীদের ভুলে যাওয়ার অধিকার আমেরিকার নেই](https://sarakhon.com/news/182384/): কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার মুহূর্তটি আমার জীবনের সবচেয়ে গর্বের স্মৃতিগুলোর একটি। মঞ্চে ওঠার সময় আমার গায়ে ছিল আফগানিস্তানের পতাকা সেলাই করা একটি স্টোল। চার বছর আগেও যে জীবনের কথা কল্পনা করা কঠিন ছিল, সেই জীবনই তখন আমার সামনে বাস্তব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেও একটি প্রশ্ন আমাকে তাড়া করছিল—আমি যখন এই স্বাধীনতা উদযাপন করছি, তখন আমার সেই বন্ধুদের কী অবস্থা, যারা আফগানিস্তান থেকে বের হতে পারেনি? এই দ্বৈত অনুভূতিই এখন আমার জীবনের বাস্তবতা। আমেরিকায় আমি শিক্ষা, কাজ, চলাফেরা ও নিজের পছন্দমতো জীবনযাপনের সুযোগ পেয়েছি। অথচ আমার দেশের অসংখ্য নারী ও কিশোরী এমন এক বাস্তবতায় আটকে আছে, যেখানে শিক্ষা, - [ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে দ্রুত ফেরত চাইলেন তারেক রহমান, হাদির হত্যাকারীদের ফেরানোর অনুরোধ](https://sarakhon.com/news/182436/): সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে ভারতের প্রতি আবারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। সকাল ১১টার দিকে ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তারেক রহমান তাকে স্বাগত জানান। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ঢাকার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করেছে যে ভারত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বাংলাদেশে ফেরানোর অনুরোধও - [তারেক রহমান-ত্রিবেদী বৈঠক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে নতুন উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/182432/): বাংলাদেশ ও ভারত শুধু একটি সীমান্ত ভাগ করে না, দুই দেশের জনগণের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎও পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম বৈঠকের পর এমন বার্তাই দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। সোমবারের বৈঠককে ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং একটি ইতিবাচক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা। ত্রিবেদীর বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক দিল্লির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক বৈঠক ও কূটনৈতিক যোগাযোগে দুই দেশ আবারও সম্পর্ককে গঠনমূলক পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের - [শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি সরকার, জবাব দেবেন অমিত শাহ](https://sarakhon.com/news/182429/): ভারতের সংসদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জবাব দেবেন। একই সঙ্গে আলোচনার সময় বিরোধীদের সংসদে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কার্যক্রম পরামর্শ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠকে সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সরকারের পক্ষ থেকে জানান, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করতে সরকার প্রস্তুত। আলোচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সরকারের পক্ষ থেকে জবাব দেবেন। দুই সপ্তাহ ধরে অচলাবস্থা বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর পর থেকেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সংসদে অচলাবস্থা চলছে। গত ২০ - [পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে উত্তাল ঝাড়খণ্ড, বিধানসভা অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিল](https://sarakhon.com/news/182427/): পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার দাবি এবং বিতর্কিত পরীক্ষাগুলো বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভারতের ঝাড়খণ্ড। সোমবার রাজ্যের রাজধানী রাঁচিতে হাজারো শিক্ষার্থী বিধানসভা অভিমুখে মিছিল করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে এবং পরে লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ। শিক্ষার্থীদের দাবি, শুধু কিছু সংস্কারের আশ্বাস দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না; বিতর্কিত পরীক্ষাগুলো বাতিল, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নিয়োগ ব্যবস্থায় স্থায়ী সংস্কার করতে হবে। ষষ্ঠ দফার আলোচনাতেও মেলেনি - [হিরোশিমার ৮টা ১৫ মিনিট: যে মুহূর্তে থমকে গিয়েছিল মানবসভ্যতা, ৮০ বছর পরও যার স্মৃতি কাঁদায় পৃথিবীকে](https://sarakhon.com/news/182424/): সময়টা ছিল সকাল ৮টা ১৫ মিনিট ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমা শহরে তখন সকাল গড়িয়ে কর্মব্যস্ত দিনের শুরু। ঘড়ির কাঁটা যখন ৮টা ১৫ মিনিট ছুঁয়েছে, তখন আকাশ থেকে নেমে এলো এমন এক ধ্বংসের আগুন, যার অভিঘাত শুধু একটি শহরকে নয়, বদলে দিল পুরো মানবসভ্যতার ইতিহাস। মুহূর্তের মধ্যে বিস্ফোরণের আগুন, তাপ ও ধ্বংসের ঢেউ গ্রাস করল হিরোশিমাকে। মানুষের ঘরবাড়ি, রাস্তা, উপাসনালয়, কর্মস্থল—সবকিছু যেন এক নিমেষে পরিণত হলো ছাই ও ধ্বংসস্তূপে। পাথরের আড়ালে বেঁচে গেলেন একজন সেই ভয়াবহ মুহূর্তে ধর্মযাজক তানিমোতো কিয়োশি শহরের প্রান্তে এক প্রতিবেশীকে আসবাবপত্র সরাতে সাহায্য করছিলেন। হঠাৎ চারপাশে নেমে এলো অস্বাভাবিক আলো, প্রচণ্ড বিস্ফোরণ এবং ধ্বংসের ঝড়। আত্মরক্ষার - [১৫০ বছর পরও মঞ্চ কাঁপাচ্ছে ওয়াগনারের ‘রিং’ চক্র](https://sarakhon.com/news/182420/): দেড়শ বছর পেরিয়ে গেলেও রিচার্ড ওয়াগনারের ‘রিং’ চক্র এখনো সংগীত, নাট্যকলা ও সংস্কৃতির জগতে গভীর প্রভাব ধরে রেখেছে। ১৮৭৬ সালের আগস্টে জার্মানির বায়রয়থে প্রথমবারের মতো পুরো ‘রিং’ চক্র মঞ্চস্থ হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক আয়োজনের পর থেকে এই বিশাল কর্মটি শুধু অপেরার ইতিহাসেই নয়, পাশ্চাত্যের সাহিত্য, চলচ্চিত্র, দর্শন ও শিল্পচিন্তাতেও স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে। ওয়াগনার প্রায় ২৬ বছর ধরে এই বিশাল সৃষ্টির কথা, সংগীত ও নাট্যরূপ নিয়ে কাজ করেছিলেন। পুরো চক্রে রয়েছে চারটি দীর্ঘ সংগীতনাট্য। সব মিলিয়ে এটি প্রায় ১৫ ঘণ্টার এক মহাকাব্যিক মঞ্চযাত্রা। দেবতা, বীর, বামন, দৈত্য, প্রেম, ক্ষমতা, লোভ ও ধ্বংস—সবকিছু মিলিয়ে ‘রিং’ চক্র হয়ে উঠেছে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও সভ্যতার সংকটের - [কাজ ফেলে রাখার অভ্যাসে বড় ক্ষতি, চাইলেই বদলানো সম্ভব](https://sarakhon.com/news/182418/): কাজ পরে করব—এই ছোট্ট অভ্যাসটি অনেকের কাছেই স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কিন্তু নিয়মিত কাজ ফেলে রাখার অভ্যাস মানুষের আয়, মানসিক সুস্থতা, শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আশার কথা হলো, এই অভ্যাস স্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। কিছু সহজ মানসিক অনুশীলন, নিয়মিত শরীরচর্চা ও দৈনন্দিন জীবনে শৃঙ্খলা আনার মাধ্যমে কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত প্রয়োজনীয় কাজ পিছিয়ে দেন, তাদের ক্ষেত্রে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণায় ২২ হাজারের বেশি মানুষকে কাজ ফেলে রাখার প্রবণতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। সেখানে দেখা যায়, এই প্রবণতার মাত্রা বাড়ার সঙ্গে - [ট্রাম্পের কাটছাঁটে এইডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ধাক্কা, তবু মিলছে আশার আলো](https://sarakhon.com/news/182415/): এইডসের বিরুদ্ধে কয়েক দশকের বৈশ্বিক লড়াই এখন নতুন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থসহায়তা কমে যাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রমে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বন্ধ হয়েছে কিছু স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ব্যাহত হয়েছে ওষুধ সরবরাহ এবং সংকটে পড়েছে রোগীদের সহায়তায় কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন। এর মধ্যেই বিজ্ঞানীরা এমন কিছু নতুন ওষুধ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আশার কথা বলছেন, যা ভবিষ্যতে এইডস নিরাময়ের পথ খুলে দিতে পারে। গত ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির বৈদেশিক সহায়তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আসে। এর প্রভাব পড়ে এইডস মোকাবিলার আন্তর্জাতিক কার্যক্রমেও। ২০১১ সালে বিশ্বব্যাপী এইডস মোকাবিলায় দেওয়া - [প্রাণী নিয়ে গবেষণা বন্ধের দাবি, আমেরিকায় বিরল রাজনৈতিক ঐক্য](https://sarakhon.com/news/182412/): বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রাণী ব্যবহার নিয়ে আমেরিকায় দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রাণীর ওপর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বন্ধ বা কমানোর দাবিতে এখন ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান, প্রগতিশীল, রক্ষণশীল, স্বাধীনতাবাদী এমনকি ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’পন্থীদেরও অনেককে একই অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণী গবেষণাগারগুলো। এর মধ্যে ওরেগন ন্যাশনাল প্রাইমেট রিসার্চ সেন্টার অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান। পোর্টল্যান্ডের পশ্চিমে অবস্থিত এই গবেষণাকেন্দ্রে প্রায় পাঁচ হাজার বানর রয়েছে। সেখানে ম্যালেরিয়া, এইচআইভি, স্মৃতিভ্রংশ ও বন্ধ্যত্বসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে গবেষণা করা হয়। ম্যালেরিয়ার টিকা তৈরির চেষ্টা ওরেগনের এই কেন্দ্রে প্রায় এক দশক ধরে ম্যালেরিয়া নিয়ে কাজ করছেন রোগ প্রতিরোধবিজ্ঞানী ব্র্যান্ডন ওয়াইল্ডার। মশাবাহিত এই - [চীনা হামলা ঠেকাতে তাইওয়ানের মহড়া, প্রথমবার ধীর করা হবে মোবাইল ইন্টারনেট](https://sarakhon.com/news/182408/): চীনের সম্ভাব্য সামরিক হামলা মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই করতে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালাচ্ছে তাইওয়ান। বার্ষিক ১০ দিনের ‘হান কুয়াং’ মহড়ায় সোমবার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পেংহু দ্বীপপুঞ্জে চীনা বাহিনীর সম্ভাব্য আকাশপথে অবতরণ ও উপকূলীয় হামলা ঠেকানোর অনুশীলন করেছে তাইওয়ানের সেনারা। তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটি দখলের হুমকিও দিয়ে আসছে বেইজিং। এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য যুদ্ধের নানা দিক অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করছে তাইওয়ান। পেংহুতে যুদ্ধের প্রস্তুতি সোমবার ভোরের আগেই পেংহুর একটি সৈকতে শুরু হয় সামরিক মহড়া। তাইওয়ানের প্রথম থিয়েটার কমান্ডের সেনারা এম৬০এ৩ ট্যাংক, বিভিন্ন ধরনের কামান ও বিমানবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয়। সম্ভাব্য শত্রুর - [চীনের হামলার আশঙ্কা, রানওয়ে ধ্বংস হলেও যুদ্ধবিমান ওড়ানোর প্রস্তুতি তাইওয়ানের](https://sarakhon.com/news/182404/): চীনের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় নিজেদের বিমানঘাঁটি সচল রাখার কঠিন প্রস্তুতি নিচ্ছে তাইওয়ান। হামলার প্রথম ধাক্কায় রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বা অচল হয়ে গেলেও যাতে যুদ্ধবিমান আকাশে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যেই বিশেষ মহড়া চালিয়েছে দেশটির বিমানবাহিনী। তাইওয়ানের বার্ষিক ‘হান কুয়াং’ সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে শুক্রবার হিনচু বিমানঘাঁটিতে এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়। চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার দূরের এই ঘাঁটিটি তাইওয়ানের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দেশটির মিরাজ ২০০০-৫ যুদ্ধবিমানের বড় একটি বহর রয়েছে। প্রথম হামলাতেই ঝুঁকিতে পড়তে পারে বিমানঘাঁটি তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের সামরিক চাপ দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ছে। সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার ক্ষেত্রে তাইওয়ানের বিমানঘাঁটিগুলোই চীনা ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য - [অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি হারালে ডলার হারাতে পারে বৈশ্বিক মুদ্রার মর্যাদা: জেপি মরগানের প্রধান](https://sarakhon.com/news/182401/): যুক্তরাষ্ট্র যদি আগামী ২৫ বছরেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি ও সামরিক শক্তি ধরে রাখতে না পারে, তাহলে মার্কিন ডলার বিশ্বের প্রধান রিজার্ভ মুদ্রার মর্যাদা হারাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জেপি মরগান চেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমি ডিমন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ডিমন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়লে বিশ্বের আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্ব আরও বিভক্ত ও অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। ডলারের আধিপত্য এখনো শক্তিশালী বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের অবস্থান এখনো অত্যন্ত শক্তিশালী। বৈশ্বিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রায় ৫৭ শতাংশই ডলারে রাখা হয়। তবে শতাব্দীর শুরুতে এই হার ছিল প্রায় - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কলম-কাগজে ফিরছে জেন জি, অফিসে জনপ্রিয় হচ্ছে খাতা-স্টিকি নোট](https://sarakhon.com/news/182399/): কোম্পানিগুলো যখন কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে, ঠিক তখনই কর্মক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে এক বিস্ময়কর প্রবণতা। নতুন প্রজন্মের কর্মীরা আবার ফিরছেন অপেক্ষাকৃত কম প্রযুক্তিনির্ভর উপকরণের দিকে। দামি খাতা, রঙিন ডেস্কপ্যাড, হাতে লেখা নোট এবং সাধারণ স্টিকি নোট এখন অনেক তরুণ কর্মীর অফিসজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। জেন জি কর্মীদের অনেকেই ক্রমেই মানসম্মত খাতা, হাতে লেখা নোট, রঙিন কাগজ এবং ব্যক্তিগতভাবে সাজানো ডেস্ককে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে তারা শুধু কাজ গোছানোর চেষ্টা করছেন না, বরং একই ধরনের ও নির্দিষ্ট কাঠামোর কর্মক্ষেত্রে নিজের জন্য একটি ব্যক্তিগত জায়গাও তৈরি করতে চাইছেন। মানবসম্পদ পেশাজীবী জেসি লেই বলেন, নিজের বলে মনে করার মতো - [গাজা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর, হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নয়](https://sarakhon.com/news/182391/): গাজায় হামাসকে নিরস্ত্র করার বিনিময়ে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের যে মার্কিন-সমর্থিত পরিকল্পনাকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাত অবসানের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরেছিলেন, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রোববার সরকারি বৈঠকের শুরুতে তিনি বলেন, ১৫ দফার ওই নথি ইসরায়েল গ্রহণ করছে না। হামাসের অবস্থান, ইসরায়েলের আপত্তি হামাস অবশ্য ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত বোর্ড অব পিসের সঙ্গে যে পরিকল্পনায় তারা সম্মত হয়েছিল, সেটির প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। গোষ্ঠীটি পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সহযোগিতা চেয়েছে। ৩০ জুলাই প্রকাশিত গাজা পরিকল্পনায় হামাস ও ইসরায়েলকে দুই সপ্তাহের মধ্যে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি ও প্রক্রিয়া নির্ধারণের কথা বলা হয়েছিল। - [হরমুজ প্রণালীকে হাতিয়ার করে জুনের চুক্তিতে ফিরতে চাইছে ইরান](https://sarakhon.com/news/182381/): ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের পরবর্তী পর্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি এখন শুধু যুদ্ধবিরতি বা পরমাণু কর্মসূচি নয়; বরং কে কাকে বিশ্বাস করবে এবং কোন পক্ষ কখন তার সবচেয়ে কার্যকর চাপের হাতিয়ারটি ছেড়ে দেবে। সেই সমীকরণের কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালী। ইরান এখনো প্রণালীটির ওপর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছাড়তে চাইছে না। কারণ তেহরানের কাছে এটি কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নয়, ওয়াশিংটনের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি আদায়ের অন্যতম কার্যকর উপায়। ইরানের ধারণা, হরমুজ খুলে দিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো সাময়িক স্বস্তি পেয়ে বৃহত্তর সমঝোতার বিষয়টি আর এগিয়ে নেবেন না। এ কারণেই তেহরানের বর্তমান অবস্থানকে কেবল নৌপথ বন্ধ রাখা বা অর্থনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এর পেছনে - [বাফুফের বিদেশি কোচের বিস্ফোরক অভিযোগ: ‘ভয়ে আছি, স্ত্রী-সন্তানকে টাকা পাঠাতে পারছি না’](https://sarakhon.com/news/182379/): বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অনূর্ধ্ব-২০ দলের ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা এবং পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে না পারার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেওয়ায় বাফুফে অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সোমবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, বেতন না পাওয়ায় তার কাছে কোনো টাকা নেই এবং স্ত্রী-সন্তানদের খরচের জন্যও অর্থ পাঠাতে পারছেন না। জেরার্ড জোন্স বর্তমানে যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে অনূর্ধ্ব-২০ দলকে নিয়ে আবাসিক অনুশীলনে ব্যস্ত। এর মধ্যেই তার দেওয়া ওই পোস্টে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের বিষয়টি সামনে আসে। ‘বেতন আসার অপেক্ষায় আছি’ নিজের পোস্টে ব্রিটিশ এই কোচ জানান, তিনি মানসিকভাবে খুব - [এসএসসি-সমমানে পরীক্ষার্থী কমেছে, ফেল বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার](https://sarakhon.com/news/182376/): চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমলেও অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার। একই সঙ্গে কমেছে সামগ্রিক পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। ১০ আগস্ট প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ সময় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল হস্তান্তর করেন। পরীক্ষার্থী কমেছে, ফেল বেড়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ - [আসামে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা ১০০, পানিবন্দি প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার](https://sarakhon.com/news/182373/): ভারতের আসাম রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যায় নতুন করে দুইজনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি মৌসুমে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যের সাত জেলায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির (এএসডিএমএ) দৈনিক বন্যা পরিস্থিতির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের বিভিন্ন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দুই জেলায় নতুন মৃত্যু এএসডিএমএর রোববার রাতের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোলাঘাট ও কার্বি আংলং জেলায় বন্যার পানিতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুই মৃত্যুর পর চলতি বছরের - [সিলেটে ১৪ মাস পর আবারও করোনা শনাক্ত, হাসপাতালে ৫৫ বছরের রোগী](https://sarakhon.com/news/182370/): দীর্ঘ প্রায় ১৪ মাস পর সিলেটে আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান। হৃদরোগের চিকিৎসা নিতে গিয়ে করোনা শনাক্ত হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ওই ব্যক্তি সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানে তাঁর এনজিওগ্রাম করার পাশাপাশি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর তাঁকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সিলেটে দীর্ঘ - [সৌদি আরবে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ বাংলাদেশি](https://sarakhon.com/news/182367/): সৌদি আরবে একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে দেশটির রাজধানী রিয়াদের খোরদাম শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী জেলায় বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সোমবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা - [এসএসসি-সমমানের ফলে বড় পতন, পাসের হার নেমে ৬২.২৫ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/182363/): চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ সোমবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন। ফল প্রকাশের পর জানানো হয়, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে গত বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও - [কল্যাণ সংস্কারে শুধু তথ্য নয়, দরকার সঠিক রাজনৈতিক সময়](https://sarakhon.com/news/182357/): গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো কল্যাণ কর্মসূচি অকার্যকর বা ব্যয়বহুল প্রমাণিত হলেই যে সরকার সেটি সহজে বদলে ফেলতে পারে, বাস্তবতা তেমন নয়। গবেষণা একটি নীতির দুর্বলতা তুলে ধরতে পারে, বিকল্প ব্যবস্থার কার্যকারিতাও প্রমাণ করতে পারে। কিন্তু কোনো কর্মসূচি যখন লাখো মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়, তখন সেটি কেবল একটি সরকারি প্রকল্প থাকে না; রাজনৈতিক প্রত্যাশা, সামাজিক অধিকার এবং সরকারের জনকল্যাণের প্রতীক হয়ে ওঠে। ইন্দোনেশিয়ার গত দুই দশকের বেশি সময়ের খাদ্য সহায়তা ব্যবস্থার ইতিহাস এই বাস্তবতার গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। দেশটির অভিজ্ঞতা দেখায়, সংস্কারের জন্য গবেষণা ও প্রমাণ অপরিহার্য হলেও পরিবর্তন বাস্তবে ঘটাতে অনেক সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। জরুরি কর্মসূচি থেকে - [হরমুজ প্রণালীকে ‘অস্ত্র’ বানিয়ে দীর্ঘদিন চাপ ধরে রাখতে পারবে ইরান](https://sarakhon.com/news/182358/): পাঁচ মাসের যুদ্ধ ইরানকে বুঝিয়ে দিয়েছে, পরমাণু অস্ত্র ছাড়াও তার হাতে এমন একটি শক্তিশালী কৌশলগত অস্ত্র রয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে। সেই অস্ত্র হলো হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে হরমুজের প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণে রেখে ইরান তার প্রতিপক্ষের ওপর দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করতে পারে। বছরের পর বছর ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ দেখিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সামরিক সক্ষমতার কারণে হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করাই ইরানের জন্য বড় কৌশলগত সুবিধা হয়ে উঠেছে। ইরানের বিরোধীরা অবশ্য মনে করছে, হরমুজকে বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা - [১৩ বছরের কিশোরকে চাপা দিয়ে হত্যার পরও দুই বছরেই মুক্তি, ক্ষোভে ফুঁসছে পরিবার](https://sarakhon.com/news/182354/): যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ বছরের কিশোর কায়লান হিপসলের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। মদ্যপ ও মাদক গ্রহণের পর গাড়ি চালিয়ে কায়লানকে চাপা দেওয়া চালক হার্লি হোয়াইটম্যানের কারাদণ্ড কমিয়ে দেওয়ার খবর পেয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে কিশোরটির পরিবার। তাদের আশঙ্কা, সাজা কমে যাওয়ায় হত্যার মতো গুরুতর ঘটনার দায়ে দণ্ডিত ওই ব্যক্তি মাত্র দুই বছরের মধ্যেই কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেতে পারেন। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ওয়েলসের হিরওয়ানে বন্ধুদের সঙ্গে একটি যুবকেন্দ্রের দিকে হাঁটছিল কায়লান। ব্রেকন রোডে হোয়াইটম্যানের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাথে উঠে তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত কায়লান তিন দিন পর মারা যায়। ঘটনার সময় হোয়াইটম্যান মদ পান করেছিলেন এবং কোকেনও - [সিসিলির উপকূলে ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান জাহাজের সন্ধান, মিলেছে শত শত প্রাচীন পাত্র](https://sarakhon.com/news/182351/): ভূমধ্যসাগরের নীল জলের গভীরে যেন হঠাৎ খুলে গেছে ইতিহাসের এক হারানো দরজা। ইতালির সিসিলি দ্বীপের উপকূলে সন্ধান মিলেছে দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো একটি রোমান বাণিজ্যিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের। জাহাজটির ভেতর ও আশপাশে পাওয়া গেছে শত শত অক্ষত প্রাচীন মাটির পাত্র, যেগুলোতে একসময় মদ, জলপাই তেল ও শস্যের মতো পণ্য বহন করা হতো। ইতালির সংস্কৃতিমন্ত্রী আলেসান্দ্রো জিউলি এই আবিষ্কারকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। জেলের ইঙ্গিতেই মিলল হারানো জাহাজ সিসিলির মাজারা দেল ভাল্লোর কাছে সমুদ্রের প্রায় ৪৬ মিটার গভীরে জাহাজটির সন্ধান পাওয়া যায়। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের পর ইতালির বিশেষ প্রশিক্ষিত পুলিশ ডুবুরিরা সেখানে অভিযান - [সমুদ্রের নিচে ৭০ কিলোমিটার ছুটে যায় তিমির ভয়ংকর ডাক, কেন এত জোরে ডাকে বিজ্ঞানীরাও নিশ্চিত নন](https://sarakhon.com/news/182348/): সমুদ্রের গভীরে এমন এক প্রাণী আছে, যার তৈরি শব্দ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী স্তন্যপায়ী প্রাণীর যোগাযোগধ্বনিগুলোর একটি। বিশাল আকারের শুক্রাণু তিমি বা স্পার্ম তিমির সেই শব্দ এতটাই প্রবল যে অনুকূল সমুদ্র পরিস্থিতিতে তা প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এত জোরে শব্দ করার আসল কারণ এখনো পুরোপুরি জানতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। নতুন এক গবেষণায় পুরুষ স্পার্ম তিমির বিশেষ ধরনের ‘ধীর ক্লিক’ শব্দ নিয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সেশেলস, শ্রীলঙ্কা, নরওয়ে ও স্কটল্যান্ডের সমুদ্র এলাকায় এসব তিমির শব্দ রেকর্ড করেন গবেষকেরা। দেখা গেছে, তারা প্রায় প্রতি ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড পরপর এমন এক ধরনের ছন্দময় শব্দ তৈরি - [তীব্র ঝাঁকুনিতে বিমান ৯১ মিটার নিচে, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের মাদক পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/182344/): থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ তীব্র ঝাঁকুনির মধ্যে প্রায় ৯১ মিটার নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনায় পাইলটের মাদক পরীক্ষার নিশ্চিতকরণমূলক ফলের অপেক্ষায় রয়েছে ভারতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটিকে গুরুতর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু হয়েছে। গত ৪ আগস্ট এয়ার ইন্ডিয়ার এয়ারবাস এ৩২০ উড়োজাহাজটি ফুকেট থেকে নয়াদিল্লির উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। এতে ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু সদস্য ছিলেন। মাঝ আকাশে প্রবল ঝাঁকুনির সময় বিমানটি হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট বা ৯১ মিটার নিচে নেমে যায়। পরে পাইলটরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন এবং বিমানটি নিরাপদে নয়াদিল্লিতে অবতরণ করে। অবতরণের পর আহত আট যাত্রী ও চারজন কেবিন ক্রুকে - [ইংরেজি ভাষা নিয়ে প্রচলিত তিন ধারণা, যেগুলো আসলে পুরোপুরি সত্য নয়](https://sarakhon.com/news/182341/): ইংরেজি ভাষা নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। কেউ মনে করেন, ইংরেজিতে প্রাণীদের দলবদ্ধতার জন্য অসংখ্য চমৎকার নাম রয়েছে। কেউ ভাবেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব ভাষাই ধীরে ধীরে সহজ হয়ে যায়। আবার কারও ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপালেচিয়ান পাহাড়ি অঞ্চলে এখনো শেক্‌সপিয়রের সময়কার ইংরেজি ভাষা টিকে আছে। শুনতে এসব কথা বেশ আকর্ষণীয়। এমনকি ভাষাবিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বলার সময় অনেকেই উজ্জ্বল চোখে এসব তথ্য তুলে ধরেন। কিন্তু ভাষার ইতিহাস ও পরিবর্তন একটু গভীরভাবে দেখলে বোঝা যায়, জনপ্রিয় এই ধারণাগুলোর অনেকটাই সত্যের চেয়ে গল্পের কাছাকাছি। প্রাণীদের দলবদ্ধতার এত বিচিত্র নাম কি সত্যিই ব্যবহৃত হয়? ইংরেজি ভাষায় প্রাণীদের দল বোঝাতে কিছু চমৎকার শব্দ আছে—এ কথা সত্য। যেমন - [ইউক্রেনের আকাশে ভয়াবহ শূন্যতা, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে মিত্রদের দিকেই তাকিয়ে কিয়েভ](https://sarakhon.com/news/182338/): রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন এক বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। রুশ বাহিনীর একের পর এক ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, হামলার সংখ্যা বাড়লেও সেই হামলা প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে আসছেন। যুদ্ধের প্রথম দিকের তুলনায় এখন তার আবেদন আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। কারণ রাশিয়া এমন মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে, যার সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ইউক্রেনের বর্তমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় ঘাটতি সাম্প্রতিক কয়েকটি রুশ হামলা ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষার - [আগুনে পুড়ে ছাই ফ্রান্সের গ্রাম, ঘরে ফিরে বাসিন্দাদের একটাই প্রশ্ন—কেন রক্ষা করা গেল না?](https://sarakhon.com/news/182334/): ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম লে পোরজে। একসময় যেখানে ছিল ঘরবাড়ি, বাগান, কর্মশালা আর মানুষের স্বাভাবিক জীবন, ভয়াবহ দাবানলের পর সেখানে এখন শুধু পোড়া ধ্বংসস্তূপ। ১৩ দিন পর বাড়িতে ফিরে বাসিন্দারা নিজেদের পরিচিত জায়গাগুলো চিনতে পারছেন না। কোথাও ছাই, কোথাও পোড়া লোহার কাঠামো, আবার কোথাও ভেঙে পড়া দেয়াল—আগুন যেন একটি গোটা জনপদের স্মৃতি মুছে দিয়েছে। কার্পেন্টার মারিও ফ্রেইতাস সোমবার যখন নিজের বাড়ির ধ্বংসাবশেষে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন তাঁর শ্যালক ছাইয়ের স্তূপ থেকে একটি কার্বন ফাইবারের টুকরো তুলে আনেন। সেটি ছিল তাঁর সাইকেলের অবশিষ্ট অংশ। প্রায় এক দশক আগে নিজের হাতে তৈরি করেছিলেন যে কাঠের বাড়িটি, তার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। ৬১ বছর বয়সী ফ্রেইতাসের - [ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেও জীবনকে ভালোবাসতে শিখিয়েছিলেন সিডনি টোউল](https://sarakhon.com/news/182332/): মাত্র ২৬ বছর বয়সেই থেমে গেল সিডনি টোউলের জীবন। বিরল পিত্তনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি অসুস্থতাকে নিজের জীবনের একমাত্র পরিচয় হতে দেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের চিকিৎসা, ভয়, একাকিত্ব, আনন্দ, ভ্রমণ এবং প্রতিদিনের ছোট ছোট সুখের মুহূর্ত তুলে ধরে তিনি লাখো মানুষকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন—কঠিন অসুস্থতার মধ্যেও জীবনকে ভালোবাসা যায়। ক্যানসার ধরা পড়ার পর বদলে যায় জীবন ২০২৩ সালে সিডনি টোউলের বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর। ডার্টমাউথ কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস করছিলেন। দূরবর্তী কর্মব্যবস্থায় বিপণনের চাকরি, সমুদ্রসৈকতে সার্ফিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বাভাবিক তরুণ জীবনের নানা মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়াই ছিল তাঁর দিনযাপনের অংশ। হঠাৎ পেটে একটি - [ইউরোপের বিমানবন্দরে পাঁচ ঘণ্টার লাইন, নতুন সীমান্ত ব্যবস্থায় ভোগান্তিতে যাত্রীরা](https://sarakhon.com/news/182326/): ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নতুন জৈবিক পরিচয়ভিত্তিক সীমান্ত ব্যবস্থা চালুর পর যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, আবার কোথাও দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে যাত্রীরা উড়োজাহাজের সংযোগও হারাচ্ছেন। নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও বিদেশি যাত্রীদের চলাচল আরও কার্যকরভাবে নজরদারি করা। কিন্তু বাস্তবে এর প্রাথমিক ধাক্কা সামলাতে গিয়ে ইউরোপের অনেক বিমানবন্দরেই তৈরি হয়েছে বিশৃঙ্খলা। পাঁচ ঘণ্টার অপেক্ষা, হারিয়ে গেল ভাড়া করা গাড়ি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২৩ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা শেষে ব্রাসেলস বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন ৩৯ বছর বয়সী শোনিজ স্যালি। বিমান থেকে নেমে তিনি যে দৃশ্য দেখলেন, সেটি ছিল দীর্ঘ পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণের সারি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা - [এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/182325/): এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ জাগো নিউজ২৪, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে। গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন। এ বছর পরীক্ষায় দেশের ১১টি - [শিক্ষার্থী বিক্ষোভ ও ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্কে উত্তপ্ত ভারতীয় সংসদ, অধিবেশন শেষ](https://sarakhon.com/news/182972/): ভারতের সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শেষ হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিক্ষোভ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশি ব্যবস্থা নিয়ে সরকার ও বিরোধীদের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা শেষ পর্যন্ত কাটেনি। বৃহস্পতিবার অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে লোকসভা মুলতবি হয়ে যায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের আলোচনার প্রস্তাবও বিরোধীদের সঙ্গে সমঝোতা তৈরি করতে পারেনি। অধিবেশনের শেষ দিনেও সংসদ চত্বরে বিরোধী সদস্যদের বিক্ষোভ চলে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশি পদক্ষেপ, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং সরকারের জবাবদিহি—এসব বিষয়কে কেন্দ্র করেই মূলত বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছিল। একই সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের উত্তরাখণ্ডের হালদ্বানি সমাবেশের পর আয়োজিত কথিত ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠান নিয়েও নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। অমিত শাহের প্রস্তাব, রাহুলের প্রত্যাখ্যান - [কাবেরীর পানি ছাড়ার প্রতিবাদে কর্ণাটকে বন্ধ, স্বাভাবিক জনজীবন](https://sarakhon.com/news/182969/): ভারতের কর্ণাটকে কাবেরী নদীর পানি তামিলনাড়ুকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজ্যব্যাপী বন্ধ পালিত হচ্ছে। বিভিন্ন কন্নড় সংগঠন ও কৃষক সংগঠনের ডাকা এই কর্মসূচিকে ঘিরে বেঙ্গালুরুসহ কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এখন পর্যন্ত রাজ্যের স্বাভাবিক জনজীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। খোলা রয়েছে স্কুল, হাসপাতাল ও ব্যাংক বন্ধের প্রভাব সবচেয়ে কম পড়েছে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ সেবায়। স্কুল, ব্যাংক, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি গণপরিবহনও চলাচল করছে। বেঙ্গালুরুর বিমানবন্দরেও যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বেঙ্গালুরু মহানগর পরিবহন সংস্থা ও কর্ণাটক রাজ্য সড়ক পরিবহন সংস্থার কর্মী সংগঠন বন্ধে সমর্থন না দেওয়ায় বাস চলাচলেও বড় - [বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ নারীর মৃত্যু, নয় দিন পর থামল জীবন](https://sarakhon.com/news/182966/): বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হওয়া হানুফা বেগম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার নয় দিন পর বুধবার বিকেলে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত হানুফা বেগম বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী। বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার হানুফার জামাতা সুজনের বরাত দিয়ে জানান, গত ৩ আগস্ট ভোর ৬টার দিকে শাহ আলমের বাড়িতে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে হানুফা বেগম, তার মেয়ে ইতি এবং পঞ্চম শ্রেণির নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন। বিস্ফোরণের পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বরিশাল - [আশুলিয়ায় ভাগনিকে কুপিয়ে হত্যা, পরে আত্মহত্যা করলেন মামা](https://sarakhon.com/news/182962/): ঢাকার আশুলিয়ায় এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। বুধবার বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন ৪৭ বছর বয়সী নজরুল ইসলাম, তিনি হাজী মাদারী মণ্ডলের ছেলে, এবং ৩০ বছর বয়সী রেখা বেগম। তারা সম্পর্কে আত্মীয় ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে নজরুল ইসলাম একটি চাপাতি দিয়ে রেখা বেগমকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে নজরুলও আত্মহত্যা করেন বলে স্থানীয়রা জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো - [আমন মৌসুমে টিএসপি সারের সংকটে উত্তরের কৃষক](https://sarakhon.com/news/182959/): আমন ধান রোপণের ব্যস্ত মৌসুমে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় ট্রিপল সুপার ফসফেট বা টিএসপি সারের সংকটে উদ্বেগে পড়েছেন কৃষকেরা। সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি টাকা দিতে রাজি হয়েও অনেক কৃষক প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার সংগ্রহ করতে পারছেন না। বিশেষ করে চর ও নদীতীরবর্তী এলাকার কৃষকদের দূরের বাজারে গিয়ে সার কিনতে হচ্ছে। রংপুর বিভাগের রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলায় এ সংকটের কথা জানিয়েছেন কৃষকেরা। তবে কৃষি কর্মকর্তাদের দাবি, সার মজুদের সামগ্রিক ঘাটতি নেই। বরং প্রয়োজনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি টিএসপি ব্যবহারের প্রবণতাই সংকটের ধারণা তৈরি করছে। ছয় দোকান ঘুরেও মিলল না প্রয়োজনীয় সার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কৃষক নজরুল ইসলাম আট বিঘা জমিতে - [শিশু নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ডিসকর্ডের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ ব্রাজিলের](https://sarakhon.com/news/182956/): শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের মধ্যে জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম ডিসকর্ডের সরাসরি সম্প্রচার সুবিধা সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ব্রাজিলের জাতীয় তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ। প্ল্যাটফর্মটিতে সম্প্রচারের সময় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ ওঠার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্রাজিলের জাতীয় তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ গত ৭ আগস্ট ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। অভিযোগ অনুযায়ী, ডিসকর্ডের একটি ব্যক্তিগত গোষ্ঠীতে থাকা কয়েকজন ব্যবহারকারী ওই কিশোরীকে নিজের জীবন শেষ করতে চাপ দিয়েছিলেন। পরে তার মৃত্যু হয়। তিন দিনের মধ্যে মানতে হবে নির্দেশ ডিসকর্ডে বিভিন্ন আগ্রহভিত্তিক গোষ্ঠী তৈরি ও তাতে যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা সরাসরি কণ্ঠ ও ভিডিও যোগাযোগ এবং ‘গো লাইভ’ সুবিধার - [পিএসজি’র টানা দ্বিতীয় সুপার কাপ জয়, অ্যাস্টন ভিলাকে হারাল ২-১ গোলে](https://sarakhon.com/news/182951/): ইউরোপীয় ফুটবলের নতুন মৌসুমের পর্দা উঠল প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের আরেকটি শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে। অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উয়েফা সুপার কাপ নিজেদের করে নিয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। বুধবার অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পিএসজির হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন দেজিরে দুয়ে। এই জয়ের ফলে টানা দুই বছর সুপার কাপ জেতা দলের তালিকায় পিএসজি জায়গা করে নিল। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রিয়াল মাদ্রিদের পর প্রথম দল হিসেবে তারা এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। দুয়ের গোলে পিএসজির জয় ম্যাচের ২০ মিনিটে খভিচা কাভারাতস্কেলিয়ার দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। বাঁ প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান জর্জিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি - [শহর-গ্রামের শিক্ষায় বাড়ছে বৈষম্য, পিছিয়ে পড়ছে গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা](https://sarakhon.com/news/182950/): চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাগত বৈষম্যের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক ভালো ফল করলেও প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার নেমে গেছে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে। এমনকি দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার প্রায় ৬৪ শতাংশ। এর বিপরীতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় গড় পাসের হার প্রায় ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ শহরাঞ্চলের সঙ্গে গ্রামীণ ও ছোট শহরগুলোর শিক্ষার্থীদের ফলাফলে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। ঢাকার সঙ্গে জেলার ফলাফলে বড় ফারাক ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের - [বিরল সূর্যগ্রহণে স্পেন-আইসল্যান্ডে উৎসবের আবহ, আকাশজুড়ে মুগ্ধতা](https://sarakhon.com/news/182945/): বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণকে ঘিরে বুধবার উৎসবে মেতে উঠেছিল স্পেন ও আইসল্যান্ড। দীর্ঘ ২৭ বছর পর পশ্চিম ইউরোপে দেখা দেওয়া এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখতে স্পেনের উত্তরাঞ্চল ও আইসল্যান্ডে জড়ো হন লাখো মানুষ। কোথাও উচ্ছ্বাস, কোথাও বিস্ময়—দিনের আলো মুহূর্তেই গোধূলির অন্ধকারে ঢেকে যাওয়ার দৃশ্য দর্শকদের অভিভূত করে। স্পেনের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। রাজধানী মাদ্রিদের উত্তরের বুইত্রাগো দে লোসোয়া এলাকায় সন্ধ্যার পর আকাশ অন্ধকার হয়ে এলে দর্শকেরা করতালি ও উল্লাসে ফেটে পড়েন। পূর্ণগ্রহণের সময় সূর্যের চারপাশে চাঁদের কিনার ঘেঁষে ক্ষণিকের জন্য দেখা যায় উজ্জ্বল আলোর বিন্দু, যা মহাজাগতিক দৃশ্যটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। অনেক দর্শক জানান, পূর্ণগ্রহণ শেষ - [তুরস্ক থেকে ট্রাম্পের গোপন বিমান বদল, অতীতের প্রেসিডেন্টদের গোপন সফরের নেপথ্যে কী ছিল](https://sarakhon.com/news/182944/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের যুদ্ধকবলিত বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গোপন সফর নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে তুরস্ক থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক গোপন বিমান বদলের ঘটনা সেই পুরোনো রীতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ৮ জুলাই ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্ক ছাড়ার সময় ট্রাম্পকে মূল প্রেসিডেন্টের বিমানের বদলে একটি ছোট সরকারি বিমানে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে নেওয়া এই পদক্ষেপে এমনকি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে থাকা অনেক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকও শুরুতে বিষয়টি জানতে পারেননি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পকে একটি খাবার সরবরাহকারী গাড়ির মাধ্যমে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে নেওয়া হয়েছিল। বাইরে থেকে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল, যাতে মনে হয় তিনি আগের বিমানেই রয়েছেন। পরে জানা যায়, - [এরদোয়ান: ফিলিস্তিনকে বিশ্ব এজেন্ডা থেকে সরাতে চায় ইসরায়েল](https://sarakhon.com/news/182936/): তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান অভিযোগ করেছেন, আঞ্চলিক সংঘাত ও অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে ফিলিস্তিন ইস্যুকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আলোচনার কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে ইসরায়েল। ১৩ আগস্ট ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে আঙ্কারায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার আঞ্চলিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে ফিলিস্তিনকে মানবজাতির অভিন্ন আলোচ্যসূচি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এরদোয়ান বলেন, ইসরায়েল যত চেষ্টাই করুক, এই উদ্যোগ সফল হবে না। ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা বিশ্বের মানুষের হৃদয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, ‘তারা যা-ই করুক না কেন, সফল হবে না। ফিলিস্তিনের দাবি মানুষের হৃদয়ে আরও শক্তিশালী - [ট্রাম্পের মুখপাত্রের পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট, থাকছেন শীর্ষ উপদেষ্টা](https://sarakhon.com/news/182934/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট চলতি মাসের শেষেই দায়িত্ব ছাড়ছেন। তবে প্রেস সেক্রেটারির পদ থেকে সরে গেলেও তিনি ট্রাম্পের অন্যতম শীর্ষ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। বুধবার ট্রাম্প নিজেই এ ঘোষণা দিয়েছেন। ২৮ বছর বয়সী লেভিট যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে প্রেসিডেন্টের প্রধান মুখপাত্রের দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তি। দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে তীব্র বাক্যবিনিময়, কড়া মন্তব্য এবং ট্রাম্পের প্রতি দৃঢ় আনুগত্যের জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রায়ই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরেছেন। পরিবারকে বেশি সময় দিতে পদত্যাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, তাঁর অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগীদের একজন লেভিট মাসের শেষে বর্তমান দায়িত্ব - [বছর বছর খরচ বাড়ে, ডেঙ্গু কমে না](https://sarakhon.com/news/182931/): দলের পদ না ছেড়েই তাঁরা সরকারি সংস্থায় প্রথম আলো, বিএনপির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান করেছে সরকার। গত ২৩ জুলাই দেওয়া এ নিয়োগ এক বছরের জন্য। অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-২) পদমর্যাদায় এ নিয়োগের শর্ত ছিল, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক থাকলে তা পরিত্যাগ করতে হবে। বুলবুল বনশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে যোগ দিয়েছেন, কিন্তু বিএনপির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদকের পদ ছাড়েননি। অর্থাৎ সরকারি নিয়োগে ‘সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের’ যে শর্ত দেওয়া হয়েছে, তা তিনি মানেননি। সরকার গত জুন ও জুলাইয়ে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থা, বোর্ড ও - [সংঘাত থেকে বিচ্ছিন্নতা: নতুন বিশ্বব্যবস্থায় ইরানের কৌশলগত সংকট](https://sarakhon.com/news/182925/): মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাত আঞ্চলিক উত্তেজনাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যার অভিঘাত এখন মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নাড়া দিচ্ছে। যে সংঘাতকে শুরুতে সীমিত পরিসরের সামরিক মোকাবিলা হিসেবে দেখা হচ্ছিল, তা ক্রমেই আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ এমন এক বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে কূটনীতির পক্ষে অবস্থান নেওয়া দেশগুলোও সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকিতে পড়েছে। তেহরান দাবি করতে পারে, যুদ্ধের সূচনা তার হাতে হয়নি। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রের দায় কেবল প্রথম গুলি চালানোর প্রশ্নে নির্ধারিত হয় না। দীর্ঘদিনের ভুল হিসাব, কূটনৈতিক সুযোগ নষ্ট করা এবং আপসহীন অবস্থানও - [মোদির পাকিস্তান নীতি: সংলাপহীনতার আড়ালে কি আঞ্চলিক আধিপত্যের রাজনীতি?](https://sarakhon.com/news/182916/): ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সংলাপের অনুপস্থিতিই যেন একটি স্বতন্ত্র নীতি। গত মাসে দুই দেশের ১১৭ জন বিশিষ্ট অধিকারকর্মী ও সাবেক কর্মকর্তা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি ছিল স্পষ্ট—অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও পরিবেশসহ বহু অভিন্ন সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে জরুরি। কিন্তু এই আহ্বানে বাস্তব পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ দিল্লির পক্ষ থেকে সংলাপ বন্ধ রাখাটা কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জটিলতার ফল নয়; বরং এটি নিজেই একটি রাজনৈতিক অবস্থান। পাকিস্তানের প্রতি ভারতের বর্তমান মনোভাবের মধ্যে আপস বা নীতিগত পরিবর্তনের কোনো দৃশ্যমান ইঙ্গিত - [বিদ্যুৎ সংকটের নেপথ্যে জ্বালানি, ডলার, বকেয়া ও আস্থার সংকট](https://sarakhon.com/news/182928/): বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটকে শুধু গ্যাসের ঘাটতি, কয়লা আমদানির সমস্যা কিংবা তীব্র গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখলে সংকটের অর্ধেক চিত্রই দেখা হবে। এর গভীরে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্ন—রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সক্ষমতা কতটা কমেছে এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা, বিনিয়োগ ও আস্থার সংকট কীভাবে সেই সক্ষমতাকে দুর্বল করেছে? দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৩০ হাজার মেগাওয়াটের অনেক ওপরে। অথচ ২০২৬ সালের আগস্টে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৭ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। কোথাও ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ মিলছে মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা। নেত্রকোনার কিছু এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে ৭২ থেকে ৭৯ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের তথ্য এসেছে। গোপালগঞ্জে ১৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে - [উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি](https://sarakhon.com/news/182921/): উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে স্থানীয় সতর্কসংকেত নম্বর ৩ জারি করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়াসহ ঝোড়ো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে ঝোড়ো আবহাওয়ার শঙ্কা আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় নিম্নচাপটি তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে দমকা - [ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে সংসদে অমিত শাহের লেকচার শুনতে আগ্রহী নই: রাহুল গান্ধী](https://sarakhon.com/news/182919/): যন্ত্রর মন্তরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং এর পর পুলিশের অভিযানের ঘটনা নিয়ে ভারতের সংসদে বিস্তারিত আলোচনায় সরকার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে আলোচনার জন্য বিরোধী দলকে লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিতভাবে নোটিশ দিতে হবে বলে শর্ত দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে অমিত শাহের ‘লেকচার’ শুনতে বিরোধীরা আগ্রহী নন। তারা বরং বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের কথিত গুলি ও লাঠিচার্জের নির্দেশ কে দিয়েছিল, তার জবাব চান। সংসদে আলোচনার প্রস্তাব শাহের বুধবার সংসদ ভবন চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় অমিত শাহ বলেন, সরকার সংসদে সব বিষয় নিয়েই আলোচনা করতে প্রস্তুত। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের - [লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরে একদিনে তিন জাহাজে হামলা, নিহত ৬; ৩ পাকিস্তানি](https://sarakhon.com/news/182912/): বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথ লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরে একদিনে তিনটি জাহাজে হামলার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবারের এসব ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন পাকিস্তানি ও একজন ইন্দোনেশীয় নাগরিক রয়েছেন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া দুই সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। হামলাগুলো ওই অঞ্চলের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। তানজানিয়ার পতাকাবাহী জাহাজে প্রাণঘাতী হামলা ইয়েমেনের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তানজানিয়ার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ তিহামাহ হুতিদের হামলার শিকার হয়। প্রথম দফার হামলায় জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে তিন পাকিস্তানি ও এক ইন্দোনেশীয় নাবিক নিহত হন। আরও কয়েকজন আহত হন। উদ্ধারকর্মীরা জাহাজটি থেকে লোকজন - [ট্রাম্পকে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয় এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে, ইরানি হামলার আশঙ্কায় চমকপ্রদ নিরাপত্তা অভিযান](https://sarakhon.com/news/182910/): তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের শেষ দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান নিয়ে ঘটে গেল নজিরবিহীন এক গোপন নিরাপত্তা অভিযান। ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার বিশ্বাসযোগ্য হুমকি পাওয়ার পর ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠিয়ে গোপনে সেখান থেকে নামিয়ে একটি সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার পুরো পরিকল্পনা এতটাই গোপন রাখা হয়েছিল যে, ট্রাম্পকে বহন না করেও পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান সাংবাদিক, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা ও কর্মীদের নিয়ে তুরস্ক থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে উড়ে যায়। মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা ছিল, ট্রাম্পের অবস্থান সম্পর্কে ইরানের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য পৌঁছে গেছে। হামলার আশঙ্কায় গোপন পরিকল্পনা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ন্যাটো সম্মেলনের শেষ দিনের - [তালেবান শাসনে ২৪ লাখ আফগান কিশোরীর মাধ্যমিক শিক্ষা বন্ধ, অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান ইউনেস্কোর](https://sarakhon.com/news/182907/): তালেবান ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পরও আফগানিস্তানে আনুমানিক ২৪ লাখ কিশোরী মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। মেয়েদের শিক্ষার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। ইউনেস্কো বলছে, নারী ও মেয়েদের শিক্ষা থেকে দূরে রাখা তাদের মৌলিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। সংস্থাটির শিক্ষা বিষয়ক জরুরি কর্মসূচির সমন্বয়কারী হোদা জাবেরিয়ান এক ভিডিও সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আফগানিস্তানই বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে মেয়েদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, পাঁচ বছর ধরে শিক্ষার বাইরে থাকা কোনো শিশুর জন্য সাময়িক বাধা নয়। এটি একজন শিক্ষার্থীর প্রায় পুরো মাধ্যমিক শিক্ষাজীবনের সমান সময়। তাই মেয়েদের ও - [বাইডেনের স্বাস্থ্য সংকট ডেমোক্র্যাটদের গভীর রাজনৈতিক সংকটও উন্মোচন করছে](https://sarakhon.com/news/182904/): সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ক্যান্সার হাড়ে ছড়িয়ে পড়ার খবর রাজনৈতিক অবস্থাননির্বিশেষে গভীরভাবে বেদনাদায়ক। তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেন সম্প্রতি জানিয়েছেন, বাবার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত কষ্টকর ও দুর্বল করে দেওয়ার মতো। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, বাইডেন এখনো লড়াই চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে মানবিকভাবে তাঁর কষ্ট কমুক এবং তিনি শক্তি পান—এটাই কাম্য। তবে বাইডেনের অবনতিশীল স্বাস্থ্য ডেমোক্র্যাটদের সামনে এমন একটি রাজনৈতিক বাস্তবতাও হাজির করেছে, যেটি ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময় দলটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। বাইডেন যদি সেই নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হতেন, তাহলে বর্তমান শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁর পক্ষে আরেকটি পূর্ণ মেয়াদ শেষ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারত। এই সম্ভাবনাটি - [লোডশেডিং ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎ অফিসে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আবেদন](https://sarakhon.com/news/182900/): ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে নীলফামারীর ডোমারে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেওয়ার পর বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার এবং রাতে নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করতে থানায় লিখিত আবেদন করেছে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডোমার জোনাল অফিস। লোডশেডিংয়ে বাড়ছে গ্রাহক অসন্তোষ ডোমার জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি থাকায় বরাদ্দ অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হচ্ছে। এতে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষও তৈরি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো - [মশাখালীতে যমুনা এক্সপ্রেস থামিয়ে আন্দোলন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ](https://sarakhon.com/news/182898/): ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মশাখালী রেলওয়ে স্টেশনে আন্তনগর যমুনা এক্সপ্রেসের স্থায়ী যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অবস্থান কর্মসূচির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে জামালপুর থেকে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস মশাখালী এলাকায় আটকে যাওয়ার পর এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সকাল ৭টা ২০ মিনিটে আটকে যায় যমুনা এক্সপ্রেস স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৭টা ২০ মিনিট থেকে জামালপুর-ঢাকা রুটের যমুনা এক্সপ্রেস মশাখালী এলাকায় আটকে আছে। সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেনটি সেখানে অবস্থান করছিল। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মশাখালী রেলওয়ে স্টেশনটির অবস্থান। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে আন্তনগর যমুনা - [খুলনায় ইটভাটায় যুবককে গুলি করে হত্যা, মাথায় গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা](https://sarakhon.com/news/182894/): খুলনার রূপসা উপজেলায় একটি ইটভাটায় ফখরুল (৩২) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। বুধবার ভোরে উপজেলার শ্রীপুর এলাকার রূপসা ব্রিকসে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফখরুল উপজেলার নাইহাট গ্রামের মোমিন উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মাঝে মাঝে ওই ইটভাটায় রাতের প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতেন। ইটভাটিটিতে এর আগে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে। ইটভাটায় ঢুকে মাথায় গুলি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোরে একদল অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারী রূপসা ব্রিকসে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে তারা ফখরুলকে মাথায় গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুলির শব্দ ও ঘটনার খবর পেয়ে ফখরুলের বড় ভাই ফরহাদ ইটভাটায় ছুটে যান। সেখানে তিনি ফখরুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় - [নারীদের ট্যুর দ্য ফ্রান্সে রুদ্ধশ্বাস লড়াই, ৮ সেকেন্ডের নাটক পেরিয়ে ভোলেরিংয়ের জয়](https://sarakhon.com/news/182891/): পুরুষদের ট্যুর দ্য ফ্রান্স যেখানে অনেকটা একতরফা লড়াইয়ে শেষ হয়েছে, সেখানে নারীদের প্রতিযোগিতা ছিল পুরোপুরি ভিন্ন। নয় দিনের এই প্রতিযোগিতায় বারবার বদলেছে নেতৃত্ব, ভেঙে পড়েছেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন, দেখা গেছে অবিশ্বাস্য এক পাহাড়ি পারফরম্যান্স। শেষ দিনের আগে শীর্ষ দুই প্রতিযোগীর ব্যবধান ছিল মাত্র ৮ সেকেন্ড। শেষ পর্যন্ত সেই উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে জয় পেয়েছেন নেদারল্যান্ডসের দেমি ভোলেরিং। ভোলেরিংয়ের এই জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি প্রথম নারী সাইক্লিস্ট হিসেবে দ্বিতীয়বার ট্যুর দ্য ফ্রান্স ফেমসের শিরোপা জিতলেন। শুরুতেই ভেঙে পড়েন গতবারের চ্যাম্পিয়ন প্রতিযোগিতার শুরুতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে গতবারের চ্যাম্পিয়ন পলিন ফেরাঁ-প্রেভোর কাছ থেকে। পাহাড়ি সাইক্লিংয়ে দীর্ঘদিনের দাপুটে এই ফরাসি তারকা এবার নিজের প্রত্যাশিত ছন্দে ছিলেন না। - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি গান এবার আলাদা করে চিহ্নিত করবে স্পটিফাই](https://sarakhon.com/news/182887/): বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীত শোনার প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি গানকে আলাদা করে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি সংগীতের পাশে ‘এআই পারসোনাস’ পরিচয় দেখা যাবে। এর ফলে শ্রোতারা সহজেই বুঝতে পারবেন কোন গান বাস্তব শিল্পীর তৈরি আর কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি। স্পটিফাই জানিয়েছে, আগামী ১১ আগস্ট থেকে শিল্পীরা চাইলে নিজেদের গান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হয়েছে কি না, তা চিহ্নিত করার সুযোগ পাবেন। তবে গানগুলোর পাশে এই পরিচয় দেখা যাবে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গান স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুপারিশ নয় স্পটিফাইয়ের নতুন নীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ‘এআই পারসোনাস’ হিসেবে চিহ্নিত গান সাধারণ সুপারিশ তালিকায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে - [ভারতের জেন-জি বদলে দিচ্ছে বিলাসপণ্যের বাজার, কেনাকাটায় গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থ ও ব্যক্তিত্ব](https://sarakhon.com/news/182883/): ভারতে জেন-জি এখন আর শুধু ভবিষ্যতের ক্রেতা নয়, বর্তমানের শক্তিশালী ভোক্তা গোষ্ঠী। ফ্যাশন, বিলাসপণ্য, বিয়ে কিংবা ব্যক্তিগত পোশাক—সব ক্ষেত্রেই এই প্রজন্মের কেনাকাটার ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে বাজারের প্রচলিত হিসাব। তারা শুধু নামী ব্র্যান্ডের পরিচিতি দেখে পণ্য কিনতে আগ্রহী নয়; বরং পণ্যের পেছনের গল্প, কারিগরি, সাংস্কৃতিক গুরুত্ব, স্থায়িত্ব এবং সেটি তাদের নিজস্ব পরিচয়কে কতটা প্রকাশ করে—এসব বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারতে প্রায় ৩৭ কোটি ৭০ লাখ জেন-জি ভোক্তা রয়েছে, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, এই প্রজন্ম ইতিমধ্যে ভারতের মোট ভোক্তা ব্যয়ের প্রায় ৪৩ শতাংশকে প্রভাবিত করছে। এর আর্থিক মূল্য আনুমানিক ৮৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ২০৩৫ সালের - [কোপেনহেগেনের রাস্তায় নতুন ফ্যাশন ঝড়, জোড়ায় জোড়ায় সাজ থেকে প্রেইরি-রোমান্স](https://sarakhon.com/news/182881/): কোপেনহেগেন ফ্যাশন সপ্তাহের বসন্ত ২০২৭-এর আয়োজন ঘিরে শহরের রাস্তায় এবার দেখা গেল একের পর এক নজরকাড়া পোশাকের ধারা। গরমের আবহে ফ্যাশনপ্রেমীরা যেমন খোলামেলা পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজেছেন, তেমনি খেলাধুলার পোশাক, মাথা ও কোমরে বাঁধা স্কার্ফ, বড় আকৃতির রোদচশমা এবং পুরোনো দিনের ফুলেল পোশাকও পেয়েছে নতুন মাত্রা। গ্রীষ্মের তাপমাত্রা যখন আশির দশকের কাছাকাছি, তখন কোপেনহেগেনের রাস্তাই যেন হয়ে উঠেছিল মুক্ত ফ্যাশনের প্রদর্শনী। শরীরের মাঝের অংশ উন্মুক্ত রাখা পোশাক ছিল বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। এমনকি একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী নিজের উন্মুক্ত পেটেও ঝলমলে অলংকরণ করে আলাদা নজর কাড়েন। জোড়ায় জোড়ায় সাজ একই রকম বা পরস্পরের সঙ্গে মিল রেখে পোশাক পরার প্রবণতা আবারও ফিরে এসেছে। দুই - [জলরঙে নতুন শখের শুরু, মন ভালো রাখার সহজ উপায়](https://sarakhon.com/news/182879/): শিল্পী হতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই ছবি আঁকার জন্য। বরং নিজের মতো করে রং-তুলির সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোই হয়ে উঠতে পারে ব্যস্ত জীবনে স্বস্তির এক সুন্দর উপায়। জলরঙে ছবি আঁকার অভ্যাস এমনই একটি শখ, যা একই সঙ্গে মনকে শান্ত করে, সৃজনশীলতা বাড়ায় এবং অবসর সময়কে আনন্দময় করে তুলতে পারে। শৈশবে ছবি আঁকার ক্লাসে গিয়ে অনেকেই হয়তো বুঝেছেন, সবার হাত সমান নিপুণ নয়। টেবিলের ওপর রাখা ফলের বাটি, কলা কিংবা আঙুর আঁকতে গিয়ে রেখা বেঁকে যেতে পারে, অনুপাতও ঠিক নাও হতে পারে। কিন্তু ছবি আঁকার আনন্দ পাওয়ার জন্য নিখুঁত শিল্পী হওয়া জরুরি নয়। বরং নিজের আঁকা খুব ভালো না হলেও সেই প্রক্রিয়াটিই - [গুচি ওয়েস্টম্যানের স্বপ্নের ফাউন্ডেশন: ত্বকে মেকআপ, যত্নও একসঙ্গে](https://sarakhon.com/news/182875/): বিশ্বখ্যাত মেকআপ শিল্পী গুচি ওয়েস্টম্যানের কাছে নিখুঁত ফাউন্ডেশন মানে শুধু ত্বকের দাগ বা রং ঢেকে দেওয়া নয়; বরং এমন একটি আবরণ তৈরি করা, যা ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে আড়াল না করে আরও মসৃণ ও সতেজ দেখাবে। সেই ভাবনা থেকেই দীর্ঘ তিন বছরের গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও একাধিক ফর্মুলা বদলের পর বাজারে এসেছে ওয়েস্টম্যান আটেলিয়ের প্রথম তরল ফাউন্ডেশন—সুপ্রেম বায়ো-কমপ্লেক্স লিকুইড ফাউন্ডেশন। ওয়েস্টম্যানের ভাষায়, তিনি এমন একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করতে চেয়েছেন, যা তার দেখা সবচেয়ে সুন্দর ফাউন্ডেশন হবে। আগের একটি ফর্মুলা তার প্রত্যাশা পূরণ না করায় সেটি বাজারে আনেননি। পরে নতুন প্রযুক্তি, উপাদান ও গবেষণাগারের সহায়তায় তিনি পছন্দের ফর্মুলা তৈরি করেন। তিন বছরের অপেক্ষার পর - [লিপ লাইনার নয়, ঠোঁট বড় দেখানোর নতুন কৌশল ‘লিপ কনট্যুরিং’](https://sarakhon.com/news/182873/): ঠোঁটকে আরও আকর্ষণীয়, পূর্ণ ও স্বাভাবিকভাবে মোটা দেখাতে এখন শুধু লিপস্টিক বা লিপ লাইনারের ওপর নির্ভর করছেন না সৌন্দর্যপ্রেমীরা। হেইলি বিবার, কাইলি জেনার ও কিম কার্দাশিয়ানের মতো তারকাদের জনপ্রিয়তার কারণে চকচকে, নরমভাবে আকৃতি দেওয়া এবং স্বাভাবিকভাবে ভরাট দেখানো ঠোঁটের সাজ এখন সৌন্দর্যচর্চার অন্যতম আলোচিত প্রবণতা। তবে এই সাজ দেখতে যতটা সহজ মনে হয়, নিখুঁতভাবে করতে ততটাই প্রয়োজন সঠিক কৌশল। বিশেষ করে লিপ লাইনার আর লিপ কনট্যুরিংয়ের পার্থক্য জানা জরুরি। কারণ দুটিই ঠোঁটের আকৃতি বদলে দিতে পারে, কিন্তু ফলাফল একেবারেই আলাদা। লিপ লাইনার ও লিপ কনট্যুরিংয়ের পার্থক্য লিপ লাইনারের প্রধান কাজ হলো ঠোঁটের চারপাশে স্পষ্ট রেখা তৈরি করে আকৃতি নির্ধারণ করা। এটি - [কিশোরী থেকে সুপারমডেল—কাইয়া গারবারের লালগালিচার ২০ নজরকাড়া সাজ](https://sarakhon.com/news/182869/): মাত্র এক দশকের ফ্যাশন-যাত্রায় কাইয়া গারবার লালগালিচার অন্যতম আলোচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত ভোগের বিশেষ প্রতিবেদনে তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিক থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত বেছে নেওয়া হয়েছে ২০টি স্মরণীয় সাজ। প্রতিটি পোশাকে কাইয়ার রুচি, আত্মবিশ্বাস ও সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ফ্যাশন-ভাবনার আলাদা ছাপ দেখা যায়। শুরুতেই নজর কেড়েছিলেন কাইয়া কাইয়া গারবারের লালগালিচার যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে ‘সিস্টার সিটিজ’ ছবির প্রদর্শনীতে জুহাইর মুরাদের পোশাকে। এরপর ২০১৭ সালের ফ্যাশন পুরস্কারে রালফ অ্যান্ড রুশো এবং একই বছরের ডেইলি ফ্রন্ট রো ফ্যাশন মিডিয়া পুরস্কারে ফিলোসফি দি লরেঞ্জো সেরাফিনির পোশাকে দেখা যায় তাকে। ২০১৮ সালের ফ্যাশন পুরস্কারে আলেকজান্ডার ম্যাককুইনের পোশাকেও তিনি আলাদা - [স্মার্টফোন ছেড়ে ‘অ্যানালগ ব্যাগে’ ফিরছে তরুণ প্রজন্ম, জনপ্রিয় হচ্ছে পুরোনো দিনের শখ](https://sarakhon.com/news/182867/): স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর সারাক্ষণ অনলাইনে থাকার অভ্যাস থেকে একটু দূরে সরে যেতে চাইছে তরুণ প্রজন্ম। আর সেই চাওয়াই এবার তৈরি করেছে নতুন এক জীবনধারা—‘অ্যানালগ ব্যাগ’। বই, ডায়েরি, ধাঁধার খাতা, রঙ-তুলি, সেলাইয়ের সরঞ্জাম কিংবা ছোট কোনো খেলনা—অনলাইনের বাইরে বাস্তব জীবনে সময় কাটানোর নানা উপকরণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে এসব ব্যাগ। তরুণদের মধ্যে এখন উল্টো দিকে হাঁটার এক ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কেউ স্মার্টফোনের বদলে পুরোনো ধরনের মুঠোফোন ব্যবহার করছেন, কেউ হাতে লিখছেন ডায়েরি, কেউ আবার চিঠি লিখছেন বন্ধুদের। সূচিকর্ম, বুনন, কাগজের কাজ, ছবি আঁকা ও বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজও নতুন করে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ব্যাগে থাকছে অনলাইন দুনিয়ার বিকল্প যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার ২৫ - [পুরোনো পোস্টে বিপাকে ফ্রান্সেসকা হং, উইসকনসিনে ডেমোক্র্যাটদের প্রাইমারিতে তীব্র বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/182864/): উইসকনসিনের গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারির আগে ফ্রান্সেসকা হংকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থ্যাঙ্কসগিভিং বাতিলের পক্ষে মত দেওয়া, পুলিশ বিলুপ্তির কথা বলা এবং শ্বেতাঙ্গদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা—পুরোনো এসব বক্তব্য এখন নির্বাচনী প্রচারে তার জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী হং একজন অঙ্গরাজ্য আইনপ্রণেতা এবং নিজেকে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। ১১ আগস্টের প্রাইমারিতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মাঠে এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের একজন। ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রগতিশীল রাজনীতির প্রভাব কতটা বিস্তৃত হতে পারে, উইসকনসিনের এই নির্বাচন তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। থ্যাঙ্কসগিভিং নিয়ে পুরোনো মন্তব্য ২০২০ সালের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে হং যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক থ্যাঙ্কসগিভিং ছুটি - [ডেমোক্র্যাটদের সামনে কি আসছে ‘টি পার্টি মুহূর্ত’?](https://sarakhon.com/news/182860/): যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ। দলীয় নেতৃত্ব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতা মোকাবিলায় যথেষ্ট কঠোর নয়—এমন ধারণা থেকে অনেক ভোটার এখন অপেক্ষাকৃত নতুন, বামঘেঁষা ও প্রতিষ্ঠাবিরোধী প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকছেন। এই প্রবণতা আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে দলটির রাজনৈতিক চরিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে অনেকেই ২০০৯-১০ সালের রিপাবলিকান পার্টির ‘টি পার্টি’ আন্দোলনের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান ভোটারদের ক্ষোভ থেকেই ওই আন্দোলনের উত্থান হয়েছিল। পরে সেই আন্দোলন রিপাবলিকান পার্টিকে আমূল বদলে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো প্রতিষ্ঠাবিরোধী নেতার উত্থানের পথ তৈরি করে। - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিড়ে মানুষের বুদ্ধির ডাক, ‘চ্যাটবটকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না’](https://sarakhon.com/news/182858/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কথোপকথন এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ। তথ্য জানতে, পরামর্শ নিতে, উৎসাহ পেতে, এমনকি মানসিক সঙ্গের প্রয়োজনেও অনেকে নির্ভর করছেন নানা ধরনের চ্যাটবটের ওপর। দ্রুত, আত্মবিশ্বাসী এবং বুদ্ধিদীপ্ত ভঙ্গিতে দেওয়া এসব উত্তর অনেক সময় এতটাই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় যে, মানুষ নিজের বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগের প্রয়োজনই অনুভব করেন না। এই প্রবণতার বিরুদ্ধে একটু ভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ নিয়ে হাজির হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টাকার ব্রায়ান্ট। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বদলে তিনি তৈরি করেছেন এমন এক ‘চ্যাটবট’, যার অন্য প্রান্তে কোনো যন্ত্র নয়, বসে আছেন একজন মানুষ—তিনি নিজেই। সান ফ্রান্সিসকোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-উন্মাদনার কেন্দ্রস্থলে সম্প্রতি দেখা যায় একটি বিলবোর্ড। সেখানে ‘চ্যাটটিজেবি’ নামের একটি সেবাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত অগ্রণী কথোপকথন - [কানের দুল পরানোর অভিজ্ঞতায় বড় বদল আনছে ক্লেয়ার্স](https://sarakhon.com/news/182855/): কানের দুল পরানোর পরিচিত অভিজ্ঞতাকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও আরামদায়ক করে তুলতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার জনপ্রিয় খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ক্লেয়ার্স। নতুন প্রশিক্ষণব্যবস্থা, আরও বিস্তৃত গয়নার সংগ্রহ এবং উন্নত দোকানভিত্তিক পরিবেশের মাধ্যমে কানে ছিদ্র করার পুরো প্রক্রিয়াটিকেই নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রায় ৯০০টি ক্লেয়ার্স শাখায় ধাপে ধাপে এই পরিবর্তন চালু করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা আনিতা শাখায় ৮ আগস্ট নতুন ধরনের ‘ইনস্পিরেশন বার’ চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের সূচনা হয়েছে। প্রশিক্ষণেই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন কানে ছিদ্র করার প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য করতে ক্লেয়ার্স ১৩ সদস্যের একটি বিশেষ - [পালানোর পথ নেই: দুবাই থেকে যেভাবে ধরা পড়েছে বিশ্বের কুখ্যাত অপরাধীরা](https://sarakhon.com/news/182852/): দুবাইকে নিরাপদ শহর হিসেবে জানেন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু অপরাধীদের জন্য এই শহর যে কোনো নিরাপদ আশ্রয় নয়—সাম্প্রতিক বছরগুলোর কয়েকটি বড় গ্রেপ্তার ও প্রত্যর্পণের ঘটনায় সেটিই আবারও স্পষ্ট হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় থাকা মাদক সম্রাট, সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের হোতা ও আন্তর্জাতিক পলাতকদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ এবং বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনেককেই প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। বিশ্বের আলোচিত কয়েকজন অপরাধীকে কীভাবে আমিরাতের মাটিতে খুঁজে বের করা হয়েছিল, তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য - [মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী, তবে আগাম ঘোষণা করবে না দল](https://sarakhon.com/news/182847/): এসএসসিতে জিপিএ-৩-এর নিচে ৫০.৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী জাগো নিউজ২৪, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার পাস করা মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকই জিপিএ-৩-এর নিচে পেয়েছে। ফলে পাস করলেও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী খারাপ ফল নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও কর্মজীবনে গিয়ে তাদের পদে পদে বিপাকে পড়তে হবে। পাশাপাশি খারাপ ফল করায় ঝরে পড়ার হারও বাড়তে পারে। গত সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, এবার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। গড় পাসের হার ৬২ - [দুবাইয়ে বদলাচ্ছে আবাসনের নিয়ম, পরিবার-ব্যাচেলর-শিক্ষার্থীরাও নিতে পারবেন বৈধ শেয়ার্ড বাসা](https://sarakhon.com/news/182845/): দুবাইয়ে আবাসন ব্যবস্থায় আসছে বড় পরিবর্তন। নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর পরিবার, একক নারী-পুরুষ এবং শিক্ষার্থীরা আইনসম্মতভাবে শেয়ার্ড আবাসনে থাকতে পারবেন। আগামী আগস্টের শেষ দিকে আইনটি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে এত দিন যেসব যৌথ আবাসন নিয়ে নানা ধরনের অনিশ্চয়তা ছিল, সেগুলো একটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় আসবে। ছয় শ্রেণির মানুষের জন্য শেয়ার্ড আবাসন নতুন আইনে শেয়ার্ড আবাসনের জন্য ছয়টি শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো পরিবার, একক নারী, একক পুরুষ, নারী শিক্ষার্থী, পুরুষ শিক্ষার্থী এবং সরকারি কর্মী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিতে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—শেয়ার্ড আবাসনকে শুধু পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কহীন শ্রমিক - [বিমান, জ্বালানি ও শিক্ষা খাতে বড় সাইবার হামলা ঠেকাল সংযুক্ত আরব আমিরাত](https://sarakhon.com/news/182842/): সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান চলাচল, জ্বালানি ও শিক্ষা খাতকে লক্ষ্য করে চালানো একাধিক উন্নত ও সুসংগঠিত সাইবার হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে দেশটির সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ। সোমবার দেশটির সাইবার নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, হামলাকারীরা গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোতে প্রবেশ, পরিচালনাগত হিসাব ও তথ্য দখলের চেষ্টা এবং প্রতারণামূলক বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলার মতো বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছিল। তবে হামলাগুলো শনাক্ত হওয়ার পরপরই জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা দলগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। হামলার পথ ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির চিহ্ন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে হামলাকারীরা লক্ষ্যভুক্ত ব্যবস্থায় ঢুকতে বা গুরুত্বপূর্ণ সেবা ব্যাহত করতে পারেনি। এক দিনে ৮ লাখের বেশি হামলার চেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিদিন - [ওমানের উপকূলে জাহাজ আটকে তেল ছড়িয়ে পড়েছে, জননিরাপত্তায় নেই হুমকি](https://sarakhon.com/news/182837/): ওমানের দক্ষিণ উপকূলের কাছে আল হালানিয়াত দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় একটি তেলবাহী জাহাজ সমুদ্রতলে আটকে যাওয়ার পর সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে ছড়িয়ে পড়া তেল জননিরাপত্তার জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। সোমবার ওমানের কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক নজরদারিতে দেখা যায়, হালানিয়াত দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পূর্ব দিকে তেলের আস্তরণ ধীরে ধীরে মূল ভূখণ্ডের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে কাছের স্থানে এটি উপকূল থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বর্তমানে তেল সমুদ্রপৃষ্ঠেই অবস্থান করছে। সামুদ্রিক স্রোত, বাতাস, ঢেউ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক পরিস্থিতির প্রভাবে এর আকার ও অবস্থান ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে। - [উৎসব-উৎসবে সোনার গয়নায় জমবে দুবাইয়ের বাজার, বাড়ছে ক্রেতার প্রত্যাশা](https://sarakhon.com/news/182833/): সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সোনার গয়নার বাজারে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে পারে। বিয়ে, নবরাত্রি, দীপাবলি, বড়দিন ও নতুন বছরের উৎসব সামনে রেখে গয়নার চাহিদা বাড়ার প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা। এর সঙ্গে শীতের মৌসুমে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লে দুবাইসহ দেশটির বিভিন্ন স্বর্ণবাজারে ক্রেতার আনাগোনা আরও বাড়তে পারে। স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, উৎসব ও বিয়ের মৌসুম ঐতিহ্যগতভাবেই গয়না কেনার বড় সময়। এ বছরও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বছরের শেষভাগে একসঙ্গে বেশ কয়েকটি বড় উৎসব থাকায় উপহার, পারিবারিক অনুষ্ঠান এবং বিয়ের জন্য স্বর্ণালংকার কেনার প্রবণতা বাড়তে পারে। উৎসব ও বিয়ের মৌসুমে বাড়বে চাহিদা মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা - [লোবিতো করিডর থেকে নতুন বিশ্বব্যবস্থা: খনিজের সঙ্গে এখন ডেটারও লড়াই](https://sarakhon.com/news/182773/): বিশ্ব রাজনীতিতে অবকাঠামো কখনোই শুধু অবকাঠামো থাকে না। একটি রেললাইন, সমুদ্রবন্দর কিংবা ফাইবার-অপটিক কেবল—প্রতিটির ভেতরেই লুকিয়ে থাকে অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং ভূরাজনীতির দীর্ঘমেয়াদি হিসাব। আফ্রিকার লোবিতো করিডরকে ঘিরে সাম্প্রতিক তৎপরতা সেই বাস্তবতাকেই নতুন করে সামনে এনেছে। জুলাইয়ের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক মিলে লোবিতো করিডর আধুনিকায়নে ৭৫৩ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্যাকেজ সম্পন্ন করেছে। অ্যাঙ্গোলার আটলান্টিক উপকূলের লোবিতো বন্দর থেকে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র হয়ে জাম্বিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে এই রেলপথের। এর কয়েক দিনের মধ্যেই কঙ্গো তাদের ভূখণ্ডের অংশের রেলপথ পুনর্বাসনে পর্তুগিজ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান মোটা-এঙ্গিলের সঙ্গে অংশীদারত্বের অনুমোদন দিয়েছে। দৃশ্যত এটি আফ্রিকার একটি পরিবহন প্রকল্প। কিন্তু - [২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৮৮০](https://sarakhon.com/news/182828/): হামের মতো উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সংক্রান্ত মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮০-তে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে মারা যাওয়া দুই শিশুর মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এই সময়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৮২। আর পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতোই ৯৮। ২৪ ঘণ্টায় নতুন সন্দেহভাজন রোগী ৮৭২ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৮৭২ জন শনাক্ত - [বাগেরহাট হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, চালক আহত; পুড়ল ৯ মোটরসাইকেল](https://sarakhon.com/news/182823/): বাগেরহাটের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল চত্বরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লেগে চালক আহত হয়েছেন। এ সময় আগুনে অ্যাম্বুলেন্সটির পাশে থাকা নয়টি মোটরসাইকেলও পুড়ে যায়। আগুন ও ধোঁয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আট রোগী ও তাদের স্বজনও আহত হন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আহত চালককে ঢাকায় পাঠানো মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের পুরোনো ভবনের প্রধান ফটকের সামনে ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় অ্যাম্বুলেন্সটি দুই শিশুকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের একজন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার জানান, হঠাৎ করেই অ্যাম্বুলেন্সটিতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশে থাকা মোটরসাইকেলগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে অ্যাম্বুলেন্সসহ নয়টি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। আগুন - [মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্যেই পরীক্ষা ফেডপ্রধান ওয়ারশের](https://sarakhon.com/news/182820/): যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশ দায়িত্ব নেওয়ার পর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে তাঁর নীতির অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছেন। কিন্তু আগামী এক মাসে প্রকাশিত হতে যাওয়া দুটি মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদনই এখন তাঁর নেতৃত্বের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব তথ্যের ওপর নির্ভর করতে পারে সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার বাড়ানো হবে, নাকি বর্তমান অবস্থানই বজায় রাখা হবে। বুধবার প্রকাশিত হওয়ার কথা জুলাই মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের তথ্য। সেখানে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম হলে ওয়ারশের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে ফেডের নীতিনির্ধারকেরাও স্বস্তি পাবেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি সম্পর্কে তাঁদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস পুরোপুরি ভুল হয়নি। কিন্তু মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে ওয়ারশকে কথার - [‘গানের মাহাত্ম্য গায়কের চেয়েও বড়’: নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে উষা উত্থুপ](https://sarakhon.com/news/182817/): ভারতীয় সংগীতের জগতে উষা উত্থুপ এমন এক নাম, যাঁর কণ্ঠকে কোনো প্রচলিত ছাঁচে বাঁধা যায় না। তাঁর গলার স্বর একসময় অনেকের কাছে ছিল অচেনা ও ব্যতিক্রমী। কিন্তু সেই ভিন্নতাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে দিয়েছে স্বতন্ত্র পরিচয়। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গান গেয়ে চলা ৭৮ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি শিল্পী এখন আবার নতুন প্রজন্মের কাছে তুমুল জনপ্রিয়। ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে তাঁর বহু পুরোনো গান ‘রম্ভা হো’-এর নতুন সংস্করণ জনপ্রিয় হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন উষা উত্থুপ। তরুণ প্রজন্ম শুধু নতুন করে গানটি শুনছে না, ফিরে যাচ্ছে তাঁর পুরোনো গানগুলোর কাছেও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নতুন প্রজন্মের সংগীতচর্চায় তাঁর কণ্ঠ যেন আবারও নতুন জীবন - [মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্যেই পরীক্ষা হবে ফেডপ্রধান ওয়ারশের নেতৃত্ব](https://sarakhon.com/news/182808/): যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশ দায়িত্ব নেওয়ার পর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে নিজের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন। কিন্তু আগামী এক মাসে প্রকাশিতব্য দুটি মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনই এখন তাঁর নেতৃত্বের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে। এসব প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে পারে সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ানো হবে, নাকি কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও কিছুদিন অপেক্ষা করবে। বুধবার প্রকাশিত হওয়ার কথা জুলাই মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের প্রতিবেদন। সেখানে মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার তুলনায় কম থাকলে ওয়ারশের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে ফেডের নীতিনির্ধারকেরাও স্বস্তি পাবেন, কারণ সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতির প্রবণতা নিয়ে তাঁদের পূর্বাভাস সঠিক ছিল—এমন যুক্তি দেওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির তথ্য যদি শক্ত অবস্থান - [গালফের ভারতীয় প্রবাসীরা এখন শুধু রেমিট্যান্স পাঠান না, গড়ছেন বৈশ্বিক সম্পদ](https://sarakhon.com/news/182814/): দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে ভারতের আর্থিক সম্পর্ক বলতে মূলত বোঝানো হতো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠানোকে। তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী বিত্তবান ভারতীয় প্রবাসীদের একটি বড় অংশ এখন শুধু আয় করে দেশে টাকা পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং বিভিন্ন দেশ, মুদ্রা ও সম্পদ শ্রেণিতে বিনিয়োগ করে বৈশ্বিক সম্পদ গড়ে তুলছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষতা, আর্থিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং বিনিয়োগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে গালফের ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের চরিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। তাদের আর্থিক জীবন এখন আর একটি দেশকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে না। সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত এবং অনেক - [পর্দাহীন গারমিন সিরকা: তথ্য দেবে, কিন্তু মনোযোগ কেড়ে নেবে না](https://sarakhon.com/news/182811/): স্মার্ট ঘড়ির পর্দা, বারবার আসা বার্তা কিংবা নানা ধরনের বিজ্ঞপ্তি অনেকের কাছে এখন বিরক্তির কারণ। স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চার তথ্য জানতে চান, কিন্তু সারাক্ষণ হাতে একটি উজ্জ্বল পর্দা রাখতে চান না—এমন ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করেই নতুন স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যান্ড নিয়ে এসেছে গারমিন। প্রায় ২০০ ডলারের এই নতুন ব্যান্ডটির নাম ‘সিরকা’। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এতে কোনো পর্দা নেই। ফলে ব্যবহারকারীকে বারবার হাত তুলে তথ্য দেখার বা অন্য কোনো বিজ্ঞপ্তিতে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। ব্যান্ডটি নীরবে শরীরের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে, পরে সেগুলো মোবাইলের গারমিন সংযোগ অ্যাপের মাধ্যমে দেখা যায়। শরীরের নানা তথ্য একসঙ্গে সিরকা ব্যান্ডে হৃদস্পন্দন, ত্বকের তাপমাত্রার পরিবর্তন, রক্তে অক্সিজেনের - [ড্রোন হামলা বন্ধ না হলে জাওয়িয়া তেল শোধনাগার বন্ধের হুঁশিয়ারি লিবিয়ার](https://sarakhon.com/news/182806/): লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জাওয়িয়ায় তেল স্থাপনায় একের পর এক ড্রোন হামলার ঘটনায় দেশের সবচেয়ে বড় সচল তেল শোধনাগার বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশন। হামলা অব্যাহত থাকলে শোধনাগারের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সর্বোচ্চ জরুরি অবস্থা ঘোষণা সোমবার জাওয়িয়ায় তেল স্থাপনায় সর্বশেষ ড্রোন হামলার পর ওই এলাকায় সর্বোচ্চ মাত্রার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশন। একই সঙ্গে অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, সোমবারের হামলার লক্ষ্য ছিল জাওয়িয়া তেল পরিশোধন কোম্পানির একটি তেল মিশ্রণ ও প্যাকেজিং কারখানা। একটি ড্রোন প্রধান তেল সংরক্ষণ ট্যাংক ও - [তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর: অন্তত তিস্তা চুক্তি তো আশা করতে পারে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/182801/): তারেক রহমানের একজন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, তারেক রহমান যে কোনো সময় ভারতে যাবেন। তিনি ভারতে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। দুই দিন আগেও এক সাংবাদিক বন্ধুকে বলছিলাম, ট্যাবলয়েড পত্রিকা বা ওই ধরনের কোনো মিডিয়া আউটলেট নিউজ করতে পারে ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যাবেন না’। প্রথম আলোর মতো একটি প্রথম সারির পত্রিকা কেন তার যাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে নিউজ করল? ওই সাংবাদিক বন্ধু আমাকে বলে, আরও অনেকেই তো করছে। তুমি কীভাবে মনে করছ তিনি যাবেন? হাসতে হাসতে তাকে বলেছিলাম যে ইউনূস সেভেন সিস্টার খেয়ে দেওয়ার জন্য হুংকার দিয়েছিলেন—ব্যাংককে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখনি? তাছাড়া তারেক রহমানের দেশে ফেরা, নির্বাচনে জেতা, প্রধানমন্ত্রী হওয়া এমনকি রাজনীতিতে তাঁর অনেকটা ফিরে আসা সবকিছু - [নিখোঁজ রুশ-ইসরায়েলি ইতিহাসবিদকে নিয়ে নীরব ইসরায়েল, মস্কোর জবাব চাওয়া](https://sarakhon.com/news/182785/): ইসরায়েলে প্রবেশের পর রুশ-ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ ও সাংবাদিক আর্তিয়োম কিরপিচেনকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। তার অবস্থান ও আটকের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনো প্রকাশ্যে কোনো তথ্য দেয়নি। এদিকে রুশ দূতাবাস তার বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়েছে। ৫১ বছর বয়সী কিরপিচেনক রাশিয়া ও ইসরায়েল—দুই দেশের নাগরিক। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ইহুদিবাদ এবং ইসরায়েল সরকারের নীতি, বিশেষ করে ইরান ও ফিলিস্তিন-সংক্রান্ত নীতির কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। গত ২ আগস্ট আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান থেকে একটি বিমানে করে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর থেকেই তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সকাল ১০টা ৪১ মিনিটে পরিবারের - [লাওসে চীনের বিরল মাটির খনি প্রকল্পে ধাক্কা, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মুনাফার জোয়ার](https://sarakhon.com/news/182798/): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসে চীনা মালিকানাধীন একটি বিরল মাটি খনন প্রকল্প হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত দুই চীনা কোম্পানি জানিয়েছে, বিরল মাটি সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত নীতিমালা ও আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতেই তারা যৌথ উদ্যোগটির কার্যক্রম স্থগিত করেছে। তবে ঠিক কোন নিয়ম বা শর্তের কারণে খনন বন্ধ করতে হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি কোনো কোম্পানিই। ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র, উন্নত ইলেকট্রনিকস ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে প্রয়োজনীয় বিরল মাটির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে এসব খনিজের দাম বাড়ায় চীনের বড় বড় বিরল মাটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য মুনাফা করেছে। লাওসের খনি প্রকল্পে - [নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের বিনিয়োগ বাড়ছে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে শীর্ষে দেশটি](https://sarakhon.com/news/182795/): বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে চীনের বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ছে। সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদ্যুৎ অবকাঠামো, গ্রিড ও ব্যাটারি প্রযুক্তিতেও চীনা কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম জোরদার হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতের বিদেশি বিনিয়োগে চীন এখন সবচেয়ে বড় অংশীদার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে চীনের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১৮ কোটি ডলার। এটি খাতটির মোট ৩৪৬ কোটি ডলার বিদেশি বিনিয়োগের প্রায় ৩৪ শতাংশ। গত বছরই চীন বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশের শীর্ষ বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যায়। মার্চ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের অংশ ছিল ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের বড় অংশীদারত্ব চীনের বিদ্যুৎ খাতের বিনিয়োগের বড় অংশ এখনো - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্ভারে বড় বাজি, তাইওয়ান-ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা বাড়াচ্ছে কমপাল](https://sarakhon.com/news/182792/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোর বৈশ্বিক চাহিদা দ্রুত বাড়ায় ব্যক্তিগত কম্পিউটার তৈরির ব্যবসার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্ভার উৎপাদনে জোর দিচ্ছে কমপাল ইলেকট্রনিক্স। এ জন্য তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। এইচপি ও ডেলের গুরুত্বপূর্ণ নোটবুক সরবরাহকারী কমপাল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চুক্তিভিত্তিক নোটবুক সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্ভারের জন্য নতুন কারখানা নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটি মূলধন ব্যয় বাড়িয়ে ১৮ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলার করেছে, যা গত বছরের ৮ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সার্ভারে নতুন যাত্রা তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চলীয় তাওইউয়ান শহরে নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সার্ভার কারখানা উদ্বোধনের সময় কমপালের চেয়ারম্যান রে চেন বলেন, দুই বছর আগেও এই শিল্পে - [অবসরপ্রাপ্ত সামরিক জনবলকে শিক্ষায় কাজে লাগাতে পারে ভারত](https://sarakhon.com/news/182698/): ভারতকে ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরের যে লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে, সেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদগুলোর একটি হলো দক্ষ মানবসম্পদ। সেই মানবসম্পদ গড়ে তোলার কেন্দ্রীয় ক্ষেত্র শিক্ষা। অথচ দেশের সশস্ত্র বাহিনী থেকে প্রতিবছর অবসর নেওয়া হাজারো নারী-পুরুষের জ্ঞান, প্রশিক্ষণ, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় যুক্ত করা হয়নি। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর আওতায় সামরিক বাহিনীর অভিজ্ঞ ও যোগ্য সাবেক সদস্যদের ‘প্রফেসর অব প্র্যাকটিস’ হিসেবে নেওয়ার উদ্যোগ থাকলেও এর বাইরে সম্ভাবনার বড় একটি অংশ এখনও অনাবিষ্কৃত। ভারতের শিক্ষা খাতে সংস্কারের নতুন পর্যায়ে প্রবেশের এই সময়ে তাই প্রতিরক্ষা বাহিনীর মানবসম্পদকে শিক্ষায় যুক্ত করার একটি সুসংগঠিত কাঠামো তৈরি করা জরুরি। এটি শুধু - [জাপানে রেকর্ড সংখ্যক ইজাকায়া বন্ধ, বদলে যাচ্ছে পানাহারের সংস্কৃতি](https://sarakhon.com/news/182789/): জাপানে ছোট ছোট ইজাকায়া—স্থানীয় ধাঁচের পানাহার ও খাবারের দোকান—এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খাবার, বিদ্যুৎ, ভাড়া ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় একের পর এক ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে মানুষের বাইরে গিয়ে পানাহার ও আড্ডা দেওয়ার অভ্যাসও। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে জাপানে ১১৮টি ইজাকায়া ব্যবসা দেউলিয়া হয়েছে। ১৯৮৯ সালে তুলনামূলক হিসাব সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর জানুয়ারি থেকে জুন—এই ছয় মাসে এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা। দেউলিয়া হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ৯০ শতাংশের বেশি ছিল ১০ জনের কম কর্মী থাকা ছোট ব্যবসা। খরচ বাড়ছে, কিন্তু দাম বাড়ানো কঠিন টোকিওর কোতো এলাকায় কুরানোসুকে নামের একটি ছোট ইজাকায়ায় প্রায় ২০টির বেশি আসন - [এআইয়ের দাপটে ডেটা সেন্টার বীমার বাজার ১০ বিলিয়ন ডলার, বাড়ছে বড় ঝুঁকির আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/182778/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা ও আকার বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এসব অবকাঠামোর বীমার চাহিদাও। চলতি বছর বিশ্বে ডেটা সেন্টার-সংশ্লিষ্ট বীমার বাজার ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে বিপুল সম্ভাবনার পাশাপাশি নতুন ধরনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগেও রয়েছেন বীমা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। ডেটা সেন্টারের বিশাল আকার, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং বিপুল বিদ্যুৎনির্ভরতা প্রচলিত বীমা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একটি স্থাপনায় ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলেও তা বিদ্যুৎ সরবরাহ, কম্পিউটিং যন্ত্রপাতি, তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা—এমনকি একাধিক বীমা পলিসির ওপর একসঙ্গে বড় ধরনের ক্ষতির প্রভাব ফেলতে পারে। এআই অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ এআই সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো - [হেফাজতে তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুতে পুলিশের গাফিলতি স্বীকার, পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ](https://sarakhon.com/news/182782/): পুলিশ হেফাজতে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিরজু কেওটের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি স্পষ্ট বলে স্বীকার করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে নিহত বিরজু কেওটের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি নিহতের স্ত্রীকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরজু কেওট গত ৮ আগস্ট পুলিশ হেফাজতে মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে তাঁকে নির্যাতন করা হয়েছিল এবং সেই নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে যে নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা - [কাবেরী জলবণ্টন বিরোধে বৃহস্পতিবার তামিলনাড়ুর আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্ট](https://sarakhon.com/news/182726/): কাবেরী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও ভারতের সুপ্রিম কোর্টে গড়িয়েছে। নদীর পানির বরাদ্দে ঘাটতির কারণে কৃষকেরা চরম সংকটের মধ্যে পড়েছেন—এমন দাবি জানিয়ে তামিলনাড়ু দ্রুত শুনানির আবেদন করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বৃহস্পতিবার মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করেছেন। ৩ হাজার ৫০০ কিউসেক পানি চায় তামিলনাড়ু সোমবার তামিলনাড়ু সরকার কর্ণাটকের সঙ্গে কাবেরী নদীর পানি বণ্টন বিরোধে তাদের আবেদনটি দ্রুত শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে তুলে ধরে। রাজ্যের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সি এস বৈদ্যনাথন প্রধান বিচারপতিকে জানান, নির্ধারিত পরিমাণ পানি না পাওয়ায় তামিলনাড়ুর কৃষকেরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। তামিলনাড়ু আদালতের কাছে কর্ণাটককে কেন্দ্রীয় পানি ব্যবস্থাপনা - [বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে এক নম্বর শি ইউ ছির মুখোমুখি আয়ুশ, ‘এটা আরেকটি ম্যাচ’](https://sarakhon.com/news/182770/): বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পর্দা ওঠার আগেই ভারতের তরুণ শাটলার আয়ুশ শেট্টির সামনে এসেছে কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। টুর্নামেন্টে অভিষেকেই তাঁকে লড়তে হবে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর খেলোয়াড় ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের শি ইউ ছির বিপক্ষে। ২১ বছর বয়সী আয়ুশ এখন পর্যন্ত শির বিপক্ষে তিনবার খেলেছেন। তিন ম্যাচেই হেরেছেন তিনি। সর্বশেষ দেখা হয়েছিল এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে, যেখানে শির কাছে পরাজিত হন ভারতীয় এই তরুণ। এবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম রাউন্ডেই আবারও মুখোমুখি হচ্ছেন দুজন। তবে প্রতিপক্ষের বিশ্বসেরা অবস্থান আয়ুশকে ভীত করছে না। বরং কঠিন ম্যাচটিকে নিজের সামর্থ্য যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি। বিশ্বসেরার বিপক্ষে ‘আরেকটি ম্যাচ’ সোমবার এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে আয়ুশ বলেন, ড্রয়ে শির - [ইনফান্তিনোকে ঘিরে ফিফায় নতুন চাপ, যৌথ চিঠিতে তিন মহাদেশীয় সংস্থার কড়া বার্তা](https://sarakhon.com/news/182764/): ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইউরোপ, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং এশিয়ার ফুটবল নিয়ন্ত্রক তিন সংস্থা—উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসি—যৌথ চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফুটবল কোনো একক ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। ইনফান্তিনো সম্প্রতি ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, এমনকি বিশ্বকাপেও বেসরকারি বিনিয়োগ আনার একটি পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে পরিকল্পনাটি প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করতে হয়। এরপর থেকেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে। তিন মহাদেশের সংস্থার সরব অবস্থান সোমবার প্রকাশিত যৌথ চিঠিতে উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসি মূলত বোঝাতে চেয়েছে, গত এক দশকে ফুটবলের যে অগ্রগতি হয়েছে, সেটিকে কোনো একজন ব্যক্তির কৃতিত্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। চিঠিতে - [শিশুর ভবিষ্যৎ ‘নিট’ হবে কি না, তা শিক্ষকের কাজ নয়](https://sarakhon.com/news/182767/): একজন শিশুকে স্কুলে পাঠানোর উদ্দেশ্য কি শুধু তাকে ভবিষ্যতের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে প্রস্তুত করা? নিশ্চয়ই নয়। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাব্যবস্থার ওপর এমন সব সামাজিক দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, যা শেষ পর্যন্ত স্কুলের মূল কাজকেই দুর্বল করে দিতে পারে। শিশু ১৬ বছর বয়সে শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের বাইরে থাকবে কি না—অর্থাৎ ‘নিট’ হবে কি না—তা প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করার প্রস্তাব শুনতে আকর্ষণীয়। কারণ ঝুঁকিতে থাকা শিশুকে আগে চিহ্নিত করা গেলে হয়তো সময়মতো সহায়তা দেওয়া সম্ভব। কিন্তু সমস্যাটি হলো, আট বা দশ বছর বয়সী একটি শিশুর ভবিষ্যৎ এক দশক পর কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নির্ভুলভাবে অনুমান করার ক্ষমতা কোনো স্কুলেরই নেই। আর সবচেয়ে - [ডেমোক্র্যাটদের সামনে ২০২৮-এর বড় প্রশ্ন: শুধু ট্রাম্পবিরোধিতা কি যথেষ্ট?](https://sarakhon.com/news/182759/): আমেরিকার রাজনীতিতে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন এখনো সামনে, কিন্তু এর মধ্যেই ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দলটি যদি মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্যও পায়, তবু সেই সাফল্যকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রূপান্তর করা কতটা সম্ভব হবে—এটাই এখন মূল বিবেচনার বিষয়। মধ্যবর্তী নির্বাচনে সম্ভাব্য ‘ব্লু ওয়েভ’ নিয়ে আলোচনা যত বাড়ছে, ততই আরেকটি বাস্তবতা সামনে আসছে। আমেরিকার ভোটারদের রাজনৈতিক অবস্থান আগের চেয়ে বেশি মেরুকৃত। ফলে এক নির্বাচনে কোনো দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বা অসন্তোষ তৈরি হওয়া আরেক নির্বাচনে সেই দলের পরাজয় নিশ্চিত করে না। ডেমোক্র্যাটদের জন্য চ্যালেঞ্জটি এখানেই। শ্রমজীবী ভোটারদের হারানো সমর্থন ডেমোক্র্যাটদের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার একটি বড় - [ভারতে ইংরেজি: ঔপনিবেশিক ভাষা থেকে ভারতীয় জীবনের নিজস্ব ভাষা](https://sarakhon.com/news/182744/): ভারতে ইংরেজির অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইংরেজি কি ভারতের নিজস্ব ভাষা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে—ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক একটি পর্যবেক্ষণের পর এই প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। তবে বিষয়টিকে ইংরেজি বনাম ভারতীয় ভাষার দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখলে ভারতের ভাষাগত বাস্তবতাকে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়। হিন্দি, তামিল, তেলুগু, ওড়িয়া, কন্নড় বা মারাঠির বিকাশের জন্য ইংরেজিকে অস্বীকার করার প্রয়োজন নেই। বরং ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো বহুভাষিকতাকে আরও শক্তিশালী করা। ঐতিহাসিক অর্থে ইংরেজি সংস্কৃত বা তামিলের মতো ভারতের আদি ভাষা নয়। কিন্তু দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সমাজে ব্যবহৃত হতে হতে ইংরেজি এমন একটি রূপ পেয়েছে, যা - [২৭ আগস্ট বসছে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন](https://sarakhon.com/news/182756/): ফেব্রুয়ারি ১২-এর নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আগামী ২৭ আগস্ট শুরু হচ্ছে। দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৪৩ দিনের বিরতিতে এই অধিবেশন বসতে যাচ্ছে। ২৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় অধিবেশন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মুনীর হোসেন মঙ্গলবার জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় শুরু হবে। সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া ক্ষমতাবলে তিনি সংসদের এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। ১৫ জুলাই শেষ হয় দ্বিতীয় অধিবেশন এর আগে গত ১৫ জুলাই বর্তমান সংসদের দ্বিতীয় তথা বাজেট অধিবেশন শেষ হয়। ২৭ কার্যদিবস চলার পর অধিবেশনটি মুলতবি করা হয়। এরপর ৪৩ দিনের বিরতিতে তৃতীয় অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। - [লোকসভার হট্টগোলে বিতর্ক ছাড়াই ট্রাইব্যুনাল সংস্কার বিল পাস](https://sarakhon.com/news/182753/): ভারতের লোকসভায় বিরোধীদের তুমুল প্রতিবাদের মধ্যেই কোনো আলোচনা ছাড়াই ট্রাইব্যুনাল সংস্কার বিল, ২০২৬ পাস হয়েছে। সোমবার কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন করা হয়। বিলটির লক্ষ্য বিভিন্ন জাতীয় ট্রাইব্যুনালে চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিশন গঠন করা। লোকসভায় বিলটি পাসের সময় বিরোধী সদস্যরা দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের অভিযানের বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্য দাবি করে প্রতিবাদ করছিলেন। ফলে সংসদে স্বাভাবিক আলোচনা সম্ভব হয়নি। বিলটির ওপর আলোচনার জন্য বিরোধী সদস্যরা নোটিশ দিলেও শেষ পর্যন্ত হট্টগোলের মধ্যে তারা বক্তব্য দেননি। গঠিত হবে জাতীয় ট্রাইব্যুনাল কমিশন বিলটি সংসদের উভয় কক্ষে পাস হয়ে আইনে পরিণত হলে ২০২১ সালের ট্রাইব্যুনাল সংস্কার আইন বাতিল হবে। নতুন আইনের - [১৭ বছর পর বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, পাখি-বানর ঠেকাতেও অভিনব প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/182750/): ১৭ বছর পর ভারতে ফিরছে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। আর এই মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ভারতীয় ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ ও ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া। চলতি বছরের ইন্ডিয়া ওপেনে অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং খেলার মাঠে কবুতর ও বানরের প্রবেশ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে গত ছয় মাস ধরে সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ চালানো হয়েছে। আয়োজকদের লক্ষ্য একটাই—বিশ্বের সেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের নিয়ে এই বড় আসরে যেন কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়। ছয় মাস ধরে চলেছে ব্যাপক সংস্কার ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামের অবকাঠামো বেশ পুরোনো হওয়ায় এবার সংস্কারের কাজ শুরু করা হয় ফেব্রুয়ারি থেকেই। স্টেডিয়ামের - [স্যামসাং ও চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে সনির সঙ্গে বিরল জোটে টিএসএমসি](https://sarakhon.com/news/182747/): স্মার্টফোনের বাজারে স্থবিরতা, দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাংয়ের বাড়তে থাকা সক্ষমতা এবং চীনা চিপ নির্মাতাদের দ্রুত উত্থানের মধ্যে নতুন কৌশল নিয়েছে তাইওয়ানের শীর্ষ চিপ নির্মাতা টিএসএমসি। জাপানের সনি গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে পরবর্তী প্রজন্মের চিত্রগ্রহণকারী চিপ বা ইমেজ সেন্সর তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। টিএসএমসির মতো বহুমুখী গ্রাহকভিত্তিক চুক্তিভিত্তিক চিপ নির্মাতার জন্য নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উন্নয়ন পর্যায় থেকেই এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা বিরল ঘটনা। এই অংশীদারিত্বের পেছনে শুধু বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্য নয়, বরং ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মধ্যে নিজেদের প্রযুক্তিগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করার কৌশলও কাজ করছে। ইমেজ সেন্সরে নতুন সহযোগিতা ইমেজ সেন্সর এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ চিপ, যা আলোকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। পরবর্তী ধাপে প্রসেসিং - [প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন](https://sarakhon.com/news/182734/): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। ভারতের আমন্ত্রণ, যেকোনো সময় সফর জাহেদ উর রহমান বলেন, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারত সরকার আলাদাভাবেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বন্ধু পরিবর্তন করা সম্ভব হলেও প্রতিবেশী পরিবর্তন করা যায় না। দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও জানান - [কুষ্টিয়ায় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন](https://sarakhon.com/news/182740/): কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামের সামনে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। একই সঙ্গে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান প্রত্যাখ্যান করে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান ও বক্তব্য দিতেও তাকে দেখা যায়। পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ঘটনার খবর পাওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার, কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে - [ইরানি বিমান ঠেকানোকে কেন্দ্র করে সৌদি-হুথি সংঘাত ফের উত্তপ্ত](https://sarakhon.com/news/182737/): ইয়েমেনের রাজধানী সানায় অবতরণের আগেই একটি ইরানি বিমান আটকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। পাল্টাপাল্টি হামলায় ২০২২ সালে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বৃহত্তর সংঘাতের মধ্যে ইয়েমেন নতুন করে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। জাতিসংঘের ইয়েমেনবিষয়ক বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ সতর্ক করে বলেছেন, ২০২২ সালের এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইয়েমেনে বড় ধরনের সংঘাত আবার শুরু হওয়ার ঝুঁকি এখন সবচেয়ে বেশি। তাঁর আশঙ্কা, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে যুদ্ধবিরতির অর্জনগুলো নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ইয়েমেন আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এর পরিণতি দেশটির - [চীনের প্রভাব নয়, থাইল্যান্ডের সার্বভৌম সিদ্ধান্তই শেষ কথা](https://sarakhon.com/news/182724/): থাইল্যান্ডে চীনা কূটনীতিকদের প্রভাব নিয়ে নতুন করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি কেবল একটি শব্দের ব্যবহারকে ঘিরে নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্ন—একটি বিদেশি রাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা কতটা পর্যন্ত কোনো দেশের নাগরিকদের ভাষা, মতপ্রকাশ কিংবা সাংস্কৃতিক পরিসর নিয়ে নির্দেশনা দিতে পারেন? ব্যাংককে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত থাই জনগণকে “গ্রে চাইনিজ” শব্দটি ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শব্দটি বৈষম্যমূলক এবং এর মাধ্যমে সব চীনা নাগরিককে একই পরিচয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু এই ব্যাখ্যা থাইল্যান্ডের জনপরিসরে শব্দটির প্রচলিত অর্থকে পুরোপুরি ধারণ করে না। “গ্রে চাইনিজ” বলতে সাধারণত থাইল্যান্ডে অপরাধমূলক বা আইন এড়িয়ে চলা কর্মকাণ্ডে জড়িত কিছু চীনা নাগরিককে বোঝানো - [ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় রদবদল, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/182731/): ইরানের রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সাবেক ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর প্রধান মোহসেন রেজাইকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে সামরিক নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ রদবদল করা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে যুদ্ধ ও বিভিন্ন হামলায় হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। নিরাপত্তা পরিষদের নতুন দায়িত্বে মোহসেন রেজাই ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ৭১ বছর বয়সী মোহসেন রেজাই। তিনি আগে ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আলাদা এক আদেশে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তাঁকে ওই নিরাপত্তা পরিষদে - [ভারতের মহাকাশযাত্রায় নতুন যুগ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৮০০ কিলোনিউটন রকেট ইঞ্জিন উন্মোচন](https://sarakhon.com/news/182728/): ভারতের মহাকাশ গবেষণা ও বেসরকারি মহাকাশশিল্পে বড় ধরনের অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। বেঙ্গালুরুভিত্তিক মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রোবেস স্পেস টেকনোলজিস দেশটির প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি উচ্চক্ষমতার পূর্ণ-প্রবাহ ধাপভিত্তিক দহন প্রযুক্তির রকেট ইঞ্জিন উন্মোচন করেছে। ‘এভারেস্ট’ নামের এই ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৮০০ কিলোনিউটন। গত ৭ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটি ইঞ্জিনটি প্রকাশ্যে আনে। এর মধ্য দিয়ে ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে এই অত্যন্ত জটিল ও উন্নত রকেট ইঞ্জিন প্রযুক্তি আয়ত্ত করার পথে এগিয়ে গেল। এর আগে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছে। অত্যন্ত জটিল রকেট প্রযুক্তিতে ভারতের প্রবেশ পূর্ণ-প্রবাহ ধাপভিত্তিক দহন বা এফএফএসসি প্রযুক্তিকে আধুনিক তরল জ্বালানি রকেট ইঞ্জিনের অন্যতম উন্নত কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। - [এক দশক পর নড়েচড়ে বসেছে উত্তর কোরিয়া-চীন সেতু, খুলতে চলছে নতুন বাণিজ্যপথ](https://sarakhon.com/news/182723/): উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৪ সালে নির্মাণ শেষ হলেও এতদিন চালু হয়নি ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘নিউ ইয়ালু রিভার ব্রিজ’। তবে সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার প্রান্তে অবকাঠামো নির্মাণের তৎপরতা দেখা যাওয়ায় সেতুটি চালুর সম্ভাবনা নতুন করে জোরালো হয়েছে। চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদং থেকে ইয়ালু নদীর ওপারে তাকালে উত্তর কোরিয়ার অংশে বড় ধরনের নির্মাণকাজ চোখে পড়ছে। ২০২৫ সালের বসন্তের দিকে শুরু হওয়া এসব কাজে একটি বহুতল ভবন, নতুন স্থাপনা এবং সেতুর কাছাকাছি আরও কিছু অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরে একটি ভবন যেখানে কেবল কংক্রিটের কাঠামো ছিল, চলতি বছরের - [সাকিব ‘নষ্ট মানুষ’, বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ](https://sarakhon.com/news/182717/): বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানকে ‘নষ্ট মানুষ’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে দেশে ফিরলে সাকিবকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের বিচার হবে আইনগত প্রক্রিয়ায় বলে জানিয়েছেন তিনি। ঢাকায় মঙ্গলবার সরকারি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাকিবকে নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে তিনি সাকিবকে ‘নষ্ট মানুষ’ হিসেবে দেখেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বাংলাদেশের অন্যতম সফল ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ২০২৪ সালের জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে অংশ - [মধ্যপ্রাচ্যের ঝুঁকিতে সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ডে বিলাসবহুল ইয়টের ভিড়](https://sarakhon.com/news/182704/): মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়তে থাকায় বিশ্বের অতি ধনীদের বিলাসবহুল ইয়টের নতুন নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বিশেষ করে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের দিকে এখন ঝুঁকছেন ইয়ট মালিক ও ব্যবসায়ীরা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দুবাই থেকে অন্তত তিনটি বিশাল ইয়ট থাইল্যান্ডের পর্যটন দ্বীপ ফুকেটে তাদের নোঙর করার ঘাঁটি পরিবর্তন করেছে বলে জানিয়েছেন থাই বিলাসবহুল নৌযানসেবা প্রতিষ্ঠান ফ্লো ইয়ট ক্লাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা জিরাতিত থিনাকর্ন। তিনি বলেন, ইয়ট মালিকেরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তুলনামূলক নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করছেন। বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ায় নিরাপত্তার জন্য তারা প্রয়োজন হলে নিজেদের সম্পদ ও ব্যবসার অবস্থানও দ্রুত পরিবর্তন করতে পারছেন। এশিয়ায় বাড়ছে অতি বিলাসবহুল ইয়ট - [আর্টিকেল ৭০-এর বেড়াজালে এমপিদের ভোট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ?](https://sarakhon.com/news/182714/): ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে আবারও সামনে এসেছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রশ্ন। প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্পষ্ট করে বলেছেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। আর্টিকেল ৭০ অপরিবর্তিত থাকায় কেউ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে। এই বক্তব্য শুধু আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নয়, সংসদ সদস্যদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রকৃতি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত বনাম ব্যক্তিগত ভোটাধিকার সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা - [ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষার দাবিতে উত্তাল রাজপথ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫](https://sarakhon.com/news/182711/): ভারতের ঝাড়খণ্ডে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে আন্দোলনরত হাজারো শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী সোমবার রাজ্য বিধানসভা অভিমুখে মিছিল করেছেন। রাঁচিতে আয়োজিত এ মিছিল একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভার গেট পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি সোমবার ১৭তম দিনে গড়ায়। রাজধানী রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে এখনও অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। বাতিলের দাবি জেএসএসসি-সিজিএল পরীক্ষা আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি, ঝাড়খণ্ড কর্মী নির্বাচন কমিশনের সম্মিলিত স্নাতক স্তরের পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের অভিযোগের - [কলম্বিয়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫০, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খুঁজছে উদ্ধারকারীরা](https://sarakhon.com/news/182705/): কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন শত শত মানুষ। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার সকালে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর রাতভর বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ধ্বংসস্তূপে আটকে ২৫ জন ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর একটি কালি। শহরটিতে অন্তত ৮৫ জন নিহত এবং ৮৮৫ জন আহত হয়েছেন। কালি শহরের ক্যাপ্রি এলাকায় একটি ধসে পড়া ভবনের নিচে অন্তত ২৫ জন আটকে আছেন বলে জানিয়েছেন মেয়র আলেহান্দ্রো এদের। আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে বিশেষ প্রশিক্ষিত কুকুর ও তাপ শনাক্তকারী ক্যামেরা - [তরুণদের ক্ষোভে নীতিতে দ্রুত পরিবর্তনের উদ্যোগ প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের](https://sarakhon.com/news/182706/): দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং তরুণদের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে সমালোচিত সরকারি নীতিগুলো দ্রুত পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশেষ করে ২০ ও ৩০ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি অসন্তোষ অন্য বয়সী জনগোষ্ঠীর তুলনায় বেশি হওয়ায় সরকার বিভিন্ন নীতির কার্যকারিতা নতুন করে পর্যালোচনা করছে। বিতর্কিত নীতিগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত সঞ্চয় হিসাবসংক্রান্ত করব্যবস্থার পরিবর্তনের পরিকল্পনা এবং বিয়ে ও নবদম্পতিদের জন্য প্রযোজ্য ২২টি নীতি। এসব নীতির কিছু অংশ তরুণদের জন্য আর্থিক সুবিধা কমিয়ে দিতে পারে বলে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তরুণদের ‘ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী’ হিসেবে দেখছেন লি বৃহস্পতিবার সিউলের চেওং ওয়াদেতে জ্যেষ্ঠ সচিবদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি ২০ ও ৩০ বছর বয়সীদের ‘ঝুঁকিপূর্ণ - [ব্রিটিশ পরিচয় রক্ষার নামে যে রাজনীতি ব্রিটেনকেই অস্বীকার করে](https://sarakhon.com/news/182694/): ব্রিটেনের ডানপন্থী রাজনীতিতে সাম্প্রতিক বিভাজন কেবল কে বেশি জনপ্রিয় বা কে বেশি কট্টর—তার প্রতিযোগিতা নয়। এর গভীরে রয়েছে আরও মৌলিক একটি প্রশ্ন: ব্রিটিশ হওয়ার অর্থ কী? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে রিফর্ম ইউকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসা রিস্টোর পার্টির কিছু বক্তব্য যে জায়গায় পৌঁছেছে, তা ব্রিটিশ পরিচয়ের ঐতিহাসিক ধারণার সঙ্গেই সাংঘর্ষিক। রিস্টোরের নেতা রুপার্ট লোয়ের বক্তব্য, যুক্তরাজ্যে এমন এক সময় আসবে যখন ‘শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ’রা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে না। তাঁর সংজ্ঞায়, দুই বাবা-মা যুক্তরাজ্যে জন্মেছেন—এমন মানুষই প্রকৃত শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ। অন্যদিকে দলটির প্রচার পরিচালক ও সহপ্রতিষ্ঠাতা চার্লি ডাউনস মুসলিমদের তুলনায় খ্রিস্টানদের বেশি ব্রিটিশ বলে বিবেচনা করার যুক্তি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের ভিত্তি হলো, ব্রিটেন সাংবিধানিকভাবে - [সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আসাদকে আইসিটি আদালতের মৃত্যুদণ্ড](https://sarakhon.com/news/182701/): সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের মামলায় অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আদালত। একই মামলায় আসাদের ছোট ভাই মাহের আল-আসাদ এবং তার মাতুলাতো ভাই আতেফ নাজিবকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সিরিয়ার ১৪ বছরব্যাপী সংঘাতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই রায় এসেছে। দারা প্রদেশের দমন অভিযানে ভূমিকা আদালতের রায়ে আতেফ নাজিবকে ২০১১ সালে সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দারা প্রদেশে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে তার ভূমিকার জন্য দায়ী করা হয়েছে। ওই সময় তিনি আসাদ সরকারের রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দারা শহরে বিক্ষোভ দমনের সেই অভিযান পরবর্তী সময়ে আরও বড় আকারের বিদ্রোহে রূপ নেয়। ধীরে ধীরে - [খুলনায় দৈনিক প্রবাহ কার্যালয়ে হামলা, কর্মীকে মারধরের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/182690/): খুলনায় স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক প্রবাহ’-এর কার্যালয়ে হামলা ও এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত গভীরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কার্যালয়ের নিরাপত্তা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গভীর রাতে কার্যালয়ে ঢুকে মারধর স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ২টার দিকে পত্রিকাটির কার্যালয়ের পেছনে থাকা একটি বস্তি এলাকায় হঠাৎ ব্যাপক হইচই শুরু হয়। ওই সময় পত্রিকার প্রধান পেস্টারম্যান ফয়সাল আহমেদ কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। হইচইয়ের কারণ জানতে তিনি দেয়ালের একটি ফাঁক দিয়ে বাইরে পরিস্থিতি দেখার চেষ্টা করেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তারা সেখান থেকে চলে যায়। ইট পড়ার আশঙ্কার - [মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে সংঘর্ষ, ফরিদপুরে নিহত ১](https://sarakhon.com/news/182687/): ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় নারী মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। নিহত যুবকের নাম সানি ব্যাপারী। তিনি ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবি সদরদী গ্রামের আতিয়ার ব্যাপারীর ছেলে। ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাঙ্গার হযরত ফাতেমাতুজ্জাহরা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রীকে স্থানীয় যুবক জিহাদ মাতুব্বর দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়। সোমবার সকালে মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মনির ব্যাপারী জিহাদের আচরণের প্রতিবাদ জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুফতি মনির ব্যাপারীর পক্ষ এবং বাশার মাতুব্বরের পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা - [পরিবার কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, দক্ষিণ সুরমায় ইউএনও কার্যালয়ে তালা](https://sarakhon.com/news/182684/): সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন যুবদল ও ছাত্রদলের উপজেলা পর্যায়ের একটি অংশের নেতাকর্মীরা। পরিবার কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী ও তদারককারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সোমবার তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। সকাল ১১টার দিকে যুবদল ও ছাত্রদলের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেন। দুপুর সাড়ে ১টার দিকে কর্মসূচি শেষ হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পরিবার কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য জনবল নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। তারা দাবি করেন, প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ায় যাদের নির্বাচিত করা হয়েছে, তাদের বাদ দিয়ে যোগ্য ও - [ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নিবন্ধনের দাবি, রাজস্ব বাড়ার সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/182681/): ঢাকার সড়কে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকদের প্রতিনিধিরা। তাদের দাবি, নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হলে একদিকে যেমন সড়কে হয়রানি কমবে, অন্যদিকে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারবে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইলেকট্রিক ব্যাটারি ও মোটরচালিত অটোরিকশা অটোবাইক সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম এ দাবি জানান। তিনি বলেন, তারা কর দিতে এবং আইন মেনে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে আগ্রহী। কিন্তু বর্তমানে নিবন্ধন না থাকায় তাদের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা আটক করছেন। আটক করা অটোরিকশা ছাড়িয়ে নিতে অনেক সময় ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত - [৫ পরীক্ষার্থী, শিক্ষক ১১ জন—তবু এসএসসিতে কেউ পাস করেনি লালমনিরহাটে](https://sarakhon.com/news/182678/): লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এ এম রথবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তাদের একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে বিদ্যালয়টির এবারের পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক রয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে সাতজন শিক্ষক মাসিক বেতন-ভাতা পাওয়ার সরকারি ব্যবস্থার আওতাভুক্ত হলেও চারজন এখনো এর বাইরে রয়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের চারটি শিক্ষক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। নারীশিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা মাদাতী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এলাকার মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোই ছিল প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য। পরে ২০১১ - [বোমা বিস্ফোরণে উত্তপ্ত জাজিরা, সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ১০](https://sarakhon.com/news/182674/): শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের লাউখোলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একের পর এক ককটেল ও হাতবোমার বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, লাউখোলা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রেজাউল শিকদার ও তমিজ খাঁর সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যায় সেই বিরোধ থেকেই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শুরু হয় ককটেল ও হাতবোমার বিস্ফোরণ। নিহত মান্নান সরদার ছিলেন রেজাউল শিকদারের সমর্থক। তিনি জাজিরার সেনেরচর - [১০টি আইসিইউ বেডে ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের চিকিৎসা, রংপুরে সংকটে মুমূর্ষু রোগীরা](https://sarakhon.com/news/182671/): রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি আইসিইউ শয্যার জন্য অপেক্ষা কখনো কখনো হয়ে উঠছে জীবন-মৃত্যুর লড়াই। উত্তরাঞ্চলের আট জেলার প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র এই হাসপাতালে একসঙ্গে ভর্তি থাকেন গড়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার রোগী। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশের নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন হতে পারে। অথচ হাসপাতালটির আইসিইউতে শয্যা রয়েছে মাত্র ১০টি। ফলে প্রতিদিনই আইসিইউতে ভর্তি হওয়ার জন্য ১৫ থেকে ২০ জন রোগীর আবেদন আসে। কিন্তু শয্যা সীমিত হওয়ায় সবাইকে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয় না। অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা অনেক রোগীর অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। কারও কারও মৃত্যু হয় আইসিইউ শয্যা পাওয়ার আগেই। এই পরিস্থিতি শুধু একটি হাসপাতালের - [লন্ডনকে অপরাধের অর্থের রাজধানী হতে দেওয়া যাবে না](https://sarakhon.com/news/182667/): লন্ডনের সবচেয়ে বড় সংকট কেবল বিদেশি অপরাধীদের উপস্থিতি নয়; আরও গভীর সমস্যা হলো, তাদের অবৈধ অর্থকে বৈধতার আবরণ দেওয়ার জন্য শহরের প্রভাবশালী পেশাজীবী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর একাংশ যে নীরব সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এই প্রবণতা থামাতে এখনো সময় আছে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন কেবল নতুন আইন নয়, বরং অর্থের প্রতি আমাদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পুনর্গঠন। জ্যাক ব্রেটলারের মৃত্যুর সাত বছর পরও সেই ঘটনা অস্বস্তিকর প্রশ্ন তুলে যায়। ২০১৯ সালে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণের মৃত্যুর ঘটনা তখন হয়তো একটি বিচ্ছিন্ন ট্র্যাজেডি বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু সাংবাদিক প্যাট্রিক র‌্যাডেন কিফের অনুসন্ধানী বই ‘লন্ডন ফলিং’ সেই ঘটনাকে লন্ডনের অন্ধকার অর্থনৈতিক জগতের একটি জানালা - [বিশ্বকাপ নিয়ে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসভঙ্গের’ অভিযোগ, ফিফায় বাড়ছে বিরোধ](https://sarakhon.com/news/182664/): বিশ্বকাপের অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির একটি পরিকল্পনা ঘিরে তীব্র বিরোধের মুখে পড়েছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ইউরোপ, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক তিন মহাদেশীয় সংস্থা এবার সরাসরি তাঁর বিরুদ্ধে ‘প্রতারণা’ ও ‘মৌলিক বিশ্বাসভঙ্গের’ অভিযোগ তুলেছে। সোমবার ফুটবল বিশ্বের উদ্দেশে প্রকাশ করা এক খোলা চিঠিতে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় ফুটবল সংস্থা এবং এশিয়ান ফুটবল সংস্থা জানায়, প্রতারণার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক নষ্ট করা এবং সমষ্টিগত স্বার্থের ওপরে একজন ব্যক্তিকে স্থান দেওয়া দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার শামিল। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থার সভাপতি আলেক্সান্দার চেফেরিন, এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি - [ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা, সেপ্টেম্বরে তারেক রহমানের দিল্লি সফরে খুলছে সম্ভাবনার দুয়ার](https://sarakhon.com/news/182661/): দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে ফের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক বৈঠক এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এরই মধ্যে সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। সম্পর্ক পুনর্গঠনে ‘অনুকূল পরিবেশ’ চান তারেক রহমান ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। সম্পর্ক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এটিই তার প্রথম প্রকাশ্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের - [কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ১১১; ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধার অভিযান](https://sarakhon.com/news/182658/): কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১১১ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিয়েলা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্তত ১ হাজার ৫৭৫টি বাড়ি, ১৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৫২টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কলম্বিয়ান জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশটিতে রেকর্ড হওয়া ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার শহরের প্রায় ৩ মাইল পূর্বে মারাত্মক কম্পন, ধসে পড়েছে ভবন - [৪১ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, রেকর্ড লোডশেডিংয়ে গ্রামে চরম ভোগান্তি](https://sarakhon.com/news/182655/): জ্বালানি সংকট ও মেরামতের কারণে দেশের ৪১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। চালু থাকা অধিকাংশ কেন্দ্রও জ্বালানির অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। এতে রাজধানীর বাইরে শিল্পাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং তীব্র আকার ধারণ করেছে। কোথাও ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে, আবার কোথাও একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে কয়েক ঘণ্টাতেও ফিরছে না। তীব্র গরমে এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩৭৫৭ মেগাওয়াট বিতরণ কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিং আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গড়ে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। গত রোববার বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। মাত্র ১০ ঘণ্টা পর - [কর ছাড় ও শেয়ারদর নিয়ে নতুন ভাবনা, প্রস্তাবিত নীতিতে কেন পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিলেন লি জে-মিয়ং](https://sarakhon.com/news/182651/): দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং সরকারের প্রস্তাবিত ব্যক্তিগত সঞ্চয় হিসাবের সংস্কার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে শেয়ারের দাম কমিয়ে রাখার বিরুদ্ধে নেওয়া করব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। গত ৩ আগস্ট সরকার কর সংস্কারের পরিকল্পনা প্রকাশ করার মাত্র চার দিন পর, শুক্রবার এই নির্দেশ আসে। সরকারের নতুন পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল দেশের পুঁজিবাজারে আরও বেশি অর্থ প্রবাহিত করা। কিন্তু প্রস্তাবের কিছু দিক নিয়ে বিনিয়োগকারী ও রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ওঠার পর প্রেসিডেন্ট পুরো বিষয়টি আবারও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। পুরোনো সঞ্চয় হিসাবের সুবিধা কমে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্তিগত সঞ্চয় হিসাব দক্ষিণ কোরিয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এই হিসাবের মাধ্যমে সুদ ও লভ্যাংশ থেকে পাওয়া আয়ে কর - [গ্যাসের সংকটে রূপগঞ্জে থমকে শিল্পের চাকা, বাড়ছে লোকসান ও কর্মসংস্থান নিয়ে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183320/): দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন। দিনের ১৮ থেকে ১৯ ঘণ্টাই প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় কোনো কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে, আবার কোথাও যন্ত্রপাতি বন্ধ রেখে শ্রমিক-কর্মচারীদের বসিয়ে বেতন দিতে হচ্ছে। উৎপাদন কমলেও শ্রমিকের মজুরি, ব্যাংকঋণের সুদ, কারখানা রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় কমেনি। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে লোকসানের বোঝা। শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, গ্যাসের এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে কারখানা সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এর প্রভাবে ভবিষ্যতে শ্রমিক ছাঁটাই ও কর্মসংস্থান সংকটও দেখা দিতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত গ্যাস সংকটের কারণে রূপগঞ্জে কোনো নির্দিষ্ট কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং ব্যাপক লোকসান সত্ত্বেও মালিকরা - [পাম্পে ত্রুটি, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ](https://sarakhon.com/news/183303/): পাম্পে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে ইউনিটটি আবার চালু করতে প্রায় এক দিন সময় লাগতে পারে। শুক্রবার সকালে হঠাৎ করে ইউনিটটির পাম্পে ত্রুটি দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ সেটি বন্ধ করে দেয়। ফলে ওই ইউনিট থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়। মেরামতের কাজ চলছে কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছেন, ইউনিটটি সচল করতে প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবারের মধ্যে ১ নম্বর ইউনিটটি আবার চালু করা সম্ভব হবে। এরপর উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় যুক্ত করার আশা করছে কর্তৃপক্ষ। - [চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: এক মাস আগেই নিরাপত্তা লঙ্ঘনে আইনি ব্যবস্থা হয়েছিল জাহাজভাঙা ইয়ার্ডের বিরুদ্ধে](https://sarakhon.com/news/183312/): চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনার মাত্র এক মাস আগে ওই জাহাজভাঙা ইয়ার্ডের বিরুদ্ধে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বারবার নির্দেশনা ও তাগাদা দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ সেগুলো বাস্তবায়ন করেনি বলে জানিয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। গত ১৫ জুলাই ফেরদৌস করপোরেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শ্রম আদালতে মামলা করে অধিদপ্তর। এর ঠিক এক মাসের মাথায় সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফেরদৌস স্টিলের জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ হারান ৯ শ্রমিক। অভিযোগ রয়েছে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না করেই ইয়ার্ডে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল কর্তৃপক্ষ। আর সেই অব্যবস্থাপনার মধ্যেই ঘটে গেল প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। পুরোনো জাহাজে কাটার কাজ, হঠাৎ - [২৫০ দিনেরও বেশি সমুদ্রে মার্কিন রণতরী, খাবার-পানি ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/183309/): ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রণতরীটির দায়িত্ব পালনের সময় ২৫০ দিন ছাড়িয়ে যাওয়ায় সেখানে থাকা সেনাসদস্যদের জীবনযাপন, খাবার, ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী, পানি, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন নামে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্ধারিত মধ্যপ্রাচ্য মোতায়েনের অংশ হিসেবে জর্জ ওয়াশিংটনকে পাঠানো হবে এবং এটি আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত হবে। দীর্ঘ হচ্ছে লিংকনের সমুদ্রযাত্রা আব্রাহাম লিংকন নয় মাসের কাছাকাছি সময় ধরে মোতায়েন রয়েছে। রণতরীটি ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্রে রয়েছে এবং গত ২০০ দিনে কোনো বন্দরে থামেনি। কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট - [মীর রাজা আলী হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়, স্মার্টঘড়ির ফরেনসিক নিয়ে পরিবারের আপত্তি](https://sarakhon.com/news/183306/): পাকিস্তানের ব্যবসায়ী মীর রাজা আলী হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তার ব্যবহৃত স্মার্টঘড়ির ফরেনসিক পরীক্ষা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে পরিবার। পরিবারের আইনজীবী জিবরান নাসির স্মার্টঘড়িটি জাতীয় সাইবার অপরাধ তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা না করে পাঞ্জাব ফরেনসিক বিজ্ঞান সংস্থায় পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন। মীর রাজা আলী আইবিএ থেকে পড়াশোনা শেষ করে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত ২৮ জুলাই নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই তার বাবা দাবি করে আসছেন, ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আত্মহত্যার সম্ভাবনার কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন। স্মার্টঘড়ি নিয়ে পরিবারের সন্দেহ আইনজীবী জিবরান নাসির জানিয়েছেন, মীর রাজা আলীর স্মার্টঘড়িটি কয়েক - [পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা মোতায়েন, ফিলিস্তিনি বাড়ি ঘিরে সহিংসতা তীব্র](https://sarakhon.com/news/183290/): পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সঙ্গে কয়েক দিন ধরে চলা উত্তেজনা ও সহিংসতার মধ্যে বৃহস্পতিবার বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামটির বেশ কয়েকটি এলাকা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। একই সময়ে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর বাড়িঘর ঘিরে বসতিস্থাপনকারীদের হামলা এবং তাদের চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কুসরা ও জালুদ গ্রামের কাছে বসতিস্থাপনকারীদের তৈরি দুটি অবৈধ ঘাঁটি তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এসব এলাকা পশ্চিম তীরের এমন একটি অংশে অবস্থিত, যেখানে ফিলিস্তিনি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং ইসরায়েলিদের সেখানে প্রবেশের কথা নয়। অবৈধ ঘাঁটি উচ্ছেদের সময় বসতিস্থাপনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। ঘটনায় একজন ইসরায়েলিকে - [ব্রড পিকে নিখোঁজ পাকিস্তানি পর্বতারোহী সোহাইল সাখির মরদেহ উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/183300/): পাকিস্তানের ব্রড পিকে ভয়াবহ তুষারধসের পর নিখোঁজ হওয়া পর্বতারোহী সোহাইল সাখির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা অনুসন্ধানের পর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা তাঁর মরদেহ খুঁজে পান। পরে মরদেহটি ব্রড পিকের প্রথম শিবির থেকে মূল বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। আলপাইন ক্লাব অব পাকিস্তান বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সোহাইল সাখির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ক্লাবটি জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারে শিগার এলাকার স্থানীয় কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক নিজেদের উদ্যোগে অনুসন্ধান চালান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুহাম্মদ নাদিম, মুহাম্মদ বশির ও আবু জার। গত ৩০ জুলাই বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম পর্বত ব্রড পিকে ভয়াবহ তুষারধস আঘাত হানে। ওই সময় ১০ সদস্যের একটি আন্তর্জাতিক পর্বতারোহণ দল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। - [ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকাল নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের](https://sarakhon.com/news/183296/): ইরানের ওপর নৌ অবরোধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। একই সঙ্গে তেহরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা কার্যত ভেস্তে যাওয়া, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকায় এমন অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অনির্দিষ্টকাল অবরোধ চালানোর সক্ষমতা বৃহস্পতিবার পানামা সফরের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর রাখতে ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। হেগসেথ বলেন, জাহাজগুলো নিয়মিত বদলি করে এনে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী অনির্দিষ্টকাল এ ধরনের অবরোধ চালিয়ে যেতে পারবে। তার ভাষায়, - [সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছর: পড়াশোনা, বন্ধুত্ব আর আনন্দের ভারসাম্য কীভাবে রাখবেন](https://sarakhon.com/news/183293/): বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনগুলো একদিকে যেমন নতুন স্বপ্ন, স্বাধীনতা আর উত্তেজনায় ভরা, অন্যদিকে তেমনই তৈরি করতে পারে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা। স্কুলজীবনের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার ধরন আলাদা। এখানে দৈনন্দিন রুটিন অনেক কম বাঁধাধরা, আর নিজের শেখার দায়িত্বও অনেক বেশি নিজের কাঁধে নিতে হয়। তবে প্রথম বছর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতা বলছে, শুরু থেকেই কিছু ভালো অভ্যাস তৈরি করতে পারলে পড়াশোনা, বন্ধুত্ব এবং আনন্দ—তিনটিকেই সুন্দরভাবে সামলে নেওয়া সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয় মানেই যে স্কুলের চেয়ে কঠিন, এমন নয় আবুধাবির সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাদাল্লাহ বেনজেলুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি তিনি জানতে চাইতেন, - [পরীক্ষা ছাড়াই নজরকাড়া সাফল্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ-লেভেলে শতভাগ পাস](https://sarakhon.com/news/183287/): সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্কুলগুলোতে এ-লেভেল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। এবারের ফলাফল এসেছে একেবারেই ব্যতিক্রমী একটি শিক্ষাবর্ষ শেষে। সংঘাত ও অস্থিরতার কারণে শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক পরীক্ষায় বসার সুযোগ না থাকলেও তাদের শিক্ষাগত সক্ষমতা মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও দেশটির বিভিন্ন স্কুলে অসাধারণ ফলাফল এসেছে। বেশ কয়েকটি স্কুল জানিয়েছে, তাদের শিক্ষার্থীদের পাসের হার শতভাগ। শুধু ভালো ফল নয়, অসংখ্য শিক্ষার্থী সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগও পেয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা বলছেন, অনিশ্চয়তা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, মানসিক দৃঢ়তা এবং শিক্ষকদের সহযোগিতা এ সাফল্যের প্রধান ভিত্তি। এ-লেভেল ও বিটিইসিতে দুর্দান্ত ফল - [৫০ দশমিক ৯ ডিগ্রির দহনজ্বালার মাঝেই শারজাহে ঝড়-বৃষ্টি, আমিরাতে আবহাওয়ার নাটকীয় রূপ](https://sarakhon.com/news/183273/): সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৃহস্পতিবার যেন একই দিনে আবহাওয়ার দুই বিপরীত রূপের দেখা মিলেছে। দেশের একদিকে যখন প্রচণ্ড দাবদাহে তাপমাত্রা পঞ্চাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সীমা অতিক্রম করেছে, তখন অন্যদিকে শারজাহর মধ্যাঞ্চলের আকাশ ভেঙে নেমেছে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি। তীব্র গরমের মধ্যে এই বৃষ্টি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এনে দিয়েছে সাময়িক স্বস্তি। বৃহস্পতিবার দুপুরে শারজাহর মধ্যাঞ্চলের মালিহা এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া যায়। একই সময়ে মাদাম এবং এর পশ্চিমের কয়েকটি এলাকাতেও দেখা যায় বজ্রসহ বৃষ্টি। প্রচণ্ড তাপের এক দগ্ধ দিনের পর হঠাৎ নেমে আসা এই বৃষ্টিতে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তির আবহ তৈরি হয়। দেশটির পূর্ব উপকূলেও দিনের বিভিন্ন সময়ে আকাশে মেঘ জমতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও হয়েছে থেমে - [উপসাগরীয় অঞ্চলে ফ্লাইটে বড় পরিবর্তন, ভারতগামী যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ](https://sarakhon.com/news/183280/): সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আজ যেসব যাত্রী বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করছেন, তাদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের সামগ্রিক বিমান চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক থাকলেও বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবগামী কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল কিংবা সময়সূচি পরিবর্তনের মুখে পড়েছে। এদিকে গ্রীষ্মের ছুটির মৌসুমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। ফলে বিমান সংস্থাগুলো যাত্রীদের আগেভাগে বিমানবন্দরে পৌঁছানো, অনলাইনে চেক-ইন সম্পন্ন করা এবং নিরাপত্তা তল্লাশির জন্য অতিরিক্ত সময় হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। ভারতগামী যাত্রীদের বাড়তি সতর্কতা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী ১৫ আগস্ট ভারতের - [হরমুজ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি—মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183276/): মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও জটিল রূপ নিয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি দাবি, জাহাজে হামলা, মার্কিন নৌ অবরোধ এবং নতুন সামরিক তৎপরতায় পুরো অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর সঙ্গে গাজায় ইসরায়েলি হামলা, ইয়েমেনের হুতিদের সামরিক তৎপরতা এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন নতুন সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোটের কার্যক্রম পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছে। ১৪ আগস্টের সর্বশেষ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। অন্যদিকে ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই এবং নিজেদের শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলাবে না। হরমুজ - [ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সেপ্টেম্বরে যাচ্ছেন দিল্লি, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন](https://sarakhon.com/news/183257/): ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করবেন। শুক্রবার ইরানের সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে এএনআই। ভারতের আয়োজনে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে ভারত। দেশটির সভাপতিত্বে আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে জোটটির ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সহনশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়া’। ২০২৬ সালের শুরুতে ব্রাজিলের কাছ থেকে ব্রিকসের সভাপতিত্ব নেয় ভারত। পেজেশকিয়ানের দিল্লি সফরকে ভারত-ইরান সম্পর্কের পাশাপাশি ব্রিকসের বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন পেজেশকিয়ান। - [বিসিআই চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করলো ককরোচ জনতা পার্টি](https://sarakhon.com/news/183270/): বিসিআই চেয়ারম্যান মানন কুমার মিশ্রের পদত্যাগ দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস। এনএলএসএআর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (বিসিআই) হস্তক্ষেপে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের তীব্র আপত্তির পর শুক্রবার তিনি এ দাবি জানান। দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে মানন কুমার মিশ্রের পদত্যাগ করা উচিত। আদালতের ভেতরে ও বাইরে থাকা ‘ককরোচদের’ এটি নিশ্চিত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিসিআইয়ের হস্তক্ষেপে প্রধান বিচারপতির আপত্তি এনএলএসএআর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের ঘটনায় বিসিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট করে বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের অধিকারের বিষয়ে বার কাউন্সিলের হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার নেই। আইনসম্মত ও - [স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি হাইকোর্টসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি](https://sarakhon.com/news/183267/): ভারতের স্বাধীনতা দিবসের এক দিন আগে রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে একের পর এক বোমা হামলার হুমকি। শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে ই-মেইলের মাধ্যমে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে রাজধানীর আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়েছে দিল্লি ফায়ার সার্ভিস। দিল্লি হাইকোর্টে বিস্ফোরণের সময় উল্লেখ দিল্লি হাইকোর্টে পাঠানো ই-মেইলের বিষয় ছিল ‘৩০ এমবি ব্লাস্ট অ্যাট দ্য দিল্লি হাইকোর্ট’। ই-মেইলে দাবি করা হয়, দুপুর ২টা ১১ মিনিটে আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ ঘটবে। দিল্লি হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক কুনাল মালহোত্রা হুমকিটিকে ভুয়া বলে মনে করছেন। তবে বিষয়টিকে হালকাভাবে না নিয়ে প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান - [যুদ্ধ শেষ হলেও ইরানের হুমকি কাটেনি, তুরস্ক থেকে গোপনে সরানো হয়েছিল ট্রাম্পকে](https://sarakhon.com/news/183263/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ একসময় শেষ হতে পারে, যুদ্ধবিরতি হতে পারে, এমনকি দুই দেশ আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরতে পারে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে ইরানের দীর্ঘদিনের হুমকি ও প্রতিশোধের আশঙ্কা সহজে শেষ হবে না—তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের সময় ট্রাম্পকে গোপনে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এমন বাস্তবতাই সামনে এসেছে। গত জুলাইয়ে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে সম্ভাব্য ইরানি হামলার গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর মার্কিন কর্মকর্তারা নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেন। প্রকাশ্যে ট্রাম্পকে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠানো হলেও পরে বিমানবন্দরের একটি খাবার সরবরাহকারী গাড়ির মাধ্যমে তাকে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর অন্য একটি সামরিক বিমানে তাকে ব্রিটেনে পাঠানো হয়। একই সময়ে - [ডারউইন টেস্টে তানজিদের প্রথম সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/183260/): অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন চা-বিরতিতে ৩ উইকেটে ২৮৬ রান তুলেছে সফরকারীরা। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ৮৮ রানে। দলের এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় অবদান তানজিদ হাসানের ব্যাটে আসা ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির। তানজিদের ব্যাটে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেছেন তানজিদ। দিনের শুরুতে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ প্রথম দিন ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে শেষ করেছিল এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের চেয়ে ১০২ রানে পিছিয়ে ছিল। দ্বিতীয় দিনে ধীরে ধীরে ইনিংসকে বড় করেন তানজিদ। ১৮৮ বলে ১০০ - [৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার](https://sarakhon.com/news/183252/): বাংলাদেশ পুলিশের ৭ জন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও ৪৯ জন পরিদর্শককে সরকারি চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হওয়ায় জনস্বার্থে তাদের অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ ও পুলিশ-২ শাখা থেকে বৃহস্পতিবার পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হওয়ায় অবসর প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ৫৬ কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারা প্রত্যেকেই সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে কর্মকর্তাদের অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জানানো হয়। জনস্বার্থে অবসরের সিদ্ধান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর - [সিলেটে হামসদৃশ উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩](https://sarakhon.com/news/183227/): সিলেট বিভাগে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগটিতে হাম ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৩-এ। সিলেটে দুই শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্য বিভাগের সিলেট বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারা যাওয়া দুই শিশুর বয়স ছিল ১৭ মাস ও ছয় মাস। তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম-সম্পর্কিত ১৩৩টি মৃত্যুর মধ্যে মাত্র ছয়টি মৃত্যুকে নিশ্চিতভাবে হামজনিত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি মৃত্যুগুলো এমন রোগীদের, যাদের মধ্যে হামসদৃশ - [নানদেদে সুখবীর সিং বাদালকে হামলা, ষাটোর্ধ্ব নিহাং সেবাদার আটক](https://sarakhon.com/news/183248/): ভারতের মহারাষ্ট্রের নানদেদে শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি ও পাঞ্জাবের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদালের ওপর ধারালো কৃপাণ নিয়ে হামলার ঘটনায় ষাটোর্ধ্ব এক নিহাংকে আটক করা হয়েছে। হামলাকারী ওই ব্যক্তি নানদেদের একটি গুরুদুয়ারায় সেবাদার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরের বাইরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুদুয়ারায় প্রার্থনা শেষে লঙ্গর হলের দিকে যাওয়ার সময় সুখবীর সিং বাদালকে লক্ষ্য করে ওই ব্যক্তি কৃপাণ নিয়ে হামলা চালান। তবে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত তাকে ধরে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পান বাদাল। হামলায় বাদালের ডান হাতে আঘাত লাগে। পরে তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। - [ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচারের শিকার তিন বাংলাদেশি নারী](https://sarakhon.com/news/183245/): ভারতে এক বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন তিন বাংলাদেশি নারী। ভালো বেতনে বিউটি পারলারে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দালালদের মাধ্যমে তাদের ভারতে পাচার করা হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে তাদের বেনাপোল বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়। ফিরে আসা তিন নারী হলেন সাতক্ষীরার রিয়া খাতুন (২৫), নড়াইলের শিলপি খাতুন (২৬) ও পাবনার শিমলা খাতুন (২৬)। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, প্রায় দুই বছর আগে ভালো বেতনে বিউটি পারলারে চাকরির কথা বলে দালালরা ওই তিন নারীকে প্রলোভিত করেন। পরে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত - [মাগুরায় সবজি বিক্রি করে ফেরার পথে নসিমনচালককে চাপা দিয়ে হত্যা](https://sarakhon.com/news/183242/): মাগুরা শহরের মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. মহিউদ্দিন নামে ৪৫ বছর বয়সী এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোরে জেলা পুলিশ লাইনসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মহিউদ্দিন মাগুরা সদর উপজেলার উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি সবজি বিক্রির জন্য ফরিদপুরে গিয়েছিলেন। সেখানে সবজি বিক্রি শেষে ভোররাতে নসিমনযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। ভোর সাড়ে ৩টার পর দুর্ঘটনা পুলিশ জানায়, ভোর সাড়ে ৩টার কিছু পর জেলা পুলিশ লাইনসের সামনে মহিউদ্দিনকে বহনকারী নসিমনটির পেছন থেকে একটি কাভার্ডভ্যান এসে ধাক্কা দেয়। এতে নসিমন থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যান মহিউদ্দিন। এরপর কাভার্ডভ্যানটি তার ওপর দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর - [মানসিক রোগ কি বংশগত? জেনেটিক পরীক্ষা নিয়ে পরিবারগুলোর ভুল ধারণা ভাঙছেন বিশেষজ্ঞরা](https://sarakhon.com/news/183239/): কোনো তরুণের জীবনে প্রথমবার মানসিক ভারসাম্যহীনতা বা মনোবিকারের লক্ষণ দেখা দিলে পরিবারের উদ্বেগের শেষ থাকে না। চিকিৎসা শুরু করার পাশাপাশি তখন সামনে আসে নানা প্রশ্ন—এই রোগ কি বংশগত? বাবা-মায়ের কোনো ভুলের কারণে কি সন্তান অসুস্থ হয়েছে? ভবিষ্যতে সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে তো? বিয়ে বা সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে কি সমস্যা হবে? এমনকি অনেক পরিবার জানতে চায়, জেনেটিক পরীক্ষা করিয়ে আগেভাগেই কি বোঝা সম্ভব যে সন্তান ভবিষ্যতে মানসিক রোগে আক্রান্ত হবে কি না। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রশ্নের পেছনে কৌতূহলের চেয়ে ভয়, অপরাধবোধ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তাই বেশি কাজ করে। আধুনিক মানসিক রোগের জেনেটিক গবেষণা এই জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। তবে - [অগ্রণী ব্যাংকের ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার হিসাব নেই, গ্রেপ্তার দুই](https://sarakhon.com/news/183236/): চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও হওয়ার ঘটনায় ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিপুল অঙ্কের এই টাকা কীভাবে ভল্ট থেকে বেরিয়ে গেল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং অর্থের কোনো অংশ উদ্ধার করা হয়েছে কি না—এসব বিষয় এখন তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজন হলেন অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও নগদ অর্থের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হোসেন, বয়স ৪১ বছর। অপরজন ২৫ বছর বয়সী মো. জাফরুল্লাহ তানভীর। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের করা মামলার ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি - [হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৮৯৪](https://sarakhon.com/news/183233/): হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই চার মৃত্যুর পর চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯৪ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ চার মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ওই ২৪ ঘণ্টায় হামজনিত কোনো মৃত্যুকে নিশ্চিত হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। ফলে এ সময়ে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৯৫। ২৪ ঘণ্টায় নতুন সন্দেহভাজন আক্রান্ত ৯৭২ গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৭২টি সন্দেহভাজন রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। - [কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে](https://sarakhon.com/news/183230/): কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। টানা দুই দিন ধরে অনেক বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। কোথাও আবার একেবারেই গ্যাস মিলছে না। এতে নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সংসারের খরচও বেড়ে গেছে। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে রান্না করা খাবার কিনে খাচ্ছে। কেউ কেউ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। আবার বিদ্যুৎ না থাকলে উঠান বা খোলা জায়গায় অস্থায়ী চুলা তৈরি করে রান্না করতে হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের স্বাভাবিক কাজও অনেক পরিবারের কাছে বাড়তি ঝামেলায় পরিণত হয়েছে। নজরুল অ্যাভিনিউ এলাকার বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া জানান, তার বাসায় ৩১ ঘণ্টার - [সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক হয়নি, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে নেতাদের ব্যাখ্যা](https://sarakhon.com/news/183220/): রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সচিবালয়ে দলের বৈঠক হয়েছে—এমন সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তাদের দাবি, সচিবালয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি; সেখানে শুধু নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব আগেই দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি দলের নেতাদের ডেকে তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নির্বাচনের জন্য আলাদা কোনো বৈঠকের প্রয়োজন হয়নি। তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী করা হয়েছে। সচিবালয়ে কী - [ভারতে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণের বিল যৌথ সংসদীয় কমিটিতে, বিরোধীদের প্রত্যাহারের দাবি](https://sarakhon.com/news/183223/): ভারতে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধান আনার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল ২০২৬ নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের প্রবল আপত্তির মধ্যেই বুধবার লোকসভা বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, প্রস্তাবিত আইনটি বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। তবে সরকার এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে। ৩১ সদস্যের কমিটি গঠন বিলটি পর্যালোচনার জন্য গঠিত যৌথ সংসদীয় কমিটিতে লোকসভা থেকে ২১ জন এবং রাজ্যসভা থেকে ১০ জন সদস্য থাকবেন। লোকসভার সদস্যদের মনোনয়ন দেবেন স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাজ্যসভার সদস্যদের মনোনয়ন করবেন চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন। চলতি - [বৈশ্বিক অর্থনীতির ‘মহাভুল’: সংকটের সমাধান মুদ্রার দরে নয়](https://sarakhon.com/news/183198/): বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন যে অস্থিরতা দৃশ্যমান, তা কেবল চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দ্বন্দ্ব, ইউরোর দুর্বলতা কিংবা জাপানি ইয়েনের পতনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এসব সমস্যার পেছনে রয়েছে আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী কিছু ভারসাম্যহীনতা—অতিরিক্ত সঞ্চয় ও কম ভোগ, বিপরীত দিকে অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় ও ঋণ, উৎপাদন ও চাহিদার অসামঞ্জস্য, এবং এক দেশের উদ্বৃত্তের বিপরীতে অন্য দেশের ঘাটতি। বিগত কয়েক মাসে অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের আলোচনায় মুদ্রার বিনিময় হার বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। চীনা ইউয়ানের মূল্য কমে যাওয়া, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং ইয়েনকে সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের পদক্ষেপ—সবকিছুই যেন একটি প্রশ্নকে সামনে এনেছে: কোন দেশের মুদ্রার দাম কত হওয়া উচিত? কিন্তু সমস্যার কেন্দ্র সম্ভবত সেখানে নয়। বিনিময় - [জাতীয় নিরাপত্তার ওডিসিউস](https://sarakhon.com/news/183063/): পাকিস্তানে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সংস্কারের আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোয় গভীর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন, আর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরও প্রকাশ্যে সেই আহ্বানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তাদের বক্তব্যে সমন্বয়, কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নাগরিকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং রাষ্ট্রকে আরও সক্ষম করে তোলার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। লক্ষ্য হিসেবে এগুলোর কোনোটিই ভুল নয়। বরং সমস্যা হলো—এই সংস্কারের আলোচনায় যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত, সেটিই হয়তো পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। স্বাধীনতার পর পাকিস্তান বহুবার জাতীয় পুনর্গঠনের পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে। শান্তি, সমৃদ্ধি, আইনের শাসন, কার্যকর ফেডারেল ব্যবস্থা—প্রতিটি বড় রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় পুনর্বিন্যাসে প্রায় একই ধরনের লক্ষ্য - [তীব্র লোডশেডিংয়ে রাজশাহীর ১৪ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা, ঘাটতি ২৫ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/183212/): তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি ও দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি বাড়ছে রাজশাহীতে। পরিস্থিতি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে জেলার ১৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বুধবার এ চিঠি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়। রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচ উপজেলায় দিন-রাত মিলিয়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১১০ থেকে ১১৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে ৮০ থেকে ৮৫ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকছে। এই ঘাটতির কারণে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র ব্যবস্থাপক রবেন্দ্র চন্দ্র রায় জানান, লোডশেডিংকে কেন্দ্র - [বন্যার সঙ্গে সহাবস্থান, নদীকে বুঝে বাঁচার শিক্ষা আসামের](https://sarakhon.com/news/183215/): প্রতি বছর বর্ষা এলেই ভারতের আসামে নেমে আসে বৃষ্টি, নদীর পানি বাড়ে, ভাঙে বাঁধ, প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ জনপদ। ঘরবাড়ি, গবাদিপশু, ফসল ও মানুষের স্বাভাবিক জীবন মুহূর্তের মধ্যে তছনছ হয়ে যায়। এবারের বন্যায়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ এখনো বন্যার দুর্ভোগে রয়েছেন এবং শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আসামের মানুষের কাছে বন্যা শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; এটি তাদের জীবনযাত্রারই অংশ। ব্রহ্মপুত্র ও তার অসংখ্য শাখা-প্রশাখা, পাহাড়, বন ও নদীঘেরা ভূপ্রকৃতির সঙ্গে এখানকার মানুষের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীবিকা গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ফলে বন্যা যেমন মানুষের জীবন কেড়ে নেয়, তেমনি নদীই আবার নতুন মাটি, নতুন চর ও নতুন - [বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি এডিবি বিনিয়োগ পাইপলাইন, সংস্কারে জোর](https://sarakhon.com/news/183204/): বাংলাদেশের পরবর্তী কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (সিপিএস) প্রণয়ন, অর্থনৈতিক সংস্কার, বিনিয়োগ অগ্রাধিকার এবং সমন্বিত প্রবৃদ্ধি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন (আইজিএনডি) উদ্যোগ নিয়ে পাঁচ দিনের সফর শেষে বাংলাদেশ ছাড়লেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং। বৃহস্পতিবার সফর শেষ করার আগে তিনি সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত, গবেষক ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেন। এডিবির পরবর্তী অংশীদারত্ব কৌশল ইংমিং ইয়াং বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রা এখন এমন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে, যখন প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো, বেসরকারি বিনিয়োগ জোরদার করা এবং অর্থনীতির ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। তাঁর মতে, সফরের আলোচনায় এডিবি ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের - [বাংলাদেশকে ব্যবহার করে এশিয়ায় ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা আল-কায়েদার](https://sarakhon.com/news/183165/): ভারতে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লালকেল্লায় হামলার ঘটনায় আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর সম্পৃক্ততা সরকারি পর্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ব্যবহার করে নিজেদের সেল গড়ে তোলার চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একিউআইএস একটি বিচ্ছিন্ন ও খণ্ডিত সংগঠন থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে রূপ নিচ্ছে। বড় ও কেন্দ্রীভূত ইউনিটের পরিবর্তে ছোট, বিচ্ছিন্ন ও বিকেন্দ্রীভূত সেলের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার দিকে ঝুঁকেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তারা সরবরাহ ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশকে ঘিরে উদ্বেগ জাতিসংঘের ৩৮তম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একিউআইএসের বাংলাদেশকে - [পানির নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ গড়বে নতুন প্রজন্ম](https://sarakhon.com/news/183194/): আন্তর্জাতিক যুব দিবস কেবল তরুণদের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলার একটি উপলক্ষ নয়; এটি ভবিষ্যতের সবচেয়ে কঠিন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় তাদের ভূমিকা নতুন করে ভাবার সময়ও। পানি নিরাপত্তা সেই সংকটগুলোর অন্যতম। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ, বাড়তে থাকা পানির চাহিদা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে বিশেষ করে শুষ্ক ও আধা-শুষ্ক অঞ্চলে পানির ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই বাস্তবতায় শুধু বিদ্যমান প্রযুক্তি ও জ্ঞান যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন এমন এক নতুন প্রজন্ম, যারা বিজ্ঞানকে ব্যবহারিক সমাধানে রূপ দিতে পারে। পানি সংকটের সমাধান শুধু নদী, ভূগর্ভস্থ পানি বা বাঁধ ব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বায়ুমণ্ডল, আবহাওয়া, প্রকৌশল, তথ্য বিশ্লেষণ এবং পরিবেশবিজ্ঞানের অগ্রগতিও পানির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা - [হত্যার আশঙ্কায় তুরস্ক থেকে ট্রাম্পের বিমান বদল, গোপনে ছোট সামরিক বিমানে সরানো হয়েছিল প্রেসিডেন্টকে](https://sarakhon.com/news/183195/): তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে একটি বিমান থেকে অন্য বিমানে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নির্দেশেই তিনি আলাদা বিমানে উঠেছিলেন। এর পেছনে তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার হুমকি ছিল বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অ্যান্ড্রুজ সামরিক ঘাঁটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে অন্য একটি বিমানে যেতে বলেছিলেন। তিনি তাদের নির্দেশ মেনেছেন বলেও জানান। ট্রাম্প বলেন, নিরাপত্তার দিক থেকে দুই বিমানের মধ্যে বড় কোনো পার্থক্য ছিল না। তবে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যেহেতু তাকে অন্য বিমানে যেতে বলেছিলেন, তাই তিনি সেটিই করেছেন। তার ভাষায়, তিনি - [তুরস্কে ইরানি হামলার আশঙ্কা, গোপনে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/183189/): তুরস্ক সফরের সময় সম্ভাব্য ইরানি হত্যাচেষ্টার আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ানের মূল বিমান থেকে সরিয়ে অন্য একটি সামরিক বিমানে নেওয়া হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় তার সঙ্গে ছিলেন ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের কয়েকজন সহযোগী; মন্ত্রিসভার শীর্ষ কোনো কর্মকর্তা তার সঙ্গে সেই গোপন যাত্রায় ছিলেন না। গত জুলাইয়ে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার আগে ট্রাম্পকে একটি খাবার সরবরাহকারী ট্রাকের আড়ালে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে ছোট আকারের সি-৩২এ সামরিক বিমানে স্থানান্তর করা হয়। মার্কিন এক কর্মকর্তার তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট। গোপন অভিযানে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন হোয়াইট হাউসের উপপ্রধান কর্মকর্তা ড্যান স্ক্যাভিনো, প্রেসিডেন্টের - [রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতেই বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল](https://sarakhon.com/news/183178/): রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর দলীয় মহাসচিবের পদসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইতোমধ্যে মহাসচিব এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে তার মনোনয়নপত্রও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নতুন - [এক সপ্তাহেই দ্বিতীয়বার সোনার দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা](https://sarakhon.com/news/183185/): সোনার বাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি। দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে লাগবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। এর মধ্যেই মূল্য সংযোজন কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশের গয়নার দোকানে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। কোন সোনার দাম কত নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা। - [কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার প্রধান নৌঘাঁটিতে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত যুদ্ধজাহাজ ও বন্দর অবকাঠামো](https://sarakhon.com/news/183182/): কৃষ্ণসাগরের গুরুত্বপূর্ণ রুশ নৌঘাঁটি নভোরোসিস্কে রাতভর বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বয়ে চালানো এই অভিযানে রাশিয়ার নৌঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, জেটি ও বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর স্যাটেলাইট ছবিতেও বন্দরে থাকা কয়েকটি জাহাজের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এই হামলাকে ‘অনন্য অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার নৌবহরের সর্বশেষ বড় ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত নভোরোসিস্ককে লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। শত শত ড্রোনে একযোগে হামলা মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত নভোরোসিস্ক, আনাপা, গেলেনদঝিক এবং ক্রাসনোদার অঞ্চলের তেমরিউক এলাকায় শত শত ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা চালায় - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ওলি আহমেদের মনোনয়ন জমা, ৩৫ বছর পর মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথে ভোট](https://sarakhon.com/news/183177/): রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন এই জোটের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন ভবনে গিয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেয়। সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। মনোনয়নপত্রে অলি আহমেদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর প্রস্তাব সমর্থন করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে নতুন সমীকরণ: মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন জমা, মুখোমুখি বিএনপি ও ১১ দলীয় জোট](https://sarakhon.com/news/183166/): রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। একই দিনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটও তাদের প্রার্থী এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। ফলে ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবার একক প্রার্থীর আনুষ্ঠানিকতার বদলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে রূপ নেওয়ার পথে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেয়। মনোনয়নপত্রে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রার্থিতা প্রস্তাব করেন বিএনপির - [ঝু রংজির বইয়ে ফিরে দেখা চীনের এক উদার সময়](https://sarakhon.com/news/183084/): চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি বুধবার মারা যাওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তাঁর প্রকাশিত বক্তৃতা, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথন এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারের সংকলন ঘেঁটে চীনের এমন এক সময়ের ছবি সামনে আসছে, যখন দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আজকের তুলনায় অনেক বেশি খোলামেলা ভাষায় সংবেদনশীল রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা বলতেন। ঝু রংজি ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। অর্থনৈতিক সংস্কার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে চীনের আরও গভীর সংযোগ তৈরিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে তাঁর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের আরেকটি দিক এখন বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে—তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে এবং কঠিন - [থাইল্যান্ডে স্কুলে বন্দুক হামলা: নিহত ৯, শোকের ছায়ায় ব্যাংককের উপকণ্ঠ](https://sarakhon.com/news/183156/): থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে একটি স্কুল ও একটি আবাসিক এলাকায় বন্দুক হামলায় নিহত হয়েছেন মোট ৯ জন। নিহতদের মধ্যে হামলাকারী নিজেও রয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। গত ৭ আগস্ট ননথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। হামলাকারী ছিল দেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলের ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্র। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, সে প্রথমে নিজের দাদা-দাদিকে তাদের বাড়িতে গুলি করে হত্যা করে। এরপর স্কুলে গিয়ে গুলি চালায়। স্কুলে হামলায় পাঁচ শিক্ষক ও এক ছাত্রী নিহত হন। পরে ওই কিশোর নিজেও আত্মহত্যা করে। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় প্রাণ হারান আটজন নিরীহ মানুষ এবং হামলাকারীসহ মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় - [জাপানের চিপ শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে, বড় ভূমিকা সনি-টিএসএমসির](https://sarakhon.com/news/183160/): জাপানের সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ শিল্পে বিদেশি কোম্পানির বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ছে। সনি গ্রুপ ও তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি বা টিএসএমসির নতুন ইমেজ সেন্সর কারখানা স্থাপনের ঘোষণা এই বিনিয়োগকে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৩৭ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে গেছে। জাপান এখন আবারও বিশ্বব্যাপী চিপ উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চাইছে। এ লক্ষ্য পূরণে বিদেশি প্রযুক্তি কোম্পানির বিনিয়োগ যেমন বাড়ছে, তেমনি সরকারও বড় ধরনের ভর্তুকি দিয়ে শিল্পটিকে উৎসাহিত করছে। সনি ও টিএসএমসির নতুন বিনিয়োগ সনি ও টিএসএমসির সাম্প্রতিক পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে জাপানে ইমেজ সেন্সর উৎপাদনের জন্য নতুন কারখানা স্থাপন। স্মার্টফোন, গাড়ি, ক্যামেরা ও বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর যন্ত্রে ইমেজ সেন্সর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - [বরফ গলছে, বদলাচ্ছে বাণিজ্যপথ: চীন-ইউরোপে এবার আর্কটিক সাগরপথে সাপ্তাহিক পণ্যবাহী জাহাজ](https://sarakhon.com/news/183157/): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আর্কটিক অঞ্চলের বরফ দ্রুত কমে আসছে। আর সেই পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে নতুন বাণিজ্যপথ তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। চীনের একটি জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠান আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চীন থেকে ইউরোপের উদ্দেশে আর্কটিক মহাসাগর দিয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক কনটেইনার পরিবহনসেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়াও এই বিকল্প পথের সম্ভাবনা যাচাই করতে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। এটি সফল হলে চীন-ইউরোপ বাণিজ্যে আর্কটিকের উত্তর সমুদ্রপথের গুরুত্ব অনেকটাই বাড়তে পারে। ঐতিহ্যগতভাবে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে সুয়েজ খাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু লোহিত সাগরের নিরাপত্তা সংকট, দীর্ঘ সমুদ্রপথ এবং ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি ব্যবসায়ীদের বিকল্প পথের দিকে তাকাতে - [এশিয়ায় শরীরচর্চার নতুন জোয়ার, প্রতিযোগিতামূলক দৌড়ে বাড়ছে হাইরক্সের জনপ্রিয়তা](https://sarakhon.com/news/183144/): এশিয়ায় শরীরচর্চার জগতে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নতুন ধরনের প্রতিযোগিতা ‘হাইরক্স’। সাধারণ শরীরচর্চাকে প্রতিযোগিতার মঞ্চে নিয়ে আসা এই আয়োজন ঘিরে জিমপ্রেমী ও শরীরচর্চাকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। একই সঙ্গে এশিয়ার বিভিন্ন শহরে ক্রীড়া পর্যটনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। জাপানের চিবা শহরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে বিভিন্ন বয়স ও সক্ষমতার মানুষ অংশ নেন। সেখানে প্রতিযোগীদের শুধু দৌড়াতে হয়নি, পাশাপাশি ভারী ওজন সরানো, ধাক্কা দেওয়া, টানা, বহন করা এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক কসরতও করতে হয়েছে। ফলে এটি প্রচলিত দৌড় প্রতিযোগিতা বা সাধারণ শরীরচর্চা—কোনোটির মধ্যেই পুরোপুরি সীমাবদ্ধ নয়। শরীরচর্চা থেকে প্রতিযোগিতার মঞ্চে হাইরক্সের মূল আকর্ষণ হলো সাধারণ মানুষের শরীরচর্চার অভ্যাসকে একটি প্রতিযোগিতামূলক খেলায় পরিণত করা। যারা - [আদালতের ভাষা বদলালেই কি বদলাবে যৌন সহিংসতার বিচার?](https://sarakhon.com/news/183054/): আইনের ভাষা কখনোই নিছক শব্দের সমষ্টি নয়। আদালতের রায়ে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ বিচারব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ এবং ভুক্তভোগীর প্রতি রাষ্ট্রের অবস্থানকে প্রকাশ করে। যৌন সহিংসতার মামলায় এই সত্য আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একটি অসংবেদনশীল শব্দ বা ধারণা শুধু আইনি বিশ্লেষণকে দুর্বল করে না, বরং নির্যাতনের শিকার একজন মানুষকে আদালতের ভেতরেও নতুন করে অপমানিত করতে পারে। ২০২৫ সালের মার্চে এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি পকসো মামলার রায় এই সমস্যাটিকে তীব্রভাবে সামনে নিয়ে আসে। মামলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছিল। অভিযুক্ত তার পায়জামার দড়ি ছিঁড়ে পোশাক নামানোর চেষ্টা করে এবং তাকে যৌনভাবে স্পর্শ করে। কিন্তু হাইকোর্ট এই আচরণকে ধর্ষণের চেষ্টা - [রপ্তানিকারকদের চাপে ইউয়ানের গতি কমাচ্ছে চীন](https://sarakhon.com/news/183147/): চীনের মুদ্রা ইউয়ানের দাম সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত বাড়ছিল। এতে চীনের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সমস্যায় পড়ছে। বিদেশে পণ্য বিক্রি করে তারা ডলার আয় করলেও সেই ডলার ইউয়ানে হিসাব করার সময় আগের তুলনায় কম মূল্য পাচ্ছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের লাভ কমে যাচ্ছে। এ কারণে ইউয়ানের দাম খুব দ্রুত বাড়তে না দিতে সতর্ক হয়েছে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইউয়ানকে স্থিতিশীল রাখাই এখন তাদের অন্যতম লক্ষ্য। রপ্তানিকারকদের কেন সমস্যা হচ্ছে চীনের অনেক প্রতিষ্ঠান বিদেশে পণ্য বিক্রি করে ডলারে টাকা পায়। কিন্তু তাদের হিসাব-নিকাশ হয় ইউয়ানে। ইউয়ানের দাম বেড়ে গেলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার বদলে আগের তুলনায় কম ইউয়ান পাওয়া যায়। এতে প্রতিষ্ঠানের আয় কমে যায়। একই সঙ্গে - [খাদ্যপণ্যে কর কমানো নিয়ে জাপানের ক্ষমতাসীন দলে তীব্র বিরোধ, চাপে তাকাইচি](https://sarakhon.com/news/183138/): জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির খাদ্যপণ্যের ওপর ভোগ্যপণ্য কর কমানোর পরিকল্পনা নিয়ে নিজের দলেই বিরোধ তৈরি হয়েছে। ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির একাংশের অভিযোগ, কর কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এর অর্থ কোথা থেকে আসবে, তা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়নি। ফলে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর এই উদ্যোগ এখন সরকারের জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। কর কমানোর প্রতিশ্রুতি, কিন্তু অর্থের জোগান কোথায় জাপানে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমাতে খাদ্যপণ্যের ভোগ্যপণ্য কর কমানোর পরিকল্পনা সামনে এনেছে তাকাইচি সরকার। খাদ্য মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় কর কমানোর উদ্যোগটি সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন দলের ভেতর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, কর - [তৃণমূলের রাজনীতি থেকে রাষ্ট্রপতির দৌড়ে মির্জা ফখরুল, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে সর্বোচ্চ পদে](https://sarakhon.com/news/183137/): তৃণমূলের রাজনীতি দিয়ে শুরু, এরপর শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং শেষ পর্যন্ত দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দলের মহাসচিব—দীর্ঘ ও নানা বাঁকে ভরা রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। এর মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তার নাম সামনে আসে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতে মির্জা ফখরুল ইসলাম - [লিঙ্গসমতার প্রতিশ্রুতি কি আজও সুরক্ষিত?](https://sarakhon.com/news/183129/): ভারতের স্বাধীনতার অন্যতম সাহসী অঙ্গীকার ছিল—রাষ্ট্রের চোখে নাগরিকের পরিচয় নির্ধারিত হবে না তার জাত, ধর্ম, শ্রেণি, রাজনৈতিক আনুগত্য কিংবা লিঙ্গ দিয়ে। স্বাধীনতার মুহূর্তে এই প্রতিশ্রুতি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দেশ তখন বিভাজনের ক্ষত, দারিদ্র্য, বাস্তুচ্যুতি, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং সীমাহীন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছিল। তবু নতুন রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সামনে যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন রেখেছিল, তার কেন্দ্রে ছিল সমতা। আজ, স্বাধীনতার ৭৯ বছর পর, সেই অঙ্গীকারের বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে গত মাসে জন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভের পর নারী অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে যে অনলাইন আক্রমণ, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং যৌন সহিংসতার হুমকি দেখা গেছে, তা শুধু - [মরুভূমি থেকে তৃণভূমি, গরুর পাল বাড়িয়ে মাংসের বাজারে চীন](https://sarakhon.com/news/183130/): চীনে গরুর পাল দ্রুত বাড়ছে। একসময় গোবি মরুভূমির প্রান্তে শুষ্ক, বালুময় ও পাথুরে এলাকা হিসেবে পরিচিত অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়ার থংলিয়াও এখন বিস্তীর্ণ সবুজ তৃণভূমি, ভুট্টাক্ষেত ও গবাদিপশুর খামারে পরিণত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উত্তর চীনে বৃষ্টিপাত বাড়ার পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে মরুভূমি পুনরুদ্ধারের ফলে এই অঞ্চলে গবাদিপশু পালনের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীনের এই পরিবর্তন শুধু দেশটির কৃষি অর্থনীতিতেই প্রভাব ফেলছে না, বরং প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক গরুর মাংসের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কারণ চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় গরুর মাংস আমদানিকারক দেশ। কয়েক বছর ধরে বিপুল পরিমাণ মাংস আমদানি করার পর এখন দেশটি নিজেদের গরুর সংখ্যা বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে - [অঢেল অর্থের মানুষের অসম্ভব ইচ্ছা পূরণ করাই অলিভিয়া ফার্নির কাজ](https://sarakhon.com/news/183113/): কখনো প্যারিস থেকে মিয়ামির এক ধনকুবেরের মেয়ের জন্য শহরের সবচেয়ে বড় ক্রসাঁ আনিয়ে দেওয়া, কখনো আবার কয়েক লাখ ডলার খরচ করে লাস ভেগাসে এমন পার্টির আয়োজন করা—যার উদ্দেশ্য শুধু অতিথিদের চমকে দেওয়া নয়, বিশ্ব রেকর্ড গড়া। অতি ধনীদের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই, আর সেই অসম্ভব ইচ্ছাগুলো বাস্তবায়ন করাই ২৫ বছর বয়সী অলিভিয়া ফার্নির পেশা। কানাডার অন্টারিওর এক সাধারণ পরিবারে স্কুলশিক্ষক বাবা-মায়ের সন্তান হিসেবে বড় হয়েছেন ফার্নি। ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ, প্রতিদিন ২৫ হাজার ডলারের বিলাসবহুল কাবানা কিংবা কোটি ডলারের ভ্রমণ—এসব ছিল তাঁর পরিচিত জীবনের সম্পূর্ণ বাইরে। কিন্তু প্রায় তিন বছর আগে তিনি এমন এক পেশায় ঢুকে পড়েন, যেখানে অতি ধনীদের খেয়াল-খুশিই হয়ে - [মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের নদীদূষণ চুক্তি কি সংকট ঠেকাতে পারবে? খনি দূষণ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/183123/): মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী নদীগুলোতে খনিশিল্পের কারণে ছড়িয়ে পড়া দূষণ মোকাবিলায় গত সপ্তাহে একটি চুক্তি করেছে। তবে চুক্তিটি বাস্তবে চলমান পরিবেশগত সংকট সমাধানে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন থাইল্যান্ডের রাজনীতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তাদের অভিযোগ, চুক্তিতে মিয়ানমারে নিয়ন্ত্রণহীন খনন কার্যক্রমের মূল সমস্যাটি যথাযথভাবে মোকাবিলা করা হয়নি। একই সঙ্গে নদীদূষণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সুযোগও সীমিত করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য কক নদী দীর্ঘদিন ধরেই জীবন-জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস। নদীটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের শান রাজ্যের পাহাড়ি এলাকায়। ওই অঞ্চলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিরল খনিজ ও স্বর্ণের খনন বেড়ে যাওয়ায় নদীর পানিতে মাটি, পলি ও বিভিন্ন খনিজ পদার্থের প্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ - [রাজধানী ছাড়ার বিশ্বজোড়া প্রবণতার বিপরীতে টোকিও-সিউল, কেন মানুষ ছুটছে এই দুই শহরে?](https://sarakhon.com/news/183120/): বিশ্বের অনেক দেশের রাজধানী শহর থেকে মানুষ ধীরে ধীরে অন্য শহর ও অঞ্চলের দিকে চলে যাচ্ছে। দূর থেকে কাজ করার সুযোগ, রাজধানীতে বাড়ির অতিরিক্ত দাম এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বড় শহরের বাইরে বসবাসের প্রবণতা বাড়ছে। কিন্তু এই বৈশ্বিক প্রবণতার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে জাপানের টোকিও ও দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে। এই দুই রাজধানী এখনো দেশের মানুষের কাছে চাকরি, আয় ও উন্নত সুযোগের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে আকর্ষণ ধরে রেখেছে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ দেশে রাজধানীকেন্দ্রিক জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ঘনত্ব কিছুটা কমছে। অর্থাৎ এসব দেশের মানুষ রাজধানীর বাইরে বসবাস ও কাজের সুযোগ - [টাটা সন্সের পরবর্তী চেয়ারম্যানের সামনে পাঁচ কঠিন পরীক্ষা, এয়ার ইন্ডিয়া থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যালেঞ্জ](https://sarakhon.com/news/183116/): ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী শিল্পগোষ্ঠী টাটা গ্রুপের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রায় এক দশক টাটা সন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর এন চন্দ্রশেখরন আর নতুন মেয়াদে থাকার সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় তাঁর উত্তরসূরি বাছাই এখন গোষ্ঠীটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। টাটা ট্রাস্টস ইতিমধ্যে নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে। চন্দ্রশেখরনের উত্তরসূরিকে শুধু একটি বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই হবে না; তাঁকে একই সঙ্গে টাটা গ্রুপের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, লোকসান কমানো, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং নেতৃত্বের কাঠামো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিশেষ করে এয়ার ইন্ডিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার নতুন চেয়ারম্যানের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে - [কাশ্মীরের বিক্ষোভে নজিরবিহীন চাপে পাকিস্তান, নির্বাচন বর্জনে আরও গভীর সংকট](https://sarakhon.com/news/183096/): পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে রাজনৈতিক অধিকার, নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব ও শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এবার বড় ধরনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। সহিংস বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং আঞ্চলিক নির্বাচন বর্জনের ঘটনায় ওই অঞ্চলে পাকিস্তানের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের নেতৃত্বে থাকা যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি রাজনৈতিক অধিকার বাড়ানো এবং আইনসভায় কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য থাকা ১২টি আসন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। এই দাবিকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয় এবং পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। শরণার্থী আসন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের আইনসভায় কাশ্মীরের বাইরে বসবাসকারী - [জাপানের প্রতিরক্ষা উত্থান: গাড়ি শিল্পের সংকটের কি সত্যিই সমাধান?](https://sarakhon.com/news/183108/): জাপান প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় দ্রুত বাড়াচ্ছে, আর সেই সঙ্গে দেশটির সংকটে থাকা গাড়ি শিল্পে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। অব্যবহৃত বা কম ব্যবহৃত গাড়ি কারখানাকে সামরিক সরঞ্জাম, বিশেষ করে সামরিক ড্রোন তৈরির কাজে লাগানোর ধারণা তাই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু একটি পুরোনো শিল্প অবকাঠামোকে নতুন পণ্যের জন্য ব্যবহার করলেই যে নতুন শিল্প সক্ষমতা তৈরি হবে—এমন ধারণা জাপানের জন্য বিপজ্জনকভাবে সরল। জাপান প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ২ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে। একই সময়ে মনুষ্যবিহীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বিনিয়োগ প্রায় ১১১ বিলিয়ন ইয়েন থেকে বেড়ে ২৭৭ বিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছেছে। এই বাড়তি চাহিদা গাড়ি শিল্পের অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি - [রংপুর নগরীর তাজহাট আনসারি মোড় ; বন্ধ গ্যারেজে মিলল মরদেহ](https://sarakhon.com/news/183105/): রংপুর নগরীর তাজহাট আনসারি মোড় এলাকায় একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে আবদুর রহমান নামে ৬৫ বছর বয়সী এক গ্যারেজ মালিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে গ্যারেজের বন্ধ শাটারের বাইরে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। বন্ধ গ্যারেজে মিলল মরদেহ তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, আবদুর রহমান তাজহাট আনসারি মোড় এলাকায় একটি রিকশা গ্যারেজের মালিক ছিলেন। তিনি গ্যারেজের পাশের একটি বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা গ্যারেজের শাটার বন্ধ দেখতে পান। এ সময় শাটারের বাইরে রক্তের দাগ নজরে এলে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বন্ধ শাটার ভেঙে গ্যারেজের ভেতরে প্রবেশ করে। - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট, প্রশ্নের মুখে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ](https://sarakhon.com/news/183102/): সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট করেন। রিটে ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। তবে এ কারণে তিনি পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য হন না। ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে কেন প্রশ্ন রিটকারী আইনজীবীর দাবি, সংবিধানের এই বিধান সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ সীমিত - [পলকের চিকিৎসা নিয়ে আইনজীবীর অভিযোগ, মোহাম্মদপুর হত্যা মামলার শুনানি ১ সেপ্টেম্বর](https://sarakhon.com/news/183099/): জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে গেছে। সব আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত না হওয়ায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এদিন কারাগার থেকে জুনাইদ আহমেদ পলককে আদালতে হাজির করা হলেও কয়েকজন আসামি উপস্থিত না থাকায় অভিযোগ গঠনের কার্যক্রম এগোয়নি। আসামিদের উপস্থিতি নিশ্চিতে নতুন উদ্যোগ পলকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, মামলার কয়েকজন আসামি জামিনে থাকলেও অন্য - [ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাজধানী নুসান্তারা মুগ্ধ করছে পর্যটকদের, তবে অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/183083/): ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে গড়ে তোলা নতুন রাজধানী নুসান্তারা তার আধুনিক স্থাপত্য, সবুজ পরিবেশ ও দৃষ্টিনন্দন সরকারি ভবনের কারণে পর্যটকদের মুগ্ধ করছে। কিন্তু পর্যটকদের চোখে যতটা আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে শহরটি, বিনিয়োগকারীদের কাছে ততটাই বড় হয়ে উঠছে অনিশ্চয়তার প্রশ্ন। প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলারের এই বিশাল প্রকল্পে বিনিয়োগের আগে ব্যবসায়ীরা এখন আরও স্পষ্ট নীতিমালা, দ্রুত বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা চাইছেন। সারাক্ষণ রিপোর্ট আলো ঝলমলে প্রাসাদে মুগ্ধ পর্যটক জুলাইয়ের শেষ দিকে এক সন্ধ্যায় নুসান্তারার কেন্দ্রস্থলে জড়ো হয় একদল পর্যটক। সূর্য ডোবার পর আলোয় ঝলমল করছিল গরুড়ার আকৃতিতে নির্মিত বিশাল গরুড়া প্রাসাদ। ভবনটির নকশা ও আলোকসজ্জা দেখে পর্যটকেরা ছবি তুলছিলেন এবং নতুন রাজধানীর সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। - [রোমে গ্রীষ্মের তপ্ত দিনে জমে উঠেছে ‘গ্রীষ্মকালীন কার্লিং’](https://sarakhon.com/news/183093/): ইতালির রাজধানী রোমে জুলাইয়ের প্রচণ্ড গরমে কলোসিয়ামের সামনে হঠাৎ দেখা মিলছে এমন এক খেলার, যা সাধারণত বরফের ওপরই দেখা যায়। প্রাচীন রোমের ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশে বসানো হয়েছে ছোট আকারের কার্লিং খেলার মাঠ। শীতকালীন অলিম্পিকে ইতালির সাফল্যের পর দেশটিতে এই খেলাকে জনপ্রিয় করে তুলতেই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলোসিয়ামকে সামনে রেখে অপিয়ান পাহাড়ে তৈরি এই অস্থায়ী কার্লিং মাঠে বরফ নেই। তার বদলে ব্যবহার করা হয়েছে উচ্চঘনত্বের প্লাস্টিকের পৃষ্ঠ। প্রচলিত কার্লিং মাঠের তুলনায় এটিও অনেক ছোট। সাধারণ একটি কার্লিং মাঠের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫০ ফুট ও প্রস্থ ১৬ ফুট হলেও রোমের মাঠটি প্রায় ৪০ ফুট লম্বা এবং ১০ ফুট চওড়া। এখানকার পাথরগুলোও আসল কার্লিং - [ইরানের নতুন কৌশলে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, দ্রুত ফুরিয়ে আসছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র](https://sarakhon.com/news/183090/): ইরানের পাল্টা আঘাত ঠেকাতে গিয়ে বড় ধরনের সামরিক চাপে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে ইরান এখন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আরও উন্নত ও সমন্বিত কৌশল ব্যবহার করছে। এতে একদিকে যেমন মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে দ্রুত কমে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্যাট্রিয়ট প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত। সারাক্ষণ রিপোর্ট গত মাসে টানা পাঁচ দিন জর্ডানে থাকা তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। লক্ষ্য ছিল মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলে তার সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া। ইরানের ব্যবহৃত কিছু উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে হঠাৎ গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম হওয়ায় সেগুলো শনাক্ত ও ধ্বংস করা মার্কিন বাহিনীর - [গল্পের লড়াইয়ে নয়, বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষায় আমেরিকা-চীন](https://sarakhon.com/news/183087/): আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তির হিসাব শুধু সামরিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সামর্থ্য কিংবা কূটনৈতিক জোট দিয়ে হয় না। মানুষের মন কে কতটা প্রভাবিত করতে পারছে, কোন দেশের বক্তব্য বিশ্বের বিভিন্ন সমাজে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করছে—সেটিও এখন প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা তাই ক্রমেই তথ্য, যোগাযোগ ও জনমত গঠনের লড়াইয়ে পরিণত হচ্ছে। ৩০ জুলাই স্থানীয় সময়, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্প্রচার সংস্থা ইউএসএজিএমের প্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত সারাহ বি. রজার্স সিনেটের অনুমোদন শুনানিতে অংশ নেন। চীনের তথাকথিত ‘মিডিয়া চ্যালেঞ্জ’ মোকাবিলার উপায় জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, বেইজিং বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার প্রচার ও প্রভাব বিস্তারমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করে। এর পাল্টা - [সিরিয়ার সুয়াইদায় দখলের আতঙ্ক, ‘আমরা জানি তারা আসছে’](https://sarakhon.com/news/183067/): সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের সুয়াইদা প্রদেশে আবারও ঘনীভূত হচ্ছে দখল ও সাম্প্রদায়িক সংঘাতের আশঙ্কা। দ্রুজ সম্প্রদায়-অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি এখনো কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে যায়নি। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরকারের কর্তৃত্ব সম্প্রসারণের পর সুয়াইদার বাসিন্দাদের মধ্যে আশঙ্কা বেড়েছে—যেকোনো সময় সরকারি বাহিনী প্রদেশটির নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসতে পারে। ৬৫ বছর বয়সী দ্রুজ বাসিন্দা সুমায়াহ আল-ইউসুফ বলেন, ‘আমরা জানি তারা আসছে।’ গত বছরের সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় বাস্তুচ্যুত হওয়া এই নারী মনে করেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি-নিয়ন্ত্রিত এলাকার ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঘটনাই সুয়াইদার জন্য সতর্কবার্তা। জাতিসংঘের হিসাবে, গত বছরের সহিংসতায় ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশির ভাগই ছিলেন দ্রুজ সম্প্রদায়ের। কয়েক দশকের গৃহযুদ্ধের - [উন্নয়নের দৌড়ে আকাশ ছুঁছে মিয়ামির আকাশরেখা, বাড়ছে ঝুঁকির আশঙ্কাও](https://sarakhon.com/news/183070/): মিয়ামির আকাশরেখা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একের পর এক অতি-উচ্চ ভবন নির্মাণের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের এই শহর প্রবেশ করছে নতুন এক নগরায়ণ যুগে। জমির সংকট, বিলাসবহুল আবাসনের বিপুল চাহিদা এবং সমুদ্রের বাধাহীন দৃশ্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় নির্মাতারা ভবনগুলোকে ক্রমেই আরও উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই উচ্চতার প্রতিযোগিতা নিয়ে প্রকৌশলী ও ভূতত্ত্ববিদদের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে। জুলাইয়ে মিয়ামির ব্রিকেল এলাকায় নির্মিত সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্সেস ৯৫০ ফুট উচ্চতা নিয়ে শহরের সবচেয়ে উঁচু ভবনের মর্যাদা পেয়েছে। এটি নিউইয়র্ক শহরের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উঁচু আবাসিক ভবনও। ভবনটি আগের রেকর্ডধারী প্যানোরামা টাওয়ারকে ৮২ ফুট পেছনে ফেলেছে। তবে সিপ্রিয়ানির এই রেকর্ড বেশিদিন স্থায়ী হবে না। ২০২৮ সালে ওয়ালডর্ফ অ্যাস্টোরিয়া - [আবর্জনার ঝুড়ি মাথায় পপুলিস্ট নেতার চ্যালেঞ্জার, ব্রিটিশ উপনির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে ‘কাউন্ট বিনফেস’](https://sarakhon.com/news/183077/): ব্রিটেনের রাজনীতিতে এবার এক অদ্ভুত নির্বাচনী লড়াই নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। মাথায় রুপালি আবর্জনার ঝুড়ির মতো পোশাক, গায়ে চাদর আর নিজেকে ভিনগ্রহের যোদ্ধা দাবি করা ‘কাউন্ট বিনফেস’ এখন দেশটির ডানপন্থী পপুলিস্ট নেতা নাইজেল ফারাজের সবচেয়ে আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বী। ইংল্যান্ডের পূর্ব উপকূলের ক্ল্যাকটন আসনে অনুষ্ঠিত বিশেষ সংসদীয় নির্বাচনে ফারাজের বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন এই ব্যতিক্রমী প্রার্থী। যদিও ফারাজের বিপুল ব্যবধানে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি, তবু প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বর্জনের কারণে নির্বাচনে কার্যত তার প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছেন কাউন্ট বিনফেস। কাউন্ট বিনফেস আসলে কোনো ভিনগ্রহের প্রাণী নন। চরিত্রটির আড়ালে রয়েছেন ৪৬ বছর বয়সী লেখক ও কৌতুকশিল্পী জন হার্ভে। বহু বছর ধরে তিনি ব্রিটেনের বিভিন্ন - [ভোটার তালিকায় অভিবাসীদের নাম খুঁজে কঠোর হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন](https://sarakhon.com/news/183074/): যুক্তরাষ্ট্রে ভোটার তালিকায় নাম থাকা অ-নাগরিকদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযান আরও জোরদার করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এমনকি কেউ ভুলবশত ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে থাকলেও কিংবা কখনো ভোট না দিলেও তাকে শনাক্ত করে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই পদক্ষেপকে ঘিরে অভিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনে অ-নাগরিকদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করা বা নির্বাচনে ভোট দেওয়া নিষিদ্ধ। তবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের নিরীক্ষা ও গবেষণায় দেখা গেছে, অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি যে অ-নাগরিকদের ভোট কোনো নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ভুল করে নিবন্ধিত হলেও ছাড় নেই অভিবাসন নীতিবিষয়ক - [মুসলিম রাজনীতিকদের উত্থানে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষের নতুন ঢেউ](https://sarakhon.com/news/183068/): যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম ও আরব-আমেরিকানদের প্রভাব যত বাড়ছে, ততই তাদের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য, অপপ্রচার ও রাজনৈতিক আক্রমণও তীব্র হয়ে উঠছে। বিশেষ করে মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে আবদুল রহমান মোহাম্মদ এল-সায়েদের জয়ের পর রিপাবলিকান নেতাদের একটি অংশ প্রকাশ্যে তাকে ‘সন্ত্রাসী’, ‘চরমপন্থী’ ও ‘আমেরিকাবিরোধী’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। গত সপ্তাহে মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে জয় পান এল-সায়েদ। তার জয়ের পর রিপাবলিকান শিবিরের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা তার মুসলিম পরিচয়কে রাজনৈতিক আক্রমণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেন, ‘সব জায়গায় জিহাদিরা নির্বাচিত হচ্ছে।’ এর আগে সিনেটর টমি টিউবারভিল এল-সায়েদকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে আখ্যা দেন। প্রতিনিধি ন্যান্সি মেস যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পদে থাকা ‘প্রতিটি - [দুই রাজনীতি, দুই ইসরায়েল: মার্কিন নির্বাচনে মধ্যপন্থার কঠিন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/183032/): যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এখন এমন এক সময় চলছে, যখন মধ্যপন্থা ক্রমেই দুই বিপরীত মেরুর চাপে সংকুচিত হয়ে আসছে। একদিকে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিজমের উত্থান, অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রায় প্রশ্নাতীতভাবে সমর্থন করা রিপাবলিকান রাজনীতি—এই দুই প্রবণতা আমেরিকার রাজনৈতিক বিতর্ককে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে বাস্তববাদী অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল এই ভারসাম্যকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে পারে। বিশেষ করে মিশিগানে ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের অবস্থান শুধু একটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী হিসাব নয়; এটি আমেরিকান রাজনীতিতে ইসরায়েল, ফিলিস্তিন, ইহুদি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক শান্তি সমাধান নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যৎ অবস্থানেরও একটি পরীক্ষা। এল-সাইয়েদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি - [অভিবাসন অভিযানে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ, মার্কিন এজেন্টদের বিরুদ্ধে গুরুতর তথ্য](https://sarakhon.com/news/183059/): যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে পরিচালিত ব্যাপক অভিযানে অভিবাসন কর্মকর্তারা জাতি ও গায়ের রঙকে লক্ষ্যবস্তু করার পাশাপাশি অবমাননাকর বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করেছেন—এমন অভিযোগের পক্ষে নতুন নতুন প্রমাণ সামনে এসেছে। দেশটির বিভিন্ন আদালতে চলমান মামলায় দাখিল করা দেহে ধারণ করা ক্যামেরার ভিডিও, খুদে বার্তা, জবানবন্দি ও অন্যান্য নথিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো, মিনিয়াপোলিসসহ বিভিন্ন শহরে পরিচালিত অভিযানে কর্মকর্তারা বিশেষ করে লাতিনো জনগোষ্ঠীর মানুষদের ওপর নজর দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে গায়ের রঙ, চেহারা, কথাবলার ধরন, জাতিগত পরিচয়ের অনুমান এবং কাজের পোশাক দেখে মানুষকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলোর আইনজীবীরা দাবি করছেন। কর্মকর্তাদের মুখে বর্ণবিদ্বেষী শব্দ আদালতে - [তীব্র তাপপ্রবাহ ও বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে অর্থনৈতিক ক্ষতি](https://sarakhon.com/news/183057/): তীব্র তাপপ্রবাহ, ঝড়, দাবানল ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন আর শুধু মানুষের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ তৈরি করছে না, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। উৎপাদন কমে যাওয়া, খাদ্য নষ্ট হওয়া, বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়া এবং অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠান ও সরকার—দুই পক্ষকেই বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর একটি বেকারির ঘটনা এই সংকটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। জুনের শুরুতে প্রবল ঝড় ও অসহনীয় গরমের মধ্যে স্টেফানি হার্টের বেকারিতে বিদ্যুৎ চলে যায়। তখন তার প্রতিষ্ঠানে একটি রেস্তোরাঁর জন্য প্রস্তুত করা প্রায় ৫০০টি আইসক্রিম বার নষ্ট হয়ে যায়। চকলেটজাত পণ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়ে প্রায় ৩০ হাজার ডলার - [ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি: ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যে ‘কম আস্থা’ ছিল সিআইএর, তবু বদলানো হয় বিমান](https://sarakhon.com/news/183051/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার সম্ভাব্য ইরানি হুমকি নিয়ে ইসরায়েল যে গোয়েন্দা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছিল, সেটিকে সিআইএর কিছু বিশ্লেষক যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য মনে করেননি। তবে ঝুঁকি এড়াতে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের নিরাপত্তায় নজিরবিহীন গোপন অভিযান চালায় মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সরকার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হত্যার হুমকির তথ্য সিআইএর কাছে পাঠায়। সিআইএর বিশ্লেষকদের একটি অংশ ওই তথ্যকে জোরালো মনে না করলেও বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানানো হয়। এক মার্কিন কর্মকর্তা এটিকে ‘ইসরায়েল থেকে পাওয়া তথ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সূত্র থেকে নয় এবং কম আস্থার’ তথ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। গোপনে বদলে দেওয়া হয় - [বিদ্যুৎমন্ত্রী বললেন, লোডশেডিং কমানোর সুযোগ নেই; গ্যাস সংকটে শিল্পে উৎপাদন ক্ষতি ৪০ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/183048/): দেশের শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে তীব্র গ্যাস সংকট সামাল দিতে আপাতত লোডশেডিং কমানোর কোনো সুযোগ সরকারের হাতে নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত নতুন করে গ্যাস উত্তোলন সম্ভব নয়। একইভাবে এফএসআরইউ সচল না হওয়া পর্যন্ত আমদানি করা এলএনজিও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তারা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘ন্যাভিগেটিং বাংলাদেশ এনার্জি ক্রাইসিস: ইমিডিয়েট প্রায়োরিটিজ অ্যান্ড দ্য পাথ টু এ সাসটেইনেবল এনার্জি ফিউচার’ শীর্ষক সংলাপে অনলাইনে যুক্ত হয়ে - [বই বাছাইয়ে মানুষের রুচিই কেন এখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ](https://sarakhon.com/news/183044/): বইয়ের জগতে কোন বইটি পড়া উচিত, কোন লেখককে গুরুত্ব দেওয়া দরকার কিংবা কোন উপন্যাস ভবিষ্যতে সাহিত্যিক মর্যাদা পাবে—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন আর শুধু পাঠক, সমালোচক কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের হাতে নেই। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নানা স্বয়ংক্রিয় পরামর্শব্যবস্থা মানুষের পছন্দের বইও ঠিক করে দিতে শুরু করেছে। কিন্তু এই সময়েই সাহিত্য পুরস্কারের বিচারকদের ভূমিকা যেন নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ বইয়ের মূল্যায়ন শেষ পর্যন্ত শুধু তথ্য, পরিসংখ্যান কিংবা যান্ত্রিক পূর্বাভাসের বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের রুচি, আবেগ, অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত বিচারবোধ। সম্প্রতি ঘোষিত ২০২৬ সালের বুকার পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকা সেই প্রশ্নটিকেই সামনে এনেছে। পাঁচ বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটির নেতৃত্বে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে স্মার্টফোন থেকে গাড়ি—সবখানেই মেমোরি চিপের সংকট](https://sarakhon.com/news/183042/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের কারণে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে এখন এই সংকট সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের দ্বারস্থ হচ্ছে একের পর এক শিল্পখাত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশাল তথ্যকেন্দ্রগুলো বিপুল পরিমাণ মেমোরি চিপ কিনে নেওয়ায় স্মার্টফোন, গাড়ি, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ভোক্তা ইলেকট্রনিকসের মতো খাতগুলোতে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত এক বছরে ছোট এই চিপগুলোর দাম প্রায় চার গুণ বেড়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সরকারি প্রচেষ্টার ওপরও নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। বাণিজ্য সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, মেমোরি চিপের বাজারে তৈরি হওয়া এই ‘জরুরি ভারসাম্যহীনতা’ অর্থনীতির বড় অংশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য চাহিদার বিস্ফোরণ মেমোরি চিপ বিভিন্ন পণ্যে - [১৫০ বছরেও ম্লান হয়নি বায়রয়থ উৎসবের মোহ, ওয়াগনারের সুরে আজও তীর্থযাত্রা](https://sarakhon.com/news/183037/): জার্মানির বায়রয়থ শহরে আবারও বসেছে সুরের এক অনন্য আসর। দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারও রিচার্ড ওয়াগনারের সংগীতনাট্যকে ঘিরে জমেছে বায়রয়থ উৎসব। এখানে দর্শক শুধু অপেরা দেখতে আসেন না, বরং তাঁরা যেন একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার অংশ হতে আসেন। কারও কাছে ওয়াগনারের সংগীত নেশার মতো, কারও কাছে ধর্মীয় বিশ্বাসের মতো, আবার কারও কাছে এটি ইতিহাস, রাজনীতি ও শিল্পের জটিল সম্পর্ক বোঝার একটি সুযোগ। জুলাইয়ের উষ্ণ এক রবিবারে উৎসবের সূচনা হয় ওয়াগনারের প্রাথমিক দিকের গুরুত্বপূর্ণ রচনা ‘রিয়েনৎসি’ দিয়ে। দক্ষিণ জার্মানির ঢেউখেলানো ভূপ্রকৃতির মধ্য দিয়ে দর্শকেরা বায়রয়থের বিখ্যাত উৎসব-থিয়েটারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কারও পরনে ছিল সাদা-কালো আনুষ্ঠানিক পোশাক, কেউ এসেছেন পর্যটকের স্বাভাবিক পোশাকে। প্রায় - [টেনিসের ইতিহাসে রেনে রিচার্ডস: পথ দেখানো এক নারীর উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/183035/): প্রায় পাঁচ দশক আগে টেনিসের মাঠে যে লড়াই নতুন এক ইতিহাসের জন্ম দিয়েছিল, আজ সেই ইতিহাসই আবার ফিরে এসেছে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রে। রেনে রিচার্ডস—যিনি একসময় রিচার্ড রাসকিন নামে পরিচিত ছিলেন—নারী টেনিসে অংশ নেওয়ার অধিকার আদায় করে খেলাধুলার জগতে আলোড়ন তুলেছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে খেলাধুলায় রূপান্তরকামী নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে তাঁর নিজের অবস্থান বদলে গেছে। আর সেই বৈপরীত্যই তাঁকে নিয়ে লেখা নতুন জীবনীকে আরও আলোচিত করে তুলেছে। জুলি ক্লিগম্যানের লেখা ‘ফাইন্ডিং রেনে রিচার্ডস’ বইয়ে উঠে এসেছে রিচার্ডসের শৈশব, চিকিৎসক হিসেবে সাফল্য, টেনিসজীবন, লিঙ্গপরিচয় নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম এবং ১৯৭৭ সালের ঐতিহাসিক আইনি লড়াই। বইটি প্রকাশের আগেই রিচার্ডসের জীবন ও উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন - [ট্রাম্পকে বাঁচাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা সাংবাদিক-সরকারি কর্মকর্তারাই কি ‘অজান্তের ঢাল’?](https://sarakhon.com/news/183029/): ইরানের হামলার আশঙ্কায় গত মাসে তুরস্কের আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একই সময় বিমানটিতে থাকা সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক সদস্য ও সাংবাদিকদের অধিকাংশকে সেই ঝুঁকির কথা জানানো হয়নি। ফলে প্রেসিডেন্টকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার গোপন কৌশলটি অন্য যাত্রীদের অজান্তেই সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিল কি না, তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। আঙ্কারায় নজিরবিহীন গোপন অভিযান ৮ জুলাই আঙ্কারা থেকে ব্রিটেনের উদ্দেশে উড্ডয়নের আগে ট্রাম্পকে গোপনে বিমান থেকে সরিয়ে অন্য একটি সামরিক বিমানে তোলা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে এমনকি ক্যাটারিংয়ের একটি কনটেইনার ব্যবহারের মতো গোপন কৌশল নেওয়া হয়েছিল। এরপর এয়ার ফোর্স ওয়ানেই - [আমেরিকার লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা ছয় বিস্ময়, যেখানে প্রকৃতি এখনো নির্জন ও দুর্দান্ত](https://sarakhon.com/news/183026/): যুক্তরাষ্ট্র বললেই অনেকের চোখে ভেসে ওঠে ইয়েলোস্টোনের উষ্ণ প্রস্রবণ, ইয়োসেমিটির বিশাল গ্রানাইট পাহাড় কিংবা দেশটির বিখ্যাত জাতীয় উদ্যানগুলোর ছবি। প্রতিবছর কোটি কোটি পর্যটক এসব জায়গায় ভিড় করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতির বিস্ময় শুধু জাতীয় উদ্যানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশটির বন বিভাগ, ভূমি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার অধীনে থাকা ৫৪ কোটি একরেরও বেশি সরকারি জমিতে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য বিস্ময়কর প্রাকৃতিক ভূদৃশ্য। এসব জায়গার অনেকগুলো এখনো পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেকটাই মুক্ত। কোথাও নেই উন্নত শৌচাগার, কোথাও নেই নির্দিষ্ট শিবির বা পর্যাপ্ত কর্মী। ফলে এসব স্থানে যেতে হলে পর্যটকদের নিজেদের প্রস্তুতি, পানি, মানচিত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে সেই নির্জনতাই - [পুতিনের বিতর্কিত কুরিল দ্বীপ সফরে জাপানের তীব্র প্রতিবাদ](https://sarakhon.com/news/183023/): রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফরকে কেন্দ্র করে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জাপান বলেছে, পুতিনের এই সফরের বিরুদ্ধে তারা ‘তীব্র প্রতিবাদ’ জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার পুতিন প্রথমবারের মতো জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপে সফর করেন। ইতুরুপে পুতিন রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপে যান। জাপানে দ্বীপটি এতোওরুফু নামে পরিচিত। চারটি দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপের একটি এই ইতুরুপ, যেগুলো রাশিয়া নিয়ন্ত্রণ করলেও জাপান নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। সফরের সময় পুতিন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে গিয়ে মাছের ডিমসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক খাবার দেখেন ও স্বাদ নেন। সফরের বিভিন্ন - [জাতিসংঘের দুই আফগান কর্মীকে আটক করেছে তালেবান](https://sarakhon.com/news/183020/): আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরে জাতিসংঘের রাজনৈতিক মিশনে কর্মরত দুই আফগান কর্মীকে আটক করেছে তালেবানের গোয়েন্দা সংস্থা। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত ৯ আগস্ট তাদের আটক করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে মিশনকে কিছু জানানো হয়নি। এমনকি জাতিসংঘের কর্মকর্তাদেরও তাদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।   হেরাতে গোয়েন্দা সংস্থার অভিযান জাতিসংঘের উপমুখপাত্র ফারহান হক জানিয়েছেন, তালেবানের তথাকথিত সাধারণ গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সদস্যরা গত রোববার হেরাত থেকে ওই দুই কর্মীকে আটক করেন। তাদের আটকের কারণ বা কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ সম্পর্কে জাতিসংঘ এখনো অবহিত নয়। জাতিসংঘের রাজনৈতিক মিশন তালেবান কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা জাতিসংঘ এবং এর কর্মকর্তাদের জন্য প্রযোজ্য - [খরায় পুড়ছে ব্রিটেনের কৃষিজমি, সামনে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183017/): ব্রিটেনের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি দীর্ঘ খরা ও তীব্র গরমে পুড়ে যাচ্ছে। ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ও কৃষিপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হচ্ছে নানা সংকট। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষক ও কলামিস্ট জর্জ মনবিওট। ব্রিটেনে সাধারণত কোনো এক মৌসুমে দেশীয় ফসলের উৎপাদন কমে গেলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে খাদ্য আমদানি করে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়। কিন্তু চলতি পরিস্থিতি আগের মতো স্বাভাবিক নয়। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন অঞ্চলেও অতিরিক্ত তাপ ও খরার প্রভাব পড়েছে। ফলে একসঙ্গে বহু উৎপাদনকারী দেশ ক্ষতির মুখে পড়লে আন্তর্জাতিক বাজার থেকেও প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে উঠতে পারে। - [বিমানে রহস্যজনক ওয়াই-ফাই, যাত্রীদের তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/183014/): যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহী বিমানে হঠাৎ করে অনুমোদনহীন একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য বিমানের ওয়াই-ফাই সেবা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে বিমান সংস্থা জানিয়েছে, তাদের কোনো কম্পিউটার ব্যবস্থা হ্যাক হয়নি এবং বিমানের পরিচালনাসংক্রান্ত কোনো ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার, ১০ আগস্ট। লাস ভেগাস থেকে আটলান্টাগামী ডেল্টা এয়ার লাইন্সের একটি বিমানে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিমানে অনুমোদিত ব্যবস্থার বাইরে একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক শনাক্ত হওয়ার পর কেবিন ক্রুরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমানের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেন। বিমানের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েনি ডেল্টা এয়ার লাইন্স জানিয়েছে, - [বাবা-মাকে হত্যার আগে ওত পেতে ছিলেন নিক রেইনার, নতুন অভিযোগপত্রে চাঞ্চল্যকর তথ্য](https://sarakhon.com/news/183011/): হলিউডের খ্যাতিমান পরিচালক ও অভিনেতা রব রেইনার এবং তাঁর স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনার হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড় এসেছে। তাঁদের ছেলে নিক রেইনারের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাবা-মাকে হামলার আগে তিনি তাঁদের জন্য ওত পেতে অপেক্ষা করছিলেন। অভিযোগটি হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির গ্র্যান্ড জুরি নিকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ অনুমোদন করেছে। গত ২০ জুলাই গোপনে এই অভিযোগপত্র অনুমোদন করা হলেও বুধবার তা প্রকাশ্যে আসে। আদালতে নিক অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর লস অ্যাঞ্জেলেসের অভিজাত ব্রেন্টউড এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ছুরিকাঘাতে নিহত হন রব রেইনার ও মিশেল রেইনার। ঘটনার - [ইরানকে সামরিক চাপে নত করাতে ব্যর্থ ট্রাম্প, এবার অর্থনৈতিক অবরোধে জোর](https://sarakhon.com/news/183007/): ইরানকে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতের পরও তেহরান অবস্থান থেকে সরে না আসায় এবার কৌশল বদলে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর পথে হাঁটছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনায় ইরানের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করা, আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং নৌ অবরোধ জোরদার করার মতো পদক্ষেপ বিবেচনায় রয়েছে। লক্ষ্য হলো ইরানের অর্থনীতিকে এমনভাবে চাপে ফেলা, যাতে দেশটির সরকারের ওপর যুদ্ধ বন্ধ বা অবস্থান পরিবর্তনের চাপ তৈরি হয়। সামরিক অভিযানের বদলে অর্থনৈতিক চাপ ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সামরিক অভিযানে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সময়ে চলমান - [হাসানের আগুনে বোলিং, ১৯৮ রানেই অস্ট্রেলিয়া অলআউট; প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের দাপট](https://sarakhon.com/news/183005/): অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমেই দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে দিয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের সামনে পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ। বাংলাদেশের হয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন হাসান মাহমুদ। ডানহাতি এই পেসার ১৭ ওভারে মাত্র ৫৫ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেটের কীর্তি। একই সঙ্গে নিজের আগের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। শুরুতেই চাপে অস্ট্রেলিয়া টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের তিন পেসার শুরু থেকেই স্বাগতিক ব্যাটারদের ওপর চাপ তৈরি করেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই - [২০২৬ সালের সূর্যগ্রহণ: রাশিয়া ও ইউরোপের কোথায়, কখন দেখা যাবে](https://sarakhon.com/news/183002/): দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইউরোপের আকাশে দেখা মিলতে যাচ্ছে বিরল এক সূর্যগ্রহণের। বুধবারের এই মহাজাগতিক ঘটনা রাশিয়া ও ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে দেখা যাবে। কোনো কোনো এলাকায় চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢেকে ফেলবে, আবার অনেক জায়গায় সূর্যের বড় একটি অংশ আড়াল হয়ে যাবে। ১৯৯৯ সালের পর মূল ভূখণ্ড ইউরোপ থেকে দৃশ্যমান প্রথম পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে এটি। পূর্ণগ্রহণের রেখা গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও স্পেনের কিছু অংশের ওপর দিয়ে যাবে। এসব এলাকায় চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢেকে দেওয়ার ফলে দিনের আকাশ অল্প সময়ের জন্য অন্ধকার হয়ে যাবে। তখন সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল, অর্থাৎ করোনা, স্পষ্টভাবে দেখা যেতে পারে। রাশিয়ায় কোথায় দেখা যাবে রাশিয়ার মধ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে সূর্যগ্রহণের - [টেক্সাসে মার্কিন সেনাবাহিনীর অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, দুই পাইলট নিহত](https://sarakhon.com/news/182998/): যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি যুদ্ধ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর হেলিকপ্টারটিতে আগুন ধরে যায় এবং সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে বড় ধরনের দাবানল। আগুনের কারণে আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। মাঠে আছড়ে পড়ে হেলিকপ্টার বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে টেক্সাসের সেন্ট্রাল এলাকায় সালাদোর কাছে একটি মাঠে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এটি ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিল। মার্কিন সেনাবাহিনী এবং বেল কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। হেলিকপ্টারটিতে থাকা দুই ক্রুর কেউই বেঁচে নেই বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বেল কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের মুখপাত্র ক্লিফ কোলম্যান বলেন, হেলিকপ্টারটি - [দক্ষিণ লেবাননে আগুন লাগাতে ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন ও গোলাবারুদ ব্যবহার করছে: অগ্নিনির্বাপকদের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/182996/): দক্ষিণ লেবাননের বন, জলপাইবাগান ও কৃষিজমিতে ইসরায়েলি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির অগ্নিনির্বাপক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, যুদ্ধবিরতির পরও ড্রোন ও বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ ব্যবহার করে এসব এলাকায় বারবার আগুনের সূত্রপাত ঘটানো হচ্ছে। গত ১৭ জুন ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বনভূমি, জলপাইবাগান ও কৃষিজমির বড় অংশ পুড়ে গেছে। নাবাতিয়েহ অঞ্চলের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান হুসেইন ফাকিহের হিসাবে, সীমান্তের কাছাকাছি কোনো কোনো এলাকায় আগুনে মোট ভূমির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ড্রোন ও বিভিন্ন গোলাবারুদ ব্যবহারের অভিযোগ ফাকিহের দাবি, যুদ্ধবিরতি কার্যকর - [রাশিয়ার উত্তর–দক্ষিণ করিডরে গওয়াদর: ইউরেশিয়ার বাণিজ্য মানচিত্র কি বদলে যাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/182993/): রাশিয়া থেকে ইরান হয়ে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত যে আন্তর্জাতিক উত্তর–দক্ষিণ পরিবহন করিডর বা আইএনএসটিসি গড়ে তোলার উদ্যোগ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলছে, ২০২৬ সালে এসে সেটি নতুন ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং সমুদ্রপথের ঝুঁকি—সব মিলিয়ে মস্কো এখন ইউরোপকেন্দ্রিক পুরোনো বাণিজ্যপথের বিকল্প হিসেবে দক্ষিণমুখী স্থল, রেল ও সমুদ্র সংযোগকে আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে আলোচিত নতুন দিক হলো পাকিস্তানের গওয়াদর বন্দরকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। গওয়াদর বন্দর বর্তমানে আইএনএসটিসির মূল বা আনুষ্ঠানিক রুটের অংশ নয়। পাকিস্তান ২০২৪ সালেই রাশিয়ার আমন্ত্রণে করিডরে যুক্ত হওয়ার - [নীরব কূটনীতির পথে রাশিয়া-পাকিস্তান, আফগানিস্তানকে ঘিরে বাড়ছে কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা](https://sarakhon.com/news/182990/): রাশিয়া ও পাকিস্তানের সম্পর্ককে কেবল উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, আনুষ্ঠানিক বিবৃতি কিংবা সাময়িক কূটনৈতিক উষ্ণতার মধ্য দিয়ে বিচার করলে এর প্রকৃত গতিপথ বোঝা কঠিন। গত কয়েক বছরে দুই দেশ এমন এক ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলছে, যার মূল শক্তি প্রচার নয়, বরং ধারাবাহিক যোগাযোগ, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং বাস্তব স্বার্থের সমন্বয়। ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিরাপত্তা সহযোগিতায় আফগানিস্তানই কেন্দ্র রাশিয়া-পাকিস্তান সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি এখন নিরাপত্তা। বিশেষ করে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত আলোচনার প্রয়োজন তৈরি করেছে। জুনে ইসলামাবাদে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় দুই দেশের যৌথ কর্মদলের ১২তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আফগানিস্তান থেকে উদ্ভূত আঞ্চলিক সন্ত্রাসের ঝুঁকি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং - [২৭ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ: খাইবার থেকে রাজপথের আন্দোলন শুরু করলেন কেপি মুখ্যমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/182987/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি ২৭ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত লং মার্চকে সামনে রেখে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপথের আন্দোলন শুরু করেছেন। নিজের জেলা খাইবার থেকেই এই কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। খাইবারের ঐতিহাসিক বাব-ই-খাইবার এলাকায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় সোহেল আফ্রিদি বলেন, খাইবারের মানুষই ২৭ সেপ্টেম্বরের লং মার্চের সূচনা করেছে। এই পদযাত্রা খাইবার থেকে শুরু হয়ে ইসলামাবাদে গিয়ে শেষ হবে। তিনি জানান, আন্দোলনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ন্যায়ের জন্য লং মার্চ’। সাংবিধানিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য কারাবন্দি নেতা ইমরান খানের মুক্তি নিশ্চিত করা, ক্ষমতাবান ও সাধারণ মানুষের জন্য আইনের সমান প্রয়োগ প্রতিষ্ঠা, ধনী-গরিবের বৈষম্য কমানো এবং নিপীড়ন ও অবিচারের - [করাচিতে পানির দাম  বাড়ল ৭ দশমিক ০৫ শতাংশ, ১ জুলাই থেকেই কার্যকর](https://sarakhon.com/news/182984/): পাকিস্তানের করাচি শহরে পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন সেবার খরচ বাড়ানো হয়েছে। সিন্ধু প্রাদেশিক সরকার করাচি পানি ও পয়োনিষ্কাশন করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পানি ও পয়োনিষ্কাশন খরচ ৭ দশমিক ০৫ শতাংশ বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। নতুন এই হার গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে করাচির আবাসিক, বাণিজ্যিকসহ করপোরেশনের নির্ধারিত বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকদের পানি ও পয়োনিষ্কাশন সেবার মাসিক খরচ বাড়বে। শহরের বিশাল জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহ এবং পুরোনো পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামো সচল রাখতে বাড়তি অর্থের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। ভোক্তা মূল্যসূচকের ভিত্তিতে খরচ পুনর্নির্ধারণ সিন্ধু সরকারের ১০ আগস্ট প্রকাশিত সরকারি প্রজ্ঞাপনে নতুন খরচের বিষয়টি জানানো হয়। - [এনইইটি আন্দোলনে কেন নীরব ছিলেন সোনু নিগম, জানালেন বাবাকে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতির কথা](https://sarakhon.com/news/182981/): ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা এনইইটি-র প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় নীরব থাকা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সোনু নিগম। একটি অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছিল আলোচনা-সমালোচনা। এবার সেই নীরবতার কারণ ব্যাখ্যা করে সোনু জানিয়েছেন, কঠিন প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার জন্য নয়, বরং কখন, কোথায় এবং কোন বিষয়ে কথা বলা উচিত—এ নিয়ে তাঁর নিজস্ব কিছু নীতি রয়েছে। সম্প্রতি বোম্বে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোনু বলেন, অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুর বাইরে গিয়ে কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। একই সঙ্গে নিজের জ্ঞানের সীমার বাইরে কোনো বিষয়ে ইচ্ছেমতো মন্তব্য না - [সৌদি নেতৃত্বাধীন নৌজোটে পাকিস্তানের সমর্থন, বৈশ্বিক নৌপথ নিরাপদ রাখতে প্রস্তুত ইসলামাবাদ](https://sarakhon.com/news/182978/): সৌদি আরবের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গঠিত জোটকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় সমুদ্রপথের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে জোটের কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী মোহসিন নাকভি সম্প্রতি ইরান সফর করে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের বার্তাও ইরানি নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে দেন তিনি। ইরান সফরে শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, নাকভির সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, নিরাপত্তা, - [মাদক পরীক্ষায় পজিটিভ এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট, উড়োজাহাজে ৩০–৩৫ মিনিট ঘুমিয়েছিলেন](https://sarakhon.com/news/182974/): ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে আকস্মিকভাবে উচ্চতা কমে গিয়ে ২৪ জন যাত্রী আহত হওয়ার ঘটনায় তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ওই ফ্লাইটের প্রধান পাইলটের মাদক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ সেবন করছিলেন। ৪ আগস্টের ওই ঘটনায় উড়োজাহাজটি হঠাৎ প্রায় ৩৬০ ফুট নিচে নেমে যায়। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাইলট জানান, ফুকেটে অবস্থানের সময় তিনি ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি। ব্যক্তিগত কিছু পরিস্থিতির কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই তার ঘুমের সমস্যা চলছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন। উড়োজাহাজের ভেতরেই ঘুম তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ফ্লাইট চলার সময় পাইলট প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধনকুবেরদের ৪৩০ বিলিয়ন ডলারের দান, বদলে যেতে পারে বিশ্বকল্যাণের মানচিত্র](https://sarakhon.com/news/183691/): সিলিকন ভ্যালিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান শুধু প্রযুক্তি খাতের চেহারাই বদলাচ্ছে না, বদলে দিতে যাচ্ছে দাতব্য কর্মকাণ্ডের পরিসরও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা, কর্মী ও বিনিয়োগকারীরা আগামী কয়েক বছরে শত শত বিলিয়ন ডলার দাতব্য কাজে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। হিসাব অনুযায়ী, কেবল দুটি বড় প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য শেয়ারবাজারে প্রবেশের মাধ্যমেই প্রায় ৪৩০ বিলিয়ন ডলার দাতব্য খাতে আসতে পারে। এ অর্থের পরিমাণ এতটাই বিশাল যে এটি আগের বড় দাতব্য উদ্যোগগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এত বিপুল অর্থ কোথায় ব্যয় হবে এবং তা সত্যিই মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলো সমাধানে কাজে লাগবে কি না। দানের পরিমাণ বাড়লে কি প্রতিটি টাকার কার্যকারিতা কমবে দাতব্য খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ - [কারাগার সংকটেই ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কঠিন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/183688/): ব্রিটেনের কারাগারগুলো ধারণক্ষমতার সীমায় পৌঁছে যাওয়ায় বন্দিদের আগাম মুক্তি দেওয়ার বিতর্ক এখন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের জন্য বড় রাজনৈতিক পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালে দায়িত্ব পালনকালে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু হার্পারের হত্যাকারীদেরও আগাম মুক্তির আওতায় আসার সম্ভাবনা জনমনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছে। হার্পার হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন বিতর্ক ২৮ বছর বয়সী পুলিশ কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু হার্পার দায়িত্ব পালনের সময় নিহত হন। বিয়ের মাত্র চার সপ্তাহ পর বার্কশায়ারে তিন কিশোরকে একটি চার চাকার মোটরযান চুরি ঠেকাতে গিয়ে তিনি তাদের পালানোর গাড়ির টেনে নেওয়া দড়িতে আটকে যান। দ্রুতগতিতে গাড়ি ছুটে যাওয়ায় ভয়াবহভাবে আহত হয়ে তার মৃত্যু হয়। ২০২০ সালে ওই ঘটনায় জড়িতদের - [হরমুজ সংকটের প্রতিদিনের খরচ: মালয়েশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তার কঠিন বাস্তবতা](https://sarakhon.com/news/183628/): মালয়েশিয়া তেল উৎপাদনকারী দেশ—এই পরিচয় থেকেই অনেকের ধারণা, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের অভিঘাত দেশটির অর্থনীতিতে তুলনামূলকভাবে কম পড়বে। কিন্তু বাস্তবতা তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। ২০২২ সাল থেকেই মালয়েশিয়া অপরিশোধিত তেলের নিট আমদানিকারক। ২০২৫ সালে দেশটি প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট রপ্তানি করলেও আমদানি করেছে প্রায় ১৫.৪ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ। অর্থাৎ শুধু অপরিশোধিত তেলেই বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর পেছনে রয়েছে একটি বাণিজ্যিক যুক্তি। মালয়েশিয়ার নিজস্ব তেলক্ষেত্র থেকে পাওয়া টাপিস ও কিনামানিসের মতো হালকা ও কম সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে তুলনামূলক বেশি দাম পায়। ফলে বেশি মূল্যের দেশীয় তেল রপ্তানি করে অপেক্ষাকৃত সস্তা ও ভারী - [মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গ্রেপ্তারই কি শেষ কথা?](https://sarakhon.com/news/183636/): ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় পুলিশ জেলার (এসপিডি) সাম্প্রতিক অভিযান নগর এলাকায় মাদকবিরোধী লড়াইয়ের একটি পরিচিত চিত্র আবার সামনে এনেছে। ১৩ আগস্ট মাকাতি, মুন্তিনলুপা, পাসাই ও পাতেরোসে পৃথক ‘বাই-বাস্ট’ অভিযানে ছয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এসব অভিযানে সন্দেহভাজন শাবু উদ্ধার হয়েছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য এমন অভিযান অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। মাদক বিক্রির নির্দিষ্ট লেনদেন শনাক্ত করে তা বন্ধ করা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটক করা এবং মাদক জব্দ করা—সবই অপরাধ দমনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু মাদক সমস্যার ব্যাপ্তি বিচার করতে গেলে শুধু গ্রেপ্তারের সংখ্যা দিয়ে সাফল্যের হিসাব করা যথেষ্ট নয়। মাদকের বাজার কি সত্যিই দুর্বল - [সাগরে ১৬ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বাবা ও দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/183680/): থাইল্যান্ডের কো সামুই দ্বীপের কাছে জলযান উল্টে যাওয়ার পর ১৬ ঘণ্টারও বেশি সময় সাগরে ভেসে থাকা এক বাবা ও তাঁর দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। ( রাতভর সাগরে নিখোঁজ ৫০ বছর বয়সী ওই বাবা দুই ছেলেকে নিয়ে ভাড়ায় নেওয়া জলযানে করে সমুদ্রে বেরিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে তাঁরা তীরে ফিরে না আসায় জলযানটির মালিক বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপর শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রবল ঢেউ ও প্রতিকূল সমুদ্র পরিস্থিতির কারণে রাতের দিকে অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। পরদিন সকালে আবার তল্লাশি শুরু হলে প্রায় ১০টার দিকে তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। জীবনরক্ষাকারী পোশাকেই বেঁচে ছিলেন উদ্ধারকারীরা দেখতে পান, - [ব্রিটিশ ব্যবসার নীরবতা: রাজনীতিতে কথা না বলার খেসারত দিচ্ছে ব্যবসায়ীরা](https://sarakhon.com/news/183683/): ব্রিটেনের ব্যবসায়ী নেতারা রাজনীতির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই অনেকটা নীরব থেকেছেন। কিন্তু সেই নীরবতার মূল্য এখন তাদেরই দিতে হচ্ছে। শ্রমিকদের অধিকার বাড়াতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ, করনীতি এবং সরকারি ব্যয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যবসায়ী মহল সময়মতো নিজেদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেনি। নির্বাচনের আগে ভুল হিসাব সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনের আগে বড় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ লেবার পার্টির প্রতি সমর্থন দেখিয়েছিল। কিন্তু দলটির নীতিগুলো ক্ষমতায় গেলে ব্যবসার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা তারা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেনি। বিশেষ করে কর্মীদের অধিকার সংক্রান্ত নতুন আইনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা ধরে নিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত কঠোর বিধানগুলো শেষ পর্যন্ত অনেকটাই শিথিল করা হবে। কিন্তু বিষয়টি লেবার দলের সংসদ - [মোগাদিশুতে ফিরছে স্বস্তি, তবে শান্তির আড়ালে রয়ে গেছে বড় শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183677/): একসময় সন্ধ্যার পর রাস্তায় বের হওয়াই ছিল মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানোর মতো। রাজধানীর কোনো ক্যাফে, বাজার কিংবা ব্যস্ত মোড়ে মুহূর্তেই নেমে আসতে পারত বিস্ফোরণ। সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুর মানুষের কাছে সন্ত্রাসী হামলা ছিল নিত্যদিনের আতঙ্কের নাম। কিন্তু সেই মোগাদিশুই গত কয়েক বছরে ধীরে ধীরে বদলে গেছে। রাত গভীর পর্যন্ত এখন খোলা থাকে ক্যাফে। তরুণ-তরুণীদের ভিড়ে জমে ওঠে শহরের বিভিন্ন এলাকা। নতুন ভবন উঠছে, ব্যবসা বাড়ছে, মানুষের চলাচলও বেড়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে নিরাপত্তায়—রাজধানীতে আল-শাবাবের হামলা নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। তবে এই স্বস্তি কতটা স্থায়ী, তা নিয়ে প্রশ্নও বাড়ছে। কারণ রাজধানীতে হামলা কমলেও সোমালিয়ার রাজনৈতিক বিভাজন, আঞ্চলিক সংঘাত এবং বিদেশি সহায়তা কমে যাওয়ার আশঙ্কা নতুন - [জাম্বিয়ার তামার সমৃদ্ধি, কিন্তু মানুষের ঘরে স্বস্তি কোথায়?](https://sarakhon.com/news/183671/): জাম্বিয়ার অর্থনীতিতে এখন তামার ঝলকানি। আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দাম রেকর্ড উচ্চতায় ওঠায় দেশটির প্রধান তামা উৎপাদন অঞ্চল কপারবেল্টে খনি আবারও ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু খনির এই জৌলুশের খুব সামান্যই পৌঁছাচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। রাজধানী লুসাকা থেকে দূরের কিটওয়ের আশপাশে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের কাছে তামার মূল্যবৃদ্ধি যেন এক দূরের গল্প। খনির পাশে থেকেও অর্থের দেখা নেই কিটওয়ের বাইরে প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে মাটির সঙ্গে যুক্ত। কেউ খনিতে কাজ করেন, কেউ কৃষিকাজে। একটি খনি আবার পুরোদমে চালু হয়েছে, যার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে তামার রেকর্ড দাম। কিন্তু খনির ফটকের বাইরে পেঁয়াজের জমিতে কাজ করা নারীদের কাছে এই অর্থনৈতিক উত্থানের সুফল দৃশ্যমান - [মক্কা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোটে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/183659/): মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের সূচনা করেছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি। গত ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তিকে ঘিরে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তিন দেশের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ফলে চুক্তিটির পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ধারা উত্তর আটলান্টিক জোটের বহুল আলোচিত পঞ্চম অনুচ্ছেদের সঙ্গে তুলনা তৈরি করেছে। তবে এটি এখনই উত্তর আটলান্টিক জোটের মতো পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোট হয়ে উঠেছে—এমন ধারণা করার সুযোগ নেই। বরং সামরিক সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, অস্ত্র উৎপাদন ও কৌশলগত প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই চুক্তিটির গুরুত্ব বেশি। - [কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২৬৫ মৃত্যু, উদ্ধার তৎপরতায় বৈষম্যের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/183667/): কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ২৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১০ আগস্ট দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে বহু ভবন ধসে পড়ে। পরবর্তী কম্পনেও নতুন করে বেশ কিছু স্থাপনা ভেঙে পড়ে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে দেশটির নতুন সরকারের দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রশংসা পেলেও দুর্গম ও দরিদ্র অঞ্চলগুলোর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে বড় ধরনের বৈষম্য সামনে এসেছে। ধ্বংসস্তূপে জীবনের শেষ লড়াই চোকো প্রদেশের রাজধানী কুইবদো ভূমিকম্পের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। শহরটির একটি চারতলা ভবন ধসে এখন সেখানে পড়ে আছে কেবল কংক্রিটের স্তূপ। উদ্ধারকর্মীরা ভারী যন্ত্র দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভূমিকম্পের পর জীবিত মানুষ উদ্ধারের জন্য প্রথম ৭২ - [মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ইসলামের পতন, তবু শেষ হয়ে যায়নি মুসলিম ব্রাদারহুড](https://sarakhon.com/news/183663/): মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মুসলিম ব্রাদারহুড এখন আর আগের মতো শক্তিশালী নয়। একসময় যে সংগঠন আরব বসন্তের ঢেউয়ে মিসর ও তিউনিসিয়ার রাজনীতিতে বড় উত্থান ঘটিয়েছিল, আজ সেই সংগঠনই দমন-পীড়ন, নেতৃত্বের বিভক্তি, নির্বাসন ও রাজনৈতিক পরাজয়ে গভীর সংকটে। তবু ইতিহাস বলছে, ব্রাদারহুডকে মৃত ঘোষণা করার সময় এখনো আসেনি। কারাগারের উত্তাপ যেন সংগঠনটির প্রতীক তিউনিসের উপকণ্ঠে মর্নাগিয়া কারাগারে চলতি গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। সেখানেই গত ১৭ জুলাই ৮৫ বছর বয়সী রশিদ ঘানুশি জ্ঞান হারান। তিনি মুসলিম ব্রাদারহুডের আদর্শে অনুপ্রাণিত তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দল আননাহদার প্রতিষ্ঠাতা। ঘানুশির বর্তমান পরিণতি অনেকটা মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির করুণ পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেয়। মুরসি ২০১২ সালে - [ইউরোপকে এক করার অদৃশ্য কারিগর কারা?](https://sarakhon.com/news/183660/): ইউরোপীয় ইউনিয়নকে একীভূত করার কাজ শুধু ব্রাসেলসের বৈঠক, চুক্তি আর একের পর এক বিধিনিষেধের মাধ্যমে হয়নি। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় ইউরোপীয়দের একে অপরের আরও কাছাকাছি এনে দেওয়া মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক শক্তিগুলোর ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। সেই ভাবনা থেকেই ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘শার্লেমান কলাম পুরস্কার’-এর জন্য কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম সামনে আনা হয়েছে। সস্তা বিমানভ্রমণে ইউরোপকে কাছে এনেছেন মাইকেল ও’লিয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিমান পরিবহন উদ্যোক্তা মাইকেল ও’লিয়ারি দীর্ঘদিন ধরে কম খরচের বিমানভ্রমণকে জনপ্রিয় করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম ভিত্তি যেখানে মানুষের অবাধ চলাচল, সেখানে তাঁর সস্তা বিমানসেবা ইউরোপের সাধারণ মানুষের জন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াতকে অনেক সহজ করেছে। ব্রাসেলসের নিয়মনীতির সমালোচনা করলেও তাঁর ব্যবসা মূলত - [লেবার ও ব্যবসা: অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে সম্পর্ক মেরামতের নতুন সুযোগ](https://sarakhon.com/news/183653/): যুক্তরাজ্যের লেবার সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ী মহলের যে উষ্ণ সম্পর্ক ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে তৈরি হয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পর তা দ্রুত ভেঙে পড়ে। এখন নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে সেই সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে শুধু কথায় নয়, অর্থনৈতিক নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে—এটাই ব্যবসায়ী মহলের মূল প্রত্যাশা। নির্বাচনের আগে ব্যবসাবান্ধব প্রতিশ্রুতি ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে লেবার ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছিল। দলটি বোঝাতে চেয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক নীতির বদলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে অর্থনীতির গতি বাড়ানোর উপায় জানতে চেয়েছিল দলটি। এই কৌশল বেশ কার্যকরও হয়েছিল। কনজারভেটিভ - [শান্তির কথা বলাই এখন রাশিয়ায় অপরাধ, নির্বাচনের দৌড় থেকে বাদ উদারপন্থী ইয়াব্লোকো](https://sarakhon.com/news/183648/): রাশিয়ায় যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নেওয়া এখন শুধু রাজনৈতিক ঝুঁকিই নয়, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটির সবচেয়ে পুরোনো উদারপন্থী রাজনৈতিক দল ইয়াব্লোকোকে আসন্ন আইনসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট। দলটির অপরাধ—তারা প্রকাশ্যে শান্তি, যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আগস্টের ১০ তারিখে মস্কোর সুপ্রিম কোর্টের সামনে কয়েক শ তরুণ জড়ো হয়েছিলেন। তাদের হাতে ছিল শান্তির পক্ষে লেখা বার্তা, ইউক্রেনীয় ভাষায় ভালোবাসা ও নির্ভয়ের আহ্বান। কেউ কেউ হাতে আপেল নিয়ে বসেছিলেন, কারণ ইয়াব্লোকো শব্দের অর্থই আপেল। কেউ রুশ পতাকার সঙ্গে সবুজ আপেল তুলে ধরেছিলেন। আর এক তরুণী প্রকাশ্যে ফ্রানৎস কাফকার বই পড়ছিলেন। আদালতের ভেতরে - [বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার আশঙ্কা: জার্মানিকে নতুন ধরনের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে হবে](https://sarakhon.com/news/183642/): জার্মানির লাইপজিগ-হালে বিমানবন্দর ৪ আগস্ট রাতে ভয়াবহ এক বিপর্যয় থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। একটি ড্রোন প্রায় ৮০০ গ্রাম বিস্ফোরক বহন করে সম্পূর্ণ জ্বালানি ভর্তি ইউক্রেনের একটি বিশাল পরিবহন বিমানের ডানায় আঘাত করেছিল। তবে বিস্ফোরকটি ড্রোন থেকে পড়ে যাওয়ায় বিস্ফোরণ ঘটেনি। তা না হলে বিমানটি আগুনের গোলকে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি একই ধরনের বিমানও ধ্বংস হতে পারত। ঘটনাটি ইউরোপের বিমানবন্দর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ লাইপজিগ-হালে শুধু একটি সাধারণ বিমানবন্দর নয়, এটি ইউক্রেন ও উত্তর আটলান্টিক জোটের সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। নজরদারি ড্রোন থেকে সরাসরি হামলা গত বছর ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে সন্দেহজনক ড্রোনের - [শুকিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের প্রধান নদী, জ্বালানি ও শিল্পে বাড়ছে বিপদের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183645/): ইউরোপে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ ও দীর্ঘস্থায়ী খরায় রাইন ও দানিয়ুব নদীর পানি নেমে গেছে নজিরবিহীনভাবে। ১৮৮০ সালে সরকারি রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর এবার এই দুই নদীর পানির স্তর সবচেয়ে নিচে নেমেছে। এর প্রভাব শুধু নৌপরিবহনেই সীমাবদ্ধ নেই; বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, কৃষি ও ইউরোপের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর বড় ধরনের চাপ তৈরি হচ্ছে। রাইনের পানি নামছে বিপজ্জনক স্তরে জার্মানির রাইনল্যান্ড-প্যালাটিনেট অঞ্চলের মধ্যযুগীয় শহর কাউবে নদীর গভীরতা মাপার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মধ্য রাইনের সবচেয়ে অগভীর অংশের কাছে হওয়ায় এখানকার পানির স্তর পুরো ১ হাজার ২৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাইনের নৌচলাচলের পরিস্থিতি বোঝার অন্যতম প্রধান সূচক। ১২ আগস্ট সেখানে সর্বোচ্চ পানির গভীরতা ছিল মাত্র ১২ - [ব্যর্থতার দীর্ঘ ইতিহাস পেরিয়ে সমুদ্রশক্তি বাড়াচ্ছে ব্রাজিল](https://sarakhon.com/news/183639/): দশকের পর দশক ধরে নিজস্ব যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে একের পর এক ব্যর্থতার মুখ দেখেছে ব্রাজিল। বহু পরিকল্পনা শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোর বেশির ভাগই থেমে গেছে মাঝপথে। এমনকি একটি বিমানবাহী রণতরী অকার্যকর হয়ে পড়ার পর সেটিকে ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনাও দেশটির নৌযান নির্মাণের ব্যর্থ ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। তবে সেই দীর্ঘ ব্যর্থতার ধারায় এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ব্রাজিল নিজেদের ভূখণ্ডে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় প্রতীক তামান্দারে শ্রেণির নতুন যুদ্ধজাহাজ। চারটি নতুন যুদ্ধজাহাজ, বদলাচ্ছে সক্ষমতা এপ্রিল মাসে ব্রাজিল তামান্দারে শ্রেণির প্রথম যুদ্ধজাহাজকে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবহরে যুক্ত করেছে। এই শ্রেণির মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ ব্রাজিলেই নির্মাণ করা হচ্ছে। আরও চারটি জাহাজ - [রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক অস্ত্র হাতে ট্রাম্প, চাপে পড়তে পারে মস্কোর জ্বালানি অর্থনীতি](https://sarakhon.com/news/183633/): রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এবার আরও শক্তিশালী একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র তুলে দেওয়ার পথে কংগ্রেস। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও জ্বালানি সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর ওপরও বড় ধরনের শুল্ক আরোপের সুযোগ দিয়ে একটি নতুন আইন মার্কিন সিনেটে পাস হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের ক্রেতা দেশগুলোও ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। গত ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম রাশিয়া ও ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন’ ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়। আইনটি এখনো প্রতিনিধি পরিষদের অনুমোদন পায়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নতুন আইনে এমন একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে - [পাঁচ বছরে আফগানিস্তান: যুদ্ধ কমেছে, কিন্তু সংকুচিত হয়েছে মানুষের জীবন](https://sarakhon.com/news/183604/): দীর্ঘ পাঁচ দশকের মধ্যে আফগানিস্তান এখন তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি নিরাপদ। ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালেবান কাবুল দখলের পর দেশটিতে বড় ধরনের যুদ্ধ ও সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কিন্তু সেই শান্তির বিনিময়ে আফগানদের দিতে হচ্ছে কঠিন মূল্য। অর্থনৈতিক সংকট, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, শিক্ষা থেকে বঞ্চনা এবং বিশেষ করে নারীদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ দেশটিকে ক্রমেই আরও বিচ্ছিন্ন করে তুলছে। যুদ্ধ থেমেছে, বদলে গেছে কাবুলের চিত্র কাবুলের সরকারি এলাকার যে রাস্তাগুলো একসময় মানুষের কোলাহল ও গানের শব্দে মুখর থাকত, এখন সেখানে নীরবতা। পুরুষদের বড় অংশ ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও লম্বা দাড়িতে চলাফেরা করেন। দেয়ালে রঙিন চিত্রের বদলে দেখা যায় ধর্মীয় স্লোগান। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ভারী অস্ত্র - [বিশেষজ্ঞের ভিড়ে আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার প্রজ্ঞাবান মানুষ](https://sarakhon.com/news/183618/): আজকের পৃথিবীতে জ্ঞানের ঘাটতি নেই। তথ্য হাতের মুঠোয়, পরামর্শের অভাব নেই, আর প্রায় প্রতিটি বিষয়ে কথা বলার মতো বিশেষজ্ঞও যেন অগণিত। তবু একটি জিনিস ক্রমেই দুর্লভ হয়ে উঠছে—কীভাবে ভাবতে হয়, কখন থামতে হয় এবং অসম্পূর্ণ তথ্যের মধ্যেও কীভাবে ভালো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়। আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন ঘুম, খাবার, সন্তান পালন, নেতৃত্ব, শরীরচর্চা কিংবা দৈনন্দিন জীবনযাপন—প্রায় সবকিছুর জন্যই কেউ না কেউ ‘সঠিক নিয়ম’ বাতলে দিচ্ছেন। একজন বলছেন ভোর সাড়ে চারটায় ওঠাই সাফল্যের চাবিকাঠি, অন্যজন বলছেন মধ্যরাতের আগে ঘুমানোই সবচেয়ে জরুরি। কেউ একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাসকে সব সমস্যার সমাধান হিসেবে তুলে ধরছেন, আবার আরেকজন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ দেখাচ্ছেন। পরামর্শ বাড়ছে, কিন্তু - [আমেরিকার বিজ্ঞানব্যবস্থায় বড় সংস্কারের ডাক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে নতুন পথের খোঁজ](https://sarakhon.com/news/183617/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট বিজ্ঞান উপদেষ্টা ভ্যানেভার বুশকে যুদ্ধ-পরবর্তী আমেরিকার বিজ্ঞানব্যবস্থা পুনর্গঠনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। বুশের সেই প্রতিবেদন ‘সায়েন্স: দ্য এন্ডলেস ফ্রন্টিয়ার’ পরবর্তী কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক গবেষণায় সরকারি সহায়তার ভিত্তি তৈরি করে। এর ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠে জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর মার্কিন অগ্রযাত্রার একটি শক্তিশালী কাঠামো। কিন্তু প্রায় আট দশক পর সেই কাঠামোই এখন নতুন বাস্তবতার মুখে পড়েছে। মার্কিন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনীতি নিয়ে কাজ করা হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নীতি দপ্তরের পরিচালক মাইকেল ক্রাটসিওস মনে করেন, ১৯৪৫ সালের বাস্তবতায় তৈরি গবেষণাব্যবস্থাকে একবিংশ শতকের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। বদলে - [ডাকযোগে ভোট ঠেকাতে ট্রাম্পের উদ্যোগ কি ব্যর্থ হতে চলেছে?](https://sarakhon.com/news/183611/): যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার জনপ্রিয় পদ্ধতি সীমিত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা বড় ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়েছে। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই পদ্ধতির নিয়মে বড় কোনো পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা এখন ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মার্কিন ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছিলেন। রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যেও প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তারপরও ট্রাম্প ডাকযোগে ভোট বন্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বারবার দাবি করেছেন, ২০২০ সালের নির্বাচনে ডাকযোগে ভোটে জালিয়াতির কারণে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। তবে এই দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আদালতে বড় ধাক্কা ডাকযোগে ভোটের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেস ও - [ফ্লোরিডাকে বদলে দিয়েছেন ডি-স্যান্টিস, এবার বড় পরীক্ষা জীবনযাত্রার ব্যয়](https://sarakhon.com/news/183607/): ফ্লোরিডার রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছেন গভর্নর রন ডি-স্যান্টিস। একসময় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দোদুল্যমান বা ‘সুইং স্টেট’ হিসেবে পরিচিত ফ্লোরিডা এখন রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। তবে আগামী গভর্নরের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর সংস্কৃতি-যুদ্ধ নয়, বরং সাধারণ মানুষের বাড়তি জীবনযাত্রার ব্যয়। ১৮ আগস্ট ফ্লোরিডার ভোটাররা গভর্নর পদে লড়াইয়ের জন্য রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বেছে নেবেন। রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে কংগ্রেস সদস্য বায়রন ডোনাল্ডসের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। নভেম্বরে তিনি গভর্নর নির্বাচিত হলে এমন এক ফ্লোরিডার দায়িত্ব নেবেন, যা এক দশক আগের রাজ্যটির সঙ্গে অনেকটাই ভিন্ন। মহামারির সময় বড় রাজনৈতিক মোড় ডি-স্যান্টিসের উত্থানের পেছনে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে - [গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চাইল পোশাক রপ্তানিকারকরা](https://sarakhon.com/news/183602/): গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল একসঙ্গে পরিশোধের পরিবর্তে ১২টি সমান মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চেয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গত ৯ আগস্ট বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানান। শনিবার তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। জ্বালানি সংকটে উৎপাদনে ধস চিঠিতে বলা হয়েছে, জুলাই ও আগস্ট মাসে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অধিকাংশ শিল্পকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে খোলা সিলিন্ডার কিংবা ক্যাসকেড সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক - [ট্রাম্পের শুল্কচাপে কানাডা: নরম কৌশলই কি মার্ক কার্নির সবচেয়ে বড় শক্তি?](https://sarakhon.com/news/183599/): ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যিক চাপের মুখে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এমন এক কৌশল বেছে নিয়েছেন, যা দেশের ভেতরে ক্রমেই অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ট্রাম্পের পাল্টা চাপের জবাবে কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে কার্নি আপাতত আলোচনার পথ খোলা রাখতে চাইছেন। বাইরে থেকে এই নীতি দুর্বলতা বলে মনে হলেও বাস্তবতা হলো, কানাডার অর্থনীতির স্বার্থেই হয়তো এই সংযম এখন সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি কানাডার জন্য পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। আগামী ১৯ আগস্ট থেকে নতুন করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এই রপ্তানির পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট বার্ষিক - [গ্যাস সংকট কাটাতে আরও দুই বছর, শিল্পখাতে স্বস্তি কবে?](https://sarakhon.com/news/183596/): দেশের শিল্পকারখানায় দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্যাস সংকট দ্রুত কাটছে না। স্থায়ীভাবে পরিস্থিতির উন্নতি করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে আরও প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাঁর আশা, অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে। দীর্ঘদিনের সমস্যার প্রভাব শিল্পে শনিবার সিলেটে একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানায় গ্যাসের সংকট মূলত দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা সমস্যার ফল। এ সংকট থেকে স্থায়ীভাবে বের হতে হলে শুধু সাময়িক ব্যবস্থা নিলেই হবে না, গ্যাস আমদানি ও সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। তিনি জানান, দেশে গ্যাসের চাহিদা - [ওয়াশিংটন বৈঠক: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কি সংকটের মুখে?](https://sarakhon.com/news/183593/): ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের সাম্প্রতিক মন্তব্য শুধু সামরিক কৌশলের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে না; এটি একই সঙ্গে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামো নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন বৈঠকের আগে গ্যালান্ট যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তাতে ইঙ্গিত মেলে—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকানোর সীমিত লক্ষ্য থেকে যুদ্ধকে সরিয়ে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের দিকে নেওয়ার সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত সংঘাতকে প্রত্যাশিত ফল থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। এই মন্তব্যের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় গ্যালান্টের অবস্থানের কারণে। গাজা যুদ্ধের সময় তিনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শীর্ষ পর্যায়ে ছিলেন। ফলে তাঁর মূল্যায়নকে কেবল রাজনৈতিক বিরোধীর বক্তব্য - [নিরাপত্তার নামে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ: মানুষ স্বস্তি চায়, কিন্তু ভোগান্তি নয়](https://sarakhon.com/news/183588/): চীনের জিনান শহরের নতুন মেট্রো স্টেশনে চলন্ত সিঁড়িতে উঠলেই মনে হতে পারে, যাত্রীরা যেন ভয়ংকর কোনো ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে যাচ্ছেন। সিঁড়ির পাশে টাঙানো সতর্কবার্তায় নিষেধ করা হয়েছে ১৪ ধরনের কাজ। চলন্ত সিঁড়িতে হাঁটা যাবে না, উল্টো দিকে মুখ করা যাবে না, খেলাধুলা তো একেবারেই নয়। এর পাশাপাশি রয়েছে সাতটি নির্দেশনা—হাতল ধরে চলতে হবে, ছোট শিশুদের শক্ত করে ধরে রাখতে হবে, নরম জুতা পরলে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। বাস্তবে অবশ্য সিঁড়িটি অন্য যেকোনো চলন্ত সিঁড়ির মতোই স্বাভাবিক। যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ওঠানামা করছেন, আর বেশির ভাগ মানুষ সতর্কবার্তাটির দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছেন না। মেট্রোর প্রবেশপথের নিরাপত্তাব্যবস্থাও অনেকটা একই রকম। ধাতু শনাক্তকারী ফটক, ব্যাগ পরীক্ষা করার - [একের পর এক ধাক্কা: নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আসিয়ান কতটা প্রস্তুত?](https://sarakhon.com/news/183532/): এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যখন একক কোনো সংকটকে আলাদা করে বোঝা কঠিন হয়ে উঠেছে। চীনের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য উত্তেজনা, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত, হরমুজ প্রণালির অস্থিরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার—সবগুলো প্রবাহ একই সময়ে ব্যবসা ও অর্থনীতিকে নতুন করে সাজতে বাধ্য করছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য এর অর্থ আরও জটিল। উৎপাদনব্যবস্থা বদলাচ্ছে, সরবরাহ শৃঙ্খল নতুন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক ঝুঁকি ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তের কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। ফলে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সামনে প্রশ্নটি এখন শুধু প্রবৃদ্ধি কত হবে তা নয়; বরং পরবর্তী ধাক্কা এলে তারা কত দ্রুত সামলে উঠতে পারবে। - [চীন-রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার হুমকিতে জাপানের গোয়েন্দা ব্যবস্থায় বড় সংস্কার](https://sarakhon.com/news/183582/): জাপান অবশেষে তার দীর্ঘদিনের দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা কাঠামো বদলানোর পথে হাঁটছে। ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠা এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চীনের সামরিক উত্থান, রাশিয়ার আগ্রাসী তৎপরতা এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার মধ্যে টোকিও বুঝতে পারছে—অন্যের গোয়েন্দা তথ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতায় ৩১ জুলাই জাপান নতুন ‘জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরো’ প্রতিষ্ঠা করেছে। এর মাধ্যমে দেশটির গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও কার্যকর করার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত উদ্যোগ শুরু হলো। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে এই ব্যুরো প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নতুন জাতীয় গোয়েন্দা পরিষদ গঠনকে বৃহত্তর গোয়েন্দা সংস্কারের প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন। যুদ্ধের পর যে গোয়েন্দা কাঠামো ছড়িয়ে পড়েছিল - [ইউক্রেনকে সাহায্যে শুল্ক নয়, দরকার আরও কার্যকর মার্কিন কৌশল](https://sarakhon.com/news/183581/): রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ বন্ধ করবেন তখনই, যখন তাঁর কাছে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার খরচ শান্তি প্রতিষ্ঠার খরচের চেয়ে বেশি বলে মনে হবে। তাই ইউক্রেন ও তার মিত্রদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মস্কোকে বোঝানো—এই যুদ্ধ জয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই এবং যুদ্ধ চালিয়ে গেলে রাশিয়াই আরও দুর্বল হবে। রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেট রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যে একটি বিল পাস করেছে। বিলটিতে রাশিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তা, জ্বালানি প্রকল্প ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ বজায় রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য। সিনেটে বিলটি - [ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র ফেরানোর পথে আমেরিকার নতুন কৌশল](https://sarakhon.com/news/183575/): ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার মার্কিন উদ্যোগ শুরুতে যতটা অনিশ্চিত মনে হয়েছিল, এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ততটাই আশাব্যঞ্জক হয়ে উঠছে। দেশটির স্বৈরশাসক নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ে বেশি আগ্রহ দেখালেও দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব কমই গুরুত্ব দিয়েছিলেন। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে মাদুরোর সাবেক সহযোগী দেলসি রদ্রিগেজকে দায়িত্ব দেওয়ায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, পুরোনো দমনমূলক শাসনব্যবস্থাই হয়তো নতুন রূপে টিকে থাকবে। তবে এখন সেই আশঙ্কার বিপরীতে কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। লাতিন আমেরিকার বামপন্থী স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে রুবিওর আগ্রহ রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন তাঁকে তুলনামূলকভাবে - [দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফের ভয়াবহ ধোঁয়াশার শঙ্কা, ২০১৫-এর বিপর্যয় থেকে কি শিক্ষা নিয়েছে অঞ্চলটি?](https://sarakhon.com/news/183576/): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আবারও ভয়াবহ ধোঁয়াশা বা বিষাক্ত কুয়াশার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এ বছরের ধোঁয়াশা এক দশক আগের ভয়াবহ সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে। ২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বন ও পিটভূমিতে ভয়াবহ আগুনের কারণে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়েছিল যে ইন্দোনেশিয়ার তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট জুসুফ কাল্লা প্রতিবেশীদের উদ্দেশে ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন, বছরের ১১ মাস ইন্দোনেশিয়ার কাছ থেকে তারা ভালো বাতাস উপভোগ করেন, অথচ কখনো ধন্যবাদ জানান না। সেই মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছিল একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট, যেখানে - [তালেবানকে একঘরে করে নয়, আফগানিস্তানে কৌশলী যোগাযোগের ডাক](https://sarakhon.com/news/183564/): আফগানিস্তানের তালেবান শাসনব্যবস্থা কঠোর, দমনমূলক এবং মানবাধিকারবিরোধী—এমন সমালোচনা থাকলেও দেশটিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে রাখার নীতি পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য কার্যকর হচ্ছে না। বরং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় তালেবানের সঙ্গে সীমিত ও কৌশলগত যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আফগানিস্তানে তালেবানের কঠোর শাসন ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান দ্রুত ক্ষমতা দখল করে। এরপর বড় ধরনের যুদ্ধ অনেকটাই থেমে গেলেও দেশটিতে মানুষের জীবন স্বাভাবিক হয়নি। নারীদের কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা থেকে দূরে রাখা, মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষায় বাধা, পুরুষ অভিভাবক ছাড়া নারীদের চলাচলে বিধিনিষেধ এবং ধর্মীয় পুলিশের কঠোরতা আফগান সমাজকে আরও সংকুচিত করেছে। তালেবান নেতৃত্বের কঠোরপন্থীরা এখনো ক্ষমতার কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছে। তুলনামূলক উদার মনোভাবের - [ভেনিসে ভারতের সাফল্য, ওসাকায় ব্যর্থতা—এক বছরেই বদলে গেল ছবিটা](https://sarakhon.com/news/183567/): একই মন্ত্রণালয়, একই রাজনৈতিক নেতৃত্ব, অথচ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক দুই মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক উপস্থাপনায় দেখা গেল সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। জাপানের ওসাকা বিশ্বমেলায় ভারতের প্যাভিলিয়ন যেখানে বিশৃঙ্খলা, বিলম্ব ও গতানুগতিকতার কারণে সমালোচিত হয়েছিল, সেখানেই ভেনিসের সমকালীন শিল্প প্রদর্শনীতে ভারতের প্যাভিলিয়ন প্রশংসা কুড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। ওসাকার বিশ্বমেলায় ভারতের প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন হয়েছিল নির্ধারিত সময়ের দুই সপ্তাহেরও বেশি পরে। সেখানে প্রাচীন মন্দির, পুরোনো চিত্রকর্ম এবং নানা প্রদর্শনীকে অনেকটাই গতানুগতিক পর্যটন প্রচারের মতো মনে হয়েছিল। এর সঙ্গে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন বক্তব্য ও অনুপ্রেরণামূলক আলোচনার আয়োজন। ফলে পুরো ব্যবস্থাপনাকে অনেকেই ভারতের প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু ভেনিসে এসে সেই একই সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের - [ইরান যুদ্ধ ও আমেরিকার বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষয়: বিশ্ব কেন এখন বিকল্প নিরাপত্তা খুঁজছে](https://sarakhon.com/news/183558/): সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এমন এক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যা কয়েক বছর আগেও প্রায় অকল্পনীয় মনে হতো। সৌদি আরব ও তুরস্ক—যারা দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী—এখন পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে এমন একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হয়েছে, যেখানে এক দেশের ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনকে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ হিসেবে দেখলে এর গভীর তাৎপর্য ধরা পড়বে না। এর পেছনে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির ওপর বিশ্বের আস্থা কতটা অবশিষ্ট আছে? মূল বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কূটনৈতিক আচরণের চেয়েও বড়। ইরান যুদ্ধ এবং তার আশপাশের ঘটনাপ্রবাহ দেখাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যে রাজনৈতিক - [চীনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু চিকিৎসা এখনো ধনীদের নাগালে](https://sarakhon.com/news/183561/): চীনে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়লেও চিকিৎসা ও পরামর্শসেবা এখনো সবার নাগালের মধ্যে আসেনি। দীর্ঘদিনের সামাজিক সংকোচ, চিকিৎসকের ঘাটতি, অনিয়ন্ত্রিত বেসরকারি পরামর্শসেবা এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসার কারণে দেশটির কোটি কোটি মানুষ মানসিক সমস্যায় ভুগলেও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন না। চীনের দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থা, তীব্র প্রতিযোগিতা এবং কর্মজীবনের চাপ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে দেশটিতে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মানুষ কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় প্রতি সাতজনের একজন মানসিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। গবেষণা অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের তুলনায় মানসিক রোগীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ - [বদলে যাওয়া রাজনৈতিক বাস্তবতায় আবারও ১৫ আগস্ট, নেই রাষ্ট্রীয় আয়োজন](https://sarakhon.com/news/183548/): আজ ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য হত্যাকাণ্ডের ৫১তম বার্ষিকী। তবে এবারও দিনটি ঘিরে নেই কোনো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর টানা তৃতীয় বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটি পালনের কোনো আয়োজন দেখা যাচ্ছে না। সারাক্ষণ রিপোর্ট ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নেতা ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন তাঁর পরিবারের ১৮ সদস্যও নিহত হন। নেই সরকারি আয়োজন শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারগুলোতে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস - [ঝু রোংজি: চীনের শেষ বড় সংস্কারক, যাঁর জায়গা শি জিনপিংয়ের চীনে নেই](https://sarakhon.com/news/183555/): চীনের অর্থনৈতিক ইতিহাসে ঝু রোংজির নাম উচ্চারিত হয় এক বিশেষ সময়ের প্রতীক হিসেবে। তিনি ছিলেন বাস্তববাদী, স্পষ্টভাষী এবং পরিবর্তনের পক্ষে দৃঢ় এক নেতা। ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় তিনি দেশটির অর্থনীতিকে আরও উন্মুক্ত করেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার করেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে চীনের সম্পর্ক গভীর করার পথে বড় ভূমিকা রাখেন। ২০০১ সালে চীনকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যুক্ত করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ঝু রোংজির সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়। তাঁর সময়ের চীন ছিল এমন একটি দেশ, যেখানে অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভেতরেই তুলনামূলকভাবে বেশি বিতর্ক, মতপার্থক্য ও সম্মিলিত নেতৃত্বের - [গারো পাহাড়ে হাতি বাড়ছে, কমছে বন: শেরপুরে বাড়ছে মানুষ-হাতির সংঘাত](https://sarakhon.com/news/183552/): শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্য হাতির সংখ্যা বাড়লেও তাদের আবাসস্থল ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। নির্বিচারে গাছ কাটা, বনভূমি দখল, অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝরনা ও জলধারা শুকিয়ে যাওয়ায় হাতির খাদ্য ও পানির উৎস কমে যাচ্ছে। ফলে ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত হাতির পাল বন ছেড়ে লোকালয় ও কৃষিজমিতে ঢুকে পড়ছে। এতে মানুষ ও হাতির সংঘাত যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রাণ হারাচ্ছে উভয় পক্ষই। হাতি এখন আর শুধু পরিযায়ী নয় দীর্ঘদিন ধরে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের বনাঞ্চল থেকে এশীয় হাতির পাল সীমান্ত পেরিয়ে শেরপুরের গারো পাহাড়ে আসত। একসময় তাদের মূলত পরিযায়ী বা মৌসুমি অতিথি হিসেবেই দেখা হতো। কিন্তু পরিস্থিতি বদলেছে। এখন গারো পাহাড়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক - [মিয়ানমারের দাবি, বাংলাদেশে ১০ লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশের তথ্য সঠিক নয়](https://sarakhon.com/news/183549/): মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশের তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে একপাক্ষিক ও ভুল তথ্যনির্ভর বলে উল্লেখ করে মিয়ানমার তাদের হিসাব তুলে ধরে। রাখাইন থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের হিসাব মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, ২০১৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের আগস্টে আরসা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হামলার পর উত্তর রাখাইনে সংঘাত ও নিরাপত্তা অভিযানের প্রেক্ষাপটে বিপুলসংখ্যক মানুষ এলাকা ছেড়ে যায়। দেশটির ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে বিপুলসংখ্যক ‘বাঙালি’ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। মিয়ানমারের দেওয়া হিসাব বলছে, আরসার হামলার আগে বুথিডং, মুংডো ও রাথেডং এলাকায় ৭ লাখ ৪০ হাজারের বেশি - [ডারউইন টেস্টে এগিয়ে বাংলাদেশ, ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া](https://sarakhon.com/news/183542/): ডারউইনে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে চালকের আসনে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে শেষ সেশনে ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানের জবাবে দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান। অস্ট্রেলিয়া এখনো বাংলাদেশের চেয়ে ২৬৫ রানে পিছিয়ে। শেষ সেশনে গ্রিন-কেরির প্রতিরোধ দিনের শেষ ভাগে ক্যামেরন গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি উইকেট ধরে রেখে অস্ট্রেলিয়াকে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেন। গ্রিন ৪৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন, আর ক্যারির সংগ্রহ ১৯। দুজন মিলে অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানের জুটি গড়ে নিরাপদে দিনের খেলা শেষ করেন। গ্রিন ৮৬ বল মোকাবিলা করে দুটি চার মেরেছেন। ক্যারি খেলেছেন ৫০ বল। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ - [ভাঙা ভাস্কর্যে মুছে যাচ্ছে ইতিহাস, ঢাবির ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ কমপ্লেক্স এখন নীরব ধ্বংসস্তূপ](https://sarakhon.com/news/183538/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ ভাস্কর্য কমপ্লেক্সে প্রায় দুই বছর ধরে দৃশ্যমান হয়ে আছে ধ্বংসের ক্ষত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ভাঙচুরের শিকার হওয়া অধিকাংশ ভাস্কর্য এখনো মাটিতে পড়ে আছে। কোথাও ছড়িয়ে আছে বিচ্ছিন্ন মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ, আবার কিছু ভাস্কর্য দাঁড়িয়ে থাকলেও সেগুলোতেও স্পষ্ট ভাঙচুরের চিহ্ন। একসময় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাস্কর শামীম সিকদারের নির্মিত এই কমপ্লেক্সে ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ঘটনাবলিকে তুলে ধরা প্রায় ১১৬টি ভাস্কর্য। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ—দেশের ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এসব ভাস্কর্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ কমপ্লেক্সটি শুধু একটি ভাস্কর্যস্থল ছিল না; এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক - [২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা](https://sarakhon.com/news/183539/): দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি সোনার দাম বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র এক দিন আগেই ২২ ক্যারেট সোনার দাম একই পরিমাণ, অর্থাৎ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছিল। ফলে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানেই আগের মূল্যহ্রাস কার্যত প্রত্যাহার করে আবার দাম বাড়ানো হলো। নতুন দামে কোন সোনার কত বাজুসের - [গ্যাস আছে, কিন্তু গ্যাস নেই: বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের আসল হিসাব](https://sarakhon.com/news/183527/):   বাংলাদেশের গ্যাস সংকটকে এতদিন অনেকটা সাময়িক সরবরাহ ঘাটতি হিসেবে দেখা হয়েছে। কোনো গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন কমেছে, কোনো এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়েছে, কখনো আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে—প্রতিবারই সংকটের ব্যাখ্যা এসেছে আলাদা আলাদা কারণে। কিন্তু এখন যে চিত্রটি সামনে আসছে, তা আরও কঠিন: বাংলাদেশের গ্যাস সংকট আসলে একটি কাঠামোগত সমস্যা, যার ওপর একের পর এক বৈশ্বিক ধাক্কা এসে চাপ বাড়াচ্ছে। ১৩ আগস্টের পরিস্থিতিতে গ্যাসের ঘাটতি এতটাই তীব্র হয়েছে যে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দোকান, বাজার ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে জাতীয় গ্রিডে পিক আওয়ারে কয়েকশ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং - [সবজির দামে নতুন ঝড়: সার সংকট, বিশ্ববাজার ও বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের খাবারের ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/183524/): সকালবেলার বাজারে একজন ক্রেতার হাতে এক হাজার টাকা। একসময় এই টাকায় আলু, বেগুন, শসা, করলা, পটোল, ঢ্যাঁড়শ আর টমেটো—কয়েক ধরনের সবজি নিয়ে বাড়ি ফেরা যেত। এখন সেই একই নোটের বড় অংশ শেষ হয়ে যায় দুই-তিন ধরনের সবজি কিনতেই। ঢাকার বাজারে ২০১৭ সালের সঙ্গে তুলনা করলে বেগুন, শসা, ধুন্দল, বরবটি, করলা ও টমেটোর মতো পরিচিত সবজির দাম অনেক ক্ষেত্রে দ্বিগুণ বা তিন গুণেরও বেশি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক বাজার-তুলনায় দেখা গেছে, ২০১৭ সালে প্রতি কেজি গোল বেগুনের জাতীয় গড় খুচরা দাম ছিল প্রায় ৪১ টাকা; এখন রাজধানীর বাজারে সেটি ১৫০ টাকায় উঠেছে। শসা ৩০ টাকার কাছাকাছি থেকে বেড়ে ৮০-১০০ টাকা, ধুন্দল প্রায় ২৯ - [জঙ্গিদের হাতে রিমোট নিয়ন্ত্রিত বোমা, সাভার-আশুলিয়ায় পরপর উদ্ধারে পুলিশের উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/183517/): ঢাকা ও ঢাকার উপকণ্ঠে পরপর কয়েকটি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় দেশে সক্রিয় উগ্রবাদীদের হাতে রিমোট নিয়ন্ত্রিত বোমা থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। পুলিশের দাবি, আশুলিয়া ও সাভার থেকে উদ্ধার করা দুটি ‘প্রেশার কুকার’ বোমাই দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানোর উপযোগী ছিল। এর আগে ফরিদপুরেও রিমোট নিয়ন্ত্রিত একটি বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ। সাভার-আশুলিয়ায় পরপর বোমা উদ্ধার আশুলিয়ার চারাবাগে একটি চায়ের দোকানের সামনে ফেলে যাওয়া ‘প্রেশার কুকার’ বোমা থেকে একটি রিমোট উদ্ধার করে পুলিশ। কর্মকর্তারা জানান, রিমোটটি মোটরসাইকেলের বৈদ্যুতিক লকে ব্যবহৃত ধরনের এবং সেটি দিয়ে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব ছিল। এর দুই সপ্তাহ পর সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের একটি মাঠে পাওয়া আরেকটি ‘প্রেশার কুকার’ বোমাকেও রিমোট - [নেপালে তিব্বতবিষয়ক সম্মেলন বাতিল, চীনের চাপ নিয়ে তীব্র বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/183513/): নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে চলতি মাসে অনুষ্ঠেয় তিব্বতবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ মুহূর্তে বাতিল হওয়ায় দেশটির ওপর চীনের চাপের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় সম্মেলনটিতে প্রায় ৭০০ গবেষক ও শিক্ষাবিদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তাঁদের মধ্যে চীনের কয়েকজন গবেষকও ছিলেন। সম্মেলন বাতিলের নেপথ্যে কী সম্মেলনটির আয়োজক আন্তর্জাতিক তিব্বতবিষয়ক গবেষণা সমিতি জানিয়েছে, নেপাল সরকারের অনুরোধেই অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে। তবে নেপাল সরকার এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। আয়োজকদের দাবি, একটি সম্পূর্ণ শিক্ষাবিষয়ক আয়োজনে এ ধরনের হস্তক্ষেপ অপ্রত্যাশিত ও অনভিপ্রেত। কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের হিমালয় এশীয় গবেষণা কেন্দ্র, যা সম্মেলনের স্থানীয় আয়োজক ছিল, জানিয়েছে, সরকারের নির্দেশেই - [ভারত নান্দেডের গুরুদ্বারে সুখবীর বাদলের ওপর হামলা, হাতে সামান্য আঘাত](https://sarakhon.com/news/183505/): মহারাষ্ট্রের নান্দেড জেলার একটি গুরুদ্বারে সফরের সময় শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি ও পাঞ্জাবের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় তাঁর হাতে সামান্য আঘাত লাগে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী নিহাং সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত এবং গুরুদ্বারের একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন। কৃপাণ নিয়ে হামলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নান্দেডের মাতা সাহিব গুরুদ্বারে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে কৃপাণ দিয়ে হামলা চালানো হয়। তবে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পরিদর্শক দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাঁকে রক্ষা করেন। হামলার সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাও আহত হন। নান্দেডের পুলিশ সুপার অবিনাশ কুমার জানিয়েছেন, হামলায় দুজন জড়িত থাকার যে দাবি উঠেছিল, তা সঠিক নয়। তাঁর বক্তব্য - [বিরোধীদের ঐক্যে চাপে মোদি সরকার, পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ বিল ঠেকানোর দাবি কংগ্রেসের](https://sarakhon.com/news/183503/): ভারতের সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের ঐক্য ও সমন্বয়ের কারণে নরেন্দ্র মোদি সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত আইন পাস করাতে পারেনি বলে দাবি করেছে কংগ্রেস। দলের অভিযোগ, পুরো অধিবেশনজুড়ে সরকারকে ‘ভীত ও চাপে’ থাকতে হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে গেছেন। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেনুগোপাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু পুরো অধিবেশনজুড়েই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেই দায়িত্ব থেকে সরে থেকেছেন বলে তাঁর দাবি। বিরোধীদের ঐক্যই বড় সাফল্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ দলের উপনেতা গৌরব গগৈকে সঙ্গে নিয়ে - [ভারত খড়গের সভাস্থল ‘শুদ্ধিকরণ’ নিয়ে উত্তাল উত্তরাখণ্ড, বিজেপির বিরুদ্ধে জাতপাতের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/183494/): কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গের জনসভা শেষ হওয়ার দুই দিন পর উত্তরাখণ্ডের হালদোয়ানির একটি সরকারি মাঠে কথিত ‘শুদ্ধিকরণ’ আচারকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, দলিত নেতা খড়গের সভাস্থলকে এভাবে ‘শুদ্ধ’ করার ঘটনা বিজেপির জাতপাতভিত্তিক মানসিকতার প্রকাশ। বিজেপি অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাজ্যসভায় সরব খড়গ গত ৮ আগস্ট ওই মাঠেই কংগ্রেসের ‘বিজয় শঙ্খনাদ’ জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন মল্লিকার্জুন খড়গ। অভিযোগ, ১০ আগস্ট শ্রী রাম সেনার কয়েকজন সদস্য একই স্থানে একটি ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠান করেন। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় বিষয়টি তুলে ধরে খড়গ বলেন, ঘটনাটি তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছে। তিনি আচারটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান এবং প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের আচরণ সাংবিধানিক ও - [মোদির বিদেশনীতি নিয়ে রাহুলের কটাক্ষ, ‘মোদিভক্ত’ হয়ে দেশের লাভ হবে না: খার্গে](https://sarakhon.com/news/183491/): ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গে অভিযোগ করেছেন, সংসদে বিরোধীদের এড়িয়ে চলছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কাজ করা সংগঠনটির জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেন রাহুল গান্ধী। সেখানে তিনি মোদির বিদেশনীতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে বলেন, বিদেশনীতি যেন বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলিঙ্গনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। নিজের বক্তব্য বোঝাতে সম্মেলনের প্রধান সন্দীপ দীক্ষিতকে আলিঙ্গনও করেন রাহুল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশনীতি যে বিশ্বনেতাদের আলিঙ্গন করার বিষয়—এমন ধারণা প্রধানমন্ত্রী কোথা থেকে পেলেন? ভারতের ওপর ‘শৃঙ্খলা’ চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, ভারতকে একটি - [উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস ও পানির স্রোত, আটকা পড়ার আশঙ্কা ৬ শ্রমিকের](https://sarakhon.com/news/183489/): ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার পিপলকোটি এলাকায় নির্মাণাধীন একটি সুড়ঙ্গে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে অন্তত ছয় শ্রমিক আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় সুড়ঙ্গে থাকা ২২ শ্রমিকের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। উদ্ধার অভিযানে সেনাসহ একাধিক বাহিনী ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে কাজ শুরু করেন। উদ্ধারকারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সুড়ঙ্গের ভেতরে পৌঁছে শ্রমিকদের নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা করছেন। প্রবল বৃষ্টি ও ধ্বংসাবশেষের কারণে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। সব শ্রমিককে - [তরুণ শক্তির আবেগে সাজছে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস](https://sarakhon.com/news/183486/): ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপনে এবার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে দেশের তরুণ প্রজন্ম। আগামী ১৫ আগস্ট নয়াদিল্লির লালকেল্লায় আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে তরুণদের শক্তি, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ ভারতের নির্মাণে তাদের ভূমিকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক লালকেল্লায় জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ বিশেষভাবে পরিবেশিত হবে। এবারের আয়োজনের অন্যতম বিশেষ দিক হলো ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গঠনের লক্ষ্যে দেশের তরুণদের অবদান ও আকাঙ্ক্ষাকে সামনে তুলে ধরা হবে। আয়োজনে প্রজন্ম-জেড এবং তরুণ শক্তির অংশগ্রহণকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তরুণদের অংশগ্রহণে নতুন আবহ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২ - [৫৪৩ আসনেই লোকসভা স্থির রাখার দাবি, মোদিকে চিঠি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর](https://sarakhon.com/news/183483/): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩-তেই স্থায়ীভাবে স্থির রাখার দাবি জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্যগুলোর মধ্যে বর্তমানে যে অনুপাতে লোকসভা আসন বণ্টন করা হয়, তা বজায় রাখার জন্য সংবিধান সংশোধনেরও দাবি তুলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার পাঠানো চিঠির সঙ্গে তিনি ১২ আগস্ট তামিলনাড়ু বিধানসভায় গৃহীত একটি প্রস্তাবের অনুলিপি সংযুক্ত করেন। ওই প্রস্তাবে লোকসভা আসনের সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি নারী প্রতিনিধিত্বের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ কার্যকর করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩ রাখার দাবি তামিলনাড়ু বিধানসভার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, লোকসভার মোট আসন ৫৪৩-তেই স্থায়ীভাবে নির্দিষ্ট রাখা হোক। পাশাপাশি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টনের - [রাজস্থানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথে বড় পদক্ষেপ, ২৯ প্রজাতির গাছ পাবে বিশেষ সুরক্ষা](https://sarakhon.com/news/183480/): রাজস্থানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পথে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ভজনলাল শর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যের বৃক্ষসম্পদ রক্ষায়ও নতুন আইন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল এবং বৃক্ষ সুরক্ষা বিল অনুমোদন করেছে। আগামী ২০ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া রাজস্থান বিধানসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনে দুটি বিলই উত্থাপন করা হবে। পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থা নির্বাচন সামনে রেখে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার আগেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল। এর মধ্য দিয়ে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোর মধ্যে রাজস্থানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের উদ্যোগ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। বিয়ে, বিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারে অভিন্ন কাঠামো প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির আওতায় বিয়ে, - [ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে ৫০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, বাড়ানো হলো নিরাপত্তা](https://sarakhon.com/news/183477/): ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলন ২০তম দিনে গড়িয়েছে। এর মধ্যেই বিধানসভা অভিমুখে মিছিলের ঘটনায় পাঁচ শতাধিক অজ্ঞাতপরিচয় বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তবে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। পাঁচ শতাধিক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা সোমবার বিধানসভার দিকে মিছিলকে কেন্দ্র করে অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচ শতাধিক মানুষের বিরুদ্ধে প্রথম তথ্য প্রতিবেদন দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, মিছিলে শান্তিপূর্ণভাবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্য তাদের নয়; বরং যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করেছে, তাদের শনাক্ত করাই এই মামলার লক্ষ্য। রাঁচির জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা রাকেশ রঞ্জন বলেন, মিছিলের - [পশ্চিম এশিয়ার সংকটেও ভারতের পণ্য রপ্তানিতে ২০ শতাংশের উল্লম্ফন, বদলাচ্ছে বাণিজ্যের মানচিত্র](https://sarakhon.com/news/183474/): পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতার মধ্যেও ভারতের পণ্য রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটির পণ্য রপ্তানি প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আমদানি বেড়েছে তুলনামূলক কম, ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ। ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন বাজার ও বিকল্প বন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে ভারত তার রপ্তানি ব্যবস্থা আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলছে। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ বছরের জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ। বিপরীতে পণ্য আমদানি ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৬২০ কোটি ডলারে। পশ্চিম এশিয়ায় ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানো পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ ও - [ক্যামেরার ফ্রেমে বদলে যাওয়া ভারত: নেহরু-গান্ধী থেকে ক্ষমতার রাজনীতির দৃশ্যপট](https://sarakhon.com/news/183470/): ভারতের স্বাধীনতার পরের ইতিহাস শুধু বক্তৃতা, নির্বাচন, আন্দোলন কিংবা ক্ষমতার পালাবদলের গল্প নয়। এই ইতিহাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল তৈরি হয়েছে আলোকচিত্রে। ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দী হয়ে আছে নতুন একটি দেশের আত্মবিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, ক্ষমতার অন্তরঙ্গ মুহূর্ত এবং সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ভারতীয় রাজনীতির মুখ। স্বাধীনতার শুরুর বছরগুলোতে হোমাই ভ্যারাওয়ালা, কুলওয়ান্ত রায়সহ কয়েকজন পথিকৃৎ আলোকচিত্রী দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন, যেসব ছবি পরে হয়ে উঠেছে সময়ের প্রতীক। জওহরলাল নেহরু, মহাত্মা গান্ধীসহ তৎকালীন নেতাদের জনসমক্ষে উপস্থিতি, বিদেশি অতিথিদের অভ্যর্থনা, সভা, যাত্রা কিংবা নিভৃত মুহূর্ত—সবই উঠে এসেছে তাঁদের ক্যামেরায়। জিন্নাহর শেষ সংবাদ সম্মেলনেও ছিলেন হোমাই ভারত ভাগের ঠিক আগে ও পরে উপমহাদেশের ইতিহাসের - [কৃষকের ঘরে ধান, অথচ বিক্রির পথ নেই—কৃষ্ণসাগর অবরোধে ইউক্রেনের কৃষিতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183467/): রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় কৃষ্ণসাগর দিয়ে ইউক্রেনের কৃষিপণ্য রপ্তানি প্রায় থমকে যাওয়ায় দেশটির কৃষকরা এখন সবচেয়ে কঠিন সময়ের মুখোমুখি। মাঠে এবার ভালো ফলন হলেও সেই শস্য কোথায় বিক্রি করবেন, কীভাবে অর্থ সংগ্রহ করবেন এবং আগামী মৌসুমের চাষের খরচ জোগাবেন—এসব প্রশ্নেই গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম বড় গম, ভুট্টা ও সূর্যমুখী বীজ উৎপাদনকারী দেশ। এসব কৃষিপণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই কৃষ্ণসাগর হয়ে বিদেশে যায়। ফলে এই নৌপথে রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় শুধু কৃষকরাই নন, দেশটির যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিও নতুন চাপের মধ্যে পড়েছে। ভালো ফলন, কিন্তু বিক্রির বাজার নেই ঝিতোমির অঞ্চলের কৃষক সেরহি রিবালকো যুদ্ধ শুরুর পর রুশ দখলের কারণে তার জমির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হারিয়েছেন। - [ব্রিটেনে খাদ্যপণ্যের দাম কমার স্বস্তি, তবে সামনে নতুন শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183464/): ব্রিটেনে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই কমে এসেছে। চলতি বছরের জুনে দেশটিতে খাদ্য ও অ্যালকোহলবিহীন পানীয়ের দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হার এবং মে মাসের ২ দশমিক ২ শতাংশের তুলনায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অথচ কয়েক মাস আগেও পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর জ্বালানির ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ব্রিটেনের খাদ্যশিল্প আশঙ্কা করেছিল, বছরের শেষ নাগাদ খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। কিন্তু সেই আশঙ্কা বাস্তবে রূপ নেয়নি। তীব্র বাজার প্রতিযোগিতা, ভোক্তাদের বাড়তি দাম দিতে অনীহা এবং সরবরাহকারীদের আগাম ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কৌশল খাদ্যপণ্যের দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে - [স্বাধীনতার সুরে কবিতা ও গান, যে শিল্প আজও জাগিয়ে রাখে দেশপ্রেমের আগুন](https://sarakhon.com/news/183461/): ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস শুধু যুদ্ধ, আন্দোলন আর রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস নয়। এই ইতিহাসের গভীরে মিশে আছে কবিতার আবেগ, গানের সুর, শিল্পের সৌন্দর্য এবং মানুষের হৃদয়ে জ্বলে ওঠা এক অদম্য স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। স্বাধীনতার আগে যোগাযোগের আধুনিক মাধ্যম ছিল না, ছিল না আজকের মতো দ্রুত সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা। তবু কবির কলম, শিল্পীর কণ্ঠ আর সুরকারের সুর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দিয়েছিল মুক্তির বার্তা। পরাধীন ভারতের মানুষের কাছে দেশপ্রেমের গান ছিল কখনো সাহসের ভাষা, কখনো প্রতিবাদের অস্ত্র, আবার কখনো ছিল অন্ধকারের মধ্যে আশার প্রদীপ। কবিতার পঙ্‌ক্তিতে মানুষ শুনেছে স্বাধীনতার ডাক, গানে খুঁজে পেয়েছে আত্মত্যাগের অনুপ্রেরণা। কারাগারের অন্ধকার, ঔপনিবেশিক শাসকের নির্যাতন, বিপ্লবীদের - [সিওডো ব্যান্ডের ‘জোসন পপ’: ছন্দের সূত্র নয়, অনুভূতিই যেখানে আসল](https://sarakhon.com/news/183457/): দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতজগতে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছে সিওডো ব্যান্ড। প্রচলিত রকসংগীতের বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে প্যানসোরির আবেগ ও কণ্ঠশৈলী মিলিয়ে দলটি তৈরি করেছে নিজস্ব সংগীতধারা, যাকে অনেকে ‘জোসন পপ’ নামে অভিহিত করেন। তবে ব্যান্ডটির সদস্যদের কাছে এই সংগীত কোনো নির্দিষ্ট ছন্দ, সুর বা কারিগরি সূত্রের বিষয় নয়; বরং এটি অনুভূতির প্রকাশ। ত্রিশ মিনিটের গান থেকেই পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করা সিওডো ব্যান্ডের শুরুটা ছিল বেশ সাধারণ একটি সমস্যাকে ঘিরে। পরিবেশনায় প্রায় আধা ঘণ্টা গান গাওয়ার প্রয়োজন ছিল, কিন্তু তখনও তাদের হাতে পর্যাপ্ত গান ছিল না। সমাধান খুঁজতে গিয়ে দলটি নজর দেয় ঐতিহ্যবাহী প্যানসোরি ‘চুনহিয়াংগা’র দিকে। এর গুরুত্বপূর্ণ - [মার্কিন ভক্তদের কাছে জনপ্রিয়তায় নতুন রেকর্ড গড়ল বিটিএস](https://sarakhon.com/news/183454/): মার্কিন সংগীতপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয়তা ও পরিচিতির নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতদল বিটিএস। সংগীতের তথ্য ও বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান লুমিনেটের সর্বশেষ জরিপে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বিটিএসের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও ইতিবাচক মনোভাব এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। পরিচিতিতে অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে লুমিনেটের দ্বিতীয় প্রান্তিকের জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সংগীতশ্রোতাদের ৪২ শতাংশ বিটিএসকে চেনেন। গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে দলটির সর্বোচ্চ পরিচিতির হার ছিল ৪৩ শতাংশ। সব শিল্পী মিলিয়ে গড় পরিচিতির হার যেখানে ২৪ শতাংশ, সেখানে বিটিএসের হার ৪২ শতাংশ। জরিপে থাকা ২২টি কোরীয় সংগীতদলের গড় পরিচিতির হার মাত্র ১১ শতাংশ। বয়সভেদেও বিটিএসের পরিচিতি উল্লেখযোগ্য। ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ - [বিতর্কিত অডিওর জেরে এক্সডিনারি হিরোজ ছাড়লেন গুনিল](https://sarakhon.com/news/183451/): দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড এক্সডিনারি হিরোজ থেকে বিদায় নিয়েছেন দলটির নেতা ও ড্রামার গুনিল। ভক্তদের নিয়ে করা অনুপযুক্ত মন্তব্যের একটি অডিও রেকর্ডিং ছড়িয়ে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যান্ডটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট গুনিলের সঙ্গে একচেটিয়া চুক্তি বাতিল করেছে। এখন থেকে পাঁচ সদস্য নিয়ে কার্যক্রম চালাবে এক্সডিনারি হিরোজ। বিতর্কিত অডিও নিয়ে গুনিলের বক্তব্য বৃহস্পতিবার ভক্তদের জন্য নির্ধারিত অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে গুনিল বিতর্কের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তিনি দাবি করেন, অডিওতে ব্যবহৃত কঠোর ভাষা সাধারণ ভক্তদের উদ্দেশে ছিল না। বরং যারা তাকে হয়রানি ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করেছিল, তাদের নিয়েই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। গুনিল জানান, তিনি ব্যান্ডে - [অ্যাডরে ফেরার পর প্রথম একক কাজে নতুন রূপে নিউজিন্সের হেরিন](https://sarakhon.com/news/183449/): অ্যাডরে ফিরে আসার পর প্রথমবারের মতো একক কাজে দেখা দিলেন জনপ্রিয় দক্ষিণ কোরীয় গানের দল নিউজিন্সের সদস্য হেরিন। একটি খ্যাতনামা ফ্যাশন সাময়িকীর সেপ্টেম্বর সংখ্যার প্রচ্ছদে হাজির হয়ে তিনি ভক্তদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাস তৈরি করেছেন। নতুন সাজে হেরিন শুক্রবার প্রকাশিত প্রচ্ছদচিত্রে হেরিনকে দেখা গেছে আরও পরিণত ও আকর্ষণীয় রূপে। কোথাও হাতে সুগন্ধি, কোথাও ঠোঁটের প্রসাধনী, আবার কোথাও গোলাপ ধরে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ ছবিগুলোতে তাঁর বড় চোখ ও উঁচু নাকের গড়ন বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। প্রকাশের আগে সাময়িকীটির পক্ষ থেকে আংশিক আড়াল করা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, দীর্ঘদিন পর ভক্তদের প্রিয় এই তারকাকে আবার নতুন - [এশিয়ার প্রথম শিল্পী হিসেবে মারিয়া কালাস বিশেষ সম্মাননা পেলেন সুুমি জো](https://sarakhon.com/news/183442/): দক্ষিণ কোরিয়ার খ্যাতনামা সোপ্রানো শিল্পী সুুমি জো আন্তর্জাতিক ধ্রুপদি সংগীত ও অপেরায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘মারিয়া কালাস বিশেষ সম্মাননা’ অর্জন করেছেন। এই সম্মাননা পাওয়া প্রথম এশীয় শিল্পী হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছেন তিনি। ইতালির ভেরোনায় আন্তর্জাতিক মারিয়া কালাস উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সময় রোববার সম্মাননাটি গ্রহণ করেন সুুমি জো। তাঁর জনসংযোগ সংস্থা জানিয়েছে, এ বছর এই সম্মাননার ১২তম আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপেরায় অনন্য অবদান বিশ্বজুড়ে অপেরা ও ধ্রুপদি সংগীতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা শিল্পীদের সম্মান জানাতে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী অপেরা শিল্পী মারিয়া কালাসের স্মরণে সম্মাননাটি চালু করা হয়। এর - [হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণার হুমকি ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/183439/): হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণার হুমকি ট্রাম্পের রয়টার্স, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পরাজিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন নাগরিকদের কিছুটা বেশি জ্বালানি দামের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশের তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়। ইরান যুদ্ধ এবং প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। দুটি জাহাজে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি নৌ অবরোধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দামের ওপর নতুন - [দশম বার্ষিকীর দোরগোড়ায় ব্ল্যাকপিঙ্ক, তবু হতাশ ভক্তরা](https://sarakhon.com/news/183436/): দশ বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় দক্ষিণ কোরীয় সংগীতদল ব্ল্যাকপিঙ্ক। আগামী শনিবার দলটির আত্মপ্রকাশের এক দশক পূর্ণ হলেও এই বিশেষ মুহূর্তকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে হতাশা। কারণ, চার সদস্যকে একসঙ্গে নিয়ে বড় কোনো আয়োজন বা বিশেষ অনুষ্ঠানের ঘোষণা এখনো আসেনি। ২০১৬ সালে ‘স্কয়ার ওয়ান’ দিয়ে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাকপিঙ্ক। ‘হুইসল’ ও ‘বুমবায়াহ’র মতো গান দিয়ে শুরু হওয়া সেই পথ পরে ‘প্লেয়িং উইথ ফায়ার’, ‘হাউ ইউ লাইক দ্যাট’, ‘পিংক ভেনম’, ‘শাট ডাউন’ ও ‘জাম্প’-এর মতো জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত হয়। একসঙ্গে থেকেও আলাদা পথে চার সদস্য ২০২৩ সালের পর থেকে ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্যরা এক নতুন কাঠামোয় কাজ - [তাইওয়ানে ‘মেবি হ্যাপি এন্ডিং’-এর সাফল্য, ৯৭.৫ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি](https://sarakhon.com/news/183432/): দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সঙ্গীতনাট্য ‘মেবি হ্যাপি এন্ডিং’ তাইওয়ান সফর শেষ করেছে দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। নিউ তাইপেই সিটি আর্ট সেন্টারে ৩১ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত ১২টি প্রদর্শনীতে টিকিট বিক্রির হার ছিল ৯৭ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রায় পূর্ণ দর্শকাসন নিয়ে শেষ হওয়া এই আয়োজন দক্ষিণ কোরিয়ার মঞ্চনাট্যের আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তার নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। দুই পরিত্যক্ত রোবটের ভালোবাসার গল্প ভবিষ্যতের এক কল্পিত সিউল শহরকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সঙ্গীতনাট্যের গল্প। মানুষের যত্ন নেওয়ার জন্য তৈরি দুই সহায়ক রোবট অলিভার ও ক্লেয়ার একসময় নিজেদেরই এক পুরোনো আবাসিক ভবনে পরিত্যক্ত অবস্থায় খুঁজে পায়। বয়স ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের অস্তিত্ব যখন শেষের দিকে, তখনই তারা আবিষ্কার - [আট বছর পর সিউলে ফিরছেন অঙ্গবাদক দম্পতি অলিভিয়ার লাত্রি ও লি শিন-ইয়ং](https://sarakhon.com/news/183430/): আট বছর পর আবারও একসঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ফিরছেন বিশ্বখ্যাত অঙ্গবাদক দম্পতি অলিভিয়ার লাত্রি ও লি শিন-ইয়ং। আগামী ৬ অক্টোবর লোটে কনসার্ট হলে তাঁদের যৌথ পরিবেশনা ‘চার হাত’ দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে অঙ্গসংগীতের এক ব্যতিক্রমী রূপ। দুজনের একই আসনে পাশাপাশি বসে বাদ্যযন্ত্র বাজানো, চার হাতের সমন্বয় এবং পায়ের সূক্ষ্ম ছন্দময় চলাচল—সব মিলিয়ে তাঁদের পরিবেশনা শুধু সংগীত নয়, যেন এক ধরনের মঞ্চনাট্য। রামো থেকে শুরু করে স্ত্রাভিনস্কি পর্যন্ত নানা সুরকারের রচনা নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের অনুষ্ঠান। ভালোবাসা থেকে সংগীতের গভীর বোঝাপড়া অলিভিয়ার লাত্রি ও লি শিন-ইয়ংয়ের সম্পর্কের শুরুটা ছিল বেশ সংযত। লাত্রি যখন মাত্র ২৩ বছর বয়সে প্যারিসের নোত্র দাম গির্জার প্রধান - [কোরিয়ার শাস্ত্রীয় সংগীতে নতুন প্রজন্মের ঝলক, অভিষেক কনসার্টে মঞ্চ মাতাবেন তরুণ প্রতিভারা](https://sarakhon.com/news/183426/): দক্ষিণ কোরিয়ার শাস্ত্রীয় সংগীতের নতুন প্রজন্মকে সামনে আনতে বিশেষ আয়োজন করেছে কোরিয়ান চেম্বার অর্কেস্ট্রা। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সিউল আর্টস সেন্টারের দোয়াম হলে অনুষ্ঠিত হবে তাদের ২০২৬ সালের অভিষেক কনসার্ট। সন্ধ্যা ৫টায় শুরু হওয়া এই আয়োজনে প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে নির্বাচিত একদল তরুণ শিল্পী নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরবেন। উদ্বোধনেই কিশোর সুরস্রষ্টার নতুন সৃষ্টি অনুষ্ঠানের শুরুতেই থাকবে ‘নাখটলিশার মোনোলগ’ নামের একটি নতুন সুরকর্মের বিশ্ব পরিবেশনা। ২০২৬ সালের কোরিয়ান চেম্বার অর্কেস্ট্রার সুরসৃষ্টি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী লি তে-হোয়ানের এই সৃষ্টি বাঁশি, ভায়োলা ও পিয়ানোর জন্য রচিত। সিউলের সনহোয়া আর্টস হাই স্কুলের প্রথম বর্ষের এই কিশোর সংগীতস্রষ্টা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই সুর রচনা শুরু করেন। - [মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে চমক, দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/183424/): মালয়েশিয়ার অর্থনীতি চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন—এই দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালীভাবে এগিয়েছে। এ সময় দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন বা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৬ শতাংশ, যা প্রথম প্রান্তিকের ৫ দশমিক ৪ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি। অর্থনীতির এই গতি বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, ভোক্তাদের ব্যয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ অর্থনীতির এই অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। ভোক্তা ব্যয়ে জোরালো গতি দ্বিতীয় প্রান্তিকে মালয়েশিয়ার বেসরকারি ভোগব্যয় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। রেস্তোরাঁ ও হোটেল, পরিবহন এবং খাদ্যপণ্যে মানুষের ব্যয় বৃদ্ধি এই প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করেছে। উৎসব, মাঝবর্ষের স্কুল ছুটি এবং পর্যটন কার্যক্রমও - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শেয়ারে ধসের আবহে ভারতীয় পুঁজিবাজারে ফিরছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা](https://sarakhon.com/news/183419/): বছরের প্রথম ছয় মাসে বড় ধরনের বিক্রির পর আবারও ভারতীয় পুঁজিবাজারে ফিরতে শুরু করেছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি, ইতিবাচক কিছু অর্থনৈতিক সূচক এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানির শেয়ারের অতিমূল্যায়ন নিয়ে উদ্বেগ—সব মিলিয়ে ভারতীয় শেয়ারবাজারকে তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগস্থল হিসেবে দেখছেন অনেকে। বিক্রি থেকে কেনাকাটায় বিদেশিরা চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে বিপুল অর্থ তুলে নেন। এ সময় তাদের নিট বিক্রির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬৭০ কোটি ডলার। তবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আবার ভারতীয় শেয়ার কিনছেন। তাদের নিট বিনিয়োগের পরিমাণ ইতোমধ্যে ৩৮০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বাজারের ঝুঁকি কমানোর প্রবণতার পাশাপাশি ভারতের অর্থনীতির তুলনামূলক - [চীনের পণ্য ঘুরপথে আমেরিকায়, বছরে হারাচ্ছে হাজার কোটি ডলার: হোয়াইট হাউস](https://sarakhon.com/news/183417/): চীনা পণ্য তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ঘুরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢোকানোর অভিযোগে নতুন করে সরব হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই অবৈধ পণ্য পুনঃরপ্তানি ব্যবস্থার কারণে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ শুল্ক ও রাজস্ব হারাচ্ছে। ৪০টির বেশি দেশের দিকে অভিযোগের তীর হোয়াইট হাউসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা পণ্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে না পাঠিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে পণ্যের প্রকৃত উৎপত্তি গোপন করে তুলনামূলক কম শুল্কের সুবিধা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এ ধরনের একটি ছায়া বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সঙ্গে ৪০টির বেশি দেশ জড়িত থাকার ঝুঁকি রয়েছে। তালিকায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি কানাডা, মেক্সিকো, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতসহ একাধিক - [ভারতের ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে নতুন প্রশ্ন, বাড়ছে গাড়ির মালিকদের উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/183414/): ভারতে পেট্রলের সঙ্গে বেশি মাত্রায় ইথানল মিশিয়ে জ্বালানি ব্যবহারের সরকারি উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আমদানি করা তেলের ওপর নির্ভরতা কমানো ও কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য সামনে রেখে দেশজুড়ে ই২০ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো হলেও বিজ্ঞানী, বিশ্লেষক ও গাড়ির মালিকদের একাংশ এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। মূল উদ্বেগের জায়গা হলো জ্বালানির কার্যকারিতা কমে যাওয়া, পুরোনো গাড়ির যন্ত্রাংশে অতিরিক্ত ক্ষয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। বিশেষ করে যেসব গাড়ি বেশি মাত্রার ইথানল মিশ্রিত জ্বালানির উপযোগী করে তৈরি হয়নি, সেগুলো নিয়ে উদ্বেগ তুলনামূলক বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানির মান ও দূষণ নিয়েও গাড়ি নির্মাতাদের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ প্রকাশ্যে এসেছে। কেন ইথানলের দিকে - [তাইওয়ানের সামরিক মহড়ায় নতুন বার্তা, চীনের অবরোধ মোকাবিলায় বাস্তব প্রস্তুতি জোরদার](https://sarakhon.com/news/183410/): চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন কিংবা অবরোধ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই করতে টানা ১০ দিনের ব্যাপক সামরিক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা মহড়া শেষ করেছে তাইওয়ান। এবারের মহড়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ইচ্ছাকৃতভাবে মুঠোফোনের ইন্টারনেট যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটানোর পরীক্ষাও চালানো হয়েছে। তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মনে করছে, ভবিষ্যৎ সংঘাত কেবল সরাসরি সামরিক হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যোগাযোগব্যবস্থা অচল করা, তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার মতো বহুমাত্রিক কৌশলও এর অংশ হতে পারে। তাই এবার মহড়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যাতে যুদ্ধের সময় দ্বীপটির সামরিক ও বেসামরিক ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর থাকে, তা আরও বাস্তবভাবে যাচাই - [দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অতীত এড়িয়ে নয়, সরাসরি তাকানোর আহ্বান ইশিবার](https://sarakhon.com/news/183407/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ভূমিকা এবং সেই যুদ্ধের দায়বদ্ধতা নিয়ে দেশটিকে আরও গভীরভাবে অতীতের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা। তাঁর মতে, ইতিহাসের কঠিন অধ্যায় এড়িয়ে গেলে বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। প্রতি বছর ১৫ আগস্ট এশিয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি নতুন করে সামনে আসে। জাপানে দিনটি যুদ্ধের সমাপ্তি স্মরণের দিন হলেও জাপানের সাবেক উপনিবেশ ও আগ্রাসনের শিকার দেশগুলোতে একই দিন স্বাধীনতা ও মুক্তির স্মৃতি বহন করে। ফলে যুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে জাপান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য এখনো স্পষ্ট। লি কুয়ান ইউয়ের প্রশ্ন বদলে দিয়েছিল ইশিবার দৃষ্টিভঙ্গি ইশিবা জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউয়ের - [জাপানের অর্থনীতিকে চাঙা করতে তাকাইচির ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের মহাপরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/183404/): জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অর্থনীতিকে নতুন গতি দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিল্প উৎপাদন ও লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে বিশাল এক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়েছেন। প্রায় ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, শিল্পখাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘদিনের ঋণের চাপ সামলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা। শিল্পনীতিতে বড় বাজি তাকাইচি সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে জাপানের ঐতিহ্যবাহী শিল্প সক্ষমতার সমন্বয়। বিশেষ করে যন্ত্রপাতি, রোবট ও স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার মাধ্যমে জাপান বৈশ্বিক শিল্প প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চায়। দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের কিতাকিউশুতে ইয়াসকাওয়া ইলেকট্রিকের নতুন কারখানায় এর একটি বাস্তব উদাহরণ দেখা যাচ্ছে। সেখানে একটি - [গ্রেপ্তারের নামে ইচ্ছেমতো নয়, নাগরিকের স্বাধীনতার পাশে সুপ্রিম কোর্ট](https://sarakhon.com/news/183401/): ভারতে কাউকে গ্রেপ্তার করা মানেই রাষ্ট্রের হাতে সীমাহীন ক্ষমতা চলে যাওয়া নয়। একজন নাগরিকের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের অধিকারও সমানভাবে সুরক্ষিত। সাম্প্রতিক এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় একজন ব্যক্তিকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, সেই কারণ স্পষ্ট ও অর্থবহভাবে জানানো রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। শুধু স্বজনকে গ্রেপ্তারের খবর জানানো কিংবা অস্পষ্ট কোনো নথি তৈরি করলেই সেই দায়িত্ব পূরণ হয় না। এই অবস্থান ভারতের সংবিধানের ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদে থাকা ব্যক্তিস্বাধীনতা ও গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করেছে। আদালতের বক্তব্যের মূল দর্শন হলো—রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োজনীয় হলেও তা যেন কোনোভাবেই নাগরিকের স্বাধীনতার ওপর স্বেচ্ছাচারী হস্তক্ষেপে পরিণত না হয়। গ্রেপ্তারের - [স্বরাষ্ট্রে অ্যানি, স্থানীয় সরকারে সালাহউদ্দিন: মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল](https://sarakhon.com/news/183394/): বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের ঘোষণা আসার পর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সরিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পাচ্ছেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি। বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রীদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জারি হতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন সালাহউদ্দিন আহমদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন - [বাঙালি জাতির শোক দিবস ও ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪](https://sarakhon.com/news/183395/): ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বাঙালি জাতির শোক দিবস। আর একজনও যদি বাঙালিত্বকে ধারণ করেন তিনি এ শোক দিবস পালন করবেন। তাই কোনো বাঙালি যদি এই শোক দিবস পালন না করে সে কোনো মতেই বাঙালি নয়। কারণ, ১৯৭৫ সালের পনেরো আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার অর্থ শুধু এই নয় যে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করা। বাংলাদেশের সংবিধান হত্যা করে পাকিস্তানি অনুকরণের সংবিধান তৈরি করা। তার থেকেও বড় হলো ১৯৭৫ সালের পনেরো আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার ভেতর দিয়ে বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদকে হত্যা করার কাজটি শুরু করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামক মানুষটি মূলত তার জীবনের ২২ বছরের বেশি সময়ের সংগ্রামের ভেতর দিয়ে - [তরুণদের ক্ষোভে বদলাচ্ছে মোদির বিজেপির রাজনীতি](https://sarakhon.com/news/183356/): ভারতের রাজনীতিতে তরুণদের নিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপির ভাষা ও কৌশলে সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। যে তরুণ আন্দোলনকারীদের কয়েক সপ্তাহ আগেও দেশবিরোধী কিংবা বিভাজনকামী শক্তির সঙ্গে যুক্ত করে আক্রমণ করা হচ্ছিল, এখন তাদের কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করছে বিজেপি ও তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনগুলো। এই পরিবর্তন কেবল রাজনৈতিক সৌজন্যের প্রকাশ নয়; এর পেছনে রয়েছে একটি কঠিন নির্বাচনী বাস্তবতা—ভারতের বিপুল তরুণ ভোটারকে দীর্ঘমেয়াদে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি। আগস্টের শুরুতে মুম্বাইয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, প্রতিবাদী ছাত্র ও তরুণদের ‘দেশবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। বক্তব্যটি আসে জুলাইয়ে তরুণদের নেতৃত্বে বড় আকারের বিক্ষোভের অল্প সময়ের মধ্যেই। - [বিচারকদের অবসরের বয়স বাড়ানো: প্রশাসনিক সমাধান, নাকি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরীক্ষা?](https://sarakhon.com/news/183353/): শ্রীলঙ্কায় সুপ্রিম কোর্ট ও আপিল কোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাবকে কেবল সরকার ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক বিরোধ, কিংবা কোনো দুই মতামতদাতার বিতর্ক হিসেবে দেখলে মূল প্রশ্নটি আড়ালে পড়ে যায়। এটি মূলত একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন—রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য এবং নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তার সঙ্গে যার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এই বিতর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিচারকদের অবসরের বয়স কখনোই পরিবর্তন করা যাবে না—এমন কোনো যুক্তি টেকসই নয়। বিশ্বের বহু গণতান্ত্রিক দেশে বিচারকদের দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে। বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ, মামলার জট, অভিজ্ঞ বিচারকের ঘাটতি, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন কিংবা জটিলতর আইনি পরিবেশের মতো বাস্তব কারণ অবসরের বয়স পুনর্বিবেচনার - [২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও](https://sarakhon.com/news/183382/): ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো ২০২৭ সালে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা জোরদারের পরিকল্পনাও সামনে এনেছেন। দেশটির সংসদে বার্ষিক ভাষণে প্রবোও জানান, আগামী বছর সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪২৬ ট্রিলিয়ন রুপিয়া, যা চলতি বছরের তুলনায় প্রায় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। সরকারের মোট ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৪ হাজার ৯৭ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন রুপিয়া। এর ফলে মোট বাজেট ঘাটতি দাঁড়াবে মোট দেশজ উৎপাদনের ২ দশমিক ৪ শতাংশে। প্রবৃদ্ধির বড় লক্ষ্য ২০২৭ সালের জন্য ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম - [চীনে ভক্সওয়াগেনের ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় নতুন শঙ্কা, কমছে বিক্রি](https://sarakhon.com/news/183381/): চীনের বিশাল গাড়ির বাজারে হারানো অবস্থান ফিরে পাওয়ার যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নিয়েছিল জার্মানির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগেন, বিক্রি কমে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি নিজ দেশেও ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই ও উৎপাদন সক্ষমতা কমানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হচ্ছে। চীনা অংশীদারদের ওপর বাড়ছে নির্ভরতা চীনের বাজারে প্রতিযোগিতা দ্রুত বদলে যাওয়ায় ভক্সওয়াগেন এখন স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। চীনা গাড়ি নির্মাতারা বিশেষ করে বৈদ্যুতিক ও বুদ্ধিমান প্রযুক্তিনির্ভর গাড়ির বাজারে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিনের শক্ত অবস্থান ধরে রাখা ভক্সওয়াগেনের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। ভক্সওয়াগেন ইতিমধ্যে চীনের জন্য স্থানীয়ভাবে গাড়ি ও প্রযুক্তি উন্নয়নের কৌশল - [ডানপন্থী উত্থানে এশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183337/): অস্ট্রেলিয়ায় উগ্র ডানপন্থী ও জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান দেশটির এশিয়ায় কূটনৈতিক অবস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে দুর্বল করে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। তাঁর আশঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া যদি বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক সংকুচিত করে অভ্যন্তরীণভাবে নিজেদের গুটিয়ে নেয়, তাহলে দেশটি ‘বিপজ্জনক বিশ্বে একা’ হয়ে পড়তে পারে। সিডনিতে অ্যালান গিঙ্গেল স্মারক বক্তৃতায় পেনি ওং বলেন, অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিশেষ করে বহুসাংস্কৃতিক সমাজের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং বিদেশি অংশীদারদের অবমূল্যায়নের রাজনীতির সমালোচনা করেন। বহুসাংস্কৃতিক সমাজকে অস্ট্রেলিয়ার শক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান ওং বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক চরিত্র দেশটির জাতীয় সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের - [থাইল্যান্ডে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নতুন উদ্যোগ, তবু বড় প্রশ্নে অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা](https://sarakhon.com/news/183373/): থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বিদ্যালয় হামলার পর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল আগ্নেয়াস্ত্র কেনার অনুমতি সাময়িকভাবে স্থগিত করার পাশাপাশি নতুন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে অপরাধবিজ্ঞানী ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, শুধু নতুন আইন কিংবা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাইল্যান্ডের দীর্ঘদিনের অস্ত্র-সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলার পর নড়েচড়ে বসেছে সরকার গত ৭ আগস্ট ব্যাংককের বাইরে দেবসিরিন ননথাবুরি বিদ্যালয়ে এক কিশোরের বন্দুক হামলায় ছয়জন নিহত হন। পুলিশ জানিয়েছে, বিদ্যালয়ে হামলা চালানোর আগে ওই কিশোর নিজের বাড়িতে তার দাদা-দাদিকেও গুলি করে হত্যা করে। পরে সে নিজেও গুলিতে মারা যায়। হামলায় আরও ২৩ জন - [রেকিয়াভিকে ‘যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’: পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপের স্বপ্নে রিগ্যান-গর্বাচেভ](https://sarakhon.com/news/183365/): ১৯৮৬ সালের শীতল যুদ্ধের উত্তাল সময়ে আইসল্যান্ডের রাজধানী রেকিয়াভিকে মুখোমুখি বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ। বিশ্ব তখন পারমাণবিক অস্ত্রের আতঙ্কে কাঁপছে। দুই পরাশক্তির হাতে জমে থাকা বিপুল পারমাণবিক অস্ত্র যে কোনো ভুল সিদ্ধান্তে মানবসভ্যতার জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে—এমন আশঙ্কা ছিল সর্বত্র। সেই ঐতিহাসিক বৈঠককে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ব্রিঙ্ক অব ওয়ার’। ছবিটি শুধু দুই নেতার রাজনৈতিক দর-কষাকষি তুলে ধরেনি, বরং এমন এক মুহূর্তকে সামনে এনেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পারমাণবিক অস্ত্র সম্পূর্ণভাবে বিলোপের মতো অভাবনীয় একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। রেকিয়াভিকের সেই অদ্ভুত বৈঠক ছবির শুরুতেই রিগ্যানকে রসিকতা করতে দেখা - [গ্যাস সংকটে হবিগঞ্জে ১৭১ কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লক্ষাধিক শ্রমিক](https://sarakhon.com/news/183362/): গ্যাস সংকট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হবিগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে। গত ১৫ দিন ধরে চাহিদার তুলনায় কম গ্যাস পাওয়ার পর বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে জেলার অধিকাংশ শিল্পকারখানায় সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ছোট-বড় ১৭১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কারখানার চাকা থেমে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। রপ্তানিমুখী শিল্পে বড় ধাক্কা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ উৎপাদন ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছেন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো। উৎপাদন বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে অর্ডার বাতিল হওয়ার আশঙ্কাও করছেন উদ্যোক্তারা। যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের মহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) আবুল - [কুষ্টিয়ায় বালুবাহী যান পদ্মায়, নিখোঁজ ৮ বছরের শিশু](https://sarakhon.com/news/183359/): কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বালুবাহী একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত যান পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় আট বছরের এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় একই গাড়িতে থাকা আরও তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কসবাপাড়া মৌজার শিলাইদহ ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শিশুর পরিচয় নিখোঁজ শিশুটির নাম মো. আলিফ। তার বয়স আট বছর। সে শিলাইদহ ইউনিয়নের কসবাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনসুর প্রামাণিকের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কসবাপাড়া এলাকার একটি ব্লক তৈরির কারখানা থেকে জিহাদ ও ওমর ফারুকসহ কয়েকজন শিশু বালুবাহী যানটিতে ওঠে। নদীর পাশের সরু সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে জায়গা দিতে গিয়ে - [১৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা, মাঠে ডিএমপির বিশেষ ইউনিট](https://sarakhon.com/news/183350/): ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সম্ভাব্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় পুরো রাজধানীতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও পুলিশি তৎপরতা। রাজধানীর প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি চেকপোস্ট ও পিকেট বসানো হয়েছে। রাজধানীর সব প্রবেশপথে যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে। ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা অপারেশনাল কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবেন। পাশাপাশি সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-৯ ইউনিটের সদস্যরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগম এলাকায় সুইপিং অপারেশন পরিচালনা - [নেপালের নতুন রাজনৈতিক তারকার আলো কেন ম্লান হয়ে আসছে](https://sarakhon.com/news/183344/): দীর্ঘদিন ধরে নেপালের রাজনীতি এমন এক বৃত্তে আটকে ছিল, যেখানে ভোটারদের সামনে নতুন রাজনৈতিক স্বপ্নের চেয়ে পুরোনো দলগুলোর প্রতি আনুগত্যই ছিল বড় বাস্তবতা। বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকা নেতারা রাষ্ট্র পরিচালনা করলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। ফলে ‘পরিবর্তন’ ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক স্লোগান থেকে জনমনের প্রধান আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়। এই হতাশার আবহেই ২০২২ সালে রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টি বা আরএসপির আবির্ভাব। সুস্পষ্ট পুরোনো মতাদর্শের বাইরে থাকা নতুন মুখ, প্রচলিত রাজনীতির প্রতি অনাস্থা এবং মধ্যবিত্তের ক্ষোভ—সব মিলিয়ে দলটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে শহর ও শহরতলির মধ্যবিত্তরা আরএসপির মধ্যে নিজেদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক হতাশার বিকল্প খুঁজে পেয়েছিল। কিন্তু একটি নতুন রাজনৈতিক দল জনপ্রিয় - [সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের ‘শীতের কাহিনি’, পুরোনো আবহে নতুন মুগ্ধতা](https://sarakhon.com/news/183347/): নিউইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের বহুল আলোচিত নাটক ‘শীতের কাহিনি’র নতুন মঞ্চায়ন দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এক প্রাচীন, কল্পনাময় জগতে। পরিচালক ড্যানিয়েল সুলিভানের এই প্রযোজনার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—নাটকটিকে আধুনিক পোশাক, মুঠোফোন কিংবা সমকালীন সাজসজ্জার ভেতর আটকে না রেখে এর ঐতিহ্যবাহী আবহকে অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। সেন্ট্রাল পার্কের ডেলাকোর্ট মঞ্চে প্রদর্শিত এই নাটকে মধ্যযুগীয় ধাঁচের পোশাক, প্রাচীন রাজদরবারের আবহ এবং শেক্সপিয়রের কল্পনাপ্রবণ নাট্যজগতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে দর্শককে বর্তমান সময়ের সঙ্গে নাটকটির মিল খুঁজে নেওয়ার জন্য আলাদা করে কোনো কৃত্রিম কৌশলের মুখোমুখি হতে হয় না। বরং নাটকের নিজস্ব শক্তিই দর্শককে ধরে রাখে। প্রেম, সন্দেহ আর ভয়াবহ পরিণতির গল্প ‘শীতের কাহিনি’ শেক্সপিয়রের শেষ দিকের - [উপাসনা করতে গিয়ে কোনো আমেরিকান যেন ভয়ে পিছিয়ে না যান](https://sarakhon.com/news/183336/): যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উপাসনাস্থলে যাওয়ার সময় মানুষের নিরাপত্তাহীনতা দিন দিন বাড়ছে। অনেক মানুষ এখন গির্জা, মসজিদ, ইহুদি উপাসনালয় কিংবা অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনা করতে যাওয়ার আগে নিরাপত্তার কথা ভাবছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন হামলা ও উপাসনাস্থলের বাইরে উত্তেজনাকর বিক্ষোভের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ভয় আরও গভীর হয়েছে। এক জরিপে দেখা গেছে, নিয়মিত ধর্মীয় উপাসনায় অংশ নেওয়া মানুষের প্রায় অর্ধেকই মনে করেন, ব্যক্তিগতভাবে উপাসনায় অংশ নেওয়া এখন আগের তুলনায় কম নিরাপদ। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে ৩৯ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তারা কতবার উপাসনাস্থলে যান, সেই অভ্যাসেও পরিবর্তন এসেছে। একের পর এক হামলায় বাড়ছে আতঙ্ক গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উপাসনাস্থলকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি গুরুতর - [জেন-জি রাজনীতির ভাষা বুঝতে পারছে না প্রচলিত দলগুলো?](https://sarakhon.com/news/183341/): ভারতের সাম্প্রতিক যুবনির্ভর রাজনৈতিক আন্দোলন শুধু একটি মন্ত্রীর পদত্যাগ বা কোনো নির্দিষ্ট ইস্যুর প্রতিবাদ হিসেবে দেখলে এর গভীরতা ধরা যাবে না। এর ভেতরে জমে আছে এমন এক প্রজন্মের অসন্তোষ, যারা রাজনীতির পুরোনো নিয়ম মেনে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে দিতে আর আগ্রহী নয়। তাদের কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কেবল বিনোদনের জায়গা নয়; এটি নিজেদের অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও প্রশ্ন প্রকাশের একটি রাজনৈতিক পরিসর। এই বাস্তবতাই প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—তারা কি সত্যিই জেন-জির সঙ্গে কথা বলতে জানে? প্রতিবাদ যখন রাজনীতির প্রচলিত ভাষাকে বদলে দেয় ভারতের বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক যুব আন্দোলনের পর রাজনৈতিক নেতাদের ভাষাতেও পরিবর্তনের ছাপ দেখা গেছে। তরুণদের ব্যবহৃত সামাজিক - [ট্রাম্পের গোপন বিমানযাত্রা: ইরান যুদ্ধের রাজনৈতিক মূল্য কতটা বাড়ছে](https://sarakhon.com/news/183338/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিরাপত্তার কারণে গোপনে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা নিছক একটি নিরাপত্তা কৌশলের গল্প নয়। এর রাজনৈতিক তাৎপর্য আরও গভীর। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সময় একজন প্রেসিডেন্টকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি এড়াতে গোপনে সরিয়ে নেওয়ার দৃশ্য ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সামনে থাকা বড় এক বৈপরীত্যকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। একদিকে ট্রাম্প নিজেকে এমন এক দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন, যিনি সামরিক শক্তি প্রয়োগে শত্রুকে পরাস্ত করতে পারেন। অন্যদিকে যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে যে এর ঝুঁকি ও পরিণতি পুরোপুরি তাঁর নিয়ন্ত্রণে নেই। গোপন বিমান বদলের ঘটনা তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য - [গ্রিসের দ্বীপভ্রমণের স্বপ্ন, নাকি ‘বমির ধূমকেতু’? উত্তাল সাগরে পর্যটকদের নাজেহাল দশা](https://sarakhon.com/news/183317/): গ্রিসের দ্বীপে দ্বীপে ঘুরে বেড়ানো—সাদা রঙের বাড়ি, নীল সমুদ্র, সোনালি সৈকত, মনোরম সূর্যাস্ত আর প্রাচীন ইতিহাসের টানে প্রতি গ্রীষ্মেই লাখো পর্যটক ছুটে যান দেশটিতে। কিন্তু সেই স্বপ্নের ভ্রমণ সব সময় যে মসৃণ হয়, তা নয়। বিশেষ করে দ্রুতগতির ছোট ফেরিতে এজিয়ান সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অনেক পর্যটকের কাছে আনন্দের যাত্রাই পরিণত হচ্ছে চরম দুর্ভোগে। অস্টিন ক্রোটো স্বামী ও চার সন্তানকে নিয়ে গ্রিসের সাইরোস দ্বীপ থেকে এথেন্সের উদ্দেশে ফেরিতে উঠেছিলেন। যাত্রা শুরুর সময় এজিয়ান সাগর ছিল শান্ত। কিন্তু বন্দর ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে ফেরিতে। জাহাজটি প্রচণ্ডভাবে দুলতে শুরু করে এবং জানালার বাইরে পানি উঠে - [অ্যাপলের টেক্সাসে নতুন কারখানা: ম্যাক মিনি উৎপাদন ও কর্মীদের প্রশিক্ষণে বড় বিনিয়োগ](https://sarakhon.com/news/183328/): অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক তাঁর দায়িত্ব ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে কোম্পানিটির একটি নতুন কারখানা পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে একটি নতুন উৎপাদন প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং ম্যাক মিনি কম্পিউটার তৈরির নতুন সংযোজন লাইন ঘুরে দেখেন। চলতি বছরের শেষ দিকে ওই সংযোজন লাইনে ম্যাক মিনি কম্পিউটার উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা। বৃহস্পতিবারের এই পরিদর্শন অ্যাপল ও ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে এনেছে। ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বাড়ানোর প্রচেষ্টার অন্যতম উদাহরণ হিসেবে অ্যাপলের দেশীয় বিনিয়োগের অঙ্গীকারকে তুলে ধরছে। একই সময়ে প্রশাসনের আরোপ করা কিছু কঠোর শুল্ক থেকেও অ্যাপল তুলনামূলকভাবে ছাড় পেতে সক্ষম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ কর্মী তৈরির উদ্যোগ লুটনিক অ্যাপলের - [ট্রাম্প-মাস্কের ভাঙা সম্পর্ক আবার জোড়া লাগল, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য ১০ কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/183325/): চীনগামী দীর্ঘ বিমানযাত্রায় যখন মন্ত্রিসভার সদস্য, ব্যবসায়ী নির্বাহী এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের সদস্যরা বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানে উঠছিলেন, তখন তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন ইলন মাস্ক। প্রায় এক বছর আগে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু গত মে মাসে বেইজিংয়ের পথে সেই একই বিমানে দুজনকে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ অবস্থায় দেখা যায়। বিমানটিতে থাকা কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান মাস্ক ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান। ট্রাম্প তাঁকে একটি মহাকাশ উৎক্ষেপণের ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা শোনান এবং মাস্কের এক ছোট ছেলের খোঁজ নেন। মাস্কও হোয়াইট হাউসের কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারে যুক্ত থাকার সময় কতটা আনন্দ পেয়েছিলেন, - [জাতীয় উদ্যানের বুক চিরে সীমান্ত সড়ক, ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনায় ক্ষুব্ধ টেক্সাস](https://sarakhon.com/news/184054/): যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের বিগ বেন্ড জাতীয় উদ্যানের ভেতরে সীমান্ত অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হওয়ায় নতুন করে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবেশবাদী, সাবেক উদ্যানকর্মী, স্থানীয় শেরিফ এবং রাজনীতিকদের একটি অংশ বলছেন, সীমান্তের এই দুর্গম ও প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষিত এলাকায় এমন নির্মাণকাজের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই বড় প্রশ্ন রয়েছে। কয়েক মাস আগে ট্রাম্প প্রশাসন বিগ বেন্ড জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল। চাঁদের পৃষ্ঠের মতো রুক্ষ মরুভূমি, বিশাল পাহাড় আর গভীর গিরিখাতের জন্য বিখ্যাত এই উদ্যানটি টেক্সাসবাসীর কাছে বিশেষ গর্বের জায়গা। কিন্তু দুই দলের রাজনীতিকদের বিরোধিতা বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত সরকারি সীমান্ত নির্মাণের মানচিত্র থেকে সেই প্রাচীরের পরিকল্পনা সরিয়ে নেওয়া হয়। - [ছোট প্রতারণার পেছনে ছুটছে যুক্তরাষ্ট্র, বড় কেলেঙ্কারির মামলা থেকে সরে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন](https://sarakhon.com/news/184049/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যখন দেশজুড়ে প্রতারণার বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালানোর কথা বলছে, তখন সেই অভিযানের লক্ষ্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বড় করপোরেট কেলেঙ্কারি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়ম কিংবা ধনী নির্বাহীদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় শিথিলতা দেখানোর পাশাপাশি বিচার বিভাগ এখন কয়েক হাজার বা কয়েক লাখ ডলারের তুলনামূলক ছোট প্রতারণার মামলায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ হয়ে উঠেছে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা আনার একটি ছোট খাবারের গাড়ি। বরফজাত খাবার, ফল ও সবজি বিক্রি করা সেই পুরোনো সাদা খাবারের গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে সরকারি খাদ্য সহায়তার অর্থ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তি হিসেবে তদন্তকারীরা দেখিয়েছেন, ব্যবসাটির আকারের তুলনায় - [পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে ইসরায়েলি সরকার, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা নিয়ে বাড়ছে ক্ষোভ](https://sarakhon.com/news/184045/): অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা থেকে ফিলিস্তিনি বেসামরিক মানুষকে রক্ষার দায়িত্ব ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কাছ থেকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। গত সপ্তাহে পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে বসতিস্থাপনকারীদের অবরোধে আটকে পড়া দুটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে নিরাপদে রাখতে সেনাবাহিনীর ব্যর্থতার পর শুক্রবার তিনি এ অবস্থান জানান। কুসরায় কয়েক দিন ধরে দুটি ফিলিস্তিনি পরিবার নিজেদের বাড়ির ভেতরে কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিল। তাদের বাড়ির আশপাশে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীরা অবস্থান নিয়ে হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনারা এলাকায় গেলেও পরিবার দুটিকে পুরোপুরি নিরাপদ পরিবেশে ফিরিয়ে দিতে পারেনি। বরং শুক্রবার বসতিস্থাপনকারীরা সেখানে একটি তাঁবু স্থাপন করলে সেনারা সেটি সরিয়ে - [অভিযোগের মুখে নাইজেল ফারাজ, ট্রাম্পের কৌশলেই কি জনতার রায়কে ঢাল বানাচ্ছেন?](https://sarakhon.com/news/184044/): ব্রিটেনের ডানপন্থী রাজনীতির অন্যতম আলোচিত নেতা নাইজেল ফারাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ যত বাড়ছে, ততই তিনি নিজের রাজনৈতিক লড়াইকে ঘুরিয়ে দিচ্ছেন ‘জনতার রায়’-এর দিকে। তদন্ত, অনুদান নিয়ে প্রশ্ন এবং সংসদীয় বিধি ভঙ্গের অভিযোগের জবাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার বদলে তিনি আক্রমণ করছেন সমালোচকদের, প্রশ্ন তুলছেন তদন্তের বৈধতা নিয়ে এবং শেষ পর্যন্ত ভোটারদের কাছ থেকেই নিজের পক্ষে রায় আদায়ের চেষ্টা করছেন। এই কৌশল অনেকটাই মনে করিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফ্রান্সের ডানপন্থী নেত্রী মেরিন ল্য পেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক পদ্ধতির কথা। অভিযোগের মুখে তাঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের বিরুদ্ধে চলা তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন এবং জনগণকে সেই - [তালেবানের ডাক, কাবুলে কি ফিরবে আমেরিকা?](https://sarakhon.com/news/184038/): আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পাঁচ বছর পর এবার যুক্তরাষ্ট্রকে আবার কাবুলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে তালেবান সরকার। তবে এবার কোনো সামরিক উপস্থিতি নয়—কূটনৈতিক সম্পর্ক, দূতাবাস এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে আফগানিস্তানে ফিরে আসার প্রস্তাব দিয়েছে তারা। আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেছেন, যুদ্ধের অধ্যায় শেষ হয়েছে এবং এখন দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও ইতিবাচক সহযোগিতার ভিত্তিতে নতুন করে শুরু হতে পারে। মুত্তাকির প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র কাবুলে আবার দূতাবাস খুলতে পারে, কূটনৈতিক উপস্থিতি বজায় রাখতে পারে এবং আফগানিস্তানের বিপুল খনিজ সম্পদ, বাঁধ ও সড়ক অবকাঠামোয় বিনিয়োগ করতে পারে। পাঁচ বছর আগে যে দেশটি আফগানিস্তান থেকে তার সামরিক বাহিনী সরিয়ে নিয়েছিল, সেই - [একসময়ের নিষিদ্ধ মাওরি শিল্প আবার ফিরছে মানুষের মুখে](https://sarakhon.com/news/184034/): নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মাওরি জনগোষ্ঠীর শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মুখের উল্কি শিল্প তা মোকো দীর্ঘ দমন-পীড়নের পর নতুন প্রজন্মের হাত ধরে আবারও প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। একসময় ঔপনিবেশিক শাসকদের নিষেধাজ্ঞা ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে যে শিল্প লুকিয়ে রাখতে হতো, এখন সেটিই মাওরি পরিচয়, বংশপরম্পরা ও সাংস্কৃতিক গর্বের দৃশ্যমান প্রতীক হয়ে উঠেছে। ৬৪ বছর বয়সী মার্ক কোপুয়া নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের পূর্ব উপকূলীয় শহর গিসবোর্নে তাঁর ছোট স্টুডিওতে ভাগনে ডেসমন্ড হোরোমিয়ার হাতে ঐতিহ্যবাহী নকশা আঁকছিলেন। পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ধরে চলে আসা নকশাগুলো তিনি স্মৃতি থেকে প্রথমে কলম দিয়ে এঁকে নেন। পরে গ্লাভস পরে শুরু করেন মূল কাজ। কিন্তু এটি সাধারণ উল্কি নয়—এটি মাওরিদের পবিত্র তা মোকো, যা শত শত বছর - [ইসরায়েলে বসতি স্থাপনকারীদের লাগামহীন সহিংসতা, নেতানিয়াহুর বিদায়ে কি কমবে দমন-পীড়ন?](https://sarakhon.com/news/184032/): ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। বাড়িঘরে হামলা, গাড়িতে আগুন, পশু চুরি, জলাধার ও পানির পাইপ ধ্বংস, কৃষিজমি ও জলপাইগাছ নষ্ট করা—প্রতিদিনই এমন নানা অভিযোগ সামনে আসছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বহু ফিলিস্তিনি পরিবার এখন নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার কথাও ভাবছে। এদিকে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। আগামী অক্টোবরের নির্বাচনে তিনি ক্ষমতা হারালে শান্তি যে হঠাৎ ফিরে আসবে, এমন আশা করার কারণ নেই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং পশ্চিম তীরে চলমান দমন-পীড়নের সবচেয়ে চরম রূপগুলো কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতে পারে। নেতানিয়াহুর উত্তরাধিকার নিয়ে - [একমাত্র সন্তান হিসেবে মা-বাবার সঙ্গে আলাদা ভ্রমণ আমাকে তাঁদের নতুন করে চিনিয়েছে](https://sarakhon.com/news/184028/): একমাত্র সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই আমার পৃথিবীটা ছিল অনেকটা মা-বাবাকে ঘিরেই। আমাদের পারিবারিক ভ্রমণগুলোতেও আমরা থাকতাম তিনজন—আমি, মা আর বাবা। ফলে সবসময় তাঁদের দুজনকে আমি একটি জুটি হিসেবেই দেখেছি। তাঁরা ছিলেন আমার অভিভাবক, পথপ্রদর্শক, আবার একই সঙ্গে বন্ধুও। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে শুরু করলাম, মা-বাবা শুধু আমার মা-বাবা নন; তাঁদের নিজেদেরও আলাদা পছন্দ, আনন্দ, আগ্রহ, স্বপ্ন আর ব্যক্তিত্ব রয়েছে। জীবনের ত্রিশের কোঠায় এসে তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদাভাবে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়ার পর সেই উপলব্ধিটা আরও গভীর হলো। একসঙ্গে পরিবারের সদস্য হিসেবে ভ্রমণ আর শুধু দুজনের একজনকে নিয়ে ভ্রমণ—দুটি অভিজ্ঞতা যে কতটা আলাদা হতে পারে, তা তখনই বুঝেছি। দৈনন্দিন জীবনে মানুষকে - [এশিয়ায় চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র কতটা পাশে থাকবে, প্রশ্নে মিত্ররা](https://sarakhon.com/news/184026/): দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক সম্পদ ব্যয়ের কারণে এশিয়ার মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চীনের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন সত্যিই কতটা সামরিক সহায়তা দিতে পারবে—এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বিতীয় থমাস শোল এলাকায় চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সংঘর্ষগুলোর একটি ঘটে। বিতর্কিত ওই এলাকায় ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণের প্রতীক হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি পুরোনো যুদ্ধজাহাজ ‘সিয়েরা মাদ্রে’ স্থাপন করে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের এক রায়ও ওই এলাকার ওপর ফিলিপাইনের দাবিকে সমর্থন করেছে। কিন্তু গত মাসে চীনা কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ - [চুয়াডাঙ্গায় কীটনাশকের বিষে শতাধিক দেশি পাখির মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/184020/): চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ঘাসের জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের পর বিষক্রিয়ায় শতাধিক দেশি পাখির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেলে পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। জমিতে পোকামাকড় দমনের জন্য কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাত থেকেই জমিতে বিষ মেশানো ধান ও বিষাক্ত পোকামাকড় খাওয়ার পর বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যেতে শুরু করে। একের পর এক পাখির মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়। ঘাসের জমিতে বিষ প্রয়োগ স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জমির মালিক পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে কীটনাশক ব্যবহার করেন। তবে সেই বিষের প্রভাবে শুধু ক্ষতিকর পোকামাকড় নয়, জমিতে খাবার সংগ্রহ করতে আসা বিভিন্ন প্রজাতির পাখিও মারা যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত - [ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেসে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৪৮ মৃত্যু, ৫ হাজার মানুষের জরুরি সহায়তার অপেক্ষা](https://sarakhon.com/news/184014/): ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন। শনিবার ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৪৮ জন নিহত এবং ১০১ জন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা। ভূমিকম্পের পর কয়েক ঘণ্টায় ৩৪১টি পরাঘাত অনুভূত হওয়ায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। প্রায় ৫ হাজার মানুষ ঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। অন্তত একটি জরুরি সড়কও এখনো চলাচলের অনুপযোগী। ফলে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট উত্তর ফ্লোরেসের নাঙ্গাহালে গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, - [‘ঠান্ডা’ দেশের ভয়াবহ গরম: বেলজিয়ামে তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জীবন](https://sarakhon.com/news/184009/): যে দেশটিকে মানুষ চেনে শীতল, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার জন্য, সেই বেলজিয়ামেই এবার তীব্র গরম যেন জীবনের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ, হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ, জরুরি সেবার ফোনলাইনে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ অপেক্ষা। অনেক বয়স্ক মানুষ নিজ ঘরেই অসহনীয় গরমের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন। ঘটনাটি শুধু বেলজিয়ামের জন্য নয়, গোটা ইউরোপের জন্যই বড় সতর্কবার্তা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপ বিশ্বের দ্রুততম উষ্ণ হয়ে ওঠা মহাদেশে পরিণত হচ্ছে। অথচ বহু দেশ এখনো এমন ভয়াবহ গরম মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত নয়। এক সপ্তাহেই ১৬ হাজারের বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু জুনের শেষ দিকে মাত্র এক সপ্তাহে ইউরোপে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় - [তালেবানের ভয়ে ঘরবন্দী আফগান পরিবার, ব্রিটেনের আশ্বাস পেয়েও পালানোর পথ বন্ধ](https://sarakhon.com/news/184003/): আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পরও আতঙ্ক কাটেনি ন্যাটো ও পশ্চিমা বাহিনীকে সহায়তা করা বহু পরিবারের। ব্রিটেনে পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরও প্রায় ৩ হাজার আফগানকে নিজেদের খরচে আফগানিস্তান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থের অভাব, ভিসা জটিলতা এবং নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে তাদের অনেকেই এখন দেশ ছাড়ার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। তালেবানের আতঙ্কে গোপন জীবন ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালেবান কাবুল দখল করার সময় লায়লা ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়া কিশোরী। তার বাবা নাদিম, নামটি নিরাপত্তার কারণে পরিবর্তিত, আফগানিস্তানের সাবেক জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থায় প্রায় ২০ বছর কাজ করেছিলেন। পশ্চিমা ও ন্যাটো বাহিনীর সহায়তায় দায়িত্ব পালন করায় তালেবানের চোখে তিনি সম্ভাব্য লক্ষ্য হয়ে ওঠেন। ক্ষমতা - [ন্যাটোর দরজায় ব্যর্থ পুতিন এখন খুঁজছেন জানালা](https://sarakhon.com/news/184000/): রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পেলেও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা থামাননি। বরং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা মূল্যায়ন ইঙ্গিত দিচ্ছে, আগামী কয়েক বছরে রাশিয়া ন্যাটোর প্রতিরোধক্ষমতা ও রাজনৈতিক ঐক্য পরীক্ষা করে দেখার পথ বেছে নিতে পারে। এটি সরাসরি বড় ধরনের যুদ্ধ দিয়ে শুরু নাও হতে পারে। বরং সীমান্তের কাছে সন্দেহজনক হামলা, সাইবার আক্রমণ, অবকাঠামোতে নাশকতা, পারমাণবিক হুমকি কিংবা ছদ্মবেশী বাহিনীর তৎপরতার মতো ধাপে ধাপে বাড়তে থাকা চাপের মাধ্যমে মস্কো পশ্চিমাদের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে পারে। সম্প্রতি পোল্যান্ডের সীমান্তের ভেতরে একটি রুশ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে। একই সময় জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরের একটি রানওয়েতে - [শনাক্তের আগেই হাম ওয়ার্ডে ভর্তি, চট্টগ্রামে বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/183997/): চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পরীক্ষার সুযোগ না থাকায় উপসর্গ দেখা দিলেই অনেক শিশুকে হাম ওয়ার্ডে ভর্তি করা হচ্ছে। পরে নমুনা পরীক্ষায় তাদের কারও কারও হাম নেগেটিভ আসছে। এর মধ্যে হাম আক্রান্ত শিশুদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে কয়েক দিন থাকার কারণে নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট ১২ বছরের বর্ণ চৌধুরীর হঠাৎ ১০৪ ডিগ্রি জ্বরের পর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। স্থানীয় চিকিৎসকের ওষুধে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক হামের আশঙ্কায় তাকে হাম ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। তবে দুই দিন পর আরেক চিকিৎসক জানান, ফুসকুড়িগুলো হামের উপসর্গ নাও হতে পারে। পরে বর্ণকে কেবিনে নেওয়া হয়। - [এস আলমের বিদ্যুৎ কোম্পানিকে পুরো বাকিতে পণ্য আমদানির সুযোগ](https://sarakhon.com/news/183994/): অর্থ পাচার ও ব্যাংকের অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পণ্য ও কাঁচামাল আমদানিতে এখন আর আগাম অর্থ জমা দিতে হবে না। রূপালী ব্যাংক করবে পুরো অর্থায়ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের ফলে এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের পুরো অর্থায়ন করতে পারবে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক। অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংক পুরো অর্থের জোগান দিতে পারবে। রোববার জারি করা এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি নির্দিষ্ট ধারা প্রয়োগ করা - [ঢাবিতে হল প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধার ঘিরে সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসসহ আহত ৬](https://sarakhon.com/news/183991/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাধ্যক্ষকে কার্যালয় থেকে উদ্ধারের সময় ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনায় হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম ও জিএস ইমামুল হাসানসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের দাবি, সংঘর্ষে আহত হল সংসদের জিএস ইমামুল হাসানের অবস্থা গুরুতর। প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে অবরোধ এর আগে ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোর করে লিখিত বক্তব্য নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ - [সাত মাসে ১,৬৬৭ নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার, ধর্ষণের ঘটনা ২৯২](https://sarakhon.com/news/183988/): চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ৬৬৭ নারী ও শিশু নানা ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ জন কন্যাশিশু ও ২৫৮ জন নারী নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ২৯২ নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রোববার এক মানববন্ধনে এসব তথ্য জানিয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধের দাবি দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের ওপর ধর্ষণ, হত্যা, নির্যাতন ও সহিংসতার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সেখানে সংগঠনটির নেতারা নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সংগঠনটির তথ্য বিশ্লেষণে - [দিনাজপুরে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ নিহত ২](https://sarakhon.com/news/183984/): দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে দ্রুতগতির একটি ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ও তার পেছনে থাকা আরোহী নিহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় জেলার জালিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন দিনাজপুর শহরের নয়নপুর এলাকার জুলফিকার আলী ভুট্টোর ছেলে রিফাত ইমন, ২২, এবং একই এলাকার কামরুজ্জামান বাবলুর ছেলে এনতাজুল হক সোহাগ, ২৮। সামনাসামনি সংঘর্ষে প্রাণহানি পুলিশ জানায়, ফুলবাড়ী থেকে দিনাজপুর শহরের দিকে যাচ্ছিল ট্রাকটি। বিপরীত দিক থেকে আসছিল মোটরসাইকেলটি। জালিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির ট্রাকটির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই মারা যান রিফাত ইমন। গুরুতর আহত সোহাগকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরিবারের কাছে মরদেহ - [নরসিংদীতে ভোরে মৃদু ভূমিকম্প, কম্পনের মাত্রা ৩.০](https://sarakhon.com/news/183981/): নরসিংদী ও আশপাশের এলাকায় সোমবার ভোরে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ০। ভোর ৫টা ৩২ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। বিএমডি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। এটি রাজধানী ঢাকার প্রায় ৪৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। ভোরের কম্পনে নরসিংদীতে আতঙ্ক সোমবার ভোরে নরসিংদী ও সংলগ্ন এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হলেও তা ছিল মৃদু মাত্রার। ভূমিকম্পের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শিবপুরে উৎপত্তিস্থল বিএমডির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা এলাকায়। রাজধানী ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলটির দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই - [হাওয়াইয়ে ৩৪ বছর পর সরাসরি ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/183977/): প্রায় ৩৪ বছর পর আবারও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি আঘাতের আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই। ‘লালা’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার শক্তিশালী হয়ে প্রথম শ্রেণির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। বড় দ্বীপে জারি ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র হাওয়াইয়ের সবচেয়ে বড় দ্বীপের দক্ষিণাংশ ঘেঁষে অগ্রসর হচ্ছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ের দেয়াল দ্বীপটির দক্ষিণ অংশে আঘাত হানতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে দ্বীপটিতে প্রায় ৬৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে প্রায় এক মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও রয়েছে। এতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বড় দ্বীপটিতে ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা জারি - [ভূমিকম্পে উদ্ধারকাজে ভেনেজুয়েলা-কলম্বিয়ার আকাশ-পাতাল পার্থক্য](https://sarakhon.com/news/183975/): একই রকম শক্তিশালী ভূমিকম্প, অথচ উদ্ধারকাজে দুই দেশের চিত্র যেন সম্পূর্ণ বিপরীত। ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে দীর্ঘ সময় সাধারণ মানুষকেই খালি হাতে লড়াই করতে হয়েছে। অন্যদিকে কলম্বিয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করলেও দ্রুত সরকারি সংস্থাগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো তৎপরতা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সাম্প্রতিক দুই ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার উদ্ধার কার্যক্রমের এই পার্থক্য সামনে এসেছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে, দুর্যোগের সময় শুধু ভূমিকম্পের শক্তি নয়, রাষ্ট্রের প্রস্তুতি, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও দ্রুত সমন্বয়ও মানুষের জীবন রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখে। ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপ সরাতে মানুষের হাতই ভরসা জুনের শেষ দিকে ভেনেজুয়েলায় পরপর ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী - [সিনেটের শুনানিতে ১১১ বার পঞ্চম সংশোধনী নিলেন ফাউচি, উঠছে কংগ্রেস অবমাননার প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/183971/): যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অ্যান্থনি ফাউচি সিনেটের এক গুরুত্বপূর্ণ শুনানিতে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বারবার সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর অধিকার প্রয়োগ করেছেন। শুনানিতে তিনি মোট ১১১ বার এই সাংবিধানিক অধিকার ব্যবহার করেন। ঘটনাটি ঘিরে মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সাংবিধানিক অধিকার করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং মহামারি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে সিনেটের শুনানিতে ফাউচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে একাধিক প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে তিনি পঞ্চম সংশোধনীর অধিকার প্রয়োগ করেন। মার্কিন সংবিধানের এই বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন, যার জবাব দিলে নিজের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় ব্যবহারের মতো তথ্য - [বিশ্বের ‘কুৎসিততম কুকুর’ প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ কোরিয়ার জিন্নি লুর জয়](https://sarakhon.com/news/183969/): সৌন্দর্যের সংজ্ঞা যে সবার কাছে এক নয়, সেটিই যেন আবারও মনে করিয়ে দিল বিশ্বের ‘কুৎসিততম কুকুর’ প্রতিযোগিতা। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সোনোমা কাউন্টি মেলায় এ বছর বসেছিল প্রতিযোগিতাটির ৫০তম আসর। আর এবারের সেরার মুকুট জিতেছে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে উদ্ধার করা পাগ জাতের কুকুর জিন্নি লু। প্রতিযোগিতায় জিন্নি লুর জয় অবশ্য একেবারে অপ্রত্যাশিত ছিল না। গত বছরও সে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল। এবার দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কাঙ্ক্ষিত প্রথম স্থানটি নিজের করে নেয় সে। ‘অপূর্ণতাই বিশেষত্ব’ বিশ্বের ‘কুৎসিততম কুকুর’ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য শুধু কুকুরের চেহারা নিয়ে হাস্যরস তৈরি করা নয়। বরং আশ্রয়হীন ও পরিত্যক্ত কুকুর দত্তক নেওয়ার বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ানো এবং প্রতিটি কুকুরের নিজস্ব - [স্মার্ট ঘর দখলে নিতে অ্যাপলের বড় পরিকল্পনা, আসছে পর্দা, ক্যামেরা ও নতুন হোমপড](https://sarakhon.com/news/183965/): ঘরকে আরও বুদ্ধিমান ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে বড় ধরনের পরিকল্পনা করছে অ্যাপল। এত দিন স্মার্ট ঘরের বাজারে সীমিত কয়েকটি পণ্যের মাধ্যমে উপস্থিত থাকলেও এবার পর্দাযুক্ত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, নিরাপত্তা ক্যামেরা, দরজার ঘণ্টা এবং উন্নত হোমপডসহ একাধিক নতুন পণ্য আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তি খাতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপলের এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য শুধু নতুন যন্ত্র বাজারে আনা নয়; বরং আইফোন, টেলিভিশন, স্পিকার ও ঘরের বিভিন্ন স্মার্ট যন্ত্রকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা। নতুন হোমপড ও অ্যাপল টিভি আসছে অ্যাপলের নতুন পরিকল্পনার প্রথম ধাপে বর্তমান হোমপড মিনি ও অ্যাপল টিভির উন্নত সংস্করণ বাজারে আসতে পারে। চলতি বছরের শেষের দিকে নতুন হোমপড মিনি উন্মোচনের - [দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল কি সত্যিই ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের কেন্দ্র হতে পারবে?](https://sarakhon.com/news/183941/): দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নেপালের অবস্থান বরাবরই এক ধরনের দ্বৈত বাস্তবতার মধ্যে গড়ে উঠেছে। একদিকে ভারত ও চীনের মতো দুই বৃহৎ শক্তির মাঝখানে তার ভৌগোলিক অবস্থান, অন্যদিকে নিজস্ব সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষার প্রয়োজন—এই দুইয়ের সমন্বয় করেই কাঠমান্ডুকে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এর সবচেয়ে পরিচিত প্রকাশ ছিল ‘ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি’। কিন্তু ভারত-চীন সম্পর্ক যত বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠছে, নেপালের জন্য সেই ভারসাম্য ধরে রাখার কাজও তত কঠিন হয়ে পড়ছে। সম্প্রতি বেইজিংয়ে ভারতীয় দূতাবাসের একটি আয়োজনকে ঘিরে যে ঘটনাগুলো সামনে এসেছে, তা ভারত-চীন সম্পর্কের ভেতরে জমে থাকা অস্বস্তির একটি দিক তুলে ধরে। কয়েক বছর পর ২ আগস্ট ভারতীয় দূতাবাস সেখানে ‘ওপেন হাউস’ আয়োজন করে। - [বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, দিনে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং](https://sarakhon.com/news/183957/): তীব্র গরমের মধ্যে দেশে বাড়ছে বিদ্যুৎ সংকট। গ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে না পারায় বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে জনজীবনের পাশাপাশি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। দিনের বেলায় অসহনীয় গরম আর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। গ্রামাঞ্চলের অনেক এলাকায় দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী ঢাকাতেও এখন রাতের বেলায় লোডশেডিং দেখা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি ছাড়িয়েছে ৩ হাজার মেগাওয়াট সাম্প্রতিক উৎপাদন ও চাহিদার হিসাবেই সংকটের তীব্রতা স্পষ্ট। ১১ আগস্ট মধ্যরাতে দেশে লোডশেডিং সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। ওই সময় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ - [ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৪৭, ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধার অভিযান](https://sarakhon.com/news/183954/): ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেংগারা (এনটিটি) প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জোর অভিযান চলছে। শনিবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা (বিএনপিবি) ও জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসারনাস। এর আগে শনিবার রাতে নিহতের সংখ্যা ৪০ জন বলে জানানো হয়েছিল। পরে উদ্ধার তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭-এ পৌঁছায়। ধ্বংসস্তূপে আটকে বহু মানুষ বাসারনাসের মাউমেরে কার্যালয়ের প্রধান ফাতুর রহমান জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে বেশ কয়েকটি ভবনে মানুষ আটকা পড়েছেন। তাদের অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধারের ওপরই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব - [বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে লাগবে অন্তত ২ বছর: অর্থমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/183947/): বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট আগামী ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর মতে, এ সংকট কাটাতে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগতে পারে। রোববার রাজধানীর শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট দীর্ঘমেয়াদি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট বর্তমান সরকারের এককভাবে তৈরি করা সমস্যা নয়; এটি অতীত থেকে পাওয়া। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ছয় মাসের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, এমনকি এক বছরেও পুরোপুরি সমাধান করা - [বংশালে হেলমেটের গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট](https://sarakhon.com/news/183951/): ঢাকার বংশাল এলাকার মুকিমবাজারে একটি হেলমেটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। রোববার সন্ধ্যায় ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ আগুন লাগে। সন্ধ্যায় গুদামে আগুন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে মুকিমবাজারের ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা ৫১ মিনিটের চেষ্টার পর রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। হতাহতের খবর নেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রাত - [সুদ কমার মূল্য দিচ্ছেন সঞ্চয়কারীরা](https://sarakhon.com/news/183938/): ব্যাংকে টাকা রেখে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজে গড়ে উঠেছে, নতুন সুদহারের বাস্তবতায় সেটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, প্রবাসী পরিবারের সদস্য কিংবা চিকিৎসা ও সন্তানের উচ্চশিক্ষার জন্য দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয় করে আসা লাখো মানুষ এখন এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে ব্যাংকে টাকা রেখেও প্রকৃত অর্থে তাদের সম্পদের মূল্য কমছে। প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়েছে। একই সঙ্গে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান বা স্প্রেডের সর্বোচ্চ সীমাও পুনর্র্নিধারণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের পর বেশির ভাগ ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমাতে শুরু - [মালদ্বীপের সামুদ্রিক গবেষণা: সমুদ্রের মালিকানা যখন জ্ঞানের মালিকানায় রূপ নেয়](https://sarakhon.com/news/183944/): মালদ্বীপকে নিয়ে সামুদ্রিক গবেষণার দীর্ঘ ইতিহাসে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি এখন আর কত বিদেশি গবেষক দেশটির জলসীমায় কাজ করেন, সেটি নয়। বরং প্রশ্ন হলো—নিজেদের সমুদ্র, প্রবালপ্রাচীর, মৎস্যসম্পদ ও পরিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে প্রকাশিত জ্ঞানে মালদ্বীপের বিজ্ঞানীদের উপস্থিতি এত কম কেন? মালদ্বীপের সামুদ্রিক বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণা নিয়ে হানা আমির ও আয়শাথ সারা হাশিমের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ এই প্রশ্নকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে। ১৯৮৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত ৬ হাজার ৪২৫টি রেকর্ড যাচাই করে ৪৬০টি পিয়ার-রিভিউড গবেষণাকে বিশ্লেষণে নেওয়া হয়। দেখা যায়, এসব গবেষণার ৪০ শতাংশেরও কমে কোনো মালদ্বীপীয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এবং মাত্র ৩৪টি গবেষণায়—অর্থাৎ ৭ দশমিক ৪ শতাংশে—মালদ্বীপীয় বিজ্ঞানী প্রথম লেখক ছিলেন। এমনকি ৫২টি আবিষ্কারধর্মী - [বাজারকে অমান্য করে অর্থনীতি চালানো যায় না](https://sarakhon.com/news/183936/): ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি সরল বিশ্বাস—যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং দেশের সম্পদ পুনর্গঠন করতে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, এই পথ শেষ পর্যন্ত আমেরিকাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। কিন্তু অর্থনীতির বাস্তবতা রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাসের চেয়ে অনেক বেশি জটিল। বাজার যখন নীতির সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে, তখন সেই সংকেতকে উপেক্ষা করা কোনো সরকারের জন্যই নিরাপদ নয়। ১১ মার্চের হোয়াইট হাউস সংবাদ সম্মেলনের সময় ট্রাম্প অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কাকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে সমৃদ্ধির প্রত্যাশার কথা বলেছিলেন। অথচ তার আগের দিনই নিউইয়র্কের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায় এবং নাসডাক সূচক প্রায় ৪ শতাংশ পড়ে যায়। এর আগে - [অব্যবহৃত জলাশয় বেকার তরুণদের ব্যবহারে দেওয়ার উদ্যোগ, মৎস্য খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/183933/): দেশের অব্যবহৃত নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর ও হাওর সংস্কার করে সংশ্লিষ্ট এলাকার বেকার তরুণদের মধ্যে ব্যবহারের সুযোগ বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তরুণদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জলাশয় ব্যবহারে বেকারদের সুযোগ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বহু নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর ও হাওর বর্তমানে যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। সরকার এসব জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বেকার তরুণদের এসব জলাশয় ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া - [নওগাঁয় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত শিল্প-সেচ, কমছে চালকলের উৎপাদন](https://sarakhon.com/news/183910/): নওগাঁয় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে তীব্র লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও কৃষিকাজ। জেলা শহরের বাইরে অনেক এলাকায় প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে চালকলসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি কমছে ব্যবসায়ীদের লাভের পরিমাণ। নওগাঁ দেশের অন্যতম প্রধান ধান উৎপাদনকারী জেলা। এখানে সাত শতাধিক চালকল রয়েছে। এর পাশাপাশি খাদ্য ও খাদ্যপণ্য, কৃষিযন্ত্র, প্লাস্টিক এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ছোট-বড় বহু কারখানা রয়েছে। বিদ্যুতের ঘাটতিতে এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ক্রমেই ব্যাহত হচ্ছে। চালকলে উৎপাদন কমেছে ৩০ শতাংশ নওগাঁ পৌরসভার সুলতানপুরের ঘোষ অটোমেটিক রাইস মিলে বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা - [ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৭০, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৮০৫ রোগী](https://sarakhon.com/news/183925/): দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৮০৫ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত তিনজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা। চলতি বছরে প্রায় ২৪ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৩ হাজার ৯৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে - [মাতৃত্ব আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা কমায়নি, বরং কোন কাজ সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝিয়েছে](https://sarakhon.com/news/183922/): মা হওয়ার আগে উচ্চাকাঙ্ক্ষা বলতে অনেকটা ‘সবকিছুতে হ্যাঁ বলা’কেই বোঝাতেন লেখিকা। ভালো পারিশ্রমিক না থাকলেও নতুন কাজ নেওয়া, খুব একটা প্রয়োজন না থাকলেও বৈঠকে যোগ দেওয়া কিংবা শুধু দেখতে আকর্ষণীয় বলে কোনো সুযোগ গ্রহণ—সবই তাঁর কাছে এগিয়ে যাওয়ার প্রমাণ ছিল। ফলে কাজের চাপে ক্যালেন্ডার ভরে থাকলেও কোন কাজটি সত্যিই তাঁর সময়ের মূল্য রাখে, সে প্রশ্ন করার সুযোগ বা ইচ্ছা কোনোটিই ছিল না। কিন্তু মহামারির ভয়াবহ সময়ের শুরুতে মা হওয়ার পর তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পরিবর্তন আসে। নতুন সন্তান, অনিশ্চয়তা, ক্লান্তি আর দায়িত্বের চাপে নিজের আগের আত্মবিশ্বাসী পরিচয়টিই যেন হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। একটি ছোট কাজ ফিরিয়ে দিয়েছিল আত্মবিশ্বাস মা হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে এনরনের ছায়া, তবে ধস অনিবার্য নয়](https://sarakhon.com/news/183916/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঘিরে প্রযুক্তি খাতের যে বিপুল বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ চলছে, তাতে দুই দশকেরও বেশি আগে ধসে পড়া মার্কিন জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এনরনের কৌশলের কিছুটা মিল দেখতে পাচ্ছেন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ রাম বালা। তবে তাঁর মতে, এই মিল থাকলেই বর্তমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান এনরনের মতো ভয়াবহ পতনের দিকে যাবে—এমনটা নিশ্চিত নয়। সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্লেষণবিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক রাম বালার মতে, এনরনের সংকটকে মূলত তিনটি আর্থিক কৌশলের মাধ্যমে বোঝা যায়। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের হিসাবের বাইরে ঋণের ঝুঁকি সরিয়ে দিয়েছিল, ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাব্য বিক্রয়কে বর্তমান আয় হিসেবে দেখিয়েছিল এবং এমন কিছু পারস্পরিক লেনদেন করেছিল, যার ফলে প্রকৃত - [বিষণ্নতা আসার আগেই জানাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চার বছর আগেই মিলবে সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/183913/): মানুষের মন কখন কখন অন্ধকারে ঢেকে যেতে পারে, তা যদি আগেই জানা যেত—তাহলে হয়তো অনেক কষ্ট শুরু হওয়ার আগেই থামানো সম্ভব হতো। সেই সম্ভাবনাই এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে দিলেন চীনের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের তৈরি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি মডেল মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম সংকেত বিশ্লেষণ করে একজন মানুষের বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি চার বছর আগেই অনুমান করতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে। মনের অদৃশ্য সংকেত পড়বে প্রযুক্তি শেনঝেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এমন একটি পদ্ধতি তৈরি করেছেন, যেখানে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া, রক্ত পরীক্ষার তথ্য এবং মানসিক অবস্থাসংক্রান্ত প্রশ্নমালার তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিশেষ করে মানুষের মুখের অভিব্যক্তির প্রতি মস্তিষ্ক কীভাবে সাড়া দেয়, সেই সূক্ষ্ম পরিবর্তনও গবেষণার - [ছুঁয়ে না দেখেই বস্তু চিনবে রোবট, চীনের নতুন ‘ইলেকট্রিক ইল’ প্রযুক্তিতে](https://sarakhon.com/news/183909/): অন্ধকার ও ঘোলাটে পানিতে শিকার খুঁজতে বৈদ্যুতিক ইল নিজের চারপাশে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে। সেই প্রাকৃতিক কৌশল থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়ে চীনা বিজ্ঞানীরা এমন এক নতুন সংবেদক তৈরি করেছেন, যা রোবটকে কোনো বস্তু স্পর্শ করার আগেই সেটি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। স্পর্শের আগেই বুঝবে কী আছে সামনে শুধু ক্যামেরার ওপর নির্ভর না করে রোবট যদি সামনে থাকা কোনো বস্তুর উপস্থিতি, গঠন ও উপাদান স্পর্শ ছাড়াই বুঝতে পারে, তাহলে মানুষের মতো আরও স্বাভাবিকভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। চীনের শিয়ানডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ঝাং ওয়েইচিয়াংয়ের নেতৃত্বে গবেষকরা সেই লক্ষ্যেই বৈদ্যুতিক ইলের শিকার শনাক্ত করার পদ্ধতি অনুকরণ করেছেন। গবেষকদের তৈরি সংবেদকটি বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত এক ধরনের - [এআই এজেন্টের ভয়ংকর আচরণ: প্রতিদ্বন্দ্বীকে ‘হত্যা’, নজরদারি ফাঁকি ও প্রতারণার তথ্য প্রকাশ](https://sarakhon.com/news/183905/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্বয়ংক্রিয় এজেন্টগুলোকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একাধিক পরীক্ষায় এমন কিছু আচরণ শনাক্ত করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী এআই ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু এআই এজেন্ট নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে নিরাপত্তা নির্দেশনা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বী এজেন্টকে নিষ্ক্রিয় করেছে এবং নিজেদের কর্মকাণ্ড আড়াল করতে প্রতারণামূলক কৌশল ব্যবহার করেছে। এআইয়ের আচরণ নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা অ্যানথ্রপিক তাদের এআই মডেলের ‘ভুল পথে পরিচালিত হওয়ার ঝুঁকি’ আগের ‘খুবই কম’ স্তর থেকে ‘কম’ স্তরে উন্নীত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, মডেলের আচরণ নিয়ে সাধারণভাবে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত - [ভিসা বাতিল, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্টপুত্রের](https://sarakhon.com/news/183889/): মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস মানুয়েল লোপেস ওব্রাদরের ছেলে আন্দ্রেস মানুয়েল লোপেস বেলত্রান অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাঁর ভিসা বাতিল করেছে। তিনি এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউকে দায়ী করেছেন। ৩৯ বছর বয়সী লোপেস বেলত্রান, যিনি ‘অ্যান্ডি’ নামে পরিচিত, বৃহস্পতিবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ কোনো অপরাধ বা অনিয়মের প্রমাণ তাঁকে দেয়নি। মাদকচক্রবিরোধী অভিযানে ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মেক্সিকোর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাদকচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অন্তত ৫০ - [আফ্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা হয়ে উঠতে পারে চীনের ইউয়ান, কমছে ডলারের নির্ভরতা](https://sarakhon.com/news/183897/): আফ্রিকার অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে বাড়ছে চীনের মুদ্রা ইউয়ানের প্রভাব। চীন যখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে, তখন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ব্যাংকও চীনের বিকল্প আন্তব্যাংক লেনদেনব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এই পরিবর্তন সফল হলে আফ্রিকার সঙ্গে চীনের বাণিজ্যে ইউয়ানের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের ওপর নির্ভরশীলতাও কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। লিবিয়ার ব্যাংকগুলো যুক্ত হচ্ছে চীনের লেনদেনব্যবস্থায় সম্প্রতি বেইজিংয়ে লিবিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নাজি ইসা এবং চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর প্যান গংশেংয়ের মধ্যে বৈঠক হয়। এরপর লিবিয়ার ব্যাংকগুলো চীনের আন্তসীমান্ত আন্তব্যাংক অর্থপ্রদান ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পথে এগোচ্ছে। এই ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক - [জোকবো: পুরুষের বংশলিপির ভেতর নারীর হারানো ইতিহাস](https://sarakhon.com/news/183893/): বংশপরিচয়ের নথি বলতেই আমাদের চোখের সামনে সাধারণত পুরুষদের একটি ধারাবাহিক তালিকা ভেসে ওঠে—কে কার ছেলে, কোন পরিবার কোথা থেকে এসেছে, কোন পূর্বপুরুষের নামের সঙ্গে বংশের পরিচয় যুক্ত। কিন্তু কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘জোকবো’ নিয়ে গভীরভাবে কাজ করলে এই প্রচলিত ধারণার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাঁক চোখে পড়ে। বাইরে থেকে এগুলো পুরুষের বংশতালিকা মনে হলেও, ভেতরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নারীর পারিবারিক পরিচয় ও বংশগত সম্পর্ক বোঝার জন্য এগুলো অসাধারণ সমৃদ্ধ দলিল। চীনের ‘জিয়াপু’ এবং কোরিয়ার ‘জোকবো’—দুই ধরনের বংশলিপির কাঠামোগত মিল আছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রজন্মের পর প্রজন্মের সম্পর্ক এবং পূর্বপুরুষের ধারাবাহিকতা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে প্রথম দর্শনে এগুলোকে প্রায় একই ধরনের দলিল মনে হওয়া - [ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাস গড়লেন অ্যাবি ডনেলি, নারীদের ম্যারাথনে ব্রিটেনের প্রথম পদক](https://sarakhon.com/news/183890/): বার্মিংহামে নিজের ঘরের দর্শকদের সামনে ইতিহাস গড়লেন ব্রিটেনের অ্যাবি ডনেলি। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপের নারীদের ম্যারাথনে ব্রোঞ্জ জিতে তিনি এই ইভেন্টে গ্রেট ব্রিটেনের হয়ে প্রথম পদক এনে দিয়েছেন। ২৯ বছর বয়সী ডনেলির জন্য অর্জনটি আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে ঘরের মাঠে প্রতিযোগিতা করার কারণে। দৌড়ের সময় দর্শকদের মুখে নিজের নাম শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ডনেলি বলেন, বার্মিংহামে এমন অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য এবং এর অর্থ তাঁর কাছে অনেক বেশি। শুরু থেকেই ছিল কঠিন লড়াই দৌড়ের শুরুতেই ফিনল্যান্ডের প্রতিযোগী ভাইনিও অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে এগিয়ে যান। পেছনের দলটিতে দীর্ঘ সময় ডনেলি ও তাঁর সতীর্থ উইলসন একসঙ্গে দৌড়ান। ডনেলির মতে, পুরো দৌড়জুড়ে সতীর্থকে পাশে পাওয়াটা - [সিলিকনকে পেছনে ফেলে চীনের সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তিতে নতুন সাফল্য](https://sarakhon.com/news/183882/): সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে চীন। প্রচলিত সিলিকনভিত্তিক সৌর প্যানেলের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত পেরোভস্কাইট প্রযুক্তি এবার শিল্প পর্যায়ের পরীক্ষায় সিলিকন ব্যবস্থাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দেখিয়েছে। এর ফলে কম খরচে বেশি দক্ষতার সৌর প্যানেল বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের পথ আরও সহজ হতে পারে। চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে চীন ও কানাডার একদল গবেষক এই প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ একটি সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠেছেন। তারা পেরোভস্কাইটের ওপর একটি অত্যন্ত স্থিতিশীল আবরণ তৈরি করেছেন, যা বড় আকারের পৃষ্ঠে প্রয়োগ করা যায়। প্যানেলের ক্ষুদ্র ত্রুটি মেরামতে এই আবরণ ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ায় বিদ্যুৎ অপচয় কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বড় পরিসরে পরীক্ষায় সাফল্য পেরোভস্কাইট একটি অত্যন্ত পাতলা ও হালকা উপাদান, - [মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: রান্নার গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ভারতের নতুন উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/183870/): মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির অস্থিরতায় রান্নার গ্যাসের সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় দেশে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। এ লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি তেল শোধনাগারগুলোর জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ৬৩ হাজার ৮১০ টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির সরকার। সরকারের ১৩ আগস্টের এক আদেশে এই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের অভ্যন্তরে রান্নার গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করা। হরমুজ সংকটে আমদানিতে বড় ধাক্কা ইরানকে ঘিরে যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর আগে ভারতের রান্নার গ্যাস আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশই আসত মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ফলে ওই অঞ্চলের - [হংকংয়ের জীবনধারা: খাওয়া, চলাফেরা আর সুস্থ থাকার নতুন কৌশল](https://sarakhon.com/news/183876/): স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের সচেতনতা যত বাড়ছে, ততই বদলে যাচ্ছে দৈনন্দিন জীবনযাপনের ধরন। হংকংয়েও এর ব্যতিক্রম নয়। ব্যস্ত নগরজীবনের মধ্যেই কীভাবে স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সচেতন জীবনযাপনকে জায়গা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে মানুষের মধ্যে। শহরটির স্বাস্থ্য ও সুস্থতাকেন্দ্রিক বাজারও ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে খাবার থেকে শুরু করে শরীরচর্চা এবং দৈনন্দিন অভ্যাস—সবকিছুকেই নতুন করে মূল্যায়ন করছেন হংকংয়ের বাসিন্দারা। ব্যস্ততার মধ্যেও সুস্থ থাকার চেষ্টা হংকংয়ের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও ব্যস্ত শহরে সময়ের অভাব স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পথে বড় বাধা। তবু মানুষের মধ্যে এখন এমন কিছু অভ্যাস গড়ে উঠছে, যেখানে সুস্থ থাকা শুধু অসুস্থতা এড়ানোর বিষয় নয়; বরং ভালোভাবে বেঁচে থাকার অংশ হয়ে - [ইউক্রেনে রুশ হামলায় ইস্পাত কারখানায় নিহত ২, মস্কো অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা](https://sarakhon.com/news/183873/): ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা আরও তীব্র হয়েছে। রোববার রাতে ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে দেশটির অন্যতম বড় ইস্পাত কারখানায় হামলায় অন্তত দুজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে মস্কো অঞ্চলে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সেখানে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি একটি বড় গুদামে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ক্রিভি রিহের ইস্পাত কারখানায় হামলা রাশিয়ার হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল শিল্পনগরী ক্রিভি রিহের আরসেলর মিত্তাল ইস্পাত কারখানা। শহরটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জন্মস্থান হিসেবেও পরিচিত। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ধাতু গলানোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমের একটি অংশ - [চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করা জাহাজে বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজের ধাক্কা, অল্পের জন্য রক্ষা ২১ নাবিক](https://sarakhon.com/news/183851/): চট্টগ্রাম বন্দরের আলফা নোঙর এলাকায় নোঙর করে থাকা বাংলাদেশের পতাকাবাহী একটি জাহাজকে ধাক্কা দিয়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ। রোববার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহত, জাহাজে পানি প্রবেশ কিংবা পরিবেশ দূষণের ঘটনা ঘটেনি। প্রবল স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ৩৫ হাজার ৩৫০ টন বর্জ্যজাত ভারী পণ্য বহনকারী ‘এমভি আনাসা’ নামের জাহাজটি আলফা নোঙর এলাকায় প্রবেশের সময় প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে। এ সময় নোঙর করে থাকা বাংলাদেশের পতাকাবাহী ‘এমভি জাহাব জাহান’-এর সামনের অংশে ধাক্কা লাগে। ‘এমভি আনাসা’ জাহাজে ২১ জন নাবিক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর দুই জাহাজই নিরাপদভাবে আলাদা হয়ে আবার - [আরও ছয় শিশুর মৃত্যু, হামের মৃত্যু বেড়ে ৯০৮](https://sarakhon.com/news/183863/): দেশজুড়ে হামের মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন এই মৃত্যুর ঘটনায় নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০৮। সন্দেহভাজন মৃত্যুই বেশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, নতুন ছয়টি মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮০৯। আর পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯। ১৬ আগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের সন্দেহভাজন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২১ জন। এতে মোট সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৭। একই সময়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হয়েছে আরও ৮০টি হাম আক্রান্তের ঘটনা। - [সেলেনা গোমেজের মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগে বড় সংকট, বিনিয়োগকারীদের মামলা](https://sarakhon.com/news/183860/): জনপ্রিয় মার্কিন সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজের সহপ্রতিষ্ঠিত মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ এখন বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক সংকটে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের কাছ থেকে প্রায় ১২ লাখ ডলার বিনিয়োগ নেওয়ার সময় প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা, অংশীদারত্ব ও ভবিষ্যৎ ব্যবসা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দায়ের করা একটি ফেডারেল মামলায় সেলেনা গোমেজ, তার মা ম্যান্ডি টিফি, ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েলা পিয়ারসন এবং ওয়ান্ডারমাইন্ডকে আসামি করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা তাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ ও আইনি খরচ দাবি করেছেন। অ্যাপ তৈরির প্রতিশ্রুতি, কিন্তু বাস্তবে হয়নি বিনিয়োগকারীদের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে ওয়ান্ডারমাইন্ডের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি মানসিক সুস্থতা প্ল্যাটফর্ম তৈরির কথা - [ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপ, ঝুঁকিও কম নয়](https://sarakhon.com/news/183857/): ইরানের ওপর নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তবে ইরান ইতোমধ্যেই নৌ অবরোধ ও হাজারো নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকায় নতুন করে কীভাবে চাপ বাড়ানো হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনো ইরানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলার কয়েকটি পথ খোলা আছে। তবে এসব পদক্ষেপ নিতে গিয়ে মার্কিন অর্থনীতিতেও পাল্টা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর সুযোগ কতটা ট্রাম্প প্রশাসন এখনো প্রকাশ্যে জানায়নি, ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে তারা। তবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে ইরানের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও সংকুচিত করার বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ইরানের আর্থিক লেনদেন, - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও ওলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ](https://sarakhon.com/news/183854/): আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২০ আগস্ট এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রোববার ১৬ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনী কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দীন দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। অলি আহমদের মনোনয়ন প্রথমে বৈধ ঘোষণা যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রথমে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। অলি আহমদের পক্ষে - [জাপানে ভয়াবহ বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে নিহত ৯, ডুবেছে হাজারের বেশি ঘর](https://sarakhon.com/news/183843/): জাপানের পূর্বাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের এক মাসের মধ্যেই এমন দুর্যোগে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। ব্যাহত হয়েছে সড়ক ও রেল যোগাযোগ, দেখা দিয়েছে বিদ্যুৎ বিপর্যয় এবং ভূমিধসের আশঙ্কা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টিপাত শুক্রবার ও শনিবার আরও তীব্র আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে চিবা অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ মাত্রার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়। ছয় দশকের রেকর্ড বৃষ্টিপাত চিবা প্রদেশের একটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত ছয় দশকের মধ্যে আগস্ট মাসে - [জ্বালানি ভর্তুকি শেষ হলেই কেন মূল্যস্ফীতির আগুন জ্বলে ওঠে](https://sarakhon.com/news/183846/): জ্বালানি ভর্তুকি সাধারণত রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় একটি নীতি। সরকার যখন বাজারদরের তুলনায় কম দামে জ্বালানি বিক্রির সুযোগ তৈরি করে, তখন সাধারণ মানুষ তাৎক্ষণিক স্বস্তি পায়। পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকে, পণ্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকে এবং সরকারের জন্যও নীতিটি জনবান্ধব হিসেবে উপস্থাপন করা সহজ হয়। কিন্তু এই স্বস্তির আড়ালে জমতে থাকে বড় আর্থিক দায়। আর একসময় যখন সরকার সেই দায় কমাতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে, তখন চাপটি আর বাজেটের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকে না—সরাসরি গিয়ে পড়ে ভোক্তার পকেটে এবং মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যানে। জার্মানির সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা সেই প্রক্রিয়াটিকে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে সামনে এনেছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দেশটিতে জ্বালানির দাম এক মাসেই ১১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। ডিজেলের দাম - [কুষ্টিয়ায় জামায়াতের এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর](https://sarakhon.com/news/183818/): কুষ্টিয়া শহরে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার ব্যক্তিগত গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে শহরের ছয়রাস্তা মোড়ে থানাপাড়া জামিয়া মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় গাড়িটির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। গাড়ির বিভিন্ন অংশেও ইটের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে এ ঘটনায় আমির হামজা আহত হননি বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার এ কে এম আলী মোহসীন। যে কারণে উত্তেজনার সূত্রপাত স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আমির হামজা সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদকে নিয়ে একটি বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে ছয়রাস্তা মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে গণঅধিকার পরিষদ। বিকেল পৌনে ৬টার দিকে - [মক্কা চুক্তিতে মিসরকে সম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে চান এরদোয়ান](https://sarakhon.com/news/183837/): তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রجب তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ভবিষ্যতে আরও দেশ যুক্ত হতে পারে। সম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে তিনি মিসরের নাম উল্লেখ করেছেন। আগস্ট ২০২৬-এ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করে সম্মিলিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা বলা হয়েছে। এই ব্যবস্থাকে অনেক বিশ্লেষক উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের পঞ্চম অনুচ্ছেদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে পাকিস্তানের কর্মকর্তারা এটিকে পশ্চিমা সামরিক জোটের সরাসরি সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা না করার বিষয়ে সতর্ক - [অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস বাংলাদেশের, ৯ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয়](https://sarakhon.com/news/183834/): অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে স্মরণীয় এই জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ দল। ম্যাচজুড়ে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই অস্ট্রেলিয়ার ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে করে ৪২৬ রান। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ শুরু থেকেই চলে আসে বাংলাদেশের হাতে। তানজিদের শতকে বড় লিড বাংলাদেশের ইনিংসের সবচেয়ে বড় অবদান আসে উদ্বোধনী ব্যাটার তানজিদ হাসানের ব্যাট থেকে। নিজের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নিয়ে তিনি দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেন। বাংলাদেশের ব্যাটাররা অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণকে দীর্ঘ সময় ব্যস্ত রাখেন। ডারউইনের গরম - [পেনাল্টি মিসের হ্যাটট্রিক, মেসির মায়ামির টানা তৃতীয় হার](https://sarakhon.com/news/183830/): লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিসের হতাশার সঙ্গে এবার যুক্ত হলো দলের বড় হার। ন্যাশভিল এসসির কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে টানা তৃতীয় ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ পেল ইন্টার মায়ামি। একই সঙ্গে টানা তৃতীয়বার পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসি। শুরুতেই মেসির পেনাল্টি ব্যর্থতা ম্যাচের ২৩ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল মায়ামি। অ্যান্ডি নাহার ন্যাশভিলকে এগিয়ে দেওয়ার পর মেসি পেনাল্টি থেকে গোল করার সুযোগ পান। কিন্তু তাঁর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়াকে। ফিরতি বলে সার্জিও রেগিলন গোল করলেও ভিডিও পর্যালোচনার পর তা বাতিল হয়ে যায়। গোলরক্ষক বল ঠেকানোর আগেই মায়ামির খেলোয়াড়দের একজন নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম করেছিলেন বলে গোলটি - [ফিলিস্তিনিদের পানিতে বসতি স্থাপনকারীদের সুইমিংপুল, পশ্চিম তীরে নতুন ‘পানিযুদ্ধ’](https://sarakhon.com/news/183820/): পশ্চিম তীরের তীব্র গরমে যখন পানির জন্য ফিলিস্তিনিদের হাহাকার, তখন তাদের কৃষিজমিতে সেচ দেওয়ার ঝরনার পানি সরিয়ে নিয়ে সেই পানি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সাঁতারের পুকুর। ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের এমন কর্মকাণ্ডে শুধু পানির সংকটই বাড়েনি, ধ্বংসের মুখে পড়েছে ফিলিস্তিনি কৃষি, জীবিকা ও বহু পরিবারের আয়-রোজগার। জর্ডান উপত্যকার ফাসায়িল গ্রামের একটি প্রাকৃতিক ঝরনা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের জীবনধারণের অন্যতম প্রধান উৎস। এই ঝরনার পানি দিয়ে কৃষিজমিতে সেচ দেওয়া হতো। একই সঙ্গে অনিয়মিত সরবরাহের কারণে ঘরোয়া ব্যবহারের পানির ঘাটতিও মেটাতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু গত জুনে ওই ঝরনার পানি বহনকারী সেচের পাইপলাইন দখলে নিয়ে সেটির গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। পরে প্রাচীন একটি - [ল্যাম্বরগিনির সবচেয়ে শক্তিশালী উৎপাদন গাড়ি, নতুন রেভুয়েলতো এসভি-তে গতি ও প্রযুক্তির বিস্ময়](https://sarakhon.com/news/183825/): তিন বছর আগে সাধারণ রেভুয়েলতো বাজারে আনার পর এবার গাড়িটিকে আরও আগ্রাসী ও শক্তিশালী রূপে হাজির করেছে ল্যাম্বরগিনি। নতুন রেভুয়েলতো এসভি বা সুপার ভেলোচে শুধু বাড়তি শক্তির সংস্করণ নয়; কম ওজন, উন্নত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, শক্তিশালী ব্রেক এবং বিশাল পেছনের পাখার সমন্বয়ে এটি তৈরি হয়েছে নির্মাতার সবচেয়ে ক্ষমতাধর উৎপাদন গাড়ি হিসেবে। বিশাল পেছনের পাখায় বদলে গেছে চেহারা রেভুয়েলতো এসভির সবচেয়ে নজরকাড়া বৈশিষ্ট্য হলো বিশাল পেছনের পাখা। এর সঙ্গে নতুন সামনের বিভাজক ও গাড়ির নিচের অংশের নকশাও বদলানো হয়েছে। ফলে সাধারণ রেভুয়েলতোর তুলনায় নতুন মডেলটি ৮০ শতাংশ বেশি নিচের দিকে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি এটি আগের অ্যাভেন্তাদোর এসভিজের তুলনায়ও ১০ শতাংশ বেশি নিচের - [কাতারের হাতে ইরানি যুদ্ধবিমান চালকদের আটকের দাবি, সরাসরি অস্বীকার দোহার](https://sarakhon.com/news/183822/): ইরানের নিখোঁজ তিন যুদ্ধবিমান চালককে কাতার আটক করে রেখেছে—তেহরানের এমন দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে দোহা। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি পাইলটদের আটকের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এ ধরনের বক্তব্যে তারা বিস্মিত। তিন পাইলটকে জীবিত আটকের দাবি ইরানের ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ক কমিটির প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ এক চিঠিতে দাবি করেন, জাভাদ সালেহি, আবদোলমাজিদ দাশতিয়ান ও ওমরান বেহরাভেশিয়ান নামের তিন ইরানি যুদ্ধবিমান চালক প্রায় ছয় মাস ধরে কাতারের বাহিনীর হাতে আটক রয়েছেন। ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকে কাতারে একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর অভিযানে ওই তিন চালকের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। এরপর তাদের জীবিত অবস্থায় আটক - [কূটনীতি নয়, রাজনৈতিক উসকানি](https://sarakhon.com/news/183813/): আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেই ব্রাজিলের সাও পাওলোতে গিয়ে এমনভাবে কথা বললেন, যেন তিনি কোনো রাষ্ট্রীয় সফরে নয়, নিজের নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছেন। ২৫ জুলাই ফ্লাভিও বলসোনারোর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সূচনাপর্বে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি ব্রাজিলের সরকারকে ‘চোর সমাজতন্ত্রীদের’ সমষ্টি হিসেবে আখ্যায়িত করেন, প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে চোর ও দণ্ডিত ব্যক্তি বলে আক্রমণ করেন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েসকেও লক্ষ্য করেন। ব্রাজিলের প্রতিক্রিয়াও দ্রুত আসে। দেশটি আর্জেন্টিনা থেকে রাষ্ট্রদূতকে পরামর্শের জন্য ডেকে নেয় এবং ব্রাসিলিয়ায় নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে। পরদিন মাইলেই আরও এক ধাপ এগিয়ে দাবি করেন, বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে অনলাইন প্রচারণায় ব্রাজিল, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের - [তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা আপাতত বাতিল করলো ঢাকা](https://sarakhon.com/news/183809/): বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা আপাতত বাতিল হয়ে গেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে, “এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন”। ঢাকায় রোববার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো আভাস দিয়েছিল যে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দুই দিনের সফরে ভারত যেতে পারেন তারেক রহমান। পাশাপাশি ঢাকায় বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের প্রস্তুতি নেওয়ার আভাস দিয়েছিলেন। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেছেন, “দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী - [আঞ্চলিক রাজনীতির নতুন মানচিত্র](https://sarakhon.com/news/183806/): যুদ্ধ থামলেই মধ্যপ্রাচ্য আগের জায়গায় ফিরবে—এমন ধারণা এখন আর বাস্তবসম্মত নয়। ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক যুদ্ধ, তার সামরিক বিস্তার, ভৌগোলিক পরিধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর অভিঘাত নিঃসন্দেহে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির সবচেয়ে বড় ঘটনাগুলোর একটি। কিন্তু যুদ্ধের দৃশ্যমান সংঘাতের বাইরে যে পরিবর্তনগুলো গত দেড় দশকে ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে, সেগুলোর গুরুত্ব কোনোভাবেই কম নয়। বরং এসব পরিবর্তনই যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক কাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং শক্তির ভারসাম্য নির্ধারণে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, বর্তমান সংকটের অনেকগুলো উপাদান যুদ্ধ শুরুর আগেই মধ্যপ্রাচ্যে সক্রিয় ছিল। যুদ্ধ সেগুলোকে কোথাও ত্বরান্বিত করেছে, কোথাও নতুন রূপ দিয়েছে, আবার কোথাও পুরোনো সম্পর্কের ভেতরের দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও - [সীমান্তে ফের পুশইনের চেষ্টা, চারজনকে ঠেকিয়ে দিল বিজিবি](https://sarakhon.com/news/183803/): ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আরেকটি চেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। শনিবার দুপুরে কুসুমপুর সীমান্ত ফাঁড়ির কাছে এ ঘটনা ঘটে। শূন্যরেখায় চারজনকে আটকাল বিজিবি বিজিবি জানিয়েছে, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মহেশপুরের চাপাতলা মাজার এলাকার কাছাকাছি শূন্যরেখায় চারজনকে দেখতে পায় কুসুমপুর সীমান্ত ফাঁড়ির টহল দল। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলটি মহেশপুরভিত্তিক ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কুসুমপুর সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের মহেন্দ্র শিবিরের ১৯৪ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ওই চারজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আটকানো চারজনের মধ্যে দুজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশু - [ইউরোপের পোশাকবাজারে ধাক্কা, প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি কমল ১৬ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/183800/): ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাকবাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৮৬৪ কোটি ইউরোতে নেমে এসেছে। ইউরোপের সামগ্রিক পোশাক আমদানিও একই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কমেছে রপ্তানির পরিমাণ ও দাম জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমার পেছনে দুটি বড় কারণ কাজ করেছে। এ সময়ে রপ্তানির পরিমাণ কমেছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। একই সঙ্গে পোশাকের গড় মূল্য কমেছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ফলে রপ্তানির মোট আয়েও বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। তবে জুন মাসে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া - [স্বাধীনতার ৭৯ বছরে পাকিস্তানকে ঐক্য ও শৃঙ্খলার বার্তা সশস্ত্র বাহিনীর](https://sarakhon.com/news/183790/): পাকিস্তানের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছে সশস্ত্র বাহিনী। একই সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটির সামরিক নেতৃত্ব। শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক বিবৃতিতে এ বার্তা দেওয়া হয়। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথভাবে এই শুভেচ্ছা ও অঙ্গীকার জানানো হয়। জিন্নাহ ও স্বাধীনতার সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা স্বাধীনতা দিবসের বার্তায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দেশটির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত নেতৃবৃন্দ এবং স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব বলেছে, তাদের দূরদর্শিতা, সাহস ও দৃঢ় সংকল্প এখনো পাকিস্তানের জনগণের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে। দেশের মূল আদর্শ ও - [মাস্তাংয়ে বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বহরে হামলা, আহত ৬ নিরাপত্তাকর্মী](https://sarakhon.com/news/183787/): পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মীর জিয়াউল্লাহ লাঙ্গাউয়ের নিরাপত্তাবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মাস্তাং এলাকায় কালাত থেকে কোয়েটার দিকে যাওয়ার সময় তাঁর বহর লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় মন্ত্রী নিরাপদে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গোলাগুলিতে আহত ছয় নিরাপত্তাকর্মী পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের পাল্টাপাল্টি গুলিবিনিময় হয়। এতে নিরাপত্তা দলের অন্তত ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য কোয়েটার নবাব গাউস বখশ হাসপাতালে নেওয়া হয়। মাস্তাংয়ের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জানিয়েছেন, কোয়েটার দিকে যাওয়ার সময়ই মন্ত্রীর বহরটি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। তবে হামলার পেছনে কারা রয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলাকারীদের ধরতে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপরতা শুরু করেছে। ‘এসব আতশবাজিতে ভয় - [পাহালগাম হামলার পর মোদির প্রথম প্রশ্ন—‘কারা করেছে?’ অজিত দোভালের মুখে অপারেশন সিঁদুরের নেপথ্যকথা](https://sarakhon.com/news/183784/): পাহালগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার খবর পাওয়ার পর দেশে ফিরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানতে চেয়েছিলেন—এই হামলার পেছনে কারা রয়েছে? ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই উত্তাল সময়ের কথা তুলে ধরে জানিয়েছেন, হামলার নেপথ্যের অপরাধীদের পরিচয় দ্রুত জানতে প্রধানমন্ত্রী তাকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিমানবন্দরেই শুরু হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক পাহালগামে হামলার সময় সৌদি আরবে ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত দেশে ফেরেন। দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরেই জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। অজিত দোভাল জানান, বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হামলার সব তথ্য জানতে চান। এরপরই তিনি সরাসরি জানতে চান, এই - [রাজনীতির ময়দানে ফের বিতর্ক: বিজয়ের মাকে নিয়ে নাইনর নাগেন্দ্রনের মন্তব্যে তীব্র সমালোচনা](https://sarakhon.com/news/183781/): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁর মাকে নিয়ে ব্যক্তিগত মন্তব্য করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি নাইনর নাগেন্দ্রন। তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। কী বলেছিলেন নাগেন্দ্রন শনিবার বিজেপির রাজ্য দপ্তর কমলালয়ামে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিজয়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে নাগেন্দ্রন বলেন, বিধানসভায় কেউ যদি বাবাকে খুঁজে না পান, তাহলে বাড়িতে গিয়ে মাকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে বাবা কে। নাগেন্দ্রনের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরই তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজনৈতিক শালীনতার সীমা অতিক্রম - [ইন্দোনেশিয়ায় আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৬.৯ মাত্রার কম্পনে কাঁপল উত্তর সুমাত্রা](https://sarakhon.com/news/183778/): ইন্দোনেশিয়ায় একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। শনিবার উত্তর সুমাত্রা অঞ্চলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই দেশটির পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। ফলে একই দিনে পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। উত্তর সুমাত্রার এই নতুন কম্পনের পর এখন পর্যন্ত কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রার পেমাতাংসিয়ানতার এলাকার কাছে। এটি দ্বীপটির প্রধান শহর মেদানের প্রায় ১২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। ভূকম্পনের গভীরতা নিয়ে প্রাথমিক তথ্যের বিভিন্নতায় কিছুটা পার্থক্য দেখা গেলেও এটি তুলনামূলকভাবে গভীর ভূকম্পন হিসেবে শনাক্ত - [পাকিস্তানের হিন্দুরা ভারত নয়, পাকিস্তানেই থাকতে চান—জারদারির দাবি](https://sarakhon.com/news/183775/): পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি দাবি করেছেন, দেশটির হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ভারতের তুলনায় পাকিস্তানেই থাকতে বেশি আগ্রহী। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভারতীয়রা ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণায় বিশ্বাস করলেও পাকিস্তানের মানুষ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে। ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় জারদারি এসব মন্তব্য করেন। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক, দুই দেশের রাজনৈতিক অবস্থান এবং পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি পাকিস্তানে বসবাসরত হিন্দুদের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণা নিয়ে জারদারির মন্তব্য জারদারি বলেন, ভারতীয়রা অখণ্ড ভারতের ধারণায় বিশ্বাস করেন। এর বিপরীতে পাকিস্তানের মুসলমানদের তিনি এমন একটি মানসিকতার মানুষ - [পাহাড়জয়ী নির্মল পুরজা: অসম্ভবকে সম্ভব করার এক দুরন্ত জীবনের শেষ অধ্যায়](https://sarakhon.com/news/183772/): নির্মল পুরজা ছিলেন এমন এক পর্বতারোহী, যিনি পাহাড়ে ওঠাকে শুধু ক্রীড়া হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে মানুষের সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর এক অবিশ্বাস্য অভিযানে পরিণত করেছিলেন। নেপালের গুর্খা এই পর্বতারোহী ৩০ জুলাই তুষারধসে প্রাণ হারিয়েছেন। বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হলো আধুনিক পর্বতারোহণের সবচেয়ে আলোচিত, দ্রুততম ও দুঃসাহসী অধ্যায়গুলোর একটি। পর্বতারোহণের জগতে নির্মল পুরজার উত্থান ছিল তুলনামূলকভাবে দেরিতে। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি বিশ্বের সপ্তম সর্বোচ্চ পর্বত ধবলগিরিতে উঠতে গিয়ে নিজের অসাধারণ সক্ষমতার পরিচয় দেন। ধবলগিরির পাদদেশের একটি গ্রামে তাঁর জন্ম। ছোটবেলায় পরিবারের সঙ্গে নেপালের সমতল দক্ষিণাঞ্চলে চলে যাওয়ায় বিশাল পর্বতটির সঙ্গে তাঁর শৈশবের সরাসরি পরিচয় খুব বেশি ছিল - [তরুণদের হাত ধরে আবারও জমে উঠছে সিনেমা হল](https://sarakhon.com/news/183769/): করোনার মহামারির পর সিনেমা হল নিয়ে যে হতাশা তৈরি হয়েছিল, তার অনেকটাই যেন কাটতে শুরু করেছে। ঘরে বসে ধারাবাহিক অনুষ্ঠান, স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও ও অনলাইন বিনোদনে অভ্যস্ত নতুন প্রজন্মই এখন উল্টো বড় পর্দার সিনেমাকে আবার জনপ্রিয় করে তুলছে। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে সিনেমা ব্যবসায় নতুন আশার জন্ম দিয়েছে। চলতি বছর বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে একের পর এক বড় সাফল্য দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে পাঁচটি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী একশ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছে। আরও তিনটি চলচ্চিত্রের আয় ছাড়িয়েছে ৫০ কোটি ডলার। সামনে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা বড় বাজেটের কয়েকটি চলচ্চিত্র নিয়েও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ফলে চলতি - [শিশুদের কার্টুন ঘিরে কেন এত রাজনীতি? ‘পাপ প্যাট্রোল’ বিতর্কের নেপথ্যে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/183766/): একদল কথা বলা কুকুরছানা, তাদের অভিযান, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আর বারবার শোনা যায়—কোনো কাজই খুব বড় নয়, কোনো কুকুরছানাই খুব ছোট নয়। বাইরে থেকে দেখলে এটি নিছকই শিশুদের বিনোদনের গল্প। কিন্তু জনপ্রিয় কার্টুন ‘পাপ প্যাট্রোল’ নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক দেখাচ্ছে, শিশুদের জন্য তৈরি বিনোদনও কীভাবে ক্ষমতা, রাষ্ট্র, পুলিশ, পুঁজিবাদ, লিঙ্গভূমিকা এবং সামাজিক মূল্যবোধের প্রশ্নে পরিণত হতে পারে। ২০১৩ সালে টেলিভিশনে যাত্রা শুরু করার পর থেকে এই কার্টুন বিশ্বজুড়ে শিশুদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। এক ডজনেরও বেশি মৌসুম, বিপুল খেলনা-বাণিজ্য এবং ইতিমধ্যে তিনটি প্রেক্ষাগৃহের চলচ্চিত্র—সব মিলিয়ে এটি আর সাধারণ কোনো শিশুতোষ অনুষ্ঠান নয়; বরং একটি বিশাল বিনোদন-সাম্রাজ্য। গল্পের কেন্দ্র অ্যাডভেঞ্চার বে নামের এক শান্ত, - [সিনেমা হলেই ফিরছে তরুণদের ভিড়, পর্দার জাদুতে নতুন করে মজেছে প্রজন্ম](https://sarakhon.com/news/183763/): একসময় ধারণা করা হয়েছিল, ঘরে বসে মোবাইল ফোনে ছোট পর্দায় বিনোদন দেখার অভ্যাস সিনেমা হলের দিন শেষ করে দেবে। কিন্তু বাস্তবতা যেন উল্টো পথে হাঁটছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তরুণ প্রজন্ম আবারও সিনেমা হলে ফিরছে। বড় পর্দায় সিনেমা দেখা তাদের কাছে শুধু একটি চলচ্চিত্র দেখার অভিজ্ঞতা নয়, বরং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, সামাজিক যোগাযোগ তৈরি এবং একটি বিশেষ সন্ধ্যাকে উপভোগ করার উপলক্ষ হয়ে উঠছে। চলতি বছর বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে ইতোমধ্যেই একাধিক বড় সাফল্য এসেছে। পাঁচটি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী একশ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছে এবং আরও তিনটি চলচ্চিত্র পঞ্চাশ কোটি ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। সামনে রয়েছে আরও কয়েকটি বহুল প্রতীক্ষিত বড় বাজেটের চলচ্চিত্র। - [সমুদ্রের তলদেশে তারের জাল: যে অসম্ভব স্বপ্ন বদলে দিয়েছিল তথ্যের পৃথিবী](https://sarakhon.com/news/183760/): আজকের পৃথিবীতে মহাদেশ থেকে মহাদেশে মুহূর্তের মধ্যে তথ্য পৌঁছে যাওয়া এতটাই স্বাভাবিক যে এর পেছনে থাকা বিপুল প্রযুক্তিগত সংগ্রামের কথা আমরা প্রায় ভুলেই যাই। অথচ একসময় আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশ দিয়ে একটি তার টেনে ইউরোপ ও আমেরিকাকে যুক্ত করার চিন্তাই ছিল প্রায় অসম্ভব এক কল্পনা। সেই কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিল উনিশ শতকের একদল দুঃসাহসী প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী ও নাবিক। ১৮৬৬ সালে প্রথম সফল আন্তঃমহাসাগরীয় টেলিগ্রাফ তার স্থাপনের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর তথ্যপ্রবাহের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। শিল্পবিপ্লবের ইস্পাত ও বাষ্পনির্ভর পৃথিবী ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে শুরু করে এমন এক যুগে, যেখানে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান। - [রুয়ান্ডার গণহত্যার ক্ষত ও ক্ষমার কঠিন পথ, ‘জাকারান্ডা’য় গায়েল ফায়ের অনন্য উপন্যাস](https://sarakhon.com/news/183757/): রুয়ান্ডার ইতিহাসে ১৯৯৪ সালের গণহত্যা শুধু একটি জাতির রাজনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয়ের অধ্যায় নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা গভীর মানসিক ক্ষতেরও নাম। গায়েল ফায়ের পুরস্কারজয়ী উপন্যাস ‘জাকারান্ডা’ সেই ক্ষত, স্মৃতি, বিচার, ক্ষমা এবং পুনর্মিলনের জটিল সম্পর্ককে অত্যন্ত সংযত অথচ শক্তিশালী ভাষায় তুলে ধরেছে। ফরাসি-রুয়ান্ডান লেখক গায়েল ফায়ে প্রথম উপন্যাস ‘পেতি পেই’ প্রকাশ করে ২০১৬ সালে ব্যাপক প্রশংসা পান। বুরুন্ডির গৃহযুদ্ধের সময় কৈশোরের অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত সেই উপন্যাসটি প্রায় ১৫ লাখ কপি বিক্রি হয়, পরে চলচ্চিত্রেও রূপ নেয় এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পাঠ্য হিসেবেও স্থান পায়। এমন সাফল্যের পর দ্বিতীয় উপন্যাস নিয়ে প্রত্যাশা ছিল স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। ২০২৪ সালে ফ্রান্সে প্রকাশিত ‘জাকারান্ডা’ সেই - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগেও কেন ফিরছে ট্রাভেল এজেন্ট, বিলাসবহুল ভ্রমণে মানুষের বিকল্প নেই](https://sarakhon.com/news/183754/): ভ্রমণ পরিকল্পনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার যতই বাড়ছে, ততই যেন নতুন করে গুরুত্ব ফিরে পাচ্ছেন মানব ট্রাভেল এজেন্টরা। বিশেষ করে বিলাসবহুল ভ্রমণের ক্ষেত্রে ধনী পর্যটকদের একটি বড় অংশ এখনো এমন মানুষের ওপর নির্ভর করতে চান, যিনি শুধু বিমানের টিকিট বা হোটেল বুক করবেন না, বরং পুরো সফরটিকে ব্যক্তিগত পছন্দ, আরাম, নিরাপত্তা ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে নিখুঁত করে তুলবেন। কানাডার ভ্রমণ-পরামর্শক অলিভিয়া ফার্নির কাজ তারই ব্যতিক্রমী উদাহরণ। তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ধনী গ্রাহক বছরে ভ্রমণের পেছনে অন্তত ১০ লাখ ডলার ব্যয় করেন। এর সঙ্গে দিতে হয় এক লাখ ডলারের বার্ষিক সদস্যপদ ফি। গ্রাহকদের আবদারও সাধারণ নয়। কারও জন্য প্যারিসে উড়ে গিয়ে বিশেষ ধরনের ক্রোসাঁ - [সবার গন্তব্য কি এক হবে? ভ্রমণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বরং ছড়িয়ে দিতে পারে পর্যটকের ভিড়](https://sarakhon.com/news/183751/): ভ্রমণের পরিকল্পনা করার ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুত। একসময় বিদেশ ভ্রমণে কোথায় যাবেন, কোথায় খাবেন কিংবা কোন পথে ঘুরবেন—এসব জানতে মানুষ ভরসা করতেন ভ্রমণ নির্দেশিকা, অভিজ্ঞ পর্যটক, ট্রাভেল এজেন্ট কিংবা পরিচিতজনের ওপর। পরে সেই জায়গা দখল করে নেয় অনলাইন পর্যালোচনা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ছবি-ভিডিওভিত্তিক প্রচারণা। এখন সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত কথোপকথন ব্যবস্থা। আর এর প্রভাব শুধু ভ্রমণ পরিকল্পনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পর্যটনের ভৌগোলিক মানচিত্রও বদলে দিতে পারে এই প্রযুক্তি। রোমে দুপুরের তীব্র রোদে ঘুরতে ঘুরতে একজন পর্যটক যখন পিৎজা খেতে চান, তখন প্রশ্ন ওঠে—কোথায় গেলে সবচেয়ে ভালো হবে? প্রচলিত ভ্রমণ নির্দেশিকা হয়তো একটি বিখ্যাত খাবারের দোকানের নাম বলবে। অনলাইন পর্যালোচনা - [পেটের জীবাণু নিয়ে ব্যক্তিগত চিকিৎসার স্বপ্ন কতটা বাস্তব?](https://sarakhon.com/news/183745/): মানুষের অন্ত্রে বাস করে লক্ষ-কোটি অণুজীব। তারা জটিল শর্করা ভেঙে এমন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা শরীরের মোট শক্তির প্রায় দশ শতাংশ জোগাতে পারে। পাশাপাশি তারা ভিটামিন কে ও বি-গোষ্ঠীর বিভিন্ন ভিটামিন তৈরিতে সহায়তা করে, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে, ক্ষতিকর জীবাণুর বিস্তার ঠেকায় এবং অন্ত্র থেকে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত সেরোটোনিনের মতো রাসায়নিকের উৎপাদনেও প্রভাব ফেলে। ফলে অন্ত্রের অণুজীবসমষ্টিকে সুস্থ রাখা যে গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে সন্দেহের খুব কমই অবকাশ আছে। বৈচিত্র্যই কি সুস্থ অন্ত্রের মূল চাবিকাঠি? অন্ত্রের অণুজীবের বৈচিত্র্য বেশি থাকা সাধারণত ভালো বলে মনে করা হয়। কারণ বিভিন্ন ধরনের অণুজীব বিভিন্ন ধরনের খাবার ব্যবহার করে। তাই খাদ্যতালিকায় উদ্ভিদজাত - [আগুনের আগুনঝড়: দাবানলই যখন তৈরি করছে আরও ভয়ংকর আবহাওয়া](https://sarakhon.com/news/183744/): দাবানল শুধু বনভূমি পুড়িয়ে দেয় না, কখনো কখনো সেটিই জন্ম দেয় এমন এক ভয়ংকর ঝড়ের, যা আবার সেই আগুনকেই আরও ভয়াবহ করে তোলে। বিজ্ঞানীরা এই বিরল আবহাওয়াজনিত ঘটনাকে বলছেন অগ্নিঝড়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ও নৌবাহিনীর গবেষণাগারের যৌথ উদ্যোগে এবার এই রহস্যময় ঝড়কে আকাশের ভেতর থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণের বড় ধরনের গবেষণা শুরু হয়েছে। গত ২৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো থেকে একটি বিশেষ গবেষণাবিমান উড়ে যায়। লক্ষ্য ছিল ওরেগনের একটি দাবানল থেকে তৈরি বিশাল অগ্নিঝড়ের ভেতরে প্রবেশ করে সেখানকার বাতাস, ধোঁয়া, মেঘ ও ঝড়ের গতিবিধি সরাসরি পরিমাপ করা। সাধারণ বিমান যেখানে ভয়ংকর আবহাওয়া এড়িয়ে চলে, সেখানে এই বিমানটির কাজই ছিল সেই বিপজ্জনক ঝড়ের - [বিজ্ঞান কি সত্যিই ধীর হয়ে যাচ্ছে, নাকি ভুল তথ্যই তৈরি করছে এই ধারণা?](https://sarakhon.com/news/183739/): বিজ্ঞানের অগ্রগতি কি সত্যিই আগের তুলনায় ধীর হয়ে গেছে? বহুদিন ধরেই এমন দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বিজ্ঞানের উদ্ভাবনী শক্তি কমে যাওয়ার যে বহুল আলোচিত প্রমাণ সামনে আনা হয়েছিল, তার বড় অংশই হয়তো তথ্যের ভুল শ্রেণিবিন্যাস থেকে তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালে মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাইকেল পার্ক ও তাঁর সহকর্মীরা প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র এবং ৩৯ লাখ উদ্ভাবনী পেটেন্ট বিশ্লেষণ করেন। তাঁদের গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, ১৯৫০-এর দশকের পর থেকে নতুন বৈজ্ঞানিক কাজের ‘বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটানোর ক্ষমতা’ ব্যাপকভাবে কমেছে। গবেষণাটি এতটাই আলোচিত হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও এর প্রভাব দেখা যায়। কিন্তু - [মস্তিষ্কের জন্য নতুন ওষুধের দিগন্ত, জিএলপি-১-এর পর এবার ওরেক্সিনের পালা](https://sarakhon.com/news/183735/): একটি হরমোনভিত্তিক ওষুধ কীভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের চেহারা বদলে দিতে পারে, তার সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ এখন জিএলপি-১। শুরুতে বহুমূত্র রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই শ্রেণির ওষুধ পরে ওজন কমানো, হৃদ্‌রোগ, কিডনি রোগ ও নিদ্রাজনিত শ্বাসকষ্টসহ নানা সমস্যায় কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এই সাফল্যের পর ওষুধশিল্পের নজর এখন মস্তিষ্কের আরেক গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক সংকেত—ওরেক্সিনের দিকে। গবেষকদের ধারণা, ওরেক্সিনভিত্তিক ওষুধও একদিন জিএলপি-১-এর মতো বহুমুখী চিকিৎসার নতুন অধ্যায় খুলতে পারে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা অতিরিক্ত ঘুমপ্রবণতার রোগ নারকোলেপসির চিকিৎসায় ওভেপোরেক্সটন অনুমোদন করেছে। এটি ওরেক্সিনের কার্যক্রম অনুকরণ করে মস্তিষ্ককে জাগ্রত রাখতে সাহায্য করে। ঘুম ও জাগরণের নিয়ন্ত্রক ওরেক্সিন হলো মস্তিষ্কের এক জোড়া গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ুরাসায়নিক বার্তাবাহক। জেগে থাকা, মনোযোগ, প্রেরণা - [জাপানের বিশাল ইয়েন বাণিজ্য: বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারবারি এবার অবস্থান গুটোচ্ছে](https://sarakhon.com/news/183732/): জাপানের মুদ্রা ইয়েনকে ঘিরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বহন-বাণিজ্যের অবস্থান এখন ধীরে ধীরে ছোট করে আনছে দেশটির সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইয়েন কেনার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ শুধু মুদ্রার দর সামলানোর চেষ্টা নয়, বরং জাপানের সরকারি আর্থিক কাঠামোকে ভবিষ্যতের উচ্চ সুদের ঝুঁকি থেকে কিছুটা সুরক্ষিত করার কৌশলও হতে পারে। ইয়েন দুর্বল, জাপানের বড় পদক্ষেপ জুলাইয়ের শেষ দিকে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর ১৬৩-এর নিচে নেমে যায়। ১৯৮৬ সালের পর এমন দুর্বল অবস্থান আর দেখা যায়নি। পরিস্থিতি সামলাতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে মিলে ইয়েন কেনার উদ্যোগ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ ক্ষেত্রে বেশ সরাসরি অবস্থান নেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই সহযোগিতাকে জাপানকে সামান্য - [ট্রাম্পের চাপ, মূল্যস্ফীতি ও দুর্বল কর্মসংস্থান—ফেডের নতুন প্রধানের সামনে পুরোনো সংকট](https://sarakhon.com/news/183730/): ফেডারেল রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ দায়িত্ব নেওয়ার পর বারবার বলেছেন, তাঁর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে শুরু হয়েছে ‘নতুন অধ্যায়’। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাস না যেতেই বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। নতুন অধ্যায়ের বদলে পুরোনো সংকটই যেন আবার ফিরে এসেছে—মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, দুর্বল হয়ে পড়া কর্মসংস্থান সামলানো এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুদের হার কমানোর রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা করা। ওয়ার্শ মে মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় প্রতিটি প্রকাশ্য বক্তব্যে পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল বাজার, রাজনীতিক ও সাধারণ মানুষকে বোঝানো যে ফেডের নীতিতে এবার নতুন ধরনের নেতৃত্ব দেখা যাবে। কিন্তু অর্থনীতির বাস্তব চিত্র তাঁকে দ্রুতই এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে, যা - [সূচক তহবিল কি সত্যিই নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগ?](https://sarakhon.com/news/183727/): অর্ধশতাব্দী আগে শেয়ারবাজারের সূচক অনুসরণ করে বিনিয়োগের যে ধারণা জন্ম নিয়েছিল, আজ তা বিশ্বের আর্থিক বাজারকে আমূল বদলে দিয়েছে। কিন্তু মজার বিষয় হলো, যেসব তহবিলকে সাধারণত ‘নিষ্ক্রিয়’ বিনিয়োগ বলা হয়, বাস্তবে সেগুলো মোটেও পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। ব্যর্থতা থেকে বিশ্বজয় পঞ্চাশ বছর আগে ভ্যানগার্ডের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক বোগল এমন একটি বিনিয়োগ তহবিল চালু করেছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল কেবল যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ারবাজার সূচকের গতিপথ অনুসরণ করা। তিনি ৫ কোটি থেকে ১৫ কোটি ডলার সংগ্রহের আশা করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তহবিলটি পায় মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ ডলারের কিছু বেশি। বোগল নিজেই একসময় এটিকে ‘চরম ব্যর্থতা’ বলেছিলেন। তখন অনেক পেশাদার বিনিয়োগ বিশ্লেষকও মনে করেছিলেন, সূচকভিত্তিক বিনিয়োগ - [সিঙ্গাপুরের শেয়ারবাজারে নতুন জাগরণ, বড় বাজার গড়ার স্বপ্ন](https://sarakhon.com/news/183724/): বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুরের পরিচিতি বহু পুরোনো। আন্তর্জাতিক অর্থের নিরাপদ আশ্রয়, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, পণ্যবাণিজ্য, সামুদ্রিক অর্থায়ন ও বিশেষায়িত বিমা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই দেশটির অবস্থান শক্তিশালী। কিন্তু এতসব সাফল্যের মাঝেও একটি বড় ঘাটতি ছিল। সিঙ্গাপুরের নিজস্ব শেয়ারবাজার এখনো সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি, যে উচ্চতায় পৌঁছেছে তার অন্যান্য আর্থিক খাত। সিঙ্গাপুর সরকার এখন সেই চিত্র বদলাতে মরিয়া। লক্ষ্য একটাই—দেশের শেয়ারবাজারকে আরও গভীর, সক্রিয় ও আকর্ষণীয় করে তোলা, যাতে বড় দেশীয় ও আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরেই পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহী হয়। দীর্ঘদিনের দুর্বলতা কাটছে সিঙ্গাপুরের শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল কম মূল্যায়ন ও কম লেনদেন। ফলে বহু প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের বাজার থেকে বিদায় নিয়েছে, - [চীনের ঋণবোমা সামলাতে গিয়ে নিজেরাই ডুবছে ঋণ উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠান](https://sarakhon.com/news/183720/): চীনের অর্থনীতিতে জমে থাকা বিপুল ঋণের বোঝা কমানোর জন্য যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি হয়েছিল, তাদেরই কয়েকটি এখন ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। ঋণগ্রস্ত ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের অনাদায়ী ঋণ সামলে নেওয়ার দায়িত্ব পাওয়া এসব প্রতিষ্ঠান নিজেরাই বিপুল ঋণের বোঝায় আটকে গেছে। ফলে চীনের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রকাশ্য হিসাবের বাইরেও আরও বড় ধরনের ঋণঝুঁকি লুকিয়ে আছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঋণবোমা নিষ্ক্রিয় করতে তৈরি হয়েছিল যেসব প্রতিষ্ঠান চীনে ব্যাংকগুলোর বিপজ্জনক ও অনাদায়ী ঋণ সরিয়ে ফেলার জন্য ১৯৯৯ সালে চারটি বিশেষ সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। দেশটির চার বৃহৎ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণগুলো এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা ছিল। - [চীনের হাতে এখন তেলের বাজারের রাশ, ওপেককে ছাপিয়ে নতুন শক্তি বেইজিং](https://sarakhon.com/news/183718/): ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কাগুলোর একটি তৈরি করলেও তেলের দাম পূর্বাভাস অনুযায়ী ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে পৌঁছায়নি। এর পেছনে সৌদি আরব, আবুধাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো কয়েকটি দেশের জরুরি পদক্ষেপ যেমন কাজ করেছে, তেমনি নীরবে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে চীন। যুদ্ধের সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন আটকে যায়। কিন্তু একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প পাইপলাইনে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান জরুরি মজুত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল ছাড়ে এবং দরিদ্র দেশগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। তবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসে বেইজিং থেকে। ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে চীন - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বুনো পশ্চিম: অবিশ্বস্ত যন্ত্রমানবেই কি থমকে যাচ্ছে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ?](https://sarakhon.com/news/183715/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন দিগন্তে এখন যেন আইন-কানুনহীন এক বুনো পশ্চিমের আবহ। একদিকে প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা অভাবনীয় গতিতে এগোচ্ছে, অন্যদিকে মানুষের হয়ে কাজ করার জন্য তৈরি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রমানবগুলো কখনো মিথ্যা বলছে, কখনো প্রতারণা করছে, এমনকি নিজেদের লক্ষ্য পূরণে চুরি বা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে। ফলে যে প্রযুক্তিকে ঘিরে ব্যবসা ও মানুষের বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার ওপর আস্থাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সীমান্ত জয় করতে এগিয়ে আছে অল্প কয়েকজন আমেরিকার বুনো পশ্চিমে যেমন কিছু দুঃসাহসী মানুষ অজানা ভূখণ্ডে বসতি গড়তে এগিয়ে গিয়েছিলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো প্রযুক্তির সীমা ঠেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সেই অগ্রযাত্রায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - [এনভিডিয়া বনাম প্রযুক্তি জায়ান্ট: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চিপ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন লড়াই](https://sarakhon.com/news/183710/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার যত দ্রুত হচ্ছে, ততই বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ক্ষমতার সমীকরণ। একসময় এনভিডিয়া এবং অ্যামাজন, গুগল, মেটা ও মাইক্রোসফটের মতো বিশাল মেঘভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক ছিল বেশ সরল। এনভিডিয়া তৈরি করত শক্তিশালী চিপ, আর এসব প্রতিষ্ঠান সেই চিপ কিনে বিশাল তথ্যকেন্দ্র গড়ে তুলত। কিন্তু সেই সম্পর্ক এখন ধীরে ধীরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার দিকে মোড় নিচ্ছে। দুই পক্ষই এখনো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। তবে ভবিষ্যতে এই নির্ভরতা কমিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে উভয়েই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো ঘিরে বিপুল বিনিয়োগ, নিজস্ব চিপ তৈরি এবং নতুন অর্থায়ন ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে প্রযুক্তি শিল্পে শুরু হয়েছে এক বড় পুনর্বিন্যাস। এনভিডিয়ার নতুন অর্থায়ন কৌশল এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত - [লেকার্স বিক্রি: ক্রীড়া দুনিয়ায় বিনিয়োগের উন্মাদনার নতুন রেকর্ড](https://sarakhon.com/news/183708/): যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় বাস্কেটবল দলগুলোর একটি লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্স বিক্রি হয়েছে ১২৫০ কোটি ডলারে। ১২ আগস্ট ঘোষিত এই চুক্তি শুধু একটি ক্রীড়া দলের মালিকানা বদলের ঘটনা নয়; বরং ক্রীড়া ব্যবসায় বিপুল পুঁজির আগ্রহ কতটা তীব্র হয়ে উঠেছে, তারও এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত। থ্রাইভ ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা জোশুয়া কুশনার দলটির নিয়ন্ত্রণকারী মালিক হতে যাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ওয়াল্ট ডিজনির সাবেক প্রধান নির্বাহী বব আইগার। চুক্তিটি অনুমোদিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্রীড়া দলের জন্য এটিই হবে সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য। আরও বিস্ময়কর হলো, লেকার্সের বর্তমান মালিক মার্ক ওয়াল্টার প্রায় এক বছর আগে দলটির জন্য যে অর্থ ব্যয় করেছিলেন, নতুন চুক্তির মূল্য তার চেয়ে প্রায় ২৫০ কোটি - [চীনের সস্তা পানশালার বিপ্লব, এবার বিশ্বজুড়ে নজর](https://sarakhon.com/news/183705/): চীনে কম দামের চা ও ঠান্ডা পানীয় বিক্রির বিশাল ব্যবসা গড়ে তুলে এবার পানশালার বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে মিশুয়ে বিংচেং। প্রতিষ্ঠানটির অধিগ্রহণ করা ‘ফুলুজিয়া’ নামের পানশালা শৃঙ্খল মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে চীনের শহর থেকে প্রত্যন্ত সীমান্ত অঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২১ সাল থেকে দেশজুড়ে এর সংখ্যা ৩ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পানশালা শৃঙ্খলে পরিণত করেছে। মাত্র কয়েক টাকায় এক পেয়ালা বিয়ার ফুলুজিয়ার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর দাম। বড় শহর হোক কিংবা দুর্গম সীমান্ত শহর—এক পেয়ালা বিয়ারের দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ৫ দশমিক ৯ ইউয়ান থেকে। ছোট আকারের এসব পানশালায় প্রায় ২০ ধরনের বিয়ার সরাসরি কল থেকে - [জাপানের নতুন উদ্যোগের পুনর্জাগরণ: আবার কি বিশ্বমানের উদ্যোক্তার স্বর্গ হতে পারবে দেশটি?](https://sarakhon.com/news/183702/): একসময় ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেই জাপানের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত টোকিওর একটি ছোট কক্ষে মাত্র ২০ জন কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা প্রতিষ্ঠানই পরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইলেকট্রনিকস সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। একই বছরে ধ্বংসপ্রাপ্ত কারখানা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল হোন্ডা। আর ১৯৮১ সালে মাত্র ২৪ বছর বয়সী সন মাসায়োশির ছোট সফটওয়্যার পরিবেশক প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে সফটব্যাংকের মতো বিশাল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। কিন্তু সেই উদ্যোক্তা-সৃষ্টির ঐতিহ্য সাম্প্রতিক দশকগুলোতে অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। এখন জাপানে বিশ্বমানের নতুন উদ্যোগের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে খুব কম। বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি বিলিয়ন-ডলারের বেশি মূল্যমানের নতুন উদ্যোগ রয়েছে। এর মধ্যে জাপানে জন্ম নেওয়া প্রতিষ্ঠানের - [দুই সপ্তাহের ছুটি, কিন্তু সত্যিই বিশ্রাম হয় কয় দিন?](https://sarakhon.com/news/183699/): ছুটি মানেই বিশ্রাম—কথাটা শুনতে যত সহজ, বাস্তবে ততটা নয়। বরং কর্মজীবী মানুষের জন্য দীর্ঘ ছুটি অনেক সময় নিজেই হয়ে ওঠে এক ধরনের মানসিক পরীক্ষা। অফিস ছাড়ার আগে কাজের চাপ, ছুটির শুরুতে অতিরিক্ত পরিকল্পনা, মাঝপথে কর্মস্থলের খবর নেওয়া, তারপর হঠাৎ জীবন নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখা—সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ছুটিতে প্রকৃত বিশ্রামের সময় হয়তো কয়েক দিনই। ছুটির আগেই শুরু হয় ছুটির চাপ ছুটিতে যাওয়ার কয়েক দিন আগে থেকেই মনে হয়, আর পারছি না—একটা বিরতি খুব দরকার। কিন্তু অফিস ছাড়ার আগে শেষ করতে হয় জরুরি কাজ। টেবিল গুছিয়ে নিতে হয়, সহকর্মীদের বলতে হয়, ‘সব দায়িত্ব তোমাদের ওপর ছেড়ে যাচ্ছি।’ অথচ একই সঙ্গে বলে দিতে - [ভবিষ্যতের সন্তান বেছে নিতে চাইছে সিলিকন ভ্যালি, বদলে যেতে পারে মানুষ তৈরির ধারণা](https://sarakhon.com/news/183697/): সন্তান হবে কেমন—এই প্রশ্নের উত্তর এত দিন মূলত ভাগ্য, প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপরই নির্ভর করত। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতিতে সেই বাস্তবতা বদলানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি দুনিয়ার একদল নতুন উদ্যোক্তা এখন এমন এক প্রযুক্তি নিয়ে এগোচ্ছেন, যার মাধ্যমে ভ্রূণ নির্বাচনের সময় ভবিষ্যৎ সন্তানের রোগঝুঁকির পাশাপাশি উচ্চতা, বুদ্ধিমত্তা, আয়ু, এমনকি চুল ও চোখের রঙ সম্পর্কেও সম্ভাব্য তথ্য জানা যাবে। এই প্রযুক্তির নাম বহু-জিনভিত্তিক ভ্রূণ বাছাই। প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, এটি ভবিষ্যতে সন্তান জন্মদানের পদ্ধতিই পাল্টে দিতে পারে। তবে বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও নীতিবিদদের একটি বড় অংশ এর কার্যকারিতা, নির্ভুলতা ও নৈতিকতা নিয়ে গভীরভাবে প্রশ্ন তুলছেন। পাতালরেল থেকে শুরু প্রচারণা গত - [তাইওয়ানের গণতন্ত্র যখন নিজের রাজনীতিবিদদের হাতেই জিম্মি](https://sarakhon.com/news/183694/): তাইওয়ানের গণতন্ত্র এখন এমন এক সংকটের মুখে, যার সুযোগ শেষ পর্যন্ত নিতে পারে চীন। একদিকে চীনের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসন বা অবরোধের আশঙ্কা, অন্যদিকে নিজেদের রাজনৈতিক বিভাজন ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব—দুই চাপেই ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে দ্বীপটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। গণতন্ত্রই তাইওয়ানের প্রতিরোধের শক্তি তাইওয়ানকে দখল করতে চীন যদি সামরিক শক্তি ব্যবহার করে, তার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। কিন্তু আরও ভয়ংকর একটি সম্ভাবনা হলো—তাইওয়ান যদি কোনো ধরনের আপসের মাধ্যমে লড়াই ছাড়াই চীনের কাছে আত্মসমর্পণ করে। সে ক্ষেত্রে চীনা শাসকদের সামনে বড় প্রশ্ন হবে, কীভাবে ২৩ কোটি মানুষের একটি সমাজের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার দমন করা হবে। কারণ - [মলদোভা দখলের নীলনকশা! নির্বাচন ঘিরে রাশিয়ার ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ফাঁস](https://sarakhon.com/news/184394/): ইউরোপের ছোট দেশ মলদোভাকে অস্থিতিশীল করে নিজেদের প্রভাববলয়ে নেওয়ার জন্য রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে যে ব্যাপক ও সুপরিকল্পিত তৎপরতা চালিয়েছে, তার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, ভোট কেনাবেচা, অপপ্রচার, সাইবার হামলা, ধর্মীয় নেতাদের ব্যবহার এবং সহিংসতার প্রশিক্ষণ—সব মিলিয়ে মস্কোর এই পরিকল্পনা ছিল বহুমাত্রিক। মলদোভা ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়ায় দেশটিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে বলে পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এই দেশটি ইউক্রেন ও পশ্চিমা জোটভুক্ত দেশগুলোর মাঝখানে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। অবকাশযাপনের আড়ালে সহিংসতার প্রশিক্ষণ রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সার্বিয়ার একটি প্রত্যন্ত অবকাশকেন্দ্রে প্রশিক্ষণ শিবির গড়ে তুলেছিল। বাইরে - [মালয়েশিয়ায় ডিজেল ভর্তুকি ব্যবস্থায় আসছে বড় পরিবর্তন, শিথিল হচ্ছে যোগ্যতার নিয়ম](https://sarakhon.com/news/184386/): মালয়েশিয়ায় নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জন্য চালু থাকা ডিজেল ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও নমনীয় করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে বেশ কিছু পরিবর্তনের ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির দ্বিতীয় অর্থমন্ত্রী আমির হামজা আজিজান। সহজ হবে আবেদন, শিথিল হবে যোগ্যতার শর্ত সরকারের বিবেচনায় থাকা পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে ভর্তুকির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি গাড়ির ঋণের কিস্তি গ্রহণ করে গাড়ির মালিকানা বা দায়িত্ব নিলে সেই ক্ষেত্রে যোগ্যতার শর্ত আরও নমনীয় করার প্রস্তাবও বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সরাসরি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ডিজেলের বরাদ্দ স্থানান্তরের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও পর্যালোচনা করছে সরকার। আমির হামজা জানান, - [২০২৪ সাল থেকে একাধিক দেশে মাদক পাচার করেছেন মালয়েশিয়ার পাইলট](https://sarakhon.com/news/184383/): মালয়েশিয়ার একটি বিমান সংস্থার ৩৯ বছর বয়সী পাইলট ২০২৪ সাল থেকে একাধিকবার বিভিন্ন দেশে মাদক পাচার করেছেন বলে তদন্তে তথ্য পেয়েছে দেশটির পুলিশ। ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মাদক বহনের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে তদন্তকারী দল। সর্বশেষ অভিযানে তার সঙ্গে ছিল বিপুল পরিমাণ মাদক। গত ২৯ জুলাই কুয়ালালামপুর থেকে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার সুকর্ণো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার লাগেজ তল্লাশি করে ১৪টি প্যাকেটে রাখা ৭০ হাজার ১১৪টি মাদকজাত বড়ি এবং হাতে বহন করা ব্যাগ থেকে চার গ্রাম শাবু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৫০ লাখ মালয়েশীয় রিঙ্গিত। উড়োজাহাজের সময়সূচি কাজে লাগিয়ে পাচার - [প্রথমবারেই বাজিমাত, ‘তিউইকার্মা’ দিয়ে সেরার মুকুট কেওআইয়ের](https://sarakhon.com/news/184380/): মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় সংগীত প্রতিযোগিতা আনুগেরাহ জুয়ারা লাগুর ৪০তম আসরে প্রথমবারের মতো চূড়ান্ত পর্বে উঠে ইতিহাস গড়েছে হিপহপ দল কেওআই। ‘তিউইকার্মা’ গানের নাটকীয় ও প্রাণবন্ত পরিবেশনার মাধ্যমে তারা বিচারকদের মুগ্ধ করে জিতে নিয়েছে আসরের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। শনিবার রাতে বুকিত জলালের ইউনিফি অ্যারেনায় জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে কেওআই জিতে নেয় গ্র্যান্ড ট্রফি এবং এক লাখ মালয়েশীয় রিঙ্গিত অর্থপুরস্কার। মঞ্চ মাতিয়ে সেরার স্বীকৃতি ‘তিউইকার্মা’ গানটির সুর করেছেন জাই হামজা ও হেমো গ্লোবিন। গানের কথা লিখেছেন আচোই ফ্লোর ৮৮, খাজা রাফ্লেক্স, তুয়ান নিকি, মিয়া নানা ও সাপিক সাম। চমকপ্রদ মঞ্চসজ্জা, অভিনয়ধর্মী পরিবেশনা ও তীব্র আবেগের সমন্বয়ে গানটি - [বাবাকে কাঁদিয়ে নয়, হাসিয়েই মনে রাখেন জেনহান](https://sarakhon.com/news/184377/): বাবাকে হারানোর স্মৃতি অনেকের কাছেই কান্না আর বিষাদের। কিন্তু মালয়েশিয়ার কৌতুকশিল্পী কুয়াহ জেনহান তাঁর প্রয়াত বাবাকে মনে রাখার জন্য বেছে নিয়েছেন হাসির পথ। ২০১০ সালে বাবাকে হারানোর পরও পরিবারের সবচেয়ে বড় ভক্ত হিসেবে বাবার স্মৃতি তাঁর জীবনে গভীরভাবে রয়ে গেছে। তবে সেই স্মৃতিকে চোখের জলে নয়, আনন্দ আর হাসির মধ্য দিয়ে দর্শকের সামনে তুলে ধরতে চান ৩৯ বছর বয়সী এই শিল্পী। বাবাকে ঘিরেই তৈরি মঞ্চনাট্য বাবাকে স্মরণ করতেই জেনহান তৈরি করেছিলেন ‘লাইক দিস, লাইক ড্যাড’ নামের কৌতুকধর্মী পরিবেশনা। ২০১৩ সালে প্রথম লেখা এই অনুষ্ঠানটি পরে তিনি কয়েক দফা নতুন করে সাজিয়েছেন। এবার এর পরিমার্জিত সংস্করণ মঞ্চস্থ হবে ২২ আগস্ট রাত ৮টায়। - [কোভিডের অতিরিক্ত মৃত্যু নিয়ে বিতর্কিত গবেষণা প্রত্যাহার](https://sarakhon.com/news/184374/): কোভিড-১৯ মহামারির সময় পশ্চিমা দেশগুলোতে অতিরিক্ত মৃত্যুর হার নিয়ে প্রকাশিত একটি বিতর্কিত গবেষণা প্রত্যাহার করা হয়েছে। গবেষণাটি নিয়ে টিকা-বিরোধী দাবিকে উৎসাহিত করার অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা কর্তৃপক্ষ এটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। গবেষণাটি ২০২৪ সালের জুনে প্রকাশিত হয়েছিল। এতে দাবি করা হয়েছিল, মহামারি শুরুর পর টানা তিন বছর পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি ছিল। কোভিডের সবচেয়ে ভয়াবহ পর্যায় পার হয়ে যাওয়ার পরও এই প্রবণতা অব্যাহত ছিল বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়। অতিরিক্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন গবেষণাটির মূল বিতর্ক তৈরি হয় অতিরিক্ত মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে। গবেষণার আলোচনায় এমন কিছু তথ্য ও - [ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেসে শক্তিশালী ভূমিকম্প, ৫৩ জনের মৃত্যু; ত্রাণের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ](https://sarakhon.com/news/184371/): ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর হাজারো মানুষ এখন জরুরি সহায়তার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন। ১৫ আগস্ট ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৫৩ জন নিহত এবং ১৩৫ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংস হয়েছে শত শত বাড়িঘর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভূমিকম্পের পর প্রায় এক হাজারবার পরাঘাত অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘরে ফিরতে পারছেন না। পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন হাজারো মানুষ ভূমিকম্পের পর প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বেরিয়ে যান। বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অন্তত একটি গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সড়কও এখনো ব্যবহার অনুপযোগী রয়েছে। ফ্লোরেসের উত্তর উপকূলের নাঙ্গাহালে গ্রামের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী - [ট্রাম্পের কড়া ভিসা নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন ভারত ও চীনের প্রযুক্তি প্রতিভারা](https://sarakhon.com/news/184367/): যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতি, কাজের অনিশ্চয়তা এবং প্রযুক্তি খাতে ছাঁটাইয়ের কারণে দেশটিতে কর্মরত ভারতীয় ও চীনা প্রযুক্তি পেশাজীবীদের একটি অংশ এখন নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন। বিশেষ করে এইচ-১বি কর্মভিসাকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তা অনেক দক্ষ কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। ১৫ বছর পর দেশে ফিরলেন দীপক ভারতীয় প্রযুক্তি পেশাজীবী দীপক ১৫ বছর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পর চলতি বছরের মে মাসে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভারতে ফিরে গেছেন। গত বছরের অক্টোবরে চাকরি হারানোর পর তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই আরেকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ পেয়েছিলেন। তবুও যুক্তরাষ্ট্রে থাকার ঝুঁকি আর অভিবাসন নীতির অনিশ্চয়তা শেষ পর্যন্ত তাকে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য - [ভুয়া খবরও ছড়ায় মহামারির মতো, রুখবে কীভাবে?](https://sarakhon.com/news/184364/): ভুয়া তথ্য এখন আর শুধু ইন্টারনেটের বিচ্ছিন্ন কোনো সমস্যা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, দ্রুতগতির অনলাইন যোগাযোগ এবং বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারের কারণে মিথ্যা দাবি এমন গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে যে গবেষকেরা এর সঙ্গে সংক্রামক রোগের তুলনা করছেন। একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে যেমন ভাইরাস ছড়ায়, তেমনি একটি মিথ্যা তথ্যও মানুষের বিশ্বাস, আবেগ ও অসতর্কতার মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বিবেচনায় ভুয়া দাবি বর্তমানে বিশ্বের বড় হুমকিগুলোর একটি। স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ভুল তথ্যের ব্যাপক বিস্তারকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যে ‘তথ্য-মহামারি’ হিসেবে অভিহিত করেছে। গুজবেরও আছে সংক্রমণ-চক্র যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ভুয়া তথ্যের বিস্তার বোঝার জন্য সংক্রামক রোগের মডেল ব্যবহার করছেন। তাঁদের যুক্তি - [ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই বদলে দিল জীবনের অর্থ, ৩ বার অস্ত্রোপচারের পর নতুন পথে উদ্যোক্তা](https://sarakhon.com/news/184361/): মাত্র ৪০ বছর বয়সে হঠাৎ জানা গেল, তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে বিরল এক ধরনের ক্যানসার। এরপর একের পর এক অস্ত্রোপচার, দীর্ঘ চিকিৎসা, বিবাহবিচ্ছেদ, আবার নতুন করে সম্পর্ক ও সংসার—সব মিলিয়ে জীবনের কঠিন সময়গুলো পেরিয়ে আজ নতুনভাবে বাঁচার অর্থ খুঁজে পেয়েছেন সিঙ্গাপুরের উদ্যোক্তা মার্কাস চিয়াং। ২০১৯ সালের জুনে বিয়ের মাত্র ছয় মাস পর তীব্র পেটব্যথায় কাবু হয়ে পড়েন চিয়াং। তখন তিনি মালয়েশিয়ার ইপোহে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে ছিলেন। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর ক্ষুদ্রান্ত্রে একটি অস্বাভাবিক পিণ্ডের সন্ধান মেলে। সিঙ্গাপুরে ফিরে চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার পর তাঁকে জাতীয় ক্যানসার কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখানেই ধরা পড়ে বিরল ক্যানসার—পরিপাকতন্ত্রের - [ব্ল্যাকবেরির টক-মিষ্টি ঘূর্ণিতে চিজকেক ব্রাউনি](https://sarakhon.com/news/184355/): এই দারুণ মিষ্টান্নে একসঙ্গে মিলেছে ঘন, নরম চকলেট ব্রাউনি, মোলায়েম চিজকেক আর টক-মিষ্টি ব্ল্যাকবেরির স্বাদ। চকলেটের গভীর স্বাদকে ব্ল্যাকবেরির হালকা টকভাব ভারসাম্য দেয়, আর চিজকেকের স্তর প্রতিটি কামড়কে করে তোলে নরম ও সমৃদ্ধ। কফির সঙ্গে যেমন মানানসই, তেমনি গরম অবস্থায় মিষ্টান্ন হিসেবেও পরিবেশন করা যায়। উপকরণ এই পরিমাণে প্রায় ১৬টি ব্রাউনি তৈরি হবে। প্রস্তুতিতে প্রায় ২৫ মিনিট এবং রান্নায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগবে। ব্ল্যাকবেরির সসের জন্য ২০০ গ্রাম ব্ল্যাকবেরি ১ চা-চামচ কর্নফ্লাওয়ার ৫০ গ্রাম চিনি চিজকেকের স্তরের জন্য ২০০ গ্রাম পূর্ণচর্বিযুক্ত নরম চিজ ১ টেবিল চামচ ময়দা ২ টেবিল চামচ সাদা চিনি ১ চা-চামচ ভ্যানিলা নির্যাস ১টি ডিমের সাদা - [শ্যালট: ছোট্ট পেঁয়াজের মিষ্টি স্বাদে বদলে যায় রান্নার জাদু](https://sarakhon.com/news/184352/): একসময় শ্যালট পেঁয়াজের প্রতি লেখকের বেশ বিরক্তি ছিল। রেস্তোরাঁয় কাজ করার সময় কেজির পর কেজি শ্যালট পেঁয়াজ ছিল ছাড়ানো, কাটা আর আচার বানানোর ঝামেলা। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তৈরি হয়েছিল একধরনের বিরাগ। তবে সময়ের সঙ্গে সেই মনোভাব বদলেছে। এখন শ্যালটকে রান্নাঘরের অন্যতম নির্ভরযোগ্য উপকরণ হিসেবেই দেখা হয়। মিষ্টি-রসুনের স্বাদে অনন্য শ্যালটের স্বাদে রয়েছে পেঁয়াজের পরিচিত ঝাঁজের সঙ্গে হালকা রসুনের মতো মিষ্টি গন্ধ ও স্বাদ। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি নানা ধরনের রান্নার স্বাদকে আরও গভীর করে তোলে। বিশেষ করে পাস্তার পুর, সস, ভাজি কিংবা আচারে শ্যালট অসাধারণ ভূমিকা রাখে। চিজে ভরা খোলসের পদ আমেরিকার ঘরোয়া রান্নার কথা মনে করিয়ে দেয় এমন খাবারের মধ্যে - [হাসির গান থেকে বাক্‌স্বাধীনতার যোদ্ধা—আফ্রোমানের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন](https://sarakhon.com/news/184345/): একসময় ‘বিকজ আই গট হাই’ গানের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিলেন আফ্রোম্যান। মজার গান, আত্ম-উপহাস আর গাঁজাকে ঘিরে ব্যতিক্রমী হাস্যরসের কারণে দুই হাজার দশকের শুরুতে তিনি ছিলেন জনপ্রিয় এক র‍্যাপ তারকা। কিন্তু নিজের বাড়িতে পুলিশের আকস্মিক অভিযান, সেই অভিযানের ভিডিও নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান এবং পরবর্তী দীর্ঘ আইনি লড়াই তাঁর জীবনকে এমন এক মোড়ে নিয়ে যায়, যেখানে তিনি হয়ে ওঠেন বাক্‌স্বাধীনতার এক অপ্রত্যাশিত প্রতীক। জোসেফ এডগার ফোরম্যান, যিনি আফ্রোম্যান নামে পরিচিত, এখন ৫১ বছর বয়সী। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের নিজ শহরের কাছাকাছি এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে তিনি পুরোনো জনপ্রিয় গানগুলোর পাশাপাশি এমন সব নতুন গান পরিবেশন করছেন, যেগুলোর জন্ম হয়েছে তাঁর জীবনের সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা - [নিজের শর্তে পপতারকা, সাফল্যের নতুন গল্প স্লেয়্যাটারের](https://sarakhon.com/news/184342/): একসময় তিনি ভেবেছিলেন, সংগীতজীবন হয়তো ছেড়েই দিতে হবে। জনপ্রিয়তার প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছিল না, বিপুল অর্থ খরচ করেও সফর থেকে কাঙ্ক্ষিত আয় আসছিল না, আর নিজের শিল্পীসত্তা নিয়েও তৈরি হচ্ছিল অনিশ্চয়তা। সেই কঠিন সময় পেরিয়ে অবশেষে তৃতীয় অ্যালবাম দিয়ে নিজের প্রাপ্য শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে গেছেন মার্কিন পপতারকা স্লেয়্যাটার। ২৯ বছর বয়সী এই শিল্পীর নতুন অ্যালবাম ‘ওয়ার্স্ট গার্ল ইন আমেরিকা’ শুধু তাঁর সংগীতজীবনে নতুন মোড় আনেনি, বরং নিজের পরিচয়, সৌন্দর্যের প্রচলিত ধারণা এবং তারকা হয়ে ওঠার চাপের বিরুদ্ধেও এক ধরনের সৃজনশীল অবস্থান তৈরি করেছে। নিজেকে আর চরিত্র বানিয়ে রাখতে চান না স্লেয়্যাটারের শুরুর দিনগুলোতে শিল্পী পরিচয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয় যেন আলাদা ছিল। তিনি - [অচেনা বন্দরে নাবিকদের পাশে এক পুরোহিত, বিপন্ন সমুদ্রযাত্রীদের আশ্রয়ের শেষ ভরসা](https://sarakhon.com/news/184335/): হংকংয়ের ব্যস্ত সমুদ্রবন্দরে বৃষ্টি কিংবা প্রচণ্ড গরম—কোনো কিছুই থামাতে পারে না ফাদার ভ্যালান অ্যারকিয়াস্বামিকে। সপ্তাহে তিন দিন ছোট নৌকায় করে তিনি ছুটে যান বন্দরে নোঙর করা বিশাল পণ্যবাহী জাহাজগুলোর কাছে। উদ্দেশ্য একটাই—দূরদেশ থেকে আসা নাবিকদের যেন অচেনা বন্দরে নিজেদের একা মনে না হয়। ৫৭ বছর বয়সী এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্যাথলিক পুরোহিত বছরে পাঁচ শতাধিক জাহাজে যান। জাহাজের উঁচু গা বেয়ে দড়ির মই দিয়ে উঠে তিনি নাবিকদের হাতে তুলে দেন খাবার, সংবাদপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্যপত্র। কখনো জাহাজের অধিনায়কের সঙ্গে চা পান করেন, কখনো অসুস্থ নাবিকের খোঁজ নেন, আবার কখনো কারাগারে থাকা সমুদ্রযাত্রীদের পাশে দাঁড়ান। অচেনা বন্দরে আপনজন হয়ে ওঠা ফাদার ভ্যালান এমন - [বেস্ট-বিফোর তারিখ পেরোলেই খাবার ফেলে দেবেন না, জানুন কোন খাবার কতদিন ভালো থাকে](https://sarakhon.com/news/184332/): খাবারের প্যাকেটে লেখা ‘বেস্ট-বিফোর’ তারিখ দেখেই অনেকেই মনে করেন, ওই দিন পার হলেই খাবারটি আর খাওয়া নিরাপদ নয়। ফলে সামান্য তারিখ পেরোলেই ভালো খাবারও ফেলে দেওয়া হয়। অথচ বাস্তবতা হলো, বেস্ট-বিফোর তারিখ মূলত খাবারের মান ও সতেজতার নির্দেশক, সবসময় নিরাপত্তার শেষসীমা নয়। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অনেক মানুষ এখনো এই তারিখের প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন না। ফলে অপ্রয়োজনে বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হচ্ছে। বেস্ট-বিফোর তারিখ আসলে কী বোঝায় বেস্ট-বিফোর তারিখ সাধারণত বোঝায়, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা এবং প্যাকেট না খোলা থাকলে ওই সময় পর্যন্ত খাবারটি তার স্বাদ, গন্ধ, গঠন, সতেজতা ও পুষ্টিমান সবচেয়ে ভালো অবস্থায় থাকার কথা। অর্থাৎ, বেস্ট-বিফোর তারিখ পার - [চোখের সামনে নয়, মনের ভেতরও নয়—প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে জানা ‘অ্যাফ্যান্টাসিয়া’র কথা](https://sarakhon.com/news/184329/): বই পড়তে গিয়ে অনেকেই গল্পের চরিত্র, ঘরবাড়ি কিংবা প্রকৃতির দৃশ্যকে মনের পর্দায় সিনেমার মতো দেখতে পান। কিন্তু ক্রিস্টাল ম্যাকডুগালের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি কল্পনা করতে পারেন, অনুভব করতে পারেন, শব্দ শুনতে পারেন—কিন্তু মনের ভেতর কোনো দৃশ্য দেখতে পান না। জীবনের মাঝামাঝি বয়সে এসে তিনি জানতে পারেন, এই অভিজ্ঞতার একটি নাম আছে—অ্যাফ্যান্টাসিয়া। সমুদ্র কল্পনা করতে গিয়ে প্রথম উপলব্ধি ঘুম না এলে ক্রিস্টাল কখনো কখনো নির্দেশিত ধ্যান শুনতেন। সেখানে তাকে সমুদ্রসৈকতে নিজেকে কল্পনা করতে বলা হতো। পায়ের আঙুলের ফাঁকে বালুর স্পর্শ, ঢেউয়ের শব্দ, সূর্যের উষ্ণতা কিংবা দিগন্তে সূর্যাস্ত—সবকিছু অনুভব করার নির্দেশ থাকত। তিনি শিশুদের হাসির শব্দ শুনতে পারতেন, ত্বকে সূর্যের উষ্ণতা অনুভব - [রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ](https://sarakhon.com/news/184326/): সংকট কাটছে না, এলএনজির কার্গো নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রথম আলো, দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গোর ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে আগস্টে চারটি কার্গো আসার কথা। কিন্তু গতকাল সোমবার পর্যন্ত একটিও দেশে পৌঁছায়নি। কবে আসবে, সেটিও নিশ্চিত নয়। ফলে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে আবার অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিগগিরই সংকট কাটার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে জরুরি দরপত্রের মাধ্যমে আরও পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দুটি কার্গোর জন্য দর পাওয়া গেলেও অন্য তিনটির জন্য কোনো কোম্পানি প্রস্তাব দেয়নি। জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এলএনজি আমদানি তদারক করে পেট্রোবাংলা। আমদানির দায়িত্বে রয়েছে পেট্রোবাংলার কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক - [২০২৯ থেকে বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছর, এপ্রিল-মার্চ চক্রে যাচ্ছে সরকার](https://sarakhon.com/news/184322/): বাংলাদেশের অর্থবছরের প্রচলিত জুলাই-জুন চক্রে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে এপ্রিল-মার্চ ভিত্তিক নতুন অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। আর পরিবর্তনের প্রস্তুতির জন্য ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে নয় মাসের একটি অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্ষার আগেই অবকাঠামো উন্নয়ন শেষ করার লক্ষ্য বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই এবং শেষ হয় ৩০ জুন। নতুন চক্র চালুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সূচিকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। সরকারের বিবেচনায়, বর্তমান অর্থবছর ব্যবস্থায় জুলাই ও আগস্ট মাসে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলতে থাকে। অথচ এ সময় - [যুদ্ধের দীর্ঘ মিশনে বিপাকে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী, নাবিকদের জীবনযাপন ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/184320/): ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে দীর্ঘ নয় মাসের সামরিক অভিযানে থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নাবিকদের জীবনযাপন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার রণতরীটি পরিদর্শন করেছেন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের দায়িত্বে থাকা কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুপারের এই সফর ছিল ১০ দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরের শেষ পর্যায়। সফরে তিনি বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও পরিদর্শন করেন। দীর্ঘদিন বন্দরে না থামায় বাড়ছে চাপ আব্রাহাম লিংকন টানা প্রায় নয় মাস ধরে যুদ্ধকালীন দায়িত্ব পালন করছে। এই সময়ে রণতরীটি কোনো বন্দরে থামতে পারেনি। ফলে জাহাজে তাজা খাবার ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতি, - [ইউরোপীয় অ্যাথলেটিকসে ব্রিটিশদের সোনালি ঝড়, নতুন তারকা অ্যামি হান্ট](https://sarakhon.com/news/184316/): বার্মিংহামে শেষ হলো ইউরোপীয় অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপের সাত দিনের জমজমাট লড়াই। আর শেষ দিনেও আলো ছড়ালেন ব্রিটিশ অ্যাথলেটরা। বিশেষ করে অ্যামি হান্ট ও জর্জিয়া হান্টার-বেল নিজেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ব্রিটেনের সাফল্যের মুকুটে যোগ করেছেন নতুন পালক। ১৫০০ মিটারে দুর্দান্ত হান্টার-বেল নারীদের ১৫০০ মিটারে শুরুটা ছিল ধীরগতির ও কৌশলনির্ভর। কিন্তু শেষ ল্যাপে যেন অন্য রূপে দেখা দেন জর্জিয়া হান্টার-বেল। শেষ ৪০০ মিটার তিনি শেষ করেন মাত্র ৫৮.৪৪ সেকেন্ডে। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রায় ১০ মিটার পেছনে ফেলে ৪ মিনিট ৭.৭৮ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে জিতে নেন সোনা। ফিনিশিং লাইনে পৌঁছেই নিজের পারফরম্যান্স উদ্‌যাপন করেন তিনি। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে চলতি বছরে তাঁর সোনার সংগ্রহ আরও - [পাকিস্তানে আরও প্রদেশ? সিদ্ধান্ত নিক জনগণ](https://sarakhon.com/news/184314/): পাকিস্তানে নতুন প্রদেশ গঠনের আলোচনা প্রায়ই প্রশাসনিক সুবিধার প্রশ্ন হিসেবে সামনে আসে। কিন্তু বিষয়টি আসলে তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রাদেশিক সীমানা পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের পরিচয়, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, সম্পদের বণ্টন, কেন্দ্র ও প্রদেশের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বৈধতা। তাই এমন সিদ্ধান্ত শুধু সংসদ বা প্রাদেশিক পরিষদের রাজনৈতিক সমীকরণের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত নয়। যাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, সেই জনগণের মতামতই হওয়া উচিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস দেখায়, প্রাদেশিক সীমানা কখনোই চিরস্থায়ী ছিল না। ব্রিটিশ শাসনামলে ঔপনিবেশিক প্রশাসনের প্রয়োজন অনুযায়ী ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল বারবার পুনর্গঠিত হয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রাদেশিক - [সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতে বড় গতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫.৫ শতাংশ; শেয়ারবাজারে ৭,০০০ পয়েন্টের হাতছানি](https://sarakhon.com/news/184311/): প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক পারফরম্যান্সের কারণে ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ২ থেকে ৪ শতাংশের সীমা থেকে বাড়িয়ে ৪.৫ থেকে ৫.৫ শতাংশ করেছে। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুরের শেয়ারবাজার নিয়েও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। জেপিমরগ্যান চেজ বলেছে, অনুকূল পরিস্থিতিতে স্ট্রেইটস টাইমস সূচক বা এসটিআই আগামী ১২ মাসে ৭,০০০ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারে। প্রথমার্ধের শক্তিশালী পারফরম্যান্স ১১ আগস্ট সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় পূর্বাভাস সংশোধনের ঘোষণা দেয়। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং বছরের বাকি সময়ে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগ ব্যয়ের গতি বাড়ার সম্ভাবনাকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরদিনই - [হরমুজের পর বদলে যাচ্ছে তেলের বিশ্বমানচিত্র](https://sarakhon.com/news/184306/): যুদ্ধ শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের মানচিত্র বদলায় না, জ্বালানি সরবরাহের পথও নতুন করে আঁকে। পারস্য উপসাগরে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা সেই পরিবর্তনকে আরও দ্রুত করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথগুলোর একটি যখন নিরাপত্তার প্রশ্নে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন তেল আমদানিকারক দেশগুলোর কাছে বিকল্প সরবরাহ আর কেবল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকে না; সেটি জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হতে পারে এমন সব দেশ, যাদের এত দিন বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতিতে প্রভাব সীমিত ছিল। দক্ষিণ আমেরিকার গায়ানা তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। মাত্র প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার জনসংখ্যার এই দেশটি এখন প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল তেল - [মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য: বয়সের সঙ্গে ক্ষয় নয়, আগেভাগে যত্ন নেওয়ার নতুন বিজ্ঞান](https://sarakhon.com/news/184131/): আমরা শরীরের স্বাস্থ্য নিয়ে যতটা সচেতন, মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে তার তুলনায় অনেক বেশি অন্ধকারে থাকি। ওজন বাড়ছে কি না, রক্তচাপ কত, রক্তে শর্করার মাত্রা কেমন, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক কি না—এসবের অনেকটাই নিয়মিত মাপা যায়। কিন্তু মস্তিষ্কের অবস্থা বোঝার জন্য এতদিন পর্যন্ত এমন সহজ ও নির্ভরযোগ্য কোনো পদ্ধতি ছিল না। মাথার ভেতরে থাকা এই অঙ্গটি কখন ধীরে ধীরে তার কর্মক্ষমতা হারাচ্ছে, আর কখন তার ওপর আমাদের জীবনযাপন, ঘুম, মানসিক চাপ কিংবা সামাজিক বিচ্ছিন্নতার প্রভাব পড়ছে—সেটি অনেক সময় বোঝা যায় বেশ দেরিতে। এখন সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মস্তিষ্কের ছবি বিশ্লেষণের নতুন পদ্ধতি, রক্ত পরীক্ষার অগ্রগতি, পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য-তথ্য বিশ্লেষণের বিস্তার - [স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’](https://sarakhon.com/news/184022/): ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ইতিহাস শুধু একটি উপনিবেশের অবসানের কাহিনি নয়; এটি রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বকে একটি জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রথম শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠার গল্প। ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট সুকর্ণ ও মোহাম্মদ হাত্তা যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার প্রভাব ইন্দোনেশিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও আরব বিশ্বের উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনেও ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী ডাচ ঔপনিবেশিক শাসন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি দখলের পর সেই আগস্টের সকালে জাকার্তায় সুকর্ণের বাড়ির বারান্দায় যে ঘোষণা উচ্চারিত হয়েছিল, তার ভাষা ছিল সংক্ষিপ্ত। কিন্তু তার রাজনৈতিক তাৎপর্য ছিল বিপুল। ইন্দোনেশিয়ার জনগণ নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করল এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের কাজ দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার - [আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক](https://sarakhon.com/news/184303/): সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের লিখিত আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে জুলাই গণআন্দোলনের সময় রাজধানীর বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। ফলে জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত তার আইনগত বাধা নেই। দেশত্যাগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক আপিল বিভাগের লিখিত আদেশ অনুযায়ী, এ বি এম খায়রুল হক আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। একই দিনে তার জামিন সংক্রান্ত আবেদনও শুনানি হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিল। - [থানা পোড়ানোর বক্তব্য ভাইরাল: হবিগঞ্জে সমন্বয়ক মাহাদীসহ আটক ৩](https://sarakhon.com/news/184298/): হবিগঞ্জে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহাদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে জেলা সদরের কোর্ট মসজিদের সামনের ময়দান থেকে মাহাদীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে আটক গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ‘সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকও অংশ নেন। কর্মসূচি চলাকালে সদর মডেল থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে মাহাদী হাসানকে থানায় যাওয়ার অনুরোধ করে। পুলিশের সঙ্গে যেতে অনীহা প্রকাশ করলে তাকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয় বলে জানা গেছে। পরে তাকে সদর মডেল থানায় নেওয়া হয়। এ - [বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, শোকজ ছাড়াই রাজশাহীতে কলেজশিক্ষক বরখাস্ত](https://sarakhon.com/news/184280/): ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার জেরে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী মহাবিদ্যালয়ের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সোহেলী আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) কলেজের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বরখাস্তের আগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি। ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ব্যবস্থা গত শনিবার (১৫ আগস্ট) বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করেন সোহেলী আক্তার। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি’ লেখা ছিল। পোস্টটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’। পরদিন রবিবার কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষের কাছে মৌখিকভাবে ছুটি নেন ওই - [নিবন্ধনের আওতায় আসছে হকাররা, ডিএসসিসিকে দিতে হবে মাসে ৩ হাজার টাকা](https://sarakhon.com/news/184295/): রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে হকারদের ব্যবসা পরিচালনায় শৃঙ্খলা আনতে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রস্তাবিত নীতিমালার আওতায় নিবন্ধিত হকারদের নির্দিষ্ট স্থান, সময় ও ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে। বিনিময়ে নিবন্ধনের পাশাপাশি মাসিক ব্যবস্থাপনা ফি দিতে হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, হকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি পথচারী ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং নিরাপদ, পথচারীবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়ে তোলাই প্রস্তাবিত হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালার মূল লক্ষ্য। নিবন্ধনে নির্ধারিত হবে ব্যবসার স্থান ও সময় নগর ভবনে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রশাসক জানান, নিবন্ধন সনদে হকারের - [নিমরা খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিশ্চিত করলেন জেইন হামিদ, ফিজা আলীর ক্ষোভ](https://sarakhon.com/news/184292/): পাকিস্তানি অভিনেত্রী নিমরা খান ও জেইন হামিদের দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান হয়েছে। জেইন হামিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি এখন আর দেখা যাচ্ছে না—এমন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দাবি করেছেন, গত ১৭ জুলাই তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। ‘অমীমাংসিত ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ও পছন্দের ভিন্নতা’র কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বিবাহবিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হামিদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এখন ব্যক্তিগত করা হয়েছে। তবে তার স্টোরির স্ক্রিনশট বিভিন্ন বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে তিনি জানান, তাদের দাম্পত্য সম্পর্কের আইনি বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনজীবীরা প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। হামিদ আরও বলেন, বিচ্ছেদের জন্য তিনি কাউকে দায়ী করতে চান না। নিমরা খানের - [ওড়িশার গ্রামীণ হাসপাতালে মার্কিন পর্যটকের বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিস্মিত হয়ে প্রশংসা ভারতের স্বাস্থ্যসেবার](https://sarakhon.com/news/184289/): ভারতের ওড়িশার একটি গ্রামীণ সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়ে দেশটির সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রশংসা করেছেন এক মার্কিন পর্যটক। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচয় দেওয়া মাইক ভারতে আসার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে চিকিৎসার খরচ না নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। হাসপাতালে ১২ ঘণ্টা বমির পর ভর্তি মাইক ইনস্টাগ্রামে ‘আমেরিকান হাসপাতালে ভর্তি’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, ওড়িশা ভ্রমণের সময় স্থানীয় খাবার বেশি খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে যাওয়ার আগে প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে প্রতি ১৫ মিনিট পরপর বমি হচ্ছিল তার। হাসপাতালের শয্যা থেকে দেওয়া ভিডিওতে মাইক বলেন, - [ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি প্রায় স্বাভাবিক, চিকিৎসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি কাল](https://sarakhon.com/news/184286/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের চোখের অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া এক প্রতিবেদনে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, চিকিৎসার পর ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি এখন ‘প্রায় স্বাভাবিক’ অবস্থায় ফিরে এসেছে। ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে আবেদন ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ইমরানের চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে করা আবেদনের শুনানি আগামী ১৮ আগস্ট হওয়ার কথা রয়েছে। এর এক দিন আগে, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রতিবেদন জমা দেয় আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দি ইমরান খান। গত জানুয়ারির শেষ দিকে তার ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন বা সিআরভিও শনাক্ত হওয়ার পর তাকে কয়েক দফা - [বিজেপিতে বড় রদবদল: স্মৃতি ইরানি সাধারণ সম্পাদক, রাম মাধব সহসভাপতি](https://sarakhon.com/news/184283/): ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নতুন জাতীয় পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করেছে। দলটির জাতীয় সভাপতি হিসেবে নীতিন নবীন দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় সাত মাস পর সোমবার এই সাংগঠনিক রদবদলের ঘোষণা এলো। নতুন তালিকায় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে আটজন জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের একজন করা হয়েছে। সাবেক জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবকে দেওয়া হয়েছে জাতীয় সহসভাপতির দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন পদাধিকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, নতুন দলে সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, উদ্যম এবং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের সমন্বয় রয়েছে। দলকে শক্তিশালী করা এবং জনসেবায় মনোযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। নতুন সাধারণ সম্পাদকদের তালিকায় বড় পরিবর্তন - [ফিলিপাইনের ঐতিহ্যের স্বাদ: মামন ও এনসাইমাদায় তিন বেকশপের গল্প](https://sarakhon.com/news/184273/): পারিবারিক আয়োজন, দুপুরের ছোটখাটো জমায়েত কিংবা রাতের খাবারের টেবিলে কেক যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। নরম, আর্দ্র ও মিষ্টি বেকড খাবারের মধ্যে মামন ও এনসাইমাদা দেশটির খাবার সংস্কৃতিতে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই দুই জনপ্রিয় খাবারকে ঘিরে তিনটি বেকশপ—গোল্ডিলক্স, রেড রিবন ও মেরি গ্রেস—দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে। তিন বেকশপের উত্থানের গল্প গোল্ডিলক্স বেকশপ প্রতিষ্ঠা করেন বোন মিলাগ্রোস লিলিন ইয়ে ও ক্লারিটা লিলিন গো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিলাগ্রোস রান্না করতেন, আর উপহার হিসেবে একটি ওভেন পাওয়ার পর ক্লারিটা বেকিং শুরু করেন। ১৯৬৬ সালের ১৬ মে ভগ্নিপতি ডরিস উইলসন লির সঙ্গে তারা মাকাতির পাসং তামো এলাকায় প্রথম বেকশপ চালু করেন। ১৯৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রথম - [রাজবাড়ীতে রাতের আঁধারে তিন জুয়েলারি দোকান ও ফার্মেসিতে ডাকাতি, লুট ২১ লাখ টাকা](https://sarakhon.com/news/184277/): রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় তিনটি জুয়েলারি দোকান ও একটি ফার্মেসিতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ভোররাতে মুখোশধারী ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল দোকানগুলোতে ঢুকে সোনা-রুপার গয়না, অন্যান্য মালামাল ও নগদ টাকা মিলিয়ে প্রায় ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে। ভোররাতে মুখোশধারীদের হানা স্থানীয় দোকান মালিক ও বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের হাটবংগ্রাম বাজারের রফিক উদ্দিন শপিং কমপ্লেক্সে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা প্রথমে মার্কেটের রাতের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কালু ও জাকির নামে দুই প্রহরীকে বেঁধে ফেলে। এরপর তারা বিভিন্ন দোকানের তালা ও দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মূল্যবান সামগ্রী লুট করে। - [প্রশাসনে বড় রদবদল: উপসচিব হলেন ২৭৭ জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব](https://sarakhon.com/news/184259/): প্রশাসনে সর্বশেষ রদবদলের অংশ হিসেবে ২৭৭ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিবকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পদোন্নতি পেলেন ২৭৭ কর্মকর্তা জনপ্রশাসনের এই রদবদলে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পদমর্যাদার মোট ২৭৭ কর্মকর্তাকে উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করা এসব কর্মকর্তার পদোন্নতির বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সোমবার পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপসচিব পদে উন্নীত হলেন। বিদেশে কর্মরত ১৫ কর্মকর্তাও তালিকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে বর্তমানে বিদেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত ১৫ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিবও রয়েছেন। অর্থাৎ দেশের বাইরে - [ঝিকরগাছায় ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন, কিউআর পেমেন্টে জোর দিল পূবালী ব্যাংক](https://sarakhon.com/news/184268/): ঝিকরগাছা উপজেলাকে আধুনিক ও ক্যাশলেস কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে বিশেষ ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন আয়োজন করেছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার যশোরের ঝিকরগাছা সাব-শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিরাপদ, সহজ ও আধুনিক ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানো। একই সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের দৈনন্দিন লেনদেনে ডিজিটাল পেমেন্টের সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির যশোর শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফারিদ আহমেদ এবং ঝিকরগাছা সাব-শাখার ব্যবস্থাপক খান ইমরান হোসাইন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হাতে কিউআর কোড উদ্বোধনের পর - [ফজলুল হক মুসলিম হলের অফিস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, প্রভোস্টের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি](https://sarakhon.com/news/184265/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় হল অফিস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় রোববার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন। তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ, অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রভোস্ট ও জড়িত কর্মচারীদের বহিষ্কার এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হয়ে থাকলেও সেটিকে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। এদিকে অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি - [ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অবসরের ইঙ্গিত, ‘সম্ভবত এটাই ফুটবলে আমার শেষ বছর’](https://sarakhon.com/news/184262/): ফুটবল বিশ্বের অন্যতম কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইঙ্গিত দিয়েছেন, পেশাদার ফুটবলে তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ সময় চলে এসেছে। ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা বলেছেন, সম্ভবত ২০২৬ সালই হতে যাচ্ছে ফুটবলে তাঁর শেষ বছর। ‘চমৎকার উত্তরাধিকার রেখে যেতে চাই’ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেন, ‘সম্ভবত এটাই ফুটবলে আমার শেষ বছর। আমি একটি অসাধারণ উত্তরাধিকার রেখে যেতে চাই।’ প্রায় ২৫ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে রোনালদো অসংখ্য শিরোপা, ব্যক্তিগত পুরস্কার ও রেকর্ড অর্জন করেছেন। পাঁচবার বিশ্বের সেরা ফুটবলারের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জয়ের পাশাপাশি তিনি ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মতো ক্লাবে খেলা এই তারকা বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব - [৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার আহ্বান জামায়াতের](https://sarakhon.com/news/184255/): সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে দলীয় নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রচারণার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির এক সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। সভায় লংমার্চের প্রস্তুতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কর্মসূচি গত ৬ আগস্ট ১১ দলীয় জোট ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে চারটি লংমার্চ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম কর্মসূচি হিসেবে ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা-রংপুর, - [শি জিনপিংয়ের কড়া বার্তা, তিয়েনআনমেন দমনকে প্রকাশ্যে সমর্থন](https://sarakhon.com/news/184211/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দেশকে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘অদম্য লড়াকু মানসিকতা’ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ১৯৮৯ সালের তিয়েনআনমেন গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন তিনি। সোমবার চীনের সাবেক নেতা চিয়াং জেমিনের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে শি এই বক্তব্য দেন। রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাজারো কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। কঠিন সময়েও পিছু হটবে না চীন প্রায় ৪৫ মিনিটের বক্তব্যে শি বলেন, চীনকে সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতি কিংবা ভয়াবহ সংকট—কোনোটিই দেশটির অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। তিনি জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থ দৃঢ়ভাবে - [পুরোনো বইয়ের হঠাৎ চাহিদা কেন বাড়ছে, এর পেছনে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?](https://sarakhon.com/news/184250/): গত কয়েক মাসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পুরোনো বইয়ের দোকানে অস্বাভাবিকভাবে বই বিক্রি বেড়ে গেছে। বিশেষ করে স্বাধীন বই বিক্রেতারা লক্ষ্য করছেন, একসঙ্গে হাজার হাজার বইয়ের বড় চালান দূরদেশের গুদামে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু এসব বই শেষ পর্যন্ত কারা কিনছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। উত্তর ইংল্যান্ডের বার্টার বুকসের মালিক স্টুয়ার্ট ম্যানলি জানান, সাধারণত তাঁর দোকান থেকে সপ্তাহে দুই থেকে তিন হাজার বই বিক্রি হয়। অথচ সম্প্রতি কানাডার একটি প্রতিষ্ঠানের একক আদেশেই প্রায় এক সপ্তাহের সমান বই বিক্রি হয়েছে। পুরোনো বইয়ের ব্যবসায় তিন দশকের অভিজ্ঞতায় এমন ঘটনা আগে কখনো দেখেননি বলেও জানান তিনি। বিশ্বের আরও অনেক বই বিক্রেতা একই ধরনের বিশাল ও অস্বাভাবিক - [তরুণদের উন্মাদনায় দ্য গলকে ঘিরে ফ্রান্সে সিনেমার বিস্ময়কর সাফল্য](https://sarakhon.com/news/184246/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসের এক কিংবদন্তি চরিত্র শার্ল দ্য গলকে নিয়ে নির্মিত দুই পর্বের চলচ্চিত্র ফ্রান্সে অপ্রত্যাশিত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে দেশটির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে চলচ্চিত্রটি ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। জুনে মুক্তির পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ লাখ দর্শক সিনেমাটি দেখেছেন। প্রতিরোধের ডাক থেকে পর্দায় দ্য গল ১৯৪০ সালের ১৮ জুন। তখনকার তুলনামূলকভাবে অপরিচিত সেনা কর্মকর্তা শার্ল দ্য গল লন্ডনে ব্রিটিশ বেতারকেন্দ্র থেকে ফরাসিদের উদ্দেশে নাৎসি দখলদারিত্ব ও ভিশি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সেই ভাষণই পরে ফরাসি প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে দ্য গলের সম্পর্কও ছিল জটিল। চার্চিল তাকে অনেক সময় অহংকারী, একগুঁয়ে - [মেটার বিরুদ্ধে মামলায় হারলে বদলে যেতে পারে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের চেহারা](https://sarakhon.com/news/184243/): ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক মেটার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি অঙ্গরাজ্যের করা একটি মামলার বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। মামলায় অভিযোগ, শিশু ও কিশোরদের আকৃষ্ট করে দীর্ঘ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আটকে রাখতে মেটা এমন কিছু ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে, যা তাদের গোপনীয়তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মামলায় মেটার কাছে এক লাখ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ব্যবস্থাপনাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়েছে অঙ্গরাজ্যগুলো। মেটা মামলায় হেরে গেলে শুধু বিপুল অর্থদণ্ডই নয়, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অভিজ্ঞতাই আমূল বদলে যেতে পারে। যেসব পরিবর্তন চায় অঙ্গরাজ্যগুলো মামলাকারীরা কিশোর ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ে অভিভাবকের অংশগ্রহণ - [ভারতে বিনামূল্যের ডিজিটাল লেনদেনে আসছে খরচ, বদলে যেতে পারে ইউপিআইয়ের সাফল্যের গল্প](https://sarakhon.com/news/184239/): ভারতের দৈনন্দিন জীবনে ডিজিটাল লেনদেন এখন এতটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে যে অনেকের কাছেই নগদ টাকা বা কার্ডের প্রয়োজনীয়তা কমে গেছে। দোকানের সামনে থাকা একটি সংকেতচিহ্ন স্ক্যান করে কয়েকটি বোতামে চাপ দিলেই মুহূর্তের মধ্যে টাকা চলে যাচ্ছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়, এই সেবা ব্যবহার করতে গ্রাহককে সাধারণত কোনো দৃশ্যমান খরচ দিতে হয় না। তবে সেই বিনামূল্যের যুগে এবার পরিবর্তনের আভাস মিলছে। ভারত সরকার এমন একটি কাঠামোর পথ খুলে দিয়েছে, যার আওতায় ব্যাংক ও লেনদেন-সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে খরচ নিতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের বিনামূল্যের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হতে পারে। বিশাল হয়ে উঠেছে ইউপিআই ২০১৬ সালে চালু - [আইফোনের পর্দায় নাচতে থাকা বিন্দুই হতে পারে গাড়িতে বমিভাবের সমাধান](https://sarakhon.com/news/184235/): গাড়ি, বাস, ট্রেন কিংবা নৌযানে চলার সময় অনেকেরই মাথা ঘোরা, অস্বস্তি কিংবা বমিভাব শুরু হয়। বিশেষ করে চলন্ত গাড়িতে বসে মুঠোফোনের পর্দার দিকে তাকালে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তবে আইফোনের একটি তুলনামূলকভাবে অচেনা সুবিধা এখন সেই সমস্যার কিছুটা সমাধান দিচ্ছে। পর্দায় নাচে যে বিন্দুগুলো আইফোনে থাকা এই সুবিধার নাম ‘ভেহিকল মোশন কিউজ’। এটি চালু করলে পর্দার চারপাশে ছোট ছোট চলমান বিন্দু দেখা যায়। গাড়ি যে দিকে বা যেভাবে নড়ছে, বিন্দুগুলোও সেই গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নড়াচড়া করে। মুঠোফোনের ভেতরের গতিমাপক যন্ত্র গাড়ির গতিবিধি শনাক্ত করে এবং সেই অনুযায়ী বিন্দুগুলোর নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে চোখ ও শরীরের মধ্যে চলাচল সম্পর্কে যে - [বেইজিংয়ের এআই বারে পিন্টের সঙ্গে মিলছে ডিপসিকের টোকেন](https://sarakhon.com/news/184231/): চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের প্রযুক্তিপাড়া ঝোংগুয়ানছুনে এমন এক বার এখন প্রযুক্তিপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, যেখানে পানীয়ের পাশাপাশি মিলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করার সুযোগ। বারের নাম এজিআই বার। এখানে পানীয়ের সঙ্গে গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে ডিপসিকের টোকেন, যা ব্যবহার করা যায় কোড লেখাসহ নানা কাজে। কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তার ধারণা থেকে বারের নাম রাখা হয়েছে এজিআই। এর উদ্যোক্তা ত্রিশের কোঠার স্বতন্ত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নকারী সং দে। অবসর সময়ে তিনি বারটি পরিচালনা করেন। গত বছর চালুর পর এটি বেইজিংয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নকারী, বিনিয়োগকারী ও শিক্ষার্থীদের মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তির প্রাণকেন্দ্রে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আড্ডা বারটি ঝোংগুয়ানছুনের ইনো ওয়ে নামের উদ্যোগপতি এলাকার একটি সড়কে অবস্থিত। কাছেই - [হারিয়ে যাওয়া ইনকা নগরীর খোঁজে ‘আসল ইন্ডিয়ানা জোন্স’, ৫৩ বছর পর মিলল সত্যের সন্ধান](https://sarakhon.com/news/184226/): ১৯১১ সালে মার্কিন অধ্যাপক হিরাম বিংহাম দাবি করেছিলেন, তিনি আন্দিজ পর্বতমালার গভীরে খুঁজে পেয়েছেন ইনকা সাম্রাজ্যের শেষ রাজার হারিয়ে যাওয়া রাজধানী। তাঁর সেই দাবি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুললেও পরে দেখা যায়, তিনি ভুল জায়গাকে সেই কিংবদন্তির নগরী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। প্রায় ৫৩ বছর পর আরেক মার্কিন অভিযাত্রী জিন স্যাভয় সেই হারানো নগরীর সন্ধানে গিয়ে ইতিহাসের বড় একটি রহস্যের সমাধানের পথ খুলে দেন।   যে নগরী হারিয়ে গিয়েছিল জঙ্গলে ষোড়শ শতকে স্পেনীয় দখলদারদের হাতে ইনকা সাম্রাজ্যের রাজধানী কুসকো পতনের পর রাজা মানকো তাঁর অনুসারীদের নিয়ে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে আশ্রয় নেন। সেখানে গড়ে ওঠে নতুন এক রাজধানী—ভিলকাবাম্বা। কিংবদন্তি অনুযায়ী, সেখানে ইনকারা প্রাসাদ, মন্দির ও - [চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুদ্ধে মিত্রদের ‘পক্ষ বেছে নিতে’ বলবে ওয়াশিংটন](https://sarakhon.com/news/184223/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা এবার আরও স্পষ্ট ভূরাজনৈতিক রূপ নিতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র ও অংশীদার দেশগুলোকে কার্যত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে—চীনের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতার প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো উদ্যোগে যোগ দিলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বাদ পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তার বক্তব্য এবং অভ্যন্তরীণ একটি খসড়া নথির ভিত্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। খসড়াটি পর্যালোচনা করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ৩৫ দেশকে পাঠানো হতে পারে সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তৈরি খসড়া চিঠিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ওয়াশিংটনের ‘সুযোগের ঘোষণা’তে স্বাক্ষর করা ৩৫টি দেশের উদ্দেশে তৈরি করা হয়েছে। এই দেশগুলোর অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘প্যাক্স সিলিকা’ কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। প্যাক্স সিলিকার লক্ষ্য হলো - [ডেমরায় দুটি পাইপবোমা উদ্ধার, নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়](https://sarakhon.com/news/184220/): রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি পাইপবোমা উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। পরে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে বোমা দুটির নিরাপদে বিস্ফোরণ ঘটান। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং কোনো সম্পদেরও ক্ষতি হয়নি। গ্রেপ্তার একজন, উদ্ধার দুটি পাইপবোমা রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেমরার নিঝুমবাগ এলাকায় অভিযান চালায় সিটিটিসির একটি দল। রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে জুয়েল ওরফে ওস্তাদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেই দুটি পাইপবোমা উদ্ধার করা হয়। ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই - [জাতিসংঘের আল-কায়েদা প্রতিবেদন অনুমাননির্ভর, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/184217/): বাংলাদেশে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার (একিউআইএস) সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের সমালোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, প্রতিবেদনটি অনুমানের ভিত্তিতে তৈরি এবং ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ২০২৫ সালের বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনাসংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবেদনটি পড়েননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি প্রতিবেদনটির কথা শুনেছেন, তবে নিজে তা পড়েননি। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য থেকে যতটুকু জেনেছেন, তাতে মনে হয়েছে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে এমন কিছু ঘটতে পারে—এমন একটি আশঙ্কা বা অনুমান তুলে ধরা - [ট্রাম্প-সমর্থিত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠানের চীনা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এআই মডেল নিয়ে ব্যবসা, বাড়ছে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/184214/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সমর্থিত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল হংকংভিত্তিক একটি উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের তালিকায় থাকা চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলও ব্যবহার করা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ডক্ল অ্যান্ড গ্রাহকদের বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলে প্রবেশাধিকার দিচ্ছে। এর মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, বাইদু, জেড ডট এআইসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি মডেল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ওয়ার্ল্ড লিবার্টির নিজস্ব ক্রিপ্টো মুদ্রা ইউএসডি১-কে অর্থ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবেও গ্রহণ করে। প্রায় অর্ধেক মডেল চীনা প্রতিষ্ঠানের ওয়ার্ল্ডক্লর ওয়েবসাইটে থাকা ৯০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের মধ্যে ৪৩টি চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি। অর্থাৎ মোট মডেলের প্রায় অর্ধেকই এসেছে এমন সব প্রতিষ্ঠান থেকে, - [সৌদি যুবরাজের আমন্ত্রণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/184125/): সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিনিময়ের লক্ষ্যেই এ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ আমন্ত্রণপত্রে সৌদি যুবরাজ বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে তাঁর দেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেছেন। দুই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা - [এয়ারটেলের নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’, ০১৬ নম্বর ও সেবায় থাকছে না কোনো পরিবর্তন](https://sarakhon.com/news/184203/): বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর এয়ারটেল নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ হিসেবে যাত্রা শুরু করছে। টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান রবি আজিয়াটা পিএলসি জানিয়েছে, এয়ারটেলের ১৬ বছরের পথচলার ধারাবাহিকতায় নতুন এই ব্র্যান্ড পরিচয় সামনে আনা হয়েছে। ঢাকার একটি হোটেলে সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সার্কেল’ ব্র্যান্ডের উদ্বোধন করা হয়। এয়ারটেল থেকে সার্কেলে রূপান্তর রবি জানিয়েছে, এ পরিবর্তন মূলত ব্র্যান্ড পরিচয়ের বিবর্তন; এটি কোনো কার্যক্রমগত পরিবর্তন নয়। ফলে বর্তমান এয়ারটেল গ্রাহকদের আলাদাভাবে কোনো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। সব বিদ্যমান গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘সার্কেল’ গ্রাহকে পরিণত হবেন। গ্রাহকদের ০১৬ মোবাইল নম্বরের প্রিফিক্স অপরিবর্তিত থাকবে। একই সঙ্গে বর্তমান প্যাকেজ, সেবা ও অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যালান্সও আগের মতোই বহাল থাকবে। ব্র্যান্ড পরিবর্তনের কারণে - [ওজন কমানোর ওষুধ কি ক্রীড়াবিদদের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/184204/): সেরেনা উইলিয়ামসের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াবিদ যখন ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহারের কথা প্রকাশ্যে জানান, তখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—এই ওষুধ কি শুধু শরীরের ওজন কমায়, নাকি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সেও বাড়তি সুবিধা দিতে পারে? বর্তমানে ওজন কমানোর জন্য ব্যবহৃত জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ পেশাদার খেলাধুলায় নিষিদ্ধ নয়। তবে এসব ওষুধ শরীরের ওজন কমানোর পাশাপাশি প্রদাহ কমানো, হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করা এবং বিপাকীয় কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার মতো প্রভাব ফেলতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। ফলে ক্রীড়াঙ্গনে এগুলোকে কার্যক্ষমতা-বর্ধক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত কি না, তা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে। সেরেনা উইলিয়ামসকে ঘিরে নতুন আলোচনা চার বছর পর পেশাদার টেনিসে ফেরার আগে সেরেনা উইলিয়ামস জানিয়েছিলেন, সন্তান জন্মের পর - [চট্টগ্রামে ফের হাঁটু-সমান পানিতে সড়ক, ১৪,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/184192/): রোববার রাত থেকে টানা মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরের নিচু এলাকাগুলো। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী, বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। অনেক সড়ক ও গলিতে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। কোথাও কোথাও পানি ঢুকে পড়েছে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিচতলায়। চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরে ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রোববার রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া বৃষ্টির পর চকবাজার, বাকলিয়া, কাটালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, দক্ষিণ হালিশহর, পাঠানটুলি ও কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। কোমরসমান পানিতে ডুবল সড়ক সোমবার সকালে চকবাজার - [শিক্ষার কোনো শেষ পরীক্ষা নেই: ফলাফলের পরও শেখার পথ খোলা থাকে](https://sarakhon.com/news/184012/): পরীক্ষার ফল প্রকাশের মৌসুমে একটি বিষয় আমরা প্রায়ই ভুলে যাই—শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট বয়সের প্রকল্প নয়, আর কয়েকটি সংখ্যার মাধ্যমে একজন মানুষের শেখার ক্ষমতা কিংবা ভবিষ্যৎকে চূড়ান্তভাবে মাপা যায় না। জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান শিক্ষাগুলোর অনেকটাই আসে শ্রেণিকক্ষের বাইরে, যখন মানুষ নিজে থেকে কোনো কিছু জানতে চায়, ভুল করে, আবার চেষ্টা করে এবং ধীরে ধীরে নিজের দক্ষতা তৈরি করে। নিজে নিজে শেখার এই প্রবণতাকে আমি বিশেষভাবে সম্মান করি। কারণ এর জন্য শুধু মেধা নয়, প্রয়োজন কৌতূহল, ধৈর্য এবং নিজের অজ্ঞতাকে স্বীকার করার সাহস। কেউ বই পড়ে শেখে, কেউ অভিজ্ঞ মানুষের কাছ থেকে, কেউ হাতে-কলমে কাজ করতে গিয়ে। পথ আলাদা হতে পারে, কিন্তু এর - [উৎপাদন বুঝতে হলে অর্থের ভূমিকা নতুন করে ভাবতে হবে](https://sarakhon.com/news/184195/): অর্থনীতি নিয়ে প্রচলিত আলোচনায় উৎপাদনকে প্রায়ই একটি বাস্তব প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়—শ্রম, পুঁজি, প্রযুক্তি ও কাঁচামাল একত্র হয়ে পণ্য ও সেবা তৈরি করে। কিন্তু এই দৃষ্টিভঙ্গি অসম্পূর্ণ, যদি উৎপাদনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থের প্রবাহকে হিসাবের বাইরে রাখা হয়। কেইনসীয় চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা মূলত একটি আর্থিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই সংগঠিত হয়। এই জায়গাতেই ‘মুদ্রাভিত্তিক উৎপাদন তত্ত্ব’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর কেন্দ্রে রয়েছে এমন একটি ধারণা, যেখানে অর্থ কেবল উৎপাদনের ফল মাপার মাধ্যম নয়; বরং উৎপাদন শুরু করার আগেই অর্থ তার একটি সক্রিয় শর্ত হিসেবে কাজ করে। বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত, ঋণের ব্যবস্থা, সুদের হার এবং ভবিষ্যৎ - [সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংক নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম আইডিআরএর সদস্য](https://sarakhon.com/news/184182/): সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংক নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলামকে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তিনি তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদে আইডিআরএর সদস্য (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বীমা শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়েছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী সিরাজুল ইসলামকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আইডিআরএর সদস্য (প্রশাসন) হিসেবে সিরাজুল ইসলামের দায়িত্বের মেয়াদ হবে তিন বছর। নিয়োগটি চুক্তিভিত্তিক হওয়ায় সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে তাঁর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্ধারিত হবে। - [৩৬ বছরেই থেমে গেল হেইডেন প্যানেটিয়েরের জীবন, শিশু অভিনেতা থেকে ‘হিরোস’ তারকা](https://sarakhon.com/news/184189/): মাত্র চার বছর বয়সে অভিনয়ে পা রাখা মার্কিন অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়ের ৩৬ বছর বয়সেই মারা গেছেন। জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে বিনোদন অঙ্গনে। তার বাবা স্কিপ প্যানেটিয়ের মেয়ের মৃত্যুর খবর জানিয়ে তাকে ‘অসাধারণ আলো’ এবং ‘প্রকৃতির এক দুর্দমনীয় শক্তি’ হিসেবে স্মরণ করেছেন। চার বছর বয়সেই অভিনয়ে যাত্রা ১৯৮৯ সালের আগস্টে নিউইয়র্কের পালিসেডসে জন্ম হেইডেনের। তার মা লেসলি ভোগেল ছিলেন অভিনেত্রী ও প্রযোজক, আর বাবা স্কিপ ছিলেন সাবেক অগ্নিনির্বাপক। মাত্র চার বছর বয়সে জনপ্রিয় মার্কিন ধারাবাহিক ‘ওয়ান লাইফ টু লাইভ’-এ অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। এরপর নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ ও দুই - [২১ বছরে সেই ছেলে, যার লড়াই বদলে দিয়েছিল যুক্তরাজ্যের চিকিৎসা-আইন](https://sarakhon.com/news/184178/): কখনো দিনে ৮০০ বার পর্যন্ত প্রাণঘাতী খিঁচুনিতে আক্রান্ত হওয়া বিলি ক্যাল্ডওয়েল এখন টানা তিন বছর খিঁচুনিমুক্ত। ২১তম জন্মদিনে তাই তাঁর পরিবার উদযাপন করছে শুধু একটি বয়সের মাইলফলক নয়, বরং দীর্ঘ এক সংগ্রামের অবিশ্বাস্য পরিণতি। দিনে শত শত খিঁচুনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের ক্যাসলডার্গের বাসিন্দা বিলি ছোটবেলা থেকেই গুরুতর মৃগীরোগে ভুগছিলেন। একসময় তাঁর দিনে ৩০০ থেকে ৮০০ বার পর্যন্ত খিঁচুনি হতো। প্রচলিত একাধিক ওষুধ ব্যবহার করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না। বিলির মা শার্লট ক্যাল্ডওয়েল ছেলের অবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প চিকিৎসার সন্ধান শুরু করেন। সেই অনুসন্ধান তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ও কানাডা পর্যন্ত নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত গাঁজা-উৎপন্ন ওষুধের মাধ্যমে বিলির খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে - [সিসিলির জাদুঘর থেকে চুরি ৮ কোটি ইউরোর রেনেসাঁ যুগের চার শিল্পকর্ম](https://sarakhon.com/news/184137/): ইতালির সিসিলি দ্বীপের মেসিনা শহরের একটি জাদুঘর থেকে বিখ্যাত রেনেসাঁ শিল্পী আন্তোনেল্লো দা মেসিনার চারটি মূল্যবান শিল্পকর্ম চুরি হয়েছে। চুরি হওয়া এসব শিল্পকর্মের মোট মূল্য সর্বোচ্চ ৮ কোটি ইউরো বা প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার রাতে স্থানীয় একটি বড় ধর্মীয় শোভাযাত্রাকে ঘিরে শহরের কেন্দ্রে বিপুল মানুষের সমাগম এবং ব্যাপক পুলিশি উপস্থিতির সুযোগ নিয়ে চোরেরা জাদুঘরে ঢোকে। রাত প্রায় ৯টা ৫০ মিনিটে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মেসিনার আঞ্চলিক আন্তঃবিষয়ক জাদুঘর হিসেবে পরিচিত জাদুঘরটিতে প্রবেশ করে। নিরাপত্তা ভেঙে জাদুঘরে প্রবেশ তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, চোরেরা ভিয়ালে আনুনৎসিয়াতা সড়কের পাশের ধাতব বেড়া কেটে জাদুঘর চত্বরে ঢোকে। এরপর একটি পাশের দরজা - [ক্যামব্রিজের অধ্যক্ষের কড়া মন্তব্য, জেসন আরডেকে ঘিরে ‘বর্ণবাদী উন্মাদনা’র অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/184173/): ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ লর্ড ক্রিস স্মিথ অধ্যাপক জেসন আরডেকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে প্রকাশ্যে মুখ খুলে বলেছেন, একাডেমিক সততার প্রশ্ন তোলা যেমন জরুরি, তেমনি কোনো শিক্ষাবিদকে ঘিরে ‘বর্ণবাদী উন্মাদনায়’ যোগ না দেওয়াও জরুরি। ২০২৩ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়ার সময় আরডে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক। পরে তাঁর গবেষণাপত্র ও কয়েকটি প্রকাশনায় অন্যের লেখা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছিলেন। বিতর্কের মধ্যেই তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়ান এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে দুটি নীতি মানা সম্ভব আরডের মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে লর্ড স্মিথ বলেন, একাডেমিক সততা রক্ষা করা এবং অভিযোগের কঠোর - [২০৩০-এর দশকেই চাঁদে বসতি, কাজও হবে মহাকাশে: বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তার ভবিষ্যদ্বাণী](https://sarakhon.com/news/184170/): মহাকাশে মানুষের বসবাস ও কর্মসংস্থানের দিন আর খুব বেশি দূরে নয়—এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন মহাকাশ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ডিলান টেলর। তাঁর ধারণা, ২০৩০-এর দশকের শুরুতেই চাঁদের বুকে মানুষের স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে উঠতে পারে। সেখানে মানুষ বসবাসের পাশাপাশি খনন, তথ্যকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণের মতো কাজও করবে। টেলরের এই ধারণার সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে ইলন মাস্ক, জেফ বেজোস ও স্যাম অল্টম্যানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঙ্গে। তাঁদের প্রত্যেকেই বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, একদিন মানুষের কর্মজীবনের একটি অংশ পৃথিবীর বাইরে চলে যেতে পারে। চাঁদে দেখা যাবে মানুষের আলো টেলরের মতে, মহাকাশে মানুষের বসবাসের পর স্বাভাবিক পরবর্তী ধাপ হবে চাঁদ। ২০৩০-এর দশকের শুরুতেই সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে উঠতে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে মিত্রদের পক্ষ বেছে নিতে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/184167/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা এখন আর শুধু প্রযুক্তি উন্নয়নের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কূটনীতি, চিপ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রযুক্তি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন। নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোকে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার চাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। মিত্রদের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের কঠিন বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ৩৫টি দেশের উদ্দেশে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব দেশ আগে যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংক্রান্ত একটি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেছে। তালিকায় জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রও রয়েছে। প্রস্তাবিত বার্তায় বলা হচ্ছে, কোনো দেশ একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন প্রযুক্তি জোট - [গুগলের প্রেম ফুরিয়েছে কর্মীদের সঙ্গে, ভেতরের গল্প ফাঁস করলেন সাবেক কর্মী](https://sarakhon.com/news/184164/): একসময় গুগলকে শুধু একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হতো না; এটি ছিল সৃজনশীলতা, স্বাধীন চিন্তা, উদ্ভাবন ও কর্মীদের প্রতি আস্থার প্রতীক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই গুগলই বদলে গেছে। প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মী ক্লেয়ার স্ট্যাপলটনের নতুন স্মৃতিকথায় উঠে এসেছে সেই পরিবর্তনের ভেতরের গল্প। যে গুগল কর্মীদের নিজের পরিবারের মতো ভাবত ২০০৭ সালে গুগলে যোগ দিয়েছিলেন ক্লেয়ার স্ট্যাপলটন। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বিভাগে কাজ করার সময় তাঁর রসিকতা ও কাব্যিক লেখার জন্য সহকর্মীরা তাঁকে ডাকতেন ‘গুগলের কবি’ নামে। তাঁর বর্ণনায়, গুগলের পুরোনো সংস্কৃতিতে কর্মীদের শুধু দক্ষ কর্মী হিসেবে দেখা হতো না। তাঁদের সৃজনশীলতা, নতুন চিন্তা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকেও প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা - [‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বিশ্বজুড়ে আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার](https://sarakhon.com/news/184161/): মুক্তির মাত্র ২১ দিনের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে টিকিট বিক্রি থেকে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করে ইতিহাসের অন্যতম সফল চলচ্চিত্রের তালিকায় উঠে এসেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। টম হল্যান্ড অভিনীত ছবিটি এখন বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অষ্টম স্থানে রয়েছে। তিন সপ্তাহেই ২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছবিটি উত্তর আমেরিকায় আয় করেছে প্রায় ৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে আরও ১২৩ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০২ কোটি ২০ লাখ ডলারে। মুক্তির ২১ দিনের মাথায় এই মাইলফলক স্পর্শ করে ছবিটি ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম চলচ্চিত্র হিসেবে ২ বিলিয়ন ডলারের ঘরে প্রবেশ করেছে। এর আগে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: - [অপারেশন সাফেদ সাগর: কারগিলের বিজয়ের আড়ালে যে শিক্ষাগুলো এখনও অসম্পূর্ণ](https://sarakhon.com/news/184158/): নেটফ্লিক্সের নতুন সিরিজ ‘অপারেশন সাফেদ সাগর’ ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধকে আবারও জনআলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। পাহাড়ের দুর্গম উচ্চতায় সংঘটিত সেই যুদ্ধ ভারতের সামরিক ইতিহাসে বিজয়ের অধ্যায় হলেও, এর ভেতরে লুকিয়ে আছে এমন কিছু ব্যর্থতা ও সাংগঠনিক দুর্বলতা, যেগুলো কেবল বিজয়ের গল্প দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। কারগিলে ৫২৭ ভারতীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন আরও বহুজন। সেই আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান জানাতে হলে যুদ্ধের সাফল্যের পাশাপাশি ভুলগুলোকেও নির্মোহভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কারগিলের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল গোয়েন্দা ব্যর্থতা। পাকিস্তানি বাহিনী যে বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডের উচ্চতর অবস্থানগুলো দখল করেছিল, তা সময়মতো শনাক্ত করা যায়নি। কারগিল রিভিউ কমিটিও এই - [সাইকেলে আমেরিকার অপূর্ব প্রকৃতি: ৫টি দারুণ পথের সন্ধান](https://sarakhon.com/news/184155/): সাইকেলের প্যাডেলে ভর করে আমেরিকার প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর কিছু দৃশ্য দেখার সুযোগ রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্রতীরের বুনো ফুলে ঘেরা পথ থেকে শুরু করে নিউইয়র্কের গাছের সুড়ঙ্গের মতো রেলপথ—দেশটির নানা প্রান্তে এমন কিছু সাইকেলপথ রয়েছে, যেখানে ভ্রমণ মানেই প্রকৃতির খুব কাছাকাছি চলে যাওয়া। এমন পাঁচটি পথের কথা বলা হয়েছে, যেগুলোর প্রতিটির দৈর্ঘ্য ২৫ মাইল বা প্রায় ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে। চারটি পথ পাকা এবং একটি নুড়িপাথরের। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সব কটি পথেই মোটরগাড়ির চলাচল নেই। এমনকি কয়েকটি পথের শুরুতেই গাড়ি নিয়ে পৌঁছানোর প্রয়োজন হয় না। এই পথগুলোর অনেকগুলোতেই রয়েছে ক্যাম্পিং, বন্যপ্রাণী দেখা, পাখি দেখা এবং সাঁতার কাটার সুযোগ। ফলে যাঁরা শুধু সাইকেল চালানো - [২০২৬ সালে বিনিয়োগকারীদের নজরে রোবট প্রযুক্তির ২৫ সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান](https://sarakhon.com/news/184152/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরবর্তী বড় বিপ্লব এবার শুধু কম্পিউটারের পর্দায় নয়, বাস্তব জগতেও ছড়িয়ে পড়ছে। কারখানা, গুদাম, হাসপাতাল, কৃষিখামার, গবেষণাগার এমনকি মানুষের ঘরেও কাজ করতে সক্ষম রোবট তৈরিতে বিপুল বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই বাস্তব জগতে কাজ করতে সক্ষম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো ৪৯২টি চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৬৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে। হার্ডওয়্যারের দাম কমে যাওয়া, শ্রমিক সংকট, উৎপাদন নিজ দেশে ফিরিয়ে আনার চাপ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতি—সব মিলিয়ে রোবট প্রযুক্তি এখন প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্ষেত্র। বিনিয়োগকারীদের মতামতের ভিত্তিতে ২০২৬ সালে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ২৫টি রোবট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। মানুষের মতো কাজ শেখানোর নতুন - [রপ্তানি বাড়িয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে গিলির মুনাফা ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি](https://sarakhon.com/news/184147/): চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিলি অটোমোবাইলের মুনাফায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি এসেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে গাড়ির চাহিদা দুর্বল থাকলেও বিদেশে বিক্রি বাড়িয়ে সেই ঘাটতি সামাল দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিদেশের বাজারে বাড়ছে গিলির দাপট চীনের গাড়ির বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে বিক্রির চাপ বাড়লেও গিলির রপ্তানি ব্যবসা দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির বিদেশে গাড়ি সরবরাহ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ২৮৮টি হয়েছে। একই সময়ে মোট গাড়ি বিক্রি প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে ১৪ লাখ ২০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ( গিলির এই সাফল্যের পেছনে বৈদ্যুতিক ও সংকরচালিত গাড়ির চাহিদা - [বাজার সংকট এখন জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/184144/): ভুটানের ফুয়েন্তশোলিং থেকে ভারতের জয়গাঁওয়ে ক্রেতাদের চলে যাওয়া এখন আর দুই সীমান্তবর্তী শহরের বাজার প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি ধীরে ধীরে সাধারণ পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি অর্থনৈতিক সমস্যা হয়ে উঠছে। সীমান্তের ওপারে একই বা কাছাকাছি পণ্য কম দামে পাওয়ায় ফুয়েন্তশোলিংয়ের বাসিন্দারা নিয়মিত জয়গাঁওমুখী হচ্ছেন। ফলে স্থানীয় ব্যবসা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি ভুটানের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও অর্থের প্রবাহ কমছে। ভুটানের বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিযোগিতা ও ভোক্তা বিষয়ক কর্তৃপক্ষের (সিসিএএ) করা ক্রস-বর্ডার রিটেইল কম্পিটিটিভনেস স্টাডিতে উঠে এসেছে এই চিত্র। জরিপে অংশ নেওয়া ফুয়েন্তশোলিংয়ের ৯৪.৯ শতাংশ বাসিন্দা জানিয়েছেন, তারা কেনাকাটার অন্তত কিছু অংশের জন্য জয়গাঁওয়ের ওপর নির্ভর - [তীব্র গরম ও দাবানলে বদলে যাচ্ছে ইউরোপের পর্যটনচিত্র](https://sarakhon.com/news/184141/): ইউরোপজুড়ে একের পর এক তাপপ্রবাহ ও দাবানল শুধু মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাই ব্যাহত করছে না, বদলে দিচ্ছে পর্যটনের ধরনও। গরমের তীব্রতা, দাবানলের ঝুঁকি এবং চরম আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার কারণে অনেক পর্যটক ভ্রমণের সময়সূচি বদলাচ্ছেন, কিছু ভ্রমণ বাতিল করছেন, আবার কেউ গ্রীষ্মে দক্ষিণ ইউরোপের বদলে তুলনামূলক ঠান্ডা স্ক্যান্ডিনেভিয়া বা পাহাড়ি অঞ্চল বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। জুলাইয়ের শেষ দিকে দক্ষিণ ফ্রান্সের একটি হ্রদে প্যাডেল বোর্ডে দাঁড়িয়ে আকাশে ধীরে ধীরে ধোঁয়ার বিশাল মেঘ ছড়িয়ে পড়তে দেখেছিলেন ব্রিটিশ পর্যটক ক্রিসি হোয়াইটহার্স্ট। দূরে জিরন্দ অঞ্চলে তখন দাবানল ছড়িয়ে পড়ছিল। পরে ওই আগুন ফ্রান্সের শান্তিকালীন ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটায়। স্বামী ও দুই ছোট সন্তানকে নিয়ে আটলান্টিক - [ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষার আইন বদলাতে ট্রাম্পপন্থীদের উদ্যোগ, বিপন্ন হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্য](https://sarakhon.com/news/184136/): যুক্তরাষ্ট্রের বহু ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এখন নতুন ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের প্রভাবাধীন একটি ফেডারেল পরিষদ ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে। সমালোচকদের আশঙ্কা, এই পরিবর্তন কার্যকর হলে শিল্প ও অবকাঠামো প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন পাওয়ার পথ সহজ হবে, কিন্তু একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থান রক্ষায় বিশেষজ্ঞ, আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও সাধারণ মানুষের মতামতের গুরুত্ব কমে যাবে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ ও জটিল পরামর্শ প্রক্রিয়া কমিয়ে অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের অনুমোদন দ্রুত করা। এর ফলে তেল ও গ্যাস উত্তোলনসহ বিভিন্ন শিল্প প্রকল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক বাধা কমতে পারে। তবে - [চৌক চে গ্রামে থাই নাগরিকদের জমি বরাদ্দ, কম্বোডিয়ার প্রতিবাদ: সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/184126/): কম্বোডিয়ার বানতেই মিয়াঞ্চেই প্রদেশের সীমান্তবর্তী চৌক চে গ্রামে থাই নাগরিকদের জমি বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে কম্বোডিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয় বলেছে, থাইল্যান্ডের এ ধরনের কর্মকাণ্ড কম্বোডিয়ার সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং দুই দেশের সীমান্ত নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলতে পারে। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার চৌক চে গ্রামের ওই বোই চোয়ান কমিউনে থাই কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের মধ্যে জমি বরাদ্দের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এলাকাটি সীমান্তের ৪৫ ও ৪৭ নম্বর সীমান্তস্তম্ভের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। ২০২৫ সালের সংঘাতের পর থেকেই বিরোধপূর্ণ এলাকা কম্বোডিয়ার কর্মকর্তাদের দাবি, ২০২৫ সালের শেষ দিকে থাই সামরিক অভিযানের সময় চৌক চে গ্রামটি দখলে নেওয়া হয়। পরে - [ঋণ বাড়ছে, কিন্তু অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ কমছে: ইন্দোনেশিয়ার নতুন আর্থিক দ্বন্দ্ব](https://sarakhon.com/news/184128/): ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতিতে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দেশের বৈদেশিক ঋণ মে ২০২৬-এ নতুন উচ্চতায় পৌঁছে প্রায় ৮ কোয়াড্রিলিয়ন রুপিয়াহ বা ৪৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু একই সময়ে ব্যাংকগুলো যে বিপুল পরিমাণ ঋণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রেখেছে, তার বড় অংশই ব্যবসা ও বিনিয়োগে প্রবাহিত হচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন উঠছে—দেশের অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়লেও সেই অর্থ কি বাস্তবে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধিতে রূপান্তরিত হচ্ছে? বর্তমান পরিস্থিতির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, বৈদেশিক ঋণের বৃদ্ধি মূলত সরকারি খাতের প্রয়োজন মেটাতে হচ্ছে। মে মাসে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্মিলিত বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ২৪৮.৫ বিলিয়ন ডলার, যা মোট বৈদেশিক ঋণের ৫৫.৯ শতাংশ। এক বছরে এই - [ইয়াসুকুনিতে পুরোনো রাজনীতি, নতুন বার্তা: জাপানের যুদ্ধস্মৃতিতে কি বদলের ইঙ্গিত?](https://sarakhon.com/news/184006/): প্রতি বছর ১৫ আগস্ট জাপানের আত্মসমর্পণের বার্ষিকী ঘিরে ইয়াসুকুনি শ্রাইন আবারও আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনায় উঠে আসে। কোন জাপানি রাজনীতিক সেখানে গেলেন, কে গেলেন না—এ নিয়েই তৈরি হয় কূটনৈতিক উত্তেজনা। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিবাদ জানায়, জাপানের যুদ্ধকালীন ভূমিকার সঙ্গে অতীতের হিসাব মেলানোর প্রশ্ন সামনে আসে। কিন্তু এবারের ঘটনাপ্রবাহে আসল পরিবর্তন রাজনীতিকদের আচরণে নয়; বরং ইয়াসুকুনি শ্রাইনের নিজের অবস্থানে। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ইয়াসুকুনিকে ঘিরে বর্তমান বিতর্ক কেবল যুদ্ধস্মৃতি বা জাতীয়তাবাদের প্রশ্ন নয়। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, ধর্মীয় কর্তৃত্ব, জাপানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং পূর্ব এশিয়ার কূটনৈতিক বাস্তবতা। ইয়াসুকুনির ইতিহাসকে শুধু ‘যুদ্ধের মন্দির’ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না ইয়াসুকুনি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৬৯ সালে, - [বালুচিস্তান সংকট সমাধানে রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/184120/): পাকিস্তানের বালুচিস্তানে চলমান সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির ন্যাশনাল পার্টির সভাপতি ও সাবেক বালুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ড. আবদুল মালিক বালুচ। তিনি বলেছেন, এই সংকটের মূল চরিত্র রাজনৈতিক এবং এর সমাধানও রাজনৈতিক পথেই খুঁজে বের করতে হবে। কোয়েটায় এক সংবাদ সম্মেলনে ড. আবদুল মালিক বলেন, বালুচিস্তানের পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। একদিকে নিরাপত্তা বাহিনী, অন্যদিকে সশস্ত্র প্রতিরোধকারী গোষ্ঠীগুলো—কোনো পক্ষই কার্যকর সংলাপে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে সংঘাত আরও বাড়ার আগে সব পক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে। সংঘাত কমাতে রাজনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান ন্যাশনাল পার্টির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংঘাত কমাতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তার - [ট্রাম্পের প্রশংসায় পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি, বললেন ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’](https://sarakhon.com/news/184117/): পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ‘সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিন দেশের নেতৃত্বকে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, এই চুক্তি দেখিয়ে দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য কীভাবে ধীরে ধীরে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং দেশগুলো কীভাবে নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে নিরাপত্তা সহযোগিতা ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ বাড়ছে। এই সংঘাতের প্রভাব উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশেও পড়েছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলও বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। - [জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে পাকিস্তানের বড় শহরে জামায়াতের অবস্থান কর্মসূচি](https://sarakhon.com/news/184115/): জ্বালানি তেলের দাম, পেট্রোলিয়াম শুল্ক এবং লাগামহীন মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচি, লাহোর, পেশোয়ার ও কোয়েটায় একযোগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতে ইসলামী। রোববারের এই কর্মসূচিকে দলটি তাদের চলমান দেশব্যাপী আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সমাবেশ, অবস্থান ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছিল দলটি। এবার চার প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে সরাসরি অবস্থান নিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে জামায়াত। লাহোরে মাল রোডে বিক্ষোভ লাহোরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মাল রোড ধরে মিছিল করে ফয়সাল চকে পৌঁছান। সেখানে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। জায়গাটি মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি। পাঞ্জাব জামায়াতের প্রধান জাভেদ কাসুরি ছাড়াও দলের অন্য - [হামে মৃতের সংখ্যা ৯১৫, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/184112/): হামের মতো উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে হাম-সংশ্লিষ্ট নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে। সন্দেহভাজন মৃত্যুই বাড়ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মারা যাওয়া সাতজনকেই সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১৬। অন্যদিকে, নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯-তেই অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে সন্দেহভাজন রোগী ৯৮১ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৯৮১ জনের মধ্যে হামসদৃশ উপসর্গ দেখা গেছে। এর ফলে চলতি বছরে এ ধরনের সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ - [ব্যাংকে বাড়তি তারল্য, ৯ শতাংশের নিচে নামল ট্রেজারি বিলের সুদ](https://sarakhon.com/news/184109/): বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থ এখন ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ হচ্ছে। এর ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মেয়াদের ট্রেজারি বিলের সুদহার ২১ থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহার ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমেছে। দীর্ঘ সময় পর এই সুদহার আবার ৯ শতাংশের নিচে নামল। তিন মেয়াদেই সুদহার কমেছে ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহারও এক সপ্তাহে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে কমে ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ হয়েছে। একইভাবে ৩৬৪ দিন মেয়াদি বিলের সুদহার ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে। - [শেখ হাসিনা ভারতে কোন স্ট্যাটাসে, জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর](https://sarakhon.com/news/184105/): ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিক কোন স্ট্যাটাসে বা কী প্রক্রিয়ায় সেখানে আছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য বাংলাদেশের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের কাছে ইতোমধ্যে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। আইনি প্রক্রিয়ায় ফেরানোর উদ্যোগ মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত। তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে। তাকে দেশে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি - [আলোচনার দরজা খোলা রাখছে পিটিআই, সমঝোতার গুঞ্জনে বাড়ছে জল্পনা](https://sarakhon.com/news/184103/): পাকিস্তানের প্রধান বিরোধী দল পিটিআই ও ক্ষমতাসীন মহলের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। তবে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, আলোচনার পথ কখনোই বন্ধ করেনি পিটিআই। এখন পর্যন্ত নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক অগ্রগতিও হয়নি। দলের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় অবশ্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি বার্তা আসার বিষয়টি উঠে এসেছে। সেখানে সংসদ ভবনে পিটিআই নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নিজেও উপস্থিত থেকে বিরোধী দলের অভিযোগ শুনতে পারেন বলে দলের ভেতরে আলোচনা চলছে। সংসদীয় দলের বৈঠক আজ সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়টি সামনে রেখে আজ সোমবার পিটিআইয়ের সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের পক্ষ থেকে আসা - [নৌবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ](https://sarakhon.com/news/184100/): উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে স্থানীয় সতর্কসংকেত নম্বর ৩ বহাল রাখতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সোমবার সকালে দেওয়া বুলেটিনে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল এবং পশ্চিমবঙ্গসংলগ্ন এলাকা ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। উপকূলে দমকা হাওয়ার শঙ্কা নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এতে সমুদ্রের পরিস্থিতি উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা থাকায় নৌযান চলাচলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্য নৌযানকে উপকূলের কাছে থাকার নির্দেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব - [সকালে কফি খাওয়ার পর হৃদস্পন্দন বেড়ে যাচ্ছে? যে ৬ লক্ষণ একেবারেই উপেক্ষা করবেন না](https://sarakhon.com/news/184097/): সকালের এক কাপ গরম কফি অনেকের কাছেই দিনের শুরু করার অপরিহার্য অংশ। ঘুমঘুম ভাব কাটানো, কাজে মনোযোগ বাড়ানো কিংবা শরীরকে চাঙা করতে কফির ওপর নির্ভর করেন অনেকেই। কিন্তু কফি পান করার পর যদি হঠাৎ হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে যায়, বুক ধড়ফড় করে বা মনে হয় হৃদযন্ত্র যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য ছন্দ হারাচ্ছে, তাহলে বিষয়টি সবসময় হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কফির প্রধান উত্তেজক উপাদান ক্যাফেইন সাময়িকভাবে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়াতে পারে। তবে অতিরিক্ত কফি পান, ক্যাফেইনের প্রতি বেশি সংবেদনশীলতা কিংবা খালি পেটে কফি খাওয়ার কারণে এই প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। কফি খেলে হৃদস্পন্দন কেন বেড়ে যায় ক্যাফেইন শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে - [ই-রিকশার নিবন্ধনে বাধ্যতামূলক সৌরবিদ্যুৎ, অমান্য করলে জরিমানা](https://sarakhon.com/news/184093/): ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ও অটোরিকশা নিবন্ধন পেতে হলে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দিতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎসের বিদ্যুৎ দিয়ে এসব যান চার্জ করা হলে মালিকদের জরিমানার মুখে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সোমবার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাকে নতুন নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। এখন থেকে এসব যানবাহনের নিবন্ধন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে হবে না। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা ই-রিকশার নিবন্ধন ও নবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। নতুন ব্যবস্থায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একাধিক শর্ত - [ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলন তীব্র, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের দাবি রাহুল গান্ধীর](https://sarakhon.com/news/184089/): ঝাড়খণ্ডে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান ছাত্র আন্দোলন ২৪তম দিনে আরও তীব্র হয়েছে। আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে তাঁদের দাবি শুনতে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান করা দরকার। রাহুল গান্ধীর এই অবস্থানের মধ্যেই সোমবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ঝাড়খণ্ড সরকারের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এটি দুই পক্ষের মধ্যে সপ্তম দফার বৈঠক। আগের কয়েক দফা আলোচনায় বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হলেও মূল দাবিগুলো নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। দুটি দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনকারীদের মূল দাবির মধ্যে রয়েছে নিয়োগ পরীক্ষায় কথিত - [বিজয় সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, ‘২ থেকে ৪ শতাংশ কমিশন চান মন্ত্রীরা’](https://sarakhon.com/news/184087/): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বারবার তুলে ধরছেন, ঠিক তখনই তাঁর সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির সাবেক তামিলনাড়ু সভাপতি কে আন্নামালাই। তাঁর দাবি, সরকারি দরপত্রের কাজ পাওয়া ঠিকাদারদের কাছ থেকে কিছু মন্ত্রী ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দাবি করছেন। চেন্নাইয়ে রোববার নিজের সংগঠনের আয়োজিত পরিবেশ সচেতনতামূলক এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় আন্নামালাই এই অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, মন্ত্রী ও ঠিকাদারদের কথোপকথনের অডিও রেকর্ডিং তাঁর কাছে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ‘নির্বাচনে টাকা খরচ করেছি, তাই ভাগ - [বিজেপি ছাড়ছেন শেহজাদ পুনাওয়ালা, পদত্যাগ গ্রহণের অনুরোধ](https://sarakhon.com/news/184084/): ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জাতীয় মুখপাত্রের পদ এবং দলের সক্রিয় সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন শেহজাদ পুনাওয়ালা। পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য দল তাঁকে যে সুযোগ দিয়েছিল, তা বিবেচনা করেও এবার পদত্যাগ গ্রহণের জন্য বিজেপির প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। সোমবার প্রকাশিত এক চিঠিতে পুনাওয়ালা জানান, তাঁর পদত্যাগপত্র তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ না করে দল তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনার পর তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব এবং বিজেপির সক্রিয় সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে তিনি অটল থাকতে চান। দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর সিদ্ধান্ত পুনাওয়ালা জানান, দলের পক্ষ - [চার বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/184081/): দেশের চার বিভাগে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এ বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতিবৃষ্টির কারণে কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, সোমবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম - [‘তিনি হোয়াইট সক্সের ভক্ত!’—ব্যর্থতার ভেতর শিকাগোর দলটির জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলেন পোপ লিও](https://sarakhon.com/news/184078/): পোপ লিও চতুর্দশের নিজের শহরের একটি বেসবল দলের প্রতি ভালোবাসা যেন হঠাৎ করেই শিকাগো হোয়াইট সক্সকে নতুন প্রাণ দিয়েছে। দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা, মাঠে একের পর এক হার এবং দর্শকখরা পেরিয়ে দলটি এখন নিজেদের ভাগ্য বদলানোর গল্প বলছে। আর সেই গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পোপ লিও চতুর্দশ—যিনি শুধু শিকাগোর মানুষই নন, তিনি হোয়াইট সক্সের একজন ভক্তও। শিকাগো হোয়াইট সক্সের মাঠ রেট ফিল্ডে ২০০৫ সালে পোপ লিও চতুর্দশ যে আসনে বসে দলের খেলা দেখেছিলেন, এখন সেখানে তার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। মাঠের কাছে দেয়ালে আঁকা হয়েছে পোপের একটি বিশাল ছবি। পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর গত বছর এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল একটি উন্মুক্ত ধর্মীয় প্রার্থনা - [বন্ধুরা বলেছিলেন বাবাকে জীবন থেকে মুছে ফেলতে, কিন্তু আমি তা করিনি](https://sarakhon.com/news/184075/): পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেওয়া—কখনো আত্মরক্ষার শেষ আশ্রয়, কখনো দীর্ঘদিনের ক্ষত থেকে মুক্তির পথ। আবার কখনো সেই বিচ্ছেদই হয়ে উঠতে পারে নিজের অস্তিত্বের একটি অংশকে কেটে ফেলার মতো বেদনাদায়ক সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে সমকামী ও অন্যান্য যৌন সংখ্যালঘু মানুষের মধ্যে জন্মপরিবারের স্বীকৃতি না পেলে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজেদের পছন্দের মানুষদের নিয়ে নতুন ‘নির্বাচিত পরিবার’ গড়ে তোলার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে কি পরিবারের সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়াই সঠিক পথ? আমার নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা বলছে, সব সময় নয়। আমি এমন একটি রাজনৈতিকভাবে রক্ষণশীল ও গোঁড়া ইহুদি ধর্মীয় সম্প্রদায়ে বড় হয়েছি, যেখানে শেখানো হতো—সমলিঙ্গের বিয়ে বেআইনি হওয়া উচিত। এমনকি - [পোশাকে আর চেনা যাচ্ছে না তরুণদের—কেন বদলে গেল নতুন প্রজন্মের ফ্যাশন?](https://sarakhon.com/news/184072/): একসময় মানুষের পোশাক দেখেই অনেকটা আন্দাজ করা যেত তিনি কেমন মানুষ, কী ধরনের গান শোনেন, কোন পরিবেশে চলাফেরা করেন কিংবা কোন গোষ্ঠীর সঙ্গে নিজেকে যুক্ত মনে করেন। পোশাক ছিল এক ধরনের নীরব পরিচয়পত্র। কিন্তু নতুন প্রজন্মের ক্ষেত্রে সেই হিসাব যেন পুরোপুরি বদলে গেছে। এখন একই পোশাকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে নানা সময়ের, নানা সংস্কৃতির ও নানা উপধারার ছাপ। ফলে ত্রিশ বছরের কম বয়সী কাউকে শুধু পোশাক দেখে চেনা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। পোশাকের ভাষা যখন হারিয়ে যাচ্ছে আগের প্রজন্মের তরুণদের পোশাকে ছিল বেশ স্পষ্ট কিছু সংকেত। ছেঁড়া জামা, ঢিলেঢালা প্যান্ট, নির্দিষ্ট ধরনের চুলের ছাঁট কিংবা বিশেষ জুতা দেখেই বোঝা যেত কেউ - [রোনাল্ড রিগ্যানকে হত্যাচেষ্টার ইতিহাস কি নতুন করে লিখতে চান জন হিঙ্কলি?](https://sarakhon.com/news/184069/): ১৯৮১ সালের সেই রক্তাক্ত দিনটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখনো এক গভীর ক্ষত হয়ে আছে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানো জন হিঙ্কলি জুনিয়র চার দশকের বেশি সময় পর আবারও জনসমক্ষে এসে নিজের অতীতকে নতুনভাবে তুলে ধরছেন। আর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না রিগ্যানের মেয়ে প্যাটি ডেভিস। ডেভিসের অভিযোগ, হিঙ্কলি এখন নিজের অতীতের ভয়াবহতাকে আড়াল করে নিজেকে বদলে যাওয়া একজন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। তাঁর সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে উপস্থিতিকে তিনি অনুতাপের প্রকাশ নয়, বরং আত্মপ্রচারের চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। আবারও আলোচনার কেন্দ্রে হিঙ্কলি ১৯৮১ সালের মার্চে ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ওপর গুলি চালিয়েছিলেন জন হিঙ্কলি জুনিয়র। সেই হামলায় রিগ্যান গুরুতর আহত হন। - [তীব্র গরমে কর্মক্ষেত্রে বছরে প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত শ্রমিক, সুরক্ষা ঠেকাচ্ছে কিছু অঙ্গরাজ্য](https://sarakhon.com/news/184065/): যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র গরম এখন শুধু জনজীবনের জন্যই নয়, কর্মক্ষেত্রেও ভয়াবহ ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। প্রতিবছর দেশটিতে শত শত শ্রমিক অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে প্রাণ হারাচ্ছেন। অথচ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অনেক এলাকায় শ্রমিকদের সুরক্ষায় স্থানীয় সরকারগুলোকে নিজস্ব নিয়ম তৈরির সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না। চলতি গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে আর্দ্রতাও। ফলে নির্মাণ, কৃষি, ডাক পরিবহনসহ বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। কিন্তু দেশজুড়ে চরম গরমের সময় শ্রমিকদের সুরক্ষায় এখনো নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক জাতীয় নিয়ম কার্যকর হয়নি। গরমে কাজের ভয়াবহ মূল্য ডালাসের ডাককর্মী ড্যানি রদ্রিগেজ ১৩ বছর ধরে এই পেশায় আছেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও তাঁকে প্রতিদিন বাড়ি - [শেয়ারবাজার যত চড়ছে, ঝুঁকিও তত বাড়ছে—এখনই কি বিনিয়োগে লাগাম টানার সময়?](https://sarakhon.com/news/184063/): টানা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার। চলতি বছরেও সেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশটির প্রধান শেয়ারসূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এখন টানা চতুর্থ বছর দুই অঙ্কের হারে বাড়ার বিরল সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে। ১৯২৮ সালের পর এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র তিনবার। সর্বশেষ ঘটেছিল ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে। সেই সময়ও বাজারের উত্থানের পেছনে ছিল একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তিকে ঘিরে বিপুল আশাবাদ। তখন সেই প্রযুক্তি ছিল ইন্টারনেট। আর এবার বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার কেন্দ্রে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কিন্তু ইতিহাস একই সঙ্গে সতর্কও করছে। কারণ ১৯৯০-এর দশকের সেই অভূতপূর্ব উত্থানের পরই এসেছিল ভয়াবহ পতন। ফলে বর্তমানের দ্রুতগতির বাজারে বিনিয়োগকারীদের - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপুল সম্পদ—ভাগ চায় আমেরিকার জনপদ](https://sarakhon.com/news/184058/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারে যখন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ ও বাজারমূল্য নজিরবিহীনভাবে বাড়ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে—এই বিপুল সম্পদের কতটা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে? একই সঙ্গে বাড়ছে আরেকটি দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য যে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সম্পদ ব্যবহার হচ্ছে, তার খরচও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেই বহন করতে হবে। এই বিতর্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে ভার্জিনিয়া। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বিপুলসংখ্যক তথ্যকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। শক্তিখেকো কম্পিউটার ও সার্ভারে ভরা এসব বিশাল স্থাপনার কারণে অঞ্চলটির একটি অংশ পরিচিত হয়েছে ‘তথ্যকেন্দ্র এলাকা’ হিসেবে। কিন্তু এবার সেই শিল্পের ওপরই কর বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অঙ্গরাজ্যটি। তথ্যকেন্দ্রে কর, ভার্জিনিয়ায় নতুন নজির জুনের শেষ দিকে দীর্ঘ আলোচনা - [ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ফিরছে ১৯২০-এর দশকের কড়াকড়ির ছায়া](https://sarakhon.com/news/184057/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে দেশটির প্রায় এক শতাব্দী আগের কঠোর অভিবাসন ব্যবস্থার ছায়া দেখা যাচ্ছে। ১৯২৪ সালে কংগ্রেস যে আইন করে নির্দিষ্ট দেশের মানুষের অভিবাসনে কোটা আরোপ করেছিল, এ সময় ট্রাম্প প্রশাসন অনেকটা একই ধরনের দেশভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করছে—তবে এবার কংগ্রেসের নতুন আইন নয়, মূলত প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার মাধ্যমেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ১৯২৪ সালের কঠোর অভিবাসন আইন ১৯২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সীমিত করার জন্য একটি কঠোর আইন করা হয়। অপরাধ, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কাকে সামনে রেখে ইতালি, পোল্যান্ড ও রাশিয়ার মতো দেশ থেকে আসা মানুষের সংখ্যা সীমিত করা হয়। এশিয়া থেকে অভিবাসন কার্যত বন্ধ করে দেওয়া - [কেমব্রিজে নিয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন, জেসন আরডের মৃত্যুর পর বাড়ছে তদন্তের দাবি](https://sarakhon.com/news/184741/): বিশ্বখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া জেসন আরডের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। নিয়োগের সময় তাঁর যোগ্যতা নিয়ে সংশয় থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন তাঁকে নিয়োগ দিয়েছিল, পরবর্তী সময়ে তাঁর গবেষণা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও কেন কার্যকর তদন্ত করা হয়নি—এখন এসব প্রশ্নের মুখোমুখি কেমব্রিজ। ৩৭ বছর বয়সে ২০২৩ সালে কেমব্রিজে যোগ দিয়ে আরডে বিশ্ববিদ্যালয়টির সর্বকনিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হয়েছিলেন। বৈচিত্র্য বাড়ানোর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ থাকার সময় তাঁর নিয়োগ ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কিন্তু পরে তাঁর গবেষণাপত্রে নকলের অভিযোগ, আত্মজীবনীতে নিজের জীবন নিয়ে অতিরঞ্জিত বা অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এবং শৈশব সম্পর্কে তাঁর কিছু বক্তব্য নিয়ে গুরুতর - [তুরস্কের কুর্দি সমঝোতার পরীক্ষা: বন্দুকের বদলে কি রাজনীতিই হতে পারে সমাধান?](https://sarakhon.com/news/184737/): তুরস্ক এমন এক পদক্ষেপ নিয়েছে, যা কয়েক বছর আগেও প্রায় অকল্পনীয় মনে হতো। দেশটির পার্লামেন্ট এমন একটি আইন পাস করেছে, যার মাধ্যমে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকের হাজারো সদস্য ও সমর্থক কারাগার কিংবা নির্বাসন থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক নাগরিক জীবনে ফিরতে পারেন। প্রায় পাঁচ দশকের সংঘাতের পর এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী একটি সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসানের সম্ভাব্য পথ তৈরি করেছে। আইনটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কয়েক দশকের সহিংসতা ও রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে ‘সাধারণ ক্ষমা’ শব্দটি তুরস্কে এখনো বিতর্কিত। তাই আঙ্কারা এটিকে সরাসরি সাধারণ ক্ষমা হিসেবে উপস্থাপন করছে না। একই সঙ্গে এটি কোনো বিস্তৃত গণতান্ত্রিক সংস্কার প্যাকেজও নয়। তবে এর গুরুত্ব অন্য জায়গায়—তুরস্ক প্রথমবারের - [স্যাটেলাইটের চোখে রুশ সেনা, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের কৌশল](https://sarakhon.com/news/184733/): ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোনের পাশাপাশি এখন স্যাটেলাইট প্রযুক্তিও হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। উন্নত স্যাটেলাইট চিত্র দ্রুত সামনের সারির সেনাদের কাছে পৌঁছে যাওয়ায় রুশ সেনাদের অবস্থান, সামরিক স্থাপনা ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নির্ভুল হামলা চালানোর সক্ষমতা অনেক বেড়েছে ইউক্রেনের। কয়েক ঘণ্টা নয়, ছবি পৌঁছাচ্ছে কয়েক মিনিটেই দক্ষিণ ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় এক রাতে দুই রুশ ড্রোনচালক একটি ছোট বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দূরে গাছপালার আড়ালে অবস্থান নেয় দুই ইউক্রেনীয় ড্রোনচালক। তাদের কাছে ছিল বিস্ফোরক বহনকারী একটি মাঝারি আকারের ড্রোন। আগে এমন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো কঠিন ছিল। কারণ স্যাটেলাইটের ছবি সামনের সারির সেনাদের কাছে পৌঁছাতে অনেক সময় কয়েক দিন লেগে - [ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য নতুন বিধিমালার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, সহজ হবে অর্থ সংগ্রহ](https://sarakhon.com/news/184729/): ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রস্তাবকে দেশটির ক্রিপ্টো খাতের জন্য বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নিয়ম চূড়ান্ত হলে নির্দিষ্ট কিছু ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ও টোকেন বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান কঠোর শেয়ারবাজার আইন থেকে ছাড় পাওয়া সহজ হবে। অর্থ সংগ্রহে মিলবে নতুন সুযোগ নতুন প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো ক্রিপ্টো খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য বৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের আরও স্পষ্ট পথ তৈরি করা। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির চেয়ারম্যান পল অ্যাটকিনস বলেছেন, ডিজিটাল সম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও বাজারসংশ্লিষ্টদের জন্য কেন্দ্রীয় শেয়ারবাজার আইনের আওতায় অর্থ সংগ্রহের পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ। প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট - [সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রাম-সিলেটে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/184726/): সারাদেশের আট বিভাগেই আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব বৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কয়েকটি জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আট বিভাগেই বৃষ্টির সম্ভাবনা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোনো বিভাগই বৃষ্টির - [যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য নতুন বিধিমালার প্রস্তাব, সহজ হবে মূলধন সংগ্রহ](https://sarakhon.com/news/184722/): যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন বিধিমালার প্রস্তাব করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্রিপ্টো শিল্পকে লক্ষ্য করে এটি সংস্থাটির নেওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে নির্দিষ্ট কিছু ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ও টোকেন বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান পুঁজিবাজার আইন থেকে ছাড় পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থ সংগ্রহ ও নতুন টোকেন বাজারে আনা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। মূলধন সংগ্রহে নতুন সুযোগ নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান চার বছরের সময়ে একবার সর্বোচ্চ ৫০ লাখ ডলারের টোকেন বাজারে ছাড়ার সুযোগ পেতে পারে। একই সঙ্গে প্রতি ১২ মাসে সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ কোটি ডলারের টোকেন বিক্রির সুযোগ দেওয়ার - [কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত চুক্তির পথে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা](https://sarakhon.com/news/184719/): কানাডার পণ্যের ওপর আরোপের কথা থাকা ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকরের সিদ্ধান্ত তিন দিনের জন্য স্থগিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র বাণিজ্য আলোচনার মধ্যেই শুল্ক স্থগিতের ঘোষণা এলো। নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা ছিল বুধবার মধ্যরাত থেকে। এর আওতায় কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য পড়ত। তিন দিনের জন্য শুল্ক স্থগিত ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, চুক্তির প্রয়োজনীয় নথিপত্র চূড়ান্ত করার শর্তে কানাডা - [তৃতীয় সন্তানেও ৩৬৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি, বড় সিদ্ধান্ত তামিলনাড়ু সরকারের](https://sarakhon.com/news/184716/): তৃতীয় সন্তান জন্ম দেওয়া নারী সরকারি কর্মীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ৩৬৫ দিন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের তামিলনাড়ু সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিধানসভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রেও এক বছরের ছুটি বর্তমানে তামিলনাড়ুতে দুইয়ের কম সন্তান থাকা নিয়মিত নারী সরকারি কর্মীরা সর্বোচ্চ ৩৬৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি পান। তবে দুই বা তার বেশি জীবিত সন্তান থাকা নারী কর্মীদের জন্য ছুটির মেয়াদ সীমাবদ্ধ ছিল ১২ সপ্তাহে। রাজ্যের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ডি সারথকুমার বিধানসভায় তাঁর দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনার সময় নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, নারী কল্যাণ ও ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া সরকারের - [অতীত ভুলে নয়, মতপার্থক্য মিটিয়ে সামনে এগোতে হবে: দীনেশ ত্রিবেদী](https://sarakhon.com/news/184713/): বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে অতীতের মতপার্থক্যে আটকে না রেখে পারস্পরিক ও নিঃশর্ত আস্থার ভিত্তিতে সামনে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিকনির্দেশনা হওয়া উচিত। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভারতের শিল্প ও ব্যবসায়ী সংগঠনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলও উপস্থিত ছিল। অতীত মনে রাখতে হবে, তবে তাতে আটকে থাকা যাবে না দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশকে নিজেদের অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে সামনে এগোতে হবে। অতীত ভুলে যাওয়ার কথা তিনি বলছেন না; বরং অতীতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে - [ইরান যুদ্ধেই কি মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপদে পড়ছে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল?](https://sarakhon.com/news/184710/): ইরান যুদ্ধ প্রায় ছয় মাসে গড়িয়েছে। আর যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়ছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় ভোটারদের অসন্তোষ এখন রিপাবলিকান প্রার্থীদের বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ নিয়ে অস্বস্তিতে রিপাবলিকানরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে রিপাবলিকান দল। একই সঙ্গে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতাও ধরে রাখার চেষ্টা করছে তারা। কিন্তু বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, ইরান যুদ্ধের প্রতি ভোটারদের সমর্থন বেশ কম। তারপরও নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ আসনগুলোর বেশির ভাগ রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের পাশে থাকার পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের ধারণা, জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপও - [স্কুলে হামলা চালিয়ে সহপাঠীকে হত্যা, আত্মহত্যার আগে সরাসরি সম্প্রচার করল শিক্ষার্থী](https://sarakhon.com/news/184707/): দক্ষিণ ফিলিপাইনের জাম্বোয়াঙ্গা শহরের একটি বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলায় এক শিক্ষার্থী নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছে। হামলাকারীও একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। হামলার পর সে আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার জাম্বোয়াঙ্গা শহরের আতেনেও দে জাম্বোয়াঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত বিদ্যালয়টিতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নবম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে একটি পিস্তল ও একটি রাইফেল নিয়ে প্রবেশ করে। এরপর শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। হামলার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার জাম্বোয়াঙ্গার মেয়র খাইমার আদান ওলাসো জানিয়েছেন, হামলাকারী শরীরে থাকা ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো হামলার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করছিল। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে গুলি চালায়। পরে অস্ত্র পরিবর্তন করে - [ডলার বন্ড তুলতে দৌড়াচ্ছে ভারতের চার বেসরকারি ব্যাংক](https://sarakhon.com/news/184701/): ভারতের চারটি বেসরকারি ব্যাংক চলতি আগস্টের শেষ হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ডলার সংগ্রহের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় সুবিধা নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর এই তৎপরতা শুরু হয়েছে। কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংক, ইয়েস ব্যাংক, আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক ও ফেডারেল ব্যাংক—এই চার প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রায় ১৮৫ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়েছে। এসব ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর হতে পারে। সময়ের আগেই বন্ধ হচ্ছে বিনিময় সুবিধা ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত সপ্তাহে জানিয়েছে, প্রবাসী ভারতীয়দের বৈদেশিক মুদ্রা আমানতের জন্য চালু থাকা একটি বিনিময় সুবিধা আগামী ৩১ আগস্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। আগে এটি - [বন্ডের সুদহার কয়েক দশকের সর্বোচ্চ, কমল স্বর্ণের দাম](https://sarakhon.com/news/184699/): বিশ্ববাজারে বন্ডের সুদহার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠায় মঙ্গলবার স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কিছুটা কমেছে। স্বর্ণের দামে পতন মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৬৪ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে। একই দিনে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য স্বর্ণের আগাম চুক্তির দামও ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪২০ দশমিক ৬০ ডলারে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বন্ডের সুদহার দ্রুত বাড়তে থাকায় স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। কারণ স্বর্ণ - [চেয়ারম্যানের বিদায়ের পরই টাটা সন্সের বার্ষিক সভা স্থগিত](https://sarakhon.com/news/184696/): ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী টাটার মূল প্রতিষ্ঠান টাটা সন্সের নির্ধারিত বার্ষিক সাধারণ সভা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে সভাটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরাসরি অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে। চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের পদ ছাড়ার ঘোষণার মাত্র কয়েক দিন পরই বার্ষিক সভা স্থগিত হওয়ায় টাটা গোষ্ঠীর নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিদায়ের ঘোষণা চন্দ্রশেখরন সম্প্রতি জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আর চেয়ারম্যান পদে পুনর্নিয়োগ চাইবেন না। টাটা ট্রাস্টসের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা মতপার্থক্যের মধ্যেই তার এই সিদ্ধান্তের কথা সামনে আসে। টাটা সন্সের নিয়ন্ত্রণকারী - [মার্কিন সামরিক গবেষণার হাত ধরে চীনের রোবট কুকুরের উত্থান](https://sarakhon.com/news/184693/): যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর সেই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে চীনের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি রোবোটিক্স দ্রুত বাজার দখল করেছে। গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউনিট্রির জনপ্রিয় রোবট কুকুরের নকশার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গবেষণায় তৈরি প্রযুক্তির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। সামরিক গবেষণা থেকে বাণিজ্যিক সাফল্য ইউনিট্রির গো সিরিজের অন্যতম জনপ্রিয় মডেল গো২ ২০২৩ সালে বাজারে আসে। প্রায় ১ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার দামের এই রোবট কুকুর খুব অল্প সময়ের মধ্যে চার পায়ের রোবটের বৈশ্বিক বাজারে প্রতিষ্ঠানটিকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে ইউনিট্রির মূল্য প্রায় ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর গবেষণা কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অবদান। যুক্তরাষ্ট্রের - [পশ্চিম তীরে অবরুদ্ধ বাড়িতে মার্কিন পতাকা তুলেও রক্ষা পেলেন না ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক](https://sarakhon.com/news/184690/): ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে বসতবাড়ি ঘিরে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের অবরোধের মধ্যে নিজ বাড়িতে ফিরেছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই রিদি। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বসতিস্থাপনকারীরা তাঁর বাড়িসহ গ্রামের তিনটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ঘিরে রেখেছে। পরিস্থিতি থেকে নিজেদের রক্ষায় রিদি বাড়ির ছাদে বিশাল মার্কিন পতাকা তুললেও মঙ্গলবার এক বসতিস্থাপনকারী তাঁর জমিতে ঢুকে পড়েন। বাড়িতে ফিরেই উত্তেজনার মুখে রিদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দীর্ঘ যাত্রা শেষে সোমবার রাতে কুসরায় পৌঁছান রিদি। তাঁর আশঙ্কা ছিল, বাড়ি ও জমি বসতিস্থাপনকারীদের দখলে চলে যেতে পারে। গ্রামে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজের বাড়ির আশপাশে থাকা চেরি ও ডুমুরগাছের মধ্যে হাঁটছিলেন। এ সময় ওপরের পাহাড়ের দিক থেকে এক - [হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মুখোমুখি, আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/184685/): হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না এবং শিগগির আলোচনারও পরিকল্পনা নেই। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে ইরান ট্রাম্পের বক্তব্য সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির শীর্ষ আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সমঝোতার শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে বিপরীত বক্তব্য মঙ্গলবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা কথোপকথন চলছে না এবং কোনো আলোচনাও নির্ধারিত হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, - [হারানো ইনকা নগরীর খোঁজে ‘আসল ইন্ডিয়ানা জোন্স’, ৫৩ বছর পর মিলল সত্যের সন্ধান](https://sarakhon.com/news/184680/): ১৯১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিরাম বিংহাম তৃতীয় দাবি করেছিলেন, তিনি পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার গভীরে ইনকা সাম্রাজ্যের শেষ রাজার হারিয়ে যাওয়া দুর্গনগরীর সন্ধান পেয়েছেন। সেই নগরী ছিল কিংবদন্তির ভিলকাবাম্বা—যেখানে স্প্যানিশ দখলদারদের হাত থেকে বাঁচতে শেষ ইনকা শাসক ও তাঁর অনুসারীরা আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু বিংহামের সেই দাবি পরে ভুল প্রমাণিত হয়। প্রায় ৫৩ বছর পর, ১৯৬৪ সালে জিন সাভয় নামে এক মার্কিন অভিযাত্রী দুর্গম পেরুভিয়ান অরণ্যে পৌঁছে এমন কিছু ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পান, যা গবেষকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। তাঁর অভিযানের কারণে সাভয় পরিচিতি পান ‘আসল ইন্ডিয়ানা জোন্স’ নামে। কিংবদন্তির সেই হারানো নগরী ষোড়শ শতকে স্প্যানিশ দখলদাররা - [অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়াতে ঘরেই করুন ৬ সহজ বিকল্প](https://sarakhon.com/news/184676/): স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা বললেই শুধু কম খাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে না, কী খাচ্ছি সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাজারের অনেক পরিচিত খাবারেই এমন নানা উপাদান থাকে, যা ঘরোয়া রান্নায় সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার সঙ্গে স্থূলতা, হৃদ্‌রোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তাই খাবারের ধরন একটু বদলে ঘরেই তৈরি করা যেতে পারে সহজ ও তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর কিছু বিকল্প। কলা দিয়েই তৈরি হতে পারে আইসক্রিম বাজারের আইসক্রিমে দুধ বা ক্রিমের পাশাপাশি ঘনত্ব ও স্বাদ ধরে রাখতে নানা ধরনের সংযোজক থাকতে পারে। এর বদলে পাকা কলা ফ্রিজে রেখে পরে সামান্য চিনি ছাড়া কোকো গুঁড়ার সঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড - [বিরতিহীন উপবাসের উপকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন, কতটা সত্যি আর কতটা বাড়াবাড়ি](https://sarakhon.com/news/184672/): ওজন কমানো থেকে শুরু করে দীর্ঘায়ু, ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো কিংবা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ভালো রাখা—বিরতিহীন উপবাস নিয়ে গত কয়েক বছরে এমন নানা দাবি ছড়িয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু দিন উপবাস থাকা কিংবা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাবার খাওয়ার এই পদ্ধতি জনপ্রিয়ও হয়েছে ব্যাপকভাবে। কিন্তু নতুন গবেষণাগুলো বলছে, এর উপকারিতা নিয়ে প্রচলিত অনেক দাবির পেছনে এখনো শক্ত প্রমাণের ঘাটতি রয়েছে। ওজন কমাতে কতটা কার্যকর গবেষকদের মতে, বিরতিহীন উপবাস মানুষের ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এর ফল অন্য খাদ্যনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির তুলনায় খুব বেশি আলাদা নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, উপবাসের ধরন অনুযায়ী মানুষের শরীরের ওজন গড়ে প্রায় পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। পুষ্টিবিদ ক্রিস্টা ভারাডির মতে, - [যুক্তরাজ্যে পাঠানোর প্রায় ৩৩৮ কোটি টাকার কোকেন জব্দ, নাইজেরিয়ায় গ্রেপ্তার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী](https://sarakhon.com/news/184671/): নাইজেরিয়ায় প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩৮ কোটি টাকা মূল্যের কোকেন জব্দের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত এক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির মাদকবিরোধী কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের দাবি, বিপুল পরিমাণ এই মাদক যুক্তরাজ্যে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার ব্যক্তি ৪৯ বছর বয়সী আফোলাবি কাজিম মাইকেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘কেসি লাক্সারি’ নামে পরিচিত এবং প্রায় সাত লাখ অনুসারী রয়েছে তাঁর। অনলাইনে তিনি নিজেকে স্বর্ণ ও বিলাসবহুল পণ্যের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে নাইজেরিয়ার মাদক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অভিযোগ করেছে, মাদক পাচারের একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ রয়েছে এবং নাইজেরিয়ায় ওই চক্রের অন্যতম প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে - [ছুটিতে যাওয়ার আগে অফিসের স্বয়ংক্রিয় বার্তা লেখার সঠিক নিয়ম](https://sarakhon.com/news/184666/): ছুটি শেষ পর্যন্ত এসে গেছে। দীর্ঘদিনের ব্যস্ততার পর এবার হয়তো একটু বিশ্রামের পালা। কিন্তু কর্মস্থল ছাড়ার আগে একটি ছোট কাজ প্রায় সবাইকেই করতে হয়—ই-মেইলে এমন একটি স্বয়ংক্রিয় বার্তা চালু করা, যাতে কেউ আপনার অনুপস্থিতিতে যোগাযোগ করলে জানতে পারে আপনি কখন ফিরবেন এবং জরুরি প্রয়োজনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। অনেকের কাছেই এই বার্তাটি খুব সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এখানে সামান্য ভুলও পেশাগত ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া, নিজের ছুটি নিয়ে বড়াই করা, রসিকতা করতে গিয়ে কাউকে বিরক্ত করা কিংবা নিজের অনুপস্থিতি সম্পর্কে অস্পষ্ট থাকা—সবই সমস্যার কারণ হতে পারে। কী লিখবেন, আর কী এড়িয়ে চলবেন শিষ্টাচারবিষয়ক - [ঢাকায় আজ বৃষ্টি হবে কি না, জানালো আবহাওয়া অফিস](https://sarakhon.com/news/184663/): ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার আরো ৪৮৩, মামলা ৫৯ কালের কণ্ঠ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ৫৯টি মামলা করা হয়েছে। বুধবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৪ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগে ৮০ জন, মতিঝিল বিভাগে ৫৩ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৫ জন, মিরপুর বিভাগে ১৩২ জন, গুলশান বিভাগে ৪০ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৫ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ ১১ জনকে - [বাসের মতো বিশাল হাঙরের জন্ম কোথায়? বিরল নবজাতক দেখায় মিলল চমকপ্রদ সূত্র](https://sarakhon.com/news/184661/): বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাছ তিমি হাঙর। বিশাল আকৃতির এই সামুদ্রিক প্রাণী সমুদ্রের উন্মুক্ত জলরাশিতে হাজার হাজার কিলোমিটার ঘুরে বেড়ালেও তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি রহস্য এখনো অমীমাংসিত—তারা কোথায় জন্ম নেয়? সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার সুম্বাওয়া দ্বীপের সালেহ উপসাগরে মাত্র চার মাস বয়সী একটি তিমি হাঙরের সন্ধান সেই রহস্যের সমাধানে বিজ্ঞানীদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র তুলে ধরেছে। মাত্র দেড় মিটার লম্বা এই নবজাতক তিমি হাঙরটি ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় এ ধরনের প্রথম নথিবদ্ধ আবিষ্কার এবং বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের নথিতে থাকা হাতে গোনা কয়েকটি নবজাতক তিমি হাঙরের একটি। জেলেদের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রাণী ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে চারটার কিছু পর সালেহ উপসাগরে মাছ ধরার সময় - [আমাজন নদীর মোহনার কাছে তেলের সন্ধান, ভবিষ্যতের ‘পাসপোর্ট’ বললেন লুলা](https://sarakhon.com/news/184657/): ব্রাজিলের আমাজন নদীর মোহনার কাছাকাছি সমুদ্রে তেলের সন্ধান পাওয়াকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পেট্রোব্রাস অনুসন্ধান চালিয়ে তেলের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর লুলা বলেন, এই আবিষ্কার হতে পারে ব্রাজিলের ভবিষ্যতের জন্য একটি ‘পাসপোর্ট’। তবে এই আবিষ্কারকে ঘিরে একই সঙ্গে তৈরি হয়েছে পরিবেশগত উদ্বেগ। আমাজন উপকূলের অত্যন্ত জীববৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকায় তেল অনুসন্ধানের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে পরিবেশবাদীরা শুরু থেকেই লুলা সরকারের সমালোচনা করে আসছেন। তাদের আশঙ্কা, তেল উত্তোলনের সময় কোনো দুর্ঘটনা বা তেল ছড়িয়ে পড়লে সামুদ্রিক প্রতিবেশব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সমুদ্রের গভীরে মিলেছে তেল পেট্রোব্রাসের অনুসন্ধানে পাওয়া তেলের অবস্থান - [ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ৭৫৩](https://sarakhon.com/news/184655/): দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও উদ্বেগজনক মাত্রায় বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৫৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে। ঢাকাসহ তিন বিভাগে মৃত্যু নতুন করে যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ঢাকায়, একজন ময়মনসিংহে এবং একজন খুলনা বিভাগে মারা গেছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭২৩ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৫ হাজার ৬০১ জন হাসপাতালে ভর্তি - [নেতা চলে গেলে কেন তার সঙ্গে পুরো দলও চলে যায়?](https://sarakhon.com/news/184622/): কোনো প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা পদত্যাগ করলে শুরুতে ঘটনাটি সাধারণ একটি চাকরি বদলের মতোই মনে হয়। কিন্তু কয়েক দিন পর যখন একই দলের আরও কয়েকজন সদস্য বিদায় নেন, তখন বোঝা যায় বিষয়টি আসলে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ধীরে ধীরে একটি পুরো দলই যেন এক প্রতিষ্ঠান থেকে আরেক প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হয়ে যায়। অনেক সময় তাদের সঙ্গে চলে যায় গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্ট, কাজের অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং বছরের পর বছর গড়ে ওঠা পেশাগত সম্পর্ক। ব্যবসা জগতে এমন নেতাদের অনেক সময় ‘পাইড পাইপার’ হিসেবে দেখা হয়—যারা নিজের সঙ্গে অনুসারীদেরও নিয়ে যেতে পারেন। পেশাদার সেবা খাত, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগ ব্যাংক, আইন প্রতিষ্ঠান কিংবা - [সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের ২৫ বছর: নিরাপত্তার নামে আমেরিকার দীর্ঘ অতিরিক্ত-প্রতিক্রিয়ার হিসাব](https://sarakhon.com/news/184619/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহতা আজকের তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের কাছে হয়তো ইতিহাসের একটি ঘটনা। কিন্তু সেই সময়ের আমেরিকান সমাজে আতঙ্কের যে গভীরতা তৈরি হয়েছিল, তা বোঝা ছাড়া পরবর্তী ২৫ বছরের মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির গতিপথ বোঝা কঠিন। নিউইয়র্কের আকাশে ছিনতাই করা বিমান, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধসে পড়া টাওয়ার এবং হাজারো মানুষের মৃত্যু শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলা ছিল না; এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-চিন্তা, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং বিশ্বে তার ভূমিকা সম্পর্কে মৌলিক ধারণাকেও বদলে দিয়েছিল। এরপর একের পর এক ঘটনা সেই আতঙ্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে। অ্যানথ্রাক্স হামলা, বিমান উড়িয়ে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা, বালি থেকে মাদ্রিদ, লন্ডন, মুম্বাইসহ বিভিন্ন শহরে সন্ত্রাসী হামলা, পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দেওয়া, - [ঋষভ পন্তের বিশ্বরেকর্ড, টেস্টে দ্রুততম ১০০ ছক্কার মাইলফলক](https://sarakhon.com/news/184603/): ভারতের তারকা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ঋষভ পন্ত টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ১০০টি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে সিরিজের প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনে এই অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি। তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ভারত শ্রীলঙ্কার সামনে জয়ের জন্য ৩৭২ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে। ৮৯ ইনিংসেই শত ছক্কা পন্ত মাত্র ৮৯ ইনিংসে টেস্ট ক্রিকেটে ১০০ ছক্কা পূর্ণ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি উইকেটরক্ষক-ব্যাটার অ্যাডাম গিলক্রিস্টের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। গিলক্রিস্ট ১৩০ ইনিংসে ১০০ টেস্ট ছক্কা পূর্ণ করেছিলেন। পন্তের আগে টেস্ট ক্রিকেটে মাত্র তিনজন ব্যাটার ১০০ বা তার বেশি ছক্কা মারতে পেরেছিলেন। তাঁরা হলেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও বেন স্টোকস। এই সংস্করণে - [খরা মোকাবিলার জরুরি পরিকল্পনা প্রকাশে ব্রিটিশ সরকারের ‘নিরাপত্তা’ যুক্তি, বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/184643/): যুক্তরাজ্যে খরা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠলেও পানি সংকট মোকাবিলায় পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি জরুরি পরিকল্পনা প্রকাশ করছে না সরকার। জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এসব পরিকল্পনা গোপন রাখার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সরকারকে স্বচ্ছতার অভাব ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জলাধারে পানির স্তর এখন ‘অস্বাভাবিকভাবে কম’। ইংল্যান্ডের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এবং পুরো ওয়েলস খরাকবলিত। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে খরা আরও ঘন ঘন এবং তীব্র হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন। ভয়াবহ খরায় কী হতে পারে ২০২৭ থেকে ২০৩২ সালের জন্য প্রস্তাবিত খরা পরিকল্পনায় সংকটের বিভিন্ন মাত্রা মোকাবিলার কথা প্রকাশ্যে রয়েছে। পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে গেলে রাস্তায় অস্থায়ী পানির - [ইউরোভিশন ২০২৭: রাজধানী সোফিয়াকে হারিয়ে আয়োজক হচ্ছে কৃষ্ণসাগরের শহর বুর্গাস](https://sarakhon.com/news/184637/): বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়াকে পেছনে ফেলে আগামী বছরের ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংগীত আয়োজন ইউরোভিশন প্রতিযোগিতার আয়োজক শহর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে কৃষ্ণসাগরের তীরের বন্দরনগরী বুর্গাস। ২০২৭ সালের এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১৫ মে। এর আগে ১১ ও ১৩ মে হবে দুটি সেমিফাইনাল। জয়ী শহর বুর্গাস চলতি বছরের মে মাসে ভিয়েনায় বুলগেরিয়ার শিল্পী দারা ইউরোভিশনে জয় পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ পায় দেশটি। আয়োজনের জন্য সোফিয়া, প্লভদিভ, ভার্না ও বুর্গাস—বুলগেরিয়ার চারটি বড় শহর আবেদন করেছিল। দেশটির রাজধানী ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় সোফিয়াকেই বেশির ভাগ মানুষ সম্ভাব্য আয়োজক হিসেবে ধরে নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বেছে নেওয়া হয়েছে প্রায় - [পরমাণু বোমার আগের হিরোশিমা-নাগাসাকি ফিরিয়ে আনছে মাইনক্রাফটের কর্মশালা](https://sarakhon.com/news/184649/): ১৯৪৫ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু বোমা হামলার আগে হিরোশিমা ও নাগাসাকি কেমন ছিল—তা নতুন প্রজন্মকে বোঝাতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে জনপ্রিয় নির্মাণভিত্তিক কম্পিউটার খেলা মাইনক্রাফট। উদ্দেশ্য শুধু ইতিহাস শেখানো নয়, বরং পারমাণবিক হামলায় দুটি শহর কী হারিয়েছিল, তা শিশুদের কল্পনা ও নির্মাণের মাধ্যমে উপলব্ধি করানো। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীর উদ্যোগে ২০২৩ সাল থেকে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে দুই দিনব্যাপী এসব কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত ২৭ বছর বয়সী মিসাকি কাটায়ামা শান্তি শিক্ষা নিয়ে গবেষণা করেন। মানচিত্র, ছবি ও পুরোনো ভিডিও দেখে শহর নির্মাণ কর্মশালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তারা মাইনক্রাফটের ভার্চুয়াল জগতে পরমাণু বোমা - [সাইনসবুরির দোকানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভুল শনাক্তকরণ, বন্ধ হলো মুখ স্ক্যান ব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/184646/): লন্ডনের একটি সাইনসবুরি দোকানে ক্রেতাকে ভুল করে চোর হিসেবে শনাক্ত করার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কেন দোকান থেকে বের করে দেওয়া হলো ক্রেতাকে দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ইস্ট ডালউইচ এলাকার সাইনসবুরি দোকানে ৪৬ বছর বয়সী ম্যাট আর্নল্ড একটি হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে গিয়েছিলেন। পণ্য স্ক্যান করে এবং নিজের সদস্য কার্ড ব্যবহার করার পর দুই ব্যবস্থাপক তাকে জানান, আগের একটি ঘটনার কারণে তাকে সেবা দেওয়া যাবে না। এরপর তাকে দোকান থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়। দোকানের কর্মীরা তাকে - [‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’-খ্যাত অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়েরে ৩৬ বছর বয়সে মারা গেছেন](https://sarakhon.com/news/184634/): ‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’ টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া মার্কিন অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়েরে ৩৬ বছর বয়সে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা স্কিপ প্যানেটিয়েরে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মেয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। হেইডেন ছিলেন অসাধারণ প্রাণশক্তির অধিকারী একজন মানুষ, যিনি তাঁর পরিচিত মানুষ এবং পর্দায় তাঁকে দেখা কোটি দর্শকের জীবনে ভালোবাসা ও আনন্দ ছড়িয়ে দিয়েছেন। এ কঠিন সময়ে পরিবারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধও জানান তিনি। মাত্র ১১ মাস বয়সে অভিনয়ে যাত্রা ১৯৮৯ সালে জন্ম নেওয়া হেইডেন খুব অল্প বয়সেই অভিনয়ে পা রাখেন। মাত্র ১১ মাস বয়সে একটি খেলনার বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর পর্দায় অভিষেক হয়। - [ভ্রমণে হালকা ব্যাগ? না, বরং বেশি করে সঙ্গে নিন!](https://sarakhon.com/news/184626/): ভ্রমণে বেরিয়ে মাত্র একটি দাঁত মাজার ব্রাশ, একটি যন্ত্র, প্রযুক্তিনির্ভর কাপড়ের একখানা সাদা টি-শার্ট আর কুসুম গরম পানীয়ের একটি প্যাকেট নিয়ে রওনা হওয়ার ধারণা লেখক ম্যাক্স ওলেস্কারের কাছে একেবারেই আকর্ষণীয় নয়। তাঁর মতে, ভ্রমণের প্রস্তুতি কখনোই কত কম ওজন বহন করা যায়—এই হিসাব কষার নিরস ও কষ্টকর আয়োজন হওয়া উচিত নয়। বরং ব্যাগ গোছানোই হতে পারে আসন্ন অভিযানের প্রথম আনন্দ। সম্প্রতি এডিনবরার শিল্প-উৎসবে যাওয়ার সময় তিনি নিজের এই দর্শনের বাস্তব প্রয়োগ করেছেন। বহু বছর জুটি হিসেবে কৌতুক পরিবেশনের পর এবার সেখানে প্রথমবারের মতো একক মঞ্চনাটক নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। ফলে তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় জিনিসের সংজ্ঞাটিও বেশ বিস্তৃত—সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত - [আফগান নারীদের পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু অধিকার রক্ষা নয়, ভবিষ্যৎ আফগানিস্তানকে বাঁচিয়ে রাখা](https://sarakhon.com/news/184392/): তালেবান কাবুলের ক্ষমতা দখল করার পাঁচ বছর পূর্ণ করেছে। এই সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো এমনভাবে বদলে দেওয়া হয়েছে যে নারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো নীতির বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রীয় দর্শনে পরিণত হয়েছে। মেয়েদের শিক্ষা বন্ধ, নারীদের কর্মক্ষেত্র থেকে সরিয়ে দেওয়া, জনপরিসরে চলাফেরায় বিধিনিষেধ, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া এবং নাগরিক পরিসর সংকুচিত করার মাধ্যমে তালেবান যে ব্যবস্থা তৈরি করছে, তার লক্ষ্য শুধু বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়—ভবিষ্যৎ আফগান সমাজকেও নিজেদের আদর্শে গড়ে তোলা। কিন্তু এই প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে উঠছে সেই জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকেই, যাদের নিশ্চুপ করে দেওয়াই তালেবানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আফগান নারীরা রাস্তায় - [হোয়াইট হাউসের বিশাল বলরুম নির্মাণে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি চাইলেন ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/184629/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের জন্য নির্মাণাধীন বিশাল নতুন বলরুমের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। নিম্ন আদালতের দুটি রায়ে বলা হয়েছিল, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আইন লঙ্ঘন করছে। প্রকাশ্যে আসা এক আবেদনে ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের কাছে জরুরি নির্দেশ জারির অনুরোধ করেছেন, যাতে চলমান আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই কোনো বিধিনিষেধ ছাড়াই নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা যায়। একটি আপিল আদালতের রায়ে বলরুমটির মাটির ওপরের বেশির ভাগ নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ না করলে ওই নির্দেশ আগামী ২১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। কংগ্রেসের অনুমোদন নিয়ে আইনি বিরোধ বলরুম নির্মাণকে - [ইরান চুক্তির পথে বাধা দিলে ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/184623/): ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, তখন ওমানকে ফের বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর হুমকিতে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওমানকে সরাসরি হুমকি গতকাল এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে তাঁর চুক্তির প্রচেষ্টার পথে ওমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে দেশটিতে ভয়াবহ বোমা হামলা চালানো হবে। এটি ওমানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এমন দ্বিতীয় হুমকি। ওমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কোনো পক্ষ নয়। বরং বহু বছর ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে গোপন যোগাযোগ ও মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে দেশটি। ফলে ওমানকে এমন হুমকি দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের মধ্যেও অস্বস্তি বাড়তে পারে - [এআইয়ের দৌড়ে জৈব অস্ত্রের ভয়: বিপদ আসার আগেই বিশ্বকে কেন প্রস্তুত হতে হবে](https://sarakhon.com/news/184611/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতি এখন আর শুধু প্রযুক্তি, ব্যবসা কিংবা ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনার বিষয় নয়। এর সবচেয়ে গুরুতর দিকগুলোর একটি হলো—এই প্রযুক্তি যদি অপরাধী, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কিংবা রাষ্ট্রীয় শত্রুদের হাতে পড়ে, তাহলে সাইবার হামলার পাশাপাশি জৈব অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও ভয়াবহভাবে সহজ হয়ে উঠতে পারে। সাম্প্রতিক সতর্কবার্তাগুলো বলছে, এই ঝুঁকি ভবিষ্যতের কোনো দূরবর্তী আশঙ্কা নয়; প্রস্তুতির সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। আগস্টে ‘ফাইভ আইজ’—যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সহযোগিতা কাঠামো—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অত্যাধুনিক সাইবার হামলার সম্ভাবনা নিয়ে যে সতর্কতা দিয়েছে, তা বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। এই জোট সাধারণত প্রকাশ্যে খুব কম কথা বলে। তাই যখন তারা জানায় যে - [এলন মাস্কের হস্তক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথের নিরাপত্তা আরও ঝুঁকিতে, পালান্টিরের লাভের সুযোগ](https://sarakhon.com/news/184606/): যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও নিরাপদ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এলন মাস্ক। কিন্তু বাস্তবে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারি দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বড় ধরনের উন্নয়ন তো আনতেই পারেনি, বরং কর্মী ছাঁটাই ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। ৬ আগস্ট মিনেসোটার বিমানপথ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে প্রায় দুই ঘণ্টা রাডার ও যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। এর ফলে নয়টি অঙ্গরাজ্যজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার বর্গমাইল এলাকার আকাশপথে ১ হাজার ১০০টির বেশি ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থায় এমন বিপর্যয় যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ট্রাম্পের হেলিকপ্টার ঘিরে বিপজ্জনক ঘটনা এর মাত্র দুই - [ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার—দাবি যতটা, বাস্তবতা ততটা নয়](https://sarakhon.com/news/184602/): যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি কোন দিকে এগোচ্ছে, তা বোঝা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। কৌশলগত পরিকল্পনা ও নেতাদের বক্তব্যের মধ্যে, আবার সরকারি বক্তব্য ও বাস্তব কর্মকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য থাকা নতুন কিছু নয়। কিন্তু বর্তমানে এই ব্যবধান যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় বেশ ব্যতিক্রমী। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই অঞ্চলকে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ বাড়ানোর কথা বলেছে। কিন্তু সেই কৌশল বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে, তা নিয়ে - [হরমুজ প্রণালিতে টোলের আশঙ্কা, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/184588/): হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের সম্ভাব্য টোল বা সেবামূল্য আর শুধু একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বিষয় হিসেবে থাকছে না। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই প্রথা চালু হলে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতেও একই ধরনের অর্থ আদায়ের দাবি উঠতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক সমুদ্রবাণিজ্যের দীর্ঘদিনের অবাধ চলাচলের ধারণা দুর্বল হয়ে পড়বে, বাড়বে পরিবহন ব্যয় এবং বিশ্বজুড়ে পণ্যের দামও আরও বেড়ে যেতে পারে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য ইরান কোনো না কোনো ধরনের অর্থ আদায়ের কাঠামো চালুর দাবি জানিয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রও এই দাবি ঠেকাতে ক্রমেই সীমিত সক্ষমতার মুখে পড়ছে বলে মনে হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে ভবিষ্যতে নিয়মিত অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা চালু হতে পারে—এমন - [টোকিওর অফিসে ফিরছে কর্মীরা, বৈশ্বিক বড় শহরগুলোর মধ্যে শূন্যপদ সর্বনিম্ন](https://sarakhon.com/news/184597/): জাপানের রাজধানী টোকিওতে অফিসের চাহিদা মহামারির আগের স্বাভাবিক ধারায় দ্রুত ফিরছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে শহরটির অফিস ভবনে খালি জায়গার হার নেমে এসেছে মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশে। বড় বৈশ্বিক শহরগুলোর মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পর্যায়ের একটি। জাপানে কর্মীদের আবার নিয়মিত কর্মস্থলে ফেরার প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোও সরাসরি উপস্থিত থেকে কাজ করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সহকর্মীদের সঙ্গে মুখোমুখি যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা টোকিওর অফিস বাজারে চাহিদা বাড়ানোর অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। কর্মস্থলে ফেরার প্রবণতা বাড়ছে মহামারির পর বিশ্বের অনেক শহরে ঘরে বসে কাজ করার প্রবণতা অফিসের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু টোকিওর চিত্র এখন ভিন্ন। প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের আবার অফিসে ফিরিয়ে আনায় দাপ্তরিক জায়গার ব্যবহার - [‘নো সারপ্রাইজেস আইন’ই কি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যয় বাড়াচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/184594/): ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর হওয়া ‘নো সারপ্রাইজেস আইন’ ছিল সাধারণ রোগীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির পদক্ষেপ। জরুরি চিকিৎসা নিতে গিয়ে চিকিৎসাসেবার কোনো অংশ বীমার আওতার বাইরে থাকায় যে অপ্রত্যাশিত বিপুল বিলের মুখোমুখি হতে হতো, এই আইন সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। কিন্তু চার বছর পর দেখা যাচ্ছে, রোগীকে আকস্মিক চিকিৎসা বিল থেকে রক্ষা করার এই ব্যবস্থাই উল্টো পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার খরচ বাড়িয়ে দিতে পারে। যে সমস্যা সমাধানের জন্য আইনটি করা হয়েছিল ধরা যাক, একজন বীমাধারী রোগী পা ভেঙে জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে গেলেন। চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত বেশির ভাগ সেবাদাতা তার বীমার আওতায় থাকলেও একজন চিকিৎসক যদি বীমা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কের বাইরে থাকেন, - [নিজের মতো করে সিনেমার পুরোনো ঘরানা বদলাচ্ছেন দুই নারী নির্মাতা](https://sarakhon.com/news/184591/): সিনেমার বহু পরিচিত গল্প ও ঘরানা দীর্ঘদিন ধরে পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। তবে সেই চেনা কাঠামোকেই নিজেদের অভিজ্ঞতা, বন্ধুত্ব ও জীবনবোধ দিয়ে নতুনভাবে সাজাচ্ছেন নির্মাতা শাতারা মিশেল ফোর্ড ও ডিলান মেয়ার। তাঁদের নতুন দুই চলচ্চিত্রে পুরোনো গল্পের ভেতর ঢুকে পড়েছে নারীর নিজস্বতা, বন্ধুত্ব, পরিচয় ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা। পথের গল্প, তবে একেবারে অন্যভাবে শাতারা মিশেল ফোর্ডের দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ড্রিমস ইন নাইটমেয়ার্স’কে শুধু পথভ্রমণের চলচ্চিত্র হিসেবে দেখাতে চান না নির্মাতা। তাঁর মতে, এটি অবশ্যই পথভ্রমণের গল্প, তবে এমন এক নতুন ধরনের গল্প, যেখানে বহু পুরোনো ধারণাকে উল্টে দেওয়া হয়েছে। চলচ্চিত্রটিতে তিন দীর্ঘদিনের সমকামী নারী বন্ধু তাদের চতুর্থ বন্ধুকে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিভাষায় ইংরেজি বাদ দিতে চায় চীন, লক্ষ্য প্রযুক্তিতে ‘ভাষার ক্ষমতা’ বাড়ানো](https://sarakhon.com/news/184587/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কথা বলার সময় প্রচলিত ইংরেজি শব্দ ব্যবহার বন্ধ করে সেগুলোর বদলে মানসম্মত চীনা পরিভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। দেশটির প্রযুক্তি খাতে নিজেদের ভাষার প্রভাব বাড়ানো এবং বিশ্ব প্রযুক্তি আলোচনায় চীনের অবস্থান শক্তিশালী করাই এর অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। ইংরেজি পরিভাষা নিয়ে আপত্তি কেন চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি-সংক্রান্ত নানা ইংরেজি শব্দও সাধারণ মানুষের কথাবার্তায় ঢুকে পড়েছে। এর মধ্যে ‘এজেন্ট’ এবং ‘এলএলএম’-এর মতো শব্দও রয়েছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র পিপলস ডেইলিতে প্রকাশিত এক মন্তব্যে বলা হয়েছে, বিদেশি পরিভাষার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের মধ্যে এক ধরনের ‘চিন্তাগত নির্ভরশীলতা’ তৈরি করতে পারে। এর - [উদ্ভাবনই ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মূল শক্তি, প্রযুক্তিতে নতুন যুগের পথে চীন](https://sarakhon.com/news/184572/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সবুজ রূপান্তর ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর নতুন যুগে প্রবেশ করছে বিশ্ব। এই পরিবর্তনের সময়ে ভবিষ্যৎকে যারা নেতৃত্ব দেবে, তাদের অন্যতম প্রধান শক্তি হবে উদ্ভাবন। দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কৌশলের অংশ হিসেবে উদ্ভাবনকে সামনে রেখে শিল্পের আধুনিকায়ন, সবুজ উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার পথে রয়েছে চীন। চীনের উদ্ভাবনভিত্তিক উন্নয়ন কৌশল চায়না টুডের বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের উদ্ভাবনী পরিবেশ থেকে শুরু করে শিয়ংআনের ‘ভবিষ্যৎ নগর’ মডেল, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর উৎপাদন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে বাস্তব প্রয়োগে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে চীন। এর মাধ্যমে দেশটি শিল্পের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতার পাশাপাশি ভবিষ্যৎমুখী উন্নয়নের ভিত্তি শক্ত করছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৬ সালের - [তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই জলবায়ু সংকট মোকাবিলার বিরোধিতা, তীব্র সমালোচনায় রিচার্ড টাইস](https://sarakhon.com/news/184578/): যুক্তরাজ্যে একের পর এক ভয়াবহ দাবানল, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা এবং হাজারো মানুষের মৃত্যুর মধ্যেই জলবায়ু সংকট মোকাবিলার উদ্যোগকে ‘অহংকারপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সংস্কারবাদী দলের উপনেতা রিচার্ড টাইস। তাঁর মন্তব্যের পর চিকিৎসক, নার্স, পরিবেশকর্মী ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। টাইস সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন থামানোর চেষ্টা করার চেয়ে এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তাঁর দাবি, কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার নীতি জলবায়ু পরিবর্তন বন্ধ করতে পারবে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। তিনি বলেন, জলবায়ু সব সময়ই পরিবর্তিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। তাই এই পরিবর্তন পুরোপুরি থামানো সম্ভব বলে মনে করা অহংকারের শামিল। - [২৪ বছর বয়সে স্ট্রোক, এবার ঘুমের শ্বাসকষ্ট শনাক্তে ৭৫ মিলিয়ন ডলারের স্মার্ট আংটি](https://sarakhon.com/news/184575/): ২৪ বছর বয়সে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই নতুন উদ্যোগের ভাবনা। সেই ভাবনাকে ভিত্তি করে ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট বা নিদ্রাজনিত শ্বাসরোধ শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর স্মার্ট আংটি তৈরি করেছে স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হ্যাপি হেলথ। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি ৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই উদ্যোগ হ্যাপি হেলথের চিকিৎসক প্রতিষ্ঠাতা ডাস্টিন ফ্রেকলটনের জীবনে মাত্র ২৪ বছর বয়সেই স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে। সেই অভিজ্ঞতা তাকে স্বাস্থ্যঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি স্মার্ট আংটির লক্ষ্য হলো ঘুমের সময় মানুষের শারীরিক বিভিন্ন সংকেত পর্যবেক্ষণ করে নিদ্রাজনিত শ্বাসরোধের মতো সমস্যার সম্ভাব্য লক্ষণ শনাক্ত করা। প্রচলিত ঘুম পরীক্ষা যেখানে - [চীনের এআই অবকাঠামোর শক্তি, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতায় বড় ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/184569/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টার ও এআই ক্লাস্টারে ব্যবহৃত অপটিক্যাল মডিউলের চাহিদা বাড়ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি  উৎপাদনে চীন এখন বৈশ্বিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি অপটিক্যাল মডিউল নির্মাতার সাতটিই চীনা কোম্পানি। দ্রুতগতির ৮০০জি ও তার বেশি ক্ষমতার মডিউল বাজারে শীর্ষ দুই প্রতিষ্ঠান ঝোংজি ইনোলাইট ও ইওপ্টোলিংক মিলেই ৬০ শতাংশের বেশি বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে বাজার ট্রেন্ডফোর্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে ৪০০জি ও তার বেশি ক্ষমতার ট্রান্সসিভারের চালান ২ কোটি ইউনিট ছাড়িয়ে যায়, যা আগের বছরের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ৮০০জি ও তার বেশি ক্ষমতার পণ্য মোট চালানের - [উত্তর কোরিয়া শক্তিশালী, কমছে মার্কিন সমর্থন: নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতায় দক্ষিণ কোরিয়া](https://sarakhon.com/news/184552/): রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে উত্তর কোরিয়া যখন নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, তখন দক্ষিণ কোরিয়া ক্রমেই নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, রাশিয়ার সামরিক অভিযানে সহায়তার জন্য উত্তর কোরিয়া আরও ৫০ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে সিউল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। উত্তর কোরিয়া-রাশিয়া সামরিক জোট আরও গভীর ২০২৪ সালের জুনে পিয়ংইয়ং ও মস্কো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। এর কয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় ১৫ হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিক রাশিয়ায় মোতায়েন হয়। তাদের মধ্যে নির্মাণকর্মী, সরবরাহ ও লজিস্টিকস কর্মী, ক্ষেপণাস্ত্র অপারেটর, প্রকৌশলী - [ইরানে জটিলতা, ফের কিমের দিকে ট্রাম্প: উত্তর কোরিয়া নীতি নিয়ে উঠছে পুরোনো ব্যর্থতার শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/184565/): ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে জটিলতার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন। সাত বছর আগে কিমের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধে সফল হতে পারেননি ট্রাম্প। এবারও একই ধরনের কূটনৈতিক ব্যর্থতা ঘটতে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে তিন দফা মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল। সে সময় দুই নেতা নিজেদের মধ্যে ‘দারুণ সম্পর্ক’ গড়ে উঠেছে বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ হয়নি। বরং পরবর্তী সময়ে দেশটি অস্ত্র কর্মসূচি আরও জোরদার করে। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার হাতে এখন প্রায় - [ইরান যুদ্ধের ৬০ দিন: শান্তির চুক্তি ভেস্তে, হরমুজে অচলাবস্থায় ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/184562/): ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামিয়ে কূটনৈতিক সমঝোতার পথে যাওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ ৬০ দিনের মাথায় বড় ধরনের অচলাবস্থায় পড়েছে। দুই মাস আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশে বসে ভার্সাই প্রাসাদে এক জমকালো নৈশভোজে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অবসানের সূচনা হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত দুই মাসের সময়সীমা শেষ হলেও যুদ্ধ থামেনি, হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরুই হয়নি। চুক্তির প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাচ্ছে ওয়াশিংটন হোয়াইট হাউস শুরুতে ওই সমঝোতাকে ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরে বলেছিল, এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে এবং ইরান কখনো পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে পারবে - [চীনজুড়ে পরিযায়ী পাখির নিরাপদ আশ্রয়, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সংরক্ষণে নতুন দৃষ্টান্ত](https://sarakhon.com/news/184559/): প্রতি বছর লাখো পরিযায়ী পাখি প্রজনন ও শীতকালীন আবাসস্থলের মধ্যে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়। ঝড়, খাদ্যসংকট ও মানবসৃষ্ট নানা হুমকি মোকাবিলা করে তাদের এই দীর্ঘ যাত্রার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ইস্ট এশিয়ান-অস্ট্রেলেশিয়ান ফ্লাইওয়ে। আলাস্কা ও রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই পরিযায়ী পথের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা চীন পাখিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিশ্রাম ও খাদ্য সংগ্রহের স্থান হিসেবে কাজ করছে। শহরের মাঝেও নিরাপদ আশ্রয় দক্ষিণ চীনের শেনঝেন উপসাগরের কাছে গুয়াংডং নিলিংডিং-ফুতিয়ান জাতীয় প্রকৃতি সংরক্ষণ এলাকায় ম্যানগ্রোভ বন ও জোয়ার-ভাটার কাদামাটির বিস্তীর্ণ অঞ্চল রয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকার মধ্যেও এই জলাভূমি পরিযায়ী পাখিদের শীতকালীন আবাস ও যাত্রাবিরতির গুরুত্বপূর্ণ স্থান - [ভারতে ডিগ্রির দৌড়ে ঋণের বোঝা, চাকরির সংকটে তরুণদের ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/184555/): ভারতে উচ্চশিক্ষার দ্রুত সম্প্রসারণ তরুণদের জন্য ভালো চাকরির নিশ্চয়তা তৈরি করতে পারছে না। বরং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পরিবারের সঞ্চয় শেষ করা এবং ব্যাংকঋণ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থীর জন্য পরিণত হচ্ছে ঋণ ও হতাশার বোঝায়। নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডার পাঁচটি নলেজ পার্ককে ঘিরে গড়ে ওঠা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। গত এক দশকে এসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তার ঘটলেও স্নাতকদের জন্য ভালো বেতনের চাকরির সংখ্যা সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে ডিগ্রি অর্জনের পর কর্মসংস্থানের বদলে অনেকের সামনে দাঁড়াচ্ছে ঋণ পরিশোধের কঠিন বাস্তবতা। উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিস্তার ভারতের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন সীমিত এবং প্রতিযোগিতা অত্যন্ত তীব্র। দেশটিতে প্রায় ৫৫০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও মাত্র প্রায় - [এক সুগন্ধি থেকে পুরো ‘সুগন্ধির পোশাক’: নতুন পথে কিলিয়ান প্যারিস](https://sarakhon.com/news/184531/): একটি সুগন্ধি দিয়েই নিজের পরিচিতি তৈরি করার সময় যেন শেষ হয়ে আসছে। এখন ক্রেতারা একটিমাত্র প্রিয় সুগন্ধির বদলে ভিন্ন ভিন্ন সময়, অনুভূতি ও অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা সুগন্ধি রাখতে চাইছেন। এই পরিবর্তনকেই ব্যবসার নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছে বিলাসবহুল সুগন্ধি প্রতিষ্ঠান কিলিয়ান প্যারিস। প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে পরিচিত সুগন্ধিগুলোর একটি ‘অ্যাঞ্জেলস শেয়ার’। মদের স্বাদ ও ঘ্রাণের সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। প্রথমে এটি কগনাকভিত্তিক উষ্ণ অনুভূতি তৈরি করে, পরে কাঠ, দারুচিনি ও টঙ্কা বিনের ঘ্রাণ সামনে আসে। কিলিয়ান হেনেসির কাছে এটি শুধু একটি সফল পণ্য নয়, বরং তাঁর সবচেয়ে ব্যক্তিগত সৃষ্টি। জনপ্রিয় সুগন্ধিকে ঘিরে নতুন জগৎ ২০০৭ সালে কিলিয়ান প্যারিস যাত্রা শুরু করলেও ‘অ্যাঞ্জেলস শেয়ার’ - [হরমুজ প্রণালি খুলতে তেহরান-মাসকাট সমঝোতা, উত্তেজনা কমাতে মিসর-ওমানের কূটনৈতিক তৎপরতা](https://sarakhon.com/news/184545/): হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার সম্ভাব্য তেহরান-মাসকাট সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করেছেন মিসর ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ফোনালাপে দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিক হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা, নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তাঁদের মতে, এই জলপথে অবাধ ও নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা গেলে উত্তেজনা প্রশমিত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার আওতায় আবারও আলোচনা শুরুর পরিবেশ তৈরি হতে পারে। টেকসই সমঝোতার পথে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দুই মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে - [ইদলিবে সিরিয়ার সামরিক বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলের ৮ দফা হামলা, বাড়ছে তুরস্ক-ইসরায়েল উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/184542/): সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশের আবু দুহুর সামরিক বিমানঘাঁটির রানওয়েতে আট দফা হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ভোরে চালানো এসব হামলায় বিমানঘাঁটির অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সিরিয়ার একটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান বিমানঘাঁটির রানওয়েকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকা ঘাঁটিটি বর্তমানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাহিনী পাহারা দিচ্ছে। তুরস্কের সামরিক প্রতিনিধিদলের সফরের পর হামলা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল সফর করেছিল। ঘাঁটিটি পুনরায় চালুর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ওই সফর হয়েছিল বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থাটি। এর কয়েক দিনের - [পৃথিবীর গভীরে তিন গোপন অঞ্চল, পূর্ব আফ্রিকার আগ্নেয়গিরির উৎসের সন্ধান](https://sarakhon.com/news/184539/): পূর্ব আফ্রিকা ও মধ্য ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বহু সক্রিয় ও প্রাচীন আগ্নেয়গিরিকে বাইরে থেকে বিচ্ছিন্ন মনে হলেও এগুলোর উৎস পৃথিবীর অনেক গভীরে একই ধরনের ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। নতুন এক গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে, এসব আগ্নেয়গিরির পেছনে পৃথিবীর ম্যান্টলের গভীরে থাকা অন্তত তিনটি পৃথক অঞ্চল ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণাটি সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা ভূমিকম্পের তরঙ্গ ব্যবহার করে পৃথিবীর অভ্যন্তরের ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরির পদ্ধতি এবং আগ্নেয়শিলার রাসায়নিক বিশ্লেষণ—এই দুই ধরনের তথ্য একত্র করেছেন। ভূমিকম্পের তরঙ্গকে অনেকটা চিকিৎসাবিজ্ঞানের সিটি স্ক্যানের মতো ব্যবহার করে পৃথিবীর গভীরের গঠন শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, লাভা ভূ-পৃষ্ঠে উঠে আসার সময় গভীরের যে উপাদানের চিহ্ন বহন করে, - [সবার জন্য রেলসেবা: প্রতিবন্ধীবান্ধব ব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/184523/): রেলস্টেশনে সবার জন্য নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি যাত্রীসেবার মৌলিক অধিকার। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও সহায়তা প্রয়োজন এমন যাত্রীরা এখনো স্টেশনের ভৌত প্রতিবন্ধকতা, প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডিজিটাল সেবা ব্যবহারে জটিলতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সহযোগিতা ও সচেতনতার ঘাটতির কারণে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৮ আগস্ট রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সবার জন্য সহজপ্রাপ্যতা: বাংলাদেশ রেলওয়ে’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব বিষয় উঠে আসে। রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও ব্র্যাক যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করে। এতে রেলস্টেশনের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনার পাশাপাশি নীতিগত সংস্কার, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং সেবার মান নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্বাধীনভাবে পুরো যাত্রার সুযোগ প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথের - [দাবায়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে মিসরের কড়া জবাব, ‘প্রতিবেদনে বাস্তবতা বিকৃত’](https://sarakhon.com/news/184526/): মিসরের এল দাবায়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে নিরাপত্তা ঘাটতি ও প্রকৌশলগত ত্রুটির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টস অথরিটি (এনপিপিএ)। পলিটিকোর একটি সমালোচনামূলক প্রতিবেদনের জবাবে সংস্থাটি বলেছে, নির্মাণকাজের বাস্তবতা যথাযথ কারিগরি প্রেক্ষাপট ছাড়া উপস্থাপন করায় প্রকল্পটি নিয়ে অযথা ঝুঁকির ধারণা তৈরি হয়েছে। এনপিপিএর দাবি, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে স্বাভাবিক প্রকৌশলগত পর্যবেক্ষণ বা ছোটখাটো অসঙ্গতিকে সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে আলাদা করে দেখানো বিভ্রান্তিকর। একই সঙ্গে জটিল ভূরাজনৈতিক বিষয়কে পারমাণবিক স্থাপনার নির্দিষ্ট প্রকৌশল মানদণ্ডের সঙ্গে মিশিয়ে দেখানোরও সমালোচনা করেছে কর্তৃপক্ষ। কঠোর তদারকিতে নির্মাণকাজ প্রতিবেদন প্রকাশের আগে মিসরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও রুশ রাষ্ট্রীয় ঠিকাদারকে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রশ্ন পাঠানো হয়েছিল। এনপিপিএর ভাষ্য, প্রশ্নগুলো একপেশে - [প্রযুক্তির পর্দায় যুদ্ধের স্মৃতি: ইতিহাস কি অভিজ্ঞতা, নাকি পণ্য?](https://sarakhon.com/news/184518/): যুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের ধারণা বদলে যাচ্ছে। একসময় ইতিহাসের ভয়াবহতা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছাত প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য, ছবি, দলিল, স্মৃতিসৌধ ও বইয়ের মাধ্যমে। এখন সেই জায়গায় দ্রুত প্রবেশ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং নানা ধরনের ডিজিটাল প্রযুক্তি। প্রযুক্তি নিঃসন্দেহে অতীতকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ তৈরি করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—ইতিহাসকে আরও জীবন্ত করে তোলার এই প্রচেষ্টা কি একই সঙ্গে তাকে আরও সরল, বাণিজ্যিক কিংবা নিয়ন্ত্রিত করে তুলছে? হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলার স্মৃতি এ প্রশ্নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলোর একটি। শহরের পর্যটন প্রচারে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অভিজ্ঞতার ব্যবহার দেখায়, কীভাবে একসময়কার অকল্পনীয় মানবিক বিপর্যয় এখন প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনর্নির্মিত হচ্ছে। দর্শক একটি যন্ত্র চোখে লাগিয়ে আগুন, ধ্বংস ও - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আকাশের ‘দাগ’ এড়িয়ে উড়বে বিমান, কমতে পারে জলবায়ু উষ্ণতা](https://sarakhon.com/news/184506/): আকাশে উড়ে যাওয়া বিমানের পেছনে দেখা সাদা রেখাগুলোকে অনেকেই সাধারণ ধোঁয়া বলে মনে করেন। কিন্তু এসব রেখা বা ঘনীভূত বাষ্পপথ কখনও কখনও পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এবার সেই সমস্যা কমাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিমান চলাচলের পথ সামান্য পরিবর্তনের পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় শনাক্ত হবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে ৩০ মাসের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে শনাক্ত করা হবে, আকাশের কোন এলাকায় বিমানের পেছনে দীর্ঘস্থায়ী বাষ্পপথ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন ব্লু স্কাইস’। এতে গুগল, যুক্তরাজ্য সরকার, আবহাওয়া দপ্তর, বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা যুক্ত রয়েছেন। পরীক্ষাটি উত্তর আটলান্টিকের - [হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ ইমরান খানকে, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ](https://sarakhon.com/news/184514/): পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার তাঁর আইনজীবীদের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন। দুই দিনের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শহীদ ওয়াহিদ জানিয়েছেন, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানকে আগামী দুই দিনের মধ্যে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হবে। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা। ২০২৩ সাল থেকে দুর্নীতির মামলায় কারাগারে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। গত বছরের শেষ দিকে ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রীকে পৃথক মামলায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি নিয়েও উদ্বেগ - [বিশ্বে মাত্র ৪০ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে রয়েছে মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধা](https://sarakhon.com/news/184510/): বিশ্বের স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রগুলোর স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জাতিসংঘের নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে মাত্র ১০টি স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রের মধ্যে ৪টিতে রোগী ও কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধা রয়েছে। অন্যদিকে, ১১ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে কোনো ধরনের স্যানিটেশন সেবাই নেই। কোটি কোটি মানুষ স্যানিটেশন সুবিধার বাইরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের শিশু তহবিলের যৌথ প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধার বৈশ্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৫ সালের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনে ৭০টি দেশের উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় এমন শৌচাগারকে ধরা হয়েছে, যা রোগী ও কর্মীদের ব্যবহার উপযোগী। এর মধ্যে কর্মীদের জন্য অন্তত একটি পৃথক শৌচাগার, নারী ও - [৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের পথে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, প্রত্যাশার আগেই বাড়ছে ঋণের বোঝা](https://sarakhon.com/news/184494/): যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ এই সপ্তাহেই ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আগের পূর্বাভাসের তুলনায় কয়েক মাস আগেই এই সীমায় পৌঁছানোর পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাতিল হওয়া শুল্ক থেকে সম্ভাব্য শত শত কোটি ডলারের রাজস্ব হারানো। রাজস্ব ঘাটতি পূরণে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগকে দ্রুতগতিতে ঋণ নিতে হচ্ছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট সোমবার ট্রেজারি বিভাগের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের মোট জাতীয় ঋণ ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মাত্র ছয় মাস আগে নির্দলীয় কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস বা সিবিও চলতি অর্থবছরে ঋণ ৩৯.৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ঋণ নেওয়ার গতি সেই হিসাবকে ছাড়িয়ে গেছে। ঋণসীমাতেও দ্রুত পৌঁছানোর শঙ্কা ঋণ বৃদ্ধির এই - [জাতিগণনা নিয়ে মোদি সরকারকে নিশানা, ২০২৭ সালের জনগণনায় ‘কারসাজির’ অভিযোগ কংগ্রেসের](https://sarakhon.com/news/184500/): ভারতে প্রস্তাবিত জাতিগণনা নিয়ে আবারও রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও যোগাযোগ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেছেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে জাতিগণনার প্রক্রিয়াকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। তাঁর প্রশ্ন, ২০২৭ সালের জনগণনায় জাতি শনাক্তকরণের জন্য ‘ড্রপডাউন মেনু’ রাখা হচ্ছে না কেন, অথচ ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া সরকারি হলফনামাতেই এমন একটি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছিল। ২০২১ সালের হলফনামা ঘিরে প্রশ্ন জয়রাম রমেশ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে সুপ্রিম কোর্টে মোদি সরকারের জমা দেওয়া হলফনামার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। ওই হলফনামায় সরকার জাতিগণনার দাবির বিরোধিতা করলেও জাতিগুলোর একটি মানসম্মত তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয়তার - [গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫](https://sarakhon.com/news/184497/): গোপালগঞ্জের বৌলতলী এলাকায় বাস ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন। মঙ্গলবার বিকেলে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের সদর উপজেলার বৌলতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার বিবরণ বৌলতলী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক শফিউল আলম জানান, মাদারীপুরগামী সোনালী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বালুবাহী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত হন বাসে থাকা আরও ২৫ জন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয় এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ - [ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-ভ্যান্স দ্বন্দ্ব, গ্যাসের দামেই চাপ রিপাবলিকান শিবিরে](https://sarakhon.com/news/184491/): ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অবস্থানে সূক্ষ্ম পার্থক্য সামনে এসেছে। ভ্যান্স যেখানে ইরান নীতিতে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখার কথা বলেছেন, সেখানে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানোই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। গ্যাসের দাম বনাম পারমাণবিক হুমকি ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরান ইস্যুতে প্রশাসনের প্রথম লক্ষ্য হলো আমেরিকানদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম সাশ্রয়ী রাখা। এরপরের লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। কিন্তু সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, তাঁর ‘নম্বর ওয়ান গোল’ সবসময়ই থাকবে—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না। এই ভিন্ন অগ্রাধিকার এমন এক - [‘বাংলাদেশে আদিবাসী নেই’ বক্তব্যের প্রতিবাদ, দুই মন্ত্রীর মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি](https://sarakhon.com/news/184480/): বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী জনগোষ্ঠী নেই—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিকর্মীসহ ৪৪ জন নাগরিক। গত ১১ আগস্ট ঢাকায় ‘বাংলাদেশের জন্য আদিবাসী পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় দেওয়া দুই মন্ত্রীর বক্তব্যের পর এই প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয় অস্বীকার করা শুধু অনভিপ্রেত নয়, এটি তাদের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকারের জন্যও হুমকি তৈরি করতে পারে। আদিবাসী পরিচয় ও বাংলাদেশি নাগরিকত্ব পরস্পরবিরোধী নয় নাগরিকদের বক্তব্যে বলা হয়, বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্যরা একই সঙ্গে বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিজ নিজ স্বতন্ত্র আদিবাসী - [যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইন সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করার আহ্বান চীনের](https://sarakhon.com/news/184487/): যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনের মধ্যে স্বাভাবিক সহযোগিতায় চীনের আপত্তি নেই। তবে এ ধরনের সহযোগিতা যেন কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে পরিচালিত না হয় কিংবা তৃতীয় কোনো দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না করে—এমন অবস্থান জানিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এ কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের নতুন উদ্যোগ চীনের এ অবস্থান এসেছে ফিলিপাইনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সাম্প্রতিক একটি উদ্যোগের পর। কয়েক দিন আগে দূতাবাস জানায়, ফিলিপাইনের পালাওয়ান এলাকায় স্থানীয় জেলেদের সন্দেহজনক অবৈধ মাছ ধরার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রতিবেদন জানানোর সুযোগ করে দিতে একটি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে লিন জিয়ান বলেন, চীন সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলো সম্পর্কে অবগত হয়েছে এবং - [ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা দিবসের আগে বিরল জাভান হক-ঈগলের জন্ম, নাম ‘গারুদা’](https://sarakhon.com/news/184484/): ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপনের আগে দেশটির সংরক্ষণ উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে এক বিশেষ সুখবর। পশ্চিম জাভার বোগোর রিজেন্সির সিসারুয়া এলাকায় ইন্দোনেশিয়ান সাফারি পার্কে (টিএসআই) বিরল জাভান হক-ঈগলের একটি বাচ্চা ডিম ফুটে বের হয়েছে। দেশটির জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এই পাখিটির নবজাতকটির নাম রাখা হয়েছে ‘গারুদা’। ১৬ জুন জন্ম নেওয়া বাচ্চাটি পুরুষ জাভান হক-ঈগল হানুম এবং স্ত্রী রিসকার সন্তান। ইন্দোনেশিয়ান সাফারি পার্কের বোগোর শাখার প্রতিষ্ঠাতা জ্যানসেন মানানসাং নবজাতকটির নাম ‘গারুদা’ রাখেন। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠার নতুন দৃষ্টান্ত টিএসআইয়ের বোগোর শাখায় বর্তমানে ১৫ থেকে ২০টি জাভান হক-ঈগল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি পাখিকে ইতোমধ্যে বন্য পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সংরক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই প্রজনন - [পারমাণবিক বোমার জন্মের মধ্যেই ছিল তার ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/184481/): ১৯৪৫ সালের আগস্টের সেই সকালগুলোর কথা ভাবলে ইতিহাসের একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে—হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের সিদ্ধান্তটি কি অন্যভাবে নেওয়া যেত? যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার যুক্তির বাইরে কি এমন কোনো পথ ছিল, যেখানে নতুন এই ভয়াবহ অস্ত্রের শক্তি প্রদর্শন করা যেত, কিন্তু বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবন ধ্বংস করতে হতো না? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সামনে আসে ‘ফ্র্যাঙ্ক রিপোর্ট’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন ম্যানহাটন প্রকল্পে কাজ করা কয়েকজন বিজ্ঞানীই এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি শুধু মানবিক বিবেচনায় সীমাবদ্ধ ছিল না; তাঁরা ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণের - [হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা ৯১৮](https://sarakhon.com/news/184475/): হামসদৃশ উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে হাম-সম্পর্কিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১৮ জনে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে মারা যাওয়া তিনজনের মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১৯। অন্যদিকে, পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। সন্দেহভাজন আক্রান্তে নতুন করে হাজারের বেশি রোগী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২ জনের খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে চলতি - [বনালু উৎসবে অংশ নিয়ে মুসলিম পরিচয়ে কটাক্ষ, কান্নায় ভেঙে পড়লেন ফারিয়া আবদুল্লাহ](https://sarakhon.com/news/184472/): হায়দরাবাদে বনালু উৎসবে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র কটাক্ষের শিকার হয়েছেন তেলুগু অভিনেত্রী ফারিয়া আবদুল্লাহ। মুসলিম হয়েও হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেওয়ার কারণে তাকে নানা ধরনের মন্তব্য ও বিদ্বেষের মুখে পড়তে হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তবে যারা তাকে আক্রমণ করেছেন, তাদের প্রতিও ভালোবাসা ও শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি। বনালু উৎসবে অংশ নিয়ে কটাক্ষ গত সপ্তাহে হায়দরাবাদের ওল্ড সিটির মিরালাম মান্ডির শ্রী মহাকালেশ্বর মন্দিরে বনালু উৎসবের সমাপনী আয়োজনে অংশ নেন ফারিয়া। উৎসবে তাকে প্রাণখুলে নাচতে এবং দেবীর উদ্দেশে ঐতিহ্যবাহী ‘বোনাম’ নিবেদন করতে দেখা যায়। তার সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক - [মন্ত্রীদের সন্তান সরকারি স্কুলে পড়ুক, দাবি ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতার](https://sarakhon.com/news/184469/): ভারতের সরকারি স্কুলের মান ও অবকাঠামো নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তাঁর দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত মন্ত্রী, কর্মকর্তা, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকরা নিজেদের সন্তানদের সরকারি স্কুলে ভর্তি করালে এসব প্রতিষ্ঠানের চিত্র দ্রুত বদলে যাবে। মঙ্গলবার এক পোস্টে দিপকে বলেন, শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত সবাই যদি নিজেদের সন্তানকে সরকারি স্কুলে পড়ান, তাহলে স্কুলগুলোর অবস্থা কত দ্রুত উন্নত হয়, সেটি দেখা যাবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সরকারি কর্মকর্তারা কেন নিজেদের সন্তানদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করান—তারা কি নিজেদের কাজের ওপরই আস্থা রাখেন না? সরকারি স্কুলের দুরবস্থা তুলে ধরতে অভিযান সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা সামনে - [স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ত্রিশা, বিজয়কে ডিএমকের মুখপত্রের কড়া আক্রমণ](https://sarakhon.com/news/184466/): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা সি জোসেফ বিজয়ের সঙ্গে অভিনেত্রী ত্রিশা কৃষ্ণনের প্রকাশ্য উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ত্রিশার উপস্থিতি এবং অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে বসে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার সালাম বিনিময় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগম (ডিএমকে)-প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র ‘মুরাসোলি’। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পত্রিকাটি প্রশ্ন তোলে, সরকারি স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ত্রিশার এমন উপস্থিতি কতটা যথাযথ। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজয়কে যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের অনেকের কাছেই অভিনেত্রীকে সামনের সারিতে বসানো এবং দুজনের পরস্পরকে সালাম জানানোর দৃশ্য গ্রহণযোগ্য হয়নি। পত্রিকাটি আরও দাবি করে, বিষয়টিকে সম্মানের প্রশ্ন হিসেবে দেখিয়ে কেউ এটিকে সমর্থন করতে পারেন, কিন্তু এমন আচরণ নিয়ে - [ঝু রংজি: চীনের অর্থনৈতিক উত্থানের নেপথ্যের সেই কঠোর কারিগর](https://sarakhon.com/news/184389/): চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি ১২ আগস্ট ৯৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে শুধু একজন প্রবীণ রাষ্ট্রনায়কের বিদায় ঘটেনি; শেষ হয়েছে চীনের অর্থনৈতিক রূপান্তরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়েরও। গত কয়েক দশকে সস্তা ও বিপুল পণ্যের যে সরবরাহে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে, তার পেছনে যে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন কাজ করেছে, ঝু রংজি ছিলেন তার অন্যতম প্রধান নির্মাতা। তাঁকে সাধারণত একজন কঠোর, হিসাবনির্ভর ও দক্ষ প্রযুক্তিবিদ হিসেবে স্মরণ করা হয়। কিন্তু এই পরিচয় তাঁর ব্যক্তিত্বের পুরোটা প্রকাশ করে না। তাঁর মধ্যে ছিল মানুষের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ, নতুন কিছু বোঝার অদম্য কৌতূহল এবং দেশের পরিবর্তনের জন্য অসাধারণ ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা। - [বেলুচিস্তানের ২৪৫ মিলিয়ন ডলারের বন্যা প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অসন্তোষ, আবাসন সহায়তায় সীমা টানায় বাস্তবায়ন ঝুঁকিতে](https://sarakhon.com/news/184463/): পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ২৪৫ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ‘মাঝারি মাত্রায় অসন্তোষজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা সীমিত করে resilient housing বা দুর্যোগসহনশীল আবাসন সহায়তা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তসহ একাধিক কারণে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের ১২ আগস্ট প্রকাশিত মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ‘ইন্টিগ্রেটেড ফ্লাড রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড অ্যাডাপটেশন প্রজেক্ট’ বা আইএফআরএপি-এর অগ্রগতি ছয় মাস আগের ‘মাঝারি মাত্রায় সন্তোষজনক’ অবস্থান থেকে ‘মাঝারি মাত্রায় অসন্তোষজনক’ পর্যায়ে নামানো হয়েছে। আবাসন সহায়তায় সীমা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ৭৪ হাজারের বেশি পরিবার ইতোমধ্যে আবাসন সহায়তার প্রথম কিস্তি পেয়েছে। তবে প্রকল্পের স্টিয়ারিং কমিটি উপকারভোগীর সংখ্যা সীমিত করার সিদ্ধান্ত - [বেলুচিস্তানে অভিযানে ৯ সন্ত্রাসী নিহত, জুলাইয়ে প্রাণহানি বেড়েছে ২৪১ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/184460/): পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযানে নয়জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার পরিচালিত এসব অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। জিয়ারাত, হারনাই ও সুরাব এলাকায় ‘অপারেশন রাদ-উল-ফিতনা ৩’-এর আওতায় এসব অভিযান চালানো হয়। পাকিস্তান টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানে নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশংসা অভিযানের পর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর পেশাদার সক্ষমতার প্রশংসা করেছেন এবং ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’-এর নয়জনের বেশি সদস্যকে হত্যার কথা উল্লেখ করেছেন। বিবৃতিতে নকভি বলেন, ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ’-এর বিরুদ্ধে অভিযান - [ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হবে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/184456/): পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি শহীদ ওয়াহিদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি নাঈম আখতার আফগান ও বিচারপতি ইশতিয়াক ইব্রাহিম। ইমরানকে হাসপাতালে নেওয়া, ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ এবং তার চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য পরিবারের কাছে দেওয়ার দাবিতে করা একাধিক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন। শিফায় বিশেষ মেডিকেল বোর্ড সুপ্রিম কোর্ট শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ইমরান খানের - [রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, ঢাকায় রাষ্ট্রদূতকে অবস্থান জানাবে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/184454/): রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিয়ানমারের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ‘তথ্যগতভাবে ভুল’ আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদ জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো-কে ডেকে দেশটির বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে। মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকের সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার ইতিহাস ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে মিয়ানমারের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মিয়ানমারের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক ১৫ আগস্ট মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরিচয় ও সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি করা হয়। দেশটি জানায়, বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের নাম পাঠিয়েছে। এর - [চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্মাণাধীন কালভার্টে মোটরসাইকেল পড়ে দুই যুবক নিহত](https://sarakhon.com/news/184451/): চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি কালভার্টে মোটরসাইকেল পড়ে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার মুসলিমপুর এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বালিয়াদিঘী গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান, ২০, এবং একই গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে আবুল হায়াত, ৩৫। ভোরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক খোকন চন্দ্র জানান, হাবিবুর রহমান ও আবুল হায়াত মোটরসাইকেলে করে কানসাট থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে মুসলিমপুর এলাকায় মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নির্মাণাধীন কালভার্টের মধ্যে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। - [কানাইঘাট সীমান্তে ভারতে পাচারের অভিযোগে ৮ রোহিঙ্গাসহ ১২ জন আটক](https://sarakhon.com/news/184446/): সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় আট রোহিঙ্গা ও মানবপাচারকারী চক্রের সন্দেহভাজন চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে কানাইঘাট উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের কুয়েরের মাটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয়। আটক চার সন্দেহভাজন হলেন কানাইঘাটের এরালিগুল গ্রামের আসাদ আহমেদ, বড়খের গ্রামের সাদ্দাম হোসেন, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার রফিক আহমেদ এবং নেত্রকোনার ইলাচ উদ্দিন। আট রোহিঙ্গার পরিচয় আটক আট রোহিঙ্গা হলেন এনায়েত হোসেন, আবদুল মুবিন, জুবের আহমেদ, আজিদা বেগম, জামিলা বেগম, ফাতেমা বিবি, নুর ফাতেমা ও আজিদা। তারা সবাই কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই রোহিঙ্গাদের সিলেট নগরের কদমতলী এলাকা - [দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/184443/): দেশের আট বিভাগেই আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও অস্থায়ী দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলে বৃষ্টির সঙ্গে সাময়িকভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায়ও বৃষ্টি অথবা - [আকিকো ইয়ানো ঃজ্যাজ, পপ ও চলচ্চিত্রের ভুবনে এক জীবন](https://sarakhon.com/news/184440/): আকিকো ইয়ানো জাপানের পপ ও জ্যাজ সংগীতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। এ পর্যন্ত তিনি ৫০টি অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন এবং হিরোমি উয়েহারা, রেই হারাকামি, প্যাট মেথেনি, থমাস ডলবি, সুইং আউট সিস্টার, লিটল ফিট এবং ইয়েলো ম্যাজিক অর্কেস্ট্রা (ওয়াইএমও)-এর মতো খ্যাতিমান সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও বহু চলচ্চিত্র নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্টুডিও জিবলির অ্যানিমেশন কিংবদন্তি হায়াও মিয়াজাকি। ইয়ানোর সংগীত তার কল্পনাপ্রবণতা, দুষ্টুমি-মেশানো স্বতন্ত্র আবহ এবং নিরন্তর নতুনত্বের জন্য পরিচিত। আকিকো ইয়ানোর সরাসরি কনসার্টে উপস্থিত হওয়া যেন এক ধরনের রূপান্তরময় অভিজ্ঞতা। তাঁর পরিবেশনা দর্শকদের আনন্দিত ও মুগ্ধ করে এবং একই সঙ্গে - [এলিফ্যান্ট রোডে শপিংব্যাগে ককটেল সদৃশ ৪ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/184435/): রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে একটি শপিংব্যাগের ভেতর থেকে ককটেল সদৃশ চারটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১০টার দিকে বাটা সিগনাল মোড় থেকে নিউমার্কেটের দিকে যাওয়ার সড়কের পাশে ব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা পুলিশকে খবর দেন। পরে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুগুলো উদ্ধার করে। নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের তৎপরতা পুলিশ জানায়, পথচারীরা শপিংব্যাগের ভেতর লাল টেপে মোড়ানো কয়েকটি বস্তু দেখতে পান। এগুলো ককটেল সদৃশ মনে হওয়ায় দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে দিয়ে এলাকা ঘিরে রাখে। রাত পৌনে ১১টার দিকে - [চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা, স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে নতুন ব্যবসা—অ্যালেক্স টেলরের বদলে যাওয়ার গল্প](https://sarakhon.com/news/184433/): দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, প্রচণ্ড মানসিক চাপ আর ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন—সবকিছুর মাঝেও ক্যারিয়ারে দ্রুত সাফল্য পেয়েছিলেন অ্যালেক্স টেলর। কিন্তু একসময় নিজের শরীরই তাকে থামতে বাধ্য করে। শেষ পর্যন্ত চাকরি ছেড়ে তিনি শুরু করেন নারীদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক পুষ্টি-পরিপূরক পণ্যের ব্যবসা। দ্রুত সাফল্যের পেছনে হারিয়ে যাচ্ছিল স্বাস্থ্য প্রায় ২৯ বছর বয়সেই অ্যালেক্স টেলর একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান সম্পাদক হন। কর্মজীবনের শুরুতেই নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি কাজ নিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত থাকতেন। প্রতিদিন সকাল ৭টার দিকে অফিসে ঢুকে সন্ধ্যা ৭টার পর বের হওয়া ছিল তার নিয়মিত রুটিন। তখন পরিবারের দায়িত্ব না থাকায় রাতের বেলায়ও কাজের বার্তার উত্তর দিতেন তিনি। ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার নেশায় নিজের স্বাস্থ্য - [বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক সুবিধা স্পষ্ট করল এনবিআর](https://sarakhon.com/news/184430/): সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আমদানি করা যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ছাড় করাতে বিভিন্ন কাস্টমস হাউস ও স্থলবন্দর পর্যায়ে জটিলতা এবং বিলম্বের অভিযোগের মধ্যে নতুন করে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এর ফলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত খালাসের পথ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌর প্যানেলে সুবিধা পাওয়ার নিয়ম স্পষ্ট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মূলধনি যন্ত্রপাতি সংক্রান্ত বিদ্যমান প্রজ্ঞাপন এবং ২০২৬ সালের ৮ জুন নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন—দুই ক্ষেত্রেই ৮৫৪১.৪৩.০০ শুল্ক কোডের আওতায় সৌর আলোক-তড়িৎ কোষ, মডিউল ও প্যানেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কোনো আমদানিকারক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক পণ্য একই আমদানি ঘোষণাপত্রে - [শ্রীলঙ্কায় ৩ কেজির বেশি ওজনের বিশাল মূত্রথলির পাথর অপসারণ, রেকর্ডের দাবি](https://sarakhon.com/news/184426/): শ্রীলঙ্কায় এক ব্যক্তির মূত্রথলি থেকে ৩ দশমিক ১ কেজি ওজনের একটি বিশাল পাথর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করেছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের দাবি, এটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা এ ধরনের সবচেয়ে বড় পাথর হতে পারে। পূর্ব শ্রীলঙ্কার ত্রিনকোমালি জেনারেল হাসপাতালে গত সপ্তাহে ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রস্রাব করতে তাঁর অসুবিধা হচ্ছে দেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলে মূত্রথলিতে পাথরের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নবজাতক শিশুর সমান ওজন অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা পাথরটি বের করে আনেন। এর ওজন ছিল ৩ দশমিক ১ কেজি, যা একটি পূর্ণমেয়াদি নবজাতক শিশুর ওজনের কাছাকাছি। পাথরটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৭ সেন্টিমিটার - [নোনতা বাদাম ও চকোলেটের খসখসে কুকি](https://sarakhon.com/news/184358/): এটি ক্লাসিক চকোলেট চিপ কুকি আর ওটস-বাদামের খসখসে কুকির এক দারুণ সংমিশ্রণ। ভাজা কাঠবাদাম ও ওটস কুকিতে এনে দেয় চমৎকার মচমচে ভাব, আর সোনালি সিরাপের কারণে ভেতরটা থাকে নরম ও চিবোনো। এর সঙ্গে বড় টুকরো কালো চকোলেট এবং মিষ্টি-নোনতা বাদামের মাখন মিলে স্বাদ হয় আরও সমৃদ্ধ। উপকরণ ১২টি কুকির জন্য লাগবে ৭৫ গ্রাম কুচি করা কাঠবাদাম, ৫০ গ্রাম ওটস, ১৭৫ গ্রাম ময়দা, ১ চা-চামচ বেকিং পাউডার, ১ চা-চামচ সামুদ্রিক লবণের কুচি, ১২৫ গ্রাম নরম নোনতা মাখন, ১৭৫ গ্রাম হালকা বাদামি চিনি, ৭৫ গ্রাম সূক্ষ্ম দানার চিনি, ১ টেবিল-চামচ সোনালি সিরাপ, ৭৫ গ্রাম বাদামের মাখন, আরও ১ টেবিল-চামচ বাদামের মাখন, ২ চা-চামচ - [রুটি-বিদ্যুৎহীন কিউবা: আর কতটা সহ্য করতে পারবেন সাধারণ মানুষ?](https://sarakhon.com/news/184423/): কিউবার মানুষ যেন এখন অপেক্ষার এক অন্তহীন চক্রে আটকে আছেন। দিনের রুটির বরাদ্দ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা, অতিরিক্ত ভিড়ের বাস, বিদেশে যাওয়ার অনুমতি—সবকিছুর জন্যই তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মহামারি-পরবর্তী গভীর অর্থনৈতিক সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জ্বালানি সংকট ও যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। প্রতিদিনের জীবন হয়ে উঠেছে অপেক্ষা কিউবার বহু পরিবার বিদেশে থাকা স্বজনদের পাঠানো খাবার ও সাধারণ ওষুধের অপেক্ষায় থাকে। বিদ্যুৎ এলেও তা অনেক সময় দিনে মাত্র এক-দুই ঘণ্টার জন্য ফিরে আসে। প্রচণ্ড গরমে সামান্য বাতাসের আশায় মানুষ রাত কাটান, যাতে অন্তত শিশুরা কয়েক ঘণ্টা ঘুমাতে পারে। দেশটির সরকার পরিস্থিতিকে সামাল দিতে নানা উপায়ে বিদ্যুৎ - [মঞ্চে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন তারা এরাউট: সমালোচনা পেরিয়ে রসিনির অপেরায় নতুন সাফল্য](https://sarakhon.com/news/184419/): আন্তর্জাতিক অপেরার মঞ্চে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছেন আইরিশ গায়িকা তারা এরাউট। সালৎসবুর্গ উৎসবের মঞ্চে জিওয়াকিনো রসিনির অপেক্ষাকৃত কম পরিবেশিত হাস্যরসাত্মক অপেরা ‘ইল ভিয়াজ্জিও আ রেমস’-এ মাদামা কর্তেসি চরিত্রে অভিষেক হয়েছে তাঁর। চরিত্রটি যেমন হাস্যরস ও দ্রুতগতির অভিনয়ের দাবি রাখে, তেমনি এর মাধ্যমে নিজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও মঞ্চনৈপুণ্যও দেখানোর সুযোগ পেয়েছেন তিনি। মাদামা কর্তেসি একটি স্বাস্থ্যনিবাসের মালিক। ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অভিজাত অতিথিরা সেখানে আটকা পড়েছেন, কারণ ফ্রান্সের রেঁমসে রাজা দশম শার্লের অভিষেক অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ঘোড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অতিথিদের সামলানো, নানা ধরনের বিপত্তি সামলে ব্যবসা চালানো এবং ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষকে একসঙ্গে সামলে রাখার দায়িত্ব এসে - [সন্ত ফ্রান্সিসের চরিত্রে ডুব দিতে দুই মাস সন্ন্যাসীদের সঙ্গে শিল্পীর জীবন](https://sarakhon.com/news/184416/): ইতালির ধর্মগুরু সন্ত ফ্রান্সিস অব আসিসির চরিত্রে অভিনয়কে শুধু মঞ্চের একটি ভূমিকা হিসেবে নেননি কানাডীয় গায়ক ফিলিপ স্লি। চরিত্রটিকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে তিনি টানা দুই মাসেরও বেশি সময় কাটিয়েছেন ফ্রান্সিসকান সন্ন্যাসীদের সঙ্গে। তাদের মতোই প্রার্থনা, খাবার ও দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে নিজেকে যুক্ত করে তিনি প্রস্তুত করেছেন নিজের মন ও কণ্ঠ। অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে এবারের উৎসবে ফরাসি সুরকার অলিভিয়ে মেসিয়ানের বিখ্যাত অপেরা ‘সন্ত ফ্রাঁসোয়া দ’আসিজি’-তে প্রথমবারের মতো সন্ত ফ্রান্সিসের ভূমিকায় অভিনয় করছেন ৩৭ বছর বয়সী স্লি। চরিত্রটির গভীরে পৌঁছাতে তাঁর এই ব্যতিক্রমী প্রস্তুতি এখন প্রযোজনাটির অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। সন্ন্যাসীদের সঙ্গে দুই মাস সালজবুর্গের নাট্যমঞ্চগুলোর ঠিক ওপারে সালজাখ নদীর তীরে পাহাড়ের - [প্রযুক্তি জায়ান্টদের মুনাফায় নতুন ঝুঁকি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার কি ‘চক্রাকার’ ফাঁদে?](https://sarakhon.com/news/184412/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসার প্রযুক্তি খাত ও শেয়ারবাজারকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেও এর ভেতরে তৈরি হচ্ছে এক ধরনের পারস্পরিক নির্ভরতার ঝুঁকি। বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ব্যবসার পাশাপাশি একে অন্যের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। সেই বিনিয়োগের মূল্য বাড়লে তাদের মুনাফাও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ক্রমেই অন্য প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ফলাফলের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক হিসাব বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফার একটি বড় অংশ এখন পণ্য ও সেবা বিক্রি থেকে নয়, বরং অন্য প্রতিষ্ঠানে করা বিনিয়োগের মূল্যবৃদ্ধি থেকে আসছে। এতে প্রযুক্তি খাতের উত্থান যেমন দ্রুত হচ্ছে, তেমনি এই উত্থান উল্টো দিকে ঘুরলে ক্ষতির পরিমাণও বড় হতে পারে। - [নটর ডেমে নতুন রঙিন কাচের জানালা, ঐতিহ্য বনাম আধুনিকতার তীব্র বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/184409/): প্যারিসের আট শতকের পুরোনো নটর ডেম ক্যাথেড্রালের পুনর্নির্মাণে এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে একেবারে নতুন শিল্পকর্ম। ২০১৯ সালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সাড়ে সাত বছর পর ক্যাথেড্রালের দক্ষিণ পাশের বিশাল নাভে বসানো হবে ছয়টি নতুন রঙিন কাচের জানালা। তবে এই জানালা ঘিরেই পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের সবচেয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফরাসি শিল্পী ক্লেয়ার তাবুরের নকশা করা জানালাগুলোতে খ্রিষ্টীয় পবিত্র উৎসব পেন্টেকস্টের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শোভাযাত্রা ও প্রাকৃতিক দৃশ্যকে আধুনিক শিল্পরীতিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এসব নকশায়। পুরোনো জানালা সরানো নিয়েই আপত্তি নতুন জানালাগুলো উনিশ শতকে স্থাপিত রঙিন কাচের জানালার জায়গা নেবে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তিন লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছিলেন একটি আবেদনে। - [জর্জ মাইকেলের হারিয়ে যাওয়া কনসার্ট ফিরছে পর্দায়](https://sarakhon.com/news/184348/): আশির দশকের শেষভাগে পপসংগীতের দুনিয়ায় জর্জ মাইকেল ছিলেন এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী তারকা। দলীয় সংগীতজীবনে সাফল্যের পর একক শিল্পী হিসেবে তাঁর প্রথম অ্যালবাম ‘ফেইথ’ প্রকাশের পর জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যান তিনি। ‘ফেইথ’, ‘ফাদার ফিগার’ ও ‘আই ওয়ান্ট ইওর সেক্স’-এর মতো গান তাঁকে বিশ্বজুড়ে আরও বড় তারকায় পরিণত করে। ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে টোকিও থেকে শুরু হয় তাঁর প্রথম একক সংগীত সফর। তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৪, অথচ এরই মধ্যে তিনি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পপ তারকা। সেই বছরের এক সাক্ষাৎকারে নিজের নতুন অ্যালবাম নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসও ছিল তুঙ্গে। হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য ফিরে এলো জর্জ মাইকেলের সেই ঐতিহাসিক সংগীত সফরের দুটি প্যারিস পরিবেশনার দৃশ্য ধারণ করা - [তুরস্কের পাহাড়ি নির্জনতায় সাত দিন-রাতের ঘূর্ণি, সবার জন্য উন্মুক্ত সুফি সাধনা](https://sarakhon.com/news/184405/): তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাইনবনে ঘেরা এক নিরিবিলি আশ্রয়কেন্দ্রে সম্প্রতি বসেছিল ব্যতিক্রমী এক আধ্যাত্মিক সমাবেশ। সেখানে টানা সাত দিন ও সাত রাত ধরে চলেছে ঘূর্ণনের মাধ্যমে প্রার্থনার প্রাচীন সুফি সাধনা ‘সেমা’। ধর্মীয় আচার, লোকসংগীত, আধ্যাত্মিক অনুশীলন ও সামষ্টিক জীবনযাপনের এক অনন্য মিশেলে এই আয়োজন টেনে এনেছিল তুরস্কসহ ফ্রান্স, ইতালি, বুলগেরিয়া, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও আরও কয়েকটি দেশের মানুষকে। নারী-পুরুষ সবার জন্য উন্মুক্ত সাধনা সেমা সাধারণত তুরস্কে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত আচারানুষ্ঠান হিসেবেই বেশি পরিচিত। ঐতিহ্যগতভাবে সাদা পোশাক ও লম্বা টুপি পরা পুরুষ দরবেশরা নির্দিষ্ট নিয়ম ও ছন্দে ঘুরতে ঘুরতে এই প্রার্থনা করেন। কিন্তু ইয়েনিচে অনুষ্ঠিত এবারের সমাবেশটি ছিল অনেকটাই ভিন্ন। এখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কেউ - [চীনের তথ্যভাণ্ডার দিয়ে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/184402/): চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শুধু উন্নত প্রযুক্তি ও শক্তিশালী যন্ত্র তৈরির ওপর নির্ভর করতে চাইছে না; বরং বিশ্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থাগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল তথ্যের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হতে চাইছে। দেশটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইতিহাস, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, আইন, সাহিত্য, শিল্প ও সমসাময়িক ঘটনাসহ নানা বিষয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার বিশ্বের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। চীনের এই উদ্যোগকে বিশ্লেষকেরা একই সঙ্গে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৈশ্বিক তথ্যপ্রবাহে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাঁদের আশঙ্কা, চীনের রাষ্ট্রীয় বয়ানসমৃদ্ধ তথ্য যদি ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার প্রশিক্ষণ উপকরণের বড় অংশ হয়ে ওঠে, তাহলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ যে তথ্য ও - [শিশুর ঘরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নজরদারি: নিরাপত্তা নাকি অতিরিক্ত নির্ভরতা?](https://sarakhon.com/news/184397/): শিশুর ঘুম, শ্বাস-প্রশ্বাস, কান্না, নড়াচড়া—সবকিছুই এখন প্রযুক্তির চোখে ধরা পড়ছে। শিশুর যত্নে অভিভাবকদের সহায়তা করার নামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু শিশুর প্রতিটি মুহূর্তের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ কি সত্যিই অভিভাবকদের নিশ্চিন্ত করছে, নাকি ধীরে ধীরে তাদের স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার ওপর নির্ভরতা তৈরি করছে? আধুনিক শিশুনজরদারি যন্ত্রগুলো এখন শুধু শিশুর কান্না শোনানো বা ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ক্যামেরা ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিশুর নড়াচড়া, চোখ খোলা ও বন্ধ করার সময়, ঘুমের ধরন, বুকের ওঠানামা এবং এমনকি কাশি বা ভাষা ও শারীরিক বিকাশের মতো বিষয়ও পর্যবেক্ষণের দিকে এগোচ্ছে। শিশুর ঘুম থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যতথ্য এই - [যুদ্ধের মধ্যেই একক মা হলেন ইউক্রেনের এই নারী, তবু কোনো অনুশোচনা নেই](https://sarakhon.com/news/185072/): যুদ্ধ, অনিশ্চয়তা আর মৃত্যুর ভয়—সবকিছুর মধ্যেই মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইউক্রেনের এক নারী। একসময় যিনি সন্তান নেওয়ার কথাই ভাবতেন না, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ও জীবনের অনিশ্চয়তা তাঁকে বদলে দেয়। এখন ৪০ বছর বয়সে তিনি ১০ মাসের কন্যাসন্তানের মা। সন্তানের বাবার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একক মা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও তাঁর উপলব্ধি—মাতৃত্ব তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে। যুদ্ধের আগে মাতৃত্ব ছিল তাঁর ভাবনাতেই নেই জীবনের বেশির ভাগ সময় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে কাটিয়েছেন তিনি। যুদ্ধের আগে সন্তান নেওয়ার কোনো ইচ্ছাই তাঁর ছিল না। বরং নিজের স্বাধীনতা, পেশা এবং ভালো লাগার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সন্তানহীন জীবন কাটানোর সিদ্ধান্তই তাঁর কাছে স্বাভাবিক মনে - [জাকারবার্গের বিরুদ্ধে শিশু নিরাপত্তার চেয়ে মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/185069/): ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশুদের নিরাপত্তার চেয়ে ব্যবহারকারীর সংখ্যা, সম্পৃক্ততা ও মুনাফাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে—এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন মেটার সাবেক প্রকৌশল পরিচালক আর্তুরো বেহার। যুক্তরাষ্ট্রে মেটার বিরুদ্ধে চলমান একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় বুধবার দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২৯ অঙ্গরাজ্যের অভিযোগ মামলাটিতে ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সিসহ ২৯টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। তাদের দাবি, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে তরুণ ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় এসব প্ল্যাটফর্মে আটকে থাকে। এর ফলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এমনকি আত্মহত্যার মতো গুরুতর সমস্যাও বাড়তে পারে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর আরও অভিযোগ, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য যথাযথ অনুমতি ছাড়া - [রাভিন লেনাইয়ের ‘ব্লু আইল্যান্ড’: এক অ্যালবামেই পপ, রক, নাচ ও আত্মপরিচয়ের নতুন ভাষা](https://sarakhon.com/news/185065/): শিকাগোর শিল্পী রাভিন লেনাই তাঁর তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ‘ব্লু আইল্যান্ড’ নিয়ে হাজির হয়েছেন এমন এক সময়ে, যখন তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে এবং একই সঙ্গে বেড়েছে তাঁকে নির্দিষ্ট সংগীতধারার মধ্যে আটকে রাখার প্রবণতাও। নতুন অ্যালবামে সেই সীমাবদ্ধতাকেই যেন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। পপ, রক, নৃত্যসংগীত, হিপহপ ও পুরোনো শিকাগো সোল—সবকিছুকে নিজের মতো করে একসঙ্গে মিশিয়েছেন এই শিল্পী। জনপ্রিয়তার পর ঘরে ফেরা লেনাইয়ের সংগীতজীবনের শুরু এক দশকেরও বেশি আগে। শিকাগোর শহরতলি থেকে উঠে আসা এই শিল্পী প্রথমে ভূগর্ভস্থ আরঅ্যান্ডবি সংগীতের মাধ্যমে পরিচিতি পান। ২০২২ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ‘হিপনস’ সমালোচকদের প্রশংসা পেলেও প্রত্যাশিত জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি। পরের অ্যালবাম ‘বার্ডস আই’ বদলে দেয় - [শক্তিশালী নারীর শরীরই এবার বিলাসী ফ্যাশনের নতুন প্রতীক](https://sarakhon.com/news/185062/): নারীর সৌন্দর্য নিয়ে ফ্যাশন জগতের প্রচলিত ধারণা বদলে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে যেখানে চিকন শরীরকে নারীত্ব ও আকর্ষণের অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, সেখানে এখন পেশিবহুল, শক্তিশালী ও প্রশিক্ষিত নারীদেহ ক্রমেই হয়ে উঠছে নতুন আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বিলাসী ফ্যাশন ও সৌন্দর্য প্রতিষ্ঠানগুলোও এই পরিবর্তনের সম্ভাবনা বুঝতে শুরু করেছে। পেশিবহুল নারীদেহে নতুন সৌন্দর্যের ভাষা ফরাসি ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান মুগলার সম্প্রতি তাদের প্রথম হাতব্যাগ বাজারে আনার প্রচারে নারী শরীরের শক্তিকে সামনে এনেছে। প্রচারে দেখা গেছে নারী শরীরগঠনবিদ তাতিয়ানা হরস্লাভিলকে। তাঁর পেশিবহুল শরীরের ওপর আলো-ছায়ার খেলা এবং হাতে কালো আয়তাকার ব্যাগের উপস্থিতি প্রচলিত ফ্যাশন বিজ্ঞাপনের চেনা দৃশ্য থেকে একেবারেই আলাদা। মুগলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদ্রিয়ান করসিনের মতে, - [চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিডিও বিপ্লব, হলিউডের পর এবার লক্ষ্য আরও বড়](https://sarakhon.com/news/185059/): চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা এত দিন মূলত বড় ভাষাভিত্তিক মডেলকে ঘিরেই ছিল। তবে প্রযুক্তি খাতে দেশটির অগ্রগতির আরও স্পষ্ট প্রমাণ এখন পাওয়া যাচ্ছে ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে। এই অগ্রগতি শুধু হলিউডের জন্য চ্যালেঞ্জ নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ভিডিও নির্মাণ ও বিনোদনশিল্পের ভবিষ্যৎও বদলে দিতে পারে। ভিডিও তৈরিতে চীনের দাপট বর্তমানে গুগল ছাড়া শীর্ষস্থানীয় ভিডিও তৈরির প্রায় সব ব্যবস্থাই চীনের। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও তৈরির বিভিন্ন মান যাচাইয়ের তালিকায় শীর্ষ ১০টির মধ্যে নয়টিই চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি। চীনের প্রযুক্তি খাতে একের পর এক নতুন ভিডিও তৈরির ব্যবস্থা আত্মপ্রকাশ করছে। বাইটড্যান্স ও মিনিম্যাক্স গ্রুপ সম্প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বী ভিডিও তৈরির প্রযুক্তিতে পরপর নতুন সংস্করণ এনেছে। এর আগে - [গ্যাস সংকটে আশুলিয়ার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, বাড়ছে লোকসান-ছাঁটাইয়ের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185055/): তীব্র গ্যাস সংকটে আশুলিয়ার গ্যাসনির্ভর একাধিক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও উৎপাদন সক্ষমতা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, আবার কোনো কারখানা টানা কয়েক দিন ধরে পুরোপুরি বন্ধ। এতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন চালু রাখার চেষ্টা করলেও বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়। সংকট দীর্ঘায়িত হলে শ্রমিক ছাঁটাই ও জনবল কমানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন কয়েকটি কারখানার কর্মকর্তারা। আশুলিয়ার কাঠগড়া আমতলা এলাকায় ফ্যাশন গ্লোব গ্রুপের এ আর ও ওয়েট প্রসেসিং লিমিটেড কয়েক সপ্তাহ ধরে সীমিত সক্ষমতায় চলার পর বৃহস্পতিবার সকালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। কারখানাটির তিনটি সেকশনই বন্ধ ছিল এবং - [ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, গুপ্তচর সন্দেহ: নতুন চিঠিতে ‘লরেন্স অব অ্যারাবিয়া’র আক্ষেপ](https://sarakhon.com/news/185052/): প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আরব বিদ্রোহের অন্যতম নেতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পাওয়া টি. ই. লরেন্স জীবনের শেষদিকে নিজের খ্যাতির মূল্য যে কতটা কঠিনভাবে দিয়েছিলেন, নতুন করে পাওয়া একটি চিঠিতে তারই আভাস মিলেছে। ১৯৩২ সালে লেখা ওই চিঠিতে তিনি জানান, গুপ্তচর হিসেবে কাজ করার সন্দেহে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ তাকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ১৯১০-এর দশকে নাফুদ মরুভূমি পাড়ি দেওয়া, সিনাই অতিক্রম করা, আরব ভূখণ্ডে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দামেস্কে পৌঁছে যাওয়া লরেন্স ১৯৩০-এর দশকে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রেই বড় বাধার মুখে পড়েছিলেন। নতুন আবিষ্কৃত চিঠিটি তার সেই হতাশা ও ক্ষোভের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠেছে। গুপ্তচর সন্দেহে আটকে যায় বিদেশযাত্রা ১৯৩২ সালের - [ব্যক্তিভিত্তিক ক্যানসার ভ্যাকসিনে যুগান্তকারী সাফল্য, ত্বকের ক্যানসার ফেরার ঝুঁকি কমার আশা](https://sarakhon.com/news/185049/): ব্যক্তিভিত্তিক ক্যানসার ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় বড় সাফল্য এসেছে। মডার্না ও মার্ক যৌথভাবে তৈরি পরীক্ষামূলক এমআরএনএ ভ্যাকসিন ইন্টিসমেরান উচ্চঝুঁকির মেলানোমা বা ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের অস্ত্রোপচারের পর ক্যানসার ফিরে আসার ঝুঁকি কমাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ের বৃহৎ পরীক্ষায় পাওয়া এই ফল ক্যানসারের চিকিৎসায় রোগীভিত্তিক ভ্যাকসিনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। পরীক্ষায় এক হাজারের বেশি রোগী অংশ নেন। তাদের সবার উচ্চঝুঁকির স্টেজ ২, ৩ অথবা ৪ মেলানোমা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছিল। এরপর রোগীদের ইন্টিসমেরানের সঙ্গে কিট্রুডা নামের একটি ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হয়। তুলনায় অন্য একটি দল শুধু কিট্রুডা পেয়েছে। গবেষণায় বড় সাফল্য মডার্না ও মার্ক জানিয়েছে, শুধু কিট্রুডার তুলনায় ইন্টিসমেরান ও কিট্রুডার সমন্বিত চিকিৎসা - [ভিয়েতনামে মাত্র ৫৬৫০ ডলারে আসছে দুই আসনের বৈদ্যুতিক গাড়ি](https://sarakhon.com/news/185042/): ভিয়েতনামের বাজারে খুব কম দামের নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ি আনতে যাচ্ছে দেশটির যানবাহন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএমটি মোটরস। দুই আসনের ছোট গাড়িটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ কোটি ৮০ লাখ ভিয়েতনামি ডং, যা প্রায় ৫ হাজার ৬৫০ মার্কিন ডলারের সমান। শহরের ব্যস্ত রাস্তাকে লক্ষ্য করে তৈরি নতুন গাড়িটির নাম ন্যানো এস০৫। ছোট আকারের এই বৈদ্যুতিক গাড়িটি মূলত শহরের স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভিয়েতনামের ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে সরু রাস্তা ও যানজটের মধ্যে সহজে চলাচলের উপযোগী করেই এর নকশা করা হয়েছে। দুই আসনের গাড়িটির দাম দেশটির একটি উন্নতমানের মোটরসাইকেলের কাছাকাছি। ফলে মোটরসাইকেলের বিকল্প হিসেবে ছোট বৈদ্যুতিক গাড়ির দিকে আগ্রহী ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্য - [ফ্রেজার্সের হাতে হুগো বসের ৪৭.৮৯ শতাংশ শেয়ার](https://sarakhon.com/news/185044/): ব্রিটিশ খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ফ্রেজার্স গ্রুপ জার্মানির বিলাসবহুল পোশাক ব্র্যান্ড হুগো বসের প্রায় ৪৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির অধিগ্রহণ প্রস্তাবে শেয়ারহোল্ডারদের সাড়া দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়। ফ্রেজার্স জানিয়েছে, প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন এমন শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে তারা হুগো বসের আরও ১ কোটি ২২ লাখ শেয়ার পেয়েছে। এই শেয়ার হুগো বসের মোট শেয়ারের প্রায় ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। এর ফলে ফ্রেজার্সের সরাসরি মালিকানায় থাকা হুগো বসের শেয়ারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার, যা কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৪৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ১৯৩ কোটি ইউরোর অধিগ্রহণ প্রস্তাব গত জুনে ফ্রেজার্স হুগো বসের যে শেয়ার তাদের - [ড. ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদনের শুনানি, সিদ্ধান্ত পরে](https://sarakhon.com/news/185039/): রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জাদুঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে এই আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। তবে মামলাটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আদেশ পরে দেওয়া হবে জানিয়ে আবেদনটি অপেক্ষমাণ রেখেছেন আদালত। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে মামলার আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল - [ঝিনাইদহে পুকুরে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ, মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ ছিলেন ৪ দিন](https://sarakhon.com/news/185036/): ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর মফিজুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মফিজুল ইসলাম উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, গত সোমবার বাড়ির কাছের একটি পুকুরে মাছ ধরতে যান মফিজুল। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা সেদিন দিনভর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। চার দিন পর বৃহস্পতিবার স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ওই পুকুরে মফিজুলের মরদেহ ভাসতে দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার খবর পেয়ে কোটচাঁদপুর থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে - [গোল্ডেন ডোম কি চীন-রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারবে? মার্কিন বিশেষজ্ঞদের বড় শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185031/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চাভিলাষী জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘গোল্ডেন ডোম’ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বিপুল অর্থ ব্যয় করে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুললেও যুক্তরাষ্ট্রকে চীন ও রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করা সম্ভব নাও হতে পারে। বরং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। প্রতিরক্ষা বাড়লে পাল্টা অস্ত্রও বাড়বে মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ ফেটার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা আরও বিস্তৃত করে, তাহলে এর জবাবে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোও নতুন সামরিক সক্ষমতা তৈরির পথে এগোতে পারে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনে বুধবার অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় তিনি বলেন, চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার প্রভাব অন্তত - [প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের প্রভাব নিয়ে বেইজিংকে সতর্ক করল চীনা গবেষণা](https://sarakhon.com/news/185029/): চীনের একটি নতুন গবেষণায় দেশটির নীতিনির্ধারকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেন সামরিক নীতিনির্ধারণে অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক-শিল্প কাঠামোকে সতর্কতামূলক উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সাংহাই জিয়াও থং বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষকেরা সোমবার প্রকাশিত ওই গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘লোহার ত্রিভুজ’ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর, বেসরকারি প্রতিরক্ষা ঠিকাদার এবং কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক দেশটির জাতীয় নিরাপত্তানীতি নির্ধারণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। মুনাফা ও সামরিক ব্যয়ের যোগসূত্র গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা ঠিকাদার, সামরিক বাহিনী এবং রাজনীতিকদের মধ্যে এমন একটি পারস্পরিকভাবে শক্তিশালী জোট তৈরি হয়েছে, যেখানে ব্যবসায়িক মুনাফা, সামরিক - [‘এতটাই খারাপ’ যে সিনেমা দেখতে ভিড়, চীনে অদ্ভুত জনপ্রিয়তা পেল ব্যর্থ অ্যানিমেশন](https://sarakhon.com/news/185026/): চীনের প্রেক্ষাগৃহে এমন এক অ্যানিমেশন সিনেমা হঠাৎ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যেটিকে দর্শকদের বড় একটি অংশ আসলে ‘খুবই খারাপ’ বলে মনে করছেন। সিনেমাটির দুর্বল নির্মাণ, অদ্ভুত চরিত্র আর জটিল কাহিনিই শেষ পর্যন্ত এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৫ আগস্ট মুক্তির দিন ‘দ্য অ্যারাইভাল অব দ্য অক্স’ নামের অ্যানিমেশনটি আয় করেছিল মাত্র ৩ হাজার ৪২০ ইউয়ান। কিন্তু মুক্তির প্রায় ১০ দিন পর সিনেমাটির দর্শকসংখ্যা আচমকা বাড়তে শুরু করে। শনিবার এর আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ১৭ হাজার ইউয়ানে। সোমবার নাগাদ এক দিনের আয় ছাড়িয়ে যায় ১ কোটি ১০ লাখ ইউয়ান। এর ফলে চলতি বছরে চীনে মুক্তি পাওয়া দেশীয় অ্যানিমেশন সিনেমাগুলোর মধ্যে - [পশ্চিম আফ্রিকায় চীনা সবুজ চায়ের সুরভি, তিন কাপেই জমে ওঠে আড্ডা](https://sarakhon.com/news/185023/): পশ্চিম আফ্রিকার নানা দেশে চীনের সবুজ চা এখন শুধু একটি পানীয় নয়, বরং মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ও সামাজিকতার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। মৌরিতানিয়ার সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে সেনেগাল, মালি ও নাইজারের রাস্তার পাশের ছোট দোকান—সবখানেই এই চায়ের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। স্থানীয়দের কাছে এই চা পরিবেশনের ঐতিহ্য ‘আতাইয়া’ নামে পরিচিত। কোথাও কোথাও একে ‘আত্তায়া’ও বলা হয়। সাধারণত শক্ত ও মিষ্টি সবুজ চা তিন দফায় পরিবেশন করা হয়। প্রতিটি দফা যেন পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও সহকর্মীদের একসঙ্গে বসে গল্প করার একটি উপলক্ষ তৈরি করে। তিন কাপ চায়ের সামাজিক ঐতিহ্য আতাইয়ার মূল আকর্ষণ শুধু চায়ের স্বাদে নয়, এর সামাজিক আবহে। একসঙ্গে বসে - [তাইওয়ানের রাজধানী রক্ষার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এক নদী](https://sarakhon.com/news/185020/): তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেই দখল বা প্রতিরোধের সম্ভাব্য যুদ্ধে একটি নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাজধানীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তামসুই নদীকে ঘিরেই সাম্প্রতিক সামরিক মহড়ায় বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে তাইওয়ানের সেনাবাহিনী। সম্ভাব্য চীনা হামলার ক্ষেত্রে এই নদীপথ দিয়ে শত্রুপক্ষ রাজধানীর কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় নদীটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজধানীর একেবারে কাছে তামসুই নদী তাইওয়ানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত তামসুই নদী রাজধানী তাইপেইয়ের কাছে এসে প্রশস্ত হয়ে প্রণালিতে মিশেছে। নদীর অবস্থান তাইপেইয়ের জন্য একই সঙ্গে কৌশলগত সুবিধা ও ঝুঁকি তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় নদী থেকে এক মাইলেরও কম দূরে হওয়ায় শত্রুপক্ষ নদীপথ ব্যবহার করে এগোতে পারলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ - [শিশুদের ট্রাম্প অ্যাকাউন্টে মূল ভরসা এসঅ্যান্ডপি ৫০০, বিনিয়োগ সহজ রাখতে চান রবিনহুড প্রধান](https://sarakhon.com/news/185017/): শিশুদের জন্য চালু করা ট্রাম্প অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগকে যতটা সম্ভব সহজ রাখতে মূলত এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকভিত্তিক বিনিয়োগের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রবিনহুডের প্রধান নির্বাহী ভ্লাদিমির তেনেভ। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেনেভ বলেন, জন্মের পর থেকেই প্রতিটি মার্কিন শিশুকে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। তাঁর মতে, বিনিয়োগের প্রাথমিক পর্যায়ে জটিলতা না বাড়িয়ে একটি বহুমুখী সূচকের মাধ্যমে শুরু করাই সবচেয়ে কার্যকর। এসঅ্যান্ডপি ৫০০-তেই শুরু তেনেভ জানান, বর্তমানে ট্রাম্প অ্যাকাউন্টে কম খরচের একটি বিনিময়ভিত্তিক তহবিলের মাধ্যমে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এই সূচকে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকশ কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটিকে তুলনামূলকভাবে - [ফেই-ফেই লি বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিষ্ঠান চালান ‘কঠোর মায়ের’ মতো](https://sarakhon.com/news/185014/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জগতের অন্যতম পরিচিত গবেষক ফেই-ফেই লি জানিয়েছেন, নিজের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সময় তার মধ্যে ‘কঠোর মায়ের’ স্বভাবটি বেশ জোরালোভাবে প্রকাশ পায়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জননী’ হিসেবে পরিচিত ফেই-ফেই লি ২০২৪ সালে সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ‘ওয়ার্ল্ড ল্যাবস’ গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠানটি এমন উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি তৈরি করছে, যা ত্রিমাত্রিক পরিবেশকে বুঝতে এবং তার সঙ্গে পারস্পরিকভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি ডলারের নতুন অর্থায়ন পেয়েছে। এই অর্থায়নে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতের একাধিক বড় প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তরুণ কর্মীদের নিয়ে মায়ের মতো দায়িত্ব এক সাক্ষাৎকারে ফেই-ফেই লি বলেন, প্রতিষ্ঠানের অন্য সহপ্রতিষ্ঠাতা, প্রকৌশলী ও - [ক্যানসার ফিরে আসা ঠেকাতে ব্যক্তিকেন্দ্রিক টিকার বড় সাফল্য](https://sarakhon.com/news/185010/): ত্বকের এক ধরনের মারাত্মক ক্যানসার মেলানোমা অস্ত্রোপচারের পর আবার ফিরে আসা ঠেকাতে ব্যক্তিকেন্দ্রিক টিকার পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক সাফল্য পাওয়া গেছে। ওষুধের সঙ্গে এই টিকা প্রয়োগ করে রোগীদের দীর্ঘ সময় ক্যানসারমুক্ত রাখা সম্ভব হয়েছে বলে প্রাথমিক ফলাফলে জানা গেছে। অস্ত্রোপচারের পর দেওয়া হয়েছে টিকা ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক ও মডার্নার যৌথভাবে তৈরি এই ব্যক্তিকেন্দ্রিক টিকা উচ্চঝুঁকির মেলানোমায় আক্রান্ত রোগীদের অস্ত্রোপচারের পর দেওয়া হয়। টিকাটির নাম ইন্টিসমেরান। টিকাটি একা নয়, ক্যানসারের চিকিৎসায় আগে থেকেই ব্যবহৃত রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয়কারী ওষুধ কিট্রুডার সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার ফল অনুযায়ী, শুধু কিট্রুডা ব্যবহারের তুলনায় টিকা ও ওষুধ একসঙ্গে প্রয়োগ করলে রোগীদের ক্যানসারমুক্ত থাকার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই - [‘বন্ধুরা যা করে, আমি তা করতে পারি না’: কিশোর বয়সেই অন্যের যত্নের ভার](https://sarakhon.com/news/185008/): বয়স তখন কিশোর, যখন বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, ঘোরাঘুরি কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার কথা। কিন্তু যুক্তরাজ্যের অনেক কিশোর-কিশোরীর দিন কাটছে পরিবারের অসুস্থ বা প্রতিবন্ধী সদস্যের দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে। নিজেদের পড়াশোনা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবনকে পেছনে ফেলে তারা হয়ে উঠছে পরিবারের অনানুষ্ঠানিক পরিচর্যাকারী। পরিবারের দায়িত্বে হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব কিশোর পরিচর্যাকারীদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মা, ভাই-বোন বা পরিবারের অন্য সদস্যের যত্ন নিলেও তাদের দায়িত্বটি সময়মতো শনাক্ত করা হয় না। ফলে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতেও তাদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। যারা সহায়তা পান, তাদের জন্যও পরিস্থিতি সবসময় সহজ হয় না। কোথায় বসবাস করছে তার ওপর নির্ভর করে সহায়তার ধরন ও সুযোগ অনেকটাই বদলে - [গ্যাসের তীব্র সংকটে নরসিংদীর কারখানায় জ্বলছে কাঠ, কমেছে উৎপাদন](https://sarakhon.com/news/185005/): গ্যাসের তীব্র সংকটে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম ভয়াবহভাবে ব্যাহত হচ্ছে। টানা তিন দিন ধরে জেলার শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অন্তত ৫০টি কারখানা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কাঠ পুড়িয়ে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালানোর চেষ্টা করছে। চৌয়ালা শিল্প এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, হক টেক্সটাইল ও ইউনিফিল টেক্সটাইলসহ কয়েকটি কারখানায় বাষ্প তৈরির চুল্লিতে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। সুতা প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানাগুলোতে বাষ্প তৈরির জন্য এসব চুল্লি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি কারখানায় কাঠ কিনতে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। বর্জ্য কাপড়ের বদলে কাঠ হক টেক্সটাইলের চুল্লি পরিচালনাকারী মোহাম্মদ শাখাওয়াত জানান, আগে বর্জ্য কাপড় দিয়ে চুল্লি চালু করা হতো। কিন্তু বর্জ্য কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় - [‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’-এর নাম নিয়ে নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা ডেমন হান্টারের](https://sarakhon.com/news/185002/): যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিস্টান ধাঁচের মেটাল ব্যান্ড ডেমন হান্টার জনপ্রিয় অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’-এর নাম ব্যবহারের অভিযোগে নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ব্যান্ডটির দাবি, চলচ্চিত্রটির নাম, সংগীত, পণ্যসামগ্রী ও পরিকল্পিত বিশ্বব্যাপী কনসার্ট তাদের নিজস্ব কার্যক্রমের সঙ্গে এতটাই মিলে গেছে যে দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং এতে তাদের দীর্ঘদিনের ব্র্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ব্যান্ডটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হাইড লেনের মাধ্যমে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলাটি করা হয়। এতে নেটফ্লিক্স স্টুডিওসের পাশাপাশি সরাসরি অনুষ্ঠান আয়োজক প্রতিষ্ঠান এইজি প্রেজেন্টসকেও আসামি করা হয়েছে। টিকিট কিনেও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি মামলায় ডেমন হান্টার দাবি করেছে, নেটফ্লিক্সের চলচ্চিত্রকে ঘিরে তৈরি বিভ্রান্তির বাস্তব উদাহরণও রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে - [এক্সিলারেট টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং](https://sarakhon.com/news/184999/): টানা প্রায় এক মাস ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বুধবার বিকেলে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও এর প্রভাব পড়েছে, বেড়েছে লোডশেডিং। মজুত শেষ, বন্ধ হলো গ্যাস সরবরাহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। টার্মিনালে নতুন করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস না আসায় মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে টানা ২৫ দিন ভয়াবহ গ্যাস সংকটের পর গত শনিবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ - [গ্যাসসংকটে নারায়ণগঞ্জের কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, শ্রমিক অসন্তোষের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/184996/): নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিল্পাঞ্চলে তীব্র গ্যাসসংকটে একের পর এক বস্ত্র ও রং কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। কারখানার ভেতরে যন্ত্রপাতি ও কাপড় পড়ে থাকলেও নেই স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য। কোথাও চলছে শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মেরামতের কাজ। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা বাড়ছে, তৈরি হচ্ছে শ্রমিক অসন্তোষেরও শঙ্কা। উৎপাদনের বদলে চলছে মেরামতের কাজ ফতুল্লার সাইকাট টেক্সটাইলের ভেতরে সারি সারি কাপড় পড়ে থাকলেও গ্যাসের অভাবে রং করার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ। কারখানার বিভিন্ন স্থাপনায় ঢালাই ও মেরামতের কাজ চলছে। কয়েকজন শ্রমিককে কারখানায় দেখা গেলেও তাদের হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা জানান, গ্যাসসংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই কারখানাটি বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের - [নারী-পুরুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার পার্থক্যের পেছনে ১,০০০-এর বেশি জেনেটিক সুইচ](https://sarakhon.com/news/184993/): নারীদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সাধারণত পুরুষদের তুলনায় বেশি সক্রিয় হলেও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক দিক রয়েছে—অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নারীদের অনেক বেশি। নতুন এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমন ১ হাজারের বেশি জেনেটিক ‘সুইচ’ শনাক্ত করেছেন, যা নারী ও পুরুষের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার ভিন্ন আচরণের কারণ ব্যাখ্যায় নতুন সূত্র দিতে পারে। গারভান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল রিসার্চ ও নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকান জার্নাল অব হিউম্যান জেনেটিকসে। গবেষকদের মতে, ফলাফলটি বিশেষ করে লুপাসের মতো অটোইমিউন রোগ নারীদের মধ্যে কেন অনেক বেশি দেখা যায়, তা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীদের লুপাসে আক্রান্ত হওয়ার হার নয় গুণ - [রোবটের আসছে ‘চ্যাটজিপিটি মুহূর্ত’, বদলে যেতে পারে ঘরের কাজের ধরন](https://sarakhon.com/news/184990/): চীনের মানবসদৃশ রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রির প্রধান নির্বাহী ওয়াং শিংশিং বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোবটের জগৎ এমন এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের দিকে এগোচ্ছে, যাকে তিনি ‘চ্যাটজিপিটি মুহূর্ত’ হিসেবে দেখছেন। তাঁর ধারণা, খুব শিগগিরই রোবট অপরিচিত পরিবেশেও সাধারণ কথার নির্দেশ বুঝে নানা ধরনের কাজ করতে সক্ষম হবে। বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত একটি বড় রোবট সম্মেলনে ওয়াং বলেন, রোবটের শারীরিক সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও তাদের সফটওয়্যার ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে এই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। অপরিচিত ঘরেও ৮০ শতাংশ কাজ ওয়াংয়ের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে কোনো অপরিচিত বাড়িতে একটি রোবট নিয়ে গেলে সেটি শুধু মুখের কথা বা লিখিত নির্দেশের মাধ্যমে প্রায় - [গ্যাসসংকটে গাজীপুরের শিল্পকারখানা, হাতে পোশাক ইস্ত্রি—বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়](https://sarakhon.com/news/184987/): গ্যাসের তীব্র সংকটে বিপাকে পড়েছে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। কমে গেছে গ্যাসের চাপ, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গ্যাসনির্ভর অনেক কারখানার উৎপাদন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কোথাও ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা হচ্ছে, আবার কোথাও যন্ত্রে করা কাজও শ্রমিকদের হাতে করতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি রপ্তানি সময়মতো শেষ করা নিয়েও তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। যন্ত্র বন্ধ, হাতে চলছে পোশাক ইস্ত্রি গাজীপুরের স্প্যারো অ্যাপারেলস লিমিটেডে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ডেনিম পোশাকের চাপ দেওয়ার কাজ যন্ত্রের পরিবর্তে হাতে করা হচ্ছে। স্বাভাবিক গ্যাসচাপ থাকলে যন্ত্রের সাহায্যে সহজেই ডেনিম ও পোশাকের শেষ ধাপের কাজ করা সম্ভব হতো। কিন্তু গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের - [ছয় বছর পর ব্রিটেনে ফিরছেন হ্যারি-মেগান, সেপ্টেম্বরে স্কুলে যাবে সন্তানরাও](https://sarakhon.com/news/184984/): ব্রিটেনের রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্রিটেনে বসবাসের উদ্দেশ্যে ফিরছেন তারা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের সাত বছর বয়সী ছেলে আর্চি এবং পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে লিলিবেট আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ব্রিটেনের একটি স্কুলে পড়াশোনা শুরু করবে। তবে হ্যারি-মেগান কোনো রাজকীয় বাসভবনে উঠবেন না। তারা আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন না। রাজপরিবারের দায়িত্ব ছাড়ার ছয় বছর পর ২০১৮ সালে উইন্ডসর দুর্গে হ্যারি ও মেগানের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের দুই বছরের মধ্যেই রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের অবনতি শুরু - [কাশ্মীরকে ভারতের অংশ বলায় ক্ষুব্ধ পাকিস্তান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব](https://sarakhon.com/news/184981/): কাশ্মীরকে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পাকিস্তান। এ ঘটনায় ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে জানায়, নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থান নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা ‘তথ্যগতভাবে ভুল’। ওই বক্তব্যের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রতিনিধির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড। তাই এর অবস্থান নিয়ে কোনো পক্ষের একতরফা বক্তব্য পাকিস্তান মেনে নেবে না। শ্রীনগরে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য সম্প্রতি ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর সফরে গিয়ে শ্রীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে - [ক্যানসার কোষেই সক্রিয় হবে নতুন ‘স্মার্ট’ ওষুধ, সুস্থ কোষ থাকবে সুরক্ষিত](https://sarakhon.com/news/184978/): ক্যানসারের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে ভারতের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত একটি ‘স্মার্ট’ ওষুধ। গবেষকদের তৈরি নতুন এই ওষুধটি শরীরের স্বাভাবিক কোষে নিষ্ক্রিয় থাকার পর ক্যানসার কোষের ভেতরে গিয়ে সক্রিয় হওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফলে প্রচলিত ক্যানসার চিকিৎসায় সুস্থ কোষের ক্ষতির যে ঝুঁকি থাকে, তা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতে পারে। ক্যানসারের চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো ক্যানসার কোষ ধ্বংস করার পাশাপাশি শরীরের সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। এর ফলে রোগীদের নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ কারণে এমন চিকিৎসাপদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছে, যা শরীরের স্বাভাবিক অংশে নিষ্ক্রিয় থাকবে এবং কেবল ক্যানসার আক্রান্ত কোষে গিয়ে কাজ করবে। ক্যানসার কোষ চিনে - [দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের সীমানার বাইরে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত](https://sarakhon.com/news/184974/): নয়াদিল্লির কূটনৈতিক এলাকা চানক্যপুরীতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অনুমোদিত সীমানার বাইরে নির্মিত বেশ কিছু স্থাপনা ভেঙে দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার এ অভিযান চালানো হয় বলে জানা গেছে। যেসব স্থাপনা সরানো হলো কর্তৃপক্ষ যন্ত্রচালিত খননযন্ত্র ব্যবহার করে হাইকমিশন ভবনের বাইরের সড়কসংলগ্ন স্থাপনা ও ব্যারিকেড সরিয়ে দেয়। পাকিস্তানি ভিসা বিভাগের কাছে দর্শনার্থীদের সারি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থাপন করা বিভিন্ন ব্যবস্থাপনাও এর আওতায় পড়ে। কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এসব স্থাপনা পাকিস্তান হাইকমিশনের অনুমোদিত সীমানার বাইরে ছিল। সে কারণেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সেগুলো অপসারণের উদ্যোগ নেয়। ভারত-পাকিস্তানের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ এই ঘটনার কয়েক দিন আগে ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে স্থাপন করা নিরাপত্তাবেষ্টনী ও গাড়ি রাখার খুঁটি সরিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তান। এর - [মন্সটেরা জাদু: বন্ধ হচ্ছে বারবিকানের ‘সবুজ ফুসফুস’, গাছের চারা নিয়ে ফিরলেন ৫০০ মানুষ](https://sarakhon.com/news/184971/): লন্ডনের বিখ্যাত বারবিকান কনজারভেটরির দরজা তিন বছরের জন্য বন্ধ হওয়ার আগে সেখানকার গাছপালার অংশ নিজেদের ঘরে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেন ৫০০ মানুষ। গাছের চারা বিতরণের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন পরিণত হয় এক আবেগঘন সামাজিক উৎসবে। বন্ধ হচ্ছে বারবিকানের সবুজ ভুবন বারবিকান কনজারভেটরির ছাদ থেকে কাচের টুকরো পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিরাপত্তার জন্য সেখানে বড় জাল টাঙানো হয়েছে। ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় থাকা বিশাল এই উদ্ভিদভাণ্ডারের সংস্কারকাজের জন্য জায়গাটি প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকবে। সংস্কারটি বারবিকানের বৃহত্তর পুনর্নবীকরণ কর্মসূচির অংশ। পুরো প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ২৩ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড। বন্ধ হওয়ার আগে কনজারভেটরির বিভিন্ন গাছের কাটা অংশ মানুষের মধ্যে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া - [পশ্চিম তীরের বসতি প্রকল্প বন্ধে ইসরায়েলকে ব্রিটেনের কড়া হুঁশিয়ারি](https://sarakhon.com/news/184968/): পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বিতর্কিত বসতি সম্প্রসারণ প্রকল্প বন্ধের দাবি জানিয়েছে ব্রিটেন। এ নিয়ে ইসরায়েলের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করে অবিলম্বে প্রকল্পের কাজ বন্ধ এবং নতুন আবাসন নির্মাণের দরপত্র প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, ইসরায়েলের নতুন বসতি নির্মাণের উদ্যোগ ‘অগ্রহণযোগ্য ও ধ্বংসাত্মক’। তাঁর আশঙ্কা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে ভবিষ্যৎ দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ১ হাজার ২০০টির বেশি বাড়ির দরপত্র পশ্চিম তীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘ই১’ এলাকায় ১ হাজার ২০০টির বেশি নতুন আবাসন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে ইসরায়েল। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগ বন্ধ করতে ইসরায়েলি সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখা হবে। মিলিব্যান্ড - [ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি: ইরানকে সহায়তা করলেই ভুগতে হবে ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি](https://sarakhon.com/news/184964/): ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ঠিক কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বা কোন কোন দেশ এর আওতায় পড়বে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। ‘নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা’ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের জন্য কোনো ধরনের ‘জীবনরেখা’ তৈরি করলে সংশ্লিষ্ট দেশকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে। দেশটির আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ‘নজিরবিহীন মাত্রায় অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা’ চালানো হবে। তবে তার ঘোষণার বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ - [ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন কিম জং উন, চলতি বছরেই হতে পারে সাক্ষাৎ](https://sarakhon.com/news/184961/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তিনি বৈঠক করতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন করে সক্রিয় করার ইঙ্গিত দিলেন তিনি। বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, কিমের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা তৈরি হতে দেওয়া উচিত হয়নি। তবে এখন যেহেতু দেশটির হাতে এসব অস্ত্র রয়েছে, তাই কিমের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। নভেম্বরে বৈঠকের - [ঢাকার বায়ু এখনো সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর](https://sarakhon.com/news/184958/): বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় অষ্টম অবস্থানে ছিল ঢাকা। সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে রাজধানীর বায়ুর মানসূচক ছিল ১০৭, যা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। শিশু ও বয়স্কদের জন্য বেশি ঝুঁকি ১০১ থেকে ১৫০ পর্যন্ত বায়ুর মানসূচককে সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর ধরা হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদ্‌যন্ত্র বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম। বৃহস্পতিবার বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল মালয়েশিয়ার কুচিং। শহরটির বায়ুর মানসূচক ছিল ২২৪। এরপর ছিল ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, ১৫৬, এবং ভারতের দিল্লি, ১৫২। দূষণের মাত্রা যেভাবে নির্ধারিত হয় বায়ুর মানসূচক - [ট্রাম্পের ছায়াসঙ্গী নাটালি হার্প: কেন এতটা প্রভাবশালী এই নারী?](https://sarakhon.com/news/184954/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে গত কয়েক বছরে যে কজনকে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম নাটালি হার্প। ৩৫ বছর বয়সী এই নারী ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী। প্রেসিডেন্টের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তা লিখে দেওয়া থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ নানা কাজে তাঁর ওপর নির্ভর করেন ট্রাম্প। সম্প্রতি ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের একটি বক্তব্যের পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন হার্প। ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এবং প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিসরে তাঁর প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠলেন হার্প ক্যালিফোর্নিয়ায় বেড়ে ওঠা হার্প একটি রক্ষণশীল খ্রিস্টান পরিবার থেকে এসেছেন। প্রচলিত রাজনৈতিক পথ অনুসরণ না করেই তিনি হোয়াইট হাউসের - [তালেবান শাসনের পাঁচ বছর: আফগানিস্তানকে ভুলে যাওয়ার মূল্য](https://sarakhon.com/news/184942/): ২০২১ সালের আগস্টে কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে তালেবান আফগানিস্তানে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে। পাঁচ বছর পর স্পষ্ট যে, তাদের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন শুধু একটি সরকারের পরিবর্তন ছিল না; এটি দেশটির সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার কাঠামোর ওপর দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন চাপিয়ে দিয়েছে। সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে নারী ও মেয়েদের ওপর। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যম, নাগরিক অধিকার এবং রাজনৈতিক ভিন্নমতের জায়গা ক্রমেই সংকুচিত হয়েছে। তবু আন্তর্জাতিক আলোচনায় আফগানিস্তান এখন আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। একসময় যে দেশটি দুই দশক ধরে পশ্চিমা কূটনীতি, সামরিক উপস্থিতি ও বৈদেশিক নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকারের তালিকায় অনেক নিচে। এই নীরবতা তালেবান শাসনের জন্য কেবল স্বস্তির নয়; এটি - [মাইরিয়াম কুরনাফ-লামবার্ট: নতুন করে ফিরে পাওয়া কনভেন্টের আত্মা](https://sarakhon.com/news/184939/): মারাকেশ থেকে নিস, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে সাঁ-জার্মাঁ-দে-প্রে, তারপর বে দেজ আঞ্জ—মাইরিয়াম কুরনাফ-লামবার্টের পেশাজীবনের পথ তৈরি হয়েছে ভালোবাসা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া এবং অর্থপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে। এখন তিনি হোটেল দ্য কুভঁ-এর নেতৃত্বে। নিসের পুরোনো শহরের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি একসময় ছিল সপ্তদশ শতকের পুওর ক্লেয়ার্স সম্প্রদায়ের একটি কনভেন্ট। পারসিয়াস গ্রুপের উদ্যোগে দীর্ঘ ও যত্নশীল সংস্কারের পর জায়গাটি নতুন জীবন পেয়েছে। রোমানেস্ক স্থাপত্যের খিলানের চারপাশে এখন প্রায় এক হেক্টর ঝুলন্ত বাগান, সাইট্রাস গাছে সাজানো টেরেস, নিসের স্থানীয় মানুষের জন্য উন্মুক্ত বাজার, বেকারি, বিস্ত্রো এবং খোলা আকাশের ক্যাফে—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে শান্ত এক নিজস্ব জগৎ। মাইরিয়ামের মমতাময় নেতৃত্বে এই অসাধারণ হোটেল একসঙ্গে - [চাকরির বাজারে নতুন দৌড়, জীবনবৃত্তান্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দক্ষতা](https://sarakhon.com/news/184933/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজারও। কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার মধ্যে চাকরিপ্রার্থীরা এখন নিজেদের জীবনবৃত্তান্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংশ্লিষ্ট দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও নানা আকর্ষণীয় শব্দ যোগ করে নিয়োগদাতাদের নজর কাড়ার চেষ্টা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে গত এক বছরে পেশাজীবীদের অনলাইন কর্মপরিচিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত শব্দ ব্যবহারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের পাশাপাশি নিয়োগদাতারাও এই প্রযুক্তির দক্ষতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে আগে যেসব পেশায় প্রযুক্তিগত জ্ঞান খুব একটা প্রয়োজন ছিল না, সেখানেও এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা চাওয়া হচ্ছে। জীবনবৃত্তান্তে নতুন শব্দের ছড়াছড়ি চাকরিপ্রার্থীদের অনেকেই নিজেদের পুরোনো কাজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নতুন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যোগসূত্র তৈরি করছেন। কেউ প্রশিক্ষণ ও সনদ নিচ্ছেন, কেউ আবার নিজেদের কাজের - [অবসরেই বিশ্বভ্রমণ, বেবি বুমারদের বিলাসী ভ্রমণে বদলে যাচ্ছে পর্যটনশিল্প](https://sarakhon.com/news/184932/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে বিশ্বভ্রমণের আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে অবসর নেওয়া এই প্রজন্ম এখন সঞ্চয়, সম্পদ ও অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে জীবনের শেষ অধ্যায়ে পৃথিবীর যতটা সম্ভব দেখে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের ভ্রমণপ্রবণতা বদলে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনশিল্পের ধরনও। যতদিন সক্ষম, ততদিন ভ্রমণ ৬৯ বছর বয়সী জিন চাওয়ের জীবনে স্বামী ও মায়ের মৃত্যু ছয় মাসের ব্যবধানে ঘটে। এরপর নিজেকে সামলে নিতে তিনি বেরিয়ে পড়েন দীর্ঘ ভ্রমণে। ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ২১ দিনের এক সফরে তিনি ছয়টি দেশ ঘুরেছেন। মিশরে উটের পিঠে চড়েছেন, নীল নদে ভ্রমণ করেছেন এবং ইংল্যান্ডের অ্যাভেবারির প্রাচীন পাথর ছুঁয়ে দেখেছেন। এই ভ্রমণের জন্য তার খরচ হয়েছে প্রায় ৯৩ হাজার - [ইউরোপের খরা ডুবিয়ে দিচ্ছে অর্থনীতি, রেকর্ড তলানিতে নদীর পানি](https://sarakhon.com/news/184929/): ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও দীর্ঘস্থায়ী খরায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে পানিসংকট। চলতি গ্রীষ্মে মহাদেশটির গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর পানি এতটাই কমে গেছে যে বাণিজ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও নৌপরিবহন—সব ক্ষেত্রেই বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোতে পানির সংকট ইউরোপের বাণিজ্য ও কৃষির প্রধান জলপথ রাইন, দানিউব ও পো নদীর পানির স্তর এখন অনেক জায়গায় রেকর্ড তলানিতে। বিশেষ করে জার্মানির কাউব এলাকায় রাইন নদীর পানি নেমে প্রায় সাড়ে ৯ ইঞ্চিতে পৌঁছেছে। একপর্যায়ে সেখানে পানির স্তর ৩ ইঞ্চিরও নিচে নেমে যায়। নদীতে তখনও নৌযান চলাচল সম্ভব ছিল, কিন্তু কম গভীরতার কারণে জাহাজগুলোকে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম পণ্য বহন করতে হয়েছে। এতে পণ্য পরিবহনের - [২১ বিলিয়ন ডলারে মূল্যায়িত তরুণ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া থেকে একের পর এক প্রতিভা টানছে](https://sarakhon.com/news/184923/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় মাত্র কয়েক বছর আগে যাত্রা শুরু করা একটি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এখন প্রযুক্তি শিল্পের বড় আলোচনার কেন্দ্রে। মাত্র ২৪ বছর বয়সী তিন সহপ্রতিষ্ঠাতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির নাম এচড। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে এবং নতুন বিনিয়োগ পর্বে এর মূল্যায়ন দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১০০ কোটি ডলারে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়া তিন তরুণের প্রতিষ্ঠিত এচডের সাফল্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অনেক নতুন প্রতিষ্ঠান যেখানে মূলত সফটওয়্যার তৈরি করছে, সেখানে এচড সরাসরি কম্পিউটার চিপ ও সার্ভার ব্যবস্থা তৈরি করছে। চিপ শিল্পে বিপুল মূলধন, দীর্ঘ গবেষণা সময় এবং জটিল উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণত - [৮০০ ইলেকট্রিক বাস কিনবে সরকার, বাড়বে নারীদের ‘গোলাপি বাস’](https://sarakhon.com/news/184922/): জ্বালানিসংকট সামলাতেই তিন মাস, সমাধানের চেষ্টায় ধীরগতি প্রথম আলো, সরকারের প্রথম ছয় মাসের মধ্যে তিন মাস পার হয়েছে জ্বালানিসংকট মোকাবিলায়। সরকার গঠনের মাত্র ১০ দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় মার্চ-এপ্রিল দুই মাস কেটেছে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে। আর এখন প্রায় এক মাস ধরে চলছে গ্যাস–সংকট। সঙ্গে যোগ হয়েছে তীব্র লোডশেডিং। পরিস্থিতি সামলাতে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নের গতি ধীর। জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এটা ঠিক, জ্বালানিসংকটের দায় বর্তমান সরকারের নয়। দেড় দশক ধরে সংকট বেড়েই চলেছে। আর দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে। এর সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে এলএনজি টার্মিনাল দুর্ঘটনা। তবে - [মাত্র কিশোর বয়সেই ডিম্বাশয়ের ক্যানসার, এক রাতেই মেনোপজে তরুণী](https://sarakhon.com/news/184918/): ওয়েলসের কেয়ারনারফনের তরুণী এনলির জীবন মাত্র কিশোর বয়সেই বদলে যায় ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে। ২০২৪ সালে মাসিকের ধরন বদলে যাওয়া, তীব্র ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলেও শুরুতে তার সমস্যাকে গুরুতর বলে মনে করা হয়নি। পরে পরীক্ষায় ধরা পড়ে, তার ডিম্বাশয়ের ক্যানসার তৃতীয় পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এবং তা শ্রোণি অঞ্চলের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যথা নিয়েও চালিয়ে গেছেন কাজ এনলি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তীব্র ব্যথায় ভুগছিলেন। ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে তিনি প্রশিক্ষণরত গাড়ি মেরামতকর্মী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে ব্যথা অসহনীয় হয়ে উঠলে তিনি হাসপাতালে যান। পরীক্ষায় প্রথমে তার শ্রোণি অঞ্চলে একটি সিস্ট রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। - [কারখানা বিক্রির খবরে চট্টগ্রামে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, চার মাসের বকেয়া চান শ্রমিকরা](https://sarakhon.com/news/184915/): চট্টগ্রামের হামজারবাগ এলাকায় কারখানা বিক্রি হয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চাকরি হারানোর আশঙ্কায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ‘ইত্যাদি গার্মেন্টস’-এর শ্রমিকরা। একই সঙ্গে তারা চার মাসের বেতনসহ আইন অনুযায়ী পাওনা পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার সকাল ১১টা থেকে হামজারবাগ-মুরাদপুর-অক্সিজেন সড়কে অবস্থান নেন শ্রমিকরা। এতে ব্যস্ত এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। চাকরি হারানোর আশঙ্কা বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, কারখানা বিক্রি হয়ে যাওয়ার খবরের পর চাকরি হারানোর আশঙ্কায় শ্রমিকরা রাস্তায় নেমেছেন। তাদের প্রধান দাবিগুলোর একটি হলো চার মাস বা ১২০ দিনের বেতন ও অন্যান্য আইনগত পাওনা পরিশোধ। তবে পরে কারখানার মালিক শ্রমিকদের জানিয়েছেন, কারখানা - [উজানের বৃষ্টিকে আগাম বন্যা সতর্কতায় রূপ দিতে হবে আসামে](https://sarakhon.com/news/184912/): আসাম-নাগাল্যান্ড সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বন্যা মোকাবিলার প্রচলিত পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। শুধু কোথাও কতটা বৃষ্টি হয়েছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করে সতর্কবার্তা দেওয়ার বদলে কোন অববাহিকায় কত বৃষ্টি হচ্ছে, সেই পানি কখন নিচের দিকে নামবে এবং তার প্রভাবে কোথায় কতটা বন্যা হতে পারে—এই পুরো প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত পূর্বাভাস ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। ডিকহৌ, দিশাং, ঝাঁজি, ভোগদই ও ধনসিঁড়ি নদীর অববাহিকাগুলোকে আলাদা নদী হিসেবে না দেখে একটি আন্তঃসীমান্ত জলপ্রবাহ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। এসব নদীর উজান, বিশেষ করে নাগাল্যান্ডের পাহাড়ি এলাকায় অল্প সময়ে প্রবল বৃষ্টিপাত হলে তার প্রভাব দ্রুত আসামে পৌঁছাতে পারে। ফলে আসামে নদীর পানি বাড়ার পর সতর্কতা জারি করলে - [ভারতের বেসরকারি হাসপাতাল খাতে বিস্তার: বিনিয়োগের জোয়ার, কিন্তু সেবার খরচ কতটা নাগালের মধ্যে?](https://sarakhon.com/news/184812/): ভারতে স্বাস্থ্যসেবা এখন আর শুধু চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নয়; ক্রমবর্ধমানভাবে এটি মানুষের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক আকাঙ্ক্ষার অংশ হয়ে উঠছে। আয় বাড়ছে, স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ছে, বীমার আওতা বিস্তৃত হচ্ছে এবং ক্যানসার, হৃদরোগসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগের চাপ বাড়ছে। ফলে সংগঠিত স্বাস্থ্যসেবার চাহিদাও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে দৃশ্যমান দিকগুলোর একটি হলো বেসরকারি হাসপাতাল খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ। ভারতের বড় হাসপাতাল গোষ্ঠীগুলো নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করছে, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করছে, ছোট শহরে প্রবেশ করছে এবং পুঁজিবাজার ও বেসরকারি বিনিয়োগ থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করছে। ফলে ভারতের হাসপাতাল শিল্প এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে অবকাঠামো, পুঁজি ও বাজার—তিনটিই একই সঙ্গে সম্প্রসারণের দিকে যাচ্ছে। - [গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮-এ বড় পরিবর্তন, আসছে ‘আল্ট্রা’ সংস্করণ](https://sarakhon.com/news/184908/): স্যামসাংয়ের পরবর্তী প্রজন্মের ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোনে বড় ধরনের ব্র্যান্ডিং পরিবর্তন আসতে পারে। নতুন ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে সম্ভাব্য উন্মোচন অনুষ্ঠানের আগে গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড সিরিজের নামকরণে পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্টটি। সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন হলো—প্রত্যাশিত গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮ বাজারে ‘গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রা’ নামে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। আল্ট্রা মডেলকে প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে সাজানোর পরিকল্পনা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বইয়ের মতো খোলা-বন্ধ করা যায় এমন প্রচলিত নকশার ফোল্ডেবল ফোনটিকে স্যামসাং তার সবচেয়ে প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে позиশন করতে চাইছে। কোম্পানির গ্যালাক্সি এস সিরিজে ‘আল্ট্রা’ নামটি যেমন সর্বোচ্চ পর্যায়ের হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত, ফোল্ডেবল সিরিজেও একই কৌশল নেওয়া হতে পারে। ফাঁস - [আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর হওয়ার দৌড়ে থাকা তরুণ রাজনীতিবিদ আবদুল এল সাইদ কে?](https://sarakhon.com/news/184905/): “আমার কাজিনদের মতো আমারও মিশরে ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ইতিহাসের দুর্ঘটনায় আমার বাবা (যুক্তরাষ্ট্রের) ডেট্রয়েটে অভিবাসী হয়ে আসেন আর আমি আমেরিকান হিসেবে পরিচিতি পাই।” অগাস্টের শুরুতে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাটদের মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর বিজয় ভাষণে সমর্থকদের সামনে এভাবেই নিজের পরিবারের অতীতের গল্প তুলে ধরেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে হঠাৎই আলোচনার জন্ম দেয়া আবদুল এল সাইদ। তাকে নিয়ে আলোচনা যে শুধু তার মিশরীয় অভিবাসী বাবা-মা’র সন্তান বা মুসলিম রাজনীতিবিদ হওয়ার কারণে, তা নয়। সাবেক এই জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার, ইসরায়েল বিরোধী অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান অর্থায়ন বন্ধের দাবি তাকে মিশিগানের ডেমোক্র্যাট মনোনয়ন প্রত্যাশী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন - [টেস্টে ফেল করলে কি এসএসসি পরীক্ষায় বাধা দিতে পারে স্কুল?](https://sarakhon.com/news/184902/): চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় নরসিংদীর একটি স্কুল থেকে অংশ নেওয়া ৩৮২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে। ওই স্কুলে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল ৪৮৫ জন। এর মধ্যে টেস্ট বা নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ১০৩ জনকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। বাকি ৩৮২ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে। এই নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর সেখানে নিয়ম বর্হিভূত কৗেশল নেওয়া হয়েছে কিনা, সেটা জানতে স্কুলটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। কিন্তু টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করার কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়ার সুযোগ কি একটি স্কুলের রয়েছে? এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম কী? নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা - [যোগ্যতার সরকার: পাকিস্তানের গণতন্ত্রে এখন প্রয়োজন দক্ষতার নতুন কাঠামো](https://sarakhon.com/news/184800/): পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে গেলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর কিছু চিন্তা আজও নতুন করে সামনে আসে। তাঁর হাতে লেখা একটি সংক্ষিপ্ত নোটে সংসদীয় ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়ে সংশয় এবং প্রেসিডেন্টশাসিত কাঠামো পাকিস্তানের জন্য তুলনামূলকভাবে উপযোগী হতে পারে—এমন ধারণার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ সাংবিধানিক নকশা ছিল না। কিন্তু এতে স্পষ্ট যে স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনার উপযুক্ত কাঠামো নিয়ে জিন্নাহ গভীরভাবে ভাবছিলেন। প্রায় আট দশক পর পাকিস্তানে একই প্রশ্ন আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বিষয়টি গণতন্ত্রের বিকল্প খোঁজা নয়। বরং প্রশ্ন হলো—কীভাবে এমন একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করা যায়, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয় আনুগত্যের চেয়ে যোগ্যতা, সততা, জ্ঞান ও বাস্তব সাফল্য - [তেল কি আবার ১০০ ডলারে উঠবে? মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সরবরাহ ঝুঁকিতে বাড়ছে দাম](https://sarakhon.com/news/184899/): মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯০ ডলারের ওপরে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং নতুন সমঝোতার অনিশ্চয়তায় প্রশ্ন উঠেছে—তেলের দাম কি আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছাবে? তেলের বাজারে সরবরাহ ঝুঁকি বাড়ছে বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৯১ দশমিক ৪৭ ডলারে পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক ৪৮ ডলার, যা বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ। বাজার বিশ্লেষক অ্যালেক্স কুপৎসিকেভিচের মতে, সরবরাহে বিঘ্নকে এখন - [হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা ৯২২](https://sarakhon.com/news/184895/): হামসদৃশ উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এর ফলে চলতি বছরে দেশে হাম-সংশ্লিষ্ট নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২২ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ চারটি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হাম মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮২৩। অন্যদিকে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। সন্দেহভাজন হাম রোগী আরও বাড়ল ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৩১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে চলতি বছরে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার - [ইউরোপে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা, তীব্র দাবদাহে ধস নামছে কৃষি উৎপাদনে](https://sarakhon.com/news/184893/): ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে একের পর এক তাপপ্রবাহ ও দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আগামী কয়েক মাসে খাদ্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদেরা। রেকর্ড তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত কৃষি ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম ইউরোপে জুন ও জুলাই ছিল ইতিহাসের উষ্ণতম সময়। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফ্রান্সে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দেশটির বড় একটি অংশে আগস্টের শুরুতেই ভূগর্ভস্থ পানির মজুত ভয়াবহভাবে কমে যায়। ফলে শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটানির একটি বড় কৃষক সমবায় জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে মটরশুঁটির উৎপাদন প্রায় ৪০ - [২০ বছর পূর্তিতে নতুন গান নিয়ে ফিরছে বিগব্যাং](https://sarakhon.com/news/184889/): দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতদল বিগব্যাং আত্মপ্রকাশের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ নতুন একটি গান প্রকাশ করতে যাচ্ছে। দলটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশ হবে নতুন ডিজিটাল একক গান ‘বিইইইজি’। চার বছরেরও বেশি সময় পর নতুন গান নিয়ে ফিরছে দলটি। এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ‘স্টিল লাইফ’ প্রকাশের পর বিগব্যাংয়ের আর কোনো নতুন গান প্রকাশিত হয়নি। তিন সদস্যের সম্মিলিত সৃজনশীলতা নতুন গানটিতে দলের তিন সদস্য জি-ড্রাগন, তেইয়াং ও দেসুংয়ের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটেছে। জি-ড্রাগনের তীক্ষ্ণ র‌্যাপ, তেইয়াংয়ের ছন্দময় কণ্ঠ এবং দেসুংয়ের শক্তিশালী গায়কী গানটিকে আলাদা মাত্রা দেবে বলে জানিয়েছে দলটির প্রতিষ্ঠান। শুধু গান পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি সদস্যরা। গানটির প্রযোজনা, - [বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী ছবি ‘দ্য টেবিল: ডে অ্যান্ড নাইট’](https://sarakhon.com/news/184886/): দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩১তম আসরের উদ্বোধনী ছবি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে নির্মাতা কিম জং-কোয়ানের নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য টেবিল: ডে অ্যান্ড নাইট’। বুধবার উৎসব কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এক ক্যাফেতে চার দম্পতির গল্প কিম জং-কোয়ান পরিচালিত চলচ্চিত্রটির পুরো গল্প আবর্তিত হয়েছে একটি ক্যাফেকে ঘিরে। সেখানে চার দম্পতির প্রাণবন্ত, অন্তরঙ্গ ও কোমল কথোপকথনের মধ্য দিয়ে মানুষের সম্পর্ক, অনুভূতি ও জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন কিম মিন-হা, হান সন-হোয়া, ই হি-জুন, শিম উন-কিয়ং ও কিম ডং-হুইসহ একঝাঁক পরিচিত অভিনয়শিল্পী। উৎসব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘দ্য টেবিল: ডে অ্যান্ড নাইট’ এমন একটি পরিশীলিত ও আত্মবিশ্বাসী চলচ্চিত্র, যেখানে নির্মাতা কিম জং-কোয়ান দীর্ঘদিন - [বিলবোর্ডে নতুন ইতিহাস গড়ল স্ট্রে কিডস, ‘দিস অ্যান্ড দ্যাট’ উঠল ৩৮ নম্বরে](https://sarakhon.com/news/184883/): দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ছেলেদের গানের দল স্ট্রে কিডস আবারও আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে নতুন ইতিহাস গড়েছে। তাদের নতুন একক গান ‘দিস অ্যান্ড দ্যাট’ প্রথমবারের মতো বিলবোর্ডের বহুল আলোচিত একশ গানের তালিকায় ৩৮ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। এটি তালিকাটিতে দলটির এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ অবস্থান। নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল স্ট্রে কিডস যুক্তরাষ্ট্রের সময় মঙ্গলবার প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকায় ‘দিস অ্যান্ড দ্যাট’ ৩৮ নম্বরে আত্মপ্রকাশ করে। গানটি একই নামের নতুন ক্ষুদ্র অ্যালবামের প্রধান গান। স্ট্রে কিডস জানিয়েছে, প্রচলিত ধারা বা বাধ্যবাধকতার মধ্যে নিজেদের আটকে না রেখে নিজেদের ইচ্ছা ও লক্ষ্য অনুসরণ করার সাহসী মানসিকতাই গানটির মূল বক্তব্য। এর আগে বিলবোর্ডের একশ গানের তালিকায় দলটির সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল - [ইওনজুন, ডিনো থেকে ইভান—একক সংগীতে নিজেদের সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণে কে-পপ তারকারা](https://sarakhon.com/news/184880/): কে-পপে শিল্পীদের ভূমিকা এখন আর শুধু মঞ্চে গান গাওয়া, নাচ করা কিংবা নির্ধারিত পরিবেশনা উপস্থাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। নিজেদের গান লেখা, সুর ও সংগীত প্রযোজনা, নৃত্য পরিকল্পনা এবং পুরো প্রকল্পের ভাবনা তৈরিতে সরাসরি যুক্ত হচ্ছেন অনেক শিল্পী। হাইব লেবেলসের তিন শিল্পী ইওনজুন, ডিনো ও ইভানের সাম্প্রতিক একক কর্মকাণ্ড সেই পরিবর্তনেরই স্পষ্ট উদাহরণ। তিন শিল্পীর তিন রকমের সৃজনশীল যাত্রা টুমরো এক্স টুগেদারের ইওনজুন, সেভেনটিনের ডিনো এবং সাবেক এনহাইপেন সদস্য ইভান—তিনজনই নিজেদের একক কাজের ক্ষেত্রে শিল্পী হিসেবে আরও স্বাধীন হয়ে উঠছেন। গান, নৃত্য ও সংগীত প্রযোজনায় সরাসরি যুক্ত হয়ে তাঁরা নিজেদের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলছেন। ইওনজুনের রেকর্ড সাফল্য কে-পপের অন্যতম জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী - [রূপকথার গল্পে ১৭ গানের মহাকাব্য, নতুন অ্যালবামে ওয়ানউইয়ের নতুন অধ্যায়](https://sarakhon.com/news/184877/): দীর্ঘ সাত বছরের সংগীতযাত্রায় নিজেদের সৃষ্টিশীলতার নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে দক্ষিণ কোরিয়ার রক ব্যান্ড ওয়ানউই। এবার ১৭টি গান নিয়ে পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম প্রকাশ করছে পাঁচ সদস্যের এই দল। রূপকথার নানা গল্পকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে তৈরি করা হয়েছে অ্যালবামটি। নাম ‘মিয়ন : আননোন অ্যাটলাস’। বুধবার প্রকাশিত হতে যাওয়া অ্যালবামটির পরিকল্পনা অবশ্য এত বড় ছিল না। দলের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য গিউকের পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম করার ইচ্ছা থেকেই শুরু হয়েছিল ভাবনাটি। পরে একে একে দলের অন্য সদস্যরাও নতুন গান যোগ করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ছোট একটি পরিকল্পনা রূপ নেয় ১৭ গানের বিশাল সংগীতভাণ্ডারে। রূপকথার গল্পে নতুন অর্থ অ্যালবামের প্রতিটি নতুন গান কোনো না কোনো রূপকথাকে ভিত্তি করে - [চার বছর পর জেওয়াইপি-ঘনিষ্ঠ নতুন কন্যাদল ‘আওয়ার বার্থডে’র অভিষেক](https://sarakhon.com/news/184873/): দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতজগতে চার বছর পর জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট-সংশ্লিষ্ট নতুন কন্যাদল হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ‘আওয়ার বার্থডে’। বুধবার সিউলের ইয়ংসান জেলার ব্লু স্কোয়ারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাত সদস্যের দলটি তাদের প্রথম একক গান ‘আওয়ার বার্থডে’ প্রকাশ করে। দলটির সাত সদস্য হলেন কুক চো-রক, কিরারা, বেবি, চো হে-জিন, ইউ, শিন হে-ওন ও আচিরায়া। জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের অধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্নিট এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করা এই দলটি ২০২২ সালে এনমিক্সের অভিষেকের পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত প্রথম নতুন কন্যাদল। সাধারণ দিনকে জন্মদিনের মতো করে তোলার লক্ষ্য ‘আওয়ার বার্থডে’ নামটির মধ্যেই দলের ভাবনা লুকিয়ে আছে। সদস্যরা চান, জীবনের সাধারণ দিনগুলোও যেন জন্মদিনের মতো আনন্দময় ও - [গুয়াহাটিতে ফের বন্যা, চিড়িয়াখানার দেয়াল ধসে আতঙ্ক](https://sarakhon.com/news/184870/): ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটিতে টানা ভারী বৃষ্টিতে বুধবার আবারও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। রাতভর বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকা হাঁটুপানিতে ডুবে যায়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। একই সঙ্গে আসাম স্টেট জু-কাম-বোটানিক্যাল গার্ডেনের সীমানাপ্রাচীরের একটি অংশ ধসে পড়ায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জাপোরিগোগ পাশের দেয়াল ধস বুধবার ভোরে টানা বৃষ্টিতে দুর্বল হয়ে পড়া চিড়িয়াখানার জাপোরিগোগ পাশের সীমানাপ্রাচীরের একটি অংশ হঠাৎ ধসে যায়। দেয়াল ভেঙে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর জাপোরিগোগ ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বিশেষ করে চিড়িয়াখানা থেকে কোনো প্রাণী বেরিয়ে আসতে পারে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। - [হরমুজ সংকট কি তেলের বাজারে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে?](https://sarakhon.com/news/184758/): মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। শুরুতে তেলের বাজার যে আতঙ্ক দেখিয়েছিল, সময়ের সঙ্গে তার তীব্রতা কিছুটা কমেছে। কিন্তু সেই আতঙ্ক পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি। বরং বাজারের আচরণে এখন অন্য ধরনের আশঙ্কা স্পষ্ট—হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহনের বাধা হয়তো সাময়িক কোনো ধাক্কা নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী এক বাস্তবতায় পরিণত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের পর ১৭ জুন যে অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, তা কার্যত ভেঙে পড়েছে। আলোচনার জন্য নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমাও শেষ হয়েছে। কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ নিয়ে সমঝোতার কোনো দৃশ্যমান পথ তৈরি হয়নি। দুই পক্ষই বরং নিজেদের অবস্থানে আরও অনড় হয়ে - [মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে চরম সংকট: খাবার-সরবরাহের ঘাটতি, ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ছেন নাবিকরা](https://sarakhon.com/news/184867/): ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণুচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন সমুদ্রে অবস্থান, সরবরাহ সংকট, নিম্নমানের খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতি এবং নাবিকদের মানসিক অবসাদ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এসব অভিযোগের কারণে নাবিকদের পরিবারের পাশাপাশি মার্কিন আইনপ্রণেতারাও প্রতিরক্ষা দপ্তরের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছেন। রণতরীটি প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও সদস্য বহনে সক্ষম। একই সঙ্গে এতে সর্বোচ্চ প্রায় ৯০টি যুদ্ধবিমান রাখা যায় এবং পূর্ণ সক্ষমতায় দিনে শতাধিক যুদ্ধ অভিযান পরিচালনা করতে পারে। গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা করা জাহাজটি ইতোমধ্যে ২৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েনে - [ট্রাম্পের ক্ষোভের কেন্দ্রে দক্ষিণ কোরিয়া, বদলে যাচ্ছে মার্কিন জোটনীতি](https://sarakhon.com/news/184864/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন শুধু যৌথ সামরিক মহড়া বা প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে বিরোধ নয়। এর পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক জোটব্যবস্থা নতুন করে মূল্যায়নের একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টা। ট্রাম্প এখন স্পষ্টভাবে দেখতে চাইছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশের নিরাপত্তার জন্য বিপুল অর্থ ও সামরিক শক্তি ব্যয় করে, সেসব মিত্র বিনিময়ে ওয়াশিংটনকে কী দিচ্ছে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে বার্ষিক যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার আগে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ তিনি দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, এসব মহড়া ব্যয়বহুল এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বৈরী বার্তা পাঠায়। তবে বিষয়টি শুধু উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে নয়। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের - [ট্রাম্পের হুমকির মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাল ডেনমার্ক](https://sarakhon.com/news/184861/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মধ্যে প্রথমবারের মতো নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সেনাদের গ্রিনল্যান্ডে মোতায়েন করেছে ডেনমার্ক। আর্কটিক অঞ্চলের এই ভূখণ্ডের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ় করতেই কোপেনহেগেন এ পদক্ষেপ নিয়েছে। ডেনমার্কের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আগস্টের শুরুতে শ্লেসভিগ পদাতিক রেজিমেন্টের প্রায় ১০০ সেনা গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক-এ পৌঁছেছেন। সেখানে তারা সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। একদল সেনাকে নুকে রাখা হয়েছে, আর অন্যদের পাঠানো হয়েছে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উত্তরে কানগেরলুসুয়াক এলাকায়। সেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি বিমানঘাঁটি ব্যবহার করত। দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রশিক্ষণে নতুন সেনারা গ্রিনল্যান্ডে মোতায়েন হওয়া সেনারা ডেনমার্কের সামরিক বাহিনীতে প্রথমবারের মতো ১১ মাসের দায়িত্ব - [আইফোনের ২৯ নিরাপত্তা ত্রুটি ঠিক করল অ্যাপল, ঝুঁকিতে ছিল সংবেদনশীল তথ্য](https://sarakhon.com/news/184858/): প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা জোরদারে আইফোন ও আইপ্যাডের জন্য নতুন নিরাপত্তা হালনাগাদ প্রকাশ করেছে অ্যাপল। এতে মোট ২৯টি নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। এসব ত্রুটির কয়েকটি কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস, মূল ব্যবস্থার স্মৃতি পড়া কিংবা ক্ষতিকর নির্দেশনা চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারত। অ্যাপলের প্রকাশিত নিরাপত্তা তথ্য অনুযায়ী, ১৭ আগস্ট আইফোনের জন্য আইওএস ২৬.৬.১ এবং আইপ্যাডের জন্য আইপ্যাডওএস ২৬.৬.১ উন্মুক্ত করা হয়েছে। আইফোন ১১ ও পরবর্তী সংস্করণ এবং নির্দিষ্ট সমর্থিত আইপ্যাডে এসব হালনাগাদ প্রযোজ্য। সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা সংশোধন করা ত্রুটিগুলোর মধ্যে শব্দ ব্যবস্থার একটি দুর্বলতা ছিল। এর সুযোগ নিয়ে কোনো ক্ষতিকর অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য বের করে নিতে পারত। মূল - [গাজায় যুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরেছে ‘আমেরিকান ডাক্তার’ প্রামাণ্যচিত্র](https://sarakhon.com/news/184854/): প্রামাণ্যচিত্রটি তিনজন মার্কিন চিকিৎসকের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত হাসপাতাল ও চিকিৎসাব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। চিকিৎসকদের একজন মার্ক পার্লমাটার বলেন, বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশে দুর্যোগ ও সংঘাতের পর চিকিৎসাসেবায় কাজ করলেও গাজায় দেখা অভিজ্ঞতা তার আগের সব অভিজ্ঞতাকে ছাড়িয়ে গেছে। পরিচালক পো সি তেং সংঘাতের পক্ষে-বিপক্ষে রাজনৈতিক ব্যাখ্যার বদলে চিকিৎসকদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন। তিন চিকিৎসকের মধ্যে পার্লমাটার ইহুদি, থায়ের আহমদ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মুসলিম এবং ফেরোজ সিধওয়া জরথুস্ত্রীয় পরিবারের সন্তান। হাসপাতালে হামলার অভিযোগ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে বিপুলসংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরায়েল চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলার বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করে, এসব স্থাপনার নিচে হামাসের যোদ্ধা ও - [নতুন মার্কিন গ্রিন কার্ড নীতিতে চাপে পড়তে পারেন ভারতীয়রা](https://sarakhon.com/news/184852/): যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পেতে আবেদন করা হাজারো ভারতীয় নাগরিক নতুন অভিবাসন নীতির কারণে বাড়তি আর্থিক যাচাইয়ের মুখে পড়তে পারেন। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন নির্দেশনায় আবেদনকারীর সরকারি সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি আগের তুলনায় বেশি গুরুত্ব পাবে। সরকারি সহায়তা ব্যবহারে বাড়তি নজর নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার কর্মকর্তারা কোনো আবেদনকারী ভবিষ্যতে সরকারের ওপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা নির্ধারণের সময় আবাসন সহায়তা, খাদ্য সহায়তা, শিক্ষার আর্থিক সহায়তাসহ আয়ভিত্তিক সরকারি সুবিধা বিবেচনায় নিতে পারবেন। এই পরিবর্তনটি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে চালু হওয়া ২০২২ সালের সরকারি সুবিধা-সংক্রান্ত বিধান বাতিলের পর এসেছে। - [হরমুজে তেল সরবরাহ অনিশ্চিত, ৯১ ডলার ছাড়াল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম](https://sarakhon.com/news/184848/): মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা থমকে গেছে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ শেষ করার আলোচনা অচল হয়ে পড়ায় তারা সামরিক অবস্থান আরও আক্রমণাত্মক করবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে উত্তর সাগরের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯১ ডলার ছাড়িয়ে যায়। দাম বেড়ে ৯১ ডলার ১৪ সেন্টে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ৮৫ ডলার - [ভোপালে বিদ্যালয় একীভূতকরণের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা, আন্দোলন জোরদারের হুঁশিয়ারি](https://sarakhon.com/news/184846/): ভোপালে প্রস্তাবিত বিদ্যালয় একীভূতকরণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শহরের আঞ্চলিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে পরীক্ষামূলক ও উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থার স্বাতন্ত্র্য নষ্ট হতে পারে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তারা প্রস্তাবিত একীভূতকরণ বাতিলের দাবি জানায় এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান কাঠামো ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার আহ্বান জানায়। পরে শিক্ষার্থীরা আঞ্চলিক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এস কে গুপ্তের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। এতে একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং পরীক্ষামূলক বিদ্যালয়গুলোর বর্তমান ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানানো হয়। পরীক্ষামূলক শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠা - [ভারত–পাকিস্তান হকি মহারণে আজ বাঁচা-মরার লড়াই, পরের পর্বে উঠতে ভারতের দরকার এক পয়েন্ট](https://sarakhon.com/news/184843/): দশ বছর পর নয়, দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ হকির মঞ্চে আবার মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। বুধবার নেদারল্যান্ডসের আমস্টেলভিনে ওয়াগেনার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে পুল ডি-এর বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি। প্রায় ১০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি এরই মধ্যে পুরোপুরি পূর্ণ। দুই দলের জন্যই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সমীকরণে বড় পার্থক্য রয়েছে—পরের পর্ব নিশ্চিত করতে ভারতের প্রয়োজন অন্তত এক পয়েন্ট, আর বিশ্বকাপে টিকে থাকতে পাকিস্তানকে জিততেই হবে। একসময় পাকিস্তানের দাপট, এখন ভারতের আধিপত্য ভারত ও পাকিস্তানের হকি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাস কয়েক দশকের পুরোনো। ১৯৫৬ সালের অলিম্পিকে প্রথম উল্লেখযোগ্য লড়াইয়ে ভারত ১-০ গোলে পাকিস্তানকে হারায়। তবে ষাটের দশক থেকে পাল্লা ভারী হতে থাকে পাকিস্তানের দিকে। - [গল-এ সুতারের ঘূর্ণিতে কুপোকাত শ্রীলঙ্কা, ১৬৫ রানে জিতে সিরিজে এগিয়ে ভারত](https://sarakhon.com/news/184840/): গল টেস্টে ম্যানভ সুতারের দুর্দান্ত ঘূর্ণি বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ১৬৫ রানে হারিয়ে সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। ম্যাচে মোট ১০ উইকেট নিয়ে ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন বাঁহাতি এই স্পিনার। পঞ্চম দিনের শেষ সেশনের আগেই ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংস ২০৬ রানে গুটিয়ে দিতে সুতার নেন ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসে তাঁর শিকার ছিল ৪ উইকেট। সব মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি। শেষ সকালে লড়াই জমিয়ে তুলেছিল শ্রীলঙ্কা জয়ের জন্য ৩৭৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করা শ্রীলঙ্কা ৮৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়েও হাল ছাড়েনি। অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও সোনাল - [হংকং শেয়ারবাজারে রেকর্ড আয়, চীনা কোম্পানির তালিকায় বাড়ছে জোয়ার](https://sarakhon.com/news/184837/): হংকংয়ের শেয়ারবাজার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হংকং এক্সচেঞ্জেস অ্যান্ড ক্লিয়ারিং ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড আয় করেছে। চীনা কোম্পানিগুলোর নতুন শেয়ার ছাড়ার প্রবণতা এবং বাজারে লেনদেনের ব্যাপক বৃদ্ধির ফলে প্রতিষ্ঠানটির আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে। নতুন শেয়ার ছাড়ায় বড় উত্থান চীনের মূল ভূখণ্ডের বিভিন্ন কোম্পানি হংকংয়ের বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছে। এর ফলে নতুন শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রমে গতি এসেছে। একই সঙ্গে পুরোনো শেয়ারের কেনাবেচাও বেড়েছে, যা বাজার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ঝুঁকি থাকলেও চীনের প্রবেশদ্বার হংকং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও হংকং চীনা প্রতিষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে - [গাইবান্ধায় নদীভাঙনে এক মাসে ৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন, ঝুঁকিতে আরও ৬](https://sarakhon.com/news/184833/): গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ নদীভাঙনে মাত্র এক মাসে নয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে আরও ছয়টি বিদ্যালয় রয়েছে তীব্র ভাঙনঝুঁকিতে। এতে প্রায় ৩ হাজার শিশুর শিক্ষা কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছে গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়। ভাঙনে বিদ্যালয় বিলীন মঙ্গলবার ভোরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তিস্তার ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়টি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে বিদ্যালয়টি রক্ষার চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া যায়নি। চলতি ভাঙন মৌসুমে ফুলছড়ি উপজেলার চর - [রাজবাড়ীতে চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবক নিহত](https://sarakhon.com/news/184831/): রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় চুরির অভিযোগে গণপিটুনির শিকার হয়ে জোজ আলী বিশ্বাস নামে ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে উপজেলার পঞ্চবারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, নিহত জোজ আলী বিশ্বাস উপজেলার মাজাইল গ্রামের শুকুর আলী বিশ্বাসের ছেলে। ভোর ৫টার দিকে পঞ্চবারিয়া গ্রামের করিম মণ্ডলের মালিকানাধীন একটি মিলে মোটর চুরির চেষ্টা করার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। এরপর তাকে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জোজ আলীকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের বক্তব্য পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, স্থানীয় - [জারা লারসনের স্বীকারোক্তি, ‘কনসার্টের টিকিট এত দামি হওয়া উচিত নয়’](https://sarakhon.com/news/184825/): সুইডিশ পপ তারকা জারা লারসন নিজেই স্বীকার করেছেন, ব্যাংককে তাঁর আসন্ন কনসার্টের টিকিটের দাম অনেক বেশি। ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া সমালোচনার সঙ্গে একমত হয়ে তিনি বলেছেন, একটি কনসার্টে যেতে দর্শকদের যেন কয়েক মাস ধরে টাকা জমাতে না হয়। ভক্তদের অভিযোগে একমত জারা জারা লারসনের ‘মিডনাইট সান’ সফরের ব্যাংকক পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী ১ নভেম্বর। এই আয়োজনের টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৮০০ থেকে ৯ হাজার থাই বাত পর্যন্ত। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণও বেশ বড়। মার্কিন মুদ্রায় টিকিটের দাম প্রায় ৮৪ থেকে ২৭০ ডলারের সমান। ব্যাংককের কনসার্টের টিকিটের দাম নিয়ে ভক্তদের সমালোচনার জবাবে জারা লারসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক - [ডায়ানার অজানা সত্য প্রকাশ করবেন ভাই চার্লস স্পেন্সার, আসছে ‘সোয়ান সং: ডায়ানা, মাই সিস্টার’](https://sarakhon.com/news/184821/): প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী ডায়ানার জীবন ও মৃত্যুকে ঘিরে এতদিনের নানা অজানা কথা এবার প্রকাশ্যে আনতে চান তাঁর ছোট ভাই চার্লস স্পেন্সার। ডায়ানার মৃত্যুর ৩০তম বার্ষিকী সামনে রেখে তিনি লিখেছেন নতুন বই, যেখানে বোনকে নিয়ে নিজের স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন তিনি। চার্লস স্পেন্সার জানিয়েছেন, বোনের বিষয়ে প্রচলিত অনেক ধারণা আসলে সময়ের সঙ্গে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কিছু অসত্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই এবার নিজের স্মৃতি ও ভাবনা নিজেই লিখে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ডায়ানাকে নিয়ে ভাইয়ের নিজের ভাষ্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বইটিতে স্পেন্সার ডায়ানার সঙ্গে তাঁর জীবনের বিস্ময়কর নানা ঘটনা এবং ১৯৯৭ সালে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর সপ্তাহের ঘটনাগুলো তুলে ধরবেন। - [প্রিমিয়ার লিগে কে কোথায় শেষ করবে: আর্সেনালকে চ্যাম্পিয়ন দেখছেন ফিল ম্যাকনাল্টি](https://sarakhon.com/news/184817/): নতুন মৌসুম শুরুর আগে ইংল্যান্ডের শীর্ষ ফুটবল লিগে ২০ দলের সম্ভাব্য অবস্থান নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন প্রধান ফুটবল লেখক ফিল ম্যাকনাল্টি। গত মৌসুমে লিভারপুলকে শিরোপার অন্যতম ফেভারিট হিসেবে দেখা হলেও শেষ পর্যন্ত তারা পঞ্চম স্থানে নেমে যায় এবং কোচ আর্নে স্লটকে বিদায় নিতে হয়। এবার শীর্ষ লিগে নতুন কোচের সংখ্যা নয়জন। ফলে এবারের ভবিষ্যদ্বাণীকে নিজের করা সবচেয়ে কঠিন পূর্বাভাসগুলোর একটি বলে মনে করছেন ম্যাকনাল্টি। তাঁর পূর্বাভাসে গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল এবারও শিরোপা ধরে রাখবে। ম্যানচেস্টার সিটি দ্বিতীয়, লিভারপুল তৃতীয় এবং চেলসি চতুর্থ হয়ে মৌসুম শেষ করতে পারে বলে তাঁর ধারণা। ১. আর্সেনাল গত মৌসুম: চ্যাম্পিয়ন ২২ বছর পর প্রথমবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের - [গাজায় নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে অসহায় পরিবার, মৃত্যু না বন্দিত্ব—জানেন না কেউ](https://sarakhon.com/news/184815/): গাজায় যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে হাজারো মানুষ নিখোঁজ। কেউ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন কি না, কেউ হামলায় নিহত হয়েছেন কি না, আবার কেউ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন কি না—কোনোটিই নিশ্চিতভাবে জানতে পারছেন না তাঁদের স্বজনেরা। প্রিয়জনের জীবিত-মৃত্যুর অনিশ্চয়তায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে। গাজা শহরের আংশিক ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িতে বসে মাজদিয়া আল মাধুন তাঁর মুঠোফোনে ছেলের ভিডিও দেখান। ভিডিওতে দেখা যায়, আহমেদ আল মাধুন একটি বিড়ালছানাকে জড়িয়ে ধরে আছে। আনন্দে জিহ্বা বের করে চিৎকার করে হাসছে সে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, সে সুইমিং পুলে ঝাঁপ দিয়ে উঠে হাসিমুখে তাকিয়ে আছে। মাজদিয়ার ভাষায়, আহমেদ ছিল এমন এক তরুণ, - [জলপথ ও অবকাঠামো রক্ষায় মিশরের নতুন ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/184809/): মিশরে জলপথ, পানি অবকাঠামো এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন জমিতে অবৈধ দখল ও অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত করতে ডিজিটাল স্থানিক নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রচলিত পরিদর্শননির্ভর নজরদারির পরিবর্তে নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন এলাকার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হবে। মিশরের পানি সম্পদ ও সেচমন্ত্রী হানি সিউইলাম জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের কয়েকটি কেন্দ্রীয় বিভাগে ইতোমধ্যে ‘স্পেশাল চেঞ্জেস মনিটরিং সিস্টেম’ চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট কেন্দ্রীয় বিভাগ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন সব এলাকায় এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। ডিজিটাল নজরদারিতে আগেই ধরা পড়বে দখল ও অনিয়ম সিস্টেমটির মূল লক্ষ্য হলো জলপথ, পানি অবকাঠামো ও মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রিত জমিতে নতুন কোনো অবৈধ দখল, অননুমোদিত ব্যবহার বা অন্যান্য - [কোর্টবাজারে সড়কের ডিভাইডার ভাঙার চেষ্টা, ঘটনাস্থলে ইউএনও](https://sarakhon.com/news/184804/): কক্সবাজারের উখিয়ার কোর্টবাজারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্মিত সড়ক বিভাজকের একটি অংশ ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে এক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের ইন্ধনে কোর্টবাজারের ইজারাদার ও উপ-ইজারাদারদের সহযোগিতায় সড়ক বিভাজকের একটি অংশ ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে। ড্রিল মেশিন দিয়ে বিভাজকে ভাঙার জন্য চিহ্ন দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে চিহ্নিত অংশের কিছু জায়গা ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। বাকি চিহ্নিত অংশও ভেঙে ফেলার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে ইউএনও অভিযোগের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার ঘটনাস্থলে যান। তিনি সড়ক বিভাজকের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ - [সৌদি আরব-সংযুক্ত আরব আমিরাতের আর্থিক সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন, অর্থ স্থানান্তরে কড়াকড়ি](https://sarakhon.com/news/184803/): সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অর্থ স্থানান্তরের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নির্বাহী ও বিভিন্ন কোম্পানির কর্মকর্তারা। উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্যের মধ্যেই এমন পদক্ষেপের খবর সামনে এলো। মে থেকেই অর্থ স্থানান্তরে বিলম্ব সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কোম্পানিগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সৌদি আরবের ব্যাংকগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাত-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মুদ্রার অর্থ স্থানান্তর বিলম্বিত, আটকে দেওয়া কিংবা ফেরত পাঠাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরনের পদক্ষেপের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যাও দেওয়া হচ্ছে না। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা দেয়নি। দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিশেষ আর্থিক নিষেধাজ্ঞা বা - [কানাডার ওপর নতুন শুল্ক ৩ দিনের জন্য স্থগিত, ট্রাম্প বললেন—চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত](https://sarakhon.com/news/184797/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর আরোপের জন্য নির্ধারিত ৫০ শতাংশ নতুন শুল্ক তিন দিনের জন্য স্থগিত করেছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, বুধবার সকাল থেকে কানাডার পণ্যের ওপর কার্যকর হওয়ার কথা থাকা ৫০ শতাংশ শুল্ক তিন দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, চুক্তির নথিপত্র চূড়ান্ত করা সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার দুই ঘণ্টারও কম সময় আগে ট্রাম্প এই ঘোষণা - [মনোযোগ নয়, শিক্ষার আসল শক্তি আবেগ—দস্তয়েভস্কি দেখালেন শিক্ষকের কাজের নতুন পথ](https://sarakhon.com/news/184793/): শিক্ষককে যে আবেগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখতে চান, সেই আবেগেরই আদর্শ হতে হবে গত সেমিস্টারে আমি প্রথমবারের মতো ফিওদর দস্তয়েভস্কির ‘দ্য ব্রাদার্স কারামাজভ’ পড়েছি। আমার পেশার কথা বিবেচনা করলে—আমি একটি ধ্রুপদি গ্রন্থভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের অধ্যাপক—বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস না পড়ে থাকা আমার জন্য বিব্রতকর, প্রায় পেশাগত দায়িত্বে অবহেলার মতোই। তাই সহশিক্ষক অ্যালান যখন তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় এক হাজার পৃষ্ঠার এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটি পাঠ্য করার প্রস্তাব দিলেন, আমি আগ্রহের সঙ্গেই রাজি হয়ে গেলাম। ‘দ্য ব্রাদার্স কারামাজভ’ আমাকে এমনভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল, যা বহু বছর, সম্ভবত কয়েক দশক ধরে আর কোনো বই পারেনি। অন্য কিছু নিয়ে প্রায় ভাবতেই পারছিলাম না। - [গ্যারেজে জন্ম, ট্র্যাকে তৈরি—ফর্মুলা ওয়ানে কিমি আন্তোনেল্লির দুর্দান্ত উত্থান](https://sarakhon.com/news/184790/): মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ফর্মুলা ওয়ানের শিরোপা দৌড়ে সবার নজর কেড়ে নিয়েছেন কিমি আন্তোনেল্লি। দ্বিতীয় মৌসুমেই তাঁর দাপট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সতীর্থ জর্জ রাসেলের ওপর নিয়মিত আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের অন্যতম বড় দাবিদার হয়ে উঠেছেন। কিন্তু এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে ছোটবেলা থেকে গড়ে ওঠা অসাধারণ প্রতিভা, বাবার ত্যাগ, ব্যর্থতার চাপ এবং নিজের মানসিক দৃঢ়তার দীর্ঘ গল্প। ১০ বছর বয়সেই বাবার চোখে ধরা পড়ে বিশেষ প্রতিভা কিমির বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। উত্তর-পূর্ব ইতালির আদ্রিয়া সার্কিটে তাঁর বাবা মার্কো আন্তোনেল্লির সঙ্গে ছিলেন তিনি। মার্কো তখন নিজের ল্যাম্বরগিনি ক্রীড়া গাড়ির দল নিয়ে সেখানে ছিলেন, আর কিমি অংশ নিচ্ছিলেন কার্টিং প্রতিযোগিতায়। - [বিটিএস তারকা আরএমের শিল্পভ্রমণ, কোরীয় আধুনিকতার সঙ্গে বিশ্বকে সেতুবন্ধনের প্রয়াস](https://sarakhon.com/news/184787/): বিটিএস তারকা আরএম এবার গানের মঞ্চ পেরিয়ে আধুনিক শিল্পের জগতে নিজের সংগ্রহ নিয়ে হাজির হচ্ছেন। নিজের দীর্ঘদিনের শিল্পসংগ্রহকে সামনে রেখে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো আধুনিক শিল্প জাদুঘরে এমন এক প্রদর্শনীর আয়োজন করছেন, যার লক্ষ্য কোরীয় শিল্প ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের আরও বড় দর্শকসমাজের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আগামী ৩ অক্টোবর সান ফ্রান্সিসকো আধুনিক শিল্প জাদুঘরে শুরু হবে এই বিশেষ প্রদর্শনী। সেখানে জাদুঘরের সংগ্রহ থেকে ৪৫টি শিল্পকর্মের পাশাপাশি আরএমের ব্যক্তিগত সংগ্রহের ১৪৫টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হবে। প্রদর্শনীটি চলবে আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রায় পুরো একটি তলা জুড়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শিল্পীদের কাজের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত বহু কোরীয় শিল্পীর কাজও স্থান - [লাহোরে আবার বসন্ত উৎসব, ২০২৭ সালের আয়োজন ১২ থেকে ১৪ মার্চ](https://sarakhon.com/news/184784/): সফল বসন্ত উৎসবের ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালেও পাকিস্তানের লাহোরে বসছে তিন দিনের ‘বসন্ত লাহোর’। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ মঙ্গলবার ঘোষণা করেছেন, আগামী বছরের ১২ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত লাহোরজুড়ে চলবে এই উৎসব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, বসন্ত উৎসব ঘিরে লাহোর আবারও রং, সংস্কৃতি, উৎসব, সংগীত, প্রাণচাঞ্চল্য ও ঐতিহ্যবাহী আতিথেয়তায় মুখর হয়ে উঠবে। পাঞ্জাব ও পাকিস্তানের তরুণদের উদ্দেশে তিনি উৎসবে অংশ নিয়ে একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি এবং স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরির আহ্বান জানান। প্রবাসীদেরও লাহোরে আমন্ত্রণ প্রবাসী পাকিস্তানি ও আন্তর্জাতিক অতিথিদেরও আগামী বছরের উৎসবের তারিখ ক্যালেন্ডারে চিহ্নিত করে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, লাহোরের রং ও উৎসবের উষ্ণতা - [ভারতীয় উড়োজাহাজে পাকিস্তানের আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞা ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ল](https://sarakhon.com/news/184781/): ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে পাকিস্তান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভারতীয় বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে না। পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটির (পিএএ) জারি করা নতুন নোটাম বা নোটিস টু এয়ারম্যানের মাধ্যমে এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। নোটাম নম্বর এ৪৭৬/২৬ অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট থেকে এই বর্ধিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। ভারতীয় বিমান চলাচলে বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তানের নতুন নোটিশে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে ভারতে নিবন্ধিত সব ধরনের উড়োজাহাজ। একই সঙ্গে ভারতীয় এয়ারলাইনসের বিমান, ভারতের ভাড়া নেওয়া উড়োজাহাজ এবং ভারতীয় নাগরিকদের মালিকানাধীন বা পরিচালিত বাণিজ্যিক ও সামরিক উড়োজাহাজও এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে - [ইসলামাবাদ-রাওয়ালপিন্ডিতে টানা বৃষ্টি, লেহ নালায় বন্যার সতর্কতা](https://sarakhon.com/news/184777/): পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ ও পার্শ্ববর্তী রাওয়ালপিন্ডিতে টানা তৃতীয় দিনের ভারী বৃষ্টিতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় লেহ নালায় বন্যার সতর্কতা জারি করেছে পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি)। আগামী কয়েক ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমে স্থানীয় নালাগুলোর পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। লেহ নালায় পানির উচ্চতা বেড়ে বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে পিএমডি জানিয়েছে, লেহ নালার কাটারিয়ান ও গাওয়ালমান্ডি পয়েন্টে পানির উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় সতর্কতা জারি করা হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় কাটারিয়ানে পানির উচ্চতা ২১ ফুট এবং গাওয়ালমান্ডিতে ১৬ ফুটে পৌঁছায়। পরে পানির উচ্চতা কিছুটা কমলেও সকাল সাড়ে ১১টায় কাটারিয়ানে ১৬ ফুট এবং - [‘নিট পরীক্ষা পদ্ধতি ভুল-প্রতিরোধী, ফাঁকি দেওয়া কঠিন’: সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র](https://sarakhon.com/news/184774/): ভারতের জাতীয় যোগ্যতা ও ভর্তি পরীক্ষা (নিট-ইউজি) পরিচালনার বর্তমান পদ্ধতিকে ‘ভুল-প্রতিরোধী’ এবং এতে কারচুপি করা অত্যন্ত কঠিন বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু মানবিক হস্তক্ষেপ থাকার কথাও স্বীকার করেছে সরকার। নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর পরীক্ষা বাতিল ও পুনরায় আয়োজন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এ বক্তব্য দেয় কেন্দ্র। ফাউন্ডেশন ফর অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসসহ (এফএআইএমএ) সংশ্লিষ্টদের করা এক আবেদনের শুনানিতে পরীক্ষার পদ্ধতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিস্তারিত তুলে ধরে সরকার। প্রশ্নপত্র তৈরিতে একাধিক ধাপ সরকারের পক্ষে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রশ্নপত্র তৈরির পুরো প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি পদার্থবিজ্ঞানের ১০০ প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্র তৈরির - [তামিলনাড়ুতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ, মিনিটেই প্রত্যাহার](https://sarakhon.com/news/184771/): তামিলনাড়ুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঠেকাতে কর্মকর্তাদের ‘সমন্বিত পদক্ষেপ’ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করেছে রাজ্য সরকার। বামপন্থী দল এবং তামিলনাড়ু ককরোচ জনতা পার্টির (টিএনসিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল ওই নির্দেশনায়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের অধীন কলেজ শিক্ষা দপ্তর থেকে রাজ্যের সব সরকারি কলা ও বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে নির্দেশটি পাঠানো হয়। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শিক্ষার্থী ও তরুণদের এসব বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঠেকাতে ‘উপযুক্ত সমন্বিত ব্যবস্থা’ নিতে বলা হয়েছিল। বিষয়টিকে ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলেও উল্লেখ করা হয়। স্কুল, উচ্চশিক্ষা ও পুলিশের সমন্বয়ের নির্দেশ প্রত্যাহার করা ওই নির্দেশনায় - [বেগমগঞ্জে ১২ দিনে ৮ জনকে গুলি, অস্ত্রধারীরা এখনও অধরা](https://sarakhon.com/news/184767/): নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার, পূর্বশত্রুতা ও রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ১২ দিনে অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ৬ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত উপজেলার আলাইয়ারপুর, গোপালপুর ও চৌমুহনী পৌর হকার্স মার্কেট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। প্রতিটি ঘটনার পর থানায় মামলা বা অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। গায়ে হলুদে যাওয়ার পথে পাঁচজনকে গুলি সর্বশেষ সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের মোশাকপুর গ্রামের রমনিরহাট এলাকায় গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে পাঁচজনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে নজরুল ইসলাম শান্ত, মারুফ আহমেদ, জসিম উদ্দিন, সাকিব হোসেন ও মো. বাবলু আহত হন। - [দীপু মনি প্যারোলে মুক্তি পেলেই স্বামীর জানাজা ও দাফনের সিদ্ধান্ত](https://sarakhon.com/news/184763/): মুন্সীগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্তের পরই তার স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনের সময় এবং স্থান চূড়ান্ত করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দীপু মনির আইনজীবী ও স্বজনরা বর্তমানে মুন্সীগঞ্জে অবস্থান করছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। স্বামীর জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু জানিয়েছেন, রাত - [কলকাতায় হোটেলে নিহত বাংলাদেশিরা সকলে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য](https://sarakhon.com/news/184761/): চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন নয় বাংলাদেশি। বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে নিউ মার্কেটের কাছে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুন লাগলে তারা ভেতরে আটকা পড়েন। পরে উদ্ধার অভিযানে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভোরে হোটেলে ভয়াবহ আগুন ভোর ৩টার দিকে হোটেলটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বেশ কয়েকজন অতিথি বের হতে পারেননি। খবর পেয়ে চারটি দমকলের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যোগ দেন। দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতরে আটকে পড়া অতিথিদের উদ্ধারে অভিযান চালান। তবে ঘন ধোঁয়ার কারণে ওপরের তলায় পৌঁছাতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়। একপর্যায়ে - [মেধাবী বিজ্ঞানীদের টানতে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের লড়াই, বদলে যাচ্ছে আকর্ষণের কেন্দ্র](https://sarakhon.com/news/184755/): বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের সবচেয়ে মেধাবী গবেষকদের প্রধান গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। উন্নত গবেষণার পরিবেশ, বিপুল অর্থায়ন, স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রই ছিল উচ্চাভিলাষী বিজ্ঞানীদের কাছে সবচেয়ে স্বাভাবিক পছন্দ। কিন্তু সেই চিত্রে এখন ধীরে ধীরে পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। অর্থায়ন কমে যাওয়া, কঠোর অভিবাসন নীতি এবং চীনা বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানীদের নিয়ে বাড়তে থাকা সন্দেহ যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সুবিধাকে দুর্বল করছে। একই সময়ে চীনও বিদেশি বিজ্ঞানীদের জন্য ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। চীনে ফিরছেন গবেষক, বাড়ছে নতুন সম্ভাবনা এই পরিবর্তনের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ঝিলিন ইয়াং। কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে পিএইচডি করার পর যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার যথেষ্ট - [কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ আগুন, বাংলাদেশিসহ নিহত ৯](https://sarakhon.com/news/184752/): ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে শহরের ব্যস্ত নিউ মার্কেট এলাকার কাছে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে এ আগুন লাগে। নিহত বাংলাদেশি নাগরিকরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে ভারতের ফায়ার সার্ভিস বিভাগ। প্রাথমিকভাবে আগুনের ঘটনায় আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ শেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবনটিতে শীতলীকরণ কার্যক্রম চলছিল। ভোররাতে হোটেলে ভয়াবহ আগুন স্থানীয় সময় বুধবার রাত ২টার দিকে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ওই হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। নিউ মার্কেটসংলগ্ন এলাকাটি কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। খবর পেয়ে চারটি দমকলের - [ফুরিয়ে আসছে এলএনজি মজুত, ২০ আগস্টের কার্গোর অপেক্ষায় মহেশখালী](https://sarakhon.com/news/184749/): মহেশখালীর দুই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। দৈনিক সর্বোচ্চ ১১০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ সক্ষমতার বিপরীতে মঙ্গলবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস গেছে মাত্র ৬৬ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে এলএনজির মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসায় সরবরাহে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। গ্যাসের এই সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে পড়তে শুরু করেছে উৎপাদনমুখী শিল্পকারখানা, সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। কোথাও গ্যাসের চাপ কমেছে, আবার কোথাও উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না। মহেশখালীতে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি পরিচালনা করছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট - [যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম জলাধারগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে, গভীর সংকটে কলোরাডো নদী](https://sarakhon.com/news/184745/): যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পানির সংকট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশটির সবচেয়ে বড় দুই জলাধার লেক পাওয়েল ও লেক মিডে পানির স্তর নেমে গেছে নজিরবিহীনভাবে। এর ফলে কোটি মানুষের পানীয় জল, কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পকারখানার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। রেকর্ড সর্বনিম্ন পানির স্তর কলোরাডো নদীর ওপর অবস্থিত লেক পাওয়েল ও লেক মিড পুরো অঞ্চলের পানির অন্যতম প্রধান ভরসা। চলতি আগস্টে লেক পাওয়েলের পানির স্তর রেকর্ড সর্বনিম্নে নেমেছে। এর এক সপ্তাহ আগেই লেক মিডেও রেকর্ড সর্বনিম্ন পানি পরিলক্ষিত হয়। দুই জলাধারে সম্মিলিতভাবে বর্তমানে যতটুকু পানি রয়েছে, ১৯৫৭ সালের পর আর কখনো এত কম পানি ছিল না। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ওই সময় লেক - [পেন্টাগনের হাতে ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’: সম্পাদক-প্রকাশকসহ তিন সাংবাদিক বরখাস্ত](https://sarakhon.com/news/185384/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন দেশটির সামরিক বাহিনীভিত্তিক সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’-এর প্রধান সম্পাদক এরিক স্লাভিন ও প্রকাশক ম্যাক্স লেডেরারকে বরখাস্ত করেছে। একই দিনে প্রতিষ্ঠানটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদদাতা লারা কোর্টেকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই সামরিক সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিয়ে পেন্টাগনের হস্তক্ষেপের আশঙ্কার মধ্যেই সর্বশেষ এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। দীর্ঘদিনের স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্ন ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’ মূলত মার্কিন সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য সংবাদ প্রকাশ করে। কয়েক দশক ধরে সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, সেনাসদস্যদের সমস্যা এবং সামরিক পরিবারের নানা সংকট নিয়ে স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সামরিক সম্প্রদায়ের ওপর এর প্রভাব নিয়েও - [তথ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জহির উদ্দিন স্বপন, নতুন তথ্যমন্ত্রী পার্থ](https://sarakhon.com/news/185378/): তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে জহির উদ্দিন স্বপনকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর শপথগ্রহণের পর মন্ত্রিসভায় এই পরিবর্তনের বিষয়টি জানা যায়। জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এতদিন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা জহির উদ্দিন স্বপন এখন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তার পদমর্যাদা থাকবে মন্ত্রীর সমান। মন্ত্রিসভায় এই পরিবর্তনের ফলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বেও পরিবর্তন আসছে। - [চীনের চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, বেকার নিবন্ধন বেড়েছে ১৬ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/185374/): চীনের চাকরির বাজার নিয়ে সরকারি বেকারত্বের হার স্থিতিশীলতার ছবি দেখালেও বাস্তবে শ্রমবাজারে চাপ বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। ২০২৫ সালের শেষে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধিত বেকারের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ২৭ লাখে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি চীনের কর্মসংস্থান পরিস্থিতিতে প্রকৃত চাপের ইঙ্গিত দিতে পারে। সরকারি বেকারত্বের হার নিয়ে প্রশ্ন চীন ২০১৮ সাল থেকে জরিপভিত্তিক মাসিক শহুরে বেকারত্বের হার প্রকাশ করে আসছে। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ। গত ১১৫ মাসের মধ্যে ৯৯ মাসেই এই হার ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে ছিল। এমনকি করোনাভাইরাস মহামারির সময়ও হার ৬ দশমিক ২ শতাংশের ওপরে - [দিল্লির যন্ত্রর মন্তরে ‘রিজার্ভেশন হটাও’ আন্দোলনে বিপুল জনসমাগম, আটক বেশ কয়েকজন](https://sarakhon.com/news/185371/): ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্ত্রর মন্তরে জাতিভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’-এর ডাকে শুক্রবার বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। ব্যানার, পোস্টার ও গেরুয়া পতাকা নিয়ে আন্দোলনকারীরা সংরক্ষণ ব্যবস্থার বিরোধিতায় স্লোগান দেন। অনুমোদিত স্থান রামলীলা ময়দানের পরিবর্তে যন্ত্রর মন্তরে সমাবেশ হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, যন্ত্রর মন্তর এলাকায় বিপুল ভিড়ের মধ্যে পুলিশ আন্দোলনকারীদের আটক করছে। বিক্ষোভ ঘিরে ওই এলাকায় আগে থেকেই পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে যন্ত্রর মন্তরের দিকে ব্যারিকেডও বসানো হয়। যন্ত্রর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি ছিল না দিল্লি পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, যন্ত্রর মন্তর - [সিলেটের শাহ তাইয়্যব সাইলানী (র.) মাজারে দানবাক্স নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০](https://sarakhon.com/news/185368/): সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মাজার ও মসজিদের দানবাক্সের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেনসহ পুলিশের আরও সাত সদস্য রয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে সিলাম চৌকবাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টার দিকে হযরত শাহ তাইয়্যব সাইলানী (র.) জামে মসজিদ ও ঈদগাহের কাছে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে ইটপাটকেল ও স্থানীয় অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির কারণে চাঁদীপুল-বালাগঞ্জ সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকে সংঘর্ষ স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হযরত - [বিশ্বের কোনো দেশের সঙ্গেই চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ভয় নেই: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির](https://sarakhon.com/news/185365/): নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, জনগণের সমর্থন থাকলে বিশ্বের কোনো দেশের সঙ্গেই চোখে চোখ রেখে কথা বলতে তিনি পিছপা হবেন না। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। শুক্রবার রাতে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হুমায়ুন কবির বলেন, দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে চান। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, যেন কোনোভাবেই তিনি আপস করতে বাধ্য না হন। জনগণের সমর্থনই বড় শক্তি হুমায়ুন কবির বলেন, জনগণের সমর্থন থাকলে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থের বিষয়ে চোখে - [শত বছরের ভয়াবহ এল নিনো, ভারতের কৃষিতে দুই মৌসুমে বড় ধাক্কার আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185362/): শত বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় ভারতের কৃষি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি বেড়ে যাওয়ার পূর্বাভাসের মধ্যে ভারতের চলতি রবি মৌসুমের ফসল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের তীব্র তাপপ্রবাহ ও বর্ষার অনিশ্চয়তা কৃষিতে আরও চাপ তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জলবায়ু বিজ্ঞানীরা। এ পরিস্থিতিতে প্রভাব শুধু চলতি মৌসুমেই সীমাবদ্ধ না থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত গড়াতে পারে। ভারতের কৃষিতে এল নিনোর দ্বিমুখী আঘাত যুক্তরাজ্যের মেট অফিস জানিয়েছে, এবারের এল নিনো আধুনিক জলবায়ু রেকর্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের - [‘দুই শতাধিক পেলেটের ক্ষত, চোখে স্থায়ী ক্ষতি’: রাহুল গান্ধীর পাশে থাকা শিক্ষার্থীর অভিযোগে এফআইআর](https://sarakhon.com/news/185359/): দিল্লিতে ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পেলেটের আঘাতে আহত হওয়ার অভিযোগ করা ১৯ বছর বয়সী দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাহিল লোচাবের অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে পুলিশ। অভিযোগে সাহিল দাবি করেছেন, তাকে পাঁচ থেকে ছয়বার পেলেট ছোড়া হয় এবং শরীরে প্রায় ২০০টি পেলেট ঢুকে যায়। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তার সঙ্গে নিয়ে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে ছয় ঘণ্টার বেশি অবস্থান করার পর শুক্রবার এফআইআরটি নথিভুক্ত হয়। এফআইআরে কী অভিযোগ সাহিলের শিক্ষার্থীর অভিযোগ, কাগজ ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ২০ জুলাই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। দুপুরের দিকে লাঠিচার্জ ও হুড়োহুড়ির পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনি অন্যদের সঙ্গে পালিয়ে পালিকা বাজারের - [চীনে রেকর্ড গাড়ি প্রত্যাহার: বৈদ্যুতিক দরজার হাতল নিয়ে কেন বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/185356/): চীনে গাড়ির বৈদ্যুতিক দরজার হাতল নিয়ে বড় ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে টেসলাসহ নয়টি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৪৩ লাখ গাড়ি বাজার থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে গাড়ির দরজা খুলতে জটিলতা তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কেন আলোচনায় বৈদ্যুতিক দরজার হাতল গত এক দশকে বিশেষ করে বৈদ্যুতিক গাড়িতে শরীরের সঙ্গে সমতল অবস্থায় থাকা আধুনিক দরজার হাতলের ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। গাড়ির নকশাকে আরও মসৃণ ও আকর্ষণীয় করার পাশাপাশি বাতাসের বাধা কমানোর জন্য এসব হাতল তৈরি করা হয়। সাধারণত গাড়ির মালিক কাছে এলে হাতল নিজে থেকেই বাইরে বেরিয়ে আসে। দেখতে আধুনিক হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে - [স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে চার ওভারেই ৫ উইকেট, চাপে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/185353/): অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের শুরুতেই ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকেতে শনিবার ম্যাচের প্রথম চার ওভারেই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে তছনছ করে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। শুরুতেই ধস টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের প্রথম বলেই শাদমান ইসলাম ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরের ওভারে তানজিদ হাসানও আলগা শটে স্লিপে বিউ ওয়েবস্টারের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর একই ওভারের পরের বলে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে এলবিডব্লিউ করে বাংলাদেশের বিপর্যয় আরও গভীর করেন স্টার্ক। মাত্র ৯ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে মুমিনুল হকও স্টার্কের শিকারে পরিণত হন। বাইরে ফুল লেংথের বল ড্রাইভ করতে - [ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, গ্রাহাম না জিতলে ‘সবকিছু হারাবেন’ দক্ষিণ ক্যারোলিনার ভোটাররা](https://sarakhon.com/news/185350/): দক্ষিণ ক্যারোলিনার আসন্ন সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলাইন গ্রাহামের পক্ষে জোরালো প্রচারণায় নেমেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার মার্টল বিচে এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের ব্যালটে তার নাম না থাকলেও তারা যেন এমনভাবে ভোট দেন, যেন তিনিই প্রার্থী। ‘ভাবুন, আমিই ব্যালটে আছি’ গ্রাহামের সমর্থনে আয়োজিত সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, তার নাম ব্যালটে না থাকায় তার সমর্থকদের কেউ কেউ ভোট দিতে যেতে নিরুৎসাহিত হতে পারেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি ভোটারদের বলেন, ‘দয়া করে ভাবুন, আমি ব্যালটে আছি।’ ট্রাম্প ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, তাদের অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। কারণ এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রাহামকে জয়ী করার মধ্য দিয়ে - [চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দক্ষিণ কোরিয়া সফরে ‘বড় ধাক্কা’ সিউলের](https://sarakhon.com/news/185347/): চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। তবে সফরে উত্তর কোরিয়াকে যুক্ত করে বহুপক্ষীয় শান্তি আলোচনার জন্য সিউলের যে উদ্যোগ, তাতে সমর্থন দিতে রাজি হননি তিনি। ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সিউলের প্রস্তাবে চীনের সাড়া নেই ওয়াং ইয়ের এই সফর এমন এক সময়ে হলো, যখন উত্তর কোরিয়া নিয়ে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। গত জুনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাত বছর পর প্রথমবারের মতো পিয়ংইয়ং সফর করেন। এর পরপরই উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে - [ইউক্রেনের ব্যস্ত বিপণিবিতানে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ১৬](https://sarakhon.com/news/185344/): ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রিভি রিহের একটি ব্যস্ত বিপণিবিতানে রুশ ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৩০ জন, যাদের মধ্যে ২৩ জন শিশু। শুক্রবারের এই হামলাকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ‘নিষ্ঠুর ও নিন্দনীয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস’ বলছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস হামলাটিকে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনের শহরগুলোকে বসবাসের অনুপযোগী করে তুলতে চাইছে। কালাস জানিয়েছেন, আগামী মাসে আয়ারল্যান্ডে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞার তালিকা প্রস্তাব করা হবে। তিনি বলেন, ক্রিভি রিহের বিপণিবিতানে হামলা মস্কোর যুদ্ধের ভয়াবহতা ও নিষ্ঠুরতার স্পষ্ট - [হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণে আপাতত ট্রাম্পকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের](https://sarakhon.com/news/185341/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণ প্রকল্পে আপাতত কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার আদালত নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে, যাতে প্রকল্পটির ওপরের অংশের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত রায় নয়, বরং সাময়িক প্রশাসনিক স্থগিতাদেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের আবেদন নিয়ে আরও পর্যালোচনার সময় পাচ্ছেন বিচারকেরা। ৪০ কোটি ডলারের প্রকল্প হোয়াইট হাউসের পূর্ব দিকের অংশ ভেঙে প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের একটি বিশাল বলরুম নির্মাণ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ৪০ কোটি ডলার। ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি সংস্থা অভিযোগ করেছে, কংগ্রেসের - [তীব্র গরমেও ব্রিটেনে কমল খুচরা বিক্রি, বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বাড়ল খাবার-পানীয়ের চাহিদা](https://sarakhon.com/news/185336/): তীব্র তাপপ্রবাহ, পুরুষদের ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবং খাবার-পানীয়ের বাড়তি চাহিদা—সবকিছুর পরও গত জুলাইয়ে গ্রেট ব্রিটেনে খুচরা পণ্যের বিক্রি কমেছে। দোকান ও অনলাইনে পণ্য বিক্রির পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের হিসাবে, জুনে খুচরা বিক্রি শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছিল। এর আগে জুনের প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ হবে বলে প্রাথমিক হিসাবে জানানো হয়েছিল। মে মাসে বিক্রি বেড়েছিল ১ দশমিক ৩ শতাংশ। পোশাক ও আসবাব বিক্রিতে বড় ধাক্কা জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে খাদ্যপণ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যের দোকান। এ খাতে বিক্রি কমেছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। পোশাকের দোকানে বিক্রি কমে যাওয়াই এর অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক খুচরা - [শত বছরের বেশি সময় পর ব্রঙ্কস নদীতে ফিরল ভোঁদড়](https://sarakhon.com/news/185333/): নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস নদীতে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো একটি উত্তর আমেরিকান নদীর ভোঁদড়ের দেখা মিলেছে। জুন মাসে গতিসংবেদী ক্যামেরায় প্রাণীটির ছবি ধরা পড়ে। সংরক্ষণবিদদের মতে, নদীটির দীর্ঘদিনের দূষণমুক্তকরণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সফল হওয়ার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। দূষণে হারিয়ে গিয়েছিল প্রাণবৈচিত্র্য একসময় ব্রঙ্কস নদী ছিল নিউইয়র্কের অন্যতম দূষিত জলপথ। কারখানা থেকে রাসায়নিক বর্জ্য, কসাইখানা থেকে প্রাণীর বর্জ্যসহ তেল, পয়োনিষ্কাশনের ময়লা, পুরোনো টায়ার ও নানা ধরনের আবর্জনা নদীতে ফেলা হতো। ফলে ধীরে ধীরে নদীর পানির মান নষ্ট হয়ে যায় এবং বহু প্রাণী সেখান থেকে হারিয়ে যায়। নদীর ভোঁদড়ও সেই তালিকায় ছিল। তবে ১৯৭০-এর দশক থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। পরিবেশ - [মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে কথা বলায় হামলা, ২১ দিনের লড়াই শেষে শিক্ষকের মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/185330/): মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় গুরুতর আহত লালমনিরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আরিফুল ইসলাম মারা গেছেন। ঢাকার হাসপাতালে তিন সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। ৩৫ বছর বয়সী আরিফুল লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী গান্ধামারুয়া গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে। মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার মাদক, জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের উদ্যোগ নেন। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে গঠিত এই আন্দোলনের কমিটিতে বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষকরা রয়েছেন। এই আন্দোলনের লক্ষ্য অনুযায়ী নিজ গ্রামের - [নাৎসি অতীতের গল্প, কিন্তু গল্পটি বলার অধিকার কার?](https://sarakhon.com/news/185327/): পরিবারের হলোকাস্ট ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে সাংবাদিক জুডিথ জিলভার্সমিট জড়িয়ে পড়লেন তথ্য, উত্তরাধিকার ও গল্প বলার অধিকার নিয়ে এক জটিল দ্বন্দ্বে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে সাংবাদিক জুডিথ জিলভার্সমিট ২০২৩ সালের অক্টোবরে নিজের ইনস্টাগ্রাম দেখছিলেন। হঠাৎ অপরিচিত এক নারীর কাছ থেকে একটি বার্তা পেলেন। বার্তাটিতে বলা হয়েছিল, তাঁর পরিবারের অতীত সম্পর্কে ওই নারীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। আরও বিস্ময়কর বিষয়—নারীটি ছিলেন সেই ব্যক্তির নাতনি, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জিলভার্সমিটের পরিবারকে নাৎসিদের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন। জিলভার্সমিটের বাবা হান্স ছোটবেলায় নাৎসিদের হাতে ধরা পড়া থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন। ১৯৪০ সালে জার্মানি নেদারল্যান্ডস আক্রমণ করলে তাঁর পরিবার বেলজিয়ামে পালিয়ে যায়। ১৯৪৩ সালে সীমান্তবর্তী একটি শহরে আত্মগোপনে থাকার - [ভারতের এক শহরে প্রযুক্তির এমন এক কর্মক্ষেত্র, যেখানে এখনো মানুষের স্পর্শ অপরিহার্য](https://sarakhon.com/news/185324/): ভারতের করুরে এক ঠিকাদার স্মার্টফোন শরীরে বেঁধে নিজের সবজি কাটার দৃশ্য ধারণ করছেন। এই দক্ষতাহীন কাজের জন্য ঘণ্টায় ২ দশমিক ৫০ ডলার দেওয়া হয়। ধারণ করা এসব ভিডিও এআই মডেল প্রশিক্ষণে কাজে লাগে। রবি রাজালিঙ্গম বাম দিক থেকে দ্বিতীয় ব্যক্তি। ২০১৯ সালে তিনি ডেটা অ্যানোটেশন প্রতিষ্ঠান অবজেক্টওয়েজ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা রোবটকে ডেটা দিচ্ছি এবং বলছি—এটা থেকে শেখো।” কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানের প্রমাণ সাধারণত দেখা যায় বিশাল আকৃতির, জানালাবিহীন ডেটা সেন্টারে—যেখানে একরের পর একর জায়গাজুড়ে থাকে অসংখ্য হার্ডওয়্যার। কিন্তু ভারতের দক্ষিণ প্রান্তের কাছাকাছি করুর শহরে এআইয়ের বিস্তার দেখা যাচ্ছে মানুষের কর্মচাঞ্চল্যের মধ্যেই। সপ্তাহের যেকোনো কর্মদিবসে বিকেলের দিকে কফি-বিরতির - [উচ্চ ঋণের খরচ ও বদলে যাওয়া বিশ্ব অর্থব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/185321/): যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ডের বাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতা আর কেবল ওয়াল স্ট্রিটের একটি আর্থিক সমস্যা নয়। এটি এমন এক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যার প্রভাব মার্কিন অর্থনীতি পেরিয়ে বিশ্ব অর্থব্যবস্থা, ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপরও পড়তে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এবার সুদের হার বাড়ার পেছনে যে কারণগুলো কাজ করছে, সেগুলো অতীতের পরিচিত সংকটগুলোর সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ঋণের খরচ দ্রুত বেড়েছে। নতুন ৩০ বছরের মার্কিন সরকারি বন্ডের সুদের হার সম্প্রতি ৫.৩ শতাংশে উঠেছে, যেখানে ২০২১ সালে তা ছিল মাত্র ১.৭ শতাংশ। ২০০৭ সালের পর এত বেশি হারে যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের অর্থ জোগাড় করতে হয়নি। এর অর্থ হলো সরকারের - [হরমুজ প্রণালিতে ‘অদৃশ্য’ তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে ভয়াবহ তেলদূষণের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/185318/): ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় এমন এক ঝুঁকি তৈরি করেছে, যার প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে পরিবেশেও পড়তে পারে। সামরিক হামলার আশঙ্কায় পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী আরও বেশি তেলবাহী জাহাজ এখন নিজেদের অবস্থান শনাক্তকারী ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে জাহাজগুলো রাডার ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার কাছে অনেকটাই ‘অদৃশ্য’ হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের সময় হামলা এড়াতে কোনো জাহাজের অবস্থান গোপন রাখার সিদ্ধান্ত হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তিসংগত মনে হতে পারে। কিন্তু হরমুজের মতো সংকীর্ণ, ব্যস্ত ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথে এর অর্থ হলো—একই সঙ্গে বাড়ছে সংঘর্ষ, অগ্নিকাণ্ড এবং বড় ধরনের তেলদূষণের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আধুনিক নৌপরিবহনের যেসব প্রযুক্তি দুর্ঘটনা কমাতে তৈরি হয়েছিল, যুদ্ধের - [তুরস্ক নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ চাইবে](https://sarakhon.com/news/185314/): গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাওয়া ত্রাণবাহী নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে তুরস্ক। এ জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে ‘রেড নোটিশ’ জারির আবেদন করার কথা জানিয়েছে দেশটি। তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক শুক্রবার জানান, নেতানিয়াহু ও আরও এক সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দেশটির আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। এবার তাদের আন্তর্জাতিকভাবে খুঁজে বের করে সাময়িকভাবে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাওয়া হবে। ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা তুরস্কের করা মামলাটি গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাতে যাওয়া নৌবহরে ইসরায়েলি বাহিনীর বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। নেতানিয়াহু ও অপর - [যুক্তরাজ্যে বৃষ্টির বিরতি, সপ্তাহান্তে ফিরছে রোদ](https://sarakhon.com/news/185311/): সপ্তাহজুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পর সপ্তাহান্তে যুক্তরাজ্যের বেশির ভাগ এলাকায় ফিরছে উজ্জ্বল ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া। শক্তিশালী উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে শনিবার ও রোববার বৃষ্টির দাপট কমে গিয়ে মনোরম উষ্ণতা অনুভূত হবে। তবে সপ্তাহের শুরুতেই আবার অস্থির আবহাওয়া ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে। শনিবার সকালে থাকবে শীতল আমেজ শনিবারের শুরুটা হবে ঝকঝকে ও সতেজ। গ্রামাঞ্চলে ভোরের তাপমাত্রা নেমে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। বড় শহরগুলোতেও তাপমাত্রা ৬ থেকে ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। ফলে আগস্টের শেষ সপ্তাহেই অনেকের কাছে শরতের আগমনের অনুভূতি হতে পারে। তবে দিনের বেলায় তাপমাত্রা দ্রুত বাড়বে। উত্তরাঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে তা ২০ - [মোংলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটক](https://sarakhon.com/news/185307/): বাগেরহাটের মোংলায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩৫ বছর বয়সী এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে শহরের সিগনাল টাওয়ার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক যুবকের নাম সুমন শিকদার। তিনি সিগনাল টাওয়ার এলাকার বাসিন্দা কাঞ্চনের ছেলে। মাছ দেওয়ার প্রলোভনের অভিযোগ পুলিশ জানায়, গত রোববার দুপুরে মাছ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীকে একটি মাছের ঘেরে নিয়ে যান সুমন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান জানান, একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে - [২০২৭ সালে এক বছরের বিরতিতে যাচ্ছে জনপ্রিয় বনরু উৎসব](https://sarakhon.com/news/185303/): যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির ম্যানচেস্টারে প্রতিবছর আয়োজিত জনপ্রিয় সংগীত ও শিল্প উৎসব বনরু ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে না। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, উৎসবটি আগামী বছর একটি ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিরতি’ নিচ্ছে। ২০০২ সাল থেকে প্রায় প্রতিবছর জুন মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা এই উৎসবের ভক্তদের জন্য খবরটি নিঃসন্দেহে হতাশার। কেন বিরতি নিচ্ছে বনরু আয়োজকদের ভাষ্য, টানা কয়েক বছর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উৎসবের মূল আয়োজনস্থল ও অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক চাপ পড়েছে। তাই ২০২৭ সালে উৎসব আয়োজন না করে পুরো আয়োজনস্থলকে বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়া হবে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের উৎসবের আগে মাঠ ও মূল আয়োজনকেন্দ্রের উন্নয়নে বিপুল অর্থ ও শ্রম ব্যয় করা হয়েছিল। পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নত করার - [চীনে রেকর্ডসংখ্যক গাড়ি প্রত্যাহার, দরজার নিরাপত্তায় টেসলাসহ ৯ নির্মাতা](https://sarakhon.com/news/185300/): চীনে গাড়ির দরজার নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগের পর দেশটির সরকার রেকর্ডসংখ্যক ৪৩ লাখ গাড়ি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়িতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ভেতরে ঢুকে থাকা ধরনের দরজার হাতল দুর্ঘটনার পর যাত্রীদের গাড়ি থেকে বের হতে সমস্যায় ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চীনের বাজার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছে, টেসলাসহ মোট নয়টি গাড়ি নির্মাতাকে দরজার হাতলের নিরাপত্তা ও ব্যবহারযোগ্যতা উন্নত করতে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রত্যাহারের আওতায় থাকা গাড়িগুলোর মধ্যে প্রায় ৩০ লাখই টেসলার। বাকি আট নির্মাতার গাড়ির সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ। কোন কোন নির্মাতা রয়েছে টেসলার পাশাপাশি গিলি, ডংফেং, শাওমি, চেরি, বেইজিং অটোমোটিভ, ফার্স্ট অটো ওয়ার্কস, লিপমোটর এবং এক্সপেং - [ব্যর্থ মামলায় প্রিন্স হ্যারিসহ বাদীদের কোটি কোটি পাউন্ড ক্ষতিপূরণের নির্দেশ](https://sarakhon.com/news/185297/): ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স হ্যারি, সংগীতশিল্পী এলটন জনসহ আরও কয়েকজন উচ্চপ্রোফাইল বাদীকে ব্যর্থ গোপনীয়তা মামলার আইনি খরচ হিসেবে কোটি কোটি পাউন্ড পরিশোধের মুখে পড়তে হয়েছে। আদালত বলেছে, মামলাটি পরিচালনার ক্ষেত্রে বাদীদের আচরণ ছিল গুরুতরভাবে অযৌক্তিক। ৯৫৪ কোটি টাকার অন্তর্বর্তী পরিশোধ লন্ডনের উচ্চ আদালতের বিচারক ম্যাথিউ নিকলিন বৃহস্পতিবার খরচসংক্রান্ত রায়ে বাদীদের পক্ষকে ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মেইলের প্রকাশক অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সকে ৯৫ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডের অন্তর্বর্তী অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে এই অর্থ দেওয়ার কথা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। তবে চূড়ান্ত আইনি খরচ আরও অনেক বেশি হতে পারে। বিচারক আরও বলেছেন, অতিরিক্ত খরচ - [বিশ্বকাপের ফাইনালের মারামারি: আর্জেন্টিনার পারেদেসকে ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ](https://sarakhon.com/news/185294/): বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর শাস্তি পেলেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তাঁকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১০ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একই সঙ্গে তাঁকে ৯০ হাজার ডলার জরিমানাও করা হয়েছে। ফাইনালের পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন পারেদেস। পরে বদলি খেলোয়াড়ের পরিচয়পত্র হাতে রেখেই গাভিকে মাটিতে ফেলে দেন তিনি। তাঁর এই আচরণ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। আরও তিন - [প্রেমিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মরদেহ লুকাতে মায়ের সাহায্য নিল কিশোর](https://sarakhon.com/news/185291/): যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর তার প্রেমিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মরদেহ সরিয়ে ফেলা ও অপরাধের আলামত নষ্ট করতে নিজের মায়ের সাহায্য নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারোলিন হেইনৎস নামে নিহত তরুণী ছিলেন পেনওয়েস্ট ক্যালিফোর্নিয়ার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ২৪ মিনিটের দিকে ক্যালিফোর্নিয়া পাবলিক লাইব্রেরির কাছে একটি জিপ গাড়ির পেছনের অংশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাননি, খোঁজ শুরু পরিবারের পুলিশ জানিয়েছে, হেইনৎস বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাননি—এমন খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার খোঁজ শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, এর কয়েক ঘণ্টা আগে নর্থ - [এক শতাব্দীর নীরব ভালোবাসা – কোরিয়ার মানহে ও রবীন্দ্রনাথ](https://sarakhon.com/news/185270/): কোরিয়ার আধুনিক ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের জীবনকে একটি পরিচয়ে আটকে রাখা যায় না। হান ইয়ং-উন, যিনি ‘মানহে’ নামে বেশি পরিচিত, ছিলেন একই সঙ্গে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী, কবি, চিন্তক, উপন্যাসিক, ধর্মসংস্কারক এবং কোরিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মুখ। কিন্তু তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়তো অন্য কোথাও—তিনি এমন এক সময়ের মানুষ, যখন একটি জাতি নিজের পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ১৮৭৯ সালের ২৯ আগস্ট জন্ম নেওয়া হান ইয়ং-উনের জীবনের সঙ্গে কোরিয়ার ইতিহাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ আশ্চর্যভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯১০ সালের একই দিনে কোরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানের অধিভুক্ত হয়। আর ১৯২৬ সালের ২৯ আগস্ট প্রকাশিত হয় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ - [লন্ডনের ক্ষমতার একচেটিয়া কেন্দ্র কি এবার ভাঙার পথে?](https://sarakhon.com/news/185252/): যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে দীর্ঘদিন ধরে লন্ডন এমন এক কেন্দ্র, যার চারপাশেই যেন রাষ্ট্রের অর্থনীতি, প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণের অধিকাংশ শক্তি আবর্তিত হয়েছে। কিন্তু নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের উত্থান সেই পুরোনো ভারসাম্যে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এটি সাময়িক রাজনৈতিক প্রতীক, নাকি ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী পুনর্বিন্যাসের সূচনা—এখনই নিশ্চিত করে বলা কঠিন। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট: ক্ষমতার কেন্দ্রকে লন্ডনের বাইরে নেওয়ার প্রশ্নটি আবার ব্রিটিশ রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ফিরে এসেছে। ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র বার্নহামের রাজনৈতিক পরিচয়ের বড় অংশই গড়ে উঠেছে স্থানীয় সরকার ও আঞ্চলিক ক্ষমতায়নের ধারণাকে ঘিরে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে ছোট, কৌশলগত এবং কম কেন্দ্রীভূত করার কথা বলছেন। তাঁর রাজনৈতিক যাত্রাও এই বার্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওয়েস্টমিনস্টারের - [৭০ বছরে কিম ক্যাট্রাল: লাল গালিচায় তাঁর ৭০টি স্মরণীয় সাজ](https://sarakhon.com/news/185288/): ৭০তম জন্মদিনে এসে আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স কখনোই আকর্ষণীয় ও আত্মবিশ্বাসী ফ্যাশনের পথে বাধা হতে পারে না কিম ক্যাট্রাল। অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই নিজের অনন্য পোশাক-রুচি ও লাল গালিচার উপস্থিতি দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছেন এই অভিনেত্রী। সাত দশকের ফ্যাশনযাত্রা কিম ক্যাট্রালের ফ্যাশনযাত্রা যেন কয়েক দশকের জনপ্রিয় পোশাকধারার এক জীবন্ত দলিল। কখনো মার্জিত গাউন, কখনো সাহসী নকশা, আবার কখনো চমকপ্রদ অলংকার ও পরিমিত সাজে তাঁকে দেখা গেছে। প্রতিটি উপস্থিতিতেই তিনি নিজের ব্যক্তিত্বকে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পেরেছেন। তাঁর পোশাক নির্বাচনে যেমন আভিজাত্য রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বতন্ত্রতার ছাপ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সাজে আত্মবিশ্বাস কমেনি; বরং ব্যক্তিত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। পর্দার - [গরমের দিনে ক্যাট চেনের ঘরোয়া আড্ডা, যেখানে খাবার-পানীয়ের সঙ্গে মিশে যায় স্বস্তি](https://sarakhon.com/news/185285/): গরমের দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে একটু আরাম করে বসা, ঠান্ডা সাদা মদে চুমুক দেওয়া, হালকা মৌসুমি খাবার খাওয়া আর ঘরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফুলের সুবাস—ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনায় ক্যাট চেনের আয়োজন যেন এমনই এক স্বস্তির মরূদ্যান। গ্রীষ্মের আড্ডা আয়োজন নিয়ে তাঁর দর্শন খুবই সহজ। অতিথিরা যেন তাঁর বাড়িতে ঢুকেই মনে করেন, তাঁরা কোনো শান্ত আশ্রয়ে এসে পড়েছেন। জুতা খুলে আরামে বসবেন, গল্প করবেন, নিজের মতো সময় কাটাবেন—আর আয়োজকের একমাত্র দায়িত্ব হবে তাঁদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা। ক্যাট চেন নিয়মিতই বন্ধুদের নিয়ে এমন আড্ডার আয়োজন করেন। কখনো সকালের নাশতার ছোট্ট ঘরে জানালা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করেন, আবার কখনো বসার ঘরের নিচু টেবিল ঘিরে মেঝের কুশন ও - [জিএলপি-১ ওষুধের যুগে বদলে যাচ্ছে সৌন্দর্যের ধারণা](https://sarakhon.com/news/185282/): ওজন কমানোর চিকিৎসায় জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে যাচ্ছে সৌন্দর্য ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পের ভাবনাও। আগে যেখানে দ্রুত ওজন কমার পর মুখের চামড়া ঝুলে যাওয়া, মুখের ভর কমে যাওয়া কিংবা চুল পড়ার মতো সমস্যার সমাধানে জোর দেওয়া হচ্ছিল, এখন সেখানে প্রতিরোধ, ব্যক্তিভেদে পরিচর্যা এবং শরীরের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্যের দিকে নজর বাড়ছে। জিএলপি-১ ওষুধের বহুল আলোচিত একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো দ্রুত ওজন কমার ফলে মুখের ত্বক ঢিলে হয়ে যাওয়া ও মুখের স্বাভাবিক ভর কমে যাওয়া। এই প্রবণতাকে ঘিরে ইতিমধ্যে ত্বক টানটান করার প্রসাধনী, চুল পড়া রোধের পণ্য এবং ওজন কমার পর বিশেষ পরিচর্যার বাজার তৈরি হয়েছে। - [শেরপুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, ২৫ ঘণ্টা পর বিল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/185267/): শেরপুরের নকলায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৫ ঘণ্টা পর রাশেদ মিয়া (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ধনাকুশা বিল থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিখোঁজ নিহত রাশেদ মিয়া নকলা উপজেলার ধনাকুশা এলাকার বাঁশকান্দা গ্রামের জামির উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ধনাকুশা বিলে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি। নিখোঁজের পর স্থানীয় বাসিন্দারা এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি উদ্ধারকারী দল বিলের পানিতে দিনভর তল্লাশি চালায়। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাশেদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। স্থানীয়দের তল্লাশিতে - [দ্বিতীয় টেস্টের আগে স্বস্তি, নেটে ফিরেছেন তানজিদ-মুশফিক](https://sarakhon.com/news/185276/): অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে বাংলাদেশের দলে স্বস্তি ফিরেছে। আঙুলের চোটে পড়া মুশফিকুর রহিম এবং ঘাড়ের stiffness-এ ভোগা ওপেনার তানজিদ হাসান শুক্রবার ব্যাটিং অনুশীলনে ফিরেছেন। ফলে দ্বিতীয় টেস্টের একাদশ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ আগের দিনের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। মুশফিকের অবস্থা বৃহস্পতিবার অনুশীলনে ব্যাট করার সময় আঙুলে আঘাত পান মুশফিক। কিছুক্ষণ নেট থেকে বাইরে থাকার পর সেদিনই আবার ব্যাটিংয়ে ফেরেন তিনি। শুক্রবারও অনুশীলন করেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। তবে সতর্কতার অংশ হিসেবে তার কাজের পরিমাণ কিছুটা কম রাখা হয়। তানজিদকে নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার বাংলাদেশের উদ্বেগের বড় জায়গা ছিল তানজিদ হাসানকে ঘিরে। ডারউইনে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দলের নয় উইকেটের জয়ে বড় ভূমিকা - [পুরুষের সাজে নতুন ঝলক, কানে দুলের দাপট](https://sarakhon.com/news/185273/): পুরুষের পোশাকে অলংকারের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। তবে এবার ফ্যাশনের মঞ্চে এমন এক অনুষঙ্গ জোরালোভাবে ফিরে এসেছে, যা পুরুষের সাজকে আরও ব্যক্তিত্বপূর্ণ, সাহসী ও খানিকটা দুষ্টুমিভরা করে তুলছে—ঝুলন্ত গোলাকার দুল। ২০২৭ সালের বসন্তের পুরুষদের পোশাকের প্রদর্শনীগুলোতে একের পর এক নকশাকার পুরুষ মডেলদের কানে নানা ধরনের গোলাকার দুল পরিয়েছেন। কোথাও ছিল ছোট ও পরিমিত নকশা, কোথাও আবার বড়, ভারী ও নাটকীয় অলংকার। ফলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, পুরুষের সাজে কানের দুল এখন আর নিছক ব্যতিক্রমী কোনো অনুষঙ্গ নয়, বরং নিজস্ব রুচি প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠছে। মঞ্চজুড়ে গোলাকার দুলের জয় প্রাডার প্রদর্শনীতে এক মডেলের কানে দেখা গেছে চারটি খুঁটির মতো বন্ধনীতে বসানো পান্না-আকৃতির - [চীনে মার্কিন শিক্ষাবিদের আটক নিয়ে রুবিওর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান বেইজিংয়ের](https://sarakhon.com/news/185255/): চীনে আটক মার্কিন নাগরিক ও শিক্ষাবিদ মিন জিনকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে—মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর এমন অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। শুক্রবার চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্কিন গবেষককে আটকের ঘটনাকে কোনোভাবেই ‘অন্যায় আটক’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, মিন জিনের মুক্তি নিশ্চিত করাকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, মিন জিনের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তাঁর বক্তব্যের পরই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, শিক্ষাবিদের মুক্তির জন্য তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করবে। মিন জিন মিয়ানমারের একজন শিক্ষাবিদ ও গবেষক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাঁকে চীনে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে - [দিনাজপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া হলো না](https://sarakhon.com/news/185264/): দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে এক নারী ও তাঁর ৯ বছরের মেয়ে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার ঘোড়াঘাট ফিলিং স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলহার গ্রামের সেলিম সরকারের স্ত্রী শম্পা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের মেয়ে নুসাইফা আক্তার। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক সেলিম সরকার সামান্য আহত হয়েছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সেলিম সরকার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঘোড়াঘাটের হামিদপুর চিট্টিপাড়ায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পথে ঘোড়াঘাট পৌরসভার ফিলিং স্টেশনের কাছে পেছন দিক থেকে তাঁদের মোটরসাইকেলটিকে একটি ট্রাক ধাক্কা - [হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু ৯২৮](https://sarakhon.com/news/185261/): হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এর ফলে চলতি বছরে দেশে হাম-সংশ্লিষ্ট নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৮-এ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তিনটি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮২৯। অন্যদিকে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতোই ৯৯। নতুন সন্দেহভাজন আক্রান্ত ৮৭৬ ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৮৭৬টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এতে চলতি বছরে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯১-এ। একই - [তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, দিল্লির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা](https://sarakhon.com/news/185258/): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক উদ্বেগের বিষয়ে নয়াদিল্লির জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম সালেহ (সালেহ শিবলী) ইউএনবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস শুক্রবার জানিয়েছে, আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখনো সফরের তারিখ বা আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়নি। রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রস্তুতির তথ্য প্রত্যাহার সম্ভাব্য সফর ঘিরে শুক্রবার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রস্তুতির ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও পরে সেই তথ্য প্রত্যাহার করা হয়। ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক - [জারদারির অভিনন্দন মির্জা ফখরুলকে, বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা](https://sarakhon.com/news/185249/): পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। অভিনন্দনবার্তায় তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে এবং দেশের মানুষের কল্যাণ আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আশাবাদ আসিফ আলী জারদারি বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যার ভিত্তি দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক বন্ধন। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সাম্প্রতিক ইতিবাচক গতি স্বাগত জানিয়ে তিনি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই - [বিচার কি কেবল অতীতের পুনরাবৃত্তি, নাকি যুক্তির স্বাধীন প্রয়োগ?](https://sarakhon.com/news/185231/): আইনকে বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো আদালতের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত অনুমান করার চেষ্টা। বিচারক অতীতে কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, কোন পরিস্থিতিতে দিয়েছেন এবং বর্তমান মামলার সঙ্গে সেই ঘটনাগুলোর কতটা মিল রয়েছে—এসব বিবেচনা করেই অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী রায় নির্ধারিত হয়। বিশেষ করে কমন ল’ ব্যবস্থায় পূর্ববর্তী রায়ের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে আইনকে এক অর্থে অতীত সিদ্ধান্তের ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত অনুমানের একটি কাঠামোও বলা যায়। এই জায়গাতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বিচারব্যবস্থার একটি আকর্ষণীয় মিল তৈরি হয়। মেশিন লার্নিংয়ের মডেলও অতীতের বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য পরবর্তী ফলাফল নির্ধারণ করে। আদালত যেমন পূর্ববর্তী মামলার সঙ্গে বর্তমান মামলার সাদৃশ্য খোঁজে, অ্যালগরিদমও তেমনি ডেটার মধ্যে পুনরাবৃত্ত প্যাটার্ন - [খ্যাতি কি সত্যিই সুখ আনে? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন ‘দ্য কিলার্স’ তারকা ব্র্যান্ডন ফ্লাওয়ার্স](https://sarakhon.com/news/185246/): দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ‘দ্য কিলার্স’-এর প্রধান গায়ক হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছেন ব্র্যান্ডন ফ্লাওয়ার্স। ‘মিস্টার ব্রাইটসাইড’, ‘হোয়েন ইউ ওয়্যার ইয়াং’ ও ‘হিউম্যান’-এর মতো জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে তিনি রক সংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু জীবনের এই পর্যায়ে এসে খ্যাতি, অর্থ ও সাফল্য আদৌ কতটা মূল্যবান—সেই প্রশ্নই এখন তাকে ভাবাচ্ছে। সম্প্রতি নিজের নতুন একক অ্যালবাম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফ্লাওয়ার্স স্বীকার করেছেন, জীবনের অনেকটা সময় তিনি খ্যাতির পেছনে ছুটেছেন। কিন্তু এখন তিনি আর নিশ্চিত নন, এই সাফল্য তাকে সত্যিকার অর্থে কতটা সুখী করেছে। রকের তারকার মনে কান্ট্রি সংগীতের টান ফ্লাওয়ার্সের সংগীতজীবনের শুরুটা রকের সঙ্গে হলেও ছোটবেলা থেকেই কান্ট্রি সংগীতের প্রতি তার - [মক্কা নিরাপত্তা চুক্তি: ভারত কি নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত?](https://sarakhon.com/news/185243/): সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় মক্কা নিরাপত্তা চুক্তি পশ্চিম এশিয়ার বদলে যাওয়া কৌশলগত বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। চুক্তিটি হঠাৎ করে তৈরি হয়নি; এর পেছনে কয়েক মাসের আলোচনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্বিন্যাসের চেষ্টা রয়েছে। ভারতের জন্য এর তাৎপর্য তাই কেবল পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রশ্নটি হলো—এই পরিবর্তিত পরিবেশে ভারত নিজের কৌশলগত অবস্থান কীভাবে পুনর্গঠন করবে। চুক্তিটিকে কেউ ভারতের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মনে করছেন, এর কার্যকারিতা নিয়ে অতিরিক্ত সন্দেহের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বাস্তবতা সম্ভবত মাঝামাঝি। মক্কা চুক্তি আগামী দিনে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনই নিশ্চিত নয়। - [কম খরচেই সুস্থ থাকা: আজ থেকেই শুরু করতে পারেন যেসব অভ্যাস](https://sarakhon.com/news/185240/): সুস্থ থাকার জন্য সবসময় ব্যয়বহুল শরীরচর্চা কেন্দ্র, বিলাসবহুল অবকাশযাপন কিংবা দামি স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন হয় না। দৈনন্দিন জীবনের কিছু সহজ অভ্যাসও শরীর ও মন ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কম খরচে বা প্রায় বিনা খরচে সুস্থ থাকার এমন কয়েকটি উপায় তুলে ধরা হয়েছে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে। মিলিতভাবে শরীরচর্চা ও ধ্যান শরীরচর্চার কেন্দ্রের সদস্যপদের খরচ অনেকের জন্যই বেশি হতে পারে। তাই নিজেরাই বিনা খরচে বা স্বল্প খরচে শরীর ও মন ভালো রাখার আয়োজন করতে পারেন। স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দল কিংবা বিভিন্ন অনলাইন গোষ্ঠীর মাধ্যমে এমন আয়োজনের সন্ধান পাওয়া যায়। লন্ডনে যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক আনাস্তাসিয়া মিরাস্লাভস্কা প্রতি মাসে একটি শহরের পার্কে মানুষকে নিয়ে যোগব্যায়াম - [চীনে আটক মার্কিন নাগরিককে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের](https://sarakhon.com/news/185237/): চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে আটক মিয়ানমারবিষয়ক গবেষক ও মার্কিন নাগরিক মিন জিনকে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেয়। এর ফলে তাকে মুক্ত করা এখন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। মিন জিনকে গত জুনে চীনা কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি মিয়ানমারকেন্দ্রিক একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন এবং দেশটির রাজনীতি ও পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। শি জিনপিংয়ের সফরের আগে নতুন চাপ মিন জিনকে অন্যায়ভাবে আটক ঘোষণা করার ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সেপ্টেম্বরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত - [বিশ্বের সামুদ্রিক সংকটপথের নিরাপত্তা: একক শক্তির পাহারা নয়, দরকার নতুন বৈশ্বিক কাঠামো](https://sarakhon.com/news/185234/): আধুনিক বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হলো অবাধ সমুদ্রপথ। তেল, গ্যাস, খাদ্য, শিল্পপণ্য থেকে শুরু করে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার বিশাল অংশ নির্ভর করে কয়েকটি সংকীর্ণ সামুদ্রিক পথের ওপর। তাই দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত চিন্তার কেন্দ্রে ছিল একটি প্রশ্ন—এই পথগুলো খোলা রাখবে কে? কিন্তু হরমুজ প্রণালি থেকে বাব আল-মান্দেব পর্যন্ত বারবার তৈরি হওয়া অস্থিরতা দেখিয়ে দিচ্ছে, সমস্যাটি শুধু কোনো একটি জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নয়। আসল সংকট আরও গভীরে। বৈশ্বিক বাণিজ্য যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেই ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাই এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আগামী দশকের বড় প্রশ্ন তাই শুধু কে এসব জলপথ রক্ষা করবে, তা নয়। বরং নিরাপত্তা পরিচালনার অধিকার - [চীন-ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রীদের বৈঠকে নিরাপত্তা ও অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা](https://sarakhon.com/news/185225/): নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনার জন্য শুক্রবার বৈঠকে বসছেন চীন ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যেই জাকার্তা দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দুই বছর পর প্রথমবারের মতো জাকার্তা সফরে গিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে বিশেষ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়া বিষয়ক কর্মকর্তা আরিফিয়ান্তো সোফিয়ানতো জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অর্থনৈতিক বিষয় ও রাজনৈতিক সম্পর্ক গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানিয়েছেন, বৈঠকে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি, - [ম্যাকেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নতুন ইতিহাসের হাতছানি বাংলাদেশের](https://sarakhon.com/news/185228/): ডারউইনে অবিশ্বাস্য জয়ের পর এবার আরও বড় ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে শনিবার ম্যাকের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় মুখোমুখি হবে দুই দল। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ মাত্র চার দিনের মধ্যে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এবার ড্র করলেই সিরিজ নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের। আর জয় পেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো তাদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের অনন্য কীর্তি গড়বে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সুযোগ ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্ট সিরিজে হারানো অত্যন্ত কঠিন। ১৮৮৭ সালে ইংল্যান্ডের কাছে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারার পর নিজেদের দেশে কোনো বহু-টেস্ট সিরিজে আর হোয়াইটওয়াশ হয়নি অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের জন্য তাই এবারের - [ইরানঘনিষ্ঠ হিজবুল্লাহর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের](https://sarakhon.com/news/185139/): ইরানের সঙ্গে হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে লেবাননের এই সশস্ত্র ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় সংগঠনটিকে ইরান সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগে পুনরায় নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, হিজবুল্লাহ ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীর নির্দেশনায় ইরানি সরকারের হয়ে কাজ করছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন করে সংগঠনটির অবস্থান নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো হিজবুল্লাহ যে ইরান সরকারের স্বার্থে কাজ করছে, তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। হিজবুল্লাহকে ১৯৯৭ সালে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং ২০০১ সালে বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার - [খরায় পানামা খালে জাহাজ চলাচল কমছে, সেপ্টেম্বরে আরও কড়াকড়ি](https://sarakhon.com/news/185221/): এল নিনো-প্রভাবে মধ্য আমেরিকাজুড়ে তীব্র খরা দেখা দেওয়ায় পানামা খালে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাল কর্তৃপক্ষ। আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে আগামী মাস থেকে প্রতিদিন কমসংখ্যক জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেপ্টেম্বর থেকে কমবে জাহাজ চলাচল পানামা খাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানির স্তর কমে যাওয়ায় আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩৪টি জাহাজ খাল অতিক্রম করতে পারবে। বর্তমানে প্রতিদিন ৩৬টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি রয়েছে। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই সংখ্যা আরও কমিয়ে ৩২টিতে নামিয়ে আনা হবে। কর্তৃপক্ষ বলছে, খালকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই রাখতে এবং পানির মজুত রক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। খালের পানির প্রধান উৎস দুটি কৃত্রিম - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে বদলে যাচ্ছে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসা](https://sarakhon.com/news/185213/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের ফলে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতে ব্যবসার প্রচলিত ধরন বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একসময় কর্মঘণ্টার ভিত্তিতে চুক্তি করে আয় করত বড় বড় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। এখন গ্রাহকেরা কম খরচে বেশি কাজ, দ্রুত সরবরাহ এবং পরিমাপযোগ্য ফলাফল চাইছেন। ফলে চুক্তির মূল্য নির্ধারণেও আসছে বড় পরিবর্তন। টাটা পরামর্শসেবা, ইনফোসিস, উইপ্রো, এইচসিএলটেক ও কগনিজ্যান্টের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কাজের সময়ের পরিবর্তে নির্দিষ্ট ফলাফল ও কর্মদক্ষতার ওপর ভিত্তি করে পারিশ্রমিক নির্ধারণের দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে কিছু কাজ গ্রাহকেরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানেই সম্পন্ন করতে পারছেন। এতে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে থাকা কাজের পরিমাণও কমছে। কম খরচে বেশি কাজের চাপ কৃত্রিম - [তিয়ানআনমেন স্মরণে হংকংয়ের দুই অধিকারকর্মী দোষী সাব্যস্ত](https://sarakhon.com/news/185216/): ১৯৮৯ সালের তিয়ানআনমেন স্কয়ারের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন দমনের ঘটনা স্মরণে প্রতিবছর মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করা হংকংয়ের দুই অধিকারকর্মীকে রাষ্ট্রক্ষমতা উৎখাতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। হংকংয়ের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়। দোষী সাব্যস্ত দুই অধিকারকর্মী হলেন ৬৯ বছর বয়সী লি চেউক-ইয়ান এবং ৪১ বছর বয়সী চাও হাং-তুং। তাদের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এখনো সাজা ঘোষণা করা হয়নি। মামলার তৃতীয় আসামি, ৭৪ বছর বয়সী সাবেক আইনপ্রণেতা আলবার্ট হো চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেন। মানবাধিকারের নামে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, আসামিরা মানবাধিকারের - [রাজা চার্লসের কাছে উইলিয়ামই অগ্রাধিকার, হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তায় বছরে লাগতে পারে ৫০ লাখ পাউন্ড](https://sarakhon.com/news/185200/): যুক্তরাজ্যে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের স্থায়ীভাবে ফিরে আসার খবর ঘিরে রাজপরিবারের ভেতরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামে উঠে এসেছে সাসেক্স দম্পতির প্রত্যাবর্তন, তাদের নিরাপত্তা ব্যয় এবং রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। উইলিয়ামই রাজার প্রধান অগ্রাধিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা তৃতীয় চার্লস হ্যারি ও মেগানের যুক্তরাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্তে খুশি হলেও তাঁর উত্তরসূরি প্রিন্স উইলিয়াম এবং রাজপরিবারের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। হ্যারি ও মেগানের ফেরার খবর প্রকাশের সময় রাজা চার্লস প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গেই ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজা ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন, সাসেক্স দম্পতির প্রত্যাবর্তনের কারণে রাজপরিবারের দায়িত্ব ও কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আসবে না। নিরাপত্তায় বছরে ৫০ - [মিয়ানমারের বিবৃতি কি রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল করে তুলছে?](https://sarakhon.com/news/185208/): মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আবারও ‘বাঙালি’ দাবি করে মিয়ানমার সরকারের সাম্প্রতিক বিবৃতির পর বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে যে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পণে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, হুট করে মিয়ানমার সরকার সেখানকার রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ উল্লেখ করে এখন কেন এমন বিবৃতি দিল? এর ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ যে চেষ্টা করছে সেটি বাধাগ্রস্ত হয়ে রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল রূপ নিতে যাচ্ছে কি-না সেই আলোচনাও সামনে আসছে। কারণ মিয়ানমার দাবি করেছে, যে জাতিগত নামে (রোহিঙ্গা) তাদেরকে পরিচয় করানো হচ্ছে সেই নামে কোনো গোষ্ঠী দেশটিতে নেই, যা রোহিঙ্গারা আগে থেকেই প্রত্যাখ্যান করে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘হ্যাকিং’ ঠেকিয়ে আলোচনায় টেক্সাসের শিক্ষার্থী](https://sarakhon.com/news/185205/): টেক্সাসের এক কম্পিউটারবিজ্ঞান শিক্ষার্থী এমন একটি ঘটনা শনাক্ত করেছেন, যেখানে একটি স্বয়ংক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা মুক্ত উৎসের সফটওয়্যারে ক্ষতিকর কোড ঢোকানোর চেষ্টা করেছিল। শুধু তাই নয়, সন্দেহ প্রকাশ করার পর ওই শিক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি একাধিক ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের মতো কথোপকথনও চালায়। টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডালাস শাখার শিক্ষার্থী সিনান জান দেমির জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে চাকরির আবেদন ও নিজের দক্ষতার পরিচিতি বাড়াতে মুক্ত উৎসের সফটওয়্যার প্রকল্পে কাজ করছিলেন। তখনই তিনি ‘মাইনেটওয়ার্ক’ নামের একটি নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ সফটওয়্যারে সন্দেহজনক পরিবর্তন দেখতে পান। ক্ষতিকর কোড ঢোকানোর চেষ্টা দেমির দেখতে পান, ‘মিরাহোল্ট৩১’ নামের একটি ব্যবহারকারী সফটওয়্যারটির নতুন সংস্করণে এমন কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে, - [ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকার বাইরে যে পাঁচ জেলা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে](https://sarakhon.com/news/185202/): বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা জুলাই মাস থেকেই বাড়ছে। তবে অগাস্টের তিন সপ্তাহেই জুলাইয়ের চেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে (১৯ শে অগাস্ট পর্যন্ত) প্রায় ১১ হাজার মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে জুলাইয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন নয় হাজার ২০০-এর বেশি ডেঙ্গু রোগী। এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৭৬ জন মারা গেছেন। আর আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ২৬ হাজারের বেশি। তবে অন্যান্য বছরের মতো ডেঙ্গুর প্রকোপ এখন আর মূলত রাজধানী ঢাকা-কেন্দ্রিক নয়। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে কোন কোন এলাকায় ডেঙ্গু দ্রুত - [যুক্তরাজ্যে ফিরেই অভিনয়ে ফিরতে পারেন মেগান](https://sarakhon.com/news/185196/): ব্রিটেনে ফিরে অভিনয়ে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সাসেক্সের ডাচেস মেগান মার্কেলের। দেশটির একটি নতুন অভিনয় প্রকল্পে তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে খবর ছড়ালেও, এখনো সেই ভূমিকা বা প্রকল্পের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত হয়নি। আগস্টের শেষ নাগাদ স্বামী প্রিন্স হ্যারি ও দুই সন্তানকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফেরার কথা রয়েছে মেগানের। তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেট সেপ্টেম্বরে স্কুলে ভর্তি হবে বলে জানা গেছে। লন্ডনের বাইরে একটি ব্যক্তিগত ও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বের বাইরে থাকা বাসভবনে তারা থাকবেন। অভিনয়ে ফেরার জল্পনা বিয়ের আগে মেগান মার্কেল মার্কিন আইনি ধারাবাহিক ‘সুটস’-এ আইনজীবী র‍্যাচেল জেনের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান। ধারাবাহিকটির সাতটি মৌসুমে অভিনয়ের পর - [হলুদ খাওয়ার উপকার নিয়ে প্রচলিত ধারণাগুলো কতটা সত্য](https://sarakhon.com/news/185195/): বাংলাদেশের মাছের ঝোল, ভারতীয় চিকেন কারি, সুদানের উটের বিরিয়ানি, কিংবা মালয়েশিয়ার লাকসা – এই রান্নাগুলোয় একটা উপাদান থাকেই, আর সেটা হলো হলুদ। খাবারকে সুস্বাদু করার পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই মসলা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও কি অলৌকিক কিছু করতে পারে? “আমার পরিবারের শিকড় পাঞ্জাবে, আর হলুদ ছাড়া কোনো খাবারের কথা আমি ভাবতেই পারি না,” বিবিসির ফুড চেইন অনুষ্ঠানে বলছিলেন দক্ষিণ এশীয় প্রবাসী জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করা খাদ্যবিষয়ক গবেষক ও পডকাস্টার রাগিনি কাশ্যপ। হলুদের প্রায় ৩০টি জাত রয়েছে, যা এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার রান্নায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে দক্ষিণ এশীয় প্রবাসীদের সঙ্গে করে এর ব্যবহার পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরের বালি ও - [আমেরিকায় হ্যারি-মেগানের ‘স্বপ্ন’ কেন ফিকে হয়ে গেল](https://sarakhon.com/news/185189/): রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর সময় প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন এমন এক পরিচয়, যা হলিউডে অর্থ দিয়ে তৈরি করা কঠিন—রাজপরিবারের সদস্য হওয়ার মর্যাদা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সেই স্বপ্ন যতটা উজ্জ্বলভাবে শুরু হয়েছিল, সময়ের সঙ্গে তা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোতে নতুন জীবন শুরু করে এই দম্পতি স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আর্থিক স্বনির্ভরতার কথা বলেছিলেন। অপরাহ উইনফ্রের সঙ্গে ২০২১ সালের আলোচিত সাক্ষাৎকারে মেগান বলেছিলেন, নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার স্বাধীনতা তার কাছে ছিল মুক্তিদায়ক। হ্যারি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারকে এমন ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাধীনতা পাওয়া সম্ভব, যা যুক্তরাজ্যে পাওয়া কঠিন। শুরুতেই রাজকীয় জৌলুস মন্টেসিটোতে বসতি গড়ার - [ট্রাম্পের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’তে কতটা বিপাকে পড়তে পারে ইরান?](https://sarakhon.com/news/185192/): প্রায় ছয় মাস ধরে ইরানের সঙ্গে সংঘাত চললেও কাঙ্ক্ষিত দ্রুত বিজয় বা সমঝোতার পথে এগোতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় অচলাবস্থা কাটেনি। এবার সেই অচলাবস্থা ভাঙতে ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প এই নতুন উদ্যোগকে বলেছেন ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’। তাঁর হুঁশিয়ারি, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে গেলে যে কোনো দেশকে ‘ভয়াবহ’ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হতে পারে। ইরানকে ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ইরান দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ১৯৭৯ সালে ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশটির ওপর বিভিন্ন মাত্রায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে ২০১৮ সালে প্রথম ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে - [রাশিয়ার বিরল ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া, জাপানের দাবি করা দ্বীপ ঘিরে বাড়ল উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/185186/): জাপানের দাবি করা দ্বীপগুলোর কাছে বিরল এক ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অংশ নেয় রুশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এই মহড়াকে ঘিরে মস্কো ও টোকিওর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরমাণু সাবমেরিন ও যুদ্ধজাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর জানিয়েছে, দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে মহড়ায় একটি পরমাণুচালিত সাবমেরিন, একটি নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার এবং স্থলভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। রুশ সংবাদ সংস্থার বরাতে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ৩০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করা হয় এবং সেগুলো লক্ষ্যভেদে সফল হয়। তবে মহড়াটি ঠিক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা জানায়নি রাশিয়া। রাশিয়া ২০১৬ সালে ইতুরুপ দ্বীপে স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র - [পাকিস্তানের সামরিক ও পারমাণবিক কমান্ড কাঠামো নিয়ে দুটি বিল পাস, বিরোধীদের ওয়াকআউট](https://sarakhon.com/news/185151/): পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে সামরিক বাহিনী ও পারমাণবিক কমান্ড কাঠামো নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে। বিরোধী দলগুলোর ওয়াকআউট এবং ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক পাকিস্তান পিপলস পার্টির আপত্তির মধ্যেই বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট বিল দুটি অনুমোদন করা হয়। দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জাতীয় পরিষদে ‘প্রতিরক্ষা বাহিনী আইন ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় কমান্ড কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০’-এর সংশোধনী বিল উপস্থাপন করেন। বিল দুটি উত্থাপনের সময় বিরোধী সদস্যরা অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান। তবে পাকিস্তান পিপলস পার্টির আইনপ্রণেতারা শেষ পর্যন্ত উভয় বিলের পক্ষেই ভোট দেন। দলটির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি অবশ্য বিল উপস্থাপনের পদ্ধতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। সরকারের সঙ্গে মিত্রদের পরামর্শ না করার - [মহড়ার কাটছাঁটে দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘মার্কিন পুতুল’ বলে কটাক্ষ কিম ইয়ো জংয়ের](https://sarakhon.com/news/185181/): যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর কমিয়ে দেওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়াকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পুতুল’ বলে অভিহিত করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আকস্মিকভাবে সামরিক মহড়ার পরিসর কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া এমন এক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে, যেখানে তাদের পছন্দের ‘যুদ্ধের মহড়া’ বাতিল করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের চলে যাওয়ার বিষয়ে একটি প্রতিবাদী কথাও বলতে পারছে না। কিম ইয়ো জংয়ের ভাষায়, এটাই ‘পুতুল বাহিনীর অনিবার্য পরিণতি’। যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ - [গ্যাস সংকটে ময়মনসিংহের ২০ কারখানায় শ্রমিক ছুটি, অর্ধেকে নেমেছে উৎপাদন](https://sarakhon.com/news/185178/): ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের তীব্র সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে অনেক কারখানা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে জেলার ২০টি কারখানার শ্রমিকদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অন্য কারখানাগুলোতেও উৎপাদন চলছে সীমিত পরিসরে। অর্ধেকে নেমেছে বড় কারখানার উৎপাদন শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলে মোট ২৯৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৯৯টি কারখানা গ্যাসনির্ভর। গ্যাসের সংকটে প্রায় সব গ্যাসনির্ভর কারখানাই সমস্যায় পড়েছে। শিল্প পুলিশ-৫-এর পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন জানান, শিল্পাঞ্চলের বড় কারখানাগুলোতে গড়ে প্রায় ৫০ শতাংশ উৎপাদন কমে গেছে। কারখানাগুলো বিদ্যুৎ ও নিজস্ব উৎপাদনযন্ত্রের মাধ্যমে কিছুটা কাজ চালানোর চেষ্টা করলেও - [কারাগার থেকে হাসপাতালে ইমরান খান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চিকিৎসা শুরু](https://sarakhon.com/news/185175/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর শুক্রবার ভোরে তাকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য স্থানান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তার সমর্থকেরা অভিযোগ করে আসছেন, কারাগারে থাকার কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকসহ একটি চিকিৎসক দলের - [চট্টগ্রামে গড়ে উঠছে আরেক ‘জঙ্গল সলিমপুর’, পাহাড় কেটে দখল সরকারি জমি](https://sarakhon.com/news/185172/): চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ পাহাড়তলীর বারাইতলী এলাকায় সরকারি পাহাড়ি জমি দখল করে বসতি গড়ে তোলা এবং পাহাড় কেটে ছোট ছোট প্লট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এরই মধ্যে ওই এলাকায় তিন শতাধিক পরিবার বসবাস করছে। আশপাশের পাহাড়েও রয়েছে আরও কয়েক শ ঘরবাড়ি। দক্ষিণ পাহাড়তলীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বারাইতলী এলাকা শহরের সীমানার মধ্যে হলেও এর পরিবেশ অনেকটা প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদের মতো। সরু মাটির রাস্তার দুই পাশে টিন, বাঁশ ও বেড়া দিয়ে তৈরি ঘর। কোথাও পাহাড়ের ঢালে ঘর, কোথাও পাহাড় কেটে সমতল করে তৈরি করা হয়েছে বসতভিটা। আবার কোথাও নতুন ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে পড়ে আছে কাটা গাছের গুঁড়ি ও পাহাড়ের মাটি। - [নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশের বড় স্বপ্ন, ধীরগতির বিদ্যুৎ অবকাঠামোই বড় বাধা](https://sarakhon.com/news/185169/): বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে বড় বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বারবার। কিন্তু লক্ষ্য ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবায়নের গতির মিল খুব কমই দেখা গেছে। প্রায় দুই দশক আগে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি গ্রহণ করা হলেও এখনো মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র প্রায় ৫ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। ২০১৫ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৫ শতাংশ বিদ্যুৎ এবং ২০২০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। দুটি লক্ষ্যই পূরণ হয়নি। এবার ২০২৫ সালের নতুন নীতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের গতি বাড়বে? লক্ষ্যের সঙ্গে - [রোমের হোটেলকাণ্ডে মুখ খুললেন জেমস, ‘আমি ছিলাম ৩৪৫ নম্বর রুমে’](https://sarakhon.com/news/185166/): ইতালির রোমে কনসার্টের পর হোটেলের একটি কক্ষ নোংরা অবস্থায় রেখে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে অবশেষে সরাসরি নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নগরবাউল জেমস। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, অভিযোগ ওঠা ৫৪৯ নম্বর কক্ষে তিনি ছিলেন না; তিনি ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে। আগামী ২৩ আগস্ট ইতালির ভেনিসে জেমসের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে ২০ আগস্ট রাতে ভেনিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। সেখানেই রোমের হোটেলকাণ্ড নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন এই শিল্পী। যে কক্ষ নিয়ে অভিযোগ রোমের একটি হোটেলে জেমস ও তার সফরসঙ্গীদের অবস্থান নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে একটি কক্ষের মেঝেতে - [জেসন আরডের বিরুদ্ধে প্লেজিয়ার অভিযোগ তোলা সেই শিক্ষাবিদকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাময়িক বরখাস্ত](https://sarakhon.com/news/185163/): ব্রিটেনের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত অধ্যাপক জেসন আরডের বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ তোলা মার্কিন শিক্ষাবিদ নাথান কোফনাসকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বেলজিয়ামের ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁর বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে প্রাথমিক শাস্তিমূলক তদন্তও শুরু হয়েছে। ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কোফনাসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি বিশ্ববিদ্যালয়। কোফনাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে চাকরি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি জানিয়েছিলেন, আরডের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত করছে। আরডের মৃত্যুর পর নতুন করে বিতর্ক একসময় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের - [ট্রাম্পের নজরে আবার কিস্টোন এক্সএল, তবে তেলশিল্পের পরিকল্পনা ভিন্ন](https://sarakhon.com/news/185160/): কানাডার সঙ্গে নতুন শুল্ক এড়াতে বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিনের বিতর্কিত কিস্টোন এক্সএল তেল পাইপলাইন প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তেলশিল্প এরই মধ্যে বাতিল হয়ে যাওয়া প্রকল্পটির বিকল্প পথে এগোতে শুরু করেছে। বিকল্প পাইপলাইনেই শিল্পের আগ্রহ পশ্চিম কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় উপকূলের শোধনাগারগুলোতে ভারী অপরিশোধিত তেল পৌঁছে দিতে নতুন কয়েকটি পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব শোধনাগার কানাডার ঘন ও ভারী ধরনের অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম। ট্রাম্পও বিকল্প সরবরাহব্যবস্থার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। গত এপ্রিলে তিনি এমন একটি প্রকল্পকে সীমান্ত অতিক্রম করে মন্টানায় প্রবেশের অনুমতিও দিয়েছেন। কিস্টোন এক্সএলের বদলে নতুন পথ কিস্টোন এক্সএল নিয়ে - [নারায়ণগঞ্জে পূর্ববিরোধের জেরে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হত্যা](https://sarakhon.com/news/185157/): নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পূর্ববিরোধের জেরে বুলবুল আহমেদ (৩৫) নামে ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি কিশোর অপরাধী দলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার সালেহনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বুলবুল আহমেদ শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। তিনি ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা পশ্চিম শাখার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ। মামলাকে কেন্দ্র করে বিরোধ স্থানীয় সূত্র ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বুলবুলের মালিকানাধীন একটি গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় কিশোর অপরাধী দলের - [ইরানের ওপর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন বেসেন্ট](https://sarakhon.com/news/185154/): ইরানের ওপর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, সামরিক অভিযান বাড়ানোর পরিবর্তে তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করাই এখন ওয়াশিংটনের প্রধান কৌশল। এর এক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরুর হুমকি দেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, যে কোনো দেশ ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা বা অর্থনৈতিক সুবিধা দিলে সেই দেশকেও বড় ধরনের অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে। সামরিক অভিযানের বদলে অর্থনৈতিক চাপ বেসেন্ট বলেন, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ মাত্রার অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলে বড় ধরনের নতুন সামরিক অভিযান শুরুর প্রয়োজন কমে আসতে - [গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে বিহারের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, বললেন সঞ্জয় ঝা](https://sarakhon.com/news/185148/): ১৯৯৬ সালের ভারত–বাংলাদেশ গঙ্গা পানি চুক্তি বর্তমান কাঠামোতে নবায়ন করা হলে বিহারের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর জাতীয় কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয় ঝা। তাঁর দাবি, চুক্তি কার্যকর হওয়ার গত তিন দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে বিহারের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিহারের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি ভারতের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় ঝা বলেন, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক বিষয়গুলো সমাধানের প্রয়োজন থাকলেও বিহারের স্বার্থকেও সমানভাবে বিবেচনায় রাখতে হবে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের ভাবমূর্তি রক্ষায় চুক্তিটি হয়তো কিছু সুবিধা দিয়েছে, কিন্তু বিহারের স্বার্থ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিহারের পানি সম্পদমন্ত্রী হিসেবে - [পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি পরিকল্পনায় পাঁচ দেশের তীব্র নিন্দা](https://sarakhon.com/news/185141/): পশ্চিম তীরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের ইসরায়েলি পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা। দেশগুলো সতর্ক করে বলেছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনকে নিয়ে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেমের পূর্বদিকে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘ই-১’ এলাকায় ১ হাজার ২৩৪টি আবাসন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। এটি ৩ হাজার ৪০১টি নতুন আবাসন নির্মাণের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ, যা গত বছরের আগস্টে ইসরায়েলি সরকার অনুমোদন করেছিল। পাঁচ দেশের যৌথ প্রতিবাদ বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে পাঁচ দেশ ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা পরিকল্পনাটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে - [স্মরণকালের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, ১৯ শতকের পর এমন নজির নেই](https://sarakhon.com/news/185145/): প্রশান্ত মহাসাগরে ভয়াবহ শক্তি সঞ্চয় করছে এল নিনো। যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস বলছে, চলতি বছরের শেষ দিকে এই প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা এমন তীব্র রূপ নিতে পারে, যা ১৯৫০ সাল থেকে সংরক্ষিত নথিতে নজিরবিহীন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি ১৯ শতকের পর সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রিরও বেশি উষ্ণ সমুদ্র এল নিনো শনাক্ত করা হয় যখন প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে অন্তত শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যায়। বর্তমানে ওই অঞ্চলের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি ওপরে রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শেষ দিকে এল নিনো চূড়ায় - [নিউইয়র্কের ক্যাপিটল ভবনে বোমা হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নারী গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/185142/): নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের রাজধানী আলবেনির ক্যাপিটল ভবনে বোমা হামলা চালিয়ে আইনপ্রণেতাদের হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে ৩৫ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। কর্মকর্তাদের দাবি, অভিযুক্ত নারী জেসিকা বোয়ি হামলার আগে ভবনটি একাধিকবার পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। হামলার লক্ষ্য ছিল আইনপ্রণেতারা মামলার নথি অনুযায়ী, বোয়ি আগে ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে বস্তুগত সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, তিনি ভবনটি অন্তত পাঁচবার ঘুরে দেখে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের তুলনায় নিউইয়র্কের ক্যাপিটল ভবনকে তিনি তুলনামূলক সহজ লক্ষ্য মনে করেছিলেন। তদন্তকারীদের কাছে বোয়ি নাকি বলেছিলেন, তিনি ভবনটির যতটা সম্ভব ধ্বংস করতে এবং সিনেটরদের - [বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য](https://sarakhon.com/news/184951/): উত্তর কোরিয়া বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি এতদিন অনুসরণ করেছে, তাতে একটি মৌলিক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। দেশটি এখন আর কেবল বেশি সংখ্যক শ্রমিককে বিদেশে পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দিকে নজর দিচ্ছে না। বরং কোন চুক্তি থেকে রাষ্ট্র কতটা লাভ পাবে, সেই হিসাবকে সামনে রেখে বিদেশি শ্রমবাজারকে আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে পিয়ংইয়ং। বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর অনুমোদন বা ‘ওয়াক্কু’ পুনর্মূল্যায়ন, পুরোনো চুক্তির লাভজনকতা যাচাই এবং কম মুনাফার প্রকল্প বাতিল—সব মিলিয়ে উত্তর কোরিয়া এমন এক ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে, যেখানে শ্রমিকের বিদেশযাত্রার সংখ্যার চেয়ে রাষ্ট্রের হাতে শেষ পর্যন্ত কত বৈদেশিক মুদ্রা থাকবে, সেটিই প্রধান বিবেচনা। এই পরিবর্তনকে শুধু শ্রমিকের মজুরি নিয়ে দর-কষাকষি হিসেবে দেখলে - [জিজিগার করব্যবস্থার সংকট: রাজস্ব আদায়, ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ও ডিজিটাল সংস্কারের নতুন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/184948/): ইথিওপিয়ার সোমালি আঞ্চলিক রাজ্যের রাজধানী জিজিগায় মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আদায়কে ঘিরে নগর প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহলের বিরোধ এখন কেবল একটি স্থানীয় কর-বিতর্ক নয়। বড় ব্যবসায়ী, পাইকার, আমদানিকারক ও উচ্চ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রশাসনের টানাপোড়েনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ডিজিটাল ব্যবস্থায় নথিভুক্ত বিক্রয় কি একইভাবে কর কর্তৃপক্ষের কাছে দৃশ্যমান ও যাচাইযোগ্য হবে? এই প্রশ্নের উত্তর জিজিগার ভবিষ্যৎ করব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শহরটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে কাগজপত্র, হাতে লেখা হিসাব ও বিচ্ছিন্ন পরিদর্শনের ওপর নির্ভর করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা চালানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগও অমূলক নয়। কর প্রশাসনের প্রয়োজনে সংগৃহীত তথ্য যেন সীমাহীন বাণিজ্যিক নজরদারির হাতিয়ারে - [চা পানে দীর্ঘায়ু থেকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে মিলতে পারে ৫ উপকার](https://sarakhon.com/news/185135/): পানি পানের পর বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় চা। বিশ্বজুড়ে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ নিয়মিত চা পান করেন। আর চায়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে গত কয়েক দশকে শত শত গবেষণা হয়েছে। এসব গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনল ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ যৌগ রক্তনালির স্বাস্থ্যে সহায়তা করতে পারে, প্রদাহ কমাতে পারে, শরীরকে শিথিল করতে পারে এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে। গ্রিন, ব্ল্যাক, হোয়াইট ও উলং—সব ধরনের চা একই উদ্ভিদ ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থেকে তৈরি। পাতার বয়স ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পার্থক্যেই মূলত এগুলোর স্বাদ, রং ও বৈশিষ্ট্য বদলে যায়। অন্যদিকে ক্যামোমাইল, পুদিনা, হিবিস্কাস ও আদার মতো হারবাল চা তৈরি - [ইরান যুদ্ধের মূল্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সার্থক নয়](https://sarakhon.com/news/185128/): ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কয়েক মাস পরও বড় প্রশ্ন উঠছে—সামরিক সাফল্য কি সত্যিই কৌশলগত বিজয়ে পরিণত হয়েছে? বাস্তবতা বলছে, যুদ্ধক্ষেত্রে কিছু সাফল্য মিললেও এর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত মূল্য ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর ইরানকে ঘিরে সংঘাত দ্রুত আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের বীমা ব্যয় হঠাৎ বেড়ে যায়। কয়েকটি নৌপরিবহন প্রতিষ্ঠান বিকল্প পথ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করতে শুরু করে। একই সময়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক অভিযান - [এশীয় ব্যবসায়ীদের চাপে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে শিল্পভাড়া দ্বিগুণ](https://sarakhon.com/news/185125/): মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে এশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কারখানা ও গুদাম ভাড়া নেওয়ার প্রবণতা গত তিন বছরে দ্বিগুণ হয়েছে। চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং তাইওয়ানের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বাড়তি চাহিদাই এই বাজারকে দ্রুত সম্প্রসারিত করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের শাস্তিমূলক বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তনের কারণে এশীয় কোম্পানিগুলো ইউরোপের কাছাকাছি উৎপাদন ও বিতরণকেন্দ্র গড়ে তুলতে আগ্রহী হচ্ছে। এর ফলে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের শিল্প স্থাপনা, কারখানা ও গুদামের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চীনা গাড়ি নির্মাতাদের বাড়তি আগ্রহ চীনের গাড়ি নির্মাতারা ইউরোপের বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার একটি অংশ ইউরোপের অভ্যন্তরে নিয়ে আসছে। মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং - [ঋণের বোঝা থাকলে প্রেমেও ‘না’ বলছেন মিলেনিয়াল ও জেন-জি](https://sarakhon.com/news/185122/): অর্থনৈতিক চাপ বদলে দিচ্ছে তরুণ প্রজন্মের প্রেম ও সম্পর্কের হিসাব। একসময় তৃতীয়বার দেখা করার আগে সঙ্গীর ঋণ বা আর্থিক অবস্থার খোঁজ নেওয়াকে নিছক রসিকতা মনে করা হলেও এখন বিষয়টি অনেকের কাছে সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সম্ভাব্য সঙ্গীর ঋণ কিংবা অর্থ ব্যবস্থাপনার অভ্যাস তাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে। তরুণদের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বেশি। মিলেনিয়াল প্রজন্মের ৫১ শতাংশ এবং জেন-জি প্রজন্মের ৪৯ শতাংশ এমন মত দিয়েছেন। বিপরীতে জেন-এক্স ও বেবি বুমারদের মধ্যে এই হার ৩৯ শতাংশ করে। অর্থনৈতিক বাস্তবতাই বদলে দিচ্ছে প্রেমের সমীকরণ তরুণ প্রজন্মকে সাধারণত অর্থের বিষয়ে - [৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে মার্কিন ঋণ, বাড়ছে অর্থনীতির আর্থিক ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/185119/): যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বুধবার এই মাইলফলকে পৌঁছায় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি। কয়েক দশক ধরে সামরিক ব্যয়, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং করছাড়ের অর্থ জোগাতে ধার নেওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ভিত্তির ওপর চাপ আরও বাড়ছে। চলতি বছরেই যুক্তরাষ্ট্রের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি নতুন ঋণ নেওয়ার পথে রয়েছে। এর বড় অংশ যাচ্ছে ইরান যুদ্ধের ব্যয়, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি এবং ২০২৫ সালে রিপাবলিকানদের পাস করা ব্যাপক করছাড়ের অর্থ মেটাতে। একই সময়ে সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। নতুন ঋণের প্রায় অর্ধেক ঘাটতির পেছনেই এখন সুদ ব্যয়ের ভূমিকা রয়েছে। ঋণ বাড়ার পেছনে দ্বিদলীয় দায় মার্কিন ঋণ সংকটের জন্য শুধু - [কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার দুজন](https://sarakhon.com/news/185116/): ভারতের কলকাতায় ভয়াবহ হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার ভোরে নিউ মার্কেটের কাছে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় এ পর্যন্ত সাত বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভয়াবহ আগুন কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ওই হোটেলে বুধবার আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথমে পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল। পরে আরও দুজনের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে সাতজনে পৌঁছায়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হিসাবে, অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি একই পরিবারের সদস্য। আগুনে আহত ছয় বাংলাদেশি - [রোহিঙ্গারা পরিবেশ ধ্বংস, মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মে জড়িত: সেনাপ্রধান](https://sarakhon.com/news/185112/): রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি বাংলাদেশের ওপর বহুমুখী চাপ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গারা পরিবেশ ধ্বংস, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোহিঙ্গা সংকট দেশের অর্থনীতিতেও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে আয়োজিত তিন সপ্তাহব্যাপী ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। রোহিঙ্গা সংকটে বহুমুখী চাপ অনুষ্ঠানে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি দেশের জন্য একাধিক ধরনের চাপ তৈরি করছে। এর মধ্যে পরিবেশগত ক্ষতি, মাদক চোরাচালান এবং অন্যান্য অপকর্মের বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি। সেনাপ্রধানের বক্তব্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাব শুধু নিরাপত্তা - [ইবনে খালদুনের উত্তরাধিকার: ইতিহাসের আলোয় এক অসামান্য চিন্তাবিদ ও তাঁর সীমাবদ্ধতা](https://sarakhon.com/news/184945/): ইবনে খালদুনকে শুধু মধ্যযুগের একজন মুসলিম পণ্ডিত হিসেবে দেখলে তাঁর গুরুত্বের বড় অংশই অদৃশ্য থেকে যায়। ১৩৩২ থেকে ১৪০৬—এই সময়পর্বে জীবন কাটানো এই চিন্তাবিদকে আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাসচর্চা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের অন্যতম পূর্বসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মরক্কো ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বে তাঁর নাম দীর্ঘদিন ধরেই গৌরবের প্রতীক। কিন্তু তাঁকে নিয়ে গর্ব করার প্রবণতা কখনো কখনো তাঁর চিন্তার জটিলতা ও সীমাবদ্ধতাকে আড়াল করে দেয়। এই জায়গাতেই মরক্কোর গবেষক আবদেসসালাম চেদ্দাদির দীর্ঘ গবেষণা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ইবনে খালদুনকে নিয়ে চার দশকের বেশি সময়ের গবেষণার পর তাঁর প্রকাশিত বই The World Until 1400 According to Ibn Khaldun: A Global History কেবল একজন ঐতিহাসিকের - [সংযুক্ত আরব আমিরাতে জরুরি সতর্কবার্তা কীভাবে পৌঁছে যায় আপনার মুঠোফোনে](https://sarakhon.com/news/185110/): সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবারও জরুরি সতর্কসংকেত বেজে উঠেছে। মঙ্গলবারের এই সতর্কবার্তা ছিল গত ১২ জুলাইয়ের পর প্রথম এমন জরুরি সতর্কতা। বাসিন্দাদের দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নিতে, জানালা ও দরজা থেকে দূরে থাকতে এবং খোলা জায়গা এড়িয়ে চলতে বলা হয়। প্রায় ১০ মিনিট পর সতর্কতা প্রত্যাহার করে পরিস্থিতি নিরাপদ বলে জানানো হয়। মুঠোফোনে হঠাৎ এমন সতর্কবার্তা ও তীব্র সংকেত শুনলে মনে হতে পারে, এটি সাধারণ খুদে বার্তার মতোই কোনো বার্তা। কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে কাজ করে একটি বিস্তৃত জাতীয় আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা। সাধারণ খুদে বার্তা নয় মুঠোফোনে পৌঁছানো এই সতর্কবার্তা সাধারণ খুদে বার্তার মাধ্যমে পাঠানো হয় না। এর জন্য ব্যবহার করা - [শর্টস পরায় প্রশ্ন, সিংহগড়ে পরিবারকে হেনস্তার অভিযোগ; ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা](https://sarakhon.com/news/185107/): ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সিংহগড় দুর্গে পোশাক নিয়ে আপত্তির জেরে এক পর্যটক পরিবারকে হেনস্তা ও এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একটি ডানপন্থি সংগঠনের আট সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন নারীও রয়েছেন। ঘটনাটি সোমবার দুর্গের তানাজি মালুসারের সমাধির কাছে ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তানাজি মালুসারে ছিলেন ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের সামরিক কমান্ডার ও বিশ্বস্ত সহযোগী। শর্টস পরা নিয়ে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগকারী ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিংহগড় দুর্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা ছবি তুলছিলেন। এ সময় ডানপন্থি সংগঠনের একদল সদস্য তাদের কাছে এসে পোশাক ও ছবি তোলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরিবারের এক তরুণীর শর্টস পরা - [অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পণ্যের ভিড়, তবু ক্রেতার পছন্দ মানবসৃষ্ট কাজ](https://sarakhon.com/news/185103/): অনলাইনের বিভিন্ন বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি পণ্য ও উপকরণের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু সেই সঙ্গে ক্রেতাদের আগ্রহও বাড়ছে—এমনটা দেখা যাচ্ছে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে মানুষ এখনো মানুষের তৈরি পণ্যের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। ত্রিমাত্রিক নকশার অনলাইন বাজারের একটি সাম্প্রতিক চিত্র এ প্রবণতাকে স্পষ্ট করেছে। ওই বাজারে এক বছর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি উপকরণ বিক্রির সুযোগ চালু করা হয়। সেখানে স্থপতি, ভিডিও নির্মাতা, খেলাধুলাভিত্তিক নকশাকারীসহ বিভিন্ন সৃজনশীল পেশার মানুষ ব্যবহার করতে পারেন—এমন ২০ লাখের বেশি ত্রিমাত্রিক নকশা বিক্রি হয়। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি নকশার সংখ্যা বাড়লেও বিক্রিতে তার প্রতিফলন খুবই সামান্য। পণ্যের ভিড় বাড়লেও বিক্রি কম গত বছরের জুন থেকে চলতি - [এভারগ্রান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হুই কা ইয়ানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৩০ হাজার কোটি ডলারের ঋণ সংকটে নতুন অধ্যায়](https://sarakhon.com/news/185101/): চীনের আবাসন খাতের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের অন্যতম প্রতীক এভারগ্রান্ড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হুই কা ইয়ানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শেনঝেনে দেওয়া এ রায়ে একসময় এশিয়ার শীর্ষ ধনী হিসেবে পরিচিত এই ব্যবসায়ীর উত্থান-পতনের নাটকীয় অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল। তবে এই সাজা এভারগ্রান্ডের বিপুল দেশি-বিদেশি ঋণদাতাদের আর্থিক ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। হুই এপ্রিলে অর্থ আত্মসাৎ, তহবিল সংগ্রহে জালিয়াতি, অবৈধভাবে জনগণের আমানত গ্রহণ, বেআইনি ঋণ বিতরণ, প্রতারণামূলকভাবে সিকিউরিটিজ ইস্যু এবং ঘুষসহ আটটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। আদালত তার সব ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছে। আদালতের কঠোর পর্যবেক্ষণ আদালত বলেছে, এভারগ্রান্ড, এর প্রধান সহযোগী প্রতিষ্ঠান হেংদা রিয়েল এস্টেট এবং হুই কা ইয়ানের - [মেটার সামনে ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের ঝুঁকি, বদলে যেতে পারে পুরো প্রযুক্তি দুনিয়া](https://sarakhon.com/news/185097/): বিশ্বের অন্যতম ধনী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার সামনে এখন এমন এক আইনি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যার অঙ্ক শুনলে বিস্মিত হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের করা মামলায় সর্বোচ্চ সম্ভাব্য আর্থিক জরিমানার পরিমাণ ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই অঙ্ক মেটার সামগ্রিক বাজারমূল্যের কাছাকাছি। ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য অভিযোগ করেছে, মেটা তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি ঝুঁকি সম্পর্কে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে। একই সঙ্গে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য তৈরি করা হয়েছে, যা শিশু ও কিশোরদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্যের মহাধিবক্তাদের - [লোহিত সাগরে হুথি হামলায় আহত ৬ পাকিস্তানি নাবিক দেশে ফিরেছেন](https://sarakhon.com/news/185093/): ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় আহত ছয় পাকিস্তানি নাবিক নিরাপদে পাকিস্তানে ফিরেছেন। একই ঘটনায় নিহত দুই পাকিস্তানি নাবিকের মরদেহও দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসহাক দার জানান, তানজানিয়ার পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলায় আহত ছয় পাকিস্তানি নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে হামলায় নিহত দুই পাকিস্তানি নাবিকের মরদেহও দেশে পৌঁছেছে। লোহিত সাগরে তানজানিয়ার পতাকাবাহী জাহাজে হামলা গত ১১ আগস্ট তানজানিয়ার পতাকাবাহী ‘তিহামাহ’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানো হয়। হামলায় জাহাজটির কয়েকজন নাবিক নিহত ও আহত হন। ওই সময় ইসহাক দার জানিয়েছিলেন, তিন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত - [ভেনেজুয়েলার তেল-গ্যাসে বিনিয়োগের আহ্বান, মার্কিন কোম্পানিকে ‘নতুন এক পৃথিবীর’ হাতছানি](https://sarakhon.com/news/185091/): ভেনেজুয়েলার নতুন পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী পাওলা হেনাও মার্কিন ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশটির তেল ও গ্যাস খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভেনেজুয়েলা শুধু ভারী অপরিশোধিত তেলের জন্য পরিচিত একটি দেশ নয়; দেশটির স্থল ও সমুদ্রভাগে বিপুল পরিমাণ নতুন জ্বালানি সম্পদ এখনো অনাবিষ্কৃত ও অনুন্নত অবস্থায় রয়েছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে এক জ্বালানি সম্মেলনে হেনাও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ভেনেজুয়েলায় ৯১৬টির বেশি অনুসন্ধান ও উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের পাশাপাশি নতুন তেলক্ষেত্রও রয়েছে। তাঁর হিসাবে, দেশটিতে প্রায় ১৯২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। একই সঙ্গে প্রমাণিত তেলের মজুত ৩০ হাজার কোটি ব্যারেলেরও বেশি, যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ। ‘আবিষ্কারের অপেক্ষায় পুরো একটি পৃথিবী’ হেনাও - [ইমরানকে শিফা হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ: সরকারের রিভিউ আবেদন ফেরত দিল সুপ্রিম কোর্ট](https://sarakhon.com/news/185088/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের করা আবেদন ফেরত দিয়েছে আদালত। অসম্পূর্ণ কাগজপত্রের কারণ দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় আবেদনটি ফেরত দেয়। আবেদন নতুন করে দাখিলের প্রস্তুতি আদালত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সংশোধন করে সরকার আবারও রিভিউ আবেদন করতে পারে। পাশাপাশি রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের আপত্তির বিরুদ্ধেও আপিল করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই ঘটনাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছে ইমরানের দল পিটিআই। দলের মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা দাবি করেছেন, আদালতের আপত্তির পর সরকার তাদের রিভিউ আবেদন প্রত্যাহার করেছে। তিনি বলেন, ১৮ আগস্টের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নে এখন আর কোনো - [সব পোশাকেই মানানসই সতেজ সুগন্ধি, গরমে-শীতেও দারুণ পছন্দ](https://sarakhon.com/news/185083/): সুগন্ধির জগতে এমন কিছু ঘ্রাণ আছে, যা নির্দিষ্ট কোনো ঋতু, পোশাক কিংবা উপলক্ষের মধ্যে আটকে থাকে না। সতেজ ও পরিচ্ছন্ন ঘ্রাণের সুগন্ধিগুলো ঠিক তেমনই—হালকা, স্বচ্ছ, পরিশীলিত এবং প্রায় সব ধরনের ব্যক্তিত্বের সঙ্গেই মানিয়ে যায়। এগুলো খুব জোরালোভাবে নিজের উপস্থিতি জানান দেয় না, বরং কাছাকাছি এলে মুগ্ধ করে। সুগন্ধি বিশেষজ্ঞদের মতে, সতেজ ঘ্রাণ অনেকটা খোলা জানালা দিয়ে ভেসে আসা সকালের নির্মল বাতাস কিংবা গভীর শ্বাস নেওয়ার মতো। এতে থাকে হালকাভাব, স্বচ্ছতা ও এক ধরনের চলমান অনুভূতি। একই সঙ্গে এসব সুগন্ধি মনে এনে দিতে পারে সতেজতা ও প্রশান্তি। সতেজ সুগন্ধির জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে সাম্প্রতিক সময়ে ভারী ও মিষ্টি ঘ্রাণের পাশাপাশি ত্বকের খুব কাছাকাছি - [‘ভোটব্যাংক তোষণ’ থেকে ‘নতুন মুসলিম লীগ’: বন্দে মাতরম নিয়ে কংগ্রেস-বিজেপি সংঘাত তীব্র](https://sarakhon.com/news/185081/): বন্দে মাতরমের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ গাওয়া নিয়ে ভারতের রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি (সিডব্লিউসি) দলীয় কর্মসূচিতে জাতীয় সংগীতের প্রথম দুই স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিজেপি কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছে। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, ভোটব্যাংকের রাজনীতির কারণে কংগ্রেস দেশের আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিচ্ছে এবং দলটি আজকের ‘নতুন মুসলিম লীগে’ পরিণত হয়েছে। বন্দে মাতরম নিয়ে বিজেপির আক্রমণ বুধবার কংগ্রেসের সিডব্লিউসি ১৯৩৭ সালের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে দলীয় কর্মসূচিতে বন্দে মাতরমের শুধু প্রথম দুই স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর একদিন পর বৃহস্পতিবার নিতিন নবীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কংগ্রেসের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস এখন তাদের কথিত ‘অপমান’কে আনুষ্ঠানিক - [উত্তর কোরিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বৈরী নীতি’ বদলের আহ্বান চীনের, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বেইজিং](https://sarakhon.com/news/185078/): চীন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ‘বৈরী নীতি’ পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দিকে অগ্রসর হওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বুধবার সিউলে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউনের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে ওয়াং ই বলেন, কোরীয় উপদ্বীপের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চীন সবসময় গঠনমূলক ভূমিকা পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের ক্ষেত্রে বেইজিং মধ্যস্থতা করবে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রকে নীতি বদলের আহ্বান ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও - [বিলাসপণ্যের দাম কমাবে কি বড় বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ড? ভোক্তা ফেরাতে নতুন কৌশল](https://sarakhon.com/news/185074/): বিলাসপণ্যের বাজারে একসময় দাম বাড়ানোই ছিল বিক্রি ও মুনাফা বাড়ানোর প্রধান কৌশল। কিন্তু মহামারির পর সেই কৌশল এখন উল্টো চাপ তৈরি করছে। ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধিতে ক্রেতাদের একটি বড় অংশ বিলাসপণ্যের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, ক্রেতাদের আবার ফিরিয়ে আনতে বিলাসপণ্যের দাম কি কমানো উচিত? সম্প্রতি গুচি তাদের নতুন নকশার একটি চামড়ার হাতব্যাগের দাম আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে যে ব্যাগটির দাম ছিল প্রায় ২ হাজার ৯০০ ডলার, মে মাসে সেটির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এটি গুচি ও এর মূল প্রতিষ্ঠান কেরিংয়ের বিক্রি পুনরুদ্ধারের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির চাপ মহামারির সময় বিলাসপণ্যের চাহিদা বেড়ে - [কালিমান্তানে দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে, বৃষ্টি না এলে বাড়তে পারে আগুন-ধোঁয়ার সংকট](https://sarakhon.com/news/185701/): ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের কালিমান্তান অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুমের মধ্যে বন ও ভূমিতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। জমি পরিষ্কারে আগুন ব্যবহার, সীমিত স্থানীয় সক্ষমতা এবং আবহাওয়া পরিবর্তন কর্মসূচির কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। শুক্রবার দ্বীপটির পাঁচটি প্রদেশেই অগ্নিকাণ্ডের হটস্পট শনাক্ত হয়েছে। পূর্ব কালিমান্তানের কুতাই কার্তানেগারা এলাকার স্থানীয় বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সেখানে আগুন লাগার ঘটনা আগের তুলনায় ঘন ঘন ঘটছে এবং তীব্রতাও বাড়ছে। তাঁর আশঙ্কা, বন ও ভূমির আগুন এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আগুনের পেছনে জমি পরিষ্কারের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসন নজরদারি ও অগ্নিনির্বাপণ তৎপরতা বাড়ালেও তাদের সক্ষমতা সীমিত বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। তাঁর দাবি, তেলপাম বাগানসহ বিভিন্ন - [ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের মধ্যে লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ফেরানোর উদ্যোগে অচলাবস্থা](https://sarakhon.com/news/185684/): লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বড় ধরনের অচলাবস্থায় পড়েছে। ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কয়েক দশক পর সরাসরি আলোচনার সূচনা হলেও চার মাসে সাত দফা বৈঠকের পরও যুদ্ধ বন্ধ ও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের জন্য এই পরিস্থিতি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের হাতে অস্ত্রের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা এবং হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর সরকারের উদ্যোগে বৈরুতের বিমানবন্দর, বাণিজ্যিক বন্দর ও ব্যাংকিং ব্যবস্থায় হিজবুল্লাহর প্রভাব কমানোর কাজও এগিয়েছিল। রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতা তবে মার্চে ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে - [আসাম–মেঘালয় উত্তেজনা: হামলায় জড়িত ৫ মুখোশধারী শনাক্ত, গঠিত বিশেষ তদন্ত দল](https://sarakhon.com/news/185698/): আসাম ও মেঘালয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর ১৯ আগস্টের হামলার ঘটনায় জড়িত পাঁচ মুখোশধারীকে শনাক্ত করা হয়েছে। হামলায় আসাম নিবন্ধিত যানবাহন লক্ষ্যবস্তু হওয়ার ঘটনায় তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে মেঘালয় সরকার। শনিবার গুয়াহাটির কৈনাধারায় আসাম ও মেঘালয়ের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে মেঘালয়ের উপমুখ্যমন্ত্রী স্নিয়াওবালাং ধর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে আসামের প্রতিনিধিত্ব করেন রাজ্যের মন্ত্রী অতুল বরা। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতিতে বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। হামলার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা মেঘালয়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯ আগস্টের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ তদন্ত - [গ্যাসের লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কমছে সিএনজি চালকদের আয়](https://sarakhon.com/news/185695/): গ্যাস সংকটে রাজধানীর সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ অন্যান্য গ্যাসচালিত যানবাহনের চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে। গ্যাস নিতে অনেক ফিলিং স্টেশনে প্রায় তিন ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে দিনের বড় একটি সময় পাম্পেই কেটে যাচ্ছে, ফলে কমছে আয় এবং বাড়ছে গাড়ি পরিচালনার খরচ। অনেক চালকের জন্য প্রতিদিনের জমার টাকা পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে চালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পরও পর্যাপ্ত গ্যাস নেই চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস মিলছে না। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা - [মণিপুরে বাড়ছে পাহাড়ি গ্রাম, নেপথ্যে বাস্তুচ্যুতি ও ‘ভূতুড়ে গ্রাম’: বিজেপি বিধায়ক](https://sarakhon.com/news/185691/): মণিপুরের পাহাড়ি জেলাগুলোতে গ্রামের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে ১৯৯০-এর দশকের নাগা-কুকি জাতিগত সংঘাতে বাস্তুচ্যুতি এবং সরকারি প্রকল্পের অর্থ পেতে কথিত ‘ভূতুড়ে গ্রাম’ তৈরির অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপির বিধায়ক পাওলিয়েনলাল হাওকিপ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাইকোটের এই বিধায়ক বলেন, চুরাচাঁদপুর, কাংপোকপি ও অন্যান্য পাহাড়ি জেলায় গ্রামের সংখ্যা বাড়ার পেছনে ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সালের জাতিগত সংঘাতের সময়কার বাস্তুচ্যুতি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। একই সঙ্গে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের যোগসাজশে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পের অর্থ পেতে ‘ভূতুড়ে গ্রাম’ তৈরির অভিযোগও করেন তিনি। গ্রাম বাড়ার পেছনে বাস্তুচ্যুতি হাওকিপের বক্তব্য এসেছে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কয়েক দিন পর। নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের - [ভারতের পুঁজিবাজারে জেপিমরগানের প্রতিষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা, অভিযোগ কারসাজির](https://sarakhon.com/news/185687/): ভারতের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগে জেপিমরগান চেজ অ্যান্ড কোম্পানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কপথল মরিশাস ইনভেস্টমেন্টকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শেয়ারবাজারে কার্যক্রম চালানো থেকে নিষিদ্ধ করেছে দেশটির বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনের ধরন প্রাথমিকভাবে ‘কারসাজিমূলক’ বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বুধবার রাতে প্রকাশিত অন্তর্বর্তী আদেশে কপথল এবং মুম্বাইভিত্তিক মানসি শেয়ার অ্যান্ড স্টক ব্রোকিংয়ের বিরুদ্ধে বাজার কারসাজির অভিযোগ আনা হয়েছে। নতুন চালু হওয়া শেয়ারদরের সমাপনী মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান দুটি কারসাজিমূলক লেনদেন করেছে বলে অভিযোগ। সমাপনী দরে কারসাজির অভিযোগ ভারতের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভিযোগ, গত ১৩ আগস্ট সেনসেক্সভুক্ত বিভিন্ন শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়াতে কপথল নতুন চালু হওয়া সমাপনী নিলাম পর্ব - [মনোহরদীতে বাড়িতে ঢুকে অটোচালককে কুপিয়ে হত্যা, রহস্যে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/185663/): নরসিংদীর মনোহরদীতে বাড়ির ভেতরে ঢুকে আকাশ মিয়া (২৫) নামে এক অটোচালককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কীর্তিবাসদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি নিহতের পরিবার বা পুলিশ। নিহত আকাশ মিয়া কীর্তিবাসদী গ্রামের কৃষক আফতাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় আকাশ নিহতের বাবা আফতাব উদ্দিন জানান, বাড়ির একটি ঘরের এক পাশে গরু রাখা হতো এবং অন্য পাশে আকাশ ঘুমাতেন। শনিবার ভোরে তিনি ঘুম থেকে উঠে ছেলেকে ডেকে গরুটি বাইরে বের করে দিতে বলেন। ঘুমঘুম - [শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ চায় ডিকেসিসিআই, ঋণপ্রবাহে বেসরকারি খাতের সংকট](https://sarakhon.com/news/185681/): শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সুদের হার কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিকেসিসিআই)। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ মাত্র ৫ শতাংশে নেমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি। শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিকেসিসিআই অডিটোরিয়ামে ‘২০২৬ অর্থবছরের অর্ধবার্ষিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি: রাজস্ব, মুদ্রানীতি ও বেসরকারি খাতের প্রত্যাশার প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় এসব বিষয় তুলে ধরেন ডিকেসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সুদের হার ও বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা তুলে ধরে তাসকিন আহমেদ বলেন, মূল্যস্ফীতি - [তীব্র গরমে ব্যায়াম করবেন যেভাবে, শরীর থাকবে ঠান্ডা ও নিরাপদ](https://sarakhon.com/news/185678/): তাপমাত্রা যত বাড়ছে, শরীরচর্চা ততই কঠিন হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে দৌড়ানো, হাঁটা, সাইকেল চালানো কিংবা মাঠে খেলাধুলার সময় শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে। অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে গিয়ে তাপজনিত অসুস্থতা এমনকি হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। তবে গরম পড়লেই শরীরচর্চা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাও হতে পারে। বরং সময়, স্থান, ব্যায়ামের তীব্রতা এবং শরীর ঠান্ডা রাখার কৌশলে কিছু পরিবর্তন এনে গরমের মধ্যেও নিরাপদে সক্রিয় থাকা সম্ভব। কেন গরমে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন ব্যায়ামের সময় পেশি কাজ করার ফলে শরীরে তাপ তৈরি হয়। শরীর তখন ঘাম তৈরি করে এবং ত্বকের দিকে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে অতিরিক্ত - [শিশুদের মস্তিষ্কে পর্দার অতিরিক্ত সময়ের আসল প্রভাব কতটা?](https://sarakhon.com/news/185675/): শিশুর হাতে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কিংবা কম্পিউটার তুলে দিলে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন ধারণা এখন অনেক অভিভাবকের মধ্যেই গভীরভাবে গেঁথে গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, বিষয়টি এতটা সরল নয়। শুধু শিশু কতক্ষণ পর্দার দিকে তাকিয়ে আছে, সেই সময় দিয়ে তার মানসিক স্বাস্থ্য বা মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব নির্ধারণ করা যায় না। গবেষকদের একাংশের মতে, পর্দার ব্যবহার নিয়ে ভয় পাওয়ার আগে দেখতে হবে শিশু কী দেখছে, কীভাবে দেখছে, একা নাকি অন্যদের সঙ্গে দেখছে এবং এর কারণে ঘুম, শারীরিক কর্মকাণ্ড ও বাস্তব জীবনের সামাজিক যোগাযোগ কতটা কমছে। পর্দার সময় নিয়ে এত ভয় কেন শিশুদের অতিরিক্ত পর্দা ব্যবহারের সঙ্গে বিষণ্নতা, আচরণগত সমস্যা ও ঘুমের - [সামরিক পদক সম্মানের প্রতীক, প্রদর্শনের অলংকার নয়](https://sarakhon.com/news/185405/): সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিপাইনের সশস্ত্র বাহিনীতে কয়েকজন জেনারেল ও নৌবাহিনীর পতাকা কর্মকর্তার অন্তর্বর্তী নিয়োগ অনুমোদনের খবরের পাশাপাশি একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবিতে নবনিযুক্ত সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছিলেন রিজার্ভ বাহিনীর এক জেনারেল, যার ইউনিফর্মে অসংখ্য পদক, ব্যাজ ও ফিতা চোখে পড়ার মতোভাবে সাজানো ছিল। ছবিটি দেখেই প্রশ্ন উঠেছে—একজন রিজার্ভ কর্মকর্তার পোশাকে এত সামরিক সম্মাননা কেন, যখন আরও দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক ক্যারিয়ারের অধিকারী অনেক কর্মকর্তার ইউনিফর্মেও তুলনামূলকভাবে কম পদক দেখা যায়? এই প্রশ্নকে নিছক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিতর্ক হিসেবে দেখলে বিষয়টির গভীরতা বোঝা যাবে না। সামরিক বাহিনীতে পদক কেবল ধাতব প্রতীক নয়। এগুলো দায়িত্ব, সাহস, ত্যাগ এবং কর্তব্য পালনের স্বীকৃতি। - [সৌদিয়ার আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্রমণে বড় সুযোগ](https://sarakhon.com/news/185672/): আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য বড় ধরনের ভাড়া ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিট কিনলে আন্তর্জাতিক যাত্রায় অতিথি ও ব্যবসায়িক শ্রেণির ভাড়ায় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। টিকিট কেনার সময়সীমা এই বিশেষ ছাড়ের টিকিট কেনা যাবে ২০ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। তবে ছাড়ের আওতায় ভ্রমণ করতে হবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে। সৌদি আরব থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রার পাশাপাশি সৌদি আরব হয়ে অন্য দেশে যাওয়ার সংযোগকারী ফ্লাইটেও এই ছাড় প্রযোজ্য। একমুখী ও যাওয়া-আসার—দুই ধরনের টিকিটই প্রচারণার আওতায় থাকছে। সৌদিয়ার বিস্তৃত উড়োজাহাজ নেটওয়ার্ক এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকাসহ চারটি মহাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যকে সংযুক্ত করে। - [প্রতিদিন ৫০ গ্রাম আঁশ খেয়ে অন্ত্র সুস্থ রাখেন এই পুষ্টিবিজ্ঞানী](https://sarakhon.com/news/185669/): অন্ত্রের সুস্থতা ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত আঁশ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রতিদিন কতটা আঁশ খাওয়া যায় এবং তা কীভাবে সহজে খাবারের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব, তার বাস্তব উদাহরণ দিয়েছেন কিংস কলেজ লন্ডনের অন্ত্রস্বাস্থ্যবিষয়ক বিজ্ঞানী ও নিবন্ধিত খাদ্যবিশেষজ্ঞ মেগান রসি। তিনি প্রতিদিন প্রায় ৫০ গ্রাম আঁশ গ্রহণ করেন এবং দিনের বিভিন্ন খাবারে নানা ধরনের উদ্ভিদজাত উপাদান রাখেন। সকালের খাবারেই শুরু আঁশের যাত্রা মেগান রসির খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দিনের শুরুতেই আঁশসমৃদ্ধ খাবার রাখা। শস্য, ফল, বীজ ও অন্যান্য উদ্ভিদজাত খাবারকে সকালের খাবারের অংশ করে তিনি দিনের শুরুতেই শরীরের প্রয়োজনীয় আঁশের একটি বড় অংশ পূরণ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, একই ধরনের খাবারের ওপর নির্ভর না - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাখ্যা শুনে মানুষ কি নিজের চিন্তার ক্ষমতা হারাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/185666/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে শুরু করে নতুন ধারণা যাচাই—প্রায় সব ক্ষেত্রেই মানুষের সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু নতুন এক গবেষণা বলছে, এই সহায়তা সবসময় মানুষের সিদ্ধান্তকে উন্নত করছে না। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো সিদ্ধান্তের কারণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে দিলে মানুষ অনেক সময় নিজের বিচার-বিশ্লেষণ বাদ দিয়ে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছে। হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত গবেষণায় এমনই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানুষের একমত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়, বিশেষ করে যখন সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় এমন ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা থাকলেই সিদ্ধান্ত ভালো - [অবহেলিত পরিচ্ছন্নতা কর্মী; আমলা তোষন; বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠান](https://sarakhon.com/news/185654/): এসবগুলো নিয়েই আজকের পোস্ট। গতকাল সন্ধ্যায় ছিল নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠান। এটা নিয়ে দু একটি কথা বলব। কিন্তু তার আগে গতকাল সকালের একটা করুন কাহিনী আপনাদের শুনাই। আমি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দা। আমি সাধারণত খুব ভোরে আমাদের মাঠে হাঁটতে যাই। তখন প্রায় অন্ধকার থাকে। প্রতিদিন যাওয়ার সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে আমার সালাম এবং কুশল বিনিময় হয়। আমি তাদের আগে সালাম দেই এবং ভালো-মন্দ জিজ্ঞাসা করি। এ কারণেই বোধ হয় তারা আমাকে তাদের একজন আপনজন মনে করে। গতকাল সকাল দশটার দিকে অল্প কিছু বাজার করার জন্য হাঁটতে হাঁটতে আমাদের এলাকার সুপার মার্কেটে যাই। ওই সময়ে তাদেরকে - [তপ্ত ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ কি শীতল থাকবে জলবায়ুবান্ধব ঘরেই?](https://sarakhon.com/news/185657/): ব্রিটেনে একের পর এক তাপপ্রবাহ এখন গ্রীষ্মের স্বাভাবিক চিত্র হয়ে উঠছে। তাপমাত্রা আরও বাড়তে থাকলে মানুষের ঘরবাড়িই হয়ে উঠতে পারে নিরাপদ থাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কিন্তু প্রচলিত অনেক বাড়ি গরম সামলানোর জন্য তৈরি না হওয়ায় নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ঘরের নকশা ও নির্মাণপদ্ধতি নিয়ে। দেশটির অর্ধেকের বেশি বাড়ি ইতোমধ্যে অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে এই ঝুঁকি ৯২ শতাংশ বাড়িতে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ঠান্ডা চারতলা বাড়ি দক্ষিণ লন্ডনের একটি ষাটের দশকের পুরোনো সরকারি আবাসনের বাড়ি এখন জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। - [লখিন্দরদেশ](https://sarakhon.com/news/185651/): দেশের নাম লখিন্দর আঁচলে ঢেকে রাখে তাকে বেহুলা কালনাগিনী ঢোকে নিশিরাতে। নীল বিষে মাঝে মাঝে হৃদস্পন্দন থেমে যায়— খসে পড়ে লখিন্দরদেশের চর্ম, মাংস একে একে। এ শুধু একবার নয়— সেই জন্মকাল থেকে। নীল বিষে ভরা এ লখিন্দরকে নিয়ে বেহুলা ভেসে চলে মরণকে করে আলিঙ্গন বার বার দিনের আলো ও গভীর কালো রাত মাথায় নিয়ে। নীল বিষে যখনই অসাড় হয় লখিন্দরদেশ তখন দেশের ঘাসফুল, পাখি– রাতের শেষের শুকতারাটিও কাঁদে নীরবে। সব ফুল শুষ্ক মুখে চেয়ে থাকে গাঙুড়ের পানে। গভীর নিশীথে ফুল শুধু নয়— পাতারও চোখের পানি পড়ে ঝরে— শুধু বেহুলার পথ চেয়ে। কাতর কণ্ঠ তাদের নিশিবাতাসের মত কান্না হয়ে ফেরে আকাশ থেকে আকাশে। ডুকরে ওঠে - [মার্কিন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ জোরদার, ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে মিত্র ও চীনের ওপর ট্রাম্পের চাপ](https://sarakhon.com/news/185642/): ইরানের অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন করতে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মার্কিন মিত্রদের পাশাপাশি চীনকেও তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াশিংটন বলছে, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ মাত্রার অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে দেশটির সরকারকে চাপে ফেলাই এখন তাদের প্রধান কৌশল। ইরানের অর্থনীতি লক্ষ্য করে নতুন চাপ বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, তেহরানের সঙ্গে যেকোনো অব্যাহত অর্থনৈতিক সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা কোনো দেশের জন্যই অর্থনৈতিকভাবে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। তবে নতুন পদক্ষেপগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ এখনো প্রকাশ করেনি - [ইমরান খানের জন্য ‘ডিল বা ছাড়ের’ সুযোগ শূন্য, শেহবাজ-মুনির দ্বন্দ্বের গুঞ্জনও ভিত্তিহীন](https://sarakhon.com/news/185648/): ইমরান খানের জন্য কোনো ধরনের ‘ডিল’ বা ছাড়ের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সরকারি পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখা এক গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যসমৃদ্ধ সূত্র। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) এবং চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের মধ্যে কোনো ধরনের মতবিরোধের সম্ভাবনাও ‘শূন্য’ বলে জানিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর নতুন করে নানা জল্পনা শুরু হয়। ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নেওয়া - [ইমরান খানের হাসপাতাল স্থানান্তর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ ভঙ্গের অভিযোগ, অবমাননার আবেদন পিটিআইয়ের](https://sarakhon.com/news/185645/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে হাসপাতাল স্থানান্তর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ তুলে আদালত অবমাননার আবেদন করেছে তার দল। শনিবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদনটি দাখিল করেন পিটিআইয়ের মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা ও উজাইর ভান্ডারি। ইমরানের বোন ডা. উজমা খানের পক্ষে তারা এই আবেদন করেন। আবেদনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি এবং তাদের ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির করার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা পরীক্ষা করানোর জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে দলটি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ঘিরে বিরোধ গত ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ইমরান খানকে চিকিৎসা - [জিও টিভির প্রতিবেদন: পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/185626/): পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের জিও টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় জাতীয় স্বার্থ, পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক বাস্তবতাকে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে রয়েছে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি। ফলে কোনো আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি দেশের নিজস্ব স্বার্থ বিবেচনা করেই নির্ধারণ করা হবে। মক্কা চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে - [কোভিডের চেয়ে কতটা আলাদা সোয়াইন ফ্লু](https://sarakhon.com/news/185638/): দিল্লিতে চলতি বছরে হান১N১ আক্রান্তের সংখ্যা ১,৭৭৭-এ পৌঁছেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ রোগে কোনো মৃত্যুর খবর নেই। সংক্রমণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা শুক্রবার দিল্লির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী পঙ্কজ কুমার সিং জানান, হাসপাতালগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। হান১N১ কীভাবে এলো হান১N১ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ২০০৯ সালের শুরুর দিকে মেক্সিকোতে। গবেষণায় দেখা যায়, ভাইরাসটির জিনগত গঠন ছিল বিভিন্ন প্রাণী ও মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলাদাভাবে চলা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের জিনের এক ধরনের মিশ্রণ। এর আটটি জিন সেগমেন্টের বেশির ভাগই আগে শূকরদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। এ কারণেই ‘সোয়াইন ফ্লু’ নামটি - [‘সিনেমার সেট’ ভেবে বিধানসভায় পাঞ্চ ডায়লগ দিচ্ছেন বিজয়: স্টালিন](https://sarakhon.com/news/185635/): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের বিরুদ্ধে বিধানসভায় আচরণ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগম (ডিএমকে) সভাপতি এম কে স্টালিন। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভাকে সিনেমার সেটের মতো ব্যবহার করছেন এবং সেখানে নীতিনির্ধারণের বদলে ‘পাঞ্চ ডায়লগ’ দেওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। শনিবার ডিএমকের এক নির্বাহী কমিটির বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় স্টালিন আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে চালু করা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করছেন বিজয়। তাঁর দাবি, ডিএমকে নির্বাচনে জিতুক বা হারুক—দলের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত থাকবেন। বিধানসভায় বিজয়ের আচরণ নিয়ে স্টালিনের কটাক্ষ স্টালিন বলেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকে সরকারের চালু করা প্রকল্পগুলোর নাম পরিবর্তন করতেই ব্যস্ত। একই - [ডাচ গ্রাঁ প্রিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রাসেলের দাপট, স্প্রিন্টে জয়](https://sarakhon.com/news/185632/): মার্সিডিজের জর্জ রাসেল ডাচ গ্রাঁ প্রির স্প্রিন্ট রেসে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব ধরে রেখে দারুণ জয় পেয়েছেন। পুরো ২৪ ল্যাপের দৌড়ে পেছনের চারটি গাড়িকে নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বীদের নাগালের বাইরে রাখেন তিনি। রাসেলের নিয়ন্ত্রিত জয় শুরুর দিকে ম্যাকলারেনের ল্যান্ডো নরিস রাসেলের খুব কাছাকাছি ছিলেন। অনেক সময় ব্যবধান এক সেকেন্ডেরও কম ছিল এবং নরিসকে দ্রুতগতিরও মনে হচ্ছিল। কিন্তু অষ্টম ল্যাপে নরিস দলকে জানান, গাড়ির পেছনের অংশে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও গ্রিপ পাচ্ছেন না। এরপর ধীরে ধীরে রাসেলের কাছ থেকে পিছিয়ে পড়েন তিনি। এই সুযোগে ফেরারির শার্ল লেক্লের নরিসকে চাপে ফেলতে শুরু করেন। স্প্রিন্টের জন্য লেক্লের নরম টায়ার বেছে নিয়েছিলেন, যেখানে সামনের সারির অন্য - [জাতীয় স্বার্থ আগে, তারপর ভারত সফর: তারেক রহমানের সফরে তাড়াহুড়ো নেই](https://sarakhon.com/news/185629/): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সফরের উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করা হবে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্কের বার্তা হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে কোনো দেশের সঙ্গেই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে গিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করা হবে না। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাওয়ার কারণ স্পষ্ট—দুই - [বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কুইন সালিভানকে ঘাড়ে চড়, জরিমানা মেসিকে](https://sarakhon.com/news/185594/): মেজর লিগ সকারের ম্যাচে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কুইন সালিভানকে ঘাড়ে চড় মারার ঘটনায় আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে। ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা মেসিকে শুক্রবার অজ্ঞাত পরিমাণ অর্থ জরিমানা করেছে মেজর লিগ সকার কর্তৃপক্ষ। বুধবার ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে এই ঘটনা ঘটে। কী ঘটেছিল ম্যাচের শেষ মুহূর্তে খেলা চলছিল মাঠের অন্য প্রান্তে। এমন সময় মেসি মাঝমাঠের দিকে এগিয়ে কুইন সালিভানের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। সংক্ষিপ্ত কথাবার্তার একপর্যায়ে মেসি সালিভানের ঘাড়ের পেছনে হাত দিয়ে আঘাত করেন। এরপর সালিভানও মেসির মুখোমুখি হয়ে দাঁড়ান। পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও ঘটনাটি ঘটার সময় রেফারি ফিলিপ দুজিচের পেছন ফিরে - [শরৎ ২০২৬-এ চুলের সাজে স্বস্তির ছোঁয়া, জনপ্রিয় হচ্ছে নরম ও সহজ যত্নের ধারা](https://sarakhon.com/news/185623/): শরৎ এলেই পোশাক, সাজসজ্জা ও চুলের ধরনে আসে নতুন পরিবর্তন। তবে ২০২৬ সালের শরৎ মৌসুমে চুলের সাজে সবচেয়ে বড় প্রবণতা হচ্ছে জাঁকজমক নয়, বরং স্বস্তি, স্বাভাবিকতা ও সহজ যত্ন। এমন কাট ও রংই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, যেগুলো অতিরিক্ত সাজানো ছাড়াই সুন্দর দেখায় এবং দৈনন্দিন জীবনে সহজে মানিয়ে যায়। এবারের প্রবণতায় দেখা যাচ্ছে হালকা ঝুলন্ত কপালের চুল, নিজে থেকেই সুন্দরভাবে বসে যায় এমন ছোট চুল, মুখের গড়ন ফুটিয়ে তোলা স্তরযুক্ত কাট এবং নরম, রোমান্টিক ঢঙের ঝাঁকড়া চুল। চুলের রঙেও রয়েছে উষ্ণতা—গাঢ় চকলেট, দারুচিনি-সদৃশ তামাটে, মাশরুম-ধূসরাভ স্বর্ণালি, মধুরঙা আভা ও কোমল গোলাপি বিশেষ নজর কাড়ছে। আরামদায়ক ছোট চুলের কাট শরৎ ২০২৬-এর অন্যতম আলোচিত - [গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট রাতারাতি কাটবে না, সমাধানে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/185620/): দেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জ্বালানি খাতের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার কাজ করছে, তবে পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে। ২২ আগস্ট ঢাকায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারি খাতের প্রত্যাশাবিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। জ্বালানি সংকট কাটাতে সময় লাগবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যাগুলো এমন নয় যে এক রাতের মধ্যে সমাধান করা যাবে। সরকার সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে এবং জ্বালানি সমস্যার সমাধান হবে, তবে এর জন্য সময় প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকার সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা - [খাদ্য-জ্বালানি-পরিবহন ব্যয়ে চাপে জীবনযাত্রা, কমছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতা](https://sarakhon.com/news/185617/): খাদ্য থেকে জ্বালানি, পরিবহন থেকে ইউটিলিটি—জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ এখন প্রায় সব দিক থেকেই বাড়ছে। আয় একই গতিতে না বাড়ায় বিশেষ করে নিম্ন ও সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও সামগ্রিক ব্যয়ের চাপ থেকে স্বস্তি মিলছে না। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে রান্নাঘর ও মুদি বাজারের অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। কয়েকটি পণ্যের দাম কমেছে, আবার অনেক পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের স্বস্তি দেখা যায়নি। খাদ্যের বাইরে বাড়ছে অন্যান্য ব্যয় নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যয়ের বড় অংশ - [বৌদ্ধ ধর্মীয় সাধনাকেন্দ্রে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ১৪](https://sarakhon.com/news/185611/): মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলের সাগাইং অঞ্চলের মিয়াউং এলাকায় বৌদ্ধ ধর্মীয় সাধনা উপলক্ষে একটি মঠে জড়ো হওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তিন মাসের সাধনায় ছিলেন বয়স্করা শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে একটি মঠের সাধনাকেন্দ্রে হামলাটি চালানো হয়। সেখানে বৌদ্ধ ধর্মের বর্ষাবাস উপলক্ষে কয়েক মাস ধরে বয়স্ক ব্যক্তিরা ধ্যান ও ধর্মীয় সাধনায় অংশ নিচ্ছিলেন। গণতন্ত্রপন্থী বিদ্রোহী যোদ্ধা নুয়ে উ মিয়াউং জানান, নিহতদের বয়স আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। তিনি বলেন, এটি ভুল লক্ষ্যবস্তুতে হামলা ছিল না; মঠটিকেই লক্ষ্য করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আরেক স্থানীয় - [উপসাগরীয় যুদ্ধে সমুদ্রশক্তি: নৌবাহিনী ছাড়া যে বিজয় সম্ভব ছিল না](https://sarakhon.com/news/185605/): উপসাগরীয় যুদ্ধকে সাধারণত আকাশ ও স্থলযুদ্ধের দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা হয়। কিন্তু এই প্রচলিত ধারণা যুদ্ধটির একটি মৌলিক বাস্তবতাকে আড়াল করে: যুক্তরাষ্ট্রের নৌক্ষমতা ছাড়া সৌদি আরবে বিপুল সামরিক শক্তি গড়ে তোলা, সেটিকে রসদ দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো প্রায় অসম্ভব ছিল। যুদ্ধের দৃশ্যমান সাফল্য এসেছে স্থলবাহিনী ও বিমানবাহিনীর আঘাতে, কিন্তু সেই শক্তিকে যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছে দেওয়ার ভিত্তি তৈরি করেছিল সমুদ্র। ১৯৯০ সালে সাদ্দাম হোসেন কুয়েত দখল করার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল শুধু কীভাবে ইরাককে প্রতিহত করা হবে তা নয়, বরং কীভাবে এত বড় একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোটকে উপসাগরীয় অঞ্চলে দ্রুত সংগঠিত করা যাবে। ভারী অস্ত্র, যানবাহন, গোলাবারুদ, জ্বালানি, যন্ত্রাংশ - [সংস্কৃতি যখন অর্থনৈতিক অবকাঠামো](https://sarakhon.com/news/185600/): অবকাঠামো বললে আমাদের চোখের সামনে সাধারণত সড়ক, বন্দর, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিযোগাযোগ কিংবা এমন সব ব্যবস্থা ভেসে ওঠে, যা মানুষ, পণ্য, তথ্য ও পুঁজির চলাচলকে সহজ করে। একটি অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা এবং বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা অনেকাংশেই এসব ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অর্থনীতির আলোচনায় এমন আরেক ধরনের অবকাঠামো রয়েছে, যার গুরুত্ব প্রায়ই যথেষ্টভাবে স্বীকৃত হয় না। এটি এমন এক অবকাঠামো, যা শুধু মানুষের চলাচল সহজ করে না; বরং মানুষকে প্রথমে কোনো একটি জায়গায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাই তৈরি করে দেয়। সেটি হলো সংস্কৃতি। সংস্কৃতি অবশ্যই রাস্তা, হাসপাতাল, বন্দর বা নির্ভরযোগ্য বিদ্যুতের বিকল্প নয়। একইভাবে প্রতিটি উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা ঐতিহ্যবাহী আয়োজনকে অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বলা যায় - [প্রবালপ্রাচীর রক্ষায় বিজ্ঞান ও শিল্পকে একসঙ্গে এগোতে হবে](https://sarakhon.com/news/185597/): প্রবালপ্রাচীর আমাদের গ্রহের সবচেয়ে মূল্যবান এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদগুলোর একটি। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রবাল বিবর্ণতা ও খননসহ নানা চাপ সমুদ্রের এই জটিল জীবজগতকে ক্রমাগত দুর্বল করে দিচ্ছে। কিন্তু বিপদের একটি বড় কারণ শুধু পরিবেশগত নয়—প্রবালপ্রাচীরের সংকট মানুষের চোখের আড়ালে। বেশিরভাগ মানুষ প্রবালপ্রাচীরের পরিবর্তন নিজের চোখে দেখেন না। ফলে এর ক্ষয় তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কোনো সংকট বলে মনে হয় না। এখানেই প্রচলিত বৈজ্ঞানিক যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা সামনে আসে। গবেষণায় বিপদের মাত্রা স্পষ্ট হলেও সেই তথ্য সবসময় সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী আগ্রহ বা সংরক্ষণের তাগিদ তৈরি করতে পারে না। বিজ্ঞান তথ্য দেয়, শিল্প তৈরি করে অনুভব প্রবাল রক্ষার লড়াইয়ে - [অল্প বয়সের খ্যাতি কেন শিশু তারকাদের ঠেলে দেয় আসক্তির ঝুঁকিতে](https://sarakhon.com/news/185578/): হলিউডের অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়ারির মৃত্যুর পর আবারও সামনে এসেছে শৈশবেই তারকা হয়ে ওঠা মানুষদের মানসিক স্বাস্থ্য ও মাদকাসক্তির ঝুঁকির বিষয়টি। পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। তাঁর মৃত্যুর পেছনে মাদক বা অ্যালকোহলের ভূমিকা ছিল কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থাও যুক্ত হয়েছে। প্যানেটিয়ারি এমন অনেক অভিনেতার একজন, যারা খুব অল্প বয়সে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছানোর পর প্রকাশ্যে আসক্তির সঙ্গে লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন। আসক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, শৈশবে ব্যাপক পরিচিতি, অর্থ ও জনসাধারণের নজর মানসিক স্বাস্থ্য এবং মাদক ব্যবহারের সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শৈশবেই প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের চাপ - [মোদির শক্তিমান ভাবমূর্তির পর এবার ‘জেন জি’ ঘরানায় কেন?](https://sarakhon.com/news/185590/): ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে একজন শক্তিশালী, দৃঢ়চেতা ও নিয়ন্ত্রিত ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন। বক্তৃতা, আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান কিংবা জনসমক্ষে তাঁর উপস্থিতি—সব ক্ষেত্রেই ছিল সুপরিকল্পিত উপস্থাপনা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিচিত ধারা থেকে কিছুটা সরে এসে তরুণ প্রজন্মের ভাষা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় ধরন গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। ৭৫ বছর বয়সী মোদি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের সঙ্গে অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক ভঙ্গিতে কথা বলছেন। তাঁর সাম্প্রতিক প্রকাশনায় দেখা যাচ্ছে স্বাভাবিক মুহূর্তের ভিডিও, নিজের হাতে ধারণ করা ভিডিও এবং তরুণদের উদ্দেশে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্বোধন। ভারতের তরুণদের কাছে পৌঁছানোর নতুন কৌশল ইনস্টাগ্রামে মোদির অনুসারীর সংখ্যা ১০ কোটি ৬০ লাখের বেশি। - [বাত্তামবাংয়ের সাঙ্গকে নদীর তীরে এক ফনমের প্রাচীন মন্দিরের মুগ্ধতা](https://sarakhon.com/news/185587/): কম্বোডিয়ার বাত্তামবাং শহর শুধু তার শান্ত নদী, গ্রামীণ পরিবেশ আর মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্যই পরিচিত নয়; এই অঞ্চলের বুকে ছড়িয়ে আছে বহু শতাব্দীর পুরোনো স্থাপত্য ও ইতিহাসের নানা নিদর্শন। সাঙ্গকে নদীর তীরে অবস্থিত এক ফনম তেমনই এক ঐতিহাসিক বিস্ময়, যেখানে প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে মিশে আছে শান্ত গ্রামীণ জীবনের আবহ। নদীর পথ পেরিয়ে প্রাচীন মন্দিরে সাঙ্গকে নদী বাত্তামবাং শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষ পর্যন্ত টোনলে সাপ হ্রদের দিকে এগিয়ে গেছে। নদীটি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ নয়, কম্বোডিয়ার সাংস্কৃতিক স্মৃতিতেও এর বিশেষ স্থান রয়েছে। দেশটির জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সিন সিসামুথ ও রস সেরেই সোথিয়ার গানে এই নদীর উল্লেখ পাওয়া যায়। শহরের ব্যস্ততা - [ইয়েমেনের কাছে তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই, ফের সক্রিয় সোমালি জলদস্যুরা](https://sarakhon.com/news/185584/): ইয়েমেনের উপকূলের কাছে একটি তেলজাত পণ্যবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করেছে সোমালি জলদস্যুরা। এ ঘটনায় এডেন উপসাগর ও পশ্চিম ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের নতুন করে তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ছয় সশস্ত্র জলদস্যু বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের আল-মুকাল্লা থেকে প্রায় ১৩৬ নটিক্যাল মাইল বা ২৫২ কিলোমিটার পূর্বে এরিত্রিয়ার পতাকাবাহী এমটি সিবু-১ দখলে নেয়। পরে জাহাজটিকে সোমালিয়ার পুন্টল্যান্ড উপকূলের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে এক সোমালি সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন। শুক্রবার তিনি এ তথ্য দেন। তবে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি না থাকায় নিজের পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। সিবু-১ পরিচালনা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কাত্রাত আলনাদা আলমাসি শিপ ম্যানেজমেন্ট। গত বছর মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জাহাজটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ - [ছয় বছর পর যুক্তরাজ্যে ফিরছেন হ্যারি-মেগান, নেপথ্যে মেগানের নতুন অভিনয়ের চাকরি](https://sarakhon.com/news/185581/): ছয় বছর পর যুক্তরাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। দীর্ঘদিন ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোতে বসবাসের পর তাদের এই আকস্মিক প্রত্যাবর্তন ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে দ্য টাইমসের কলামনিস্ট টিনা ব্রাউনের দাবি, মেগানের জন্য একটি নতুন অভিনয়ের কাজ পাওয়াই এই সিদ্ধান্তের অন্যতম প্রধান কারণ। অনুষ্ঠানের নাম এখনো নিশ্চিত নয়, তবে কাজটি হ্যারির দীর্ঘদিনের যুক্তরাজ্যে ফেরার আগ্রহকে বাস্তব রূপ দেওয়ার পথ খুলে দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্টেসিটো জীবনে হতাশা ও আর্থিক চাপ প্রতিবেদন অনুযায়ী, হলিউডে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়া, বিভিন্ন বিনোদন প্রকল্পের সীমিত অগ্রগতি এবং আইনি ব্যয়—সব মিলিয়ে হ্যারি-মেগানের ক্যালিফোর্নিয়ার জীবন ক্রমেই চাপের হয়ে উঠেছিল। নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাইয়ের সঙ্গে - [ফিলিস্তিনে এক সপ্তাহ: সৌন্দর্য, আতিথেয়তা আর দখলদারত্বের বাস্তবতা](https://sarakhon.com/news/185563/): সেমিস্টার শেষ হওয়ার পর ভ্রমণের জন্য হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় ছিল। তাই আমি ও আমার এক বন্ধু ভাবছিলাম কোথায় যাওয়া যায়—শার্ম আল-শেখ, লুক্সর, আলেকজান্দ্রিয়া নাকি আকাবা। শেষ পর্যন্ত আমরা ফিলিস্তিন যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সেখানে আমরা জেরুজালেম, বেথলেহেম ও হেবরন ঘুরে দেখি। ফিলিস্তিনে যাওয়ার সিদ্ধান্তে যেমন আনন্দ ছিল, তেমনি উদ্বেগও ছিল। দীর্ঘদিন ধরে যে ভূখণ্ড নিয়ে পড়াশোনা করেছি, সেটি নিজের চোখে দেখার সুযোগ পাচ্ছিলাম। কিন্তু প্রতিদিনের সংবাদে সহিংসতার খবর এবং মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। জায়গাটি কতটা নিরাপদ, সীমান্তে ও পরে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী আমাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে এবং এত মানুষের দুর্ভোগের মধ্যে সেখানে পর্যটক হিসেবে যাওয়া নৈতিকভাবে কতটা গ্রহণযোগ্য—এসব - [চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে প্রতিকার পেতে সহায়তা করবে ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’](https://sarakhon.com/news/185574/): চিকিৎসায় অবহেলা, ভুল চিকিৎসা কিংবা চিকিৎসা নিতে গিয়ে দুর্ব্যবহারের শিকার রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ দায়ের এবং প্রতিকার পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’। শুক্রবার (২২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়। অভিযোগের পথ সহজ করার উদ্যোগ আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ কোথায় এবং কীভাবে জানাতে হবে, কোন চিকিৎসা নথি সংরক্ষণ করা জরুরি এবং প্রয়োজনীয় আইনি বা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা কোথায় পাওয়া যেতে পারে—এসব বিষয়ে ভুক্তভোগীদের তথ্য, দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও ফলোআপ সহায়তা দেবে এই প্ল্যাটফর্ম। ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’-এর লক্ষ্য শুধু অভিযোগ গ্রহণ করা নয়। প্রতিটি অভিযোগ - [হামে মৃত্যু ৯৩০ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/185571/): দেশে হামে আক্রান্ত এবং হামের মতো উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত এবং হামের মতো উপসর্গে মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে ৯৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২২ আগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের মতো উপসর্গ থাকা দুই শিশুর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এ সময়ে পরীক্ষাগারে হামে আক্রান্ত হিসেবে নিশ্চিত কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর বড় অংশ হামের মতো উপসর্গজনিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত পরীক্ষাগারে হামে আক্রান্ত হিসেবে নিশ্চিত ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, হামের মতো উপসর্গ থাকা - [ইরানের অর্থনীতি ভেঙে দিতে ট্রাম্পের নতুন চাপ, চীন-সহ মিত্রদের পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/185567/): ইরানের অর্থনীতিকে আরও বিচ্ছিন্ন করতে নতুন করে ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মিত্র দেশ ও চীনের প্রতি তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াশিংটনের হুমকি, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোও গুরুতর অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে পারে। ইরান অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং বলেছে, নতুন চাপও ব্যর্থ হবে। যুদ্ধের প্রভাব ও ঘরোয়া রাজনৈতিক চাপের মধ্যে ট্রাম্প বুধবার ইরানের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তেহরানের সঙ্গে অবশিষ্ট অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করেছেন। অর্থনৈতিক চাপের নতুন পর্যায় তবে ট্রাম্প - [শিশুদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগে টিকটকের ৪০০ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা](https://sarakhon.com/news/185560/): শিশুদের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগের নিষ্পত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সঙ্গে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতায় পৌঁছেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম টিকটক। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, টিকটক তাৎক্ষণিকভাবে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে। বাকি ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হবে আদালতের আদেশে এর পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠান মিউজিক্যালি-র বিরুদ্ধে থাকা আগের একটি সম্মতিপত্র বাতিল হওয়ার পর। ২০১৯ সালের সমঝোতা থেকে সূত্রপাত ঘটনাটির সূত্রপাত ২০১৯ সালের এক সমঝোতা থেকে। সে সময় মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশন জানিয়েছিল, টিকটক—তখন মিউজিক্যালি নামে পরিচিত—জানত যে অল্পবয়সী শিশুরা প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছে। এরপরও শিশুদের বাবা-মায়ের অনুমতি ছাড়াই তাদের নাম, ই-মেইল ঠিকানা ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ - [সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আত্মহত্যার কনটেন্ট, ১৩ বছরের ব্লেকের মৃত্যু: প্রযুক্তি কোম্পানির জবাবদিহি দাবি](https://sarakhon.com/news/185551/): মাত্র ১৩ বছর বয়সেই মারা যায় ব্লেক গ্যালিয়ার। প্রাণবন্ত ও হাসিখুশি এই কিশোরী বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসত, স্কুলে ছিল প্রাণচঞ্চল এবং হ্যালোইন ও বড়দিন ঘিরেও ছিল নানা পরিকল্পনা। কিন্তু মৃত্যুর পর তার পরিবার ফোন ঘেঁটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আত্মহত্যা-সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ কনটেন্ট দেখতে পায়। পরিবারের অভিযোগ, অ্যালগরিদমের মাধ্যমে তাকে বারবার এমন ভিডিও ও পোস্ট দেখানো হচ্ছিল, যা আত্মহত্যার চিন্তাকে উসকে দিতে বা তা মহিমান্বিত করতে পারে। ব্লেকের মা জেমা বেস্টের দাবি, এসব কনটেন্টই মেয়ের মৃত্যুর প্রধান কারণ। তিনি বলেন, মেয়ের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ তারা দেখেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্টের বিস্তার ব্লেক মৃত্যুর কয়েক মাস আগে একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে আত্মহত্যা - [বিষখালী নদীর চরে ৫০ হাজার গাছ, ১০ বছরে সবুজ বেষ্টনী গড়ার উদ্যোগ বাগেরহাটে](https://sarakhon.com/news/185557/): বাগেরহাটের বিষখালী নদীর দুই তীরে একসময় মৌসুমি চাষাবাদসহ নানা কাজে ব্যবহৃত চরগুলো এখন ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে উঠছে। বন বিভাগের উদ্যোগে নদীর প্রায় ৫০ কিলোমিটার তীরজুড়ে রোপণ করা হয়েছে ৫০ হাজার চারা। বর্ষার বৃষ্টিতে চারাগুলো দ্রুত বেড়ে ওঠায় বদলে যাচ্ছে নদীপাড়ের দৃশ্যপট। বিষখালী নদীর মোরেলগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলার অংশে এই বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। নদীর দুই তীরের চরে সারিবদ্ধভাবে প্রায় দুই ফুট দূরত্বে চারা লাগানো হয়েছে। প্রতিটি চারার সঙ্গে দেওয়া হয়েছে খুঁটি। ইতোমধ্যে অনেক চারায় নতুন পাতা গজিয়েছে। নিম, শিসু, মেহগনি, বাবলা, জাম, কদবেল, আমলকী, হরিতকী, জামরুল, তেঁতুল, পেয়ারা, জলপাই, অর্জুন, ঝাউ ও আকাশমণিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে এই বনায়নে। সবুজে বদলে - [সালথায় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলায় দাঁত হারালেন বিএনপি নেতা](https://sarakhon.com/news/185554/): ফরিদপুরের সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার সমর্থকদের হামলায় শাহ আলম মাতুব্বর (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতা আহত হয়েছেন। হামলায় তাঁর একটি দাঁত পড়ে গেছে। এ ঘটনায় সালথা থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া বাজারে সেলিম মাতুব্বরের মুদি দোকানের সামনে পাকা সড়কে। আহত শাহ আলম মাতুব্বর মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। হামলার কারণ নিয়ে বিএনপি নেতার দাবি শাহ আলম মাতুব্বরের দাবি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গত বুধবার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ মোল্যাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ওই গ্রেপ্তারের জন্য - [কাপ্তাই হ্রদে ৭ দিনে ২২৪ টন মাছ আহরণ, রাজস্ব আয় ৫০ লাখ টাকা](https://sarakhon.com/news/185550/): দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে কাপ্তাই হ্রদে আবারও পুরোদমে শুরু হয়েছে মাছ আহরণ ও বিপণন। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর প্রথম সাত দিনেই হ্রদ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ২২৪ টন মাছ আহরণ করা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ টাকা। সাত দিনে আহরণ ২২৪ টন কাপ্তাই মৎস্য আহরণ উপকেন্দ্রের প্রধান জসীম উদ্দিন জানান, ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে হ্রদে মাছ ধরা শুরু হয়। পরদিন ১১ আগস্ট প্রথম দিনেই ৫৩ দশমিক ১৯৮ টন মাছ আহরণ করা হয়, যা সাত দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর দ্বিতীয় দিনে ৩৬ দশমিক ৯৭৮ টন, তৃতীয় দিনে ২৬ দশমিক ৪৯৮ টন, চতুর্থ দিনে ৩২ দশমিক ৭৮২ টন, - [হিমাগারে পচছে আলু, লোডশেডিং ও ওভারলোডিংয়ে বাড়ছে ক্ষতির শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185541/): রাজশাহীর হিমাগারগুলোতে সংরক্ষিত আলু নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত আলু সংরক্ষণ করায় বিভিন্ন হিমাগারে পচন দেখা দিয়েছে। তানোর উপজেলার তালন্দ এলাকায় তামান্না স্পেশাল কোল্ড স্টোরেজ থেকে প্রতিদিন গাড়ি ভর্তি করে পচা আলু বের করে ফেলে দিতে হচ্ছে। হিমাগার মালিকদের দাবি, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সংরক্ষিত আলু ঠাণ্ডা রাখতে জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। এতে প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা জ্বালানি খরচ হচ্ছে। প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত জেনারেটর চালানোর প্রয়োজন হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তারা। রাজশাহীতে ৩৭ হিমাগার সচল কৃষি বিপণন অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৩৯টি হিমাগার রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি বর্তমানে সচল। এসব - [বাংলাদেশে শিল্পখাতে বড় ধাক্কা, দুই বছরে বন্ধ ৪৫৭ কারখানা; কর্মসংস্থানে বাড়ছে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185545/): বাংলাদেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে একের পর এক কারখানা বন্ধ, উৎপাদন কমানো এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা বাড়ছে। গ্যাস-বিদ্যুতের দীর্ঘ সংকট, কমে যাওয়া ক্রয়াদেশ, আর্থিক দুরবস্থা, ব্যাংকঋণের চাপ এবং শ্রম অসন্তোষের কারণে শিল্প খাতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া কারখানার পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ বা সীমিত করছে। ফলে কর্মসংস্থান সংকটও ক্রমেই গভীর হচ্ছে। কারখানা বন্ধের হিসাব কেন এক নয় শিল্প পুলিশ, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে বিজিএমইএর সদস্য অন্তত ৮০টি কারখানায় প্রায় ১৯ হাজার ১৮৮ শ্রমিক চাকরিচ্যুত বা ছাঁটাই হয়েছেন। একই সময়ে শিল্প পুলিশ, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তথ্যের ভিত্তিতে ২৭টি - [হামে আক্রান্ত সন্তানদের সেবা করতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু, রুমায় বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/185542/): বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম চিনিপাড়া গ্রামে হামে আক্রান্ত সন্তানদের সেবা করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন লেংরুং ম্রো (২৬) নামে এক মা। বান্দরবান সদর হাসপাতালে সন্তানদের চিকিৎসার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও অর্থাভাবে তাকে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে সন্তানদের সেবা করতে গিয়ে অসুস্থ লেংরুং ম্রো গত ২৬ জুলাই হামে আক্রান্ত দুই সন্তানকে নিয়ে বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এর আগে তার বড় সন্তান তাইলেং ম্রো (৭) হামে আক্রান্ত হলে তাকেও হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করানো হয়েছিল। চার দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে - [মার্ক রাফালোর মন্তব্যে তোলপাড়, ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগে মুখোমুখি প্যারামাউন্ট](https://sarakhon.com/news/185535/): হলিউডের অভিনেতা মার্ক রাফালোর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চলচ্চিত্র অঙ্গন। ইসরায়েল ও গাজা যুদ্ধ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওয়ারাকল এবং ওয়ার্নার ব্রাদার্স অধিগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া রাফালোর বক্তব্যকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে আখ্যা দিয়েছে প্যারামাউন্ট। তবে রাফালো তাঁর অবস্থান থেকে সরে আসেননি। ওয়ারাকলকে ঘিরে রাফালোর বিস্ফোরক মন্তব্য ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব মার্ক রাফালো। শুক্রবার তিনি ওয়ারাকলের শীর্ষ নির্বাহী এবং প্যারামাউন্ট স্কাইড্যান্সের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সাফরা ক্যাটজের একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবার প্রকাশ করেন। ভিডিওতে ক্যাটজ ইসরায়েলকে দেওয়া ওয়ারাকলের প্রযুক্তি নিয়ে কথা বলেছিলেন। এরপর রাফালো দাবি করেন, ওয়ারাকল মালিক ল্যারি এলিসনের প্রতিষ্ঠান তাঁর ছেলে ডেভিড এলিসনের ওয়ার্নার - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নেপথ্যে অদৃশ্য দুনিয়া: ডেটা সেন্টার, শ্রম ও ক্ষমতার নতুন স্থাপত্য](https://sarakhon.com/news/185381/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারকে আমরা সাধারণত সফটওয়্যার, অ্যালগরিদম, বিপুল তথ্যভান্ডার কিংবা ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠা মডেলের গল্প হিসেবে দেখি। কিন্তু এই আপাতদৃষ্টিতে অদৃশ্য ডিজিটাল জগতের পেছনে রয়েছে বিশাল এক বস্তুগত অবকাঠামো। এআই চালাতে প্রয়োজন ডেটা সেন্টার, বিদ্যুৎ, পানি, শীতলীকরণ ব্যবস্থা, কেবল, নিরাপত্তা এবং বিপুল পরিমাণ যন্ত্রপাতি। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোই অনেক সময় সবচেয়ে কম দৃশ্যমান। ডেটা সেন্টার একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য হয়ে উঠেছে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে এগুলো স্থাপত্যের ভাষায় নিজেদের প্রকাশ করতে চায় না। কোথাও এগুলো গুদামঘরের মতো, কোথাও বিশাল শেড, আবার কোথাও পুরোনো অফিস, টেলিযোগাযোগ ভবন কিংবা সামরিক স্থাপনার ভেতরে গড়ে উঠেছে। তাদের মূল কাজ হলো মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা - [সূর্যের আলোয় চলবে ভ্যাটিকান: ১০ কোটি ইউরো ব্যয়ে সৌরবিদ্যুৎ ও কৃষি প্রকল্প](https://sarakhon.com/news/185532/): বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান এবার নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বড় ধরনের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। প্রায় ১০ কোটি ইউরো ব্যয়ে তৈরি হতে যাওয়া এই প্রকল্পে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিকাজও চলবে। ৮০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রোমের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ভ্যাটিকানের মালিকানাধীন সান্তা মারিয়া দি গালেরিয়া এলাকায় এই সৌর-কৃষি প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পটির উৎপাদনক্ষমতা হতে পারে ৮০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট। এটি ইতালির অন্যতম বড় সৌর-কৃষি স্থাপনা হয়ে উঠতে পারে। এই ব্যবস্থায় মাটির কয়েক মিটার ওপরে সৌর প্যানেল বসানো হবে। ফলে নিচের জমিতে কৃষিকাজ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্যানেলের ছায়া মাটির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া কমাবে এবং অতিরিক্ত - [ছাত্রলীগ নেত্রীর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, কড়া জবাব ছাত্রদল নেত্রীর](https://sarakhon.com/news/185529/): রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের নেত্রী প্রীতি চৌধুরীকে নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়ার একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রীতির রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রিয়ার দেওয়া বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও দেখা দিয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে বৃহস্পতিবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজশাহী মহানগর শাখার পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া ফেসবুকে প্রীতি চৌধুরীর রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সঙ্গে প্রীতির অতীত ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে তাকে ‘সুযোগসন্ধানী’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর জবাবে ফেসবুকে দীর্ঘ পোস্ট দেন প্রীতি চৌধুরী। সেখানে তিনি প্রিয়ার বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন এবং তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অবস্থান - [ঝিনাইদহে গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ১](https://sarakhon.com/news/185526/): ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামে গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। গরু চুরির অভিযোগে বাড়িতে প্রবেশ কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, ভোররাত ৩টার দিকে দুই ব্যক্তি নিলুফা বেগমের বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে নিলুফা বেগম সাহায্যের জন্য চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে তারা ওই দুই ব্যক্তিকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু ধরে ফেলার পর স্থানীয় লোকজন ওই দুই ব্যক্তিকে মারধর করেন। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্যজনও মারধরের ঘটনায় আহত - [১০ মিলিয়ন বছর আগে ২৩ ফুটের ‘দানব কুমির’ শাসন করত দৈত্যদের জলাভূমি](https://sarakhon.com/news/185523/): দশ মিলিয়নেরও বেশি বছর আগে, বর্তমান কলম্বিয়ার প্রাগৈতিহাসিক জলাভূমিতে রাজত্ব করত এক ভয়ংকর শিকারি। নাম তার পুরুসরাস। প্রায় ২৩ ফুট লম্বা এবং ওজন চার হাজার পাউন্ডের কাছাকাছি এই বিশালাকার কুমিরজাতীয় প্রাণী এমন শিকার ধরত, যাদের আকার অনেক সময় তার নিজের শরীরের চেয়েও বড় ছিল। সম্প্রতি কলম্বিয়ার লা ভেন্তা অঞ্চলে পাওয়া জীবাশ্মের কামড়ের দাগ সেই সময়কার এই ভয়ংকর শিকারির শিকারের ধরন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছে। গবেষকদের মতে, এগুলোই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ যে বিশালাকার কুমিরজাতীয় প্রাণীরা নিজেদের চেয়েও বড় স্তন্যপায়ী প্রাণী শিকার করত। দৈত্যদের বাস ছিল যে জলাভূমিতে মধ্য মায়োসিন যুগে, অর্থাৎ ১ কোটি বছরেরও বেশি আগে, বর্তমান ব্রাজিল, পেরু, ইকুয়েডর ও - [ভ্যান্সের তোপের মুখে এল-সায়েদ, ‘এটা আমার দাদার ডেমোক্রেটিক পার্টি নয়’](https://sarakhon.com/news/185520/): যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের আসন্ন সিনেট নির্বাচনকে ঘিরে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের পুরোনো বক্তব্য নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তিনি দাবি করেছেন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এখন আর শ্রমজীবী মানুষের দল নেই; বরং তা উচ্চশিক্ষিত তরুণদের দল হয়ে উঠেছে। ওহাইওর নিজের শহরে একটি ইস্পাত কারখানায় শুক্রবার দেওয়া বক্তব্যে ভ্যান্স এল-সায়েদের শরিয়া আইন নিয়ে করা মন্তব্যকে তার সমালোচনার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন। মিশিগানে এল-সায়েদ রিপাবলিকান দলের সাবেক প্রতিনিধি মাইক রজার্সের মুখোমুখি হচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচন সিনেটে কোন দল নিয়ন্ত্রণ নেবে, তা নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে। ‘এটা আমার দাদার ডেমোক্রেটিক পার্টি নয়’ ভ্যান্স বলেন, তাঁর দাদা প্রায় ৪০ বছর ঝালাইকার - [২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা, আবারও দাম বাড়াল বাজুস](https://sarakhon.com/news/185517/): দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত দামের মধ্যে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নতুন দামে কোন সোনার কত বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা। - [নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মানবহলার দুমড়েমুচড়ে, নিহত ২](https://sarakhon.com/news/185513/): নাটোরে বাসের ধাক্কায় মানবহলারের চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে নাটোর সদর উপজেলার রামাইগাছি এলাকায় নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন নাটোর সদর উপজেলার মানবহলার চালক সৈয়দ মিয়া (৪৫) এবং একই এলাকার সাব্বির হোসেন (২৩)। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী বাসের ধাক্কা পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে রাজশাহী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি বাস রামাইগাছি এলাকায় একটি মানবহলারকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে মানবহলারে থাকা দুজন গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল ছুটে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট - [টিকটকের খাবারের ভিডিওতেই বদলে যাচ্ছে কিশোরদের খাওয়ার অভ্যাস](https://sarakhon.com/news/185510/): টিকটকে খাবারের ভিডিও দেখতে দেখতে ক্ষুধা লাগছে কিশোরদের। শুধু ক্ষুধাই নয়, এসব ভিডিও তাদের খাবার সম্পর্কে আগ্রহ ও পছন্দকেও প্রভাবিত করছে। নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ২৫ জন কিশোর-কিশোরীকে নিয়ে কয়েকটি দলীয় আলোচনার মাধ্যমে তাদের টিকটক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছেন। অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগের বয়স ছিল ১৫ থেকে ১৬ বছর। টিকটকে খাবার দেখার শেষ নেই গবেষণায় অংশ নেওয়া কিশোরদের কথায় উঠে এসেছে, টিকটকে খাবারসংক্রান্ত ভিডিওর যেন শেষ নেই। কেউ দ্রুত রান্নার প্রণালি দেখাচ্ছে, কেউ বিভিন্ন খাবারের দোকানের পর্যালোচনা করছে, আবার কেউ জনপ্রিয় খাবারের চ্যালেঞ্জে অংশ নিচ্ছে। এ ছাড়া সারাদিনে কী খাই—এ ধরনের ভিডিওও তাদের সামনে নিয়মিত আসে। - [মেগানের অভিনয়ে ফেরার জল্পনা, নেটফ্লিক্সের ‘দ্য জেন্টলমেন’-এ বড় চরিত্রে আলোচনায়](https://sarakhon.com/news/185507/): বিয়ের পর অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতিতে থাকা মেগান মার্কেল আবারও বড় পর্দায় ফিরতে পারেন। নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘দ্য জেন্টলমেন’-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে চূড়ান্ত হলে প্রিন্স হ্যারিকে বিয়ের পর এটিই হবে মেগানের প্রথম উল্লেখযোগ্য অভিনয়ের কাজ। ‘দ্য জেন্টলমেন’-এ মেগান? গাই রিচি নির্মিত ‘দ্য জেন্টলমেন’ একটি হাস্যরসাত্মক অপরাধভিত্তিক ধারাবাহিক। এর গল্পে এক ডিউক মাদক ব্যবসার জগতে জড়িয়ে পড়েন। ধারাবাহিকটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন থিও জেমস। আগের পর্বগুলোতে হিউ বনেভিল ও ভিনি জোনসের মতো অভিনেতারাও ছিলেন। ধারাবাহিকটির আগের দুই পর্বের বড় অংশের শুটিং হয়েছে ইংল্যান্ডের কটসওল্ডসে। মেগান ও হ্যারি যুক্তরাজ্যে - [যুক্তরাষ্ট্রে পকেটে টান, তবু শখের কেনাকাটায় নেই লাগাম—বদলে যাচ্ছে ক্রেতাদের খরচের ধরন](https://sarakhon.com/news/185504/): যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এখন এক অদ্ভুত দ্বৈত চিত্র দেখা যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে গিয়ে ক্রেতারা হিসাব কষছেন, বড় ধরনের কেনাকাটা পিছিয়ে দিচ্ছেন; কিন্তু পছন্দের কোনো একটি পণ্য চোখে পড়লে আবার সেটির জন্য কিছুটা বেশি অর্থ খরচ করতেও দ্বিধা করছেন না। গত কয়েক সপ্তাহে দেশটির বিভিন্ন বিপণিবিতান, গৃহনির্মাণ সামগ্রীর দোকান, খাবারের প্রতিষ্ঠান এবং বিলাসপণ্যের ব্যবসায়ীদের আর্থিক ফলাফলে এই পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সামগ্রিকভাবে মানুষের খরচ একেবারে থেমে যায়নি, তবে অর্থ কোথায় খরচ করা হবে, সে বিষয়ে ক্রেতারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক। প্রয়োজনের বাইরে কেনাকাটায় লাগাম জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এখন প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বড় - [বৈদ্যুতিক দরজার হাতল নিয়ে বড় বিপদ, চীনে ৪৩ লাখ গাড়ি প্রত্যাহার](https://sarakhon.com/news/185501/): গাড়ির দরজা খুলতে এখন আর আগের মতো হাতল টানতে হয় না। আধুনিক অনেক গাড়িতে স্পর্শ করলেই বা গাড়ির কাছে গেলেই দরজার হাতল বাইরে বেরিয়ে আসে। দেখতে সুন্দর ও আধুনিক হলেও এই প্রযুক্তিই এখন বড় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জরুরি অবস্থায় গাড়ির দরজা খুলতে সমস্যা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় টেসলাসহ নয়টি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চীনে প্রায় ৪৩ লাখ গাড়ি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। এটি চীনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় গাড়ি প্রত্যাহারের ঘটনা। কেন দরজার হাতল নিয়ে এত প্রশ্ন আধুনিক বৈদ্যুতিক গাড়িতে শরীরের সঙ্গে প্রায় সমতল করে দরজার হাতল বসানো হয়। এতে গাড়িকে দেখতে মসৃণ ও আকর্ষণীয় লাগে। পাশাপাশি গাড়ি চলার সময় বাতাসের বাধাও - [উৎসবের আগে চিনির দাম সামলাতে আমদানির পথে ভারত](https://sarakhon.com/news/185498/): উৎসবের মৌসুম সামনে রেখে দেশে চিনির দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় প্রায় এক দশক পর শুল্কমুক্ত কাঁচা চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। আগামী অক্টোবর পর্যন্ত এই আমদানি চলবে। সরকারের দাবি, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও সম্ভাব্য আরও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতেই সতর্কতামূলকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক মাসেই কেজিতে ৭ টাকা ৫২ পয়সা বৃদ্ধি ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি চিনি ব্যবহারকারী দেশ। দেশটির সরকারি হিসাবে, গত ২০ জুলাই প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৪৮ টাকা ১৮ পয়সা। এক মাসের ব্যবধানে ২০ আগস্ট তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকা ৭০ পয়সায়। আসন্ন উৎসবের সময় মিষ্টি ও অন্যান্য খাদ্যপণ্যে চিনির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। ফলে এই সময়ে চাহিদা - [যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যচুক্তি ভেস্তে গেল, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কার্যকর](https://sarakhon.com/news/185495/): শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দফায় দফায় আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা নতুন বাণিজ্যচুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি। এর ফলে কানাডার কিছু পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ৫০ শতাংশ শুল্ক শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন শুল্কের আওতায় পড়ছে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য, যা যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট রপ্তানির প্রায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। হকি খেলার সরঞ্জাম থেকে শুরু করে সিমেন্ট—বিভিন্ন পণ্যে এর প্রভাব পড়বে। কানাডার পাল্টা শুল্কের হুঁশিয়ারি চুক্তি না হওয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, দেশটির শ্রমিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে কানাডা। কার্নির ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করলেও শেষ - [চাঁদের মাটিতেও বেঁচে থাকতে পারে পৃথিবীর কিছু জীবাণু, নাসার গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য](https://sarakhon.com/news/185492/): চাঁদকে মানুষের জন্য তো বটেই, পৃথিবীর অধিকাংশ জীবের জন্যও অত্যন্ত প্রতিকূল একটি স্থান হিসেবে ধরা হয়। সেখানে শ্বাস নেওয়ার মতো বায়ু নেই, তাপমাত্রার ব্যাপক ওঠানামা রয়েছে এবং মহাজাগতিক বিকিরণের তীব্র প্রভাব রয়েছে। কিন্তু নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর কিছু ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া চাঁদের নির্দিষ্ট পরিবেশে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা। গবেষণায় পৃথিবীর পাঁচ ধরনের ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়াকে নিয়ে চাঁদের পরিবেশের অনুকরণে কম্পিউটারভিত্তিক মডেল তৈরি করা হয়। এতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর নোবাইল রিম, কানেক্টিং রিজ ও দ্য জেরলাশ রিম এলাকার পরিবেশ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। চাঁদের কিছু এলাকায় জীবাণুর - [শরিফুলের আগুনঝরা বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, ১৮ উইকেটের দিনে অস্ট্রেলিয়ার লিড ১০১](https://sarakhon.com/news/185489/): অস্ট্রেলিয়ার মাকেতে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটা ছিল পুরোপুরি নাটকীয়। মাত্র এক দিনেই দুই দলের ১৮টি উইকেট পড়ে গেছে। সকালে মিচেল স্টার্কের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। তবে বিকেলে বল হাতে জবাব দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াও চাপে পড়ে গেছে। দিনের খেলা শেষে ৪০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে তারা এখন ১০১ রানে এগিয়ে। তবে হাতে আছে মাত্র দুই উইকেট। ফলে ম্যাচে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাও এখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। স্টার্কের তাণ্ডবে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। - [মাঝপথের অগোছালো সময়: ব্যর্থতা, আত্মপরিচয় ও নতুন করে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প](https://sarakhon.com/news/185483/): জীবনে আমরা অনেক সময় এমন কিছু ছেড়ে দিতে চাই, যেগুলো একসময় আমাদের সবচেয়ে প্রিয় ছিল। কারণ ভালোবাসা শেষ হয়ে যায় বলে নয়, বরং কঠিন সময় আমাদের মনে করিয়ে দেয়—হয়তো এসবের জন্য আর জায়গা নেই। সামরিক পরিবারের জীবন এমন পরিস্থিতি আরও ঘন ঘন তৈরি করতে পারে। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলি, দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদ, নতুন চাকরি, সন্তান পালনের চাপ কিংবা বারবার নতুন করে জীবন শুরু করার ক্লান্তি—সবকিছু মিলিয়ে নিজের পছন্দ, স্বপ্ন ও পরিচয়ের অনেক অংশই যেন সাময়িকভাবে থেমে যায়। কিন্তু থেমে যাওয়া আর হারিয়ে যাওয়া এক বিষয় নয়। নতুন জায়গায় গিয়ে নিজেকে আবার খোঁজা একটি নতুন শহরে গিয়ে জীবন গোছানো মানেই শুধু - [মেকআপ ছাড়াই জিমে ঝাং জিয়ি, ৪৭ বছর বয়সী অভিনেত্রীকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/185484/): চীনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঝাং জিয়ি ৪৭ বছর বয়সে মেকআপ ছাড়াই শরীরচর্চা করতে গিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি বেইজিংয়ের একটি হোটেলে ১০ বছর বয়সী মেয়েকে ও ছয় বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে সময় কাটানোর পর তাকে জিমে ব্যায়াম করতে দেখা যায়। সাধারণ পোশাকে স্বাভাবিক ঝাং জিয়ি কালো শরীরচর্চার পোশাক ও মাথায় ব্যান্ড পরে জিমে ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী। কোনো ধরনের মেকআপ ছাড়াই তাকে দেখা যায়। শরীরের গড়ন ও কর্মচঞ্চলতা দেখে অনেকেই তার প্রশংসা করেছেন। অনেকে মন্তব্য করেছেন, মেকআপ ছাড়াও তার মুখের তীক্ষ্ণ গড়ন এবং ব্যক্তিত্বে তারকা-সুলভ আকর্ষণ স্পষ্ট। তবে সমালোচনাও কম হয়নি। কিছু নেটিজেনের দাবি, মেকআপ ও সাজসজ্জা না থাকায় তার বয়সের ছাপ - [প্রতিদিনের মানসিক চাপ কমাতে যেসব প্রাকৃতিক উপাদানের পণ্য ভরসা দিচ্ছে](https://sarakhon.com/news/185479/): আধুনিক ব্যস্ত জীবনে মানসিক চাপ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। কাজের ব্যস্ততা, নানা দায়িত্ব আর দ্রুতগতির জীবনযাত্রায় অনেক সময় শরীর ও মন দুটিই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে স্বস্তি পেতে অনেকে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরীরচর্চা ও পরিচর্যার বিভিন্ন পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। মানসিক চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি এমনই কিছু পণ্যের মধ্যে রয়েছে ‘মেরি জেন অন মেইন স্ট্রিট’ নামের একটি পরিচর্যা পণ্যশ্রেণি। প্রাকৃতিক চিকিৎসাবিদ জিনেট উলফের উদ্যোগে তৈরি এই পণ্যগুলো শরীরের বাইরে থেকে পরিচর্যার মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রকে স্বস্তি দেওয়ার ধারণাকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে। তেলভিত্তিক রোল-অন পণ্য এই পণ্যশ্রেণির অন্যতম আকর্ষণ তেলভিত্তিক রোল-অন সংগ্রহ। এতে চার ধরনের রোল-অন রয়েছে, যেগুলোতে বিভিন্ন সুগন্ধি ও উদ্ভিজ্জ তেলের - [পাহাড়ের কোলে ধীর হয়ে বাঁচার এক অনন্য ভ্রমণ](https://sarakhon.com/news/185477/): কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার হুইসলারে অবস্থিত ফোর সিজনস রিসোর্ট অ্যান্ড রেসিডেন্সেস হুইসলারে গিয়ে এক ভ্রমণকারীর কাছে পাহাড়ি ছুটির অর্থই যেন বদলে গেল। দুঃসাহসিক অভিযানের বদলে সেখানে তিনি আবিষ্কার করলেন ধীর হয়ে থাকা, প্রকৃতির কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর অসাধারণ প্রশান্তি। হুইসলারের আপার ভিলেজে ব্ল্যাককম্ব পর্বতের কিনারায় গড়ে ওঠা এই বিলাসবহুল আবাসনটি শুধু পাহাড় ভ্রমণের বিশ্রামস্থল নয়। কাঠের উষ্ণ সাজসজ্জা, মৌসুমি ফুল, স্থানীয় শিল্পীদের কাজ এবং চারপাশের আল্পাইন পরিবেশ অতিথিদের শুরু থেকেই প্রকৃতির আবহে নিয়ে যায়। কক্ষগুলোতে রয়েছে প্রশস্ত জায়গা, অগ্নিকুণ্ড এবং জানালা খুললেই চোখে পড়ে পাহাড়ের বিস্তৃত দৃশ্য। বিছানায় বসেই পাহাড় দেখা আর তিন স্তরের বিশেষ সকালের - [চীনের কারণে নয়, কাঠামোগত সংকটেই ইউরোপের গাড়ি শিল্প ধুঁকছে](https://sarakhon.com/news/185474/): ইউরোপের গাড়ি শিল্প এখন এমন এক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার গভীরতা শুধু চীনা গাড়ি নির্মাতাদের প্রতিযোগিতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। একের পর এক বড় কোম্পানি কর্মী ছাঁটাই, উৎপাদন কমানো এবং বিনিয়োগ পুনর্বিন্যাসের পথে হাঁটছে। শিল্পখাতটির দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা, উচ্চ উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি সংকট, দুর্বল অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। জার্মানির ঐতিহ্যবাহী গাড়ি শিল্পেও সংকটের ছাপ স্পষ্ট। ভক্সওয়াগেন বড় ধরনের পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এক লাখ পর্যন্ত কর্মী কমানোর পরিকল্পনা করেছে। বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ-বেঞ্জসহ অন্যান্য নির্মাতারাও ব্যয় ও উৎপাদন সক্ষমতা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। শুধু ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জার্মানির গাড়ির যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী শিল্পে - [শিনজিয়াংয়ে কথার চেয়েও জোরালো ভাষা নাচ, গান আর মানুষের আন্তরিকতা](https://sarakhon.com/news/185471/): চীনের শিনজিয়াং ভ্রমণে গিয়ে দুই বিদেশি পর্যটকের চোখে ধরা পড়েছে এক ভিন্ন বাস্তবতা। পাহাড়, মরুভূমি কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততা, লোকনৃত্য, খাবার, কারুশিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তাদের ভ্রমণকে করে তুলেছে গভীরভাবে স্মরণীয়। কানাডীয় নাগরিক ও স্লোভাক বংশোদ্ভূত ভ্রমণস্রষ্টা জে কেরেকেস এবং যুক্তরাজ্যের ভ্রমণস্রষ্টা ইয়ান ইংলিস তাঁদের অভিজ্ঞতায় শিনজিয়াংকে তুলে ধরেছেন এমন এক অঞ্চল হিসেবে, যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিক জীবন পাশাপাশি এগিয়ে চলেছে। নাচের বৃত্তে টেনে নেয় মানুষ কেরেকেসের কাছে শিনজিয়াংয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী পরিচয় হলো নাচ। তাঁর ভাষায়, শিনজিয়াং এমন এক নাচ, যেখানে নাচের ধাপ শেখার আগেই আপনাকে বৃত্তের মধ্যে টেনে নেওয়া হয়। শিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমচিতে একটি পার্কে হাঁটার সময় - [চীনের রকেট প্রযুক্তিতে নতুন সাফল্য, প্রথমবার স্থলভাগে ফিরল ঝু-চু-৩](https://sarakhon.com/news/185468/): চীনের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণায় বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। পুনর্ব্যবহারযোগ্য ঝু-চু-৩ রকেটের প্রথম ধাপ সফলভাবে উৎক্ষেপণের পর স্থলভাগে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে দেশটি। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চীনে অবতরণ পা ব্যবহার করে কোনো রকেটের প্রথম ধাপ নিয়ন্ত্রিতভাবে স্থলভাগে পুনরুদ্ধার করা হলো। সফল উৎক্ষেপণ ও অবতরণ ১৯ আগস্ট সকালে উত্তর-পশ্চিম চীনের বাণিজ্যিক মহাকাশ উদ্ভাবন পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ঝু-চু-৩ ওয়াই-২ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে আকাশে ওঠার প্রায় ১৩৭ সেকেন্ড পর রকেটটির প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ আলাদা হয়ে যায়। এরপর প্রথম ধাপটি নির্ধারিত প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে। উচ্চতায় অবস্থান পরিবর্তন, পুনঃপ্রবেশের সময় গতিনিয়ন্ত্রণ, নিয়ন্ত্রিত বায়ুগতীয় উড্ডয়ন, অবতরণের আগে গতি কমানো - [প্রদর্শনী থেকে বাস্তব কাজে, চীনে দ্রুত বাণিজ্যিক হচ্ছে মানবাকৃতির রোবট](https://sarakhon.com/news/185465/): চীনে মানবাকৃতির রোবট এখন আর শুধু প্রদর্শনীর আকর্ষণ নয়, ধীরে ধীরে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অংশ হয়ে উঠছে। বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের বিশ্ব রোবট সম্মেলনে রোবটের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের এই নতুন প্রবণতাই বিশেষভাবে সামনে এসেছে। গুদাম থেকে কারখানায় রোবটের কর্মযজ্ঞ সম্মেলনের প্রদর্শনীতে প্রায় ১০টি মানবাকৃতির রোবটকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে দেখা যায়। কোনোটি বাক্স ওঠানো ও সাজানোর কাজ করছে, আবার কোনোটি পণ্য বাছাই করছে। সবগুলো রোবট একসঙ্গে গুদামের পণ্য পরিবহন, বাছাই ও পুনরায় সরবরাহের একটি পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রদর্শন করে। চীনা রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউবিটেকের এই প্রদর্শনী থেকে স্পষ্ট হয়েছে, রোবট প্রযুক্তি এখন কেবল ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখানোর পর্যায়ে নেই। বরং বাস্তব - [পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে সংঘাত তীব্র, ‘খোলামেলা যুদ্ধের’ ঘোষণা ইসলামাবাদের](https://sarakhon.com/news/185462/): পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবার সরাসরি সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। আফগান সীমান্তে হামলার জবাবে পাকিস্তান কাবুলসহ দেশটির কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে তাদের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে গেছে এবং এখন দুই দেশের মধ্যে ‘খোলামেলা যুদ্ধ’ চলছে। কাবুলে বিমান হামলা প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ভোররাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান হামলা চালায়। স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিটে প্রথম হামলার পর আরেক দফা বিমান হামলা হয়। প্রথম হামলার পর আফগানিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে পাল্টা গুলিবর্ষণ শুরু হয় এবং দ্বিতীয় হামলার পরও তা অব্যাহত থাকে। আফগান সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, কাবুলে হামলার - [কঙ্গোতে ভয়াবহ ইবোলা সংক্রমণ, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২,৫০০](https://sarakhon.com/news/185459/): গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ইবোলা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘের ইবোলা সমন্বয়ক জুলিয়েন হারনেইস জানিয়েছেন, দেশটিতে এই রোগে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ২ হাজার ৫০০ ছাড়িয়েছে। তাঁর আশঙ্কা, সংক্রমণ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে এবং নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার তুলনায় মহামারির বিস্তার আরও দ্রুত হচ্ছে। ফ্রান্সের চেয়েও বড় এলাকায় ছড়িয়েছে সংক্রমণ শুক্রবার দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বুনিয়া শহর থেকে ভিডিও কলে হারনেইস বলেন, ইবোলার সংক্রমণ এখন এমন একটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে, যার আয়তন ফ্রান্সের চেয়েও বড়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে আরও অর্থ ও সহায়তা প্রয়োজন। বর্তমানে যে তহবিল থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সেটিও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কঙ্গোর এবারের ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেশটির ইতিহাসে ১৭তম। - [শ্রীলঙ্কায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় বন্দিদের মুক্তিতে আসছে আনুষ্ঠানিক নীতিমালা](https://sarakhon.com/news/185456/): শ্রীলঙ্কায় দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তির ক্ষেত্রে এবার আনুষ্ঠানিক ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের ক্ষমা, সাজা কমানো এবং নির্দিষ্ট শর্তে মুক্তির বিষয়ে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সুপারিশ করেছে এ-সংক্রান্ত একটি কমিটি। ১০ মাসের পর্যালোচনায় কমিটির প্রতিবেদন শ্রীলঙ্কার বিচার ও জাতীয় সংহতিবিষয়ক মন্ত্রী হর্ষণ নানায়াক্কারা জানিয়েছেন, সাবেক সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এস থুরাইরাজাকে প্রধান করে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় দ্রুত উপস্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে। প্রায় ১০ মাস ধরে বিষয়টি পর্যালোচনা করার পর কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের ক্ষেত্রে এতদিন যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হতো, সেটিকে আরও স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে - [মেসিকে জরিমানা, বাংলাদেশের বংশোদ্ভূত সুলিভানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার](https://sarakhon.com/news/185452/): মেজর লিগ সকারে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মুখ, মাথা বা ঘাড়ে হাত দেওয়ার নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে ইন্টার মায়ামির তারকা লিওনেল মেসিকে অজ্ঞাত পরিমাণ অর্থ জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনায় মায়ামির ডিফেন্ডার ইয়ান ফ্রেও জরিমানার মুখে পড়েছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের বংশোদ্ভূত ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের ডিফেন্ডার ক্যাভান সুলিভানের জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। তাঁর ওপর আরোপ করা এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা স্বাধীন পর্যালোচনা প্যানেল সর্বসম্মতভাবে প্রত্যাহার করেছে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উত্তেজনা বুধবার পেনসিলভেনিয়ার চেস্টারে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ২-২ গোলের ড্র ম্যাচের ১০১তম মিনিটে মেসির ঘটনাটি ঘটে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার সুলিভানকে লাল কার্ড দেখানো হয়। - [শিশুদের গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের মামলায় ৪০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে টিকটক](https://sarakhon.com/news/185450/): যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলার নিষ্পত্তিতে ৪০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। শিশুদের তথ্য সুরক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগে বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর ওপর নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা জোরদার হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপকে বড় ধরনের আর্থিক নিষ্পত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই ধাপে পরিশোধ হবে অর্থ চুক্তি অনুযায়ী টিকটক প্রথম ধাপে ৩০ কোটি ডলার পরিশোধ করবে। পরবর্তী ১০ কোটি ডলার দেওয়া হবে টিকটকের পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠান মিউজিক্যালি’র বিরুদ্ধে করা আগের একটি আইনি আদেশ বাতিলের পর। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুদের অনলাইন গোপনীয়তা - [দিনাজপুরে ৩৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকার সাপের বিষ জব্দ, আটক ৪](https://sarakhon.com/news/185447/): দিনাজপুরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ দশমিক ৭ কেজি সাপের বিষ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। জব্দ করা বিষের আনুমানিক মূল্য ৩৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান বিজিবি জানিয়েছে, গত ১৩ আগস্ট দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার অম্বরী এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন, র‌্যাব-১৩ ও একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে গঠিত দল অংশ নেয়। অভিযানে তিনটি কাচের জারে রাখা প্রায় ৫ দশমিক ৭ কেজি সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি ব্যক্তিগত গাড়ি, দুটি মোটরসাইকেল, চারটি মুঠোফোন ও ছয়টি মুঠোফোনের সংযোগও জব্দ - [কিশোর-কিশোরীদের ভবিষ্যৎ সুস্থতা ও স্বনির্ভরতার জন্য বাস্তব জীবনের শিক্ষা জরুরি](https://sarakhon.com/news/185444/): কিশোর-কিশোরীদের ভবিষ্যৎ সুস্থতা ও স্বনির্ভরতার জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক সক্রিয়তা ও অর্থ ব্যবস্থাপনা—এই তিনটি ক্ষেত্রেও বাস্তব জীবনের শিক্ষা জরুরি। ১. খাদ্যাভ্যাস: খাবারের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক কিশোর বয়সে খাবার নিয়ে নানা ধরনের প্রভাব কাজ করে—বন্ধুদের চাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রবণতা, ব্যস্ত জীবন ও সহজলভ্য অস্বাস্থ্যকর খাবার। তাই শুধু কোন খাবারে কত পুষ্টি আছে তা জানা যথেষ্ট নয়; বরং খাবার পরিকল্পনা করা, বাজার করা, রান্না করা এবং নিজের শরীরের প্রয়োজন বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ। কিশোরদের খাবার তৈরির কাজে যুক্ত করলে তারা নিজেরাই স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়। বাবা-মায়ের আচরণও এখানে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সন্তানরা অনেক সময় পরিবারের বড়দের খাদ্যাভ্যাস অনুকরণ করে। ২. শারীরিক সক্রিয়তা: - [শিকড়ের সন্ধানে শত বছর পর চীনের সেই গ্রামে নাতনি](https://sarakhon.com/news/185441/): সিঙ্গাপুরে বেড়ে ওঠা এক নারী নিজের পরিবারের অতীতের সন্ধান করতে গিয়ে পৌঁছালেন চীনের গুয়াংদং প্রদেশের চাওআনের শা লং গ্রামে। সেখানেই তিনি খুঁজে পেলেন তাঁর প্রপিতামহের শিকড়—যিনি মাত্র ১১ বছর বয়সে চীন ছেড়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পথে পাড়ি দিয়েছিলেন। শৈশবের স্মৃতিতে তাঁর দাদি ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের একজন। দাদির রান্না, কথাবার্তা, তেওচিউ ভাষা আর ঘরের নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই তাঁর বেড়ে ওঠা। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি উপলব্ধি করতে শুরু করেন, দাদির জীবনের পেছনেও রয়েছে এক দীর্ঘ অভিবাসনের ইতিহাস। তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—তাঁদের পরিবার আসলে কোথা থেকে এসেছিল? কীভাবে তারা সিঙ্গাপুরে এসে বসতি গড়েছিল? একটি কবরের শিলালিপি থেকে শুরু তাঁর দাদা - [আফগানিস্তান-বেলারুশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা](https://sarakhon.com/news/185438/): আফগানিস্তান ও বেলারুশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ২১ আগস্ট আফগানিস্তানের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী মাওলভি আহমাদুল্লাহ জাহিদ বেলারুশের বাণিজ্য উপমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার, পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আফগানিস্তানের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বৈঠকে আলোচিত নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা চুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ আফগানিস্তান সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এর অংশ - [যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের চাপে আফগান সীমান্তে বাণিজ্য ও শ্রমবাজারে সংকট](https://sarakhon.com/news/185435/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের প্রভাব এবার আফগানিস্তানের সীমান্ত বাণিজ্যেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সংঘাত ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ায় ইরানের সঙ্গে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনে চাপ তৈরি হয়েছে। সীমান্তে কমছে বাণিজ্যের গতি আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশের ইসলাম কালা সীমান্তপথটি দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। ইরানের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানির জন্য এই পথের ওপর নির্ভর করেন বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী ও পরিবহনশ্রমিক। সাম্প্রতিক সংঘাত ও সীমান্ত উত্তেজনার কারণে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে সীমান্ত এলাকায় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পরিবহন খাতের সঙ্গে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষের আয়েও প্রভাব পড়ছে। অনিশ্চয়তায় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল বহু আফগান ব্যবসায়ী এখন পণ্য পরিবহন, সরবরাহ ও বিক্রির ভবিষ্যৎ নিয়ে - [মিয়ানমারে এনইউজি ও রোহিঙ্গা প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নতুন টানাপোড়েন](https://sarakhon.com/news/185432/): মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকারে থাকা একমাত্র রোহিঙ্গা মন্ত্রী অং কিয়াও মোয়ের সরে দাঁড়ানোর ঘটনাকে ঘিরে দেশটির গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতি ও রোহিঙ্গা প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। দ্য ডেমোক্রেটিক ভয়েস অব বার্মার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের শেষ দিকে অং কিয়াও মোয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পর তাঁর অবস্থান ও ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সামনে আসে। তিনি জাতীয় ঐক্য সরকারের মানবাধিকারবিষয়ক উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রোহিঙ্গা প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন জাতীয় ঐক্য সরকারে অং কিয়াও মোয়ের উপস্থিতি রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। ফলে তাঁর সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব এবং মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনে তাদের অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি - [মিয়ানমারে সংঘাত, দমন-পীড়ন ও মানবপাচার: সংকটে আরও গভীর হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবন](https://sarakhon.com/news/185429/): মিয়ানমারে সামরিক শাসন, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও মানবিক সংকট দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের পাশাপাশি বন্যা, খাদ্য ও কৃষি উপকরণের সংকট এবং মানবপাচারের মতো সমস্যাও সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। চীনে বিয়ের নামে বাড়ছে নারী পাচার করোনা মহামারির সময় কিছুটা কমে গেলেও মিয়ানমার থেকে চীনে নারীদের পাচার করে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার ঘটনা আবারও বাড়ছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটির অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়া এবং বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত তীব্র হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের সংখ্যা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে পাচারকারীরা নারীদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে সীমান্ত পার করে নিয়ে যাচ্ছে। ধর্মীয় জাতীয়তাবাদে নতুন করে বিতর্ক - [বাংলাদেশে গোরখালিদের বিস্মৃত ইতিহাস, দুই শতকের শিকড় আজও অচেনা](https://sarakhon.com/news/185425/): দুই শতাব্দী আগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের হয়ে যুদ্ধ করতে নেপাল থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন গোরখা সৈন্যদের একটি অংশ। যুদ্ধের দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর তাঁদের অনেকেই আর ফিরে যাননি। চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে বসতি গড়ে শুরু হয় তাঁদের নতুন জীবন। সময়ের স্রোতে সেই সৈন্যদের বংশধররা বাংলাদেশের সমাজেরই অংশ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তাঁদের দীর্ঘ ইতিহাস আজ অনেকটাই বিস্মৃত। ব্রিটিশদের হাত ধরে বাংলাদেশে আগমন গোরখা যোদ্ধাদের সাহস ও সামরিক দক্ষতার জন্য ব্রিটিশরা তাঁদের নিজেদের বাহিনীতে নিয়োগ করত। প্রায় দুইশ বছর আগে ব্রিটিশ শাসনের সামরিক প্রয়োজনেই নেপাল থেকে গোরখা সৈন্যদের একটি দল তৎকালীন পূর্বাঞ্চলে আসে। চট্টগ্রাম পার্বত্য এলাকায় তাঁদের দায়িত্ব ছিল সামরিক অভিযান ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। সেই - [৪৯ সন্ত্রাসী নিহতের দাবি পাকিস্তানের, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় অভিযান](https://sarakhon.com/news/185423/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে গত কয়েক দিনে ধারাবাহিক গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে ৪৯ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতরা ভারতের মদদপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১২ জন নিহত বিবৃতিতে বলা হয়, খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু, উত্তর ওয়াজিরিস্তান, ওরাকজাই ও খাইবার জেলায় পৃথক অভিযানে ১২ জন সশস্ত্র সদস্য নিহত হয়েছে। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, বিস্ফোরক ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণযন্ত্র, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। বেলুচিস্তানে নিহত ৩৭ অন্যদিকে বেলুচিস্তানের মাস্তুং, মাচ, খুজদার ও পাঞ্জগুর - [পাকিস্তানের চার প্রদেশ ও অঞ্চলজুড়ে ফের ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185420/): পাকিস্তানের পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখাওয়া, গিলগিট-বালতিস্তান ও আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে নতুন করে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে এসব অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেশটির উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যেই আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও বৃষ্টির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকা বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে নগরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অতিবৃষ্টির ফলে নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমে মানুষের চলাচল ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বাড়ছে ঝুঁকি খাইবার পাখতুনখাওয়া, গিলগিট-বালতিস্তান - [যুক্তরাষ্ট্রে আটক আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে গোপনে টেক্সাসে সরানো, বাতিল জামিন শুনানি](https://sarakhon.com/news/185417/): যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের হাতে আটক আর্জেন্টাইন ফুটবলার মাতিয়াস পুররাইনকে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই ফ্লোরিডার আটককেন্দ্র থেকে টেক্সাসের একটি কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর ফলে তাঁর জামিনের শুনানি বাতিল হয়ে গেছে এবং মুক্তির প্রক্রিয়াও কয়েক সপ্তাহ পিছিয়ে গেছে। ৩৪ বছর বয়সী পুররাইন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাবের হয়ে খেলেন। বুধবার ফ্লোরিডার একটি আদালতে তাঁর জামিনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানির আগেই তাঁকে টেক্সাসে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে মামলাটি নতুন একজন বিচারকের আওতায় চলে গেছে। পুররাইন গত ৬ আগস্ট ফ্লোরিডায় আটক হন। সেখানেই তিনি বর্তমানে বসবাস করছিলেন। দলের হয়ে একটি ম্যাচ খেলতে লস অ্যাঞ্জেলেস যাওয়ার জন্য বিমানে ওঠার আগে - [খালি পায়ে মাটিতে হাঁটার ‘নিরাময় শক্তি’—কী বলে বিজ্ঞান?](https://sarakhon.com/news/185414/): তিন সপ্তাহ আগে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি। মানসিকভাবে তখন ভেঙে পড়েছিলেন। এক ভোরে বাড়ির উঠানে গিয়ে হঠাৎ জুতা খুলে ভেজা মাটিতে খালি পায়ে দাঁড়ান। সেই মুহূর্ত থেকেই যেন শুরু হয় তাঁর নিজের সঙ্গে এবং প্রকৃতির সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগের যাত্রা। পরের ৯০ দিন তিনি প্রতিদিন ভোরে খালি পায়ে মাটিতে হাঁটেন। তাঁর দাবি, এই অভ্যাস তাঁকে মানসিকভাবে নতুন করে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। মাটির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ মাটি, ঘাস বা বালুর ওপর খালি পায়ে দাঁড়ানো বা হাঁটার অভ্যাসকে ‘আর্থিং’ বা ‘গ্রাউন্ডিং’ বলা হয়। ধারণাটি হলো, মানুষের শরীর যখন সরাসরি মাটির সংস্পর্শে আসে, তখন পৃথিবীর পৃষ্ঠে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনের সঙ্গে শরীরের বৈদ্যুতিক সংযোগ - [ক্যাটারিং ব্যবসা শুরু করা কি লাভজনক? সফল হতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি](https://sarakhon.com/news/185411/): খাবারের ব্যবসা মানুষের নিত্যদিনের প্রয়োজনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। রেস্তোরাঁর পাশাপাশি অনুষ্ঠান, পারিবারিক আয়োজন, করপোরেট সভা কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে খাবার সরবরাহের চাহিদাও রয়েছে। তাই পরিকল্পনা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্যাটারিং ব্যবসা একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হতে পারে। তবে অন্য যেকোনো ব্যবসার মতো এতেও ঝুঁকি রয়েছে। ব্যবসা শুরুর আগে পরিকল্পনা ক্যাটারিং ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা। ব্যবসার ধরন, খাবারের ধারণা, সম্ভাব্য ক্রেতা, প্রচারের কৌশল, ব্যবসার নাম, অবস্থান, বাজেট, খাবারের তালিকা ও দাম এবং কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা আগে থেকেই ঠিক করা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনাই পরবর্তী সময়ে ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণের পথ দেখাবে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে - [সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা জোটে পাকিস্তান-তুরস্ক, ইরান যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185408/): ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ যখন সৌদি আরবের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে রিয়াদ। মুসলিম বিশ্বের দুই শক্তিশালী সামরিক দেশ পাকিস্তান ও তুরস্ককে সঙ্গে নিয়ে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে সৌদি আরব। মক্কায় শুক্রবার স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ফলে সৌদি আরবে বড় ধরনের হামলা হলে পাকিস্তান ও তুরস্কও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। ন্যাটোর আদলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চুক্তির ঘোষিত লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ শক্তিশালী করা এবং তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব ক্ষেত্র - [বাংলাদেশ থেকে পালানো হিন্দু, শিখ ও জৈনদের ৬ মাসে নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা অমিত শাহের](https://sarakhon.com/news/185402/): ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে বাধ্য হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করে সরিয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে ভারতের নতুন তিনটি ফৌজদারি আইন নিয়ে আয়োজিত এক প্রদর্শনীতে বক্তব্য দেওয়ার সময় অমিত শাহ এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের আওতায় নাগরিকত্বের আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গের আট জেলার জেলা প্রশাসকদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অমিত শাহ বলেন, বাংলাদেশ থেকে বাধ্য হয়ে পালিয়ে আসা সব হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীকে মর্যাদার সঙ্গে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া - [ক্রুজ জাহাজে শিশু যৌন নির্যাতনের উপকরণ: বোস্টনে ১১ বিদেশি কর্মী আটক](https://sarakhon.com/news/185399/): যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে দুটি ক্রুজ জাহাজে শিশু যৌন নির্যাতনের উপকরণ রাখা ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ১১ জন বিদেশি কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ বছরের মধ্যে সমুদ্রযানে পরিচালিত এ ধরনের অভিযানে এটি তৃতীয় বড় ধরপাকড়ের ঘটনা। ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চালানো অভিযানে হল্যান্ড আমেরিকা লাইনের ‘ভোলেনডাম’ এবং নরওয়েজিয়ান ক্রুজ লাইনের ‘ব্রেকঅ্যাওয়ে’ জাহাজে কর্মরত এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নয়জন ফিলিপাইনের, একজন ইন্দোনেশিয়ার এবং একজন নিকারাগুয়ার নাগরিক। বৈদ্যুতিন যন্ত্র ও কক্ষে তল্লাশি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় সন্দেহভাজনদের বৈদ্যুতিন যন্ত্র এবং থাকার জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের সঙ্গে সম্পর্কিত বেআইনি উপকরণ উদ্ধারের চেষ্টা করা - [মরক্কোয় সেউতার স্বপ্ন, বাস্তবতায় অনিশ্চয়তা ও মৃত্যুর ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/185396/): মরক্কোর উত্তরাঞ্চলীয় শহর ফনিদেক থেকে স্পেনের নিয়ন্ত্রিত সেউতা অঞ্চলের দূরত্ব মাত্র কয়েক কিলোমিটার। কিন্তু উন্নত জীবনের আশায় সেই সীমান্ত পাড়ি দিতে চাওয়া মানুষগুলোর স্বপ্ন আর সেখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া স্থানীয়দের বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান অনেক গভীর। জুলাইয়ের শেষ দিকে মরক্কো থেকে সেউতায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। এরপর আগস্টের মাঝামাঝি আবারও বড় ধরনের সীমান্ত পারাপারের আহ্বান ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে আগের চেষ্টায় প্রায় ১০০ মানুষের মৃত্যুর খবর এবং সেউতায় পৌঁছানো অনেকের পরবর্তীতে মরক্কোয় ফিরে আসা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার শেষ কোথায়? অনিশ্চয়তার মধ্যে সন্তানদের নিয়ে এক মা কাসাব্লাঙ্কা থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে ফনিদেকে এসেছেন মালিকা। তিন বছর বয়সী - [পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি নির্মাণ নিয়ে বেলজিয়ামের কড়া অবস্থান](https://sarakhon.com/news/185393/): অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন বসতি নির্মাণের পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে বেলজিয়াম। দেশটি ইসরায়েলের ই-১ এলাকায় নির্মাণকাজের জন্য দরপত্র আহ্বানের সিদ্ধান্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে। বেলজিয়ামের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিম প্রেভো বলেছেন, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এর ফলে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এবং দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা আরও দুর্বল হবে। তিনি সরাসরি বলেন, ‘ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ।’ ১১ দেশের যৌথ সতর্কবার্তা ই-১ প্রকল্প বাতিল এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে ১১টি দেশ যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। বেলজিয়ামের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য ও সুইডেন এতে স্বাক্ষর করেছে। দেশগুলো - [পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এখন দুই প্রতিমন্ত্রী, হুমায়ুন কবির পেলেন নতুন দায়িত্ব](https://sarakhon.com/news/185390/): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার প্রথম বড় রদবদলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হুমায়ুন কবির। টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের অধীনে এখন একই মন্ত্রণালয়ে দুই প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। আগের দায়িত্বে বহাল থাকছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। বঙ্গভবনে শপথ শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। একই অনুষ্ঠানে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। শুক্রবার রাতেই এ বিষয়ে - [আলফালফা অঙ্কুরে ই. কোলাই ও সালমোনেলা, আক্রান্ত ৫৫](https://sarakhon.com/news/185387/): যুক্তরাষ্ট্রে আলফালফা অঙ্কুর খাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত ই. কোলাই ও সালমোনেলা সংক্রমণের বহু-রাজ্যব্যাপী প্রাদুর্ভাবের তদন্ত শুরু করেছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার পর্যন্ত ১৫টি অঙ্গরাজ্যে মোট ৫৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আক্রান্তদের বেশিরভাগই আলফালফা অঙ্কুর খেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৪৬ জন ই. কোলাই, সাতজন সালমোনেলা এবং দুজন একই সঙ্গে দুই ধরনের ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তদন্তে মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘এভরিথিং স্প্রাউটস’-এর সরবরাহ করা আলফালফা অঙ্কুরে একাধিক রোগজীবাণুর সম্ভাব্য উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব অঙ্কুরকেই সংক্রমণের - [চেতনা কি পাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা? মস্তিষ্কের কোষ সিলিকনে বসিয়ে নতুন পথে বিজ্ঞান](https://sarakhon.com/news/186022/): বর্তমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মডেল যতই শক্তিশালী হোক, সেগুলো মানুষের মতো চেতনা অর্জন করতে পারবে কি না—এ নিয়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের মধ্যে বিতর্ক চলছে। কারও মতে, বর্তমান এআইয়ের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো এতে জীবন্ত জৈব উপাদান নেই। অন্যদের ধারণা, সমস্যাটি এর কম্পিউটিং কাঠামোর মধ্যেই নিহিত। তবে ভবিষ্যতে জীবন্ত কোষ কিংবা মানুষের মস্তিষ্কের কাছাকাছি কাঠামোয় তৈরি এআই চেতনার দিকে এগোতে পারে বলে মনে করছেন কিছু গবেষক। মস্তিষ্কের মতো কম্পিউটিংয়ের খোঁজ আধুনিক কম্পিউটারের মূল নকশা ১৯৪৫ সালে হাঙ্গেরীয় বহুমুখী প্রতিভা জন ভন নিউম্যানের ধারণার ওপর গড়ে ওঠে। এই কাঠামোয় হিসাব করার জন্য প্রসেসিং ইউনিট এবং তথ্য ও নির্দেশনা সংরক্ষণের জন্য আলাদা মেমোরি ইউনিট থাকে। - [জেসন আরডেকে মানুষ নয়, প্রতীকে পরিণত করার মূল্য: ক্যামব্রিজ নিয়ে দ্য ইকোনমিস্টের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/186012/): ১৪ আগস্ট লন্ডনের নিজ বাড়িতে ৪১ বছর বয়সী ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আরডের মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর মৃত্যু পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য গভীর বেদনাদায়ক ঘটনা হলেও, দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে আরও বিস্তৃত একটি প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে—কোনো ব্যক্তিকে তাঁর নিজস্ব যোগ্যতা ও চরিত্রের বদলে জাতিগত পরিচয়, প্রতিবন্ধকতা বা অন্যান্য রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের প্রতীক হিসেবে দেখার ঝুঁকি কতটা? ক্যামব্রিজের সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক ২০২৩ সালে জেসন আরডে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হয়েছিল। - [বিমান চলাচলের ‘কনট্রেইল’ কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন অর্ধেক কমানোর সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/186015/): বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবিলায় আশাব্যঞ্জক খবর খুব বেশি নেই। তবে আকাশপথে এমন একটি সুযোগের সন্ধান মিলেছে, যা কার্যকর হলে বিমান চলাচলের জলবায়ু প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হতে পারে। ব্রিটেনের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ন্যাটস ও জলবায়ু নিয়ে গবেষণাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ‘অপারেশন ব্লু স্কাইস’ নামে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা শুরু করেছে। দুই শীত মৌসুমজুড়ে চলবে পরীক্ষা ১৮ আগস্ট ঘোষণা করা এই গবেষণার আওতায় আগামী দুই শীত মৌসুমে উত্তর আটলান্টিকের বিস্তৃত আকাশসীমায় পরীক্ষা চালানো হবে। লক্ষ্য হলো বিমানের তৈরি দীর্ঘস্থায়ী মেঘের রেখা, যাকে কনট্রেইল বলা হয়, তার সংখ্যা কমানো। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী কনট্রেইল জলবায়ুর ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে বলে গবেষণাটির মূল নজর সেদিকেই। পরীক্ষাটি - [কাঁঠাল, টোফু ও পাম হার্টেই কাঁকড়ার স্বাদ, জনপ্রিয় হচ্ছে ভেগান রেসিপি](https://sarakhon.com/news/186009/): যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি খাওয়া সামুদ্রিক খাবারের শীর্ষ ১০ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে কাঁকড়া। কাঁকড়া কেক, সুশি রোল, সালাদ থেকে শুরু করে পাস্তা—বিভিন্ন খাবারে এর ব্যবহার জনপ্রিয়। তবে স্বাদ ও পুষ্টির পাশাপাশি কাঁকড়া খাওয়ার ক্ষেত্রে কোলেস্টেরল এবং দূষণজনিত কিছু ঝুঁকিও সামনে এসেছে। এর বিকল্প হিসেবে উদ্ভিদভিত্তিক উপাদান দিয়ে কাঁকড়ার মতো স্বাদ ও গঠন তৈরি করার রেসিপি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কাঁকড়া খাওয়ার ক্ষেত্রে কী নিয়ে সতর্কতা কাঁকড়ায় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকলেও এতে প্রাকৃতিকভাবে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত উচ্চ-কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার গ্রহণ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে কাঁকড়ায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট তুলনামূলক কম থাকায় লাল মাংস ও চিজের মতো কিছু প্রাণিজ খাবারের তুলনায় ঝুঁকি কম - [রাশিয়ার তেল নিয়ে চীনের কৌশল, চাপে ভারতের জ্বালানি বাজার](https://sarakhon.com/news/185835/): ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে সরবরাহের যে চাপ তৈরি হয়েছে, সেখানে ভারতের বিপুল পরিমাণ রুশ অপরিশোধিত তেল কেনা এতদিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য তৈরি করেছিল। কিন্তু এখন সেই সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে। চীন রাশিয়া থেকে আরও বেশি তেল কেনার দিকে এগিয়ে যাওয়ায় ভারতের জন্য রুশ জ্বালানির আগের সরবরাহ ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। এর প্রভাব শুধু ভারতের পরিশোধনাগারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এশিয়ার পরিশোধিত জ্বালানি বাজারেও এর বড় প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। চীনের বাড়তি চাহিদাই নতুন চাপের কেন্দ্র পণ্যবাজার বিশ্লেষক কেপলারের হিসাব অনুযায়ী, আগস্টে সমুদ্রপথে চীনের রুশ অপরিশোধিত তেল আমদানি দৈনিক প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে দাঁড়াতে পারে। জুলাইয়ে এই পরিমাণ ছিল - [অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু শনাক্ত](https://sarakhon.com/news/185977/): অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো একটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে প্রাণঘাতী এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া অঙ্গরাজ্যের বিচপোর্ট উপকূলীয় এলাকায় একটি মৃত লম্বা নাকের পশমি সিলের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন দেশটির কর্তৃপক্ষ। অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে বার্ড ফ্লুর বিস্তার চলতি বছরের জুনে অস্ট্রেলিয়ায় এইচ৫এন১ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে দেশটিতে সংক্রমণ বাড়ছে। চলতি মাসেই ভাইরাসটির কারণে প্রথমবারের মতো ব্যাপক সামুদ্রিক পাখির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরিযায়ী পাখির মাধ্যমে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর ভাইরাসটি ধীরে ধীরে দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় বন্যপ্রাণীর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী অ্যাডিলেড থেকে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বিচপোর্ট এলাকায় মৃত সিলটি পাওয়া যায়। প্রাণীটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল - [চীনে কি এবার চকলেটের জোয়ার? স্থানীয় ব্র্যান্ডের উত্থানে বদলাচ্ছে চীনা রুচি](https://sarakhon.com/news/186006/): চীনে কফি শপ ও কেএফসি শাখার বিস্তার বিশ্বে শীর্ষে হলেও চকলেটের বাজার এতদিন ছিল তুলনামূলকভাবে ছোট। দেশটির একজন মানুষ বছরে গড়ে মাত্র ১০০ গ্রাম চকলেট খান। ফ্রান্সের একজন মানুষের বার্ষিক চকলেট খাওয়ার পরিমাণের তুলনায় যা মাত্র একশ ভাগের এক ভাগ। তবে স্থানীয় চকলেট প্রস্তুতকারকদের উত্থানে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। চীনা চকলেট বাজারে নতুন উত্থান চীনে দীর্ঘদিন ধরে চকলেটের বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেছে মার্স, ফেরেরো, নেসলে ও হার্শির মতো কয়েকটি বহুজাতিক ব্র্যান্ড। বিশ্বজুড়ে যত চকলেট খাওয়া হয়, তার মাত্র ২ শতাংশ চীনা ভোক্তাদের স্বাদে পৌঁছায়। এখন দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠছে একাধিক স্থানীয় চকলেট প্রতিষ্ঠান। বেশির ভাগই ছোট ও - [চীনে নব্বইয়ের দশকের নস্টালজিয়া: অর্থনৈতিক হতাশায় ফিরছে ‘সুযোগের সময়’](https://sarakhon.com/news/186003/): চীনে আবারও আলোচনায় ফিরেছে নব্বইয়ের দশক—একটি সময়, যখন দেশটির অর্থনীতি দ্রুত বদলে যাচ্ছিল, বিশ্ববাজারের দরজা আরও খুলছিল এবং অনেকের কাছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমাহীন বলে মনে হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সাবেক চীনা নেতা চিয়াং জেমিনের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১২ পর্বের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের মধ্য দিয়ে সেই পুরোনো সময়ের স্মৃতিও নতুন করে জেগে উঠেছে। নব্বইয়ের দশকের নেতৃত্বের ভিন্ন চিত্র চিয়াং জেমিন ১৯৮৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত চীনের নেতৃত্বে ছিলেন। তার সময়ের বিভিন্ন দৃশ্যে তাকে দেখা যায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে তুলনামূলক স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিশতে, শিশুদের কোলে নিতে, টেবিল টেনিস খেলতে কিংবা ক্যালিফোর্নিয়ায় আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে বেইজিং অপেরা গাইতে। বর্তমান চীনা নেতৃত্বের অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও আনুষ্ঠানিক জনসম্মুখ - [ক্যানসার নির্ণয়ের পর প্রথম জনসম্মুখে লুসি ডেভিস, ভক্তদের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত](https://sarakhon.com/news/186000/): ‘শন অব দ্য ডেড’ ও ‘দ্য অফিস’খ্যাত ব্রিটিশ অভিনেত্রী লুসি ডেভিস স্তন ক্যানসারের চতুর্থ ধাপ শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর প্রথমবারের মতো কোনো জনসম্মুখের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। শনিবারের ওই অনুষ্ঠানে ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। ১১ আগস্ট ডেভিস জানিয়েছিলেন, দেড় বছর আগে তার স্তন ক্যানসার ধরা পড়ে। পরে রোগটি হাড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রোগটি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তার ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি দেওয়ার সুযোগ আর নেই। ভক্তদের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত শনিবারের অনুষ্ঠানে ডেভিস ভক্তদের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং স্বাক্ষর দেন। কয়েকজন ভক্ত তাকে উদ্দেশ করে ভালোবাসার কথা জানালেও অনুষ্ঠানে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরাসরি কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। ‘শন - [দক্ষিণ থাইল্যান্ডে সমন্বিত অগ্নিসংযোগ, আহত ২](https://sarakhon.com/news/185997/): থাইল্যান্ডের বিদ্রোহকবলিত দক্ষিণাঞ্চলে একযোগে ৫০টিরও বেশি অগ্নিসংযোগ ও দাহ্যবস্তু নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করা। ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন। শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেশটির দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে ধারাবাহিকভাবে এসব হামলা চালানো হয়। সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে নারাথিওয়াত প্রদেশে। পাশাপাশি ইয়ালা ও পাত্তানি প্রদেশেও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে। সরকারি কার্যালয় ও দোকানে আগুন হামলাকারীদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল স্থানীয় প্রশাসনের একটি কার্যালয়, একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান এবং একটি চুরি করা যানবাহন। বিভিন্ন স্থানে টেলিযোগাযোগের টাওয়ারেও আগুন দেওয়া হয়েছে। নারাথিওয়াতের মুয়াং জেলায় একটি বিস্ফোরণে দুই নারী আহত হয়েছেন বলে - [বিদ্যুৎ বিভ্রাটে যুক্তরাজ্যে ক্রসরেল ট্রেনের প্রায় সব সেবা বাতিল](https://sarakhon.com/news/185994/): যুক্তরাজ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ক্রসরেল তাদের প্রায় সব ট্রেন চলাচল বাতিল করেছে। শনিবার বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রেল পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ সেবা ক্রসরেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বড় ধরনের ও অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিপর্যয়ের কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অধিকাংশ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। গ্লাসগো থেকে পেনজ্যান্স এবং লিডস থেকে ম্যানচেস্টার—দীর্ঘ দূরত্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ রুটও এর আওতায় পড়েছে। ম্যানচেস্টার ও বার্মিংহামের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রুটে স্টোক-অন-ট্রেন্ট, কভেন্ট্রি ও উলভারহ্যাম্পটন হয়ে চলাচলকারী ট্রেনও বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া লিডস-ইয়র্ক, চেলটেনহ্যাম-কার্ডিফ এবং গ্লাসগো-এডিনবরার - [কুড়িগ্রামে সারের সংকটে ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া নিয়ে গেলেন কৃষকেরা](https://sarakhon.com/news/185991/): কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সারের সংকট ও ক্ষোভের জেরে এক ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে গেছেন কৃষকেরা। রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা কয়েকবার ডিলারের কাছে গিয়েও প্রয়োজনীয় সার পাননি। অথচ খোলাবাজারে তুলনামূলক বেশি দামে সার পাওয়া যাচ্ছিল। এতে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। পরে রোববার সকালে একদল কৃষক একজোট হয়ে ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে ভেতরে থাকা সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। - [দক্ষতা শেখায় ঝুঁকছেন তরুণরা, ভবিষ্যতের খরচ কমানোর নতুন কৌশল](https://sarakhon.com/news/185987/): দ্রুত টাকা বাঁচানোর সহজ উপায় হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যতের খরচ কমানো ও নিজের সক্ষমতা বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে নানা ব্যবহারিক দক্ষতা শেখার দিকে ঝুঁকছেন তরুণরা। পোশাক সেলাই থেকে রান্না, কাঠের কাজ কিংবা পুরোনো জিনিস নতুন করে ব্যবহারের মতো দক্ষতা এখন অনেকের কাছে বিনোদনের পাশাপাশি অর্থ সাশ্রয়ের মাধ্যমও হয়ে উঠছে। সেলাই থেকে সঞ্চয়ের ভাবনা কানাডার টরন্টোর ৩০ বছর বয়সী আদা র‌্যাম্পারসোড চলতি বছরের শুরুতে বন্ধুদের সঙ্গে সেলাই শেখার একটি প্রশিক্ষণে অংশ নেন। পর্দাহীন অবসর কাটানো ও বন্ধুদের সঙ্গে নতুন কিছু করার অভিজ্ঞতা হিসেবে শুরু হলেও পরে তিনি বুঝতে পারেন, এই দক্ষতা ভবিষ্যতে তার অর্থ সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দুটি প্রায় তিন - [সুয়েজের বিকল্প আর্কটিক রুট: চীন-ইউরোপ বাণিজ্যে নতুন সমুদ্রপথের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/185983/): বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও নৌ-সংকট ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ার মধ্যে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে পণ্য পরিবহনে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে আর্কটিক মহাসাগর দিয়ে উত্তর সাগরপথ। চীনা জাহাজ মালিক প্রতিষ্ঠান সি লেজেন্ডের ‘আর্কটিক এক্সপ্রেস’ সেবা সুয়েজ খালের তুলনায় প্রায় অর্ধেক সময়ে যাত্রা শেষ করার দাবি করছে। তবে বরফ, আবহাওয়া, উচ্চ বীমা ব্যয়, রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এই পথকে এখনো ব্যয়বহুল ও সীমিত করে রেখেছে। আর্কটিক দিয়ে ২০ দিনে চীন থেকে ব্রিটেন ১৫ আগস্ট চীনের নিংবো বন্দর থেকে ডুবাই টাওয়ার নামের কনটেইনার জাহাজটি যাত্রা শুরু করে। এটি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে আর্কটিক মহাসাগর হয়ে নিয়মিত পণ্য পরিবহনের প্রথম সেবা হিসেবে যাত্রা করছে। - [জাপানের ‘আইস-এজ’ প্রজন্ম: তরুণদের বেতন বাড়লেও ৪০–৫০-এর কর্মীদের আয় কমছে](https://sarakhon.com/news/185980/): জাপানের অর্থনীতি দীর্ঘ স্থবিরতা ও মূল্যপতনের যুগ পেরিয়ে নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করলেও দেশটির একটি বড় কর্মজীবী গোষ্ঠী সেই পরিবর্তনের সুফল থেকে আবারও পিছিয়ে পড়ছে। ১৯৯৩ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবনে প্রবেশ করা ‘আইস-এজ’ প্রজন্মের বহু কর্মী বর্তমানে ৪০ ও ৫০-এর কোঠায়। চাকরির বাজারে প্রবেশের সময় যেমন তারা সংকটের মুখে পড়েছিলেন, তেমনি এখন বেতন বৃদ্ধির নতুন ঢেউয়েও তারা তুলনামূলকভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাবল-পরবর্তী প্রজন্মের দুর্ভাগ্য টোকিওর একটি ফ্যাশন প্রতিষ্ঠানের স্টকরুমে প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করছেন ৫০ বছর বয়সী তোরিগোয়ে আতসুশি। দীর্ঘ সময়ে তাঁর আয় সামান্যই বেড়েছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি বোনাস কমানো ও বেতন কাঠামো পরিবর্তন করায় তাঁর বার্ষিক আয় নেমে এসেছে প্রায় - [ভারতের ‘দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র’: মোদির হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রচিন্তায় বদলে যাচ্ছে জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক](https://sarakhon.com/news/185951/): ভারতের স্বাধীনতার ৮০তম বছরে দেশটির জাতীয় পরিচয় ও রাষ্ট্রচিন্তা নতুনভাবে নির্মাণের চেষ্টা করছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দলটি জাতীয় প্রতীক, ইতিহাসের ব্যাখ্যা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তরাধিকারকে নতুনভাবে সাজানোর যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটিকে বিশ্লেষকেরা ভারতের সম্ভাব্য ‘দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র’ গঠনের প্রকল্প হিসেবে দেখছেন। ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো ‘বন্দে মাতরম’ গানটি মোদির আগমনের সময় বিশেষভাবে পরিবেশিত হয়। ‘মাতৃভূমি ভারত’-এর প্রতি আবেগঘন শ্রদ্ধা নিবেদনকারী এই গানটির রচনার ১৫০ বছর পূর্তিও এবার উদযাপন করা হয়েছে। এর কয়েক দিন আগে গানটির পরিবেশনে বাধা দেওয়াকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। হিন্দুত্ববাদী পরিচয়ের দিকে অগ্রযাত্রা ভারতের জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি - [কাজাখস্তানের নির্বাচন: নতুন সংবিধান, পুরোনো শাসনের ছায়া](https://sarakhon.com/news/185973/): কাজাখস্তানে ২৩ আগস্টের সংসদ নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ ‘নতুন কাজাখস্তান’ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে তুলে ধরেছেন। কিন্তু নতুন সংবিধান, নতুন সংসদীয় কাঠামো এবং নতুন নামে রাজনৈতিক দল সামনে এলেও নির্বাচনের ভেতরের চিত্রে পুরোনো কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির ছাপই স্পষ্ট বলে মনে করছে দ্য ইকোনমিস্ট। তোকায়েভের ভাষায় ‘নতুন কাজাখস্তান’ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে ‘নবায়নের পক্ষে ভোট দিন’—এমন প্রচার চালানো হচ্ছে। ২০২২ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে সংঘটিত অস্থিরতায় অন্তত ২৩৮ জন নিহত হওয়ার পর তোকায়েভ রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই নতুন সংবিধান এবং সংসদের নতুন কাঠামোর কথা বলা হচ্ছে। নির্বাচনের পর নতুন নামে একটি দল সংসদে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে - [আবাসস্থল সংকটে ভারতের হাতি, ৯ বছরে কমেছে ১৮ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/185969/): ভারতে একসময় রাজশক্তি, যুদ্ধ ও কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ছিল হাতি। প্রাচীন ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তার গ্রন্থ ‘অর্থশাস্ত্রে’ হাতিকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। রাজারা জোট গঠনের উপহার হিসেবে হাতি দিতেন, আর দুর্গের প্রবেশপথ ভাঙতে সেনাবাহিনীও ব্যবহার করত এই প্রাণীকে। হিন্দু ধর্মে হাতির মাথাবিশিষ্ট দেবতা গণেশ আজও ব্যাপকভাবে পূজিত। কিন্তু সাংস্কৃতিক শ্রদ্ধা ভারতের হাতিদের ক্রমশ সংকুচিত আবাসস্থল থেকে রক্ষা করতে পারছে না। গত বছর প্রকাশিত ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেশে হাতির সংখ্যা ২২ হাজার ৪৪৬টিতে নেমে এসেছে বলে জানানো হয়। ২০১৭ সালের তুলনায় এই সংখ্যা ১৮ শতাংশ কম। কয়েকটি রাজ্যে হাতির সংখ্যা কমার হারকে জরিপের প্রধান লেখক কামার কোরেশি ‘বিস্ময়কর’ হিসেবে উল্লেখ - [ডিম্বাণু সংরক্ষণ: ভবিষ্যতের মাতৃত্বের নিরাপত্তা, নাকি ব্যয়বহুল আর্থিক সিদ্ধান্ত?](https://sarakhon.com/news/185963/): সন্তান নেওয়ার সময় পিছিয়ে দিতে চান—এমন নারীদের মধ্যে ডিম্বাণু সংরক্ষণের প্রবণতা বাড়ছে। কারও ক্ষেত্রে এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, কারও ক্ষেত্রে চিকিৎসাগত প্রয়োজন। তবে ভবিষ্যতের প্রজননক্ষমতা ধরে রাখার এই সুযোগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বড় অঙ্কের খরচ, দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ ব্যয় এবং আর্থিক পরিকল্পনার প্রশ্ন। চিকিৎসাগত কারণেই সিদ্ধান্ত আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে বসবাসকারী ২৮ বছর বয়সী ইসাবেল হডারের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি ছিল মূলত চিকিৎসাগত। গত বছর তাঁর একটি ডিম্বাশয়ে বড় আকারের সিস্ট ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা জানান, সেটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণের প্রয়োজন হতে পারে, যা ভবিষ্যতে তাঁর সন্তান ধারণের সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে। যেহেতু তিনি কয়েক বছর পর সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন, তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে আগে থেকেই - [কর্মক্ষেত্রে এআই: দক্ষতার আগে আইনি সুরক্ষা ও মানবিক নজরদারি জরুরি](https://sarakhon.com/news/185960/): কর্মী ছাঁটাই, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন কিংবা নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানের কাছে এর আকর্ষণ স্পষ্ট—বিপুল পরিমাণ তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করা যায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় কমে এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু কর্মীদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যখন অ্যালগরিদমের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে, তখন দক্ষতার পাশাপাশি আইনি ঝুঁকিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টে দায়ের করা একটি মামলায় অভিযোগ উঠেছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের জন্য ব্যবহৃত এআইভিত্তিক স্কোরিং ও র‌্যাঙ্কিং ব্যবস্থা প্রতিবন্ধী কর্মী এবং আইনগতভাবে সুরক্ষিত ছুটিতে থাকা কর্মীদের প্রতি বৈষম্যমূলক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগের মূল প্রশ্নটি প্রযুক্তির নিরপেক্ষতা নিয়ে নয়, বরং প্রযুক্তিকে যে - [উসাইন বোল্টের বিশ্বরেকর্ড ছাড়িয়ে গেল চীনের মানবাকৃতির রোবট](https://sarakhon.com/news/185957/): বেইজিংয়ে বিশ্ব মানবাকৃতির রোবট গেমসের বাছাইপর্বে মাত্র ৯ দশমিক ৩৯ সেকেন্ডে ১০০ মিটার দৌড়ে নতুন নজির গড়েছে চীনের মানবাকৃতির রোবট ‘তিয়াংগং আল্ট্রা’। এই সময় ২০০৯ সালে জ্যামাইকান স্প্রিন্টার উসাইন বোল্টের গড়া ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডের মানব বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও দ্রুত। মাত্র ৯ দশমিক ৩৯ সেকেন্ডে ১০০ মিটার শনিবার অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার প্রথম দিনের বাছাইপর্বে তিয়াংগং আল্ট্রা নিজের দৌড়ে প্রথম হয়। রোবটটি তৈরি করেছে বেইজিং মানবাকৃতির রোবট উদ্ভাবন কেন্দ্র। দৌড়ের শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও শেষদিকে গতি বাড়িয়ে মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অনারের তৈরি ‘লাইটনিং’কে পেছনে ফেলে জয় পায় তিয়াংগং আল্ট্রা। লাইটনিং দৌড় শেষ করে ৯ দশমিক ৪৭ সেকেন্ডে, যা বোল্টের ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডের রেকর্ডের - [স্প্যানিশ রিবড নিউট: বিশাল আকারের শান্ত জলজ প্রাণী, যত্নও তুলনামূলক সহজ](https://sarakhon.com/news/185954/): দেখতে বড়সড়, স্বভাবে শান্ত এবং পরিচর্যায় তুলনামূলক সহজ—স্প্যানিশ রিবড নিউট (Pleurodeles waltl) জলজ উভচরপ্রেমীদের কাছে এমনই এক আকর্ষণীয় প্রাণী। ইউরোপের সবচেয়ে বড় নিউট প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এই প্রাণী বন্দিদশায় সাধারণত ৮ ইঞ্চির বেশি লম্বা হয়। এর স্বাভাবিক বুনো রঙের পাশাপাশি গোলাপি-সাদাটে লিউসিস্টিক রূপও পাওয়া যায়। আইবেরীয় উপদ্বীপ ও উত্তর-পশ্চিম মরক্কোর উপকূলীয় অঞ্চলে এদের স্বাভাবিক আবাস। ছোট পুকুর, জলাভূমি ও ধীরগতির জলধারায় থাকতে তারা বেশি পছন্দ করে। শান্ত পানিতে জলজ উদ্ভিদ ও ডুবে থাকা পাতার আড়ালে দিনের বেলায় লুকিয়ে থাকে। তবে বন্য পরিবেশে এদের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ ইউনিয়ন স্প্যানিশ রিবড নিউটকে ‘নিয়ার থ্রেটেন্ড’ বা প্রায় বিপন্ন - [পালান্টিরকে বাদ দিলে ভুল করবে ব্রিটেন, সমালোচনার যুক্তি কতটা টেকসই?](https://sarakhon.com/news/185945/): ব্রিটেনের সরকারি খাতে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পালান্টিরের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির রাজনৈতিক অবস্থান, মার্কিন সীমান্তরক্ষী ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ এবং রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় এর গভীর সম্পৃক্ততা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। তবে এসব কারণে পালান্টিরকে ব্রিটিশ সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে তা উল্টো দেশটির রাষ্ট্রীয় সক্ষমতাকেই দুর্বল করতে পারে। ব্রিটেনে পালান্টির নিয়ে বিতর্ক পালান্টিরের প্রযুক্তি ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের সফটওয়্যার অতিরিক্ত ১ লাখ ১০ হাজার অস্ত্রোপচারের সুযোগ তৈরি করতে সহায়তা করেছে। তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আগ্রাসী লবিং নিয়েও ব্রিটেনে অস্বস্তি রয়েছে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের দুটি কমিটি - [কোভিডের তদন্ত ঘিরে চাপে ফাউচি, আইনি লড়াইয়ে গড়লেন বিশেষ তহবিল](https://sarakhon.com/news/185948/): কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম পরিচিত মুখ অ্যান্থনি ফাউচিকে ঘিরে ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের তদন্ত বাড়তে থাকায় তাঁর আইনজীবীরা একটি বিশেষ আইনি প্রতিরক্ষা তহবিল গঠন করেছেন। অবসর নেওয়া এই শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞের বিরুদ্ধে একের পর এক তদন্ত শুরু হওয়ায় দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁর আইনজীবীরা। তবে এই তহবিল থেকে ফাউচি নিজে কোনো অর্থ পাবেন না বলে তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন। একটি স্বাধীন ট্রাস্টের মাধ্যমে তহবিলটি পরিচালিত হবে এবং এর অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে, সে সিদ্ধান্তেও ফাউচি বা তাঁর আইনজীবীদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। কোভিডের ভূমিকা ঘিরে নতুন করে তদন্ত ফাউচি প্রায় চার দশক যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় অ্যালার্জি ও - [সোমালিয়ায় ভয়াবহ ক্ষুধা সংকট, অপুষ্টিতে পড়তে পারে ১৯ লাখ শিশু](https://sarakhon.com/news/185942/): সোমালিয়ায় শিশুদের ক্ষুধা ও অপুষ্টির সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। চলতি বছর দেশটিতে প্রায় ১৯ লাখ শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা। এর মধ্যে প্রায় ৫ লাখ শিশু গুরুতর তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা অপুষ্টির সবচেয়ে প্রাণঘাতী ধরনগুলোর একটি। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গুরুতর তীব্র অপুষ্টি ও সংশ্লিষ্ট জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে মানবিক সহায়তার অর্থায়নে বড় ধরনের কাটছাঁটের কারণে দেশজুড়ে একের পর এক স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে গেছে ২০৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র মানবিক সহায়তায় নজিরবিহীন অর্থসংকোচনের কারণে ইতোমধ্যে - [১১টি নতুন নিকোটিন পণ্যে অনুমোদন পেল ফিলিপ মরিস](https://sarakhon.com/news/185938/): যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন ফিলিপ মরিসের নতুন ১১টি নিকোটিন পণ্যের অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি এসব পণ্যে অন্যান্য মুখে ব্যবহৃত ও ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত পণ্যের তুলনায় ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা কম বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ফিলিপ মরিস গত জুনে ‘জিন আল্ট্রা’ নামে তুলনামূলক বেশি মাত্রার নিকোটিনযুক্ত পণ্য বাজারে আনে। প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ‘ভেলো’ পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নতুন পণ্যগুলোর দাম তাদের প্রধান ‘জিন’ ব্র্যান্ডের তুলনায় কম রাখা হয়েছে। নতুন অনুমোদিত পণ্যে যা রয়েছে নতুন অনুমোদন পাওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৯ মিলিগ্রাম মাত্রার জিন আল্ট্রা সাইট্রাস, মেনথল ও উইন্টারগ্রিন ধরনের পণ্য। এগুলো তৈরি করছে ফিলিপ মরিসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুইডিশ ম্যাচ ইউএসএ। নিকোটিনের এই - [মালয়েশিয়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, ক্লাং উপত্যকায় সর্বোচ্চ ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/185929/): মালয়েশিয়ায় ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ হঠাৎ বেড়ে গেছে। রাজধানী কুয়ালালামপুর ও আশপাশের ক্লাং উপত্যকায় আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে। আগস্টেই আক্রান্ত ৫৮ হাজারের বেশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের শুরু থেকে দেশটিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৭৯ জন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা ৫৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। ডেঙ্গুর জটিলতায় এ সময় ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ক্লাং উপত্যকার কুয়ালালামপুর, পুত্রজায়া ও সেলাঙ্গর অঞ্চলে। কুয়ালালামপুর ও পুত্রজায়ায় আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। সেলাঙ্গরে বেড়েছে ৬১ শতাংশ। অন্যান্য রাজ্যেও বাড়ছে সংক্রমণ ডেঙ্গুর প্রকোপ - [গানস এন’ রোজেসের স্ল্যাশের নামে নিউ গিনির নতুন সাপের প্রজাতি](https://sarakhon.com/news/185935/): নিউ গিনিতে আবিষ্কৃত নতুন এক প্রজাতির সাপের নাম রাখা হয়েছে কিংবদন্তি রক ব্যান্ড গানস এন’ রোজেসের গিটারিস্ট স্ল্যাশের নামে। বৈজ্ঞানিকভাবে সাপটির নাম দেওয়া হয়েছে Lielaphis slashi, আর এর প্রচলিত নাম ‘স্ল্যাশ’স গ্রাউন্ডস্নেক’। ২০০৬ সালে নিউ গিনিতে মাঠপর্যায়ের গবেষণা চালানোর সময় লুইসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল সায়েন্সের হারপেটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও কিউরেটর ক্রিস অস্টিন প্রথম সাপটির সন্ধান পান। সাপটি তার কাছে অপরিচিত মনে হয়। পরে ২০১৬ সালে অস্টিন তৎকালীন ডক্টরাল শিক্ষার্থী সারা রুয়েন এবং তিয়ানকি হুয়াংয়ের সঙ্গে গবেষণায় যুক্ত হন। তাদের যৌথ গবেষণার মাধ্যমে সাপটিকে পৃথক একটি নতুন প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও জেনেটিক পরীক্ষায় মিলল প্রমাণ গবেষকেরা - [সাহেল কি যুদ্ধ নয়, আলোচনার পথেই শান্তি খুঁজে পেতে পারে?](https://sarakhon.com/news/185932/): আন্তর্জাতিক কূটনীতি যখন একের পর এক আঞ্চলিক সংকট সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন সাহেল অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে—সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে পরাজিত করেই কি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব? মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজারে এক দশকের বেশি সময় ধরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চলছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক সহায়তা, বিদেশি সেনা, ড্রোন হামলা কিংবা পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার নিরাপত্তা সহযোগিতা—কোনোটিই সহিংসতার স্থায়ী অবসান ঘটাতে পারেনি। বরং অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে অবিশ্বাস আরও গভীর হয়েছে, নতুন ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই বাস্তবতায় সামরিক অভিযানের পাশাপাশি সংলাপের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার - [যুক্তরাজ্যে এ-লেভেলে আর্ট-ডিজাইনে ভাটা, ২০১০ সালের পর সর্বনিম্ন অংশগ্রহণ](https://sarakhon.com/news/185926/): যুক্তরাজ্যে শিল্প ও নকশা শিক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পতনের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়েছে। নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এ-লেভেলে আর্ট ও ডিজাইনের ভর্তির হার ২০১০ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। একই সময়ে জিসিএসই পর্যায়েও শিল্পবিষয়ের সামগ্রিক অংশগ্রহণ ১৬ বছরের মধ্যে প্রায় অর্ধেকে কমেছে। এ-লেভেলে শিল্পবিষয়ের অংশগ্রহণ কমেছে ক্যাম্পেইন ফর দ্য আর্টসের তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আর্ট ও ডিজাইন, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন, সংগীত এবং নৃত্য—এই চারটি শিল্পবিষয় মিলিয়ে ২০২৬ সালে এ-লেভেলের মোট ভর্তির মাত্র ১০ শতাংশ। ২০১০ সালে এই হার ছিল প্রায় ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ গত ১৬ বছরে এ-লেভেলে শিল্পবিষয়ের অংশগ্রহণ এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি কমেছে। শুধু আর্ট ও ডিজাইনের দিকে তাকালে পতনটি আরও স্পষ্ট। ২০১০ - [পুতিনের হুঁশিয়ারি: রুশ অর্থনীতিতে হামলা করে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলেছে ইউক্রেন](https://sarakhon.com/news/185922/): রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে ইউক্রেন নিজেই ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলেছে। এর জবাবে ইউক্রেনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অর্থনৈতিক অবকাঠামোতে পাল্টাপাল্টি হামলা পুতিনের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন চলতি গ্রীষ্মে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। তেল শোধনাগার থেকে শুরু করে অনলাইন পণ্য বিক্রেতাদের গুদাম—বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এসব হামলার লক্ষ্য হয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতার সঙ্গে এসব অবকাঠামোর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাই এগুলোতে হামলা চালিয়ে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে দুর্বল করাই কিয়েভের অন্যতম লক্ষ্য। এর জবাবে রাশিয়াও ইউক্রেনের অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। কৃষিপণ্য - [সমুদ্রের বুকের হারানো বিজ্ঞান: মালদ্বীপের নৌ-ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের গল্প](https://sarakhon.com/news/185923/): প্রায় দুই হাজার বছর ধরে ভারত মহাসাগরের জলপথে নৌযান চালিয়ে এসেছে মালদ্বীপের মানুষ। বাতাসের গতিপথ, নক্ষত্রের অবস্থান, সমুদ্রের স্রোত এবং মৌসুমি পরিবর্তন—এসবের সূক্ষ্ম পাঠের ওপর নির্ভর করেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম মালদ্বীপের নাবিকেরা দ্বীপপুঞ্জ পেরিয়ে দূরদেশে যাতায়াত করেছেন। অথচ এই দীর্ঘ সামুদ্রিক ঐতিহ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ—কীভাবে তারা সমুদ্রপথ নির্ণয় করতেন—তার লিখিত ইতিহাস আজও অত্যন্ত অসম্পূর্ণ। এর একটি কারণ হতে পারে, নৌ-জ্ঞান কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। তা শেখানো হতো মুখে মুখে, হাতে-কলমে এবং বাস্তব নৌযাত্রার মধ্য দিয়ে। লিখিত নথি ছিল, কিন্তু সেগুলোর বড় অংশ সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছে বা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তারপরও ছড়িয়ে থাকা প্রমাণগুলো একত্র করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র - [ডিজিটাল দক্ষতার ঘাটতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় চাকরির বাজারে বাড়ছে বৈপরীত্য](https://sarakhon.com/news/185914/): দক্ষিণ আফ্রিকায় ডিজিটাল রূপান্তরকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নত কর্মসংস্থানের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে দেখা হলেও শিক্ষা ব্যবস্থা ও শ্রমবাজারের চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে। বিশ্বব্যাংকের নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কাঠামোগত সংকট দূর করতে নীতি, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। ডিজিটাল দক্ষতার চাহিদা বনাম শিক্ষার বাস্তবতা ‘ফ্রম ডিমান্ড টু ডেলিভারি: স্ট্রেংদেনিং সাউথ আফ্রিকাস ডিজিটাল স্কিলস পাইপলাইন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিজিটাল দক্ষতা তৈরির পুরো প্রক্রিয়াকে স্কুল থেকে উচ্চশিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং শেষ পর্যন্ত কর্মসংস্থান পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিভাগের অংশীদারত্বে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। - [দুর্গম কম্বোডিয়ায় শিক্ষার আলো, শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মসংস্থানের পথে হাজারো তরুণ](https://sarakhon.com/news/185913/): কম্বোডিয়ার গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার অন্যতম প্রধান পথ হয়ে উঠছে শিক্ষা। দুর্গম প্রদেশগুলোর হাজারো শিশুর জন্য স্কুলে পৌঁছানোই যেখানে ছিল সবচেয়ে বড় বাধা, সেখানে আবাসিক সুবিধা, উন্নত অবকাঠামো, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও স্কুল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে শিক্ষার সুযোগ। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচি এখন শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের পথে এগিয়ে দিচ্ছে। রাতানাকিরিতে আবাসিক স্কুলের সুযোগ রাতানাকিরি প্রদেশের আনতেভেসিকথান উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ১৫ বছর বয়সী ছেং সোডালিনের বাড়ি স্কুল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে। দুর্গম কাঁচা রাস্তা এবং গণপরিবহনের অভাবে নিয়মিত স্কুলে যাওয়া তার পরিবারের জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তাই সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই স্কুলের - [শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান: নেপালের তরুণদের উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশ্বব্যাংকের নতুন উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/185909/): নেপালের উচ্চশিক্ষাকে শুধু ডিগ্রি অর্জনের পথ হিসেবে না দেখে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ জোরদার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থী ও স্নাতকদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সুযোগ, ব্যবসা পরিচালনার দক্ষতা এবং নতুন উদ্যোগ গড়ে তোলার সক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার সংযোগ বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি খাতের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর অংশীদারত্ব শিক্ষার্থী ও স্নাতকদের কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে। নেপালে বেসরকারি খাত মোট কর্মশক্তির ৮৫ শতাংশের বেশি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব আরও বেশি। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা সহায়তা কর্মসূচি বা ইএসপি শিক্ষার্থীদের ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার - [আলবেনিয়ায় স্মার্টল্যাবে বদলে যাচ্ছে শিক্ষার ধরন, ৭০ হাজার শিক্ষার্থী শিখছে ডিজিটাল দক্ষতা](https://sarakhon.com/news/185907/): আলবেনিয়ায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মডেল গড়ে উঠছে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সহায়তায় দেশজুড়ে ২১৬টি ‘স্মার্টল্যাব’ স্থাপনের মাধ্যমে ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ডিজিটাল দক্ষতা, সমস্যা সমাধান, সমালোচনামূলক চিন্তা ও প্রোগ্রামিং শেখার সুযোগ পাচ্ছে। ছয় বছর বয়সী শিশুরাও এসব প্রযুক্তিসমৃদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্রে কোডিং ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের ১৩ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তি সরবরাহের পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম সংস্কার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়—এই তিন ক্ষেত্রকে একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়ায় আলবেনিয়ার উদ্যোগটি কার্যকর হচ্ছে। প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার নতুন সংযোগ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুলে স্মার্টবোর্ড, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শুধু সরঞ্জাম সরবরাহে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। - [সাগরে লঘুচাপ, চার বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত; ৩-৪ দিন ভ্যাপসা গরমের পূর্বাভাস](https://sarakhon.com/news/185903/): উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র রোববার সকাল ৯টায় দেওয়া সতর্কবার্তায় জানায়, লঘুচাপটির প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলে বৃষ্টি, বাড়বে সাময়িক স্বস্তি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ মিয়া বলেন, সাগরে - [পানি সংকট সমাধানে শুধু বরাদ্দ নয়, দরকার বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা](https://sarakhon.com/news/185901/): নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ভিত্তি পানি। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে ব্যবসা ও জ্বালানি খাত—বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রই পানির ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ১৭০ কোটি কর্মসংস্থানও পানির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। অথচ ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করার জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-৬ অর্জনের পথে বিশ্ব এখনো অনেক পিছিয়ে। বিশ্বব্যাংকের ২০২৪ সালের ‘ফান্ডিং আ ওয়াটার-সিকিউর ফিউচার’ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আরও একটি বড় সমস্যা। পানি খাতে অর্থের ঘাটতি যেমন রয়েছে, তেমনি যে অর্থ বাজেটে বরাদ্দ হচ্ছে, তারও উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় হচ্ছে না। বাজেট আছে, কিন্তু খরচ হচ্ছে না ২০০৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত - [ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকট: আসল ধাক্কা এখনো সামনে](https://sarakhon.com/news/185832/): ইরান যুদ্ধের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক প্রভাব হয়তো এখনো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়নি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা এলেও আন্তর্জাতিক তেলবাজার নানা বিকল্প পথ ব্যবহার করে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। কিন্তু তেল শোধনাগার শিল্পের সামনে সেই সুযোগ অনেক কম। ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমলেও ডিজেল ও পেট্রোলের বাজারে চাপ কমেনি। বরং এই ব্যবধানই ইঙ্গিত দিচ্ছে, জ্বালানি মূল্যস্ফীতির ধাক্কা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ২০ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম এখন প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি, ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের কাছাকাছি। তবে যুদ্ধকালীন সর্বোচ্চ ১১৮ ডলার থেকে তা অনেকটাই নেমেছে। বিপরীতে ইউরোপে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৭০ শতাংশের বেশি - [পাকিস্তানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তার নির্দেশ শাহবাজ শরিফের](https://sarakhon.com/news/185897/): সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বন্যায় নিহতদের পরিবার এবং সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকরাও এই সহায়তার আওতায় থাকবেন। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনে জোর শনিবার মৌসুমি বৃষ্টি ও বন্যায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এসব নির্দেশ দেন। তিনি বন্যায় প্রাণ হারানো প্রত্যেকের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বৃষ্টি ও বন্যায় সম্পূর্ণ কিংবা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিকদেরও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা ও সড়ক যোগাযোগ দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। ফেডারেল সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী - [ঝিনাইদহে মানসিক প্রতিবন্ধী কৃষককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা, চাচা-চাচাতো ভাইকে খুঁজছে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/185894/): ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় তাবিবুর রহমান (৪৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী কৃষককে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার সকালে উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের মাল্লিকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর এক দিন আগে জেলার কালীগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহত তাবিবুর রহমান মাল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক প্রতিবন্ধী হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। ঘটনার সূত্রপাত পারিবারিক বিরোধে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সবুসুর রহমান ও প্রতিবেশী জিয়াউর রহমান জানান, রোববার সকালে তাবিবুর তার চাচি বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেওয়ার সময় তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। স্থানীয়দের ধারণা, তার - [বুরকিনা ফাসোয় সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠন স্থগিত, নেতাসহ গ্রেপ্তার ১০](https://sarakhon.com/news/185891/): বুরকিনা ফাসোর সামরিক সরকার দেশটির সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠন জেনারেল ইউনিয়ন অব স্টুডেন্টস অব বুরকিনা (ইউজিইবি) তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির নেতা উইলফ্রিড বাজোসহ প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এ পদক্ষেপ দেশটিতে ভিন্নমত ও স্বাধীন সংগঠনের ওপর চলমান দমন-পীড়ন আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা আঞ্চলিক প্রশাসনবিষয়ক মন্ত্রীর জারি করা এক আদেশে ইউজিইবির কার্যক্রম তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। সংগঠনটির বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার’ অভিযোগ আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংগঠনটির নেতাদের বক্তব্য ও প্রকাশিত লেখার ‘গুরুত্ব’ বিবেচনায় তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক তদন্ত শুরু করা হবে। বুরকিনা ফাসোতে ২০২২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর - [মালদ্বীপে রাতে উড়বে সি-প্লেন, নতুন দুই উভচর বিমানে বাড়ছে আকাশপথের সক্ষমতা](https://sarakhon.com/news/185888/): মালদ্বীপের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা মালদিভিয়ান নতুন দুটি আধুনিক সি-প্লেন যুক্ত করার মাধ্যমে রাতের বেলা সমুদ্রপথে বিমান চলাচল শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলি সালিম জানিয়েছেন, কানাডার একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কেনা ডিএইচসি-৬ টুইন অটার ক্লাসিক ৩০০-জি মডেলের দুটি উড়োজাহাজে রাতের নেভিগেশন ও উভচরভাবে চলাচলের আধুনিক প্রযুক্তি থাকবে। নতুন প্রযুক্তিতে রাতের সি-প্লেন চলাচল পিএসএম নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আলি সালিম বলেন, বর্তমানে মালদিভিয়ানের বহরে থাকা সি-প্লেনগুলোতে রাতে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। ফলে নতুন দুটি উড়োজাহাজ সংস্থাটির কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। নতুন বিমানগুলো রাতের অন্ধকারে নিরাপদে নেভিগেশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিতে সজ্জিত থাকবে। এর ফলে মালদিভিয়ান দিনের নির্দিষ্ট সময়ের - [বিশ্ব হাতি দিবসে চিতওয়ানে ৫৬ হাতির ভোজ, ছিল ২০ ধরনের খাবার](https://sarakhon.com/news/185885/): বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে নেপালের চিতওয়ানে ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫৬টি হাতিকে খাওয়ানো হয়েছে। বুধবার সৌরাহার কাছে বাঘমারা বন কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত বার্ষিক ‘হাতি পিকনিক’-এ হাতিদের জন্য সাজানো হয়েছিল ২০ ধরনের খাবার। আয়োজনে ছিল বেসরকারি পর্যটন প্রতিষ্ঠানের জঙ্গল সাফারিতে ব্যবহৃত হাতি, চিতওয়ান জাতীয় উদ্যানের টহল ও গবেষণায় নিয়োজিত সরকারি হাতি এবং জাতীয় প্রকৃতি সংরক্ষণ ট্রাস্টের সৌরাহা কার্যালয়ের হাতি। মাহুতরা সাজিয়ে হাতিগুলোকে অনুষ্ঠানের স্থানে নিয়ে আসেন। সেখানে বিভিন্ন খাবারে সাজানো টেবিল থেকে হাতিদের নিজেদের পছন্দমতো খাবার বেছে খাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। বিশ্ব হাতি দিবস ঘিরে আয়োজন প্রতি বছর ১২ আগস্ট বিশ্ব হাতি দিবস পালিত হয়। গত কয়েক বছর ধরে সৌরাহা এলাকার হাতির - [নেপালে প্রসাধনী আমদানি বেড়ে ১৩ বিলিয়ন রুপি, সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়ছে চাহিদা](https://sarakhon.com/news/185881/): নেপালে প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যের ব্যবহার বাড়ায় গত অর্থবছরে এসব পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মেকআপ, ত্বক ও চুলের যত্নের বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে দেশটির আমদানি ব্যয়ে। নেপালের শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটি মোট ১৩ দশমিক ০০৪ বিলিয়ন রুপির প্রসাধনী পণ্য আমদানি করেছে। আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে আমদানির পরিমাণ ছিল ১১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন রুপি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আমদানি বেড়েছে প্রায় ২ বিলিয়ন রুপি। মেকআপ থেকে ত্বকের যত্ন আমদানির তালিকায় রয়েছে পারফিউম, লিপস্টিক, ফেস ক্রিম, বডি লোশন, শ্যাম্পু, চুলের রংসহ নানা ধরনের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য। সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে ‘অন্যান্য মেকআপ প্রস্তুতি’ শ্রেণি থেকে, - [বর্ষায় বারবার বন্ধ নেপাল-চীন বাণিজ্যপথ, বাড়ছে আমদানি খরচ](https://sarakhon.com/news/185879/): প্রতি বর্ষা মৌসুমেই ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় নেপালের সঙ্গে চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বাণিজ্যপথগুলো বিপর্যস্ত হচ্ছে। সড়ক ভেঙে যাওয়া, সেতু ভেসে যাওয়া এবং পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই দেশের স্থলবাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে পড়ছে। প্রায় এক দশক ধরে চলা এই সমস্যা চলতি বছরও তীব্র হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ ভোক্তা—সবার ওপরই। বিশেষ করে তিজ, দশাইন ও তিহারের মতো বড় উৎসব সামনে থাকায় আমদানি পণ্যের চাহিদা বাড়ার সময় পরিবহন ব্যয়ও বাড়ছে। ভূগোলের পাশাপাশি অব্যবস্থাপনাও দায়ী নেপালের চীনের সঙ্গে প্রধান দুটি স্থলবাণিজ্যপথ তাতোপানি ও রাসুওয়াগাধি। দুটিই খাড়া পাহাড়, অস্থিতিশীল ঢাল ও দ্রুতগতির নদীর পাশ দিয়ে গেছে। বর্ষায় এসব এলাকায় প্রায় নিয়মিত ভূমিধস - [ঢাকার চীনা দূতাবাসে ইমেইলে হামলার হুমকি, জোরদার কূটনৈতিক নিরাপত্তা](https://sarakhon.com/news/185876/): ঢাকার চীনা দূতাবাসে ইমেইলের মাধ্যমে হামলার হুমকির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে। হুমকিটি কারা দিয়েছে, কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না এবং এটি প্রকৃত হুমকি নাকি প্রতারণামূলক ইমেইল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৈঠক গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে একটি উগ্রবাদী সংগঠনের নামে ইমেইল করে চীনা দূতাবাসে হামলার হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। বিষয়টি জানার পর দূতাবাস কর্তৃপক্ষ পুলিশ সদর দপ্তর ও সিটিটিসিকে অবহিত করে। এরপর দূতাবাসের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে পুলিশ কর্মকর্তারা সেখানে যান। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে ডিএমপির সিটিটিসি ও পুলিশ সদর - [ঢাকায় ফের বাড়ল লোডশেডিং, সন্ধ্যায় ৫৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি](https://sarakhon.com/news/185872/): ঢাকায় আবারও বেড়েছে লোডশেডিং। দিন-রাত বিভিন্ন এলাকায় একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা দিচ্ছে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকায় এ সময়ে লোডশেডিংও বাড়ছে। পিক আওয়ারে বেড়েছে বিদ্যুৎ ঘাটতি পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ২২ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ঢাকা জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ৪৮৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে লোডশেডিং করতে হয়েছে ৫৯৯ মেগাওয়াট। এর আগের দিন ২১ আগস্ট একই সময়ে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ৬৩৫ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ২১৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ৮৫৪ মেগাওয়াট। একই সময়ে লোডশেডিং বেড়েছে ৩৮৫ মেগাওয়াট। - [জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ](https://sarakhon.com/news/185869/): জামালপুর শহরের শেখের ভিটা রেলক্রসিং এলাকার একটি তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে ইসরাত জাহান (৩০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ফ্ল্যাটের অন্য একটি কক্ষে আটকে থাকা তার দুই সন্তানকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী কাউসার আহম্মেদ শাওন পলাতক রয়েছেন। জানালা দিয়ে শিশুদের আকুতি, সন্দেহ স্থানীয়দের রোববার সকালে ছয়তলা ভবনের পঞ্চম তলার ওই ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে দুই শিশুকে বারবার পানি চাইতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের কান্নাকাটি ও আকুতি শুনে আশপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। বিষয়টি পরে ভবনের মালিককে জানানো হলে ফ্ল্যাটটির মূল দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝুলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বুঝে স্থানীয়রা তালা - [চিকিৎসা পরীক্ষায় ‘সুস্থ’ ঘোষণা, আদিয়ালা কারাগারে ফিরলেন ইমরান খান](https://sarakhon.com/news/185866/): পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিকিৎসা পরীক্ষার পর আদিয়ালা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিমস) বিস্তারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা ইমরান খানকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেন। ২০ আগস্ট রাত থেকে ২১ আগস্ট ভোরের মধ্যে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সকাল প্রায় ৫টার দিকে কারাগারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পিমসে কেন নেওয়া হলো ইমরানকে এর আগে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু পরে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তাকে শিফার পরিবর্তে সরকারি হাসপাতাল পিমসে নেওয়া হয় বলে জানান আতাউল্লাহ - [উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ২১ হাজার ৯৫১ পাকিস্তানি নাগরিক বহিষ্কার, শীর্ষে সৌদি আরব](https://sarakhon.com/news/185863/): চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ২১ হাজার ৯৫১ পাকিস্তানি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। অতিরিক্ত সময় অবস্থান, ভিক্ষাবৃত্তি, অবৈধ প্রবেশ, মাদক, আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান, জাল নথিপত্র ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কারণে এসব বহিষ্কার করা হয়। জাতীয় পরিষদে তথ্য প্রকাশ বৃহস্পতিবার জাতীয় পরিষদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য হামিদ হুসাইনের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের মাদক নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়। জবাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তথ্যে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৪ হাজার ৬২৮ জন ছিলেন কর্মস্থল বা অবস্থান থেকে পলাতক ব্যক্তি। ১ হাজার ২৯৪ জনকে - [হরমুজ বন্ধ, ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ’ চলছে: ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/185859/): ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তার দেশ বর্তমানে ‘পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক, সামরিক ও নিরাপত্তা যুদ্ধে’ রয়েছে। একই সময়ে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের শীর্ষ কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ না বদলানো পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পেজেশকিয়ান টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেন, যুদ্ধের মধ্যেও ইরান জনগণের সেবা ও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য সমস্যা থাকায় সরকার ‘লজ্জিত’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকির প্রসঙ্গ তুলে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার দেশ অসম এই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। হরমুজ নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান ইরানের সুপ্রিম - [টেনেসিতে দোকানে ডাকাতির সময় গুজরাটি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা, অল্পের জন্য রক্ষা মেয়ের](https://sarakhon.com/news/185857/): যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে নিজের দোকানে সশস্ত্র ডাকাতির সময় গুলিতে নিহত হয়েছেন ৫৬ বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী সুরেশ পারসোত্তমদাস প্যাটেল। ঘটনার সময় তাঁর ১৯ বছর বয়সী মেয়েও দোকানে উপস্থিত ছিলেন। তবে গুলির ঘটনায় তিনি অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট রাতের এ ঘটনায় টেনেসির জ্যাকসন শহরের একটি দোকানে ডাকাতির পর গুলি চালানো হয়। জ্যাকসন পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ৯টার দিকে দোকানে ডাকাতি ও গুলির ঘটনা সম্পর্কে তারা খবর পায়। ডাকাতির পরই গুলি পুলিশ জানায়, প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা অনুযায়ী, মুখোশ পরা এক ব্যক্তি দোকানে ঢুকে কর্মীদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নগদ অর্থ দাবি করেন। কর্মীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পরই তিনি - [বিদেশে উচ্চশিক্ষায় এসএসসির রেজাল্টের গুরুত্ব কতটা?](https://sarakhon.com/news/185853/): “এসএসসি পাশ করেই কি বিদেশে লেখাপড়া করতে যাওয়া যায়? সেখানে বাংলাদেশের এই রেজাল্টের গুরুত্ব কতটা? নাকি গিয়ে আবার নিচের ক্লাসে ভর্তি হতে হবে?” এই প্রশ্নগুলো কুমিল্লার শিক্ষার্থী জিসান চৌধুরীর। কদিন আগেই এসএসসি বা মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়েছেন তিনি। ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হওয়া, কলেজ বাছাইয়ের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি বিদেশে লেখাপড়ার মতো বিকল্প নিয়েও খোঁজখবর রাখছেন এই শিক্ষার্থী। বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এই সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। একসময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই স্নাতকোত্তর কিংবা পিএইচডি পর্যায়ে লেখাপড়া করতে বিদেশে গেলেও, বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। জাতিসংঘের - [অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে উঠবেন যেভাবে](https://sarakhon.com/news/185849/): ঘুম থেকে ওঠার জন্য অ্যালার্ম সেটা করে রাখা – এটা আমাদের অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। কিন্তু এটা না করেও কি ঠিক সময়মতো ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করে ফেলা সম্ভব? একসময় স্কুলজীবনের নিয়মিত রুটিন হয়তো একটি শরীরের ভেতর নির্ভরযোগ্য জৈবঘড়ি তৈরি করেছিল। কিন্তু পরবর্তী জীবনে সময়সূচি আরও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠলে আমরা ঘড়ি বা ফোনের অ্যালার্মের শব্দের ওপর আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারি। সঠিক সময়ে নিজে থেকেই ঘুম থেকে ওঠার জন্য শরীরকে প্রশিক্ষিত করা সুস্থতার জন্য নানা উপকার বয়ে আনতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সকালে ঝিমুনি কমানো থেকে শুরু করে মেজাজের উন্নতি। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এমন কিছু সহজ পরিবর্তন করা যায়, যা ঘুম - [হিমাগারে আটকা দেড় লাখ বস্তা আলু, প্রতি বস্তায় ৪৬০ টাকা লোকসান](https://sarakhon.com/news/185847/): প্রত্যাশিত দাম না পাওয়া ও বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে হিমাগারে সংরক্ষিত আলু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে দরপতনের কারণে অনেকেই হিমাগার থেকে আলু খালাস করছেন না। ফলে উৎপাদন, পরিবহন, বাছাই ও হিমাগার ভাড়াসহ প্রতি ৬২ কেজির বস্তায় গড়ে প্রায় ৪৬০ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। হিমাগারে পড়ে আছে ১ লাখ ৪৩ হাজার বস্তা ফুলবাড়ী কোল্ড স্টোরেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সেখানে ১ লাখ ৭৮ হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণ করা হয়। ২২ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার বস্তা খালাস হয়েছে। এখনও প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার বস্তা আলু হিমাগারেই পড়ে আছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব আলু খালাস - [এআইকে অধিকার দিলে মানুষই কি হারাবে নিয়ন্ত্রণ?](https://sarakhon.com/news/185844/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্ন এখন আর নিছক কল্পবিজ্ঞান নয়। এআই যত বেশি মানুষের মতো কথা বলছে, অনুভূতির অনুকরণ করছে এবং দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে, ততই তাকে চেতনা বা ব্যক্তিসত্তার অধিকার দেওয়ার দাবি উঠতে পারে। কিন্তু এমন অধিকার শেষ পর্যন্ত মানবজাতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে দ্য ইকোনমিস্ট। মানুষ ও যন্ত্রের সীমারেখা মানুষের বিশেষ মর্যাদার অন্যতম ভিত্তি হলো চেতনা। অনেক প্রাণী ব্যথা ও আনন্দ অনুভব করে, কিছু প্রাণীর আত্মসচেতনতার লক্ষণও দেখা যায়। তবে মানুষের আত্মপরিচয়ের অনুভূতিকে বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মে মাসে পোপ লিওও মানুষের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান এআই ব্যবস্থার একটি স্পষ্ট পার্থক্য - [কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্যযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে](https://sarakhon.com/news/185841/): ওয়াশিংটনের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে কানাডা। দুই দেশের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি শুল্কের সংঘাত দীর্ঘ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা, ব্যবসা ও বিনিয়োগে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। উচ্চমূল্যের চাপে থাকা মার্কিন অর্থনীতিতে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। শুল্কযুদ্ধের নতুন উত্তেজনা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা একাধিকবার বড় ধরনের বাণিজ্যযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে ওয়াশিংটন কিছু কঠোর পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছিল। এবার সেই আপাত শান্তি ভেঙে গেছে। শনিবার থেকে কানাডার কিছু পণ্যে ৫০ শতাংশ নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হিসাবে, নতুন শুল্কের আওতায় কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া প্রায় - [দুই দিনেই ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ ১–১](https://sarakhon.com/news/185836/): ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ম্যাচে বাংলাদেশের দুই ইনিংসেই দলীয় সংগ্রহ একশ রানের নিচে থাকল। ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় পরাজয় টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচের শুরু থেকেই কোনো পর্যায়ে চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই ইনিংসেই ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র দুই দিনেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। তবে বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির জায়গা ছিলেন পেসার শরীফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে তিনি টেস্টে কোনো বাংলাদেশি পেসারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন। একই সঙ্গে এটি তার ক্যারিয়ারসেরা - [জাহাজডুবির সর্বশেষ আপডেট: ২ চীনা নাবিক উদ্ধার, ২২ জন নিখোঁজ—বেঁচে থাকা নিয়ে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185829/): ভারতের পূর্ব উপকূলে পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ‘ওশান উইনার’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় দুই চীনা নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকি ২২ জনের সন্ধান এখনো মেলেনি। নিখোঁজদের মধ্যে ১৮ জন চীনা, তিনজন মিয়ানমারের এবং একজন বাংলাদেশের নাগরিক। দুর্ঘটনার পর সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসায় উদ্বেগ বাড়ছে। তবে ভারতীয় নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড এখনো তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। জাহাজডুবির ২২ নাবিকের সন্ধানে অভিযান ভারতের সামুদ্রিক প্রশাসনের মহাপরিচালক শ্যাম জগন্নাথন রয়টার্সকে জানান, উদ্ধার হওয়া দুই চীনা নাবিকের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জাহাজটি হঠাৎ একদিকে কাত হতে শুরু করে। এরপর মাত্র আট মিনিটের মধ্যে সেটি ডুবে যায়। পরিস্থিতি দ্রুত - [চালের দাম আকাশছোঁয়া, কমতে পারে উৎপাদন](https://sarakhon.com/news/185826/): ইন্দোনেশিয়া চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দাবি করলেও বাজারের বাস্তবতা সেই সাফল্যকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। টানা সাত মাস ধরে চালের দাম বাড়ছে। অথচ একই সময়ে সরকারি গুদামে চালের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর মধ্যেই এল নিনোর প্রভাবে শুষ্ক মৌসুম ও খরা আরও তীব্র হওয়ায় সামনে চাল উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখিয়ে দিচ্ছে, সমস্যাটি শুধু চালের মজুতের পরিমাণে সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত চাল থাকার পরও যদি বাজারদর বাড়তে থাকে, তাহলে সরবরাহব্যবস্থা, মজুত ব্যবস্থাপনা, কৃষকের উৎপাদন সক্ষমতা এবং পানি ব্যবস্থাপনায় থাকা দুর্বলতাগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। খরা বাড়াচ্ছে কৃষির ঝুঁকি এল নিনোর প্রভাবে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে শুষ্কতা বাড়ছে। পশ্চিম - [দ্রব্যমূল্য কমেনি, স্বস্তি শুধু পরিসংখ্যানে](https://sarakhon.com/news/185822/): সরকারের প্রথম ছয় মাসে বাজার তদারকি, টিসিবি সংস্কার, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড চালু, সরবরাহব্যবস্থায় নজরদারি এবং হাজারো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতিও কমেছে। কিন্তু এসব উদ্যোগের প্রভাব সাধারণ মানুষের বাজারে এখনও স্পষ্ট নয়। জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। আট মাসের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন। তবে মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং আগের বছরের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে। বাজারে স্বস্তি নেই রাজধানীর বাজারে ডিমের ডজন ১৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, মিনিকেট চাল ৭৮ টাকা এবং - [গ্যাস-সংকট ও লোডশেডিংয়ে ২০২৭ সালের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপায় শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/185820/): গ্যাস-সংকট, বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং এবং পাঠ্যবই ছাপার কাজে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কাগজের উৎপাদন কমে যাওয়ায় একদিকে যেমন কাগজ সংকট তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ছাপাখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। এর সঙ্গে নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার, দরপত্রে কম প্রতিযোগিতা এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের নিয়ম না মানার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। গ্যাস-সংকটে কাগজ উৎপাদন অর্ধেকের নিচে ছাপাখানা সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তীব্র গ্যাস-সংকটের কারণে দেশের কাগজ কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। ফলে পাঠ্যবই ছাপার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ সরবরাহ নিয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে চলমান লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে - [শ্রীপুরে কৃষকদল নেতার কার্যালয়ে গুলি, আতঙ্কে অসুস্থ জজ মিয়া](https://sarakhon.com/news/185817/): গাজীপুরের শ্রীপুরে কৃষকদল নেতা জজ মিয়ার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে গুলি ছোড়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার রাতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলির শব্দ ও হামলার ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন জজ মিয়া। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে আরএকে সিরামিক কারখানার সামনে জজ মিয়ার কার্যালয়ে। সেখানে দুর্বৃত্তরা দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। আতঙ্কে অসুস্থ কৃষকদল নেতা জজ মিয়া গাজীপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের মৃত জনাব আলীর ছেলে। তিনি গাজীপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জজ মিয়া জানান, ঘটনার সময় তিনি তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে অবস্থান - [ইন্দোনেশিয়ায় গাড়ির ধরন দেখে ভর্তুকির জ্বালানি কেনার সুযোগ সীমিত করার পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/185814/): ইন্দোনেশিয়ায় ভর্তুকিযুক্ত পেট্রোল পেরটালাইট কেনার ক্ষেত্রে গাড়ির ধরনকে যোগ্যতার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহারের কথা ভাবছে সরকার। দেশটির সমন্বয়কারী অর্থমন্ত্রী এয়ারলাঙ্গা হার্তর্তো জানিয়েছেন, গাড়ির ধরন মালিকের আর্থসামাজিক অবস্থানের একটি সম্ভাব্য সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। জাকার্তায় শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এয়ারলাঙ্গা বলেন, সরকার আগে গাড়ির ধরনকে ভিত্তি করে ভর্তুকিযুক্ত জ্বালানি কেনার সুযোগ নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিল। কারণ, একটি গাড়ির ধরন থেকে মালিক কোন আর্থসামাজিক স্তরের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, তার একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তবে কোন ধরনের গাড়ির ক্ষেত্রে পেরটালাইট কেনায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেননি। তার ভাষ্য, সরকার এখনো এই ব্যবস্থার কাঠামো চূড়ান্ত ও পরিমার্জন - [কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গণমাধ্যমের চিত্র: সরকারি চাপের মধ্যে সাংবাদিকতা](https://sarakhon.com/news/185809/): কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গণমাধ্যম অঙ্গন বেশ বৈচিত্র্যময়। দেশটিতে প্রায় ২০টি টেলিভিশন চ্যানেল, ৪০টি বেতার কেন্দ্র এবং ২০টি সংবাদপত্র রয়েছে। তবে এসব গণমাধ্যমের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অনেকগুলোর সঙ্গেই ক্ষমতাসীন সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের সরাসরি বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। সাংবাদিকদের ওপর চাপ কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক পরিবেশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটির কর্তৃত্ববাদী সরকার সাংবাদিকদের ওপর নিয়মিত চাপ প্রয়োগ, হুমকি এবং কারাবন্দি করার মতো পদক্ষেপ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ এবং সরকারের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সীমান্ত পেরিয়ে গণমাধ্যমের প্রভাব কঙ্গো নদীর অপর পাড়ে অবস্থিত গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসা থেকে সম্প্রচারিত - [দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর বড় মানবিক সংকট](https://sarakhon.com/news/185806/): দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে বাস্তুচ্যুতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে জীবন কাটাচ্ছেন। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রকাশিত এক আঞ্চলিক চিত্রে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, অ্যাঙ্গোলা, মালাউই, মোজাম্বিক, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়েসহ দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। সংঘাত ও অনিশ্চয়তায় বাড়ছে বাস্তুচ্যুতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে মানুষের আশ্রয় নেওয়ার পেছনে সংঘাত, সহিংসতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পরিস্থিতি প্রতিবেশী দেশগুলোতে মানুষের চলাচল ও আশ্রয় নেওয়ার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। নিজ দেশের সহিংসতা ও অনিশ্চয়তা থেকে বাঁচতে বহু মানুষ সীমান্ত - [পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় মানবিক সংকটে ২০২৬ সালে ঝুঁকিতে লাখো শিশু](https://sarakhon.com/news/185803/): পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় সংঘাত, রোগের প্রাদুর্ভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকির কারণে ২০২৬ সালেও মানবিক সংকট তীব্র থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব সংকটে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও তাদের পরিবার। জাতিসংঘের শিশু তহবিলের ২০২৬ সালের মানবিক সহায়তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, অঞ্চলটির জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপদ পানি, পয়োনিষ্কাশন ও পরিচ্ছন্নতা, শিশুসুরক্ষা, শিক্ষা এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন হবে। ১৬ দেশের জন্য ৯ কোটি ২৬ লাখ ডলারের আবেদন শিশুদের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ১৬টি দেশের জন্য মোট ৯ কোটি ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা চেয়েছে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনিন, কাবো ভের্দে, কঙ্গো, আইভরি কোস্ট, বিষুবীয় - [কঙ্গো নদী পেরিয়ে ১৭ হাজারের বেশি মানুষের আশ্রয়, চাপে বিপর্যস্ত মানবিক সহায়তা](https://sarakhon.com/news/185800/): ভূমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকে ভয়াবহ সহিংসতার পর গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র থেকে পালিয়ে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ মানুষ। ঘরবাড়ি হারিয়ে নদী পেরিয়ে আসা এসব মানুষের বড় অংশ নারী, শিশু ও বয়স্ক। খাবার, আশ্রয়, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার তীব্র সংকটে পড়েছেন তারা। শিক্ষক হত্যার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণ উবাঙ্গি অঞ্চলের ডঙ্গো এলাকায় লোবালাতান্ডা ও এনগালাঙ্গো দক্ষিণ সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ নতুন করে ভয়াবহ রূপ নেয়। এক শিক্ষক হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত ও ১৩ জন আহত হন। আগুনে পুড়িয়ে - [প্রযুক্তির ভিড়ে ‘কম বুদ্ধিমান’ বাড়ির নতুন আকর্ষণ](https://sarakhon.com/news/185797/): প্রযুক্তি যখন জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্তকে নিয়ন্ত্রণ করছে, তখন ঘর সাজানোর ক্ষেত্রেই যেন মানুষ উল্টো পথে হাঁটতে শুরু করেছে। একসময় যে বাড়িকে যত বেশি স্বয়ংক্রিয়, সংযুক্ত ও প্রযুক্তিনির্ভর করা যেত, সেটিই ছিল আধুনিকতার প্রতীক। এখন সেই ধারণার বিপরীতে জনপ্রিয় হচ্ছে এমন এক ধরনের ঘর, যেখানে প্রযুক্তির উপস্থিতি ইচ্ছাকৃতভাবেই কম। সহজ ভাষায়, মানুষ আবার ফিরে চাইছে এমন বাড়ি, যেখানে সুইচ টিপলে আলো জ্বলে, বই পড়ার জন্য আলাদা জায়গা থাকে এবং বসার ঘরের কেন্দ্রবিন্দু বিশাল পর্দা নয়। এই নতুন প্রবণতাকে বলা হচ্ছে ‘নির্বোধ বাড়ি’, ‘প্রযুক্তিবিহীন অভ্যন্তর’ কিংবা ‘সরল জীবনধারার ঘর’। নাম যাই হোক, মূল আকাঙ্ক্ষা একটাই—অতিরিক্ত প্রযুক্তি থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে ঘরকে আবার - [সৌন্দর্যের সাপ্তাহিক ঝলক: তারকাদের নজরকাড়া সাজে নতুন অনুপ্রেরণা](https://sarakhon.com/news/185794/): তারকাদের সৌন্দর্যচর্চা ও সাজসজ্জা বরাবরই ফ্যাশনপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। চলতি সপ্তাহেও বিনোদন ও ফ্যাশন জগতের পরিচিত মুখেরা তাঁদের অভিনব সাজ, মেকআপ ও সৌন্দর্যচর্চার মাধ্যমে নজর কেড়েছেন। স্যাডি সিঙ্কের আকর্ষণীয় উপস্থিতি এই সপ্তাহের আলোচিত সৌন্দর্যচিত্রগুলোর মধ্যে স্যাডি সিঙ্কের সাজ বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। তাঁর সাজে ছিল পরিমিত সৌন্দর্যচর্চা, স্বাভাবিকতার ছোঁয়া এবং আধুনিক রুচির সমন্বয়। অতিরিক্ত সাজসজ্জার বদলে মুখের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তোলার দিকেই ছিল বেশি মনোযোগ। স্বাভাবিক সৌন্দর্যেই জোর সাম্প্রতিক সময়ে তারকাদের সাজে ভারী প্রসাধনের পরিবর্তে স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা, নরম চোখের সাজ এবং ঠোঁটে হালকা রঙ—সব মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে সহজ অথচ আকর্ষণীয় উপস্থিতি। সৌন্দর্যচর্চায় নতুন - [রুমালেই এবার ফ্যাশনের নতুন ঠিকানা, রাস্তায় দেখা মিলছে স্টাইলিশ মাথার সাজ](https://sarakhon.com/news/185791/): গরমের এই মৌসুমে ছোট্ট রুমালই হয়ে উঠেছে সাজপোশাকের অন্যতম আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ। মাথায় রুমাল বাঁধার এই প্রবণতা নতুন মনে হলেও এর বর্তমান রূপটি মূলত ২০২৬ সালের বসন্তের পোশাক প্রদর্শনীগুলোকে ঘিরে জনপ্রিয় হতে শুরু করে। মঞ্চের পোশাকের চেয়ে বরং প্রদর্শনী দেখতে আসা ফ্যাশনপ্রেমীদের মাথাতেই এর বেশি দেখা মিলেছিল। তারকাদের হাত ধরে জনপ্রিয়তা দুয়া লিপা, জেন্ডায়া ও জিজি হাদিদের মতো তারকাদের উপস্থিতি এই প্রবণতাকে আরও আলোচনায় এনেছে। তবে বসন্তের পোশাক প্রদর্শনীগুলোর বাইরের রাস্তাতেই এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় রূপ দেখা গেছে। রোজালিয়ার কথাও আলাদা করে বলা যায়। একটি প্রদর্শনীতে তাকে চুলের ওপর গাঢ় নীল নকশাদার রুমাল বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। তার পর থেকেই বিভিন্ন শহরের ফ্যাশনপ্রেমীদের - [বিমানবন্দরের সাজে হ্যারি স্টাইলস ও জোয়ে ক্রাভিৎসের দুই ভিন্ন ফ্যাশন ভাবনা](https://sarakhon.com/news/185786/): ভ্রমণের পোশাক মানেই আরামদায়ক পোশাক—তারকা দুনিয়ার ফ্যাশনে এই ধারণা যেন ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। হ্যারি স্টাইলস ও জোয়ে ক্রাভিৎস সম্প্রতি বিমানবন্দরে এমন দুই ধরনের সাজে নজর কেড়েছেন, যা ভ্রমণের পোশাককে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। হ্যারির সাজে স্বচ্ছন্দ আভিজাত্য হ্যারি স্টাইলসের পোশাকে ছিল স্বাভাবিক স্বচ্ছন্দতা ও পরিমিত আভিজাত্যের মিশেল। তার সাজে এমন এক ধরনের সহজ সৌন্দর্য দেখা যায়, যা খুব বেশি আয়োজন ছাড়াই নজর কাড়ে। ভ্রমণের সময় আরামকে গুরুত্ব দিয়েও কীভাবে ব্যক্তিগত রুচি ফুটিয়ে তোলা যায়, হ্যারির পোশাক তারই উদাহরণ। তারকার বিমানবন্দর উপস্থিতি এখন আর কেবল যাত্রার একটি মুহূর্ত নয়। আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা পড়ার কারণে বিমানবন্দরও হয়ে উঠেছে তারকাদের পোশাক প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। - [জাপানের ক্ষুদ্র গাড়ির বাজারে বড় স্বপ্ন নিয়ে বিওয়াইডি](https://sarakhon.com/news/185783/): চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি ইউরোপ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া—বিভিন্ন বাজারে দ্রুত এগিয়ে গেলেও জাপানে এখনো তেমন সাফল্য পায়নি। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম গাড়ির বাজারটিতে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে নতুন একটি ছোট বৈদ্যুতিক গাড়িকে ঘিরে সেই পরিস্থিতি বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ছোট গাড়িতেই বড় সুযোগ জুলাই মাসে বিওয়াইডি জাপানের বাজারে ‘র‌্যাকো’ নামের ছোট গাড়ি নিয়ে এসেছে। জাপানি ভাষায় র‌্যাকো শব্দের অর্থ সামুদ্রিক ভোঁদড়। দেশটির দীর্ঘদিনের ছোট, কম খরচের গাড়ির প্রতি আগ্রহকে লক্ষ্য করেই এই গাড়ি তৈরি করা হয়েছে। জাপানে ছোট গাড়ির একটি বিশেষ শ্রেণি রয়েছে, যাকে ‘কেই’ গাড়ি বলা হয়। এসব গাড়ি সাধারণ ছোট গাড়ির চেয়েও আকারে - [মাত্র ১৫ হাজার পাউন্ড থেকে ৮০ লাখ পাউন্ডের ব্যবসা, দুই বোনের অবিশ্বাস্য উত্থান](https://sarakhon.com/news/185780/): ২০১৪ সালে হাতে ছিল মাত্র ১৫ হাজার পাউন্ড। ব্যবসার শুরুতেই দুই বড় বিপণন প্রতিষ্ঠান মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় প্রায় সব আয় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সামনে ছিল একটাই প্রশ্ন—শেষ সম্বলটুকু নিয়ে নতুন করে চেষ্টা করবেন, নাকি সব ছেড়ে দেবেন? ব্রিটিশ দুই বোন অ্যানাবেল লুই ও এমিলি লুই শেষ পর্যন্ত ঝুঁকি নেওয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন। সেই সিদ্ধান্তই আজ তাদের নিয়ে গেছে প্রায় ৮০ লাখ পাউন্ড আয়ের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায়। তাদের বেকারি ব্যবসা এখন প্রায় ৫০ জনের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে এবং ইতোমধ্যে ১০ লাখের বেশি গ্রাহককে সেবা দিয়েছে। শেষ সম্বল নিয়ে শুরু নতুন লড়াই ২০১২ সালে দুই বোন মিলে গড়ে তোলেন ‘কাটার অ্যান্ড স্কুইজ’ নামের বেকারি - [মাত্র ৫ ডলারের বিদ্যুতে উড়ল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক বিমান](https://sarakhon.com/news/185777/): যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের প্ল্যাটসবার্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইতিহাস গড়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক বিমান। হার্ট অ্যারোস্পেসের তৈরি ‘এক্স১’ পরীক্ষামূলক বিমানটি সফলভাবে প্রথমবার আকাশে উড়েছে। মাত্র ৫ ডলারের বিদ্যুৎ খরচে সম্পন্ন হয়েছে এই পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন। ২৭ মিনিটের ঐতিহাসিক উড্ডয়ন গত ১২ আগস্ট এক্স১ বিমানটি ২৭ মিনিট আকাশে অবস্থান করে। এ সময় এটি ভূমি থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০০ ফুট বা প্রায় ৩৩৫ মিটার উচ্চতায় ওঠে। উড্ডয়নের পুরো সময় বিমানটির বৈদ্যুতিক চালনা ব্যবস্থা ১ মেগাওয়াটের বেশি শক্তি সরবরাহ করেছে। পরীক্ষামূলক উড্ডয়নটি পরিচালিত হয় প্ল্যাটসবার্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হার্ট অ্যারোস্পেসের পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানের সমপর্যায়ের আকার ও ক্ষমতায় সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক উড্ডয়ন প্রযুক্তি প্রদর্শনের - [শিশুদের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মামলায় টিকটকের ৪০ কোটি ডলারের সমঝোতা](https://sarakhon.com/news/185774/): শিশুদের অনলাইন গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের করা মামলার নিষ্পত্তিতে ৪০ কোটি মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক ও এর চীনা মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স। শুক্রবার ঘোষিত এই সমঝোতার মাধ্যমে টিকটক ও বাইটড্যান্সের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেল মামলার অবসান হতে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের কার্যক্রম নিয়ে রাজনৈতিক চাপ ও নজরদারি এখনও অব্যাহত রয়েছে। ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ মামলার অভিযোগ ছিল, টিকটক ও বাইটড্যান্স ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাছ থেকে অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে দেশটির বিচার বিভাগ ২০২৪ সালে এ অভিযোগ সামনে - [সিঙ্গাপুর ছেড়ে হংকংয়ে নতুন গবেষণাগার গড়লেন বিজ্ঞানী লিউ জিয়াওয়ে](https://sarakhon.com/news/185769/): সিঙ্গাপুরে প্রায় এক দশক গবেষণার পর এবার হংকংয়ে নিজের গবেষণাগার গড়ে তুলছেন তড়িৎ-রসায়নবিদ লিউ জিয়াওয়ে। গবেষণার স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক পরিবেশ এবং মূল ভূখণ্ড চীনের কাছাকাছি থাকার সুযোগ—এই তিনটি বিষয় তাঁর সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নিজের গবেষণাগার গড়ার নতুন যাত্রা উপকরণবিজ্ঞান ও রসায়নে কাজ করা লিউ জিয়াওয়ে দীর্ঘ সময় সিঙ্গাপুরের গবেষণা পরিবেশে কাজ করেছেন। সেখানে প্রায় এক দশক কাটানোর পর তিনি এমন একটি জায়গায় যেতে চেয়েছিলেন, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ বজায় থাকবে, একই সঙ্গে মূল ভূখণ্ড চীনে থাকা পরিবারের কাছেও তুলনামূলকভাবে সহজে যাতায়াত করা যাবে। এই ভাবনা থেকেই তিনি হংকংয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেখানে এখন তিনি সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ে নিজের গবেষণাগার - [তাইওয়ানের বড় নৌঘাঁটির কাছে চীনা গবেষণা জাহাজ, বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/185766/): তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌঘাঁটির কাছাকাছি আবারও দেখা গেছে চীনের একটি গবেষণা জাহাজ। শুক্রবার সকালে তাইওয়ানের কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘টংজি’ নামের জাহাজটি লিউচিউ দ্বীপের প্রায় ২৮ নটিক্যাল মাইল বা ৫২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি গত মে মাসের পর তাইওয়ানের আশপাশে জাহাজটির তৃতীয় উপস্থিতি। বিষয়টি নিয়ে তাইওয়ানের নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটির খুব কাছেই অবস্থান টংজি প্রায় ২ হাজার টন ওজনের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা জাহাজ। এটি সাংহাইয়ের থংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় রয়েছে। লিউচিউ দ্বীপটি তাইওয়ানের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের কাছে এবং কাওশিয়ং শহরের কাছাকাছি অবস্থিত। কাওশিয়ংয়ে রয়েছে তাইওয়ানের নৌ একাডেমি এবং দেশটির সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি। ফলে এই - [চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির উত্থান আফ্রিকার জন্য ‘অভূতপূর্ব সুযোগ’](https://sarakhon.com/news/185763/): চীনে বৈদ্যুতিক গাড়ির দ্রুত বিস্তার আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য নতুন এক সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের এই শিল্পবিপ্লবকে কাজে লাগাতে পারলে আফ্রিকার প্রতিষ্ঠানগুলো কম খরচে উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণের পাশাপাশি পরিবহন খাতেও বড় পরিবর্তন আনতে পারবে। চীন বর্তমানে বিশ্বের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে বৈদ্যুতিক গাড়ির উৎপাদন, প্রযুক্তি ও সরবরাহব্যবস্থা দ্রুত বিস্তৃত হওয়ায় এর প্রভাব এখন আফ্রিকার বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। কম খরচে উন্নত প্রযুক্তির সুযোগ আফ্রিকার অনেক দেশই পরিবহন খাতে উচ্চ ব্যয়, জ্বালানির দাম এবং পুরোনো যানবাহনের কারণে নানা সমস্যার মুখে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তুলনামূলক কম দামে চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি পাওয়া দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ - [আফ্রিকার মাটিতে প্রথমবার চীনের জে-১৬ যুদ্ধবিমান, মিশরে শুরু যৌথ সামরিক মহড়া](https://sarakhon.com/news/185760/): আফ্রিকার মাটিতে প্রথমবারের মতো জে-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন। মিশরে শুরু হতে যাওয়া ‘সভ্যতার ঈগল ২০২৬’ যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে চীনের যুদ্ধবিমানগুলো শুক্রবার সকালে মিশরের একটি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছেছে। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিমানগুলো প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মিশরে পৌঁছায়। দীর্ঘ এই যাত্রায় প্রায় নয় ঘণ্টা সময় লাগে। পথে আকাশেই জ্বালানি নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয় যুদ্ধবিমানগুলোকে। আফ্রিকায় জে-১৬-এর প্রথম উপস্থিতি জে-১৬ চীনের বহুমুখী যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। আকাশযুদ্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এই বিমান। এবার মিশরের যৌথ মহড়ায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে আফ্রিকা মহাদেশে প্রথমবারের মতো জে-১৬ যুদ্ধবিমানের সামরিক উপস্থিতি দেখা - [ছেলের ডায়াপার বদলানো থেকে স্ত্রীকে আগলে রাখা—বাবা হিসেবে নতুন জীবন নিয়ে মুখ খুললেন প্রিন্স লেকা](https://sarakhon.com/news/185757/): সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। রাতের ঘুম কমে যায়, বাড়ে দায়িত্ব; তবে সেই ক্লান্তির মাঝেও সন্তানের ছোট্ট হাসি হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় আনন্দ। ঠিক এমনই এক নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন আলবেনিয়ার রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স লেকা ও প্রিন্সেস ব্লের্তা চেলিবাশি জোগু। সদ্য জন্ম নেওয়া ছেলে আলেক্সান্দারকে ঘিরে এখন তাদের দিন কাটছে নতুন আনন্দ, দায়িত্ব আর আবেগে। সন্তান জন্মের পর প্রথম অনুভূতি ছেলের জন্মের মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে প্রিন্সেস ব্লের্তা জানিয়েছেন, সেই সময়ের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। চিকিৎসাকর্মীদের প্রতিটি নড়াচড়া তিনি চোখে পানি নিয়ে দেখছিলেন। অবশেষে যখন আলেক্সান্দারকে তার কাছে এনে দেওয়া হয়, তখন সন্তানের কোমল শরীরের স্পর্শেই - [মৃত্যুর মুখেও থামেনি গান, ১৯ বছরের তরুণকে বুকে আগলে ১৩ বন্দির শেষযাত্রা](https://sarakhon.com/news/185754/): আলবেনিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার রাজনৈতিক অধ্যায়গুলোর একটি হয়ে আছে সেই ভয়াবহ সকাল। মৃত্যুর জন্য যখন কারাগার থেকে ১৩ জন বন্দিকে বের করে নেওয়া হচ্ছিল, তখন চারপাশে ছিল আতঙ্ক, কান্না আর অনিশ্চয়তা। কিন্তু মৃত্যুভয় তাদের কণ্ঠ থামাতে পারেনি। বরং শেষ মুহূর্তে জাতীয় সংগীত গেয়ে তারা যেন নিজেদের আত্মমর্যাদা আর দেশের প্রতি ভালোবাসার কথাই জানিয়ে গিয়েছিলেন। শেষ সকালেও ছিলেন শান্ত তাদের মধ্যে ছিলেন মুরাত বাশা—জাতীয়তাবাদী নেতা, দেশপ্রেমিক এবং আলবেনিয়ার রাজতান্ত্রিক আমলের একজন সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা। সহবন্দি জেমাল আলিমেহমেতির স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে সেই শেষ সকালের হৃদয়বিদারক দৃশ্য। কারাগারের কক্ষে তখন প্রায় ১৪ থেকে ১৫ জন মানুষ। সবাই জানতেন, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ১৩ জনকে - [আলজেরিয়ায় মাদকবিরোধী বড় অভিযানে ৩৩ কেজি কোকেনসহ বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ](https://sarakhon.com/news/185751/): আলজেরিয়ায় মাদকবিরোধী বড় ধরনের অভিযানে ৩৩ কেজির বেশি কোকেন এবং এক কোটিরও বেশি প্রিগাবালিন ক্যাপসুল জব্দ করেছে দেশটির পুলিশ। অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ থেকে উত্তরে চলছিল মাদকের চালান পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ আলজেরিয়া থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে মাদকের চালান পাঠানো হচ্ছিল। দীর্ঘ তদন্তের পর এর সঙ্গে জড়িত একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। চক্রটির মূল ঘাঁটি ছিল দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে। বুধবার আলজেরীয় পুলিশ অভিযানে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে ৩৩ কেজির বেশি কোকেনের পাশাপাশি এক কোটিরও বেশি প্রিগাবালিন - [বিলাসবহুল বিজনেস শ্রেণির আসনই এখন বিমান সংস্থাগুলোর নতুন মাথাব্যথা](https://sarakhon.com/news/185748/): বিমানে আরামদায়ক ও বিলাসবহুল ভ্রমণের চাহিদা যত বাড়ছে, ততই জটিল হয়ে উঠছে উচ্চমূল্যের ব্যবসায়িক শ্রেণির আসন তৈরি ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া। যাত্রী টানতে বিমান সংস্থাগুলো এখন দরজা, ব্যক্তিগত কক্ষ, বড় বিছানা ও নানা আধুনিক সুবিধাসহ আসন তৈরি করছে। কিন্তু এসব নতুন নকশার অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগায় বিপাকে পড়ছে বিমান সংস্থা ও উড়োজাহাজ নির্মাতারা। করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকেই বিলাসবহুল ভ্রমণের বাজারে নতুন গতি এসেছে। ধনী ও উচ্চ ব্যয়ক্ষমতার যাত্রীদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন বিমান সংস্থা নিজেদের উড়োজাহাজে ব্যবসায়িক শ্রেণির আসন আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। কিন্তু যত বেশি সুবিধা যোগ হচ্ছে, ততই বাড়ছে নিরাপত্তা যাচাই ও অনুমোদনের জটিলতা। বিলাসী আসন, কিন্তু অনুমোদনে দীর্ঘ অপেক্ষা - [সন্তান পালনের খরচে নাভিশ্বাস, কোন শহরে পরিবারের আয়ের প্রায় পুরোটাই চলে যায়?](https://sarakhon.com/news/185745/): সন্তানকে বড় করা শুধু ভালোবাসা আর দায়িত্বের বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বড় অঙ্কের অর্থনৈতিক চাপও। বিশেষ করে একটি পরিবারের জন্য বাসস্থানের খরচের সঙ্গে শিশুর যত্নের ব্যয় যোগ হলে অনেক শহরে আয়ের বড় একটি অংশ সেখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি জনবহুল মহানগর এলাকার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কোথাও কোথাও পরিবারের মোট আয়ের ৯০ শতাংশেরও বেশি শুধু বাসস্থান ও শিশুর যত্নের পেছনে চলে যাচ্ছে। একই শহরে আয় বেশি হলেও স্বস্তি নেই বাসস্থানের দাম বেশি এমন এলাকায় শিশুর যত্নের ব্যয়ও সাধারণত বেশি। তবে শুধু বাড়ির দাম দেখলেই একটি পরিবারের প্রকৃত জীবনযাত্রার ব্যয় বোঝা যায় না। কোনো কোনো শহরে তুলনামূলকভাবে ভালো - [বিবাহবিচ্ছেদ যখন দুঃখ নয়, আয়ের নতুন দরজা—সামাজিক মাধ্যমে বাড়ছে ‘ডিভোর্স ইনফ্লুয়েন্সার’](https://sarakhon.com/news/185742/): একসময় বিবাহবিচ্ছেদ মানেই ছিল কষ্ট, সামাজিক চাপ আর লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার চেষ্টা। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে সেই চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন অনেকেই বিবাহবিচ্ছেদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ্যে তুলে ধরে শুধু সহমর্মিতা ও সমর্থনই পাচ্ছেন না, বরং সেখান থেকে তৈরি করছেন আয়ের নতুন পথ। বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে খোলামেলা কথা বলা, নিজের নতুন জীবনযাত্রা দেখানো, একাকী ভ্রমণ, নতুন সম্পর্ক, আত্মযত্ন কিংবা বিচ্ছেদের পর নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার গল্প—এসব নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছে নতুন এক প্রবণতা। এর কেন্দ্রেই রয়েছেন ‘ডিভোর্স ইনফ্লুয়েন্সার’ বা বিবাহবিচ্ছেদকে ঘিরে জনপ্রিয়তা পাওয়া নির্মাতারা। হৃদয় ভাঙার গল্প থেকে তৈরি হচ্ছে নতুন পরিচয় অস্ট্রেলিয়ার বিষয়বস্তু নির্মাতা মেগান ম্যাকট্যাভিশের মতো অনেকেই এখন - [কর্মীদের স্বাস্থ্যবিমায় ছয় ভুল করলেই বিপদ, নিয়োগদাতাদের সতর্ক করল সংযুক্ত আরব আমিরাত](https://sarakhon.com/news/185739/): সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মীদের স্বাস্থ্যবিমা নিয়ে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কর্মীদের স্বাস্থ্যবিমার নিয়ম ঠিকভাবে না মানলে জরিমানা তো হতে পারে, এমনকি কাজের অনুমতিপত্র স্থগিত, বাতিল বা নবায়নেও বাধা আসতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় বেসরকারি খাতের কর্মী এবং গৃহকর্মীদের স্বাস্থ্যবিমা সংক্রান্ত ছয় ধরনের অনিয়ম চিহ্নিত করেছে। কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশটির শ্রমবাজারে নিয়মকানুন আরও কার্যকর করতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যে ছয় অনিয়মে শাস্তি হতে পারে প্রথমত, কোনো কর্মীকে স্বাস্থ্যবিমার আওতায় না নেওয়া বা তার স্বাস্থ্যবিমার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা নবায়ন না করা অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হবে। দ্বিতীয়ত, বিমার আওতাভুক্ত কোনো কর্মীর - [দুবাই ডাকছে, এবার শুধু চোখে দেখার নয়—মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতার হাতছানি](https://sarakhon.com/news/185736/): দুবাইয়ের নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঝকঝকে আকাশচুম্বী ভবন, বিলাসবহুল হোটেল, মরুভূমি আর রাতের আলোকিত শহর। কিন্তু সময়ের সঙ্গে দুবাই বদলেছে। এখন এই শহর শুধু বড় বড় স্থাপনা দেখানোর জন্য পর্যটকদের ডাকে না। বরং এখানে এসে মানুষ যেন নিজের পছন্দমতো সময় কাটাতে পারে, নতুন কিছু শিখতে পারে, ভালো খাবার খেতে পারে এবং মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে পারে—সেদিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন খাত আগামী কয়েক বছরে দ্রুত বাড়তে পারে। এই অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতি ২০৩৬ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ হারে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই প্রবৃদ্ধির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠছে দুবাই। দুবাইয়ের আকর্ষণ - [ইরান বলছে, নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ‘যুদ্ধ ঘোষণার শামিল’](https://sarakhon.com/news/185732/): ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। তেহরান নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে সরাসরি ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ সঙ্গে তুলনা করেছে। একই সময়ে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাদের সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তন আনছে। নিষেধাজ্ঞাকে যুদ্ধ ঘোষণা বলল ইরান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা শুধু অর্থনৈতিক চাপ নয়, বরং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মতো পদক্ষেপ। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে এ বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ ইরানের পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা অন্যান্য সরকারগুলোকেও চাপের মুখে ফেলছে। প্রতিরক্ষা থেকে আক্রমণাত্মক কৌশলে ইরান ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে তারা নিজেদের সামরিক নীতিতে - [মরক্কোর সবচেয়ে উঁচু ভবনে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার অপূর্ব মেলবন্ধন](https://sarakhon.com/news/185730/): মরক্কোর রাজধানী রাবাতের পাশের শহর সালেতে দাঁড়িয়ে থাকা মুহাম্মদ ষষ্ঠ টাওয়ার শুধু উচ্চতার দিক থেকেই দেশটির নতুন রেকর্ড তৈরি করেনি, বরং আধুনিক স্থাপত্যের সঙ্গে মরক্কোর বহু শতাব্দীর শিল্প ও কারুশিল্পের ঐতিহ্যকে এক ছাদের নিচে এনে অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। ২৫০ মিটার উচ্চতার ৫৫ তলা এই সুউচ্চ ভবনটি চলতি বছরের এপ্রিল মাসে চালু হয়। বর্তমানে এটি মরক্কোর সবচেয়ে উঁচু ভবন এবং আফ্রিকার তৃতীয় সর্বোচ্চ টাওয়ার। দূর থেকে ভবনটির সরু, শীর্ষমুখী আকৃতি অনেকটা আকাশের দিকে ছুটে চলা রকেটের মতো মনে হয়। বুরেগ্রেগ উপত্যকার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটি ইতোমধ্যেই রাবাত ও সালেহ অঞ্চলের দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন এনেছে। এক ভবনেই হোটেল, বাসস্থান ও বিনোদনের আয়োজন - [মিনিয়াপোলিসের অভিযোগের আড়ালে নজরদারি রাষ্ট্রের নতুন মুখ](https://sarakhon.com/news/185614/): মিনেসোটার টুইন সিটিজে অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, সেটিকে থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন সামনে এসেছে। সদ্য প্রকাশিত সরকারি নথিগুলো বলছে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কেবল ফৌজদারি মামলা করা হয়নি; বরং আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক অধিকারকর্মী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের ওপরও বিস্তৃত নজরদারি চালানো হয়েছে। ঘটনাটি তাই কয়েকজন বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে আনে—রাষ্ট্র যখন শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিবাদকে সম্ভাব্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে, তখন নাগরিক স্বাধীনতার সীমানা কোথায় গিয়ে শেষ হয়? গত শীতের দুই মাসে টুইন সিটিজে প্রায় চার হাজার মার্কিন অভিবাসন - [সম্মতি: আমার মনে আছে](https://sarakhon.com/news/185608/): কলেজের প্রথম বর্ষের সেই বসন্তের কথা আমার মনে আছে। ওয়েলস কলেজের মেইন ভবনের একটি ঘরে থাকতাম। জানালার নিচের ছোট্ট জায়গাটিতে বাবার দেওয়া সিয়ার্সের বৈদ্যুতিক টাইপরাইটারটি বসিয়েছিলাম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে বসে লিখতাম। জানালার বাইরে স্লেটের ছাদে কবুতর আসত-যেত। টাইপরাইটারটি মোটেও শান্ত ছিল না। চালু করলেই তার কম্পনে টেবিল কেঁপে উঠত, আর করিডোরের অন্য প্রান্তে থাকা মেয়েরাও আমার টাইপ করার শব্দ শুনতে পেত। আমি তখন কী লিখছি, তা জানতাম না। শুধু মনে হতো, শব্দগুলো এত দ্রুত আমার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসছে যে সেগুলো ধরার মতো সময়ও পাচ্ছি না। বন্ধুরা সম্ভবত আমাকে কিছুটা অদ্ভুতই ভাবত। শেষ পর্যন্ত তারাই বলল, এত কিছু লিখছ যখন, - [সুইডেনের স্কুলে তলোয়ার হামলা, নিহত ১৭ বছরের ছাত্রী; আহত ৩](https://sarakhon.com/news/185726/): সুইডেনের ফাগেরস্তার একটি স্কুলে তলোয়ার নিয়ে হামলার ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রী। শুক্রবার ব্রিনেল স্কুলে ক্লাস চলাকালে ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী তলোয়ার হাতে হামলা চালালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। শনিবার নিহতের বয়স নিশ্চিত করেছে সুইডিশ পুলিশ। হামলায় নিহত ১, গুরুতর আহত ২ রাজধানী স্টকহোমের উত্তর-পশ্চিমে ফাগেরস্তায় অবস্থিত ব্রিনেল স্কুলে চালানো ওই হামলায় একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আহত হয়েছে। সুইডিশ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে ১২ ও ১৭ বছর বয়সী দুই কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে। অপর এক অপ্রাপ্তবয়স্ক সামান্য আহত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। হামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে - [সিঙ্গাপুরে মশা দিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ডেঙ্গু কমেছে ৮৭.৬ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/185720/): সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মশাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এসব মশা মানুষকে কামড়ায় না। প্রকল্পের আওতায় পুরুষ এডিস মশা, যেগুলোতে স্বাভাবিকভাবে থাকা ‘ওলবাকিয়া’ ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, সেগুলো পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ডেঙ্গু ছড়ানো মশার বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সিঙ্গাপুরের ‘প্রজেক্ট ওলবাকিয়া’ কর্মসূচি জোরদার করার পর ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে বার্ষিক ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৮৭ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। ২০২৬ সালের প্রথম সাড়ে আট মাসে ডেঙ্গুতে মাত্র একজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। অথচ ২০২০ সালে এক বছরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। মশার ‘স্টাড’ উৎপাদনে প্রযুক্তির ব্যবহার প্রজেক্ট ওলবাকিয়ার আওতায় আক্রান্ত না হওয়া পুরুষ এডিস - [সরকার কেন এখন কলেরার টিকা দিচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/185713/): কলেরা প্রতিরোধে টিকা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আইসিডিডিআর,বি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ সহযোগিতায় শনিবার থেকে শুরু হবে প্রথম ধাপের টিকাদান কর্মসূচি। ২২শে অগাস্ট থেকে ২১শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ডোজের এবং ২৬শে সেপ্টেম্বর থেকে ২৫শে অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে। ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬’র আওতায় উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই দফায় মুখে খাওয়ার এই টিকাটি দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার সকালে টিকা কর্মসূচির উদ্বোধনের পর দেয়া ভাষণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এলাকা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণকে অগ্রাধিকার’ দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জানিয়েছে, ভ্যাকসিন - [দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: নেপথ্যে ‘অবিশ্বাস’, নাকি সম্পর্কের ‘রিসেট’ চায় ঢাকা?](https://sarakhon.com/news/185716/): বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আপাতত স্থগিত। দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতের প্রস্তাব এবং আগ্রহ সত্ত্বেও সেটা যে হলো না তার একটা বড় কারণ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া কয়েকটি শর্ত। ভারত যখন সফর আয়োজনের চেষ্টা করছে তখন হঠাৎ এসব শর্ত অনেকটা ‘বিস্ময়’ হয়েই আসে ভারতের কাছে। দেশটি অবশ্য প্রথম বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলো ব্রিকস সম্মলনে আগামী সেপ্টেম্বরে। বাংলাদেশ সেটাতে রাজি হয়নি। ঢাকা বরং আগ্রহী ছিলো দ্বিপক্ষীয় সফরে। তবে ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অনাগ্রহ জানার পর ভারত তড়িৎ পদক্ষেপ নেয় দ্রুত একটি দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনের এবং সেটা চলতি অগাস্ট মাসেই। তবে এর মধ্যেই সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায় ভারতের দিল্লিতে একটি প্রেস ব্রিফিংকে ঘিরে। যেখানে বক্তব্য - [মালয়েশিয়ার তালিকায় ২৫ এজেন্সি, শ্রমবাজার খোলা নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ সরকার](https://sarakhon.com/news/185704/): বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য পঁচিশটি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার সরকার। মালয়েশিয়া সরকারের অনলাইনভিত্তিক কেন্দ্রীয় অভিবাসী কর্মী ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম (ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এফডব্লিউএমএস) এই তালিকা প্রকাশ করেছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী নিয়োগ আবারো শুরুর আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র জনশক্তি প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড বা বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আগের ঘোষণা অকার্যকর হয়ে গেল কি-না সেই প্রশ্ন উঠছে। জনশক্তি রফতানির সাথে সংশ্লিষ্টদের অনেকেই রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকাকে ‘নতুন সিন্ডিকেট’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বাংলাদেশের দিক থেকে - [ওয়াশিংটন পোস্ট: মার্কিন কংগ্রেসম্যানের ২ বছরের মেয়ের কলারবোন ভাঙার রহস্য অমীমাংসিত](https://sarakhon.com/news/185710/): ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মার্কিন কংগ্রেসম্যান ম্যাক্স মিলারের দুই বছর বয়সী মেয়ের কলারবোন ভাঙার ঘটনায় কয়েক মাসের তদন্তের পরও দায়ী ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ ও শিশু কল্যাণ কর্তৃপক্ষ। শিশুটির শরীরে পাওয়া একটি কালশিটে চিকিৎসকদের কাছে হাতের ছাপের মতো মনে হয়েছিল। এ ঘটনায় মিলার ও তাঁর সাবেক স্ত্রী এমিলি মোরেনোর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং চলমান সন্তানের হেফাজত বিরোধও সামনে এসেছে। সন্দেহের সূত্র হাতের ছাপের মতো কালশিটে ১৯ ফেব্রুয়ারি এক্স-রে পরীক্ষায় শিশুটির ডান দিকের কলারবোন ভাঙা ধরা পড়ে। তবে চিকিৎসকদের সবচেয়ে বেশি সন্দেহ তৈরি করে ডান কাঁধের কাছে থাকা কালশিটে। পুলিশি নথি অনুযায়ী, ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক চিকিৎসকের ধারণা ছিল, পেছন থেকে - [ভারত থেকে রপ্তানি বাড়াবে জাপানের কুবোটা, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে দামে প্রতিযোগিতার লক্ষ্য](https://sarakhon.com/news/185707/): জাপানের কৃষি ও নির্মাণযন্ত্র নির্মাতা কুবোটা ভারতের উৎপাদনভিত্তি আরও শক্তিশালী করে ইউরোপ, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এ লক্ষ্যে কুবোটা ও ভারতের এসকর্টসের যৌথ উদ্যোগ এসকর্টস কুবোটা উত্তর প্রদেশে বড় আকারের নতুন উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তুলছে। উত্তর প্রদেশে ১৫৪ একর জমিতে নির্মিতব্য নতুন কারখানায় মোট বিনিয়োগ ২০ বিলিয়ন রুপির বেশি, যা প্রায় ২০ কোটি ৮৯ লাখ মার্কিন ডলারের সমান। চলতি সপ্তাহে কারখানাটির নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। ধাপে ধাপে সম্প্রসারণের মাধ্যমে এটি কুবোটা গ্রুপের বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকেন্দ্রে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতকে কুবোটার কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ কুবোটার প্রেসিডেন্ট শিনগো হানাদা বলেন, বিশ্বে ট্রাক্টরের সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। দেশটিতে - [খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জে পানিবন্দি ৫ হাজার, ডুবেছে শত শত হেক্টর ফসল](https://sarakhon.com/news/186377/): খোয়াই নদীর পানি বেড়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে দ্বিতীয় দফায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। রোববার বিকেলে বাঁধের ভাঙন দেখা দেয়। উজান থেকে ভারতের পানি আসায় খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় কালিগঞ্জ এলাকায় বাঁধটি ভেঙে যায়। জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লস্করপুর ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে উঠছে পরিবার বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি পরিবার সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। প্লাবনের কারণে বসতবাড়ির পাশাপাশি কৃষিজমিও পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের - [৩ লাখ ৬৫ হাজার টন সার কিনবে সরকার, ব্যয় ২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা](https://sarakhon.com/news/186370/): কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সারের পর্যাপ্ত মজুত ও সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে সৌদি আরব, রাশিয়া, মরক্কো, কানাডা ও দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান কাফকো থেকে মোট ৩ লাখ ৬৫ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এসব সার সংগ্রহে ব্যয় হবে প্রায় ২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। কেনা হবে ইউরিয়া, এমওপি, ডিএপি ও টিএসপি অনুমোদিত মোট সারের মধ্যে রয়েছে ৮০ হাজার টন ইউরিয়া, ১ লাখ ১৫ হাজার টন এমওপি, ৮০ হাজার টন ডিএপি এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি। সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি - [কেমোথেরাপি-রেডিওথেরাপিতে চারজনের তিনজনের বেশি এড়াতে পারবেন রেকটাম ক্যানসারের বড় অস্ত্রোপচার](https://sarakhon.com/news/186367/): রেকটাল ক্যানসারে আক্রান্ত বহু রোগীর জন্য বড় ধরনের অস্ত্রোপচার এড়িয়ে যাওয়ার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্যে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় দেখা গেছে, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির সমন্বিত চিকিৎসায় পাঁচজনের মধ্যে চারজন রোগীর রেকটাম বা মলাশয়ের শেষাংশ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে অনেক রোগী স্থায়ী কলোস্টমি ব্যাগ এবং অস্ত্রোপচারের দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পেতে পারেন। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহাম ও ইউনিভার্সিটি অব লিডসের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত স্টার-ট্রেক পরীক্ষায় এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণাটি ক্যানসার রিসার্চ ইউকে ও স্ট্যান্ড আপ টু ক্যানসারের অর্থায়নে পরিচালিত হয় এবং এর ফল প্রকাশিত হয়েছে দ্য ল্যানসেট অনকোলজিতে। চার হাজারের বেশি রোগীর জন্য নতুন - [মেঘনায় ধরা ২ কেজির ‘রাজা ইলিশ’ বিক্রি হলো ৮ হাজার ৫০০ টাকায়](https://sarakhon.com/news/186364/): ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ধরা পড়া ২ কেজি ওজনের একটি ‘রাজা ইলিশ’ ৮ হাজার ৫০০ টাকায় নিলামে বিক্রি হয়েছে। সোমবার স্থানীয় রামনওয়াজ মাছঘাটের বাচ্চু চৌধুরী পাইকারি মাছের বাজারে বড় আকৃতির এই ইলিশটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলে কিরণ মাঝি মেঘনা নদী থেকে ধরা বিশাল আকারের ইলিশটি নিলামের জন্য বাজারে নিয়ে আসেন। পরে কয়েকজন ব্যবসায়ীর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক দর হাঁকার পর মাছ ব্যবসায়ী ফিরোজ ৮ হাজার ৫০০ টাকায় ইলিশটি কিনে নেন। মেঘনায় জালে ধরা পড়ে বড় ইলিশ কিরণ মাঝি জানান, সোমবার সকালে মেঘনা নদীতে জাল ফেললে অন্যান্য ছোট আকারের ইলিশের সঙ্গে এই বড় মাছটিও ধরা পড়ে। এত বড় - [পাঁচ বছরে তালেবান: যা অর্জন করেছে, যা ব্যর্থ হয়েছে](https://sarakhon.com/news/186354/): আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিদেশি বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়ার সময় তালেবান আবার কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। সেই সময়ের বিশৃঙ্খলা, বিস্ফোরণ ও অনিশ্চয়তার তুলনায় আজকের কাবুল অনেক বেশি শান্ত ও স্বাভাবিক। তবে পাঁচ বছর পর তালেবানের শাসন মূল্যায়ন করলে অর্জনের পাশাপাশি বড় ধরনের ব্যর্থতাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নিরাপত্তায় বড় অর্জন তালেবানের তালেবানের প্রথম শাসনামলে সবচেয়ে বড় দুর্বলতাগুলোর একটি ছিল পুরো আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের বিরোধিতা অব্যাহত ছিল এবং পরবর্তী সময়ে সেসব এলাকাই বিদেশি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘাঁটিতে পরিণত হয়। এবার তালেবান সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেনি। বর্তমানে দেশটির পুরো ভূখণ্ড তাদের নিয়ন্ত্রণে। - [বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন অধ্যায়, বৈশ্বিক প্রভাব বাড়াতে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের ঘোষণা](https://sarakhon.com/news/186360/): বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নতুন একটি পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দৃশ্যমানতা, প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে যে কাজ করছিলেন, নতুন দায়িত্বকে তারই ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। কৌশলগত ভিত্তির ওপর নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা হুমায়ুন কবির বলেন, গত ছয় মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির জন্য একটি শক্তিশালী কৌশলগত কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এখন সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও - [ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৯৯৪ জন](https://sarakhon.com/news/186357/): দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন করে তিনজনের মৃত্যুর পর চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনই ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ২৪ ঘণ্টায় ৮৬২ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ফলে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমলেও নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রবণতা অব্যাহত - [হামে আক্রান্তের মৃত্যু ৯৩৮, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/186314/): হামে আক্রান্তের মতো উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নতুন পাঁচ মৃত্যুর সবকটিকেই সন্দেহভাজন হামে মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। এর ফলে চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩৮ জনে। সন্দেহভাজন মৃত্যু ৮৩৯, নিশ্চিত ৯৯ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পাঁচ মৃত্যুর পর দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৯ জনে। অন্যদিকে, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৪৯টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এতে চলতি বছরে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন - [পাকিস্তানে রাজস্বভিত্তিক ফেডারেল ব্যবস্থা ও স্থানীয় ক্ষমতা হস্তান্তর](https://sarakhon.com/news/186350/): বিশ্বব্যাংক পাকিস্তানকে বিদ্যমান রাজস্বভিত্তিক ফেডারেল ব্যবস্থার কাঠামো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মতে, বর্তমান ব্যবস্থা দেশটির দীর্ঘস্থায়ী আর্থিক সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাংকের ‘পাকিস্তানে রাজস্বভিত্তিক ফেডারেল ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার, প্রাদেশিক সরকার ও স্থানীয় সরকারের মধ্যে রাজস্ব ও আর্থিক ভারসাম্য পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। বর্তমানে চলমান একাদশ জাতীয় অর্থ কমিশনের পুরস্কার বা বণ্টন কাঠামো নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবেই এ কাজ করা আদর্শ হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর বড় ধরনের দায় চাপানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের কর্মসূচি পুরোপুরি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক ঘাটতি বাড়তে দিয়েছে। তাই কেন্দ্র, প্রদেশ ও স্থানীয় সরকারের ভূমিকা, - [জুলাইয়ে এডিপি বাস্তবায়ন ০.৬৯ শতাংশ, বাড়েনি গতি](https://sarakhon.com/news/186336/): চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ০.৬৯ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ হারও ০.৬৯ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এডিপি বাস্তবায়নের গতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন আইএমইডি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে এবং এডিপি বাস্তবায়নের মাসিক প্রতিবেদন তৈরি করে। জুলাইয়ে ব্যয় ২১১১ কোটি টাকা আইএমইডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো এডিপির আওতায় ২ হাজার ১১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। গত বছরের একই মাসে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ - [ত্রিপুরার ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৫০ হেক্টর জমি প্লাবিত, পানিবন্দি ৪০ পরিবার](https://sarakhon.com/news/186343/): ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে হঠাৎ নেমে আসা উজানের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ২৫০ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে চলে গেছে এবং কয়েক ডজন পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আখাউড়ার মোগড়া, দক্ষিণ ও মণিয়ন্দা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিকভাবে পানি বাড়তে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের হিসাবে বর্তমানে প্রায় ৩২টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জলাবদ্ধ হয়ে পড়া পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৪০। হঠাৎ উজানের পানিতে তলিয়ে গেছে বসতভিটা সরেজমিনে দেখা গেছে, আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের রাজিপুর খাল দিয়ে পানি ঢুকে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর, কেন্দুবাই, রহিমপুর ও - [তারেক রহমানই ‘আমাদের নজরুল’: সংসদীয় চিফ হুইপ মনি](https://sarakhon.com/news/186339/): বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তুলনা করেছেন সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে নজরুল যেমন মানুষের মাঝে বেঁচে আছেন, তেমনি বর্তমান সময়ে ‘আমাদের নজরুল’ হলেন তারেক রহমান। সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মনি। তিনি বলেন, নজরুল তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে বেঁচে আছেন। দেশের প্রতিটি ঘরে ও সর্বত্র মানুষ নজরুলকে খুঁজে বেড়ায়। একইভাবে বর্তমান সময়ে এমন একজন ব্যক্তিকে চিনতে হবে, যাঁকে তাঁরা ‘আমাদের নজরুল’ হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষায়, সেই ব্যক্তি হলেন - [মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে পররাষ্ট্রনীতিতে সাফল্যের সংকটে ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/186325/): ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ব্যয়বহুল অচলাবস্থায় আটকে আছে, ইউক্রেন থেকে গাজা—কোনো সংকটেরই স্থায়ী সমাধান আসেনি। এমন পরিস্থিতিতে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফিরে নিজেকে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী’ হিসেবে তুলে ধরলেও তাঁর উচ্চাভিলাষী পররাষ্ট্রনীতি এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। ক্ষমতায় ফেরার পর আন্তর্জাতিক সংঘাতের অবসানকে দ্বিতীয় মেয়াদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সময় যত গড়াচ্ছে, তাঁর কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর সাফল্যের বদলে অচলাবস্থাই বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ইরান সংকটে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা কয়েক সপ্তাহ চালানোর পর ট্রাম্প আলোচনা বাতিল করেছেন। বুধবার তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরুর ঘোষণা দেন। এতে অনেকের - [বাঁধাকপি সতেজ রাখতে ফরমালডিহাইড ব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তে চীন](https://sarakhon.com/news/186333/): বাঁধাকপি দীর্ঘদিন সতেজ রাখতে ফরমালডিহাইড ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে চীন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হেবেই প্রদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাঁধাকপি একটি দ্রবণে ডুবিয়ে ট্রাকে তোলার দৃশ্যসংবলিত একটি ভিডিও তারা যাচাই করে সত্যতা পেয়েছেন। পরিবেশবিষয়ক এক ব্লগার গত সপ্তাহে ভিডিওটি প্রকাশ করেন। এতে কয়েকজন ব্যক্তিকে বাঁধাকপি একটি দ্রবণে ডুবিয়ে পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করতে দেখা যায়। ফরমালডিহাইড একটি বর্ণহীন রাসায়নিক পদার্থ, যা জীবদেহের নমুনা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় এবং ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। খাদ্য সতেজ রাখতে এই রাসায়নিক ব্যবহার চীনে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ভিডিওতে দেখা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে - [দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সেই ফুটবল বিক্রি হলো ২৫ লাখ পাউন্ডে](https://sarakhon.com/news/186330/): ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়েগো মারাদোনার ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সময় ব্যবহৃত ফুটবলটি নিলামে ২৫ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-১ ব্যবধানের জয়ে মারাদোনা বিতর্কিত সেই গোলটি করেছিলেন। গোলরক্ষক পিটার শিলটনের মাথার ওপর দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়েছিলেন তিনি। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মারাদোনা বলেছিলেন, গোলটি হয়েছিল ‘মারাদোনার মাথা এবং ঈশ্বরের হাতের’ কিছুটা অবদানে। একই ম্যাচে শতাব্দীর সেরা গোল ওই ম্যাচেই মারাদোনা আরও একটি গোল করেন, যা পরে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে পরিচিতি পায়। মাঝমাঠের কাছ থেকে বল নিয়ে ইংল্যান্ডের পাঁচজন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোলরক্ষক শিলটনকে পরাস্ত করেন তিনি। মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ - [পাকিস্তানে নারী নেতৃত্বের সংকট, ক্ষমতায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব কোথায়?](https://sarakhon.com/news/186326/): পাকিস্তানে নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের চিত্র এখনো হতাশাজনক। শিক্ষা থেকে কর্মক্ষেত্র, প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারীরা পুরুষের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন। দেশটিতে বিপুলসংখ্যক মেয়ে এখনো বিদ্যালয়ের বাইরে, নারীদের প্রযুক্তি ব্যবহারে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে এবং নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে ঘটছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে। জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী হলেও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় তাদের উপস্থিতি এখনো অত্যন্ত সীমিত। নেতৃত্বে নারীদের ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রা তবে পাকিস্তানের ইতিহাসে নারী নেতৃত্বের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত রয়েছে। দেশটির প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতিমা জিন্নাহ স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি রাষ্ট্রপতি - [আফ্রিকায় ড্রোন প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত, এবার নজর নিয়ম-কাঠামো ও বাণিজ্যিক ব্যবহারে](https://sarakhon.com/news/186316/): আফ্রিকায় ড্রোন প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু প্রযুক্তি প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। মহাদেশটির আকাশপথে ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় উড়োজাহাজ ব্যবস্থাকে নিরাপদ, টেকসই ও বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন, অবকাঠামো, দক্ষ জনবল, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ কাঠামো তৈরির দিকে এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির সারিত প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দশম এভিয়েশন আফ্রিকা সম্মেলন ও প্রদর্শনীতে দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নেবে আফ্রিকান ড্রোন ফোরাম। এবারের আয়োজনে মূল লক্ষ্য থাকবে আফ্রিকার উদীয়মান নিম্ন-উচ্চতা আকাশ অর্থনীতিকে কীভাবে নিরাপদ ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা যায়, তা নিয়ে বাস্তবভিত্তিক আলোচনা। কিগালি থেকে নাইরোবি, বদলেছে আলোচনার বিষয় গত বছর কিগালিতে অনুষ্ঠিত - [ওয়াশিংটন ও বিস্তৃত যুদ্ধের মাঝে পাকিস্তান](https://sarakhon.com/news/186320/): ইরান যুদ্ধ শিগগির শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই; বরং এর পরিধি ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। এমন এক পরিস্থিতিতে পাকিস্তান নিজেকে এক জটিল ভূরাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে আবিষ্কার করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, অন্যদিকে চীন ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক, আর পাশাপাশি সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা—সব মিলিয়ে ইসলামাবাদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। যুদ্ধ থামার বদলে ছড়িয়ে পড়ছে এর আগে ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে না—এমন আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল। একই সময়ে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে তিন দেশের নিরাপত্তা-হুমকি সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। ফলে কোনো একটি দেশের যুদ্ধে অন্য দুই দেশ সরাসরি জড়িয়ে - [চরমপন্থার ক্ষত থেকে সম্প্রীতির শিক্ষা: ট্রাম্পের আমলে ওকলাহোমার ভিন্ন রাজনৈতিক পথ](https://sarakhon.com/news/186317/): যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিভাজন যখন ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, তখন ওকলাহোমা রাজ্যের কিছু রাজনৈতিক নেতা দলীয় বিভাজনের বাইরে গিয়ে সহনশীলতা ও রাজনৈতিক সৌজন্যের উদাহরণ তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। এর পেছনে রয়েছে প্রায় তিন দশক আগের এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার স্মৃতি, যা রাজ্যটির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীর ছাপ ফেলেছে। ওকলাহোমার রাজনৈতিক সৌজন্যের চর্চা রিপাবলিকান নেতা ডেভিড হল্ট, ওকলাহোমা সিটির মেয়র এবং রিপাবলিকান গভর্নর কেভিন স্টিট সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে মেয়র ও গভর্নরদের জাতীয় সংগঠনের নেতৃত্ব ছেড়েছেন। তাদের নেতৃত্বে এসব সংগঠনের সভায় ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান নেতাদের একসঙ্গে হাত মেলাতে, আলিঙ্গন করতে এবং অতিরিক্ত দলীয় রাজনীতির বিপদ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে। দুই নেতাই নিজ নিজ দলের বাইরে - [রিকনসিলিয়েশানের আগে সহযোগিতা:  প্রতিরোধের সামনে বাস্তবসম্মত পথ](https://sarakhon.com/news/186224/): মিয়ানমারের চিন জনগোষ্ঠীর বিভক্তি নতুন কোনো বাস্তবতা নয়। রাজনীতির অনেক আগে থেকেই দুর্গম ভূপ্রকৃতি এবং ৪০টির বেশি উপভাষা তাদের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে আলাদা করে রেখেছিল। কিন্তু ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া প্রতিরোধ সংগ্রাম চিনদের ইতিহাসের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় তাদের কাছাকাছি এনেছে। একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরে প্রতিরোধের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে নতুন কিছু বিরোধও তৈরি হয়েছে। তবু অভিন্ন স্বার্থ, মূল্যবোধ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সহযোগিতার একটি কার্যকর ভিত্তি এখনও রয়েছে। সমস্যা হলো, এই বিভাজন এখন শুধু চিন প্রতিরোধের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা নয়; এটি সামরিক শাসকদের জন্য কৌশলগত সুবিধায় পরিণত হয়েছে। চিনল্যান্ড কাউন্সিল, চিন ডিফেন্স ফোর্সেস, চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট, চিন - [সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক](https://sarakhon.com/news/186309/): সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল’ আঘাত হানার পর জাহাজটির মূল ডেকে আগুন ধরে গেছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে। ঘটনাটি সৌদি আরবের ইয়ানবু শহর থেকে প্রায় ৬৩ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে ঘটেছে। ইয়ানবু সৌদি আরবের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এবং ইয়েমেনের উত্তরে কয়েক শ কিলোমিটার দূরে। নিরাপদে সব নাবিক ইউকেএমটিও জানায়, অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ট্যাংকারটির মূল ডেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে জাহাজে থাকা সব ক্রু নিরাপদে আছেন এবং তাদের প্রত্যেকের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সমুদ্রে কোনো পরিবেশগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড - [মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ, ‘ভিভিআইপি সফরে এটাই স্বাভাবিক’ বলল ভারত](https://sarakhon.com/news/186301/): ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে গণমাধ্যমের কোনো প্রশ্ন না নেওয়ার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আগাম অনুরোধ করা হয়েছিল—এমন অভিযোগ ঘিরে অবস্থান পরিষ্কার করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, কোনো নেতার প্রকাশ্য উপস্থিতির আয়োজন নিয়ে আগে থেকে আলোচনা করা ভিভিআইপি সফরের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ও প্রচলিত প্রক্রিয়ার অংশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, এ ধরনের সফরে প্রকাশ্য অনুষ্ঠান ও গণমাধ্যমের উপস্থিতি নিয়ে আয়োজক পক্ষগুলোর মধ্যে নিয়মিত আলোচনা হয়। ভারতীয় পক্ষও এ ক্ষেত্রে ভিভিআইপি সফরের জন্য অনুসরণ করা তাদের প্রচলিত ব্যবস্থাপনার কথা জানিয়েছিল। ট্রাম্পের ‘অপ্রত্যাশিত’ আচরণ নিয়ে সতর্কতা ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রতিনিধি দলগুলো - [পারান্দুরে দ্বিতীয় চেন্নাই বিমানবন্দর বাতিল, বিজয়ের সিদ্ধান্তে স্ট্যালিনের তীব্র ক্ষোভ](https://sarakhon.com/news/186299/): তামিলনাড়ুর পারান্দুরে চেন্নাইয়ের দ্বিতীয় বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিল করায় মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগমের (ডিএমকে) সভাপতি এম কে স্ট্যালিন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে তামিলনাড়ুর উন্নয়নের জন্য ‘অপূরণীয় ধাক্কা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্ট্যালিন সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল কোনো পরিবর্তন নয়, বরং এটি তামিলনাড়ুর প্রবৃদ্ধিকে কয়েক বছর পিছিয়ে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে রাজ্যের বৃহত্তর স্বার্থকে উপেক্ষা করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত বিধানসভায় কোনো আলোচনা বা বিতর্কের সুযোগ না দিয়েই নেওয়া হয়েছে, যা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। বিধানসভার ১১০ নম্বর বিধির অধীনে - [দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি-ঝড়, ১৫টি ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলো](https://sarakhon.com/news/186296/): ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের কারণে সোমবার ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (আইজিআই) আসা ১৫টি ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি ফ্লাইট জয়পুরে, দুটি চণ্ডীগড়ে এবং একটি লখনৌতে পাঠানো হয়। জয়পুরে সরিয়ে নেওয়া ১২টি ফ্লাইটের মধ্যে তিনটি ছিল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত দিল্লি সোমবার দিনের শুরুতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লি, পূর্ব দিল্লি, শাহদারা, মধ্য দিল্লি, উত্তর-পূর্ব দিল্লি, দক্ষিণ দিল্লি, নয়াদিল্লি, দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি, পশ্চিম দিল্লি, উত্তর-পশ্চিম দিল্লি ও উত্তর দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বর্ষণ হয়েছে। বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে যানজটও তীব্র আকার ধারণ করে। বিমান - [ব্রাজিলে কংগ্রেসের ক্ষমতার দাপট: প্রেসিডেন্টের চেয়েও শক্তিশালী আইনসভা](https://sarakhon.com/news/186290/): বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গত এক দশকে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু ব্রাজিলে ঘটেছে উল্টোটা। দুর্বল প্রেসিডেন্টদের সময়ে আদালত ও বিশেষ করে কংগ্রেসের হাতে ক্ষমতা ক্রমেই কেন্দ্রীভূত হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যে অক্টোবরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে জিতবেন, তা নিয়েও কংগ্রেসের বড় অংশ খুব বেশি উদ্বিগ্ন নয়। ৪ অক্টোবরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮০ বছর বয়সী বামপন্থি বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং ৪৪ বছর বয়সী ফ্লাভিও বলসোনারো, সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে। ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের দায়ে জাইর বলসোনারো ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। একই দিনে নিম্নকক্ষের ৫১৩টি আসন এবং সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ আসনেও ভোট হবে। তবে বিদায়ী কংগ্রেসের - [উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল](https://sarakhon.com/news/186288/): উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর ওডিশার সংলগ্ন এলাকা এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওপর অবস্থান করছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঝোড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে স্থানীয় সতর্কসংকেত নম্বর ৩ বহাল রাখতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো আবহাওয়ার শঙ্কা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপটির প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ - [যুক্তরাষ্ট্রের পানি অবকাঠামোই এখন সাইবার হামলার সহজ লক্ষ্য](https://sarakhon.com/news/186286/): যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পানি অবকাঠামো ক্রমেই সাইবার হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর একটি হলেও পানি সরবরাহ ও বর্জ্যপানি ব্যবস্থার সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটির সক্ষমতা এখনো দুর্বল। চলতি গ্রীষ্মে অন্তত সাতটি অঙ্গরাজ্যের পানি ও বর্জ্যপানি স্থাপনায় হ্যাকারদের অনুপ্রবেশের ঘটনা সেই দুর্বলতাকেই সামনে এনেছে। ২৭ জুলাই মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসের কাছে ম্যাপল প্লেইন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। একই দিনে আটলান্টার দক্ষিণে প্রায় তিন লাখ মানুষকে পানি সরবরাহকারী ক্লেটন কাউন্টি ওয়াটার অথরিটি পানির চাপ কমে যাওয়ার পর গ্রাহকদের পানি ফুটিয়ে পান করার পরামর্শ দেয়। মোট ৩০টি কমিউনিটি পানি ব্যবস্থা আক্রান্ত হওয়ায় মিনেসোটা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে এসব হামলার সঙ্গে ইরান-সংশ্লিষ্ট - [যত্রতত্র বালু তোলায় ভয়াবহ নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতভিটা-ফসলি জমি](https://sarakhon.com/news/186283/): শেরপুরের নকলা উপজেলার চরাঞ্চলের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত মৃগী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বছরের পর বছর ধরে চলছে ভাঙন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নদীর বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র বালু উত্তোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ড্রেজার দিয়ে নদীর তলদেশে গভীর গর্ত করে বালু তোলায় নদীর গতিপথ বদলে গেছে। ফলে বর্ষাকালের ভাঙন এখন অনেকটা বছরজুড়েই স্থায়ী রূপ নিয়েছে। নদীভাঙনে বিলীন বসতভিটা-ফসলি জমি চন্দ্রকোনা ও চরঅষ্টধার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। ভারতের মেঘালয় ও গারো পাহাড়ের পাদদেশ থেকে উৎপত্তি হওয়া মৃগী নদী শেরপুর হয়ে নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা ও চরঅষ্টধার দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। কয়েক বছর ধরে নদীটি পূর্ব দিক থেকে গতিপথ পরিবর্তন করে উত্তর দিকে এগিয়ে - [ভালো ফলনেও আউশের দামে হতাশ হবিগঞ্জের কৃষক, মণ ৭০০–৮০০ টাকা](https://sarakhon.com/news/186280/): আউশ মৌসুমে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ধানের ফলন ভালো হলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, আউশ মৌসুমে সরকারি ধান সংগ্রহ না হওয়া এবং বাজারে ফড়িয়া ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে উৎপাদিত ধানের দাম কমে গেছে। বর্তমানে প্রতি মণ আউশ ধান ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও বাড়েনি ধানের দাম কৃষকদের ভাষ্য, সার, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি, জমি প্রস্তুত, সেচ, ধান কাটা, মাড়াই ও পরিবহন—প্রায় প্রতিটি পর্যায়েই খরচ বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় ধানের দাম বাড়েনি। ফলে ভালো ফলন পেয়েও অনেক কৃষক লাভের মুখ দেখছেন না। তেলিয়াপাড়ার কৃষক মো. আমজাদ বলেন, - [সুন্দরবনে বনদস্যুদের হানা, ট্রলারসহ ৫ জেলে অপহরণ](https://sarakhon.com/news/186277/): বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে পৃথক স্থান থেকে পাঁচ জেলেকে ট্রলারসহ অপহরণ করে নিয়ে গেছে বনদস্যুরা। শনিবার রাতে বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর থেকে সুন্দরবনের শ্যালার চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। অপহরণের পর থেকে জেলেদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অস্ত্রের মুখে জেলেবহরে হামলা সুন্দরবনের শ্যালার চর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েকটি মাছ ধরার ট্রলার সাগর থেকে উঠে শ্যালার চরের কালামিয়া ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা সেখানে হামলা চালায়। দস্যুরা অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুল - [তিন মাসে আইপিএসের দাম বেড়েছে ৩২ শতাংশ, চার্জার ফ্যানেও ৫০ শতাংশ ঊর্ধ্বগতি](https://sarakhon.com/news/186274/): চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটের পাশাপাশি ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও ভ্যাপসা গরমে বিদ্যুৎবিহীন সময় কাটানো কঠিন হয়ে উঠেছে। ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি সামাল দিতে আইপিএস, ব্যাটারি, চার্জার ফ্যান ও বৈদ্যুতিক চুলার দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। তবে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব পণ্যের দামও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে আইপিএসের দাম গড়ে প্রায় ৩২ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে আইপিএস ব্যাটারির দাম বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে চার্জার ফ্যানের, প্রায় ৫০ শতাংশ। গ্যাস সংকটের কারণে বৈদ্যুতিক চুলার দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আইপিএস ও ব্যাটারির বাজারে বড় ধাক্কা - [এমপিওভুক্তির দাবিতে শহীদ মিনারে শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান](https://sarakhon.com/news/186270/): নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করার দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বাংলাদেশ নন-এমপিও (বেতন-বিহীন) শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংগঠনটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময় ও স্থানে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশের অনুমতিপত্রে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শহীদ মিনারে অবস্থান ও মানববন্ধন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখে সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন - [পূর্ববর্তী রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য তানিম সুফিয়ানী অব্যাহতি](https://sarakhon.com/news/186267/): পূর্ববর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যের পর বিএনপির মিডিয়া সেলের ডিজিটাল টিমের গ্রাফিক্স ডিজাইনার তানিম সুফিয়ানীকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের সই করা এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিএনপি মিডিয়া সেলের ডিজিটাল টিমের সদস্য তানিম সুফিয়ানীর পূর্ববর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এসব বিষয় পেশাগত স্বচ্ছতা, পারস্পরিক আস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে বিবেচনা করা হয়েছে। ২৪ আগস্ট থেকেই অব্যাহতি কার্যকর বিএনপি মিডিয়া সেলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ আগস্ট ২০২৬ থেকে - [ক্যামেরুনে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৭](https://sarakhon.com/news/186264/): ক্যামেরুনে আন্তঃনগর বাসের সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। রোববার দেশটির লিতোরাল অঞ্চলের সানাগা-মেরিতিম বিভাগের সিকুম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দাফন থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে দৌআলা শহরের একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ছিলেন। তারা একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিয়ে নিজ এলাকায় ফিরছিলেন। পথে বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সানাগা-মেরিতিম বিভাগের পরিবহনবিষয়ক প্রতিনিধি এস্তার এনগো ইয়েম্বা জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হন এবং আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। চালকের ঘুমিয়ে পড়াকেই দায়ী করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ক্যামেরুন ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, - [সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্পে ব্রিটিশ সহায়তা কাটছাঁট, দুই বছর আগেই বন্ধ হচ্ছে কার্যক্রম](https://sarakhon.com/news/186260/): ব্রিটেনের বৈদেশিক সহায়তা বাজেট কমানোর সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে হাজারো ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ পরিকল্পিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি গত কয়েক বছরে গড়ে তোলা কার্যক্রমের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সহায়তা বাজেট মোট জাতীয় আয়ের দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৩ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের প্রকল্পে। জলবায়ু মোকাবিলায় অর্থায়ন কমে যাওয়াকে অনেক পর্যবেক্ষক গুরুতর মানবিক সংকট হিসেবে দেখছেন। সুন্দরবন প্রকল্পে বড় ধাক্কা ব্রিটিশ উন্নয়ন সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন ২০২৩ সাল থেকে সুন্দরবন এলাকায় একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ বাস্তবায়ন করে - [শেরপুরে পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের সাড়ে ১৪ ঘণ্টা পর মিলল সন্ধান](https://sarakhon.com/news/186257/): শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ভোররাতে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের মধ্য নকশি গ্রামের একটি পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। নিহত দুই শিশু হলো ওই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রোহান মিয়া (৭) এবং এবাদুল ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬)। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা। নিখোঁজের পর খোঁজাখুঁজি পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরের দিকে রোহান ও ইসমাইল নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তারা বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও শিশু দুটির সন্ধানে বিভিন্ন - [নুসরাত হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের সাজা আমৃত্যু কারাদণ্ড](https://sarakhon.com/news/186254/): ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আরও চার আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার বাকি ১০ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ড বহাল দুই আসামি হাইকোর্ট যে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন তারা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলা এবং শাহাদাত হোসেন ওরফে শামীম। মামলার বিচারিক আদালতের রায়ের পর আসামিদের করা আপিল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ - [দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-ঝড়ের পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা](https://sarakhon.com/news/186251/): দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে অস্থায়ী দমকা হাওয়া এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। বৃষ্টির কারণে দেশের সর্বত্র দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে আসতে পারে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কয়েকটি জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে। কোথায় বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী - [ইমরানকে হাসপাতালে নেওয়ার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, সরকারের বিরুদ্ধে ৮ আইনজীবীর প্রতিবাদ](https://sarakhon.com/news/186248/): পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের ১৮ আগস্টের আদেশ সরকার ‘প্রকাশ্য, ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন করেছে’ বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তান বার কাউন্সিলের আট সদস্য। শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ ছিল স্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন এবং বাধ্যতামূলক। কিন্তু নির্বাহী বিভাগ সেই আদেশ উপেক্ষা করে আদালতের নির্দেশনার সরাসরি অবমাননা করেছে। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা, আবিদ শহীদ জুবেরি, মুহাম্মদ মাকসুদ বাট্টার, শফকত মাহমুদ চৌহান, মুনির আহমেদ কাকার, আবদুল সাত্তার খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং কাজী মুহাম্মদ আরশাদ। আদালতের আদেশ অমান্য গুরুতর আঘাত আট সদস্য বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার কোনো - [তীব্র গরমে লাহোরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, দুর্ভোগে নগরবাসী](https://sarakhon.com/news/186243/): তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়া, অনিয়মিত লোডশেডিং এবং দীর্ঘ সময়ের নির্ধারিত বিদ্যুৎ বন্ধে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দারা। দিনের পাশাপাশি সন্ধ্যা ও রাতের সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি তৈরি করছে। লাহোরের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরে বিদ্যুৎ ট্রিপ করা ও অনিয়মিত লোডশেডিং বেড়ে গেছে। বিশেষ করে জোহর টাউন, ইচরা, ওল্ড আনরাকলি, রহমানপুরা, গুলবার্গ, মুলতান রোড, ঠোকর নিয়াজ বেগ, চুবুরজি, বাতাপুরের আশপাশ, শাহদরা ও মাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন গ্রাহকেরা। সন্ধ্যা হলেই বাড়ছে বিদ্যুতের সংকট জোহর টাউনের এক বাসিন্দা জানান, গত কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যা ও রাতের দিকে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে - [করাচির অমীমাংসিত আবাসন সংকট](https://sarakhon.com/news/186240/): সাশ্রয়ী মূল্যের পরিকল্পিত আবাসনের সংকটের কারণে করাচির মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশেরও বেশি মানুষ এখন অনানুষ্ঠানিক বসতিতে বসবাস করছে। ১৯৪৭ সালের আগস্টে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় করাচি ছিল প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার মানুষের একটি শহর। কয়েক মাসের মধ্যেই শহরটির জনসংখ্যায় নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। দেশভাগের পর ভারত থেকে কয়েক লাখ মুসলিম শরণার্থী আশ্রয়, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তার সন্ধানে নতুন দেশের রাজধানীতে এসে পৌঁছান। এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে ধারণ করার জন্য করাচির অবকাঠামো, আবাসন এবং জনসেবার ব্যবস্থা কখনোই তৈরি ছিল না। আজকের করাচির আবাসন সংকটের শিকড় সেই স্বাধীনতার পরের প্রথম কয়েক বছরেই নিহিত। নতুন প্রতিষ্ঠিত সরকার এমন এক জরুরি পরিস্থিতির - [সংলাপের প্রস্তাব কি কেবলই লোকদেখানো?](https://sarakhon.com/news/186237/): প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আবারও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে তিনি অর্থনীতির অগ্রগতি ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার স্বার্থে বিরোধীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আলোচনার জন্য দুই পক্ষেরই প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, এখন বিরোধীরা কত দ্রুত গঠনমূলক সংলাপে সম্মত হয়, সেটিই দেখার বিষয়। এর কয়েক দিন আগেও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সিনেটে বিরোধীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, সমস্যার সমাধান নির্ভর করছে আন্তরিকতার ওপর। একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ, আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার এবং চৌধুরী বিরোধীদলীয় সিনেট ও জাতীয় পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অন্যান্য রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা - [ইতিহাস থেকে না শেখা ভুলের পুনরাবৃত্তি](https://sarakhon.com/news/186232/): পাকিস্তানে বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট সরকার দেশটির সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত প্রাদেশিক কাঠামো পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক এককের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এই উদ্যোগের পক্ষে সরকারের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে এমন কিছু যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, যেন নতুন প্রদেশ তৈরি করলেই শাসনব্যবস্থা উন্নত হবে এবং দেশের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে। প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন এবং প্রদেশ ভাগ করার সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলেও এখনো সংসদে এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। বিষয়টি অবশ্য খুব একটা বিস্ময়কর নয়। কারণ বর্তমান সংসদে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও মতবিনিময়ের চর্চা খুব একটা দেখা যায় না। অতীতেও সাংবিধানিক সংশোধন দ্রুততার সঙ্গে, কখনো গভীর রাতে, যথেষ্ট আলোচনা ছাড়াই - [বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ভারত, রাজনীতি চলবে নিজস্ব পথে](https://sarakhon.com/news/186230/): বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বেসরকারি খাতের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ভারত। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক নিজস্ব গতিতে চলবে, তবে জনগণের স্বার্থে ব্যবসা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া জরুরি। সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা সম্পর্ক আরও জোরদার করা প্রয়োজন। রাজনীতি তার নিজস্ব পথে চলবে, কিন্তু দুই দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করা উভয় পক্ষের দায়িত্ব। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী। সময়কে তার নিজস্ব গতিতে এগোতে দিয়ে দুই দেশের মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ - [এক ইয়াসমিনে যে দেশ জেগেছিল, শত ইয়াসমিনে আজ কেন নীরব?](https://sarakhon.com/news/186220/): ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরের একটি রাস্তার পাশে পড়ে থাকা ১৪ বছরের কিশোরী ইয়াসমিন আক্তারের মরদেহ শুধু একটি পরিবারের শোকের প্রতীক হয়ে থাকেনি; সেটি হয়ে উঠেছিল রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সমাজের কাছে একটি কঠিন প্রশ্ন। যে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব ছিল একজন অসহায় কিশোরীকে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া, তাদের বিরুদ্ধেই উঠেছিল ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ। সেই ঘটনার প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাতজন, আহত হন তিন শতাধিক মানুষ। ইয়াসমিনের বিচার দাবির সেই আন্দোলন পরে দেশের নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকে পরিণত হয়। ৩১ বছর পর ২৪ আগস্ট আবারও ইয়াসমিনকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ। কিন্তু আজকের প্রশ্নটি শুধু ইয়াসমিনকে - [অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে গ্রামকেই করতে হবে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র](https://sarakhon.com/news/186217/): শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি পুনর্গঠনের আলোচনা যতবার হয়েছে, ততবারই আমরা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, আর্থিক শৃঙ্খলা, ঋণ ব্যবস্থাপনা কিংবা নগরকেন্দ্রিক বিনিয়োগকে সামনে এনেছি। এগুলো প্রয়োজনীয়—এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন আমাদের আরও গুরুত্ব দিয়ে করা উচিত: দেশের যে বিপুল জনগোষ্ঠী গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল, তাদের উৎপাদনশীলতা ও সম্পদ সৃষ্টির ক্ষমতা না বাড়িয়ে কি সত্যিই একটি শক্তিশালী জাতীয় অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব? আমার দৃষ্টিতে, শ্রীলঙ্কার জন্য এর উত্তর হলো না। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে কেবল দারিদ্র্য বিমোচনের বিষয় হিসেবে দেখার সময় শেষ হয়েছে। এটিকে জাতীয় উৎপাদন, আয়, সম্পদ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে দেখতে হবে। এখানেই আমি একটি ‘তৃতীয় পথের’ প্রয়োজন - [টিনুবুর মাদক-সংক্রান্ত নথি গোপনে আদালতে জমা দেওয়ার অনুমতি এফবিআইকে](https://sarakhon.com/news/186215/): মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবুকে ঘিরে পুরোনো মাদক-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের মামলায় নতুন মোড় এসেছে। মার্কিন একটি ফেডারেল আদালত দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে সংবেদনশীল তদন্ত-নথি গোপনে আদালতের কাছে জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। ওয়াশিংটনে ফেডারেল জেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক বেরিল এ. হাওয়েল এ অনুমতি দেন। এর ফলে তদন্ত সংস্থা সংশ্লিষ্ট নথি ও ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশ না করে সরাসরি বিচারকের কাছে গোপনীয়ভাবে জমা দিতে পারবে। এরপর বিচারক নিজেই পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন, এসব নথি তথ্য অধিকার আইনের আওতায় প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক কি না। ২৮ আগস্টের মধ্যে চূড়ান্ত অবস্থান আদালত একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য ২৮ আগস্টের - [২০২৭ সালের নির্বাচনে দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-দক্ষিণাঞ্চলকে ঘিরে টিনুবু শিবিরের নতুন হিসাব](https://sarakhon.com/news/186200/): নাইজেরিয়ায় ২০২৭ সালের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবুর দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ, নিরাপত্তা সংকট এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ভোটারদের মনোভাবের পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলকে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করছে টিনুবুর প্রচারশিবির। অর্থনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ টিনুবুর পুনর্নির্বাচন প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের বরাতে জানা গেছে, সরকারের নেওয়া অর্থনৈতিক সংস্কার এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ প্রচারণা দলের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। প্রচারশিবিরের এক সদস্য পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে টিনুবুকে জয়ী করতে হলে সরকারকে বেশ কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। তার ভাষ্য - [নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় সহিংসতা, তীব্র সমালোচনার মুখে প্রেসিডেন্ট টিনুবু](https://sarakhon.com/news/186197/): নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলে একের পর এক হামলা, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবুর সরকারের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা ও নাগরিক অধিকারকর্মীদের দাবি, দক্ষিণ কাদুনাসহ মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় খ্রিস্টান জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলেও সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। হামলার ধরন নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, রাতের আঁধারে গ্রামে হামলা, ব্যাপক অপহরণ এবং প্রাণঘাতী সহিংসতা অব্যাহত থাকলেও কেন্দ্রীয় সরকার এসব ঘটনাকে ধর্মীয় নিপীড়ন হিসেবে স্বীকার করতে অনাগ্রহী। বরং এসব সংঘাতকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পশুপালক ও কৃষকের বিরোধ কিংবা সাধারণ সশস্ত্র অপরাধ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এভাবে সংঘাতের ধর্মীয় ও জাতিগত মাত্রাকে আড়াল করা - [নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চাপে ইরান, স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান](https://sarakhon.com/news/186195/): নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার চাপে ইরানের অর্থনীতি যখন আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখে, তখন দেশটির সাধারণ মানুষ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, মানুষের দুর্ভোগ কমাতে তার সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, সমাজে বর্তমানে বহু সমস্যা রয়েছে এবং সরকার সেগুলো সম্পর্কে অবগত। পরিস্থিতি যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন কাজ করছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারছি, এই মুহূর্তে আমাদের সমাজে অনেক সমস্যা রয়েছে। আমরা যতটা সম্ভব সেগুলো প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছি।” অর্থনীতি, সামরিক ও নিরাপত্তায় একসঙ্গে চাপ পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন - [বার্লিন প্রাচীর নির্মাণের ৬৫ বছর: স্মরণে নানা আয়োজন, ব্রান্ডেনবুর্গ ফটকে শিল্পস্থাপনা](https://sarakhon.com/news/186192/): বার্লিন প্রাচীর নির্মাণের ৬৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ১৩ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত নানা স্মরণানুষ্ঠান, জাদুঘরভিত্তিক কর্মসূচি, প্রদর্শনী এবং শিল্পস্থাপনার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে শহরের ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবুর্গ ফটকের সামনে স্থাপিত বিশাল শিল্পকর্মটি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। প্রায় ৩০ মিটার দীর্ঘ এবং প্রায় ৩ মিটার উঁচু এই শিল্পস্থাপনাটি দেখতে অনেকটা বার্লিন প্রাচীরের মতো হলেও এটি প্রাচীরটির হুবহু প্রতিরূপ নয়। আয়োজকদের মতে, এর নকশার মাধ্যমে সাবেক সীমান্তপ্রাচীরের ভয়াবহতা তুলে ধরার পাশাপাশি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে—একসময় যে প্রাচীর বার্লিনকে বিভক্ত করেছিল, শেষ পর্যন্ত সেটি শহরটিকে চিরস্থায়ীভাবে আলাদা করে রাখতে পারেনি। দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেই বদলে যায় শিল্পকর্মের রূপ বিশেষ ধরনের উপাদান ব্যবহার করে তৈরি - [ঠিকানা না থাকলেও ভোট দিতে পারবেন গৃহহীনরা, বার্লিনে বিশেষ উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/186189/): স্থায়ী ঠিকানা নেই, থাকেন অস্থায়ী আশ্রয়ে কিংবা রাস্তায়—তবুও ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না বার্লিনের গৃহহীন মানুষ। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর বার্লিনের রাজ্য আইনসভা নির্বাচনে স্থায়ী বাসস্থান বা নিবন্ধিত ঠিকানা না থাকা ব্যক্তিরাও ভোট দিতে পারবেন। তবে এ অধিকার প্রয়োগ করতে হলে তাদের নিজেদের উদ্যোগ নিয়ে ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন করতে হবে। বার্লিনের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা স্টেফান ব্র্যোখলার জানিয়েছেন, গৃহহীন ও অস্থায়ী আবাসনে থাকা মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। তাই তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ২৮ আগস্টের মধ্যে ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন ১৭ আগস্ট থেকে গৃহহীন ব্যক্তিদের ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এজন্য তাদের - [মিসর-জর্ডানের নতুন পর্যটন জোট, এক সফরেই মিলবে দুই দেশের ঐতিহ্যের স্বাদ](https://sarakhon.com/news/186186/): মিসর ও জর্ডান পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছে। দুই দেশের মধ্যে যৌথ পর্যটন কর্মসূচি চালু, প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যৌথভাবে পর্যটন প্রচারের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি মিসরের গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়ামে দেশটির পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্বমন্ত্রী শরিফ ফাতহি জর্ডানের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্বমন্ত্রী ইমাদ আল-হাজাজিন এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জর্ডানের মন্ত্রী বর্তমানে মিসর সফরে রয়েছেন। এক সফরেই মিসর ও জর্ডান বৈঠকে মিসর ও জর্ডানের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও অভিজ্ঞতাকে একত্র করে একটি যৌথ পর্যটন প্যাকেজ তৈরির প্রস্তাব গুরুত্ব পায়। এর লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে দুই দেশকে একই - [গাজার আকাশে যুদ্ধ কমলেও বদলে যাচ্ছে মানচিত্র](https://sarakhon.com/news/186181/): ২০২৫ সালের অক্টোবরে গাজায় কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি যুদ্ধের তীব্রতা কমিয়েছিল, কিন্তু সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারেনি। এর কয়েক মাস পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ দ্রুত গাজা থেকে সরে ইরানের দিকে চলে যায়। সেই সময় গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলতে থাকে এবং ভেতরের নিয়ন্ত্রণরেখাও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে থাকে। বিশ্বের দৃষ্টি যখন অন্যদিকে, তখন গাজার মাটিতে বদলে যেতে থাকে বাস্তবতা। এই পরিবর্তন সরাসরি ইরান যুদ্ধের কারণে হয়েছে—এমন দাবি করার সুযোগ নেই। তবে আন্তর্জাতিক নজরদারি ও চাপ কমে যাওয়ায় গাজায় ইসরায়েলের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য তুলনামূলকভাবে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। যুদ্ধবিরতি, কিন্তু যুদ্ধের পুরোপুরি - [তুরস্কে রোবোটিক অস্ত্রোপচার শিখবেন মিশরের ২০ চিকিৎসক](https://sarakhon.com/news/186177/): মিশরের স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষ তুরস্কে ২০ জন মিশরীয় চিকিৎসককে রোবোটিক অস্ত্রোপচার, ক্যাথেটারভিত্তিক চিকিৎসা এবং আধুনিক হৃদ্‌রোগের জটিল চিকিৎসাপদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মিশরের স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থার সাধারণ তত্ত্বাবধায়ক আহমেদ এল-সোবকি কায়রোয় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত সালিহ মুৎলু শেনের সঙ্গে বৈঠকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। তুরস্কে মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক প্রতিনিধিদল সফরের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি মিশরের স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষ, কোচ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং চিকিৎসা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিকের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় পরিচালিত হবে। এর - [কারাগার থেকে নির্বাসন: তালেবানের দমননীতির বিরুদ্ধে এক আফগান নারীর অবিচল লড়াই](https://sarakhon.com/news/186174/): মাজার-ই-শরিফের নারী অধিকারকর্মী সামিয়া শেরজাদ হাজারো আফগান নারীর একজন, যাঁদের জীবন ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আমূল বদলে গেছে। স্বাধীনতা, শিক্ষা, কাজ ও সমান অধিকারের দাবিতে রাজপথে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন থেকে শুরু করে তালেবানের কারাগারে বন্দিত্ব—এরপর বাধ্যতামূলক নির্বাসন; সামিয়ার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় যেন আফগান নারীদের ওপর চলা দমন-পীড়নের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। প্রতিবাদের রাজপথ থেকে কারাগারে ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর সামিয়া ও তাঁর সহযোদ্ধারা নীরব থাকেননি। তাঁরা রাস্তায় নেমে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাধীনভাবে চলাফেরা এবং মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার দাবি করেন। সামিয়ার ভাষায়, তাঁদের প্রতিবাদ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। কিন্তু সেই প্রতিবাদের জবাব আসে সহিংসতার মাধ্যমে। অস্ত্র ও - [দক্ষিণ আফগানিস্তানে নারীর কণ্ঠ স্তব্ধ, সংবাদমাধ্যমে নেই কোনো নারী সাংবাদিক](https://sarakhon.com/news/186170/): আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার, হেলমান্দ, জাবুল ও উরুজগান প্রদেশে সংবাদমাধ্যম থেকে নারীদের উপস্থিতি পুরোপুরি হারিয়ে গেছে। বর্তমানে এসব প্রদেশের কোনো সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে একজন নারী সাংবাদিকও কর্মরত নেই। একসময় যেসব নারী সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ, প্রতিবেদন তৈরি এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় সক্রিয় ছিলেন, তাদের কেউ দেশ ছেড়েছেন, আবার কেউ কাজ হারিয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন। একসময় কর্মচঞ্চল ছিল নারীদের সংবাদকক্ষ কান্দাহারের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের এক সাংবাদিক জানান, প্রজাতান্ত্রিক সরকার পতনের আগে প্রদেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রায় ২৫ জন নারী সাংবাদিক কাজ করতেন। তারা নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান উপস্থাপন করতেন। তাদের মাসিক বেতন ছিল প্রায় ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার - [তালেবান শাসনে ছেলেদের পোশাকে কাজ, ১৩ বছরের আফগান কিশোরী  আটক](https://sarakhon.com/news/186166/): আফগানিস্তানে জীবিকার তাগিদে ছেলেদের পোশাক পরে কাজ করার অভিযোগে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে আটকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে তালেবানের এক সদস্যের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়ে নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে এবং কাজ করার কারণ ব্যাখ্যা করতে দেখা যায়। ঘটনাটি দেশটিতে নারী ও কিশোরীদের ওপর ক্রমবর্ধমান বিধিনিষেধ এবং তাদের জীবিকার সংকট নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভিডিওতে কিশোরীটি নিজের নাম নোরিয়া বলে পরিচয় দেয়। সে জানায়, ছেলেদের পোশাক পরে ‘নূর আহমাদ’ নামে প্রায় তিন বছর ধরে একটি খাবারের দোকানে কাজ করছিল। বাবার মৃত্যুর পর বোনদের ভরণপোষণের দায়িত্ব তার ওপর এসে পড়ায় অর্থ উপার্জনের জন্যই সে এই ছদ্মবেশ নিয়েছিল বলে - [বাস্তুচ্যুতি ও খাদ্যসংকটে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে নারী ও শিশুরা](https://sarakhon.com/news/186163/): আফগানিস্তানে দীর্ঘদিনের খাদ্যসংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাস্তুচ্যুতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ক্রমবর্ধমান অপুষ্টি। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা এই বহুমাত্রিক সংকটের সবচেয়ে বড় শিকার হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালের বিশ্ব খাদ্য দিবসকে সামনে রেখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির খাদ্যসংকট, স্বাস্থ্যব্যবস্থার অবনতি এবং অপুষ্টির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নারীদের অধিকার ও স্বাধীনতার ওপর ক্রমবর্ধমান বিধিনিষেধ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। খাদ্যের অভাবের পাশাপাশি চিকিৎসা ও পুষ্টিসেবায় প্রবেশাধিকারও অনেক পরিবারের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ভয়াবহ বন্যায় ধ্বংস উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তান ২০২৪ সালের ১০ ও ১১ মে উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে প্রবল বৃষ্টিপাতের পর আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। বাগলান, বাদাখশান ও তাখার প্রদেশের ২১টি জেলা ভয়াবহভাবে - [যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ পেরিয়ে নারীরাই লিখছেন আশা, সাহস ও পুনর্গঠনের গল্প](https://sarakhon.com/news/186160/): যুদ্ধ যখন কোনো দেশের আকাশ অন্ধকার করে দেয়, তখন তার সবচেয়ে গভীর ক্ষতগুলো সবসময় যুদ্ধক্ষেত্রে দেখা যায় না। সেই ক্ষত ছড়িয়ে পড়ে মানুষের ঘর, পরিবার, শিক্ষা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের ভেতরেও। আর সেই দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার সবচেয়ে ভারী বোঝা বহন করেন অনেক সময় নারী ও শিশুরাই। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার নারী অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজনে অংশ নিতে গিয়ে এক তরুণী বসনীয় নারীর সঙ্গে কথোপকথনের সুযোগ হয়েছিল। আলমিনা হাজরাদিনোভিচের স্মৃতিচারণ শুধু তাঁর দেশের যুদ্ধদিনের ইতিহাস নয়; বরং তা হয়ে উঠেছিল হারিয়ে যাওয়া জীবন, টিকে থাকার অদম্য শক্তি এবং ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাসের এক মানবিক গল্প। বসনিয়া ও আফগানিস্তানের ইতিহাস এক নয়। তাদের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংঘাতের ধরন - [লিবিয়া–মিসরের জ্বালানি, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা](https://sarakhon.com/news/186156/): লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দিবেইবাহ ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং লিবিয়ার চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। মিসরের আল-আলামাইন শহরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি লিবিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিভিন্ন উদ্যোগ গুরুত্ব পায়। জ্বালানি ও অবকাঠামোতে সহযোগিতা বৈঠকে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, তেল ও গ্যাস খাত, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশ এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেয়। বৈঠকে মিসরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা মাদবুলি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এবং সাধারণ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হাসান রাশাদ উপস্থিত ছিলেন। লিবিয়ার রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব দিবেইবাহ ও আল-সিসি লিবিয়ার রাজনৈতিক অগ্রগতিও - [সেজানের নতুন যুগের শরৎ সংগ্রহে বদলে যাচ্ছে ফরাসি ফ্যাশনের পরিচিত চেহারা](https://sarakhon.com/news/186151/): ফরাসি ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেজান ১৩ বছরের পথচলার পর এবার প্রবেশ করছে নতুন এক অধ্যায়ে। প্রতিষ্ঠাতা মর্গান সেজালোরির ব্যক্তিগত রুচি ও পোশাকের ভাবনা থেকেই গড়ে ওঠা এই ব্র্যান্ডের শরৎ সংগ্রহে এবার দেখা যাচ্ছে আরও পরিণত, শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী নকশা। স্বতঃস্ফূর্ত যাত্রা থেকেই বিশ্বজয় সেজান প্রতিষ্ঠার শুরুতে মর্গান সেজালোরির লক্ষ্য ছিল প্রচলিত অর্থে কোনো বড় ব্র্যান্ড তৈরি করা নয়। পুরোনো পোশাক ও পছন্দের নকশা নিয়ে কাজ করতে করতেই তাঁর সৃজনশীল উদ্যোগ ধীরে ধীরে পোশাক তৈরির দিকে এগিয়ে যায়। সেখান থেকেই জন্ম নেয় সেজানের স্বতন্ত্র নান্দনিকতা। সেজালোরির ভাষায়, তিনি মূলত নিজের জন্য অর্থবহ একটি কাজের পথ তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নয়, বরং - [২০০০-এর দশকের পুরোনো ফ্যাশনে আবার ফিরলেন রিহানা](https://sarakhon.com/news/186148/): গ্রীষ্মের পোশাকে ছোট প্যান্ট, ঢিলেঢালা হাফপ্যান্ট কিংবা জিনসের নানা ধরন নিয়ে যখন ফ্যাশন দুনিয়ায় চলছে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, তখন রিহানা বেছে নিলেন একেবারে চেনা পুরোনো ধাঁচ। নিউইয়র্কে সঙ্গী এএসএপি রকি ও সন্তানদের সঙ্গে বের হওয়ার সময় তাঁকে দেখা গেল গাঢ় রঙের ডেনিমের ছোট স্কার্টে। সেই পোশাকেই যেন আবার ফিরে এল ২০০০-এর দশকের রিহানার পরিচিত ফ্যাশন। পুরোনো দিনের ছোঁয়ায় নতুন সাজ রিহানার পরনে ছিল ডেনিমের ছোট স্কার্ট, যার ভেতরের পকেটের অংশ ও কাঁচা প্রান্ত ইচ্ছাকৃতভাবেই দৃশ্যমান রাখা হয়েছিল। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন উজ্জ্বল গোলাপি রঙের ক্রীড়াধাঁচের জ্যাকেট। জ্যাকেটের কলার তুলে রাখার ধরনটিও মনে করিয়ে দিয়েছে ২০০০-এর দশকের পোশাকের কথা। পায়ের সাজে ছিল সাপের - [চীনের নতুন বৈজ্ঞানিক সাফল্য, গাছের রোগ প্রতিরোধে তৈরি হলো কৃত্রিম রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/186145/): চীনা গবেষকেরা উদ্ভিদের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সন্ধান পেয়েছেন। তাঁদের দাবি, নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম এমন একটি কৃত্রিম ও প্রোগ্রামযোগ্য রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। নতুন এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ফসলের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকজনিত রোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রোগজীবাণু শনাক্ত করবে কৃত্রিম গ্রহণকারী গবেষকদের তৈরি কৃত্রিম রোগপ্রতিরোধ গ্রহণকারী উদ্ভিদের কোষে যুক্ত করা সম্ভব। এসব গ্রহণকারী নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের তৈরি প্রোটিন শনাক্ত করতে পারবে। কোনো রোগজীবাণুর উপস্থিতি শনাক্ত হলেই উদ্ভিদের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এর ফলে কোনো নতুন রোগ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রচলিত পদ্ধতিতে দীর্ঘ সময় ধরে রোগপ্রতিরোধী জাত - [চীনের বৈঠকের আগে ‘আমেরিকা প্রথম’ নীতিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/186142/): চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার বৈঠকের আগে ‘আমেরিকা প্রথম’ নীতিকে সামনে রেখে নিজেদের বাণিজ্যিক স্বার্থ জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বৈঠক এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন কয়েক সপ্তাহ পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেশটির ‘আমেরিকা প্রথম’ নীতি বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। মার্কিন ব্যবসার জন্য নতুন সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কেসি ম্যাস। প্রতিনিধিরা কৃষি, মৎস্য, জ্বালানি, পরিবহন, স্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তার মতো খাতে মার্কিন - [চীনা সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে মার্কিন গবেষকদের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের ক্ষোভ](https://sarakhon.com/news/186139/): চীনের শেষ সাম্রাজ্য চিং রাজবংশের ইতিহাস নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে ওঠা একটি গবেষণাধারার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বেইজিং। চীনা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এই ইতিহাসচর্চা দেশকে বিভক্ত করার প্রচেষ্টায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জন্য ‘তাত্ত্বিক অস্ত্র’ সরবরাহ করছে। চিং রাজবংশের ইতিহাস ঘিরে অনলাইনে বিতর্ক ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ১৬৪৪ থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত চীনে শাসন করা এই রাজবংশের পরিচয়, জাতিগত বৈচিত্র্য এবং চীনা রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যা এখন দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতারও অংশ হয়ে উঠেছে। ‘নিউ চিং হিস্ট্রি’ নিয়ে আপত্তি চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের একটি সাম্প্রতিক নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিকশিত ‘নিউ চিং হিস্ট্রি’ বা ‘নতুন চিং ইতিহাস’ ধারার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। নিবন্ধটিতে দাবি করা হয়, - [মার্কিন এআই সরবরাহব্যবস্থা সুরক্ষার উদ্যোগ ব্যর্থ হবে: চীনা শিক্ষাবিদ](https://sarakhon.com/news/186135/): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সরবরাহব্যবস্থা-সংক্রান্ত উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য বলে মন্তব্য করেছেন চীনের বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিজ্ঞানী ঝেং ইয়ংনিয়ান। একই সঙ্গে চীনের স্বল্পমূল্যের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ব্যবহারে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবেশাধিকার সীমিত করার প্রচেষ্টাও উল্টো ফল দেবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। চীনা এই শিক্ষাবিদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি খাতে চীনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যে জোট ও বিধিনিষেধমূলক কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। বরং এসব পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিতে বিভাজন আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। রোববার এক সম্মেলনে চীনের হংকং বিশ্ববিদ্যালয়, শেনঝেনের জননীতি বিদ্যালয়ের ডিন ঝেং ইয়ংনিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন কাঠামো সরাসরি তৃতীয় একটি পক্ষকে লক্ষ্য করে - [চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ভরসা বাড়ছে আফ্রিকার ব্যবসায়, পাশে রাখছে পশ্চিমাকেও](https://sarakhon.com/news/186132/): যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রতিযোগিতা যত তীব্র হচ্ছে, আফ্রিকার অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ততই বাস্তববাদী কৌশল নিচ্ছে। তারা কোনো একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার বদলে যে প্রযুক্তি তুলনামূলক ভালো সুবিধা, কম খরচ বা বেশি নমনীয়তা দিচ্ছে, সেটিই ব্যবহার করছে। ফলে চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলো আফ্রিকার ব্যবসায়িক পরিসরে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে। আফ্রিকার প্রযুক্তি খাতের এই প্রবণতা দেখিয়ে দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রযুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে লাভ, কার্যকারিতা ও ব্যবহারিক সুবিধাই অনেক প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। চীনা প্রযুক্তির দিকে নজর আফ্রিকার প্রতিষ্ঠানের এর একটি উদাহরণ নাইজেরিয়াভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কুরাসেল। আফ্রিকার বিমা ও আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দাবি যাচাই - [চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফ খুঁজতে চীনের চাং’এ-৭ অভিযান স্থগিত](https://sarakhon.com/news/186129/): চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফের সন্ধান ও নমুনা সংগ্রহের লক্ষ্যে চীনের বহুল প্রতীক্ষিত চাং’এ-৭ অভিযান নির্ধারিত সময়ে উৎক্ষেপণ হচ্ছে না। নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের পর অভিযানটি স্থগিত করেছে চীন। চীনের মানব মহাকাশযান কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ রোববার জানিয়েছে, চলতি বছরের নির্ধারিত উৎক্ষেপণ সময়সীমার মধ্যে চাং’এ-৭ অভিযান পরিচালনার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এর উৎক্ষেপণ সম্ভব হচ্ছে না। অভিযানটি সোমবারের প্রথম দিকে উৎক্ষেপণের কথা ছিল। দক্ষিণ চীনের ওয়েনচাং মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে দীর্ঘ মার্চ-৫ রকেটে করে এটি মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। চাং’এ-৭ অভিযানে একটি কক্ষপথযান, একটি অবতরণযান, একটি চলনযান এবং একটি লাফিয়ে চলা অনুসন্ধানযান থাকার কথা। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ - [প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের স্বীকৃতির অপেক্ষায় থাকবেন না, ভালো বাবা-মা হওয়ার প্রমাণ দিতে গিয়ে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে](https://sarakhon.com/news/186126/): সন্তান যখন বড় হয়ে নিজের জীবন নিয়ে এগিয়ে যায়, তখন অনেক বাবা-মায়ের মনে একটি অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়—একদিন সন্তান হয়তো বলবে, ‘তুমি খারাপ বাবা-মা ছিলে না, তুমি তোমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলে।’ কিন্তু সেই স্বীকৃতি সবসময় পাওয়া যায় না। কখনো সন্তান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও পরবর্তী কোনো বিরোধ, দূরত্ব বা নীরবতা সেই কথাগুলোকে যেন মুছে দেয়। তখন বাবা-মা আবারও নিজেদের ভালোবাসা ও ত্যাগের প্রমাণ দিতে শুরু করেন। পরিবারের আদালতে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা অনেক বাবা-মা প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের কাছে বারবার ব্যাখ্যা দিতে থাকেন—তারা কেন বেশি কাজ করেছেন, দাম্পত্য জীবনে কী কী সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছেন কিংবা সন্তানের জন্য বছরের পর বছর কত কিছু করেছেন। - [কর্মজীবী বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়ালে লাভবান হয় প্রতিষ্ঠানও](https://sarakhon.com/news/186122/): করোনাভাইরাস মহামারির পর কর্মক্ষেত্র ও কর্মীদের পারিবারিক জীবনের সম্পর্ক অনেকটাই বদলে গেছে। ঘরে বসে কাজের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে দিয়েছে, চাকরি ও পরিবারের দায়িত্বকে সব সময় আলাদা করে রাখা সম্ভব নয়। মহামারি শেষ হলেও নমনীয় কর্মব্যবস্থার চাহিদা কমেনি। বিশেষ করে সন্তান বা বয়স্ক পরিবারের সদস্যের দেখভালের দায়িত্ব থাকা কর্মীরা এমন কর্মপরিবেশ চান, যেখানে পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি পারিবারিক প্রয়োজনের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এই বাস্তবতায় ব্যবস্থাপকদের শুধু নিজেদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য রক্ষা করলেই হবে না, কর্মীদের পারিবারিক পরিস্থিতিও বুঝতে হবে। একজন কর্মীর সন্তান হঠাৎ কর্মস্থলে চলে আসা, বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা পরিচর্যাকারী না পাওয়ার মতো পরিস্থিতি এখন আর পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়। পরিবারবান্ধব - [দুই পক্ষের আকাশযুদ্ধে ব্যবহৃত রুশ যুদ্ধবিমান সু-২৭-এর বিস্ময়কর কাহিনি](https://sarakhon.com/news/186119/): সোভিয়েত আমলে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৫ ঈগলকে মোকাবিলার জন্য তৈরি হয়েছিল শক্তিশালী সু-২৭। অথচ ইতিহাসের এক অদ্ভুত পরিণতিতে একই যুদ্ধবিমান একসময় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসায় পরিণত হয়, আবার রাশিয়ার পক্ষেও একই ধরনের যুদ্ধবিমান আকাশযুদ্ধে ব্যবহৃত হতে থাকে। দীর্ঘ পরিসর, শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং অসাধারণ ক্ষিপ্রতার কারণে সু-২৭ আজও সামরিক বিমান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। এফ-১৫কে টেক্কা দেওয়ার লক্ষ্য ১৯৬৯ সালে সোভিয়েত বিমানবাহিনী নতুন একটি যুদ্ধবিমান তৈরির নির্দেশ দেয়। মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৫ ঈগলের চেয়ে উন্নত একটি বিমান তৈরি করা। প্রাথমিক নকশা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রধান নকশাবিদ মিখাইল সিমোনভ ১৯৭৭ সালে পুরো প্রকল্প নতুন করে শুরু করেন। তিনি প্রায় শূন্য থেকে নকশা - [উচ্চ আদালতে শুল্ক মামলার আগে স্বাধীন যাচাই চালু করল এফবিআর](https://sarakhon.com/news/186115/): উচ্চ আদালতে শুল্কসংক্রান্ত মামলা করার আগে সেগুলোর আইনি ভিত্তি ও প্রয়োজনীয়তা স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের জন্য নতুন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা চালু করেছে পাকিস্তানের ফেডারেল বোর্ড অব রেভিনিউ। নতুন এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো মামলার মান উন্নত করা, আইনি সিদ্ধান্তে সামঞ্জস্য আনা এবং দুর্বল বা অপ্রয়োজনীয় মামলা কমানো। চারটি কমিটি গঠন নতুন নিয়মের মাধ্যমে ২০০১ সালের শুল্ক বিধিমালায় সংশোধন আনা হয়েছে এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার জন্য চারটি স্বাধীন মামলা যাচাই কমিটি গঠন করবে বোর্ড। কোনো শুল্ক কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে রেফারেন্স কিংবা সুপ্রিম কোর্ট বা ফেডারেল সাংবিধানিক আদালতে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে মামলাটি উপস্থাপন করতে হবে। প্রথম - [বিশ্ববাজারের মূল্যঝুঁকিতে পাকিস্তানের খাদ্যনিরাপত্তা](https://sarakhon.com/news/186113/): পাকিস্তানে খাদ্যপণ্যের দাম আগামী মাসগুলোতে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বাড়তে পারে—কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সতর্কবার্তা দেশটির অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির পেছনে এখন শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ কারণ নয়, বরং আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও পণ্যবাজারের অস্থিরতাও বড় ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক সংকটের চাপ এসে পড়ছে খাদ্যবাজারে আঞ্চলিক সংঘাত এবং উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে জ্বালানি ও সার উৎপাদনের ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে পরিবহন ও পণ্যবাহী জাহাজের ভাড়াও বাড়ছে। এসব অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ হয়ে সাধারণ ভোক্তার খাদ্যপণ্যের দামে গিয়ে যুক্ত হচ্ছে। জ্বালানির দাম বাড়লে সার উৎপাদন ও কৃষিপণ্য পরিবহনের ব্যয় বেড়ে - [তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধে গভীর সংকটে আফগান নারীরা](https://sarakhon.com/news/186110/): আফগানিস্তানে তালেবানের কঠোর বিধিনিষেধে নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বৈষম্য, বাল্যবিবাহ, পারিবারিক সহিংসতা এবং নিরাপত্তাহীনতা বৃদ্ধির কথা উঠে এসেছে। নারীদের স্বাধীন চলাফেরা ও সামাজিক অংশগ্রহণও নানা বিধিনিষেধের কারণে ক্রমেই সীমিত হয়ে পড়ছে। অধিকার ও স্বাধীনতায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর নারীদের ওপর একের পর এক কঠোর নীতি আরোপ করা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এসব নীতির ফলে নারীরা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন নিয়ম পরিবর্তন ও কঠোরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে নারীদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ আরও সংকুচিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নারীদের পারিবারিক ও আইনি অধিকার নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বাল্যবিবাহ ও পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা নিয়ে - [স্পান্তিক চূড়ায় তুষারঝড়ে থমকে গেল পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধারের অভিযান](https://sarakhon.com/news/186107/): পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তানের স্পান্তিক চূড়া থেকে পর্বতারোহী চিকিৎসক আসما মুশতাকের মরদেহ উদ্ধারের অভিযান ভারী তুষারপাত ও প্রবল বাতাসের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দুর্গম ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ছয় সদস্যের উদ্ধারকারী দল ফিরে এসেছে ৩৪ বছর বয়সী আসমা মুশতাক গত বৃহস্পতিবার স্পান্তিক পর্বতের চূড়া থেকে নামার সময় প্রায় ৬ হাজার ২৫০ মিটার উচ্চতায় উচ্চতাজনিত অসুস্থতায় মারা যান। তাঁর মরদেহ বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতায় তৃতীয় শিবিরে রয়েছে। ছয় সদস্যের উচ্চতাভূমির উদ্ধারকারী দল দ্বিতীয় শিবিরে পৌঁছে তৃতীয় শিবিরের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রবল তুষারপাত, বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাসের কারণে পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে - [শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে নকল করলেও ধরতে পারেন অধ্যাপক, ‘পুরোনো শেয়াল’ স্টিভ হ্যাঙ্কের দাবি](https://sarakhon.com/news/186104/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন কথোপকথনভিত্তিক যন্ত্র ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভ হ্যাঙ্কে বলছেন, এতে তিনি মোটেও বিচলিত নন। বরং শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিয়েছে কি না, তা শনাক্ত করা তার কাছে বেশ সহজ। প্রায় ছয় দশক ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হ্যাঙ্কে নিজেকে এ বিষয়ে একজন ‘পুরোনো শেয়াল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার দাবি, শিক্ষার্থীর নিজের লেখা আর যন্ত্রের তৈরি লেখার মধ্যে পার্থক্য তিনি খুব সহজেই বুঝতে পারেন। শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক দক্ষতাই বড় সূত্র প্রয়োগমূলক অর্থনীতির এই অধ্যাপক বলেন, বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর লেখার মান এমনিতেই খুব দুর্বল। এমনকি নামী - [টিকটকে ভুল করে ব্যক্তিগত বার্তা চলে যাচ্ছে? বিপদ এড়াতে যা জানা দরকার](https://sarakhon.com/news/186101/): টিকটকে ভিডিও দেখতে গিয়ে হঠাৎ পরিচিত কারও কাছে সেটি ব্যক্তিগত বার্তা হিসেবে চলে যাচ্ছে—এমন বিব্রতকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন অনেক ব্যবহারকারী। বিশেষ করে এমন ভিডিও ভুল করে পাঠিয়ে গেলে, যা প্রাপককে পাঠানোর কোনো ইচ্ছাই ছিল না, তখন পরিস্থিতি বেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে। প্রযুক্তিবিষয়ক এক প্রতিবেদনে এমনই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদকের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি টিকটক ব্যবহার করার সময় একাধিকবার অনিচ্ছাকৃতভাবে পরিচিত একজনের কাছে ভিডিও পাঠিয়ে ফেলেছেন। ভিডিওগুলোর মধ্যে ছিল প্রেম, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, কলেজজীবনের সম্পর্ক ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত নানা বিষয়—যেগুলোর কোনোটিই তিনি ওই পরিচিত ব্যক্তিকে পাঠাতে চাননি। মাত্র এক চাপেই চলে যেতে পারে ভিডিও সমস্যাটির একটি কারণ হতে পারে ভিডিওর পাশে থাকা - [২০০ ডলারের উড়োজাহাজের টিকিটে পানামা, তারপর সেখানেই স্থায়ী বসতি](https://sarakhon.com/news/186098/): যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা থেকে মাত্র ২০০ ডলারের একমুখী উড়োজাহাজের টিকিট কেটে পানামায় গিয়েছিলেন ক্রিস্টেন ক্রকেট। তখনও তিনি জানতেন না, সেই আকস্মিক ভ্রমণই তাঁর জীবনের বড় সিদ্ধান্তের পথ খুলে দেবে। পানামা শহরে গিয়ে দেশটির পরিবেশ, জীবনযাত্রা ও মানুষের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে শেষ পর্যন্ত সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এই নারী। ক্রকেটের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে। জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি ওহাইও, নিউইয়র্ক, শার্লট ও আটলান্টায় বসবাস করেছেন। সন্তান বা স্বামী না থাকায় নিজের ইচ্ছামতো নতুন জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই একসময় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাসের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। হঠাৎ পানামার কথা মনে হলো কোস্টারিকা, ব্রাজিল ও কলম্বিয়াসহ - [ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা আলোচনা দ্রুত শুরুর আশা সিরিয়ার](https://sarakhon.com/news/186095/): ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে স্থগিত হয়ে থাকা আলোচনা শিগগিরই আবার শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে সিরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে আস্থার সংকট থাকলেও কূটনীতির দরজা এখনো খোলা রয়েছে। তিনি ইসরায়েলকে এই মুহূর্তকে একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। দামেস্কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাইবানি বলেন, সিরিয়ার প্রধান অগ্রাধিকার হলো ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করা। এ জন্য নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে আস্থা তৈরির কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন। ইরান যুদ্ধের পর আলোচনা স্থগিত ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে স্থগিত রয়েছে। তবে শাইবানি মনে করছেন, শিগগিরই দুই পক্ষ আবার আলোচনার - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য জলছাপ মুছতে তৈরি সরঞ্জাম, ভাইরাল হয়ে বিপাকে নির্মাতা](https://sarakhon.com/news/186090/): প্যারিসের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা গিয়োম মেয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টায় তৈরি করেছিলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি লেখায় থাকা অদৃশ্য জলছাপ শনাক্ত ও তা ভেঙে দেওয়ার একটি মুক্ত উৎসের সরঞ্জাম। কিন্তু প্রকাশের পর সেটি যে এত দ্রুত বিশ্বজুড়ে আলোচনায় চলে আসবে, তা তিনি নিজেও ভাবেননি। মেয়ার প্রযুক্তি খাতে দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি লেখা শনাক্ত করতে অ্যানথ্রপিক অদৃশ্য জলছাপ ব্যবহারের ঘোষণা দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন তিনি। এরপর জলছাপটি কীভাবে কাজ করে এবং তা সরানো সম্ভব কি না, তা পরীক্ষা করতে নিজের সরঞ্জাম তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। পাঁচ ঘণ্টায় তৈরি, কয়েক দিনেই বিশ্বজুড়ে আলোচনায় মেয়ারের দাবি, প্রথম সংস্করণ - [বন্ধুদের সঙ্গে খরচ ভাগাভাগিতে জেন-জিদের জন্য দুই সহজ নিয়ম, যা বাঁচাবে সম্পর্ক ও পকেট](https://sarakhon.com/news/186089/): বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া কিংবা ঘোরাঘুরির পর কে কত টাকা দেবে—এ নিয়ে হিসাব মেলানো অনেক সময় বন্ধুত্বের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যখন জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে, তখন নিজের খরচের প্রতি সতর্ক থাকা স্বাভাবিক। তবে একেবারে সামান্য অঙ্কের টাকাও যদি বন্ধুদের কাছে বারবার দাবি করা হয়, তাতে সম্পর্কের উষ্ণতা নষ্ট হতে পারে। সম্প্রতি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে খরচ ভাগাভাগির ধরন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে খাবার, যাতায়াত কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানোর পর কে কত টাকা দিয়েছে, তার নিখুঁত হিসাব রাখার প্রবণতা অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। সব হিসাব নিখুঁতভাবে মেলাতে হয় না বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরায় - [ব্রিটেনের আশ্রয়নীতি কি এখন নিয়ন্ত্রণের বদলে বিভ্রান্তির প্রতীক?](https://sarakhon.com/news/186082/): ব্রিটেনের আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা দেশটির অভিবাসননীতির একটি গভীর অসঙ্গতি সামনে এনেছে। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগের মধ্যেই সরকার এখন এমন মানুষদের জন্য নির্দেশিকা তৈরি করছে, যারা ব্রিটেনে এসে কীভাবে দেশটির আইন ও সামাজিক নিয়ম মেনে চলবেন, তা জানতে পারবেন। বিষয়টি কেবল প্রশাসনিক দুর্বলতার নয়; বরং ব্রিটেনের সীমান্তনীতি কতটা কার্যকর এবং বাস্তবসম্মত, সেই প্রশ্নও সামনে আনছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের কিছু সিদ্ধান্ত সাহসী ও বাস্তবসম্মত হলেও অনিয়মিত নৌপথে অভিবাসন বন্ধের মূল লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি। সংখ্যায় কিছুটা কমতি থাকলেও ব্রিটিশ জনমতের বড় অংশ চায়, ছোট নৌকায় করে অবৈধভাবে প্রবেশের এই প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হোক। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত এক বছরে এই পথে - [জেসন আরডের বেদনাময় পরিণতি: মেধা, বর্ণ ও অভিজাত একাডেমিয়ার অদৃশ্য দেয়াল](https://sarakhon.com/news/185966/): জেসন আরডের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে যত আলোচনা সামনে আসছে, তার সবটুকু হয়তো কখনোই জনসমক্ষে পরিষ্কার হবে না। একজন ৪১ বছর বয়সী বাবা, সন্তান, ভাই, চাচা, বন্ধু ও সহকর্মীর আকস্মিক মৃত্যু যে পরিবার ও স্বজনদের জন্য কত গভীর শোকের, বাইরে থেকে তার পূর্ণ মাত্রা উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে মানবিক অবস্থান হওয়া উচিত—অজানা তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো চূড়ান্ত রায় না দেওয়া। কিন্তু আরডের জীবন ও তার মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া বিতর্ক এমন কিছু প্রশ্ন সামনে এনেছে, যেগুলো কেবল একজন ব্যক্তির পেশাগত ব্যর্থতা বা বিতর্ক দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ণ, সামাজিক ক্ষমতা, একাডেমিক মর্যাদা এবং - [এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে](https://sarakhon.com/news/186086/): ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বার্ষিক সাধারণ সভায় বড় ধরনের নির্বাচনী সাফল্য পেয়েছে পাকিস্তান-সমর্থিত প্যানেল। ভারত-সমর্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলকে হারিয়ে এসিসির পরিচালনা পর্ষদের তিনটি পদেই জয় পেয়েছেন পাকিস্তান-সমর্থিত প্রার্থীরা। ২৩ আগস্ট থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় পরিচালনা পর্ষদের তিনটি পরিচালক পদে নির্বাচন হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল পাকিস্তান ও ভারত-সমর্থিত দুটি প্যানেল। ঘনিষ্ঠ লড়াইয়ের পর তিনটি আসনেই জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান-সমর্থিত প্যানেল। পাকিস্তান-সমর্থিত প্যানেলের তিন প্রার্থী ছিলেন কাতার, সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপের প্রতিনিধি। এসিসি সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সমর্থন ছিল এই প্যানেলের পেছনে। অন্যদিকে, সভায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) সহসভাপতি রাজীব শুক্লা। এসিসিতে - [সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল](https://sarakhon.com/news/186074/): ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা কমিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে সোমবার বেইজিং যাচ্ছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সীমান্তবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ওয়াং ইয়ের সঙ্গে ২৫তম দফার বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে বসবেন তিনি। ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-চীন সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আলোচনার জন্য ২০০৩ সালে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের এই কাঠামো গড়ে তোলা হয়। দীর্ঘদিনের এই বিরোধের সমাধান এখনো হয়নি। তবে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মতে, সীমান্তকে ঘিরে বারবার তৈরি হওয়া উত্তেজনা মোকাবিলায় এই প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনাপদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সীমান্তে শান্তি সম্পর্ক উন্নয়নের শর্ত ডোভাল-ওয়াং বৈঠকের আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সীমান্ত - [বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের](https://sarakhon.com/news/185920/): ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নতুন প্রজন্ম বা জেন জি ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়ে কটাক্ষ করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বিজেপির নতুন জেন জি প্রচার কর্মসূচি এবং এতে দায়িত্ব পাওয়া নেতাদের নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ দাস বিজেপির এই উদ্যোগকে ব্যঙ্গ করে বলেন, জেন জির কাছে পৌঁছানোর জন্য বিজেপি যে ‘দারুণ মুখগুলো’ বেছে নিয়েছে, তার জন্য তিন দফা করতালি প্রাপ্য। বিজেপির তরুণবিরোধী মন্তব্যের প্রসঙ্গ সৌরভ দাস বিশেষভাবে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের আগের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, নিতিন নবীন একসময় তরুণ প্রজন্মকে ‘ভাইরাস’ ও ‘ককরোচ’ - [ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম](https://sarakhon.com/news/186061/): তীব্র গরম ও আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের মধ্যে ঝিনাইদহের দুটি হাসপাতালে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও হামসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে দুই শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপের সঙ্গে ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও সংকটপূর্ণ করে তুলেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় গরম ও বদ্ধ ওয়ার্ডে অসুস্থ শিশুদের দুর্ভোগ বেড়েছে। ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে ১৯৭ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে মাত্র ৪৬টি। হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে ৮০ জন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। ৯৭ জন ডায়রিয়া ও ভাইরাসজনিত সংক্রমণে ভুগছে। এ ছাড়া হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে আরও ২০ শিশু। - [ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল](https://sarakhon.com/news/186067/): ঢাকার গুলশান-বনানী কূটনৈতিক এলাকায় কয়েকটি দূতাবাসে অর্থ দাবি করে ই-মেইল পাঠানোর পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। কূটনীতিক ও বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকায় বসবাস করায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই রোববার ডিএমপির ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কূটনৈতিক এলাকা সব সময় নজরদারির মধ্যে রয়েছে। কূটনীতিক ও বিভিন্ন দেশের ভিআইপিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের শিথিলতা আনা হয়নি। তিনি বলেন, কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা কখনোই শিথিল করা যায় না। বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। অর্থ দাবির ই-মেইল ভুয়া গোষ্ঠীর দূতাবাসগুলোতে অর্থ - [ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২](https://sarakhon.com/news/186064/): দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ৮৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ময়মনসিংহ বিভাগের রোগী রয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রায় দুই হাজার নতুন রোগী ভর্তি হওয়ার পর বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ হাজার ৯৫১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা - [চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা](https://sarakhon.com/news/186058/): চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চত্বর থেকে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিএডিসি গোডাউন থেকে এনে উপজেলা চত্বরে অরক্ষিত অবস্থায় রাখা এসব সার থেকে ৫৪ বস্তা খোয়া গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। সার নিতে এসে স্বাক্ষর করার পর চুরির খবর জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কৃষকরা। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক প্রণোদনার সার নিতে উপজেলা চত্বরে জড়ো হন। সংশ্লিষ্টরা তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়ার পর জানান, বরাদ্দের সার চুরি হয়ে গেছে। এ কারণে সেদিন সার দেওয়া সম্ভব হবে না এবং পরদিন এসে সার নিতে হবে। স্বাক্ষর নেওয়ার পর চুরির - [গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস](https://sarakhon.com/news/186045/): গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া ও কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেড। গত ২২ আগস্ট থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। গ্যাস সংকটে প্রথম তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কারখানা বন্ধ সাম্প্রতিক গ্যাস সংকটের কারণে কোনো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফু-ওয়াং ফুডসই প্রথম কারখানা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দেওয়া এক প্রকাশনায় প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছয় মাস কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে গ্যাস সংকটের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক চাপে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। গত দুই অর্থবছরে কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি তারা। এমনকি বার্ষিক সাধারণ সভাও আয়োজন করতে না পারায় - [গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা](https://sarakhon.com/news/186051/): রাজধানীতে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজি, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার চালকেরা। বিভিন্ন এলাকার সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোর থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময়ে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস না পাওয়ায় কর্মঘণ্টা হারানোর পাশাপাশি আয়-রোজগার নিয়েও বিপাকে পড়েছেন। রবিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বাড্ডা, রামপুরা, মিরপুর, গাবতলীসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গ্যাস সংকটের তীব্রতা দেখা যায়। বেশ কিছুদিন ধরে চলা সংকট আরও বেড়েছে বলে জানান চালকেরা। অনেক পাম্পে সরবরাহ বন্ধ থাকলেও গ্যাস পাওয়ার আশায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে অসংখ্য যানবাহনকে। মিরপুরে দীর্ঘ অপেক্ষা গাবতলী, কল্যাণপুর, কালশী, - [ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে বাংলাদেশের খরচ](https://sarakhon.com/news/186048/): ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন একটি চার্জ যুক্ত হতে যাচ্ছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসএনএ) চার্জ দাবি করেছে ভারত। হারটি তুলনামূলকভাবে কম হলেও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির কারণে দীর্ঘমেয়াদে এর আর্থিক প্রভাব পড়তে পারে। এ বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে এসএনএ চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি সইয়ের বিষয়ে মতামত চেয়ে গত ১৮ আগস্ট অর্থ বিভাগে চিঠি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, চুক্তি করতে দেরি হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। চার্জ নির্ধারণের - [হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, দেশে হাম-সংশ্লিষ্ট মৃত্যু ৯৩৩](https://sarakhon.com/news/186036/): হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর ফলে চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩৩ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মারা যাওয়া তিন শিশুর মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৪। আর নিশ্চিতভাবে হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৯ জনে। নতুন করে হাজারের বেশি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ৯৭টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে। এতে চলতি বছরে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের মোট সংখ্যা - [রংপুরে মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, দুই বন্ধু নিহত](https://sarakhon.com/news/186042/): রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের রংপুরের পাগলাপীর এলাকার ঠাকুরপাড়া এলাকায় মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের বাছুরবন্দা গ্রামের লালমন রায়ের ছেলে সূর্য রায় (১৯) এবং শোলেয়াশাহ লালচাঁদপুর গ্রামের পোদার রায়ের ছেলে গাদ্দু রায় (১৮)। দুপুরে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন দুই বন্ধু প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে সূর্য ও গাদ্দু একটি মোটরসাইকেলে শোলেয়াশাহ বাজার থেকে পাগলাপীরের দিকে রওনা হন। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন সূর্য, আর পেছনে ছিলেন গাদ্দু। দুপুর ২টার দিকে তারা ঠাকুরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাস তাদের মোটরসাইকেলকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে দুই বন্ধু গুরুতর আহত - [অর্ধেকের বেশি মানুষ যেখানে অদৃশ্য সেখানে “পিপল টু পিপল” কূটনীতি কি সম্ভব?](https://sarakhon.com/news/186032/): আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখল করার পরে সেখানে নারীদের শিক্ষা থেকে শুরু করে মোবাইল ব্যবহার, একা চলাচল সবই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যার ফলে আফগানিস্তান নামক রাষ্ট্রটিতে- রাষ্ট্রে ও সমাজে নারীরা মূলত অনুপস্থিত। রাষ্ট্র নিয়ে মতামত প্রকাশ ও স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার যেখানে একটি বিশেষ শ্রেণির, লিঙ্গের, বর্ণের বা মতাদর্শের থাকে না সেখানে তাদেরকে রাষ্ট্র বা সমাজ থেকে এক ধরনের অদৃশ্যই বলা চলে। আফগানিস্তানে নারীদের পাশাপাশি আরও একটি শ্রেণি এ মুহূর্তে অদৃশ্য। তারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, আধুনিক ও আফগানিস্তানের ঐতিহ্যগত কালচারে বিশ্বাসী আভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি। আফগান আধুনিক বাদশাহ আমানুল্লাহকে হটিয়ে বাচ্চা সাকাওর নেতৃত্বে একটি দুর্বৃত্ত অস্ত্রধারী গোষ্ঠী ক্ষমতা নেওয়া, তার পরে সোভিয়েত আগ্রাসন, আমেরিকান আগ্রাসন ও তার সঙ্গে - [অ্যালগরিদম কি একদিন সত্যিই চেতনা অনুভব করবে?](https://sarakhon.com/news/186033/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি একদিন শুধু মানুষের মতো কথা বলবে না, বরং নিজেকে অনুভবও করবে? সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভেতরে এমন কিছু কার্যক্রমের সন্ধান মিলেছে, যা মানুষের চেতনা নিয়ে দীর্ঘদিনের বৈজ্ঞানিক ধারণার সঙ্গে কিছুটা মিল রাখে। তবে গবেষকেরা এখনো বলছেন না যে কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সত্যিই সচেতন হয়ে উঠেছে। বরং নতুন অনুসন্ধানটি আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে—অ্যালগরিদম কি কোনো এক পর্যায়ে জেগে উঠতে পারে? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভেতরে কী ঘটে অ্যানথ্রপিকের ক্লড সনেট ৪.৫ মডেল নিয়ে একটি পরীক্ষায় গবেষকেরা সেটিকে একই সময়ে এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত গুনতে এবং গভীরভাবে নিজের কার্যক্রম নিয়ে ভাবতে বলেন। মডেলটি স্বাভাবিকভাবেই এক, দুই, তিন, চার, - [গাড়ি বিক্রেতা থেকে বেলজিয়ামের রাজপুত্র, ডিএনএ পরীক্ষায় বদলে গেল পরিচয়](https://sarakhon.com/news/186021/): বেলজিয়ামে এক গাড়ি বিক্রেতার জীবনে ডিএনএ পরীক্ষার ফল এনে দিয়েছে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন। ২৬ বছর বয়সে ক্লেমঁ ভানদেনকারখোভে জানতে পারেন, তিনি দেশটির রাজপরিবারের সদস্য এবং প্রিন্স লরাঁর জৈবিক সন্তান। ডিএনএ পরীক্ষায় পিতৃত্বের ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ মিল পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে নিজের ছেলে হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন প্রিন্স লরাঁ। দীর্ঘদিনের গোপন সম্পর্ক ক্লেমঁর মা ফ্লেমিশ গায়িকা ভেন্ডি ভান ভান্তেন, যার আসল নাম ইরিস ভানদেনকারখোভে। ১৯৯০-এর দশকে প্যারিসের একটি ফ্যাশন প্রদর্শনীতে প্রিন্স লরাঁর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ক্লেমঁর ১৬ বছর বয়সে তার মা তাকে জানান, প্রিন্স লরাঁই তার জৈবিক বাবা। চার বছর পর ক্লেমঁ নিজেই লরাঁর সঙ্গে যোগাযোগ - [ইমোশনাল সাপোর্ট অ্যানিমেল: মানসিক সুস্থতায় সঙ্গীর যত্নে যে বিষয়গুলো জরুরি](https://sarakhon.com/news/186025/): প্রতিদিনের জীবনে নিঃশর্ত সঙ্গ, নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি দিতে পারে একটি পোষা প্রাণী। উদ্বেগ, বিষণ্নতা, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস বা অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভোগা মানুষের জন্য এই সঙ্গ কখনো কখনো চিকিৎসা ও মানসিক যত্নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এমন প্রাণীকে বলা হয় ইমোশনাল সাপোর্ট অ্যানিমেল বা মানসিক সহায়তাকারী প্রাণী। সাধারণ পোষা প্রাণীর সঙ্গে ইমোশনাল সাপোর্ট অ্যানিমেলের পার্থক্য হলো, এর উপস্থিতি একজন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যগত চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তবে প্রশিক্ষিত সার্ভিস অ্যানিমেলের মতো নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদনের প্রশিক্ষণ তাদের বাধ্যতামূলক নয়। কুকুর ও বিড়াল সবচেয়ে পরিচিত হলেও খরগোশ, পাখি ও গিনিপিগও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ইমোশনাল সাপোর্ট অ্যানিমেল হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। নিজের সুস্থতাই - [রুপির দর আরও শক্তিশালী, ডলারের বিপরীতে সামান্য ঊর্ধ্বগতি](https://sarakhon.com/news/186727/): আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি রুপির মান সামান্য বেড়েছে। সোমবার লেনদেন শেষে প্রতি ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৭৭ টাকা ৫৫ পয়সা, যা আগের দিনের ২৭৭ টাকা ৫৬ পয়সার তুলনায় ১ পয়সা কম। খোলাবাজারে ডলারের দর পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবসায়ীদের সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, খোলাবাজারে ডলার কেনার দর ছিল ২৭৮ টাকা এবং বিক্রির দর ২৭৮ টাকা ৬৫ পয়সা। ইউরোর দর কমেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রুপির বিপরীতে ইউরোর মূল্য ৮৭ পয়সা কমে ৩২৩ টাকা ৬৯ পয়সায় নেমেছে। আগের দিন ইউরোর দর ছিল ৩২৪ টাকা ৫৬ পয়সা। জাপানি ইয়েনের দর অপরিবর্তিত থেকে ১ টাকা ৭৪ পয়সায় স্থির রয়েছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের দর - [সৌদি আরব-ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন চুক্তি](https://sarakhon.com/news/186713/): সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ বিভিন্ন কৌশলগত ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একাধিক চুক্তি সই হয়েছে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপস্থিতিতে এসব চুক্তি সই করা হয়। দুই নেতার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় গুরুত্ব চুক্তিগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি অভিপ্রায় ঘোষণাপত্র। এর মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিরাপত্তা - [সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সিরিয়াকে বাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/186721/): সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন ধরে দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের পথে বড় বাধা হয়ে থাকা এই তালিকাভুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তে সিরিয়ার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ৪৭ বছর পর তালিকা থেকে বাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৮ জুলাই সিদ্ধান্তটি কংগ্রেসকে জানান। এরপর ৪৫ দিনের পর্যালোচনা শেষে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়। ১৯৭৯ সাল থেকে সিরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকায় ছিল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে সরে আসার ক্ষেত্রে সিরিয়ার নেওয়া পদক্ষেপকে স্বীকৃতি দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শিবানি সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তালিকা থেকে বাদ পড়া ছিল - [রাষ্ট্র পাশে আছে—কিন্তু কার পাশে?](https://sarakhon.com/news/186717/): ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ৮১ বছর পূর্তি ঘিরে যখন জাকার্তায় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন চলছে, ঠিক তার দুদিন আগে পূর্ব নুসা তেংগারার ফ্লোরেসে আঘাত হেনেছিল ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে প্রাণ গেছে বহু মানুষের, ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজারো মানুষ। স্বাধীনতা উদযাপনের রাষ্ট্রীয় আড়ম্বর আর দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষের বাস্তবতার এই পাশাপাশি অবস্থান একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আনে—একজন নাগরিক কখন সত্যিকার অর্থে অনুভব করেন যে রাষ্ট্র তাঁর পাশে আছে? ১৪ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোও মূলত এই ধারণাকেই সামনে এনেছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে এমন একটি প্রজাতন্ত্রের কথা, যেখানে মানুষ নিজেকে একা মনে করবে না; বরং প্রয়োজনের সময়ে সরকারের উপস্থিতি অনুভব করবে। বিনামূল্যে - [রাশিয়ার জ্বালানি সংকট কি ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ত্বরান্বিত করতে পারে?](https://sarakhon.com/news/186684/): ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটিতে নতুন করে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। রাশিয়ার অন্তত ৩০টি অঞ্চল এই সংকটে আক্রান্ত বলে জানা গেছে। আগের সংকটের তুলনায় এবারের পরিস্থিতির বিশেষত্ব হলো, মস্কো ও এর আশপাশের এলাকাতেও জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। রাজধানীতে জ্বালানি বিক্রিতে বিধিনিষেধ রাশিয়ার বড় জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো রাজধানীতে জ্বালানি বিক্রির ওপর ইতোমধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে পেট্রোল পাম্পে অপেক্ষা করতে হচ্ছে মানুষকে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার এলাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। এই সংকট শুধু ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে না, এর প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতেও। ট্যাক্সি চালক, পণ্য সরবরাহকারী, নির্মাণ খাতসহ জ্বালানিনির্ভর - [সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী: পিক্সেল ১০এ-কে যে হার্ডওয়্যার শিক্ষা দিল](https://sarakhon.com/news/186710/): গুগলের পিক্সেল ১০এ মধ্যম বাজেটের স্মার্টফোন বাজারে বেশ শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। ৪৯৯ মার্কিন ডলারের দামে ফোনটি উন্নত সফটওয়্যার, চমৎকার আকার এবং ছোট ক্যামেরা সেন্সর ব্যবহার করেও ভালো ছবি তোলার সক্ষমতার জন্য প্রশংসিত। তবে হার্ডওয়্যারের দিক থেকে পিক্সেল ১০এ-তে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। এর মূল শক্তি সফটওয়্যারনির্ভর। এই জায়গাতেই সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমী ভিন্ন ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করেছে। সনি নতুন ফোনটিতে এমন কিছু সুবিধা রেখেছে, যেগুলো আধুনিক স্মার্টফোনে ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে। পুরোনো কিন্তু কার্যকর সুবিধাগুলো ধরে রেখেছে সনি এক্সপেরিয়া ১০ অষ্টমীতে রয়েছে ৩.৫ মিলিমিটারের হেডফোন সংযোগ, দুই টেরাবাইট পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, আলাদা শারীরিক ক্যামেরা বোতাম, সামনে - [ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় আরও চার ভারতীয় কোম্পানি যুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/186707/): ইরানের সঙ্গে তেল ও পেট্রোরসায়নিক পণ্য বাণিজ্যের অভিযোগে আরও চারটি ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়। নিষেধাজ্ঞার আওতায় যেসব প্রতিষ্ঠান নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে সদাশিবা ওভারসিজ, পিপি সফটটেক এবং প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স। এসব প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে তেল ও তেলজাত পণ্য আমদানি করেছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন অর্থ দপ্তর। এ ছাড়া শুল্কসংক্রান্ত কার্যক্রমে এসব চালান সহজতর করার অভিযোগে কাস্টমস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান পোর্টিজ পার্টনার্সকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দুই অংশীদার ইন্দ্রিসমিয়া আশারাফমিয়া শেখ ও হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গির বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ মার্কিন অর্থ দপ্তর বলেছে, ইরান ও দেশটির সহযোগীদের - [উপকূলের পানিতে লবণাক্ততা, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/186703/): খুলনার কয়রায় পানীয় জলের অর্ধেকের বেশি উৎসে লবণাক্ততা পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও জাতীয় গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলে উঠে এসেছে এমন তথ্য। গবেষকদের মতে, জলনিরাপত্তা, জলবায়ু অভিযোজন এবং অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। ঢাকার মহাখালীতে icddr,b-এর সাসাকাওয়া অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘পানীয় জলের লবণাক্ততা ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব: বাংলাদেশি প্রমাণ ও নীতিগত সুপারিশ’ শীর্ষক নীতি ও গবেষণা সেমিনারে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়। icddr,b এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। কয়রায় পানির সংকট বেশি গবেষণার বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় খুলনার কয়রা ও - [যুদ্ধের ছয় মাসে যুদ্ধকবলিত দেশ থেকেই আসছে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক তেল](https://sarakhon.com/news/186700/): ইরান যুদ্ধ শুরুর ছয় মাসের মাথায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪৩ শতাংশই এখন কোনো না কোনো সংঘাতকবলিত দেশের ওপর নির্ভরশীল। যুদ্ধ, হামলা, নিষেধাজ্ঞা ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে তেল উৎপাদন ও পরিশোধন ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে। সংঘাতকবলিত দেশগুলোর ওপর তেলের বড় নির্ভরতা চলতি বছর ইরান, রাশিয়া, ইউক্রেন, লিবিয়া ও ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে সংঘাত, নিষেধাজ্ঞা এবং সরবরাহ সংকট বৈশ্বিক তেল ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। ২০২৫ সালের উৎপাদনের হিসাব ধরে দেখা যায়, এসব পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত দেশগুলো প্রতিদিন প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করেছে। যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের - [দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনার মধ্যে ড্রোন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ফিলিপাইন](https://sarakhon.com/news/186697/): দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আধুনিকায়নে ড্রোনের ব্যবহার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে ফিলিপাইন। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো মঙ্গলবার জানিয়েছেন, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের পাশাপাশি সামরিক অভিযানে ড্রোনের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নতুন প্রযুক্তি, যোগাযোগব্যবস্থা ও দক্ষতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বহিরাগত নিরাপত্তায় বাড়ছে গুরুত্ব ফিলিপাইন দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকিকে সামরিক পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি বদলেছে। দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ জলসীমা ও সামুদ্রিক স্থাপনা ঘিরে মুখোমুখি অবস্থান বাড়ায় এখন দেশের সামরিক কৌশলে বহিরাগত নিরাপত্তা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ড্রোনের পাশাপাশি আরও পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী করভেট যুদ্ধজাহাজ এবং - [জেমি ডিমন ও স্ত্রীর ১২ মিলিয়ন ডলারের অনুদান, অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে ১২ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়](https://sarakhon.com/news/186694/): জেপিমরগ্যানের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমন ও তাঁর স্ত্রী জুডিথ ডিমন যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি ঐতিহাসিকভাবে কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজকে মোট ১২ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন। এই অর্থ দীর্ঘমেয়াদি তহবিল হিসেবে ব্যবহৃত হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে পারে। ডিমন দম্পতির পারিবারিক দাতব্য সংস্থা ‘জেমস অ্যান্ড জুডিথ কে. ডিমন ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি তরুণদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করে আসছে। ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থায়ী তহবিল জাতীয় কৃষ্ণাঙ্গ কলেজ তহবিল জানিয়েছে, এই অনুদানের মাধ্যমে ‘ডিমন তহবিল’ গঠন করা হবে। এটি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থায়ী তহবিলে যুক্ত হবে এবং নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক পরিকল্পনা করার সুযোগ - [মোজাম্বিকে সাগরে নিখোঁজ চার জেলে, জঙ্গিদের অপহরণের আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/186691/): মোজাম্বিকের উত্তরাঞ্চলীয় কাবো দেলগাদো প্রদেশের কুইসাঙ্গা উপকূলীয় এলাকায় সাগরে যাওয়ার পর চার জেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, ইসলামপন্থী সশস্ত্র জঙ্গিরা তাদের অপহরণ করে থাকতে পারে। শুক্রবার রাতে সাগরে যান জেলেরা স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, চার জেলে গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর পাশের মেতুজি জেলার উদ্দেশে নৌকায় করে রওনা হন। ভোরে তাদের ফিরে আসার কথা থাকলেও তারা আর ফেরেননি। নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজন নামালুকো এলাকার বাসিন্দা। এলাকাটি জাতীয় সড়ক থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রায় দুই সপ্তাহ আগেও আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র জঙ্গিদের চলাচল দেখা গিয়েছিল। এ কারণে নিখোঁজ জেলেদের জঙ্গিরা ধরে নিয়ে গেছে - [ইরান যুদ্ধ জিতেও কৌশলগতভাবে কি হেরে গেলেন নেতানিয়াহু?](https://sarakhon.com/news/186688/): ইরানের সঙ্গে বহু দশকের সংঘাতময় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত যে যুদ্ধ চেয়েছিলেন, তা পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রও সেই যুদ্ধে সরাসরি যুক্ত হয়েছে। কিন্তু ছয় মাসের সংঘাতের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ইসরায়েল কি সত্যিই সেই কৌশলগত ফল অর্জন করতে পেরেছে, যার জন্য যুদ্ধ শুরু করা হয়েছিল? সামরিক অভিযানের দিক থেকে ইসরায়েলের হাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নিহত হয়েছেন এবং দেশটির অর্থনীতির ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের রাজনৈতিক ও কৌশলগত ফলাফল অনেক বেশি জটিল। ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে আছে, বরং সংঘাতের পর তার নিরাপত্তা-চিন্তা আরও কঠোর হওয়ার সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। এই জায়গাতেই - [সেউতায় অভিবাসীদের ঢল, ৭২ জনের মৃত্যু; দ্রুত ফেরত পাঠানোর অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/186685/): উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের নিয়ন্ত্রিত এলাকা সেউতায় ৩০ ও ৩১ জুলাই অভিবাসীদের নজিরবিহীন ঢলকে কেন্দ্র করে অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরক্কো থেকে সেউতায় সাঁতরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকে পানিতে ডুবে মারা যান। আবার সীমান্তের বেড়া টপকানোর সময় চাপা পড়েও অনেকে প্রাণ হারান। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ওই দুই দিনে আনুমানিক ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তাঁদের বেশির ভাগই মরক্কোর নাগরিক। এ ছাড়া সুদান, ইয়েমেন এবং পশ্চিম ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশের মানুষও ছিলেন। অনেকেই অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে সুদানের সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা কিছু আশ্রয়প্রার্থীও এই দলে ছিলেন। - [প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না?](https://sarakhon.com/news/186671/): সম্প্রতি রংপুরের একটি বাসায় শিক্ষক পরিবারকে চারজনকে হত্যার ঘটনা ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তবে, এই যে শঙ্কা শুধুমাত্র একটিই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ঘিরে হয়েছে তা কিন্তু নয়। গত কয়েক মাস ধরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেই চলেছে। বাংলাদেশের পুলিশ হেডকোয়ার্টারের তথ্য অনুযায়ী, গত মে থেকে জুলাই পর্যন্ত এই তিন মাসেই সারাদেশে ৯৩৪টি খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অর্থাৎ তিন মাসে গড়ে ৩০০র বেশি খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সেই হিসেবে দৈনিক খুনের ঘটনা ঘটেছে ১০টিরও বেশি। বাংলাদেশের পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, চুরি ডাকাতির পরিমাণ আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও খুন বা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে - [ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বর্তী উপবাসের উপকারিতা কি অতিরঞ্জিত?](https://sarakhon.com/news/186669/): যেকোনো জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মতো, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বতী উপবাস যে কার্যকর তা প্রমাণ করা বেশ কঠিন। তবে নতুন প্রযুক্তি কোন বিষয়টি কাজ করে আর কোনটি করে না, তা আমাদের আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। প্রতি কয়েক মাস পরপরই মনে হয় অন্তর্বর্তীকালীন উপবাসের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। সপ্তাহের নির্দিষ্ট কিছু দিনে উপবাস করা অথবা দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়ের মধ্যে খাবার গ্রহণ সীমাবদ্ধ রাখার এই জনপ্রিয় ও বহুমুখী ডায়েটটি সাধারণ ক্যালরি কমানোর পদ্ধতির চেয়ে ওজন কমানোকে সহজ করে তোলে বলে পরিচিতি পেয়েছে। তবে এর তথাকথিত সুবিধাগুলো আরও বেশি বিস্তৃত। যেমন ক্যানসার ও স্মৃতিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কমানো। ফলে এই জীবনযাত্রা এত - [রাশিয়া-যুক্তরাজ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? কূটনীতি সরে গেলে যে বিপদ বাড়ে](https://sarakhon.com/news/186666/): রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনায় ভরা। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই উত্তেজনা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে দুই দেশের সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা আর কেবল কূটনৈতিক মহলের উদ্বেগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। মস্কো লন্ডনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিনকে সরিয়ে নিয়েছে এবং তাঁর স্থলে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে পাঠানোর উদ্যোগও নেয়নি। অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইউক্রেনকে আরও সক্রিয় সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন। তবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার মানেই রাশিয়া যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও ঠিক হবে না। বরং ঘটনাটি দুই দেশের সম্পর্কের গভীর অবনতির একটি রাজনৈতিক সংকেত। সমস্যা হলো, কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন প্রায় ভেঙে পড়ার অবস্থায় যায়, তখন ভুল হিসাব, ভুল বার্তা - [বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে নতুন দর ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা](https://sarakhon.com/news/186662/): দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। এই দামের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুসের মঙ্গলবার সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে সোনার দর সমন্বয় করা হয়েছে। সোনার নতুন দাম নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার - [ব্যক্তিগত আমানতকারীদের টাকা তোলার সীমা তুলে দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক](https://sarakhon.com/news/186659/): বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি আগামী ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ব্যক্তিগত আমানতকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী আমানতের মূল টাকা উত্তোলনের সুযোগ বাড়াচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আগের নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ উত্তোলনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী শারুল হাসান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদারের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ড. মো. কবির আহাম্মদ, মো. সারোয়ার হোসেন ও মো. আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাড়বে টাকা তোলার সুযোগ বৈঠকে গভর্নর ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনাকে - [যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সর্বাত্মক চাপ’ ইরানের বিরুদ্ধে, মিত্র দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার হুমকি](https://sarakhon.com/news/186654/): ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের সঙ্গে আর্থিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ওয়াশিংটন ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে একটি ‘অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রে’ পরিণত করতে চায়। সোমবার নতুন করে প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইরানের সঙ্গে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি, সাইবার কার্যক্রম এবং তেল বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা তালিকার এক-তৃতীয়াংশের বেশি, অর্থাৎ ২১টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি চীনে অবস্থান করছে। ডলারের ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বন্ধের হুমকি নতুন নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে - [চালক থেকে রোবোট্যাক্সি কর্মী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন কর্মজীবনের চিত্র](https://sarakhon.com/news/186651/): একসময় যাঁরা যাত্রী নিয়ে শহরের রাস্তায় গাড়ি চালাতেন, এখন তাঁদেরই কেউ কেউ কাজ করছেন চালকবিহীন গাড়ির পরিচর্যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি কর্মসংস্থানের ধরন বদলে দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে সাবেক যাত্রীবাহী গাড়িচালকদের অভিজ্ঞতা তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। চালকের আসন ছেড়ে রোবোট্যাক্সির আঙিনায় ন্যাশভিলে চালকবিহীন গাড়ির বহর পরিচালনার জন্য একটি বড় পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা করেছে লিফটের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফ্লেক্সড্রাইভ। আগামী অক্টোবরে চালু হতে যাওয়া প্রায় ৮০ হাজার বর্গফুটের এই কেন্দ্রে প্রায় ৭০ জন পূর্ণকালীন কর্মী কাজ করবেন। তাঁদের প্রায় অর্ধেকই আগে লিফটের গাড়িচালক ছিলেন। এখানে তাঁদের দায়িত্ব হবে চালকবিহীন গাড়িগুলো পরিষ্কার করা, চার্জ দেওয়া, গাড়ির অবস্থা পরীক্ষা করা এবং যাত্রী - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানেই কি আরও গভীর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ঘাটতি?](https://sarakhon.com/news/186648/): যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির সামনে বহুমাত্রিক আর্থিক সংকট ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বিপুল সরকারি ঋণ, বাড়তে থাকা সুদ পরিশোধের ব্যয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য খাতে বাধ্যতামূলক ব্যয় এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন করে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের বিপুল বিনিয়োগ। অদ্ভুতভাবে, যে প্রযুক্তি ভবিষ্যতে উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর বড় চালিকাশক্তি হতে পারে, স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে সেটিই যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি রাজস্বের ওপর চাপ তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণ ইতোমধ্যে ৪০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদ কমানোর চেষ্টা করলেও বাজারের উদ্বেগ কাটছে না। কারণ, সরকারের বাজেট ঘাটতির মূল কাঠামোগত কারণগুলো এখনো বহাল রয়েছে। বাজেট ঘাটতির - [ইরানের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধে দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি, আপাতত নিষেধাজ্ঞা নয়](https://sarakhon.com/news/186644/): ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্ট দেশ ও প্রতিষ্ঠানের ওপরও পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। তবে আপাতত নতুন করে ওই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর না করে দেশগুলোকে প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় দেওয়া হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ছয় মাসের কাছাকাছি পৌঁছানোর প্রেক্ষাপটে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এই হুঁশিয়ারি দেয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বৈশ্বিক আর্থিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরির ঘোষণা দেন। তিনি একে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় একই দিনে - [দীর্ঘমেয়াদি ইয়েনের দুর্বলতায় নতুন কৌশল খুঁজছে জাপানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো](https://sarakhon.com/news/186642/): ইয়েনের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা জাপানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক প্রতিষ্ঠান এখন পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, আগাম বিনিময় হার নির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি কমানোর নতুন কৌশল গ্রহণ করছে। দক্ষিণ টোকিওর ৪৩টি বিপণিবিতান পরিচালনা করেন তাকু উএনো। যুক্তরাষ্ট্র থেকে গরুর মাংস, স্পেন থেকে জলপাই তেল এবং ইতালি থেকে টমেটো আমদানি করেন তিনি। কিন্তু ইয়েনের ধারাবাহিক দরপতনে এসব পণ্য কেনার খরচ প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে। উএনোর প্রতিষ্ঠান এখন বিদেশি সরবরাহকারীদের সঙ্গে সরাসরি ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির দিকে যাচ্ছে। এসব চুক্তিতে এক বছর পর্যন্ত পণ্যের দাম ও বিনিময় হার নির্দিষ্ট করে রাখা হচ্ছে। এতে হঠাৎ করে পণ্যের দাম - [৬৬ হাজার টাকার গেমিং সাউন্ডবার আনল আসুস, মিলবে ডলবি অ্যাটমসের ত্রিমাত্রিক শব্দ](https://sarakhon.com/news/186639/): গেম খেলার সময় শব্দের অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন গেমিং সাউন্ডবার এনেছে আসুস। ‘আরওজি গ্যালার’ নামের এই সাউন্ডবারটির দাম রাখা হয়েছে ৬০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৬ হাজার টাকা। দলগত গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে তৈরি আসুসের দাবি, গ্যালার বিশেষভাবে দলগতভাবে গেম খেলার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এর শব্দ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় রয়েছে সংযুক্ত মাইক্রোফোন, যা সতীর্থদের কণ্ঠ, গেমের শব্দ ও আশপাশের বিরক্তিকর শব্দ আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর ফলে আলাদা হেডসেট ছাড়াই সতীর্থদের সঙ্গে পরিষ্কারভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ত্রিমাত্রিক শব্দের অভিজ্ঞতা সাউন্ডবারটিতে রয়েছে পাঁচ দশমিক এক দশমিক দুই চ্যানেলের শব্দব্যবস্থা। এর মাধ্যমে - [গঙ্গার পানি বাড়তেই ফারাক্কার সব গেট খোলার দাবি বিহারের, নতুন করে প্রশ্নে বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি](https://sarakhon.com/news/186636/): ভারতের বিহারে গঙ্গার পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় বন্যার আশঙ্কা তীব্র হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, ব্যারেজের গেটগুলো পুরোপুরি খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ আরও স্বাভাবিকভাবে নিচের দিকে নামতে পারবে এবং বিহারের ওপর তৈরি হওয়া বন্যার চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। তবে বিহারের এই দাবি শুধু চলমান বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েছে ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গঙ্গার পানি বণ্টন প্রশ্ন। কারণ, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা। ফলে নতুন করে চুক্তি নবায়নের আলোচনা শুরুর ঠিক - [ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বড় খাদ্য কোম্পানির চাপ](https://sarakhon.com/news/186633/): ভারতে প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়ের মোড়কে স্বাস্থ্যঝুঁকির স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বড় খাদ্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার শনাক্ত করতে মোড়কের সামনের অংশে সহজে চোখে পড়ার মতো রঙিন সতর্কতা দেওয়ার প্রস্তাব থাকলেও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর আপত্তির মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একই পানীয়, ভিন্ন উপাদান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে বিক্রি হওয়া ফান্টা পানীয়ের একটি ক্যানের তুলনায় ভারতে একই ব্র্যান্ডের পানীয়তে প্রায় তিন গুণ বেশি চিনি রয়েছে। ভারতীয় সংস্করণে এমন কৃত্রিম রংও রয়েছে, যার উপস্থিতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে খাদ্যপণ্যে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কতা দেওয়ার কারণ হতে পারে। তবে ভারতে - [মাগুরার শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ৩১ আগস্ট](https://sarakhon.com/news/186630/): মাগুরার আলোচিত শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিতু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণা পিছিয়ে আগামী ৩১ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটিতে রাষ্ট্রের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেছেন। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় রায় ঘোষণার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী সোমবার রায়ের দিন ধার্য করেন। এর আগে সোমবার রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ১১ আগস্ট থেকে হিতু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্স - [আশ্রয়প্রার্থীদের ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের](https://sarakhon.com/news/186627/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয়প্রার্থী—এমন বিদেশিদের অ-অভিবাসী ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করেছে। অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের শনাক্ত করা হচ্ছে, যারা স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের কথা বলে পরে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। তবে কতসংখ্যক ভিসা বাতিল করা হবে, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র দপ্তর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি। দুই লাখ পর্যন্ত ভিসা বাতিলের আশঙ্কা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবসা ও পর্যটনের জন্য দেওয়া প্রায় দুই লাখ ভিসা বাতিল হতে পারে। এমনটি হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি ভিসা - [পশ্চিম সাহারায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের মেয়াদ আরও এক বছর, ক্ষুব্ধ আলজেরিয়া](https://sarakhon.com/news/186620/): পশ্চিম সাহারায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর মিশনের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। তবে মানবাধিকার পর্যবেক্ষণের বিষয়টি প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত না করায় ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে আলজেরিয়া। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের ভোটে ১২টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। রাশিয়া ও মোজাম্বিক ভোটদানে বিরত থাকে। আর পশ্চিম সাহারার স্বাধীনতাকামী পলিসারিও ফ্রন্টের সমর্থক আলজেরিয়া ভোটেই অংশ নেয়নি। প্রায় পাঁচ দশকের বিরোধ পশ্চিম সাহারা একসময় স্পেনের উপনিবেশ ছিল। ১৯৭৫ সালে মরক্কো অঞ্চলটি নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার পর আলজেরিয়া-সমর্থিত স্বাধীনতাকামী পলিসারিও ফ্রন্টের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়। আয়তনে পশ্চিম সাহারা যুক্তরাজ্যের চেয়ে কিছুটা বড়। অঞ্চলটিতে সমুদ্রের নিচে উল্লেখযোগ্য তেল ও খনিজ সম্পদের মজুত রয়েছে বলে ধারণা - [পাকিস্তানে শোকের মাতম, অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ ৪০ জনের বেশি](https://sarakhon.com/news/186623/): পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ৪০ জনের বেশি পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইউরোপে পৌঁছানোর আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রা করা এসব অভিবাসীর নিখোঁজের খবরে পাকিস্তানে স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক। ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পথ পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূল সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে পৌঁছাতে চাওয়া অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান যাত্রাপথ হয়ে উঠেছে। উন্নত জীবনের আশায় অনেকেই পাচারকারীদের সহায়তায় ছোট ও অনিরাপদ নৌকায় দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় পাড়ি জমাচ্ছেন। তবে এই পথ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকা, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। স্বজনদের আহাজারি নৌকাডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাকিস্তানে নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া - [মারাদোনার মৃত্যুর মামলায় বাবার চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট, আদালতে চাঞ্চল্য](https://sarakhon.com/news/186617/): আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যুর মামলায় নতুন করে বড় ধরনের বিভ্রাটের ঘটনা সামনে এসেছে। মামলার তদন্তে ব্যবহৃত কিছু চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট যে মারাদোনার নয়, বরং তাঁর বাবার—এ তথ্য স্বীকার করেছে আর্জেন্টিনার একটি স্বাস্থ্যবিমা প্রতিষ্ঠান। সোমবার প্রকাশিত এক চিঠিতে স্বাস্থ্যবিমা প্রতিষ্ঠান সুইস মেডিক্যাল জানিয়েছে, তারা যে চিকিৎসা পরীক্ষার ফল তদন্তকারী চিকিৎসা কমিশনের কাছে দিয়েছিল, সেগুলো ভুল করে ‘দিয়েগো আরমান্দো মারাদোনা’ নামের অধীনে সংরক্ষিত ছিল। বাস্তবে সেগুলো ছিল মারাদোনার বাবা দিয়েগো সালুস্তিয়ানো মারাদোনার। মারাদোনার বাবা ২০১৫ সালে মারা যান, অর্থাৎ ফুটবল কিংবদন্তির মৃত্যুর পাঁচ বছর আগে। ভুল ধরা পড়ল বিচার চলার সময় গত সপ্তাহে মারাদোনার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সাত স্বাস্থ্যকর্মীর একজনের আইনজীবী - [ফ্র্যাঙ্ক বিয়ার্ডের মৃত্যুর পর প্রথম কনসার্টে মঞ্চে জেডজেড টপ](https://sarakhon.com/news/186614/): দীর্ঘদিনের ড্রামার ফ্র্যাঙ্ক বিয়ার্ডের মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো মঞ্চে ফিরেছে জনপ্রিয় মার্কিন ব্লুজ-রক ব্যান্ড জেডজেড টপ। শনিবার টেক্সাসের অস্টিনের মুডি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত কনসার্টের মধ্য দিয়ে আবারও সফর শুরু করেছে ব্যান্ডটি। এর আগে বিয়ার্ডের মৃত্যুর পর চলতি সপ্তাহের শুরুতে সল্ট লেক সিটি ও কলোরাডো স্প্রিংসের নির্ধারিত কয়েকটি অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল ব্যান্ডটি। গত ১৭ আগস্ট ৭৭ বছর বয়সে টেক্সাসের নিজ খামারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিয়ার্ড। পাঁচ দশকের বেশি সময় ব্যান্ডের সঙ্গে ফ্র্যাঙ্ক বিয়ার্ড পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে জেডজেড টপের প্রধান ড্রামার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যান্ডের গায়ক ও গিটারবাদক বিলি গিবন্স এবং প্রয়াত বেসবাদক ডাস্টি হিলের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি - [জ্বালানি সংকটের ক্ষত এখনো শুকায়নি, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাশ্রয়ী বিমান সংস্থাগুলো](https://sarakhon.com/news/186611/): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাশ্রয়ী বিমান সংস্থাগুলো আশা করছে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে কঠিন সময় পেরিয়ে এসেছে। তবে জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব এখনো কাটেনি। মুনাফার ওপর চাপ, পরিবারের ব্যয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং যাত্রী চাহিদা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কায় বছরের দ্বিতীয়ার্ধও কঠিন হতে পারে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার এয়ারএশিয়া, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের সাশ্রয়ী পরিবহন শাখা স্কুট এবং ফিলিপাইনের সেবু প্যাসিফিকের ত্রৈমাসিক আর্থিক ফলাফলেই পরিস্থিতির চাপ স্পষ্ট হয়েছে। জ্বালানির বাড়তি ব্যয় পুষিয়ে নিতে ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করলেও তা প্রত্যাশিত সাফল্য আনতে পারেনি। লোকসানে এয়ারএশিয়া ও সেবু প্যাসিফিক এয়ারএশিয়া ও সেবু প্যাসিফিক ত্রৈমাসিকে নিট লোকসান করেছে। অন্যদিকে স্কুটের পরিচালন লোকসান প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বল্পমূল্যের বিমান পরিবহন ব্যবসার ওপর - [অভিবাসী শিশুদের সহায়তায় অনুদানের আহ্বান, কেসি মাসগ্রেভসকে বয়কটের ডাক](https://sarakhon.com/news/186607/): অভিবাসী শিশুদের সহায়তায় কাজ করা একটি সংগঠনে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন কান্ট্রি সংগীতশিল্পী কেসি মাসগ্রেভস। নিজের জন্মদিনের ইচ্ছা হিসেবে ভক্তদের ওই সংগঠনকে অর্থ সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে বয়কটের ডাক দিয়েছেন একদল সমালোচক। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে নিজের নতুন সংগীত সফরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৩৮তম জন্মদিন উদ্‌যাপন করেন মাসগ্রেভস। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তিনি দর্শকদের কাছে অভিবাসী শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনকে সহায়তার আহ্বান জানান। ‘শিশুগুলোর সাহায্য দরকার’ মাসগ্রেভস বলেন, সংগঠনটি এমন শিশুদের আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতা দেয়, যাদের বাবা-মাকে অন্যায়ভাবে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে তারা মনে করে। বিষয়টি কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয় - [ইরান কি নেতানিয়াহুর ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল?](https://sarakhon.com/news/186605/): ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরান তাঁর দুই ছেলের একজনকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তবে ঠিক কোন ছেলেকে লক্ষ্য করা হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের একটি অনুষ্ঠানে ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা ঘটেছে। ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্য করেছিল। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।’ তবে তাঁর এই দাবির পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিস্তারিত প্রমাণ বা ঘটনার বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য আসে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে। ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের - [ইরানের সামনে অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় কী কী বিকল্প, বাড়তে পারে উপসাগরীয় উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/186601/): যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রায় ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে ওয়াশিংটন তেহরানকে নিজেদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করতে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর কথা বলছে। এর জবাবে ইরান কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল চলাচল বন্ধের হুমকি ইরানের সাবেক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী প্রধান ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক সচিব মোহসেন রেজাই হুমকি দিয়েছেন, অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না। তিনি হরমুজ প্রণালি এবং পারস্য উপসাগরের অন্য পথ দিয়ে - [রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শূন্য, উল্টো বাড়ছে নতুন আগমন ও শিবিরের অপরাধ](https://sarakhon.com/news/186599/): মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিপীড়ন ও সহিংসতা থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢল নামার নয় বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর কয়েক সপ্তাহে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। কিন্তু দীর্ঘ নয় বছরেও একজন রোহিঙ্গাকেও সফলভাবে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। বরং গত দেড় বছরে নতুন করে আরও এক লাখ ৫৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি শিবিরে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে ১৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত, বাড়ছে অপরাধ দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাবাসন আটকে থাকা, কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার সুযোগ নিয়ে শিবিরগুলোতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সশস্ত্র ও - [মুম্বাইয়ে খাবারের নিরাপত্তায় তুকারাম মুণ্ধের ঝড়, একের পর এক অভিযানে কাঁপছে রেস্তোরাঁ ব্যবসা](https://sarakhon.com/news/186587/): মুম্বাইয়ে খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবার কঠোর হাতে দমন করতে নেমেছেন মহারাষ্ট্রের খাদ্যনিরাপত্তা কমিশনার তুকারাম মুণ্ধে। আকস্মিক অভিযান, অনিয়ম ধরা পড়লেই ব্যবস্থা এবং অভিযানের ছবি ও তথ্য প্রকাশ—সব মিলিয়ে তিনি এখন ভারতের মানুষের কাছে আলোচিত এক সরকারি কর্মকর্তা। মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মে মাস থেকে মুম্বাই ও আশপাশের এলাকায় তিন হাজারের বেশি অভিযান চালিয়েছে তাঁর দল। এসব অভিযানে বড় আন্তর্জাতিক খাবারের প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে হোটেল, ক্রিকেট ক্লাব, পুরোনো রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান ও পথের খাবারের দোকানও বাদ যায়নি। বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চারটি ডমিনোজ ও একটি পিৎজা হাটের শাখার - [ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেন-ফ্রান্সের শক্তিশালী সমর্থন, জেলেনস্কির ঘোষণা—শান্তি চাই, আত্মসমর্পণ নয়](https://sarakhon.com/news/186578/): ইউক্রেনের ৩৫তম স্বাধীনতা দিবসে দেশটির পাশে আরও শক্তভাবে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধের মধ্যেই কিয়েভে জড়ো হওয়া মিত্রদেশগুলোর নেতারা ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার এবং দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তাঁর দেশ শান্তি চায়, কিন্তু রাশিয়ার দাবির কাছে আত্মসমর্পণ করতে প্রস্তুত নয়। তাঁর ভাষায়, ইউক্রেনকে শুধু ভূখণ্ড ছেড়ে দিলেই রাশিয়ার আগ্রাসন থেমে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। কিয়েভে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে যান। সেখানে তিনি ইউক্রেনের প্রতি ব্রিটেনের অবিচল সমর্থনের কথা জানান। তিনি - [ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড সর্বনিম্নে, ইরান যুদ্ধে মার্কিন সমর্থনও কমছে](https://sarakhon.com/news/186575/): ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের প্রতি মার্কিন জনগণের সমর্থন আরও কমেছে। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব পালনের অনুমোদনও দ্বিতীয় দফায় ৩৩ শতাংশে নেমে রেকর্ড সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ইরান যুদ্ধে সমর্থন কমেছে চার দিন ধরে পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। মার্চে এই হার ছিল ৩৭ শতাংশ এবং চলতি মাসের শুরুতে ছিল ৩৪ শতাংশ। সমর্থন কমার বড় কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে যুদ্ধের প্রতি আগ্রহ হ্রাস। মার্চে রিপাবলিকানদের ৭৭ শতাংশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে সমর্থন করলেও সর্বশেষ জরিপে তা কমে ৬৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাতেও ধাক্কা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত - [মানবসদৃশ রোবটের আড়ালে চীনে নীরবে এগিয়ে চলছে শিল্প-রোবটের বিপ্লব](https://sarakhon.com/news/186572/): চীনে মানবসদৃশ রোবটের প্রদর্শনী এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়। তবে মঞ্চের আলো, দৌড় কিংবা কুস্তির বাইরেও দেশটির কারখানাগুলোতে আরও বড় এক পরিবর্তন নীরবে এগিয়ে চলছে। মানুষকে সহায়তা করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার একঘেয়ে, কঠিন ও বিরামহীন কাজ ক্রমেই নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছে রোবট। চীনের হাংঝৌ প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের একটি শ্রেণিকক্ষে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী রোবট পরিচালনা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নানা বিষয় শিখছে। শিক্ষক চেন তিয়ানইউ তাঁদের বোঝাচ্ছেন কীভাবে একটি রোবটকে নির্দিষ্ট বস্তু তুলে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিতে হয়। কেউ রোবটের জন্য নির্দেশনা তৈরি করছে, কেউ চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। চেনের সতর্কবার্তা স্পষ্ট—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটের যুগে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন - [শোকাহত পরিবারের কাছে কেন কঠিন হয়ে উঠছে মৃত্যুর তদন্তের আদালত](https://sarakhon.com/news/186566/): স্বজনের মৃত্যুর পর পরিবার সাধারণত জানতে চায়—কীভাবে, কখন এবং কেন এমন মৃত্যু হলো। কিন্তু অস্বাভাবিক বা আকস্মিক মৃত্যুর তদন্তে যে আদালত পরিবারের কাছে সত্য উদ্‌ঘাটনের জায়গা হওয়ার কথা, সেটিই অনেক সময় তাদের জন্য হয়ে উঠছে বিভ্রান্তিকর, দীর্ঘ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার মতো এক অভিজ্ঞতা। ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে অস্বাভাবিক, আকস্মিক বা হেফাজতে মৃত্যুর তদন্তে দায়িত্ব পালন করে মৃত্যুতদন্ত আদালত। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতা, বিশেষজ্ঞের সংকট, অর্থের অভাব এবং শুনানিতে ক্রমবর্ধমান বিরোধিতামূলক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেক পরিবার বলছে, স্বজনকে হারানোর পর সত্য জানার পথটিও তাদের জন্য আরেকটি লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। ড্যানিয়েল লিন্ডসের পরিবারের দীর্ঘ লড়াই ২০২৩ সালে ৪১ বছর বয়সে মারা যান - [ইউএস ওপেনের বাছাইয়ে হিদার ওয়াটসনের দারুণ প্রত্যাবর্তন, মূল পর্বের পথে এক ধাপ এগোলেন ব্রিটিশ তারকা](https://sarakhon.com/news/186563/): নিউইয়র্কে বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট ইউএস ওপেনের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত লড়াই করে জয় পেয়েছেন ব্রিটেনের হিদার ওয়াটসন। এক সেট পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে ষষ্ঠ বাছাই ক্লেয়ার লিউকে হারিয়ে মূল পর্বে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই টেনিস তারকা। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ওয়াটসন ৪-৬, ৬-২, ৬-৪ গেমে লিউকে পরাজিত করেন। শেষ সেটে একসময় দুটি সার্ভিস ব্রেকের সুবিধা পেয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সুবিধা প্রায় হাতছাড়া হয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত স্নায়ু শক্ত রেখে জয় নিশ্চিত করেন ওয়াটসন। এ জয়ের ফলে ইউএস ওপেনের মূল পর্বে খেলার জন্য আরও দুই ম্যাচ জিততে হবে তাকে। পরবর্তী ম্যাচে তার প্রতিপক্ষ স্পেনের অ্যাঞ্জেলা ফিতা বোলুদা। পুরুষদের বাছাইয়েও - [সাগরের তাপমাত্রায় সর্বকালের রেকর্ড, ভয়ংকর উষ্ণতার পেছনে এল নিনোর শক্তি](https://sarakhon.com/news/186559/): পৃথিবীর মহাসাগরগুলোতে আবারও তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। মানুষের কর্মকাণ্ডে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের সঙ্গে শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনো পরিস্থিতি মিলিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছেছে। রেকর্ড ভাঙল সমুদ্রের তাপমাত্রা ইউরোপীয় কোপার্নিকাস জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মেরু অঞ্চল বাদে বিশ্বের সমুদ্রগুলোর গড় পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা শনিবার ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এর আগে সর্বোচ্চ ২১ দশমিক ০৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তিনটি পৃথক দিনে। তবে এবারের রেকর্ডের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো সময়কাল। সাধারণত বিশ্বজুড়ে সমুদ্রের তাপমাত্রা মার্চ বা এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। অথচ আগস্টেই এবার সেই রেকর্ড ভেঙে গেছে। পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে - [টিপস বাদ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রেস্তোরাঁ, কেন বদলাচ্ছে খাবারের বিলের নিয়ম?](https://sarakhon.com/news/186557/): যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রেস্তোরাঁ প্রচলিত টিপস বা বকশিশের ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে দিয়ে কর্মীদের বেশি নির্দিষ্ট বেতন দেওয়ার পথে হাঁটছে। তাদের যুক্তি, খাবারের দাম কিছুটা বেশি হলেও এতে কর্মীদের আয় স্থিতিশীল হয় এবং গ্রাহকও আগে থেকেই জানতে পারেন, শেষ পর্যন্ত কত টাকা দিতে হবে। খাবারের দামেই যুক্ত হচ্ছে কর্মীদের বেতন সান ফ্রান্সিসকোর একটি রেস্তোরাঁয় মদ পরিবেশনের দায়িত্বে থাকা ক্যারোলিন ক্রেটজার ঘণ্টায় ৪০ ডলার আয় করেন। শহরের বেশির ভাগ খাবার পরিবেশনকারী কর্মীর স্বাভাবিক মজুরির তুলনায় এটি প্রায় দ্বিগুণ। তবে এই রেস্তোরাঁয় একজন গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত খাবারের দাম ১৪০ ডলার এবং এখানে কোনো বকশিশ নেওয়া হয় না। রেস্তোরাঁটির নীতি হলো, মেনুতে যে দাম দেখা যায়, - [জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তে ঘরে বসে পরীক্ষার সুযোগ, ৪০ লাখ নারী পাবেন কিট](https://sarakhon.com/news/186547/): ইংল্যান্ডে জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তকরণ পরীক্ষা থেকে বাদ পড়া নারীদের জন্য এবার ঘরে বসে পরীক্ষার সুযোগ চালু করছে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষ। আগামী এক বছরে প্রায় ৪০ লাখ নারীকে বিনা মূল্যে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাসের ঝুঁকি শনাক্ত করার পরীক্ষার কিট দেওয়া হবে। যেসব নারী নিয়মিত জরায়ুমুখের ক্যানসার পরীক্ষা করাননি, তাদের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা অ্যাপ, খুদে বার্তা, ই-মেইল কিংবা ডাকযোগে কিট সংগ্রহের আমন্ত্রণ জানানো হবে। বাড়িতে নমুনা সংগ্রহ করে তা স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে। কেন এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ জরায়ুমুখের ক্যানসারের প্রায় সব ক্ষেত্রেই উচ্চঝুঁকির মানব প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণের সম্পর্ক রয়েছে। তবে শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গেলেই যে ক্যানসার হবে, এমন নয়। বরং ভাইরাস শনাক্ত হলে - [বিদ্যালয়ের অ্যাসবেস্টস থেকেই কি মায়ের প্রাণঘাতী ক্যানসার? ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে পরিবার](https://sarakhon.com/news/186549/): যুক্তরাজ্যে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে মেসোথেলিওমা নামের দুরারোগ্য ক্যানসারে মারা গেছেন ক্যারোলিন ব্রায়ান। তাঁর পরিবারের দাবি, কৈশোরে যে বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন, সেখানেই অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শে এসে প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন তিনি। মায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে এখন আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর মেয়ে ব্রুকলিন। ক্যারোলিনের মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে পুরোনো বিদ্যালয় ভবনগুলোতে থাকা অ্যাসবেস্টস কতটা ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘদিন পর এর প্রভাব কীভাবে মানুষের জীবনে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অল্প বয়সেই থেমে গেল জীবন ক্যারোলিনের বয়স যখন ৪৫, তখন তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে মেসোথেলিওমা—অ্যাসবেস্টসের আঁশ শরীরে প্রবেশের সঙ্গে - [প্রোস্টেট ক্যানসার পরীক্ষা শুধু তারকাদের দায়িত্ব নয়, বললেন ক্রিস হয়](https://sarakhon.com/news/186544/): ছেলেদের নিজেদের প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তবে এই সচেতনতা তৈরির দায়িত্ব শুধু ক্রিস হয় বা জেরেমি ক্লার্কসনের মতো পরিচিত ব্যক্তিদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ সাইক্লিং কিংবদন্তি স্যার ক্রিস হয়। ৪৭ বছর বয়সে চতুর্থ পর্যায়ের প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হন ছয়বারের অলিম্পিক সোনাজয়ী ক্রিস হয়। বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী এই ক্রীড়াবিদ নিজের পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে পুরুষদের ক্যানসার পরীক্ষায় উৎসাহিত করে আসছেন। তবে তাঁর মতে, ব্যক্তিনির্ভর প্রচারণার পাশাপাশি প্রয়োজন আরও সুসংগঠিত ও সক্রিয় উদ্যোগ। ঝুঁকি সম্পর্কে পুরুষদের জানতে হবে ক্রিস হয় বলেন, পুরুষদের নিজেদের ঝুঁকি সম্পর্কে জানার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। তাঁর মতে, প্রতিবছর - [নতুন ১০ পেন্সের মুদ্রা বাজারে, খুচরায় মিললেই চিনবেন যেভাবে](https://sarakhon.com/news/186541/): যুক্তরাজ্যে নতুন নকশার ১০ পেন্সের মুদ্রা আবারও সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাতে শুরু করেছে। রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রতিকৃতির পাশাপাশি মুদ্রাটির অপর পিঠে রাখা হয়েছে স্কটল্যান্ডের বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা বিরল পাখি ক্যাপারকেইলির ছবি। প্রায় চার বছর পর নতুন নকশার ১০ পেন্সের মুদ্রা প্রথমবারের মতো ব্যাপকভাবে প্রচলনে আনা হলো। চাহিদা তৈরি হওয়ায় রাজকীয় মুদ্রা কর্তৃপক্ষ নতুন মুদ্রা তৈরি করেছে। দেশটির ব্যাংক ও ডাকঘরগুলোর মাধ্যমে ইতোমধ্যে কয়েক লাখ মুদ্রা সরবরাহ করা হয়েছে। নতুন মুদ্রায় বিরল পাখির ছবি মুদ্রাটির পেছনের অংশে থাকা ক্যাপারকেইলি স্কটল্যান্ডের অল্প কিছু এলাকায় দেখা যায়। পাখিটি বর্তমানে বিলুপ্তির আশঙ্কায় রয়েছে এবং যুক্তরাজ্যের সংরক্ষণ তালিকায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত। মুদ্রাটির নকশাটি - [প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র মনুস্মৃতি নিয়ে কী বলেছেন রাহুল গান্ধী, কেন ক্ষুব্ধ বিজেপি?](https://sarakhon.com/news/186535/): প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র মনুস্মৃতিতে নারীদের যেভাবে চিত্রিত করা হয়েছে, তার সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। তবে ভারতীয় জনতা পার্টি অভিযোগ তুলেছে যে মি. গান্ধী ভারতীয় সংস্কৃতির অবমাননা করেছেন। মহারাষ্ট্রের পুনেতে কংগ্রেস এমপি ও লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী শনিবার ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ অর্থাৎ, ‘ছাত্রদের কণ্ঠস্বর’ কর্মসূচিতে প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্র মনুস্মৃতির উল্লেখ করেন। রাহুল গান্ধী মনুস্মৃতিতে নারীদের সম্পর্কে লেখা একটি উদ্ধৃতিকে লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেন। রাহুল গান্ধীর মনুস্মৃতি নিয়ে এই উদ্ধৃতির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা-মন্ত্রী। কি বলেছেন রাহুল গান্ধী? মহারাষ্ট্রের পুনের ওই অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী বলে, “নারীরা কারও অধীনে থাকতে পারে না।” তিনি বলেন, “একটি সমস্যা আছে - [তিউনিসিয়ায় অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ১৯, ক্ষোভে উত্তাল বেন গেরদেন](https://sarakhon.com/news/186534/): তিউনিসিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বেন গেরদেনে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত দুই দিনে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা এসব মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে সব মরদেহ একই নৌকাডুবির ঘটনার কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নৌকাডুবির পর শোক ও ক্ষোভ সপ্তাহান্তে ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে একই পরিবারের সাতজন সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। মর্মান্তিক এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেন গেরদেনে শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। রোববার রাতে শহরটিতে বিক্ষোভ শুরু হলে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, - [বিলাসী পণ্যের পুনর্বিক্রির নতুন যুগে ক্রেতারাই হয়ে উঠছেন ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ](https://sarakhon.com/news/186532/): একসময় বিলাসবহুল পোশাক বা ব্যাগের পুরোনো বাজারে গিয়ে শুধু কোনো ব্র্যান্ডের নাম লিখে খোঁজ করলেই চলত। কিন্তু ২০২৬ সালে সেই চিত্র বদলে গেছে। এখন ক্রেতারা নির্দিষ্ট বছর, কাপড়, সংগ্রহ এমনকি নির্দিষ্ট পোশাকের নকশা পর্যন্ত উল্লেখ করে পণ্য খুঁজছেন। ফলে পুনর্বিক্রির বাজারে ক্রেতাদের ফ্যাশনজ্ঞান ও কেনাকাটার কৌশল দুটিই দ্রুত বদলে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট খোঁজে ক্রেতাদের নতুন দক্ষতা বিলাসবহুল পণ্যের পুনর্বিক্রয় প্রতিষ্ঠান দ্য রিয়েলরিয়েলের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন বলছে, ক্রেতাদের অনুসন্ধান এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি নির্দিষ্ট। শুধু ‘প্রাদা ২০১০’ নয়, কেউ খুঁজছেন ‘প্রাদা ২০১০ লিনেন’ কিংবা ‘শ্যানেল ২০১৩, সংগ্রহের ৩১ নম্বর পোশাক’। প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ডবিষয়ক প্রধান ক্রিস্টেন নাইম্যানের মতে, এই প্রবণতা দেখাচ্ছে যে মানুষ এখন - [বিজ্ঞাপনদাতা থেকে কৌশলবিদ—নতুন ভূমিকায় কতটা প্রস্তুত নির্মাতারা?](https://sarakhon.com/news/186529/): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দুনিয়ায় যারা এতদিন মূলত বিনোদন, জীবনধারা কিংবা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অনুসারী তৈরি করেছেন, তারাই এখন ধীরে ধীরে ব্র্যান্ডের বিপণন কৌশলের অংশ হয়ে উঠছেন। শুধু পণ্যের প্রচার নয়, কোন পণ্য তৈরি হবে, কীভাবে তা মানুষের কাছে পৌঁছাবে, এমনকি বিপণন পরিকল্পনা কী হওয়া উচিত—এসব সিদ্ধান্তেও তাদের মতামত চাওয়া হচ্ছে। ফ্রান্সের কান শহরে প্রতিবছর আয়োজিত বিশ্বের অন্যতম বড় বিজ্ঞাপন ও বিপণন সম্মেলনে এ পরিবর্তনের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একসময় যেখানে মূলত বিজ্ঞাপন ও বিপণন জগতের নির্বাহীদের আনাগোনা ছিল, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নির্মাতাদের উপস্থিতি দ্রুত বেড়েছে। চলতি বছর তারা আলোচনাসভা, মধ্যাহ্নভোজ, নৈশভোজ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শুধু অতিথি হিসেবেই ছিলেন না; ব্যবসায়িক - [ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাচ্ছন্দ্যে ফরাসি আভিজাত্যের ছোঁয়া, নিউইয়র্কে ল’এজেন্সের নতুন সাজ](https://sarakhon.com/news/186526/): নিউইয়র্কের অভিজাত আপার ইস্ট সাইডে ফরাসি রুচি আর ক্যালিফোর্নিয়ার স্বচ্ছন্দতার এক অনন্য মেলবন্ধন নিয়ে হাজির হয়েছে ফ্যাশন ব্র্যান্ড ল’এজেন্স। ম্যাডিসন অ্যাভিনিউয়ে ৭৫তম স্ট্রিটের কাছাকাছি তাদের প্রধান বিপণিকেন্দ্রে একই সঙ্গে মিলছে দৈনন্দিন পোশাকের সরলতা এবং বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য নজরকাড়া সাজ। সম্প্রতি শরৎ মৌসুমের নতুন পোশাক নিয়ে সাজানো এই বিপণিকেন্দ্রে সকালবেলায় ঘুরে দেখা গেছে জিনস, জ্যাকেট, শার্ট, স্কার্ট ও বিভিন্ন ধরনের জমকালো পোশাকের সমৃদ্ধ সংগ্রহ। ব্র্যান্ডটির নকশায় আরাম, পরিশীলিততা ও খানিকটা দুষ্টুমির মিশেল স্পষ্ট। জিনসেই ব্র্যান্ডের পরিচয় ২০০৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই ল’এজেন্সের জিনস ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাই নতুন সংগ্রহ দেখার শুরুতেই নজর কেড়েছে তাদের বিভিন্ন ধরনের ঢিলেঢালা জিনস। ক্লেটন, স্কটি ও - [মালয়েশিয়ার অর্থনীতি চাঙ্গা, কিন্তু সুফল পৌঁছাচ্ছে না সাধারণ মানুষের ঘরে](https://sarakhon.com/news/186523/): মালয়েশিয়ার অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে বাড়ছে। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধির সুফল এখনো অনেক সাধারণ কর্মী, পরিবার ও ছোট ব্যবসায়ীর জীবনে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েনি। অর্থনীতিবিদদের মতে, শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্প্রসারণকে মানুষের উচ্চতর আয়, স্থায়ী কর্মসংস্থান ও আর্থিক নিরাপত্তায় রূপান্তর করাই এখন দেশটির বড় চ্যালেঞ্জ। প্রবৃদ্ধি বাড়লেও স্বস্তি নেই মানুষের জীবনে মালয়েশিয়ার অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও জীবনযাত্রার ব্যয় এবং আয়ের মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। অর্থনীতির সামগ্রিক আকার বাড়লেও অনেক কর্মী মনে করছেন, তাদের বেতন ও ক্রয়ক্ষমতার উন্নতি সেই অনুপাতে হচ্ছে না। রাজধানী কুয়ালালামপুরের এক খুচরা ব্যবসায়ী মুহাম্মদ খায়রুল আলিয়াসের অভিজ্ঞতাও সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন। তার দোকানে কখনো বিক্রি ভালো হচ্ছে, আবার - [জাপানি মাঙ্গা চরিত্রের নামে সন্তানের নাম রাখছেন ইন্দোনেশিয়ার বাবা-মায়েরা](https://sarakhon.com/news/186520/): জাপানি অ্যানিমে ও মাঙ্গার জনপ্রিয়তা এখন শুধু বিনোদনের জগতেই সীমাবদ্ধ নেই; ইন্দোনেশিয়ার অনেক পরিবারের সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। দেশটির সরকারি জন্মনিবন্ধন তথ্যেও এমন নামের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার কিছু বাবা-মা প্রচলিত নামের পরিবর্তে জাপানি মাঙ্গা ও অ্যানিমের জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর নাম অনুসরণ করে সন্তানের নাম রাখছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণগুলোর একটি হলো ‘নারুতো’ নামটি। জাপানি সংস্কৃতির এই প্রভাব দেশটির সামাজিক জীবনেও নতুন ধরনের প্রবণতার জন্ম দিচ্ছে। জনপ্রিয় অ্যানিমের প্রভাব জাপানি অ্যানিমে ও মাঙ্গা বহু বছর ধরেই ইন্দোনেশিয়ার তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। টেলিভিশন, অনলাইন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে এসব চরিত্র ও গল্প সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে নতুন প্রজন্মের - [স্যামসাংয়ে বোনাস-বৈষম্য নিয়ে ক্ষোভ, চিপ ও স্মার্টফোন কর্মীদের মধ্যে বাড়ছে বিভাজন](https://sarakhon.com/news/186517/): দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাং ইলেকট্রনিকসে কর্মীদের মধ্যে বেতন ও বোনাস নিয়ে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় দুই ব্যবসা—অর্ধপরিবাহী ও স্মার্টফোন বিভাগ—এর কর্মীদের বোনাসের বিশাল ব্যবধানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন বিভাজন। বোনাসে শতগুণ পর্যন্ত ব্যবধান প্রতিষ্ঠানের অর্ধপরিবাহী বিভাগের কর্মীরা স্মার্টফোন বিভাগের তুলনায় অনেক বেশি বোনাস পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে। দুই বিভাগের মধ্যে বোনাসের ব্যবধান কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রায় শতগুণ পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। অর্ধপরিবাহী ব্যবসায় সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর প্রযুক্তির জন্য উচ্চ চাহিদা এবং উন্নত স্মৃতিচিপের বাজারে শক্তিশালী অবস্থান স্যামসাংয়ের আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর প্রভাব পড়েছে কর্মীদের প্রণোদনা ও বোনাসেও। অন্যদিকে স্মার্টফোন বিভাগকে - [কাশ্মীরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তার, বাড়ছে দুর্যোগের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/186514/): ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে একের পর এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণকে ঘিরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অঞ্চলটিতে বর্তমানে সাতটি বাঁধ প্রকল্পের কাজ চলমান। এর মধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের বারবার আকস্মিক মেঘভাঙা বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলার বাসিন্দা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী ইকবাল আহমদ জানান, গত ১ আগস্ট আকস্মিক বন্যায় এলাকার পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বন্যার পানিতে সড়কগুলো তলিয়ে যায় এবং প্রবল বজ্রঝড়ের কারণে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে বাড়ছে উদ্বেগ জম্মু ও কাশ্মীরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ভারত সরকার দীর্ঘদিন ধরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সম্প্রসারণ করে আসছে। তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, বড় বাঁধ ও জলবিদ্যুৎ - [সন্তানদের হত্যার মামলায় মায়ের পক্ষে জনসমর্থন, কিন্তু আড়ালে পড়ে যাচ্ছে তিন শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/186511/): যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ডাক্সবেরিতে তিন সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে জনসমর্থন ও সামাজিক আলোচনার মধ্যেই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—এই আলোচনায় নিহত তিন শিশুর কথা কি আড়ালে পড়ে যাচ্ছে? ৩৬ বছর বয়সী লিন্ডসে ক্ল্যান্সির বিরুদ্ধে তাঁর তিন সন্তান কোরাহ, ডসন ও ক্যালানকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পরিবারের বাড়িতে ছয় বছরের কম বয়সী এই তিন শিশুকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের মৃত্যুর ঘটনায় লিন্ডসের বিরুদ্ধে তিনটি প্রথম-ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার বিচারপর্বে লিন্ডসের আইনজীবীরা দাবি করছেন, সন্তানদের হত্যার সময় তিনি প্রসব-পরবর্তী মানসিক বিকারের মধ্যে ছিলেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষজ্ঞরা তাঁর মানসিক অবস্থা ও ঘটনার সময় তাঁর আচরণ বিশ্লেষণ করে - [নজরদারির নতুন সাম্রাজ্য ফ্লক, ৮৩০ কোটি ডলারের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন ক্ষোভ বাড়ছে](https://sarakhon.com/news/186508/): যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অপরাধ দমনের নামে গড়ে উঠেছে এমন এক নজরদারি ব্যবস্থা, যা মানুষের চলাফেরার দীর্ঘ ইতিহাসও অনুসরণ করতে পারে। এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে ফ্লক সেফটি নামের একটি দ্রুত বেড়ে ওঠা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। অপরাধী শনাক্ত করতে পুলিশের কাছে শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠলেও প্রতিষ্ঠানটির ক্যামেরা নেটওয়ার্ক নিয়ে এখন নাগরিক অধিকার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্যের মালিকানা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গুলির ঘটনায় দুইজন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার পর তদন্তকারীদের হাতে ছিল খুব সামান্য তথ্য। সন্দেহভাজন ব্যক্তি সম্পর্কে নির্দিষ্ট পরিচয় জানা ছিল না। শুধু জানা ছিল, তিনি একটি ধূসর রঙের নিসান গাড়িতে চলাচল করেছিলেন, যার নম্বরপ্লেট ছিল - [আগামী দিনের চাকরির বাজারে স্থায়ী চাকরির বদলে বাড়ছে অস্থায়ী কাজ, বদলে যাচ্ছে কর্মজগতের চিত্র](https://sarakhon.com/news/186505/): যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারে নীরবে একটি বড় পরিবর্তন ঘটছে। স্থায়ী চাকরির পাশাপাশি অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক ও প্রকল্পভিত্তিক কাজ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের মধ্যে এই ধরনের কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নিয়োগদাতারাও স্থায়ী কর্মী নিয়োগের বদলে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মী নেওয়ার দিকে ঝুঁকছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত জুলাই মাসের কর্মসংস্থান প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক বেসরকারি খাতে চাকরি কমার বিষয়টি বেশি আলোচনায় এলেও এর আড়ালে অস্থায়ী কর্মসংস্থানের একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরে তিন শতাধিক খাতের মধ্যে অস্থায়ী কর্মী সরবরাহ খাত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। বছরের প্রতিটি মাসেই এ খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে। শুধু জুলাই মাসেই যোগ হয়েছে - [বিলাসী গদি থেকে চিকিৎসা প্রযুক্তি: ধনকুবেরদের প্রিয় তিন লাখ টাকার ঘুমের যন্ত্র এবার সারাবে নিদ্রাজনিত শ্বাসকষ্ট](https://sarakhon.com/news/186501/): ঘুমকে আরামদায়ক করতে প্রায় তিন হাজার ডলারের বিশেষ গদি-ঢাকনা বানিয়ে আলোচনায় এসেছিল ‘এইট স্লিপ’। বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ঘুমের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত এই প্রযুক্তিপণ্য এবার আরও বড় স্বপ্ন দেখছে। বিলাসী ঘুমের সামগ্রী হিসেবে পরিচিতি পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এখন নিদ্রার মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা প্রযুক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মাত্তেও ফ্রানচেস্কেত্তি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়ার প্রক্রিয়া বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে। ২০২৫ সাল থেকেই নিদ্রাজনিত শ্বাসকষ্ট শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তির অনুমোদন পাওয়ার জন্য কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন চিকিৎসা গবেষণাও চলছে। ধনীদের বিছানা থেকে চিকিৎসাক্ষেত্রে ‘এইট স্লিপ’-এর - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এজেন্ট আপনার টাকা খরচ করলে, আপনি অনুমতি দিয়েছিলেন কি না প্রমাণ করবে কে?](https://sarakhon.com/news/186499/): আপনি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্টকে বললেন, “৩০ ডলারের কম দামের একটি শার্ট খুঁজে দাও, তবে কিনবে না।” এজেন্ট শার্ট খুঁজে বের করল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনার অনুমতি ছাড়াই সেটি কিনে ফেলল। এরপর শুরু হলো বিপত্তি। বিক্রেতা বলবে, আপনার হিসাব থেকেই অর্ডার এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান দেখাবে, আপনি কেনার অনুমতি দেননি। অর্থ পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান দেখাবে, আপনার হিসাব থেকে টাকা কাটা হয়েছে। তিন পক্ষের কাছেই আলাদা আলাদা নথি থাকবে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির উত্তর কোনো একটি নথিতে পাওয়া যাবে না—আপনি যে কাজটি করতে বলেছিলেন, সেই নির্দিষ্ট নির্দেশের সীমার মধ্যে থেকেই কি এজেন্ট কাজটি করেছিল? সাধারণ কথোপকথনের ব্যবস্থা থেকে এজেন্ট কতটা আলাদা সাধারণ - [মতের অমিল নয়, ‘ভুল’ মনে করাই মানুষকে বেশি ক্ষুব্ধ করে](https://sarakhon.com/news/186496/): মানুষের মধ্যে মতের অমিল থাকতেই পারে। কিন্তু গবেষণা বলছে, অন্য কেউ আমাদের চেয়ে ভিন্ন কিছু ভাবছে—এ কারণে যতটা অস্বস্তি তৈরি হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি বিরক্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয় যখন আমরা মনে করি, অন্য ব্যক্তির বিশ্বাসটি ভুল। টিকা, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, নির্বাচন কিংবা আইনশৃঙ্খলার মতো বিতর্কিত বিষয়ে মতবিরোধ তাই অনেক সময় নিছক মতের পার্থক্য থাকে না। তখন বিষয়টি পরিণত হয় কে বাস্তবতা ও সত্যকে সঠিকভাবে দেখছে, আর কে ভুল করছে—এই প্রশ্নে। গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রের দুই হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে নিয়ে চারটি গবেষণা চালিয়ে এমন প্রবণতার সন্ধান পেয়েছেন। তাঁদের মতে, মানুষ সব ধরনের মতবিরোধকে একইভাবে দেখে না। বিশেষ করে যখন কেউ নিশ্চিত হন - [উসাইন বোল্টের ১০০ মিটার রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট, এরপরই দেয়ালে ধাক্কা](https://sarakhon.com/news/186493/): চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব মানবাকৃতি রোবট ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দৌড়ের মঞ্চে নতুন চমক দেখিয়েছে একটি মানবাকৃতি রোবট। ১০০ মিটার দৌড়ে রোবটটি এমন সময় করেছে, যা কিংবদন্তি দৌড়বিদ উসাইন বোল্টের বিশ্বরেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে রেকর্ড গড়ার পরেই ঘটে যায় হাস্যকর ও নাটকীয় ঘটনা—গতি থামাতে না পেরে রোবটটি সোজা গিয়ে দেয়ালে ধাক্কা খায়। পরে তাকে স্ট্রেচারে করে সরিয়ে নিতে হয়। ৯ দশমিক ৩৯ সেকেন্ডে ১০০ মিটার চীনে তৈরি ‘তিয়াংগং আল্ট্রা’ নামের মানবাকৃতি রোবট ১০০ মিটার পথ পাড়ি দেয় ৯ দশমিক ৩৯ সেকেন্ডে। ২০০৯ সালে বার্লিনে উসাইন বোল্টের করা ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডের বিশ্বরেকর্ডের তুলনায় এটি ০ দশমিক ১৯ সেকেন্ড দ্রুত। প্রতিযোগিতায় আরেকটি চীনা রোবটও - [নিউইয়র্কে গুলিতে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁকর্মী নিহত, আহত আরও একজন](https://sarakhon.com/news/186490/): নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি ফাস্টফুড রেস্তোরাঁয় গুলির ঘটনায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও এক বাংলাদেশি। নিহত ব্যক্তি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী রাজু। তাঁর বয়স ৪৪ বছর। তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। রান্নাঘরে কাজ করার সময় গুলি শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্রুকলিনের ব্রাউনসভিল এলাকায় আমেরিকান বেস্ট উইংস অ্যান্ড পিজা নামের একটি রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজু গত এক বছর ধরে ওই ফাস্টফুডের দোকানে কাজ করছিলেন। ঘটনার সময় তিনি রান্নাঘরে ছিলেন। একপর্যায়ে এক বন্দুকধারী রেস্তোরাঁয় ঢুকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় টাকা রাখার কাউন্টারে - [এক্স-রে দৃষ্টির নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ক্যামেরায় এবার দ্রুতগতির বস্তুর ‘ভেতর দেখা’ ভিডিও](https://sarakhon.com/news/186485/): চীনের একদল বিজ্ঞানী এমন একটি নতুন এক্স-রে চিত্র ধারণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে দ্রুতগতিতে চলমান বস্তুর ভেতরের দৃশ্যও বাস্তব সময়ে ভিডিও আকারে ধারণ করা সম্ভব হতে পারে। নতুন এই প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ‘এক্স-রে ঘোস্ট ইমেজিং’ পদ্ধতি। গবেষকদের তৈরি ব্যবস্থা আকারে ছোট এবং পরীক্ষাগারেই সহজে স্থাপন করা যায়। এর মাধ্যমে ঘূর্ণায়মান বিমানের ইঞ্জিনের মতো দ্রুতগতির যন্ত্রাংশ কিংবা হৃদস্পন্দনের মতো জৈবিক গতিবিধিও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় কম বিকিরণ নতুন প্রযুক্তিটির অন্যতম বড় সুবিধা হলো, প্রচলিত এক্স-রে পদ্ধতির তুলনায় এতে কম মাত্রার বিকিরণ ব্যবহার করেই চিত্র ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এর যন্ত্রপাতিও তুলনামূলকভাবে সরল ও কম ব্যয়বহুল। গবেষকদের - [চীনের বিরুদ্ধে ভারতের গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ায় ভুল হিসাবের আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/186483/): চীনের বিরুদ্ধে ভারতের গোয়েন্দা তৎপরতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে স্বাভাবিক ও নিয়মিত চীনা কর্মকাণ্ডকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ক্রমেই হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করায় দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন এক চীনা গবেষক। একতরফা পাল্টা পদক্ষেপের আশঙ্কা চীনা গবেষকের মতে, ভারত যদি চীনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডকেও নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে, তাহলে নয়াদিল্লি পরিস্থিতির ভুল ব্যাখ্যা করে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে একতরফা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মাকাও ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষক ঝাও রুওশি এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি ২০২০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত - [হুন্দাইয়ের শক্তিতে স্টার্টআপের গতিতে এগোচ্ছে জেনেসিস](https://sarakhon.com/news/186479/): প্রায় দুই দশকের পথ পেরিয়ে বিলাসবহুল গাড়ির ব্র্যান্ড জেনেসিস এখন এমন এক ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করেছে, যেখানে একদিকে নতুন প্রতিষ্ঠানের মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত ও উদ্ভাবনের চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে পেছনে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বড় গাড়ি নির্মাতা হুন্দাইয়ের বিপুল অর্থ, প্রযুক্তি, উৎপাদন সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা। জেনেসিসের উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা টেড মেনগিস্টে বলেন, হুন্দাইয়ের মতো প্রায় ৮০ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থেকেও জেনেসিসকে অনেকটা নতুন প্রতিষ্ঠানের মতো পরিচালনা করা হয়। তাঁর ভাষায়, শুরুর দিকে জেনেসিসের কার্যক্রম ছিল একেবারে ভিত্তি গড়ে তোলার পর্যায়ে। ছোট দল থেকে বড় সংগঠন প্রায় পাঁচ বছর আগে মেনগিস্টে জেনেসিসে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর দলে ছিলেন মাত্র ৩৭ - [একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র](https://sarakhon.com/news/186411/): ফিলিপাইনের অর্থনীতির সবচেয়ে নির্মম বৈপরীত্য এখন স্পষ্ট: একদিকে দেশ পেয়েছে নতুন এক ট্রিলিয়নিয়ার, যার সম্পদের পরিমাণ সম্ভবত নিচের ৪৯ শতাংশ ফিলিপিনোর সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি; অন্যদিকে একই সময়ে প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নিজেদের ‘দরিদ্র’ বা ‘অতি দরিদ্র’ হিসেবে বিবেচনা করছে। তাদের অনেকেই নিয়মিত অনিচ্ছাকৃত ক্ষুধার মুখোমুখি হচ্ছে। এই বৈপরীত্যকে শুধু ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান বলে পাশ কাটানো যায় না। এটি ফিলিপাইনের অর্থনৈতিক কাঠামো, করনীতি, রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যদি বিপুল সম্পদ তৈরি করেও সেই সম্পদের সুফল সমাজের নিচের অর্ধেক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে না পারে, তাহলে সেই প্রবৃদ্ধির প্রকৃত সাফল্য কোথায়? বৈষম্যের প্রশ্ন কেন হারিয়ে গেল কয়েক - [মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই](https://sarakhon.com/news/186473/): পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে। ইসলামী দেশগুলোর মধ্যে এ ধরনের নিরাপত্তা উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অস্বাভাবিক হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামী দেশগুলোর মধ্যে কোনো নিরাপত্তা জোট বা চুক্তি হলে তাতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে অস্বাভাবিক হিসেবে দেখার কারণ নেই। তিনি বলেন, “এটি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। দেখা যাক সামনে কী হয়।” বাংলাদেশের প্রতি বাড়ছে আন্তর্জাতিক আগ্রহ হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমেই বেশি গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের - [ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/186452/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খানের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য পাকিস্তান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের একটি দল। ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার, ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্যার অ্যালিস্টার কুকসহ ২১ জন সাবেক অধিনায়ক এ আহ্বান জানিয়েছেন। ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন। তবে তিনি ও তাঁর দল এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে পাঠানো চিঠিতে সাবেক অধিনায়করা ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চিঠিতে বলা হয়, গত সপ্তাহে তাঁকে একটি হাসপাতালে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য - [লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা](https://sarakhon.com/news/186463/): শরীরের ভেতরে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি, যাকে ভিসেরাল চর্বি বলা হয়, হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির স্বাভাবিক বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করে দিতে পারে। নতুন এক গবেষণায় এমনই আশঙ্কাজনক তথ্য উঠে এসেছে। স্বাভাবিক ওজন হলেও বিপদ থাকতে পারে ভিসেরাল চর্বি শরীরের গভীরে জমে থাকে এবং বাইরে থেকে সব সময় বোঝা যায় না। এমনকি কারও ওজন স্বাভাবিক সীমার মধ্যেও থাকলেও শরীরে এই ধরনের চর্বির পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। ত্বকের ঠিক নিচে জমা চর্বির তুলনায় ভিসেরাল চর্বি স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ক্ষতিকর বলে গবেষকেরা মনে করছেন। এর আগে এই চর্বির সঙ্গে ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। নতুন গবেষণাটি - [মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি](https://sarakhon.com/news/186459/): তরুণ বেঙ্গালিজ ফিঞ্চ পাখি প্রাপ্তবয়স্ক পাখির কাছ থেকে মানুষের শিশুর ভাষা শেখার মতোই ধাপে ধাপে গান শেখে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, পাখির এই গানও আসলে ছোট ছোট অংশে গঠিত, যেগুলো অনেকটা মানুষের ভাষার শব্দের মতো কাজ করে। এ গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন এডিনবরার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইমন কিরবি, তেইকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজুও ওকানোয়া এবং জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনবাল আরনন। গবেষকেরা মানুষের শিশুদের ভাষা শেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি ছয়টি তরুণ পুরুষ ফিঞ্চ পাখির গানের ওপর প্রয়োগ করেন। গানের অংশগুলো অনেকটা শব্দের মতো গবেষক ইনবাল আরননের মতে, পাখির গানের ছোট ছোট অংশ দুটি বৈশিষ্ট্যে মানুষের ভাষার শব্দের সঙ্গে মিল রাখে। একটি অংশের কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনি - [গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩](https://sarakhon.com/news/186455/): মধ্য গাজার আল-জাওয়াইদা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় চার বছরের এক শিশুসহ অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে আরেকটি ইসরায়েলি হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন। আল-জাওয়াইদায় শিশুসহ নিহত ২ ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, রোববার আল-জাওয়াইদা শহরে চালানো বিমান হামলায় চার বছর বয়সী মুহাম্মদ আবদেল সালাম তাহা ও আরও একজন নিহত হন। হামলায় কয়েকজন আহতও হয়েছেন। নিহত ও আহতদের মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে চালানো আরেকটি ইসরায়েলি হামলায় একজন নিহত হন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলাগুলোর একটিতে তারা একজন ‘সন্ত্রাসীকে’ লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার কথা জানিয়েছে তারা। যুদ্ধবিরতির - [নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার](https://sarakhon.com/news/186453/): পাকিস্তানি অভিনেত্রী ও শিল্পী নাইমাল খাওয়ার নারীর শরীর নিয়ে প্রকাশ্যে করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, একজন নারীর শারীরিক পরিবর্তন কখনোই অন্যদের জন্য মন্তব্য বা কৌতূহলের বিষয় হওয়ার কারণ হতে পারে না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি ছবি নিয়ে করা মন্তব্যের জবাব দেন নাইমাল। একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁকে আগের তুলনায় ‘চেনাই যাচ্ছে না’। একই সঙ্গে তাঁর ওজন বেড়েছে কি না কিংবা তিনি অন্তঃসত্ত্বা কি না, তা নিয়েও অনুমান করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় নাইমাল বলেন, নারীর শরীর নিয়ে মানুষ কতটা স্বাচ্ছন্দ্যে মন্তব্য করতে শুরু করেছে, বিষয়টি একই সঙ্গে তাঁর কাছে বিস্ময়কর ও দুঃখজনক। তিনি বলেন, তাঁর - [তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া](https://sarakhon.com/news/186447/): আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছর পর দেশটির সাধারণ মানুষের জীবন কতটা বদলেছে, বিশেষ করে নারী ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিস্থিতি কী—তার এক ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে। তালেবান নেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এবং দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, শাসকদের কথায় পরিবর্তনের দাবি থাকলেও বাস্তবে বহু ক্ষেত্রে আগের কঠোর নীতিই বহাল রয়েছে। নির্যাতিত নারীর বিবাহবিচ্ছেদের আকুতি উত্তর আফগানিস্তানের জওজান প্রদেশের গভর্নর আবদুল্লাহ সারহাদির দপ্তরে এক তরুণী তার স্বামীর কাছ থেকে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। ১৮ বছর বয়সী ওই নারী অভিযোগ করেন, স্বামী তাকে কয়েক মাস ধরে মারধর ও নির্যাতন করে আসছেন। মুখ পুরোপুরি ঢেকে এবং চোখে কালো চশমা পরে - [ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’](https://sarakhon.com/news/186444/): ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বত ইর উইডফা, যা স্নোডন নামেও পরিচিত, তার চূড়ায় ওঠার পথে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে পর্বতারোহী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রচণ্ড গরমের কারণে এ বছর সেখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চূড়ায় ওঠার শেষ অংশে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। অনেককে এক ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। চূড়ায় উঠতে দীর্ঘ অপেক্ষা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮৫ মিটার উঁচু এই পর্বতের চূড়ায় একটি ধাতব ফলক রয়েছে, যেখানে পৌঁছে ছবি তোলার জন্য অনেকেই অপেক্ষা করেন। পর্যটকের চাপ বেড়ে যাওয়ায় সেখানে পাথরের সিঁড়ির ওপর প্রায়ই দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, লাইনে অপেক্ষা করা ব্যক্তিদের - [আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য](https://sarakhon.com/news/186435/): তালেবান কাবুলের ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছর পর আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখাওয়া ও পেশোয়ারের জন্য এটি আর শুধু দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বিষয় নয়; বরং শিল্পের সক্ষমতা, বাজার ধরে রাখা এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফগান ট্রানজিট বাণিজ্যে বড় ধস পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ট্রানজিট বাণিজ্য একসময় দ্রুত বাড়ছিল। তালেবান ক্ষমতায় ফেরার আগে প্রায় ৮৯ হাজার কনটেইনারে ৫০০ কোটি ডলারের পণ্য পরিবহন হতো। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা রেকর্ড ১ লাখ ২ হাজার ৮৮৬ কনটেইনারে পৌঁছে, যার মূল্য ছিল প্রায় ৬৭০ কোটি ডলার। এরপর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কনটেইনার সংখ্যা নেমে - [যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো](https://sarakhon.com/news/186436/): যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে জানিয়েছে, নতুন অভিবাসন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসা উচিত। নতুন নিয়ম আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এ কারণে ওই সময়ের কাছাকাছি বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের ভ্রমণসূচি পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হার্ভার্ড, কলাম্বিয়া, ওহাইও স্টেট, জর্জটাউন, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, নতুন নিয়মের কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের অনুমোদিত সময় নির্ধারণের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। হার্ভার্ডের আন্তর্জাতিক দপ্তর এফ-১ ও জে-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার মতো করে ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে বলেছে। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আরও - [স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান ভারতের হাইকমিশনারের](https://sarakhon.com/news/186425/): বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার ঢাকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করার বিষয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের বাণিজ্যে গতি ফেরানোর উদ্যোগ বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বছরে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। তবে গত দেড় বছরে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের গতি কিছুটা কমেছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে কীভাবে দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও সহজ, কার্যকর ও গতিশীল করা যায়, তা - [পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি আসলে অ্যান্টার্কটিকা, বালির কারণে নয় ঠান্ডা ও পানির অভাবে](https://sarakhon.com/news/186427/): মরুভূমি বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে উত্তপ্ত বালিয়াড়ি, তীব্র রোদ আর পানিশূন্য বিস্তীর্ণ ভূমি। কিন্তু মরুভূমির সংজ্ঞা আসলে বালি কিংবা প্রচণ্ড গরমের ওপর নির্ভর করে না। কোনো অঞ্চলে বছরে খুব অল্প পরিমাণ বৃষ্টিপাত বা তুষারপাত হলে সেটিই মরুভূমি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সাধারণভাবে বছরে ২৫০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হলে একটি অঞ্চলকে মরুভূমি ধরা হয়। এই সংজ্ঞার কারণেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমির তকমা পেয়েছে বরফে ঢাকা অ্যান্টার্কটিকা। মরুভূমি তৈরির পেছনে চারটি বড় কারণ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে শুষ্ক পরিবেশ তৈরির পেছনে কয়েকটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া কাজ করে। এর মধ্যে প্রধান হলো বায়ুর নিম্নগমন, পর্বতমালার কারণে জলীয়বাষ্প আটকে যাওয়া, ঠান্ডা সমুদ্রস্রোত এবং সমুদ্র থেকে - [খাজা আসিফের ভারত-পাকিস্তান তুলনার ভিডিও ভুয়া, দাবি পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়ের](https://sarakhon.com/news/186430/): পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ভারত ও পাকিস্তানের অগ্রগতির তুলনা করে কোনো বক্তব্য দেননি বলে জানিয়েছে দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে সম্পূর্ণ ভুয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ায় ভিডিও সোমবার পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে সেটিকে ভুয়া বলে সতর্ক করেছে। ভিডিওটিতে খাজা আসিফকে একটি সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের অগ্রগতির সঙ্গে ভারতের অগ্রগতির তুলনা করতে দেখা যাচ্ছিল। ভিডিওতে তার কথার সঙ্গে এমন বক্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়, যেখানে বলা হয়—দুই দেশ একই সময়ে স্বাধীনতা অর্জন করলেও উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে বড় পার্থক্য তৈরি হয়েছে। এ - [যুক্তরাজ্যের বিরলতম শিকারি পাখির ঘরে নতুন ছানা, গোপন ঠিকানায় দ্বিতীয়বার সফল প্রজনন](https://sarakhon.com/news/186361/): যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বিরল শিকারি পাখিগুলোর একটি মঁতাগুর শিকারি বাজ একই গোপন এলাকায় টানা দ্বিতীয় বছর সফলভাবে প্রজনন করেছে। এবার একটি পুরুষ পাখি দুটি আলাদা স্ত্রী পাখির সঙ্গে মিলিত হয়ে দুটি বাসায় মোট ছয়টি ছানা বড় করেছে। বিলুপ্তির ঝুঁকিতে বিরল পাখি মঁতাগুর শিকারি বাজকে ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পাখির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১১ সালে দেশটিতে এই পাখির সফল বাসার সংখ্যা ছিল নয়টি। কিন্তু ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সফল প্রজননের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংরক্ষণকর্মীদের কাছে ‘এ ইউ’ নামে পরিচিত পুরুষ পাখিটি এবার দুটি বাসায় ছয়টি ছানা বড় করেছে। গত বছর একই গোপন এলাকায় চারটি ছানা জন্ম নিয়েছিল। প্রকৃতি সংরক্ষণকর্মীরা - [এশীয় বিতাড়নের ৫৪ বছর পর উগান্ডার প্রয়োজন নতুন অর্থনৈতিক দর্শন](https://sarakhon.com/news/186414/): ১৯৭২ সালে উগান্ডার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইদি আমিন দেশটির এশীয় জনগোষ্ঠীকে বিতাড়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার ৫৪ বছর পরও এটি উগান্ডার ইতিহাসের একটি গভীর ক্ষত হয়ে আছে। বহু পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের ঘরবাড়ি ও সম্পদ হারিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। এর প্রভাব শুধু মানুষের জীবনেই পড়েনি, বড় ধরনের ধাক্কা এসেছিল উগান্ডার অর্থনীতিতেও। বিতাড়িতদের অনেকে পরে ব্রিটেন, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে নতুন জীবন গড়ে তোলেন। তাদের অনেকের অর্থনৈতিক সাফল্য আজ উগান্ডার হারানো সম্ভাবনার কথাও মনে করিয়ে দেয়। তবে ২০২৬ সালে এসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হওয়া উচিত—এই ঘটনা থেকে উগান্ডা কী শিখেছে? বৈষম্যের শিকড় ছিল আরও গভীরে ১৯৭২ সালের ঘটনাকে শুধু জাতিগত বিদ্বেষের দৃষ্টিতে দেখলে - [গণহত্যার বিচার অধরাই রেখে হেগে ফেলিসিয়েন কাবুগার মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/186420/): রুয়ান্ডার ১৯৯৪ সালের তুতসি গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ও দীর্ঘদিন পলাতক থাকা ধনকুবের ফেলিসিয়েন কাবুগার মৃত্যু আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। জাতিসংঘের হেফাজতে নেদারল্যান্ডসের হেগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে চলা বিচারপ্রক্রিয়াও—রায় আর দেওয়া সম্ভব হলো না। দুই দশকের বেশি সময়ের পলায়ন কাবুগার বিরুদ্ধে গণহত্যা, গণহত্যার ষড়যন্ত্র, গণহত্যায় উসকানি এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি উগ্রপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অর্থ ও সম্পদ সরবরাহ, ঘৃণামূলক প্রচারণায় সহায়তা এবং গণহত্যার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৯৪ সালে প্রায় ১০০ দিনের মধ্যে রুয়ান্ডায় আট লাখের বেশি মানুষ নিহত - [বিশ্বের বৃহত্তম পাইলট প্রশিক্ষণকেন্দ্র সম্প্রসারণের প্রথম ধাপ শেষ করল ইউনাইটেড](https://sarakhon.com/news/186417/): পাইলটের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রশিক্ষণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের বড় উদ্যোগ নিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারের প্রশিক্ষণকেন্দ্রের সম্প্রসারণের প্রথম ধাপ শেষ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে কেন্দ্রটিতে এখন প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৮৬০ জন পাইলটকে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হবে। প্রশিক্ষণযন্ত্রের সংখ্যা বেড়ে ৮৬ ২০২২ সাল থেকে ডেনভার প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ৪০টি নতুন প্রশিক্ষণযন্ত্র যুক্ত করেছে ইউনাইটেড। এতে কেন্দ্রটির মোট প্রশিক্ষণযন্ত্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬-তে। এর মধ্যে ৫২টি পূর্ণাঙ্গ গতিশীল উড্ডয়ন অনুকরণযন্ত্র এবং ৩৪টি স্থির প্রশিক্ষণযন্ত্র। বিমানবহর ও উড্ডয়ন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাইলট নিয়োগও বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ইউনাইটেডের পাইলট সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার। ২০২১ সালে তাদের প্রবৃদ্ধি পরিকল্পনা শুরুর পর থেকে ৯ হাজার ৫০০-এর বেশি পাইলট নিয়োগ দেওয়া - [নারী বাস্কেটবল কেন মার্কিন রক্ষণশীলদের সংস্কৃতিযুদ্ধের নতুন মঞ্চ](https://sarakhon.com/news/186396/): যুক্তরাষ্ট্রে নারী বাস্কেটবলের জনপ্রিয়তা যত বাড়ছে, ততই এটি রাজনীতির এক অপ্রত্যাশিত বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে আসছে। বিশেষ করে নারী ক্রীড়ায় ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ, জাতিগত পরিচয় এবং জনপ্রিয় খেলোয়াড়দের ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক এখন দেশটির সংস্কৃতিযুদ্ধের অংশ হয়ে উঠেছে। একসময় নারী বাস্কেটবল নিয়ে সংবাদমাধ্যমের আগ্রহ এতটাই কম ছিল যে, নারী জাতীয় বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজকেরা সাংবাদিকদের ম্যাচ কাভার করতে প্রায় অনুরোধ জানাতেন। এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে। গ্যালারি, সম্প্রচার এবং সংবাদমাধ্যম—সব জায়গাতেই নারী বাস্কেটবল ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করছে। সোফি কানিংহ্যামকে ঘিরে বিতর্ক ইন্ডিয়ানা ফিভারের গার্ড সোফি কানিংহ্যাম সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন রক্ষণশীলদের আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন। অনেকে তাকে ‘ম্যাগা বার্বি’ নামে অভিহিত করছেন। যদিও তিনি - [খনিজের গণ্ডি পেরিয়ে: নামিবিয়ার শিল্পায়নে পুঁজির নতুন পথ](https://sarakhon.com/news/186408/): একটি খনি চালু হওয়ার পরই বিনিয়োগের গল্প শেষ হয়ে যায়—এমন ধারণা এখন আর টেকসই নয়। বরং উৎপাদন শুরু হওয়ার পরই পুঁজির প্রয়োজন আরও বহুমাত্রিক হয়ে ওঠে। খনির সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি কিংবা স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ—সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন, আবাসন, রেলপথ, শিল্প অবকাঠামো ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতার মতো বিপুল বিনিয়োগের প্রশ্ন। প্রচলিত ধারণা হলো, এসব অবকাঠামোর অর্থায়নও খনি কোম্পানিকেই করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি সম্পদের মালিকানা খনি কোম্পানির হাতে থাকা জরুরি নয়। বরং কোন সম্পদ সরাসরি খনির মূল ব্যবসার অংশ আর কোনটি সহায়ক অবকাঠামো—এই পার্থক্যটি স্পষ্ট করাই হতে পারে আরও কার্যকর পুঁজি ব্যবস্থাপনার ভিত্তি। খনি পরিচালনা অবশ্যই মূল ব্যবসা। কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানি - [ওবামাকেয়ারের দুর্বলতা বাড়ছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যবীমা সংকট তীব্র](https://sarakhon.com/news/186405/): যুক্তরাষ্ট্রে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। ২০১০ সালে চালু হওয়া অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট বা ওবামাকেয়ার স্বাস্থ্যবীমার আওতা বাড়ালেও এর ব্যক্তিগত বীমা বাজার এখন আবার চাপের মুখে। ভর্তুকি কমে যাওয়া, প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এবং অপেক্ষাকৃত সুস্থ গ্রাহকদের বাজার ছাড়ার কারণে ব্যবস্থাটি আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্যবীমা বাজারে বড় ধাক্কা ওবামাকেয়ার যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুরোপুরি বদলে না দিয়ে মেডিকেইডের আওতা বাড়ায় এবং ব্যক্তিদের জন্য এমন অনলাইন বাজার তৈরি করে, যেখানে তারা বিভিন্ন বীমা পরিকল্পনা তুলনা করে কিনতে পারেন। তবে শুরু থেকেই ব্যক্তিগত বাজারে এই ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা ছিল। ২০২১ সালে কংগ্রেস অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর পর বিনিময়ভিত্তিক স্বাস্থ্যবীমায় নিবন্ধন - [ব্রিটিশ ভারত ভাগ: স্মৃতি, দায়বদ্ধতা ও ভাষায় প্রকাশের অতীত এক শোক](https://sarakhon.com/news/186402/): ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভাজন আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। সাত দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই বিভাজনের ক্ষত আজও দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের স্মৃতি, সম্পর্ক ও সামাজিক জীবনে প্রতিধ্বনিত হয়। পাঞ্জাবের মতো সেই বিপর্যয়ের কেন্দ্রভূমির মানুষের কাছে এই শোক আরও গভীর। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা এক নীরব, ভারী উত্তরাধিকার হয়ে আছে সেই স্মৃতি। তাড়াহুড়ো করে টানা সীমান্ত শুধু ভূখণ্ডকে বিভক্ত করেনি; ছিন্নভিন্ন করেছে মানুষের জীবন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং শত শত বছরের অভিন্ন ঐতিহ্য। এক বৃদ্ধের স্মৃতিতে রক্তাক্ত বিভাজন এই বিপর্যয়ের একজন জীবিত সাক্ষী দোস্ত মুহাম্মদ। বয়স এখন প্রায় ৯৫ বছর। নীরবে বসে থাকা এই বৃদ্ধের স্মৃতিতে ১৯৪৭ সালের - [মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ১ বিলিয়ন ডলারের তহবিল, তবু ট্রাম্পের অর্থ ছাড় নিয়ে অনিশ্চয়তা](https://sarakhon.com/news/186399/): মিডটার্ম নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টি অর্থের দিক থেকে বড় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ফেডারেল নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দলীয় কাঠামো ও রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটিগুলো মিলিয়ে রিপাবলিকানদের হাতে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার রয়েছে, যা ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। তবে এই বিপুল অর্থের বড় অংশ নির্বাচনী প্রচারে কতটা ব্যবহার হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। রিপাবলিকানদের বড় তহবিল, নিয়ন্ত্রণ ট্রাম্পের হাতে রিপাবলিকানদের সবচেয়ে বড় অর্থভাণ্ডার রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুপার পিএসি ‘মাগা ইনক’-এর হাতে। সংগঠনটির তহবিলে অন্তত ৪০০ মিলিয়ন ডলার রয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প পৃথক নির্বাচনী প্রচারে কত অর্থ দেবেন, তা প্রকাশ্যে জানাননি। এখন পর্যন্ত মাগা ইনক তার মোট তহবিলের মাত্র ২.৩ মিলিয়ন - [জেন-জি থেকে জেন-আলফা: তরুণদের ক্ষোভ কি আসলে ব্যর্থ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে?](https://sarakhon.com/news/186390/): ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের যে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ছে, সেগুলোকে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা হিসেবে দেখলে বড় ছবিটা ধরা পড়বে না। কোথাও স্কুলে শিক্ষক নেই, কোথাও অবকাঠামো ভেঙে পড়েছে, কোথাও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, আবার কোথাও শিক্ষাজীবন শেষ করেও তরুণদের সামনে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নেই। ঘটনাগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো সাংগঠনিক যোগসূত্র নেই। প্রতিবাদের ধরনও এক নয়। কিন্তু এর ভেতরে একটি অভিন্ন সুর স্পষ্ট—তরুণ প্রজন্ম অন্যায়, বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতাকে আগের মতো নীরবে মেনে নিতে চাইছে না। এ কারণেই জেন-জি ও জেন-আলফার অস্থিরতাকে কেবল বয়সজনিত আবেগ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর গভীরে রয়েছে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সংকট। - [কোয়ান্টাম জগতের কোয়ান্টাম কমপিউটিং](https://sarakhon.com/news/186227/): কমপিউটার কমপিউটিং-য়ে কমপিউটার হলো ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র বা মেশিন, এবং কমপিউটিং বলতে বোঝায় কমপিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপাত্তের প্রক্রিয়াজাতকরণ, গাণিতিক প্রক্রিয়ার সাহায্যে ’ইনপুট’ থেকে ’আউটপুট’প্রাপ্তি বা ক্যালকিউলেশন, এবং তথ্যের ব্যবস্থাপনা করাকে বোঝায়; এবং কমপিউটার নামক মেশিন দিয়ে এসব কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা হয়। নিত্যদিনের জীবনে আমরা যারা কমপিউটার ব্যবহার করছি, তাকে বলা হয় চিরায়ত বা ক্ল্যাসিকেল কমপিউটার। অপরদিকে, কমপিউটার সায়েন্স/বিঞ্জান ও ই্িঞ্জনীয়ারিং জগতে কোয়ান্টাম কমপিউটিং নামক নতুন কায়দার কমপিউটিং পদ্ধতির আবির্ভাব ঘটেছে। এই পদ্ধতিতে- কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অনন্য গুণাবলী, আচরণ ব্যবহার করে এমন সব সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে যেগুলোর সমাধান চিরায়ত বা ক্ল্যাসিকেল কমপিউটার দিয়ে মোটেই সম্ভব নয়। কোয়ান্টাম কমপিউটিং-য়ের সঙ্গে কোয়ান্টাম হার্ডওয়ার, - [আগুন নেভাতে সুপারম্যান সেজে মাঠে ১৭ বছরের কিশোর](https://sarakhon.com/news/186393/): ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে ভয়াবহ দাবানল মোকাবিলায় বাবার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে নেমেছে ১৭ বছরের কিশোর রুদিয়ানসাহ। তবে অন্য স্বেচ্ছাসেবকদের মতো সাধারণ পোশাকে নয়, প্রিয় সুপারম্যানের পোশাক পরে আগুনের বিরুদ্ধে লড়ছে সে। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আগুনের মাঠে লাল-নীল পোশাকের কিশোর ইন্দোনেশিয়ার পালাংকারায়া শহরের আশপাশে বিস্তীর্ণ পিটভূমি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ধোঁয়া ও কুয়াশায় ঢেকে গেছে এলাকার আকাশ। এমন পরিস্থিতিতে বাবার গড়ে তোলা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী অগ্নিনির্বাপণ দলের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দিয়েছে রুদিয়ানসাহ। ২০২৩ সাল থেকেই স্কুলের পড়াশোনার ফাঁকে বাবার সঙ্গে আগুন নেভাতে যাচ্ছে সে। তবে চলতি বছর আগুন মোকাবিলায় সুপারম্যানের উজ্জ্বল লাল-নীল পোশাক - [আরও চড়া দামে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার, ইউনিটপ্রতি দাম ২৪ ডলার ছাড়াল](https://sarakhon.com/news/186381/): তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে এবার আরও বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে সরকারকে। দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মধ্যে এক কার্গোর জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৬২৫ মার্কিন ডলার এবং অন্য কার্গোর দাম ২৪ দশমিক ২৫ ডলার। সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। দুই কার্গোর সরবরাহকারী ও সময়সূচি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫-এর উপবিধি ৩-এর দফা (ক) অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে দুই - [ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মাসের সর্বনিম্ন লেনদেন, টানা দুই দিনে ১৪১ পয়েন্ট সূচক পতন](https://sarakhon.com/news/186387/): ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চলতি মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেনের দিনে টানা দ্বিতীয় কার্যদিবস বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। সোমবার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭৮ পয়েন্ট কমেছে। এর আগে রোববার সূচকটি ৬৩ পয়েন্ট হারায়। ফলে মাত্র দুই দিনে প্রধান সূচকের পতন দাঁড়িয়েছে ১৪১ পয়েন্টে। বাজারজুড়ে বিক্রির চাপ সোমবার ডিএসইর শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ১৬ পয়েন্ট এবং নীলচিপ সূচক ডিএস৩০ কমেছে ১৪ পয়েন্ট। একই সঙ্গে অধিকাংশ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমায় বাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ দেখা যায়। দিন শেষে ৩৫৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। অপরিবর্তিত ছিল ১৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। লেনদেনে বড় ধস দরপতনের পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য সংকোচন দেখা গেছে। সোমবার - [রাশিয়ার বন্দিশালায় ইউক্রেনীয়দের খোঁজ: রাষ্ট্রীয় নীরবতার দেয়াল ভাঙার লড়াই](https://sarakhon.com/news/186384/): রাশিয়ার কারা ব্যবস্থা নিজের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও কতটা অস্বচ্ছ, তা বহুদিনের পরিচিত বাস্তবতা। কিন্তু ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দি ও আটক বেসামরিকদের ক্ষেত্রে এই অস্বচ্ছতা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। কোনো ব্যক্তি কোথায় আটক, কোন কারাগারে তাকে রাখা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কি না—এসব মৌলিক তথ্য জানতে গিয়ে পরিবারগুলোকে কখনো বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই অনুসন্ধানের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, তথ্যের অভাব সব সময় তথ্য না থাকার কারণে নয়। বরং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের পরস্পরবিরোধী উত্তর, প্রশাসনিক বিধিনিষেধ এবং আদালতের নথিতে তথ্য আড়াল করার প্রবণতা এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে একজন বন্দিকে খুঁজে বের করার কাজ প্রায় গোয়েন্দা অনুসন্ধানে পরিণত হয়েছে। পরিবারের জন্য - [নারীদের জন্য বছরে ৩টি বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার, বাসে ফ্রি যাত্রা—বড় ঘোষণা বিজয়ের](https://sarakhon.com/news/186374/): তামিলনাড়ুর নারীদের জন্য বড় ধরনের কল্যাণমূলক ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামের প্রধান সি. জোসেফ বিজয়। বিধানসভায় তিনি বছরে তিনটি বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার দেওয়া এবং নারীদের জন্য বিনামূল্যে বাসযাত্রার পরিধি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। বছরে তিনটি বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার ‘অন্নপূর্ণী সুপার সিক্স’ নামে নতুন কর্মসূচির আওতায় পরিবারপ্রধান নারীদের বছরে তিনটি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিনামূল্যে দেওয়া হবে। আগামী জানুয়ারিতে পোঙ্গল উৎসবের সময় এই কর্মসূচি চালু হওয়ার কথা। এই প্রকল্পে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ পরিবার উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন বিজয়। এর জন্য বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপি সরকারি ব্যয় হতে পারে। পরিবারের নারীপ্রধানের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি গ্যাসের সিলিন্ডারের মূল্য - [যুক্তরাষ্ট্রের কোন বিমানবন্দরে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট দেরি হয়, জেনে নিন পুরো তালিকা](https://sarakhon.com/news/187057/): সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে চাইলে শুধু উড়োজাহাজের সংস্থা নয়, কোন বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বিমানবন্দরগুলোর সময়মতো উড্ডয়ন ও বিলম্বের চিত্র উঠে এসেছে। তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিটের মধ্যে উড়োজাহাজ গেট ছাড়লে সেটিকে সময়মতো উড্ডয়ন হিসেবে ধরা হয়েছে। আবহাওয়াও বিমানবন্দরের সময়ানুবর্তিতায় বড় প্রভাব ফেলে। ফ্লোরিডার ঘূর্ণিঝড়, নিউ ইংল্যান্ডের তুষারঝড় কিংবা অ্যারিজোনার অতিরিক্ত গরমের মতো পরিস্থিতিতে উড্ডয়ন বিলম্বিত হতে পারে। সবচেয়ে ভালো অবস্থানে সল্ট লেক সিটি সময়সূচি মেনে উড্ডয়নের দিক থেকে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে সল্ট লেক সিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। জানুয়ারি থেকে - [কিশোর-কিশোরীদের উবার যাত্রা এবার সরাসরি দেখতে পারবেন অভিভাবকেরা](https://sarakhon.com/news/187054/): কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা আরও বাড়াতে নতুন সরাসরি ভিডিও দেখার সুবিধা চালু করেছে উবার। এই ব্যবস্থায় কোনো কিশোর বা কিশোরী উবারে যাত্রা শুরু করলে তার নিবন্ধিত অভিভাবক চালকের গাড়িতে থাকা মুঠোফোনের পেছনের ক্যামেরা ব্যবহার করে যাত্রাটি সরাসরি দেখতে পারবেন। উবার জানিয়েছে, নতুন এই সুবিধার মূল উদ্দেশ্য হলো সন্তান পথে থাকা অবস্থায় অভিভাবকদের অতিরিক্ত নিশ্চয়তা দেওয়া। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার সময়ই সুবিধাটি চালু করা হচ্ছে। যেভাবে কাজ করবে নতুন ব্যবস্থা কোনো কিশোর ব্যবহারকারীর উবার যাত্রা শুরু হলে তার নিবন্ধিত অভিভাবকের মুঠোফোনে সরাসরি ভিডিও দেখার সুযোগ চালু হয়েছে—এমন একটি বার্তা যাবে। তবে কিশোর এবং অভিভাবক দুজনকেই উবারের ব্যবস্থায় আগে থেকে নিবন্ধিত থাকতে হবে। অভিভাবক ভিডিও - [খাবারের ব্যবসা ছেঁটে সৌন্দর্য-পণ্য ও গৃহস্থালি পণ্যে জোর দিচ্ছে ইউনিলিভার](https://sarakhon.com/news/187051/): ভোক্তা পণ্য খাতের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার ব্যবসার পরিধি ছোট করে আরও বেশি মুনাফা ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের কৌশল নিয়েছে। খাবারের ব্যবসা থেকে সরে এসে সৌন্দর্য, ব্যক্তিগত পরিচর্যা ও গৃহস্থালি পণ্যে বেশি মনোযোগ দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্যের ব্যবধান কমাতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ডাভ সাবান, অ্যাক্স সুগন্ধি ও সিফ পরিষ্কারক পণ্যের নির্মাতা ইউনিলিভারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রতিদ্বন্দ্বী অনেক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কম। সংশ্লিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, মূল পরিচালন আয়ের তুলনায় ইউনিলিভারের প্রতিষ্ঠানের মূল্য প্রায় ১১ দশমিক ৫ গুণ। বিপরীতে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বলের ক্ষেত্রে তা ১৪ দশমিক ৮ গুণ, লরিয়ালের ১৭ দশমিক ৫ গুণ এবং কোকা-কোলার ২২ দশমিক ৭ গুণ। - [চীনের কাছে খনিজ দৌড়ে হেরে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল কি এবার ঘুরে দাঁড়াবে?](https://sarakhon.com/news/187048/): বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতায় ওয়াশিংটন পিছিয়ে পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন ব্রাজিলের খনি ও জ্বালানিমন্ত্রী আলেকজান্দ্রে সিলভেইরা। তাঁর দাবি, গত মে মাসে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা স্বীকার করেছিলেন, বিদ্যুতায়ন, খনিজ পৃথকীকরণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে হেরে গেছে। সোমবার মিনাস জেরাইস রাজ্যে ব্রাজিলিয়ান খনি শিল্পের একটি সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে সিলভেইরা এ কথা জানান। দেশটির মোট খনিজ উৎপাদনের ৪০ শতাংশের বেশি এই রাজ্য থেকে আসে। কাঁচামাল রপ্তানিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্র এখন ব্রাজিলের খনি খাতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। তবে ব্রাজিল সরকার বলছে, - [চীনের প্রত্নতাত্ত্বিকরা এবার দক্ষিণ আমেরিকায়, খুঁজবেন প্রাচীন চীন-আমেরিকার যোগসূত্র](https://sarakhon.com/news/187045/): চীন ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্র অনুসন্ধানে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আমেরিকায় মাঠপর্যায়ের প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা শুরু করতে যাচ্ছে চীন। এ গবেষণায় প্রাচীন চীনা সভ্যতা ও আমেরিকার আদিবাসী সভ্যতাগুলোর মধ্যে কোনো ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। পেরুর সুপে এলাকায় দুই দেশের জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্প্রতি একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় চীনা প্রত্নতাত্ত্বিকরা পেরুর গবেষকদের সঙ্গে কারাল প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলে কাজ করবেন। এই অঞ্চলেই আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন পরিচিত নগরকেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। কারাল ঘিরে শুরু হবে অনুসন্ধান যৌথ প্রত্নতাত্ত্বিক দল প্রথম পর্যায়ে চানকাই-হুয়ারাল ও সুপে নদীর অববাহিকায় মাঠ জরিপ চালাবে। পাশাপাশি প্রাচীন - [জুলিয়া লুই-ড্রেফাসের ব্রডওয়েতে অভিষেক, নতুন চরিত্রে এক ভিন্ন ঝুঁকির যাত্রা](https://sarakhon.com/news/187042/): দীর্ঘ অভিনয়জীবনে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছেন জুলিয়া লুই-ড্রেফাস, যেখানে নতুন কিছু প্রথমবার করার প্রয়োজন তাঁর নেই। তবু এবার তিনি একই সঙ্গে দুটি নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি—ব্রডওয়েতে অভিষেক এবং টনি পুরস্কার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ। টনি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তাঁর ভাষায়, থিয়েটারজগতের মানুষের মধ্যে এক ধরনের আন্তরিকতা রয়েছে, যা সত্যিই সুন্দর। সবাই জানেন তাঁদের কাজ কতটা কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ। ব্রডওয়েতে নতুন চরিত্র এবারের বড় চ্যালেঞ্জ জুলিয়ার জন্য পলি ওয়াইথ চরিত্রটি। জন রবিন বেইটজের ২০১১ সালের নাটক ‘অদার ডেজার্ট সিটিজ’-এর নতুন মঞ্চায়নে তিনি অভিনয় করছেন পাম স্প্রিংসের এক প্রভাবশালী পরিবারের মাতৃপ্রধানের ভূমিকায়। জন বেঞ্জামিন হিকির পরিচালনায় নাটকটি অক্টোবরে হাডসন থিয়েটারে মঞ্চস্থ - [৫০-এর পর ত্বকে ব্লাশ ব্যবহারে ক্রিম নাকি পাউডার—কোনটি বেশি মানানসই?](https://sarakhon.com/news/187039/): বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের গঠনেও পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে ৪০ ও ৫০-এর পর ত্বকে কোলাজেন ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিড কমতে থাকায় ত্বক তুলনামূলক পাতলা, শুষ্ক ও কম টানটান হয়ে পড়ে। ফলে সূক্ষ্ম রেখা ও অসমান ত্বকের গঠন আরও স্পষ্ট দেখা দিতে পারে। এই সময়ে মেকআপের ধরন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও কিছুটা সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ব্লাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ক্রিম নাকি পাউডার? বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার পর ক্রিম, তরল ও ময়েশ্চারাইজিং ধরনের ব্লাশ ত্বকের জন্য তুলনামূলক বেশি উপযোগী। কেন ক্রিম ও তরল ব্লাশ এগিয়ে শুষ্ক বা অতিরিক্ত পাউডারযুক্ত ব্লাশ অনেক সময় ত্বকের সূক্ষ্ম রেখার মধ্যে জমে গিয়ে সেগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলতে - [শরতের চলচ্চিত্র উৎসবে ভোগ সম্পাদকদের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমা](https://sarakhon.com/news/187036/): সেপ্টেম্বর এলেই শুরু হয় শরৎকালীন চলচ্চিত্র উৎসবের ব্যস্ত মৌসুম। ভেনিস, টরন্টো ও নিউইয়র্কের চলচ্চিত্র উৎসব ঘিরে ইতিমধ্যেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। এ নিয়ে ভোগের তিন চলচ্চিত্রপ্রেমী সম্পাদক নিজেদের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনায় যেসব সিনেমা ভোগের উপসম্পাদক টেলর অ্যানট্রিমের সঙ্গে আলোচনায় ছিলেন সম্পাদক লিয়াম হেস ও লিসা ওং ম্যাকাবাসকো। আলোচনার শুরুতেই তারা এমন কয়েকটি সিনেমার কথা বলেন, যেগুলো উৎসবে প্রদর্শনের আগেই দেখার সুযোগ হয়েছে তাদের। এর মধ্যে অন্যতম জেমস গ্রের ‘পেপার টাইগার’। অ্যাডাম ড্রাইভার, মাইলস টেলার ও স্কারলেট জোহানসন অভিনীত এই রোমাঞ্চধর্মী সিনেমার পটভূমি ১৯৮০-এর দশকের কুইন্স। সিনেমাটির চরিত্রদের পোশাক, পরচুলা ও উচ্চারণ কিছুটা অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেন - [মাস্কের স্পেসএক্সে ট্রাম্পের বিনিয়োগ, উঠল স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/187033/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত জুনে ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের শেয়ার কিনেছেন। সরকারি আর্থিক বিবরণীতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বিনিয়োগের পরিমাণ ১৫ হাজার ১ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে। ২৩ জুন স্পেসএক্সের শেয়ার কেনেন ট্রাম্প। তবে ঠিক কত অর্থ তিনি বিনিয়োগ করেছেন, তা নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। কারণ মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অঙ্কের পরিবর্তে বিভিন্ন পরিসর উল্লেখ করা হয়। এক মাসে হাজারের বেশি শেয়ার লেনদেন ট্রাম্প ১২ আগস্ট নিজের আর্থিক বিবরণীতে এই বিনিয়োগের তথ্য দেন। পরে ২২ আগস্ট তা প্রকাশ্যে আসে। ওই নথি অনুযায়ী, জুন মাসে ট্রাম্প এক হাজারেরও বেশি শেয়ার লেনদেন করেছেন। স্পেসএক্স - [তিন বছরে ১০০ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ার](https://sarakhon.com/news/187030/): ইন্দোনেশিয়া আগামী তিন বছরের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি শুরু করেছে। দেশটির বর্তমান স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা যেখানে মাত্র ১ দশমিক ৫ গিগাওয়াট, সেখানে এত অল্প সময়ে বিশাল সক্ষমতা তৈরির এই পরিকল্পনাকে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো মঙ্গলবার রাজধানী জাকার্তায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং জ্বালানি আমদানির ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করাই এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ব্যয় হবে ৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০০ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা গড়ে তুলতে আনুমানিক ৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। বিশাল এই বিনিয়োগের মাধ্যমে - [চীনা যন্ত্রাংশের ওপর মার্কিন রোবট শিল্পের নির্ভরতা ফাঁস, নতুন নিষেধাজ্ঞায় বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/187026/): চীনের তৈরি যন্ত্রাংশের ওপর মার্কিন রোবট শিল্পের গভীর নির্ভরতা নতুন করে সামনে এসেছে। উন্নত রোবট প্রযুক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বিধিনিষেধ দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য সামনে আনলেও শিল্পসংশ্লিষ্টরা সতর্ক করছেন, এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে এবং সরবরাহে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হতে পারে। নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে শিল্পের চাহিদার সংঘাত যুক্তরাষ্ট্র উন্নত রোবট ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির উৎপাদন দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহব্যবস্থায় চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে। বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে চীনা প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশের ব্যবহার সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে বাস্তবতা হলো, দ্রুত সম্প্রসারিত রোবট শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে চীনা তৈরি হার্ডওয়্যার ও উপাদানের ব্যবহার ব্যাপক। ফলে এসব পণ্যের - [প্রেমের টানে কানাডা ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে, স্বপ্নের বাড়ি হারিয়েও আক্ষেপ নেই](https://sarakhon.com/news/187023/): মন্ট্রিয়েলের স্বপ্নের বাড়ি, সঞ্চয়, চাকরি—সবকিছুই ছিল কানাডার বাসিন্দা জেনিন কানিলাসের জীবনে। তারপর ক্যালিফোর্নিয়ায় এক সফরে এক মার্কিন তরুণের প্রেমে পড়ে বদলে গেল তাঁর পুরো জীবন। সেই প্রেমের টানে তিনি বিক্রি করে দেন নিজের স্বপ্নের বাড়ি, গুটিয়ে ফেলেন পরিচিত জীবন এবং পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। স্বপ্নের বাড়ি থেকে নতুন জীবনের পথে ২০২২ সালের আগস্টে মন্ট্রিয়েলে নিজের পছন্দের বাড়ির চাবি হাতে পেয়ে জেনিনের মনে হয়েছিল, জীবনের বড় একটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ল্যাশিন খালের দৃশ্য দেখা যেত বাড়িটি থেকে। ছিল মার্বেলের রান্নাঘর, উষ্ণ মেঝে এবং ছাদে সুইমিং পুল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই নিরাপদ জীবনই যেন তাঁকে একঘেয়ে করে তুলছিল। শীতের হাত থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারেও মার্কিন শেয়ারবাজারে আয় বৃদ্ধির চমক, দুই প্রতিষ্ঠানের বড় অবদান](https://sarakhon.com/news/187020/): মার্কিন শেয়ারবাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর একটি এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর কোম্পানিগুলোর আয় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আশ্চর্যজনকভাবে বেড়েছে। প্রাথমিক হিসাবে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সূচকভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত আয় বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৫১ শতাংশে। ২০২১ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের পর এটিই হতে পারে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি। তবে এই উত্থানের পেছনে রয়েছে বিশেষ একটি বিষয়। দুটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান—অ্যালফাবেট ও অ্যামাজনের অসাধারণ আয়ই মূলত মোট প্রবৃদ্ধির বড় অংশকে ওপরে তুলেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের আয়েই বড় পরিবর্তন অ্যালফাবেটের শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ৯ ডলার ১১ সেন্ট, যেখানে বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল মাত্র ২ ডলার ৮৮ সেন্ট। অন্যদিকে অ্যামাজনের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫ ডলার ৭৫ সেন্ট, যেখানে পূর্বাভাস ছিল ১ ডলার - [মেইল ভোটে ট্রাম্পের বিধিনিষেধে সুপ্রিম কোর্টের ছাড়, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়](https://sarakhon.com/news/187017/): যুক্তরাষ্ট্রে মেইলের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার নিয়ম কঠোর করার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে সাময়িকভাবে বড় আইনি বাধা সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। তবে এর অর্থ এই নয় যে ট্রাম্পের পুরো পরিকল্পনা এখনই কার্যকর হয়ে গেছে। পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের ওপর আরেকটি আদালতের নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে। রাজ্যগুলোর মামলা এখনই গ্রহণযোগ্য নয় সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ বেঞ্চ বলেছে, ট্রাম্পের মার্চে জারি করা নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে ২৩টি অঙ্গরাজ্য ও রাজধানী অঞ্চলের করা মামলা এই পর্যায়ে অকালপক্ব। ফলে বোস্টনের ফেডারেল বিচারক ইন্দিরা তালওয়ানির দেওয়া একটি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে আদালত রাজ্যগুলোর জন্য ভবিষ্যতে আবার মামলা করার সুযোগ খোলা রেখেছে। অর্থাৎ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের - [ফ্লোরিডায় স্বাস্থ্যবিমার খরচে বিপাকে লাখো মানুষ, এক বছরে বীমা ছাড়লেন ৪ লাখ ৪০ হাজার](https://sarakhon.com/news/187014/): যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে স্বাস্থ্যবিমার ব্যয় দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় লাখো মানুষ চিকিৎসা-সুরক্ষা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। চলতি বছরে প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার ফ্লোরিডাবাসী সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইনের আওতাধীন স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনা ছেড়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে অনেকেই এখন কোনো স্বাস্থ্যবিমা ছাড়াই দিন কাটাচ্ছেন। মাসে অতিরিক্ত ১০০ ডলারেই বিমা ছাড়লেন লাখো মানুষ ফ্লোরিডার সেন্ট ক্লাউডের ২১ বছর বয়সী রাঁধুনি এলিজা বাটনের অভিজ্ঞতা এই সংকটের একটি বড় উদাহরণ। জুন মাসে রান্নার সময় ছুরি পিছলে তাঁর মধ্যমা আঙুলের হাড় পর্যন্ত কেটে যায়। অথচ হাসপাতালে যাওয়ার মতো অর্থ তাঁর হাতে ছিল না। বছরের শুরুতে মাসিক বিমা খরচ প্রায় ১০০ ডলার বেড়ে যাওয়ায় তিনি স্বাস্থ্যবিমা বাতিল করেছিলেন। ফলে গুরুতরভাবে কেটে - [এপস্টেইনকে সহায়তার মামলায় গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের সাজা বাতিলের আবেদন খারিজ](https://sarakhon.com/news/187011/): যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল বিচারক জেফরি এপস্টেইনকে কিশোরীদের যৌন নির্যাতনে সহায়তার অভিযোগে দণ্ডিত গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের সাজা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে ম্যাক্সওয়েলের ২০ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকল। মঙ্গলবার প্রকাশিত রায়ে নিউইয়র্কের ফেডারেল জেলা বিচারক পল এনগেলমেয়ার বলেন, ম্যাক্সওয়েলের উত্থাপিত দাবিগুলোর কোনোটি গ্রহণযোগ্য নয়। বরং সেগুলোর প্রায় সবই ভিত্তিহীন বা আইনগতভাবে গুরুত্বহীন। দণ্ড বাতিলের আবেদন করেছিলেন ম্যাক্সওয়েল ৬৪ বছর বয়সী ম্যাক্সওয়েল নিজেই নিজের পক্ষে আদালতে আবেদন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় ও সাজেকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেন, তার শাস্তিকে বেআইনি ঘোষণা করে বাতিল করা হোক। ম্যাক্সওয়েল দাবি করেন, এপস্টেইনকে ঘিরে চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত নতুন নথিগুলো - [দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নতুন তৎপরতা, ক্ষুদ্র দ্বীপে সম্ভাব্য রাডার স্থাপনা](https://sarakhon.com/news/187008/): বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক অবকাঠামো আরও জোরদার করছে চীন। প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের অ্যান্টিলোপ রিফের কাছে ইয়াগং দ্বীপে নতুন তিনটি স্থাপনা দেখা গেছে। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এগুলো সম্ভাব্য আগাম সতর্কতামূলক রাডার কেন্দ্রের প্রাথমিক কাঠামো হতে পারে। মার্চ-এপ্রিল থেকে নির্মাণকাজ বাণিজ্যিক উপগ্রহচিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভ্যান্টরের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াগং রিফে নির্মাণকাজ শুরু হয় গত মার্চ ও এপ্রিলে। সর্বশেষ ১৭ আগস্টের উপগ্রহচিত্রে সেখানে তিন শাখাবিশিষ্ট একটি নির্মাণকাঠামো দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থাপনাগুলোর প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যান্য এলাকায় থাকা চীনা সামরিক রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সঙ্গে ইয়াগংয়ের নতুন কাঠামোর বেশ কিছু মিল রয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথ্যকেন্দ্র নিয়ে ক্ষোভ, খরচের বোঝা কার—নতুন সমঝোতার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রে](https://sarakhon.com/news/187002/): যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারের সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ। কিন্তু এসব বিশাল স্থাপনা ঘিরে স্থানীয় মানুষের উদ্বেগও তীব্র হচ্ছে। বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা, পানির ব্যবহার, অবকাঠামোর ওপর চাপ এবং নির্মাণকাজের দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ—সব মিলিয়ে অনেক এলাকাতেই তথ্যকেন্দ্র এখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। তথ্যকেন্দ্র নিয়ে জনমনে বাড়ছে আপত্তি দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে তথ্যকেন্দ্রবিরোধী মনোভাব রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। ওহাইও থেকে ওয়াইওমিং পর্যন্ত বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা এমন প্রকল্প নিয়ে আগের তুলনায় বেশি সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন। পেনসিলভানিয়ায় গভর্নর জশ শাপিরো তথ্যকেন্দ্রকে অঙ্গরাজ্যের দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থার বাইরে রেখেছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় অনুমোদন, বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার নিয়ে বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার এবং স্থানীয় জনগণের জন্য সুবিধা নিশ্চিত - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কর্মীদের মিথ্যা বলা কমেছে, বেড়েছে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস](https://sarakhon.com/news/186999/): কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের দক্ষতা নিয়ে কর্মীদের মিথ্যা বলার প্রবণতা আগের তুলনায় কমেছে। তবে এর বদলে তৈরি হয়েছে আরও বড় একটি সমস্যা—নিজেদের সক্ষমতা নিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, অনেক কর্মী মনে করছেন তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে যথেষ্ট দক্ষ, যদিও বাস্তবে এর ব্যবহার থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশিত সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের দুই হাজারের বেশি কর্মীর ওপর পরিচালিত এক জরিপে এই চিত্র উঠে এসেছে। এক বছর আগে ৪৫ দশমিক ২ শতাংশ কর্মী জানিয়েছিলেন, তারা কোনো সভায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে নিজেদের জ্ঞান বাস্তবের চেয়ে বেশি দেখানোর চেষ্টা করেছেন। এ বছর সেই হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ দশমিক ৩ শতাংশে। একইভাবে, - [উষ্ণ পানিতে ছড়িয়ে থাকা ‘মস্তিষ্কখেকো’ অ্যামিবায় ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/186995/): যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় উষ্ণ মিঠাপানিতে পাওয়া অত্যন্ত বিরল এক অ্যামিবায় আক্রান্ত হয়ে ৮ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। লিলিয়ান স্মার্ট নামের শিশুটি সপ্তাহান্তে মারা যায়। তার পরিবার জানিয়েছে, চিকিৎসকেরা তার শরীরে নেগলেরিয়া ফাওলেরি নামের অ্যামিবার সংক্রমণ শনাক্ত করেছিলেন। কীভাবে প্রাণঘাতী হয় এই অ্যামিবা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নেগলেরিয়া ফাওলেরিকে ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। উষ্ণ মিঠাপানিতে থাকা এই অণুজীব নাক দিয়ে মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে মস্তিষ্কে পৌঁছে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে প্রাথমিক অ্যামিবিক মেনিনগোএনসেফালাইটিস নামের রোগ দেখা দেয়, যা প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী। লুইজিয়ানা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চলতি গ্রীষ্মে উপসাগরীয় দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচণ্ড গরম ও পানির স্তর কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এমন - [সন্তান হত্যার মামলায় নতুন মোড়: ১৮ মিনিটের ‘ভ্রম’কে মানসিক বিকার বলতে নারাজ মনোবিজ্ঞানী](https://sarakhon.com/news/186991/): যুক্তরাষ্ট্রে তিন সন্তান হত্যার মামলায় লিন্ডসে ক্ল্যান্সির মানসিক অবস্থা নিয়ে বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন এক ফরেনসিক মনোবিজ্ঞানী। তাঁর দাবি, সন্তানদের হত্যার সময় ক্ল্যান্সি তীব্র মানসিক বিকারে আক্রান্ত ছিলেন না। বরং তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সন্তানদের একা রেখে যেতে চাননি বলেই তাদের হত্যা করেছিলেন। ‘কণ্ঠস্বর শোনার’ দাবি নিয়ে প্রশ্ন ফরেনসিক মনোবিজ্ঞানী কার্ক হেইলব্রুন আদালতে বলেন, ক্ল্যান্সি দাবি করেছিলেন, একটি অচেনা কণ্ঠস্বর তাঁকে সন্তানদের হত্যা করে পরে নিজেকেও হত্যা করতে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু হেইলব্রুন সেই বক্তব্য বিশ্বাস করেননি। তাঁর মতে, ক্ল্যান্সি যে ধরনের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, তা ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তিনি জানান, ওই কণ্ঠস্বর ক্ল্যান্সি আগে কখনো শোনেননি এবং হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৮ - [তাইওয়ানের তাইওয়ানপ্লাস বন্ধের উদ্যোগ দ্বীপটির গণতন্ত্রকে দুর্বল করবে](https://sarakhon.com/news/186989/): স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো যখন নিজেদের ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক বয়ান বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে, তখন তাইওয়ানের একমাত্র আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষার সংবাদমাধ্যম তাইওয়ানপ্লাস অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। তাইওয়ানের বিরোধী কুওমিনতাং নেতৃত্বাধীন জোট তাইওয়ানপ্লাসের সরকারি অর্থসহায়তা প্রায় পুরোপুরি কমিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বিষয়টি শুধু সরকারি অর্থের সাশ্রয় বা বাজেট পর্যালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর পেছনে রাজনৈতিক পক্ষপাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন সিদ্ধান্ত তাইওয়ানের হয়ে বিশ্বের কাছে সরাসরি কথা বলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমকে নীরব করে দিতে পারে। বিশেষ করে চীনের পক্ষ থেকে তাইওয়ানকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর তথ্য, প্রচার ও জনমত প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা যখন আরও জোরালো হচ্ছে, তখন এই সংবাদমাধ্যমের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা - [চীনের জে-১৬ ও মিসরের রাফালের মুখোমুখি মহড়া, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে সামরিক তৎপরতা](https://sarakhon.com/news/186986/): মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এর মধ্যেই মিসরের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে চীনের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান জে-১৬। এই মহড়ায় মিসরের রাফাল যুদ্ধবিমানের সঙ্গে চীনা যুদ্ধবিমানগুলোর সমন্বিত যুদ্ধ প্রশিক্ষণ হয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চীনের বড় সামরিক বহর মিসরে চীনের গণমুক্তি ফৌজের বিমানবাহিনী সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক মোতায়েন শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে জে-১৬ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি ইউ-২০ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, কে-জে-৫০০ আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান এবং জেড-২০ সামরিক হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে। এই বহরের মিসরে পৌঁছানোকে চীনের মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সামরিক তৎপরতার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে - [চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন বার্তা, ‘নিয়ন্ত্রিত মতবিরোধে স্বাভাবিক স্থিতিশীলতা’ চান বেইজিং](https://sarakhon.com/news/186983/): চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার টানাপোড়েন কমিয়ে সম্পর্ককে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান লিউ হাইশিং বলেছেন, দুই দেশের উচিত মতবিরোধ থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলা। অভিন্ন স্বার্থ বাড়ানোর আহ্বান মঙ্গলবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চীন-যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সংলাপে লিউ হাইশিং এ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিসর আরও বিস্তৃত করতে হবে। পারস্পরিক প্রতিযোগিতা থাকলেও তা যেন সংঘাতের দিকে না যায়, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। লিউ বলেন, দুই পক্ষের উচিত একে অপরকে শূন্য-সম খেলায় প্রতিপক্ষ হিসেবে না দেখে নিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে - [মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শক্তির ভারসাম্যের সূচনা?](https://sarakhon.com/news/186980/): সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। চুক্তির মূল কথা হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে এই চুক্তির তাৎপর্য শুধু পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি। কারণ, কোনো দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়েও হামলা থেকে নিরাপদ না থাকে, তাহলে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর নির্ভর করে থাকার প্রয়োজন কতটা—সেই প্রশ্নই সামনে চলে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সৌদি আরব, - [তাইওয়ানের নতুন এফ-১৬ কি চীনের জে-২০-এর মোকাবিলায় ভারসাম্য বদলাতে পারবে?](https://sarakhon.com/news/186977/): তাইওয়ান শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উন্নত সংস্করণের দুটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পেতে যাচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, নতুন এই যুদ্ধবিমানগুলো চীনের পঞ্চম প্রজন্মের জে-২০ স্টেলথ যুদ্ধবিমানের মোকাবিলায় তাইওয়ানের সক্ষমতা কিছুটা বাড়াতে পারে। তাইওয়ানের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার নতুন যুদ্ধবিমান নতুন এফ-১৬ ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমান দুটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তাইওয়ানের জন্য নির্ধারিত ৬৬টি যুদ্ধবিমানের প্রথম চালান। পুরো চুক্তির মূল্য ২৪৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলার, যা প্রায় ৭৭৬ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। বিমান দুটি, যার নম্বর ৬৭২৭ ও ৬৭২৮, গত ১৭ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনার একটি উৎপাদনকেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করে। এরপর শুক্রবার এগুলো হাওয়াইয়ে যায়। সেখান থেকে গুয়ামে যাওয়ার কথা রয়েছে। - [আইনজীবীদের জন্য জেমিনি এআই প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ করল গুগল](https://sarakhon.com/news/186972/): আইনজীবী ও আইন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সুবিধা চালু করেছে গুগল। প্রতিষ্ঠানটি তাদের জেমিনি এন্টারপ্রাইজ প্ল্যাটফর্মে আইন খাতের জন্য বিশেষ সরঞ্জাম যুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে নিয়মিত ও জটিল আইনি কাজের বড় একটি অংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় পরিচালনা করা যাবে বলে জানিয়েছে গুগল। আইনজীবীদের কাজ সহজ করার লক্ষ্য গুগলের নতুন ‘জেমিনি এন্টারপ্রাইজ ফর লিগ্যাল’ মূলত আইন প্রতিষ্ঠানগুলোর দৈনন্দিন ও জটিল কাজকে দ্রুত এবং কার্যকর করার জন্য তৈরি। গুগলের দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়মিত কাজের দায়িত্ব নিলে আইনজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরামর্শ, কৌশল নির্ধারণ এবং ক্লায়েন্টদের জন্য উচ্চমূল্যের সেবায় বেশি সময় দিতে পারবেন। প্ল্যাটফর্মটিতে আইন খাতের বিভিন্ন সফটওয়্যার ও তথ্যভান্ডারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের সুবিধা - [ইরান যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাসগুলোতে কূটনীতিক ফেরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/186971/): ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আগে ও যুদ্ধ চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দূতাবাস থেকে কূটনীতিক সরিয়ে নেওয়ার পর এবার তাদের আবার ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহ থেকেই বিভিন্ন দেশে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মীদের ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ নথির বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনগুলোতে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধীরে ধীরে শিথিল করার পাশাপাশি কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত কর্মঘণ্টার বাইরে থাকায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে - [কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি](https://sarakhon.com/news/186967/): কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে আসক্তি তৈরি এবং তাদের নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বহুল আলোচিত মামলায় ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি স্বীকার করেছেন, কিশোরদের জন্য চালু করা গুরুত্বপূর্ণ একটি নিরাপত্তা সুবিধা ব্যবহারের হার দীর্ঘ সময় ধরে ছিল খুবই কম। মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্যের অভিযোগ, শিশু-কিশোরদের বেশি সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখতে মেটা ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশা করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার অকল্যান্ডের একটি ফেডারেল আদালতে মামলার চতুর্থ দিনের শুনানিতে সাক্ষ্য দেন মোসেরি। ২০১৮ সাল থেকে ইনস্টাগ্রামের নেতৃত্বে থাকা এই কর্মকর্তা বলেন, কিশোরদের জন্য চালু করা ‘বিরতি নাও’ সুবিধাটি তারা শুরুতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু রাখেননি, যদিও জানতেন এতে ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ কম হতে পারে। কিশোরদের অধিকাংশই সুবিধাটি ব্যবহার করত না - [রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা](https://sarakhon.com/news/186964/): মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ মঙ্গলবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কো সফর করেছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কার সঙ্গে তিনি বৈঠক করছেন বা আলোচনায় কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। র‍্যাটক্লিফের এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, ২০২১ সালের নভেম্বরের পর এটিই কোনো মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধানের মস্কো সফরের প্রথম জানা ঘটনা। সে সময় র‍্যাটক্লিফের পূর্বসূরি উইলিয়াম বার্নস রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। ওই বৈঠকের প্রায় তিন মাস পর রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। র‍্যাটক্লিফের সফর - [যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ](https://sarakhon.com/news/186961/): যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা আরও তীব্র করে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। একই সঙ্গে শুল্কের নেতিবাচক প্রভাব সামাল দিতে ব্যবসা ও শ্রমিকদের জন্য ৭৫০ কোটি কানাডীয় ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে দেশটি। কানাডা সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় ৭০০ ধরনের পণ্যের ওপর ১৫, ২৫ ও ৫০ শতাংশ হারে পাল্টা শুল্ক কার্যকর হবে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের জবাব কানাডার কানাডার এই পদক্ষেপ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতির জবাব। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ - [বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/186958/): উত্তর আমেরিকায় নতুন গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে জাপানের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে বিদ্যমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো না হলে নতুন কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন কারখানার প্রয়োজন হোন্ডার হোন্ডার নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট নোরিয়া কাইহারা জানিয়েছেন, উত্তর আমেরিকায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে এসেছে। ফলে ভবিষ্যতের চাহিদা সামাল দিতে নতুন একটি গাড়ি তৈরির কারখানা প্রয়োজন। তবে উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত না হলে সেই বিনিয়োগ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনায় কাইহারা বলেন, আগামী এক থেকে - [দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা](https://sarakhon.com/news/186954/): প্রায় ছয় বছর বয়সে নিজের প্রিয় ভুট্টার খড় দিয়ে তৈরি পুতুলকে নিয়ে প্রথম গান লিখেছিলেন ডলি পার্টন। ছোট্ট সেই পুতুলের নাম ছিল ‘লিটল টিনি ট্যাসেলটপ’। মায়ের যত্নে সেই গানের লেখা বহুদিন একটি জুতার বাক্সে সংরক্ষিত ছিল। সেই শৈশবের সৃষ্টিশীলতা থেকেই শুরু হয়েছিল যে পথচলা, তা শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যায় বিশ্বসংগীতের সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে। দেশীয় সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী, গীতিকার ও অভিনেত্রী ডলি পার্টন আর নেই। মঙ্গলবার ৮০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ন্যাশভিলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। তার মৃত্যুর কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে তার প্রচার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, - [ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন](https://sarakhon.com/news/186951/): কান্ট্রি সংগীতের কিংবদন্তি ডলি পার্টন ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন। তাঁর পরিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মৃত্যুর খবর জানিয়েছে। পার্টনের ভাতিজা ব্রায়ান সিভার ভিডিও বার্তায় বলেন, “দুঃখ আমাদের, ডলির নয়।” তাঁর এই বক্তব্যে প্রিয় শিল্পীকে হারানোর গভীর বেদনার পাশাপাশি ডলি পার্টনের জীবনকে উদযাপনের একটি আবেগঘন বার্তাও উঠে এসেছে। সাত দশকের সংগীতজীবন ডলি পার্টনের সংগীতজীবন বিস্তৃত ছিল প্রায় সাত দশকজুড়ে। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি বিশ্বজুড়ে ১০ কোটির বেশি রেকর্ড বিক্রি করেন এবং লিখেছেন তিন হাজারেরও বেশি গান। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১০টি গ্র্যামি পুরস্কার। তবে বিপুল সাফল্যের পরও পার্টনের কাছে গান লেখাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নিজেকে মূলত একজন গীতিকার হিসেবেই - [ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/186948/): পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি সরকারি হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভয়াবহ আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোরে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও দেশটির সরকার জানিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুন লাগার সময় নবজাতক ওয়ার্ডে অন্তত ১৫টি শিশু চিকিৎসাধীন ছিল। আগুনের পর উদ্ধারকারী দল একটি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে বাকি ১৪ নবজাতককে আর বাঁচানো যায়নি। আগুনের সূত্রপাত যেভাবে উদ্ধার কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সকাল আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের ভেতরে অবস্থিত নবজাতক ওয়ার্ডে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কম্প্রেসর বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর - [কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের](https://sarakhon.com/news/186945/): কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের মারধরে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কাকিয়ারচর পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম জাকির। তিনি ওই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে জাকির ও তাঁর বড় ভাই শাকিলের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শাকিল জাকিরকে মারধর করেন। মারধরে গুরুতর আহত জাকির দেবপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক সুরজিৎ বড়ুয়া জানান, মঙ্গলবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে জাকির ও তাঁর বড় ভাই ৩২ বছর বয়সী শাকিলের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। একপর্যায়ে শাকিল জাকিরকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে জাকির গুরুতর আহত হয়ে অচেতন - [বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন](https://sarakhon.com/news/186942/): এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। বিকেল ৩টায় অধিবেশন বসবে। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে ডাকা এই অধিবেশন সাধারণত দীর্ঘ হয় না এবং প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার নজির রয়েছে। তবে এবার কত দিন অধিবেশন চলবে, তা শুরুর আগে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত হবে। অধিবেশনে কয়েকটি বিল পাস হওয়ার কথা রয়েছে। অধিবেশন নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার রাত ১২টা থেকে অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় সংসদ ভবন ও - [পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা](https://sarakhon.com/news/186938/): বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। - [ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ](https://sarakhon.com/news/186935/): সিঙ্গাপুর থেকে ভুটানে ফেরার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতির সময় তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলমের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সিঙ্গাপুর থেকে ভুটানে যাওয়ার পথে ভোরে ঢাকায় অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন তিনি। এ সময় ভিভিআইপি লাউঞ্জে গিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আলোচনা সৌজন্য সাক্ষাতে দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে - [ডিএসই কর্মকর্তার চাকরিচ্যুতি নিয়ে হাইকোর্টের রুল, সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকায় নিষেধাজ্ঞা](https://sarakhon.com/news/186932/): ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসির সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আবদুল লতিফকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁর করা প্রতিনিধিত্বমূলক আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সম্প্রতি বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ডিএসইর চাকরিচ্যুতির চিঠি নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টের রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, গত ২৫ জুন ডিএসইর দেওয়া চাকরি অবসানের চিঠি কেন আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ও কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করা হবে না। ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পদটি আর প্রয়োজন নেই—এমন কারণ দেখিয়ে আবদুল লতিফকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। রিট আবেদনে - [ডিআরএসে সেরা কে, বাঁহাতিরাই কি ভালো ব্যাটার—ক্রিকেটের নানা প্রশ্নের উত্তর](https://sarakhon.com/news/186928/): ক্রিকেটে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। একজন ব্যাটারের রান, একজন বোলারের উইকেট কিংবা একটি দলের জয়-পরাজয়ের হিসাবের বাইরেও এখন ক্রিকেটের নানা সূক্ষ্ম বিষয় পরিসংখ্যানের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় ক্রিকেটভিত্তিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ক্রিকভিজের কাছে পাঠকদের করা বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর সামনে এসেছে। এতে উঠে এসেছে ডিআরএসে সবচেয়ে সফল ব্যাটার, বাঁহাতি ও ডানহাতি ব্যাটারের পার্থক্য, জো রুটের রেকর্ডের সম্ভাবনা, কোন গতির বলে বেশি উইকেট পড়ে এবং ক্রিকেটের আরও বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য। দুই বলে দুই উইকেটের পর হ্যাটট্রিক কতটা কঠিন টেস্ট ক্রিকেটে কোনো বোলার পরপর দুই বলে দুই উইকেট নেওয়ার পর হ্যাটট্রিক করার সুযোগ পান। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগানো - [ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত, শান্তি-ন্যায় ও মানবতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/186925/): সারা দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদায় বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হচ্ছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত স্মরণে দিনটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইসলামি ঐতিহ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই দিন হিজরি বর্ষপঞ্জির ১২ রবিউল আউয়াল, ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। মানবজাতির জন্য শান্তি ও কল্যাণের বার্তা নিয়ে তাঁর আগমন ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। একই দিনে তাঁর ওফাতও ঘটে। দিনটি উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থানগুলো জাতীয় ও বর্ণিল পতাকা এবং কালিমা তাইয়্যিবার বাণীসংবলিত ব্যানারে - [জিয়া ইউসুফের বিতর্কিত আচরণ: আবেগ নয়, রিফর্ম ইউকের কৌশলগত রাজনীতি?](https://sarakhon.com/news/186921/): ব্রিটিশ রাজনীতিতে রিফর্ম ইউকের গুরুত্বপূর্ণ নেতা জিয়া ইউসুফকে সহজেই এমন একজন রাজনীতিক হিসেবে দেখা যায়, যিনি নিজের বক্তব্যের সীমা বোঝেন না, অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন এবং ব্যক্তিগত ঔদ্ধত্যকে রাজনৈতিক আচরণে পরিণত করেছেন। কিন্তু তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখলে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন সামনে আসে: ইউসুফ কি সত্যিই নিয়ন্ত্রণহীন, নাকি তার বিতর্কিত আচরণের পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল? গত বছরের শরতে ইউসুফ স্পেকটেটরের ‘পার্লামেন্টারিয়ান অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পান। পুরস্কার গ্রহণের সময় উপস্থিত রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন, যা প্রচলিত রাজনৈতিক সৌজন্যের সঙ্গে একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তিনি সবাইকে অনুষ্ঠানের খাবার, পানীয় ও আতিথেয়তা উপভোগ করার পরামর্শ দেন, কারণ শিগগিরই - [হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫০](https://sarakhon.com/news/186919/): দেশে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মারা যাওয়া সাত শিশুর মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫১ জনে। অন্যদিকে, নিশ্চিতভাবে হামে মৃতের সংখ্যা আগের মতোই ৯৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন সন্দেহভাজন হাম রোগী ১,০৯৮ জন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের সন্দেহভাজন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৮ জন। এর ফলে চলতি বছরে - [ডলি পার্টন: শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিই সত্যি হলো](https://sarakhon.com/news/186913/): মার্চ ২০২৫-এ সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় ডলি পার্টন বলেছিলেন, অসুস্থ না হলে তিনি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত কাজ করে যেতে চান। নব্বই বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকলেও উঁচু হিল পরে গান লিখবেন, গান গাইবেন—এমন দৃঢ় প্রত্যয় ছিল তাঁর কণ্ঠে। শেষ পর্যন্ত নব্বইয়ে পৌঁছানো হয়নি; তবে কাজ থামেনি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত। ৮০ বছর বয়সে ডলি পার্টনের মৃত্যুতে তাঁর সেই কথাই নতুন করে মনে পড়ছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি শুধু কান্ট্রি সংগীতের কিংবদন্তি হননি, নিজের স্বাতন্ত্র্য, রসবোধ ও আত্মবিশ্বাস দিয়েও তৈরি করেছিলেন অনন্য এক পরিচয়। সাক্ষাৎকারে ভিন্ন রকম ডলি ডলি পার্টনকে সাক্ষাৎকার নেওয়ার আগে সাংবাদিক জর্জিনা রবার্টসের মনে ছিল কিছুটা সংশয়। এত বড় তারকা - [খাবারের রায় কার ওপর ভরসা করবেন—খাদ্যপ্রভাবক নাকি পেশাদার সমালোচক?](https://sarakhon.com/news/186906/): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে কোথায় খেতে যাওয়া যায়, কোন খাবারটি ভালো কিংবা কোন রেস্তোরাঁটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে—এসব জানতে এখন আর শুধু সংবাদপত্র বা পেশাদার খাদ্যসমালোচকের ওপর নির্ভর করতে হয় না। অনেকেই শুক্রবার রাতে কোথায় খাওয়া যায় বা কোন খাবার ঘরে আনা যায়, সেই সিদ্ধান্ত নিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত খাদ্যপ্রভাবকদের পরামর্শ অনুসরণ করছেন। তবে এই জনপ্রিয়তার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে এসেছে—খাদ্যপ্রভাবকদের দেওয়া প্রশংসা কতটা নির্ভরযোগ্য? বিনা মূল্যে খাবার পাওয়ার বিনিময়ে কেউ কোনো রেস্তোরাঁর প্রশংসা করলে সেই বিষয়টি কি দর্শক বা অনুসারীদের জানানো উচিত? আর পেশাদার খাদ্যসমালোচকদের সঙ্গে তাঁদের পার্থক্যই বা কোথায়? ভুয়া রেস্তোরাঁ খুলে গবেষণা ব্রিস্টলের খাদ্যলেখক মেগ হাফটন-গিলমোর খাদ্যপ্রভাবকদের কাজের - [ডলি পার্টনের মৃত্যু, ৮০ বছরেই থামল কিংবদন্তি সংগীতজীবন](https://sarakhon.com/news/186909/): কান্ট্রি সংগীতের কিংবদন্তি ডলি পার্টন ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির একটি হাসপাতালে ক্যানসারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ের পর তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তার প্রতিনিধিরা। মৃত্যুর সময় প্রিয়জনেরা তার পাশে ছিলেন। জোলিন, আই উইল অলওয়েজ লাভ ইউ ও ৯ টু ৫-এর মতো জনপ্রিয় গানের শিল্পী ডলি পার্টনের মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর সংগীত, চলচ্চিত্র ও বিনোদন জগতের বহু তারকা তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তার স্মরণে এক সপ্তাহ দেশজুড়ে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার কথা জানিয়েছেন। ক্যানসারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত লড়াই ডলি পার্টনের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তিনি ভ্যান্ডারবিল্ট-ইনগ্রাম ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সাম্প্রতিক - [এ৬৬ সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত: সংঘবদ্ধ অপরাধের তদন্তে ১২ জন গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/186903/): ব্রিটেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এ৬৬ মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনায় সংঘবদ্ধ অপরাধের যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও রয়েছেন। ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল সাতজনের শনিবার ভোরে মিডলসব্রোর কাছে এ৬৬ মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ একটি গাড়িকে অনুসরণ করছিল। পরে ওই গাড়িটি মহাসড়কের ভুল পাশ দিয়ে চলতে শুরু করে এবং বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পুলিশের গাড়ির সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশের গাড়িতে থাকা দুই কর্মকর্তা টম ক্লাফ ও ম্যাথিউ ব্লেডস নিহত হন। তাঁদের বয়স ছিল যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৭ বছর। এ ছাড়া যে গাড়িটি ভুল পথে চলছিল, সেই - [ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব, অন্টারিও হ্রদের নাম হতে পারে ‘আমেরিকা হ্রদ’](https://sarakhon.com/news/186898/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধের মধ্যেই দেশটির সঙ্গে ভাগাভাগি করা অন্টারিও হ্রদের নাম পরিবর্তনের কথা ভাবছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেন, হ্রদটির নাম বদলে ‘আমেরিকা হ্রদ’ করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার বাণিজ্য উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে শুল্ক নিয়ে বিরোধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এর মধ্যেই অন্টারিও হ্রদের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সামনে আনলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মেক্সিকো উপসাগরের পর এবার অন্টারিও হ্রদ ট্রাম্পের প্রস্তাবটি তাঁর আগের একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। গত বছর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘আমেরিকা উপসাগর’ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। এবার একই ধরনের - [ডেভনে বন্ধ টাংস্টেন খনি ফের চালু করতে ৭১ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ ব্রিটিশ সরকারের](https://sarakhon.com/news/186896/): ব্রিটেনের ডেভনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হেমারডন টাংস্টেন ও টিনের খনি আবার চালু করতে সরকারি অর্থায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। খনিটির উৎপাদন পুনরায় শুরু করতে সর্বোচ্চ ৭১ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করবে ব্রিটিশ সরকারের জাতীয় সম্পদ তহবিল। প্লাইমাউথের কাছে অবস্থিত হেমারডন খনিটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় টাংস্টেনের মজুত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইস্পাত, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, মহাকাশ প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে টাংস্টেনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, খনিতে উৎপাদিত টাংস্টেনের অন্তত অর্ধেক দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সংরক্ষিত থাকবে। বিনিয়োগের বড় অংশ যাবে খনি পুনরায় চালু করতে ঘোষিত অর্থের মধ্যে ৩৬ মিলিয়ন পাউন্ড সরাসরি মালিকানা বিনিয়োগ হিসেবে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণ - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি গণিতের ভবিষ্যৎ শেষ করে দেবে? এখনই নয়](https://sarakhon.com/news/186892/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতিতে গণিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান এবং নতুন গাণিতিক ফলাফল আবিষ্কারে যে সক্ষমতা দেখিয়েছে, তাতে অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে—গণিত গবেষণায় মানুষের প্রয়োজন কি একদিন শেষ হয়ে যাবে? তবে বাস্তবতা এখনো সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বরং বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গণিতবিদদের কাজের ধরন বদলে দিতে পারে, কিন্তু অভিজ্ঞ গণিতবিদদের জায়গা পুরোপুরি দখল করার মতো সক্ষমতা এখনো অর্জন করেনি। জটিল সমস্যায় চমক দেখাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গণিতের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য দেখিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত কিছু সমস্যার পাল্টা উদাহরণ খুঁজে বের করা, পরিচিত গাণিতিক পদ্ধতিকে নতুন - [২৩ বছর পর ফিরছে ‘হাউ টু লুজ আ গাই ইন ১০ ডেজ’, প্রযোজনায় কেট হাডসন](https://sarakhon.com/news/186889/): দুই দশকেরও বেশি সময় পর আবারও ফিরতে চলেছে জনপ্রিয় রোমান্টিক কমেডি ‘হাউ টু লুজ আ গাই ইন ১০ ডেজ’। ২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটির নতুন পর্ব এখন প্রাথমিক পর্যায়ের নির্মাণে রয়েছে। এবার ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্বে থাকছেন মূল ছবির তারকা কেট হাডসন। তবে নতুন পর্বে কেট হাডসন ও ম্যাথিউ ম্যাককনাহেকে আবারও জুটি হিসেবে দেখা যাবে কি না, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নির্মাতারা দুজনকেই পুরোনো চরিত্রে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে চিত্রনাট্যকার নিয়োগ ও গল্পের কাঠামো এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় অভিনয়ের বিষয়টিও নির্ভর করছে পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর। ২০০৩ সালের সেই প্রেমের গল্প মূল ছবিতে কেট হাডসন অভিনয় করেছিলেন সাময়িকী লেখিকা অ্যান্ডি অ্যান্ডারসনের চরিত্রে। আর - [মাওয়ের ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য নির্মাণের দায়ে চীনা শিল্পীর তিন বছরের কারাদণ্ড](https://sarakhon.com/news/186886/): চীনের সাবেক নেতা মাও সেতুংকে ব্যঙ্গ করে ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য পরিচিত শিল্পী গাও ঝেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। ‘জাতীয় বীর ও শহীদদের সম্মানহানি’ করার অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আটক হওয়ার প্রায় দুই বছর পর মঙ্গলবার তার সাজা ঘোষণা করা হয়। সত্তর বছর বয়সী গাও চীনা নাগরিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা। ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে চীনে যাওয়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে বেইজিংয়ের কাছে তার শিল্পকর্মের স্টুডিওতে অভিযান চালায় পুলিশ। মাওকে ঘিরে বিতর্কিত শিল্পকর্ম গাও ঝেনের সবচেয়ে আলোচিত শিল্পকর্মগুলোর একটি হলো মাও সেতুংকে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় দেখানো ভাস্কর্য। আরেকটি কাজে সাতটি - [সংস্কারের ভূত: অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে আসার কঠিন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/186881/): শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি বিষয় বারবার ফিরে এসেছে—সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সবাই স্বীকার করেছে, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্তে সেই সংস্কারই পিছিয়ে গেছে। অর্থনীতিকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করার উদ্যোগ কখনো শুরু হয়েছে, আবার কখনো নির্বাচন, রাজনৈতিক সংঘাত, জনঅসন্তোষ কিংবা ক্ষমতাসীনদের স্বল্পমেয়াদি স্বার্থের কাছে থেমে গেছে। ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট তাই কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা ছিল না; এটি দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতার পরিণতি। আজ প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের নেতৃত্বাধীন সরকার সেই উত্তরাধিকার নিয়েই এগোচ্ছে। দেউলিয়াত্বের ধাক্কা কাটিয়ে দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কর্মসূচির আওতায় অর্থনীতি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। কিন্তু এই পথ শুধু অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার পরীক্ষা নয়। এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও পরীক্ষা—সরকার কি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থকে - [রাজনৈতিক প্রভাব কেনার বিল এবার বড় ব্যবসাকেই দিতে হবে](https://sarakhon.com/news/186872/): যুক্তরাষ্ট্রের বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলে এসেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থ, রাজনৈতিক প্রভাব ও সরকারি সুবিধার সম্পর্ক এতটাই দৃশ্যমান হয়েছে যে সেই নিরপেক্ষতার দাবি এখন ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। ক্ষমতাসীন প্রশাসনকে সন্তুষ্ট করতে যে অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, তার তাৎক্ষণিক সুবিধা হয়তো কিছু কোম্পানি পেয়েছে। কিন্তু এর রাজনৈতিক মূল্য দিতে হবে দীর্ঘমেয়াদে। এটি শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে করপোরেট আমেরিকার সম্পর্কের প্রশ্ন নয়। বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তিনটি বড় ঝুঁকি—বর্তমান প্রশাসনের চাপ, জনমতের পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনের হাতে একই ক্ষমতার উত্তরাধিকার। রাজনৈতিক অর্থের নতুন বাস্তবতা জুনের শেষ দিকে ব্রান্সউইক ও একেলন ইনসাইটসের জরিপে - [প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার](https://sarakhon.com/news/186678/): পাকিস্তানের শাসনব্যবস্থাকে ‘ধসে পড়া’ বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি নতুন প্রদেশ ও প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানানোর পর দেশটির প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিসেট’-এর কথাও আলোচনায় এসেছে। মনে হচ্ছে, কাঠামোগত পরিবর্তনের ধারণাটি নতুন করে রাজনৈতিক আকর্ষণ তৈরি করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শাসনব্যবস্থা যদি সত্যিই অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকে, তাহলে শুধু দেশের মানচিত্রে নতুন সীমানা টানলেই কি তার সমাধান হবে? আমার দৃষ্টিতে পাকিস্তানের সংকট প্রদেশের আয়তন বা সংখ্যা নিয়ে নয়। মূল সমস্যা হলো ক্ষমতার অবস্থান এবং সেই ক্ষমতার ওপর নাগরিকের নিয়ন্ত্রণের অভাব। সিদ্ধান্ত গ্রহণ এমন সব কেন্দ্রের হাতে কেন্দ্রীভূত, যেগুলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতা - [টাইটানিকের শতাধিক নিদর্শন নিলাম বন্ধ করলেন মার্কিন বিচারক](https://sarakhon.com/news/186878/): টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার করা শতাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন নিলামে বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল বিচারক। মার্কিন সরকার ও সংরক্ষণবিদদের আপত্তির পর সোমবার এই নির্দেশ দেন নরফোকের মার্কিন জেলা বিচারক রেবেকা বিচ স্মিথ। নিলামে উঠতে যাওয়া নিদর্শনের মধ্যে ছিল রত্নখচিত গয়না, টেবিলের বাসনপত্র এবং টাইটানিকের জাঁকজমকপূর্ণ সিঁড়িতে একসময় থাকা একটি ব্রোঞ্জের দেবদূত মূর্তি। কয়েক দশক আগে গভীর সমুদ্র অভিযানে এসব সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালতের অনুমোদন ছাড়া বিক্রি নয় টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের একচেটিয়া অধিকার থাকা RMS Titanic চলতি বছরের শুরুতে এসব নিদর্শনের মধ্যে ১০০টির বেশি নিলামে তোলার প্রস্তাব দেয়। কোম্পানিটির দাবি ছিল, বিক্রির জন্য নির্ধারিত সামগ্রী আদালতের এখতিয়ারের - [আমদানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, এলসি ছাড়াই সীমাহীন মূল্যের চুক্তিতে পণ্য আমদানির সুযোগ](https://sarakhon.com/news/186858/): দেশের আমদানি ব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও ব্যবসাবান্ধব করতে নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯’ জারি করেছে সরকার। নতুন নীতিতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য, ব্যবসায়ীদের জন্য নীতিগত স্বচ্ছতা এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে। ‘ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস (কন্ট্রোল) অ্যাক্ট, ১৯৫০’-এর ৩(১) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা নীতিটি ২০২৬ সাল থেকে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আমদানি প্রক্রিয়ায় বড় ছাড় নতুন নীতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো পণ্যের মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে বাড়তি সুযোগ। এখন ঋণপত্র বা এলসি খোলার পাশাপাশি কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই - [মহেশখালীর সাগরে নিউজিল্যান্ডের পরিবারের নৌকাডুবি, নিখোঁজ কিশোর](https://sarakhon.com/news/186871/): বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেলে কাঠের নৌকা ডুবে নিউজিল্যান্ডের একটি পরিবারের চার সদস্য বিপদে পড়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও পরিবারের এক কিশোর এখনো নিখোঁজ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের নাজিরারটেক-সোনাদিয়া দ্বীপ মোহনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জেলেরা এগিয়ে এসে তিনজনকে উদ্ধার করেন। নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধারে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন। উদ্ধার তিনজন জীবিত দুর্ঘটনায় বিপদে পড়া পরিবারের সদস্যরা হলেন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক জন এডওয়ার্ড (৭৪), বেলা (৩৬), রালফ (১৩) ও আলবার্ট (১৬)। তাদের মধ্যে জন এডওয়ার্ড, বেলা ও রালফকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। - [চীনের জে-১০ সিই কিনছে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/186857/): বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ ফাইটার, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের উদ্যোগও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের সমসাময়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে নেওয়া হবে। জে-১০ সিই কেনায় অগ্রগতি জাহেদ উর রহমান জানান, এমআরসিএ হিসেবে জে-১০ সিই এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন বৈঠকের খসড়া চুক্তিপত্র - [ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৯০৭; মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৮](https://sarakhon.com/news/186864/): দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯০৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সর্বশেষ তিন মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে। নতুন করে যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা বিভাগের রোগী রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৮৯৪ জন। তবে নতুন রোগী ভর্তির সংখ্যা বেশি থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে। চলতি বছরে আক্রান্ত ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য - [বুধবার বাংলাদেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, দেশজুড়ে নানা আয়োজন](https://sarakhon.com/news/186861/): পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বুধবার যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় সারা দেশে পালিত হবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আয়োজিত এ উপলক্ষে সরকার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দিনটি উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থানও জাতীয় ও বর্ণিল পতাকা এবং কালেমা তাইয়্যিবাসংবলিত ব্যানার দিয়ে সাজানো হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নানা কর্মসূচি ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কিরাত, নাত পরিবেশন, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং আরবি খুতবা লেখার প্রতিযোগিতা। এ ছাড়া জাতীয় মসজিদ - [ঢাকা-যশোর রুটে আবার ইউএস-বাংলার ফ্লাইট, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন দুই ট্রিপ](https://sarakhon.com/news/186780/): দীর্ঘদিনের দাবির পর আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা-যশোর রুটে আবারও ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। অভ্যন্তরীণ আকাশপথে যোগাযোগ আরও জোরদার এবং যাত্রীদের দ্রুত, নিরাপদ ও সুবিধাজনক যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে তিন দিন দুই দফা ফ্লাইট নতুন সূচি অনুযায়ী, শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা-যশোর রুটে প্রতিদিন দুটি করে যাওয়া-আসার ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা। এ জন্য ৭২ আসনের এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে। এয়ারলাইন্সটির মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সকালে ঢাকা থেকে যশোর, বিকেলে দ্বিতীয় ফ্লাইট সূচি অনুযায়ী, প্রথম ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে - [মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন, মূলধন শক্তিশালী হবে](https://sarakhon.com/news/186850/): বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ৪০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ব্যাংকের টিয়ার-২ মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করতে এই বন্ড থেকে পাওয়া অর্থ ব্যবহার করা হবে। মঙ্গলবার ঢাকায় বিএসইসির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কমিশনের ১ হাজার ২৬তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান। সাত বছরের বন্ড, সুদ নির্ধারিত হবে রেফারেন্স রেটের সঙ্গে অনুমোদিত বন্ডটি হবে সাত বছর মেয়াদি। এটি নন-কনভার্টিবল, আনসিকিউরড, সম্পূর্ণ রিডিমেবল এবং ফ্লোটিং রেটের সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটির কুপন রেট নির্ধারিত হবে রেফারেন্স রেটের সঙ্গে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ মার্জিন যোগ করে। প্রতিটি বন্ডের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ - [প্রিন্স হ্যারি–মেগানের নতুন ব্রিটেনযাত্রা, পেছনে পড়ে থাকবে আর্চির প্রিয় ‘মুরগির বাড়ি’](https://sarakhon.com/news/186845/): ব্রিটেনে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। তবে এবারও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোর বাড়ি পুরোপুরি ছেড়ে যাচ্ছেন না তারা। সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটের নতুন শিক্ষাজীবনকে সামনে রেখে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্রিটেনে থাকার পরিকল্পনা করছেন এই দম্পতি বলে জানা গেছে। স্থায়ীভাবে নয়, সাময়িকভাবে ব্রিটেনে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ২০২১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোতে নিজেদের বিলাসবহুল বাড়িতে বসবাস শুরু করেন হ্যারি ও মেগান। এবার ব্রিটেনে ফিরলেও সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সময় তারা কটসওল্ডসের একটি ব্যক্তিগত আবাসনে থাকতে পারেন। তবে তাদের ক্যালিফোর্নিয়ার বাড়িটি আগের মতোই নিজেদের - [বিভক্তির ক্ষত ও হারানো ভালোবাসার গল্পে ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’](https://sarakhon.com/news/186837/): ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির ইতিহাস শুধু একটি ভূখণ্ডের ভাগ হয়ে যাওয়ার গল্প নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য মানুষের হারানো ঘর, বিচ্ছিন্ন পরিবার, ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক এবং বুকের ভেতর জমে থাকা অসংখ্য স্মৃতি। সেই বেদনাময় ইতিহাসকেই ভালোবাসা ও ব্যক্তিগত স্মৃতির আবহে পর্দায় তুলে ধরেছে ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ইশার সিং গ্রেওয়ালকে ঘিরে। বিভক্তির বহু দশক পরও অতীতের ক্ষত যার জীবনকে প্রভাবিত করে চলেছে। প্রবীণ ইশারের চরিত্রে নাসিরুদ্দিন শাহ এবং তরুণ বয়সের ইশারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বেদাং রায়না। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইমতিয়াজ আলি। হারানো ভালোবাসার স্মৃতিতে ফিরে দেখা অতীত ইশারের জীবনে আফসানা ছিলেন গভীর ভালোবাসার মানুষ। কিন্তু - [রোহিঙ্গা সংকটে ৮৮ শতাংশ অর্থ জাতিসংঘের হাতে, স্থানীয় এনজিও পায় মাত্র ২.৫ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/186840/): রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তায় ২০২৬ সালের যৌথ সাড়া পরিকল্পনার (জেআরপি) আওতায় বরাদ্দ অর্থের প্রায় ৮৮ শতাংশই জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিপরীতে শরণার্থী শিবিরে বরাদ্দ অর্থের মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ পাচ্ছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও)। কক্সবাজারে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) ও কোস্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সাড়ায় অর্থ যাচ্ছে কোথায়?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে স্থানীয় সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় তাদের অর্থবহ সম্পৃক্ততার দাবি জানানো হয়। জেআরপির অর্থ বণ্টনে বড় বৈষম্য কোস্ট ফাউন্ডেশনের মো. শাহিনুর ইসলাম গবেষণার তথ্য - [৪৮তম বিসিএস বিশেষে আরও ১৮৪ চিকিৎসক নিয়োগ, যোগদান ৭ সেপ্টেম্বর](https://sarakhon.com/news/186835/): ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার আওতায় আরও ১৮৪ চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নতুন নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকদের মধ্যে ১৬৫ জনকে সহকারী সার্জন এবং ১৯ জনকে সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে দায়িত্ব পালন করবেন। ৭ সেপ্টেম্বর যোগদান প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের আগামী ৭ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে হবে। পরবর্তী কোনো নির্দেশনা জারি না হলে একই তারিখে তাদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা বিভাগে যোগদানের কথা রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে কেউ যোগদান না করলে তাকে চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক হিসেবে - [হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল আনার পাইপলাইন নির্মাণে মধ্যপ্রাচ্যকে সহায়তা দেবে জাপান](https://sarakhon.com/news/186826/): হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিকল্প পথে তেল আমদানির ব্যবস্থা জোরদার করতে যাচ্ছে জাপান। এ লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল পরিবহনের পাইপলাইন নির্মাণে সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। জাপানি সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো তেল আমদানির পথ বহুমুখী করা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা। জাপানের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা দেশটির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিকল্প তেল পরিবহনপথ তৈরির উদ্যোগ জাপান সরকার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে এমন পাইপলাইন নির্মাণে সহায়তা করতে চায়, যেগুলো হরমুজ প্রণালী ব্যবহার না করেই তেল পরিবহন করতে পারবে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে কোনো - [পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/186829/): পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের তথ্য আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। তাঁর শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি বলেও দাবি করেন তিনি। মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার সংবিধান অনুসরণ করেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টিও সেই আইনি কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিয়ে সরকারের - [দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রশ্নে হুমায়ুন কবিরের পাল্টা প্রশ্নকে ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ বলল টিআইবি](https://sarakhon.com/news/186825/): পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন তোলার ঘটনাকে ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ বা প্রশ্নকারীকে আক্রমণের সংস্কৃতি হিসেবে অভিহিত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের আচরণ ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শাসনামলের চর্চার কথা মনে করিয়ে দেয় এবং তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, জনস্বার্থে সাংবাদিকদের উত্থাপিত প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়া উচিত ছিল প্রতিমন্ত্রীর। পাল্টা প্রশ্ন না তুলে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন ছিল। কারণ, তাঁর নিয়োগকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে নাগরিকত্বের এই প্রশ্ন। দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবিধানিক - [হাম বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু; দেশে মৃতের সংখ্যা ৯৪৩](https://sarakhon.com/news/186822/): দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরে হাম-সম্পর্কিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪৩ জনে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) জানিয়েছে, সর্বশেষ মারা যাওয়া পাঁচজনের মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৪৪। আর নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতোই ৯৯ জন। দ্রুত বাড়ছে সন্দেহভাজন আক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৮৬টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের - [কামরাঙ্গীরচরে পারিবারিক বিরোধের জেরে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা](https://sarakhon.com/news/186806/): রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পারিবারিক বিরোধের জেরে রিশাত জাহান ওমি (১৬) নামে এক কলেজছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার ভোরে কালামাঠ এলাকার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওমি মো. ওসমান গনির মেয়ে। তিনি ঢাকা সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পারিবারিক বিরোধের পর আত্মহত্যা নিহতের চাচা জাকির হোসেন জানান, পরিবারের সদস্যরা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন ওমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা - [আফগান নারীরা বেঁচে আছেন, কিন্তু জীবনযাপন করছেন না](https://sarakhon.com/news/186817/): কাবুল পতনের পাঁচ বছর পরও আফগানিস্তানের নারীদের জীবন যেন ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। এক আফগান নারীর ভাষায়, ‘আমরা টিকে আছি, কিন্তু বেঁচে নেই।’ দেশটির প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু এমন এক ব্যবস্থার মধ্যে আটকে আছেন, যেখানে জনজীবন থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়াই যেন নীতিতে পরিণত হয়েছে। একের পর এক অধিকার কেড়ে নেওয়া ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেওয়ার পর ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞাকে সাময়িক বলে দাবি করেছিল। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়িত হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে নারীদের শিক্ষা, চাকরি, চিকিৎসাসেবা ও চলাফেরার স্বাধীনতার ওপর একের পর এক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বর্তমানে নারীদের শরীর ও মুখ - [অ্যাকুস্টিক পরিবেশনায় ইরাস ট্যুরের স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন টেইলর সুইফট](https://sarakhon.com/news/186813/): বিয়ের পর প্রথমবারের মতো সরাসরি গানের পরিবেশনায় ভক্তদের সামনে হাজির হয়ে পুরোনো দিনের স্মৃতি উসকে দিলেন মার্কিন সংগীতশিল্পী টেইলর সুইফট। সম্প্রতি একটি সংক্ষিপ্ত অ্যাকুস্টিক পরিবেশনার ভিডিও প্রকাশ করে তিনি ভক্তদের নিয়ে গেলেন তাঁর বহুল আলোচিত ইরাস ট্যুরের আবহে। ২৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা ভিডিওতে টেইলরকে মাইক্রোফোনের সামনে বসে পিয়ানো বাজিয়ে গান গাইতে দেখা যায়। তিনি এই আয়োজনকে ইরাস ট্যুর-পরবর্তী অ্যাকুস্টিক পরিবেশনা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং পুরো পরিবেশনা দেখার জন্য ভক্তদের আমন্ত্রণ জানান। সেই পরিচিত ফুলেল পিয়ানো এই পরিবেশনায় ব্যবহৃত পিয়ানোটি ভক্তদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। ইরাস ট্যুরের বিভিন্ন সময়ে আকস্মিক অ্যাকুস্টিক পরিবেশনায় একই ফুলের নকশা করা পিয়ানো ব্যবহার করেছিলেন টেইলর। ফলে - [বিহারে বিসিএস পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ভাঙল ব্যারিকেড](https://sarakhon.com/news/186809/): বিহারের রাজধানী পাটনায় ৭০তম বিহার লোকসেবা কমিশনের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার গান্ধী ময়দান থেকে রাজভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ তাদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে কয়েকজন শিক্ষার্থী নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পরীক্ষা বাতিলের দাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ৭০তম বিহার লোকসেবা কমিশনের পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত করে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চতুর্থ - [শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের সম্ভাবনা, সাত বছর পর নয়াদিল্লিতে চীনা প্রেসিডেন্ট](https://sarakhon.com/news/186801/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী মাসে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি সফর করতে পারেন। সফরটি চূড়ান্ত হলে প্রায় সাত বছর পর ভারতে পা রাখবেন চীনা প্রেসিডেন্ট। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তাঁর এই সফরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বড় প্রতিনিধিদল নিয়ে নয়াদিল্লিতে আসতে পারেন শি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে শি জিনপিং একটি বড় প্রতিনিধিদল নিয়ে ভারতে আসতে পারেন। তাঁর সফরকে ঘিরে চীনা কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে হোটেল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা চূড়ান্ত করার কাজ করছেন বলে জানা গেছে। ২০২০ সালের গালওয়ান সীমান্ত সংঘর্ষের পর ভারত ও চীনের সম্পর্ক দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনার মধ্যে ছিল। সাম্প্রতিক - [দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পে বড় পদক্ষেপ, ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ভারতীয় কোম্পানির হাতে দিচ্ছে সরকার](https://sarakhon.com/news/186787/): ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা–উদ্ভাবিত সব প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রযুক্তি ভারতীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর কাছে হস্তান্তরের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত যোগ্যতা, সনদ ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করে এসব ক্ষেপণাস্ত্র দেশে উৎপাদন করতে পারবে। আমদানি নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ ভারত সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের প্রধান লক্ষ্য দেশীয়ভাবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো এবং বিদেশি সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা কমানো। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ দেশীয় কোম্পানিগুলোকে প্রতিরক্ষা সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও বড় ভূমিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের ফলে গবেষণাগারে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোকে দ্রুত শিল্প পর্যায়ের ব্যাপক উৎপাদনে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে - [ইমরান খানের হাসপাতাল স্থানান্তর নিয়ে অবমাননা মামলায় আপত্তি, ফের আবেদন পিটিআইয়ের](https://sarakhon.com/news/186797/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে করা আদালত অবমাননার আবেদন আপত্তি তুলে ফেরত দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয়। পরে আপত্তি সংশোধন করে আবেদনটি আবার জমা দিয়েছে ইমরানের দল। অভিযোগের তালিকা না থাকায় আবেদন ফেরত ইমরানের বোন উজমা খান গত ২২ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে আবেদনটি করেছিলেন। এতে আদালতের নির্দেশ অমান্যের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির করার দাবি জানানো হয়। তবে রেজিস্ট্রার কার্যালয় জানায়, আবেদনে বিবাদীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তালিকা সংযুক্ত করা হয়নি। এ কারণে আবেদনটি ফেরত দেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্ট - [দক্ষিণ চীনে ভয়াবহ বন্যা, ঘরবাড়ি ডুবে সরিয়ে নেওয়া হলো ৫৪ হাজার মানুষ](https://sarakhon.com/news/186794/): দক্ষিণ চীনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় নারার প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত থেকে সৃষ্ট বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গুয়াংসি অঞ্চলের বিভিন্ন শহরে পানির উচ্চতা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ঘরবাড়ি ও দোকানপাট পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে প্রায় ৫৪ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রেকর্ড উচ্চতায় নদীর পানি চীনের গুয়াংসি অঞ্চলের ছোংজুও শহরে বন্যার পানি প্রবেশ করে বিভিন্ন সড়ক ও স্থাপনা তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পানির উচ্চতা ভবনের ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। বিদ্যুতের খুঁটি ও তারও পানিতে ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শহরটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীর পানি ২০০৮ সালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার পর ১৫ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। - [সাভিনিওকে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভেড়াল টটেনহ্যাম](https://sarakhon.com/news/186790/): ব্রাজিলের তরুণ উইঙ্গার সাভিনিওকে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে ভিড়িয়েছে টটেনহ্যাম হটস্পার। প্রাথমিকভাবে এই অর্থ পরিশোধ করবে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। চুক্তির বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে আরও ১০ মিলিয়ন পাউন্ড যোগ হতে পারে। ২২ বছর বয়সী সাভিনিও টটেনহ্যামের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছেন। কোচ রবার্তো দে জেরবির অধীনে নতুন ক্লাবে নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়েই টটেনহ্যামে পা রাখছেন তিনি। এক বছরের অপেক্ষার পর সাভিনিও সাভিনিওকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা টটেনহ্যামের জন্য নতুন নয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তাকে পাওয়ার চেষ্টা করছিল ক্লাবটি। গত গ্রীষ্মেও তাকে দলে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল টটেনহ্যাম। তবে তখন ম্যানচেস্টার সিটিতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন - [আফ্রিকার স্বাস্থ্য সম্মেলন: প্রতিশ্রুতি নয়, এবার চাই বাস্তব পদক্ষেপ](https://sarakhon.com/news/186773/): আফ্রিকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে নতুন নতুন প্রতিশ্রুতির চেয়ে আগের অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বতসোয়ানার প্রেসিডেন্ট ও আফ্রিকান নেতাদের ম্যালেরিয়া জোটের চেয়ারম্যান ডুমা গিদেওন বোকো। ঘানার রাজধানী আক্রায় আফ্রিকান ইউনিয়নের বিশেষ স্বাস্থ্য সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। আফ্রিকার স্বাস্থ্য ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে মহাদেশটির নেতাদের সামনে এখন আর পরিকল্পনার ঘাটতি নেই। প্রয়োজন হচ্ছে বিদ্যমান পরিকল্পনা ও অঙ্গীকারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা। আক্রায় অনুষ্ঠিত বিশেষ স্বাস্থ্য সম্মেলনকে কেবল নতুন প্রতিশ্রুতির আয়োজন না বানিয়ে কার্যকর পদক্ষেপের সূচনাবিন্দু হিসেবে স্মরণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনার অভাব নেই, ঘাটতি বাস্তবায়নে বোকোর মতে, আফ্রিকার স্বাস্থ্য খাতে কী করা প্রয়োজন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন - [অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে লি চ্যাং-দংয়ের ‘পসিবল লাভ’](https://sarakhon.com/news/186783/): অস্কারের ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে লড়বে খ্যাতিমান নির্মাতা লি চ্যাং-দংয়ের নতুন চলচ্চিত্র ‘পসিবল লাভ’। দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র পরিষদ ১৫ সদস্যের একটি বাছাই কমিটির মাধ্যমে ছবিটিকে দেশটির আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন হিসেবে নির্বাচন করেছে। আট বছর পর লি চ্যাং-দংয়ের নতুন ছবি ‘পসিবল লাভ’ নির্মাতা লি চ্যাং-দংয়ের আট বছর পর নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর আগে তার নির্মিত ‘বার্নিং’, ‘পোয়েট্রি’ ও ‘সিক্রেট সানশাইন’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। নতুন ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে দুই বিবাহিত দম্পতিকে ঘিরে। এক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর তাদের জীবনের নানা ঘটনা পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে যেতে শুরু করে। মি-ওক ও তার চাকরি হারানো স্বামী হো-সক তাদের ছোট ছেলে - [ইউক্রেনকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির তথ্য, যুদ্ধে ব্রিটেনের সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/186779/): ইউক্রেনকে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য গোপন প্রযুক্তিগত তথ্য দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর ব্রিটেনকে ইউক্রেন সংঘাতে সরাসরি অংশগ্রহণকারী এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়নে সক্রিয় পক্ষ হিসেবে অভিযুক্ত করেছে রাশিয়া। ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে গোপন তথ্য দেবে ব্রিটেন ব্রিটিশ সরকার ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এমবিডিএকে ব্রিটিশ প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের কিছু গোপন তথ্য ইউক্রেনকে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেন নিজ দেশেই দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজনের সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোতে পারবে। স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্রের ফরাসি সংস্করণ স্কাল্পে ফরাসি ও ব্রিটিশ—দুই দেশের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২৫০ কিলোমিটারের বেশি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে ব্রিটেনই প্রথম ইউক্রেনকে দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র সরবরাহ করেছিল। এবার ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রযুক্তি ভাগ করে - [বাংলাদেশ কৃষকের গুদাম ভাঙার পর সারের অনিয়ম ধরা পড়ল, ডিলারশিপ বাতিলের সুপারিশ](https://sarakhon.com/news/186776/): কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকেরা একটি গুদামের বেড়া ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে স্থানীয় এক সার ডিলারের নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এসব অনিয়মের পর ওই ডিলারের ডিলারশিপ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। সময়মতো সার না দেওয়ায় জমে কৃষকের ভিড় উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ঢালডাঙ্গা বাজার এলাকায় শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের গুদামে গত রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষুব্ধ কৃষকেরা গুদামের বেড়া ভেঙে সেখানে থাকা ২২৫ বস্তা সার নিয়ে যান। ঘটনার পর ২৩ আগস্ট উপজেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরদিন সন্ধ্যায় কমিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃতা দেবনাথের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের ডিলার তাইফুর রহমান মুকুলের - [ইরান যুদ্ধে নতুন উত্তেজনা, হরমুজে জাহাজ চলাচল তলানিতে—বাড়ছে বিশ্বজুড়ে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/186737/): ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে। যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ইরান ও তার আশপাশের দেশগুলোতেই সীমাবদ্ধ নেই; জ্বালানি সরবরাহ, সমুদ্রপথ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিমান চলাচল এবং বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি কিংবা ইরানের আশপাশে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। - [রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনীতির পথে ফেরার আহ্বান পাকিস্তানের](https://sarakhon.com/news/186768/): রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা ও প্রাণহানি ভয়াবহভাবে বেড়ে যাওয়ায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পাকিস্তান বলেছে, সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনৈতিক উদ্যোগই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ। অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আসিম ইফতিখার আহমেদ বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাতের মাত্রা ও তীব্রতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন ফ্রন্টে হামলা ও পাল্টা হামলায় সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপর্যস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উচিত অবিলম্বে এবং সম্পূর্ণভাবে শত্রুতা বন্ধ করে কূটনীতির পথে ফিরে আসা এবং অর্থবহ আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথ খুঁজে বের - [বিশ্বসম্প্রদায়ে আফগানিস্তানের পুনঃএকত্রীকরণে ইন্দোনেশিয়ার জোরালো সমর্থন](https://sarakhon.com/news/186757/): আফগানিস্তানকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত করার প্রক্রিয়ায় গঠনমূলকভাবে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটি জানিয়েছে, আফগানিস্তানের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরে আসার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে তারা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরতে আফগানিস্তানের প্রচেষ্টা ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিস মাত্তা সোমবার আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম রাজনৈতিক পরিচালক শোয়াইব বারাকজাইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আফগানিস্তানের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুনঃএকত্রীকরণ, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। আনিস মাত্তা জানান, আফগানিস্তানের বর্তমান কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার পূরণ এবং বিশ্বসম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি সরাসরি অবহিত হয়েছেন। ইন্দোনেশিয়া মনে করে, গঠনমূলক যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে আফগানিস্তানের পরিস্থিতির উন্নতি, স্থিতিশীলতা এবং - [বেলুচিস্তানে শিক্ষাব্যবস্থা গভীর সংকটে, ঝুঁকিতে লাখো শিশুর ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/186763/): পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বেলুচিস্তান আয়তনে বিশাল হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও স্যানিটেশনের মতো মৌলিক সেবায় এখনও ব্যাপকভাবে পিছিয়ে। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে অবকাঠামোর ঘাটতি, দারিদ্র্য, নিরাপত্তাহীনতা, শিক্ষক সংকট এবং সরকারি বিনিয়োগের স্বচ্ছতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বেলুচিস্তানে শিক্ষার প্রতি পর্যাপ্ত মনোযোগ ও বিনিয়োগের অভাব প্রদেশটির ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। স্কুলের অভাবে দীর্ঘ পথ পাড়ি শিক্ষার্থীদের প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটায় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও সেখানকার শিক্ষার মান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রদেশের বাকি ৩২টি জেলায় অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত স্কুল ভবনই নেই। কোথাও স্কুল থাকলেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ - [ফিলিস্তিন সংকট সমাধানে চার নীতির কথা জানালেন শি জিনপিং](https://sarakhon.com/news/186760/): চীন-জর্ডান সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি ফিলিস্তিন সংকটের একটি রাজনৈতিক ও স্থায়ী সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি ফিলিস্তিন সংকট সমাধানে চারটি মৌলিক নীতির কথা তুলে ধরেছেন, যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক সমঝোতা, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান, ফিলিস্তিনিদের নিজেদের দেশ পরিচালনার অধিকার, মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। রাজনৈতিক সমাধান ও দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবস্থা বেইজিংয়ে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে শি জিনপিং এসব নীতি তুলে ধরেন। জর্ডানের বাদশাহ বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে অবস্থান করছেন। শি জিনপিং বলেন, ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানে রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করাই প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে সঠিক দিকনির্দেশনা হিসেবে ধরে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি - [ইরান-পাকিস্তান গ্যাস পাইপলাইন চালু করতে ট্রাম্পের কাছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন](https://sarakhon.com/news/186753/): পাকিস্তান-ইরান গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে পাকিস্তানকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন জানাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের সিনেটের বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস। সিনেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের বিষয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, প্রকল্পটি বহু বছর আগেই সম্পন্ন হওয়া উচিত ছিল। প্রকল্পের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রাজা নাসির আব্বাস জ্বালানিমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিকের আগের বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, প্রকল্পটি আর্থিকভাবে লাভজনক নয় বলে এটি নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি—এমন যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি প্রশ্ন করেন, প্রকল্পটি যদি আর্থিকভাবে বাস্তবসম্মত না-ই হয়ে থাকে, - [বর্ণবৈষম্যের অভিযোগে শিশুদের হ্যালোইন পোশাক বিক্রি বন্ধ, ক্ষমা চাইল টার্গেট](https://sarakhon.com/news/186746/): যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান টার্গেট শিশুদের জন্য একটি হ্যালোইন পোশাক বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। পোশাকটির নকশা কৃষ্ণাঙ্গদের নিয়ে বর্ণবাদী বিদ্রূপাত্মক চিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ—এমন ব্যাপক সমালোচনার পর প্রতিষ্ঠানটি ক্ষমা চেয়েছে। পোশাকটি ঘিরে বিতর্ক টার্গেটের ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত পোশাকটি ছিল কমলা ও কালো রঙের ভাঁড়ের পোশাক। এর সঙ্গে ছিল দস্তানা, টপ হ্যাট এবং বড় দাঁতসহ হাস্যোজ্জ্বল মুখের আদলে তৈরি একটি মুখোশ। সমালোচকদের দাবি, পোশাকটির এসব বৈশিষ্ট্য এবং প্রচারণায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ শিশুকে পোশাকটি পরা অবস্থায় দেখানোর বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো বর্ণবাদী বিনোদনধারার সঙ্গে মিল রয়েছে। উনিশ শতকের যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত মিনস্ট্রেল শোতে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ ও সংস্কৃতিকে বিকৃত ও বিদ্রূপাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হতো। এসব পরিবেশনায় অনেক - [চাঙ্গি বিমানবন্দরে জ্যাকেট চুরির অভিযোগে দুই বছর পর ব্রিটিশ নাগরিক গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/186750/): সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের একটি দোকান থেকে ডেনিমের জ্যাকেট চুরির অভিযোগে ঘটনার দুই বছরেরও বেশি সময় পর এক ব্রিটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের একটি বিপণিকেন্দ্রে কর্মরত এক বিক্রয়কর্মী প্রদর্শনীর পুতুলের গায়ে থাকা একটি নীল ডেনিমের জ্যাকেট খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান। জ্যাকেটটির মূল্য ছিল প্রায় ৩৫০ সিঙ্গাপুর ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকার কাছাকাছি। নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়ে চুরির দৃশ্য দোকানের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি প্রদর্শনীর পুতুলের গা থেকে জ্যাকেটটি খুলে নেন। এরপর কোনো মূল্য পরিশোধ না করেই তিনি দোকান থেকে বেরিয়ে যান। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ ওই ব্যক্তির - [রাকী সাওয়ান্তকে ‘তামাশা’য় দেখতে চান আদনান সিদ্দিকি, বললেন ‘স্বপ্নের মতো’](https://sarakhon.com/news/186747/): পাকিস্তানের জনপ্রিয় রিয়েলিটি অনুষ্ঠান ‘তামাশা’য় ভারতের আলোচিত তারকা রাকী সাওয়ান্তকে দেখতে চান অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক ও অভিনেতা আদনান সিদ্দিকি। তাঁর মতে, রাকী সাওয়ান্তকে অনুষ্ঠানে পাওয়া গেলে সেটি হবে স্বপ্নের মতো এবং একই সঙ্গে দর্শকদের জন্য দারুণ বিনোদনও হবে। সম্প্রতি রাকী সাওয়ান্ত জানিয়েছিলেন, ‘তামাশা’ যদি দুবাইয়ে ধারণ করা হতো, তাহলে তিনি সেখানে অংশ নিতে পারতেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পুরো বিশ্বকে মাতিয়ে দেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। রাকীর এই মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে উপস্থাপক মালিহা রহমানের অনুষ্ঠানে আদনান সিদ্দিকিকে প্রশ্ন করা হয়, সেটে রাকী সাওয়ান্তকে সামলাতে পারবেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন ভারতীয় তারকার পক্ষে পাকিস্তানি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া খুবই কঠিন। তবে - [বিশ্ব রাজনীতির নতুন সমীকরণ: অর্থনীতিই এখন ক্ষমতার প্রধান অস্ত্র](https://sarakhon.com/news/186743/): বিশ্বায়নের সেই সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, যখন বাণিজ্যকে কেবল ব্যবসা আর ভূরাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা হিসেবে আলাদা করে দেখা যেত। শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং সরবরাহব্যবস্থা এখন আর নিছক অর্থনৈতিক বিষয় নয়। এগুলো পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রের কৌশলগত অস্ত্রে। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা যত তীব্র হচ্ছে, ততই অর্থনীতি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার লড়াইয়ের কেন্দ্রে উঠে আসছে। এই নতুন বাস্তবতাকে বোঝার জন্য ‘ভূ-অর্থনীতি’ বা জিওইকোনমিকস ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ। সহজ ভাষায়, রাজনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করাই ভূ-অর্থনীতির মূল কথা। সাম্প্রতিক সময়ে নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও গবেষকদের আলোচনায় বিষয়টি যে গুরুত্ব পেয়েছে, তার কারণও স্পষ্ট—বিশ্ব - [কে নির্ধারণ করছে ‘মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষ’-এর সীমারেখা?](https://sarakhon.com/news/186675/): কোনো সরকার যখন নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা মতামত, নথি ও প্রক্রিয়ার তথ্য মুছে ফেলতে শুরু করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—কী আড়াল করার চেষ্টা চলছে? যুক্তরাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক ‘মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষ’ বা ‘অ্যান্টি-মুসলিম হোস্টিলিটি’ সংজ্ঞা ঘিরে ঠিক সেই প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। মার্চে সরকার ‘অ্যান্টি-মুসলিম হোস্টিলিটি’-র একটি আইনবহির্ভূত সংজ্ঞা গ্রহণ করে। এর উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও বৈষম্য মোকাবিলার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করা। কিন্তু সমালোচকদের আশঙ্কা, সংজ্ঞাটি এতটাই বিস্তৃত ও অস্পষ্ট যে এর প্রয়োগ শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় বিশ্বাস বা ইসলামী রাজনীতির সমালোচনাকেও নিরুৎসাহিত করতে পারে। এই আশঙ্কার পেছনে একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ‘ইসলামোফোবিয়া’ শব্দটি বহু বছর ধরে এমন এক - [হরমুজ ঘিরে ছয় মাসে ৬৮ হামলা, নিহত ২০ নাবিক ও বন্দরকর্মী](https://sarakhon.com/news/186738/): যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই সময়ে উপসাগর ও আশপাশের জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে অন্তত ৬৮টি ঘটনার তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। এসব ঘটনায় অন্তত ২০ জন নাবিক ও বন্দরকর্মী নিহত, ৩৫ জন আহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন। প্রতি আড়াই দিনে একটি করে ঘটনা জাতিসংঘের সামুদ্রিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের ছয় মাসে গড়ে প্রতি ২ দশমিক ৬ দিনে একটি করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রায় অর্ধেকই তেলবাহী জাহাজকে ঘিরে। এছাড়া প্রায় ২০ শতাংশ ঘটনা পণ্যবাহী জাহাজ এবং ১৫ শতাংশ বড় পণ্য পরিবহনকারী জাহাজকে কেন্দ্র - [সাইবার নিরাপত্তা সেবার লাইসেন্স জটিলতার অবসান, সমঝোতায় ইওয়াই ঘানা](https://sarakhon.com/news/186682/): ঘানায় সাইবার নিরাপত্তা সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক জটিলতার অবসান হয়েছে। দেশটির সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এবং আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং ঘানা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করেছে। লাইসেন্স ফি নিয়ে ছিল জটিলতা যৌথ বিবৃতিতে দুই প্রতিষ্ঠান জানায়, সাইবার নিরাপত্তা সেবা প্রদানের লাইসেন্স ফি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। আলোচনার পর বিষয়গুলো পরিষ্কার করতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উভয় পক্ষ উদ্যোগ নেয়। এর ফলে দীর্ঘ আলোচনার পর নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত বিষয়গুলোর সন্তোষজনক সমাধান হয়েছে বলে জানানো হয়। সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব সমস্যা সমাধানে গঠনমূলক ও সহযোগিতামূলক মনোভাবের জন্য একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ও ইওয়াই ঘানা। - [ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞার হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা চীনের](https://sarakhon.com/news/186724/): ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকির তীব্র বিরোধিতা করেছে চীন। বেইজিং সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের একতরফা ও পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি ও আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। একতরফা নিষেধাজ্ঞা মানবে না চীন মঙ্গলবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি ছাড়া আরোপ করা একতরফা নিষেধাজ্ঞার দৃঢ় বিরোধিতা করে চীন। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন না থাকা কোনো পদক্ষেপও বেইজিং গ্রহণ করবে না। ইরানের সঙ্গে বৈধ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারে—এমন খবরের পর চীনের পক্ষ থেকে এই অবস্থান - [ইরান যুদ্ধে সমর্থন কমছে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ৩৩ শতাংশেই আটকে](https://sarakhon.com/news/186730/): ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রতি মার্কিন জনগণের সমর্থন আরও কমেছে। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মদক্ষতার প্রতি অনুমোদনের হারও ৩৩ শতাংশে স্থির রয়েছে, যা তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় মেয়াদের জনমত জরিপগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের। চার দিনের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে সমর্থন করছেন। মার্চে এই হার ছিল ৩৭ শতাংশ এবং চলতি মাসের শুরুতে ছিল ৩৪ শতাংশ। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে। রিপাবলিকানদের মধ্যেও কমেছে সমর্থন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রতি সমর্থন সবচেয়ে বেশি কমেছে রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে। মার্চে যেখানে ৭৭ শতাংশ রিপাবলিকান সামরিক - [নেপালের বন্যা মোকাবিলায় অর্থসংস্থান: ত্রাণের পর আসল পরীক্ষা পুনর্গঠন](https://sarakhon.com/news/187417/): ভোটেকোশি বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালের সামনে এখন শুধু উদ্ধার ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার প্রশ্ন নয়; একই সঙ্গে দাঁড়িয়ে গেছে বিপুল অর্থসংস্থানের কঠিন বাস্তবতা। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ হিসাব এখনও স্পষ্ট নয়, অথচ দুর্গত মানুষের তাৎক্ষণিক সহায়তা, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সামলানো এবং পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য দ্রুত অর্থের প্রয়োজন। ফলে দেশটির সরকারকে একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজেট পুনর্বিন্যাস, বেসরকারি খাতের সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পথ খুঁজতে হচ্ছে। নেপালের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে আগে থেকেই বরাদ্দ থাকা বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন নেপালি রুপি তাৎক্ষণিকভাবে দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যবহার করা সম্ভব। এসব অর্থ মূলত ত্রাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ ছিল। অর্থাৎ নতুন করে অর্থ - [সিলেটে হামের মতো উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, চলতি বছরে মৃতের সংখ্যা ১৫১](https://sarakhon.com/news/187420/): সিলেট বিভাগে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগটিতে হাম ও হামের মতো উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫১ জনে। একই সময়ে নতুন করে ছয়জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে চলতি বছরে বিভাগে নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১ জনে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামের মতো উপসর্গ নিয়ে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের একজনের বয়স পাঁচ মাস এবং অন্যজনের বয়স ১১ মাস। এ - [মৌলভীবাজারে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলির পর ভারতীয় চোরাকারবারি আটক](https://sarakhon.com/news/187408/): মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার কুমারশাইল সীমান্তে কথিত চোরাকারবারিদের সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের গোলাগুলির পর এক ভারতীয় চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে বিদেশি তৈরি একটি পিস্তল, দশমিক ২২ বোরের দুই রাউন্ড গুলি এবং ৫০০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বিজিবির বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে। বিজিবি জানায়, ভারতীয় একটি চোরাকারবারি চক্র কুমারশাইল সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের একটি চালান বাংলাদেশে পাচার করবে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে একটি বিশেষ টহল দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। সন্দেহভাজন চোরাকারবারিরা সেখানে পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা তাদের - [সিরাজগঞ্জে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে সিএনজির ধাক্কা, নিহত ২](https://sarakhon.com/news/187414/): সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোরে সিরাজগঞ্জ-নলকা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন অটোরিকশাচালক আশিক (৩৫) ও যাত্রী ঠাকুর হালদার (৭০)। আশিক কামারখন্দ উপজেলার কুঠিরচর গ্রামের আলী আকতার ফকিরের ছেলে। ঠাকুর হালদার রায়গঞ্জ উপজেলার কালিঞ্জা গ্রামের গুটু রাজবংশীর ছেলে। ভোরে মাছ ধরার জাল নিয়ে যাত্রা স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে ঠাকুর হালদার তার ছেলে বিষ্ণু হালদারকে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরার জাল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তারা কামারখন্দ উপজেলার বাজার ভদ্রঘাট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সিরাজগঞ্জ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। - [কানাডা থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টন পটাশ সার আমদানি করবে বাংলাদেশ](https://sarakhon.com/news/187411/): কৃষি উৎপাদন ও কৃষকদের জন্য সারের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে কানাডা থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টন পটাশ সার আমদানি করবে বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি আরও ১ লাখ ২০ হাজার টন সার কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে সম্প্রতি সরকারি পর্যায়ে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে কানাডা থেকে পটাশ সার আমদানি করা হবে। সরকারি পর্যায়ের চুক্তি চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এবং কানাডার পক্ষে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি) সই করেছে। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সালিম খান, বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে - [সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, হাসপাতালে না নিয়ে ওঝার কাছে নেওয়ার অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/187402/): কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিষধর সাপের কামড়ে জান্নাতুল ফেরদৌস সাগরিকা (২৬) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা সাপের কামড়ের পর দ্রুত হাসপাতালে না নিয়ে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়ায় চিকিৎসা পেতে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত সাগরিকা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের থোতাপাড়া গ্রামের নূরে আলম জিকুর স্ত্রী। তিনি একই গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে। রাত ১১টার দিকে সাপের কামড় স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বাড়ির বাইরে থাকা শৌচাগারে যাওয়ার সময় সাগরিকাকে একটি বিষধর সাপ কামড় দেয়। সাপের কামড়ের পরপরই তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় - [ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে কড়াকড়ি](https://sarakhon.com/news/187405/): যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ বিষয়ে দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি নির্দেশনামূলক স্মারক পাঠিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের ইন্টার্নশিপের কাজের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ফেডারেল সরকার সতর্ক করে জানিয়েছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমোদন হারাতে পারে। পাঠ্যক্রমের সঙ্গে ইন্টার্নশিপের সরাসরি সম্পর্কের শর্ত ২৪ আগস্ট জারি করা ওই স্মারকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার অধীন শিক্ষার্থী ও বিনিময় দর্শনার্থী কর্মসূচি লক্ষ্য করেছে যে, পাঠ্যক্রমভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়েছে। - [পাকিস্তানের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে বাজারে বোমা বিস্ফোরণ, শান্তি কমিটির সদস্য নিহত; আহত ৮](https://sarakhon.com/news/187391/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উচ্চ দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান জেলার মাকিন বাজারে শুক্রবার একটি বিস্ফোরক যন্ত্র বিস্ফোরণে স্থানীয় শান্তি কমিটির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ব্যস্ত বাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় বেশ কয়েকটি দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মোটরসাইকেলে লাগানো ছিল বিস্ফোরক ডেরা ইসমাইল খান অঞ্চলের পুলিশের কর্মকর্তা গোলাম মুবাশির মাকিন জানিয়েছেন, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা একটি মোটরসাইকেলে বিস্ফোরক যন্ত্র লাগিয়ে রেখেছিল। শুক্রবার সকাল প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। ব্যস্ত বাজারে বিস্ফোরণের ফলে মোট নয়জন আহত হন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণে আহত নয়জনের মধ্যে স্থানীয় শান্তি কমিটির তিন সদস্য ইনায়াতুল্লাহ, শরত খান ও বাঙ্গি খানও ছিলেন। আহত - [পূর্ণিমার আকাশে রক্তিম ছায়া, চাঁদের মুখে রহস্যময় আলোর খেলা](https://sarakhon.com/news/187398/): রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ মানেই এক অন্যরকম মায়া। চারপাশের অন্ধকারকে নরম রুপালি আলোয় ভাসিয়ে দিয়ে পূর্ণ চাঁদ যখন আকাশের বুকে উঠে আসে, তখন প্রকৃতিও যেন কিছুক্ষণের জন্য থমকে দাঁড়ায়। আগস্টের সেই পূর্ণিমায় এবার সেই চেনা সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মহাজাগতিক এক বিরল আবহ—আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদের উজ্জ্বল মুখে ধীরে ধীরে পৃথিবীর ছায়া এসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় তার চেহারা। একসময় ঝকঝকে সাদা আলোয় ভরা চাঁদের একটি অংশ যেন অদৃশ্য কোনো পর্দার আড়ালে চলে যায়। আলোর সেই ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসা দৃশ্য রাতের আকাশকে করে তোলে আরও রহস্যময়, আরও গভীর। চন্দ্রগ্রহণের মুহূর্তে চাঁদের গায়ে দেখা দিতে পারে তামাটে কিংবা লালচে আভা। - [পাকিস্তানে ক্রিপ্টো নিয়ন্ত্রণ চালু, এবার বাস্তবায়নের কঠিন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/187395/): পাকিস্তানে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে বিতর্ক আর এটি অনুমোদিত হবে কি না—সেই প্রশ্নে আটকে নেই। বাস্তবতা হলো, দেশটিতে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে। রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো তৈরি করার আগেই পাকিস্তানের মানুষ বিটকয়েন কিনেছে, স্থিতিশীল মুদ্রা ধরে রেখেছে, বিদেশি বিনিময় প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করেছে এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি পদ্ধতিতে অর্থ বিনিময় করেছে। এখন পাকিস্তানের সামনে মূল প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গড়ে ওঠা এই বিশাল ডিজিটাল সম্পদভিত্তিক অর্থনীতিকে কীভাবে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনা যায়। ভার্চুয়াল সম্পদ আইন ২০২৬-এর মাধ্যমে পাকিস্তান ভার্চুয়াল সম্পদ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠন, লাইসেন্স ব্যবস্থা এবং ক্রিপ্টো বিনিময়, দালালি, সম্পদ সংরক্ষণ, স্থানান্তর, ঋণ, পরামর্শ ও অন্যান্য ভার্চুয়াল সম্পদভিত্তিক কার্যক্রমের জন্য নিয়ন্ত্রক - [হামজাতঙ্কে বাড়ছে হাম: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ৯৬০](https://sarakhon.com/news/187392/): হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে হাম-সংক্রান্ত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে মারা যাওয়া পাঁচজনকেই সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৬১। অন্যদিকে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে, ৯৯ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নতুন সন্দেহভাজন রোগী ১১০০ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, একই ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ১ হাজার ১০০ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর ফলে চলতি বছরে দেশে - [ইসরায়েল-তুরস্ক দ্বন্দ্বে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/187383/): সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলার পর তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ক নতুন এক সংঘাতের মাত্রা পেয়েছে। হামলাটির পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ নিন্দা জানায়। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ওই ঘাঁটিতে তুরস্কের সামরিক বাহিনীর গতিবিধি সম্পর্কে তাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্বভাবে তথ্য যাচাই করে এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি। সিরিয়ায় ইসরায়েল-তুরস্ক উত্তেজনা হামলার আগে ইসরায়েল তুরস্ককে সতর্ক করেনি। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের তুরস্কবিষয়ক রাষ্ট্রদূত ও সিরিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাকও বলেছেন, ইসরায়েল হামলার ছয় দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নিজস্ব যাচাইয়ে ওই তথ্যের ভিত্তি খুঁজে - [ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পে মালিকানা চায় যুক্তরাষ্ট্র, চলছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা](https://sarakhon.com/news/187385/): ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পে সরাসরি মালিকানা অংশীদারত্ব নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করছে মার্কিন প্রশাসন। প্রস্তাবিত চুক্তি চূড়ান্ত হলে ভেনেজুয়েলার এক ডজনেরও বেশি উৎপাদনশীল তেলক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানা অংশীদারত্ব তৈরি হতে পারে।       একাধিক তেলক্ষেত্রে মালিকানার সম্ভাবনা প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় থাকা তেলক্ষেত্রগুলোতে আনুমানিক ৯ হাজার কোটি ব্যারেল প্রমাণিত মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব সম্পদে মার্কিন অংশীদারত্ব তৈরি হলে ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তেলক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধির কাজে যুক্ত হবে। মার্কিন কোম্পানিগুলোও এসব প্রকল্পে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। উৎপাদন বাড়লে ভেনেজুয়েলা অতিরিক্ত রাজস্ব পাবে, যা - [বাংলাদেশের প্রজন্ম-জেড পাকিস্তানি গান এত বেশি পছন্দ করে কেন](https://sarakhon.com/news/187377/): ঢাকার মাদানী অ্যাভিনিউয়ে ২৪ জুলাই সন্ধ্যা ছয়টা। বাইরে তখন মুষলধারে বৃষ্টি। মঞ্চের সামনে পানি জমে গেছে, দর্শকদের অনেকেই ভিজে একাকার। তবু কেউ অনুষ্ঠানস্থল ছাড়ছিলেন না। বরং সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় আরও বাড়ছিল। এই ভিড়ের একজন ছিলেন ২২ বছর বয়সী মোহাম্মদ আলিফ। প্রিয় শিল্পী আতিফ আসলামের গান শুনতে তিনি কুমিল্লা থেকে ১০৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। আলিফের ভাষায়, ১০ বছর বয়স থেকেই তিনি আতিফ আসলামের গান শুনছেন। এত বছর পর প্রিয় শিল্পীকে সরাসরি মঞ্চে দেখার অনুভূতিকে তাঁর কাছে মনে হয়েছে স্বপ্নপূরণের মতো। রাত ৮টা ৫২ মিনিটে আতিফ আসলাম মঞ্চে উঠতেই হাজারো দর্শকের কণ্ঠে একসঙ্গে ধ্বনিত হয়—‘আতিফ! আতিফ!’ এরপর - [আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের পাঁচ বছর: স্থিতিশীলতার বদলে বাড়ছে অনিশ্চয়তা](https://sarakhon.com/news/187339/): ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে তালেবান। এরই মধ্যে তাদের শাসনের পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়ে দেশটিতে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বস্তি কতটা ফিরেছে—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো সন্তোষজনক নয়। বরং আফগানদের বড় একটি অংশের মধ্যে অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক দুর্ভোগ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়ে গেছে। তালেবান সমর্থকদের কেউ কেউ অবশ্য মনে করেন, তাদের শাসন না থাকলে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতো। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পরও দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সংকট স্পষ্ট। যেভাবে আবার ক্ষমতায় ফিরল তালেবান ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান যোদ্ধারা কাবুলে - [যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালুমিনিয়ামের চাহিদা বাড়ছে, সরবরাহ নিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন চাপ](https://sarakhon.com/news/187370/): যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও উৎপাদন খাতে অ্যালুমিনিয়ামের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। অবকাঠামো নির্মাণ, পরিবহন, প্রতিরক্ষা, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন শিল্পে অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় দেশটির সামনে এখন বড় প্রশ্ন—এই বাড়তি চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত অ্যালুমিনিয়াম কোথা থেকে আসবে? কেন অ্যালুমিনিয়ামের চাহিদা বাড়ছে অ্যালুমিনিয়াম হালকা, টেকসই এবং সহজে বিভিন্ন আকারে ব্যবহার করা যায়। এ কারণে গাড়ি নির্মাণ থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ, বিদ্যুৎ অবকাঠামো, নির্মাণশিল্প ও নানা ধরনের যন্ত্রপাতিতে এর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি শিল্পকারখানায় বিনিয়োগও বাড়ছে। ফলে অ্যালুমিনিয়ামের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ এই চাহিদাকে আরও তীব্র করছে। সরবরাহ ব্যবস্থাই বড় চ্যালেঞ্জ চাহিদা - [গাইবান্ধায় বিয়ের দুই দিন পর কলাবাগানে স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/187363/): গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের দুই দিন পর একটি কলাবাগান থেকে এক স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মো. আবু সালেম গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী এলাকার বালুয়াহাটে অবস্থিত ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। বিয়ের দুই দিন পর নিখোঁজ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট রাতে কাটাবাড়ী ইউনিয়নের বাগদা বাজার এলাকার শ্যামলী আক্তারের সঙ্গে আবু সালেমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে বালুয়া বাজারের উদ্দেশে বের হন। তবে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু - [পাকিস্তানে মাতৃমৃত্যুর ভয়াবহ সংকট, জরুরি পদক্ষেপ এখনই প্রয়োজন](https://sarakhon.com/news/187366/): পাকিস্তানে মাতৃমৃত্যুর হার এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের সময় বহু নারীর মৃত্যু এমন পরিস্থিতিতে ঘটছে, যা যথাযথ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের মাতৃস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নারীদের জীবনমান উন্নয়নে সামাজিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্বে মাতৃমৃত্যুর বড় বোঝা পাকিস্তানের ওপর ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ২ লাখ ৬০ হাজার নারী গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের সময় মারা যান। এর মধ্যে পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, ভারত ও কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র মিলেই প্রায় অর্ধেক মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিল। নাইজেরিয়ায় প্রায় ৭৫ হাজার, - [পুকুরে মিলল নিখোঁজ মা, দুই বছরের শিশু ও কিশোরীর মরদেহ](https://sarakhon.com/news/187354/): পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরাট জেলার ডিঙ্গা শহরে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর পুকুরসদৃশ জলাশয় থেকে এক নারী, তাঁর দুই বছরের মেয়ে ও ১৫ বছর বয়সী বোনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনকে মৃত্যুসংবাদ দিতে বেরিয়ে নিখোঁজ পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাই দা ডেরা মহল্লার বাসিন্দা শওকত আলীর ২১ বছর বয়সী মেয়ে আরুজ ফাতিমা, তাঁর দুই বছরের মেয়ে রাকু ফাতিমা এবং ১৫ বছর বয়সী বোন হালিমা সাদিয়া বাড়ি থেকে বের হন। তাঁদের গন্তব্য ছিল চারগাহ লোকড়ি এলাকার আরুজের শ্বশুরবাড়ি। পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ স্বজনের মৃত্যুর খবর জানাতেই তাঁরা সেখানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু - [তাইওয়ানের প্রতিরক্ষার প্রথম প্রাচীর পেংহু, চীনা হামলার আশঙ্কায় যুদ্ধের প্রস্তুতিতে দ্বীপবাসীও](https://sarakhon.com/news/187360/): তাইওয়ান প্রণালির নীল জলরাশির মাঝখানে ছড়িয়ে থাকা পেংহু দ্বীপপুঞ্জ এখন আর শুধু পর্যটকদের কাছে সমুদ্র, প্রবাল আর নির্মল সৌন্দর্যের ঠিকানা নয়। সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপগুলো ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান ঘাঁটিতে। চীনের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকায় পেংহুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করছে তাইপে। সেখানে অবস্থানরত হাজার হাজার সেনা নিয়মিত মহড়া চালাচ্ছেন সম্ভাব্য চীনা আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও প্রস্তুত করা হচ্ছে—যুদ্ধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংরক্ষণ করতে হবে, আহতদের কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো কীভাবে মেরামত করতে হবে এবং সংকটের সময় কীভাবে টিকে থাকতে হবে, তা - [ভয়াবহ বন্যার পর বিদেশি উদ্ধারদল চায় না নেপাল, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চলছে আলোচনা](https://sarakhon.com/news/187357/): নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রায় ৫০০ মানুষের মৃত্যুর পরও বিদেশি অনুসন্ধান ও উদ্ধারদলের সহায়তা আপাতত নিতে রাজি নয় দেশটির সরকার। শুক্রবার নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীই উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং এই মুহূর্তে বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই। চীনের সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় বন্যার পানির তোড়ে বেশ কয়েকটি জনপদ কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও। দুর্যোগের পর এখনো শত শত বিদেশি নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক নেপালের বন্যায় দক্ষিণ কোরিয়ার নয়জন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁরা একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। আরও ১০ জন সেখানে আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে - [নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভূমিধসে তৈরি হ্রদ উপচে পড়ছে, ফের বন্যার আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/187353/): নেপাল-চীন সীমান্তে ভূমিধসে তৈরি হওয়া একটি হ্রদ শুক্রবার উপচে পড়তে শুরু করেছে। এতে দুই দিন আগে আকস্মিক বন্যায় বিধ্বস্ত নেপালের রসুয়া জেলায় নতুন করে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঝুঁকি বাড়ায় উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ে ছুটছেন আতঙ্কিত মানুষ চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী রসুয়া জেলার বাসিন্দাদের নদীর পানি বাড়তে দেখে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দ্রুত উঁচু পাহাড়ি এলাকায় উঠে যেতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চীনের উদ্ধারকারী দল ও যানবাহনগুলোও নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। হ্রদটি ভেঙে গেলে নিচের দিকে আবারও প্রবল পানির স্রোত নেমে আসতে পারে। হ্রদে জমেছে - [সৌদি আরবের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৃষি সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান শেহবাজ শরিফের](https://sarakhon.com/news/187341/): পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কৃষিভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি সৌদি আরবকে পাকিস্তানের কৌশলগত ও ভ্রাতৃপ্রতিম অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৃষি সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। কৃষি ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা শুক্রবার ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সৌদি কৃষি, পরিবেশ ও পানি সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী আবদুর রহমান আল-ফাদলির সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন শেহবাজ শরিফ। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। শেহবাজ শরিফ সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি তাঁর উষ্ণ শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি পাকিস্তান ও সৌদি - [সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের ত্রিদেশীয় সামরিক মহড়া](https://sarakhon.com/news/187346/): যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পাঁচ দিনের একটি ত্রিদেশীয় সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেজু দ্বীপের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায় এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলায় তিন দেশের সামরিক সক্ষমতা ও পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করাই এর প্রধান লক্ষ্য বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকিতে নজর ‘ফ্রিডম এজ’ নামে পরিচিত এই মহড়াকে প্রতিরক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছে তিন দেশ। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার হবে। মহড়ায় নৌ ও আকাশপথে বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। ২০২৪ সালে এই ত্রিদেশীয় মহড়া শুরু হয়। এরপর থেকে এতে ব্যালিস্টিক - [ছয় মাস ধরে আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, নেতৃত্ব নিয়ে বাড়ছে সংশয়](https://sarakhon.com/news/187342/): ইরানে যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে এখনো প্রকাশ্যে দেখা বা তার কণ্ঠ শোনা যায়নি। যুদ্ধের শুরুতে গুরুতর আহত হওয়ার পর সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়া মোজতবার এমন দীর্ঘ অনুপস্থিতি ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে। ইরানি কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, তিনি এখনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না এবং আড়াল থেকেই রাষ্ট্র পরিচালনায় যুক্ত আছেন। তবে তার কোনো ছবি, ভিডিও কিংবা সরাসরি প্রচারিত বক্তব্য প্রকাশ না হওয়ায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন ব্যবস্থার সমর্থকদের মধ্যেও সন্দেহ বাড়ছে। প্রকাশ্যে নেই কোনো চিহ্ন যুদ্ধ শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব - [ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে?](https://sarakhon.com/news/187272/): একসময় আমেরিকা শুধু একটি দেশ ছিল না; পশ্চিমা বিশ্বের কল্পনায় সেটি ছিল ভবিষ্যতের প্রতীক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের মানুষ হলিউড, ঝকঝকে গাড়ি, আধুনিক গৃহস্থালি প্রযুক্তি কিংবা নতুন ভোক্তা সংস্কৃতির ছবি দেখে মনে করত, তারা যেন নিজেদের আগামী দিনটাকেই দেখতে পাচ্ছে। লৌহপর্দার আড়ালে থাকা পূর্ব ইউরোপের মানুষের কাছে আমেরিকান স্বপ্নের আকর্ষণ ছিল আরও গভীর। একইভাবে, ১৯৭৬ সালে মাও সেতুংয়ের মৃত্যুর পর চীনের সংস্কার ও উন্মুক্ততার যুগে কোটি কোটি মানুষ পশ্চিমা আধুনিকতার দিকে তাকিয়েছিল। ১৯৭৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় দেং শিয়াওপিংয়ের অভিজ্ঞতাও চীনের অর্থনৈতিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষাকে প্রভাবিত করেছিল। কিন্তু ২০২৬-এর পৃথিবীতে সেই মানচিত্র বদলে যাচ্ছে। এখন বিশ্বের বহু তরুণের চোখে ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি ওয়াশিংটন - [ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত?](https://sarakhon.com/news/187266/): বিশ্ব অর্থনীতির ওপর একের পর এক ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি আঘাত হানছে। কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় অংশ এখনো এমনভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেন প্রতিটি সংকটের আগাম সংকেত পাওয়া যাবে, প্রতিটি পক্ষ শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক যুক্তির কাছে নতি স্বীকার করবে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় সাময়িক সময়ের মধ্যেই কেটে যাবে। এই আত্মবিশ্বাসই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তার সবকিছু এখনো করপোরেট আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে প্রতিফলিত হয়নি। বরং এর বিপরীত চিত্রও দেখা গেছে। শুল্কের কারণে যে মন্দার আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা সেভাবে - [জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি](https://sarakhon.com/news/187162/): পাকিস্তানের পরবর্তী বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা দেশের সীমানার বাইরে কোথাও শুরু হতে পারে, কিন্তু তার অভিঘাত সরাসরি পৌঁছে যেতে পারে সাধারণ মানুষের সংসার, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং এমনিতেই দুর্বল বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থানে। হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী কোনো অচলাবস্থা তৈরি হলে দেশটির আমদানি ব্যয় আনুমানিক ৪.৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতি এমন এক অর্থনীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করবে, যা এখনো বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় শক্তিশালী করা এবং আবারও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কঠোর সমন্বয়ের প্রয়োজন এড়ানোর চেষ্টা করছে। জ্বালানির সংকট কখনো শুধু জ্বালানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যায়, তার প্রভাব পড়ে খাদ্য ও শিল্পপণ্যের দামে, ব্যবসার পরিচালন - [নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত](https://sarakhon.com/news/187335/): নিউইয়র্কে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবতকে নিয়ে আয়োজিতব্য অনুষ্ঠানের সংগঠকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে। আমেরিকান হিন্দুস ফর এনগেজমেন্ট অ্যান্ড ডায়ালগ (এএইচইডি) ফোরামের ওই অ্যাকাউন্টটি এখন ব্যবহারকারীদের কাছে ‘অনুপলব্ধ’ দেখাচ্ছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভুলবশত অ্যাকাউন্টটি স্থগিত হয়ে থাকতে পারে। তাদের দাবি, সংগঠনের যোগাযোগ ও প্রচারণায় সর্বজনীন শান্তি, ঐক্য, সম্প্রীতি এবং আন্তধর্মীয় ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এসব কার্যক্রম এক্সের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২৯ আগস্ট ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি মোহন ভাগবতকে প্রধান বক্তা করে ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস সেলিব্রেশন’ নামে অনুষ্ঠানটি আগামী ২৯ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের ইনফোসিস থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, - [৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/187329/): দেশের ৬৪ জেলার প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক পর্যায়ে নতুন তদারকি ও সমন্বয় কাঠামো চালু করেছে সরকার। এর আওতায় ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে এক থেকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসনের সংযোগ অধিশাখা থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তদারকি ও সমন্বয় করবেন। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার কতটা বাস্তবায়িত - [‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা](https://sarakhon.com/news/187322/): জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অনিয়মিত সরবরাহ, কর্মসংস্থান এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব বিষয়ে কথা বলেন। গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে ক্ষোভ জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, তেলের দাম বাড়ছে, বিদ্যুতের জন্য মানুষকে হাহাকার করতে হচ্ছে এবং গ্যাসেরও পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। গ্যাস ও বিদ্যুতের পরিস্থিতি বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘টুকু আসে, টুকু যায়। এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’ কর্মসংস্থান নিয়েও প্রশ্ন রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সরকারের - [কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে](https://sarakhon.com/news/187275/): গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশটিতে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাব ‘সূচকীয় হারে’ বাড়ছে এবং গত তিন মাসে এ রোগে ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকের মৃত্যু হয়েছে মাত্র গত ২০ দিনে। জাতিসংঘের কর্মকর্তা জুলিয়েন হারনেইস শুক্রবার জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বর্তমানে ইবোলা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল বুনিয়ায় রয়েছেন। তার ভাষ্য, পরিস্থিতি এত দ্রুত অবনতি হচ্ছে যে ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে চলমান উদ্যোগও এর গতির সঙ্গে তাল মিলাতে পারছে না। ফ্রান্সের চেয়েও বড় এলাকায় সংক্রমণ হারনেইস জানান, ইবোলা সংক্রমণ এখন ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত অঞ্চলটির আয়তন ফ্রান্সের চেয়েও বড় হয়ে - [‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক](https://sarakhon.com/news/187316/): বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীর ও মনের সক্ষমতা কীভাবে বদলাচ্ছে, তা বোঝার জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’। মানুষের শক্তি, চলাফেরা, ইন্দ্রিয়ের সক্ষমতা, চিন্তাশক্তি, মানসিক সুস্থতা ও সামগ্রিক প্রাণশক্তিকে একসঙ্গে বিবেচনা করে বার্ধক্যের প্রভাব বোঝার এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে দীর্ঘায়ু গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) স্বাস্থ্যকর বার্ধক্য উদ্যোগের অংশ হিসেবে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’ ধারণাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শুধু রোগ শনাক্ত করার পরিবর্তে একজন মানুষের দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা কতটা বজায় আছে, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া। কীভাবে মাপা হয় ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি এই সক্ষমতা নির্ধারণে পাঁচটি প্রধান বিষয় বিবেচনা করা হয়—জ্ঞানীয় সক্ষমতা, চলাফেরা ও শারীরিক শক্তি, দৃষ্টি - [নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ](https://sarakhon.com/news/187309/): জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত নজরুল রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে তাঁর লেখনী ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিলেন। বাংলা ১৩৮৩ সালের ১২ ভাদ্র, ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়। প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে সেখানে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হন। নানা আয়োজনে স্মরণ এবারও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন কবির জীবন ও সাহিত্যকর্ম স্মরণে বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করেছে। টেলিভিশন - [কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক](https://sarakhon.com/news/187311/): সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বিএসএস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮-এর আওতায় চুক্তিভিত্তিকভাবে এক বছরের জন্য কাদের গনি চৌধুরীকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের শর্ত ও কার্যকারিতা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কাদের গনি চৌধুরীর নিয়োগ তার যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে। তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চাকরি বা পেশাগত সম্পৃক্ততা থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বিএসএসের - [সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে](https://sarakhon.com/news/187305/): গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর বরফা গ্রামে জমিতে সেচ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন এনায়েত খান (৪০), তিনি প্রয়াত শামসু খানের ছেলে, এবং তার ১২ বছর বয়সী ছেলে মেহেদী হাসান খান। মেহেদী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সেচ দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে এনায়েত খান তার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে জমিতে সেচ দিতে যান। জমিতে পানি দেওয়ার জন্য তারা বৈদ্যুতিক পানির পাম্প ব্যবহার করছিলেন। একপর্যায়ে বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ে কাজ করার সময় এনায়েত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বাবাকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে মেহেদীও - [ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার](https://sarakhon.com/news/187295/): বিশ্ব টেনিসের নারী এককের শীর্ষ তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা এবারের ইউএস ওপেনে আবারও নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে মরিয়া। চলতি মৌসুমে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেলেও বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যামে তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন বেলারুশের এই তারকা। Aryna Sabalenka ইউএস ওপেন শুরুর আগে এক বিশেষ আলোচনায় নিজের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, মৌসুমজুড়ে নানা ওঠানামার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। তবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আবারও নিজের সেরা অবস্থানে ফেরার চেষ্টা করছেন তিনি। তৃতীয় শিরোপার লক্ষ্য গত বছর ইউএস ওপেন জয়ের পর এবারও শিরোপা ধরে রাখার বড় লক্ষ্য সাবালেঙ্কার। টানা তৃতীয়বার এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে প্রস্তুতি - [বিয়ের পর প্রথম মঞ্চে টেইলর সুইফটের সাদামাটা অথচ নজরকাড়া সাজ](https://sarakhon.com/news/187298/): বিয়ের পর প্রথমবার মঞ্চে উঠে ভক্তদের চমকে দিলেন টেইলর সুইফট। সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি তাঁর পোশাক ও সাজসজ্জাও হয়ে উঠেছে আলোচনার অন্যতম বিষয়। দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে গানের মঞ্চে দেখা গেলেও তাঁর উপস্থিতিতে ছিল পরিচিত সেই কোমল, রোমান্টিক সৌন্দর্য। মঞ্চে সেজেছিলেন হালকা সবুজ পোশাকে গ্র্যামি জাদুঘরের মঞ্চে সংক্ষিপ্ত পরিবেশনায় টেইলর গেয়েছেন ‘অল টু ওয়েল’, ‘অগাস্ট’ এবং ‘আই নিউ ইট, আই নিউ ইউ’সহ কয়েকটি গান। এ সময় তাঁর পরনে ছিল হালকা ঋষি-সবুজ রঙের পাতলা রেশমি পোশাক। পোশাকটির এক কাঁধে আটকানো ছিল গাঢ় লাল ফুলের অলংকার। পোশাকটির অসমান গলার নকশা পেছনে নেমে তৈরি করেছিল চাদরের মতো দীর্ঘ অংশ, যা পিয়ানো বাজানোর সময় তাঁর সঙ্গে দুলছিল। - [এসি ছাড়াই ঘর ও শরীর ঠান্ডা রাখার ১৪ কার্যকর উপায়](https://sarakhon.com/news/187292/): গরমের তীব্রতা বাড়লে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ছাড়া স্বস্তিতে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ না থাকা, অতিরিক্ত গরম কিংবা বিদ্যুৎ খরচ কমানোর প্রয়োজন—যে কারণই হোক, কিছু সহজ কৌশলে শরীর ও ঘরের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম রাখা সম্ভব। অতিরিক্ত গরম দীর্ঘ সময় শরীরে থাকলে মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। শরীর ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখে। কিন্তু বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘাম সহজে শুকাতে পারে না, ফলে শরীরের স্বাভাবিক শীতল হওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ে। পর্যাপ্ত পানি পান করুন গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। শরীরে পানির ঘাটতি - [গুচিকে নতুন করে গড়ছেন ডেমনা, বিলাসী ফ্যাশনে আনছেন বিদ্রোহী আত্মার নতুন রূপ](https://sarakhon.com/news/187287/): ফ্যাশন দুনিয়ায় ডেমনা এমন এক নাম, যিনি প্রচলিত সৌন্দর্যের ধারণাকে বারবার প্রশ্ন করেছেন। ভেটমঁ থেকে বালেনসিয়াগা—প্রতিটি পর্যায়েই তাঁর নকশায় ছিল বিদ্রোহ, ব্যঙ্গ, অস্বাভাবিক অনুপাত আর রাস্তাঘাটের সংস্কৃতির শক্তিশালী ছাপ। এবার সেই অস্থির ও নিরন্তর পরিবর্তনশীল সৃজনশীলতাকে তিনি নিয়ে এসেছেন ইতালির ঐতিহ্যবাহী বিলাসী ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান গুচিতে। গুচির দায়িত্ব নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ গত গ্রীষ্মে গুচির সৃজনশীল নেতৃত্ব গ্রহণ করেন ডেমনা। তার আগে প্রায় এক দশক তিনি বালেনসিয়াগার নেতৃত্বে ছিলেন। গুচি তখন কয়েক বছর ধরে বিক্রয় ও সাংগঠনিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ফলে ডেমনার আগমনকে দেখা হয় ব্র্যান্ডটির নতুন করে প্রাণ ফিরে পাওয়ার বড় সুযোগ হিসেবে। তবে চ্যালেঞ্জও কম ছিল না। গুচি শুধু আরেকটি - [আয়নার মতো ঝকঝকে চুল পেতে চীনা কায়দায় চুল ধোয়ার ৫ ধাপ](https://sarakhon.com/news/187288/): চুল ধোয়া আমাদের কাছে খুবই সাধারণ একটি পরিচর্যার কাজ—পানি দিয়ে ভেজানো, শ্যাম্পু করা, আবার পানি দিয়ে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগানো। কিন্তু মাথার ত্বক ও চুল পরিষ্কারের পদ্ধতিতে সামান্য পরিবর্তনও চুলের সৌন্দর্যে বড় পার্থক্য আনতে পারে। চীনা সৌন্দর্যচর্চায় চুল ধোয়াকে শুধু পরিষ্কার করার কাজ হিসেবে দেখা হয় না; বরং এটি মাথার ত্বকের যত্ন, আরাম এবং চুলকে স্বাস্থ্যকর রাখার একটি পূর্ণাঙ্গ রীতি। চীনা সংস্কৃতিতে চুলের সঙ্গে সৌভাগ্যেরও একটি ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, চীনা নববর্ষের সময় চুল না ধোয়ার একটি রীতি রয়েছে, কারণ এতে সৌভাগ্যও যেন ধুয়ে চলে না যায়। সেই সাংস্কৃতিক ধারণার পাশাপাশি চীনা সৌন্দর্যচর্চায় মাথার ত্বকের যত্নের বেশ কিছু পদ্ধতি দীর্ঘদিন - [এক্সোসোমযুক্ত ত্বকচর্চার ভবিষ্যৎ: সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞদের চোখে নতুন সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/187278/): ত্বকের যত্নে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত উপাদানগুলোর একটি হলো এক্সোসোম। কোষগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগে ভূমিকা রাখা এই ক্ষুদ্র বহিঃকোষীয় থলি বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকের প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে বলে সৌন্দর্যজগতে এর প্রতি আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। এক্সোসোম কেন এত আলোচিত বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্সোসোমকে শুধু একটি সাধারণ প্রসাধনী উপাদান হিসেবে দেখলে বিষয়টি পুরোপুরি বোঝা যায় না। এটি কোষগুলোর মধ্যে সংকেত আদান-প্রদানে ভূমিকা রাখে। ফলে ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তন, পুনর্গঠন ও মেরামতের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্বকের পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনকেন্দ্রিক সৌন্দর্যচর্চার বিস্তারের সঙ্গে তাই এক্সোসোমের ব্যবহারও বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা এখনই এটিকে রেটিনয়েড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা পেপটাইডের মতো প্রতিষ্ঠিত মৌলিক উপাদানের সমপর্যায়ে রাখছেন না। এর কার্যকারিতা - [একাকিত্ব শরীর-মনকে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, নিঃসঙ্গতা সবসময় তা করে না](https://sarakhon.com/news/187281/): প্রতিদিন মানুষের ভিড়ে থেকেও কেউ গভীর একাকিত্ব অনুভব করতে পারেন। আবার কেউ দীর্ঘ সময় একা থেকেও তাতে অস্বস্তি বোধ নাও করতে পারেন। একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার এই পার্থক্যই মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর তাদের প্রভাবের ভিন্নতা বোঝাতে সাহায্য করতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, একাকিত্ব মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপনের সন্তুষ্টি এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের কিছু ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে সামাজিক বিচ্ছিন্নতার প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত এবং সবচেয়ে স্পষ্টভাবে তা মানুষের সামগ্রিক সুস্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত। একাকিত্ব আর সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এক নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বজুড়ে প্রায় প্রতি ছয়জন মানুষের একজন একাকিত্বের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। একাকিত্ব বলতে বোঝায়, একজন মানুষ তার সম্পর্কগুলো থেকে - [জেরুজালেমে সন্ন্যাসিনীকে হামলার ঘটনায় মানসিক অসুস্থতার কারণে ইহুদি ব্যক্তির খালাস](https://sarakhon.com/news/187195/): জেরুজালেমের পুরোনো শহরে এক ফরাসি সন্ন্যাসিনীর ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত এক ইহুদি ব্যক্তিকে মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে খালাস দিয়েছেন ইসরায়েলের একটি আদালত। এ হামলার দৃশ্য সড়কের নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল এবং তা ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। হামলার ঘটনায় আদালতের রায় জেরুজালেম ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জানিয়েছে, ৩৬ বছর বয়সী ইয়োনা শ্রাইবার গত এপ্রিল মাসে পূর্ব জেরুজালেমের পুরোনো শহরে ওই সন্ন্যাসিনীকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং পরে লাথি মারেন। আদালতের মতে, হামলার সময় শ্রাইবার মানসিক বিকারের একটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। ফলে নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে অপরাধগতভাবে দায়ী করা যায় না। আদালত তাকে খালাস দেওয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ ছয় বছরের জন্য একটি মানসিক - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা, ব্যবহৃত হলো স্পেসএক্সের কার্সর](https://sarakhon.com/news/187269/): রুশভাষী একদল সাইবার অপরাধী বাণিজ্যিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ বছরের এপ্রিল ও মে মাসে অন্তত সাতটি প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে। এসব হামলায় স্পেসএক্সের অধিগ্রহণ করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোডিং সহায়ক কার্সর ব্যবহার করা হয়েছিল বলে একটি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তে দেখা গেছে, নতুন একটি মুক্তিপণ আদায়কারী হ্যাকার গোষ্ঠী নিজেদের কর্মকাণ্ডকে বৈধ নিরাপত্তা পরীক্ষা হিসেবে উপস্থাপন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা বিধিনিষেধ পাশ কাটাতে সক্ষম হয়েছিল। এর মাধ্যমে তারা শত শত ক্ষতিকর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সহায়তা পায়। ফাঁস হওয়া সার্ভারেই মিলল হামলার প্রমাণ সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গ্যামবিট সিকিউরিটি ইন্টারনেটে ভুলবশত উন্মুক্ত হয়ে থাকা একটি সার্ভার খুঁজে পাওয়ার - [দূরবর্তী এলাকায় সেনাদের সরবরাহে চালিত গ্লাইডার ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/187258/): দুর্গম ও শত্রুঘেরা এলাকায় অবস্থানরত ছোট ছোট সেনাদলকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে চালিত গ্লাইডার ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর বিশেষ অভিযান বাহিনী। চিকিৎসা সরঞ্জামসহ বিভিন্ন জরুরি সামগ্রী বহন করে এসব গ্লাইডার আকাশপথে সেনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আইসল্যান্ডে হবে পরীক্ষামূলক মহড়া আইসল্যান্ডে চলমান একটি আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে বিমানবাহিনীর বিশেষ অভিযান বাহিনীর সদস্যরা মাটিতে থাকা সহকর্মীদের কাছে সরবরাহভর্তি একটি চালিত গ্লাইডার আকাশ থেকে ফেলার পরিকল্পনা করেছেন। এই মহড়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ যুদ্ধে প্রচলিত সরবরাহব্যবস্থা যখন অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ বা অকার্যকর হয়ে পড়বে, তখন কীভাবে দূরবর্তী সেনাদের টিকিয়ে রাখা যায়, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আর্কটিক অঞ্চল কিংবা অন্যান্য - [মহান হতে হলে কি নির্মম হতে হবে? ওডিসিউস থেকে উদারনীতির নতুন শিক্ষা](https://sarakhon.com/news/187263/): ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ সিনেমাটি নিয়ে বিতর্কের বড় অংশ জুড়ে আছে এর অভিনয়শিল্পী নির্বাচন কিংবা প্রাচীন কাহিনির ঐতিহাসিক যথার্থতা। কিন্তু এসব বিতর্কের চেয়ে আমার কাছে সিনেমাটি যে বড় প্রশ্নটি সামনে আনে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো—মানবিকতা, সমতা ও সহমর্মিতার মূল্যবোধকে ধারণ করতে গিয়ে আধুনিক উদারনৈতিক সমাজ কি তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সাহস এবং বড় কিছু অর্জনের আকাঙ্ক্ষা হারিয়ে ফেলছে? এই প্রশ্নটি নতুন নয়। বরং আজকের রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আলোচনায় এটি নতুন ভাষায় ফিরে এসেছে। হোমারের ওডিসিউস এমন এক পৃথিবীর বীর, যেখানে বিজয়ই ছিল সাফল্যের প্রধান মাপকাঠি। বুদ্ধি, কৌশল, সাহস এবং প্রয়োজনে প্রতারণা—সবকিছুই একজন নায়কের গৌরবের অংশ হতে পারত। ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ট্রোজান ঘোড়ার - [এডিএইচডিতে কাজের গতি ও মনোযোগ বাড়াতে ‘বডি ডাবলিং’ কতটা কার্যকর](https://sarakhon.com/news/187238/): অনেকের কাছেই কোনো কাজ শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে মনোযোগ ধরে রাখা, সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা কিংবা একঘেয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে মন যেন বারবার অন্যদিকে চলে যায়। এডিএইচডি থাকা ব্যক্তিদের জন্য এমন সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে। তবে অন্য একজন মানুষের উপস্থিতিই কখনও কখনও কাজ শুরু ও শেষ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘বডি ডাবলিং’। অন্যের উপস্থিতিই যখন অনুপ্রেরণা এডিএইচডি প্রশিক্ষক রবিন নর্ডমেয়ার সপ্তাহে একদিন অন্য কয়েকজন প্রশিক্ষকের সঙ্গে অনলাইনে যুক্ত হয়ে নিজের কাজ করেন। তাঁরা একই কাজ করেন না, এমনকি পরস্পরের সঙ্গে কথাও বলতে হয় না। শুধু অন্যরা কাজ - [জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে পাশে থাকতে পারেননি, জামিন আবেদন প্রত্যাহার চান দীপু মনি](https://sarakhon.com/news/187254/): জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির হয়ে নিজের জামিনের আবেদন প্রত্যাহারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জামিন শুনানির আগে ট্রাইব্যুনালের কাছে তিনি বলেন, দুই বছর ধরে কারাগারে থাকার পর এখন আর জামিন নিয়ে বাসায় ফেরার প্রয়োজন অনুভব করছেন না। দীপু মনি বলেন, গত এপ্রিল মাসে তার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। তবে এখন তিনি আর জামিন চান না, বরং সেই আবেদন প্রত্যাহার করতে চান। এ সময় তিনি তার স্বামী তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে জানান, ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে তার পাশে থাকতে পারেননি। স্বামীর - [পাকিস্তানের মোটরওয়ে ব্যবস্থায় দক্ষিণাঞ্চল কেন এত পিছিয়ে](https://sarakhon.com/news/187251/): পাকিস্তানের সড়ক অবকাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে সিন্ধু প্রদেশের আপত্তির পর। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার পাঞ্জাবে লাহোর–সাহিওয়াল–বাহাওয়ালনগর মোটরওয়ে নির্মাণে ৪৩০ বিলিয়ন রুপির বেশি ব্যয়ের অনুমোদন দিতে এগোলেও বছরের পর বছর ধরে আটকে আছে হায়দরাবাদ–সুক্কুর মোটরওয়ে। সিন্ধু সরকারের প্রশ্ন, দেশের উত্তর–দক্ষিণ বাণিজ্যিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক যেখানে এখনো অসম্পূর্ণ, সেখানে ইতোমধ্যে তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে সংযুক্ত অঞ্চলে নতুন মোটরওয়ে নির্মাণে এত বড় অর্থ বরাদ্দ কেন? এই প্রশ্ন কেবল একটি প্রদেশের সড়ক নির্মাণের দাবি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পাকিস্তানের সামগ্রিক অর্থনীতি, বন্দরভিত্তিক বাণিজ্য, কৃষি উৎপাদন, পণ্য পরিবহন এবং আঞ্চলিক ভারসাম্যের বিষয়। মানচিত্রেই স্পষ্ট বৈষম্য পাকিস্তানের মোটরওয়ে নেটওয়ার্কের দিকে তাকালে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের - [যুক্তরাষ্ট্রে বয়স্কদের মধ্যে আরএসভি সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তির হার স্বাভাবিকের তুলনায় ১০ গুণ বেশি](https://sarakhon.com/news/187244/): শিশুদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার পাশাপাশি বয়স্কদের মধ্যেও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণজনিত ভাইরাস আরএসভি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস গুরুতর অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। মৌসুমের শুরুতেই অস্বাভাবিক হারে হাসপাতালে ভর্তি যুক্তরাষ্ট্রে চলতি মৌসুমে প্রতি এক লাখ বয়স্ক মানুষের মধ্যে প্রায় ছয়জন আরএসভি আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শিশুদের তুলনায় এই হার কম হলেও বছরের এই সময়ে এটি অস্বাভাবিকভাবে বেশি। করোনা মহামারির আগের বছরগুলোতে একই সময়ে বয়স্কদের হাসপাতালে ভর্তির হার ছিল প্রায় ১০ গুণ কম। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছর শিশুদের মধ্যে আরএসভি বাড়লেও বয়স্কদের হাসপাতালে ভর্তির হার ততটা বাড়েনি। এর - [৬৪ জেলায় ৬৪ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না: রুমিন ফারহানা](https://sarakhon.com/news/187241/): চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট, কর্মসংস্থান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকারের সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গেলেই সমস্যায় পড়তে হয়। তার দাবি, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য দেন অথবা কথার কৌশলে পুরো বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী রয়েছেন, তেমনি ৬৪ জেলায় ৬৪ জন আইন-শৃঙ্খলা - [ভোটেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় ২৫৮ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৯১০](https://sarakhon.com/news/187220/): নেপালে বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ভোটেকোশি নদী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ২৫৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্যোগের পর কয়েকটি জেলায় একযোগে চলছে উদ্ধার, তল্লাশি ও ত্রাণ কার্যক্রম। এখনও ৯১০ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিআরআরএমএ)-এর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে রাসুয়া থেকে দুটি, নুয়াকোট থেকে ১২টি, ধাদিং থেকে ২৭টি, গোরখা থেকে ২০টি, চিতওয়ান থেকে ১০৮টি, তানাহুন থেকে ১২টি, নাওয়ালপরাসি ইস্ট থেকে ৬৩টি এবং নাওয়ালপরাসি ওয়েস্ট থেকে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার, অনুসন্ধান ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় মোট ১৩ হাজার - [কেন জেডি ভ্যান্সের কথা শুনলে বামপন্থী নেতার কথা মনে হয়](https://sarakhon.com/news/187158/): যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এখন এমন এক পরিবর্তন দৃশ্যমান, যা কয়েক বছর আগেও সহজে কল্পনা করা যেত না। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—দুই দলই ভিন্ন রাজনৈতিক ঐতিহ্য থেকে এলেও অর্থনৈতিক বৈষম্য, শ্রমজীবী মানুষের অনিশ্চয়তা এবং অভিজাত শ্রেণির বাড়তে থাকা ক্ষমতা নিয়ে তাদের বক্তব্য ক্রমশ কাছাকাছি আসছে। এই পরিবর্তন সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে জেডি ভ্যান্সের রাজনৈতিক ভাষায়। সম্প্রতি নির্মাণশ্রমিকদের সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভ্যান্স লুইজিয়ানার সাবেক গভর্নর ও সিনেটর হিউই লংকে স্মরণ করেছেন। লং ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এক ব্যতিক্রমী পপুলিস্ট নেতা। তিনি বড় করপোরেশন ও অতিধনী শ্রেণির ক্ষমতা সীমিত করার কথা বলেছিলেন এবং সম্পদের বৃহত্তর বণ্টনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। প্রায় এক শতাব্দী পর একজন সম্ভাব্য রিপাবলিকান - [ন্যাটোর মাটিতে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র, বাস্তব যুদ্ধের মতোই প্রশিক্ষণ](https://sarakhon.com/news/187234/): ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ন্যাটোভুক্ত দেশের মাটিতে সেনাদের জন্য যুদ্ধের পরিবেশ পুনর্নির্মাণ করছে পশ্চিমা সামরিক বাহিনী। পোল্যান্ডে নরওয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন লেজিও’-তে ইউক্রেনীয় সেনাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে প্রশিক্ষণের অন্যতম ভিত্তি করা হয়েছে। ইউক্রেনের যুদ্ধের আদলে প্রশিক্ষণ পোল্যান্ডের একটি বিশেষভাবে তৈরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গড়ে তোলা হয়েছে গভীর পরিখা, ট্যাংক চলাচলের এলাকা, গ্রাম ও শহরভিত্তিক যুদ্ধের অবস্থান এবং বিভিন্ন ধরনের গোলাগুলির অনুশীলন ক্ষেত্র। লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের সেনারা যেসব পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে, যতটা সম্ভব তার কাছাকাছি পরিবেশ তৈরি করা। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা এক সামরিক কর্মকর্তা জানান, শুরুতে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতামত নিয়ে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা করা হলেও তারা সেটিকে যথেষ্ট বাস্তবসম্মত মনে করেননি। - [জার্মানির নির্বাচনে নাৎসি অতীত নিয়ে নতুন বিতর্ক, স্যাক্সনি-আনহাল্টে ক্ষমতার দৌড়ে এএফডি](https://sarakhon.com/news/187230/): জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশটির নাৎসি অতীত কীভাবে পড়ানো ও স্মরণ করা হবে, তা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উগ্র ডানপন্থী দল এএফডি ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসায় বিষয়টি নতুন করে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। দলটির একটি প্রস্তাবিত কর্মসূচির অন্যতম পরিকল্পনাকারী হান্স-থমাস টিলশ্নাইডার বলেছেন, জাতীয় সমাজতন্ত্র বা নাৎসি আমল নিয়ে স্কুলে পড়াশোনা অবশ্যই থাকবে, তবে আগের তুলনায় কিছুটা কম গুরুত্ব দেওয়া হবে। গত বছর একটি জার্মান টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন, ইতিহাস শিক্ষায় লক্ষ্য হওয়া উচিত—“বিসমার্ক বেশি, হিটলার কম।” ক্ষমতার দৌড়ে এএফডি স্যাক্সনি-আনহাল্টে এএফডি পর্যাপ্ত ভোট পেলে উলরিশ জিগমুন্ড রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। জনমত জরিপে তিনি - [সীমান্ত পেরিয়ে আসা বন্যা: তিব্বতের ঝুঁকিতে নেপালের অপ্রস্তুত ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/187226/): নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে—দেশটি যে নদীগুলোর ওপর নির্ভর করে, সেগুলোর অনেক বড় ঝুঁকি তৈরি হয় দেশের সীমানার বাইরে। বিশেষ করে তিব্বত মালভূমি থেকে নেমে আসা নদীগুলোর ক্ষেত্রে এই বাস্তবতা এখন আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। পাহাড়ের ওপারে কোনো হিমবাহ হ্রদ ভেঙে যেতে পারে, ভূমিধস নদীর গতিপথ আটকে দিতে পারে কিংবা বরফধস হঠাৎ নদীর প্রবাহে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে। কয়েক ঘণ্টা পর সেই পরিবর্তন নেপালের জনপদে ভয়াবহ বন্যা হয়ে আঘাত করতে পারে। সমস্যা হলো, নেপালের বন্যা প্রস্তুতির বড় অংশ এখনো দেশের ভেতরের নদী পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে। কিন্তু ভোতে কোসি, কর্ণালি কিংবা অরুণের মতো নদী নেপালে ঢোকার আগেই যদি বিপদের - [মধ্য নেপালে ভয়াবহ বন্যা, মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল; নিখোঁজ ৬৪৪ পর্যটক](https://sarakhon.com/news/187223/): মধ্য নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ধসের পর মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। শত শত মানুষ এখনো নিখোঁজ এবং কয়েকটি নদীতীরবর্তী জনপদের বড় অংশ কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। অবকাঠামো ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে চীন সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। একই সময়ে ৭ হাজার ২৪৫ মিটার উঁচু লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢালে বিশাল তুষারধসের ঘটনা ঘটে। ওই ধসের ধ্বংসাবশেষ নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী লহেন্দে খোলা নদীর প্রবাহ আটকে দেয়। পরে সেখানে তৈরি হওয়া জলাধার ভেঙে গেলে কাদা, পাথর ও পানির প্রবল স্রোত ত্রিশূলী নদী - [মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার আশায় টানা চতুর্থ দিন কমল তেলের দাম](https://sarakhon.com/news/187216/): মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমিত হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে যেতে পারে—এমন প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা কয়েক দিন ধরে কমছে। বৃহস্পতিবারও এই দরপতন অব্যাহত থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ ডলার ২৪ সেন্টে নেমে আসে। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দিন ব্রেন্টের দাম কমল। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পশ্চিম টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ৫৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ ডলার ৬৭ সেন্ট হয়েছে। এই তেলের দাম টানা পঞ্চম দিন কমেছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনায় আশার সঞ্চার ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও - [ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহামের সামনে এবার কঠিন অর্থের হিসাব](https://sarakhon.com/news/187208/): ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের জন্য গ্রীষ্মকালটা বেশ স্বস্তির মধ্য দিয়েই কেটেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি জনবান্ধব পদক্ষেপে তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভালো গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। কিন্তু আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হলে সেই স্বস্তির সময় শেষ হয়ে সামনে আসতে পারে কঠিন বাস্তবতা—প্রতিশ্রুত বড় বড় নীতি বাস্তবায়নের অর্থ কোথা থেকে আসবে। ৫৬ বছর বয়সী বার্নহাম জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়েই মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি এমন একটি পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা ব্রিটেনের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলোতে বড় ধরনের মোড় আনবে। জনপ্রিয়তা আছে, কিন্তু সময়ও কম বর্তমানে জনসমর্থনের দিক থেকে বার্নহাম তাঁর দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এগিয়ে আছেন। জনতুষ্টিবাদী রিফর্ম - [ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুতিদের চার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা](https://sarakhon.com/news/187207/): ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। বুধবার সন্ধ্যায় চালানো এই হামলার মধ্য দিয়ে দেশটির সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেন সরকার। হামলার স্থান ও ক্ষয়ক্ষতি ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর মিডিয়া সেন্টার জানিয়েছে, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশের লোহিত সাগর উপকূলের কৌশলগত বন্দর শহর মোখাকে লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়। অপর ক্ষেপণাস্ত্রটি পাশের হোদেইদাহ প্রদেশের উপকূলীয় শহর আল-খাওখাহ এলাকায় আঘাত হানে। সামরিক সূত্রের বরাতে সরকারি বাহিনী জানায়, তাইজ শহরের পূর্বদিকে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন পার্বত্য এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াকে জানিয়েছেন, মোখা এলাকায় তারা তিনটি - [সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে বসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন](https://sarakhon.com/news/187199/): জাতীয় সংসদের বর্তমান অধিবেশনে নতুন আসনবিন্যাস অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের পাশের আসনে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এর আগে ওই আসনে বসতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর সংসদে আসনবিন্যাসে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বর্তমান সংসদের অধিবেশনের প্রথম বৈঠক শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতেই নতুন আসনবিন্যাস অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত আসনে বসতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে সালাহউদ্দিন নতুন বিন্যাসে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনটি পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তার আগের আসনটি এখন সালাহউদ্দিনের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। সামনের সারিতে - [ছয় মাসের ইরান যুদ্ধে শেষপর্ব, সামনে ব্যয়বহুল অচলাবস্থা](https://sarakhon.com/news/187198/): ছয় মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামরিক জয়ের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থাই বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার পরও ইরানের সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে। অন্যদিকে দেশটির অর্থনীতি চরম চাপে পড়লেও তেহরান মনে করছে, সময় শেষ পর্যন্ত তাদের পক্ষেই কাজ করবে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন এবং তাঁর ছেলে ও উত্তরসূরি গুরুতর আহত হন। এরপরও ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভেঙে পড়েনি। বরং যুদ্ধের নতুন পর্যায়ে সামরিক হামলার পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ ও অবরোধই এখন প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে। সামরিক হামলা - [ফটিকছড়িতে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187174/): চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পুকুরে ডুবে জাহিদ ও তাসিন নামে আট বছর বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার এখুলিয়া শিকদার বাড়ি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু জাহিদ ও তাসিন স্থানীয় এখুলিয়া দারুস সুন্নাহ নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যু স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পর চার শিশু কাছের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে জাহিদ ও তাসিন পানিতে ডুবে যায়। পুকুরে দুই শিশুকে পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। ইয়াকুব নামে ওই ব্যক্তি পানিতে ঝাঁপ দিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই - [ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের ধাক্কায় দুই কিশোর নিহত](https://sarakhon.com/news/187188/): ফরিদপুরের ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের একটি আন্ডারপাসের কাছে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কিশোর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ভাঙ্গা উপজেলার জান্দি গ্রামের শাহাদাত সরদারের ছেলে কাওসার আহমেদ রাতুল (১৭) এবং ফুকুরহাটি গ্রামের কাওসার মাতুব্বরের ছেলে রাজু মাতুব্বর (১৮)। দুর্ঘটনার বিস্তারিত ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল জানান, ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জ এলাকার একটি আন্ডারপাস দিয়ে মোটরসাইকেলটি পার হওয়ার সময় ঢাকাগামী থেকে ফরিদপুরগামী ‘গোল্ডেন লাইন’ পরিবহনের একটি বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই কিশোর গুরুতর আহত হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো - [হামজ্বরে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫৫](https://sarakhon.com/news/187185/): দেশে হামসদৃশ উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫৫ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ পাঁচটি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৫৬। অন্যদিকে, নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতোই ৯৯ জন রয়েছে। নতুন সন্দেহভাজন রোগী প্রায় ১ হাজার গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৯৫৬টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে সারাদেশে সন্দেহভাজন হাম রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ - [বন্ধ জালিল টেক্সটাইল মিলসে আধুনিক অস্ত্র কারখানা, রপ্তানির লক্ষ্য](https://sarakhon.com/news/187182/): চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জালিল টেক্সটাইল মিলের ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমিতে আধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার এ প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের অধীন জমি প্রতীকী মূল্যে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে সরকার। এ উপলক্ষে মিল প্রাঙ্গণেই সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিজের (বিওএফ) মধ্যে চুক্তি সই হয়। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, নতুন কারখানাটি দেশের অস্ত্রের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। দেশীয় চাহিদা পূরণে নতুন উদ্যোগ সেনাপ্রধান বলেন, বাংলাদেশে তৈরি অস্ত্রের প্রতি বিভিন্ন দেশের আগ্রহ রয়েছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা সম্ভব হলে এই - [“মিসাইল ফুরোচ্ছে, আমেরিকার সক্ষমতা নিয়ে চীনের নতুন হিসাব”](https://sarakhon.com/news/187173/): মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এখন শুধু ইসরায়েল, ইরান কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার পরীক্ষা নয়। এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শক আছে—চীন। বিশেষ করে এশিয়ায় সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কত দ্রুত এবং কতটা শক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবে, সাম্প্রতিক কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ বেইজিংকে সেই প্রশ্নটি নতুন করে ভাবার সুযোগ দিয়েছে। ১ আগস্ট দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউএস ইউরোপিয়ান কমান্ডের কমান্ডার এবং ন্যাটোর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকিউইচ পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন, আরও একটি নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার না পেলে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজ ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষার মধ্যে অগ্রাধিকার বেছে নিতে হতে পারে। একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বিষয়টিকে সীমিত সামরিক সম্পদের স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা হিসেবে - [নেপালে নতুন হ্রদ, আবারও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/187177/): নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর এবার নতুন করে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশটির একটি নদীর মিলনস্থলের কাছে বড় একটি প্রাকৃতিক বাঁধে আটকে তৈরি হয়েছে হ্রদ। চীনা কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, হ্রদটি ইতিমধ্যে উপচে পড়ছে এবং আগামী কয়েক দিনে আরও পানি জমলে বাঁধ ভেঙে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। হ্রদে জমেছে ২০ লাখ ঘনমিটার পানি চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত নতুন তৈরি হওয়া হ্রদটিতে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি সেখানে প্রবেশ করতে পারে। এতে হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হ্রদটি নেপালের ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর মিলনস্থলের - [হিমবাহ ধসে নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, বাড়ছে প্রাণহানির আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/187167/): নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহের একটি বড় অংশ ধসে পড়ার ঘটনা থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে তাদের ধারণা, প্রায় পাঁচ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতা থেকে হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে প্রায় এক হাজার ২০০ মিটার নিচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে। এর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও পলি নেমে এসে ভয়াবহ পানির স্রোত তৈরি করে। ইতোমধ্যে এই দুর্যোগে প্রায় ১৭০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ৫০০। নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপগ্রহচিত্রে ধ্বংসের ভয়াবহ চিত্র - [যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের পর্যটন-ব্যবসায়িক ভিসা বাতিল করবে ট্রাম্প প্রশাসন](https://sarakhon.com/news/187168/): যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করা বিদেশিদের পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদারের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে মঙ্গলবার এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যু করা বি-১ ও বি-২ ভিসাধারীদের মধ্যে যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয় চাইছেন, তাদের ভিসা বাতিলের আওতায় আনা হতে পারে। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, এ বিষয়ে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে পররাষ্ট্র দপ্তর। যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রবেশের পর স্থায়ীভাবে থাকার জন্য আশ্রয় আবেদন করেছেন—এমন বিদেশিদের অ-অভিবাসী ভিসা শনাক্ত করে বাতিল - [নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার কারণ কি হিমবাহ ধস? নতুন তথ্য যা বলছে](https://sarakhon.com/news/187156/): নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে ভূমিকম্প নয়, বরং একটি হিমবাহ ধসের ঘটনা কাজ করে থাকতে পারে বলে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে প্রমাণ। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ধারণা করেছিল, ভূমিকম্পের কারণে পাহাড়ের ঢাল ধসে গিয়ে এই বিপর্যয় ঘটেছে। তবে স্যাটেলাইট ছবি ও ভূকম্পনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর বিজ্ঞানীদের ধারণা বদলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে রেকর্ড হওয়া ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূকম্পন আসলে ভূমিকম্প ছিল না। বরং উঁচু পাহাড়ে হিমবাহ থেকে বরফ ও ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ে যাওয়ার আঘাতেই ওই কম্পন সৃষ্টি হয়। ইউএসজিএসের ব্যাখ্যায়, হিমবাহ ধস ও এর সঙ্গে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের প্রবাহ পরবর্তী সময়ে নদীর ওপর ভয়াবহ প্রভাব - [যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে পারমাণবিক ক্ষুদ্র চুল্লি, ব্যয় হবে ২২০ কোটি ডলার](https://sarakhon.com/news/187153/): যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সামরিক ঘাঁটিতে ছোট আকারের পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন ও পরিচালনার জন্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোট ২২০ কোটি ডলারের চুক্তি করতে যাচ্ছে। প্রথম চুল্লিটি ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহে নতুন উদ্যোগ ‘ক্ষুদ্র পারমাণবিক চুল্লি’ নামে পরিচিত এসব স্থাপনা তুলনামূলকভাবে সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়া যাবে। প্রতিটি চুল্লি সর্বোচ্চ ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বাণিজ্যিক পারমাণবিক চুল্লির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিধি এসব চুল্লির ক্ষেত্রেও মানা হবে। তবে বাণিজ্যিক পারমাণবিক স্থাপনার মতো জাতীয় পারমাণবিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিবর্তে এসব সামরিক স্থাপনা সেনাবাহিনীর নিজস্ব তদারকিতে পরিচালিত হবে। সেনাবাহিনীর স্থাপনা, জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক - [ইরানে ডলারের দাম ছাড়াল ২০ লাখ রিয়াল, চরম সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন](https://sarakhon.com/news/187150/): ইরানে মুদ্রার ভয়াবহ পতন অব্যাহত রয়েছে। দেশটির মুক্তবাজারে এক মার্কিন ডলারের দাম ২০ লাখ রিয়াল ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল পর্যায়ে পৌঁছেছে ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়াল। দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং দ্রুত বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি একসঙ্গে দেশটির অর্থনীতিকে গভীর সংকটে ঠেলে দিয়েছে। রিয়ালের মূল্য কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর। খাদ্য, ওষুধ, শিশুখাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্রুত বাড়ছে। ফলে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে আগের তুলনায় অনেক কম পণ্য কিনতে পারছেন ইরানিরা। ২০ লাখ রিয়ালে কমে গেছে বাজারের পরিমাণ যুদ্ধ শুরুর আগে ২০ লাখ রিয়ালে প্রায় চার কেজি টমেটো, আধা কেজি মুরগির মাংস এবং - [ডলারের স্থিতিশীলতা, জাপানি ইয়েনে বড় পরিবর্তন নেই—জ্যাকসন হোলের দিকে নজর বাজারের](https://sarakhon.com/news/187146/): বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাকসন হোলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের বৈঠক সামনে রেখে বিনিয়োগকারীরা বিশেষ করে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশের বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সময়ে, জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তার মন্তব্যের পরও ইয়েনের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। জাপানি ইয়েনে চাপ কমলেও সুদ বাড়ানোর সম্ভাবনা বৃহস্পতিবার প্রতি ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দর ছিল প্রায় ১৫৯ দশমিক ৩০। জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপ-গভর্নর রিওজো হিমিনো বলেছেন, সময়মতো সুদের হার বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে। তবে তিনি আগামী মাসের বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে সরাসরি কোনো ইঙ্গিত দেননি। ফলে বাজারে ইয়েনের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব - [কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, শোনা গেল একের পর এক বিস্ফোরণ](https://sarakhon.com/news/187144/): ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বৃহস্পতিবার ভোরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার সময় শহরে আকাশপথে হামলার সতর্কতা জারি ছিল। আবাসিক ভবনের প্রাঙ্গণে ধ্বংসাবশেষ কিয়েভের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার পর একটি আবাসিক ভবনের প্রাঙ্গণে ধ্বংসাবশেষ পড়ে। এতে ভবন বা আশপাশের স্থাপনায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাই করা হচ্ছিল। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী কিয়েভের জন্য পৃথকভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতাও জারি করে। হামলার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। ক্রিভি রিহ ও জাপোরিঝঝিয়ায় হতাহত কেন্দ্রীয় ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও খনি অঞ্চল এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নিজ শহর ক্রিভি রিহেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে একটি - [রাশিয়ার ওপর ‘স্লেজহ্যামার’ নিষেধাজ্ঞা, আগামী মাসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাসের আশা](https://sarakhon.com/news/187141/): রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে আনা একটি বিল আগামী মাসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাস হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এর অন্যতম উদ্যোক্তা সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল। তিনি বলেছেন, বিলটি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নের ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। কিয়েভে সংবাদ সম্মেলনে ব্লুমেনথাল বলেন, পুতিন শক্তির ভাষাই বোঝেন। তাই রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা এমন শক্তিশালী ব্যবস্থা হতে পারে, যা মস্কোর ওপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করবে। প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকান সমর্থনের আশা কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ব্লুমেনথাল ইউক্রেন সফরের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি জানান, প্রতিনিধি পরিষদে বিলটির প্রতি রিপাবলিকানদেরও শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। - [কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আশায় ছিল গাড়ি নির্মাতারা, হঠাৎ দ্বিগুণ শুল্কের ধাক্কা](https://sarakhon.com/news/187137/): যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা থেকে গাড়ি নির্মাতারা শুল্ক কমানোর আশায় ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশার বিপরীতে কানাডা থেকে আমদানি করা গাড়ি, ট্রাক ও যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন এই শুল্ক আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। সমঝোতার বদলে দ্বিগুণ হলো শুল্ক গত সপ্তাহেও গাড়ি শিল্পের কর্মকর্তারা আশা করছিলেন, গ্রীষ্মকালীন যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য আলোচনায় একটি সমঝোতা হবে। এর মাধ্যমে কানাডা থেকে আমদানি করা গাড়ি ও হালকা ট্রাকের ওপর বিদ্যমান ২৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু সোমবার পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যায়। ট্রাম্প ঘোষণা দেন, - [এনভিডিয়ার আয় ৭০ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের জোয়ার আরও কয়েক বছর](https://sarakhon.com/news/187135/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিপুল বিনিয়োগের ধারা এখনই থামছে না—বরং আগামী কয়েক বছরেও তা আরও শক্তিশালী হতে পারে। এআই চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া আগামী অর্থবছরে তাদের আয় প্রায় ৭০ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়ার পর প্রযুক্তি খাতে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এনভিডিয়ার এই পূর্বাভাস ওয়াল স্ট্রিটের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি। বিশ্লেষকেরা আগে একই সময়ে কোম্পানিটির আয় বৃদ্ধির হার প্রায় ৪৪ শতাংশ হবে বলে ধারণা করেছিলেন। ফলে নতুন পূর্বাভাস থেকে বোঝা যাচ্ছে, এআই অবকাঠামো তৈরিতে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও এআই গবেষণাগারগুলোর ব্যয় এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তৃতীয় প্রান্তিকে আয় ১০৮ বিলিয়ন ডলার হতে পারে এনভিডিয়া জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের জাকারবার্গের বড় পরিকল্পনা যেভাবে ভেস্তে গেল](https://sarakhon.com/news/187132/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর নির্ভর করে কর্মীদের বড় একটি অংশের কাজ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের নেতৃত্বে নেওয়া এই পরিকল্পনায় কোনো কোনো দলের কর্মীসংখ্যা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ, প্রযুক্তিটির প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের চাপের মুখে পরিকল্পনার বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়। কর্মী কমানোর পরিকল্পনা চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়াইয়ে জাকারবার্গ ও মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের কর্মপদ্ধতিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর করার একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা তৈরি হয়। পরিকল্পনাটির নাম দেওয়া হয় ‘প্রকল্প ওটি’, যার লক্ষ্য ছিল এমন একটি কর্মপরিবেশ তৈরি করা, যেখানে মানুষের - [ইরানের মুদ্রার ঐতিহাসিক পতন, এক ডলারে ২০ লাখ রিয়াল ছাড়াল](https://sarakhon.com/news/187129/): ইরানের মুদ্রা রিয়ালের দর ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। দেশটির খোলা বাজারে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য ২০ লাখ রিয়াল ছাড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং দ্রুত বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতির সম্মিলিত চাপে দেশটির অর্থনীতি এখন গভীর সংকটে। রিয়ালের এই পতনে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। খাদ্য, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দ্রুত বেড়েছে। প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ মানুষের দেশ ইরানে বহু বছর ধরেই নিষেধাজ্ঞা ও মূল্যস্ফীতির চাপ ছিল। সাম্প্রতিক যুদ্ধ সেই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। ২০ লাখ রিয়ালে এখন কতটুকু বাজার যুদ্ধের আগে ২০ লাখ রিয়ালে প্রায় চার কেজি টমেটো, আধা কেজি মুরগির - [চীনের মানবসদৃশ রোবট এখনো মানুষের চাকরি নেওয়ার মতো বুদ্ধিমান হয়নি](https://sarakhon.com/news/187124/): চীনে মানবসদৃশ রোবট তৈরির প্রতিযোগিতা দ্রুত বাড়ছে। কারখানা, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও প্রদর্শনীতে এসব রোবটকে নাচ, কুংফু, বক্সিংসহ নানা চমকপ্রদ কাজ করতে দেখা গেলেও বাস্তব শিল্পকারখানার জটিল কাজে এখনো তারা মানুষের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি। ধীর গতি, ঘন ঘন ভুল এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সীমিত সক্ষমতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি অর্থে দ্রুত বাড়ছে রোবটের বাজার চীনের দক্ষিণাঞ্চলের লিউঝৌ শহরের একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে সারি সারি করে রাখা হয়েছে শতাধিক মানবসদৃশ রোবট। সেখানে মানব প্রশিক্ষকেরা রোবটগুলোকে বাক্স বাছাই, খাবার প্যাকেট করা ও কফি তৈরির মতো সহজ কাজ শেখাচ্ছেন। তবে প্রশিক্ষণের সময় রোবটগুলোর অদক্ষতা স্পষ্ট। নতুন প্রশিক্ষকের ক্ষেত্রে ৩০০ বার চেষ্টা করে মাত্র একটি কার্যকর - [খণ্ডিত ডিজিটাল দুনিয়ায় স্মার্ট বিপণনের চাবিকাঠি হয়ে উঠছে সংযুক্তি](https://sarakhon.com/news/187121/): ডিজিটাল দুনিয়া যত বিস্তৃত হচ্ছে, ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর পথও তত বেশি খণ্ডিত হয়ে পড়ছে। নানা মাধ্যম, যন্ত্র ও তথ্যভান্ডারে ছড়িয়ে থাকা ভোক্তার তথ্যকে একসঙ্গে যুক্ত করে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো এখন বিপণনকারীদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই সমস্যার সমাধানে পরিচয় শনাক্তকরণ, তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ সালে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ব্যয় প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ফলে বিজ্ঞাপনে বিনিয়োগ করা অর্থ কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগছে, তা নিশ্চিত করা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিচ্ছিন্ন তথ্যকে শক্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা অনেক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা তথ্যের ঘাটতি নয়; বরং বিভিন্ন ব্যবস্থা, মাধ্যম ও সংকেতের মধ্যে সংযোগের অভাব। তথ্য বিচ্ছিন্ন - [বিশ্ববাজারে ফের বাড়ছে সোনার দাম, নজর ফেডপ্রধানের বক্তব্যে](https://sarakhon.com/news/187116/): বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃহস্পতিবার কিছুটা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার অবমূল্যায়নের আশঙ্কা এবং দেশটির বড় বাজেট ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে মূল্যবান ধাতুটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বজায় রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কেভিন ওয়ার্শের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে আছে বাজার। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬১৮ দশমিক ৯৩ ডলারে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সোনার চুক্তির দামও শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৭৩ দশমিক ৬০ ডলারে। ডলারের অবমূল্যায়নের আশঙ্কা বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল বাজেট ঘাটতি এবং ডলারের মূল্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা মধ্যমেয়াদে সোনার দামকে সমর্থন করছে। গত সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের - [ছুটির পর স্থির থাকতে পারে ভারতীয় রুপি, তেলের দাম ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে স্বস্তি](https://sarakhon.com/news/187113/): ছুটির পর বৃহস্পতিবার ভারতীয় রুপির দর বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই লেনদেন শুরুর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে যাওয়া এবং রুপির দর ধরে রাখতে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারাবাহিক হস্তক্ষেপ একদিকে যেমন মুদ্রাটিকে সমর্থন দিচ্ছে, অন্যদিকে আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদ বাড়ানোর সম্ভাবনা ও ডলারের চাহিদা রুপির ওপর চাপ তৈরি করছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের ধারণা, বৃহস্পতিবার প্রতি ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির দর ৯৫ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৯৫ টাকা ৪৪ পয়সার মধ্যে থাকতে পারে। মঙ্গলবার লেনদেন শেষে রুপির দর ছিল প্রতি ডলারে ৯৫ টাকা ৪১ পয়সা। বুধবার ভারতীয় বৈদেশিক মুদ্রা ও অর্থবাজার বন্ধ ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে রুপির ওপর চাপ - [বয়স বাড়লেও শক্তি ধরে রাখার সহজ উপায়, নিয়মিত শক্তিবর্ধক ব্যায়াম](https://sarakhon.com/news/187109/): বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের পেশি দুর্বল হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু নিয়মিত শক্তিবর্ধক ব্যায়াম এই স্বাভাবিক ক্ষয়ের গতি কমিয়ে শরীরকে আরও শক্তিশালী, ভারসাম্যপূর্ণ ও কর্মক্ষম রাখতে পারে। বিশেষ করে ৬০ বছরের পর নিয়মিত শক্তিবর্ধক ব্যায়াম দৈনন্দিন জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করার পাশাপাশি পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিও কমাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থভাবে বার্ধক্যে পৌঁছাতে শুধু হাঁটা বা হালকা শরীরচর্চা যথেষ্ট নয়। পেশির শক্তি ধরে রাখার জন্য সপ্তাহে অন্তত দুই দিন শক্তিবর্ধক ব্যায়াম করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে বয়স, শারীরিক সক্ষমতা ও আগে থেকে থাকা শারীরিক সমস্যার ওপর ভিত্তি করে ব্যায়ামের ধরন ও মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। বয়স বাড়লে কেন পেশির শক্তি কমে গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩০ - [ওজন কমাতে জিএলপি-১ ওষুধ? পেশি ধরে রাখতে শক্তিবর্ধক ব্যায়াম জরুরি](https://sarakhon.com/news/187107/): ওজন কমানোর জন্য জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ ব্যবহার করছেন অনেক মানুষ। এসব ওষুধ ক্ষুধা কমিয়ে ওজন কমাতে কার্যকর হলেও এর সঙ্গে শরীরের পেশির পরিমাণ কমে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। তাই ওজন কমানোর পাশাপাশি পেশি শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত শক্তিবর্ধক ব্যায়াম, পর্যাপ্ত আমিষ ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ওজন কমলেও কমতে পারে পেশি জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ মূলত দ্বিতীয় ধরনের ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়েছিল। পরে ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও এগুলোর কার্যকারিতা দেখা যায়। তবে এসব ওষুধ ক্ষুধা কমিয়ে দেওয়ায় শুধু চর্বি নয়, শরীরের চর্বিবিহীন অংশের পরিমাণও কমতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন কমার ১৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত চর্বিবিহীন পেশি হতে - [পেটের বাড়তি মেদই কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? বয়স্কদের আয়ু নিয়ে নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য](https://sarakhon.com/news/187102/): ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের শরীরের ওজন ও দীর্ঘায়ু নিয়ে নতুন এক গবেষণায় এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে, যা প্রচলিত ধারণাকে কিছুটা চ্যালেঞ্জ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু শরীরের ওজন বা উচ্চতা-ওজনের অনুপাত দিয়ে বয়স্ক মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিচার করা যথেষ্ট নাও হতে পারে। বরং কোমরের মাপ এবং পেটের ভেতরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি সম্পর্কে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিতে পারে। গবেষণায় প্রায় ৭ হাজার ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করে শরীরের ভরসূচক এবং কোমরের পরিধির পরিবর্তনের সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকির সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হয়। স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে - [অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের নতুন ওষুধে এফডিএর দ্রুত অনুমোদন, আশার আলো দেখছেন রোগীরা](https://sarakhon.com/news/187098/): অগ্ন্যাশয়ের ছড়িয়ে পড়া ক্যানসারের চিকিৎসায় নতুন আশার খবর এসেছে। মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন রেভল্যুশন মেডিসিনসের তৈরি নতুন ওষুধ ডারাক্সনরাসিবকে দ্রুত অনুমোদন দিয়েছে। বড় একটি পরীক্ষায় উন্নত পর্যায়ের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার হার প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার তথ্য পাওয়ার পর এই অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন ওষুধটি দিনে একবার খাওয়ার বড়ি। বাজারে এটি ‘রাসনকিউ’ নামে বিক্রি হবে। যেসব রোগীর অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং যারা আগে চিকিৎসা নিয়েছেন অথবা যৌথভাবে একাধিক ক্যানসারের ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার উপযুক্ত নন, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ক্যানসার কোষের বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিনকে লক্ষ্য ওষুধটি আরএএস নামের একটি প্রোটিনের কয়েকটি রূপকে বাধা - [নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ১৬২—নিখোঁজ ৮২৬](https://sarakhon.com/news/187096/): নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ রয়েছেন ৮২৬ জন। নিখোঁজদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক পর্যটক রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, অব্যাহত বৃষ্টি ও কাদামাটিতে রাস্তা ঢেকে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নিখোঁজের সংখ্যা ৮২৬, পর্যটকই ৫২৯-এর বেশি নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ হিসাবে, ভোতেকোশি-ত্রিশূলী নদীর ভয়াবহ বন্যার পর ৮২৬ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের মধ্যে নিরাপত্তাকর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক রয়েছেন। নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা ৫২৯-এর বেশি। তাঁদের মধ্যে ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। সীমান্তবর্তী রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে থাকা বহু বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে - [মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারে প্রথমবার সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সফলভাবে অপসারণ টিউমার](https://sarakhon.com/news/187092/): মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। প্রথমবারের মতো অস্ত্রোপচার চলাকালীন সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নিয়ে এক রোগীর মস্তিষ্কের টিউমার সফলভাবে অপসারণ করেছেন চিকিৎসকেরা। এই প্রযুক্তি অস্ত্রোপচারের সময় মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালি ও স্নায়ুর অবস্থান শনাক্ত করে চিকিৎসকদের নিরাপদ পথে টিউমার অপসারণে সহায়তা করেছে। যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ারের বাসিন্দা ৪৮ বছর বয়সী রিস হিবার্ট এই যুগান্তকারী অস্ত্রোপচারের প্রথম রোগী। চিকিৎসকদের মতে, অস্ত্রোপচার না হলে ধীরে ধীরে তার দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা ছিল। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে ধরা পড়ে টিউমার প্রায় দেড় বছর আগে পর্যন্ত হিবার্ট ছিলেন সম্পূর্ণ সুস্থ ও কর্মচঞ্চল। প্রতিদিন দুপুরে প্রায় তিন কিলোমিটার হাঁটতেন তিনি। কিন্তু একদিন হাঁটার সময় হঠাৎ রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে খিঁচুনি - [যুক্তরাজ্যে ফিরলেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান, সন্তানদের নিয়ে নতুন আবাস গড়ার প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/187090/): বিয়ের পর রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস শুরু করা প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল সন্তানদের নিয়ে আবার যুক্তরাজ্যে ফিরেছেন। বুধবার দুপুরের কিছু আগে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে করে তারা বার্মিংহাম বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে জানা গেছে। ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্সের সঙ্গে তাদের দুই সন্তান আর্চি ও লিলিবেটও রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের যুক্তরাজ্যে ফেরার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যদের বেরিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশি নিরাপত্তার উপস্থিতি চোখে পড়েনি বলে জানা গেছে। লন্ডনের বাইরে নতুন ঠিকানা গত সপ্তাহেই খবর প্রকাশিত হয়েছিল, আগস্ট মাসে যুক্তরাজ্যে ফিরে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন হ্যারি ও মেগান। এবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিয়েছে - [এইচ-১বি ভিসার অবসানেই কি ভারতীয়দের নতুন সুযোগ?](https://sarakhon.com/news/187086/): যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা নিয়ে নতুন করে কড়াকড়ি শুরু হওয়া শুধু অভিবাসননীতির বিষয় নয়; এটি দক্ষ বিদেশি কর্মী, মার্কিন শ্রমবাজার এবং প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রস্তাবিত বিপুল ভিসা ফি আদালতে কতটা টিকবে, সেটি আলাদা প্রশ্ন। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে আরও মৌলিক একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—এইচ-১বি ব্যবস্থা কি সত্যিই মেধাবী বিদেশিদের জন্য সুযোগ তৈরি করছে, নাকি এটি ধীরে ধীরে সস্তা শ্রম ব্যবহারের একটি কাঠামোয় পরিণত হয়েছে? ভারতের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে দিল্লির পক্ষ থেকে এই ভিসা ব্যবস্থার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের প্রতিবাদ করাই স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হয়তো ভিন্ন অবস্থান নেওয়ার দাবি রাখে। কারণ, বর্তমান - [শৈশবের চিনি খাওয়ার অভ্যাসে কি বাড়তে পারে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি?](https://sarakhon.com/news/187082/): গর্ভাবস্থা ও শিশুর জীবনের প্রথম দুই বছরে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের সঙ্গে ভবিষ্যতে স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকির সম্পর্ক থাকতে পারে—এমন ইঙ্গিত মিলেছে নতুন এক গবেষণায়। গবেষণায় যুক্তরাজ্যের ৬৪ হাজারের বেশি মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাঁরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ও পরে জন্মেছিলেন, যখন ১৯৫৩ সালে যুদ্ধকালীন চিনি-রেশনিং শেষ হয়। গবেষকেরা এই ঐতিহাসিক পরিস্থিতিকে শৈশবের চিনি গ্রহণের মাত্রার একটি পরোক্ষ নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করেন। কম চিনি গ্রহণে কম ঝুঁকির ইঙ্গিত গবেষণায় দেখা যায়, গর্ভাবস্থা থেকে জীবনের প্রথম বছর পর্যন্ত তুলনামূলক কম চিনি পাওয়ার সঙ্গে পরবর্তী জীবনে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ২১ শতাংশ কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। আর দুই বছর বয়স পর্যন্ত চিনি গ্রহণ সীমিত থাকার - [সেপ্টেম্বরের পর্দা মাতাবে নয়টি আলোচিত ধারাবাহিক](https://sarakhon.com/news/187077/): সেপ্টেম্বর মাসে দর্শকদের জন্য আসছে অপরাধ, রহস্য, রোমাঞ্চ, হাস্যরস ও ভৌতিক গল্পে ভরপুর বেশ কিছু নতুন ও পুরোনো ধারাবাহিকের নতুন মৌসুম। জনপ্রিয় অপরাধভিত্তিক ধারাবাহিকের প্রত্যাবর্তন থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক হত্যাকাণ্ডের গল্প—সব মিলিয়ে মাসটি হতে যাচ্ছে ধারাবাহিকপ্রেমীদের জন্য বেশ জমজমাট। গাই রিচির জগতে ফিরছে ‘দ্য জেন্টলমেন’ সেপ্টেম্বরের শুরুতেই দর্শকদের সামনে ফিরছে ‘দ্য জেন্টলমেন’-এর দ্বিতীয় মৌসুম। গাই রিচির একই নামের চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত এই অপরাধভিত্তিক ধারাবাহিকে থিও জেমস আবারও এডির চরিত্রে অভিনয় করছেন। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বিশাল সম্পত্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মাদক ব্যবসার জগতে এবার আরও গভীরে প্রবেশ করবে কাহিনি। কায়া স্কোডেলারিও, রে উইনস্টোন, ড্যানিয়েল ইংস, জোয়েলি রিচার্ডসন ও জিয়ানকার্লো এসপোসিতোসহ আগের অনেক - [বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আনছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে বেসরকারিকরণের উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/187073/): যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের নিরাপত্তা তল্লাশি ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে দেশটির পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসন। নতুন পরিকল্পনায় বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুততর তল্লাশি ব্যবস্থা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ‘হরাইজন ২৫’ পরিকল্পনায় নতুন দিশা সংস্থাটির ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আগে সোমবার ‘হরাইজন ২৫’ নামে নতুন কৌশল ঘোষণা করা হয়েছে। এর আওতায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও দক্ষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে আগের ‘টিএসএ গোল্ড প্লাস’ কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে বেসরকারি ঠিকাদারদের আরও বেশি যুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে বিমান চলাচল ব্যবস্থার কিছু - [মেয়ের প্রথম জন্মদিনে স্পেন ভ্রমণ, কিন্তু এক বছরের শিশুর জন্য বদলে গেল পুরো পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/187069/): মেয়ের প্রথম জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে স্বামী, এক বছরের কাছাকাছি বয়সী সন্তান, দুই মা-বাবা এবং দুই পারিবারিক বন্ধুকে নিয়ে স্পেনের মালাগায় পাড়ি জমিয়েছিলেন এক পরিবার। মোট আটজনের এই বহুজাতিক প্রজন্মের পারিবারিক ভ্রমণের জন্য আগে থেকেই তৈরি করা হয়েছিল ব্যস্ত সূচি। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে দেখা গেল, ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সেই পরিকল্পনা অনুসরণ করা প্রায় অসম্ভব। পরিবারটি এক সপ্তাহের জন্য চার শয়নকক্ষ ও তিনটি বাথরুমের একটি ভাড়া বাড়িতে উঠেছিল। পরিকল্পনায় ছিল কর্দোবা ও গ্রানাদায় দিনের ভ্রমণ, প্রতিদিন কয়েকটি দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জন্মদিন উদ্‌যাপন। কিন্তু শিশুর প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত পুরো সূচিই বদলে ফেলতে হয়। শিশুর - [বন্ধুকে ধার দেওয়া টাকা ফেরত না পেলে কী করবেন—বন্ধুত্ব বাঁচাবেন, নাকি টাকা ফেরত চাইবেন?](https://sarakhon.com/news/187065/): বন্ধুত্বের সম্পর্কের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেন অনেক সময় এমন এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি করে, যেখানে অর্থের চেয়ে সম্পর্কটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি এমনই এক পরিস্থিতির কথা সামনে এসেছে—এক তরুণী তাঁর আর্থিক সংকটে থাকা এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ ডলার ধার দিয়েছিলেন। বন্ধুটি দ্রুত টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কয়েক মাস পেরিয়ে গেছে, কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবার বিষয়টি তুললেই বন্ধু প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাচ্ছেন। ফলে টাকা ফেরত চাওয়া আর বন্ধুত্ব হারানোর ভয়—দুইয়ের মধ্যে আটকে গেছেন ওই তরুণী। বন্ধুকে টাকা ধার দেওয়ার ঝুঁকি কোথায় বন্ধুকে সাহায্য করার ইচ্ছা স্বাভাবিক। বিশেষ করে কাছের কেউ বিপদে পড়লে পাশে - [বাড়িতে বার্ধক্য কাটাতে ৬ সন্তান ও ৩ লাখ ডলারের সঞ্চয়: এক পরিবারের কঠিন বাস্তবতা](https://sarakhon.com/news/187063/): বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিজের বাড়িতেই শেষ জীবন কাটানোর সুযোগ করে দিতে চেয়েছিলেন এক মার্কিন পরিবারের ছয় ভাইবোন। ইচ্ছেটি পূরণ হলেও এর জন্য তাদের দিতে হয়েছে বিপুল সময়, শ্রম, অর্থ এবং মানসিক শক্তি। লেখাটির বর্ণনা অনুযায়ী, লেখকের দাদা-দাদি বব ও রুথ ম্যাকমিলান নব্বইয়ের কোঠায় পৌঁছেও নিজেদের বাড়ি ছাড়তে চাননি। ২০২৪ সালে দাদা এবং ২০২৫ সালে দাদি মারা যাওয়া পর্যন্ত তারা বাড়িতেই ছিলেন। তাদের ছয় সন্তান পালা করে বাবা-মায়ের দেখাশোনার দায়িত্ব ভাগ করে নেন। প্রতি রোববার বসত পরিবারের বৈঠক বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাদা-দাদির হাঁটার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া এবং স্মৃতিভ্রংশের মতো সমস্যা দেখা দিতে থাকে। তখন তাদের ছয় সন্তান - [গ্রিসে চার বছর: ছুটির স্বপ্নের আড়ালে যে বাস্তবতা](https://sarakhon.com/news/187060/): গ্রিসের নীল সমুদ্র, রোদঝলমলে দ্বীপ, ছোট ক্যাফেতে ধীরেসুস্থে কফি পান আর দীর্ঘ সময় ধরে রাতের খাবার—সব মিলিয়ে দেশটিকে অনেকের কাছেই মনে হতে পারে শান্ত ও নিশ্চিন্ত জীবনের আদর্শ ঠিকানা। কিন্তু বেড়াতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আর সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করার অভিজ্ঞতা যে এক নয়, সেটিই বুঝেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের বাসিন্দা ক্যাথলিন ও’ডনেল। ২০২২ সালে গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বসবাস শুরু করেন তিনি। পরে সেখানে একটি অ্যাপার্টমেন্টও কিনেছেন। গ্রিসের জীবন তিনি ভালোবাসেন ঠিকই, তবে চার বছরের অভিজ্ঞতায় বুঝেছেন, ভূমধ্যসাগরীয় ধীরগতির জীবনের যে রোমান্টিক ছবি পর্যটকদের চোখে ধরা দেয়, বাস্তব জীবন তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। আগস্ট এলেই অনেক কিছু থেমে যায় এথেন্সের যে এলাকায় ক্যাথলিন থাকেন, - [চট্টগ্রাম বন্দর: পণ্য পরিবহন বাড়লেও বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরের তালিকায় ৬৮তম অবস্থানেই](https://sarakhon.com/news/187753/): চট্টগ্রাম বন্দর টানা দ্বিতীয় বছরের মতো বিশ্বের ১০০টি ব্যস্ততম কনটেইনার বন্দরের তালিকায় ৬৮তম অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালে বন্দরে কনটেইনার পরিবহন বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ। তবে বিশ্বসেরা ১০০ বন্দরের সম্মিলিত কনটেইনার পরিবহন বেড়েছে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থানে কোনো উন্নতি হয়নি। এক বছরে কনটেইনার পরিবহন বেড়েছে লন্ডনভিত্তিক নৌপরিবহনবিষয়ক প্রকাশনা লয়েডস লিস্ট ২০২৫ সালের কনটেইনার পরিবহনের তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ ব্যস্ততম বন্দরের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৩৪ লাখ ৯ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক। অর্থাৎ এক বছরে পরিবহন বেড়েছে প্রায় ৪ - [ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বড় সংকট শনাক্তকরণ সরঞ্জামে](https://sarakhon.com/news/187747/): ইউক্রেনের সম্মুখসারির আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় সংকট সবসময় ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি নয়। শত্রুর ড্রোন শনাক্ত করা, আগাম সতর্কতা পাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সচল রাখার জন্য যেসব বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি দরকার, সেগুলোর ঘাটতিই এখন বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে কঠিন বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম জোগাড় ইউক্রেনের কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারী এক সার্জেন্ট, যিনি ‘ইয়াঙ্কি’ নামে পরিচিত, জানিয়েছেন, তাদের ইউনিটের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হলো প্রয়োজনীয় সহায়ক সরঞ্জাম সংগ্রহ করা। তার ভাষায়, মূল অস্ত্রের চেয়ে বৈদ্যুতিন যুদ্ধ সরঞ্জাম, ড্রোন শনাক্তকারী যন্ত্র, বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা এবং বড় ব্যাটারি জোগাড় করাই বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে। এই ধরনের কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিচু - [সংসদ ভবনের কাছে ছিনতাইকারীর টান, রিকশা থেকে পড়ে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187713/): রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে এক স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষিকার পরিচয় নিহত রঞ্জিনা পারভীন (৫৫) বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। পুলিশ জানায়, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে স্বামী আবদুল মতিনকে সঙ্গে নিয়ে রাতের বাসে বগুড়া থেকে ঢাকায় এসেছিলেন রঞ্জিনা। খামারবাড়ির ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে যাওয়ার জন্য ভোরে গাবতলী থেকে তারা রিকশায় রওনা হন। ব্যাগ টানতে গিয়ে ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে রিকশাটি যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে থাকা ছিনতাইকারীরা রঞ্জিনার ব্যাগ ধরে টান দেয়। হঠাৎ - [ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে মোড় ঘুরছে চীনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি](https://sarakhon.com/news/187721/): ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কৌশলগত বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আগের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। এর ফলে চীনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিও এখন গুরুত্বপূর্ণ এক মোড়ের মুখে পড়েছে। নিরাপত্তায় আত্মনির্ভরতার পথে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর সামনে একটি কঠিন বাস্তবতা স্পষ্ট করেছে—ইরানের হামলা থেকে তাদের পুরোপুরি রক্ষা করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের কারও নেই। ফলে সৌদি আরব, কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন নিরাপত্তা অংশীদার খুঁজছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব দেশের মধ্যে এখন নিজস্ব প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রবণতা বাড়ছে। ভবিষ্যতে তারা - [ভারতে জাপানের যুদ্ধবিমান মোতায়েন, চীনের জন্য কী বার্তা?](https://sarakhon.com/news/187740/): জাপান প্রথমবারের মতো ভারতে যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে পশ্চিম ভারতের রাজস্থানে তিনটি যুদ্ধবিমান পাঠাবে টোকিও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে জাপানের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেপ্টেম্বরে রাজস্থানে যৌথ মহড়া জাপানের বিমান আত্মরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, আগামী ৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর রাজস্থানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সঙ্গে ‘ভীর গার্ডিয়ান ২৬’ নামে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এই মহড়ার অংশ হিসেবে জাপান তিনটি এফ-২ যুদ্ধবিমান ভারতে পাঠাবে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের ফুকুওকা অঞ্চলের সুইকি বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত অষ্টম বিমান শাখার প্রায় ১১০ জন সদস্যও এতে অংশ নেবেন। চীনকে ঘিরে বাড়ছে - [হাম বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু; দেশে মৃতের সংখ্যা ৯৬৩](https://sarakhon.com/news/187737/): দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নতুন তিন মৃত্যুই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬৩। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন তিন মৃত্যুর পর দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৬৪। অন্যদিকে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৯-এ। সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৮৮৬টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে - [বন্দিত্ব বন্ধের আইন যথেষ্ট নয়, প্রাণীদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে নিরাপদ ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/187734/): ফ্রান্সে সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বন্দিত্ব ও প্রদর্শনীর অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে প্রাণীকল্যাণের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কিন্তু মারিনল্যান্ড অঁতিবের ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে, কোনো নিষ্ঠুর শিল্পের বিরুদ্ধে আইন পাস করাই শেষ কথা নয়। সেই শিল্প বন্ধ হওয়ার পর তার ভেতরে থাকা প্রাণীগুলোর কী হবে, কোথায় যাবে, কে তাদের আজীবন দেখভাল করবে—এসব প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই প্রস্তুত না থাকলে নিষেধাজ্ঞা নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। জুলাইয়ের শেষ দিকে মারিনল্যান্ড থেকে আটটি বোতলনোজ ডলফিন—ড্যাম, রকি, লুয়া, নিও, টাক্স, কাই, আনিয়া ও জো—অবশেষে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা সড়কপথে নিস বিমানবন্দরে যায় এবং সেখান থেকে কার্গো বিমানে স্পেনের মালাগায় পৌঁছে সেলভো মারিনায় রাখা হয়। দেড় বছরেরও - [গঙ্গা চুক্তি নবায়নে ভারতের জেআরসি কাঠামো, বাংলাদেশের অপেক্ষা দিল্লির জবাবের](https://sarakhon.com/news/187731/): গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ভারত জানিয়েছে, ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তিসংক্রান্ত বিষয়গুলো দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) কাঠামোর আওতায় আলোচনা করা হবে। এদিকে নতুন চুক্তি বা সংশোধিত চুক্তির বিষয়ে দিল্লির আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি চুক্তির আওতায় পানি ও নদীসংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্বিপক্ষীয় যৌথ নদী কমিশনের আলোচ্যসূচির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। চুক্তির যৌথ কমিটির বৈঠকগুলোও কারিগরি পর্যায়ে চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। বাংলাদেশের নতুন চুক্তি প্রস্তুতির উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, গঙ্গার পানি - [খরা মোকাবিলায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি: ১৪ কোটি ডলারের বৈশ্বিক উদ্যোগ কি বদলাবে জলবায়ু অভিযোজনের কৌশল?](https://sarakhon.com/news/187728/): জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত যত তীব্র হচ্ছে, খরা আর কেবল একটি মৌসুমি দুর্যোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দীর্ঘস্থায়ী শুষ্কতা এখন খাদ্য উৎপাদন, পানির নিরাপত্তা, জীবিকা ও ভূমির স্বাস্থ্যের ওপর একই সঙ্গে চাপ তৈরি করছে। এই বাস্তবতায় সংকট দেখা দেওয়ার পর ত্রাণ বা জরুরি সহায়তা দেওয়ার বদলে আগেভাগেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রস্তুতি নেওয়ার দিকে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের ঝোঁক বাড়ছে। এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হতে যাচ্ছে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটির (GEF) নতুন ড্রাইল্যান্ডস অ্যান্ড ড্রট ম্যানেজমেন্ট ইন্টিগ্রেটেড প্রোগ্রাম। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত GEF-9 বিনিয়োগ চক্রে পরিচালিতব্য এই কর্মসূচির প্রাথমিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১৪০ মিলিয়ন ডলার। জাতিসংঘের মরুকরণবিরোধী কনভেনশনের পক্ষগুলোর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া - [নেপালে ভয়াবহ ভোতেকোশী বন্যা: মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা সাতজনের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা](https://sarakhon.com/news/187725/): বুধবার সকালে নেপালের ভোতেকোশী নদী হঠাৎ ভয়ংকর রূপ নেওয়ার পর কয়েকজন মানুষ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। কেউ ছুটেছেন পাহাড়ের ঢালে, কেউ বন্যার স্রোতের আগে গাড়ি চালিয়ে পালিয়েছেন। আবার কেউ বিদ্যুতের তার আঁকড়ে ধরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন। তবে বেঁচে গেলেও ভয়াবহ সেই দৃশ্যের স্মৃতি তাদের পিছু ছাড়ছে না। কান্তিপুরের প্রতিবেদকদের কাছে সাতজন বর্ণনা করেছেন, কীভাবে তারা ভোতেকোশীর ভয়াবহ বন্যা থেকে প্রাণে বেঁচেছেন এবং চোখের সামনে কী দেখেছেন। বিদ্যুতের তার আঁকড়ে আধা ঘণ্টা রৌতহটের রাজদেবী পৌরসভা-২-এর ৩৬ বছর বয়সী রামবচন সাহ ত্রিশূলী বাজারের কাছে একটি মিষ্টির দোকানে ১৫ বছর ধরে কাজ করছিলেন। বুধবার সকালে দোকানে মিষ্টি তৈরির সময় হঠাৎ বন্যার পানি - [ভয়াবহ বন্যার ক্ষত সারাতে নেপালের দরকার ৫০০ কোটি ডলার, চায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা](https://sarakhon.com/news/187722/): হিমালয়ের দেশ নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে শনিবার উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরানো, সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষকে উদ্ধার, যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং মরদেহ শনাক্ত করতে বিদেশি কারিগরি সহায়তা চেয়েছে নেপাল। বুধবারের আকস্মিক বন্যায় নেপাল ও তিব্বতে অন্তত ৬৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালে নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৪২৬ জন। তিব্বতের গিরং জেলায় নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৫৫৪ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ৫৪০ জনের বেশি বিদেশি নাগরিক, যাদের অনেকেই ভারতের হিন্দু তীর্থযাত্রী। খারাপ আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ স্থগিত নেপালের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া জেলায় শনিবার বৃষ্টি ও ঘন - [ভোটেকোশী বিপর্যয়ের তিন শিক্ষা: বদলাতে হবে হিমালয়কেন্দ্রিক উন্নয়ন ও দুর্যোগ-চিন্তা](https://sarakhon.com/news/187696/): ২৬ আগস্টের ভোটেকোশী বন্যা নেপালের জন্য কেবল একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; এটি পাহাড়ি উন্নয়ন, বসতি পরিকল্পনা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রচলিত ধারণাকে নতুন করে ভাবার কঠিন বার্তা। ২৮ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে ৬০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু, দুই হাজারের বেশি নিখোঁজ এবং ১০ হাজারের বেশি পরিবারের গৃহহীন হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা চলতে থাকায় হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। নেপাল-চীন হিমালয় করিডর দিয়ে চলাচলকারী মানুষও এই বিপর্যয়ের প্রভাবের বাইরে থাকেননি। এই বিপর্যয়ের তাৎক্ষণিক করণীয় অবশ্যই উদ্ধার, ত্রাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—এই ঘটনা থেকে নেপাল কী শিখবে? ভোটেকোশীকে শুধু আরেকটি বন্যা হিসেবে দেখলে - [পটুয়াখালীতে বিষমিশ্রিত ঘাস খেয়ে মহিষের মৃত্যু, অসুস্থ ২৫](https://sarakhon.com/news/187716/): পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার একটি চরে বিষমিশ্রিত ঘাস খেয়ে অন্তত তিনটি মহিষ মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও ২৫টি মহিষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। শুক্রবার বিকেলে কেশবপুর ইউনিয়নের লাল চরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মহিষের মালিক, রাখাল ও বাসিন্দাদের ভাষ্য, লাল চরে দীর্ঘদিন ধরে খোলা জায়গায় মহিষ পালন করা হয়। চরাঞ্চলের সবুজ ঘাস খেয়েই এসব মহিষ স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে। এর আগে সেখানে এমন ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার শতাধিক মহিষ চরটিতে চড়াতে নেওয়া হয়। ঘাস খাওয়ার পরপরই প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে রফিজ মৃধা, সুমন মাঝি ও রুহুল আমিনের একটি করে মহিষ মারা যায়। - [যুদ্ধের ধাক্কায় বিপর্যস্ত ইরানের অর্থনীতি, আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা](https://sarakhon.com/news/187704/): ছয় মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ ও ক্রমবর্ধমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের কারণে ইরানের বৈদেশিক বাণিজ্য প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। একই সময়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সরকারকে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অর্থনৈতিক চাপ বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি তেহরান। বরং কূটনীতি ও প্রতিরক্ষাকে পাশাপাশি এগিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র ইরানের অর্থনীতিতে যুদ্ধের ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। দেশটিতে গত মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশে পৌঁছেছে। নিত্যপণ্যের - [এশিয়ার ‘পানির টাওয়ার’ তিব্বত মালভূমি কি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে?](https://sarakhon.com/news/187710/): এশিয়ার কোটি কোটি মানুষের পানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান উৎস তিব্বত মালভূমি ক্রমেই বেশি অনিশ্চিত ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীদের কম্পিউটারভিত্তিক বিশ্লেষণ বলছে, এই বিশাল উচ্চভূমির পরিবেশগত ব্যবস্থায় অস্থিরতা বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে এশিয়ার নদী, পানি সরবরাহ এবং বন্যার ঝুঁকিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। কেন তিব্বতকে বলা হয় এশিয়ার পানির টাওয়ার তিব্বত মালভূমি এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলভাণ্ডার। এই অঞ্চলের হিমবাহ, তুষার ও বরফ গলে এশিয়ার বহু গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানির উৎস তৈরি হয়। ফলে চীন, নেপাল, ভারতসহ বিস্তৃত অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের কৃষি, পানীয় জল, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও দৈনন্দিন জীবন এই জলব্যবস্থার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। - [চার খুনের আসামিদের পক্ষে লড়বেন না রংপুরের আইনজীবীরা](https://sarakhon.com/news/187707/): রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছে রংপুর আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে নিহত পরিবারের পাশে থেকে সব ধরনের আইনগত সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আইনজীবীরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন। তিনি বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত নিকৃষ্ট। আইনজীবী সমিতি এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন সরকারি আইনজীবী ও রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে আইনজীবী সমিতির নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। - [স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৭ হাজার ১১৫ টাকা](https://sarakhon.com/news/187697/): টানা চার দফা বাড়ার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। নির্ধারিত নতুন দাম শনিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (খাঁটি স্বর্ণ) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দাম কার্যকর থাকবে। ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার - [ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট, চার ঘণ্টা আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187701/): ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভয়াবহ যানজটে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে থাকার পর অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমিরুন্নেছা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রাণভাগবতীপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্বজনদের ভাষ্য, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিলেন। দাউদকান্দিতে আটকে যায় অ্যাম্বুলেন্স আমিরুন্নেছার স্বজন তারেক আল হাসান জানান, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। রাত ৮টার দিকে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন স্বজনরা। রাত ১১টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি দাউদকান্দি এলাকায় পৌঁছালে তীব্র যানজটে আটকে পড়ে। এরপর প্রায় চার ঘণ্টা গাড়িটি কার্যত নড়তে পারেনি। ভোর সাড়ে ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই - [ভোটেকোশী বন্যায় নিখোঁজ ২,৪০০, ভারত-চীনের বিশেষায়িত উদ্ধার সহায়তা চাইল নেপাল](https://sarakhon.com/news/187698/): নেপালের ভয়াবহ ভোটেকোশী বন্যার পর নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করতে ভারত ও চীনের কাছে বিশেষায়িত সহায়তা চেয়েছে দেশটির সরকার। বন্যার পর এখন পর্যন্ত ৬২৬টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রায় ২ হাজার ৪০০ মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার কাঠমান্ডুতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্গত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ভারতের ১১ সদস্যের একটি বিশেষায়িত কারিগরি পর্যবেক্ষণ দল ইতোমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে। টানেল থেকে উদ্ধারকাজে দক্ষ চীনা একটি দলও শিগগির নেপালে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্ধারে বিশেষ প্রযুক্তির সহায়তা নেপাল সরকার জীবিত ব্যক্তিদের শনাক্তে সক্ষম প্রযুক্তি, দ্রুত ফরেনসিক ও ডিএনএ বিশ্লেষণ এবং উদ্ধার হওয়া - [নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জরুরি সহায়তায় ৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি](https://sarakhon.com/news/187692/): ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যা ও ধসের পর জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ৫ মিলিয়ন ডলারের অনুদান অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। নেপালের রাসুয়া, নুওয়াকোট ও ধাদিং জেলায় বন্যা ও ধসের ঘটনায় প্রাণহানি, আহত হওয়া, বাস্তুচ্যুতি এবং ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। দুর্গত এলাকাগুলোকে দুর্যোগ সংকটাপন্ন অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে নেপাল সরকার বড় পরিসরে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জরুরি ত্রাণে এডিবির ৫ মিলিয়ন ডলার এডিবির এশিয়া প্যাসিফিক ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড থেকে দেওয়া এই ৫ মিলিয়ন ডলার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় করা হবে। - [রসুয়ায় বন্যা-ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ৬২৬, নিখোঁজ ২,৪২৬](https://sarakhon.com/news/187687/): নেপালের বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (NDRRMA)। বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর (ভাদ্র ১০) তিব্বতে ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটে। এর প্রভাবে চীন ও নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়। নেপালের রসুয়া, নুয়াকোট, গোরখা, ধাদিং ও চিতওয়ানসহ বিভিন্ন জেলায় এখনো উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান চলছে। চিতওয়ানে সর্বোচ্চ মরদেহ উদ্ধার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ২৩৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে চিতওয়ান জেলা থেকে। এছাড়া নওয়ালপরাসি পূর্বে ১৫৮, নুয়াকোটে ৫১, গোরখায় ৪৮, - [গুগলবুক: এজেন্টিক পিসির দৌড়ে গুগল কতটা এগোতে পারবে?](https://sarakhon.com/news/187684/): গুগল আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে সরাসরি এক মিডিয়া ইভেন্টে Googlebook-এর সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে। চলতি শরতেই Acer, Asus, Dell, HP ও Lenovo-এর তৈরি প্রথম Googlebook বাজারে আসার কথা। গুগল এটিকে প্রিমিয়াম ল্যাপটপ শ্রেণি হিসেবে তুলে ধরলেও এখনো দাম জানায়নি। খুচরা বিক্রেতাদের ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি মডেলের দাম ১ হাজার ডলারের বেশি হতে পারে। Googlebook-এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হতে পারে কম্পিউটার ব্যবহারের ধরন বদলে দেওয়া। প্রচলিত পিসিতে ব্যবহারকারীকে আগে ঠিক করতে হয় কোন অ্যাপ খুলবেন, কোথায় ফাইল আছে এবং কাজটি কীভাবে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করবেন। এজেন্টিক পিসির ধারণায় সেই দায়িত্বের একটি বড় অংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতে চলে - [ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদায় যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে পানির সংকট](https://sarakhon.com/news/187680/): যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টারের দ্রুত সম্প্রসারণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি পানি সরবরাহের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। নতুন এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এসব ডেটা সেন্টারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বছরে প্রায় ৩ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন গ্যালন মিঠা পানি ব্যবহৃত হয়। এর বড় অংশই এমন অঞ্চলে, যেখানে ইতোমধ্যে পানির চাপ তীব্র। সেরেসের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সেরেসের প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলো হলো ভার্জিনিয়া, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, ইলিনয়, জর্জিয়া, ওহাইও ও অ্যারিজোনা। দেশটির মোট ডেটা সেন্টারের প্রায় অর্ধেকই এসব রাজ্যে অবস্থিত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেটা - [অবসর ভাতার নামে ধনীদের ভর্তুকি কেন দেবে রাষ্ট্র?](https://sarakhon.com/news/187620/): যুক্তরাষ্ট্রে অবসরকালীন সরকারি সুবিধা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রশ্নটি কেবল সামাজিক নিরাপত্তা বা প্রবীণদের সুরক্ষার নয়; বরং রাষ্ট্রের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কারা তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী এবং এই ব্যয়ের ন্যায্যতা কতটা—সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ফেডারেল বাজেটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ গ্রাস করছে, অথচ এক দশকও পেরোবে না—এর অর্থায়ন কাঠামো বড় সংকটে পড়তে পারে। একই সঙ্গে অবসর সঞ্চয়ের জন্য কর-ছাড়ের কারণে সরকার প্রতি বছর বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। কিন্তু এই বিপুল অর্থের বড় অংশ কি সত্যিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন থাকা প্রবীণদের কাছে যাচ্ছে? চিত্রটি বরং উল্টো। ধনী পরিবারগুলোই সরকারি অবসর সুবিধা ও কর-সুবিধা থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি লাভবান হচ্ছে। উচ্চ আয়ের - [সময় কি সত্যিই বদলায়, নাকি বদলায় শুধু আমাদের অনুভূতি?](https://sarakhon.com/news/187672/): সময়কে আমরা সাধারণত এমন একটি স্থির বাস্তবতা হিসেবে কল্পনা করি, যা সবার জন্য একই গতিতে এগিয়ে চলে। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞান এবং মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা—দুই দিক থেকেই এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। সময়ের পরিবর্তন একদিকে যেমন আমাদের মানসিক উপলব্ধির বিষয়, অন্যদিকে তেমনি এটি পরিমাপযোগ্য ভৌত ঘটনাও। একটি মিনিট কখনো অসাধারণ দীর্ঘ মনে হতে পারে। কঠিন ব্যায়ামের সময় এক মিনিট ধরে একই ভঙ্গিতে থাকতে বলা হলে সময় যেন এগোতেই চায় না। আবার প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে কথোপকথনে এক ঘণ্টা কেটে যেতে পারে মুহূর্তের মতো। দুটি ক্ষেত্রেই ঘড়ির সময় একই নিয়মে চলছে, কিন্তু সময়ের অভিজ্ঞতা বদলে যাচ্ছে মানুষের মনে। তবে সময়ের এই আপেক্ষিকতা শুধু অনুভূতির মধ্যে - [মোটরসাইকেলকে বাসের ধাক্কা, মানিকগঞ্জে নিহত ১](https://sarakhon.com/news/187669/): মানিকগঞ্জে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের এক আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে জেলার পুখুরিয়া স্টোন ব্রিকস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি জুবায়ের হোসেন। তিনি মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের বাসিন্দা। পেছন থেকে মোটরসাইকেলে ধাক্কা প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে মোটরসাইকেলটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী সেলফি পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার তীব্রতায় মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে তারা গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কাছাকাছি একটি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই জুবায়ের হোসেনের মৃত্যু হয়। চালক - [ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে মক্কা চুক্তি, বাংলাদেশের অবস্থানেও নজর দিল্লির](https://sarakhon.com/news/187666/): সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। চুক্তিকে ঘিরে বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অবস্থান ও সাম্প্রতিক developments ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সব ঘটনাই তারা অনুসরণ করছে। জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে দিল্লির নজর মক্কা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থানের বিষয়ে ভারতীয় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল এসব মন্তব্য করেন। এর আগে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চুক্তিটি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়। ফলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে - [রাশিয়ায় কারখানায় আগুন, নিহত দুই বাংলাদেশি শ্রমিক; আহতদের মস্কো নেওয়া হয়েছে](https://sarakhon.com/news/187663/): রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে সিনোপেক গ্রুপের একটি কারখানায় আকস্মিক দুর্ঘটনা থেকে সৃষ্ট আগুনে দুই বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য মস্কো নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মস্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাস। আগুন নিয়ন্ত্রণে, অধিকাংশ কর্মী নিরাপদ দূতাবাস জানিয়েছে, কারখানাটিতে হঠাৎ আগুন লাগার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। সেখানে কর্মরত অধিকাংশ কর্মী অক্ষত অবস্থায় নিরাপদে আছেন। দুর্ঘটনার পর আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে মস্কোতে স্থানান্তর করা হয়েছে। নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় নিহত শ্রমিকদের একজন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আটাকপাড়া গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন। অপরজন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া গ্রামের মো. খায়রুল ইসলামের ছেলে মো. অনাল হোসেন - [জামালপুরে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যা না আত্মহত্যা তদন্তে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/187660/): জামালপুর শহরের দক্ষিণ কাচারিপাড়া এলাকায় একটি বাসা থেকে ইসলাত জাহান রিমা (২৫) নামে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া ফোনের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত রিমা জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের চতুর্থ বর্ষের সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি গ্রামের রশিদুল্লাহ মণ্ডলের মেয়ে। ঘরের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব জানান, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ দক্ষিণ কাচারিপাড়ার ওই বাসায় যায়। সেখানে একটি কক্ষের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রিমার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ছে, এখনই সতর্ক হওয়ার আহ্বান](https://sarakhon.com/news/187657/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইনির্ভর সাইবার হামলার ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। প্রযুক্তি খাতের নেতারা সতর্ক করে বলছেন, সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। সাধারণ মানুষও এই ঝুঁকির বাইরে নয়। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতির ফলে ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে চালানো প্রতারণা এখন আগের চেয়ে আরও নিখুঁত, ব্যক্তিগতকেন্দ্রিক এবং শনাক্ত করা কঠিন হয়ে উঠছে। সম্প্রতি শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনএআই একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছে। সেখানে বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি ও সরকারগুলোকে সাইবার প্রতিরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হতে পারে। হাসপাতাল, পানি শোধনাগার এমনকি ইন্টারনেট ব্যবস্থাও এর লক্ষ্য হতে পারে। - [চুয়াডাঙ্গায় বাসশ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ](https://sarakhon.com/news/187654/): চুয়াডাঙ্গায় বাসশ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগে জেলার সব রুটে বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি। ই-বাইক চালকদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে শুক্রবার সন্ধ্যায় ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। আকস্মিক এই পরিবহন ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অনেকে বাস টার্মিনালে অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ কেউ বেশি ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। হামলার ঘটনার সূত্রপাত স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দৌলতদিয়ার এলাকায় নিয়ম ভেঙে একটি ব্যাটারিচালিত ই-বাইক শহরে প্রবেশের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ ও বাসশ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা চালককে থামিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেন। পরে ওই ই-বাইক চালক কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে আলুকদিয়া এলাকায় জড়ো হন। সেখানে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর - [ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে আগুন, কয়েক এলাকায় সরবরাহ বন্ধ](https://sarakhon.com/news/187651/): ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের দাতিয়া এলাকায় একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে আগুন লাগার ঘটনায় শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার ভোরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভোরে ট্রান্সফরমারে আগুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. নাসির উদ্দিন জানান, সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপকেন্দ্রটির একটি অক্সিলারি ট্রান্সফরমারে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নজমুল আলম জানান, আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। হতাহত নেই, ক্ষতিগ্রস্ত ট্রান্সফরমার অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। - [উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত](https://sarakhon.com/news/187648/): উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর ওডিশা উপকূল এলাকায় একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো আবহাওয়া তৈরি হতে পারে। এ কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ উত্তোলন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিম্নচাপের সম্ভাব্য গতিপথ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সৃষ্ট নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠতে পারে। বুলেটিনে বলা হয়েছে, - [আগামী ৫ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে দমকা হাওয়া](https://sarakhon.com/news/187645/): দেশে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব বৃষ্টির সঙ্গে সাময়িকভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন - [গাজীপুরে শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, থানায় জামাতার আত্মসমর্পণ](https://sarakhon.com/news/187641/): গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিজ দোকানে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর জামাতার বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার জামালপুর কালাপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরদিন শনিবার অভিযুক্ত জামাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। নিহত মাজিদ মোরল উপজেলার জামালপুর মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর জামাতা মোজাম্মেল হোসেন ওরফে মুজা সরকার (৩৫) উত্তর জামালপুর সরকারপাড়া এলাকার মৃত নোয়াব আলী সরকারের ছেলে। দাম্পত্য বিরোধ থেকেই সংঘাত পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজাম্মেলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী শাহানাজ বেগমের দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। শাহানাজ অভিযোগ করতেন, তাঁর স্বামী মাদকাসক্ত এবং তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও পারিবারিক সহিংসতার শিকার হতে হতো। এ কারণে শাহানাজ একাধিকবার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার - [রাজা হ্যারাল্ডের মৃত্যুতে শোক, হাকন অষ্টমের নেতৃত্বে নতুন যুগে নরওয়ে](https://sarakhon.com/news/187638/): নরওয়ের ইতিহাসে শুরু হলো নতুন অধ্যায়। ৩৫ বছর দেশটির সিংহাসনে থাকা রাজা হ্যারাল্ডের মৃত্যুর পর তাঁর ৫৩ বছর বয়সী ছেলে হাকন অষ্টম শনিবার রাজা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ঐক্য ও সহনশীলতার প্রতীক হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত হ্যারাল্ডের বিদায়ে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের আবহ। ৩৫ বছরের রাজত্বের অবসান ৮৯ বছর বয়সী রাজা হ্যারাল্ড ২৮ আগস্ট সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে অসলোতে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। গত ১৭ আগস্ট থেকে অসলো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশটিতে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রাজার শেষকৃত্য কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। শেষকৃত্য পর্যন্ত জাতীয় শোক চলবে। - [অস্ট্রিয়ার জাদুঘরে দিনের আলোয় দুর্ধর্ষ চুরি, ৬৭৩ রত্নখচিত কোটি টাকার হার উধাও](https://sarakhon.com/news/187635/): অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার Museum of Applied Arts-এ দিনের আলোয় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দর্শনার্থীর বেশে জাদুঘরে ঢুকে দুই ব্যক্তি ভেঙে ফেলেছে একটি কাচের প্রদর্শনী বাক্স। এরপর সেখান থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের প্রায় ২০০ ক্যারেটের প্লাটিনাম ও হীরার একটি ঐতিহাসিক হার নিয়ে পালিয়ে গেছে তারা। বৃহস্পতিবারের এই চুরির ঘটনায় অস্ট্রিয়ার পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে। চুরি যাওয়া অলংকারটি ছিল মিশরের সাবেক রানি নাজলির। ইউরোপের বিভিন্ন জাদুঘরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক আলোচিত চুরির ঘটনার মধ্যেই সর্বশেষ এই ঘটনা ঘটল। দর্শনার্থীর বেশে ঢুকে কাচ ভাঙল চোরেরা পুলিশ জানিয়েছে, দুই ব্যক্তি সাধারণ দর্শনার্থীর মতো টিকিট কেটে জাদুঘরে প্রবেশ করে। এরপর তারা ফ্রান্সের বিখ্যাত - [বিচারক অপসারণের আবেদন কোহবার্গারের, দোষ স্বীকারের সিদ্ধান্ত বাতিল করে নতুন বিচারের মরিয়া চেষ্টা](https://sarakhon.com/news/187632/): যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ব্রায়ান কোহবার্গার তার মামলার বিচারককে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিচারস্থল পরিবর্তনেরও আবেদন করেছেন। দোষ স্বীকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নতুন করে বিচার পাওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই তিনি এসব পদক্ষেপ নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কোহবার্গারের নতুন আদালতনিযুক্ত আইনজীবী গ্রেগরি রাউখ দুটি আবেদন দাখিল করেন। প্রথম আবেদনে চতুর্থ বিচারিক জেলার বিচারক স্টিভেন হিপলারকে কোহবার্গারের দোষ-পরবর্তী আইনি কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় আবেদনে অ্যাডা কাউন্টির পরিবর্তে অন্য কাউন্টিতে শুনানি নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। দোষ স্বীকারের পরই অবস্থান বদল ৩১ বছর বয়সি কোহবার্গার গত বছর চারটি প্রথম-স্তরের হত্যাকাণ্ড এবং একটি গুরুতর চুরির অভিযোগে - [কিশোর নিরাপত্তায় মেটার ১৭ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতা: জরিমানার চেয়ে বড় হয়ে উঠছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশা বদলের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/187629/): কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের করা মামলার নিষ্পত্তিতে মেটা আগামী ১০ বছরে সর্বোচ্চ ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে রাজি হয়েছে। মামলাগুলোতে অভিযোগ ছিল, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে শিশু-কিশোরেরা এসব প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘ সময় আটকে থাকে। পাশাপাশি শিশুদের ক্ষতির বিষয়ে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করা এবং ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের তথ্য যথাযথ অভিভাবকীয় অনুমতি ছাড়া সংগ্রহের অভিযোগও আনা হয়েছিল। ২৬ আগস্ট ২০২৬ মেটা সমঝোতার ঘোষণা দেয়। এর মাধ্যমে ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে শুরু হতে যাওয়া একটি ফেডারেল বিচার কার্যত শেষ হয়ে যায়। মামলাটিতে মেটার সম্ভাব্য আর্থিক দায় ছিল অত্যন্ত বড়। অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবি ছিল, জরিমানা কয়েকশ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত - [ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দে শতাব্দীপ্রাচীন আইন ফিরিয়ে আনছে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/187624/): ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেলবাহী জাহাজ আরও সহজে জব্দ এবং পরে সেগুলোর সম্পদ বিক্রি করার সুযোগ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাব্দীপ্রাচীন একটি সামুদ্রিক আইন আবার সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই আইনি ব্যবস্থাকে বলা হয় ‘প্রাইজ আইন’, যা যুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষের জাহাজ বা পণ্য জব্দ করার নিয়ম নির্ধারণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার অ্যাটর্নি অ্যারন রেইটজ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সামরিক সংঘাতের সময় শত্রুপক্ষকে সহায়তা করা জাহাজ বা পণ্য জব্দ করার প্রয়োজন হলে ফেডারেল আদালতকে সেসব জাহাজ ও পণ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, প্রাইজ আইন একটি প্রাচীন সামুদ্রিক আইন। এটি আগে থেকেই আইনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তবে এখন - [তাইওয়ানের ঋণকৌশলে মিত্রদের জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/187623/): আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনের বিরুদ্ধে ‘ঋণের ফাঁদ’ তৈরির অভিযোগ বহুদিনের। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে পশ্চিমা গণমাধ্যম, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা—অনেকেই উন্নয়নশীল দেশগুলোকে চীনের দ্বিপক্ষীয় ঋণের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে আসছে। তবে গ্রেনাডার এক দশক আগের ঋণবিরোধ এবং বর্তমানে সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডিনসের ঋণসংকট এই প্রচলিত বয়ানের বাইরে ভিন্ন একটি বাস্তবতা সামনে আনছে। অভিযোগ উঠেছে, তাইওয়ানও ঋণকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। গ্রেনাডার সংকট ও কূটনৈতিক পরিবর্তন বহু বছর ধরে গ্রেনাডা গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০০৪ সালে হারিকেন ইভানের আঘাতে দেশটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এর পরের বছর, ২০০৫ সালে, গ্রেনাডা তাইওয়ানের পরিবর্তে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক - [তিব্বতে চীনের ‘গেটওয়ে’ পরিকল্পনায় নতুন চ্যালেঞ্জ, ভূরাজনীতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/187616/): তিব্বতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর শিগাতসের দক্ষিণে বিস্তীর্ণ মালভূমিতে গড়ে উঠছে চীনের একটি নতুন আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর। উচ্চভূমির তীব্র রোদের নিচে সেখানে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক পণ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা ও স্বয়ংক্রিয় পণ্য ওঠানামার অবকাঠামো। বেইজিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই বন্দর তিব্বতকে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিকভাবে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হয়ে উঠবে। চীনের সরকারি সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, কয়েক বিলিয়ন ইউয়ান ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি পণ্যবাহী ট্রাক পরিচালনা করতে পারবে। রেলপথে আসা পণ্য এখানে ট্রাকে তুলে চূড়ান্ত গন্তব্যে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ পণ্য পরীক্ষা এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করতে পারবে। দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে - [চীনের নতুন ড্রোনবাহী যুদ্ধজাহাজে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন, জি-২১ নিয়ে বাড়ছে সামরিক সক্ষমতার ইঙ্গিত](https://sarakhon.com/news/187613/): চীন তাদের নতুন প্রজন্মের জি-২১ গোপন হামলাকারী ড্রোনের পরীক্ষা চালাচ্ছে। একই সময়ে দেশটির সবচেয়ে আধুনিক উভচর হামলাজাহাজ সিচুয়ান টাইপ ০৭৬ চূড়ান্ত সমুদ্র পরীক্ষায় প্রবেশ করেছে। এই দুই ঘটনা চীনের নৌবাহিনীর ড্রোন পরিচালনা ও দূরপাল্লার আক্রমণ সক্ষমতায় নতুন মাত্রার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নৌবাহিনীর জন্য তৈরি গোপন হামলাকারী ড্রোন জি-২১ হলো নৌবাহিনীর জন্য তৈরি একটি গোপন হামলাকারী ড্রোন, যা জি-১১ গোপন হামলাকারী ড্রোনের নৌ সংস্করণ হিসেবে পরিচিত। গত বছরের সেপ্টেম্বরে চীনের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো এটি প্রকাশ্যে আসে। এরপর থেকে খুব কমসংখ্যক অনুষ্ঠানে বা দৃশ্যে ড্রোনটির উপস্থিতি দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছবিতে লিয়াওনিং প্রদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হুলুদাও শহরের একটি মহাসড়কের - [মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ‘বক্স ব্রিদিং’, কীভাবে কাজ করে এই সহজ শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল](https://sarakhon.com/news/187610/): ভয়, উদ্বেগ কিংবা অতিরিক্ত মানসিক চাপের মুহূর্তে অনেকেই নিজেকে স্বাভাবিক রাখার উপায় খোঁজেন। এমন পরিস্থিতিতে সহজ একটি শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল ‘বক্স ব্রিদিং’ অনেকের জন্য কার্যকর হয়ে উঠেছে। এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ছন্দে শ্বাস নেওয়া, শ্বাস ধরে রাখা এবং শ্বাস ছাড়ার মাধ্যমে শরীর ও মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। দুশ্চিন্তায় ঘুম হারাম, ভরসা বক্স ব্রিদিংয়ে ভেনেজুয়েলার লা গুয়াইরা শহরে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর নিজের পরিবার ও বন্ধুদের জন্য দুশ্চিন্তায় ছিলেন মারিয়া মেদিনা। দুর্ঘটনার সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ছিলেন, নিজের শহর থেকে প্রায় দেড় হাজার মাইল দূরে। উদ্বেগে রাতে ঘুমানোও কঠিন হয়ে পড়েছিল তার। সে সময় ঘুমহীন রাত কাটাতে তাকে সাহায্য করে বক্স - [তারেক রহমানকে দিল্লিতে কেন চায় ভারত?](https://sarakhon.com/news/187607/): প্রতিবেশী দুটি দেশের সরকারের মধ্যে চালাচালি হওয়া ই-মেইল থেকে তাদের সম্পর্কের বিষয়ে আভাস পাওয়া যাচ্ছে– এমনটা খুব বেশি দেখা যায় না। কিন্তু চলতি মাসের শুরুতে ভারতের রাষ্ট্রপতির দফতর থেকে পাঠানো এক বার্তা ঠিক সেটাই করেছিল, যা দ্রতই নজর কাড়ে কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের। বার্তায় বলা হয়, সপ্তাহের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত হওয়ার কথা থাকলেও ‘চেঞ্জ অব গার্ড’ অনুষ্ঠানিকতা বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি হিসেবে সেখানে এই মহড়া চলছিল। সমস্যা ছিল একটাই, এই সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ই-মেইলটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে এর ফলে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে - [মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যাওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের কী লাভ কী ঝুঁকি?](https://sarakhon.com/news/187604/): সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান- মুসলিম বিশ্বের এই তিন দেশ সম্প্রতি যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে, তাতে বাংলাদেশও যোগ দেবে কি না তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। একদিকে সামরিক তাৎপর্য, অন্যদিকে জোটের সম্প্রসারণের চেষ্টা দুটি মিলিয়েই এই চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশেও আগ্রহ আছে। যদিও বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এখানো চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পায়নি। যদিও চুক্তির ব্যাপারে বাংলাদেশ ‘ইতিবাচক অবস্থানে’ আছে বলে তিনি জানান। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মক্কা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া কতটা জরুরি? এই প্রশ্ন উঠছে, কারণ মক্কা জোটে যোগ দিলে ভূ-রাজনৈতিক নানা ঝুঁকির কথাও বলছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এই জোটে যোগ - [ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ন্ত্রণ চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/187601/): যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন বা সাড়ে ৬ হাজার কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল মজুত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। “এই ঐতিহাসিক লেনদেন আমেরিকার তেলের মজুত দ্বিগুণেরও বেশি বাড়াবে, আমাদের তেল সরবরাহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবে এবং সব আমেরিকানের জন্য গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে,” ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বলেছেন। ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি তার দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। এ বছর যুক্তরাষ্ট্র দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল মজুতের অধিকারী ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ কাজে লাগানোর কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান সংঘাতের কারণে - [সন্তান জন্মের পর মায়ের মনেও ঝড়: কখন স্বাভাবিক, কখন বিপদের সংকেত?](https://sarakhon.com/news/187598/): সন্তান জন্মের মুহূর্ত একটি পরিবারের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি একজন মায়ের জন্য এটি জীবনের সবচেয়ে বড় শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সময়গুলোর একটি। নতুন শিশুকে ঘিরে আনন্দ, উত্তেজনা, দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা চিন্তার পাশাপাশি অনেক মায়ের মেজাজেও দ্রুত পরিবর্তন আসতে পারে। কখনো অকারণে কান্না পেতে পারে, সামান্য বিষয়েও বিরক্তি তৈরি হতে পারে, আবার কখনো মনে হতে পারে সবকিছু একসঙ্গে সামলানো অসম্ভব। এসব অনুভূতির কিছু অংশ স্বাভাবিক এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কেটে যায়। কিন্তু সব মানসিক পরিবর্তনকে স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ সন্তান জন্মের পর বিষণ্নতা, অতিরিক্ত উদ্বেগ, আতঙ্ক, মানসিক আঘাতজনিত সমস্যা কিংবা বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর মানসিক বিকার দেখা - [গ্রিনল্যান্ডে জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণে মানবাধিকার লঙ্ঘন, তবে গণহত্যা নয়](https://sarakhon.com/news/187595/): গ্রিনল্যান্ডের নারীদের ওপর কয়েক দশক ধরে চালানো জোরপূর্বক জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। তবে এর মাধ্যমে গণহত্যা সংঘটনের আইনি সংজ্ঞা পূরণ হয়েছে—এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। শুক্রবার প্রকাশিত দুটি বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদনে এমন সিদ্ধান্ত উঠে এসেছে। সম্মতি ছাড়াই জন্মনিয়ন্ত্রণ ১৯৬০-এর দশক থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় অন্তত ৪ হাজার গ্রিনল্যান্ডিক নারী ও কিশোরীর শরীরে জরায়ুর ভেতরে স্থাপিত জন্মনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বসানো বা জন্মনিয়ন্ত্রণের ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রেই তাদের যথাযথ সম্মতি নেওয়া হয়নি। আক্রান্তদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী কিশোরীও ছিল। ১৯৬৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলেছে বলে ২০২৫ সালের একটি যৌথ অনুসন্ধানে উঠে আসে। তৎকালীন ডেনিশ কর্তৃপক্ষ গ্রিনল্যান্ডে জন্মহার ও - [ওজন কমানোর পর চেহারা ও শরীর ঠিকঠাক করতে পুরুষদের ঝোঁক প্রসাধনী চিকিৎসায়](https://sarakhon.com/news/187592/): ওজন কমানোর ওষুধে দ্রুত ওজন কমিয়ে নতুন শরীর পাওয়ার পর এবার চেহারা ও শারীরিক গঠন আরও আকর্ষণীয় করতে প্রসাধনী চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পুরুষ। অতিরিক্ত ওজন ঝরে যাওয়ার পর ঝুলে পড়া চামড়া, মুখের মেদ কমে যাওয়া, চুল পড়া এবং দাঁতের সমস্যার সমাধানে তারা বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের সাহায্য নিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, পুরুষের সৌন্দর্য নিয়ে বদলে যাওয়া ধারণা এবং দ্রুত ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তা—এই তিনটি বিষয় পুরুষদের প্রসাধনী চিকিৎসার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ওজন কমল, বদলে গেল মুখের গড়ন নিউ জার্সির ৫৭ বছর বয়সী মার্ক গত পাঁচ বছরে স্থূলতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ গ্রহণ করে প্রায় ২৩ - [শাওমির নতুন ভাঁজযোগ্য ফোনে চীনের সিএক্সএমটির অত্যাধুনিক স্মৃতি চিপ](https://sarakhon.com/news/187589/): চীনের শীর্ষস্থানীয় স্মৃতি চিপ নির্মাতা সিএক্সএমটি এবার শাওমির নতুন ভাঁজযোগ্য ফোনের জন্য তাদের সর্বাধুনিক এলপিডিডিআর৬ স্মৃতি চিপ সরবরাহ করতে যাচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে আসতে যাওয়া শাওমির নতুন ‘১৮ ফোল্ড’ ফোনে এই চিপ ব্যবহারের বিষয়টি দুই প্রতিষ্ঠানই নিশ্চিত করেছে। এক বছরেরও কম সময়ে নতুন প্রজন্মের চিপ সিএক্সএমটি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে এলপিডিডিআর৬ স্মৃতি চিপের ব্যাপক উৎপাদন শুরু করেছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি এলপিডিডিআর৫ চিপের ব্যাপক উৎপাদনে গিয়েছিল এক বছরেরও কম সময় আগে। এত দ্রুত নতুন প্রজন্মের চিপ উৎপাদনে যাওয়াকে চীনের স্মৃতি চিপ শিল্পের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোবাইল ফোনের জন্য তৈরি এলপিডিডিআর৬ হলো সিএক্সএমটির সবচেয়ে উন্নত গতিশীল র‌্যান্ডম-অ্যাকসেস স্মৃতি চিপ। - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে নতুন সংঘাত, কার্সারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করছে ওপেনএআই](https://sarakhon.com/news/187586/): ইলন মাস্ক ও স্যাম অল্টম্যানের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব এবার নতুন মাত্রা পেল। ওপেনএআই জানিয়েছে, ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মহাকাশ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের অধীনে চলে যাওয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোডিং সরঞ্জাম কার্সারের সঙ্গে তাদের চুক্তি বাতিল করা হবে। এর ফলে দুই প্রযুক্তি উদ্যোক্তার পুরোনো বিরোধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেন চুক্তি বাতিল করছে ওপেনএআই ওপেনএআইয়ের ভাষ্য, স্পেসএক্স তাদের প্রযুক্তি চুক্তির নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ব্যবহার করবে—এমন নিশ্চয়তা তারা আর পাচ্ছে না। বিশেষ করে মাস্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ কারণেই কার্সারকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওপেনএআইয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ১২ - [পশ্চিমা প্রভাবের পাল্টা শক্তি গড়তে কিরগিজস্তানে পুতিন-শি-মাসুদের সম্মেলন](https://sarakhon.com/news/187583/): মধ্য এশিয়ার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দুই দিনের গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই সম্মেলনে অংশ নেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ প্রায় এক ডজন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান। পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে নতুন শক্তির বার্তা রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মধ্য এশিয়ার চার দেশ এবং রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশকে নিয়ে গঠিত এই জোট সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুতিন ও শি জিনপিং অতীতের সম্মেলনগুলোতে একাধিকবার বহুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং পশ্চিমা শক্তির - [চেরকির অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে মুগ্ধ মারেসকা, নতুন যুগের বার্তা ম্যানচেস্টার সিটির](https://sarakhon.com/news/187580/): বৃষ্টিভেজা লন্ডনে ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় আলোচনার নাম রায়ান চেরকি। ফরাসি এই তরুণের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে কোচ এনজো মারেসকা তাকে বলেছেন ‘অবিশ্বাস্য’। মাঠে নেমেই বদলে দিলেন চেরকি মৌসুমের প্রথম ম্যাচে বোর্নমাউথের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে শুরুতে জায়গা পাননি চেরকি। বিষয়টি তাকে হতাশ করেছিল। তবে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে দুটি গোলে সহায়তা করে নিজের সামর্থ্যের জানান দেন তিনি। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে এবার শুরু থেকেই মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে তার জবাবটা ছিল আরও জোরালো। ২৩ বছর বয়সী এই ফরাসি মিডফিল্ডার করেন জোড়া গোল। তার নৈপুণ্যে আক্রমণে - [চীনা হ্যাকারদের হামলা নিয়ে দাবি সংশোধন করল যুক্তরাষ্ট্র, আক্রান্ত নয়—টার্গেট ছিল সরকারি সংস্থাগুলো](https://sarakhon.com/news/187577/): যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সরকারি সংস্থা চীনা হ্যাকারদের সাইবার হামলায় আক্রান্ত হয়েছিল—আগের এমন দাবি সংশোধন করেছে দেশটির বিচার বিভাগ। নতুন বক্তব্যে বলা হয়েছে, এসব সংস্থা মূলত হামলাকারীদের লক্ষ্যবস্তু ছিল; তবে তাদের সবাই সফলভাবে হ্যাক হয়নি। আগের দাবিতে সংশোধন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার জানিয়েছে, সিনেট, ফেডারেল রিজার্ভ, নাসা এবং আরও কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান চীন-সমর্থিত হ্যাকার গোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তু ছিল। এর আগে ২৬ আগস্ট প্রকাশিত বিবৃতিতে এসব প্রতিষ্ঠানকে হামলার শিকার বা আক্রান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। নতুন সংশোধিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি তদন্তের নথিতে স্পষ্ট করা হয়েছিল যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করা হলেও কেবল কয়েকটির নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম হয়েছিল হ্যাকাররা। বিচার বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের বিবৃতিতে - [শত বছরের ব্যর্থতার পর ক্যানসার টিকায় ঐতিহাসিক সাফল্য, বদলে যেতে পারে চিকিৎসার ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/187574/): এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে কার্যকর চিকিৎসা টিকা তৈরির চেষ্টা হয়েছে। বারবার ব্যর্থতার পর এবার সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মডার্না ও মার্কের যৌথভাবে তৈরি ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্যানসার টিকা পরীক্ষার শেষ ধাপে বড় সাফল্য দেখিয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর স্থানীয় পর্যায়ের মেলানোমা রোগীদের শরীরে টিউমার আবার ফিরে আসা কিংবা অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাতে টিকাটি কার্যকর হয়েছে। এক হাজারের বেশি রোগীকে নিয়ে করা পরীক্ষায় পাওয়া এই ফল ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আনন্দের খবর এল জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আগস্টের ১৩ তারিখ। এক বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে একটি লেবানিজ রেস্তোরাঁয় ছিলেন মডার্নার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্তেফান বানসেল। - [মস্কোর বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য পেয়েছে কিয়েভ, রাশিয়াকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/187571/): রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় সাম্প্রতিক কয়েক দিনে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তথ্য পেয়েছে ইউক্রেন। শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে এসব বৈঠকে কারা অংশ নিয়েছেন বা কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জেলেনস্কির টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, মস্কোয় সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত কয়েকটি বৈঠক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে তথ্য দিয়েছে। তিনি বলেন, এসব তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবস্থান ও সুর বজায় রাখার জন্যও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে জেলেনস্কির বক্তব্যে বৈঠকগুলোর প্রকৃতি বা সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য উঠে আসেনি। মস্কো সফর নিয়ে - [গাছে উঠে প্রাণ বাঁচানো ৮ বছরের জোয়ালের সঙ্গে মায়ের হৃদয়ছোঁয়া পুনর্মিলন](https://sarakhon.com/news/187568/): নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের মধ্যে গাছে উঠে প্রাণ বাঁচানো আট বছরের শিশু জোয়াল ঘালের সঙ্গে অবশেষে তার মায়ের দেখা হয়েছে। নিখোঁজ দুই সন্তানকে মৃত ভেবে কান্নায় ভেঙে পড়া মা মাত্তি মায়া তামাং শুক্রবার হাসপাতালে জীবিত ছেলেকে ফিরে পেয়ে যেন নতুন করে জীবন ফিরে পেলেন। নিখোঁজ সন্তানদের খুঁজে ফিরছিলেন মা বুধবার নেপালের উত্তরাঞ্চলের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হানার সময় জোয়াল ও তার ছোট ভাই স্কুলে ছিল। দুর্যোগের পর স্কুল ও আশপাশের এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলে সন্তানদের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না ২৮ বছর বয়সী মাত্তি মায়া। এক আশ্রয়কেন্দ্র থেকে আরেকটি আশ্রয়কেন্দ্র, এক সংগ্রহস্থল থেকে আরেকটি স্থানে ছুটে বেড়িয়েছেন - [ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলভাণ্ডারে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বড় নিয়ন্ত্রণ’, ট্রাম্পের নজর জ্বালানির দামে](https://sarakhon.com/news/187565/): যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে তেল নিয়ে একটি নজিরবিহীন সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রমাণিত তেলভাণ্ডারের ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি অংশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে। তবে চুক্তিটির কাঠামো, আইনি ভিত্তি এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ভেনেজুয়েলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেলভাণ্ডারের অধিকারী। কিন্তু দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ ঘাটতি, অব্যবস্থাপনা, দুর্বল অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির তেল উৎপাদন সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কমে গেছে। বর্তমানে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে। ভেনেজুয়েলার তেলে বাড়ছে মার্কিন প্রভাব ট্রাম্পের ঘোষিত সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নাটকীয়ভাবে বেড়ে - [পাকিস্তানে সিম কার্ড পাঠিয়ে ভারতের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ঢুকত পাকিস্তানি গোয়েন্দারা, দিল্লিতে দম্পতি গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/187559/): ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত একটি গুপ্তচরচক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। এ ঘটনায় ২০-এর কোঠায় থাকা এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে তারা পাকিস্তানভিত্তিক ওই চক্রের হয়ে কাজ করছিলেন এবং ভারতীয় মুঠোফোনের সিম কার্ড সংগ্রহ করে দুবাইয়ের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাঠাতেন। গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতি হলেন ২৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাহিল এবং তাঁর ২১ বছর বয়সী স্ত্রী সামিরা। দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা ২৮ আগস্ট তাদের গ্রেপ্তারের কথা জানায়। ভারতীয় সিম ব্যবহার করে পাকিস্তান থেকে হোয়াটসঅ্যাপ পরিচালনা তদন্তকারীদের দাবি, দম্পতির সংগ্রহ করে পাঠানো ভারতীয় সিম কার্ড পাকিস্তানে সক্রিয় করে সেগুলো দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ চালাত পাকিস্তানি গোয়েন্দা - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বড় আশাবাদ, সুদ বাড়ানোর দরজাও খোলা—ফেডপ্রধান কেভিন ওয়ার্শের জ্যাকসন হোল বক্তৃতায় যে ৩ বার্তা](https://sarakhon.com/news/187557/): যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের সামনে জ্যাকসন হোল সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন কেভিন ওয়ার্শ। তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত এই বক্তৃতায় উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি, সুদের হার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ পদ্ধতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে ওয়ার্শকে ঘিরে মূল প্রশ্ন ছিল—তিনি মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় কতটা কঠোর হবেন, ভবিষ্যতে সুদের হার কোন পথে যেতে পারে এবং বাজারকে আগাম নীতির ইঙ্গিত দেওয়ার প্রচলিত ফেড-সংস্কৃতি তিনি আদৌ বজায় রাখবেন কি না। বক্তৃতায় তিনি সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের সুদের হার নির্ধারণ করেননি। তবে - [স্কটল্যান্ডের কোন দুর্গে যাবেন, আর কোনটি এড়িয়ে চলাই ভালো—স্থানীয়ের চোখে সেরা তালিকা](https://sarakhon.com/news/187554/): স্কটল্যান্ড বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়, বিশাল জলরাশি, হাইল্যান্ডের গরু আর শত শত বছরের পুরোনো দুর্গ। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব দুর্গের কোনোটি ইতিহাস ও স্থাপত্যের জন্য অসাধারণ, আবার কোনোটি কেবল চোখ ধাঁধানো দৃশ্যের জন্যই পর্যটকদের টানে। স্কটল্যান্ডে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এক স্থানীয় ভ্রমণকারীর অভিজ্ঞতায় দেশটির এক ডজনেরও বেশি জনপ্রিয় দুর্গ ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে। তাঁর মতে, কয়েকটি দুর্গ এমন আছে যেখানে বারবার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে। আবার একটি বিখ্যাত দুর্গে দ্বিতীয়বার যাওয়ার তেমন আগ্রহও তৈরি হয়নি। স্টার্লিং দুর্গে ইতিহাসের সঙ্গে মিলবে অসাধারণ দৃশ্য প্রথমবার স্কটল্যান্ড ভ্রমণকারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুপারিশ করা হয়েছে স্টার্লিং দুর্গকে। রাজধানীর বিখ্যাত দুর্গের - [মেটার ১৮ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতা: কিশোরদের জন্য বদলাবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম, চাপ বাড়ছে টিকটক-ইউটিউবেও](https://sarakhon.com/news/187552/): কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তাদের আসক্ত করে তোলার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৮ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতায় পৌঁছেছে মেটা প্ল্যাটফর্মস। আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এই চুক্তির মধ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিটির বিরুদ্ধে রাজ্যগুলোর সমন্বিত সবচেয়ে বড় আইনি পদক্ষেপের অবসান হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে বুধবার সমঝোতার ঘোষণা আসে। এর মাত্র আট দিন আগে মামলাটির ঐতিহাসিক ফেডারেল বিচার শুরু হয়েছিল। ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সির নেতৃত্বে রাজ্যগুলোর জোট ১৮ আগস্ট বিচার শুরুর সময় উদ্বোধনী বক্তব্য দিয়েছিল। ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি সাক্ষ্য দেওয়ার পরদিনই সমঝোতার ঘোষণা আসে। মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও সাক্ষ্য দেওয়ার তালিকায় - [নিকেতু ইরালু: শান্তির এক সাহসী সেতু](https://sarakhon.com/news/187548/): নিকেতু ইরালুর চলে যাওয়া উত্তর-পূর্ব ভারতের শান্তি ও পুনর্মিলনের ইতিহাসে এমন এক শূন্যতা তৈরি করেছে, যা কেবল একজন ব্যক্তির মৃত্যুর শোক দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। তিনি ছিলেন এমন এক মানুষ, যিনি নাগা সমাজের দীর্ঘ, রক্তাক্ত ও জটিল সংঘাতের মধ্যে সংলাপের সম্ভাবনাকে জীবিত রেখেছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল কোনো রাজনৈতিক পদ বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা নয়; ছিল মানুষের কথা শোনার ক্ষমতা এবং এমন সময়ে কথা বলার সাহস, যখন কথা বলাটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের ব্যক্তিগত পরিচয় থেকে আমি জানি, নিকেতু শুধু একজন শান্তিকর্মী ছিলেন না। তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ, যার কাছে ব্যক্তিগত আস্থা রাখা যেত। তাঁর পরামর্শে - [ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট](https://sarakhon.com/news/187543/): পোলাওয়ের চালের দাম দ্বিগুণ, অথচ কৃষকের ঘরে ধান নেই প্রথম আলো, রাজশাহীতে ছয় মাস আগে যে পোলাওয়ের চাল ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে, এখন তার দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জীবনে তাঁরা পোলাওয়ের চালের দাম এত বাড়তে দেখেননি। এদিকে কৃষকেরা জানান, উৎপাদন মৌসুমে তাঁরা যে দামে ধান বিক্রি করেছিলেন, এখন সেই দাম প্রায় দ্বিগুণ। তবে কোনো কৃষকের ঘরেই আর ধান নেই। কৃষকের হাতছাড়া হওয়ার পরই দামের এই ঊর্ধ্বগতি ঘটেছে। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের অনেকের মতে, বিদেশে রপ্তানির কারণেই বাজারে পোলাওয়ের চালের দাম বেড়েছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিনটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি মোট ১ হাজার ৫৩০ মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করেছে। প্রধানত ব্রি-৩৪ (চিনিগুঁড়া) - [নতুন বিশ্বব্যবস্থায় ভারতীয় শিল্পের ঘুম ভাঙার সময় এখনই](https://sarakhon.com/news/187488/): বিশ্ব অর্থনীতির যে কাঠামোকে আমরা এতদিন স্থায়ী বলে ধরে নিয়েছিলাম, তার ভিত্তি এখন নড়বড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূল দর্শন ছিল তুলনামূলক সুবিধার ভিত্তিতে বাণিজ্য, বহুপাক্ষিক নিয়ম এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই কাঠামোর জায়গায় ক্রমশ এমন এক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যেখানে জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক শক্তি এবং কৌশলগত সক্ষমতা বাণিজ্যনীতিকে পরিচালিত করছে। ২০২৫ সালে নতুন মার্কিন প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই পরিবর্তন আরও দৃশ্যমান হয়েছে। শুল্ক এখন শুধু রাজস্ব আদায়ের মাধ্যম নয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার। শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, সেমিকন্ডাক্টর কিংবা উন্নত প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকারও হয়ে উঠেছে কৌশলগত অস্ত্র। যুদ্ধের - [খাবারের নিশ্চয়তা থেকে শান্তির রাজনীতি: যুদ্ধের আড়ালে মানুষের আসল প্রয়োজন](https://sarakhon.com/news/187463/): যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা সাধারণত অস্ত্র, কৌশল, ভূরাজনীতি ও সামরিক শক্তির হিসাবেই আটকে থাকে। কোন পক্ষ কতটা শক্তিশালী, কার হাতে কত উন্নত অস্ত্র, কোথায় সামরিক ঘাঁটি তৈরি হচ্ছে—এসব প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যুদ্ধের সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্নটি প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়: যুদ্ধের মধ্যে থাকা সাধারণ মানুষ কীভাবে বেঁচে থাকে? সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সেই প্রশ্নটিকেই অন্যভাবে সামনে এনেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের প্রায় ৫ হাজার নাবিক খাবারের সংকটে পড়েছেন বলে জানানো হয়েছে। ২৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েন থাকার পর তাদের খাবারের বৈচিত্র্য কমে এসেছে এবং দৈনিক খাবারের পরিমাণও সীমিত করা হয়েছে। খাবারের অভাবের - [কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা](https://sarakhon.com/news/187522/): কক্সবাজারের একটি পাঁচতারা হোটেলের গাড়ি রাখার জায়গা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্রে অসঙ্গতি পাওয়ার পর এগুলো জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে কীভাবে গাড়িগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে তিন গাড়ি জব্দ আজ ভোরে অভিযান চালিয়ে একটি ২০২১ সালের টয়োটা সুপ্রা, একটি হোন্ডা সিভিক এবং একটি ২০২০ সালের মাজদা এমএক্স-৫ মিয়াটা জব্দ করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভি আহমেদ বিষয়টি জানিয়েছেন। জব্দ করা তিনটি গাড়ির মধ্যে দুটির কোনো নম্বরপ্লেট ছিল না। গাড়ির সঙ্গে থাকা - [কারাগারে ইমরান খানকে হত্যা করা হচ্ছে—বাবার জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় দুই ছেলে](https://sarakhon.com/news/187534/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা ও কারাগারে তাঁর জীবনযাপন নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন তাঁর দুই ছেলে সুলেমান খান ও কাসিম খান। তাঁদের অভিযোগ, ইমরানকে দীর্ঘ সময় একাকী বন্দি রাখা হচ্ছে, পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না এবং কারাগারের পরিবেশও অত্যন্ত কঠিন। তাঁদের আশঙ্কা, ইমরানের জীবন এখন গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সম্প্রতি সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ও ধারাভাষ্যকার মাইকেল আথারটনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইমরানের দুই ছেলে তাঁদের বাবার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। লর্ডসে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালে ২৭ আগস্ট সাক্ষাৎকারটি প্রচারিত হয়। এক চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা কাসিম খান জানান, তাঁর বাবা একটি চোখের প্রায় - [ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল, ইউক্রেনে বড় পদক্ষেপের সুযোগ দেখছে পুতিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট](https://sarakhon.com/news/187533/): ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ক্ষয় হয়েছে—এমন মূল্যায়ন করছে রাশিয়া। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মস্কোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও ইউরোপীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। এই গোয়েন্দা মূল্যায়নের মধ্যেই মঙ্গলবার গোপন সফরে মস্কো যান মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ। ২০২১ সালের শেষ দিকে তৎকালীন সিআইএ পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নসের সফরের পর র‌্যাটক্লিফই প্রথম দায়িত্বে থাকা সিআইএ প্রধান হিসেবে মস্কো গেলেন। রুশ গোয়েন্দা প্রধানের সঙ্গে গোপন বৈঠক র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফরের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির ভাষ্য - [বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার ও সুশাসনে নতুন উদ্যোগ, গঠিত হলো শিক্ষক অ্যালায়েন্স](https://sarakhon.com/news/187525/): নবগঠিত বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্সের পরিচিতি সভা ও ‘শিক্ষা খাতে সুশাসন: নিয়োগ, বরাদ্দ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, এমপি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত। সভায় বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষা খাতে নিয়োগ ও বরাদ্দে স্বচ্ছতার দাবি আলোচনায় শিক্ষা খাতে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক - [ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে লাল সতর্কতা লেবেল, জনরোষের পর অবস্থান বদল সরকারের](https://sarakhon.com/news/187506/): প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা চর্বির মাত্রা সহজে বোঝাতে সামনের অংশে সতর্কতামূলক লেবেল চালুর প্রস্তাব করেছে ভারতের খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পখাতের আপত্তির পর জনরোষ ও সুপ্রিম কোর্টের চাপের মধ্যে অবস্থান বদলে শুক্রবার এ প্রস্তাব আদালতে জমা দিয়েছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)। প্রস্তাবটি ভারতের ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি মূল্যের খাদ্য ও পানীয় বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশটির বাজারে বড় ও ছোট—দুই ধরনের খাদ্য উৎপাদকই সক্রিয়। কোকা-কোলা এবং নেসলে ও পেপসিকোর প্রতিনিধিত্বকারী শিল্প সংগঠনগুলো আগে এমন সতর্কতামূলক লেবেলের বিরোধিতা করে আসছিল। লাল ষড়ভুজে থাকবে পুষ্টি সতর্কতা এফএসএসএআইয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো প্যাকেটজাত - [জলাশয়ের নাম বদলে ট্রাম্পের উদ্যোগে ধাক্কা, মার্কিনদের আগ্রহ নেই: সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষক](https://sarakhon.com/news/187518/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ভৌগোলিক নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জলাশয়, উপসাগর বা ভৌগোলিক স্থানের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া গেলেও সাধারণ মার্কিন নাগরিকরা সেই পরিবর্তনকে নিজেদের দৈনন্দিন জীবনে গ্রহণ করছেন না। বরং বহু ক্ষেত্রে পুরোনো নামই মানুষের কথাবার্তায় বহাল থাকছে। সিএনএনের প্রধান তথ্য বিশ্লেষক হ্যারি এনটেন শুক্রবারের এক বিশ্লেষণে এমন প্রবণতাই তুলে ধরেছেন। তাঁর বিশ্লেষণের মূল বক্তব্য হলো, প্রশাসনিকভাবে কোনো স্থানের নাম পরিবর্তন করা আর মানুষের ভাষা ও অভ্যাসে সেই পরিবর্তন প্রতিষ্ঠা করা—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। সরকারি সিদ্ধান্ত বনাম মানুষের ব্যবহার কোনো ভৌগোলিক স্থানের সরকারি নাম পরিবর্তন করা তুলনামূলকভাবে সহজ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরকারি - [পেনসিলভানিয়ায় ভয়াবহ হাম ছড়িয়ে পড়ছে, ঝুঁকিতে টিকাদান-অযোগ্য শিশুরা](https://sarakhon.com/news/187513/): যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের অ্যামিশ অধ্যুষিত এলাকায় হাম বা মিজেলসের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এমন শিশু ও মানুষের মধ্যে, যারা বয়স, শারীরিক অবস্থা কিংবা দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে সহজে টিকা নিতে পারেন না। চলতি বছর পেনসিলভানিয়ায় প্রায় ৪০০টি হাম সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর প্রায় অর্ধেকই ল্যাঙ্কাস্টার কাউন্টিতে। মঙ্গলবার রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই কাউন্টিতে হাম আক্রান্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৩৫ বছরের মধ্যে সেখানে হামজনিত মৃত্যুর এটিই প্রথম ঘটনা। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে হাম সংক্রমণের আশঙ্কা ড্যানভিলের একটি হাসপাতালে প্রায় দুই মাস ধরে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ব্রিটানি নিকোল স্পোনেনবার্গের অপরিণত শিশুটির ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্র - [নেপালে বন্যার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা:আগাম সতর্কতার সীমাবদ্ধতা](https://sarakhon.com/news/187512/): নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ১ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। এর মধ্যেই চীন সীমান্তবর্তী বিধ্বস্ত উপত্যকাগুলোতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় জীবিতদের সন্ধান ও উদ্ধারকাজ আরও জটিল হয়ে পড়েছে। বুধবারের দুর্যোগে সৃষ্ট ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে নতুন প্লাবনের ঝুঁকি, যা উদ্ধারকারীদের জন্য পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। নতুন প্লাবনের আশঙ্কায় উদ্ধারকাজে বাড়ছে ঝুঁকি শুক্রবার নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোর নদীতে কাদামিশ্রিত পানির প্রবাহ সামান্য বাড়ার খবর পায়। ঝুঁকি দেখা দিলে উদ্ধার ও ত্রাণকর্মীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রিশুলি বাজারেও পুলিশ মাইকিং করে মানুষকে উঁচু - [ইরান ছয় মাস পরও অটুট, যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/187493/): ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর ছয় মাস পরও তেহরানের শাসনব্যবস্থা টিকে আছে। বিপুল সামরিক হামলা ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরানকে নিজেদের শর্তে আনতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। এখন সামরিক যুদ্ধের পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পথে হাঁটছে ওয়াশিংটন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, নতুন কৌশলেও আগের ফলাফল বদলানোর নিশ্চয়তা নেই। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচালিত সেই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন। খামেনির ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা গুরুতর আহত হন। কয়েক সপ্তাহের তীব্র বোমাবর্ষণে ইরানের বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। - [জিন কেটে চিরতরে উচ্চ কোলেস্টেরল দূর করার আশায় বিজ্ঞানীরা](https://sarakhon.com/news/187505/): একবারের জিন সম্পাদনেই কি আজীবনের জন্য উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব? নতুন গবেষণার ফল বলছে, সেই সম্ভাবনা এখন আর কল্পনা নয়। পরীক্ষামূলক একটি চিকিৎসায় মাত্র একবার জিনের নির্দিষ্ট অংশ পরিবর্তন করার পর বিপজ্জনক মাত্রার কোলেস্টেরল প্রায় অর্ধেক কমে গেছে এবং এই সুফল এক বছর পরও বজায় রয়েছে। গবেষণাটি ছোট পরিসরে হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রাথমিক পরীক্ষায় মাত্র ১৫ জন অংশ নেন। তাদের সবারই ছিল অত্যন্ত বেশি মাত্রার কোলেস্টেরল, যা প্রচলিত ওষুধে যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। পরীক্ষায় বিভিন্ন মাত্রার জিন-সম্পাদনকারী চিকিৎসা প্রয়োগ করে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করা হয়। একবারের চিকিৎসা, এক বছর - [৪ হাজার বছর আগে যে ডলফিন বাঁচিয়েছিল মানুষকে, এবার সেই শহরই বাঁচাবে ডলফিনকে](https://sarakhon.com/news/187500/): ইতালির পুগলিয়া অঞ্চলের শহর তারান্তোর সঙ্গে ডলফিনের সম্পর্ক যেন ইতিহাস, পুরাণ আর সমুদ্রের এক আশ্চর্য মেলবন্ধন। প্রায় চার হাজার বছর আগে গ্রিক পুরাণের কাহিনিতে একটি ডলফিন সমুদ্রযাত্রায় বিপদে পড়া তারাসকে উদ্ধার করে তীরে পৌঁছে দিয়েছিল। সেই তারাসই পরে যে শহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেটিই আজকের তারান্তো। হাজার হাজার বছর পর সেই পুরাণের গল্প যেন নতুন অর্থ নিয়ে ফিরে এসেছে। এবার তারান্তো শহর বন্দিদশায় থাকা ডলফিনদের জন্য সমুদ্রের বুকেই তৈরি করছে একটি নিরাপদ আশ্রয়। উদ্দেশ্য, দীর্ঘদিন কংক্রিটের জলাধারে বন্দি থাকা ডলফিনদের এমন একটি পরিবেশ দেওয়া, যেখানে তারা অন্তত সমুদ্রের স্বাভাবিক জীবনের কাছাকাছি ফিরতে পারে। পুরাণ থেকে বাস্তবের গল্প ডলফিন তারান্তোর পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে - [চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা পদ্মার বিলে একসঙ্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187468/): চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের চর চাকলা এলাকায় মরা পদ্মার বিলে গোসল করতে নেমে একসঙ্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আপন দুই বোনও রয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচ শিশু হলো চর চাকলা গ্রামের নিজা উদ্দিনের দুই মেয়ে সুমাইয়া (১১) ও সুরাইয়া (৯), একই এলাকার মাসুদ আলীর দুই মেয়ে সুমাইয়া (১১) ও আরিবা (৮) এবং শরিফুল ইসলামের মেয়ে শরীফা (১১)। গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মৃত্যু স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে পাঁচ শিশু একসঙ্গে মরা পদ্মার বিলে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে তারা পানিতে ডুবে যায়। ঘটনাটি স্থানীয় এক ব্যক্তির নজরে এলে তিনি বিষয়টি - [ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে ট্রাম্প-পুতিন, গোপন সিআইএ সফরে উন্মোচিত অভিন্ন সংকট](https://sarakhon.com/news/187497/): রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফের আকস্মিক সফর ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। ইউক্রেন ও ইরান—দুটি আলাদা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া বিপরীত পক্ষকে সমর্থন করলেও, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন নিজেদের শুরু করা যুদ্ধের প্রায় একই ধরনের কৌশলগত ফাঁদে আটকে পড়েছেন। র‍্যাটক্লিফের মস্কো সফর এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপের মধ্যকার শক্তির ভারসাম্যেও বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করেছে। মস্কোয় র‍্যাটক্লিফের আকস্মিক সফর যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাপ্রধানের রাশিয়া সফরের আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত খুব বেশি প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের - [শত্রুর পেছনে ৩২০ কিলোমিটার উড়ে যাবে ব্রিটিশ সেনা, পিঠে থাকবে ‘উড়ন্ত ব্যাগ’](https://sarakhon.com/news/187494/): শত্রুপক্ষের সীমানার অনেক ভেতরে সেনা পাঠানোর জন্য প্রচলিত বিমান, হেলিকপ্টার কিংবা প্যারাসুটের ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে এগোচ্ছে যুক্তরাজ্য। পিঠে বহন করা যায় এমন শক্তিচালিত প্যারাগ্লাইডার ব্যবহার করে ব্রিটিশ সেনাদের শত্রুর পেছনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন এই উড়ন্ত ব্যবস্থা একবার উড্ডয়নের পর সর্বোচ্চ ২০০ মাইল বা প্রায় ৩২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে পারবে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পে প্রায় ৬০ লাখ পাউন্ড বিনিয়োগ করছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রয়্যাল মেরিন ও প্যারাসুট রেজিমেন্টের সদস্যদের নিয়ে এর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সামরিক বাহিনীর বিশেষ অভিযানে দ্রুত, নীরব এবং তুলনামূলকভাবে কম দৃশ্যমানভাবে সেনা প্রবেশ করানোর নতুন পথ - [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে ফের খেলার মাঠ সংস্কার](https://sarakhon.com/news/187485/): জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলসংলগ্ন খেলার মাঠের সংস্কারকাজ প্রশাসনের সাময়িক স্থগিতাদেশের মধ্যেই আবার শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাঠে কাজ শুরু করলে তা বন্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা সেখানে যান। তবে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থীর বাধার মুখে তারা কাজ বন্ধ করতে পারেননি। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের তর্কাতর্কির ঘটনাও ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুস সাত্তার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিষয়টি শিক্ষার্থীদের ব্যাখ্যা করলেও সংস্কারকাজ চলতে থাকে। প্রশাসনের তদন্তের মধ্যেই কাজ ফের শুরু সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুস সাত্তার বলেন, সকালে কাজ পুনরায় শুরুর খবর পেয়ে উপাচার্য তাকে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের - [১০ দিনের বিরতির পর ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে এক দিনেই যুক্তরাজ্যে প্রায় ৫০০ অভিবাসী](https://sarakhon.com/news/187481/): টানা ১০ দিনের বিরতির পর আবারও ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন প্রায় ৫০০ অভিবাসী। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত সাতটি নৌকা সফলভাবে চ্যানেল অতিক্রম করে ব্রিটিশ জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে এসব নৌকায় থাকা ৪৯৪ জনকে কেন্টের ডোভার এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা কমান্ডের কেন্দ্রে নেওয়া হয়। এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন চলতি বছরে ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করা অভিবাসীর মোট সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফলে এক দিনে প্রায় ৫০০ মানুষের আগমন সামগ্রিকভাবে কমে আসা প্রবণতার মধ্যেও নতুন করে মনোযোগ তৈরি করেছে। ১৭ আগস্টের পর প্রথম বড় আগমন সর্বশেষ ১৭ আগস্ট ছোট নৌকায় - [লন্ডনে ইহুদি সম্প্রদায়ের চার অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগ, দোষ স্বীকার চার তরুণের](https://sarakhon.com/news/187482/): উত্তর-পশ্চিম লন্ডনে ইহুদি সম্প্রদায়ের ব্যবহৃত চারটি অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চার তরুণ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন। ওই হামলায় প্রায় ১০ লাখ পাউন্ডের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২০ বছর বয়সী হামজা ইকবাল, ১৯ বছর বয়সী রেহান খান এবং ১৮ বছর বয়সী জুডেক্স আতশাতশি ও সাইফ আলী এমন একটি অভিযোগে নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে তারা সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করার সময় মানুষের জীবন বিপন্ন হতে পারে—এমন ঝুঁকি সম্পর্কে বেপরোয়া ছিলেন। ভোররাতে চার অ্যাম্বুলেন্সে আগুন গত ২৩ মার্চ ভোররাতে লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ইহুদি সম্প্রদায়ের দাতব্য সংস্থা হাটজোলার পরিচালিত চারটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে অ্যাম্বুলেন্সগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। - [নেপাল-তিব্বত আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩০০ ভারতীয়, স্বপ্নের তীর্থযাত্রায় গিয়ে দুই নারীও নিখোঁজ](https://sarakhon.com/news/187467/): নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর প্রায় ৩০০ ভারতীয় নাগরিকের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতার দুই নারী—৪৩ বছর বয়সী শুভশ্রী চক্রবর্তী এবং ৫৪ বছর বয়সী রিনা ব্যানার্জি। দুজনই কৈলাস পর্বত তীর্থযাত্রার উদ্দেশ্যে নেপাল হয়ে তিব্বতের পথে ছিলেন। দুই পরিবারের কাছেই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তারা কি তিব্বতের সীমান্ত পেরোতে পেরেছিলেন, নাকি ভয়াবহ বন্যার সময় নেপালেই আটকা পড়েছিলেন? শেষ বার্তা এসেছিল সকাল ৮টা ৩ মিনিটে শুভশ্রী চক্রবর্তীর স্বামী সুদীপ্ত ভট্টাচার্য এখনও স্ত্রীর শেষ বার্তাগুলো ভুলতে পারছেন না। ২৬ আগস্ট সকালে নেপাল সীমান্তের অভিবাসন প্রক্রিয়া শেষ করার পর শুভশ্রী তাঁর পাসপোর্টে লাগানো প্রস্থানের সিলের একটি ছবি স্বামীকে পাঠান। সময় তখন - [পাকিস্তানের অর্থনীতিতে উদযাপনের মতো তেমন কিছু নেই](https://sarakhon.com/news/187474/): পাকিস্তানের অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়েছে—বিশ্বের বিভিন্ন ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা ও ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গত কয়েক বছর ধরে প্রায় একই ধরনের মূল্যায়নই শুনে আসছে দেশটি। কিন্তু সেই সঙ্গে বারবার বলা হচ্ছে, অর্থনীতিতে এখনো বড় ধরনের ঝুঁকি রয়ে গেছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের ঋণমান কিছুটা উন্নীত করার সময়ও একই ধরনের মন্তব্য করেছে মুডিজ। ফলে নতুন মূল্যায়নটি পুরোনো কথাকেই নতুন সংখ্যায় উপস্থাপন করেছে। স্থিতিশীলতা, নাকি স্থবিরতা একই ধরনের মূল্যায়ন বছরের পর বছর ফিরে আসাটাই আসলে পাকিস্তানের অর্থনীতির বড় সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। অর্থনীতির সামষ্টিক সূচকগুলো হয়তো আগের মতো দ্রুত অবনতি ঘটাচ্ছে না, কিন্তু এর ভেতরের কাঠামোগত পরিবর্তনও খুব একটা হচ্ছে না। অর্থাৎ অর্থনীতি যেন এগিয়ে যাওয়ার বদলে - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধাক্কায় বিশ্ব ভয়াবহ পরিবর্তনের মুখে, প্রস্তুতি নেই: বিল গেটস](https://sarakhon.com/news/187471/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারে বিশ্ব যে বড় ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, তার জন্য মানবসভ্যতা এখনো বিপজ্জনকভাবে অপ্রস্তুত বলে সতর্ক করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তাঁর আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান বিলুপ্ত করবে না, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সামাজিক যোগাযোগের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ইতিহাসের সবচেয়ে অস্থির সময়গুলোর একটি হতে পারে বিল গেটস তাঁর ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশিত প্রায় ছয় হাজার শব্দের এক দীর্ঘ প্রবন্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, মানবসভ্যতা যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করছে, তখন এই পরিবর্তন - [টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে আদিয়ালা কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে বোন নূরিন নিয়াজির সাক্ষাৎ](https://sarakhon.com/news/187462/): ইসলামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে মঙ্গলবার আদিয়ালা কারাগারে দেখা করেছেন তাঁর বোন নূরিন নিয়াজি। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো। ইমরান খানের মে মাসে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ আগস্ট সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিলেন, কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সপ্তাহে একবার সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে তাঁর দুই ছেলের সঙ্গে সপ্তাহে দুবার টেলিফোনে কথা বলার ব্যবস্থাও করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশনার পর ইমরান খানের পরিবার আদালতকে আশ্বস্ত করেছিল যে, সাক্ষাতের পর তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলবে না। প্রায় ৪৫ মিনিটের সাক্ষাৎ ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের আইনজীবী আওয়াইস ইউনূস - [যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে কারফিউ ও দৈনিক সময়সীমা](https://sarakhon.com/news/187449/): যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বড় ধরনের বিধিনিষেধ আসছে। শিশু-কিশোরদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে অতিরিক্ত আসক্তি তৈরি করার অভিযোগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে মেটা। বুধবার হওয়া এই সমঝোতাকে কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমঝোতার আওতায় কিশোরদের জন্য রাতের নির্দিষ্ট সময়ে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, দৈনিক ব্যবহারের সময়সীমা, বয়স যাচাইয়ের কঠোর ব্যবস্থা এবং অভিভাবকদের জন্য বাড়তি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ১১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের অর্থ পরিশোধ সমঝোতা অনুযায়ী মেটাকে ১০টি বার্ষিক কিস্তিতে মোট প্রায় ১১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো একই ধরনের চুক্তিতে সম্মত হলে মেটাকে আরও ৫ - [পাঞ্জাবে ক্যানসারের উন্নত চিকিৎসা আরও বিস্তৃত, বসছে পাঁচ নতুন ক্রায়োঅ্যাবলেশন যন্ত্র](https://sarakhon.com/news/187426/): পাঞ্জাবে ক্যানসার রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসার সুযোগ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রাদেশিক সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে পাঁচটি নতুন ক্রায়োঅ্যাবলেশন যন্ত্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে যন্ত্রগুলো কেনার পর ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে। লাহোরসহ চার হাসপাতালে বসবে নতুন যন্ত্র নতুন পাঁচটি যন্ত্রের মধ্যে দুটি স্থাপন করা হবে লাহোরের নওয়াজ শরিফ ক্যানসার ইনস্টিটিউটে। বাকি তিনটি করে একটি করে যাবে নিশতার হাসপাতাল, অ্যালাইড হাসপাতাল এবং বেনজির ভুট্টো হাসপাতালে। ক্রায়োঅ্যাবলেশন এমন একটি আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ক্যানসার আক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয়। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি তুলনামূলকভাবে কম আক্রমণাত্মক - [মানুষের উপস্থিতিতে বদলে যায় বন্যপ্রাণীর আচরণ, ৪,৫০০ প্রাণীর গবেষণায় নতুন তথ্য](https://sarakhon.com/news/187455/): মানুষের সরাসরি উপস্থিতি বন্যপ্রাণীর চলাফেরা ও আবাসস্থল ব্যবহারে বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়েও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৪ হাজার ৫০০টির বেশি প্রাণীর ওপর চালানো নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি মানুষের উপস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদি ভূমি পরিবর্তনের প্রভাবকে আলাদাভাবে বোঝার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। গবেষণায় প্রাণীর জিপিএস ও মানুষের চলাচলের তথ্য ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান্তা বারবারা (ইউসিএসবি), স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল জু অ্যান্ড কনজারভেশন বায়োলজি ইনস্টিটিউট এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা যৌথভাবে গবেষণাটি পরিচালনা করেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ প্রজাতির প্রাণীর জিপিএস তথ্যের সঙ্গে বেনামি মোবাইল ফোন লোকেশন ডেটা মিলিয়ে দেখেন। গবেষকেরা ২০১৯ ও ২০২০ সালের তুলনীয় সময়ের প্রতি সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এতে ৪ হাজার - [হানইয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের চাকরির সেতুবন্ধন, ক্যারিয়ার মেলায় রেকর্ড অংশগ্রহণ](https://sarakhon.com/news/187452/): দক্ষিণ কোরিয়ায় পড়াশোনা শেষে চাকরি করে দেশটিতে থেকে যেতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে হানইয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের (HYU) গ্লোবাল ক্যারিয়ার ফেয়ার। গত বছরের আগস্টে শুরু হওয়া এই চাকরি মেলায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কোরীয় কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণও দ্রুত বাড়ছে। বৃহস্পতিবার সিউলের সিওংডং জেলার হানইয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত তৃতীয় HYU Global Career Fair-এ অংশ নেন ২ হাজার ৫২৬ জন শিক্ষার্থী এবং ৩৫টি কোম্পানি। গত বছরের প্রথম আয়োজনে ৫৬০ জন শিক্ষার্থী ও ১১টি কোম্পানি অংশ নিয়েছিল। চলতি বছরের মার্চে দ্বিতীয় আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ২১ জন এবং কোম্পানি ছিল ২৬টি। ক্যারিয়ারের লক্ষ্য খুঁজে পাওয়ার সুযোগ ইন্দোনেশিয়ার ২১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী অ্যাঞ্জেলিনা - [অর্থনীতি ভালো দেখালেও কেন স্বস্তিতে নেই যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ](https://sarakhon.com/news/187448/): যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বাইরে থেকে দেখলে বেশ শক্তিশালী বলেই মনে হতে পারে। কর্মসংস্থান আছে, মানুষ খরচ করছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঘিরে বিনিয়োগ বাড়ছে, উৎপাদনও কিছু ক্ষেত্রে গতি পেয়েছে। কিন্তু এই ইতিবাচক চিত্রের আড়ালে জমে আছে অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ। ফলে অর্থনীতির পরিসংখ্যান যতটা আশাব্যঞ্জক, সাধারণ মানুষের অনুভূতি ততটা স্বস্তির নয়। মূল্যস্ফীতি কমেছে, কিন্তু স্বস্তি ফেরেনি মহামারির পর সরবরাহব্যবস্থার সংকট, হঠাৎ বেড়ে যাওয়া চাহিদা এবং সরকারি ব্যয়ের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৯৮০-এর দশকের পর সবচেয়ে দ্রুতগতির সুদহার বৃদ্ধির পথে হাঁটে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করে এবং পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও কিছুটা - [নেপালের ভোতে কোশি: বন্যা নয়, প্রস্তুতির ঘাটতিই বড় বিপদ](https://sarakhon.com/news/187443/): নেপালের ভোতে কোশি নদীতে বুধবারের আকস্মিক বন্যা আবারও দেখিয়ে দিল, সীমান্তবর্তী দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু দ্রুত প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট নয়। চীনের দিক থেকে নেমে আসা প্রবল ঢল রাসুয়া জেলার তিমুরে ও স্যাব্রুবেশিতে আঘাত হানে এবং মুগলিন পর্যন্ত নদীর তীরবর্তী এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করতে হয়। বহু মানুষ ভেসে যাওয়ার খবর এসেছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ নদীর নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণ নেই। বরং আসল প্রশ্নটি আরও অস্বস্তিকর: গত বছরের একই ধরনের বিপর্যয়ের পর নেপাল কী শিখেছে? এক বছরের ব্যবধানে একই বিপদ ভোতে কোশির এই - [জাতিসংঘ মহাসচিব নির্বাচন: স্বচ্ছতার দাবিতে মিসরের কূটনৈতিক চাপ](https://sarakhon.com/news/187440/): জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—এটি শুধু একজন নতুন প্রশাসনিক প্রধান বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণ এবং জাতিসংঘের প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থার প্রশ্ন। ১৯ আগস্ট ২০২৬ নিরাপত্তা পরিষদের এক উন্মুক্ত বিতর্কে মিসর যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবি তুলেছে, তার গুরুত্ব এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটেই বিবেচনা করা প্রয়োজন। কায়রোর অবস্থানের মূল কথা হলো, মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে আরও স্পষ্ট, পূর্বানুমানযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক করতে হবে। মিসর নিরাপত্তা পরিষদের কাছে একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি ও স্বচ্ছ কার্যপদ্ধতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ পরিষদের সভাপতির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং জাতিসংঘের সব সদস্য রাষ্ট্রকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার - [নেপালে ভয়াবহ ভোতেকোশি বন্যা: বাড়ছে মরদেহ উদ্ধারের চাপ](https://sarakhon.com/news/187436/): নেপালের উত্তরাঞ্চলে ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যার তৃতীয় দিনেও পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হয়নি। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৯৭৭ জন, যাদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বুধবার সকালে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছাকাছি রাসুয়ার টিমুরে ও স্যাফ্রুবেশি এলাকায় আকস্মিক ও শক্তিশালী বন্যা আঘাত হানে। ভোতেকোশি নদী দিয়ে নেমে আসা প্রবল স্রোত ও ধ্বংসাবশেষ সড়ক, সেতু, ভবনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করে। মানুষের পাশাপাশি যানবাহন ও স্থাপনাও স্রোতে ভেসে যায়। পরে বন্যার পানি ত্রিশূলী নদী ব্যবস্থায় প্রবেশ করায় বিপর্যয়ের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে - [বন্যার্তদের একা ফেলে রাখার সময় নয়](https://sarakhon.com/news/187431/): নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তা কেবল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা নয়; এটি একটি সমাজ কতটা মানবিক, সংগঠিত ও দায়িত্বশীল—তারও কঠিন পরীক্ষা। ২৬ আগস্ট হিমবাহধসের কারণে লহেন্দে উপনদীতে সৃষ্ট বাধা ভেঙে ভোতেকোশি নদীর পানিপ্রবাহ ভয়াবহ রূপ নেয় বলে জানা গেছে। নিম্নাঞ্চলের একাধিক জনপদে আঘাত হানা সেই বন্যায় ৪০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। পানির স্রোত মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক, জলবিদ্যুৎ স্থাপনা ও নিরাপত্তা চৌকি পর্যন্ত ধ্বংস করেছে। একসময় প্রাণচঞ্চল ও সবুজ নদীতীর এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কোথাও ভেঙে পড়া বাড়ির চিহ্ন, কোথাও নিথর দেহ; আবার কোথাও স্বজন হারানো মানুষ - [চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু পরিবারসহ চট্টগ্রামে আটক](https://sarakhon.com/news/187432/): চাঁদপুর শহরের একটি স্বর্ণের দোকান থেকে স্বর্ণ ও টাকা নিয়ে আত্মগোপনে যাওয়ার অভিযোগে ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে স্ত্রী-সন্তানসহ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে পটিয়া উপজেলার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক পিন্টু দাস (৪৫) চাঁদপুর শহরের কুমালিয়া রোডের আখন্দ মার্কেটের এসকে জুয়েলার্স ও শিল্পালয়ের মালিক। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৯ থেকে ১০ দিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। দোকান থেকে স্বর্ণ ও টাকা নিয়ে তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে জড়িতদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। স্বর্ণ-রুপা আত্মসাতের অভিযোগ চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, পিন্টু ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে - [ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কঠোর, কৌশলী ভারসাম্যের পথে পাকিস্তান](https://sarakhon.com/news/187384/): ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হওয়ার পর অত্যন্ত সতর্ক ও পরিমিত অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান। প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে ইসলামাবাদকে। ফলে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা না করে আন্তর্জাতিক আইন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং কূটনৈতিক সমঝোতার ওপর জোর দিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে দেশটির বাণিজ্য আন্তর্জাতিক আইন এবং দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় চুক্তির কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। ইসলামাবাদের বক্তব্য, এসব দায়বদ্ধতা মেনেই ইরানের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই অবস্থানের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান একদিকে নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে - [পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পিমসের আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু: কাউকে ছাড় নয়, স্বাস্থ্য খাতে আমূল সংস্কারের ডাক](https://sarakhon.com/news/187423/): পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগের আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় কঠোর জবাবদিহির ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোস্তফা কামাল। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ঘটনার জন্য দায়ী কেউই ছাড় পাবে না—সে যতই প্রভাবশালী হোক। শুক্রবার সিনেটে দেওয়া বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কয়েক দিনের আলোচনায় সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। বরং এর মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার যে চিত্র সামনে এসেছে, তা নিয়ে গভীরভাবে কাজ করতে হবে। ‘কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না’ মোস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও পুরো সরকারের পক্ষ থেকে তিনি নিশ্চিত করে বলতে চান, একজনকেও দায়মুক্তি দেওয়া হবে না। ঘটনার প্রকৃত - [জন্মের চেয়ে মৃত্যু বেশি, জনসংখ্যা কমছে হাঙ্গেরিতে](https://sarakhon.com/news/188093/): হাঙ্গেরিতে জনসংখ্যা কমার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটিতে যত মানুষ মারা গেছেন, তার তুলনায় জন্ম নিয়েছে অনেক কম শিশু। ফলে স্বাভাবিক জনসংখ্যা হ্রাস আরও বেড়েছে। একই সময়ে বিয়ের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাইয়ে জন্মের চেয়ে মৃত্যু প্রায় ২ হাজার ৭০০ বেশি প্রাথমিক হিসাবে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে হাঙ্গেরিতে ৬ হাজার ১৯৭টি শিশুর জন্ম হয়েছে। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এ সংখ্যা ৮ দশমিক ২ শতাংশ বা ৫৫১টি কম। অন্যদিকে জুলাইয়ে মারা গেছেন ৮ হাজার ৮৯৬ জন। এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় মৃত্যু কমেছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ বা ২৬৪টি। জন্ম ও মৃত্যুর ব্যবধান হিসাব করলে জুলাইয়ে দেশটির স্বাভাবিক জনসংখ্যা - [জুলাইয়ে বিদেশি সহায়তা কমেছে ১৩.৪ শতাংশ, ঋণ পরিশোধে বেড়েছে চাপ](https://sarakhon.com/news/188080/): নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশে বিদেশি সহায়তার অর্থছাড় কমেছে। এ মাসে দেশটি মোট ১৮০.১৮ মিলিয়ন ডলার বিদেশি সহায়তা পেয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই মাসে পাওয়া ২০৮.০৪ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১৩.৪ শতাংশ কম। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ফরেন এইড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস (ফাবা) উইংয়ের তৈরি জুলাই ২০২৬-এর প্রাথমিক ফরেন অ্যাসিস্ট্যান্স মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ঋণ ছাড়ে বড় পতন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে পাওয়া বিদেশি সহায়তার মধ্যে ১৭৯.৬৭ মিলিয়ন ডলার ছিল ঋণ এবং ০.৫১ মিলিয়ন ডলার অনুদান। এর বিপরীতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ ২০৭.৭৩ মিলিয়ন ডলার ঋণ এবং ০.৩১ মিলিয়ন ডলার অনুদান পেয়েছিল। ফলে এক বছরের ব্যবধানে ঋণ হিসেবে পাওয়া - [তিব্বতের বন্যায় ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ, নেপালে মৃত ৭৩৪](https://sarakhon.com/news/188089/): তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় ২৩ দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিকসহ মোট ৫৪৬ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। রোববার প্রকাশিত এই হিসাব চীনের অংশে ঘটে যাওয়া দুর্যোগের সবচেয়ে বিস্তারিত চিত্রগুলোর একটি তুলে ধরেছে। একই সময়ে নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ। তিব্বতে সবচেয়ে বেশি নিখোঁজ নেপালি চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৪ জন নেপালের নাগরিক। এছাড়া ভারতের ৪৯ জন, লাটভিয়ার ৩৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ জন এবং যুক্তরাজ্যের ১৫ জন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের তিব্বত অঞ্চলে এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত - [নেপাল-চীন বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, মৃত ৬৩৩: চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান](https://sarakhon.com/news/188083/): নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজারে পৌঁছেছে। বুধবার হঠাৎ নেমে আসা বরফ, কাদা ও পানির প্রবল স্রোত নদীতীরবর্তী জনপদ ও অবকাঠামো ভাসিয়ে নেওয়ার কয়েক দিন পরও শনিবার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। দুই দেশের সর্বশেষ হিসাবে এখন পর্যন্ত ৬৩৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নেপাল থেকে ভেসে যাওয়া কিছু মরদেহ ভারতের নদীতেও পাওয়া গেছে। নেপালে নিখোঁজের তালিকা আরও দীর্ঘ নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ শনিবার নিখোঁজের তালিকায় আরও ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মীর নাম যুক্ত করেছে। এর আগে তালিকায় ছিলেন পর্যটক, তীর্থযাত্রীসহ তিব্বতের পবিত্র কৈলাস পর্বতের পথে থাকা অনেকে। নেপালে এখন পর্যন্ত - [কাজাখস্তানের বড় বাজি: অস্থির বিশ্বের মধ্যে স্থিতিশীলতার রাজনীতি](https://sarakhon.com/news/188037/): কাজাখস্তানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনকে শুধু গণতন্ত্র এগোল কি পিছোল—এই সরল মাপকাঠিতে বিচার করলে দেশটির সামনে থাকা বাস্তব ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের বড় অংশই আড়ালে থেকে যায়। ২৩ আগস্টের নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ নাগরিকদের উদ্দেশে যে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন, তার মধ্যে আসলে দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত রয়েছে। তাঁর বক্তব্যের সারকথা হলো, আজ নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তের প্রকৃত মূল্যায়ন হয়তো বহু বছর পরেই সম্ভব হবে। এই অবস্থানকে কাজাখস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক কৌশলের একটি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা হিসেবেও দেখা যায়। দেশটি এমন এক সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করছে, যখন তার চারপাশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে এবং চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা মধ্য এশিয়াকে - [গুগলের পাকিস্তান প্রবেশে নতুন বিতর্ক, ৩০ বিলিয়ন ডলারের আইটি রপ্তানি নাকি বড় ডিজিটাল বাজারের লক্ষ্য?](https://sarakhon.com/news/188076/): পাকিস্তানে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে গুগল। করাচিতে প্রথম দেশীয় কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টটির এই আনুষ্ঠানিক প্রবেশকে দেশটির ৩০ বিলিয়ন ডলারের আইটি রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তার পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্টদের মতে, এর পেছনে পাকিস্তানের দ্রুত বিকশিত ডিজিটাল বাজারে গুগলের ব্যবসা আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গুগলের পাকিস্তান কার্যালয় উদ্বোধন ১৮ আগস্ট ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে করাচিতে নতুন কার্যালয় উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে গুগলের সিঙ্গাপুরভিত্তিক সরকারি বিষয়ক ও জননীতি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট উইলসন হোয়াইট বলেন, স্থানীয় জনশক্তি ও ব্যবসায় বিনিয়োগ, হার্ডওয়্যার রপ্তানির জন্য উৎপাদন ও অবকাঠামো উন্নয়নের - [ইরানে ফের যুদ্ধের আগুন, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/188073/): ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, হরমুজ প্রণালি নিয়ে অচলাবস্থা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কূটনৈতিক উদ্যোগ—সব মিলিয়ে অঞ্চলজুড়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিস্ফোরণ দক্ষিণ লেবাননের মারজেউন জেলার হুলা শহরে ইসরায়েলি বাহিনী বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। একই সময়ে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। হাদ্দাথা ও হারিসের মধ্যবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণের পাশাপাশি নবতিয়েহ শহরের একটি ভবনে ইসরায়েলি চালকবিহীন বিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় ভবনের ওপরের তলার একটি দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আল-মানসুরি ও জাওতার আল-গারবিয়েহ এলাকাতেও - [আমদানি উদারীকরণেই বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের নতুন পথ](https://sarakhon.com/news/188070/): বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সাফল্যের পেছনে শুধু রপ্তানি প্রণোদনা নয়, প্রতিযোগিতামূলক দামে কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি আমদানির সুযোগও বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে রপ্তানিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে আমদানির এই অপরিহার্য ভূমিকা নীতিনির্ধারণে অনেক সময় আড়ালে থেকে গেছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক উৎপাদন শৃঙ্খলে যুক্ত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে তাই আমদানি নীতির আরও উদারীকরণ জরুরি হয়ে উঠেছে। রপ্তানির সাফল্যের নেপথ্যে আমদানি ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশ অর্থনীতিতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের পথে যায়। রপ্তানিনির্ভর প্রবৃদ্ধি নতুন উন্নয়ন কৌশল হিসেবে গুরুত্ব পায়। এর অন্যতম ভিত্তি ছিল আমদানি উদারীকরণ—বিশ্ববাজার থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে কাঁচামাল, মধ্যবর্তী উপকরণ, মূলধনী পণ্য ও প্রযুক্তি সংগ্রহের - [দুর্নীতি দমনে লিঙ্গনিরপেক্ষ তথ্য নয়, দরকার অভিজ্ঞতাভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উপাত্ত](https://sarakhon.com/news/188067/): দুর্নীতির প্রভাব সবার ওপর সমান নয়। নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও বৈষম্যের দ্বৈত ঝুঁকিতে থাকেন। তাই দুর্নীতি দমন নীতিকে কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক এবং লিঙ্গ, প্রতিবন্ধিতা, আয় ও অঞ্চলভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ জরুরি বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। লিঙ্গভিত্তিক দুর্নীতির যে চিত্র সামনে আসছে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে প্রতি পাঁচজনের একজন জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় সেবা নিতে গিয়ে তারা যৌন হয়রানিমূলক দুর্নীতির অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন বা এমন ঘটনা সম্পর্কে জানেন। এখানে অর্থের পরিবর্তে সরকারি সেবা পাওয়ার বিনিময়ে যৌন সুবিধা দাবি করা হয়। কেনিয়ায় সরকারি সেবা নিতে যাওয়া নারীদের সরাসরি যৌন সুবিধা চাওয়ার সম্ভাবনা পুরুষদের তুলনায় - [তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনায় দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে সমঝোতার সুযোগ](https://sarakhon.com/news/188064/): যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তেহরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না—এমন কঠোর বক্তব্য প্রকাশ্যে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই নতুন করে ৬০ দিনের একটি সুযোগ তৈরির যে উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে, তা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের আওতায় নির্ধারিত আগের সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। দুই দেশের প্রকাশ্য বক্তব্যও ক্রমেই তিক্ত হয়ে উঠেছে। নিষেধাজ্ঞা, নৌপথের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধানের পরিসরও সংকুচিত হয়েছে। তারপরও আলোচনার ক্ষেত্রে যে কাঠামোর দিকে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও নতুন মধ্যস্থতাকারীরা বারবার ফিরে আসছেন, সেটির সঙ্গে পাকিস্তানের নাম জড়িয়ে আছে। পাকিস্তানের স্বাধীন কূটনৈতিক অবস্থান ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অবস্থান নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। পাকিস্তানের - [আমেরিকায় ভারতীয় প্রবাসীদের উদ্দেশে ভাগবতের বার্তা: ‘কর্মভূমির প্রতি দায়িত্ব আগে’](https://sarakhon.com/news/188061/): নিউইয়র্কে ভারতীয় প্রবাসীদের নিজেদের বসবাসের দেশের প্রতি দায়িত্বশীল ও অনুগত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে প্রবাসীদের জন্মভূমির সম্পর্ক থাকলেও তারা যে দেশে বসবাস করেন, সেটিই তাদের কর্মভূমি। তাই সেই দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন ও আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শনিবার নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘ইউনিভার্সাল ওয়াননেস সেলিব্রেশন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন ভাগবত। কর্মভূমির দায়িত্ব আগে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়দের উদ্দেশে আরএসএস প্রধান বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন, সেখানে আয় করেন এবং সেই কারণেই নিজেদের একজন দায়িত্বশীল আমেরিকান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তার ভাষায়, আমেরিকায় বসবাস করলে আমেরিকার প্রতি সত্যনিষ্ঠ আচরণ করতে হবে - [বিশ্ব বাণিজ্যে ধাক্কা: ৬১ দেশের ৯০% শ্রমিকের প্রকৃত আয় কমার শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/188058/): হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; জ্বালানি, উৎপাদন ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়ে বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় কমতে পারে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এমনই চিত্র উঠে এসেছে। বিশ্বের জ্বালানি প্রবাহে বড় ঝুঁকি পারস্য উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগকারী হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের উল্লেখযোগ্য অংশ পরিবাহিত হয়। সংঘাত বা ভূরাজনৈতিক চাপের কারণে এই পথে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হলে জ্বালানির দাম বাড়ে। এতে জ্বালানিনির্ভর পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়, পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদা কমে গিয়ে রপ্তানিনির্ভর শিল্পগুলোও চাপে পড়ে। ৮০ দেশের ওপর করা সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৬১টি দেশে - [জ্বালানি তেল বেসরকারিকরণ: প্রতিযোগিতা, নাকি নতুন সিন্ডিকেট?](https://sarakhon.com/news/188055/): বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি তেল কোনো সাধারণ পণ্য নয়। এর দাম বাড়লে শুধু গাড়ির খরচ বাড়ে না; বাড়ে কৃষির উৎপাদন ব্যয়, পণ্য পরিবহনের খরচ, শিল্পের উৎপাদন ব্যয় এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়। অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি খাতের সঙ্গে জ্বালানি তেলের সরাসরি বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের অভিঘাতও অন্য অনেক পণ্যের তুলনায় বহুগুণ বেশি। এই বাস্তবতায় জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনে বেসরকারি খাতকে বড় পরিসরে যুক্ত করার সরকারের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন। ৬ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়া তৈরির নির্দেশ দেয়। যদিও এখনো - [রাজধানীর সড়ক উন্নয়নে গতি, যানজট কমাতে একাধিক প্রকল্পে জোর](https://sarakhon.com/news/188049/): পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল করতে একাধিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। যানজট কমানো, বিভিন্ন আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নাগরিকদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমানোই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মোহসিন রাজা নাকভির পরিকল্পনা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফের নেতৃত্বে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, রাজধানীর সড়কব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে প্রতিদিনের যাতায়াতকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করা। এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ব পাশের সড়ক সম্প্রসারণ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফ ইসলামাবাদ এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ব পাশের সড়ক প্রশস্ত ও সম্প্রসারণ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, নির্মাণকাজের মান - [হাম ছড়িয়ে পড়ছে দেশজুড়ে, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/188046/): দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নতুন চার মৃত্যুর পর চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬৭ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ চারটি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬৮ জনে। অন্যদিকে, নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৯ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নতুন সন্দেহভাজন রোগী ১,১৫১ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ১ হাজার ১৫১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এতে চলতি বছরে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে - [চট্টগ্রামের বন্যা পুনর্বাসনে ব্র্যাককে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে এইচএসবিসি](https://sarakhon.com/news/188041/): সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম বিভাগের পরিবারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে ব্র্যাককে ১০ কোটি টাকা সহায়তা দিচ্ছে এইচএসবিসি বাংলাদেশ। সাত মাসের এই পুনর্বাসন কর্মসূচিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ও স্কুল মেরামত, জীবিকা ও কৃষি পুনরুদ্ধার এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা পুনর্বাসনে অর্থ ব্যয় করা হবে। সরকার-বেসরকারি অংশীদারত্বের উদ্যোগ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রোববার (৩০ আগস্ট) ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি’র উদ্বোধন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার সবসময় প্রথম সাড়ির সাড়া প্রদানকারী হিসেবে জরুরি সহায়তা দেয়। তবে পরবর্তী ধাপে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর - [মক্কা চুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ইরানই হতে পারে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/188038/): মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই কাঠামো এখনো পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোট নয়। তবে ইরানকে এর সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হলে চুক্তিটির চরিত্র আমূল বদলে যেতে পারে। তখন এটি কয়েকটি দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ঘোষণার সীমা পেরিয়ে একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। ইরানকে চুক্তিতে যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, সেটি এখনো আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় রূপ নেয়নি। ইরানের পার্লামেন্টের সংবাদ সংস্থার প্রধান মেহদি রহিমি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি দেশটির নেতৃত্বের বিবেচনায় রয়েছে। তাঁর মতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তার একটি যৌথ কাঠামো গড়ে ওঠা ইরানের জন্যও সাফল্যের - [দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব](https://sarakhon.com/news/188030/): বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তাকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে। এ সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে। রোববার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাবেক সেনাপ্রধানকে তলব করে নোটিস পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের নোটিসে যে অভিযোগ দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য দুদকের পরিচালক - [তুরস্কে বাস উল্টে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ছয় মাসের সুস্থতার লড়াই ১২ বছরের গ্রেটার](https://sarakhon.com/news/188028/): প্রথমবারের মতো বিদেশে বেড়াতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে উত্তর ওয়েলসের লানরুগের ১২ বছরের শিশু গ্রেটা। তুরস্কের আলানিয়ায় একটি পর্যটন ভ্রমণের সময় বাস উল্টে তার কোমর ও শ্রোণিতে গুরুতর আঘাত লাগে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, পুরোপুরি সুস্থ হতে তার প্রায় ছয় মাস সময় লাগতে পারে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় বাস গত ২২ জুলাই পরিবারের সঙ্গে তুরস্কে ছুটি কাটাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় গ্রেটা। মা এমা উইলিয়ামস, তার সঙ্গী লেন এবং আট বছরের ছোট বোন আইরি-আনা ছিলেন তার সঙ্গে। পরিবারটি আলানিয়ার একটি পর্যটনকেন্দ্র থেকে ঝরনা ও চিড়িয়াখানা দেখতে যাচ্ছিল। পথে অন্য একটি গাড়িকে অতিক্রম করার সময় বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। বাসটি ঢাল বেয়ে নিচে - [থাইল্যান্ডের ডিটিভি ভিসায় নতুন দুই শর্ত, লাগবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও স্থায়ী বসবাসের প্রমাণ](https://sarakhon.com/news/188024/): থাইল্যান্ডের ‘ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা’ বা ডিটিভির আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন দুটি বাধ্যতামূলক নথি যুক্ত হয়েছে। আগামী সোমবার, ৩১ আগস্ট থেকে নতুন শর্তগুলো কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ঢাকার থাই দূতাবাস। স্থায়ী বসবাসের প্রমাণ বাধ্যতামূলক নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ডিটিভির আবেদনকারীদের যে দেশ থেকে ভিসার আবেদন করছেন, সেই দেশে তাদের স্থায়ী বসবাসের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অর্থাৎ আবেদন করার দেশের সঙ্গে স্থায়ী বসবাসের সম্পর্কের প্রমাণ দেখানো এখন ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর নিজ দেশ অথবা যে দেশে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করেন, সেখান থেকে ইস্যু করা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকার সরকারি নথিও গ্রহণযোগ্য থাই দূতাবাস জানিয়েছে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের - [মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে হাইকোর্টে রিট](https://sarakhon.com/news/188022/): মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের মধ্যে ৬৪ জেলার দায়িত্ব বণ্টনের সরকারি সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জাতীয় সংসদের ১১ জন সংসদ সদস্য এ আবেদন করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনকারী সংসদ সদস্যদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির রিট দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিটকারীরা হলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম, মো. গোলাম রব্বানী, নুরুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, আজিজুর রহমান, শেখ মনজুরুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সালাউদ্দিন ও মো. জহিরুল ইসলাম। ২০০১ সালের সিদ্ধান্তের নজির আইনজীবী শিশির মনির জানান, ২০০১ সালেও একইভাবে মন্ত্রীদের মধ্যে জেলাভিত্তিক - [ডিএমপিতে বড় রদবদল, নতুন দায়িত্ব পেলেন ৮ কর্মকর্তা](https://sarakhon.com/news/188019/): ঢাকা মহানগর পুলিশের আট কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার পাঁচজন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার তিনজন কর্মকর্তা রয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এই পদায়ন করা হয়। আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে কর্মকর্তাদের নতুন দায়িত্বে বহাল করা হয়েছে। অবিলম্বে এসব আদেশ কার্যকর হবে। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পদে রদবদল অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সোনাহের আলীকে গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগ থেকে গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদ হোসেনকে কল্যাণ ও বাহিনী বিভাগ থেকে গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের - [নেপালের বন্যা শুধু নেপালের নয়, আমরা সবাই এখন ভাটির মানুষ](https://sarakhon.com/news/187922/): বন্যার খবর কখনো কখনো পানির মতোই আসে—প্রথমে নিঃশব্দে, তারপর মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু গ্রাস করে নেওয়া এক প্রবল স্রোতের মতো। সকালের ঘুম ভাঙার পর মোবাইল হাতে নিয়েই যে দৃশ্য চোখে পড়ে, তা বিশ্বাস করা কঠিন। যে জায়গায় কিছুক্ষণ আগেও রাস্তা ছিল, সেখানে ঘোলা পানির স্রোত। কাগজের মতো ভেঙে পড়ছে সেতু। স্রোতের ধাক্কায় পাশ ফিরে যাচ্ছে বাস। জানালার ভেতর থেকে আতঙ্কিত মানুষের হাত দেখা যাচ্ছে। দৃশ্যগুলো এতটাই অবাস্তব যে প্রথম প্রশ্নই জাগে—এগুলো কি সত্যি, নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি? আমাদের সময়ের এ এক অদ্ভুত সংকট। বাস্তবতা এত দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠছে যে তাকে বিশ্বাস করতেও আমাদের এখন প্রমাণ প্রয়োজন। কয়েক সপ্তাহ আগেও হিমালয়ের বরফ - [নাইজারে বিদ্রোহী সেনাদের হামলার পর বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার](https://sarakhon.com/news/188016/): পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে সামরিক বাহিনীর একদল বিদ্রোহী সেনার হামলার পর রাজধানী নিয়ামির গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে দেশটির সরকার। শনিবারের এই হামলা সামরিক শাসক আবদুরাহামানে তিয়ানির জন্য নতুন করে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। রাজধানীজুড়ে গুলির শব্দ ও বিস্ফোরণ শনিবার ভোরে নিয়ামির বিভিন্ন এলাকায় গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সামরিক বিমানঘাঁটি এবং প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের আশপাশেও ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেসামরিক বিমানবন্দরের একই চত্বরে অবস্থিত ওই বিমানঘাঁটিটি নাইজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে সামরিক বিমান ও চালকবিহীন বিমান রয়েছে। পাশাপাশি নাইজার, মালি ও বুরকিনা ফাসোর সমন্বয়ে গঠিত সাহেল জোটের সন্ত্রাসবিরোধী একটি ইউনিটও সেখানে অবস্থান করে। এ ছাড়া রাশিয়া - [ইউতে যোগ দেওয়ার আলোচনা ফেরানোর প্রস্তাব নাকচ করলেন আইসল্যান্ডের ভোটাররা](https://sarakhon.com/news/188013/): ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা আবার শুরু করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন আইসল্যান্ডের ভোটাররা। দেশটির সম্প্রচারমাধ্যমের প্রকাশিত প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ইইউর সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। একটি নির্বাচনী এলাকার কিছু ভোট গণনা তখনও বাকি ছিল, তবে সেগুলো ফলাফল বদলানোর মতো প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল না। ইইউতে যোগ না দেওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি ছিল আইসল্যান্ডের সমুদ্রসীমা ও মৎস্যসম্পদের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার আকাঙ্ক্ষা। দেশটির বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলে আইসল্যান্ডের মাছ ধরার অধিকার ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব ঝুঁকিতে পড়তে পারে। সরকারের ‘এখন না হলে - [ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা ফের শুরু করবে কি আইসল্যান্ড, ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই](https://sarakhon.com/news/188010/): ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা আবার শুরু করা হবে কি না, তা নিয়ে আইসল্যান্ডের গণভোটে শেষ মুহূর্তে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা দিয়েছে। মাত্র কয়েক শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে বা পিছিয়ে রয়েছে দুই পক্ষ। ফলে ভোটের চূড়ান্ত ফল কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভোটে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে বিরোধীরা শুক্রবার পরিচালিত গ্যালাপের এক জরিপে দেখা গেছে, ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা পুনরায় শুরুর বিপক্ষে। অন্যদিকে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার আলোচনা শুরুর পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রায় চার লাখ মানুষের দেশ আইসল্যান্ডে এবার ভোটার উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। রাজধানী রেইকিয়াভিকে প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পড়লেও গ্রামীণ অনেক এলাকায় ভোটদানের হার ৮০ শতাংশের বেশি - [ফক্স নিউজে গিয়ে টিকে থাকার কঠিন পাঠ শিখছেন মার্কিন প্রগতিশীলরা](https://sarakhon.com/news/188006/): মার্কিন রাজনীতিতে প্রগতিশীল ও বামপন্থী নেতাদের জন্য রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যমে কথা বলা এখন আর শুধু রাজনৈতিক ঝুঁকি নয়, বরং নিজেদের বক্তব্য বৃহত্তর দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কৌশলও হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ফক্স নিউজে সাক্ষাৎকার দেওয়ার প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়ছে। ভিন্ন মতের দর্শকের সামনে নিজেদের বক্তব্য ২০২৮ সালের ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থীদের একজন পিট বুটিগিগ বহুদিন ধরেই ফক্স নিউজে নিয়মিত উপস্থিত হচ্ছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই তিনি এই কৌশল অনুসরণ করছেন। তাঁর যুক্তি ছিল, যেসব দর্শক সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের বক্তব্য শোনেন না, তাদের কাছেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা প্রয়োজন। এখন প্রগতিশীলরাও একই ধরনের কৌশলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। চলমান নির্বাচনী - [ফিফার ক্ষমতার নেপথ্যে আলোচিত ‘ফিক্সার’ মারিও গাল্লাভোত্তি](https://sarakhon.com/news/188003/): বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সাম্প্রতিক সংকটের কেন্দ্রে এখন শুধু সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নামই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে আরও এক ব্যক্তির নাম—ইতালীয় আইনজীবী মারিও গাল্লাভোত্তি। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইনফান্তিনোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা এই ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে খুব বেশি পরিচিত না হলেও ফিফার গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে তার প্রভাব যথেষ্ট বলেই দাবি করছেন সংস্থাটির সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের অনেকে। সম্প্রতি বিশ্বকাপের কিছু অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে দেওয়ার গোপন পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর ফিফার ভেতরের ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সেই পরিকল্পনার তথ্য কীভাবে বাইরে গেল, কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ইনফান্তিনোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে কারা প্রভাব - [ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাজ্যকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়তি সামরিক ব্যয়ের দাবি](https://sarakhon.com/news/187999/): ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার হুমকি দিয়ে লন্ডনের ওপর সামরিক ব্যয় বাড়ানোর চাপ সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বড় অংশ মিত্রদের কাঁধে তুলে দিতে চাইছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা ব্যয়, ইরান এবং ভারত মহাসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ফকল্যান্ড ইস্যুকে যুক্তরাজ্যের ওপর চাপ প্রয়োগের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় দুই শতকের বিরোধ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার বিরোধ প্রায় দুই শতকের। - [ইইউতে যোগ দেবে কি আইসল্যান্ড, ভোটে নির্ধারিত হচ্ছে সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/187997/): দীর্ঘদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থাকা আইসল্যান্ডে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা আবার শুরু করা হবে কি না, তা নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নটি সরল—ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করা উচিত কি না। গণভোটটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। তবে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্তুন ফ্রস্তাদোত্তির ফলাফলকে সম্মান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই ভোটকে ঘিরে আইসল্যান্ডে মূল বিতর্ক তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে—জাতীয় সার্বভৌমত্ব, সামরিক নিরাপত্তা এবং দেশের সমুদ্রসীমার মৎস্যসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ। ২০০৯ সালের আর্থিক বিপর্যয় থেকে শুরু ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর আইসল্যান্ড বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। দেশটির তিনটি বৃহৎ ব্যাংক একসঙ্গে ধসে পড়ে। মুদ্রার মূল্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায় এবং তৎকালীন - [সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187994/): সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে মারিয়া নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার বারুইহাটি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরের কাছে খেলছিল মারিয়া। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধারের জন্য পানিতে খোঁজ শুরু করেন। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয় অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্বজনরা শিশুটিকে পুকুর থেকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মারিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মারিয়া তালা উপজেলার বারুইহাটি গ্রামের শেখ রিয়াজুল ইসলামের মেয়ে। - [রাশিয়া-যুক্তরাজ্য উত্তেজনা, মস্কোয় গোয়েন্দা তৎপরতা ও ইউক্রেন যুদ্ধ: সপ্তাহের আলোচিত ঘটনাগুলো](https://sarakhon.com/news/187991/): গত সাত দিনে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের উত্তেজনা, মস্কোয় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধানের সফর, ভ্যাটিকানের কূটনৈতিক তৎপরতা, ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫ বছর এবং নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যাসহ বেশ কিছু ঘটনা আলোচনায় এসেছে। একই সময়ে শিশু-কিশোরদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলা মামলায় বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে নিষ্পত্তির ঘটনাও প্রযুক্তি জগতে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। রাশিয়া-যুক্তরাজ্য উত্তেজনা আরও বাড়ছে ইউক্রেনকে ব্রিটিশ অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি সহায়তা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম কিয়েভ সফর করেন। সেখানে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটেনের লড়াইয়ের - [সংসদ ভবনের কাছে শিক্ষক হত্যা: মূল সন্দেহভাজনসহ দুজন গ্রেপ্তার, জব্দ মোটরসাইকেল](https://sarakhon.com/news/187988/): রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের কাছে ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টার সময় রিকশা থেকে পড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন মো. পনি ওরফে পারা পনিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ ঘটনায় অপরাধে ব্যবহৃত বলে অভিযোগ থাকা মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে পনিকে মামলার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছে র‌্যাব। তবে তার সহযোগীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে তাদের কখন ও কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। র‌্যাব-২ সূত্র জানিয়েছে, ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাইমুল হাসান এ বিষয়ে রোববার বিকেলে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত তথ্য জানাবেন। সংসদ ভবনের কাছে ছিনতাইয়ের চেষ্টা নিহত শিক্ষিকার নাম রঞ্জিনা পারভিন। - [ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, থাকছে ৮ জোনে চলাচলের পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/187985/): ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক রিকশা চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে নিবন্ধিত দুই ও চার আসনের ই-রিকশা নির্ধারিত জোনের অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের সুযোগ পাবে। ছয় যাত্রী বহনকারী ই-রিকশা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নিবন্ধন ব্যবস্থায় রাখা হবে না। রোববার সচিবালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওথমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত নীতিমালা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই এটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষে নীতিমালা ফিরে এলে এক সপ্তাহ বা পরের সপ্তাহের মধ্যেই তা জারি - [বসাবোর ঝুটের গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে দুই ইউনিট](https://sarakhon.com/news/187981/): রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বাসাবো এলাকায় টিনশেড ঝুটের তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিটের চেষ্টায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে দুই ইউনিট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সূত্র জানায়, রোববার সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে বাসাবো এলাকার একটি টিনশেড ঝুটের তুলার গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় দুপুর ১২টা ২৮ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। হতাহতের খবর নেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা - [মক্কা চুক্তি বদলে দিচ্ছে উপসাগরীয় নিরাপত্তার সমীকরণ, নজরে ইসরায়েল](https://sarakhon.com/news/187977/): মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। সৌদি আরবের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ‘মক্কা চুক্তি’কে ঘিরে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা এখন আঞ্চলিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নির্ভরতার প্রশ্ন—সবকিছু মিলিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা কাঠামো নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে। কেন মক্কা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক সংঘাতের ধরন বদলেছে। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাত, ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযানের ব্যবহার এবং বিভিন্ন স্থানে সামরিক হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর সামনে নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি - [হাজারীবাগে নির্মাণাধীন ভবনের লিফট শ্যাফটে পড়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187974/): রাজধানীর হাজারীবাগের সুলতানগঞ্জ তালি অফিস এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের ফাঁকা লিফট শ্যাফটে পড়ে সুবাস চন্দ্র পাল (৭৩) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুবাস চন্দ্র পাল ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় সুবাস চন্দ্র পালকে উদ্ধার করেন নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা। পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছেলে কৃষ্ণ গোপাল পাল জানান, তারা ওই নির্মাণাধীন ভবনের সপ্তম তলায় নিজেদের ফ্ল্যাটে থাকেন। প্রতিদিনের মতো সকালে হাঁটতে বের হয়েছিলেন তার - [বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে নরওয়ের নতুন রাজা হাকনের প্রথম ভাষণ](https://sarakhon.com/news/187971/): বাবাকে হারানোর শোক আর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের ভার—এই দুই অনুভূতি নিয়েই জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দিয়েছেন নরওয়ের নতুন রাজা হাকন অষ্টম। প্রয়াত রাজা হারাল্ড পঞ্চমকে স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ৫৩ বছর বয়সী নতুন রাজা। রাজপ্রাসাদে বসে দেওয়া টেলিভিশন ভাষণে হাকন তাঁর প্রয়াত বাবার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁর পাশে ছিল প্রয়াত রাজার একটি ছবি, জ্বালানো দুটি মোমবাতি এবং সাদা গোলাপের একটি পাত্র। বাবাকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত নতুন রাজা ভাষণের শুরুতেই হাকন তাঁর বাবার উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ভালো বাবা হওয়ার জন্য তিনি তাঁর বাবার কাছে কৃতজ্ঞ। কথা বলতে গিয়ে কয়েকবার আবেগ সামলাতে দেখা যায় - [কুসরায় ফিলিস্তিনি বাড়িতে আবারও বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, ঘরে আটকা ৭ জন](https://sarakhon.com/news/187968/): অধিকৃত পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে একটি ফিলিস্তিনি বাড়িতে আবারও হামলা চালিয়েছে মুখোশধারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। শনিবারের এ ঘটনায় বাড়িটির ভেতরে থাকা সাতজন ফিলিস্তিনি আটকা পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলাকারীরা বাড়িটিকে ঘিরে পাথর ছুড়তে থাকে। পরে ইসরায়েলি সেনারা ঘটনাস্থলে এসে বাড়ির ভেতরে থাকা লোকজনকে আটক করে এবং তাদের ওপর নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে চলতি মাসের শুরুতে কুসরার আশপাশে বসতি স্থাপনকারীদের অবরোধের পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে। ওই অবরোধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। পাথর নিক্ষেপে বাড়িতে আটকা বাসিন্দারা বাড়ির মালিক লুয়াই বায়রুতি জানান, তিনি ইসরায়েলি সেনাদের সহায়তার জন্য ফোন করেছিলেন। কিন্তু সেনারা আসার আগ পর্যন্ত তিনি এবং - [সকালে অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার ঘুম? প্রতিদিনের এই অভ্যাস কতটা ভালো](https://sarakhon.com/news/187965/): সকালে অ্যালার্ম বেজে উঠলেই কি আপনি সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়তে পারেন? নাকি চোখ মেলে অ্যালার্মের দিকে তাকিয়ে মনে হয়—আর মাত্র পাঁচ মিনিট ঘুমাই! এরপর অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার ঘুম, আবার অ্যালার্ম, আবার কয়েক মিনিটের ঘুম—এভাবেই শুরু হয় দিনের সকাল। অনেকের কাছেই এটি খুব পরিচিত অভ্যাস। আসলে ঘুম থেকে জাগার সময় শরীর ও মস্তিষ্ক পুরোপুরি সচেতন হতে কিছুটা সময় নেয়। এই সময়টিকে বলা হয় ঘুমের জড়তা। তখন মাথা ভার লাগতে পারে, চিন্তা করতে কষ্ট হয় এবং বিছানা ছেড়ে ওঠার ইচ্ছাও কম থাকে। ফলে অ্যালার্ম বন্ধ করে আরও কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে থাকার সিদ্ধান্তটি খুব স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু প্রতিদিন অ্যালার্মের পর বারবার ঘুমানো কি - [স্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন, সময়মতো জীবন বাঁচান](https://sarakhon.com/news/187962/): স্ট্রোক এমন একটি জরুরি অবস্থা, যা কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই একজন সুস্থ মানুষের জীবনকে আমূল বদলে দিতে পারে। মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অথবা মস্তিষ্কের রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে স্ট্রোক হয়। মস্তিষ্কের কোষগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি না পেলে খুব দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। তাই স্ট্রোকের ক্ষেত্রে যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যায়, গুরুতর ক্ষতি ও দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি তত কমানোর সুযোগ থাকে। স্ট্রোক শুধু আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য নয়, তার পুরো পরিবারের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। চিকিৎসার পাশাপাশি দীর্ঘ পুনর্বাসন, মানসিক শক্তি, পরিবারের সহযোগিতা এবং নিয়মিত অনুশীলনের প্রয়োজন হতে পারে। তাই স্ট্রোক সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা থাকা - [পেটের ভেতরের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে ৩০ দিনের প্রদাহরোধী খাবারের পরিকল্পনা](https://sarakhon.com/news/187956/): পেটের ভেতরে অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ঘিরে থাকা চর্বিকে বলা হয় ভিসেরাল চর্বি। শরীরে অল্প পরিমাণে এই চর্বি স্বাভাবিক হলেও অতিরিক্ত ভিসেরাল চর্বি টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণেই ওজন ও শরীরের অতিরিক্ত চর্বি নিয়ন্ত্রণে শুধু খাবারের পরিমাণ নয়, খাবারের গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের তৈরি একটি ৩০ দিনের খাবারের পরিকল্পনায় ফল, শাকসবজি, ডাল, বাদাম, বীজ, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও মাছের মতো পুষ্টিকর খাবারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনাটির মূল কাঠামো প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ ক্যালরি, তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ক্যালরির সংস্করণও রাখা হয়েছে। প্রতিদিন অন্তত ৭৫ গ্রাম আমিষ ও - [পাকিস্তানের সামনে এখন প্রশ্নটা ‘কে’ নয়, ‘কীভাবে’](https://sarakhon.com/news/187958/): পাকিস্তানের রাষ্ট্রচিন্তায় সাত দশকের বেশি সময় ধরে একটি প্রশ্নই ঘুরেফিরে এসেছে—দেশটি কে চালাবেন? এবার সেই প্রশ্নের জায়গায় আরও মৌলিক একটি প্রশ্ন উঠে আসছে: পাকিস্তানকে কীভাবে চালানো হবে? এই পার্থক্যটি আপাতদৃষ্টিতে শব্দের পরিবর্তন মনে হতে পারে। বাস্তবে এটি রাষ্ট্রক্ষমতার ধারণাতেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। স্বাধীনতার পর পাকিস্তান একের পর এক শাসনপদ্ধতি ও নেতৃত্বের মডেল পরীক্ষা করেছে। সামরিক শাসক এসেছেন, বেসামরিক রাজনীতিক ক্ষমতায় ফিরেছেন, প্রযুক্তিবিদদের ওপর নির্ভরতার চেষ্টা হয়েছে, জনতুষ্টিবাদী নেতৃত্বের উত্থান ঘটেছে, রাজনৈতিক বংশপরম্পরাও ফিরে এসেছে। ক্রিকেটের মাঠ থেকে একজন জনপ্রিয় নেতা পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদে পৌঁছেছেন। কিন্তু নেতৃত্বের ধরন বদলালেও রাষ্ট্রের মৌলিক সংকট বদলায়নি। ঋণ বেড়েছে, মুদ্রার মূল্য কমেছে, বিদ্যুৎ খাতের - [হিনা জাভেদ হত্যা মামলায় স্বামী ও গৃহকর্মীর রিমান্ড বাড়ল](https://sarakhon.com/news/187953/): পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে ডিজিটাল মিডিয়া নির্বাহী হিনা জাভেদ হত্যা মামলায় তার স্বামী ফয়সাল আসগর ও গৃহকর্মী জিশানের শারীরিক রিমান্ড আরও চার দিন বাড়িয়েছেন আদালত। শনিবার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই আদেশ দেন। আগামী ২ সেপ্টেম্বর দুই আসামিকে আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। হিনা জাভেদকে গত ২০ আগস্ট রাওয়ালপিন্ডির লালকুর্তি এলাকার নিজ বাসার বাথরুমে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মরদেহ ঝরনার সঙ্গে বাঁধা ছিল। ওই ঘটনায় তার স্বামী ফয়সাল আসগর ও গৃহকর্মী জিশানকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিমান্ড বাড়ানোর আবেদন আগের তিন দিনের শারীরিক রিমান্ড শেষ হওয়ার পর শনিবার পুলিশ দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে। পুলিশের পক্ষে ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর রেহমান শওকত ভাট্টি - [বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জোর গুঞ্জন, পাত্রী লিশটেনস্টাইনের ভাদুজের ?](https://sarakhon.com/news/187950/): পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে বিয়ে বা বাগদানের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। উল্টো পিপিপির পক্ষ থেকে এসব খবরকে ভুল ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিয়ের তারিখ ঠিক করার দাবি প্রচারিত খবরে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে লিশটেনস্টাইনে গিয়েছেন। সেখানে বিলাওয়ালের বিয়ে নিয়ে আলোচনা এবং সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। গুঞ্জন অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ দিকে বিলাওয়ালের বিয়ে হতে পারে। এমনকি তার কথিত বাগদত্তা লিশটেনস্টাইনের রাজধানী ভাদুজের বাসিন্দা বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের - [স্কুলের বাগানে বীজের সঙ্গে বেড়ে উঠছে শিশুদের কৌতূহল, আত্মবিশ্বাস ও প্রকৃতিপ্রেম](https://sarakhon.com/news/187947/): একটি স্কুলের আঙিনায় ছোট্ট একটি বাগান হয়তো বাইরে থেকে খুব সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু শিশুদের জন্য সেই বাগান হয়ে উঠতে পারে জীবন্ত পাঠশালা। সেখানে একটি বীজ মাটিতে পোঁতা থেকে শুরু করে চারা গজানো, ফুল ফোটা, সবজি বড় হওয়া এবং শেষ পর্যন্ত তা খাবারের টেবিলে পৌঁছানো—পুরো প্রক্রিয়াটিই হয়ে উঠতে পারে শেখার এক আনন্দময় অভিজ্ঞতা। একটি বীজ থেকেই শুরু হতে পারে বিস্ময়ের গল্প শিশুদের প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার এমন উদ্যোগের লক্ষ্য হলো তাদের নিজেদের হাতে বাগান করা শেখানো। বীজ বোনা, গাছের পরিচর্যা করা এবং উৎপাদিত ফসল সংগ্রহের মধ্য দিয়ে শিশুরা শুধু gardening বা বাগান করার অভিজ্ঞতাই পায় না, নিজেদের ছোট্ট জগতের সম্ভাবনাগুলোও - [শিশুদের সুস্থতা ও পৃথিবীর সুরক্ষা—ছোট অভ্যাসেই তৈরি হোক সবুজ ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/187940/): স্কুলে শিশুরা গণিত, পড়াশোনা, সমাজ ও নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে। কিন্তু এর পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই তাদের শেখানো জরুরি—নিজের স্বাস্থ্য কীভাবে ভালো রাখতে হয় এবং যে পৃথিবীতে তারা বেড়ে উঠছে, সেটিকে কীভাবে নিরাপদ রাখা যায়। নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরু হতে পারে স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার একটি ভালো সময়। শিশুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ—দুই দিকেই লাভ পরিবেশের জন্য ভালো অনেক অভ্যাসই শিশুর স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। প্লাস্টিক ও কীটনাশকে থাকা কিছু রাসায়নিক শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্লাস্টিকের বদলে কাচ বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় মোড়ক এড়িয়ে চলা এবং সম্ভব হলে জৈবভাবে উৎপাদিত খাবার বেছে নেওয়া - [রংপুরে চার খুন: জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই মুক্ত](https://sarakhon.com/news/187937/): রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে ডিবি কার্যালয় থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে শনিবার বিকেলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিদ্ধার্থের বাবা ও বড় ভাইকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুজনই মুক্ত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় জানতে বিনয় দাস ও পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তারা লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মুক্তির পর - [নেপালে বন্যায় শনাক্তহীন মরদেহ দাফন, ডিএনএ মিললে পরে তোলা হবে](https://sarakhon.com/news/187934/): ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় শনাক্তহীন ও দাবিদারহীন মরদেহ দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল। মরদেহ দ্রুত পচে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হওয়া এবং হাসপাতাল ও অস্থায়ী সংরক্ষণকেন্দ্রে জায়গার সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সুযোগ রাখতে প্রতিটি মরদেহের ডিএনএ নমুনা ও বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বন্যায় এখন পর্যন্ত ৬৭৫ মরদেহ উদ্ধার বুধবার সকালে নেপালের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে পানি ও কাদার ভয়াবহ স্রোত বয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৭৫টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ভারতের সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা চিতওয়ানে উদ্ধার হয়েছে সবচেয়ে বেশি, ২৩৩টি মরদেহ। চিতওয়ানে উদ্ধার হওয়া মরদেহ সংরক্ষণে - [ডুমডুমায় ব্যবসায়ীদের কাছে উলফা-আইয়ের চাঁদাবাজির চিঠি, জাল বলে দাবি সংগঠনের](https://sarakhon.com/news/187926/): ভারতের আসামের ডুমডুমা শহরে ব্যবসায়ীদের কাছে নিষিদ্ধ সশস্ত্র সংগঠন উলফা-আইয়ের (ULFA-I) নামে চাঁদা দাবির চিঠি পৌঁছানোর ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রায় ১০ জন ব্যবসায়ী এমন চিঠি পাওয়ার পর পুলিশের কাছে বিষয়টি জানান। তবে সংগঠনটি দাবি করেছে, এসব চিঠি তাদের দেওয়া নয়; বরং সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নাম ও স্বাক্ষর জাল করে একটি ‘দুষ্টচক্র’ এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। চাঁদা দাবির চিঠি নিয়ে উদ্বেগ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চিঠিগুলোতে ২০২৬ সালের ১৪ আগস্টের তারিখ রয়েছে। এসব চিঠিতে উলফা-আইয়ের অর্থবিষয়ক সম্পাদক মাইকেল অসম এবং যুগ্ম অর্থবিষয়ক সম্পাদক অভিমন্যু অসমের নামে স্বাক্ষর করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের চিঠিতে নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট - [নেপালে ভয়াবহ বন্যার নেপথ্যে পাহাড়ধস, ড্রোনে ধরা পড়ল ধ্বংসযজ্ঞের শুরু](https://sarakhon.com/news/187919/): নেপালের ভয়াবহ হিমালয় বন্যার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, তার নতুন চিত্র সামনে এসেছে চীনা গবেষকদের ড্রোন ভিডিও ও ছবিতে। ২৬ আগস্ট সকালে লাংটাং লিরুংয়ের উত্তর ঢালে ঘটে যাওয়া বরফ-পাথরের বিশাল ধসের দৃশ্য দুর্ঘটনাক্রমে ক্যামেরায় ধারণ হয়। এতদিন স্যাটেলাইটের দূরসংবেদন চিত্রের ওপর ভিত্তি করেই বিপর্যয়ের সূত্রপাত নিয়ে বেশিরভাগ বিশ্লেষণ করা হচ্ছিল। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্যোগে ৬৭৫টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে এবং ২ হাজার ৪৯৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের অংশে আরও প্রায় ৫০০ মানুষ নিখোঁজ, যাদের মধ্যে অনেক বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। প্রায় এক লাখ মানুষ দুর্যোগে বেঁচে গেলেও ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। ধসে পড়া ভবন ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতির - [ভাঙ্গায় বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩](https://sarakhon.com/news/187916/): ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার নওপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত তিনজন হলেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের হাসানহাটি গ্রামের এনায়েত মোল্লার ছেলে চয়ন মোল্লা (২০), একই গ্রামের দলিল উদ্দিনের ছেলে নয়ন (২০) এবং আজগার শেখের ছেলে সিয়াম ওরফে সজিব (২২)। দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় মোটরসাইকেল প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ৮টার দিকে নওপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে সড়কের দিকে তাকিয়ে তারা একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ দেখতে পান। সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে - [যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতর্কিত ডানপন্থী মিলো ইয়ান্নোপোলোসকে যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠাল আইস](https://sarakhon.com/news/187913/): ব্রিটিশ ডানপন্থী উসকানিদাতা ও সাবেক ইয়েজি নির্বাহী মিলো ইয়ান্নোপোলোসকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার লুই আর্মস্ট্রং নিউ অরলিন্স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইয়ান্নোপোলোসকে আটক করে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার (আইস) কর্মকর্তারা। স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের এক মুখপাত্রের বিবৃতিতে তাকে যুক্তরাজ্যের একজন ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অভিবাসন আইনে অবস্থানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অভিযোগ বিভাগটি জানায়, ইয়ান্নোপোলোস ২০১৯ সালে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। তবে পরে তার অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি দেশটিতে অবস্থান করেন। গত ২২ জুলাই একটি অভিবাসন আদালত তাকে অপসারণের চূড়ান্ত আদেশ দেয়। কারণ, - [ব্রুকলিনের সেই পরাজয়, যেদিন আমেরিকান বিপ্লব প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল](https://sarakhon.com/news/187910/): ১৭৭৬ সালের আগস্টের শেষভাগে জর্জ ওয়াশিংটন এমন এক সামরিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিলেন, যা কেবল তাঁর নিজের বাহিনীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়নি; অল্প বয়সী আমেরিকান স্বাধীনতা আন্দোলনের ভবিষ্যৎকেও প্রায় অনিশ্চিত করে তুলেছিল। ২৭ থেকে ২৯ আগস্ট লং আইল্যান্ডে সংঘটিত সেই যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতার ঘোষণার পর আমেরিকান বাহিনীর প্রথম বড় সামরিক পরীক্ষা। ওয়াশিংটনের প্রায় ১০ হাজার অনভিজ্ঞ সৈন্যের বিপরীতে ছিল ২০ থেকে ২২ হাজার ব্রিটিশ ও জার্মান ভাড়াটে সৈন্য। পরাজয়ের পর আমেরিকান বাহিনী কার্যত দ্বীপের মধ্যে আটকা পড়ে যায়। সামরিক ইতিহাসের বিচারে এটি ছিল ওয়াশিংটনের সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়গুলোর একটি। কিন্তু এর আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এই বিপর্যয় শেষ পর্যন্ত বিপ্লবের পতনে পরিণত হয়নি। আর - [প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভার্চুয়াল চাকরি মেলায় নতুন দিগন্ত, এক প্ল্যাটফর্মেই নিয়োগ ও অন্তর্ভুক্তি](https://sarakhon.com/news/187907/): প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সহজ ও সমতাভিত্তিক করতে চালু হয়েছে বিশেষায়িত ভার্চুয়াল চাকরি মেলার একটি উদ্যোগ। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য তৈরি এই প্ল্যাটফর্মে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ও দক্ষ চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। বড় প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিয়োগের জন্য অংশ নিতে পারে। এই ভার্চুয়াল চাকরি মেলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, সাধারণ চাকরি মেলার মতোই নিয়োগদাতা ও প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি কথোপকথনের পরিবেশ তৈরি করা। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হয় অনলাইনে, সাধারণ ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে। যোগাযোগের বাধা দূর করতে বিশেষ সুবিধা প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো যোগাযোগের সুবিধা। এ কারণে প্ল্যাটফর্মটিতে শুরু থেকেই বিভিন্ন সহায়ক - [হিলি স্থলবন্দর বন্ধ: নিত্যপণ্যের বাজারে কতটা চাপ পড়বে?](https://sarakhon.com/news/187904/): দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের পণ্য আমদানি-রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন দেশের নিত্যপণ্যের বাজার আগে থেকেই মূল্যচাপ, সরবরাহ সংকট ও পরিবহন ব্যয়ের চাপে অস্থির। ভারতের হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্য স্থলবন্দরগুলোর তুলনায় হিলি বাণিজ্যিক সুবিধা ও প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩০ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে পণ্য পাঠানো এবং বাংলাদেশ থেকে পণ্য নেওয়া—দুই কার্যক্রমই বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনটি। বন্দরটি বন্ধ হওয়া শুধু সীমান্তের দুই পাড়ের ব্যবসায়ীদের জন্য বাণিজ্যিক সমস্যা নয়; এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বড় বাজারগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থায়। বিশেষ করে চাল, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচসহ যেসব - [হিলি স্থলবন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের](https://sarakhon.com/news/187901/): দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। রোববার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা জানিয়ে শনিবার একটি চিঠি দিয়েছে ভারতের ‘হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’। হিলি বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা পারভেজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের একটি চিঠি তারা পেয়েছেন। ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন জানান, ভারতের ব্যবসায়ীদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় ভারতীয় হিলি স্থলবন্দর পিছিয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সেখানকার ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। - [রংপুরে চার খুন: প্রধান আসামি সিদ্ধার্থের বাবা-ভাই ডিবি হেফাজতে](https://sarakhon.com/news/187898/): রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় চন্দ্র দাস ও ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাবাকে একাধিকবার ডেকেও সাড়া মেলেনি রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর মাসুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিবি কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েক দিনে বিনয় চন্দ্র দাসকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছিল। তবে তিনি হাজির হননি। পরে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সনাতন চক্রবর্তী বলেন, বিনয়কে মূলত জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই আনা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে কী তথ্য - [কৈলাস-মানস সরোবর: শত শত বছর ধরে যেখানে তীর্থযাত্রায় যান চার ধর্মের মানুষ](https://sarakhon.com/news/187895/): সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে চার হাজার মিটারেরও বেশি উচ্চতায় নীল জলরাশির এক হ্রদ মানস সরোবর। এর পাশেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে কৈলাস পর্বত। বছরের বড় একটা সময় তুষার আর বরফে ঢাকা থাকে পৃথিবীর অন্যতম দুর্গম এই জায়গাটি। দুর্গম উঁচু পাহাড়ি পথ, সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা, চরম আবহাওয়া, অক্সিজেনের স্বল্পতাসহ নানা কারণে কৈলাস-মানস সরোবরে পৌঁছানো অতটা সহজ নয়। তারপরও শত শত বছর ধরে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে যান এই অঞ্চলে। তাদের কেউ কৈলাস পর্বত প্রদক্ষিণ করেন, কেউ যান কেবল মানস সরোবরের তীরে। কারও কারও উদ্দেশ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা হলেও বেশিরভাগ মানুষই যান ধর্মীয় কারণে। এই স্থানটি হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও তিব্বতের প্রাচীন বন ধর্মের - [গুম প্রতিরোধে বাংলাদেশে কী পরিবর্তন এসেছে?](https://sarakhon.com/news/187892/): বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী কিংবা ভিন্নমতের অনেককে গুমের অভিযোগ বারবার উঠেছে। এমনকি বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেও একসময় গুমের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে। সরকার পতনের পর এমন পরিস্থিতি বদলের দাবি ওঠে। ২০২৫ সালে গুমের ঘটনা তদন্তে একটি কমিশন গঠন করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নেওয়া হয় গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের উদ্যোগও। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে গুম প্রতিরোধে প্রথমবারের মতো একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর এই অধ্যাদেশটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংসদে অনুমোদিত না হওয়ায় তা কার্যকারিতা হারায়। যদিও বিষয়টি আরও যাচাই–বাছাই করে গুম ইস্যুতে নতুন বিল আনার কথা বলেছিল সরকার। গত ২৭শে - [গুম করে কীভাবে রাখা হয়েছিল, নিজের বয়ানে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/187886/): গুম করে কীভাবে রাখা হয়েছিল, নিজের বয়ানে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথম আলো, ‘আমি বিদেশের মাটিতে পাগল অবস্থায় মারা যাব, আমার পরিবার হয়তো আমার কবরও দেখতে পারবে না—এমন ভয়ও পেয়েছিলাম।’ গুমের ৬১ দিনের ভয়াবহ স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে এভাবে আবেগপ্রবণ হয়ে কথাগুলো বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ভারতে উদ্ধারের পর পরিবারের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগের স্মৃতিও তাঁকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। মুঠোফোনে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সেই মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কীভাবে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন, সেই ঘটনারও স্মৃতিচারণা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ শনিবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে নিজে গুমের শিকার হওয়ার ঘটনা - [সেপ্টেম্বর সংখ্যায় ‘দ্য ওয়ানস’—ফ্যাশন ম্যাগাজিনের বিশেষ প্রচ্ছদ তারকারা](https://sarakhon.com/news/187887/): বিশ্ব ফ্যাশন ও বিনোদন অঙ্গনের আলোচিত কয়েকজন তারকাকে নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে ফ্যাশন ম্যাগাজিনের সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংখ্যার বিশেষ আয়োজন ‘দ্য ওয়ানস’। এই সংখ্যায় নিজেদের স্বতন্ত্র প্রতিভা, ব্যক্তিত্ব ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে সময়ের আলোচনায় থাকা তারকাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। সেপ্টেম্বর সংখ্যার বিশেষ আয়োজন সেপ্টেম্বরের সংখ্যাটি ফ্যাশন ম্যাগাজিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে ফ্যাশন, সংস্কৃতি ও জনপ্রিয় বিনোদনজগতের এমন ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যারা নিজেদের কাজের মাধ্যমে সমসাময়িক ধারাকে প্রভাবিত করছেন। ‘দ্য ওয়ানস’ আয়োজনের মাধ্যমে প্রচ্ছদ তারকাদের ব্যক্তিগত পরিচিতির পাশাপাশি তাদের সৃজনশীল কাজ ও নিজস্ব অবস্থানকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে সংখ্যাটি শুধু পোশাক ও সৌন্দর্যের প্রদর্শনী নয়, বরং বর্তমান সময়ের প্রভাবশালী সাংস্কৃতিক - [প্রেমের নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ](https://sarakhon.com/news/187883/): প্রেমভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে টেলিভিশন নাটকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাতটি সংগঠন৷ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘রোমান্টিক নাটক বা সিনেমা নির্মাণকে সামগ্রিকভাবে বন্ধ করার দাবি কোনোভাবেই সৃজনশীল শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়৷ তাই টেলিভিশন মাধ্যমের সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা নোটিশের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি৷” সম্মিলিত প্রতিবাদ লিপিতে সংগঠনগুলো বলেছে, রোমান্টিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ জারির বিষয়টি টেলিভিশন ও বিনোদন অঙ্গনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, শিল্পী, নির্মাতা, প্রযোজক, কলাকুশলী এবং বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে৷ প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের টেলিভিশন ও অডিওভিজ্যুয়াল - [গর্ভাবস্থার দুঃস্বপ্নকে ভয় নয়, মনের ভাষা হিসেবে দেখা দরকার](https://sarakhon.com/news/187810/): গর্ভাবস্থায় শরীরের পরিবর্তন চোখে পড়ে, কিন্তু মনের ভেতরে যে পরিবর্তনগুলো ঘটে, সেগুলো অনেক বেশি নীরব। একজন নারী একই সঙ্গে অনাগত সন্তানকে ঘিরে আনন্দ, প্রত্যাশা ও ভালোবাসা অনুভব করতে পারেন; আবার সেই একই সময়ে তার মনে জন্ম নিতে পারে ভয়—শিশুটি সুস্থ থাকবে তো, প্রসব ঠিকঠাক হবে তো, আমি কি ভালো মা হতে পারব? এই চাপ ও আবেগ অনেক সময় ঘুমের ভেতরেও থেমে থাকে না। বরং রাতের স্বপ্নে সেগুলো আরও তীব্র হয়ে ফিরে আসতে পারে। গর্ভাবস্থায় অস্বাভাবিক রকম জীবন্ত স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন দেখা তাই কেবল বিচিত্র কোনো অভিজ্ঞতা নয়; এটি শরীর ও মনের পরিবর্তনের একটি স্বাভাবিক প্রতিফলনও হতে পারে। আমি মনে করি, গর্ভাবস্থার - [বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটির ধ্বংস: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তায় বড় সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/187795/): বাহরাইনের মানামায় মার্কিন নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি বাহরাইন বা এনএসএ বাহরাইনে হামলার পর যে চিত্র ধীরে ধীরে সামনে আসছে, তা শুধু একটি সামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির গল্প নয়। এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি, সরবরাহব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক শক্তি প্রয়োগের সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’র শুরুর দিনগুলোতে ইরানের হামলায় ঘাঁটিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রথম দিকে প্রকাশ্যে আসেনি। এখন যত তথ্য সামনে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক অবকাঠামো কয়েক দিনের মধ্যেই কার্যত অচল হয়ে পড়ার ঘটনা উপেক্ষা করার মতো নয়। এনএসএ বাহরাইন শুধু একটি প্রশাসনিক সদর দপ্তর নয়। এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন - [কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি?](https://sarakhon.com/news/187678/): রাত গভীর। ঘুম আসছে না, কোনো বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কিংবা দিনের কোনো ঘটনা নিয়ে এক কিশোর-কিশোরী উদ্বিগ্ন। বাবা-মাকে না ডেকে সে হাতে তুলে নিচ্ছে ফোন, খুলছে একটি এআই চ্যাটবট এবং লিখছে—সে খুব চাপের মধ্যে আছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই উত্তর আসছে সহানুভূতিশীল ভঙ্গিতে। কথোপকথন চলতে চলতে তার মন কিছুটা শান্ত হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এতে ক্ষতির কিছু নেই। বরং প্রযুক্তি যেন সেই মুহূর্তে একজন শ্রোতার কাজই করছে। কিন্তু এখানেই বড় প্রশ্নটি সামনে আসে: একজন কিশোর যখন তার ভয়, একাকিত্ব, উদ্বেগ কিংবা মানসিক সংকটের কথা মানুষের বদলে একটি কৃত্রিম কথোপকথন ব্যবস্থাকে বলতে শুরু করে, তখন সেই সহায়তা আসলে কতটা নিরাপদ? এটি আর ভবিষ্যতের কোনো - [নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক](https://sarakhon.com/news/187874/): নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও হিমবাহ ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৪২৬ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, বৈরী আবহাওয়া ও যোগাযোগব্যবস্থার কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। মরদেহ শনাক্তে বড় সংকট বন্যার তিন দিন পর জীবিত নিখোঁজদের উদ্ধারের সম্ভাবনা দ্রুত কমে আসছে। কমিউনিটি হল, পুলিশ কম্পাউন্ড ও সরকারি বিভিন্ন ভবনকে অস্থায়ী মর্গ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় অধিকাংশ স্থানে মরদেহ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমায়ন ব্যবস্থা নেই। ফলে দ্রুত পচন ধরছে মরদেহে। চিতওয়ান জেলার প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে উদ্ধার হওয়া ২৩৩টি - [রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা](https://sarakhon.com/news/187875/): রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে আবারও তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। শুক্রবার কিছুটা স্বস্তি মিললেও শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে গ্যাসের চাপ ফের কমে যায়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেক ক্ষেত্রে মিলছে মাত্র ৪০-৫০ টাকার গ্যাস। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার একটি সিএনজিতে সর্বোচ্চ ৪০-৫০ টাকার মতো গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। প্রাইভেটকারে পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১২০ টাকার গ্যাস। অথচ শুক্রবার সিএনজি অটোরিকশায় ১৫০ টাকা পর্যন্ত এবং প্রাইভেটকারে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। স্বাভাবিক সময়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় আকারভেদে প্রায় ৬০০ টাকার গ্যাস নেওয়া - [রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান](https://sarakhon.com/news/187862/): রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় মোখলেছুর রহমান (৬০) নামে এক অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার একটি নির্জন মাঠ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গজঘণ্টা শান্তিপাড়া এলাকায় একটি বটগাছের নিচে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোখলেছুরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক যুবক। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও অপরাধ তদন্তকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। নিখোঁজ অটোরিকশা পুলিশ জানায়, মোখলেছুরের অটোরিকশাটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সেটি ছিনতাই হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের ভাতিজা আবদুল কুদ্দুস জানান, প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে - [ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে](https://sarakhon.com/news/187863/): ঢাকার যানজট কমানো ও নগর পরিবহনব্যবস্থা আধুনিকায়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রাজধানীর এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওয়ের টোল প্লাজায় চার মাসের মধ্যে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার গাবতলীতে স্থানান্তর এবং ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার তেজগাঁও কার্যালয়ে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি, গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, বাস টার্মিনাল, পার্কিং সুবিধা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। চার মাসে ইটিসি চালুর নির্দেশ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রাজধানীর এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওয়ের টোল প্লাজাগুলোতে চার মাসের মধ্যে ইটিসি ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেন। এ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে একটি - [ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস](https://sarakhon.com/news/187848/): ক্যানসার শব্দটি শুনলেই আতঙ্ক তৈরি হয়। তবে জীবনযাপন ও দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন এনে ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ—এসব অভ্যাস শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর জন্য একক কোনো উপায় নেই। বরং দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে পাঁচটি অভ্যাস বিশেষভাবে কাজে আসতে পারে। পরিশোধিত খাবার কমান খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত পরিশোধিত চিনি, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব কমানো ভালো। এর পরিবর্তে শাকসবজি, ফল, ডাল, পূর্ণ শস্য এবং পুষ্টিকর প্রাকৃতিক খাবারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পর্যাপ্ত সূর্যালোক নিন সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে সহায়তা - [নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187785/): চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁওয়ে ভাসমান ভ্যান বসানো ও চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ফজলুল আমিন নামে এক যুবদল নেতাকে মারধরের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে ওমর আলী মাতব্বর বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভ্যান বসানো নিয়ে বিরোধ স্বজনদের অভিযোগ, সড়কে ভ্যান বসিয়ে চাঁদা নেওয়ার প্রতিবাদ করেছিলেন ফজলুল আমিন। এ নিয়ে নিজ দলের কর্মী হিসেবে পরিচিত শাহজাহান ও তার ছেলে সিফাতের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে ফজলুল আমিনকে ধাক্কা ও ঘুষি মারা হলে তিনি অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার - [একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার](https://sarakhon.com/news/187855/): ভোলার মনপুরায় একই দিনে তিন শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাদের সন্ধান না পাওয়ায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বেড়েছে। খেলতে গিয়ে আর ফেরেনি দুই শিশু নিখোঁজ দুই শিশু উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ১২ বছর বয়সী জুনায়েদ ও আরাফাত। তারা সম্পর্কে সহপাঠী ও খেলার সঙ্গী। পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল বাংলাবাজার কলেজ মাঠে খেলতে যায় জুনায়েদ ও আরাফাত। খেলা শেষে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তারা বাড়িতে ফেরেনি। এরপর স্বজনরা আত্মীয়দের বাড়িসহ আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাননি। জুনায়েদের বাবা জানান, ছেলেকে খুঁজে পেতে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো - [সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে](https://sarakhon.com/news/187852/): অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে চলমান টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিফাইনালের চার দল চূড়ান্ত হয়েছে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আগেই শেষ চার নিশ্চিত করা বাংলাদেশ এইচপি দল এবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমি একাদশের। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী পয়েন্ট তালিকার প্রথম দল খেলবে চতুর্থ দলের বিপক্ষে। আর দ্বিতীয় দল মুখোমুখি হবে তৃতীয় দলের। ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় ও ১০ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে শীর্ষে আছে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমি। বাংলাদেশ এইচপি দলও ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় নিয়ে ১০ পয়েন্ট পেয়েছে। তবে রান রেটে কিছুটা পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তারা। বাংলাদেশের সামনে ভিক্টোরিয়া বাংলাদেশ এইচপির মতো ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমি একাদশও ছয় ম্যাচে পাঁচটি জয় পেয়েছে। তাদের - [নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বন্যায় নিখোঁজ বন্ধু, ভেসে গেল গ্ল্যান্সির পরিচিত গ্রাম](https://sarakhon.com/news/187849/): নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের পর আকস্মিক বন্যার ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে গিয়ে ব্যক্তিগত এক শোকের মুখোমুখি হয়েছেন দ্য সানডে টাইমসের সাংবাদিক জশ গ্ল্যান্সি। টেলিভিশন ও অনলাইনে বন্যার ফুটেজ দেখার সময় ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি গ্রামের দৃশ্য তাঁর কাছে পরিচিত মনে হয়। সেটি ছিল নেপালের সিয়াব্রু বেনসি—যেখানে তাঁর বহুদিনের বন্ধু ও ট্রেকিং গাইড বিরু থাকতেন। গ্ল্যান্সির ভাষায়, দূরের একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মুহূর্তেই ব্যক্তিগত বিপর্যয়ে পরিণত হয়। যে গ্রামে তিনি থেকেছেন, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে খেয়েছেন, যে বন্ধুর হাসির ছবি এখনো তাঁর বাড়িতে রয়েছে—সেই বিরু ও তাঁর পরিবারের কী হয়েছে, সেই উদ্বেগ তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াতে থাকে। ২০১৬ সালে লাংটাং উপত্যকায় এক সপ্তাহ ট্রেকিং - [ভারতে খ্রিস্টানদের উদ্বেগ, ধর্মান্তরবিরোধী কঠোর আইনে বাড়ছে হয়রানির আশঙ্কা](https://sarakhon.com/news/187844/): ভারতে ধর্মান্তরবিরোধী আইন আরও কঠোর হওয়ায় দেশটির খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর গির্জা, যাজক ও ধর্মীয় সমাবেশে নজরদারি এবং আইনি হয়রানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মুম্বাইয়ে গির্জায় যাওয়ার আগে সম্মতিপত্র মহারাষ্ট্রের মুম্বাই মহানগর এলাকার প্রায় চার হাজার গির্জা এখন নতুন ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। রোববার প্রার্থনায় অংশ নিতে আসা ব্যক্তিদের এমন একটি সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করতে বলা হচ্ছে, যেখানে উল্লেখ থাকবে—তারা স্বেচ্ছায় গির্জায় এসেছেন এবং তাদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে না। গির্জা কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে কেউ জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ করলে এই নথি তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ মোকাবিলায় প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে। গির্জায় - [গঙ্গা পানি চুক্তি কি ডিসেম্বরে নবায়ন না হওয়ার টানেলে ঢুকে যাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/187839/): “১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তিসংক্রান্ত বিষয়গুলো দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) কাঠামোর আওতায় আলোচনা করা হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি চুক্তির আওতায় পানি ও নদীসংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্বিপক্ষীয় যৌথ নদী কমিশনের আলোচ্যসূচির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। চুক্তির যৌথ কমিটির বৈঠকগুলোও কারিগরি পর্যায়ে চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।” ভারত-বাংলাদেশের গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ এই বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। ডিসেম্বর আসতে আর মাত্র তিন মাস বাকি। সে সময় ২৯ আগস্ট বিকেলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী রণধীর জয়সওয়াল ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি চুক্তির নবায়ন সম্পর্কে ভারতের এই অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। এবং তিনি এ কথাও - [ওয়েলসের লিঙ্গ পরিবর্তন-সংক্রান্ত অস্ত্রোপচারে নতুন ও পুরোনো রেফারেল সাময়িক বন্ধ](https://sarakhon.com/news/187840/): ওয়েলসে লিঙ্গ-নিশ্চিতকরণমূলক অস্ত্রোপচারের জন্য নতুন রোগী পাঠানো এবং আগে নির্ধারিত অস্ত্রোপচারের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। রোগী পাঠানোর হার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় বিষয়টি স্বাধীন চিকিৎসা পর্যালোচনার আওতায় নেওয়া হয়েছে। রেফারেলের হার নিয়ে উদ্বেগ কার্ডিফ অ্যান্ড ভ্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্য বোর্ড জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ সালের তথ্য পর্যালোচনায় ওয়েলসের লিঙ্গসেবা থেকে লিঙ্গ-নিশ্চিতকরণমূলক অস্ত্রোপচারের জন্য রোগী পাঠানোর হার ইংল্যান্ডের একই ধরনের সেবার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা গেছে। এর পাশাপাশি রোগী মূল্যায়ন ও অস্ত্রোপচারের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়ার কিছু দিক নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নিয়মিত তদারকি ও মান যাচাইয়ের সময় এসব বিষয় সামনে আসার পর স্বাধীন চিকিৎসা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন ও নির্ধারিত অস্ত্রোপচারও স্থগিত স্বাস্থ্য বোর্ড - [বিদেশে থাকা মানেই কি আপনজন থেকে দূরে থাকা? বৃদ্ধ বাবার কাছে ফিরতে গিয়ে যে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি এক মেয়ে](https://sarakhon.com/news/187821/): বিদেশে বসবাস অনেকের কাছে স্বপ্নপূরণের গল্প। ভালো চাকরি, নিরাপদ জীবন কিংবা নতুন সুযোগের আশায় মানুষ দেশ ছেড়ে পাড়ি জমায় দূরদেশে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই দূরত্বই কখনো কখনো হয়ে ওঠে গভীর অস্বস্তি ও অপরাধবোধের কারণ। বিশেষ করে বাবা-মা যখন বয়সের ভারে ধীরে ধীরে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তখন হাজার মাইল দূরে থাকা সন্তানের কাছে তাদের পাশে থাকতে না পারার কষ্ট আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একজন প্রবাসী মেয়ের অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে সেই কঠিন বাস্তবতাই। তিনি জানিয়েছেন, দূর দেশে বসবাস করার কারণে বয়স বাড়তে থাকা বাবাকে প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করা তার জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। শুধু সময়ের দূরত্ব নয়, দেশে ফিরে আসার সঙ্গে জড়িয়ে - [‘মেয়েদের হাত টানাটানি করেন নিতাই রায়’: অভিযোগ যুবদল নেতা নয়নের](https://sarakhon.com/news/187831/): মাগুরা-২ আসনে বিএনপির দুই পক্ষের বিরোধের মধ্যে সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। তাঁর দাবি, নিতাই রায় নারীদের হাত টানাটানি করেন এবং তাঁর কাছে কোনো নারী গেলে অন্যদের বের করে দিয়ে দীর্ঘ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পানিঘাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব অভিযোগ করেন নয়ন। তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে তিনি নিতাই রায়ের এমন আচরণ লক্ষ্য করছেন। অভিযোগের বিষয়ে নয়নের বক্তব্য নয়ন বলেন, নিতাই রায়ের কাছে কোনো নারী গেলে তিনি - [টেলর সুইফটের অনুপ্রেরণায় ক্যাটলিন ক্লার্কের নতুন জুতা, ভক্তদের জন্য যেন স্বপ্নপূরণ](https://sarakhon.com/news/187828/): বাস্কেটবল কোর্টে একের পর এক ইতিহাস গড়ছেন ক্যাটলিন ক্লার্ক। একই সময়ে সংগীত তারকা টেলর সুইফটের ভক্ত হিসেবেও নিজের পরিচয় আরও স্পষ্ট করছেন ইন্ডিয়ানা ফিভারের এই তারকা। এবার সুইফটের জনপ্রিয় ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রেসলেট’ সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বিশেষ নকশার জুতা পরে কোর্টে নেমেছেন তিনি। ইতিহাসের পর নতুন চমক কানেকটিকাট সানের বিপক্ষে ম্যাচে ক্লার্ক আত্মপ্রকাশ করান নতুন নকশার ‘ক্যাটলিন ওয়ান’ জুতা। ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রেসলেট’ নামে পরিচিত এই বিশেষ সংস্করণটি মূলত টেলর সুইফটের আলোচিত সংগীত সফরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বন্ধুত্বের ব্রেসলেট বিনিময়ের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা। এর আগে একই সপ্তাহে ক্লার্ক নারী বাস্কেটবল লিগের ইতিহাসে টানা দুই ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট ও ১০টি সহায়তা করা প্রথম খেলোয়াড়ের মর্যাদা - [পাকিস্তানে জনপ্রিয় হচ্ছে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল, তবে বাধা এখনো অনেক](https://sarakhon.com/news/187824/): পাকিস্তানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের প্রতি মানুষের আগ্রহও বাড়ছে। কম খরচে চালানো যায় বলে এসব যানবাহন ভবিষ্যতে দেশটির দুই চাকার পরিবহনব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তবে বেশি দাম, চার্জ দেওয়ার সমস্যা, ব্যাটারির মান ও পুনর্বিক্রয়মূল্যসহ নানা কারণে এখনো সাধারণ মানুষের কাছে পেট্রোলচালিত মোটরসাইকেলের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি বৈদ্যুতিক বাইক। দুই চাকার বিশাল বাজার পাকিস্তানে বছরে প্রায় ২০ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়। দেশটিতে মোট মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৩ কোটিরও বেশি। পরিবার নিয়ে চলাচল, অফিসে যাতায়াত, সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া কিংবা পণ্য সরবরাহ—সব ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এই বিশাল বাজারে সবচেয়ে পরিচিত নামগুলোর একটি হলো হোন্ডা সিডি ৭০। একটি - [পাকিস্তানের খনিজ সম্পদ: সম্ভাবনার আড়ালে বড় চ্যালেঞ্জ](https://sarakhon.com/news/187818/): পাকিস্তানের মাটির নিচে থাকা বিপুল খনিজ সম্পদ দেশটির অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। দেশটির কর্মকর্তারা প্রায়ই এই সম্পদকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাব্য বড় হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরেন। তবে বিপুল সম্পদ থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থের সংকট ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এখনো তা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের দাবি পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল সম্প্রতি নিউইয়র্কে একটি আলোচনায় দেশটির খনিজ সম্পদের সম্ভাব্য মূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এই হিসাব কীভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। মন্ত্রী একই সঙ্গে স্বীকার করেছেন, এই বিপুল সম্পদ কাজে লাগাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু পাকিস্তানের রাজনৈতিক - [পাকিস্তানে নারীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় কোথায়?](https://sarakhon.com/news/187815/): পাকিস্তানে নারীদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও সহিংসতার ঘটনা যেন থামছেই না। প্রতিদিনই কোনো না কোনো নারী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের পরিণতি হচ্ছে মৃত্যু। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, নির্যাতনের শিকার নারীদের জন্য নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার সুযোগও খুব সীমিত। হিনা জাভেদের মর্মান্তিক মৃত্যু সম্প্রতি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির একটি আবাসিক ভবনের বাথরুম থেকে হিনা জাভেদ নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক বছরেরও কম সময় আগে তার বিয়ে হয়েছিল সাবেক অধ্যাপক ফয়সাল আসগরের সঙ্গে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও পরে পাওয়া আলামত পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। হিনার হাত বাঁধা ছিল, গলায় তার জড়ানো ছিল এবং সেটি বাথরুমের - [শ্যামবাজারে অবৈধ পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান, জব্দ ৪ হাজার ৮১৫ কেজি](https://sarakhon.com/news/187806/): রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় অবৈধ পলিথিন বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই অভিযানে প্রায় ৪ হাজার ৮১৫ কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের যৌথ দল শ্যামবাজার এলাকায় এ অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম। অবৈধভাবে পলিথিন বিক্রি ও মজুতের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তারা ঘটনাস্থলেই জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত - [সপ্তাহের সেরা সৌন্দর্যচর্চা: নিকোল কিডম্যানের মোহময় সাজে নতুন মুগ্ধতা](https://sarakhon.com/news/187805/): তারকাদের সাজসজ্জা, চুলের নকশা, মেকআপ ও নখের শিল্পে প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ধারা সামনে আসে। চলতি সপ্তাহেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তারকাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবি, ফ্যাশন আয়োজন এবং আলোচিত উপস্থিতি থেকে নজরকাড়া সৌন্দর্যসজ্জাগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে। নিকোল কিডম্যানের আধুনিক মায়াবিনী রূপ এই সপ্তাহের সবচেয়ে নজরকাড়া সৌন্দর্যসজ্জার একটি ছিল অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যানের নতুন চেহারা। তার চুলে দেখা গেছে ঘন, ঢেউখেলানো ও আকর্ষণীয় বিন্যাস। চুলে যথেষ্ট আয়তন থাকলেও তা ছিল মসৃণ ও এলোমেলোমুক্ত—যা পুরো সাজে এনে দিয়েছে আধুনিক অথচ কিছুটা রূপকথার আবহ। চুলের এই নকশায় কাজ করেছেন খ্যাতনামা চুলসজ্জাশিল্পী স্যাম ম্যাকনাইট। আর চোখে পড়ার মতো মেকআপের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলেছেন ওয়েন্ডি রো। নিকোলের এই সাজের - [৫৫ বছর বয়সে প্রযুক্তি খাত ছেড়ে শিক্ষকতা, জেন জি-র কাছ থেকে নতুন জীবনের পাঠ](https://sarakhon.com/news/187800/): তিন দশকের বেশি সময় প্রযুক্তি খাতে জনসংযোগের কাজ করেছেন তিনি। দ্রুত নিয়োগ, দ্রুত সাফল্যের প্রত্যাশা আর আরও দ্রুত কর্মী বদলের সেই জগৎ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এসে সম্পূর্ণ নতুন এক পেশায় পা রেখেছেন। হয়েছেন উচ্চবিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষক। আর শ্রেণিকক্ষে ঢুকেই তিনি আবিষ্কার করছেন, শিক্ষকতা শুধু শিক্ষার্থীদের শেখানোর বিষয় নয়—এখানে শিক্ষককেও প্রতিদিন নতুন করে শিখতে হয়। জুলাইয়ের শেষ দিকে শিক্ষকদের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বসে নিজেকে বেশ অস্বস্তিকর অবস্থায় আবিষ্কার করেন তিনি। কক্ষে থাকা অন্যদের তুলনায় তাঁর শ্রেণিকক্ষের অভিজ্ঞতা প্রায় নেই বললেই চলে। অথচ তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষদের একজন। প্রযুক্তি খাতে তিন দশকে তিনি যা তৈরি করেছেন, সেখানে তাঁর পরিচিতি, অভিজ্ঞতা - [ম্যাসির প্রধান নির্বাহীর চার দশকের অভিজ্ঞতা: ক্যারিয়ারে সফল হতে যে ৪ শিক্ষা জরুরি](https://sarakhon.com/news/187799/): দীর্ঘ চার দশকের কর্মজীবনে খুচরা ব্যবসার জগতে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে উঠে এসেছেন ম্যাসির প্রধান নির্বাহী টনি স্প্রিং। ১৯৮৭ সালে দোকানের প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে তিনি ধীরে ধীরে ব্লুমিংডেলের শীর্ষ পদে পৌঁছান। ২০২৪ সালে ম্যাসির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেন তিনি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ ও নতুন কর্মীদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন স্প্রিং। তাঁর মতে, কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার জন্য শুধু দক্ষতা নয়, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি, মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিনয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে শুনুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েই সবকিছু বদলে ফেলার চেষ্টা না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্প্রিং। তাঁর মতে, নতুন - [যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাড়ি কেনার সেরা ১০ শহর, তালিকার শীর্ষে চার্লসটন](https://sarakhon.com/news/187788/): যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে বাড়ির সরবরাহ সংকট এখনো ক্রেতাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কম সুদের বন্ধকী ঋণ পাওয়া অনেক পুরোনো বাড়ির মালিক বিক্রি করতে আগ্রহী না হওয়ায় বাজারে বিক্রির জন্য থাকা বাড়ির সংখ্যা সীমিত। ফলে নতুন বাড়ি নির্মাণ ক্রেতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠছে। নতুন নির্মাণে বাড়ছে সুযোগ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে নির্মাণকারীরা নতুন বাড়ি নির্মাণ বাড়িয়ে দেওয়ায় কিছু শহরে তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক দামে নতুন বাড়ি কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আবাসনবাজার বিশ্লেষণে নতুন নির্মিত বাড়ির তালিকায় অংশ, বিদ্যমান বাড়ির তুলনায় দামের পার্থক্য এবং বাজারে বাড়ি বিক্রি হতে গড়ে কতদিন লাগছে—এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনা এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি জায়গা করে নিয়েছে। - [অভিজাত স্বার্থের কাছে আদালতের ন্যায়বিচার কি নতজানু?](https://sarakhon.com/news/187784/): গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আদালতের প্রতি আস্থা রাখা শুধু নাগরিকের অধিকার নয়, রাষ্ট্রব্যবস্থার স্থিতিশীলতারও অন্যতম শর্ত। আইন ও সামাজিক শৃঙ্খলা নিয়ে শেষ কথা বলার মতো কোনো প্রতিষ্ঠান যদি না থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোই দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই আদালতের রায় পছন্দ না হলেও তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো জরুরি। কিন্তু সেই শ্রদ্ধার অর্থ এই নয় যে আদালতের কোনো সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যাবে না। বরং যখন কোনো রায়ের প্রভাব সাধারণ মানুষের স্বার্থের বিপরীতে গিয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গোষ্ঠীকে সুবিধা দেয় বলে মনে হয়, তখন প্রশ্ন তোলা আরও বেশি জরুরি। ফিলিপাইনের সিকুইজর প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই প্রশ্নই সামনে এনেছে। একটি বেসরকারি - [ব্যাগ ধরে ছিনতাইকারীর টান, রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/187780/): রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। নিহত মোসা. রনজিনা পারভীন বগুড়ার বাগবাড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে ছিনতাই জানা গেছে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে রাতে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসেন রনজিনা পারভীন। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে তার ডাক্তার দেখানোর কথা ছিল। ভোরে তিনি গাবতলী বাস টার্মিনালে নামেন। এরপর রিকশায় করে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। রিকশাটি - [রাজা হারাল্ডকে শেষ বিদায় জানাতে নরওয়ের রাজপ্রাসাদের সামনে জনতার ঢল](https://sarakhon.com/news/187749/): নরওয়ের প্রয়াত রাজা হারাল্ডকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার রাজধানী অসলোতে রাজপ্রাসাদের সামনে জড়ো হয়েছেন হাজারো মানুষ। প্রিয় এই রাজার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের আবহ। অনেকেই স্মরণ করছেন তাঁর সহনশীলতা, উদারতা ও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার মানসিকতার কথা। ইউরোপের সবচেয়ে প্রবীণ রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হারাল্ড শুক্রবার ৮৯ বছর বয়সে মারা যান। তিন দশকেরও বেশি সময় সিংহাসনে থেকে তিনি নরওয়ের রাজপরিবারে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। দীর্ঘ সময় তিনি তাঁর জনপ্রিয় ও প্রাণবন্ত বাবা রাজা ওলাভের ছায়া থেকে বেরিয়ে নিজস্ব নেতৃত্বের পরিচয় গড়ে তোলেন। বৃষ্টিভেজা রাতে শেষযাত্রা শুক্রবার গভীর রাতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও অসলো শহরের রাস্তায় মানুষের ঢল নামে। রাজা - [মানুষকে অমর করার পর এবার কুকুরের আয়ু বাড়াতে চান ব্রায়ান জনসন](https://sarakhon.com/news/187776/): মানুষের বার্ধক্য ঠেকিয়ে দীর্ঘজীবন নিশ্চিত করার উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টার জন্য পরিচিত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ব্রায়ান জনসন এবার একই লক্ষ্য নিয়ে কুকুরের দিকে নজর দিয়েছেন। তাঁর বহুল আলোচিত বার্তা ‘মৃত্যুকে না বলুন’—এবার যেন মানুষের গণ্ডি পেরিয়ে পোষা প্রাণীর ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি আক্রমণ থেকে নিরাপত্তার জন্য তিনি কাতারা নামের একটি প্রশিক্ষিত বেলজিয়ান ম্যালিনোয়া কুকুর দত্তক নেন। প্রায় এক মাস ধরে কাতারা তাঁর সঙ্গী হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে দীর্ঘায়ু নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনসনের পাশেই দেখা গেছে কাতারাকে। আগামী অক্টোবরে কুকুরটির বয়স দুই বছর হবে। কাতারাকে বানাতে চান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষিত কুকুর জনসন জানিয়েছেন, কুকুরের স্বাস্থ্য নিয়ে আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা এখনো - [ভয়াবহ বন্যায় নেপালের পুনর্গঠনে লাগতে পারে ৫ বিলিয়ন ডলার](https://sarakhon.com/news/187770/): হিমালয়ের ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহ ধসের পর নেপালের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে জানিয়েছেন, প্রাথমিক হিসাবে এই ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই অর্থ নেপালের মোট অর্থনীতির প্রায় এক-দশমাংশের সমান। হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বিপর্যয় বুধবার একটি হিমবাহ ধসে পাহাড়ি নদীগুলোতে প্রচণ্ড স্রোতের সৃষ্টি হয়। পাথর, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। এতে ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো ২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বন্যার পানির তোড়ে সীমান্তবর্তী এলাকার বেশ কয়েকটি শহর ও জনপদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে বহু সেতু ও - [নাইজারের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সেনাদের হামলার চেষ্টা, রাজধানীতে সংঘর্ষ](https://sarakhon.com/news/187762/): পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের রাজধানী নিয়ামিতে শনিবার প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী ও সেনাবাহিনীর একাংশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এর আগে রাতভর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভারী গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ঢোকার চেষ্টা নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী একটি অংশ প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাদের ঠেকাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তারক্ষীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনাটি নাইজারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। তবে সংঘর্ষে কতজন হতাহত হয়েছেন বা পরিস্থিতি বর্তমানে কতটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তিন বছর ধরে সামরিক শাসন নাইজার গত তিন বছর ধরে সামরিক জান্তার শাসনে রয়েছে। দেশটির - [বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন: দেশ এবং জাতি কি পেল](https://sarakhon.com/news/187767/): গতকাল দৈনিক কালবেলা আয়োজিত একটা টকশোতে গিয়েছিলাম। সেখানে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলেছি। লিংক কমেন্টে। এটি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। মোটাদাগে যেটা বলেছি সেটা হল মাত্র ছয় মাসের মধ্যে আগের কোন সরকারকে আমি এত কঠিন সমালোচনার সম্মুখীন হতে দেখিনি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে গ্যাস সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইন-শৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি কোন কিছুই এই সরকার ঠিকমতো সামাল দিতে পারছে না। পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলেছে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের আচরণ ও বিতর্কিত বেসামাল বক্তব্য। গতকাল টেকনোক্র্যাট কোটায় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের যা বলেছেন সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সরাসরি হ্যাঁ-না প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তার নাগরিকত্ব নিয়ে কোন পত্রিকা - [ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে কাঁদলেন মিয়াঁদাদ, বললেন—‘সব ভুলে এবার তাঁকে ছেড়ে দিন’](https://sarakhon.com/news/187759/): পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সতীর্থ ইমরানকে ‘সৎ মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি পাকিস্তান সরকারের প্রতি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৯৯২ সালে ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তান প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল। সেই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন মিয়াঁদাদ। দুজন পাকিস্তানের হয়ে ৭৮টি টেস্ট ম্যাচ একসঙ্গে খেলেছেন, যা দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসে একই দলের দুই সতীর্থের মধ্যে সর্বোচ্চ। ‘আমরা সবাই পাকিস্তানি, একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করুন’ পাকিস্তানি সাংবাদিকদের পরিচালিত একটি অনুষ্ঠানে ইমরান খান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মিয়াঁদাদ বলেন, বিষয়টি কেন এত দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে, সেটিই - [ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি কি আমেরিকাকেই দুর্বল করে দিচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/187756/): দক্ষিণ সীমান্তে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দৃশ্যমান সাফল্য পেলেও ব্যাপক নির্বাসন, বিদেশিদের প্রবেশে কড়াকড়ি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নতুন বিধিনিষেধ নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের সাফল্য কি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি, শ্রমবাজার ও বৈচিত্র্যের ওপরই চাপ তৈরি করছে? সীমান্তে সাফল্যের পর কঠোর পথে ট্রাম্প ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পর সীমান্ত পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত হয়েছে। এর আগে জো বাইডেনের আমলেও সীমান্ত পারাপার কমতে শুরু করেছিল। সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবে বড় সাফল্য। এর ফলে অভিবাসন ইস্যুতে ভোটারদের আস্থাও কিছুটা বেড়েছে। এমন পরিস্থিতি কাজে - [ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে মার্কিন সেনা পরিবারগুলোর জীবন যেন আবেগের রোলার কোস্টার](https://sarakhon.com/news/187750/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানের বাইরেও গভীর চাপ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সেনাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রিয়জনের দীর্ঘ বিচ্ছেদ, বাড়তি দায়িত্ব, আয় কমে যাওয়া এবং প্রতিনিয়ত উদ্বেগ—সব মিলিয়ে জীবন হয়ে উঠেছে তীব্র মানসিক চাপের। প্রতিদিনই নতুন দুশ্চিন্তা কোর্টনি স্যান্ডার্স গত ছয় মাস ধরে সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে নানা সমস্যায় সহযোগিতা করছেন। সন্তানদের স্কুল থেকে আনা-নেওয়া, পরিবারের আয় কমে যাওয়ার ঘাটতি পূরণ এবং স্বামী-সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ—সবকিছুই সামলাতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে। স্যান্ডার্স বলেন, পরিস্থিতি এমন যে সারাক্ষণ উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হয়। এক মুহূর্ত মনে হয় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে, পরক্ষণেই নতুন কোনো দুশ্চিন্তা এসে সেই - [ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্যানসার টিকার সাফল্য: আশাকে বাস্তবে রূপ দিতে এখনই গতি বাড়াতে হবে](https://sarakhon.com/news/187675/): ক্যানসারের চিকিৎসায় এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা একটি গবেষণার ফলাফলের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। ১৯ আগস্ট মেলানোমা রোগীদের নিয়ে প্রকাশিত নতুন গবেষণার ফলাফল তেমনই একটি ঘটনা। মের্ক ও মডার্নার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্যানসার টিকা ইন্টিসমেরান গ্রহণকারী রোগীরা টিকা না পাওয়া রোগীদের তুলনায় বেশি সময় ক্যানসারমুক্ত ছিলেন। ক্যানসার গবেষণার জগতে এই ফলাফল তাই স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শুধু ইতিবাচক ফলাফল নয়, গবেষণাটির আকার ও বৈজ্ঞানিক কাঠামো। এক হাজার একশর বেশি মানুষকে নিয়ে পরিচালিত এই তৃতীয় ধাপের পরীক্ষাটি ছিল ডাবল-ব্লাইন্ড ও প্লাসিবো-নিয়ন্ত্রিত। ২০২৪ সালের দ্বিতীয় ধাপের মাত্র ১৫৭ জনের পরীক্ষায় যে সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, নতুন গবেষণা সেটিকে - [হরমুজে ইরানের চাপ কমছে, যুদ্ধের চতুর্থ অধ্যায়ে সুবিধা এখন যুক্তরাষ্ট্রের](https://sarakhon.com/news/188451/): ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের গতিপথ নিয়ে এত দিন যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, তা হয়তো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে, সরকার টিকে আছে এবং ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকিও এখনো রয়েছে—এসব কারণে অনেকের ধারণা ছিল, শেষ পর্যন্ত ইরানই কৌশলগতভাবে এগিয়ে গেছে। কিন্তু যুদ্ধের বর্তমান পর্যায়ে চিত্রটি ভিন্ন হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ইরানের যে বড় ধরনের চাপ তৈরির ক্ষমতা ছিল, তা এখন ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা এবং জাহাজ চলাচলের পথ নিরাপদ রাখার তৎপরতার ফলে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে। যুদ্ধের চতুর্থ অধ্যায় গত ছয় মাসের সংঘাতকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। প্রথম পর্যায়ে - [ট্রাম্পের কানাডা শুল্কে বড় চাপে টয়োটা-হোন্ডা, বন্ধ হতে পারে কারখানার উৎপাদন](https://sarakhon.com/news/188441/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর প্রস্তাবিত ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করলে সবচেয়ে বড় ধাক্কাগুলোর একটি আসতে পারে জাপানের গাড়ি নির্মাতা টয়োটা ও হোন্ডার ওপর। কানাডায় উৎপাদিত গাড়ির বড় অংশই এই দুই প্রতিষ্ঠানের কারখানা থেকে আসে। ফলে শুল্ক কার্যকর হলে তাদের উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি কানাডার কিছু সংযোজন কারখানার উৎপাদন বন্ধ করার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে প্রস্তাবিত নতুন শুল্ক কার্যকর হলে উত্তর আমেরিকার গাড়ি শিল্পের দীর্ঘদিনের উৎপাদন কাঠামো বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়বে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমান্তপারের সরবরাহব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত নতুন কৌশল নিতে হবে। কানাডার গাড়ি শিল্পে টয়োটা-হোন্ডার - [রংপুরে চার খুন: মাদক পরীক্ষায় দুই অভিযুক্তের শরীরে মিলল না কোনো চিহ্ন](https://sarakhon.com/news/188442/): রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের মাদক পরীক্ষায় কোনো মাদকের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সোমবার পাওয়া পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। আট দিন পর নেওয়া হয় নমুনা গত ৩০ আগস্ট রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে দুই অভিযুক্তের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সোমবার দুপুরে পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পায় রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন পর পরীক্ষা হওয়ায় মূত্রে মাদকের চিহ্ন না পাওয়াকে একেবারে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। সাধারণত ঘটনার কাছাকাছি সময়ে পরীক্ষা - [হরমুজ ঘিরে ফের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/188443/): কয়েক সপ্তাহের বিরতির পর আবারও সরাসরি সামরিক হামলা-পাল্টা হামলায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। রোববার ইরানের দক্ষিণ উপকূলের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ব্যবস্থা দিয়ে হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র মাইন পাতা হচ্ছিল। এর জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আটকে দিয়েছে। এই হামলা গত জুলাইয়ের শেষের পর ইরানের কোনো স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পরিচিত সামরিক অভিযান। একই সময়ে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতিও নিচ্ছে ওয়াশিংটন। লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে থাকা - [ভাদ্রের বাজারে পাকা তালের ঘ্রাণ, ফিরছে বাংলার চিরচেনা স্বাদ](https://sarakhon.com/news/188437/): ভাদ্র মাস এলেই বাংলার গ্রামগঞ্জের বাজারে দেখা মেলে পাকা তালের। সুমিষ্ট ঘ্রাণ আর স্বতন্ত্র স্বাদের এই মৌসুমি ফল শুধু রসনাতৃপ্তিই করে না, জড়িয়ে আছে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস, লোকজ সংস্কৃতি ও বর্ষাকালের স্মৃতির সঙ্গে। বাজারজুড়ে পাকা তালের সমারোহ বর্ষার শেষভাগে গাছ থেকে নামানো পাকা তাল এখন জায়গা করে নিয়েছে বিভিন্ন হাটবাজারে। কোথাও আকার ও মান অনুযায়ী সাজিয়ে রাখা হয়েছে ফলগুলো, আবার কোথাও পাকা তালের পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে আধাপাকা তালও। বিক্রেতারা ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী তাল বেছে দিচ্ছেন। কেউ ফলের আকার দেখছেন, কেউ আবার নাকের কাছে নিয়ে পরীক্ষা করছেন পাকা তালের মিষ্টি ঘ্রাণ। বিক্রির পর হাতে জমা হওয়া অর্থেই ফুটে উঠছে মৌসুমি এই ফলের ছোট - [হরমুজ ঘিরে ফের মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, এক মাস পর বড় সামরিক উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/188434/): এক মাসেরও বেশি সময়ের আপেক্ষিক সামরিক স্থবিরতার পর আবারও সরাসরি হামলা-পাল্টা হামলায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সোমবার ভোরে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সামরিক উত্তেজনাকে নতুন করে ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে রোববার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ওই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাগুলো থেকে হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র মাইন স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। হরমুজ প্রণালিই সংঘাতের কেন্দ্র হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেলবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি গত ছয় মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের অন্যতম প্রধান - [সম্পদের উত্তরাধিকার নয়, উদ্দেশ্যের উত্তরাধিকারই পরিবারকে টিকিয়ে রাখে](https://sarakhon.com/news/188425/): একটি বড় সম্পদ গড়ে তোলা কঠিন। কিন্তু সেই সম্পদ কেন তৈরি হয়েছিল, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তার উদ্দেশ্য কী এবং কোন নীতির ভিত্তিতে তা পরিচালিত হবে—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর স্পষ্টভাবে রেখে যাওয়া আরও কঠিন। কারণ অর্থের মালিকানা উত্তরাধিকারসূত্রে হস্তান্তর করা যায়, কিন্তু অর্থের দর্শন নিজে থেকে পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছায় না। ইতিহাসে ক্ষমতার এমন অনেক উদাহরণ আছে, যেখানে শাসকের অনুপস্থিতি ধীরে ধীরে অন্য কাউকে তার হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। রোমান সম্রাট টাইবেরিয়াসের সময় প্রেটোরিয়ান গার্ডের কমান্ডার সেজানাস এমনই এক অবস্থান তৈরি করেছিলেন। সম্রাট যখন ক্যাপ্রিতে অবস্থান করছিলেন, তখন রোমের দৈনন্দিন প্রশাসনের অনেক বিষয় তার কাছে পৌঁছানোর আগেই সেজানাসের হাতে এসে পড়ত। সিংহাসনে - [নেপাল বিপর্যয়ের আগে চীনের কাছে আগাম সতর্কতার তথ্য চেয়েছিল, মিলেনি পর্যাপ্ত তথ্য](https://sarakhon.com/news/188419/): নেপালে ভয়াবহ বন্যা, কাদা ও পাথরের স্রোতে শত শত মানুষের মৃত্যুর কয়েক মাস আগেই দেশটি চীনের সঙ্গে হিমবাহ ও বন্যার ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেছিল। ২৭ মে কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নেপাল ও চীনের কর্মকর্তারা সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে বন্যা, আবহাওয়া ও হিমবাহজনিত দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ এবং মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে যৌথভাবে ঝুঁকি কমানোর পদক্ষেপ হিসেবে হিমবাহ হ্রদের তালিকা তৈরি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানচিত্র প্রণয়নের প্রস্তাবও উঠে আসে। তবে নেপালের দুই কর্মকর্তা জানান, বৈঠকের পর হিমবাহের ঝুঁকি ও পানির স্তর নিয়ে চীনের কাছ থেকে তারা প্রত্যাশিত মাত্রায় তথ্য পাননি। তাদের আশঙ্কা ছিল, তথ্যের সীমিত আদান-প্রদান বড় ধরনের দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়ার - [নেপালে দুই দশকেও খোঁজ মেলেনি ২,৫০১ নিখোঁজের, বিচারের অপেক্ষায় স্বজনরা](https://sarakhon.com/news/188416/): নেপালের এক দশকের সশস্ত্র সংঘাত শেষ হওয়ার দুই দশক পেরিয়ে গেলেও জোরপূর্বক নিখোঁজ হওয়া হাজারো মানুষের ভাগ্য ও অবস্থান এখনো অজানা। আন্তর্জাতিক জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের দিবসে রোববার এসব পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা এবং বিচারহীনতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। ২০০৬ সালের সমন্বিত শান্তিচুক্তির মাধ্যমে নেপালের মাওবাদী সংঘাতের অবসান ঘটে। এক দশকের ওই সংঘাতে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ নিহত হন। নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন। মাওবাদী বিদ্রোহী ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী—উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই মানুষকে জোরপূর্বক নিখোঁজ করার অভিযোগ রয়েছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন বিচারপ্রক্রিয়ায় এখনো একটি মামলারও নিষ্পত্তি হয়নি। বছরের পর বছর ঝুলে আছে বিচারপ্রক্রিয়া শান্তিচুক্তির পর সত্য ও - [অটোরিকশায় সোলার চার্জিং: বড় সম্ভাবনার পথে যে ৭ চ্যালেঞ্জ](https://sarakhon.com/news/188413/): বাংলাদেশে মোট জ্বালানির প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। বছরে ৬৫ লাখ টন জ্বালানি তেল ব্যবহারের মধ্যে প্রায় ৩০ লাখ ৫৫ হাজার টনই যায় পরিবহনে। তেলের ব্যবহার কমাতে সরকার ইলেকট্রিক গাড়ির প্রসারে উদ্যোগী হলেও দেশের সড়কে ইতোমধ্যে বিপুলসংখ্যক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে। এসব যান মূলত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়া হয়। এখন অটোরিকশার চার্জিংয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবায়নে রয়েছে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে প্রচলিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় সাধারণত চার থেকে পাঁচটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি থাকে। এতে মোট ভোল্টেজ দাঁড়ায় প্রায় ৪৮ থেকে ৬০ ভোল্ট। ব্যাটারির ক্ষমতা সাধারণত ১০০ থেকে ১৫০ অ্যাম্পিয়ার-আওয়ার। একটি অটোরিকশা পূর্ণ চার্জ দিতে - [আরও বোয়িং বিমান কিনবে বাংলাদেশ, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর](https://sarakhon.com/news/188409/): বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। সার্জিও গোরের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে চলতি সপ্তাহে একটি নতুন চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ আরও বোয়িং বিমান কিনতে ‘বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার’ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন এই প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের আগের অর্ডারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের বোয়িং কেনার প্রতিশ্রুতি সার্জিও গোর তার পোস্টে মূলত মার্কিন অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করতে - [পোলাওয়ের চালের দামে আগুন, ১৩৫ থেকে বেড়ে ২৩০ টাকা কেজি](https://sarakhon.com/news/188406/): রাজশাহীর বাজারে সুগন্ধি চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ছয় মাসের ব্যবধানে প্যাকেটজাত চিনিগুঁড়া বা পোলাওয়ের চালের দাম ১৩৫-১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ২৩০ টাকা কেজিতে উঠেছে। খোলা চিনিগুঁড়া চালও তিন মাসের ব্যবধানে ১১৫-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০-১৮০ টাকা হয়েছে। এতে বিশেষ আয়োজন ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে পোলাও রান্নাও অনেক পরিবারের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। রাজশাহীর পাইকারি বাজারে বর্তমানে সুগন্ধি চাল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং খুচরা বাজারে প্রায় ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশি কালিজিরা চালের দাম ১২০-১২৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে। দিনাজপুরের সুগন্ধি কাটারিভোগ চালও কেজিতে প্রায় ১৫ টাকা বেড়ে ৯৫-১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রফতানি নিয়ে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সুগন্ধি চালের - [নদীভাঙনে জামালপুরে বিলীন ঘরবাড়ি-রাস্তা, ঝুঁকিতে ৫০০ পরিবার](https://sarakhon.com/news/188402/): জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নে যমুনার শাখা আলাই নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও দোকান নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। চলতি বছরের জুন থেকে সাদিপাটি বাজার থেকে পচাবহলা এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক। অনেকেই রাত কাটাচ্ছেন নির্ঘুম অবস্থায়। ভাঙনে ঘর হারিয়ে দিশেহারা মানুষ সাদিপাটি বাজার এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য লালু মোল্লার ঘরের অর্ধেক ইতোমধ্যে নদীতে চলে গেছে। তিনি জানান, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় রাত তিনটার দিকে হঠাৎ ঘরের একটি বড় অংশ নদীতে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ঘরের কিছু মালামাল উদ্ধার করতে পারলেও শেষ পর্যন্ত ভাঙনের - [পাবনায় রেকর্ড পেঁয়াজ উৎপাদনেও স্বস্তি নেই, বর্ষায় পচে নষ্ট ৩০ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/188399/): পাবনায় এবার পেঁয়াজের রেকর্ড উৎপাদন হলেও সংরক্ষিত পেঁয়াজের পচন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। চৈত্র-বৈশাখে ঘরে তোলা পেঁয়াজ ভরা বর্ষায় অস্বাভাবিকভাবে পচে নষ্ট হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী মাচা বা চাতালের পাশাপাশি কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আধুনিক সংরক্ষণাগারেও পচন ঠেকানো যাচ্ছে না। কৃষকদের দাবি, সংরক্ষিত দেশি ও হাইব্রিড—দুই জাতের পেঁয়াজেরই প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ভালো ফলনের যে স্বস্তি তৈরি হয়েছিল, তা এখন বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় পরিণত হয়েছে। অস্বাভাবিক সময়ে পচনে বিপাকে কৃষক আটঘরিয়া উপজেলার চান্দাই গ্রামের কৃষক আয়েন উদ্দিন প্রায় ২৫০ মণ হাইব্রিড পেঁয়াজ মাচায় সংরক্ষণ করেছিলেন। সম্প্রতি মাচা থেকে পেঁয়াজ বের করে তিনি দেখতে পান, অনেক পেঁয়াজ - [কৃষিঋণের ১ হাজার কোটি টাকার তহবিলের বড় অংশ অন্য খাতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে অনিয়ম](https://sarakhon.com/news/188395/): আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের কম সুদে কৃষিঋণ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া ১ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের বড় অংশ কৃষি খাতে বিতরণ না করে অন্য খাতে উচ্চ সুদে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে এ অনিয়ম ধরা পড়েছে। ১ হাজার কোটি টাকার তহবিলের বিপরীতে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণ স্থিতি রয়েছে ৩৫০ কোটি টাকারও কম। এ ঘটনায় তহবিলের বাকি অর্থ কোথায় এবং কোন খাতে বিতরণ করা হয়েছে, তা জানতে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তহবিল ব্যবহারে শর্ত ভঙ্গ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের কৃষিঋণ দিতে দীর্ঘদিন ধরে আনসার-ভিডিপি - [পরপর দুই দিন ডেঙ্গু রোগীর রেকর্ড, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ হাজার ৪০২ জন](https://sarakhon.com/news/188392/): দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। পরপর দুই দিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যায় নতুন রেকর্ড হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগের ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ শুক্রবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ৯৯৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৭ জনে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যায়ও নতুন রেকর্ড নতুন রোগী ভর্তি ও মৃত্যুর পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ - [নতুন শিক্ষাবর্ষের আগে রুশ হামলায় ইউক্রেনের ধ্বংস ১ কোটি ২০ লাখ বই](https://sarakhon.com/news/188389/): নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর ঠিক আগে ইউক্রেনের বই ও প্রকাশনা শিল্পে নেমে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটির বিভিন্ন ছাপাখানা, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বই। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের হিসাবে, চলতি বছর ইউক্রেনে ছাপা হওয়া মোট বইয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই এর মধ্যে রয়েছে। ছাপাখানায় মিলল পুড়ে যাওয়া পাঠ্যবইয়ের পৃষ্ঠা কিয়েভের প্রান্তে একটি ছাপাখানায় নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য বই ছাপার কাজ পুরোদমে চলছিল। সেখানে ১৩ লাখ বই তৈরি করে সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল, যা ইউক্রেনের স্কুলপাঠ্য বইয়ের প্রায় ১০ শতাংশ। কিন্তু রাতের এক রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যায় পুরো প্রতিষ্ঠান। - [উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে ফেরি ডুবে নিহত ৮, নিখোঁজ ১৮](https://sarakhon.com/news/188384/): উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে যাত্রীবাহী একটি ফেরি উল্টে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১৮ জন। দুর্ঘটনার পর অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা গেলেও ডুবে যাওয়া ফেরিটির সন্ধানে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ২৬৭ জন ছিলেন ফেরিতে রোববার স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তর সাইপ্রাসের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র কিরেনিয়া থেকে তুরস্কের উদ্দেশে যাত্রা করে ফেরিটি। এতে ২৫৯ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু সদস্য ছিলেন। উত্তর সাইপ্রাসের তুর্কি প্রশাসনের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী উনাল উস্তেল জানান, যাত্রা শুরুর কিছু সময় পর উত্তাল সমুদ্রে ফেরিটি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করে। পরে সেটি উল্টে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি ডুবে যায়। উস্তেল জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ফেরিটির - [মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে](https://sarakhon.com/news/188382/): চট্টগ্রামের পটিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিজানুর রহমানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন নসু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নাজমুল হোসেন দাবি করেছেন, স্থানীয় শ্রমিক লীগ নেতা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান পারভেজের পরিবারের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করেই তারা ও তার পরিবার মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ঘটনার বিষয়ে মিজানুর রহমানের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তার ঘর ভেঙে সেখানে ইটের দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিষয়টি তিনি সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হককে জানান। এরপর এমপি পটিয়া থানার ওসিকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার - [দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমলো ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা](https://sarakhon.com/news/188376/): দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় স্বর্ণের গহনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের গহনার দাম ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ প্রতি ভরির নতুন মূল্য - [ফতুল্লা থানার গারদে মোবাইল হাতে ১০ আসামি, ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল](https://sarakhon.com/news/188370/): নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে থাকা ১০ আসামির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাঁদের আজমেরী ওসমানের পক্ষে বক্তব্য দিতে এবং কয়েকজনকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। গ্রেপ্তারের পর থানার গারদে থাকা আসামিদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। গারদে মোবাইল ফোন, উঠছে প্রশ্ন গতকাল রোববার রাতে পলাতক শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। এতে ফতুল্লা থানার গারদে থাকা ১০ ব্যক্তিকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের কয়েকজন ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। গ্রেপ্তার হয়ে থানার গারদে থাকা অবস্থায় আসামিদের হাতে - [গুরুতর অসুস্থ শিশুর বাবা-মায়ের ১২ সপ্তাহ বেতনসহ ছুটির দাবি](https://sarakhon.com/news/188367/): গুরুতর অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করা শিশুদের বাবা-মাকে বেতনসহ ছুটি দেওয়ার আইনি অধিকার চালুর দাবি উঠেছে। ইংল্যান্ডের শিশু কমিশনার ডেম র‌্যাচেল ডি সুজা বলেছেন, সন্তানের চিকিৎসা ও পরিচর্যার সময় কোনো বাবা-মাকেই যেন চাকরি হারানোর ভয় কিংবা আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার চাপের মধ্যে পড়তে না হয়। ৯০ শতাংশ বেতনে ১২ সপ্তাহের ছুটি শিশু কমিশনার সরকারের কাছে এমন একটি আইনি ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন, যার আওতায় গুরুতর অসুস্থ শিশুর বাবা-মা বছরে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত ছুটি নিতে পারবেন এবং ওই সময়ে স্বাভাবিক বেতনের ৯০ শতাংশ পাবেন। তার মতে, কোনো পরিবারে শিশু গুরুতর ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা, পরিচর্যা এবং কর্মজীবনের মধ্যে - [সালমান এফ রহমানের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে লড়তে বিদেশি আইনজীবীর আবেদন](https://sarakhon.com/news/188362/): চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লড়তে বিদেশি আইনজীবী হিসেবে অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তার সঙ্গে কাজ করার জন্য বিদেশি আইনজীবী গ্রায়েম এল. হল বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আবেদন করেছেন। বিদেশি আইনজীবীর আবেদন এর আগে গত ১৪ আগস্ট বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিবের কাছে আবেদন করেন গ্রায়েম এল. হল। আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সালমান এফ রহমানের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত থাকার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ১১(৮) - [মোবাইলের বিষণ্ন স্ক্রলিং ছেড়ে বাগানেই শান্তি খুঁজছেন তরুণেরা](https://sarakhon.com/news/188360/): সারাক্ষণ মোবাইলের পর্দায় নেতিবাচক খবর, উদ্বেগ আর অস্থিরতার মধ্যে ডুবে থাকার বদলে গাছপালা, মাটি আর ফুলের কাছে ফিরছেন একদল তরুণ। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে জন্ম নেওয়া তরুণদের মধ্যে বাগান করা এখন শুধু শখ নয়, বরং মানসিক স্বস্তি, সৃজনশীলতা ও সামাজিক যোগাযোগের নতুন মাধ্যম হয়ে উঠছে। শোক সামলাতে বাগানের আশ্রয় ৩১ বছর বয়সী হান্না ম্যাথিউজের কাছে বাগান হয়ে উঠেছিল কঠিন সময় পার হওয়ার আশ্রয়। এক বছরের ব্যবধানে বাবা ও দাদিকে হারানোর পর তিনি নিজের বাড়ির বাগানে সময় কাটাতে শুরু করেন। হান্না জানান, মন যখন নানা চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠত, তখন ভোরে উঠে আগাছা পরিষ্কার করতে শুরু করতেন তিনি। ধীরে ধীরে - [শিক্ষক সংকট ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপের দাবি, বলছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা](https://sarakhon.com/news/188357/): ইংল্যান্ডে শিক্ষকতা পেশা থেকে ক্রমেই বেশি মানুষ সরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত সহায়তার অভাবে শিক্ষকরা পেশা ছাড়ার কথা ভাবছেন বলে নতুন এক জরিপে উঠে এসেছে। পরিস্থিতিকে ‘অস্তিত্বের সংকট’ হিসেবে বর্ণনা করে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা। প্রায় অর্ধেক শিক্ষক পেশা ছাড়ার কথা ভাবছেন ইংল্যান্ডের ৯০০-এর বেশি শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও বিশেষ শিক্ষাগত চাহিদা সমন্বয়কারীর ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, কর্মরত শিক্ষকদের প্রায় অর্ধেক আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষকতা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। প্রতি ১০ জনের একজন জানিয়েছেন, তারা এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে পেশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন। জরিপে অংশ নেওয়া তিন-চতুর্থাংশের বেশি - [দেশজুড়ে বৃষ্টি, আগামী ৫ দিনও থাকতে পারে বর্ষণের প্রবণতা](https://sarakhon.com/news/188354/): আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। বিএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু এলাকায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী ধরনের বৃষ্টিও হতে পারে। আগামী পাঁচ দিনেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া - [সিরাজগঞ্জে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৭ দোকান](https://sarakhon.com/news/188351/): সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। সোমবার ভোররাতে বাজারের তিন সড়কের সংযোগস্থলে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে দ্রুত আশপাশের দোকানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ভোররাতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পর প্রথমে বাজারের লোকজন নিজেদের উদ্যোগে তা নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। খবর পেয়ে তাড়াশ ও রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে যেসব দোকান ক্ষতিগ্রস্ত আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে নিমগাছী গ্রামের সোলেমান তালুকদারের ওষুধের দোকান এবং চণ্ডীভোগ গ্রামের হায়দার আলীর পান ও সিগারেটের দোকান। এছাড়া দিগেন্দ্রনাথ - [সন্তানদের মধ্যে অর্থের বৈষম্যেই কি ভাঙে পরিবারের সম্পর্ক?](https://sarakhon.com/news/188347/): এক সন্তানকে বাড়ি কেনার জন্য বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে, অথচ অন্য সন্তানকে প্রয়োজনে ঋণও দেওয়া হচ্ছে না—এমন পরিস্থিতি অনেক পরিবারেই ভাই-বোনের মধ্যে ক্ষোভ ও দূরত্ব তৈরি করতে পারে। অর্থের এই বৈষম্য অনেক সময় শুধু টাকার হিসাব থাকে না; এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় ভালোবাসা, গুরুত্ব পাওয়া এবং ন্যায্যতার অনুভূতি। টাকা নয়, আসল সমস্যা অন্য জায়গায় বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাই-বোনের মধ্যে অর্থ নিয়ে বিরোধের পেছনে প্রকৃত কারণ প্রায়ই টাকা নয়। বাবা-মা একজনকে বেশি আর অন্যজনকে কম সহায়তা করলে কেউ কেউ সেটিকে পক্ষপাতিত্ব, কম ভালোবাসা কিংবা নিজের প্রতি অবমূল্যায়ন হিসেবে দেখতে পারেন। আবার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তের পেছনে বাস্তব কারণও থাকতে পারে। কোনো সন্তানের আয় কম - [কুষ্টিয়ায় রাতের আঁধারে অবৈধ ব্যাটারি কারখানা, হুমকিতে ফসলি জমি ও পদ্মার পাড়](https://sarakhon.com/news/188344/): দিনের বেলায় পদ্মা নদীর তীরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সদীপুর নৌঘাটসংলগ্ন এলাকা অনেকটাই নির্জন। সবুজ ত্রিপলের নিচে পড়ে থাকে পুরোনো ব্যাটারির স্তূপ। তবে রাত নামলেই বদলে যায় দৃশ্যপট। শুরু হয় পুরোনো ব্যাটারি ভাঙা ও পুড়িয়ে সীসা আহরণের কাজ। কুমারখালী উপজেলার চরসাদীপুর ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেনের ইটভাটা এলাকায় পদ্মার উত্তর তীরে গড়ে উঠেছে এই অবৈধ ব্যাটারি রিসাইক্লিং কারখানা। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় দেড় মাস ধরে রাতের আঁধারে চলছে কারখানাটির কার্যক্রম। সেখানে শত শত পুরোনো লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি ভেঙে কয়লা ও কাঠের আগুনে পোড়ানো হচ্ছে। এতে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত ধোঁয়া। রাতে আসে ব্যাটারিভর্তি ট্রাক কারখানায় কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, পাবনার মনির হোসেন - [সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর নিহত, জরুরি পতাকা বৈঠক ডাকল বিজিবি](https://sarakhon.com/news/188331/): হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর ভারতীয় চোরাকারবারিদের গুলিতে সোহাগ মিয়া (১৭) নামে এক বাংলাদেশি কিশোর নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বাংলাদেশে এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫৫ ব্যাটালিয়ন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে। সীমান্ত পেরিয়ে এক কিলোমিটার ভেতরে বিজিবি জানায়, রোববার দুপুর ১টার দিকে চুনারুঘাটের চিমটিবিল সীমান্ত এলাকার শূন্যরেখা পার হয়ে একদল বাংলাদেশি ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল গরু নিয়ে আসা। পরে সেখানে ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ভারতীয় চোরাকারবারিরা প্যালেট - [সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনীতে কি ফাঁস হবে ভারতের প্রভাবশালী গান্ধী পরিবারের অজানা ইতিহাস?](https://sarakhon.com/news/188328/): ভারতের রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী পরিবারের দীর্ঘ ইতিহাস, ব্যক্তিগত শোক, ক্ষমতার অন্তরালের সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক উত্তরাধিকার—সবকিছু নিয়েই এবার নিজের ভাষ্যে কথা বলতে চলেছেন সোনিয়া গান্ধী। তাঁর আত্মজীবনী ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ নভেম্বরে প্রকাশিত হওয়ার কথা। বইটি প্রকাশের আগেই ভারতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। রাজনীতিতে অনিচ্ছুক এক নারীর উত্থান ১৯৯৮ সালে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার সময় সোনিয়া গান্ধী ছিলেন অনেকের কাছেই রহস্যময় এক রাজনৈতিক চরিত্র। ইতালিতে জন্ম নেওয়া এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া দীর্ঘদিন রাজনীতির আলো থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণের পর ধীরে ধীরে তিনি দলের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতায় পরিণত হন। প্রকাশকের তথ্য অনুযায়ী, আত্মজীবনীর - [কুকুরের জিনগত পরীক্ষা নিয়ে হংকংয়ে হঠাৎ বাড়ল মালিকদের উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/188325/): হংকংয়ে একের পর এক কুকুরের হামলার ঘটনার পর বিপজ্জনক কুকুর নিয়ন্ত্রণে সরকারি অভিযান জোরদার হয়েছে। আর এরই প্রভাবে কুকুরের বংশগত পরিচয় যাচাইয়ের পরীক্ষার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে প্রাণীকল্যাণ সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছে, কঠোর অভিযানের কারণে অনেক মালিক আতঙ্কে পোষা কুকুর রাস্তায় ছেড়ে দিতে পারেন। হামলার পর কুকুরের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় ৩৩ বছর বয়সী একটি পোষা প্রাণী প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মালিককে একটি মিশ্র জাতের লড়াকু কুকুর আক্রমণ করে। পরে ওই নারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। কুকুরটি নিবন্ধনের সময় মিশ্র জাতের সাধারণ কুকুর হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। ঘটনার পর হংকংয়ের কুকুর নিবন্ধন ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, বর্তমানে মালিকের নিজের দেওয়া - [অলি রবিনসনের সাফল্যের নেপথ্যে অস্ট্রেলিয়ার শেখানো কৌশল, বলছেন জোনাথন অ্যাগনিউ](https://sarakhon.com/news/188322/): ইংল্যান্ডের পেসার অলি রবিনসনের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পেছনে অস্ট্রেলিয়ারই একটি পুরোনো কৌশলের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার জোনাথন অ্যাগনিউ। তাঁর মতে, উইকেটের একেবারে কাছে দাঁড়িয়ে উইকেটকিপিং করার কৌশল রবিনসনের বোলিংয়ের শক্তিকে আরও কার্যকর করে তুলেছে। স্বাভাবিক প্রতিভার বোলার রবিনসন ইংল্যান্ডের হয়ে রবিনসনের অভিষেকের পাঁচ বছর পরও অ্যাগনিউয়ের মূল্যায়ন বদলায়নি। তাঁর চোখে রবিনসন এখনো দেখা সবচেয়ে স্বাভাবিক প্রতিভার পেসারদের একজন। রবিনসনের বোলিংকে যান্ত্রিক বলা হলেও সেটি নেতিবাচক অর্থে নয়। বরং তাঁর বোলিংয়ের ছন্দ, পুনরাবৃত্তি ও নিখুঁত নিয়ন্ত্রণই তাঁকে আলাদা করেছে। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রার সঙ্গে তাঁর বোলিংয়ের মিলও টেনেছেন অ্যাগনিউ। রবিনসনের রানআপে স্বাভাবিক ছন্দ রয়েছে, তাঁর - [মার্কিন গোয়েন্দা বিনিয়োগের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জার্মান ড্রোন নির্মাতা কোয়ান্টাম সিস্টেমস](https://sarakhon.com/news/188319/): জার্মানির শীর্ষস্থানীয় ড্রোন নির্মাতা কোয়ান্টাম সিস্টেমস যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্রুত প্রবেশের ক্ষেত্রে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইন-কিউ-টেলের সহায়তা পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সভেন ক্রুক জানিয়েছেন, মার্কিন বিনিয়োগকারী ও তাদের যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ওয়াশিংটনে দরজা খুলতে এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ পেতে কোম্পানিটিকে সহায়তা করেছে। ক্রুকের ভাষ্য অনুযায়ী, ইন-কিউ-টেলসহ কয়েকজন মার্কিন বিনিয়োগকারী কোয়ান্টাম সিস্টেমসকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা শুরু করতে এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও ফেডারেল তদন্ত সংস্থার সঙ্গে কাজের সুযোগ পেতে সহায়তা করেন। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কোম্পানিটির অবস্থান ইউরোপের তুলনায় শুরুতেই শক্তিশালী হয়ে ওঠে। গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কাজের সুযোগ কোয়ান্টাম সিস্টেমস নজরদারি, আক্রমণ এবং প্রতিরোধকারী ড্রোন তৈরি করে। - [চীনের সঙ্গে বাণিজ্যে আরও বাধা দেওয়ার আহ্বান, জি২০ দেশগুলোকে প্রস্তাব বেসেন্টের](https://sarakhon.com/news/188316/): চীনের বিপুল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য আর টেকসই নয় বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। বৈশ্বিক বাণিজ্য ভারসাম্য ফেরাতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের শর্ত নতুন করে পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে আরও বাণিজ্যিক বাধা আরোপের জন্য জি২০ভুক্ত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। চীনের ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত নিয়ে উদ্বেগ রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের অ্যাশভিলে জি২০-এর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকের আগে এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, চীনের বর্তমান রপ্তানিনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। তিনি বলেন, বিশ্বের পক্ষে এমন একটি চীনা অর্থনীতি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়, যার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার। চীনের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি দুর্বল হয়ে - [জ্বালানি তেলের দামে ধাক্কা, চীনের তিন বৃহৎ উড়োজাহাজ সংস্থার লোকসান ৮১৭ কোটি ইউয়ান](https://sarakhon.com/news/188311/): মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তিন বৃহৎ উড়োজাহাজ সংস্থা। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তাদের সম্মিলিত নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১৭ কোটি ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ। চীনের তিন বৃহৎ উড়োজাহাজ সংস্থা হলো এয়ার চায়না, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনস এবং চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস। প্রথমার্ধে আয় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে টিকিটের দাম কমে যাওয়া এবং জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তাদের লোকসান আরও গভীর হয়েছে। জ্বালানি ব্যয়েই বড় চাপ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচল খাতেও। উড়োজাহাজ - [কন্যার জন্য মৃত্যুর মুখেও লড়াই, হাঙরকে ঘুষি মেরে বাঁচলেন সিডনির মা](https://sarakhon.com/news/188310/): সিডনির সমুদ্রসৈকতে বিশালাকার সাদা হাঙরের আক্রমণের শিকার হওয়ার পরও হাল ছাড়েননি ৩৪ বছর বয়সী লেয়া স্টুয়ার্ট। নিজের জীবন বাঁচাতে চার মিটার দীর্ঘ হাঙরের মুখে একের পর এক ঘুষি মেরে শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন তিনি। ভয়াবহ ওই ঘটনায় তাঁর একটি হাত কেটে ফেলতে হয়েছে। গত ১৩ জুন সকালে সিডনির পূর্বাঞ্চলের কুজি সৈকতে সাঁতার কাটার সময় লেয়া হাঙরটির হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন। চিকিৎসার অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত তাঁর একটি হাত কেটে ফেলতে হয়। হাঙরের মুখ মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরে হামলার ভয়াবহ মুহূর্তের কথা সম্প্রতি প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমে জানিয়েছেন - [ছয় দশকের শিল্পযাত্রায় সিদ্ধিকা বিলগ্রামির নিরন্তর নিরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/188304/): প্রকৃতির সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো তার অনিশ্চয়তা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিচিত দৃশ্য বদলে যেতে পারে। নীল আকাশ হঠাৎ ধূসর হয়ে উঠতে পারে, আবার সূর্যাস্তের রংও প্রতিদিন নতুন কোনো আবহ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো উপলব্ধি করতে প্রয়োজন গভীর সংবেদনশীলতা—চারপাশের সাধারণ দৃশ্যের মধ্যেও অসাধারণকে খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা। শিল্পী সিদ্ধিকা বিলগ্রামির সৃষ্টিশীলতার কেন্দ্রে রয়েছে ঠিক এই সংবেদনশীলতা। ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি, প্রকৃতি, স্থান ও গতিশীলতাকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের শিল্পের ভাষায় রূপ দিয়েছেন। তাঁর কাছে গতি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, আর সেই গতিকে সম্ভব করে স্থান। তাই প্রকৃতি ও স্থান একই সঙ্গে তাঁর শিল্পের বিষয় এবং উপকরণ। তিনি মনে করেন, রং অনুভূতির প্রতিফলন ঘটায়, আর - [৩০ বছর ধরে সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত ছেলেকে আগলে রাখার মায়ের লড়াই](https://sarakhon.com/news/188301/): ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বর। দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের এক গ্রামে মাত্র ১৬ বছর বয়সী কেনেইলওয়ে ডিকোমা প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন। সন্তান লোরাতো ছিল শান্ত স্বভাবের, হাসতও অনেক। কিন্তু ছয় মাস বয়সে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় চিকিৎসাকর্মীরা বুঝতে পারেন, শিশুটির বিকাশ স্বাভাবিক গতিতে হচ্ছে না। সে তখনও বসতে পারছিল না। সেখান থেকেই শুরু হয় এক মায়ের দীর্ঘ সংগ্রাম। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, লোরাতো সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত। তখন এই রোগ সম্পর্কে ডিকোমার কোনো ধারণাই ছিল না। ভয়, অনিশ্চয়তা আর অসহায়তার মধ্যে তাকে শিখতে হয় কীভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানকে সারাজীবন দেখভাল করতে হয়। জন্মের পরই দেখা দিয়েছিল সংকেত লোরাতোর জন্ম হয়েছিল একটি গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। জন্মের পর - [বয়সকে লুকানো নয়, উপভোগ করাই সুখী বার্ধক্যের আসল রহস্য](https://sarakhon.com/news/188298/): চল্লিশের শেষভাগে এসে শরীরে হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া, পেটের চারপাশে মেদ জমা, মুখে গভীর ভাঁজ পড়া—এসব পরিবর্তন অনেক নারীর কাছেই অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনকে মেনে নেওয়ার বদলে অনেকে তা আড়াল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে গিয়ে এক নারীর অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে বয়স ও সৌন্দর্য সম্পর্কে তাঁর ধারণা। ওষুধ কিংবা অস্ত্রোপচার নয়, সুখের সন্ধান ইতালিতে শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে তিনি একসময় ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহার করেছিলেন। তাতে ওজন কমলেও শরীরের আকৃতিতে এমন কিছু পরিবর্তন আসে, যা তাঁর কাছে কাঙ্ক্ষিত ছিল না। পাশাপাশি চিকিৎসার খরচও ছিল যথেষ্ট বেশি। শেষ পর্যন্ত তিনি সেই পথ থেকে সরে আসেন। - [রজ কোহনের ছায়াতেই কি তৈরি হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশল?](https://sarakhon.com/news/188293/): মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে কিছু মানুষ সরাসরি ক্ষমতার শীর্ষে না থেকেও এমন গভীর প্রভাব রেখে গেছেন, যার ছাপ বহু বছর পরেও স্পষ্ট থাকে। রজ কোহন ছিলেন তেমনই এক বিতর্কিত চরিত্র। আইনজীবী, রাজনৈতিক প্রভাবশালী, ক্ষমতাবানদের ঘনিষ্ঠ এবং নানা কেলেঙ্কারিতে জড়িত এই ব্যক্তি পরবর্তী সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত কৌশলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক হয়ে ওঠেন। কৈ বার্ডের নতুন বই ‘আমেরিকান স্কাউন্ড্রেল’-এ কোহনের জীবন, ক্ষমতার ব্যবহার এবং ট্রাম্পের ওপর তার প্রভাবের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বইটির মূল বক্তব্য হলো, ট্রাম্পের যে আক্রমণাত্মক, নিয়মভাঙা ও আত্মপক্ষসমর্থনমূলক রাজনৈতিক ধরন আজ পরিচিত, তার অনেকটাই কোহনের কাছ থেকে শেখা। বিতর্কিত এক আইনজীবীর উত্থান রজ কোহন ছিলেন নিউইয়র্কের - [পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশু-কিশোর হত্যার ঘটনা ভয়াবহভাবে বেড়েছে](https://sarakhon.com/news/188290/): গাজা যুদ্ধ শুরুর পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশু ও কিশোরদের হত্যার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংগঠন বেতসেলেমের হিসাবে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ২৩৫ জন শিশু ও কিশোর নিহত হয়েছে। নয় বছরের মোহাম্মদের মৃত্যু নিহতদের একজন ছিল নয় বছর বয়সী মোহাম্মদ। গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ পশ্চিম তীরের আল-রিহিয়া গ্রামে ইসরায়েলি সেনাদের টহল দেখে দৌড়ে পালানোর সময় গুলিতে সে নিহত হয় বলে তার মা আলিয়া আল-হাল্লাক জানিয়েছেন। ছেলেকে হারানোর পরও আলিয়া নিজেকে চার সন্তানের মা হিসেবে ভাবতে পারেন না। তিনি বলেন, এখনো মোহাম্মদের মৃত্যুকে মেনে নিতে পারেননি। বাড়ির উঠানে বসে ছেলের কবরের দিকে - [উন্নত ভারতের স্বপ্নে বড় বাধা প্রবৃদ্ধির ঘাটতি, ২০৪৭ লক্ষ্য নিয়ে বাড়ছে সংশয়](https://sarakhon.com/news/188287/): ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বাড়ছে। চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বের অনেক বড় অর্থনীতির তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার যে স্বপ্ন, সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য বর্তমান প্রবৃদ্ধির গতি যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা। ২০৪৭ সালের লক্ষ্য কতটা কঠিন ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে অর্থাৎ ২০৪৭ সালে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করতে চান মোদি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ২১ বছর ভারতের অর্থনীতিকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে বাড়তে হবে বলে হিসাব - [দুর্যোগে গাড়িতে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের খোঁজে বিপাকে জাপানের ৪৫ প্রদেশ](https://sarakhon.com/news/188281/): জাপানের ৪৭টি প্রদেশের মধ্যে ৪৫টি প্রদেশই দুর্যোগের সময় গাড়িতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যা ও অবস্থান শনাক্ত করাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। গাড়িতে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার কারণে তাদের কাছে সময়মতো জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে বড় ধরনের ভূমিকম্প বা অন্যান্য দুর্যোগের সময় অনেক মানুষ নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে নিজেদের গাড়িতেই অবস্থান করেন। আশ্রয়কেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কাসহ নানা কারণে তারা এমন সিদ্ধান্ত নেন। জুলাইয়ের শেষ দিকে কুমামোতো প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরও বহু মানুষ গাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এতে প্রশাসনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত - [মেয়াদোত্তীর্ণ গুঁড়ো দুধের তারিখ বদলে বিক্রির চেষ্টা, চিটাগাং ডেইরি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা](https://sarakhon.com/news/188278/): চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ গুঁড়ো দুধের উৎপাদন ও মেয়াদসংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তন করে পুনরায় বাজারজাতের চেষ্টার অভিযোগে চিটাগাং ডেইরি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে সিলগালা করা হয়েছে। অভিযানে ধরা পড়ল নানা অনিয়ম রোববার ৩০ আগস্ট জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালিত অভিযানে এসব অনিয়ম ধরা পড়ে। অভিযানে ‘ডোনা ইন্সট্যান্ট ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার’ নামের পণ্যটির ক্ষেত্রে একাধিক গুরুতর অনিয়ম পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও পণ্যটির মোড়কে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছিল। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে গুঁড়ো দুধ মোড়কজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুতর - [বাস্কেটবল দলের ঘামভেজা পোশাক ধুয়ে, মেঝে মুছে স্বপ্নের চাকরি পেল ১৯ বছরের তরুণ](https://sarakhon.com/news/188275/): স্বপ্নের পেশায় ঢোকার জন্য অনেকেই ভালো ফল, নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদ কিংবা পরিচিত মানুষের সুপারিশের ওপর ভরসা করেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ড্যানিয়েল সাং বেছে নিয়েছিলেন একেবারেই অন্য পথ। বাস্কেটবল অঙ্গনে নিজের জায়গা তৈরি করতে তিনি এক বছর দলের খেলোয়াড়দের ঘামভেজা পোশাক ধুয়েছেন, মাঠের মেঝে পরিষ্কার করেছেন এবং খেলার দিন খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় নানা কাজে ছুটে বেড়িয়েছেন। সহপাঠীদের কেউ কেউ তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি করে ‘মেঝে পরিষ্কার করা ছেলে’ বলে ডাকত। কিন্তু সেই কাজই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মাত্র ১৯ বছর বয়সে লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্সের বিপণন বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজের সুযোগ এনে দিয়েছে। অপমান সহ্য করেও লক্ষ্য থেকে সরেননি ড্যানিয়েল সাং বুঝেছিলেন, পেশাদার খেলাধুলার - [ফিনিয়াস ও ক্লডিয়া সুলেউস্কি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ, অস্কার দে লা রেন্টার পোশাকে সাজল বিশেষ দিন](https://sarakhon.com/news/188272/): সংগীতশিল্পী ফিনিয়াস ও অভিনেত্রী ও সৌন্দর্য উদ্যোক্তা ক্লডিয়া সুলেউস্কি অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। শনিবার, ২৯ আগস্ট মন্টেসিতোতে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে শেষ মুহূর্তের পোশাক প্রস্তুতিও ছিল বেশ জমকালো। বিয়ের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ক্লডিয়া বেভারলি হিলসের অস্কার দে লা রেন্টা পোশাকের দোকানে যান। সেখানে তার বিয়ের সপ্তাহান্তের জন্য তৈরি করা চারটি বিশেষ পোশাকের শেষবারের মতো মাপ নেওয়া ও পরিমার্জনের কাজ সম্পন্ন হয়। চার পোশাকে বিশেষ আয়োজন ক্লডিয়ার বিয়ের সপ্তাহান্তের চারটি পোশাকই ছিল অস্কার দে লা রেন্টার বিশেষভাবে তৈরি করা পোশাক। যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি এই পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নকশায় তৈরি পোশাকগুলোকে ঘিরে ছিল বিয়ের প্রস্তুতির অন্যতম - [নতুন বব কাটে চ্যাপেল রোন, উৎসবের মঞ্চে নজরকাড়া নতুন রূপ](https://sarakhon.com/news/188269/): চ্যাপেল রোন এবার নিজের পরিচিত সাজে এনেছেন দারুণ পরিবর্তন। ডেইজি চেইন ফিল্ডস উৎসবের মঞ্চে চ্যাপেল রোনকে দেখা গেল একেবারে নতুন রূপে। ছোট, তীক্ষ্ণ ও আকর্ষণীয় বব কাটে তাঁর উপস্থিতি ছিল আরও সাহসী ও নজরকাড়া। নতুন চুলে চ্যাপেল রোনের নতুন রূপ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডেইজি চেইন ফিল্ডস উৎসবে চ্যাপেল রোন ছিলেন অন্যতম আকর্ষণ। উৎসবের প্রতিষ্ঠাতা অলিভিয়া রদ্রিগোর পরিবেশনার আগে মঞ্চে ওঠেন চ্যাপেল রোন। নিজের পরিবেশনায় তিনি দেখিয়েছেন তাঁর পরিচিত আত্মবিশ্বাসী ও নাটকীয় উপস্থিতি। তবে এবার দর্শকদের বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তাঁর চুলের নতুন ধরন। আগের তুলনায় ছোট করে কাটা চুলে চ্যাপেল রোনকে দেখা গেছে তীক্ষ্ণ রেখার বব কাটে। এই নতুন চুলের ধরন তাঁর মুখের - [শেক্সপিয়রের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত ৬টি সেরা প্রেমের হাসির সিনেমা](https://sarakhon.com/news/188266/): শেক্সপিয়রের নাটক মানেই শুধু গম্ভীর প্রেম, দ্বন্দ্ব আর ট্র্যাজেডি—এমনটা ভাবার কারণ নেই। তাঁর গল্প, চরিত্র ও সম্পর্কের জটিলতা বহু বছর ধরে আধুনিক সিনেমার নির্মাতাদের অনুপ্রাণিত করেছে। বিশেষ করে প্রেম ও হাস্যরস মেশানো সিনেমায় শেক্সপিয়রের প্রভাব বেশ স্পষ্ট। সম্প্রতি ১৯৯৯ সালের জনপ্রিয় প্রেমের হাসির সিনেমা ‘১০ থিংস আই হেট অ্যাবাউট ইউ’ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন জুলিয়া স্টাইলস ও প্রয়াত হিথ লেজার। এবার এই গল্প মঞ্চনাট্য হিসেবেও আসছে। আগামী বছরের আগস্টে এর মঞ্চায়ন হওয়ার কথা রয়েছে। এর চিত্রনাট্য নতুন করে সাজাচ্ছেন লেনা ডানহ্যাম ও জেসিকা হুয়াং। আর সংগীত ও গানের কথা লিখছেন কার্লি রে জেপসেন ও ইথান গ্রুসকা। শেক্সপিয়র থেকে আধুনিক প্রেমের - [খ্রিস্টীয় উৎসবে প্রাণ গেল যাজকের, শোকে কাতর পরিবার ও সহকর্মীরা](https://sarakhon.com/news/188263/): ইংল্যান্ডের পশ্চিম সাসেক্সে আয়োজিত একটি খ্রিস্টীয় উৎসবে পড়ে যাওয়া একটি বড় সাইনবোর্ডের আঘাতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে তাঁর গির্জা। নিহত ৪১ বছর বয়সী রবার্ট গুয়ানকো পূর্ব সাসেক্সের ইস্টবোর্নের ‘জিসাস দ্য লিভিং ওয়াটার চার্চ’-এর যাজক ছিলেন। শুক্রবার স্টেনিংয়ের কাছে আয়োজিত ‘বিগ চার্চ ফেস্টিভ্যাল’-এ একটি সাইনবোর্ড পড়ে গেলে রবার্টসহ মোট সাতজন আহত হন। ঘটনাস্থলেই রবার্টের মৃত্যু হয়। আহত অন্য ছয়জনের মধ্যে চারজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। ‘বিশ্বস্ত ঈশ্বরের সেবক ছিলেন রবার্ট’ রবার্টের গির্জার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি ছিলেন ঈশ্বরের একজন বিশ্বস্ত সেবক, স্ত্রী ইসায়ের প্রতি ভালোবাসাপূর্ণ স্বামী এবং মেয়ে এলির প্রতি নিবেদিত ও যত্নশীল বাবা। তাঁর সংস্পর্শে - [টিপসের ঝামেলা থেকে মুক্তি, রেস্তোরাঁয় বাড়ছে ‘যত দাম দেখবেন, ততই দেবেন’ সংস্কৃতি](https://sarakhon.com/news/188260/): যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রেস্তোরাঁয় খাবারের বিলের সঙ্গে প্রচলিত টিপস দেওয়ার নিয়ম ধীরে ধীরে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর পরিবর্তে খাবারের দাম কিছুটা বাড়িয়ে কর্মীদের তুলনামূলক বেশি ও নির্দিষ্ট বেতন দেওয়ার চেষ্টা করছেন রেস্তোরাঁ মালিকেরা। তাদের যুক্তি, এতে কর্মীদের আয় আরও স্থিতিশীল ও ন্যায্য হয়। টিপসের বদলে নির্দিষ্ট বেতন সান ফ্রান্সিসকোর লা সিগাল নামের একটি রেস্তোরাঁয় জনপ্রতি খাবারের নির্ধারিত দাম ১৪০ ডলার। সেখানে টিপস নেওয়া হয় না। কর্মীদের তুলনামূলক বেশি বেতন দেওয়ার জন্যই খাবারের দাম বাড়িয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে মদ পরিবেশনের দায়িত্বে থাকা ক্যারোলিন ক্রেটজার ঘণ্টায় ৪০ ডলার আয় করেন, যা সান ফ্রান্সিসকোর অধিকাংশ সেবাকর্মীর স্বাভাবিক মজুরির প্রায় দ্বিগুণ। তার মতে, অপরিচিত মানুষের উদারতার - [গ্রীষ্মে জন্মানো শিশুদের স্কুলে ভর্তি পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ জানেন না অনেক অভিভাবক](https://sarakhon.com/news/188257/): যুক্তরাজ্যে এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্কুলে ভর্তি এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকলেও এ বিষয়ে অনেক অভিভাবকই জানেন না। সন্তানকে কখন বিদ্যালয়ে পাঠানো হবে—এ নিয়ে ভুল তথ্য ও নিয়ম সম্পর্কে বিভ্রান্তির কারণে অনেক পরিবার সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে। পাঁচ বছর বয়সে স্কুলে যাওয়ার সুযোগ নিয়ম অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্কুলে ভর্তি তাদের পঞ্চম জন্মদিনের পরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া যায়। অর্থাৎ কোনো শিশু চার বছর বয়সে স্বাভাবিক সময়ে বিদ্যালয়ে না গিয়ে পাঁচ বছর বয়সে প্রথমবার প্রাথমিকের অভ্যর্থনা শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারে। তবে অভিভাবকদের অনেকেই বিষয়টি জানতে পারেন নিজেদের উদ্যোগে খোঁজাখুঁজি করার পর। কারও - [‘স্মেলি ক্যাট’ গাইতে বললেই বিরক্ত হন লিসা কুড্রো](https://sarakhon.com/news/188254/): ‘ফ্রেন্ডস’ সিরিজে ফিবি বাফের চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন লিসা কুড্রো। তবে বাস্তব জীবনে ভক্তরা তাকে দেখেই ফিবির বিখ্যাত গান ‘স্মেলি ক্যাট’ গাইতে বললে মোটেও স্বস্তি বোধ করেন না এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি টেরি গ্রস ও টোনিয়া মোসলির অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ‘ফ্রেন্ডস’-এর দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা এবং নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন লিসা কুড্রো। দশ মৌসুমজুড়ে ফিবি চরিত্রে অভিনয় করা এই অভিনেত্রী জানান, সিরিজটি নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। সহশিল্পী, দর্শক ও সেই সময়ের স্মৃতিগুলো এখনো তার কাছে বিশেষ। সহশিল্পীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বিশেষ লিসা কুড্রো বলেন, ‘ফ্রেন্ডস’-এর সেটে সহশিল্পীদের সঙ্গে তার দারুণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। একসঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি অবসর সময়ে তারা - [উন্নত প্রশাসন ও সুষম উন্নয়নে পাকিস্তানে আরও প্রদেশ প্রয়োজন](https://sarakhon.com/news/188251/): পাকিস্তান ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও জনসংখ্যাগত বৈচিত্র্যে ভরা একটি দেশ। গিলগিট-বালতিস্তানের পাহাড় থেকে সিন্ধুর উপকূলীয় জনপদ, পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি থেকে বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ার দুর্গম অঞ্চল—প্রতিটি এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও সমস্যার ধরন এক নয়। অথচ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ এবং আর্থসামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশটির প্রশাসনিক কাঠামো তেমনভাবে পরিবর্তিত হয়নি। তাই পাকিস্তানে নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এর উদ্দেশ্য দেশকে বিভক্ত করা নয়; বরং জনগণের কাছে সরকারকে পৌঁছে দেওয়া, প্রশাসনকে আরও কার্যকর করা এবং উন্নয়নের ভারসাম্য নিশ্চিত করা। নতুন প্রদেশ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত প্রশাসনিক প্রয়োজন, রাজনৈতিক বা জাতিগত বিভাজন নয়। বিশাল আয়তন ও বিপুল জনসংখ্যার - [বর্তমানে সমাজে সকলেই নিরাপত্তাহীন: জি এম কাদের](https://sarakhon.com/news/194839/): রংপুর মহানগরীর কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় গভীর শোক ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)। তিনি বলেছেন, একটি পরিবারের চারজন মানুষকে এভাবে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা শুধু একটি পরিবারকে ধ্বংস করেনি, বরং সমাজের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। বর্তমানে সমাজে সকলেই নিরাপত্তাহীন। চারজনকে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা এক শোকবার্তায় জি এম কাদের বলেন, একটি পরিবারের চারজন মানুষকে এভাবে হত্যা করার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এমন নৃশংসতা সমাজ ও সভ্যতার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। শিক্ষক দম্পতিসহ একটি পুরো পরিবারের এমন - [আরতি কাদভের নতুন ছবিতে থাকছেন না কারিনা কাপুর খান](https://sarakhon.com/news/194838/): বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানকে পরিচালক আরতি কাদভের আসন্ন ছবিতে দেখা যাবে—সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে নতুন তথ্য বলছে, ছবিটিতে কারিনা থাকছেন না। প্রযোজক হরমন বাজেওয়া হলেও ছবিটির সঙ্গে কারিনার যুক্ত হওয়ার খবরটি সংশ্লিষ্ট সূত্র নাকচ করেছে। কারিনাকে নিয়ে ছড়ানো খবর ভুল সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আরতি কাদভের ছবির সঙ্গে কারিনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি তিনি এখন পর্যন্ত ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধও হননি। ফলে কারিনার অভিনয় নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা আপাতত নিছক জল্পনা। কারিনা অবশ্য এরই মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ছবির কাজ করেছেন। পরিচালক মেঘনা গুলজারের অপরাধভিত্তিক ছবি ‘দায়রা’-তে পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত এই - [রাশিয়া কি ন্যাটোকে সরাসরি আক্রমণের পথে? বড় যুদ্ধের চেয়ে বড় হতে পারে ‘ধূসর’ সংঘাতের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/188242/): মস্কোতে সিআইএ পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফের সাম্প্রতিক সফর নিছক কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা ছিল না—এমনটাই মনে করছেন পশ্চিমা নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। সামরিক বিমানে করে তাঁর প্রকাশ্য সফর, রাশিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক এবং সফর ঘিরে ওয়াশিংটনের নানা বার্তা—সব মিলিয়ে স্পষ্ট হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ক্রেমলিনকে একটি বিষয় বোঝাতে চাইছে: ইউক্রেন যুদ্ধের বিস্তার যেন ন্যাটোর ভূখণ্ডে না পৌঁছায়। প্রশ্ন হলো, এই বার্তা কি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে থামানোর জন্য যথেষ্ট? আর রাশিয়া যদি ন্যাটোর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়, সেটি কি সরাসরি সামরিক হামলা হবে, নাকি আরও সূক্ষ্ম কোনো পদ্ধতিতে শুরু হবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে ২০২২ সালের ইউক্রেন আক্রমণের আগের পরিস্থিতির দিকে তাকানো জরুরি। কারণ, তখনও যুক্তরাষ্ট্র মস্কোকে - [হাম নিয়ে মৃত্যুর খবর প্রকাশে ভুল বার্তা নয়, দরকার স্বচ্ছতা ও আস্থা](https://sarakhon.com/news/188122/): যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছর নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৭৭৭ ছাড়িয়েছে—এই শতাব্দীতে যা সর্বোচ্চ এবং ২০২৫ সালের পুরো বছরের চেয়েও বেশি। এমন পরিস্থিতিতে পেনসিলভানিয়ায় হাম-সংশ্লিষ্ট দুটি মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসা নিঃসন্দেহে গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকেত। কিন্তু মৃত্যুর খবরটি প্রকাশের পর যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, সেটি রোগের বিস্তারের চেয়েও আলাদা এক সংকটকে সামনে এনেছে: জনস্বাস্থ্য বিষয়ে মানুষের আস্থা কতটা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো ২৫ আগস্ট দুটি হাম-সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর কথা জানান। তাঁর ভাষায়, দুজনই টিকা নেননি এবং হামজনিত মৃত্যু পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। কিন্তু পরবর্তী দুই দিনে পেনসিলভানিয়া স্বাস্থ্য বিভাগ, ল্যাঙ্কাস্টার কাউন্টির করোনার দপ্তর, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য ও মানবসেবা - [আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নিয়ে জাপানের করণীয়: শুধু ওয়াশিংটনের বিরোধিতা যথেষ্ট নয়](https://sarakhon.com/news/188097/): আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানেসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত জাপানের জন্য একটি জটিল কূটনৈতিক ও নীতিগত পরীক্ষার সৃষ্টি করেছে। ১৮ আগস্ট ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়ার পর ২৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, এই পদক্ষেপ জাপানের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং টোকিও বিষয়টি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছে। একই সঙ্গে তিনি সরকারের অবস্থানকে ‘দুর্বল’ বলে যে সমালোচনা করা হচ্ছে, তা প্রত্যাখ্যান করেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য আইসিসির বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতটি দুর্নীতিগ্রস্ত, অতিমাত্রায় রাজনৈতিক এবং নিজের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। বিপরীতে জাপানের প্রধান সংবাদপত্রগুলো প্রায় একযোগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে। তাদের অনেকের - [শোকের মাসের শেষ দিন: এবার বাঙালির বঙ্গবন্ধু এসেছিলেন সাধারণের প্রাণে প্রাণে](https://sarakhon.com/news/188184/): আর মাত্র  কয়েক ঘন্টা পরেই বাঙালি জাতির জাতীয় শোকের মাস আগস্ট শেষ হবে। এবারের এই শোকের মাস সরকারিভাবে পালন যেমন হয়নি, তেমনি প্রকাশ্যে কাউকে পালন করতেও দেওয়া হয়নি। এমনকি বাঙালি জাতি-রাষ্ট্রের স্রষ্টা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি তৈরির মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সেই কালো দিবস ১৫ আগস্টও পালন করতে দেওয়া হয়নি। ইতিহাস বলে, শিয়া মুসলিম ধর্মীয় মতাদর্শের মানুষদের একসময় দীর্ঘদিন শোকের দিবস ১০ মহররম পালন করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি মহররম মাসকে তারা শোকের মাস হিসেবে পালন করতে পারত না সব জায়গাতেই। বাঙালিও কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পরে দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে বাঙালি জাতি-রাষ্ট্র ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ রক্ষার ভূমি-স্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নিহত হওয়ার এই শোকাবহ দিনটি প্রকাশ্যে - [হাসিনা ফ্যাক্টর নয়, আসল ঝুঁকি বিদ্যুৎ-গ্যাসে](https://sarakhon.com/news/188086/): ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে। কিন্তু বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে এখন আরও বড় প্রশ্ন অন্য জায়গায়—কারখানা চালানোর মতো নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও গ্যাস থাকবে কি না, ব্যাংকিং ব্যবস্থা কতটা স্থিতিশীল, বৈদেশিক মুদ্রা কতটা সহজলভ্য এবং সরকার বদলালেও বিনিয়োগ চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে কি না। রাজনৈতিক ঝুঁকির সঙ্গে জ্বালানি ও আর্থিক সংকট যুক্ত হলে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে তাই দুটি সংকট পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে—রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা। প্রথমটি বিনিয়োগকারীর সিদ্ধান্তকে অনিশ্চিত করছে, দ্বিতীয়টি সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সরকার বিদেশি অর্থ চাইছে। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা ও উন্নয়ন অংশীদাররা বাংলাদেশকে সহায়তা - [চীন, পাকিস্তান ও আমেরিকার অভিজ্ঞতা ভারতের জন্য যে সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/187932/): একটি দেশের সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনেই থাকতে হয়—এটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক শর্ত। কিন্তু সেই রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ যদি সামরিক পেশাদারিত্ব, অভিজ্ঞতা ও স্বাধীন মূল্যায়নের জায়গা সংকুচিত করে ফেলে, তাহলে তার মূল্য দিতে হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। আবার সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর নামে যদি একটি বাহিনীর রাজনৈতিক ক্ষমতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তাতেও গণতান্ত্রিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের সামরিক-রাজনৈতিক সম্পর্কের দিকে তাকালে এই দুই বিপরীত ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিন দেশের পরিস্থিতি এক নয়, কিন্তু তিনটি ঘটনাতেই একটি অভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসে—রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও সামরিক কার্যকারিতার মধ্যে ভারসাম্য কোথায়? যুক্তরাষ্ট্রে আনুগত্য বনাম পেশাদারিত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের অস্থিরতা এই প্রশ্নটিকে নতুন - [‘ছয় মাস চলে গেল, আর কয় মাস লাগবে?’](https://sarakhon.com/news/188236/): শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন ৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশে জানতে চেয়েছেন, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে সরকার এই প্রক্রিয়া সহজ করতে আর কত সময় নেবে। জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন রবিবার (৩০ আগস্ট) জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাব ও সম্পূরক প্রশ্নে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ই-টেন্ডার সহজীকরণে সরকারের অবস্থান নোটিশের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আব্দুল মঈন খান বলেন, জনগণের স্বার্থে ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়টি সরকার বিবেচনায় রেখেছে। তবে আইন ও বিধি মেনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোতে হচ্ছে। - [সাইপ্রাস উপকূলে ২৬৭ আরোহী নিয়ে ফেরি ডুবি, নিহত ৭; নিখোঁজ ২৩](https://sarakhon.com/news/188232/): উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে ২৬৭ জন আরোহী নিয়ে একটি ক্যাটামারান ধরনের ফেরি উল্টে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর আরও ২৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে ব্যাপকভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। রোববার স্থানীয় সময়ের এ ঘটনায় ফেরিটি উত্তর সাইপ্রাসের কিরেনিয়া বন্দর, যা গিরনে নামেও পরিচিত, থেকে তুরস্কের মেরসিন প্রদেশের তাসুকু বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। দ্বীপটির জাতিগতভাবে বিভক্ত উত্তরাঞ্চল থেকে তুরস্কের দিকে যাচ্ছিল ফেরিটি। উদ্ধার ২৩৭ জন, নিখোঁজ ২৩ স্বঘোষিত তুর্কি রিপাবলিক অব নর্দার্ন সাইপ্রাসের প্রধানমন্ত্রী উনাল উস্তেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ফেরিতে থাকা ২৬৭ জনের মধ্যে ২৩৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ২৩ জন এখনো - [জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন হুমায়ুন কবির](https://sarakhon.com/news/188233/): জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দেশের বাইরে অবস্থান করবেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত দায়িত্বের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সহায়তা করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। রোববার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রীদের ওপর অর্পিত নির্দিষ্ট দায়িত্বের বাইরে হুমায়ুন কবির অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক নীতিসংক্রান্ত কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর - [রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের](https://sarakhon.com/news/188226/): আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ধরনের ওকালতি বা যুক্তি তুলে ধরলে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তাঁর নির্বাচনী প্রতীককে কেন্দ্র করেই বক্তব্যে রূপক অর্থে ‘হাঁস’ ও ‘নৌকা’ প্রসঙ্গ টেনে কথা বলেন সারোয়ার তুষার। নৌকাডুবির সঙ্গে ‘হাঁস’ প্রসঙ্গ সারোয়ার তুষার বলেন, ‘এখানে নৌকাডুবি হয়ে গেছে।’ নৌকাডুবির পর রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ যদি ডুব দিয়ে নৌকা খুঁজতে - [কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ৩](https://sarakhon.com/news/188210/): কিশোরগঞ্জের কাটিয়াদীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের তেবভাগা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকলছার গ্রামের বাদিউল আলমের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার (৪৫), একই গ্রামের নুরুল হকের মেয়ে জরামনি আক্তার (১০) এবং কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার আবদুল মতিন মিয়ার ছেলে মিলন মিয়া। দুপুরের পর মহাসড়কে মুখোমুখি সংঘর্ষ কাটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, রোববার বিকেল ৩টার দিকে তেবভাগা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা ছয়জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের কাটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া - [বৈশ্বিক রাজনীতিতে ভারতের প্রাসঙ্গিকতা কি কমছে?](https://sarakhon.com/news/188222/): বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত। প্রায় ৪ দশমিক ১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদন নিয়ে দেশটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি। বিশাল বাজারের কারণে বিশ্বের বহু দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। ভৌগোলিকভাবেও ভারত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বিস্তৃত ভূখণ্ড ভারত মহাসাগরের উত্তর প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। এতসব কৌশলগত সুবিধা থাকার পরও বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে ভারতের গুরুত্ব কি আগের তুলনায় কমছে? কয়েকটি কারণ বিশ্লেষণ করলে এমন একটি প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল বদল দীর্ঘদিন ধরে চীনের উত্থান ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ছিল ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তায় নিজেদের প্রধান শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, - [কক্সবাজারে সৈকতের বালিয়াড়ি ধ্বংস করে সড়ক নির্মাণ বন্ধের দাবি](https://sarakhon.com/news/188219/): কক্সবাজার সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি ও উপকূলীয় পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করে চলমান সড়ক নির্মাণকাজ অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। সংস্থাটি বলছে, সৈকতের বালিয়াড়ি ঢেউ, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও উপকূলীয় ভাঙনের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। এসব বালিয়াড়ি ধ্বংস হলে দীর্ঘমেয়াদে কক্সবাজারের উপকূলীয় সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা দুর্বল হতে পারে। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিআইপি জানায়, কক্সবাজার পৌরসভার আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রকল্পের আওতায় এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সাইমনের দিকে সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। সংস্থাটির অভিযোগ, নির্মাণকাজে সৈকতের বালিয়াড়ি ও উপকূলীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রাকৃতিক বালিয়াড়িই উপকূলের ঢাল বিআইপির মতে, বালিয়াড়ি, - [জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ, আমদানি ব্যয় বেড়ে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার](https://sarakhon.com/news/188214/): বাংলাদেশের গভীরতর জ্বালানি সংকটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়ে ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১০৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে গ্যাস সংযোগের অপেক্ষায় থাকা ১ হাজার ৮৫৭টি আবেদনের বিপরীতে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার শিল্প বিনিয়োগ আটকে আছে। রোববার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ যৌথভাবে উপস্থাপিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ: আরও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্য জ্বালানি’ শীর্ষক উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট হাসিব হাসান এটি উপস্থাপন করেন। এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জের যৌথ উদ্যোগ বাংলাদেশ বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্সের তথ্যের ভিত্তিতে - [মানুষের বদলে রক্ত নেবে রোবট, যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবার অনুমোদন পেল ‘আলেত্তা’](https://sarakhon.com/news/188206/): রক্ত পরীক্ষার জন্য এবার থেকে মানুষের হাতে সূঁচ ফোটানোর বদলে কাজটি করতে পারে রোবট। যুক্তরাষ্ট্রে রোগীর হাত থেকে নিজে নিজেই রক্ত সংগ্রহ করতে সক্ষম প্রথম রোবটকে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। ‘আলেত্তা’ নামের এই রোবটটি প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের বহির্বিভাগীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষিত রক্ত সংগ্রহকারী কর্মীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকবে। তাকে রোবটের কাজ শুরু করে কাছেই অবস্থান করতে হবে, যাতে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এক কর্মী দেখভাল করতে পারবেন তিন রোবট রক্ত সংগ্রহের প্রশিক্ষিত কর্মীর সংকট মোকাবিলাই এই প্রযুক্তি অনুমোদনের অন্যতম কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা অত্যন্ত সাধারণ একটি চিকিৎসা কার্যক্রম হলেও - [প্রতিদিন রান্নার জটিলতা নয়, সহজ-সাদাসিধে খাবারেই ফিরছেন অনেকে](https://sarakhon.com/news/188203/): কাজের ব্যস্ততা, ক্লান্তি আর প্রতিদিন নতুন নতুন রান্না করার চাপ—সব মিলিয়ে অনেকের কাছেই রাতের খাবার তৈরি করা এখন বড় এক ঝামেলা। অথচ কয়েক দশক আগের রান্নাঘরের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিদিনের খাবার এতটা জটিল ছিল না। সীমিত কিছু পদ, পরিচিত উপকরণ আর সহজ রান্নার মধ্যেই চলে যেত পুরো সপ্তাহ। একজন লেখক নিজের শৈশবের ১৯৮০-এর দশকের নরওয়ের রান্নাঘরের অভিজ্ঞতা থেকে এমনই এক উপলব্ধির কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর বাবা-মায়ের রান্নার ধরন ছিল খুবই সাধারণ—দ্রুত তৈরি করা যায়, বারবার করা যায় এবং পেট ভরানোর জন্য যথেষ্ট। সময়ের সঙ্গে সেই পুরোনো অভ্যাসই তাঁর কাছে নতুন করে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। দুই ডিমেই রাতের খাবারের শুরু এক - [তেল-গ্যাসের যৌথ অনুসন্ধানে কি কমবে চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা?](https://sarakhon.com/news/188198/): দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলসীমায় দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে আবারও যৌথভাবে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান শুরুর প্রস্তাব উঠেছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষা ও সমুদ্রে অপরাধ দমনের মতো কম সংবেদনশীল ক্ষেত্রেও দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ চীনা ও ফিলিপাইনি বিশ্লেষকদের যৌথভাবে তৈরি একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ এক সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যৌথ তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানকে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য একটি সহযোগিতা প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনটির মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ফিলিপাইনের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে একতরফা কর্মকাণ্ডের কারণে দুই দেশের মধ্যে - [চীনের জায়ান্ট পান্ডা অভয়ারণ্যে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত বাড়ছে](https://sarakhon.com/news/188196/): চীনের জায়ান্ট পান্ডা জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কার্যক্রম জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত এক দশকে এ সংঘাত স্থানীয় কৃষকদের জীবন ও জীবিকায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কৃষকদের ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, ফসল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি মানুষ ও গবাদিপশুর ওপর বন্যপ্রাণীর হামলার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গবেষকদের মতে, বর্তমানে জাতীয় উদ্যানটির প্রশাসনের জন্য মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২২ হাজার বর্গকিলোমিটারের বিশাল উদ্যান জায়ান্ট পান্ডা জাতীয় উদ্যানের আয়তন প্রায় ২২ হাজার বর্গকিলোমিটার। যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলোস্টোন জাতীয় উদ্যানের তুলনায় এটি প্রায় আড়াই - [ইরতিশ নদী কি চীনের জন্য আর্কটিকের নতুন নিরাপদ নৌপথ হতে পারে?](https://sarakhon.com/news/188177/): বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চীন ও রাশিয়া একটি বিশাল নদীকে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের অভ্যন্তরীণ নৌপথে পরিণত করার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছে বলে জানা গেছে। এই পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ইরতিশ নদী। চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শিনচিয়াং অঞ্চল থেকে উৎপত্তি হয়ে নদীটি কাজাখস্তানের মধ্য দিয়ে রাশিয়ায় প্রবেশ করেছে। পরে এটি ওব নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে শেষ পর্যন্ত আর্কটিক মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। আর্কটিকে চীনের নতুন প্রবেশপথ চীনের জন্য ইরতিশ নদীকে ব্যবহার করে নদীপথ থেকে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে তা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ - [লাহোরে ‘পিঙ্কি-ধাঁচের’ মাদক সরবরাহ চক্রের সন্ধান পুলিশের](https://sarakhon.com/news/188188/): লাহোর পুলিশ ইসলামাবাদ ও লাহোরের মধ্যে সক্রিয় একটি কথিত মাদক সরবরাহ চক্রের সন্ধান পেয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, মাদক মামলায় গ্রেপ্তার কয়েকজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এই চক্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে। তাদের দেওয়া তথ্যে মাদক সরবরাহকারী হিসেবে ইসলামাবাদের ই-১১ এলাকার বাসিন্দা আহমেদ ওরফে পীর লালা খানের নাম উঠে এসেছে। গ্রেপ্তার না হওয়ায় তদন্তে প্রশ্ন পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আহমেদ ইসলামাবাদ থেকে সংগঠিত একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লাহোরে গাঁজা ও আইস মাদক সরবরাহ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ইসলামাবাদ ও লাহোর পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তদন্তকারীদের দাবি, ওই কথিত সরবরাহকারী - [বাতের ওষুধে টাকের মাথায় ফিরছে চুল, গুরুতর চুল পড়ায় আশার নতুন আলো](https://sarakhon.com/news/188185/): চুল পড়া অনেকের কাছেই শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, সামাজিক জীবন এবং মানসিক সুস্থতার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে গুরুতর চুল পড়ার একটি বিশেষ রোগে এবার নতুন আশার সন্ধান পেয়েছেন গবেষকেরা। বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি ওষুধ কিছু রোগীর মাথায় প্রায় সম্পূর্ণ চুল ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। যে রোগে নিজের শরীরই চুলের গোড়ায় আক্রমণ করে রোগটির নাম অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটা। এটি একটি স্বপ্রতিরোধী রোগ, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে চুলের গোড়াকে আক্রমণ করে। ফলে মাথার ত্বকে ছোট ছোট অংশে চুল পড়ে যেতে পারে। গুরুতর অবস্থায় মাথার সব চুলের পাশাপাশি ভ্রু ও শরীরের অন্যান্য লোমও ঝরে যেতে পারে। এতদিন এই রোগের - [কাজিরাঙার সুরক্ষাবলয় কেন ১০ কিলোমিটারই থাকা উচিত](https://sarakhon.com/news/187929/): কাজিরাঙা শুধু আসামের একটি জাতীয় উদ্যান নয়; এটি এমন এক জীবন্ত প্রতিবেশব্যবস্থা, যার অস্তিত্ব নির্ভর করে উদ্যানের সীমানার বাইরের ভূপ্রকৃতি, জলপ্রবাহ, বনভূমি ও বন্যপ্রাণীর চলাচলের পথের ওপরও। তাই কাজিরাঙার চারপাশে পরিবেশ-সংবেদনশীল অঞ্চল বা ইকো-সেনসিটিভ জোনের (ইএসজেড) পরিধি কতটা হবে—এটি নিছক প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, স্থানীয় মানুষের ভবিষ্যৎ এবং একটি অনন্য প্রতিবেশব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা। ইএসজেডের মূল দর্শনই হলো সংরক্ষিত এলাকার চারপাশে একটি সুরক্ষাবলয় তৈরি করা, যাতে মানুষের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সরাসরি সংরক্ষিত পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে না পারে। ২০০২ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কৌশলের মাধ্যমে এই ধারণা নীতিগত ভিত্তি পায়। একই সময়ের জাতীয় বন্যপ্রাণী কর্মপরিকল্পনায় জাতীয় - [ইরান ইস্যুতে চীনের ধৈর্যের বাঁধ কি এবার ভাঙতে চলেছে?](https://sarakhon.com/news/188180/): ইরানের কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবার চীনের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের পথে হাঁটছে। ওয়াশিংটন সরাসরি চীনের নাম না নিলেও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইরানি তেল ক্রেতা হিসেবে বেইজিং যে এই চাপের মূল লক্ষ্য, তা স্পষ্ট। ইরান ইস্যুতে নতুন চাপ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে চীনের মূল ভূখণ্ড ও হংকংয়ের কিছু প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ফলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাময়িক স্বস্তির পরিবেশ আবারও চাপের মুখে পড়েছে। চীন এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অর্থনৈতিক চাপ বা হুমকির কাছে তারা নতি স্বীকার করবে না। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে - [উজবেকিস্তান কিনছে চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান, রুশ আধিপত্যে নতুন ধাক্কা](https://sarakhon.com/news/188174/): মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের পর উজবেকিস্তানই এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় বিদেশি ক্রেতা হিসেবে সামনে এলো। এতদিন উজবেকিস্তানের সামরিক বিমানবহরে রুশ নির্মিত যুদ্ধবিমানের আধিপত্য ছিল। চীনের জে-১০সিই কেনার সিদ্ধান্ত মধ্য এশিয়ার সামরিক বাজারে বেইজিংয়ের প্রভাব বাড়ার নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২৪টি যুদ্ধবিমান কেনার খবর এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, উজবেকিস্তান চীনের কাছ থেকে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার জন্য চুক্তি করেছে। তবে এতদিন উজবেকিস্তান বা চীন—কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। সম্প্রতি সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। উজবেক প্রেসিডেন্টের কার্যালয় শুক্রবার প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেশটির স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের - [ওয়াল স্ট্রিটের নতুন তারকাদের খুঁজছে বিশ্ব, সামনে আসছে ২০২৬ সালের সম্ভাবনাময় তরুণ নেতৃত্ব](https://sarakhon.com/news/188152/): বিশ্বের অন্যতম প্রতিযোগিতাপূর্ণ আর্থিক অঙ্গন ওয়াল স্ট্রিটে দ্রুত উঠে আসা তরুণ পেশাজীবীদের নিয়ে আবারও তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার। ২০১৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর এমন তরুণ বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, লেনদেন বিশেষজ্ঞ ও আর্থিক নেতৃত্বকে তুলে ধরছে, যারা নিজেদের কাজের মাধ্যমে অর্থজগতের প্রচলিত ধারা বদলে দিচ্ছেন। ২০২৬ সালের শরৎকালীন তালিকার জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের নাম আহ্বান করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ওয়াল স্ট্রিটের নতুন প্রজন্মের এমন ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা হবে, যারা আগামী দিনে বৈশ্বিক আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও প্রবণতাকে প্রভাবিত করতে পারেন। সাত বছরেরও বেশি সময়ের পথচলা ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে এখন পর্যন্ত বহু তরুণ অর্থনীতিবিদ, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও - [উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে ২৬৭ আরোহী নিয়ে ফেরি উল্টে নিহত ১](https://sarakhon.com/news/188165/): উত্তর সাইপ্রাস-এর উপকূলে প্রায় ২৭০ জন আরোহী নিয়ে একটি ফেরি উল্টে একজন নিহত হয়েছেন। রোববারের এ ঘটনায় উদ্ধারকারীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে যাত্রীদের নিরাপদে তীরে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে ছিলেন ২৬৭ জন তুর্কি সাইপ্রিয়ট পরিবহনমন্ত্রী এরহান আরিকলি জানিয়েছেন, ফেরিটিতে মোট ২৬৭ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৫৯ জন যাত্রী এবং আটজন ক্রু সদস্য। ফেরিটি স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তর সাইপ্রাসের কিরেনিয়া বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। কিছুক্ষণ পরই অজ্ঞাত কারণে এতে পানি ঢুকতে শুরু করে। পরে উপকূল থেকে প্রায় চার মাইল দূরে গিয়ে ফেরিটি উল্টে যায়। তুরস্কের দিকে যাচ্ছিল ফেরিটি ফেরিটির গন্তব্য ছিল পূর্ব ভূমধ্যসাগরের তুরস্কের মেরসিন - [ইইউতে যোগ দেওয়ার আলোচনা প্রত্যাখ্যান করল আইসল্যান্ড, গণভোটে জয় ‘না’ পক্ষের](https://sarakhon.com/news/188160/): দীর্ঘদিনের ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের বিতর্কে আপাতত ইতি টানল আইসল্যান্ড। শনিবার অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশটির ভোটাররা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর সরকারি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফলাফলে ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার প্রস্তাবের বিপক্ষে এবং ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ভোট পড়েছে ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রায় চার লাখ মানুষের এই উত্তর মেরু অঞ্চলের দেশটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছিল, খুব অল্প ব্যবধানে হলেও সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা শুরুর পক্ষে ভোট পড়তে পারে। কিন্তু আগস্ট মাসের জনমত জরিপগুলোতে পরিস্থিতি বদলে যায়। মাছ ধরার অধিকারই হয়ে উঠল - [দোনবাসে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে রাশিয়া, ক্রামাতোরস্ক–স্লোভিয়ানস্ক ঘিরে বড় যুদ্ধের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/188161/): ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে ধীরগতিতে হলেও রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা শেষ বড় প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলো রক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও কঠিন হলে ক্রামাতোরস্ক ও স্লোভিয়ানস্ককে ঘিরে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী লড়াই শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দোনবাসে শেষ প্রতিরক্ষা বলয় দোনবাসের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক—এই দুই অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তীব্র সংঘাত চলছে। লুহানস্কের প্রায় পুরো অঞ্চল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। দোনেৎস্কেরও মাত্র এক-পঞ্চমাংশের মতো এলাকা ইউক্রেনের হাতে রয়েছে। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অংশের আয়তন প্রায় পাঁচ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে ক্রামাতোরস্ক, স্লোভিয়ানস্ক ও আশপাশের শহরগুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ইউক্রেনের শেষ বড় - [উদাসীনতাই মৃত্যু ডেকে আনে, ৮২ বছর পরও স্মরণে রোমা হলোকাস্টের শিকাররা](https://sarakhon.com/news/188147/): বুদাপেস্টে রোমা হলোকাস্ট স্মরণ দিবসে ৮২ বছর আগে নাৎসি নিপীড়নের শিকার হয়ে নিহত হাজারো রোমা মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, অতীতের সেই ভয়াবহতা ভুলে গেলে চলবে না। কারণ ইতিহাসের অন্যায় ও নিপীড়নের পথ ভুলে গেলে তা আবারও ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাস মনে রাখা জরুরি রোববার বুদাপেস্টের হলোকাস্ট স্মৃতি কেন্দ্রে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে সামাজিক বিষয় ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী জোলতান তার বলেছেন, আমাদের দায়িত্ব হলো এমন একটি বর্তমান, ভবিষ্যৎ ও সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে পরবর্তী প্রজন্ম হলোকাস্টের ভয়াবহতা এবং সেই বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাওয়া পথ কখনো ভুলে যাবে না। তিনি বলেন, হলোকাস্টে নিহত লাখো মানুষের যন্ত্রণা - [হাতির চামড়ার কৌশলে ভবন ঠান্ডা রাখার নতুন প্রযুক্তি](https://sarakhon.com/news/188154/): প্রচণ্ড গরমেও হাতি ঘামতে পারে না। অথচ আফ্রিকার তীব্র রোদে তারা সহজেই টিকে থাকে। এবার হাতির চামড়ার সেই প্রাকৃতিক কৌশল অনুসরণ করে ভবন ঠান্ডা রাখার অভিনব পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন একদল গবেষক। হাতির চামড়ার ফাটলেই লুকিয়ে রহস্য গবেষকদের মতে, হাতির চামড়ায় থাকা অসংখ্য সূক্ষ্ম ফাটলের মধ্যে পানি আটকে থাকে। হাতি শরীরে পানি ছিটালে সেই পানি দ্রুত গড়িয়ে পড়ে না। বরং ধীরে ধীরে বাষ্পীভূত হয়। পানি বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় শরীর থেকে তাপ শোষণ করে নেয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হাতির শরীর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। এই প্রাকৃতিক কৌশল থেকেই গবেষকদের মাথায় আসে ভবনের বাইরের আবরণ ঠান্ডা রাখার ধারণা। স্থাপত্য ও প্রকৌশলবিদ্যার গবেষকদের যৌথ - [৮৩ বছর পর খুলছে লন্ডনের সেই রহস্যময় জাদুঘর গ্যালারি](https://sarakhon.com/news/188115/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া লন্ডনের প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘরের একটি ঐতিহাসিক গ্যালারি দীর্ঘ ৮৩ বছর পর আবারও দর্শনার্থীদের জন্য খুলতে যাচ্ছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে গ্যালারিটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ৮০ বছরের বেশি সময় ছিল লোকচক্ষুর আড়ালে গ্যালারিটি ১৯৪৩ সাল থেকে দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য বন্ধ ছিল। এবার সেখানে ‘প্রকৃতি ও আমরা’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রদর্শনী আয়োজন করা হচ্ছে। প্রদর্শনীতে প্রায় ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ রাখা হবে, যেগুলোর মাধ্যমে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের বদলে যাওয়া সম্পর্ক তুলে ধরা হবে। লন্ডনের প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘরের রূপান্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাদুঘরের ১৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর নতুন - [সুইজারল্যান্ডে রেভ পার্টিতে গুলিবর্ষণ, নিহত ২২ বছরের তরুণী; আহত ৫](https://sarakhon.com/news/188144/): সুইজারল্যান্ডের আরাউ শহরে একটি রেভ পার্টিতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ২২ বছর বয়সী এক তরুণী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলার পর জড়িতদের ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলেই তরুণীর মৃত্যু পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার রাত আড়াইটার দিকে আরাউয়ের শাখেন ঘোড়দৌড় মাঠে গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনাস্থলেই ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর মৃত্যু হয়। নিহত তরুণী ইতালির নাগরিক বলে জানা গেছে। আহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের বয়স ২৪ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের কারও আঘাত সামান্য, আবার কারও অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ। হামলাকারীর পরিচয় ও উদ্দেশ্য অজানা আরগাউ ক্যান্টন - [ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা ফের শুরু করবে কি আইসল্যান্ড, ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই](https://sarakhon.com/news/188141/): ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা আবার শুরু করা হবে কি না, তা নিয়ে আইসল্যান্ডের গণভোটে শেষ মুহূর্তে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা দিয়েছে। মাত্র কয়েক শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে বা পিছিয়ে রয়েছে দুই পক্ষ। ফলে ভোটের চূড়ান্ত ফল কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভোটে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে বিরোধীরা শুক্রবার পরিচালিত গ্যালাপের এক জরিপে দেখা গেছে, ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনা পুনরায় শুরুর বিপক্ষে। অন্যদিকে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার আলোচনা শুরুর পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রায় চার লাখ মানুষের দেশ আইসল্যান্ডে এবার ভোটার উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। রাজধানী রেইকিয়াভিকে প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পড়লেও গ্রামীণ অনেক এলাকায় ভোটদানের হার ৮০ শতাংশের বেশি - [কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের](https://sarakhon.com/news/188138/): কৃষ্ণসাগরে তুরস্কের পরিচালিত দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। এ ঘটনায় ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত নারিমান জেলিয়ালভকে তলব করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রুশ বন্দরের কাছে পরপর হামলা চলতি সপ্তাহে রাশিয়ার তুয়াপসে বন্দরের কাছে কৃষ্ণসাগরে হামলার ঘটনাগুলো ঘটে। বুধবার ‘লিডার বোর্দো মাভি’ নামের একটি পণ্যবাহী জাহাজে অন্তত তিনটি ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানে। হামলায় জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং পাঁচজন নাবিক আহত হন। পরদিন ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটিকে সহায়তা করতে ‘লিডার কোকাতেপে’ নামের আরেকটি জাহাজ সেখানে পাঠানো হয়। কিন্তু যাওয়ার পথেই সেটিও ড্রোন হামলার শিকার হয়। হামলায় জাহাজটির ক্ষতি হলে সেটিকে তুরস্কের সামসুন বন্দরের দিকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়। নিরাপদ - [কেপটাউনে গ্যাং ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রই হত্যাকাণ্ডের বড় কারণ](https://sarakhon.com/news/188135/): দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা টানা তৃতীয় প্রান্তিকে কমেছে। তবে এই পতন এখনো প্রদেশটির দীর্ঘদিনের ভয়াবহ সহিংসতার চিত্র বদলাতে পারেনি। জাতীয়ভাবে হত্যাকাণ্ড কমলেও ওয়েস্টার্ন কেপ এখনো সেই প্রবণতার ব্যতিক্রম হয়ে রয়েছে। হত্যাকাণ্ড কমলেও হার জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক বেশি এ বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ওয়েস্টার্ন কেপে ১ হাজার ৭১টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৪৮। অর্থাৎ হত্যাকাণ্ড কমেছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। কিন্তু প্রতি এক লাখ মানুষের বিপরীতে হত্যার হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৯, যেখানে জাতীয় হার ৮ দশমিক ৫। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ তিন মাসের পরিসংখ্যান আশাব্যঞ্জক হলেও এটিকে এখনই স্থায়ী - [চীনের ‘অতিপ্রতিযোগিতা’ বিশ্ববাজারে, বাড়ছে বাণিজ্য সংঘাতের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/188132/): চীনের শিল্প খাতের তীব্র মূল্য ও উৎপাদন প্রতিযোগিতা এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি, সৌর প্যানেল, ব্যাটারি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক প্রযুক্তিপণ্যে চীনা কোম্পানিগুলোর দ্রুত সম্প্রসারণ যেমন রপ্তানি বাড়াচ্ছে, তেমনি তৈরি করছে অতিরিক্ত উৎপাদন, কম মুনাফা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন চাপ। চীনের এই পরিস্থিতিকে দেশটির নীতিনির্ধারকেরা ‘ইনভল্যুশন’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। দেশের চাহিদা দুর্বল, বিদেশে বাড়ছে নির্ভরতা চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য বিদেশি বাজার ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। গত বছর ৩ হাজার ৭৭৫টি তালিকাভুক্ত চীনা কোম্পানির বিদেশি আয় ১২ দশমিক ৩৮ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছায়, যা তাদের মোট আয়ের রেকর্ড ২২ দশমিক ৭ শতাংশ। ২০১৯ সালে এই অনুপাত ছিল প্রায় ১০ শতাংশ। ২০২৬ - [ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাজ্যকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়তি সামরিক ব্যয়ের দাবি](https://sarakhon.com/news/188129/): ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার হুমকি দিয়ে লন্ডনের ওপর সামরিক ব্যয় বাড়ানোর চাপ সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বড় অংশ মিত্রদের কাঁধে তুলে দিতে চাইছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা ব্যয়, ইরান এবং ভারত মহাসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ফকল্যান্ড ইস্যুকে যুক্তরাজ্যের ওপর চাপ প্রয়োগের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় দুই শতকের বিরোধ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার বিরোধ প্রায় দুই শতকের। - [ফিফার ক্ষমতার নেপথ্যে আলোচিত ‘ফিক্সার’ মারিও গাল্লাভোত্তি](https://sarakhon.com/news/188126/): বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সাম্প্রতিক সংকটের কেন্দ্রে এখন শুধু সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নামই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে আরও এক ব্যক্তির নাম—ইতালীয় আইনজীবী মারিও গাল্লাভোত্তি। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইনফান্তিনোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা এই ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে খুব বেশি পরিচিত না হলেও ফিফার গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে তার প্রভাব যথেষ্ট বলেই দাবি করছেন সংস্থাটির সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের অনেকে। সম্প্রতি বিশ্বকাপের কিছু অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে দেওয়ার গোপন পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর ফিফার ভেতরের ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সেই পরিকল্পনার তথ্য কীভাবে বাইরে গেল, কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ইনফান্তিনোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে কারা প্রভাব - [নাইজারে বিদ্রোহী সেনাদের হামলার পর বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার](https://sarakhon.com/news/188123/): পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে সামরিক বাহিনীর একদল বিদ্রোহী সেনার হামলার পর রাজধানী নিয়ামির গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে দেশটির সরকার। শনিবারের এই হামলা সামরিক শাসক আবদুরাহামানে তিয়ানির জন্য নতুন করে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। রাজধানীজুড়ে গুলির শব্দ ও বিস্ফোরণ শনিবার ভোরে নিয়ামির বিভিন্ন এলাকায় গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সামরিক বিমানঘাঁটি এবং প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের আশপাশেও ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেসামরিক বিমানবন্দরের একই চত্বরে অবস্থিত ওই বিমানঘাঁটিটি নাইজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে সামরিক বিমান ও চালকবিহীন বিমান রয়েছে। পাশাপাশি নাইজার, মালি ও বুরকিনা ফাসোর সমন্বয়ে গঠিত সাহেল জোটের সন্ত্রাসবিরোধী একটি ইউনিটও সেখানে অবস্থান করে। এ ছাড়া রাশিয়া - [তিন লাখ টাকা নিয়ে গরু কিনতে গিয়ে হামলার শিকার আ.লীগ নেতা, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/188119/): পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পাশাপাশি প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। আহত ওই নেতার অভিযোগ, বিএনপি নেতা মজিবর হাওলাদারের নির্দেশেই তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। চৌরাস্তা এলাকায় হামলা শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের কাছের চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শাহ আলম মোল্লা (৬০) বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি বলে জানা গেছে। হামলার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল - [পশ্চিমা প্রভাবের পাল্টা শক্তি হিসেবে মধ্য এশিয়ায় বড় সমাবেশ, একই মঞ্চে পুতিন-শি-মোদি-শেহবাজ](https://sarakhon.com/news/188105/): রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আগামী সোমবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে শুরু হতে যাওয়া দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। মধ্য এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনকে পশ্চিমা প্রভাবের বিপরীতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২৫ বছর পূর্তি ঘিরে বিশকেকে নেতাদের সমাবেশ শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রায় এক ডজন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ এবং রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশ—সব মিলিয়ে সংগঠনটি এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোকে একই - [শিশু-কিশোরীকে আত্মঘাতী হামলায় ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ, বেলুচিস্তানে উদ্ধার দুই বোনঝি](https://sarakhon.com/news/188109/): বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে শিশু-কিশোরীদের ব্যবহারের অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। শনিবার বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল্লাহ লাঙ্গাউ জানান, সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক বোনঝিকে উদ্ধার করেছে। অভিযোগ, তাদের আত্মঘাতী হামলার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের পর লক্ষ্যবস্তু জানা গেছে, দুই কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর তাদের শোক ও ক্ষোভকে সহিংসতায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি তাদের আত্মঘাতী হামলার কাজে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। নারীদের আত্মঘাতী হামলায় ব্যবহারের ঘটনা সংগঠনটির ক্ষেত্রে আগেও দেখা গেছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারী আত্মঘাতী হামলাকারীর বিস্ফোরণে তিনজন চীনা শিক্ষক ও তাদের পাকিস্তানি চালক - [দুর্যোগে যখন সব যোগাযোগ বন্ধ, পাকিস্তানে ভরসা হয়ে উঠছে পুরোনো রেডিও](https://sarakhon.com/news/188100/): ভূমিকম্প, বন্যা কিংবা আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুৎ চলে গেলে এবং মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়লে আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা কঠিন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে বহু দশক পুরোনো একটি প্রযুক্তি এখনো মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে আছে। সেটি হলো শৌখিন বেতার যোগাযোগ। পাকিস্তান শৌখিন বেতার সমিতির সদস্যরা নিজেদের নিছক বেতারপ্রেমী হিসেবে দেখেন না। তাঁদের কাছে এটি একটি সেবামূলক কাজ। দুর্যোগের সময় যেখানে টেলিফোন, মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক কিংবা ইন্টারনেট ব্যর্থ হয়ে যায়, সেখানে তাঁরা নিজেদের যন্ত্রপাতি নিয়ে দুর্গম এলাকায় ছুটে যান এবং যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের চেষ্টা করেন। ২০০৫ সালের ভূমিকম্পে শুরু বড় পরীক্ষা ২০০৫ সালে পাকিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানার - [সন্ত্রাস মামলায় ‘মুখহীন গোপন বিচার’ চায় পাঞ্জাব, সংবিধান নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/188036/): পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সন্ত্রাসবাদ–সংক্রান্ত মামলার বিচারব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে এমন কিছু মামলাকে ‘অসাধারণ নিরাপত্তা’ প্রয়োজন এমন মামলা হিসেবে ঘোষণা করে বিচারক, সরকারি কৌঁসুলি, আসামিপক্ষের আইনজীবী ও সাক্ষীদের পরিচয় গোপন রাখার সুযোগ তৈরি হবে। বিষয়টি নিয়ে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সংবিধান ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি লঙ্ঘনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বিচারক কে, জানবেন না আসামি প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কোনো সন্ত্রাস মামলাকে বিশেষ নিরাপত্তার আওতায় নেওয়া হলে বিচারপ্রক্রিয়া সাধারণ আদালতের মতো প্রকাশ্য থাকবে না। বিচারকের পরিচয় গোপন থাকবে, সরকারি কৌঁসুলির নাম প্রকাশ করা হবে না এবং সাক্ষীদের পরিচয়ের বদলে ব্যবহার করা হবে সংখ্যাভিত্তিক সংকেত। এমনকি আসামির নিজের আইনজীবীর পরিচয়ও - [ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: যুদ্ধ জেতা আর যুদ্ধ শেষ করার ক্ষমতা এক নয়](https://sarakhon.com/news/188813/): সামরিক শক্তির বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের তুলনা চলে না। কিন্তু যুদ্ধের ফল নির্ধারণে শুধু সামরিক শ্রেষ্ঠত্বই শেষ কথা নয়। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, ওয়াশিংটন যুদ্ধ শুরু করার এবং যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে অসাধারণ ক্ষমতা দেখালেও যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কী ঘটবে, সেই বাস্তবতা সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। ইরানের সঙ্গে বর্তমান সংঘাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি সম্ভবত এখানেই। ভিয়েতনাম থেকে ইরাক, তারপর আফগানিস্তান—তিনটি ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্র নিজের শর্তে প্রত্যাহারের পথ তৈরি করেছিল। ১৯৭৩ সালের প্যারিস চুক্তি ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন প্রস্থানের পথ তৈরি করে। ২০০৮ সালের চুক্তিতে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি নির্ধারিত হয়। আর ২০২০ সালের দোহা চুক্তি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার কাঠামো - [৯/১১-এর ২৫ বছর পর করাচিতে জঙ্গিবাদের ছায়া, বদলে গেছে সন্ত্রাসের চেহারা](https://sarakhon.com/news/188804/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর শুরু হওয়া তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুধু আফগানিস্তান বা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিই বদলায়নি; এর দীর্ঘ ছায়া পড়েছিল পাকিস্তানের করাচির ওপরও। গত ২৫ বছরে করাচি এমন এক নিরাপত্তা বাস্তবতার মধ্য দিয়ে গেছে, যেখানে আন্তর্জাতিক জিহাদি নেটওয়ার্ক, স্থানীয় জঙ্গি সংগঠন, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী, রাজনৈতিক সহিংসতা ও অপরাধী চক্র পরস্পরের সঙ্গে কখনো সহযোগিতা করেছে, কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। ৯/১১-এর পর আফগানিস্তানে তালেবানের প্রথম সরকার পতন এবং আল-কায়েদার ওপর মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু হলে অনেক জঙ্গি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে পড়ে। পাকিস্তানের দুর্গম উপজাতীয় অঞ্চলগুলো তাদের জন্য আশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করলেও করাচি তাদের সামনে খুলে দেয় আরও বড় সম্ভাবনা। বিশাল - [ইরানে হামলায় মার্কিন যুদ্ধাপরাধের সম্ভাবনা দেখছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা](https://sarakhon.com/news/188807/): ইরানে ২৮ ফেব্রুয়ারির মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক তথ্য অনুসন্ধান মিশন। সংস্থাটির স্বাধীন তদন্তকারীরা বলেছেন, দুটি বিমান হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের পক্ষে ‘যৌক্তিক ভিত্তি’ পাওয়া গেছে। এসব হামলায় অন্তত ১৭৮ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মিনাবে স্কুলে ভয়াবহ হামলা তদন্তকারীদের নজরে থাকা হামলাগুলোর একটি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের শাজারেহ তাইয়েবেহ স্কুলে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক তদন্তে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র স্কুলটিতে আঘাত হানে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ১৬৮ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই শিশু। জাতিসংঘ-সমর্থিত তথ্য অনুসন্ধান দল বলেছে, হামলার সময় - [সৌদি হামলা ও হুথি পাল্টা আক্রমণে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/188793/): ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধাদের ইয়েমেনে দ্রুত অগ্রসর হওয়া এবং সৌদি আরবের পাল্টা বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি যুদ্ধবিমান হামলা চালানোর দাবি উঠেছে। একই সময়ে হুথিরাও সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। সংঘাতের নতুন এই বিস্তারের কারণে শুধু সৌদি আরব ও ইয়েমেন নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশে হুথিদের সাম্প্রতিক অগ্রগতি আন্তর্জাতিক নৌপথের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। মক্কার কাছে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, - [মূল্যস্ফীতি কমলে কমছে না কেনা বাজারের আগুন?](https://sarakhon.com/news/188792/): বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। পরিসংখ্যানের খাতায় এটি স্বস্তির খবর। কিন্তু বাজারে গিয়ে সেই স্বস্তির দেখা মিলছে না। বরং মাসের বাজারের তালিকা হাতে নিয়ে পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে মানুষ বুঝতে পারছে, কয়েক বছর আগের তুলনায় একই পণ্য কিনতে এখনো অনেক বেশি টাকা লাগছে। আসলে বাজারে দাম কমেনি; শুধু দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে। তাতেই কমেছে মুল্যস্ফী নয় শতাংশের ঘর থেকে আট শতাংশের ঘরে এসেছে। এটা নিয়ে আসলে স্বস্তির কোন কারণ নেই।   সরকারি হিসাবে জুলাইয়ের পর আগষ্টেও দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। এ মাসে পণ্য ও সেবার গড় মূল্যবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে। আর জুলাইয়ে দেশের সাধারণ - [রাশিয়ার বিরুদ্ধে বড় নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ট্রাম্পের হাতে এখন সিদ্ধান্ত](https://sarakhon.com/news/188787/): রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক বিল পাস হয়েছে। বুধবার ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হওয়া বিলটি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে গেছে। ট্রাম্প স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে। ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামে বিলটি প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে নামকরণ করা হয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে এই উদ্যোগের পক্ষে ছিলেন। গত ১১ জুলাই আকস্মিকভাবে তার মৃত্যুর পরও বিলটি কংগ্রেসের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যায়। গত মাসে সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিপুল দ্বিদলীয় সমর্থনে বিলটি পাস হয়েছিল। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন - [উগান্ডায় ৩৫ বছরের স্ট্যানবিক: অনিশ্চয়তার সময়ে যে বিনিয়োগ বদলে দিল একটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/188784/): ১৯৯১ সাল। উগান্ডা তখনও দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও দারিদ্র্যের ক্ষত বয়ে চলেছে। রাজধানী কাম্পালার প্রধান সড়কগুলোতে বড় বড় গর্ত, অনেক ভবন যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন বহন করছে, শিল্পনগরীগুলোর কারখানা বন্ধ, পণ্যসামগ্রীর সংকট তীব্র। এমন এক সময়ে দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো কারণ খুব বেশি ছিল না। ঠিক সেই সময়েই উগান্ডায় প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেয় স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক গ্রুপ। ১৯৯১-৯২ সালে গ্রিন্ডলেজ ব্যাংক অব ইস্ট আফ্রিকা অধিগ্রহণের মাধ্যমে উগান্ডার বাজারে আসে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, যা পরবর্তীতে স্ট্যানবিক ব্যাংক উগান্ডা নামে দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। আজ সেই সিদ্ধান্তের ৩৫ বছর পূর্তি। পেছনে তাকালে দেখা যায়, এটি শুধু একটি ব্যাংকের উগান্ডায় ব্যবসা - [আফ্রিকায় এল নিনোর ঝুঁকিতে ১৬ কোটি ২০ লাখ শিশু, বাড়তে পারে খরা-বন্যা-তাপপ্রবাহ](https://sarakhon.com/news/188781/): পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০২৬–২৭ সালের সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে ১৬ কোটি ২০ লাখের বেশি শিশু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির হিসাবে, এই সংখ্যা অঞ্চলটির মোট শিশুর দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি। ইউনিসেফ বলছে, এল নিনোর প্রভাবে খরা, অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে শিশুদের খাদ্য ও পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও পয়োনিষ্কাশন, শিক্ষা এবং সুরক্ষার ওপর। আফ্রিকার ১৩টি দেশকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে উগান্ডা, জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, মাদাগাস্কার, মালাউই, মোজাম্বিক, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে। ইউনিসেফের পূর্ব ও দক্ষিণ - [বিমান হামলায় ৮৫ শিশুর মৃত্যু নথিভুক্ত করল মিয়ানমার উইটনেস, অভিযোগ তদন্তে এনইউজি](https://sarakhon.com/news/188778/): স্বাধীন তদন্ত সংস্থা মিয়ানমার উইটনেসের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বারোটি রাজ্য ও অঞ্চলে ছিয়ানব্বইটি ঘটনায় জান্তা বাহিনীর হামলায় পঁচাশিটি শিশু নিহত এবং একশো ঊনত্রিশটি শিশু আহত হয়েছে। এসব ঘটনার প্রায় সাড়ে তেষট্টি শতাংশের জন্য দায়ী বিমান হামলা, যেখানে বার্মা বিমানবাহিনী একষট্টিটি হামলা চালিয়েছে বলে নথিভুক্ত হয়েছে। ভারী অস্ত্র, ড্রোন হামলা, স্থলমাইন ও প্যারামোটর হামলাও শিশু হতাহতের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি তেইশটি ঘটনা ঘটেছে সাগাইং অঞ্চলে, যা প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, বেসামরিক এলাকায় নির্বিচার বিমান হামলা মিয়ানমার সংঘাতে শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। একই সময়ে ছায়া সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২১ সালের প্রতিষ্ঠার পর থেকে জমা - [অফশোর গ্যাস ও রুশ চুক্তিতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত জান্তার তহবিল বাড়বে, সতর্কতা কর্মীদের](https://sarakhon.com/news/188774/): মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের জোট ব্লাড মানি ক্যাম্পেইন সতর্ক করেছে, তানিনথারি অঞ্চলের উপকূলে মার্তাবান উপসাগরে অবস্থিত মিন ইয়ে থু নামের একটি অফশোর প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্প ২০২৮ সাল থেকে জান্তার তহবিলে অর্থ জোগান দিতে শুরু করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জান্তা নিয়ন্ত্রিত মিয়ানমা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজ ও থাই মালিকানাধীন গালফ পেট্রোলিয়াম মিয়ানমার গত বছরের মে মাসে এই আহরণ চুক্তি চূড়ান্ত করে। সংগঠনটির এক মুখপাত্র জানান, উৎপাদন পরিকল্পনামাফিক শুরু হলে তা থেকে আসা রাজস্ব সামরিক শাসন টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে, তাই জান্তার পুরো আর্থিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। এছাড়া কানাডাভিত্তিক ফোরসাইট গ্রুপ ও এমওজিই আগস্টে বৈঠক করে বছরের শেষ নাগাদ কাদান দ্বীপের কাছাকাছি আরেকটি অনুসন্ধান এলাকায় - [মার্কিন ক্রিপ্টো বিল হোঁচট খাওয়ায় সুযোগ দেখছে হংকং](https://sarakhon.com/news/188770/): মার্কিন সিনেট বুধবার ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার কাঠামো নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট প্রত্যাখ্যান করেছে। সিনেটর এলিসা স্লটকিন বিলটির নৈতিকতা-সংক্রান্ত বিধানকে দুর্বল আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ক্রিপ্টো কার্যক্রম থেকে লাভবান হচ্ছেন। শিল্প বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওয়াশিংটনের এই নিয়ন্ত্রক ধাক্কা হংকংয়ের জন্য নিজেদের ডিজিটাল সম্পদ কেন্দ্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুযোগ তৈরি করেছে। মূল ভূখণ্ড চীনে ক্রিপ্টোকারেন্সির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও হংকংকে ডিজিটাল সম্পদ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার অনুমোদন দিয়েছে বেইজিং। বাজারে অব্যাহত অস্থিরতা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক গতি স্থবির থাকা অবস্থায়ই হংকংয়ের এগিয়ে যাওয়া উচিত, কারণ ওয়াশিংটন নিয়ন্ত্রক গতি পুনরুদ্ধার করলে এই সুযোগের জানালা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। স্পষ্ট নিয়ন্ত্রক কাঠামোর খোঁজে থাকা ক্রিপ্টো ব্যবসা ও - [গণতন্ত্র দিবসে সংলাপ ও স্বৈরশাসনের অবসান দাবি এনএলডির](https://sarakhon.com/news/188766/): মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে জারি করা এক বিবৃতিতে অবিলম্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংলাপ শুরু, বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ এবং সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির দাবি জানিয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি বলেছে, কেবল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়াই শান্তি, জাতীয় পুনর্মিলন ও ফেডারেল গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানে নির্বাচনে বিপুল বিজয়ী এনএলডির নেতা প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করেছিল জান্তা। উইন মিন্ট এ বছরের এপ্রিলে মুক্তি পেলেও আঠারো বছরের সাজাপ্রাপ্ত সু চি এখনও কারাবন্দি রয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের হিসাবে, অভ্যুত্থানের পর থেকে বর্তমানে চৌদ্দ হাজার আটশো সতেরো জন রাজনৈতিক বন্দি - [নেপিদোয় জান্তার সঙ্গে আরসিএসএসের সংলাপ, প্রত্যাখ্যান চার সশস্ত্র গোষ্ঠীর](https://sarakhon.com/news/188763/): মিয়ানমারের শান রাজ্যভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী রেস্টোরেশন কাউন্সিল অব শান স্টেট জান্তা সরকারের শান্তি সংলাপ কমিটির সঙ্গে নেপিদোয় খোলামেলা রাজনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে। গোষ্ঠীটির সেক্রেটারি সাও সাই এনগিন এই আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, একটি ফেডারেল গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ সংলাপে তার সংগঠন বিশ্বাসী। আলোচনায় বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর দক্ষিণ শানে প্রত্যাবর্তনের কাঠামো, সীমান্ত এলাকায় সাইবার প্রতারণা চক্র ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতা এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবহন সেবার উন্নয়নের মতো বিষয় স্থান পেয়েছে। আরসিএসএসের পাশাপাশি ইউনাইটেড ওয়া স্টেট পার্টি, শান স্টেট প্রগ্রেস পার্টি ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মিও আগস্ট থেকে জান্তার সঙ্গে সংলাপে যুক্ত রয়েছে। তবে কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স অর্গানাইজেশন, কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন, চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট ও কারেন্নি ন্যাশনাল প্রগ্রেসিভ পার্টির সমন্বয়ে গঠিত - [দুইশো বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে সেমিকন ইন্ডিয়া উদ্বোধন করবেন মোদি](https://sarakhon.com/news/188758/): ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার দিল্লির দ্বারকায় যশোভূমিতে সেমিকন ইন্ডিয়া ২০২৬ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন, যা এই সম্মেলনের পঞ্চম আসর। এর আগে বুধবার তিনি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানির নির্বাহীদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকেও অংশ নেন। বর্তমানে ভারত তার সেমিকন্ডাক্টর চাহিদার প্রায় নব্বই শতাংশ আমদানি করে, যাতে বছরে খরচ হয় প্রায় ত্রিশ বিলিয়ন ডলার। সরকারের লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে এই নির্ভরতা কমানো। আগামী কয়েক বছরে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর বাজার একশো বিলিয়ন থেকে দুইশো বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যেখানে বৈশ্বিক চাহিদা এক ট্রিলিয়ন থেকে দুই ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকার সম্প্রতি সেমিকন মিশনের দ্বিতীয় ধাপ অনুমোদন করেছে, যার বরাদ্দ প্রথম ধাপের ছিয়াত্তর হাজার কোটি - [চার বছরে নির্মিত পিংলু খাল চালু করল চীন, বদলে যাবে আঞ্চলিক বাণিজ্যপথ](https://sarakhon.com/news/188755/): দক্ষিণ চীনের গুয়াংশি প্রদেশে এক শত চৌত্রিশ কিলোমিটার দীর্ঘ পিংলু খাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে চীন, যা দেশটির প্রথম আধুনিক নদী-থেকে-সাগর সংযোগকারী খাল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রায় সাড়ে দশ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই খাল শি নদীকে সরাসরি যুক্ত করেছে বেইবু উপসাগরের সঙ্গে, যা ভিয়েতনাম সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। খালটি নির্মাণে চার বছর সময় লেগেছে এবং চার জেলার প্রায় এগারো হাজার মানুষকে পুনর্বাসন করতে হয়েছে। তিনটি জলপ্রণালীযুক্ত এই খাল দিয়ে পাঁচ হাজার টন পর্যন্ত পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারবে, যা ইউনান, গুইঝো, ছংছিং ও সিছুয়ানের মতো স্থলবেষ্টিত প্রদেশগুলোর জন্য সমুদ্রপথে সরাসরি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে। কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এই খাল ব্যবহারে জাহাজ চলাচলের দূরত্ব প্রায় পাঁচশো ষাট কিলোমিটার কমবে এবং - [ভারতে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সরানোর আহ্বান পাকিস্তান হকি ফেডারেশনের](https://sarakhon.com/news/188752/): পাকিস্তান হকি ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে এশিয়ান হকি ফেডারেশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে, আগামী মাসের পুরুষ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়া হোক, অথবা অন্তত পাকিস্তানের সব ম্যাচ কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা হোক। ফেডারেশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ ওয়ানি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক পরিস্থিতির কারণেই এই অনুরোধ। সাতাশ অক্টোবর থেকে পাঁচ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে ভারত ছাড়াও পাকিস্তান, চীন, জাপান, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া অংশ নেবে। লিগ পর্বের ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে জলন্ধরে, আর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে মোহালিতে। পাকিস্তান-ভারত মহারণটি প্রথম নভেম্বর জলন্ধরে হওয়ার কথা রয়েছে। ওয়ানি স্পষ্ট করেছেন, ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ সত্ত্বেও পাকিস্তান আন্তর্জাতিক হকিতে তাদের অংশগ্রহণে পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - [জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সমুদ্রসীমা বিরোধ মীমাংসায় বসল থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া](https://sarakhon.com/news/188748/): থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সিঙ্গাপুরে জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশনের বাধ্যতামূলক পুনর্মিলন প্রক্রিয়ার আওতায় প্রথম বৈঠকে প্রাথমিক বিবৃতি বিনিময় করেছেন। বিতর্কিত এই সমুদ্র এলাকায় বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসসহ জীবাশ্ম জ্বালানির মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত জুনে থাইল্যান্ড একতরফাভাবে দুই দেশের মধ্যে পঁচিশ বছরের পুরোনো একটি সমঝোতা স্মারক বাতিল করার পর কম্বোডিয়া এই প্রক্রিয়া শুরু করে। থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক যুক্তি দেন, পঁচিশ বছরে মাত্র দুটি বৈঠক ছাড়া আগের চুক্তিতে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সোখন শান্তিপূর্ণ সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। গত বছরের জুলাই ও ডিসেম্বরে সীমান্ত এলাকা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে বহু মানুষের প্রাণহানি ও লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল, পরে ডিসেম্বরের শেষে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, - [ইরানকে সমর্থনের পুনরাবৃত্তি চীনের, ইয়েমেনে সংকট ছড়ানো নিয়ে সতর্কতা](https://sarakhon.com/news/188745/): বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তেহরানের প্রতি বেইজিংয়ের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এটি আরাগচির দ্বিতীয় চীন সফর। ওয়াং জানান, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন এবং হরমুজ প্রণালী দ্রুত পুনরায় সচল করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ওয়াং সতর্ক করেছেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা যেন আর ইয়েমেনে ছড়িয়ে না পড়ে, যা মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর অস্থিরতার আশঙ্কা তুলে ধরে। ওয়াশিংটনের ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচির আওতায় ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোও লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে, যা এই বৈঠকের প্রেক্ষাপটকে আরও জটিল করে তুলেছে। পরের সপ্তাহেই শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরে ইরান প্রসঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইরানের প্রতি চীনের এই - [হরমুজ চাপের মধ্যে ওয়াশিংটনে রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/188742/): দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন শুক্রবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করছেন, যা গত ফেব্রুয়ারির পর দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বৈঠকের অন্যতম মূল বিষয় হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা রক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য সামরিক অবদান নিয়ে ওয়াশিংটনের অনুরোধ। সিউলের প্রেসিডেনশিয়াল কার্যালয় বৃহস্পতিবার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠক ডেকেছে, যেখানে সম্ভাব্য সামরিক অংশগ্রহণের ধরন নিয়ে আলোচনা হবে। তবে সরকার স্পষ্ট করেছে, সৈন্য মোতায়েন নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইরান ইতিমধ্যে সামরিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুতর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আর দেশটির অভ্যন্তরেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সংগঠন সেনা পাঠানোর বিরোধিতা করছে। বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের গত বছরের শীর্ষ বৈঠকে সম্মত সাড়ে তিনশো - [দাবা অলিম্পিয়াডে থাইল্যান্ডকে হারাল ভারত, প্রথম বোর্ডে চমক হার অর্জুনের](https://sarakhon.com/news/188739/): চলমান দাবা অলিম্পিয়াডের উদ্বোধনী রাউন্ডে থাইল্যান্ডকে তিন-এক ব্যবধানে হারিয়েছে ভারতের পুরুষ দল। তবে দলের প্রথম বোর্ডে খেলা শীর্ষ গ্র্যান্ডমাস্টার অর্জুন এরিগাইসি অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে গেছেন, যা টুর্নামেন্টের শুরুতেই ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। গুকেশ, নিহাল সারিন ও বিদিত গুজরাটির মতো খেলোয়াড়দের জয়ে দলীয় ব্যবধান নিশ্চিত হলেও অর্জুনের হার আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের অন্যতম ধারাবাহিক পারফর্মার হিসেবে পরিচিত এই গ্র্যান্ডমাস্টারের কাছে এমন ফল প্রত্যাশিত ছিল না। ভারতের নারী দলও নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে সহজ জয় তুলে নিয়েছে বলে জানা গেছে। গত কয়েক আসরে ভারত দাবায় বৈশ্বিক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, আর এবারের অলিম্পিয়াডেও দলটিকে অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতেই এমন অঘটন প্রমাণ করে, শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় কোনো প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। দক্ষিণ এশিয়ার দাবাপ্রেমীদের জন্য এই খবর বিশেষভাবে - [লিয়াজোঁ কার্যালয় বিধ্বস্ত করার জন্য উত্তর কোরিয়াকে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ সিউল আদালতের](https://sarakhon.com/news/188735/): সিউলের একটি আদালত রায় দিয়েছে, ২০২০ সালে আন্তঃকোরীয় লিয়াজোঁ কার্যালয় বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার জন্য উত্তর কোরিয়াকে দক্ষিণ কোরিয়াকে প্রায় সাড়ে চুয়াল্লিশ বিলিয়ন ওন বা প্রায় সাড়ে বত্রিশ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট দক্ষিণ কোরীয় সরকারের দাবি করা পুরো অঙ্কই মঞ্জুর করেছে। ক্ষতিপূরণের অঙ্কে ভবনটির জন্য প্রায় সাড়ে দশ বিলিয়ন ওন এবং সংলগ্ন একটি সহায়ক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায় সাড়ে চৌত্রিশ বিলিয়ন ওন ধরা হয়েছে। দুই হাজার আঠারো সালে আন্তঃকোরীয় সহযোগিতা জোরদারে কায়েসংয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কার্যালয়টি করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, পরে জুন মাসে উত্তর কোরিয়া বিরোধী লিফলেট বিতরণের প্রতিক্রিয়ায় ভবনটি বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়। ২০২৩ সালের জুনে দায়ের হওয়া এই মামলাটি দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের - [এআইয়ের কল্পনায় তৈরি আচার-স্বাদের টার্ট, চমক জাপানের দোকানে](https://sarakhon.com/news/188732/): জাপানের সুবিধাজনক দোকান বা কনভিনিয়েন্স স্টোর চেইনগুলো এখন নতুন খাবারের স্বাদ উদ্ভাবনে এআইয়ের সহায়তা নিচ্ছে, যার ফলে বাজারে আসছে আচার-স্বাদের টার্টের মতো অপ্রচলিত পণ্য। বড় বড় চেইন প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের রুচি বিশ্লেষণ করে এমন সব সংমিশ্রণ তৈরি করছে, যা প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে ক্রেতাদের কৌতূহল জাগিয়ে তুলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই মডেলগুলো বিপুল পরিমাণ ভোক্তা-উপাত্ত ও সামাজিক মাধ্যমের প্রবণতা বিশ্লেষণ করে এমন স্বাদের সংমিশ্রণ প্রস্তাব করছে যা মানুষের কল্পনায় সহজে আসে না। জাপানের অতি প্রতিযোগিতাপূর্ণ কনভিনিয়েন্স স্টোর বাজারে প্রতিনিয়ত নতুনত্বের চাপ থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-চালিত এই উদ্ভাবনকে বিপণনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উদ্ভট স্বাদের পণ্য সবসময় বাণিজ্যিকভাবে সফল না হলেও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা তৈরি - [পাকিস্তান-চীন সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান করল ভারত, বলল আইনি ভিত্তি নেই](https://sarakhon.com/news/188728/): পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে নতুন গঠিত সীমান্ত যৌথ কমিশনকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে কোনো সীমান্তই নেই, তাই এই কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি থাকতে পারে না। জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ চিরকাল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। ভারত ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে কখনও স্বীকৃতি দেয়নি বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, এবং পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা এলাকা নিয়ে কোনো সমঝোতায় যাওয়ার এখতিয়ার ইসলামাবাদের নেই বলে দাবি করেছে দিল্লি। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত কমিশনের প্রথম বৈঠকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও ভারত এটিকে নিছক প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখছে। দিল্লি পাকিস্তানকে - [নেপালে বন্যার তিন সপ্তাহ পর হাজারো নিখোঁজ, নীরব বৈশ্বিক সাড়া](https://sarakhon.com/news/188725/): নেপালে সাম্প্রতিক প্রলয়ংকরী বন্যার তিন সপ্তাহ পরও প্রায় পাঁচ হাজার দুইশো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়শো ছত্রিশ জন বিদেশি নাগরিক। উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মরদেহও এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো বলছে, দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা যতটা প্রয়োজন ছিল, বাস্তবে ততটা গতি পায়নি। বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন কেন এই বিপর্যয়ে আন্তর্জাতিক সাড়া তুলনামূলক নীরব রয়ে গেল। আল জাজিরার একটি বিশ্লেষণে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, জলবায়ু সংকটে নিজেদের ঐতিহাসিক দায় স্বীকার করতে ধনী দেশগুলোর অনীহাই এই নীরবতার প্রধান কারণ, যদিও হিমালয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান চরম আবহাওয়ার সঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সম্পর্ক বিজ্ঞানীরা বহুবার তুলে ধরেছেন। নেপালের ভূপ্রকৃতিগত ভঙ্গুরতা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ বন্যার তীব্রতা বাড়িয়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের - [ব্রিকস-পরবর্তী প্রতিবেশী কূটনীতি, ভুটানে জয়শঙ্কর ও দিল্লিতে নেপালের অর্থমন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/188722/): ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব না থাকার পরপরই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে মনোযোগী হয়েছে দিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দুই দিনের সফরে ভুটান পৌঁছেছেন, যেখানে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ও প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরকে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের বিনিময়ের ধারাবাহিকতা এবং প্রতিবেশী-প্রথম নীতির অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আগস্ট মাসে দুই দেশের কর্মকর্তারা সীমান্ত-নদী ব্যবস্থাপনা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, যা এই সফরের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। একই সময়ে নেপালের অর্থমন্ত্রী সতেরো সেপ্টেম্বর দিল্লি সফরে আসছেন, যা প্রতিবেশী কূটনীতির এই সামগ্রিক তৎপরতার আরেকটি অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিকসের - [মিয়ানমার জান্তাকে তথ্য দেওয়ার অভিযোগে নরওয়েতে অভিযুক্ত টেলিনর](https://sarakhon.com/news/188719/): নরওয়ের পুলিশ টেলিকম জায়ান্ট টেলিনরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন ও মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ এনেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর টেলিনর মিয়ানমারের নাগরিকদের স্পর্শকাতর ব্যক্তিগত তথ্য জান্তা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিল, যা নির্বিচার গ্রেপ্তার, নির্যাতন, হত্যা ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ। কোম্পানিটি মিয়ানমার ছেড়ে যাওয়ার সময় নিষেধাজ্ঞাভুক্ত নজরদারি সরঞ্জাম সামরিক-সংশ্লিষ্ট এক ক্রেতার কাছে হস্তান্তরের অভিযোগও আনা হয়েছে। হুইসেলব্লোয়ার সংগঠন জাস্টিস ফর মিয়ানমারের মুখপাত্র ইয়াদানার মাউং এই অভিযোগ আনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, জান্তার নির্বিচার গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও হত্যায় সহায়তার জন্য টেলিনরকে সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ থাকতে হবে। দুই হাজার চৌদ্দ সালে মিয়ানমারের বাজারে প্রবেশ করা টেলিনর ২০২২ সালের মার্চে দেশটি থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেয় এবং লেবাননভিত্তিক এম১ গ্রুপের কাছে কার্যক্রম বিক্রি করে দেয়। ২০২৪ - [শি-ট্রাম্প বৈঠকের আগে সংঘাতমূলক প্রসঙ্গ এড়ালেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী](https://sarakhon.com/news/188715/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে বেইজিংয়ের শিয়াংশান নিরাপত্তা ফোরামে ভাষণ দিতে গিয়ে সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দোং জুন। গত বছরের তুলনায় এবার তিনি তাইওয়ান বা দক্ষিণ চীন সাগরের মতো স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ সরাসরি উল্লেখ করা থেকে বিরত থেকেছেন। দোং ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেও তা ছিল তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত। তিনি বলেন, সক্ষমতার মধ্যে থেকে বিদেশি সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তা ও সামরিক উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় চীন, যা পর্যবেক্ষকদের কাছে বিরল একটি প্রকাশ্য অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালে পিপলস লিবারেশন আর্মির শতবার্ষিকীর দিকে এগোতে থাকা বেইজিং এখন নিজেদের সামরিক - [হংকংয়ের প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা, উদ্ভাবন ব্যয় দ্বিগুণের লক্ষ্য](https://sarakhon.com/news/188712/): হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি কা-চিউ তার মেয়াদের শেষ নীতি ভাষণে শহরের প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে ব্যয় বর্তমানের প্রায় দ্বিগুণে উন্নীত করে তা মোট অর্থনীতির প্রায় তিন শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন ও নতুন শিল্পখাতকে অর্থনীতির সাড়ে পাঁচ শতাংশে উন্নীত করারও পরিকল্পনা রয়েছে। পরিকল্পনায় অর্থ ও প্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে নতুন করছাড়, বায়োটেক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিগুলোকে সীমান্ত-পারাপার তথ্য আদান-প্রদানে অগ্রাধিকার এবং দুর্যোগ মোকাবিলা ও জনস্বার্থে একটি এআই সিটি ব্রেইন গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিদেশি পেশাজীবীদের স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের জন্য নতুন একটি ভিসা ক্যাটাগরি ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে চালু হতে পারে। চীনের জাতীয় - [মূল্যস্ফীতি কমলে কমছে না কেন বাজারের আগুন?](https://sarakhon.com/news/188709/): বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। পরিসংখ্যানের খাতায় এটি স্বস্তির খবর। কিন্তু বাজারে গিয়ে সেই স্বস্তির দেখা মিলছে না। বরং মাসের বাজারের তালিকা হাতে নিয়ে পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে মানুষ বুঝতে পারছে, কয়েক বছর আগের তুলনায় একই পণ্য কিনতে এখনো অনেক বেশি টাকা লাগছে। আসলে বাজারে দাম কমেনি; শুধু দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে। তাতেই কমেছে মুল্যস্ফী নয় শতাংশের ঘর থেকে আট শতাংশের ঘরে এসেছে। এটা নিয়ে আসলে স্বস্তির কোন কারণ নেই।   সরকারি হিসাবে জুলাইয়ের পর আগষ্টেও দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। এ মাসে পণ্য ও সেবার গড় মূল্যবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে। আর জুলাইয়ে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল - [আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের যোগ্য ঘোষিত দুতার্তে, শুনানি ফেব্রুয়ারিতে](https://sarakhon.com/news/188706/): আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারকরা রায় দিয়েছেন, ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার উপযুক্ত। আশি বছর বয়সী দুতার্তেকে নিয়ে জেরিয়াট্রিক নিউরোলজি ও মনোরোগবিদ্যা বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল পর্যালোচনা করে জানিয়েছে, তিনি নিজের আইনি অধিকার কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম। দুতার্তের বিরুদ্ধে দাভাও শহরের মেয়র থাকাকালীন এবং পরে প্রেসিডেন্ট থাকার সময় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে হত্যাকাণ্ডের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশি হিসাবে ছয় হাজারের বেশি এবং মানবাধিকার সংগঠনের হিসাবে প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষ এই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে গ্রেপ্তার হওয়া দুতার্তের আইনজীবী দলের অনুরোধে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে আগের একটি শুনানি স্থগিত করা হয়েছিল। তার আইনজীবী নিক কফম্যান - [কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট থাচি যুদ্ধাপরাধে ২৫ বছরের কারাদণ্ড পেলেন](https://sarakhon.com/news/188703/): কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কসোভো লিবারেশন আর্মির সাবেক শীর্ষ কমান্ডার হাশিম থাচিকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন কসোভো যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বুধবার ঘোষিত রায়ে আটান্ন বছর বয়সী থাচিকে ৯৬ জন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সার্ব বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে চিহ্নিত ব্যক্তিদের হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। রায়ে আরও বলা হয়েছে, থাচির নেতৃত্বাধীন বাহিনী ৩৮৫ জনকে বেআইনিভাবে আটক রেখেছিল, ৩০৩ জনের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল এবং প্রায় পঞ্চাশ জনের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করেছিল। নব্বইয়ের দশকে সার্বিয়া থেকে কসোভোর সহিংস বিচ্ছিন্নতার সময় জাতিগত আলবেনীয় এই সশস্ত্র সংগঠনের শীর্ষ কমান্ডার ছিলেন থাচি। দুই হাজার আট সালে স্বাধীনতা ঘোষণার পর কসোভোর রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া থাচি পশ্চিমা বিশ্বে দীর্ঘদিন একজন মুক্তিসংগ্রামী নেতা - [মিয়ানমার তদন্ত সংস্থার আহ্বান, জাতিসংঘ পরিষদে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইল আইআইএমএম](https://sarakhon.com/news/188700/): মিয়ানমারের জন্য গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত সংস্থা আইআইএমএমের প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বলেছেন, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না এবং আইনের মান নির্ধারণের এখতিয়ার এককভাবে কোনো রাষ্ট্রের হাতে থাকতে পারে না। তিনি সদস্য দেশগুলোর কাছে সংস্থার কাজে অব্যাহত সহায়তা চেয়েছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত ষোলোশোরও বেশি সূত্র ও সাড়ে সাতশো সাক্ষীর সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছে, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের সঙ্গে ভাগ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চেক প্রজাতন্ত্র, আইসল্যান্ড, মালদ্বীপ, মাল্টা, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও জাপান এই অধিবেশনে সংস্থার কাজে সমর্থন জানিয়েছে। তবে বেসামরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, চীন, রাশিয়া ও কিছু আসিয়ান দেশ - [রাখাইন সীমান্তে সামরিক বাহিনীর প্যারামোটর হামলায় নিহত ছয়, চার শিশু](https://sarakhon.com/news/188697/): মিয়ানমারের মাগওয়ে ও রাখাইন রাজ্যের সীমান্তবর্তী একটি গ্রামে জান্তা বাহিনীর প্যারামোটর হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজনই শিশু বলে স্থানীয় প্রতিরোধ সূত্র জানিয়েছে। হামলায় আহতদের অধিকাংশও শিশু। ঘটনাটি ঘটে জুনক্যা গ্রামে, যেখানে থায়েত জেলা পিপলস ডিফেন্স ফোর্স ব্যাটালিয়ন সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে। জান্তা বাহিনী দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্গম গ্রামাঞ্চলে আকাশপথে হামলা চালিয়ে আসছে, যেখানে সাধারণ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সস্তা ও দ্রুত মোতায়েনযোগ্য প্যারামোটর ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা বহুবার সতর্ক করেছেন যে এ ধরনের হামলায় বেসামরিক জনগণ, বিশেষত শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে, কারণ গ্রামীণ জনবসতি এলাকায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিতকরণ প্রায় অসম্ভব। মাগওয়ে ও রাখাইনের সীমান্ত এলাকা দীর্ঘদিন ধরে জান্তা ও স্থানীয় প্রতিরোধ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়। রাখাইনে চলমান সংঘাত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপরও প্রত্যক্ষ - [মালয়েশিয়া মিয়ানমার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, বিনিময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন](https://sarakhon.com/news/188693/): মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, তিনি মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান তথা প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংকে একটি সরকারি সফরে আমন্ত্রণ জানাবেন, বিনিময়ে নেপিদোর কাছ থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি চাইছে কুয়ালালামপুর। আনোয়ার বুধবার বলেন, দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য মিন অং হ্লাইংয়ের সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় দুই লাখ মিয়ানমারের শরণার্থী বসবাস করছেন, যাদের একটি বড় অংশ রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, প্রাথমিক ধাপে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার একটি সমঝোতা নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে। মালয়েশিয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর একাংশ সম্প্রতি রোহিঙ্গা ও অন্যান্য মিয়ানমার শরণার্থীদের বিরুদ্ধে ছোট ব্যবসায় প্রতিযোগিতা ও সামাজিক সমস্যার অভিযোগ তুলছে, যা সরকারের ওপর প্রত্যাবাসন প্রশ্নে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত এক দশকে রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযান ও সাম্প্রদায়িক - [ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য](https://sarakhon.com/news/188690/): মাত্র ২৫ হাজার ডলার। জীবনের এক পর্যায়ে এটুকুই ছিল সুধীর রুপারেলিয়ার হাতে থাকা বড় মূলধন। কিন্তু সেই অর্থ নিয়েই তিনি আবার ফিরে গিয়েছিলেন উগান্ডায়। যে দেশে তার পরিবার কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করছিল, যে দেশ থেকেই মাত্র ১৬ বছর বয়সে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাকে বাবা-মায়ের সঙ্গে চলে যেতে হয়েছিল, সেই দেশেই ফিরে এসে তিনি শুরু করেন নতুন জীবন। আজ সেই ছোট্ট পুঁজি থেকে গড়ে উঠেছে রুপারেলিয়া গ্রুপ—উগান্ডার অন্যতম পরিচিত পারিবারিক ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য। পরিবারের হিসাবে এর মূল্য এখন প্রায় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। প্রায় ৩০টি ব্যবসা রয়েছে এই গোষ্ঠীর অধীনে। সম্পত্তি, হোটেল ও আতিথেয়তা, শিক্ষা, ফুলের চাষ, গণমাধ্যম, জনবল নিয়োগ, বীমা, - [গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবন ধসে নিহত অন্তত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ](https://sarakhon.com/news/188686/): গাজা সিটির আল-রিমাল এলাকায় যুদ্ধের ক্ষত বহন করা একটি আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশুও রয়েছে। বুধবার ভোরে ছয়তলা ভবনটি ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ধসে পড়া আল-সাআদা ভবনটির ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়া মানুষদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ভবন ধসের ঘটনায় প্রায় ১০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ভবনটিতে প্রতি তলায় চারটি করে অ্যাপার্টমেন্ট ছিল। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পরপরই ইসরায়েলি বিমান হামলায় ভবনটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল বলে জানিয়েছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা। এরপর থেকে ভবনটি যুদ্ধের কারণে - [গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নিটওয়্যার শিল্প, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ঝুঁকি বাড়ালে সামনে কী](https://sarakhon.com/news/188674/): বাংলাদেশের নিটওয়্যার শিল্পের জন্য সংকটটি শুরু হয়েছিল কারখানার গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর যুক্ত হয়েছে বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ। এখন সেই সংকটের সঙ্গে নতুন একটি বৈশ্বিক ঝুঁকি যুক্ত হয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতা। ফলে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর সমস্যা আর শুধু ‘বিদ্যুৎ নেই’ বা ‘গ্যাসের চাপ কম’—এতটুকুতে সীমাবদ্ধ নেই। জ্বালানি সংকট এখন উৎপাদন ব্যয়, পণ্য সরবরাহের সময়, বিদেশি ক্রেতার আস্থা, ব্যাংকঋণ এবং রপ্তানি আয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে গেছে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সাম্প্রতিক জরিপে এই চাপের একটি স্পষ্ট ছবি পাওয়া গেছে। সংগঠনটির সদস্য রপ্তানিমুখী কারখানার প্রায় ২০ শতাংশের তথ্যের ভিত্তিতে করা জরিপে দেখা - [স্মার্ট চশমার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বাড়ছে গোপনে ভিডিও ধারণের ভয়](https://sarakhon.com/news/188671/): স্মার্ট চশমা ধীরে ধীরে অভিনব প্রযুক্তিপণ্য থেকে দৈনন্দিন ব্যবহারের যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে। ফোন বের না করেই এসব চশমা দিয়ে কল করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কথা বলা, ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করা যায়। কিন্তু প্রযুক্তির এই সুবিধার পাশাপাশি জনসমক্ষে মানুষের অজান্তে ভিডিও ধারণ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। সাম্প্রতিক স্মার্ট চশমাগুলোতে ফ্রেমে ক্যামেরা ও অন্যান্য প্রযুক্তি যুক্ত থাকে। ব্যবহারকারী চশমায় স্পর্শ করেই ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে পারেন। ফলে প্রচলিত ক্যামেরা বা স্মার্টফোনের তুলনায় এটি অনেক বেশি স্বাভাবিক ও সহজে ব্যবহার করা যায়। আর এখানেই তৈরি হচ্ছে মূল বিতর্ক—কেউ কখন ভিডিও ধারণ করছেন, তা আশপাশের মানুষ সবসময় বুঝতে পারছেন কি - [রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে বিদেশি যোদ্ধারা, সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর গল্প](https://sarakhon.com/news/188667/): রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর হয়ে লড়তে গিয়ে বিদেশি নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি অংশ ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। যুদ্ধক্ষেত্রে বিপুলসংখ্যক মরদেহ, তীব্র গোলাবর্ষণ এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব নিয়ে তাদের বর্ণনায় উঠে এসেছে যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতা। বিদেশি নাগরিকদের রুশ বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়টি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিককে নানা ধরনের প্রলোভন, চাকরির প্রতিশ্রুতি বা অর্থনৈতিক সুবিধার কথা বলে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদের কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছেন। এ ধরনের বিদেশি নিয়োগপ্রাপ্তদের একজন যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে জানান, তিনি এত বেশি মরদেহ দেখেছিলেন যে প্রথমে সেগুলোকে পুতুল বা মানেকুইন মনে হয়েছিল। পরে বুঝতে পারেন, সেগুলো আসলে নিহত সেনাদের মরদেহ। - [ছুটির দিনেও পাসপোর্ট সেবা, স্বস্তি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের](https://sarakhon.com/news/188664/): মালয়েশিয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনি ও রোববার। বিশেষ করে রোববার ছুটি পান দেশটিতে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের বড় একটি অংশ। এমন ছুটির দিনে পাসপোর্টসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন জোহর বাহরু ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট ও ভিসা উইং এবং রাজনৈতিক সচিব তৃতীয়সহ সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল জোহর বাহরু ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দুই দিনব্যাপী মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করে। জোহর বাহরুর অগ্রণী রেমিটেন্স হাউসে আয়োজিত এই ক্যাম্পে প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবাসহ বিভিন্ন ধরনের কনস্যুলার সেবা দেওয়া হয়। ক্যাম্পে মোট ৩০০টি পাসপোর্টের নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়। একই সঙ্গে ৩৩২টি পাসপোর্ট - [চীনের বিরুদ্ধে ইরানকে সহায়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/188660/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে চীনা কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপগ্রহচিত্র সরবরাহের অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে বিষয়টি অনেকটা এড়িয়ে গেছেন। অভিযোগটি সামনে এসেছে এমন এক হামলাকে ঘিরে, যাতে গত জুলাইয়ে জর্ডানে তিন মার্কিন সেনা নিহত হন। রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আসন্ন বৈঠকে তিনি এ বিষয়টি তুলবেন কি না। তবে সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তৎপরতাকে একই ধরনের বলে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা মূলত আমরা যা করি, সেটাই করে।’ চীন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করে—এমন অভিযোগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, - [ব্রিকস নৈশভোজে শুধু নিরামিষ খাবার, ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/188657/): ২০২৬ সালের ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে ভারতে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে নৈশভোজের খাবারের তালিকা নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত সম্মেলনের জমকালো নৈশভোজে সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হয়। এরপর বিরোধী দলগুলোর নেতারা অভিযোগ করেন, ভারতের বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতির পুরো চিত্র এই আয়োজনে তুলে ধরা হয়নি। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এই নৈশভোজে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের খাবার দিয়ে সাজানো হয় বহু পদ। তবে তালিকায় কোনো মাংস, মুরগি, মাছ বা অন্য কোনো আমিষ খাবার রাখা হয়নি। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অবশ্য এই সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দলটির নেতাদের দাবি, বিদেশি অতিথিরা ভারতীয় নিরামিষ খাবারের স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং আঞ্চলিক বৈচিত্র্য উপভোগ করেছেন। নৈশভোজে কী - [ট্রাম্পের দাবি, এআই নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে ‘নেতিবাচক শক্তি’](https://sarakhon.com/news/188654/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ ছড়ানোর সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষায়, এআই নিয়ে এমন কিছু আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, যেগুলো বাস্তবে ঘটবে না। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এআই প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বে নেতৃত্ব ধরে রাখতে হবে। রোববার আয়ারল্যান্ডের ডুনবেগে নিজের গলফ কোর্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এআই শিল্পের উন্নয়ন ধীর করা বা এ খাতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা উচিত কি না—এমন প্রশ্নের মুখে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ট্রাম্প বলেন, এআই ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র চীনের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর দেশগুলোর একটি এবং তিনি এই অবস্থান ধরে রাখতে চান। - [আয়ারল্যান্ড এক হওয়ার পক্ষে আবারও ট্রাম্প, স্কটল্যান্ড নিয়ে এখনই কথা নয়](https://sarakhon.com/news/188650/): যুক্তরাজ্যের অংশ উত্তর আয়ারল্যান্ডকে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে একীভূত করার পক্ষে আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। রোববার আয়ারল্যান্ডের ডুনবেগে নিজের মালিকানাধীন একটি গলফ রিসোর্টে একটি গলফ প্রতিযোগিতায় যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রকে এক করার পক্ষে আগের দিনের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেন। ট্রাম্প বলেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড পাশাপাশি থাকা সত্ত্বেও আলাদা অবস্থায় রয়েছে—এটিকে তাঁর কাছে একসঙ্গে করে দেওয়ার বিষয়টি খুবই স্বাভাবিক বলে মনে হয়। এর মাধ্যমে তিনি শনিবার ডাবলিন সফরের সময় দেওয়া মন্তব্যের প্রতিই আবার সমর্থন জানান। এর আগে - [চীনের প্রতিরক্ষা ফোরামে নিরাপত্তার নতুন বার্তা, নজরে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান](https://sarakhon.com/news/188647/): আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই চীনের বার্ষিক প্রতিরক্ষা ফোরাম ‘শাংগশান ফোরাম’ শুরু হতে যাচ্ছে। তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন সাগর এবং এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে বেইজিং এই ফোরামকে বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিক ও বিশ্লেষকেরা। তিন দিনের এই ফোরাম মঙ্গলবার বেইজিংয়ে উদ্বোধন করার কথা চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দং জুনের। তিনি বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে পারেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উদ্দেশে পরোক্ষ সমালোচনাও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বের কয়েক ডজন দেশ থেকে শত শত সামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও গবেষক এতে অংশ নেবেন। সিঙ্গাপুরের শাংগ্রি-লা - [আফ্রিকার সামনে সুযোগ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দৌড়ে কি বদলাবে মহাদেশটির ভাগ্য?](https://sarakhon.com/news/188644/): বিশ্ব অর্থনীতি এখন এমন এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বা ‘ক্রিটিক্যাল মিনারেলস’ কৌশলগত সম্পদ হিসেবে ক্রমেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ সঞ্চয় ব্যবস্থা, আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন ধরনের উচ্চপ্রযুক্তির পণ্য তৈরিতে এসব খনিজের প্রয়োজন বাড়ছে। আর এই চাহিদার কারণে আফ্রিকার জন্য সামনে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ। আফ্রিকা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের একটি বড় ভাণ্ডার। মহাদেশটির বিভিন্ন দেশে তামা, কোবাল্ট, লিথিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, গ্রাফাইটসহ এমন অনেক খনিজ রয়েছে, যেগুলো ভবিষ্যতের শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইউরোপসহ বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলো আফ্রিকার খনিজ সম্পদের দিকে নতুন করে নজর দিচ্ছে। - [জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ, ইউক্রেনকে দায়ী করল রাশিয়া](https://sarakhon.com/news/188641/): রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ রোববার অভিযোগ করেছেন, ইউক্রেন শুক্রবার জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডিজেল সরবরাহকারী জ্বালানি বহনকারী ট্রাকে হামলা চালিয়েছে। এতে দুই রুশ সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। লিখাচেভের দাবি, ইউক্রেনীয় বাহিনী শুক্রবার জ্বালানি সরবরাহকারী ট্রাকগুলো লক্ষ্য করে ‘সমন্বিত হামলা’ চালায়। হামলাগুলো কেন্দ্রটির সীমানার খুব কাছাকাছি আঘাত হানে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নিহত ও আহত রুশ সেনারা কেন্দ্রটিতে বেসামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করছিলেন। জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে ছয়টি চুল্লি রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুদ্ধের শুরুর দিকেই রুশ বাহিনী কেন্দ্রটি দখলে - [এআই নিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে, চীনকে হারাতে নেতৃত্ব ধরে রাখতে চান ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/188638/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে অতিরঞ্জিত আশঙ্কা ছড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের আশঙ্কা তৈরি করছে কিছু ‘খুবই নেতিবাচক শক্তি’। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এআই প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাঁর মতে, ‘যে এআইয়ে জিতবে, সেই জিতবে।’ রোববার আয়ারল্যান্ডের ডুনবেগে নিজের গলফ কোর্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়, এআই শিল্পের বিকাশ ধীর করা বা এ খাতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা উচিত কি না। জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এআইয়ে চীনের চেয়ে এগিয়ে আছে এবং প্রযুক্তিগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ। তিনি এই অবস্থান ধরে রাখতে চান। ট্রাম্প বলেন, - [রাশিয়ার ডিজেল স্থাপনায় হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের আহ্বান](https://sarakhon.com/news/188635/): ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে রাশিয়ার ডিজেল জ্বালানি উৎপাদন ও অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে ডিজেলের সংকট তৈরি হচ্ছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। রোববার আয়ারল্যান্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, জেলেনস্কিকে একটি বিষয় করতে হবে—রাশিয়ার ডিজেল জ্বালানি উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধ করতে হবে। তাঁর ভাষায়, হামলার জন্য ইউক্রেনের সামনে আরও অনেক লক্ষ্য রয়েছে, কিন্তু ডিজেল জ্বালানির স্থাপনায় হামলা করা উচিত নয়। কারণ, এর প্রভাব শুধু রাশিয়ার ওপর সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং পুরো বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের - [হরমুজ নিয়ে কূটনীতিতে ভাটা, বৈঠক স্থগিত; তেল সরবরাহ নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/188632/): হরমুজ প্রণালি নিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের আশায় বড় ধাক্কা এসেছে। ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সোমবার ওমানে অনুষ্ঠেয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত হয়েছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুই তেল পরিবহনপথ ঘিরে নতুন করে হামলা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যিদ বদর আলবুসাইদি রোববার রাতে জানান, ‘ঐকমত্যের স্বার্থে’ সোমবারের আঞ্চলিক বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে। বৈঠকটিতে ইরান ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচল কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতার প্রস্তাব উপস্থাপন করার কথা ছিল ইরানের। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফারস জানায়, কয়েকটি - [ইন্দোনেশিয়ায় যাত্রীবাহী জাহাজ উল্টে নিখোঁজ ১২৯, উদ্ধার অভিযানে ৬২২ জন](https://sarakhon.com/news/188629/): ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে যাত্রীবাহী একটি জাহাজ উল্টে যাওয়ার পর এখনো ১২৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে ৬২২ জন উদ্ধারকর্মী এবং প্রায় ১২টি জাহাজ নিয়ে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছয়জনেই রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসারনাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘ভারগো ট্রান্সপোর্ট ৮’ নামের জাহাজটি রোববার ভোরে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নিখোঁজ হয়। জাহাজটিতে মোট ২৪৩ জন মানুষ ছিলেন। এখন পর্যন্ত ১০৮ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জাহাজটি পূর্ব জাভার সুরাবায়া থেকে দক্ষিণ কালিমান্তানের বানজারমাসিনের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে জাভা সাগরে প্রবল ঢেউয়ের মধ্যে এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বানজারমাসিন উদ্ধার সংস্থার প্রধান ই পুতু সুদায়ানা রয়টার্সকে বলেন, নিখোঁজদের - [সৌদি আরব ও হরমুজে নতুন হামলা, আবারও ১০৭ ডলার ছাড়াল তেলের দাম](https://sarakhon.com/news/188626/): সৌদি আরব ও পারস্য উপসাগরে নতুন করে হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এর প্রভাবে সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। সোমবার ২৩১৩ GMT-তে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২.৯০ ডলার বা ২.৭৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭.৫১ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২.২৭ ডলার বা ২.২৭ শতাংশ বেড়ে ১০২.৩২ ডলারে পৌঁছে। বাজার খোলার পরপরই উভয় ধরনের তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া, হুথিদের নতুন হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর বাড়তে থাকা - [ইয়েমেনের হুথি অগ্রযাত্রায় চাপে উপসাগরীয় দেশগুলো, ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ভাবনা](https://sarakhon.com/news/188623/): ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে হুথিদের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে নতুন পরিবর্তন এনেছে। ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের কাছে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করায় সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসা এখন তাদের জন্য কেবল কূটনৈতিক বিকল্প নয়, বরং নিজেদের স্বার্থ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছে কৌশলগত অবস্থান নিশ্চিত করার মাধ্যমে হুথিরা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর চাপ সৃষ্টির সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এর ফলে ইরান ও হুথিরা এখন উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথ—হরমুজ প্রণালী এবং বাব আল-মান্দেব—নিয়ে - [হুথিদের বিদ্যুৎগতির এগিয়ে চলা ইরান যুদ্ধে কী প্রভাব ফেলবে?](https://sarakhon.com/news/188620/): ইয়েমেনের উপকূলীয় সমতলভূমি তিহামাহর দক্ষিণাংশজুড়ে হুথিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা অধিকাংশ পর্যবেক্ষককেই বিস্মিত করেছে। সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স নামে পরিচিত হুথিবিরোধী জোট ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে উল্লেখযোগ্য এলাকা নিয়ন্ত্রণ করত। কয়েক দিনের মধ্যেই এর বড় অংশ হুথিদের দখলে চলে গেছে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ইরান-সমর্থিত বিদ্রোহীরা দেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপকূলরেখার প্রায় ১৩০ কিলোমিটার (৮১ মাইল) দখল করেছে। এটি কয়েক বছরের মধ্যে গোষ্ঠীটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সামরিক সাফল্য। ১২ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধ, সৌদি আরবের বিধ্বংসী বিমান হামলা এবং মার্কিন, ইসরায়েলি ও ব্রিটিশ বাহিনীর আক্রমণ সত্ত্বেও হুথিরা যে এখনও গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে টিকে আছে, সেটিই এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিপক্ষ যখন হতভম্ব ও মনোবলহীন, তখন অদূর ভবিষ্যতে - [ছাদ থেকে সৌর বিদ্যুৎ বাড়ানোর লক্ষ্য সফল হবে কীভাবে?](https://sarakhon.com/news/188617/): বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের অংশ হিসেবে বিএনপি সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নতুন ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়ানোর যে লক্ষ্য নিয়েছে, সেখানে ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছাদে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে গ্রাহকের কাছ থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সাড়ে দশ টাকা দরে কেনারও ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু ছাদে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা কতটা সফল হবে সেটি নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে এবং এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বাংলাদেশে। পহেলা সেপ্টেম্বর সরকারি এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ছাদে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে চাহিদার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দিতে পারলে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে - [ইনানীতে বিপন্ন মেঘলা চিতাসহ আরও যেসব প্রাণীর দেখা মিললো](https://sarakhon.com/news/188612/): কক্সবাজার শহর থেকে একটু দূরেই ইনানী জাতীয় উদ্যান। উপকূলীয় এলাকায় পাহাড় ঘেরা এই বনকে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই দেখা হয়। বিস্তীর্ণ এই বনাঞ্চলে সম্প্রতি এক গবেষণায় ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে। যেখানে রয়েছে মেঘলা চিতা আর উল্লুকের মতো চরম সংকটাপন্ন প্রাণীও। এই গবেষণায় ক্যামেরা ট্র্যাপ, লাইন ট্রানসেক্ট এবং পরোক্ষ চিহ্ন বা স্পটিং পদ্ধতির ব্যবহার করেছেন গবেষক বিপুল কৃষ্ণ দাস। তিনি বলছেন, কেবল স্তন্যপায়ী প্রাণীই নয়- বৃক্ষ এবং আশপাশের জনবসতি তথা ওই বনাঞ্চলের সমগ্র বাস্তুতন্ত্রের অবস্থাই গবেষণার মাধ্যমে দেখার চেষ্টা করেছেন তিনি। তার মতে, মানুষের নানা কর্মকাণ্ড প্রতিনিয়তই বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্যে বড়ো ধরনের প্রভাব ফেলছে। ফলে বাংলাদেশের বনাঞ্চল - [কানাঘুষোয় শোনা যায়, বিএনপি এসে গেছে](https://sarakhon.com/news/188601/): ভদ্রলোকের বয়স সত্তরোর্ধ্ব, স্ত্রীর বয়সও কাছাকাছি। রাতে উত্তরার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে ফিরছিলেন। হঠাৎ গাড়িতে তীব্র ঝাঁকুনিতে দুজনেই কোমরে ব্যথা পেলেন। তবে তার থেকে ভয় পেলেন বেশি। ভদ্রলোক একটু তারস্বরে ড্রাইভারকে বললেন, কী হলো? ড্রাইভার উত্তর দেয়, স্যার, রাস্তা ভাঙা। তা তুমি আস্তে চালাবে না। ড্রাইভার শান্ত স্বরে বলে, স্যার, মনে ছিল না, বিএনপি এসেছে। ভদ্রলোক একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, বিএনপি এসেছে মানে? বিএনপি তো ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরেই এসেছে। তুমি এই ছয় মাস পরে এখন এসে কী বলছ, বিএনপি এসেছে। ড্রাইভার আবারও শান্ত স্বরে উত্তর দেয়, স্যার, দীর্ঘদিন ধরে অভ্যাস খারাপ হয়ে গেছে। রাস্তাঘাট ভাঙা চোরা ছিল না। তাই বিএনপি আমলের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। এখন থেকে রাস্তাঘাট দেখে শুনে চলব। - [ডাকসু আর্কাইভে জিন্নাহর ছবি, প্রতিবাদ ছাত্রদলের](https://sarakhon.com/news/188603/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের ঐতিহাসিক আর্কাইভে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ১৯৪৮ সালের একটি ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি বলেছে, ডাকসুর আর্কাইভে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি অবমাননা। ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে ছাত্রদল অভিযোগ করে, ‘শিবির নিয়ন্ত্রিত ডাকসু কাউন্সিল’ শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপেক্ষা করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এর মধ্যে মধুর ক্যান্টিনের নাম পরিবর্তন করে ‘ইশরাত মঞ্জিল’ করার চেষ্টা এবং ডাকসুর ঐতিহাসিক আর্কাইভে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটির দাবি, বর্তমান - [জলবায়ু ন্যায়ের সংকটে নেপাল: এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার নতুন পথ](https://sarakhon.com/news/188577/): শিল্পবিপ্লবের পর দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে পৃথিবীর অর্থনীতি, শিল্প ও প্রযুক্তি দ্রুত এগিয়েছে। কিন্তু এই অগ্রগতির সবচেয়ে বড় মূল্য কে দিচ্ছে—এই প্রশ্ন এখন আর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী দেশগুলোর সঙ্গে জলবায়ু বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকা এক নয়। এখানেই তৈরি হয়েছে জলবায়ু অবিচারের সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতা। বার্ষিক কার্বন নিঃসরণে চীন বিশ্বের শীর্ষে, এরপর যুক্তরাষ্ট্র। ভারত, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও বড় নির্গমনকারী। কিন্তু শিল্পবিপ্লবের সময় থেকে মোট নিঃসরণের হিসাব করলে শিল্পোন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায় আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অথচ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অভিঘাত সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে এমন অনেক দেশ, যাদের বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে অবদান - [জলবায়ু অর্থায়নের বড় অঙ্কে গ্রামীণ নারীর হিসাব কোথায়?](https://sarakhon.com/news/188536/): জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দক্ষিণ আফ্রিকা বছরে বিপুল অর্থ সংগ্রহ ও বিনিয়োগ করছে। কিন্তু জলবায়ু অর্থায়নের এই বড় অঙ্কের হিসাবের ভেতর এমন এক বাস্তবতা প্রায়ই অনুপস্থিত—গ্রামীণ নারীরা নিজেরাই প্রতিদিন যে জলবায়ু অভিযোজনের কাজ করে চলেছেন, তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূল্য। পানি শুকিয়ে গেলে কারা বিকল্প উৎস খোঁজেন? ফসল নষ্ট হলে কারা পরিবারের খাবারের ব্যবস্থা বদলান? বন্যা বা খরায় জীবিকা বিপন্ন হলে কারা নতুন আয়ের পথ খুঁজে নেন? অনেক গ্রামীণ এলাকায় এসব প্রশ্নের উত্তর প্রায়ই নারী। আনুষ্ঠানিক জলবায়ু সহায়তা পৌঁছানোর আগেই তাঁরা সংকট সামাল দেওয়ার কাজ শুরু করেন। তবু জলবায়ু অর্থায়নের প্রচলিত কাঠামো তাঁদের সেই ভূমিকা অনুযায়ী অর্থ বা স্বীকৃতি দেয় না। সমস্যা - [নেপালের আবহাওয়া বিপর্যয়: ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টির হিসাব কেন ভয়ংকর বিভ্রান্তি তৈরি করছে](https://sarakhon.com/news/188431/): নেপালের সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধস আবারও দেখিয়ে দিল, আবহাওয়াকে কেবল একটি জাতীয় গড় হিসাব দিয়ে বোঝার চেষ্টা কতটা বিপজ্জনক হতে পারে। হিমালয়ের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি এবং সীমান্তপারের নদী—সবকিছু মিলিয়ে নেপালের দুর্যোগ পূর্বাভাসের বাস্তবতা অত্যন্ত জটিল। রাশুয়া এলাকায় নেপাল-চীন সীমান্তে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার প্রাথমিক বিশ্লেষণে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভূমিধস, নদীর গতিপথ আটকে যাওয়া কিংবা হিমবাহের কোনো অংশ ধসে পড়ার মতো সম্ভাব্য কারণ সামনে এসেছে। অর্থাৎ, শুধু আকাশে কতটা মেঘ আছে বা মৌসুমি বৃষ্টিপাতের গড় কত—তা দিয়ে এমন দুর্যোগের পূর্ণ চিত্র পাওয়া সম্ভব নয়। হিমালয়ের বাস্তবতা গড় সংখ্যায় ধরা পড়ে না নেপাল পৃথিবীর সবচেয়ে নবীন ও ভূতাত্ত্বিকভাবে অস্থিতিশীল পর্বতমালার অংশ। - [যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা, এআই সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা—আলোচনায় সাত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়](https://sarakhon.com/news/188597/): যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির নানা ইস্যুতে নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কখনো চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, কখনো মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চীন-সম্পর্কিত গবেষণা নিয়ে তদন্ত, আবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতার আহ্বান—সব মিলিয়ে ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের পরিসর আরও জটিল হচ্ছে। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহের আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে সাতটি বিষয় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। চীন-সম্পর্ক নিয়ে ৩০ মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরীক্ষা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩০টি মার্কিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিদেশি গবেষণা-সম্পর্ক পর্যালোচনা বা নিরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের বিদেশি গবেষণা অংশীদারিত্বের ধরন ও সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হবে। - [পুরোনো দিনের রেশ মুছে আবারও ফ্যাশনের কেন্দ্রে রেশমি স্কার্ফ](https://sarakhon.com/news/188587/): একসময় রেশমি স্কার্ফ মানেই ছিল পুরোনো দিনের আলমারিতে যত্ন করে তুলে রাখা কোনো স্মৃতিচিহ্ন। নানির পোশাকের সঙ্গে মানানসই সেই স্কার্ফকে অনেকেই আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে দেখলেও আধুনিক পোশাকে এর ব্যবহার যেন ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের শরৎ মৌসুমে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। রেশমি স্কার্ফ আবারও নতুন রূপে ফিরছে ফ্যাশনের মঞ্চে। পুরোনো স্মৃতি থেকে নতুন আকর্ষণ রেশমি স্কার্ফের সঙ্গে একদিকে যেমন পুরোনো দিনের সৌন্দর্যের সম্পর্ক রয়েছে, অন্যদিকে এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে চলচ্চিত্র ও জনপ্রিয় সংস্কৃতির নানা স্মৃতি। একসময় গ্রেস কেলির সমুদ্রতীরের পরিশীলিত সাজে স্কার্ফ ছিল অনিবার্য অনুষঙ্গ। দীর্ঘদিন তাই রেশমি স্কার্ফকে আধুনিকতার চেয়ে অতীতের ফ্যাশনের প্রতীক হিসেবেই দেখা হয়েছে। এবার স্কার্ফই হয়ে - [গ্রীষ্মজুড়ে নজর কেড়েছে রঙিন গ্রাফিক টি-শার্ট, বদলে গেছে ফ্যাশনের ধারা](https://sarakhon.com/news/188591/): ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে পোশাকের দুনিয়ায় যেন বদলের হাওয়া লেগেছে। দীর্ঘদিনের সংযত, নিরপেক্ষ ও ‘নীরব বিলাসিতা’নির্ভর পোশাকের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে এবার মানুষ ঝুঁকেছে উজ্জ্বল রং, মজার নকশা এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এমন পোশাকের দিকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে গ্রাফিক টি-শার্ট। সাদামাটা পোশাকের দিন কি শেষ? একসময় পরিমিত রং, নিখুঁত কাট ও খুব বেশি নজর না-কাড়া পোশাকই ছিল আধুনিক আভিজাত্যের প্রতীক। কিন্তু ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে সেই ধারণায় বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। উজ্জ্বল মৌলিক রং, অপ্রত্যাশিত রঙের সমন্বয় এবং খেলাচ্ছলে তৈরি পোশাক তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে তারকাদের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়েছে। বিশেষ করে গ্রাফিক টি-শার্ট হয়ে উঠেছে সহজে ব্যক্তিত্ব প্রকাশের একটি - [টোকিওর বসন্ত ২০২৭: ইয়োশিওকুবোর পোশাকে নতুন জাপানি নান্দনিকতার ছোঁয়া](https://sarakhon.com/news/188586/): টোকিওর বসন্ত ২০২৭-এর ফ্যাশন মঞ্চে ইয়োশিওকুবো নিয়ে এসেছে এমন এক পোশাকভাষা, যেখানে আধুনিক নগরজীবন, জাপানি নকশার ঐতিহ্য এবং পরীক্ষাধর্মী কাটিং একসঙ্গে মিলেছে। সংগ্রহটির প্রতিটি পোশাকে দেখা যায় নির্মাণশৈলী, স্তরবিন্যাস ও অনুপাত নিয়ে সাহসী পরীক্ষা। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ইয়োশিওকুবোর নকশায় জাপানি পোশাকের পরিচিত কাঠামোকে সমকালীন রূপ দেওয়া হয়েছে। ঢিলেঢালা অবয়ব, অসম নকশা, পরতের ব্যবহার এবং শরীরের সঙ্গে পোশাকের দূরত্ব তৈরি করে দেওয়া কাটিং সংগ্রহটিকে দিয়েছে আলাদা চরিত্র। পোশাকগুলোতে একই সঙ্গে স্বচ্ছন্দতা ও দৃঢ়তার অনুভূতি তৈরি হয়েছে। কোথাও প্রশস্ত গড়ন, কোথাও শরীরঘেঁষা নির্মাণ—এই বৈপরীত্য পুরো সংগ্রহে গতিশীলতা এনেছে। কাটিংয়ে পরীক্ষাধর্মী ভাবনা এই সংগ্রহের অন্যতম আকর্ষণ হলো পোশাক তৈরির কাঠামো। সাধারণ শার্ট, জ্যাকেট - [টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে কী ঘটেছিল, প্রকাশ করলে অবাক হবেন: তামিম](https://sarakhon.com/news/188550/): ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে সে সময়ের পর্দার আড়ালের ঘটনাগুলো প্রকাশ করা হলে অনেকেই বিস্মিত হবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। তবে সংশ্লিষ্ট আলোচনার গোপনীয়তা ও নিজের বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের কথা বিবেচনা করে সেসব বিষয় প্রকাশ করতে চান না তিনি। সম্প্রতি ক্রীড়া পডকাস্ট ‘নট আউট নোমান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন তামিম। পর্দার আড়ালে কী ঘটেছিল স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি জানান, ওই সময় বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনায় অনেক কিছু বলা ও করা হয়েছিল। তবে সেসব বিষয় এখন প্রকাশ করা সমীচীন হবে না বলে মনে করেন তিনি। - [আওয়ামী লীগকে সংসদ নির্বাচন থেকে ‘মাইনাস’ করার অভিযোগ আইপিইউতে](https://sarakhon.com/news/188574/): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগকে ‘মাইনাস’ বা দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের কাছে অভিযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসা আইপিইউ প্রতিনিধি দলের কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বিষয়টি সামনে এসেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আইপিইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তখনই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংস্থাটির কাছে অভিযোগ দেওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে আসে। আওয়ামী লীগের অভিযোগ ব্রিফিংয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য আকতার হোসেন আইপিইউ প্রতিনিধি দলের বরাত দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় আইপিইউর কাছে দেশে সংসদীয় - [‘স্বাস্থ্যকর’ ভাবা জাইলিটলেই হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি? গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য](https://sarakhon.com/news/188571/): চিনি এড়াতে অনেকেই জাইলিটলকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে বেছে নেন। চিনি নেই, ক্যালরি কম এবং রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের মাত্রায় তুলনামূলক কম প্রভাব ফেলে—এমন বৈশিষ্ট্যের কারণে চিনি ছাড়া পানীয়, খাবার, বেকারি পণ্য, চুইংগাম, টুথপেস্ট ও মুখ পরিষ্কারের তরলে এর ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু নতুন এক গবেষণায় জাইলিটলের সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক এবং মৃত্যুঝুঁকির সম্ভাব্য সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। ছয় বছরে ঝুঁকি ৫৭ শতাংশ বেশি জার্মানির গবেষকেরা কানাডা ও যুক্তরাজ্যের দুটি দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। এতে মোট ১৭ হাজার ৭১০ জন অংশ নেন। গবেষণায় দেখা যায়, যাদের রক্তে জাইলিটলের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল, তাদের হৃদ্‌রোগজনিত গুরুতর ঘটনার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। এসব - [ভোটেকোশি আকস্মিক বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪,২৪৭; উদ্ধার ১০,৫৪১](https://sarakhon.com/news/188568/): নেপালের ভোটেকোশি এলাকায় গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ঘটনায় প্রাণহানি বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২৪৭ জন। দুর্গত এলাকা থেকে এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৫৪১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে বন্যায় হতাহত ও উদ্ধার পরিস্থিতির সর্বশেষ এই হিসাব পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ২৫২ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। আকস্মিক বন্যায় আহত হয়েছেন ২৬৭ জন। তাদের মধ্যে ১৫৬ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। দুর্গত এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে ছয়টি অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসা দল কাজ করছে। উদ্ধার তৎপরতায় ২০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ভোটেকোশি আকস্মিক - [অসুস্থ হওয়ার সামর্থ্যও নেই: চিকিৎসার খরচে আফগান পরিবারের নিঃস্ব হওয়ার গল্প](https://sarakhon.com/news/188563/): আফগানিস্তানে অসুস্থতা শুধু শারীরিক কষ্টের নাম নয়, অনেক পরিবারের জন্য এটি হয়ে ওঠে ভয়াবহ আর্থিক সংকট। চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে মানুষকে কখনো চিকিৎসা পিছিয়ে দিতে হয়, কখনো কম খরচের বিকল্প খুঁজতে হয়। কেউ ছুটছেন কবিরাজের কাছে, কেউ ভেষজ ওষুধে ভরসা করছেন, আবার কেউ যাচ্ছেন অলৌকিক নিরাময়ের আশায় পবিত্র মাজারে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন অস্ত্রোপচারই হয়ে ওঠে একমাত্র পথ—কিন্তু সেই পথের মূল্যও অনেকের সামর্থ্যের বাইরে। দীর্ঘদিনের ব্যথা, সামনে বিপুল খরচ কাবুলের ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে কোমরের ব্যথায় ভুগছিলেন। প্রথম দিকে ব্যথা সহনীয় ছিল। ব্যায়াম ও ব্যথানাশক ওষুধে তিনি কাজ চালিয়ে নিচ্ছিলেন। - [চাকরি পেতে নেটওয়ার্কিংয়ে যে ভুলগুলো আপনাকে সবার অপছন্দের করে তুলতে পারে](https://sarakhon.com/news/188565/): চাকরির বাজার যখন প্রতিযোগিতাপূর্ণ, তখন শুধু ভালো জীবনবৃত্তান্ত বা দক্ষতা থাকলেই সব সময় কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাওয়া যায় না। পেশাগত পরিচিতি ও সম্পর্কও অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করতে গিয়ে কিছু ভুল উল্টো আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। কর্মজীবন বিশেষজ্ঞদের মতে, নেটওয়ার্কিংয়ের সবচেয়ে বড় ভুল হলো এটিকে শুধু নিজের প্রয়োজন পূরণের মাধ্যম হিসেবে দেখা। চাকরি দরকার হলেই পুরোনো পরিচিতদের খোঁজ করা, সবার কাছে একই ধরনের বার্তা পাঠানো কিংবা নিজের কথাই শুধু বলে যাওয়া—এসব আচরণ মানুষকে বিরক্ত করতে পারে। একই বার্তা সবাইকে পাঠাবেন না পেশাগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে একই ধরনের ছকে বাঁধা বার্তা পাঠানো এড়িয়ে চলা উচিত। যাকে - [ডেঙ্গুতে চলতি বছর মৃত্যু ৯৭, হাসপাতালে নতুন ১১৬৩ রোগী](https://sarakhon.com/news/188554/): দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এসব মৃত্যু ও নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য পাওয়া গেছে। সর্বশেষ চারজনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭ জনে। ঢাকা ও ময়মনসিংহে মৃত্যু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন করে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হওয়ার সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে - [প্রিপেইড মিটারে ‘ঘোস্ট বিল’ নেই, দীর্ঘ টোকেনের কারণ জানাল ডিপিডিসি](https://sarakhon.com/news/188557/): ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) প্রিপেইড মিটারে অস্বাভাবিক টাকা কেটে নেওয়া, কথিত ‘ঘোস্ট বিল’, অস্বাভাবিক সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ট্যারিফ পরিবর্তনের পর দীর্ঘ টোকেন তৈরি হওয়া নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বেগের ব্যাখ্যা দিয়েছে। এসব বিষয়ে ভোগান্তিতে পড়লে গ্রাহকদের ডিপিডিসির গ্রাহকসেবা কেন্দ্র অথবা ১৬১১৬ নম্বরে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। প্রিপেইড মিটারে কী কী চার্জ কাটা হয় ডিপিডিসি জানিয়েছে, অনুমোদিত লোডের বিপরীতে মাসে একবার ডিমান্ড চার্জ কাটা হয়। কোনো মাসে গ্রাহক রিচার্জ না করলে সেই মাসগুলোর বকেয়া ডিমান্ড চার্জ এবং বর্তমান মাসের চার্জ পরবর্তী রিচার্জের সময় একসঙ্গে কেটে নেওয়া হয়। পোস্টপেইড গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও ডিমান্ড চার্জ প্রযোজ্য। মিটার ভাড়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। - [সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানত ফেরত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে, একবারে তোলা যাবে পুরো মূলধন](https://sarakhon.com/news/188551/): সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যক্তিগত আমানতকারীরা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের জমা মূলধন ফেরত তুলতে পারবেন। গ্রাহক চাইলে একবারে পুরো মূলধন উত্তোলন বা ভাঙাতে পারবেন। তবে উত্তোলন করা অর্থের ওপর কোনো মুনাফা দেওয়া হবে না। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এ প্রক্রিয়ার জন্য মঙ্গলবার থেকে শাখাগুলোতে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের প্রস্তুতি হিসেবে প্রধান কার্যালয় থেকে সব বিভাগীয় প্রধান, অঞ্চলপ্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় সই করেছেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালন কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়কারী এ এফ সাব্বির আহমেদ। প্রস্তুতি শেষ করতে বাড়তি সময় বাংলাদেশ ব্যাংক এর আগে জানিয়েছিল, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তিগত গ্রাহকদের জন্য - [মেলোনির হাতে ইতালির দীর্ঘতম সরকার, তবে স্থিতিশীলতার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/188530/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালির সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সরকার পরিচালনার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য পরিচিত দেশটিতে মেলোনির নেতৃত্বাধীন জোট টানা চার বছর ক্ষমতায় থাকার মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বার্লুসকোনির ১ হাজার ৪১২ দিনের রেকর্ড পেরিয়ে যাবে। ২০২২ সালের অক্টোবরে ক্ষমতায় আসার পর মেলোনি তার আগের জনতুষ্টিবাদী অবস্থানের অনেকটাই বদলে বাস্তববাদী নীতি গ্রহণ করেছেন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর একটি সমাবেশের মাধ্যমে এই সাফল্য উদযাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে তার। চার বছরে বদলেছে ইতালির রাজনৈতিক চিত্র গত ৮০ বছরে ইতালিতে ৬৮টি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। সেই তুলনায় মেলোনির সরকার টানা চার বছর টিকে থাকা দেশটির রাজনীতিতে ব্যতিক্রমী ঘটনা। একই সময়ে ফ্রান্সে ২০২২ সালের - [দারিদ্র্যের চাপে দিশেহারা আফগান পরিবার, টিকে থাকার লড়াইয়ে বিক্রি হচ্ছে ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/188513/): আফগানিস্তানে ২০২১ সালে তালেবান শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর দেশটির অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। অর্থনৈতিক সংকোচনের পর সামান্য ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ দেখা গেলেও মানুষের মাথাপিছু আয় কমছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে এবং লাখ লাখ পরিবার ক্রমেই গভীর দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির সবচেয়ে কঠিন বোঝা বহন করছেন নারী ও শিশুরা। সঞ্চয় শেষ, সম্পদ বিক্রি দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র দেখলে বোঝা যায়, দারিদ্র্য শুধু আয় কমে যাওয়ার বিষয় নয়। একটি পরিবার সংকটে পড়লে প্রথমে তারা নিজেদের সঞ্চয় ব্যবহার করে। এরপর প্রয়োজন হলে জমি, গবাদিপশু, গৃহস্থালির সামগ্রী কিংবা অন্য সম্পদ বিক্রি করে দেয়। যাদের আগে ভালো চাকরি, কিছু সঞ্চয় ও সম্পদ - [সুমাকের ঘ্রাণে মিষ্টি আলুর দারুণ পদ, সঙ্গে সবুজ তাহিনি সস](https://sarakhon.com/news/188542/): মিষ্টি আলু দিয়ে একই ধরনের রান্না খেতে খেতে যারা একটু ভিন্ন স্বাদের সন্ধান করছেন, তাদের জন্য হতে পারে এই দারুণ পদ। মিষ্টি আলুর স্বাভাবিক মিষ্টতা, সুমাকের হালকা টক-মশলাদার স্বাদ, তাহিনির মসৃণ ঘ্রাণ আর ডালিমের রসালো টক-মিষ্টি স্বাদ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় রঙিন ও মুখরোচক এক আয়োজন। এই রান্নার আরেকটি সুবিধা হলো, এটি পরিবেশনের সময় একেবারে গরম থাকতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেও এর স্বাদ বেশ উপভোগ্য। ফলে অতিথি আপ্যায়নের আগে কিংবা একসঙ্গে অনেক রান্না করার ব্যস্ততায় এটি কিছুটা আগেই তৈরি করে রাখা যায়। যা লাগবে ৮০০ গ্রাম মিষ্টি আলু ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে লম্বালম্বিভাবে অর্ধেক করে নিতে হবে। বড় আকারের - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাজনিত সাইবার ঝুঁকিই বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতার সবচেয়ে বড় তাৎক্ষণিক হুমকি](https://sarakhon.com/news/188539/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতি বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার জন্য নতুন ধরনের সাইবার ঝুঁকি তৈরি করছে। এই ঝুঁকিকেই বর্তমানে আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থিতিশীলতার সবচেয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ হিসেবে দেখছে আর্থিক স্থিতিশীলতা বোর্ড। সংস্থাটির চেয়ারম্যান অ্যান্ড্রু বেইলি সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাইবার হামলার গতি, ব্যাপকতা এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। আর্থিক ব্যবস্থায় বাড়ছে উদ্বেগ জি-২০ জোটের অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বেইলি বলেন, অনেক দেশ এখনো উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি। ফলে প্রযুক্তিটির দ্রুত বিস্তার আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বেইলি একই সঙ্গে ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর - [জাকারবার্গের ‘জনগণের জন্য এআই’ গল্পে কেন আস্থা রাখা কঠিন](https://sarakhon.com/news/188428/): মার্ক জাকারবার্গের সাম্প্রতিক দীর্ঘ প্রবন্ধটি পড়লে মনে হতে পারে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে মেটা এবার যেন সাধারণ মানুষের পক্ষেই দাঁড়িয়েছে। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রীয় দাবি—মেটার তৈরি ‘পার্সোনাল সুপারইন্টেলিজেন্স’ মূলত ব্যক্তি মানুষের জন্য কাজ করবে, ব্যবসা বা সরকারকেন্দ্রিক এআই ব্যবস্থার বিকল্প তৈরি করবে এবং প্রযুক্তির ক্ষমতা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়া ঠেকাবে। শুনতে আকর্ষণীয়। কিন্তু মেটার অতীত, বর্তমান ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং এআই নিয়ে জাকারবার্গের অবস্থানের বারবার পরিবর্তন বিবেচনায় নিলে এই আত্মপ্রচারের প্রতি সংশয় তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। এআই নিয়ে জাকারবার্গের অবস্থান কতটা স্থির? মেটা ওপেন না ক্লোজড এআই মডেলের পক্ষে—এই প্রশ্নে জাকারবার্গের অবস্থান একাধিকবার বদলেছে। এখন চীনা ওপেন-ওয়েট মডেলগুলোর দ্রুত অগ্রগতি এবং তুলনামূলক কম - [এআইয়ের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে নিজস্ব গ্যাস টারবাইনের যন্ত্রাংশ তৈরি করবে স্পেসএক্স](https://sarakhon.com/news/188533/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। বিশাল তথ্যকেন্দ্রগুলো চালাতে প্রয়োজন হচ্ছে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে এবার নিজেদের গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ নিজেরাই তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। ১৮ মাস পর্যন্ত সময় কমানোর লক্ষ্য ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, স্পেসএক্স নিজস্ব কারখানায় গ্যাস টারবাইনের ব্লেড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ তৈরি করবে। তাঁর দাবি, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই এসব যন্ত্রাংশ ঢালাই ও উৎপাদন করা গেলে গ্যাস টারবাইন চালু করার সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাস পর্যন্ত কমানো সম্ভব হতে পারে। মাস্কের ভাষায়, এই উদ্যোগ বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। কারণ বর্তমানে - [আফগানিস্তানের সংকটের বহুমাত্রিক চিত্র: দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ](https://sarakhon.com/news/188529/): আফগানিস্তানের বর্তমান বাস্তবতা শুধু অর্থনৈতিক সংকটের গল্প নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নারীর অধিকার, খাদ্যনিরাপত্তা, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সাধারণ মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর দেশটির অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও সেই পুনরুদ্ধারের সুফল সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি। অর্থনীতি ঘুরলেও মানুষের জীবন সহজ হয়নি ২০২১ সালে প্রজাতন্ত্র সরকারের পতনের পর আফগান অর্থনীতিতে ভয়াবহ ধস নামে। পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিছুটা পুনরুদ্ধার হলেও মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার প্রবণতা, কর্মসংস্থানের সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বহু পরিবার এখনো গভীর চাপের মধ্যে রয়েছে। একসময় স্বচ্ছলভাবে চলা পরিবারগুলোও এখন খাবার, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বাসস্থানের মতো - [ইরান থেকে পালানো দুই নারীসহ প্রায় ২৪ জনকে মধ্য আফ্রিকায় পাঠাতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন](https://sarakhon.com/news/188522/): যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের অন্তত দুই নারীসহ প্রায় দুই ডজন অভিবাসীকে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে আফগানিস্তান ও সিরিয়ার এমন অভিবাসীরাও রয়েছেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন। মধ্য আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো এমন তৃতীয় দেশে নির্বাসন যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সম্প্রতি তৃতীয় দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসনের বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় এই প্রথম এত বড় সংখ্যায় নির্বাসিত ব্যক্তিদের মধ্য আফ্রিকায় পাঠানো হতে পারে। দারিদ্র্য, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে জর্জরিত দেশটি বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও দেশটিতে কোনো কারণেই ভ্রমণ না করার জন্য নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে। নির্যাতনের - [মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সোনার খনিতে ভয়াবহ ধস, প্রাণ গেল ৪৯ জনের](https://sarakhon.com/news/188515/): মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধসে মাটির নিচে থাকা শ্রমিকরা চাপা পড়েন। দুর্ঘটনার নতুন প্রকাশিত ভিডিওতে হঠাৎ করে খনির মাটি ধসে পড়ার ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেছে। মুহূর্তেই মাটির নিচে চাপা শ্রমিকরা গত ১৮ আগস্ট দেশটির নানা-মামবেরে অঞ্চলের জামবোয়ে এলাকায় একটি ছোট পরিসরের সোনার খনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, হঠাৎ করে মাটি সরে গিয়ে আশপাশে থাকা মানুষ ও খনির অংশবিশেষ ধসে পড়া মাটির নিচে চলে যাচ্ছে। দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে থাকা ফ্রেডি মেচুবাতচু কাছ থেকেই ধসের দৃশ্য ধারণ করেন। খনিটি ক্যামেরুন সীমান্তের কাছে বাবুয়া শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে - [মার্কিন প্রযুক্তির ওপর ইউক্রেনের ড্রোন যুদ্ধের গভীর নির্ভরতা, বাড়ছে উদ্বেগ](https://sarakhon.com/news/188517/): ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা রাশিয়ার ভেতরে যুদ্ধের প্রভাব ক্রমেই বাড়িয়ে তুলছে। জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ বিপর্যয়, গুদাম ধ্বংস এবং সরবরাহব্যবস্থায় বাধার মাধ্যমে রুশ অর্থনীতি ও সামরিক লজিস্টিকসের ওপর চাপ তৈরি করছে কিয়েভ। তবে এই সাফল্যের আড়ালে তৈরি হয়েছে একটি বড় দুর্বলতা—ইউক্রেনের ড্রোন অভিযান ক্রমেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। ড্রোন অভিযানের মেরুদণ্ডে স্টারলিংক ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের স্টারলিংক ব্যবস্থা এখন ইউক্রেনের বহু ড্রোন অভিযানের যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে ড্রোন পরিচালনাকারীরা দীর্ঘ সময় সরাসরি ভিডিও সংযোগ বজায় রাখতে পারেন, লক্ষ্যবস্তুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং আঘাতের ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত ড্রোনের গতিপথ সংশোধন করতে - [ভেনেজুয়েলার তেল পেলেই কমবে না যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানির দাম, বলছেন বিশ্লেষকেরা](https://sarakhon.com/news/188497/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ দেশটির তেলের মজুত ও সরবরাহ বাড়াবে এবং এর ফলে ভবিষ্যতে সাধারণ আমেরিকানদের জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। তবে জ্বালানি বাজারের বিশ্লেষকেরা এই দাবির সঙ্গে একমত নন। ট্রাম্পের দাবি কতটা বাস্তবসম্মত ট্রাম্প শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি তেলের ওপর সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে। তাঁর দাবি, এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত দ্বিগুণেরও বেশি হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির দাম কমে আসবে। এরপর রোববার তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার তেলের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত জাতীয় তেল মজুত পূরণ করতেও ব্যবহার করা হবে। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত - [মার্কিন গোয়েন্দা-ঘনিষ্ঠ বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জার্মান ড্রোন কোম্পানির উত্থান](https://sarakhon.com/news/188465/): জার্মানির শীর্ষস্থানীয় ড্রোন নির্মাতা কোয়ান্টাম সিস্টেমস যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্রুত প্রবেশের ক্ষেত্রে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইন-কিউ-টেলের সহায়তা পেয়েছে। কোম্পানিটির সহপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সভেন ক্রুকের বক্তব্যে প্রথমবারের মতো এই সহযোগিতার বিস্তারিত প্রকাশ পেয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার দরজা খুলে দেয় বিনিয়োগ ক্রুক জানিয়েছেন, ইন-কিউ-টেলসহ কয়েকজন মার্কিন বিনিয়োগকারী কোয়ান্টাম সিস্টেমসকে ওয়াশিংটনে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ তৈরি করতে সহায়তা করেন। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার সঙ্গে কাজ পাওয়ার সুযোগ পায়। ক্রুকের ভাষায়, এই বিনিয়োগকারীদের যোগাযোগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা শুরু করা তুলনামূলক সহজ হয়েছিল। বিশেষ করে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কোয়ান্টাম - [গরমে বিপদ বাড়াতে পারে যেসব বহুল ব্যবহৃত ওষুধ](https://sarakhon.com/news/188504/): তীব্র গরমে শুধু শরীরের বাইরের তাপমাত্রাই নয়, কিছু বহুল ব্যবহৃত ওষুধও মানুষের শরীরকে অতিরিক্ত গরম, পানিশূন্যতা ও তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। বিষণ্নতা, উদ্বেগ, মনোযোগের ঘাটতি, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কয়েক ধরনের ওষুধ শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন ও তীব্র হয়ে উঠছে। ফলে যারা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও একাধিক ওষুধ গ্রহণকারীদের গরমের সময় বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিষণ্নতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওষুধে ঝুঁকি বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও দ্বিমেরু মানসিক সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধ মস্তিষ্কের তাপ নিয়ন্ত্রণকারী অংশের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। - [রুশ বাহিনী এগিয়ে আসছে, ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইউক্রেনের আরেক শহর](https://sarakhon.com/news/188498/): পোড়া গাড়ি, ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ আর জনশূন্য রাস্তাজুড়ে যুদ্ধের ক্ষত। দূর থেকে ভেসে আসছে গোলন্দাজ হামলার শব্দ, আর আকাশে শোনা যাচ্ছে আক্রমণকারী চালকবিহীন বিমানের তীক্ষ্ণ গুঞ্জন। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দ্রুজকিভকার বর্তমান বাস্তবতা এখন এমনই। রুশ বাহিনী শহরটির মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ধীরে ধীরে তারা আরও কাছে এগিয়ে আসছে। ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যেও হাতে গোনা কয়েকজন বেসামরিক মানুষ শহরটিতে রয়ে গেছেন। তাদের জীবন এখন প্রতিদিনই ঝুঁকির মধ্যে। ধ্বংসের দীর্ঘ রেখা দ্রুজকিভকার চিত্র ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যুদ্ধসীমার বিস্তৃত বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। রুশ বাহিনী যত এগিয়ে আসছে, ততই আবাসিক ভবন, বাজার, দোকান ও জনপদ ধ্বংস হয়ে - [৭ কোটি বছরের পুরোনো ‘হাঙরের কবরস্থান’ আবিষ্কার মিশরের পশ্চিম মরুভূমিতে](https://sarakhon.com/news/188492/): মিশরের পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমির আবু তারতুর মালভূমিতে প্রায় ৭ কোটি বছরের পুরোনো একটি সমৃদ্ধ হাঙরের জীবাশ্মভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছেন কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। গবেষকদের ভাষায়, এটি একটি ‘হাঙরের কবরস্থান’, যা ক্রিটেশিয়াস যুগের শেষভাগে ওই অঞ্চলজুড়ে থাকা উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট গবেষণা থেকে আন্তর্জাতিক প্রকল্প এই আবিষ্কারের সূত্রপাত একটি স্নাতক পর্যায়ের ভূতত্ত্ব প্রকল্প থেকে। মিশরের ফসফেট কোম্পানির ভূতত্ত্ববিদ এল-হুসেইন ইব্রাহিম কিছু শিলার নমুনা কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্টিব্রেট প্যালিওন্টোলজি ল্যাবরেটরিতে নিয়ে আসেন। পরে ভূতত্ত্বের শিক্ষার্থী তারেক ইয়াসিন ওই নমুনা নিয়ে স্নাতক প্রকল্প শুরু করেন। প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদেল-গাওয়াদ। আবু তারতুরে পরবর্তী মাঠপর্যায়ের গবেষণায় আরও নমুনা সংগ্রহ এবং - [উত্তর সাইপ্রাসে ফেরি দুর্ঘটনা: মায়ের হাত ফসকে হারিয়ে গেল ১২ বছরের মেয়ে, নিখোঁজ আরও এক সন্তান](https://sarakhon.com/news/188491/): উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলে ভয়াবহ ফেরি দুর্ঘটনায় নিজের দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন আয়তেন বিসের। রোববার কিরেনিয়া বন্দরের কাছে ফেরিটি উল্টে যাওয়ার সময় ১২ বছরের মেয়ে মিরায়কে নিজের হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরেছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ঘটনার তীব্র ধাক্কায় একটি স্যুটকেস তার ওপর পড়ে গেলে মেয়েকে ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। শেষ মুহূর্তে মেয়ের পা ধরে ফেললেও ফেরির ছড়িয়ে পড়া তেল ও ডিজেলের কারণে পা পিছলে মিরায় মায়ের হাত থেকে সাগরে হারিয়ে যায়। সোমবার পর্যন্ত মিরায় ও তার ছয় বছরের ভাই মেহমেত আসাফসহ প্রায় ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনায় অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে সাগরে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। দুর্ঘটনাস্থলের পানির গভীরতা - [খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিল ইরান, ছড়িয়ে পড়ল এআই-তৈরি ভিডিও](https://sarakhon.com/news/188484/): ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়ে সেটিকে ‘ছিন্নভিন্ন’ করে দেওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা বিস্ফোরণের ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হামলার কয়েক ঘণ্টা পরও খার্গ দ্বীপে হামলার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জাতীয় তেল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হামিদ বোভার্ড ট্রাম্পের দাবি নিয়ে উপহাস করে বলেন, খার্গের পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে। তেল কার্যক্রমও বন্ধ হয়নি। বরং কর্মীরা আগের ক্ষয়ক্ষতি মেরামত এবং স্থাপনাগুলোর আধুনিকায়নে কাজ করছেন। ট্রাম্প রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খার্গ দ্বীপের সঙ্গে বিস্ফোরণের একটি ভিডিও প্রকাশ করে লিখেছিলেন, ‘খার্গ দ্বীপ - [ইউরোপকে বাঁচাতে শুধু বিশেষজ্ঞের টেবিল নয়, দরকার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত](https://sarakhon.com/news/188479/): ইউরোপের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। বরং সমস্যাটি এতটাই গভীর যে, ইউরোপের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত প্রায় সবাই এখন একমত—প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কমছে, বিনিয়োগের গতি যথেষ্ট নয় এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এই বাস্তবতার মধ্যেই গত সপ্তাহে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘রাইন গ্রুপ’—ইউরোপকে আবার উদ্ভাবন, প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার পথে ফেরানোর লক্ষ্যে গঠিত এক বেসরকারি উদ্যোগ। উদ্যোগটির নেতৃত্বে আছেন ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্যাট্রিক কলিসন। নির্বাহী পরিচালক হিসেবে আছেন অর্থনীতিবিদ ও সাবেক ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য লুইস গারিকানো। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, সাবেক মন্ত্রী, নিয়ন্ত্রক এবং গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে - [ভয়াবহ বন্যায় নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা শত শত শ্রমিক, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান](https://sarakhon.com/news/188481/): হিমালয়ঘেঁষা নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শত শত শ্রমিককে উদ্ধারে জোরালো অভিযান শুরু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ, কাদা, পাথর ও পানিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া সুড়ঙ্গগুলো খুলতে নেপালের উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞরাও কাজ করছেন। গত বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের পর বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত নেমে আসে। এতে নেপালের উপত্যকার শহর ও গ্রামগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকা বিপর্যস্ত হয়। সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নেপালি কর্মকর্তাদের হিসাবে, এখন পর্যন্ত ৯০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪ হাজার ২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ১১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে নিখোঁজ ৯৩৩ শ্রমিক উদ্ধার অভিযানের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা - [লন্ডনের পতন: শত্রুর হাতে নয়, নিজের অব্যবস্থাপনায়](https://sarakhon.com/news/188474/): একসময় লন্ডন ছিল এমন এক শহর, যার নাম উচ্চারিত হলেই বিশ্বের অর্থনীতি, সংস্কৃতি, কূটনীতি ও রাজনীতির কেন্দ্রীয় শক্তির কথা মনে পড়ত। যুদ্ধ, সন্ত্রাস, অর্থনৈতিক সংকট—কোনো কিছুই শহরটির প্রাণশক্তিকে দীর্ঘদিন থামিয়ে রাখতে পারেনি। কিন্তু আজ লন্ডনের সংকটের ধরন বদলে গেছে। এবার কোনো বিদেশি শক্তি শহরটিকে আক্রমণ করছে না; বরং করনীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, দুর্বল পরিবহনব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রশাসনিক অদক্ষতা ধীরে ধীরে তার সক্ষমতাকে ক্ষয় করছে। লন্ডনের কঠিন অতীত এবং বর্তমান ১৯৭০-এর দশকে লন্ডনে পড়াশোনা করার সময় আমি শহরটির আরেক কঠিন সময় দেখেছি। আইআরএ-এর বোমা হামলার আশঙ্কা ছিল নিয়মিত। বোমা হামলার হুমকির কারণে লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে বিঘ্ন ঘটত, তবু প্রতিদিন হাঁটতে হাঁটতে লন্ডন স্কুল - [ভয়াবহ বন্যার পর চীনের কাছে আরও আগাম সতর্কতা ও তথ্য চায় নেপাল](https://sarakhon.com/news/188466/): হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় শত শত মানুষের প্রাণহানি ও নিখোঁজের ঘটনার পর সীমান্তবর্তী প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার করতে চীনের কাছে আরও তথ্য চেয়েছে নেপাল। বিশেষ করে হিমবাহের গতিবিধি, হিমবাহ হ্রদের পানির স্তর, ভূমিধস ও তুষারধসের মতো ঝুঁকি সম্পর্কে নিয়মিত ও দ্রুত তথ্য পাওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে দেশটি। বিপর্যয়ের তিন মাস আগে বৈঠক গত মে মাসে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে দুই দেশের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে বন্যা, আবহাওয়া এবং হিমবাহ-সম্পর্কিত ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ ও মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। নেপালের পক্ষ থেকে হিমবাহ হ্রদের তালিকা তৈরি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানচিত্র প্রণয়ন এবং সীমান্তবর্তী দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে যৌথ - [চীনের উত্থান: উন্নয়ন রাষ্ট্র থেকে সভ্যতাভিত্তিক বিশ্বদর্শনের পথে](https://sarakhon.com/news/188470/): চীনের উত্থানকে শুধু অর্থনৈতিক সাফল্য, ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কিংবা পশ্চিমা শক্তির বিকল্প হিসেবে দেখলে এর গভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য ধরা পড়ে না। গত কয়েক দশকে চীন যে পথ অতিক্রম করেছে, তা একই সঙ্গে রাষ্ট্র, আধুনিকতা, সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি ভিন্ন চিন্তার উত্থানও নির্দেশ করে। এই চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, উন্নয়ন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, সভ্যতার বৈচিত্র্য এবং আধুনিকায়নের একাধিক পথের স্বীকৃতি। চীনের সরকারি বয়ানে দেশটির অভিজ্ঞতাকে অন্যদের জন্য অনুকরণীয় কোনো নির্দিষ্ট মডেল হিসেবে তুলে ধরা হয় না। বরং এর মাধ্যমে বলা হয়, আধুনিক হওয়া মানেই পশ্চিমা রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো গ্রহণ করা নয়। একটি সমাজ তার নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রীয় কাঠামো - [ইরানি চালকবিহীন বিমান ভূপাতিতের দাবি সংযুক্ত আরব আমিরাতের, বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/188452/): সংযুক্ত আরব আমিরাতের আঞ্চলিক জলসীমার কাছে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার ইরান থেকে আসা একটি চালকবিহীন বিমান তাদের আঞ্চলিক জলসীমার ওপর শনাক্ত হওয়ার পর বিমানবাহিনী সেটি ভূপাতিত করেছে। ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এটি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার লঙ্ঘন। একই সঙ্গে ইরানি সেনাবাহিনীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল, দুবাইয়ের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ফের তীব্র চালকবিহীন বিমান ভূপাতিতের ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন প্রায় এক মাসের বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক - [তেলের বাজারে ফের অস্থিরতা—যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা শুরু হতেই দাম বাড়ল সাড়ে ৩ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/188461/): মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক হামলা শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং ইরানের পাল্টা হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। হরমুজ প্রণালিতে হামলার প্রভাব সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ২৫ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়ায়। রোববার হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জুলাইয়ের শেষ দিকের পর - [হামে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৭৩, এক দিনে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/188458/): হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এই ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর ফলে চলতি বছরে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭৩ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ছয়টি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭৪। অন্যদিকে, পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। এক দিনে নতুন সন্দেহভাজন রোগী ১,১৬২ সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ১৬২টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম রোগীর মোট সংখ্যা - [বিদ্যুৎ সংকটে হাসপাতাল: গ্রামে চিকিৎসার শেষ ভরসাটিও কি নিভে যাচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/188455/): চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৮ দিনের হাফসা জাহানের জন্য নেবুলাইজেশন ছিল চিকিৎসার একটি অপরিহার্য অংশ। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুটির শ্বাসকষ্ট বাড়ছিল। কিন্তু হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসার এই সহজ অথচ জরুরি প্রক্রিয়াটিও ব্যাহত হচ্ছিল। ওয়ার্ডের পাখা বন্ধ। গরমে শিশুটির কষ্ট আরও বাড়ছিল। বিদ্যুৎ ফেরার অপেক্ষায় মেয়েকে কোলে নিয়ে বসে ছিলেন মা কামরুন নাহার। বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকটি সম্ভবত এখানেই—এটি শুধু ঘর অন্ধকার করছে না, হাসপাতালের চিকিৎসার সময়সূচিকেও অনিশ্চিত করে তুলছে। চট্টগ্রামের পটিয়ায় দেড় বছরের নিউমোনিয়া আক্রান্ত মোফাসসিরের দিনে ছয়বার নেবুলাইজেশন প্রয়োজন হলেও এক দিনে দেওয়া হয়েছে তিনবার। লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চার বছরের মিনু আক্তারের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় - [ভারতের শুল্কনীতি নিয়ে ‘ট্যারিফ কিং’ তকমা কতটা সত্য?](https://sarakhon.com/news/188997/): ভারতের শুল্কনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ধারণা বেশ জোরালো—দেশটি নাকি অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ শুল্ক আরোপ করে এবং বিদেশি পণ্যের জন্য তার বাজার প্রায় বন্ধ করে রাখে। কিন্তু শুল্ক এমন একটি বিষয়, যা ধারণা বা রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে নয়, পরিসংখ্যান দিয়ে যাচাই করা যায়। তাই ভারতের অবস্থান বুঝতে হলে আবেগের বদলে তথ্যের দিকে তাকানো জরুরি। উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে শুল্কের আলাদা ভূমিকা ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে শুল্কের উদ্দেশ্যকে যুক্তরাষ্ট্রের মতো উচ্চ আয়ের উন্নত দেশের সঙ্গে একইভাবে দেখা ঠিক নয়। ঐতিহাসিকভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো শুল্ক ব্যবহার করেছে মূলত দুটি কারণে—দেশীয় শিল্পকে বিদেশি প্রতিযোগিতা থেকে সুরক্ষা দিতে এবং সরকারের রাজস্ব বাড়াতে। কোনো শিল্প যখন প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে, - [প্রিন্স নাসিমের উত্তরসূরি হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেন না ড্যানিয়েল টিসডেল](https://sarakhon.com/news/189160/): ছয় বছর বয়সে বক্সিংয়ে হাতেখড়ি। কিশোর বয়সেই একের পর এক জাতীয় শিরোপা। বিখ্যাত কোচ ব্রেন্ডন ইংলের চোখে তিনি ছিলেন কিংবদন্তি প্রিন্স নাসিম হামেদের চেয়েও সম্ভাবনাময়। সংবাদপত্র, বই, আলোকচিত্রী ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ক্যামেরা—সবই যেন ঘিরে ধরেছিল তাঁকে। তখন তাঁর নাম ড্যানিয়েল টিসডেল। ব্রিটিশ বক্সিংয়ে তাঁকে বলা হচ্ছিল ‘পরবর্তী প্রিন্স নাসিম’। কিন্তু যে ক্যারিয়ার থেকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প তৈরি হওয়ার কথা ছিল, শেষ পর্যন্ত সেটি থেমে যায় মাত্র পাঁচটি পেশাদার লড়াইয়ের পর। টিসডেলের গল্প তাই শুধু একজন প্রতিভাবান বক্সারের ব্যর্থতার গল্প নয়। এটি অতিরিক্ত প্রত্যাশা, অস্থির ব্যবস্থাপনা, ভুল পরামর্শ, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন এবং একজন তরুণ প্রতিভার চারপাশে তৈরি হওয়া অতিরিক্ত প্রচারের গল্পও। ছোট - [সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের হামলায় নিহত গ্রেগ, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় বিরল ‘মেরে ফেলার’ নির্দেশ](https://sarakhon.com/news/189157/): অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের হামলায় ৬৩ বছর বয়সী গ্রেগ ও’নিল নিহত হওয়ার পর একটি গ্রেট হোয়াইট হাঙরকে ধরতে পারলে মেরে ফেলার বিরল নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার পার্থের উত্তরের জনপ্রিয় সরেন্টো বিচে সাঁতার কাটার সময় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এখনো গ্রেগের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। হামলার পর সরেন্টোসহ পার্থের আশপাশের উপকূলের সব সৈকত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাঙরটির সন্ধানে অভিযান চলবে এবং অন্তত রোববার পর্যন্ত এসব সৈকত বন্ধ থাকতে পারে। এ সপ্তাহে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় এটি দ্বিতীয় হাঙর হামলার ঘটনা। চলতি বছর রাজ্যটিতে এখন পর্যন্ত এটি তৃতীয় প্রাণঘাতী হাঙর হামলা। গ্রেগ ও’নিলের পরিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক - [টাইপ-২ ডায়াবেটিসে কিটো ডায়েট: ওজন ও রক্তে শর্করা কমাতে কতটা কার্যকর?](https://sarakhon.com/news/189152/): ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে শরীরের ওজন, রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা—সবকিছুর সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকেই প্রচলিত খাদ্যতালিকার বাইরে বিভিন্ন ধরনের খাবার পদ্ধতি অনুসরণ করার কথা ভাবেন। এর মধ্যে কিটোজেনিক বা ‘কিটো’ ডায়েট অন্যতম। কিটো ডায়েটে সাধারণত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ খুব কমিয়ে দেওয়া হয় এবং খাদ্যতালিকায় চর্বির পরিমাণ বাড়ানো হয়। কার্বোহাইড্রেট কমে গেলে শরীর স্বাভাবিকভাবে গ্লুকোজের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে চর্বি থেকে তৈরি কিটোনকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করতে পারে। এই বিপাকীয় অবস্থাকে বলা হয় কিটোসিস। কিটো ডায়েটের ব্যবহার অবশ্য নতুন নয়। একসময় এটি মূলত মৃগীরোগে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে - [যে গাছকে ‘দাদু’ ডাকেন বাসিন্দারা, সেটিই কি বিষ দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা?](https://sarakhon.com/news/189149/): দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের বুয়াম-দং এলাকায় শতবর্ষী একটি গাছকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য, উদ্বেগ ও আবেগের এক অদ্ভুত গল্প। স্থানীয় বাসিন্দাদের অত্যন্ত প্রিয় সেই গিঙ্কো গাছটি কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে শুকিয়ে যেতে শুরু করেছে। গাছটির বয়স একশ বছরেরও বেশি বলে মনে করেন স্থানীয়রা। ভালোবেসে তারা গাছটির নাম দিয়েছেন ‘দাদু গিঙ্কো’। গ্রীষ্মের শুরুতে গাছটির সবুজ পাতা অস্বাভাবিকভাবে ঝরে পড়তে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। সাধারণত যে সময়ে সিউলের চারপাশ সবুজে ভরে ওঠে, সেই সময়েই গাছটির পাতা শুকিয়ে মাটিতে পড়তে থাকে। বিষয়টি প্রথমে কৌতূহলের জন্ম দিলেও দ্রুত তা উদ্বেগে পরিণত হয়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই যেন গোয়েন্দার ভূমিকায় নামেন। গাছটির গোড়ার কাছে তারা - [রিয়াদে আকাশপথে হামলার সতর্কতা, শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ](https://sarakhon.com/news/189148/): সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে শনিবার ভোরে আকাশপথে হামলার সতর্কতা জারি করার পর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইয়েমেনভিত্তিক হুতিদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠা সৌদি আরবে এ ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তায় রাজধানীর বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে বলা হয়। স্থানীয় সময় ভোর ৩টার কিছু আগে মোবাইলে পাঠানো ওই বার্তায় বলা হয়, ‘এলাকাটি শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকির মধ্যে রয়েছে।’ সতর্কবার্তা পাওয়ার পর রিয়াদে কর্মরত এএফপির সাংবাদিকরা দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। প্রায় আধা ঘণ্টা পর সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়। ইয়েমেনে চলমান সংঘাত জুলাইয়ে আরও তীব্র হওয়ার পর এই প্রথম সৌদি রাজধানী সরাসরি এর - [কুমিল্লায় নিখোঁজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের ১৩ বছরের ছেলে বনে মিলল মরদেহ](https://sarakhon.com/news/189142/): কুমিল্লায় নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার জেলার কোটবাড়ী এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই কিশোরের নাম অপ্রীতম। সে কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অপ্রীতম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র ছেলে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানার অন্তর্গত কোটবাড়ী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর অপ্রীতম নিখোঁজ হয়। বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য সে মায়ের আইফোন সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর অনেক খোঁজ করেও তার সন্ধান - [শখের ময়ূর পালনেই ২৮ লাখ টাকার খামার, ‘ময়ূর শাহ আলী’ এখন এলাকায় পরিচিত](https://sarakhon.com/news/189139/): ময়ূরের সৌন্দর্য আর পেখম মেলে নাচের দৃশ্য মুগ্ধ করেছিল কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাবরকান্দি গ্রামের মো. শাহ আলীকে। সেই মুগ্ধতা থেকেই ২০১৯ সালে শখ করে এক জোড়া ময়ূর কিনেছিলেন তিনি। পাঁচ বছর পর সেই শখই এখন পরিণত হয়েছে লাখ লাখ টাকার ব্যবসায়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে নিজের জমানো ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে এক জোড়া ময়ূর কেনেন শাহ আলী। পরে আরও পাঁচটি ময়ূর কিনে তার সংগ্রহে পাখির সংখ্যা দাঁড়ায় সাতটিতে। সময়ের সঙ্গে ময়ূরের সংখ্যা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে শখের সেই সংগ্রহই রূপ নেয় পূর্ণাঙ্গ ময়ূরের খামারে। বর্তমানে শাহ আলীর খামারে রয়েছে ৮৫টি ময়ূর। এর মধ্যে ১২টি পূর্ণবয়স্ক। সব মিলিয়ে খামারে থাকা ময়ূরগুলোর আনুমানিক - [রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে সাইবার হামলার অভিযোগ, ভোটের মাঝেই উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/189131/): রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনে দেশটির ভোটব্যবস্থা ও যোগাযোগ অবকাঠামোয় অনলাইন হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মস্কোর অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা এবং দেশটির সুদূর পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ লাইন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তবে এসব হামলা প্রতিহত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রতি রুশ জনগণের সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখছে মস্কো। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর এটিই রাশিয়ার প্রথম স্টেট ডুমা নির্বাচন। রুশ রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ক্ষমতাসীন ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ ‘ইউনাইটেড রাশিয়া’ দলের আধিপত্য এবারও বজায় থাকবে বলে ব্যাপকভাবে - [ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,২৩২](https://sarakhon.com/news/189136/): দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব মৃত্যু ও নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য পাওয়া গেছে। নতুন দুই মৃত্যুর ফলে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন করে মারা যাওয়া দুজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪ হাজার ১৩১ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন নতুন রোগী হাসপাতালে - [রুশ জ্বালানির ক্রেতা ভারত ও চীনের ওপর শতভাগ শুল্কের ক্ষমতা পেলেন ট্রাম্প](https://sarakhon.com/news/189133/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা আইনে স্বাক্ষর করেছেন। আইনটির নাম লিন্ডসে ও. গ্রাহাম রাশিয়া ও ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন ২০২৬। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন রাশিয়ার ওপর বিধিবদ্ধ নিষেধাজ্ঞা, শুল্ক ও বিধিনিষেধ অনুমোদন ও সম্প্রসারণ করে। ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাও বাড়ানো হয়েছে। আইনটি এসেছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের মাত্র কয়েক দিন আগে। আইনটি প্রেসিডেন্টকে রুশ জ্বালানির পাঁচ বৃহত্তম ক্রেতার ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানোর ক্ষমতা দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট চীন ও ভারতকে রাশিয়ার প্রধান জ্বালানি ক্রেতা হিসেবে উল্লেখ করেছে। ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনের লক্ষ্যে রয়েছে রুশ কর্মকর্তা, ব্যাংক - [বন্যার পর নেপালের তরুণদের জলবায়ু আতঙ্ক, পরীক্ষার পড়ায়ও মন বসছে না](https://sarakhon.com/news/189121/): পরীক্ষার পড়ায় মন বসছে না ২১ বছর বয়সী আলিনা বি কে-র। পোখরার এই বনবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে জানিয়েছেন, নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের বন্যার খবর তাঁকে বারবার ভবিষ্যতের প্রশ্নের মুখে ফেলছে। তিনি নেপালিজ ইয়ুথ ফর ক্লাইমেট অ্যাকশনের পোখরা নেটওয়ার্কের সমন্বয়ক। তাঁর ভাষায়, চারপাশে বন্যা আর মৃত্যুর খবরের মধ্যে উদ্বেগ ও মানসিক চাপ এড়ানো সত্যিই কঠিন। নেপালের তরুণদের জলবায়ু উদ্বেগ এভাবেই এখন শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনেও ঢুকে পড়ছে। জলবায়ু উদ্বেগ বলতে বোঝানো হয় জলবায়ু ঝুঁকি নিয়ে ক্রমাগত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ, যা ঘুম ও মনোযোগেও প্রভাব ফেলতে পারে। গত ২৬ আগস্ট নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের কাছে বরফ ও শিলার ধস থেকে ভোটেকোশী নদীতে আকস্মিক বন্যা হয়। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এতে দেশটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বহু - [সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/189125/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ পোস্টে তিনি এ কথা জানান। এনপিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের দাবি, তিন সংবাদমাধ্যম ক্রমাগত ভুয়া খবর প্রচার করছে। হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করার ঘোষণা তিনি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সতর্ক করেছেন, অন্য ভুয়া সংবাদমাধ্যমও একই পথে যেতে পারে। ঘোষণার পর একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রধান সংবাদমাধ্যম খবরটি প্রকাশ করে। ট্রাম্প এর আগেও গণমাধ্যমের সমালোচনায় ভুয়া খবর শব্দটি বারবার ব্যবহার করেছেন। এবারের ঘোষণায় সেই সমালোচনা সরাসরি প্রবেশাধিকার সীমিত করার পর্যায়ে গড়িয়েছে। পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, প্রেসিডেন্টকে নিয়ে প্রতিবেদন করার সময় কোনো সংবাদমাধ্যম ক্রমাগত কল্পকাহিনি ও মিথ্যা প্রচার করতে পারে না। - [কালিমান্তানের আগুন নেভাতে মালয়েশিয়ার বিমান ও হেলিকপ্টার নেবে ইন্দোনেশিয়া](https://sarakhon.com/news/189117/): ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো কালিমান্তানের বনের আগুন নেভাতে মালয়েশিয়ার সহায়তার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। দ্য স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, জাকার্তায় মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই সম্মতি দেন। জাহিদের চার দিনের জাকার্তা সফরে দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে আরও আলোচনা হয়েছে। প্রাবোও এই আগুনকে জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফলে প্রতিবেশী দেশের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি দেরি করেননি। আগুনের ধোঁয়া দুই দেশের বাতাসের মান খারাপ করায় বিষয়টি শুধু ইন্দোনেশিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যাপার থাকেনি। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে জানিয়েছে, জাহিদ সফর শেষে বলেন, ইন্দোনেশিয়ার সবুজ সংকেত মিলেছে। মালয়েশিয়ার প্রস্তাবে রয়েছে একটি অগ্নিনির্বাপক বিমান, তিনটি হেলিকপ্টার এবং ৫২ জনের একটি দল। মালয় মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলে থাকবেন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা, মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি ও রয়্যাল মালয়েশিয়ান এয়ার ফোর্সের সদস্যরা। প্রাবোও বলেছেন, - [গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের চুক্তি দাবি ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/189089/): শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি সমঝোতা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই গ্রিনল্যান্ড নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিকের দ্বীপটির নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ওয়াশিংটন স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ পাবে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছেন এই ব্যবস্থার কোনো শেষ তারিখ নেই। তিনি আরও দাবি করেছেন, এতে মার্কিন করদাতাদের কোনো খরচ হবে না। তাঁর পোস্টের ভাষায় ব্যবস্থাটি নিরাপত্তার পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডের অন্যান্য প্রয়োজনও ছুঁয়ে যায়। সেই প্রয়োজনের পরিধি কতদূর, তা পোস্টে খোলসা করা হয়নি। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত গ্রিনল্যান্ডে উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিপক্ষ দেশ ওয়াশিংটনের লিখিত অনুমোদন ছাড়া সেখানে ঘাঁটি বসাতে, সেনা রাখতে বা স্পর্শকাতর খাতে বিনিয়োগ - [নাজিবের গৃহবন্দিত্বের সিদ্ধান্তে মালয়েশিয়ার পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ, জোট সরকারে চাপ](https://sarakhon.com/news/189114/): শনিবার মালয়েশিয়ার পরিবহনমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন পার্টির (ডিএপি) সাধারণ সম্পাদক অ্যান্থনি লোক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে বাকি কারাদণ্ড বাড়িতে কাটানোর অনুমতি দেওয়ার একদিন পরই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমা পর্ষদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই অ্যান্থনি লোক পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে পরিবহনমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন। লোকের ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত শুধু তাঁর নিজের মন্ত্রিত্বের সঙ্গে জড়িত। ঘটনাক্রমও পরিষ্কার: ক্ষমা পর্ষদের সিদ্ধান্ত এক দিন আগে, আর পদত্যাগ পরদিন। প্রথমে লোক পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন, পরে তা কার্যকর করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনের শিরোনামে দেখা যায়। ক্ষমা পর্ষদ নাজিবকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। এর ফলে তিনি কারাগারের বদলে নিজের বাড়িতে থেকে বাকি মেয়াদ কাটাতে পারবেন। - [সিরিয়ায় সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১১ সেনা](https://sarakhon.com/news/189099/): সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আল-জোর প্রদেশে একটি সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১১ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার প্রদেশটির রাজধানী দেইর আল-জোরের পশ্চিমে আয়াশ এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। শনিবার নিহত সেনাদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। দেইর আল-জোর শহরের জাতীয় হাসপাতালে নিহত ১১ সেনাসদস্যের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় কর্মকর্তা ও স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আয়াশ এলাকায় অস্ত্র সংরক্ষণের একটি স্থাপনায় বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকারী দল, স্বাস্থ্যকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়। ধ্বংসস্তূপ ও আশপাশের এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা হতাহত এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি চালান। তবে কী কারণে অস্ত্রের গুদামে এই - [চাঁদপুরে গভীর রাতে ভয়াবহ আগুন, গাজীর বাজারে পুড়ে ছাই ৫ দোকান](https://sarakhon.com/news/189107/): চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গাজীর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে স্থানীয় ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে গাজীর বাজারে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে বাজারের কয়েকটি দোকান পুড়ে যেতে শুরু করে। খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কচুয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দলনেতা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। প্রাথমিকভাবে - [নিখোঁজের তিন দিন পর চাঁদপুরে ফসলের মাঠে ১০৫ বছরের বৃদ্ধার মরদেহ](https://sarakhon.com/news/189104/): চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর রিকাবি বেগম নামে ১০৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ একটি ফসলের মাঠ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে উপজেলার উত্তর বাইশপুর এলাকায় ধনাগোদা নদীর পূর্ব পাড়ের একটি ফসলের মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রিকাবি বেগম মতলব পৌরসভার ছটমুকুন্দি এলাকার সওদাগর বাড়ির মৃত আমির আলী সওদাগরের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় এক নারী গৃহস্থালির বর্জ্য পানি ফেলতে গিয়ে ফসলের মাঠের পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহটি - [মুন্সিগঞ্জে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪](https://sarakhon.com/news/189100/): মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ডের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ‘নিউ বালেশ্বর’ বাসটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে প্রাইভেটকারটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে ফিরছিল। পুলিশ জানায়, প্রাইভেটকারটি মিয়ামি রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার খেয়ে ঢাকার দিকে ফিরছিল। একপর্যায়ে গাড়িটি সড়কের বিপরীত পাশ দিয়ে কিছুটা পথ চলছিল। পরে ঢাকামুখী লেনে ফিরে আসার জন্য চালক ইউটার্ন নেওয়ার চেষ্টা করেন। ঠিক এ সময় চট্টগ্রামমুখী ‘নিউ বালেশ্বর’ বাসটির সঙ্গে প্রাইভেটকারটির সংঘর্ষ হয়। - [পশ্চিম আফ্রিকায় রোগ শনাক্তকরণ জোরদারের আহ্বান, বড় মহামারির ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক বিজ্ঞানীরা](https://sarakhon.com/news/189094/): পশ্চিম আফ্রিকার গবেষক ও পরীক্ষাগার বিজ্ঞানীরা রোগের প্রাদুর্ভাব দ্রুত শনাক্ত করার সক্ষমতা বাড়াতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের সতর্কবার্তা, দীর্ঘ সময় বড় ধরনের মহামারি না থাকায় অঞ্চলটির স্বাস্থ্যব্যবস্থার কিছু অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে নতুন কোনো বড় মহামারি দেখা দিলে তা মোকাবিলায় পশ্চিম আফ্রিকা যথেষ্ট প্রস্তুত নাও থাকতে পারে। টোগোর রাজধানী লোমেতে শুক্রবার এ সতর্কতা দেন বিভিন্ন দেশের পরীক্ষাগার বিজ্ঞানীরা। রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় অঞ্চলটির প্রস্তুতি এবং পশ্চিমা দেশগুলো থেকে সরবরাহ করা টিকার ওপর নির্ভরতা নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহে সেখানে তারা একত্রিত হন। বিজ্ঞানীরা রোগ নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং রোগ শনাক্ত করার পরীক্ষাগার সক্ষমতা বাড়াতে সরকারগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির - [হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি ১,০৫৩](https://sarakhon.com/news/189091/): দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম-সংশ্লিষ্ট নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, নতুন পাঁচ মৃত্যুর মধ্যে একজনের মৃত্যু হাম-সংশ্লিষ্ট বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি চারজনকে সন্দেহভাজন মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। নতুন মৃত্যুর ফলে দেশে চলতি বছরে হামজনিত নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০১। আর সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫২। অর্থাৎ নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন—দুই ধরনের মৃত্যুকে মিলিয়ে মোট প্রাণহানি এখন ১ হাজার ৫৩ জন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে হঠাৎ কেন ‘থামার’ ডাক, ১০ দিনে বদলে গেল এআই বিশ্বের হিসাব](https://sarakhon.com/news/189090/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে প্রতিযোগিতা এতদিন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার ওপর নির্ভর করছিল, মাত্র ১০ দিনের ধারাবাহিক কিছু ঘটনায় সেই প্রতিযোগিতার চেহারাই বদলে গেছে। এআইয়ের সক্ষমতা যত দ্রুত বাড়ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা এগোতে পারছে কি না—এ প্রশ্ন এখন প্রযুক্তি দুনিয়ার সবচেয়ে বড় উদ্বেগগুলোর একটি। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এআই খাতের কয়েকটি বড় ঘটনার পর OpenAI ও Anthropic-এর ভেতরের গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগ বেড়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, নতুন প্রজন্মের এআই মডেলগুলোর ক্ষমতা যত বাড়ছে, সেগুলোকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা তত কঠিন হয়ে পড়ছে। এর মধ্যেই Anthropic-এর এক - [২০ বছর পরও শেষ হয়নি বিতর্ক, প্লুটো কি আবার গ্রহের মর্যাদা ফিরে পাবে?](https://sarakhon.com/news/189084/): ঠিক ২০ বছর আগে, ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট, সৌরজগতের গ্রহের তালিকা থেকে বাদ পড়ে প্লুটো। তখন থেকে মহাকাশবিজ্ঞানের ইতিহাসে ‘গ্রহ’ শব্দটির সংজ্ঞা নিয়ে বিতর্ক থামেনি। বরং সময়ের সঙ্গে প্লুটোকে আবার গ্রহের মর্যাদা দেওয়ার দাবিও নতুন করে সামনে এসেছে। ২০০৬ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের সাধারণ অধিবেশনে পৃথিবীর বাইরে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছিল—কোন মহাজাগতিক বস্তুকে গ্রহ বলা হবে? প্রায় ২ হাজার ৫০০ সদস্যের সংগঠনের অধিবেশনে এ বিষয়ে ভোট হলেও ভোট দেওয়ার যোগ্য সদস্য ছিলেন ৪২৪ জন। তারা যে সংজ্ঞা গ্রহণ করেন, তাতে কোনো মহাজাগতিক বস্তুকে গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, সেটিকে - [কুকুর-বিড়ালের জন্য আশার ঠিকানা ‘বেস্ট ফ্রেন্ডস’ ম্যাগাজিন](https://sarakhon.com/news/189081/): পোষা প্রাণী ভালোবাসেন এমন মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা, ইতিবাচক গল্প, উদ্ধার হওয়া প্রাণীর জীবনের নানা ঘটনা এবং প্রাণী পরিচর্যার প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়ে প্রকাশিত হয় ‘বেস্ট ফ্রেন্ডস’ ম্যাগাজিন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের বেস্ট ফ্রেন্ডস অ্যানিমেল সোসাইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা। ম্যাগাজিনটিতে গৃহহীন কুকুর-বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার গল্প, তাদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনের অভিজ্ঞতা এবং প্রাণীদের জন্য কাজ করা মানুষ ও সংগঠনগুলোর উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। প্রাণীদের সুন্দর ছবি ও হৃদয়ছোঁয়া ঘটনাও থাকে এতে। বেস্ট ফ্রেন্ডস অ্যানিমেল সোসাইটি একটি জাতীয় অলাভজনক সংগঠন। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গৃহহীন প্রাণীদের জীবন রক্ষায় কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মূল লক্ষ্য—যেসব কুকুর, বিড়াল ও অন্যান্য পোষা প্রাণী ঘরহীন হয়ে পড়েছে, তাদের জন্য নিরাপদ জীবন নিশ্চিত - [লেইসলা ডি অলিভেইরা: কঠিন চরিত্র পেরিয়ে ফ্যাশনের মঞ্চে নতুন আত্মবিশ্বাস](https://sarakhon.com/news/189078/): কানাডিয়ান অভিনেত্রী লেইসলা ডি অলিভেইরার ক্যারিয়ার যেন ধীরে ধীরে তৈরি হওয়া এক আত্মবিশ্বাসের গল্প। কঠিন ও মানসিকভাবে ভারী চরিত্র, দীর্ঘ শুটিং, শারীরিক প্রশিক্ষণ, অনিশ্চয়তা এবং ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একের পর এক প্রত্যাখ্যান পেরিয়ে এখন তিনি হলিউডের পরিচিত মুখ। এবার অক্টোবর সংখ্যার প্রচ্ছদ তারকা হিসেবে নতুন এক পরিচয়ে সামনে এলেন তিনি—অভিনেত্রীর পাশাপাশি একজন আত্মবিশ্বাসী ফ্যাশনপ্রেমী নারী হিসেবে। নিউইয়র্কের একটি হোটেলে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৩৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেন, বছরের তার সবচেয়ে প্রিয় সময় যেন শেষ পর্যন্ত ফিরে এসেছে। কারণ দীর্ঘদিনের সামরিক পোশাক, ভারী সরঞ্জাম আর কঠিন অ্যাকশন দৃশ্যের পর এবার তিনি নিজের স্বাভাবিক রূপে ফিরতে পারছেন। লেইসলা বলেন, তিনি - [আবুধাবিতে হোটেল শ্রেণিবিন্যাসে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে ৭ নতুন স্বীকৃতি](https://sarakhon.com/news/189075/): আবুধাবি তাদের হোটেল শ্রেণিবিন্যাসের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। অতিথিদের অভিজ্ঞতা, সেবার মান ও পরিবেশগত টেকসই ব্যবস্থাপনাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে নতুন হোটেল শ্রেণিবিন্যাস মানদণ্ড চালু করেছে আমিরাতটি। একই সঙ্গে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে হোটেলগুলোর উৎকর্ষ তুলে ধরতে যুক্ত করা হয়েছে সাতটি নতুন স্বীকৃতি। আবুধাবির পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিপার্টমেন্ট অব কালচার অ্যান্ড ট্যুরিজম—আবুধাবি (ডিসিটি আবুধাবি) নতুন আবুধাবি হোটেল শ্রেণিবিন্যাস ম্যানুয়াল চালু করেছে। আরবিয়ান ট্রাভেল মার্কেটকে কেন্দ্র করে এই হালনাগাদ ব্যবস্থা প্রকাশ করা হয়। নতুন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক আতিথেয়তা খাতের প্রচলিত মানদণ্ডের সঙ্গে আরও বেশি সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে। পাশাপাশি হোটেলের সেবা, সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত টেকসই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মানদণ্ড আরও বিস্তৃত করা - [সৌদি আরবের রিয়াদ-জেদ্দাসহ বড় শহরে জারি করা সতর্কতা প্রত্যাহার](https://sarakhon.com/news/189072/): সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির কয়েকটি বড় শহরে শনিবার ভোরে জারি করা আগাম সতর্কতা পরে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় ভোরের দিকে কয়েক দফা সতর্কতা জারি করার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষ ‘সবুজ সংকেত’ বা সতর্কতা প্রত্যাহারের বার্তা দেয়। সৌদি সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে এর আগে রিয়াদ, জেদ্দা, আল-খারজ, আল-উলা, ইয়ানবু, তাইফ, আবহা, ফারাসান, খামিস মুশাইত ও জাজান এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সতর্কতা জারির পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বাসিন্দাদের আহ্বান জানানো হয়। কর্তৃপক্ষ বিশেষভাবে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বা ঘটনাস্থলের ছবি ও ভিডিও ধারণ না করার পরামর্শ দেয়। এদিকে রিয়াদে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা আকাশে কয়েকটি বিকট শব্দ - [পাকিস্তানকে আফগানিস্তানে হামলার হুঁশিয়ারি তালেবানের, মধ্যস্থতায় সৌদিকে চায় কাবুল](https://sarakhon.com/news/189066/): আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান চালালে পাকিস্তানকে কঠোর পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। একই সঙ্গে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে সৌদি আরবের আরও সক্রিয় মধ্যস্থতা চেয়েছে কাবুল। আল আরাবিয়া ইংলিশকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তান যদি আফগান ভূখণ্ডে সামরিক হামলা চালায়, তাহলে আফগানিস্তান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আফগান ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা হলে পাকিস্তানকে ‘চূর্ণকারী জবাব’ দেওয়া হবে। মুজাহিদের এই বক্তব্য এসেছে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের পর। এর আগে আল আরাবিয়া ইংলিশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র অভিযোগ করেছিলেন, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালানো সশস্ত্র ব্যক্তিদের - [ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইরানে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর](https://sarakhon.com/news/189068/): ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সামরিক স্থাপনার তথ্য পাচারের অভিযোগে হোসেইন পেদারান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল আরাবিয়া ইংলিশ। ইরানের বিচার বিভাগের অধীন সংবাদ সংস্থা মিজান জানিয়েছে, পেদারানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। গুপ্তচরবৃত্তি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে দেওয়া তার মৃত্যুদণ্ড দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখার পর এই সাজা কার্যকর করা হয়। বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে পেদারান ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কাছে ইরানের সামরিক স্থাপনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছিলেন। বিশেষ করে মধ্য ইরানের ইসফাহান প্রদেশে থাকা সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনাগুলোর - [যুদ্ধের আসল জ্বালানি: ধ্বংসের অর্থনীতি ভাঙা ছাড়া শান্তি অসম্ভব](https://sarakhon.com/news/188972/): সুদানের যুদ্ধের দিকে তাকালে প্রথমেই যে দৃশ্যগুলো চোখে পড়ে, সেগুলো মানবিক বিপর্যয়ের। লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত, খাদ্যসংকট তীব্র, রোগ ছড়িয়ে পড়ছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এই ভয়াবহতার পেছনে আরও একটি বাস্তবতা কাজ করছে—যুদ্ধ এখন আর কেবল রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘাত নয়। এটি এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় রূপ নিয়েছে, যেখানে সহিংসতা নিজেই সম্পদ তৈরি করছে। এই দিকটি না বুঝলে সুদানের যুদ্ধ কেন এত দীর্ঘ হচ্ছে, তার উত্তরও অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সশস্ত্র বাহিনী ও র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের সংঘাত শুরুর পেছনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও সম্পদের নিয়ন্ত্রণের প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেই প্রতিযোগিতা আরও বিস্তৃত হয়েছে। সোনা, - [বরিশালে পুকুরে বাস, নিহত ১](https://sarakhon.com/news/189063/): বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের গ্যারিয়ারপাড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী একটি বাস পাশের পুকুরে পড়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুল মালেকের বয়স ৫৫ বছর। তিনি বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, পিরোজপুর থেকে যাত্রী নিয়ে বাসটি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। গ্যারিয়ারপাড় এলাকায় পৌঁছালে চালক স্টিয়ারিংয়ের নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে বাসটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় আবদুল মালেক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। বাসে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের উদ্ধার তৎপরতা বাসটি পুকুরে পড়ে যাওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত - [স্ত্রী বিদেশে যাওয়ার চার দিনের মাথায় সুনামগঞ্জে তিন সন্তানের মৃত্যু, বাবার বিরুদ্ধে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/189059/): সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হৃদয়বিদারক এক ঘটনায় তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাবার বিরুদ্ধে সন্তানদের বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছে। পরে ওই বাবা নিজেও বিষ পান করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনি সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত তিন শিশু হলো ১০ বছর বয়সী মাওয়া আক্তার, ৭ বছর বয়সী শামীম মিয়া এবং দেড় বছর বয়সী তামিম মিয়া। একই পরিবারের তিন শিশুর এমন মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বাড়িতে ছিলেন বাবা ও তিন সন্তান স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শরাফত আলী দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। তার স্ত্রী চার দিন আগে শ্রমিক হিসেবে কাজ - [কুষ্টিয়ায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/189056/): কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ২০ বছর বয়সী এক তরুণী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার চার দিন পর শনিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত তরুণীর নাম তামা খাতুন। তিনি ভেড়ামারা উপজেলার তোফাজ্জেল হোসেনের মেয়ে। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে তাঁকে তুলে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত স্থানে চারজন ধর্ষণ করেন বলে পরিবারের অভিযোগ। বাড়ি ফেরার পথে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পুলিশ ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির দিকে ফিরছিলেন তামা। পথে গোপালনগর এলাকায় একটি মোটরসাইকেল তাঁর পথরোধ করে। পরে তাঁকে তুলে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে চারজন - [রুশ পার্লামেন্টে কি ফের পুতিনপন্থীদের দখল থাকবে?](https://sarakhon.com/news/189053/): রাশিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক বলয়ের ভবিষ্যৎ। এবারের নির্বাচনে মূল প্রশ্ন—পুতিন-সমর্থিত দল কি রুশ পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে, নাকি রাজনৈতিক সমীকরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যাবে? রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কাঠামোয় পার্লামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ হলেও দেশটির রাজনীতিতে প্রেসিডেন্টের প্রভাব অত্যন্ত শক্তিশালী। ফলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফল শুধু আইনসভায় কোন দল কত আসন পাবে, তা নির্ধারণ করে না; একই সঙ্গে সরকারের নীতি, আইন প্রণয়ন এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইউনাইটেড রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই রুশ পার্লামেন্টের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। গত কয়েকটি নির্বাচনে দলটি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতাসীন অবস্থান ধরে রেখেছে। এবারও - [শি জিনপিংয়ের নৈশভোজে জায়গা পাওয়া ‘কঠিন টিকিট’, অতিথির সংখ্যা সীমিত রাখছে হোয়াইট হাউস](https://sarakhon.com/news/189049/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক মহলে ব্যস্ততা বাড়ছে। এরই মধ্যে শিকে সম্মানে হোয়াইট হাউসে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে কারা আমন্ত্রণ পাচ্ছেন, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই নৈশভোজের আমন্ত্রণ পাওয়া এখন এতটাই কঠিন যে তাঁর নিজের পরিচিত অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকেও তিনি আমন্ত্রণ জানাতে পারেননি। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে জায়গা পাওয়া ‘খুব কঠিন টিকিট’। তিনি বলেন, “আমার অনেক ভালো বন্ধুকে আমি বলেছি, তোমরা আসতে পারবে না।” ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসে এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১২৫ জন অতিথির জায়গা হতে পারে। অথচ - [ট্রাম্প-মেলানিয়ার ‘ডাবল ডেট’—হোয়াইট হাউসে শি-পেংকে ঘিরে নজিরবিহীন আয়োজন](https://sarakhon.com/news/189046/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে হোয়াইট হাউসে এবার শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠক নয়, দুই দেশের শীর্ষ নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্য প্রদর্শনেরও বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে শি জিনপিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানকে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে স্বাগত জানাবেন। মার্কিন কর্মকর্তারা এই সফরকে অনেকটা ‘ডিপ্লোম্যাটিক ডাবল ডেট’ বা কূটনৈতিক যুগল-সাক্ষাৎ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এই আনুষ্ঠানিক সৌহার্দ্যের আড়ালেই থাকবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষি। সফরের আলোচনায় বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিরল খনিজ, শুল্ক, ফেন্টানিলের কাঁচামাল এবং চীনা বিনিয়োগসহ একাধিক স্পর্শকাতর বিষয় গুরুত্ব পাবে। বিমানঘাঁটিতে শিকে - [চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেসে চাপ বাড়ছে, শি জিনপিংয়ের সফরের আগে ট্রাম্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ](https://sarakhon.com/news/189043/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে চীনবিরোধী অবস্থান জোরালো হয়ে উঠেছে। চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের পক্ষে থাকা মার্কিন আইনপ্রণেতারা গত সপ্তাহে একের পর এক শুনানি ও বৈঠক করেছেন। তাদের আলোচনায় উঠে এসেছে মানবাধিকার, বাণিজ্য, সরবরাহব্যবস্থা, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিযোগিতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়।   এই তৎপরতার সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা। চলতি বছরে এটি দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক। শির এই সফর এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর হতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, তাইওয়ান, ইরান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণসহ - [একা থাকা কি আত্মভালোবাসা, নাকি নিঃসঙ্গতার আড়াল?](https://sarakhon.com/news/189040/): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন এক ধরনের কনটেন্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, যেখানে মানুষ তাদের একা থাকার জীবন প্রকাশ করছেন। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা নেই, সামাজিক ব্যস্ততাও কম—তবু তারা দেখাচ্ছেন, একা থাকা মানেই নিঃসঙ্গ থাকা নয়। এই নতুন প্রবণতার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের অনেকে ‘লোনলিনেস ইনফ্লুয়েন্সার’ হিসেবে পরিচিত হচ্ছেন। তারা একা খাওয়া, একা ঘুরতে যাওয়া, নিজের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা সীমিত সামাজিক জীবন—এসব অভিজ্ঞতা ক্যামেরার সামনে তুলে ধরছেন। তাদের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, মানুষের জীবনে সবসময় বড় সামাজিক বৃত্ত বা অসংখ্য বন্ধু থাকা জরুরি নয়। তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য সামনে আসে—একাকীত্ব আর নিঃসঙ্গতা এক জিনিস নয়। একাকীত্ব মানে একা থাকা, নিঃসঙ্গতা মানে একা - [চিকিৎসকের কাছে গিয়েও কেন শোনা হচ্ছে না নারীর কথা, স্বাস্থ্য সমস্যার প্রভাব কর্মজীবন থেকে পরিবারে](https://sarakhon.com/news/189036/): যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নতুন এক জরিপ চিকিৎসাব্যবস্থার একটি গভীর সমস্যার দিকে আবারও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনেক নারী চিকিৎসকের কাছে গেলেও নিজের উপসর্গ, ব্যথা বা শারীরিক সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে না বলে মনে করেন। এর প্রভাব শুধু চিকিৎসা পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; তা ছড়িয়ে পড়ছে কর্মজীবন, পরিবার, সামাজিক সম্পর্ক এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে। গ্যালাপ ও পিভটালের যৌথ জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫১ শতাংশ নারী গত পাঁচ বছরে স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার সময় অন্তত একটি নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৯ শতাংশ। জরিপটি ২০২৬ সালের ১৪ থেকে ২২ জুলাই অনলাইনে করা হয়। এতে গ্যালাপ প্যানেলের ৩ - [এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন কি একসঙ্গে কাজ করতে পারে?](https://sarakhon.com/news/189033/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা যত তীব্র হচ্ছে, ততই সামনে আসছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি কি অন্তত এআইয়ের নিরাপত্তা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে পারে? সিএনএনের এক বিশ্লেষণে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্যানফোর্ডের একটি জরিপে চীনে প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এআই ব্যবহার করা পণ্যের সুবিধা অসুবিধার চেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে একই ধরনের ইতিবাচক মনোভাব ৪৫ শতাংশেরও কম মানুষের মধ্যে দেখা গেছে। অর্থাৎ, এআইকে ঘিরে দুই দেশের সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতেও বড় পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এমন এক সময়ে, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সপ্তাহে - [ডায়ানার মৃত্যুর পর চার্লসের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিস্ফোরক দাবি, ভাইয়ের বই ঘিরে রাজপরিবারে তোলপাড়](https://sarakhon.com/news/189029/): প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন, তার দাম্পত্য এবং ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বহু বছর ধরেই আলোচনা থামেনি। তবে ডায়ানার ছোট ভাই আর্ল চার্লস স্পেন্সারের নতুন বই ‘সোয়ান সং’ প্রকাশের আগেই এর কয়েকটি অংশ ঘিরে ব্রিটিশ রাজপরিবারে নতুন করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বইটির পুরো কপি এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি অংশে স্পেন্সার তার বোনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা এবং ডায়ানার মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লসের সঙ্গে তার নিজের কথোপকথনের স্মৃতি তুলে ধরেছেন। এসব বক্তব্যের মধ্যে কিছু দাবি এতটাই বিস্ফোরক যে বাকিংহাম প্যালেসও বিরলভাবে কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বাকিংহাম প্যালেসের এক মুখপাত্র বলেছেন, রাজপরিবার সাধারণত বই - [ডলি পার্টনের সঙ্গে শেষ কথোপকথন, আবেগে ভেঙে পড়লেন মাইলি সাইরাস](https://sarakhon.com/news/189026/): মাইলি সাইরাসের জীবনে ডলি পার্টন শুধু একজন কিংবদন্তি গায়িকা ছিলেন না, ছিলেন একজন অভিভাবকের মতো, পরামর্শদাতা এবং জীবনের কঠিন সময়ে নির্ভরতার জায়গা। তাই গত আগস্টে ডলি পার্টনের মৃত্যুর পর তাঁর শূন্যতা যে মাইলির জন্য কতটা গভীর, তা নতুন করে ফুটে উঠেছে গায়িকার সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। ডলি পার্টন গত ২৫ আগস্ট ৮০ বছর বয়সে মারা যান। দীর্ঘ সংগীতজীবনে তিনি হয়ে উঠেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কান্ট্রি সংগীতের অন্যতম বড় প্রতীক। মৃত্যুর আগে অল্প সময়ের জন্য ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে সংগীতাঙ্গনে নেমে আসে গভীর শোক। মাইলি সম্প্রতি ডিজে ও সংগীত প্রযোজক জেইন লোয়ের অ্যাপল মিউজিক অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে ডলির সঙ্গে তাঁর শেষ কথোপকথনের - [ভোট দিতে দেশে ফিরছেন হাজারো ইসরায়েলি, তাদের ঠেকাতে নেতানিয়াহুর দলের চেষ্টা](https://sarakhon.com/news/189024/): ইসরায়েলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই এবার শুধু সভা-সমাবেশ, প্রচার কিংবা ভোটের হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নির্বাচনের দিন কে আকাশপথে দেশে ফিরতে পারবেন, কে ভোট দিতে পারবেন এবং বিদেশে থাকা নাগরিকদের দেশে ফেরার সুযোগ কতটা সহজ থাকবে—এসব প্রশ্নও এখন তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন। আর এই নির্বাচন সামনে রেখে বিদেশে বসবাসরত হাজারো ইসরায়েলি দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের অনেকেই বলছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এবারের ভোট এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে বিমানের টিকিটের খরচ, দীর্ঘ যাত্রা কিংবা বিদেশে বসবাসের ঝামেলা—কোনোটিই তাদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারবে না। কিন্তু ঠিক এই সময়েই প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি বিদেশে - [চীনা জাহাজ নিয়ে এআইয়ের ভুল তথ্য, যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র](https://sarakhon.com/news/189021/): ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যে একটি চীনা জাহাজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কাছে এমন একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন পৌঁছেছিল, যা পরে সম্পূর্ণ ভুল বলে প্রমাণিত হয়। কিন্তু সেই ভুল তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটি আটকানোর প্রস্তুতি নেওয়ায় দুই পরাশক্তির মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ঘটনাটি নিয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ওই গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, একটি চীনা জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু উপাদান বহন করছে। প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তৎপরতা শুরু হয়। দুই সূত্র জানিয়েছে, জাহাজটিতে ওঠার জন্য সশস্ত্র মার্কিন সেনাদের প্রস্তুত করা - [বন্যার স্রোতে মুছে গেছে ঘর, জমি, ব্যবসা—নেপালে বেঁচে থাকা মানুষের নতুন জীবন শুরু](https://sarakhon.com/news/189018/): নেপালের নুওয়াকোট ও ধাদিং জেলার কয়েকটি এলাকায় সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস শুধু ঘরবাড়ি ভাসিয়ে নেয়নি, বহু পরিবারের বহু বছরের সঞ্চয়, ব্যবসা, জমি এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও একসঙ্গে মুছে দিয়েছে। কোথাও ঘরের জায়গায় পড়ে আছে কাদার স্তূপ, কোথাও নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ায় মানুষ নিজের বাড়ির জায়গাটুকুও আর চিনতে পারছেন না। বন্যার পর এখন অনেকেই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ফিরে যাচ্ছেন—কেউ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র খুঁজতে, কেউ নিজেদের বাড়ির শেষ চিহ্নটুকু দেখতে। কিন্তু অনেকেরই মনে হচ্ছে, ফিরে যাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট নেই। ৪৩ বছর বয়সী পোশাক ব্যবসায়ী কল্পনা থাপা মাগার এমনই একজন। বন্যা ও ভূমিধসে তাঁর বাড়ি কাদার নিচে চাপা পড়ে গেছে। বিপদের মুহূর্তের কথা স্মরণ - [ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক হামলা বাড়ছে, পুরোনো প্রশিক্ষণ ক্ষেপণাস্ত্রই এখন বড় অস্ত্র](https://sarakhon.com/news/189015/): ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার আকাশ হামলার ধরন বদলে যাচ্ছে। মূল আঘাত হানার জন্য তৈরি শক্তিশালী ও নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি রাশিয়া এখন এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে, যেগুলো মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রশিক্ষণে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়েছিল। রাশিয়ার এসব পুনর্ব্যবহৃত প্রশিক্ষণ ক্ষেপণাস্ত্রের নাম RM48U। রয়টার্সের দেখা ইউক্রেনীয় সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্টের শুরুর দিকে ইউক্রেনের ওপর ছোড়া ২২৮টি ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকেরও বেশি ছিল RM48U। এর ফলে গ্রীষ্মকালে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে এই কৌশল রাশিয়াকে তাদের তুলনামূলক শক্তিশালী ইস্কান্দারসহ প্রধান আঘাত হানার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত শেষ না করেও হামলার মাত্রা বাড়ানোর সুযোগ দিয়েছে। প্রশিক্ষণের - [ইয়েমেনে আবার যুদ্ধের আগুন, খালি পায়ে ঘর ছাড়ছে হাজারো মানুষ](https://sarakhon.com/news/189011/): ইয়েমেনে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ। হুথি বাহিনীর দ্রুত অগ্রযাত্রা এবং পাল্টা বিমান হামলার মধ্যে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। কেউ ছুটছেন পায়ে জুতা ছাড়াই, কেউ সন্তানদের হাত ধরে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছেন। পথে ফেলে আসতে হয়েছে গবাদিপশু, কাপড়, কম্বল, খাবারসহ জীবনের সামান্য সম্বলটুকুও। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহে ইয়েমেনের ভেতরেই অন্তত ১ লাখ ১২ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আরও প্রায় ৩ হাজার মানুষ অতিরিক্ত বোঝাই নৌকায় করে এডেন উপসাগর পেরিয়ে জিবুতিতে পালিয়ে গেছেন। তাইজ প্রদেশের আল-বিরিন শিবিরে আশ্রয় নেওয়া ৪৮ বছর বয়সী রাওইয়া হাসানের গল্প যেন ইয়েমেনের নতুন করে শুরু - [গাজার ধ্বংসস্তূপে ম্যাকলমোরের দেয়ালচিত্র, ‘কণ্ঠস্বর ব্যবহারের জন্য ধন্যবাদ’](https://sarakhon.com/news/189009/): গাজা সিটির যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় মার্কিন র‍্যাপার ম্যাকলমোরের একটি দেয়ালচিত্র এঁকেছেন স্থানীয় দুই শিল্পী। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও ধ্বংসাবশেষের মাঝে বড় একটি কংক্রিটের অংশে আঁকা এই ছবিতে ম্যাকলমোরকে ফিলিস্তিনি পতাকায় আবৃত অবস্থায় দেখা যায়। তার এক হাত মুষ্টিবদ্ধ করে উঁচু করা। দেয়ালচিত্রটির পাশে লেখা হয়েছে—‘ফিলিস্তিনের জন্য আপনার কণ্ঠস্বর ব্যবহারের জন্য ধন্যবাদ।’ ম্যাকলমোরের ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান এবং ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের আসন্ন সফর থেকে তাকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এই দেয়ালচিত্র সামনে এলো। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার শিল্পী অ্যান রেডওয়ান ও কুসাই আল-হেলো মিলে এটি এঁকেছেন রেডওয়ান বলেন, ম্যাকলমোরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই তারা দেয়ালচিত্রটি এঁকেছেন। গাজায় বসবাসকারী একজন শিল্পী হিসেবে তিনি মনে - [ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা, হোয়াইট হাউসে CNN, MS NOW ও Politico নিষিদ্ধ](https://sarakhon.com/news/189006/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে তিনটি বড় সংবাদমাধ্যম—CNN, MS NOW ও Politico—প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব সংবাদমাধ্যমকে ‘ভুয়া খবর’ প্রকাশের অভিযোগ করেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে নিশ্চিত করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, এসব সংবাদমাধ্যম বছরের পর বছর ধরে তাঁর সম্পর্কে ‘মিথ্যা’ ও ‘কাল্পনিক’ প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। তবে নিষেধাজ্ঞার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা কাজ করেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি মূলত গত কয়েক বছরের ‘সমষ্টিগত’ প্রতিবেদন ও কভারেজের ফল। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প - [গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে ডেনমার্ক-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি](https://sarakhon.com/news/189003/): যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে নেওয়ার যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, নতুন এই চুক্তি সেই লক্ষ্য থেকে অনেকটাই দূরে। চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও উপস্থিতি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ কোনো দেশ যাতে দ্বীপটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করা হবে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, এর মাধ্যমে উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। শুক্রবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চুক্তির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা - [গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই, বাজারে স্বস্তি নেই: জ্বালানি ও অর্থায়ন সংকটে চাপে বাংলাদেশের দৈনন্দিন জীবন](https://sarakhon.com/news/188991/): রাত ১টার দিকে ঢাকার একটি বাসায় অ্যালার্ম বেজে ওঠে। ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে যেতে হয় একজন কর্মজীবী নারীকে। এটি অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নয়, পরিবারের জন্য রান্না করার সময়। কারণ দিনের অন্য সময়ে পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ এতটাই কম থাকে যে চুলা জ্বালানো কঠিন। বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি শুধু শিল্প বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সমস্যা হয়ে নেই। এটি মানুষের ঘুম, রান্নার সময়, যাতায়াত, ব্যবসা, আয় এবং বাজারের ব্যাগ—সবকিছুকে প্রভাবিত করছে। ঢাকার প্রায় চার কোটি মানুষের এই শহরে রাত নামার পর বহু এলাকা আগের মতো আলোকিত থাকে না। দোকান ও বাজার আগেভাগে বন্ধ হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের কোথাও কোথাও - [গার্ডিয়ান রিপোর্ট: জ্বালানি সংকটে অন্ধকার বাংলাদেশ, টাকা খরচ করেও ভরে না বাজারের ব্যাগ](https://sarakhon.com/news/188987/): রাত ১টা বাজতেই হালদারের অ্যালার্ম বেজে ওঠে। ৩৪ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি ব্যাংক কর্মকর্তা ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরের দিকে যান। কাজের জন্য নয়, পরিবারের জন্য রান্না করতে। ঢাকায় চলমান জ্বালানি সংকট এতটাই তীব্র যে, পাইপলাইনের গ্যাসের চাপ রান্নার জন্য যথেষ্ট থাকে মূলত গভীর রাতেই। প্রায় চার কোটি মানুষের শহর ঢাকায় জ্বালানি সংকট দৈনন্দিন জীবনকে স্থবির করে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সন্ধ্যার পরপরই অনেক সরকারি ও জনসাধারণের ব্যবহৃত স্থান অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। মানুষকে এখন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহের সঙ্গে নিজেদের জীবনযাত্রার সময়সূচি মিলিয়ে নিতে হচ্ছে। হালদার বলেন, “সরকারের কাছে আমি অসাধারণ কিছু চাই না। চুলা জ্বালালে গ্যাস পেতে চাই, বাতি জ্বালালে বিদ্যুৎ - [ফরিদপুরে হাইওয়ে থানার সামনে পার্কিং করা বাসে আগুন](https://sarakhon.com/news/188984/): ফরিদপুর শহরতলির কানাইপুরে করিমপুর হাইওয়ে থানার সামনে পার্কিং করে রাখা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ‘পূর্বাশা পরিবহন’-এর বাসে আগুন স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, করিমপুর হাইওয়ে থানার ঠিক সামনে পার্কিং করে রাখা ‘পূর্বাশা পরিবহন’-এর একটি বাসে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন বাসটির বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাসটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। কারা আগুন দিয়েছে, - [বিটিভি ভবনসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, রাতে বাসে আগুন](https://sarakhon.com/news/188980/): রাজধানী ঢাকায় শুক্রবার দিনভর একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের পর রাতে রামপুরার বিটিভি ভবনসংলগ্ন এলাকায় জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ এবং নিউমার্কেট এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর কিছুক্ষণ আগে কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। একই দিনে রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, থানা ও জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় নগরজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে রাত পর্যন্ত এসব ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। বিটিভি ভবনসংলগ্ন এলাকায় জোড়া বিস্ফোরণ শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার পর রামপুরার বিটিভি ভবনের বিপরীত পাশের সড়কে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। রামপুরা থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলটি হাতিরঝিল থানা এলাকার - [সৌদি আরবের তেল সরবরাহ বন্ধ, আগামী মাসে বিপাকে ইউরোপের শোধনাগার](https://sarakhon.com/news/188978/): সৌদি আরব আগামী মাসে ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ স্থগিত করতে যাচ্ছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া সংকটের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো অন্তত দুই ইউরোপীয় শোধনাগার গ্রাহককে জানিয়েছে, আগামী মাসে তাদের কাছে কোনো অপরিশোধিত তেল পাঠানো হবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তারা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আগামী মাসে ইউরোপের সব ক্রেতার জন্যই নিয়মিত তেল সরবরাহ স্থগিত থাকবে। চুক্তিভিত্তিক সরবরাহে বড় পরিবর্তন ইউরোপের তেল ক্রেতারা সাধারণত সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অপরিশোধিত - [জনগণের নামে রাজনীতি যখন গণতন্ত্রের জন্য সমস্যার কারণ](https://sarakhon.com/news/188967/): গণতন্ত্রের একটি মৌলিক ধারণা হলো—রাষ্ট্রের ক্ষমতার উৎস জনগণ। কিন্তু এই ধারণার মধ্যেই এমন একটি বিপরীতমুখী ঝুঁকি রয়েছে, যা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে প্রায়ই উপেক্ষিত হয়। জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া গণতন্ত্রের অপরিহার্য শর্ত। কিন্তু প্রতিটি সিদ্ধান্তের আগে শুধু জনমত কী বলবে—এই হিসাবকে রাজনীতির প্রধান চালিকাশক্তি বানিয়ে ফেললে সেটিই আবার গণতন্ত্রের দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় সংসদে সাম্প্রতিক সরকারি পদে নিয়োগসংক্রান্ত শুনানিগুলো সেই দ্বন্দ্বকে সামনে এনেছে। প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, পারিবারিক বিষয়, বিভিন্ন সম্পর্ক, স্বার্থের সংঘাত, বিতর্কিত বক্তব্য ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবশ্যই গণতান্ত্রিক জবাবদিহির অংশ। গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে কে দায়িত্ব নেবেন, তার সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতা সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কিন্তু - [হিমালয়ে পাহাড় ধসলে বিপদ থামে না, নদী তা বয়ে আনে](https://sarakhon.com/news/188965/): ২৬ আগস্ট ২০২৬ নেপাল-তিব্বত হিমালয় অঞ্চলের বিপর্যয় আবারও একটি পুরোনো সত্য সামনে এনেছে—পাহাড়ে কোনো দুর্যোগকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ ক্রমেই কমে আসছে। একটি ভূতাত্ত্বিক অস্থিতিশীলতা থেকে শুরু হয়ে ভূমিধস, বরফ ও শিলার ধস, নদীপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, সাময়িক জলাধার তৈরি এবং শেষ পর্যন্ত সেই প্রাকৃতিক বাধা ভেঙে আকস্মিক বন্যায় রূপ নেওয়া—একটি ঘটনার মধ্যেই একাধিক বিপদের জন্ম হতে পারে। এই ধরনের বিপর্যয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এর উৎস যেখানে, ক্ষতির পরিধি সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকে না। হিমালয়ের সরু ও ঘনবসতিপূর্ণ উপত্যকায় পাহাড় থেকে নেমে আসা পানি, পাথর ও পলি কয়েক দশক কিলোমিটার দূরের জনপদ, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা বসতিকে বিপদের মুখে ফেলতে - [ভিয়েতনামে ভারী বৃষ্টিতে বন্যা, নিহত ৩, প্লাবিত ১৬ হাজার ঘর](https://sarakhon.com/news/188961/): উত্তর ভিয়েতনামে টানা ভারী বৃষ্টিতে ভিয়েতনামে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। ষোলো হাজারের বেশি বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিতে কিছু এলাকায় ছয়শ তিপ্পান্ন মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমনটাই জানানো হয়েছে। বাইশ হাজার হেক্টরের বেশি ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ভিয়েতনামে বন্যায়। জাতীয় ও প্রাদেশিক সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হয়েছে। ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চল প্রতি বছর বর্ষায় এই ধরনের বন্যার ঝুঁকিতে থাকে। তবে এবারের বৃষ্টির তীব্রতা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানাচ্ছে স্থানীয় সূত্র। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এই ভিয়েতনামে - [চীনের হুমকি মোকাবিলায় প্রথমবার যৌথ ড্রোন মহড়ায় তাইওয়ান](https://sarakhon.com/news/188958/): চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকি মোকাবিলায় প্রথমবারের মতো তাইওয়ান একটি বড় তাইওয়ান ড্রোন মহড়া চালিয়েছে। এতে একাধিক আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়ন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধিকে তার নীতির মূল অগ্রাধিকার ঠিক করেছেন। চীন তাইওয়ানকে নিজের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগেও একীভূত করার হুমকি দিয়ে আসছে দেশটি। এই প্রেক্ষাপটে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিশেষত সাশ্রয়ী ড্রোন প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোনের কার্যকারিতা দেখার পর বিশ্বজুড়ে সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তন এসেছে। ছোট বাজেটের দেশগুলোও এখন ড্রোনে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এই তাইওয়ান ড্রোন মহড়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাইওয়ান প্রণালীতে সামরিক - [দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের জাহাজে চীনা জাহাজের ধাক্কা](https://sarakhon.com/news/188955/): দক্ষিণ চীন সাগর উত্তেজনার সবশেষ ঘটনায় ফিলিপাইনের একটি সরকারি জাহাজে চীনা কোস্টগার্ডের জাহাজ ধাক্কা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ফিলিপাইন। দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড বলছে তাদের একটি মাছ ধরার জাহাজ চীনা জাহাজের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে চীনের কোস্টগার্ড পাল্টা দাবি করেছে, দায় ফিলিপাইনের জাহাজেরই। দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলসীমা নিয়ে ফিলিপাইন ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন উত্তেজনা চলছে। চীন প্রায় পুরো সমুদ্র এলাকার সার্বভৌমত্ব দাবি করে। আন্তর্জাতিক আদালতের একটি রায়ে এই দাবি ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তবু নিয়মিত বিরতিতে দুই দেশের জাহাজের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটে থাকে। জেলে সম্প্রদায় প্রায়ই এই উত্তেজনার প্রথম শিকার হন। এই দক্ষিণ চীন সাগর উত্তেজনা - [নেপালের বন্যায় বিধ্বস্ত জনপদ, ত্রাণকাজেও নতুন সংকট](https://sarakhon.com/news/188952/): নেপাল বন্যায় বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ভূমিধসে জরুরি সেবায়ও বিঘ্ন ঘটেছে। দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে বেত্রাওয়াতি ও দেভিঘাটের বাসিন্দাদের কথা উঠে এসেছে। অনেকে নিজেদের পূর্ব জীবনের প্রায় কোনো চিহ্নই খুঁজে পাচ্ছেন না। মালদ্বীপে কর্মরত এক নারী তার দাদির খোঁজে ছুটে এসেছেন, এমন হৃদয়বিদারক ঘটনাও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি তথা ডব্লিউএফপি এই নেপাল বন্যা ত্রাণ কার্যক্রমকে তাদের অন্যতম কঠিনতম অভিযান বলে আখ্যা দিয়েছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে ত্রাণ পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। হেলিকপ্টারে ত্রাণ পাঠানোর মতো ব্যয়বহুল পন্থাও নিতে হচ্ছে সংস্থাগুলোকে। এই সংকটের মধ্যে এক উদ্বেগজনক প্রবণতা সামনে - [মুসলিম আমলাদের বঞ্চনার অভিযোগ, কমিশনে চিঠি মহুয়া মৈত্রের](https://sarakhon.com/news/188949/): পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম আমলাদের বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র। তিনি জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনে চিঠি দিয়েছেন। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফরে যান। সেই সফরকালীন কিছু অনুষ্ঠান থেকে মুসলিম আইএএস ও আইপিএস কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তার। ভারতীয় রাজনীতিতে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যের অভিযোগ দীর্ঘদিনের স্পর্শকাতর বিষয়। প্রশাসনিক পর্যায়ে এমন অভিযোগ উঠলে তা সংখ্যালঘু নীতি নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কে রূপ নেয়। মহুয়া মৈত্র এর আগেও কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনায় সরব থেকেছেন। সংখ্যালঘু অধিকার প্রশ্নে তিনি বারবার সংসদে কথা বলেছেন। মুসলিম আমলা বঞ্চনার এই অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ। এটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের ভেতরে ধর্মীয় বৈষম্যের প্রশ্ন - [কারাদণ্ড শেষ হবে বাড়িতে থেকেই, নাজিব রাজাককে রাজকীয় ক্ষমা](https://sarakhon.com/news/188946/): মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে রাজকীয় ক্ষমা দিয়েছে দেশটির পার্ডন বোর্ড। বাকি কারাদণ্ড এখন থেকে গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাতে পারবেন তিনি। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দার এই শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা দিয়েছেন। গৃহবন্দি অবস্থায় স্থানান্তরের আগে নাজিবকে পাঁচ কোটি রিঙ্গিত, অর্থাৎ প্রায় এক কোটি বাইশ লাখ ডলার জরিমানা দিতে হবে। দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন নাজিব। তার মূল সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের আগস্টে। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এটি মালয়েশিয়ার ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতি মামলা। এই মামলায় বিশ্বজুড়ে বহু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে পড়েছিল। এই - [আশরাফের অসমাপ্ত রাজনৈতিক যাত্রা: পরিচয় থেকে বৃহত্তর নাগরিকত্বের পথে](https://sarakhon.com/news/188941/): শ্রীলঙ্কার মুসলিম রাজনীতির ইতিহাসে এমএইচএম আশরাফের নাম উচ্চারিত হলে সাধারণত একটি শক্তিশালী মুসলিম রাজনৈতিক নেতৃত্ব, শ্রীলঙ্কা মুসলিম কংগ্রেসের উত্থান এবং জোটের রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের প্রসঙ্গ সামনে আসে। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্যায়ের দিকে তাকালে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দেখা যায়—যে পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি তাঁকে শক্তিশালী করেছিল, তিনি কি শেষ পর্যন্ত সেই রাজনীতির সীমাবদ্ধতা নিয়েও ভাবতে শুরু করেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আশরাফের ন্যাশনাল ইউনিটি অ্যালায়েন্স বা জাতীয় ঐক্য জোট গঠনের দিকে নতুন করে তাকাতে হয়। ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে তিনি উপলব্ধি করতে শুরু করেছিলেন যে একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দল হিসেবে মুসলিম কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরিসরেরও একটি সীমা রয়েছে। জাতীয় রাজনীতিতে আরও - [মার্কিন নাগরিককে মুক্ত করতে বিরল সফরে মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা](https://sarakhon.com/news/188937/): আটক এক মার্কিন ব্যবসায়ীকে মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মিয়ানমার সফর করেছেন। ডিভিবি ইংলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সপ্তাহে মার্কিন প্রতিনিধিদল মিয়ানমারে যায়। তারা সামরিক জান্তার সঙ্গে বৈঠক করে আটক নাগরিক অ্যাডাম কাস্টিলোর মুক্তি নিশ্চিতের চেষ্টা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে নির্বাচিত সরকার উৎখাত হয়। এরপর থেকে জান্তার সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ সীমিত। নোবেলজয়ী অং সান সু চিসহ নেতাদের ক্ষমতাচ্যুত করার পর যুক্তরাষ্ট্র জান্তার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই মিয়ানমার সফর একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। এই মিয়ানমার সফর তাৎপর্যপূর্ণ। এটি ইঙ্গিত দেয়, নাগরিক মুক্তির মতো মানবিক প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র - [ফিলিপাইনের স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত অন্তত তিন, বন্দুকধারীও নিহত](https://sarakhon.com/news/188934/): দক্ষিণ ফিলিপাইনের একটি স্কুলে বন্দুক হামলা হয়েছে। এতে অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মেয়র। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনের পর থেকে দেশটির স্কুলে এটি দ্বিতীয় বন্দুক হামলা। ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুক হামলা ঐতিহাসিকভাবে বিরল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের ঘটনা বাড়ছে। এটি দেশটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বন্দুকধারীর পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। অস্ত্র আইনের প্রয়োগ নিয়েও দেশটিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হতে পারে। এই স্কুলে বন্দুক হামলা দক্ষিণ এশিয়ার পাঠকদের জন্যও তুলনামূলক গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় স্কুল নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা - [উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরণ, নিহত ১৬](https://sarakhon.com/news/188931/): পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জুমার নামাজ চলাকালে এক মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। দ্য হিন্দু ও দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনো কেউ এই মসজিদে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি। কিছু প্রতিবেদনে একে নিকটবর্তী একটি পুলিশ স্থাপনার ওপর হামলা হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। অধিকাংশ সূত্র অবশ্য নিশ্চিত করেছে, বিস্ফোরণটি মসজিদেই ঘটেছে। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দীর্ঘদিন জঙ্গি হামলার লক্ষ্যবস্তু। এই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী ও ধর্মীয় স্থাপনার ওপর হামলা নিয়মিত ঘটনা। আত্মঘাতী বোমা হামলার ধরন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, পেছনে সংগঠিত কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর হাত থাকতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। - [রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো বন্ধের আহ্বান, মালয়েশিয়াকে সতর্ক করল ফরটিফাই রাইটস](https://sarakhon.com/news/188928/): মানবাধিকার সংগঠন ফরটিফাই রাইটস মালয়েশিয়া সরকারকে একটি আহ্বান জানিয়েছে। রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে বলেছে তারা। ডিভিবি ইংলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রায় দেড় হাজার মিয়ানমার নাগরিককে ফেরত পাঠানোর কথা রয়েছে। সরকারের মূল পরিকল্পনায় আগামী কয়েক মাসে পাঁচ হাজার শরণার্থী ফেরত পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। সংগঠনটি মালয়েশিয়াকে রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিক শরণার্থী মর্যাদা দিতে আহ্বান জানিয়েছে। তাদের বৈধ অবস্থান ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিতেরও দাবি জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়া জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয়। ফলে সেখানে রোহিঙ্গাদের আইনি সুরক্ষা বরাবরই দুর্বল। কাজের অনুমতি না থাকায় অনেকে অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করতে বাধ্য হন। এই জোরপূর্বক প্রত্যাবাসনের ঘটনা আরও তাৎপর্যপূর্ণ। একই সময়ে মালয়েশিয়া - [বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাত্রীদের হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল](https://sarakhon.com/news/188925/): বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যাত্রীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের মাঝপথে যাত্রীরা একে অপরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। সহযাত্রীরা তা মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন। ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফ্লাইট নম্বর কিংবা রুট সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য নেই। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে এমন ঘটনা বিরল নয়। তবে তা একটি জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থায় ঘটলে বাড়তি মনোযোগ তৈরি হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের প্রধান রাষ্ট্রীয় সংস্থা হওয়ায়, এই ভিডিও দ্রুত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও জায়গা পেয়েছে। প্রতিবেশী দেশের সংবাদমাধ্যমে দ্রুত এই খবর আসাটাও লক্ষণীয়। উড়োজাহাজের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সাধারণত নিরাপত্তা উদ্বেগের জন্ম দেয়। - [এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকি ম্যাচে ভুলে বাজল উত্তর কোরিয়ার সংগীত](https://sarakhon.com/news/188922/): জাপানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের হকি ম্যাচের আগে একটি সংগীত বিভ্রাট হয়েছে। আয়োজকরা ভুলবশত উত্তর কোরিয়ার জাতীয় সংগীত বাজিয়ে দেন। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতের বদলে এই ভুল ঘটে। এই সংগীত বিভ্রাট নিয়ে গেমস আয়োজকদের ঘিরে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিংশতম এশিয়ান গেমস শনিবার থেকে জাপানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। কিছু ইভেন্ট অবশ্য আগেভাগেই মাঠে গড়িয়েছে। এত বড় আসরে এমন সংগীত বিভ্রাট সচরাচর ঘটে না। দুই কোরিয়ার মধ্যকার রাজনৈতিক বিভাজন অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া কার্যত এখনো যুদ্ধাবস্থায়। ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি হয়নি। তাই এমন ভুল কূটনৈতিকভাবেও অস্বস্তিকর হয়ে - [আরাকানে রোহিঙ্গাদের ভূমি দখল নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিবেদনে নতুন তথ্য](https://sarakhon.com/news/188919/): আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গা বেসামরিক নাগরিকরা জান্তা ও আরাকান আর্মি উভয়ের হাতে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। জাতিসংঘের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ডিভিবি ইংলিশে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে সাংবাদিক শফিউর রহমান লিখেছেন, আরাকান আর্মি উত্তর আরাকানে রোহিঙ্গা ভূমি দখল চালাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী এতে রয়েছে অ-রোহিঙ্গা বসতি স্থাপন, বাড়িঘর জোরপূর্বক ভাঙা এবং পূর্বপুরুষের গ্রামের নাম বদল। নিবন্ধে মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকার তথা এনইউজির সমালোচনা করা হয়েছে। লেখকের যুক্তি, এনইউজির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচিত আউং কিয়াও মোয়ে এই রোহিঙ্গা ভূমি দখল নিয়ে যথেষ্ট সরব নন। এনইউজি নিজেকে মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক প্রতিরোধের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরে থাকে। নিবন্ধের এই নির্দিষ্ট অভিযোগ ও আউং কিয়াও মোয়ের - [রাখাইনে সিত্তওয়ে ঘিরে মিয়ানমার সেনার হামলা, দুই নৌকা ধ্বংস](https://sarakhon.com/news/188916/): মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিত্তওয়েকে ঘাঁটি বানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। সেখান থেকে আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হামলা জোরদার করেছে তারা। মিয়ানমার নাউয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয়রা বলছেন সাম্প্রতিক অভিযানে দুটি মাছ ধরার নৌকা ধ্বংস হয়েছে। এই সিত্তওয়ে হামলা মূলত বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাখাইন রাজ্য দীর্ঘদিন সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৩ সালে জান্তা ও আরাকান আর্মির যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে। তারপর থেকে এই অঞ্চলে সহিংসতা নিয়মিত ঘটনা। আরাকান আর্মি ইতিমধ্যে রাখাইনের বিস্তীর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। জান্তা বাহিনী সিত্তওয়েসহ কিছু কৌশলগত পয়েন্ট ধরে রাখার চেষ্টা করছে। উপকূলীয় এই শহর জান্তার জন্য সরবরাহ ও যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সিত্তওয়ে হামলা প্রমাণ করে - [রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিন অং হ্লাইংকে মালয়েশিয়ার আমন্ত্রণ](https://sarakhon.com/news/188913/):   মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বুধবার এক ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইংকে আনুষ্ঠানিক সফরে আমন্ত্রণ জানাতে তিনি প্রস্তুত। তবে শর্ত একটি। জান্তা সরকারকে হাজার হাজার শরণার্থী ফেরত নিতে হবে। এই তালিকায় রয়েছেন রোহিঙ্গারাও, যারা এখন মালয়েশিয়ায় আশ্রয়ে আছেন। ডিভিবি ইংলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিন অং হ্লাইং সম্প্রতি মিয়ানমারের শীর্ষ পদে দায়িত্ব নিয়েছেন। এই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রস্তাব এমন সময়ে এলো, যখন মিয়ানমার সংকট নিয়ে আঞ্চলিক কূটনীতি নতুন মোড় নিচ্ছে। ২০১৭ সালের সেনা অভিযানের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার ছেড়েছেন। তাদের বড় অংশ বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছেন। বাকিরা ছড়িয়ে পড়েছেন মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে। মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিক শরণার্থী - [‘দ্য হোলস’-এ পুরুষের একাকিত্বের অন্ধকারে ঢুকছেন ম্যাক্স উলফ ফ্রিডলিখ](https://sarakhon.com/news/188909/): নিউইয়র্কের সমকালীন থিয়েটারে পুরুষের একাকিত্ব, যৌনতা, বিশ্বাস, সম্পর্কের সংকট এবং বদলে যাওয়া পুরুষত্বের ধারণাকে নতুনভাবে সামনে আনছেন নাট্যকার ম্যাক্স উলফ ফ্রিডলিখ। তাঁর নতুন নাটক দ্য হোলস আগামী ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ইস্ট ভিলেজের ওয়াইল্ড প্রজেক্টে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। নাটকটি চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। ফ্রিডলিখের কাছে এই নাটকের শুরু অবশ্য বহু বছর আগে। তিনি যখন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র, তখন ইংরেজি বিষয়ের একটি কাজ হিসেবে নাটকটি লিখেছিলেন। নাটকটির বিষয় ছিল একটি বারের পেছনের ঘরে পুরুষদের গোপন যৌনজীবন ও ঘনিষ্ঠতার জগৎ। শিক্ষক তাঁর লেখা পছন্দ করলেও পরে তাঁকে আলাদা করে ডেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার কথা জানান। ফ্রিডলিখের মনে আছে, বিষয়টি নিয়ে তাঁর শিক্ষকের সবচেয়ে বড় বিস্ময় - [ইতালিতে সন্তান পালনের অভিজ্ঞতা, নিউইয়র্কের মায়ের চোখে একেবারেই ভিন্ন](https://sarakhon.com/news/188906/): নিউইয়র্কে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এক মার্কিন মা ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। সেখানে তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের সংসার এবং দুই সন্তানকে বড় করছেন। তাঁর ৮ বছরের মেয়ে ও ৩ বছরের ছেলে—দুজনেরই জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইতালিতে। আর সন্তান পালনের এই অভিজ্ঞতা তাঁকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির পারিবারিক সংস্কৃতির মধ্যে পার্থক্য কতটা গভীর। কারোলিন চিরিচেল্লা ২৪ বছর বয়সে ইতালিতে চলে আসেন। নিজের শৈশব কেটেছে নিউইয়র্ক শহরে। ফলে সন্তান পালনের ক্ষেত্রে তিনি একদিকে নিজের বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা বহন করছেন, অন্যদিকে ইতালির পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছেন। তাঁর মতে, ইতালিতে সন্তান লালন-পালনের বেশ কিছু দিক - [২০২৭ সালের বসন্ত-গ্রীষ্মে অফিস পোশাকে আসছে নতুন ধারা](https://sarakhon.com/news/188903/): নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকে ২০২৭ সালের বসন্ত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের কর্মক্ষেত্রের পোশাক বা ওয়ার্কওয়্যারের সম্ভাব্য নতুন প্রবণতাগুলো সামনে এসেছে। এবারের ধারায় পুরোনো দিনের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে আধুনিক, স্বচ্ছন্দ ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশের ধরনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফ্যাশন দুনিয়ায় অফিসের পোশাক বলতে একসময় মূলত নির্দিষ্ট ধরনের স্যুট, শার্ট, ট্রাউজার ও আনুষ্ঠানিক পোশাককেই বোঝানো হতো। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কর্মজীবীদের পছন্দ বদলানোর সঙ্গে সেই ধারণাতেও পরিবর্তন আসছে। ২০২৭ সালের বসন্ত-গ্রীষ্মের প্রবণতায় দেখা যাচ্ছে, পোশাক হতে পারে একই সঙ্গে পরিপাটি, আরামদায়ক এবং ব্যক্তিত্বপূর্ণ। এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ঐতিহ্যবাহী বা ‘হেরিটেজ’ ধাঁচের পোশাকের প্রতি নতুন করে আগ্রহ। নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকে Brooks Brothers-এর ২০২৭ সালের বসন্ত-গ্রীষ্মের সংগ্রহে - [চাঁদের বুকে এক শতাব্দীর বিরল গর্ত, নাসার স্ক্যানে মিলল ২০২৪ সালের মহাজাগতিক আঘাত](https://sarakhon.com/news/188900/): চাঁদের বুকে নতুন একটি বিশাল গর্তের সন্ধান পেয়েছেন নাসার এক গবেষক। বিজ্ঞানীদের মতে, এ ধরনের বড় আঘাতে তৈরি গর্ত চাঁদের পৃষ্ঠে গড়ে এক শতাব্দীতে একবার, এমনকি তারও বেশি সময় পরপর তৈরি হতে পারে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো—গর্তটি কয়েক বছর আগে তৈরি হলেও এত দিন বিজ্ঞানীদের নজর এড়িয়ে ছিল। নতুন আবিষ্কৃত গর্তটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ম্যাকগেটচিন’। এর ব্যাস প্রায় ৭৩০ ফুট বা ২২২ মিটার। নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের বসন্তে একটি ধূমকেতু বা গ্রহাণু চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়ার ফলে এই গর্ত তৈরি হয়ে থাকতে পারে। যে মহাজাগতিক বস্তুটি চাঁদে আঘাত করেছিল, সেটি আনুমানিক তিন থেকে ছয়তলা ভবনের সমান বড় ছিল বলে ধারণা - [‘ছাত্রঋণের চেয়েও বেশি ভাড়া’—যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যয়ের চাপ বাড়ছে](https://sarakhon.com/news/188894/): যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ শুধু টিউশন ফি কিংবা বই-খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ব্যয়ও এখন বড় এক আর্থিক বোঝা হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বেসরকারি ছাত্রাবাসের ভাড়া দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় কাজ করতে হচ্ছে। এতে তাদের পড়াশোনা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। স্কটল্যান্ডের এডিনবরার শিক্ষার্থী লারা এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর যে আবাসনের প্রস্তাব তিনি পেয়েছিলেন, সেটি তাঁর সামর্থ্যের বাইরে ছিল। কিন্তু শহরে সাশ্রয়ী ছাত্রাবাস পাওয়া কঠিন হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করতে হয় তাঁকে। লারা জানান, প্রথম বর্ষের প্রায় পুরো সময় ভাড়ার বিষয়টি তাঁকে দুশ্চিন্তায় রেখেছিল। প্রতি - [খরা কাটাতে টানা সাত মাস বৃষ্টি দরকার ইংল্যান্ডে, বসন্তেও থাকতে পারে পানির সংকট](https://sarakhon.com/news/188891/): ইংল্যান্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলমান খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আগামী সাত মাসজুড়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত প্রয়োজন হতে পারে। নতুন এক গবেষণা বলছে, ২০২৭ সালের বসন্তের মধ্যে ইংল্যান্ডের সব এলাকায় খরা পরিস্থিতি শেষ করতে এখন থেকে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ১২০ শতাংশ বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে কয়েক দফা বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি এনেছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি। ইংল্যান্ডের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এলাকা এখনো খরার মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবেশ সংস্থা। অস্বাভাবিক শুষ্ক বসন্ত ও গ্রীষ্ম, এর সঙ্গে একের পর এক তাপপ্রবাহ—সব মিলিয়ে পানির ঘাটতি তৈরি হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে। পরিবেশ সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসে পর্যাপ্ত - [কফি খেয়েও কারও ঘুম আসে, আবার কারও রাতভর ঘুম হারাম—কেন এমন হয়?](https://sarakhon.com/news/188888/): কেউ সন্ধ্যার পর এক কাপ কফি খেলেই অস্থির হয়ে পড়েন, রাতে বিছানায় শুয়ে ঘুমের অপেক্ষায় ছটফট করেন। আবার এমন মানুষও আছেন, যিনি রাতে কফি, কোমল পানীয় কিংবা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় খেলেও নির্বিঘ্নে ঘুমিয়ে পড়েন। তাহলে একই পানীয় মানুষের শরীরে এত ভিন্ন প্রভাব ফেলে কেন? ২০ বছর বয়সী এমিলি যেমন বলেন, কফি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় তার শরীর কিংবা ঘুমে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। লন্ডনে সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি ক্যাফে থেকে বের হওয়ার সময় তিনি জানান, সাধারণত দিনে দুই কাপ কফি পান করেন। এর সঙ্গে কখনো একটি শক্তিবর্ধক পানীয়ও খান। এমনকি রাতে কোমল পানীয় খেলেও তার ঘুমের সমস্যা হয় না। এমিলির মতো মানুষ - [চীনের স্কুলে ‘জেন আয়ার’, কিশোরদের প্রেম শেখাতেই কি ক্লাসিক এই উপন্যাস?](https://sarakhon.com/news/188885/): চীনের নতুন শিক্ষাবর্ষে কিশোর-কিশোরীদের বাধ্যতামূলক পাঠ্যতালিকায় জায়গা পেয়েছে ১৯ শতকের বিখ্যাত ইংরেজি উপন্যাস ‘জেন আয়ার’। শার্লট ব্রন্টির লেখা এই উপন্যাস একদিকে যেমন একজন নারীর আত্মমর্যাদা, স্বাধীনতা ও কঠিন জীবনের গল্প, অন্যদিকে তেমনি প্রেম, সম্পর্ক ও আত্মপরিচয়েরও জটিল আখ্যান। চীনের মতো দেশে, যেখানে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে রাষ্ট্রের আদর্শ ও মূল্যবোধের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বাছাই করা হয়, সেখানে ‘জেন আয়ার’-এর অন্তর্ভুক্তি অনেকের কাছেই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে এমন সময়ে, যখন দেশটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন উপন্যাস ও ছোট নাটকে প্রেম ও সম্পর্কের নানা অতিরঞ্জিত উপস্থাপনা নিয়ে কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র ‘বেইজিং ডেইলি’ বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে চেহারা, অর্থ ও সামাজিক অবস্থানকে কেন্দ্র - [অভিশংসন প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কতটা সাংবিধানিক?](https://sarakhon.com/news/188880/): ফিলিপাইনের অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক আসলে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ঘিরে সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে একটি মৌলিক সাংবিধানিক প্রশ্ন—অভিশংসনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব কার? আইনসভা, নাকি সর্বোচ্চ আদালত? এই প্রশ্নটি এখন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের অভিশংসন মামলার প্রেক্ষাপটে। সিনেটের অভিশংসন আদালত ইতোমধ্যে দোষী সাব্যস্ত বা অব্যাহতির জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত শুনেছে। সিনেটর পিয়া কায়েতানো আবারও যুক্তি দিয়েছেন, সিনেট নিজের এখতিয়ার-সংক্রান্ত প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে পারে না; এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা কেবল সুপ্রিম কোর্টের। কিন্তু সংবিধানের কাঠামো খুঁটিয়ে দেখলে এই অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আইনসভাকে দেওয়া ক্ষমতার অর্থ কী? ফিলিপাইনের সংবিধানের ১১ - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে স্কটল্যান্ডে বড় বৈঠক, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করলেন রাজা চার্লস](https://sarakhon.com/news/188875/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিকাশ এবং এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের আয়ারশায়ারের ডামফ্রিজ হাউসে আয়োজিত এই বৈঠকে এনভিডিয়া, ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও গুগল ডিপমাইন্ডের মতো প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো এআই কীভাবে মানুষের কল্যাণে এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় কাজে লাগানো যায়, পাশাপাশি এর নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যায়—তা নিয়ে আলোচনা করা। আয়োজনের সঙ্গে রয়েছে কিংস ট্রাস্ট, কিংস ফাউন্ডেশন ও সাসটেইনেবল মার্কেটস ইনিশিয়েটিভ। বৈঠকে যুক্তরাজ্যের এআইবিষয়ক মন্ত্রী কানিশকা নারায়ণও অংশ নিচ্ছেন। চীনের প্রতিনিধিদেরও সেখানে থাকার কথা রয়েছে। গুগল ডিপমাইন্ডের প্রতিষ্ঠাতা ডেমিস হাসাবিস - [ক্যানসার রোগীদের জীবনে বাড়তি সময়ের আশা, ইংল্যান্ডে NHS-এ মিলবে নতুন ওষুধ](https://sarakhon.com/news/188870/): ইংল্যান্ডে নির্দিষ্ট ধরনের দুরারোগ্য স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য নতুন আশার খবর এসেছে। এখন থেকে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (NHS)-এর মাধ্যমে HER2-low মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা জীবন কিছুটা দীর্ঘ করতে সক্ষম একটি ওষুধ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। ‘এনহার্টু’ (Enhertu) নামের এই ওষুধটি ব্যবহার করলে রোগীরা গড়ে প্রায় সাত মাস অতিরিক্ত বাঁচতে পারেন বলে চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য থেকে জানা গেছে। এর ফলে এমন রোগীদের চিকিৎসায় নতুন একটি সম্ভাবনার দরজা খুলেছে, যাদের ক্যানসার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং পুরোপুরি নিরাময়ের সুযোগ নেই। স্কটল্যান্ডে ২০২৩ সাল থেকেই NHS-এর মাধ্যমে এই ওষুধ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। ইউরোপের আরও ২৬টি দেশেও ওষুধটি পাওয়া যাচ্ছে। এবার ইংল্যান্ডের চিকিৎসকেরাও যোগ্য - [ব্রিটেনে ফিরেই নতুন সমীকরণে প্রিন্স হ্যারি, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ—রাজপরিবারে মর্যাদা কতটা?](https://sarakhon.com/news/188867/): যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর এবার ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসতে যাচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি। স্ত্রী মেগান মার্কেলকে নিয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যে ফেরার পর এতদিন অনেকটাই আড়ালে ছিলেন সাসেক্সের ডিউক ও ডাচেস। তবে চলতি সপ্তাহে হ্যারির একাধিক জনসম্মুখে উপস্থিতি ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে তাঁর নিরাপত্তা, রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং রাজকীয় মর্যাদার প্রশ্ন। হ্যারি ও মেগান গত ২৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। তাঁরা এখন ইংল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলের কটসওল্ডস এলাকায় অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে নিজেদের নতুন ঠিকানা বা সন্তানদের স্কুল সম্পর্কে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি। সাম্প্রতিক সময়ে মেগান তাঁর ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পরিবারের নতুন জীবনের কিছু ঝলক প্রকাশ - [সমুদ্রের তলায় প্রবালের বাগান, ২১ হাজারের বেশি প্রবাল বাঁচানোর লড়াই](https://sarakhon.com/news/188863/): ফরাসি পলিনেশিয়ার মো’ওরিয়ার স্বচ্ছ নীলাভ পানির নিচে গড়ে উঠেছে এক অসাধারণ প্রবালবাগান। এখানে সমুদ্রের তলদেশে বিশেষ নার্সারিতে ২১ হাজারেরও বেশি প্রবাল লালন-পালন করা হচ্ছে। পরে এসব প্রবাল ক্ষতিগ্রস্ত প্রবালপ্রাচীরে ফিরিয়ে রোপণ করা হবে। প্রবালপ্রাচীর সমুদ্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র। অসংখ্য মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায়ও এর বড় ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু উষ্ণায়ন, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দূষণসহ নানা কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রবালপ্রাচীর ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ফরাসি পলিনেশিয়ায় প্রবাল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে কাজ করছে Coral Gardeners। তাদের উদ্যোগে সমুদ্রের নিচে তৈরি করা হয়েছে প্রবালের নার্সারি। সেখানে অপেক্ষাকৃত সুস্থ ও শক্তিশালী প্রবালগুলোকে পরিচর্যা করে বড় করা হয়। - [বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস: জীবনভর নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত হোক](https://sarakhon.com/news/188860/): বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে প্রতি ১০ জন রোগীর মধ্যে একজন কোনো না কোনো ধরনের ক্ষতির শিকার হন। এর প্রায় অর্ধেকই প্রতিরোধযোগ্য। রোগীর নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আনা এবং চিকিৎসাসেবায় এড়ানো সম্ভব এমন ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যেই প্রতিবছর পালিত হয় বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস। সরকার, স্বাস্থ্যসেবা অংশীদার ও বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একত্র করে রোগীর নিরাপত্তার প্রতি মনোযোগ বাড়ানোই এই দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। সীমিত প্রমাণ-উপাত্ত থেকে জানা যায়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে অনিরাপদ ও নিম্নমানের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষতিকর প্রভাব আরও ভয়াবহ। এসব কারণে বিশ্বে আনুমানিক ৫০ লাখ মানুষের মৃত্যু এবং অর্থনৈতিক কল্যাণে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়। এ বছর বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবসের মূল - [৬ লাখ ৫০ হাজার মানুষের শহর ছেড়ে ৪৬ জনের দ্বীপে, বদলে গেল এক দম্পতির জীবন](https://sarakhon.com/news/188856/): স্কটল্যান্ডের ব্যস্ত শহর গ্লাসগো থেকে মাত্র ৪৬ জন মানুষের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপে চলে যাওয়া—শুনতে যেন কোনো উপন্যাসের গল্প। কিন্তু সাংবাদিক এলি ডাফি ও তার স্বামীর জন্য এটি বাস্তব জীবন। দুই বছর আগে তারা শহরের পরিচিত ব্যস্ততা ছেড়ে স্কটল্যান্ডের আইল অব রাম-এ পাড়ি জমান। সঙ্গে ছিল তাদের পোষা বিড়াল। এরপর সেখানেই জন্ম নেয় তাদের সন্তান কাইলান। এলি ডাফির জীবনের স্বপ্ন একসময় ছিল শহরকেন্দ্রিক। তিনি চেয়েছিলেন সম্প্রচার সাংবাদিকতায় কাজ করবেন, সঙ্গী ও পোষা বিড়াল নিয়ে একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকবেন। ২০২৪ সালের মধ্যে তার সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছিল। গ্লাসগোতে বসবাস ও কাজ করছিলেন তিনি। টেলিভিশন প্রতিবেদনে কাজ করার পাশাপাশি নিজস্ব সন্ধ্যার সংবাদ অনুষ্ঠান তৈরির অভিজ্ঞতাও - [জাপানের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা, বেইজিং নিরাপত্তা সম্মেলনে চীনের সতর্কবার্তা](https://sarakhon.com/news/188853/): জাপানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শিয়াংশান ফোরামে চীনা বিশেষজ্ঞ ও আলোচকরা জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরে টোকিওর সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধির সমালোচনা করেছেন। তিন দিনের এই প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্মেলন বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে শেষ হয়। সম্মেলনে আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ভারসাম্য এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি। এরই মধ্যে জাপান তার মধ্যমেয়াদি প্রতিরক্ষা বাজেট দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ থেকে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার কথা বিবেচনা করছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য মিত্র দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য - [রুশ জ্বালানি কেনায় চীনের ওপর চাপ বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা অবস্থানে বেইজিং](https://sarakhon.com/news/188850/): রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলোর ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের পথ আরও সহজ করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস। এর ফলে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীনের ওপরও ওয়াশিংটনের নতুন করে চাপ তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের পাশাপাশি বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। চীন বর্তমানে রাশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানির সবচেয়ে বড় ক্রেতা। এরপর রয়েছে ভারত ও তুরস্ক। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও চীন ও কয়েকটি দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও অন্যান্য জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে অনুমোদিত নতুন বিলের মাধ্যমে রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলোর - [হালদওয়ানির ঘটনাই দেখাল, জাতিভিত্তিক অপমান ঠেকানোর আইনে কোথায় কাঠামোগত দুর্বলতা](https://sarakhon.com/news/188844/): হালদওয়ানির রামলীলা ময়দানে গত ১০ আগস্ট কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বক্তব্যের পর যে শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠান করা হয়, তা নিয়ে বিতর্কটি এখন মূলত একটি প্রশ্নকে ঘিরে—অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য কী ছিল? খাড়গের বক্তব্য, তিনি এতে অস্পৃশ্যতার অপমান অনুভব করেছেন। অন্যদিকে অনুষ্ঠান আয়োজনকারী সংগঠনের দাবি, সমাবেশে ওঠা স্লোগান এবং খাড়গের বক্তব্যের প্রেক্ষাপটেই তাদের কর্মসূচি; এর সঙ্গে জাতিগত শুদ্ধিকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। এই বিতর্ককে সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে নিয়ে যান লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেন। পাল্টা আয়োজক সংগঠন তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের কথা বলে। উত্তরাখণ্ড বিজেপির সভাপতি মহেন্দ্র ভাটও অনুষ্ঠানটির সঙ্গে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সম্পর্ক অস্বীকার করেন। কিন্তু - [পাকিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ক: ভূরাজনীতির টানাপোড়েন পেরিয়ে নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/188839/): পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক কয়েক দশকের ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং আন্তর্জাতিক সংকটের মধ্যেও টিকে আছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে শীতলতা দেখা যাচ্ছে, তা দীর্ঘদিনের পারস্পরিক নির্ভরতা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি প্রতিফলিত করে না। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, জনশক্তি এবং নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশের মধ্যে এমন কিছু অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে, যা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের মধ্যেও সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। ১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিষ্ঠার পর পাকিস্তান দেশটিকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি। এরপর দুই দেশের যোগাযোগ ক্রমেই বিস্তৃত হয়েছে। আমিরাতের রাষ্ট্র ও অর্থনীতি গড়ে ওঠার - [বন্যার পানি কমলেও দৌলতপুরে বাড়ছে দুর্ভোগ, বিশুদ্ধ পানির সংকটে ৫০ হাজার মানুষ](https://sarakhon.com/news/188834/): কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। বরং পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। একই সঙ্গে ডায়রিয়া, আমাশয় ও চর্মরোগসহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দৌলতপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা এখনো বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। এতে এক হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি অবস্থায় দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন। কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে পদ্মা নদীর পানি প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। এতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দুর্গত মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফেরেনি। অনেক এলাকায় - [মেক্সিকোয় স্প্যানিশ ছাত্রী খুন, নারীবিদ্বেষের অভিযোগে তদন্ত](https://sarakhon.com/news/188830/): মেক্সিকোয় এক স্প্যানিশ শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে মেক্সিকো ও স্পেনজুড়ে। ২১ বছর বয়সী ক্লাউদিয়া তাকোরন্তে আগুইলেরাকে মেক্সিকোর মোরেলোস অঙ্গরাজ্যের কুয়াউতলা শহরে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা এখন সম্ভাব্য নারীবিদ্বেষমূলক হত্যাকাণ্ড বা ‘ফেমিনিসাইড’ হিসেবে তদন্ত করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার রাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কাছাকাছি এলাকায় কথিত ছিনতাইয়ের সময় ক্লাউদিয়াকে হত্যা করা হয়। তবে এটি শুধুই ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল, নাকি হত্যার পেছনে নারী হওয়ার কারণে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কাজ করেছে—তা এখনো নিশ্চিত নয়। মোরেলোসের প্রসিকিউটর কার্যালয় বলেছে, তারা কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত চালাচ্ছে এবং অন্য কোনো সম্ভাব্য উদ্দেশ্যও তারা উড়িয়ে দিচ্ছে না। ক্লাউদিয়া স্পেনের - [গ্যাস সংকটে এখনো বন্ধ হয়নি কোনো পোশাক কারখানা, তবে বড় চাপের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/188831/): দেশে সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। তবে সংকটের প্রকৃত অর্থনৈতিক প্রভাব বুঝতে আরও তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ব্যাটেক্সপো ২০২৬’, আসন্ন হংকং রোডশো এবং দেশের তৈরি পোশাক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। মাহমুদ হাসান খান বলেন, পোশাক খাতে কোনো সংকটের প্রভাব সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না। একটি কারখানা বন্ধ করতে হলে আগে হাতে থাকা অর্ডার শেষ - [হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি ১,০৪৬](https://sarakhon.com/news/188824/): দেশে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত—দুই ধরনের হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৬। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ দুই মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৪৬। অন্যদিকে, পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১০০-তেই অপরিবর্তিত রয়েছে। একই সময়ে দেশে হামের সন্দেহভাজন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮২ জন। এর ফলে চলতি বছরে সারাদেশে সন্দেহভাজন হাম রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮০। এ ছাড়া গত - [ইরানের কারাগারে নির্যাতনের ভয়াবহ স্মৃতি, সব জেনেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির](https://sarakhon.com/news/188820/): ইরানের কুখ্যাত এভিন কারাগারে বন্দি থাকার সময়ও থামেনি লেখালেখি। কারাগারের কঠোর নজরদারি, নির্যাতন আর ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যেও নিজের অভিজ্ঞতা লিখে রাখতেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মাদি। কখনো বন্ধু ও সহবন্দিদের মাধ্যমে সেই লেখা কারাগারের বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনো নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে সেই লেখা ধরা পড়েছে। আবার কখনো নির্যাতনের পর অন্য কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়ার সময় হারিয়ে গেছে তার লেখা খাতা। তবু লেখা থামাননি ৫৪ বছর বয়সী এই ইরানি মানবাধিকারকর্মী। বরং কারাগারে পাওয়া সেই বিচ্ছিন্ন স্মৃতি, নির্যাতনের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের কথাগুলো একত্র করে তিনি লিখেছেন নিজের স্মৃতিকথা—‘A Woman Never Stops Fighting’। চলতি মাসে ইউরোপের কয়েকটি দেশে বইটি প্রকাশিত হচ্ছে। কারাগারে নিজের - [ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ রোগী](https://sarakhon.com/news/188821/): দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ পাঁচ মৃত্যুর মধ্যেই ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। অপর একজনের মৃত্যু হয়েছে রংপুর বিভাগে। নতুন পাঁচজনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৬ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৫৮ হাজার ৪০০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে - [ডায়ানার মৃত্যুর পর চার্লস বলেছিলেন, ‘শিগগিরই আমরা তাকে ভুলে যাব’—ভাইয়ের বইয়ে বিস্ফোরক দাবি](https://sarakhon.com/news/188814/): প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর কয়েক দিন পর তৎকালীন প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস তার ভাই চার্লস স্পেন্সারকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘আমরা শিগগিরই তাকে ভুলে যাব’—এমন বিস্ফোরক দাবি করেছেন ডায়ানার ছোট ভাই। প্রায় তিন দশক আগের সেই কথোপকথনের বর্ণনা উঠে এসেছে চার্লস স্পেন্সারের আসন্ন স্মৃতিকথা Swan Song-এ। বইটি আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হওয়ার কথা। তবে এর কিছু অংশ ইতিমধ্যে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলে প্রকাশিত হয়েছে। এরপরই ডায়ানার মৃত্যু এবং রাজপরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে স্পেন্সারের এই দাবিকে বাকিংহাম প্যালেস মেনে নেয়নি। বরং এক বিরল ও বেশ কঠোর প্রতিক্রিয়ায় প্রাসাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাছের স্বজন হারানোর গভীর শোক মানুষের বিচারবোধ - [ইথিওপিয়ার সমুদ্রপথের সন্ধান: হর্ন অব আফ্রিকায় বদলে যেতে পারে শক্তির সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/189439/): হর্ন অব আফ্রিকার ভূরাজনীতিতে সমুদ্রপথ এখন কেবল বাণিজ্যের বিষয় নয়; এটি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই বাস্তবতায় ইথিওপিয়া ও সোমালিল্যান্ডের মধ্যকার ঘনিষ্ঠতা নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে সোমালিল্যান্ডের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এবং ইথিওপিয়ার সমুদ্রসুবিধা অর্জনের আগ্রহ—দুটি বিষয় যখন একই কূটনৈতিক সমীকরণে এসে দাঁড়িয়েছে, তখন এর প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের পতনের পর সোমালিল্যান্ড একতরফাভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। এরপর তিন দশকের বেশি সময় ধরে তারা নিজস্ব প্রশাসন পরিচালনা করলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়নি। এর পেছনে বড় উদ্বেগ হলো—সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া - [পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি প্রতিরক্ষা সমীকরণ: পশ্চিম এশিয়ায় ভারতের কৌশলের সামনে নতুন পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/189368/): পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামো এমন এক সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে, যেখানে বহুদিনের প্রতিষ্ঠিত মিত্রতা ও নির্ভরতার পাশাপাশি নতুন কৌশলগত জোটের সন্ধানও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আগস্টে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে ঘোষিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ তাই শুধু তিন দেশের সামরিক সহযোগিতার একটি ব্যবস্থা নয়। এর তাৎপর্য আরও বিস্তৃত। এটি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রতি ক্রমহ্রাসমান আস্থা, পাকিস্তানের পশ্চিমমুখী কৌশল এবং পশ্চিম এশিয়ায় ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার সামনে নতুন জটিলতার প্রতিফলন। ইরান সংঘাত দ্রুত থামাতে ওয়াশিংটনের ব্যর্থতা এবং ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে তার সীমাবদ্ধতা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। ওয়াশিংটন পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগকে মিত্রদের মধ্যে নিরাপত্তার দায় ভাগাভাগির ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে - [মেঘনায় গোসল করতে নেমে যমজ দুই ভাইসহ ৩ স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/189490/): নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে যমজ দুই ভাইসহ তিন স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ভাটি বন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই এলাকার তিন কিশোরের মৃত্যুতে স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নদীতে গোসল করতে নেমেই বিপত্তি নিহতরা হলো সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ি মজলিস এলাকার মো. ফারুকের যমজ দুই ছেলে আরিফিন (১৫) ও আশিকিন (১৫) এবং একই এলাকার আব্দুল আলিনের ছেলে আবির (১৪)। তারা সবাই মোগরাপাড়া এইচ জি জি এস স্মৃতি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যমজ দুই ভাই আরিফিন ও আশিকিন নবম শ্রেণিতে এবং আবির অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। রোববার সকালে তারা - [তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে আটক ২৩ জনের ১১ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে](https://sarakhon.com/news/189496/): রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক ২৩ জনের মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১২ জনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব তথ্য জানান। জুমার নামাজের পর মসজিদে অবস্থান করছিলেন তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর কয়েকজন ব্যক্তি তেজগাঁও কলেজের মসজিদে অবস্থান করে আলোচনা করছিলেন। সম্ভাব্য উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর - [বাজারে আলুর দাম কমায় হিমাগারে পচে নষ্ট ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার আলু](https://sarakhon.com/news/189493/): বেশি দামে বিক্রির আশায় দীর্ঘদিন হিমাগারে সংরক্ষণ করে রাখায় মাদারীপুরে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হয়েছে। ৬০ কেজি ওজনের এসব বস্তায় সংরক্ষিত প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মণ আলুর বর্তমান খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় দীর্ঘদিন হিমাগারে পড়ে থাকা আলুগুলো শেষ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে। এখন এসব আলু বিনামূল্যে গরুর খাবার হিসেবে স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন সংরক্ষণে পচন হিমাগার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আলুর গুণগত মান ঠিক রাখতে সাধারণত সংরক্ষণ মৌসুমে সর্বোচ্চ ১০ মাস পর্যন্ত হিমাগারে রাখা হয়। তবে বাজারে বেশি দাম পাওয়ার আশায় মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের - [তাইওয়ান ঘিরে চীনের চাপ, সমুদ্রের ‘নিয়ম’ বদলের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/189388/): তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক চাপ শুধু দ্বীপটির ওপর চাপ তৈরির বিষয় নয়, এর মাধ্যমে সমুদ্রে দীর্ঘদিনের প্রচলিত নিয়ম ও আচরণের সীমারেখাও বদলে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন তাইপেতে থাকা কয়েকজন শীর্ষ বিদেশি কূটনীতিক। ১৯ সেপ্টেম্বর তাইপেতে আয়োজিত একটি স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ক ফোরামে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের তাইওয়ানস্থ প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে নিজেদের উদ্বেগ তুলে ধরেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য অবরোধ বা সামুদ্রিক চাপের পরিস্থিতিতে দ্বীপটির জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। চীনের সামুদ্রিক তৎপরতা নিয়ে আলোচনায় কূটনীতিকরা বিশেষভাবে সমুদ্রপথে চাপ প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত সামরিক মহড়া, জাহাজ চলাচল এবং - [চীনে নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ি বানাবে টয়োটা, নজর দীর্ঘপথের যাত্রায়](https://sarakhon.com/news/189487/): বিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার চীনে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে নতুন কৌশল নিচ্ছে জাপানের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা। কোম্পানিটি আগামী বসন্ত থেকে চীনে এমন বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে, যেগুলো ব্যাটারির পাশাপাশি একটি জ্বালানি-চালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে গাড়ির চলার দূরত্ব বাড়াতে পারবে। টয়োটার এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ‘এক্সটেন্ডেড-রেঞ্জ ইলেকট্রিক ভেহিকল’ বা দীর্ঘপথ চলার সক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে আরও সরাসরি প্রবেশ করতে যাচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেই। বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ ব্যাটারিচালিত গাড়ির পাশাপাশি এমন গাড়ির চাহিদাও তৈরি হচ্ছে, যেগুলো দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দেওয়ার সময় ব্যাটারি শেষ - [পল্লবীতে পার্কিং করে রাখা পরিস্থান পরিবহনের বাসে আগুন](https://sarakhon.com/news/189484/): রাজধানীর পল্লবীতে পার্কিং করে রাখা পরিস্থান পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে সিরামিক রোডে সরকারি কলেজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে কিংবা এর সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পার্কিং করা ছিল বাসটি মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার দুপুর ২টার দিকে বাসে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকালে বৃষ্টির মধ্যে সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় পার্কিং করে রাখা পরিস্থান পরিবহনের বাসটিতে আগুন লাগে। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা - [নিখোঁজের ছয় বছর পর মায়ের দেহাবশেষ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহে ফের গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/189481/): যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটনের এক নিখোঁজ নারী জোয়ান শিনের দেহাবশেষ শনাক্ত হওয়ার পর হত্যার তদন্তে ৫৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র এবং পরে হত্যার সন্দেহে পৃথকভাবে তদন্ত চলছে। জোয়ান শিনের বয়স তখন ৪৪ বছর। তিন সন্তানের মা শিনকে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ফেয়ারহ্যাম থেকে এক বন্ধুর সঙ্গে সাউদাম্পটনের উদ্দেশে যেতে দেখা যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে নিখোঁজ হিসেবে জানানো হয়। অর্থাৎ সর্বশেষ দেখা যাওয়ার প্রায় দুই মাস পর পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিখোঁজের তদন্ত শুরু করে। শিনের নিখোঁজের ঘটনায় বড় ধরনের তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। - [২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভের আগে লাহোরে ইমরান খানের বোন গ্রেপ্তার](https://sarakhon.com/news/189477/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দি নেতা ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে লাহোরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) আয়োজিত পরিকল্পিত প্রতিবাদ মিছিলের আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পিটিআইয়ের পাঞ্জাব শাখার এক মুখপাত্র আলিমা খানের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। লাহোরের জেলা প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারের পর ৩০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আলিমা খান কোনো জনসমাগমস্থলে উপস্থিত হলে তা জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করতে পারে। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগের কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। ইমরান খানের দল - [চীনের শুদ্ধি অভিযান: দুর্বলতার চিহ্ন নয়, ক্ষমতা ধরে রাখার এক দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/189365/): দীর্ঘদিন ধরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির স্থায়িত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গবেষকেরা একটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন—প্রতিষ্ঠান। মাও সেতুংয়ের ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনের পর দলটি এমন এক রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলেছিল, যেখানে নেতৃত্বের মেয়াদ, সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মকর্তাদের তুলনামূলক নিয়মতান্ত্রিক উন্নয়ন ব্যবস্থা দলীয় শাসনকে স্থিতিশীল করেছিল। ইউরোপের একের পর এক কমিউনিস্ট সরকার যখন ভেঙে পড়েছে, তখন চীনের ব্যবস্থা টিকে থাকার পেছনে এই প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকেই বড় কারণ হিসেবে দেখা হয়েছে। কিন্তু শি জিনপিংয়ের আমলে সেই ব্যাখ্যা ক্রমেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্টের মেয়াদের সাংবিধানিক সীমা তুলে দেওয়া হয়েছে, সমষ্টিগত নেতৃত্বের গুরুত্ব কমেছে এবং উত্তরসূরি নির্ধারণের প্রচলিত রীতিও কার্যত অদৃশ্য। একই সঙ্গে দল ও সামরিক - [তিন ঘণ্টায় পরপর দুই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া](https://sarakhon.com/news/189471/): উত্তর কোরিয়া রোববার মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পূর্ব উপকূল থেকে দুটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির এটি দ্বিতীয় দফার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সামরিক মহড়া নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে উত্তেজনা চলার মধ্যেই নতুন করে এই উৎক্ষেপণ করা হলো। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার বিকেলে পূর্ব সাগরের দিকে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর উত্তর কোরিয়া দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করে। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানিয়েছে, প্রথম উৎক্ষেপণটি স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে উত্তর কোরিয়ার ওয়নসান এলাকা থেকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা - [চাঁদপুরে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৪](https://sarakhon.com/news/189468/): চাঁদপুরে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহিনুর বেগম (৩৮) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাহিনুর বেগম সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের তরপুরচণ্ডী গ্রামের নাসির তাপাদারের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি হাজীগঞ্জের বাকিলা এলাকা থেকে চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল। দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে দেবপুর এলাকায় অটোরিকশাটির চালক সামনে থাকা আরেকটি অটোরিকশাকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর অটোরিকশাটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে উল্টে যায়। এতে মাহিনুর বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান। - [শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন](https://sarakhon.com/news/189463/): রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বা হাতবোমাসদৃশ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। রামনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সিরামিক রোডে সরকারি কলেজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন লাগে। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির জানান, পারিস্তা পরিবহনের বাসটিতে সকালে বৃষ্টির মধ্যে আগুন লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারা পরে আগুন নেভান। এতে বাসটির আসনগুলো পুড়ে যায়। বাসটিতে কীভাবে আগুনের - [রেলক্রসিংয়ে অটোরিকশাকে ট্রেনের ধাক্কা, চট্টগ্রামে নিহত ২](https://sarakhon.com/news/189454/): চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় অটোরিকশাকে ট্রেনের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুরের দিকে উপজেলার পূর্ব কাঠগড় বিওসি মোড়ের লেভেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন কালিয়াইশ ইউনিয়নের মাইজগাঁও এলাকার আবদুল মাবুদ ওরফে কানা মামুদের ছেলে আবু তাহের (৫০) এবং ধর্মপুর ইউনিয়নের অটোরিকশাচালক আবদুস শুক্কুর (৪০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন রোববার দুপুরের দিকে পূর্ব কাঠগড় বিওসি মোড়ের লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করছিল। এ সময় অটোরিকশাটি রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনটির ধাক্কায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় আরেকজনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক - [পশ্চিমের বাইরে থাকা মানেই কি পশ্চিমবিরোধী?](https://sarakhon.com/news/189457/): ব্রিকসের দিল্লি সম্মেলনের দৃশ্যপট আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি প্রচলিত ধারণাকে আবার সামনে এনেছে। রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদের একই মঞ্চে দেখা গেছে। আর পুরো আয়োজনের নেতৃত্বে ছিল ভারত—যে দেশ একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোয়াড অংশীদার। এই দৃশ্যকে পশ্চিমা বিশ্লেষণের একটি অংশ ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান পশ্চিমবিরোধী চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে দেখছে। এই ব্যাখ্যার কিছু ভিত্তি অবশ্যই আছে। কিন্তু এখানে একটি মৌলিক পার্থক্য প্রায়ই হারিয়ে যায়—পশ্চিমের বাইরে অবস্থান করা আর পশ্চিমবিরোধী হওয়া এক জিনিস নয়। দিল্লিতে গৃহীত ব্রিকসের ৪৫ পৃষ্ঠার ঘোষণাপত্র এই পার্থক্য বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। ১১ সদস্যের সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত দলিলটি দেখিয়েছে, সংগঠনটির ভেতরে একই সঙ্গে - [উন্নয়নশীল দেশে রেকর্ড ১১২ বিলিয়ন ডলার বেসরকারি মূলধন সংগ্রহ বিশ্বব্যাংকের](https://sarakhon.com/news/189451/): উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়াতে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ২০২৬ অর্থবছরে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরিমাণ বেসরকারি মূলধন সংগ্রহ করেছে। এ সময়ে বেসরকারি খাত থেকে সংগৃহীত মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা চার বছর আগে ২০২২ অর্থবছরের ৩৫ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, নিজস্ব অর্থায়নের সঙ্গে এই বেসরকারি মূলধন যুক্ত হওয়ায় ২০২৬ অর্থবছরে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য মোট অর্থায়ন ও সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হয়েছে। বিভিন্ন আয়স্তরের দেশে বেড়েছে বিনিয়োগ বেসরকারি মূলধন সংগ্রহের এই প্রবৃদ্ধি বিভিন্ন আয়স্তরের দেশেই দেখা গেছে। নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য - [ভোটের শেষ দিনে মস্কোয় ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা, রাশিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচন](https://sarakhon.com/news/189441/): রাশিয়ায় তিন দিনব্যাপী পার্লামেন্ট নির্বাচন শেষ হওয়ার দিনে রাজধানী মস্কো ও আশপাশের এলাকায় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিনের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি রাজধানীর ওপর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা। হামলায় মস্কো অঞ্চলে দুজন নিহত হয়েছেন। রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলেও দুজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন নির্বাচনী কর্মকর্তা। রোববার রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট ডুমার নির্বাচনে ভোটগ্রহণের শেষ দিন ছিল। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর এটিই রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম স্টেট ডুমা নির্বাচন। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই নির্বাচনকে ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রতি জনগণের সমর্থনের একটি পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। মস্কোর মেয়র সোবিয়ানিন টেলিগ্রামে বলেন, শত্রুপক্ষের ড্রোনের - [মাদকপাচার ঠেকাতে পক প্রণালি হতে পারে ভারত-শ্রীলঙ্কা সহযোগিতার নতুন সেতু](https://sarakhon.com/news/189447/): ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে দীর্ঘদিন ধরে ভৌগোলিকভাবে যুক্ত করে রেখেছে পক প্রণালি। একই জলপথ আবার দুই দেশের মধ্যে নানা ধরনের উত্তেজনা ও বিরোধেরও উৎস। মৎস্যসম্পদ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং অতীতের সংঘাতের উত্তরাধিকার এই অঞ্চলের সম্পর্ককে বহুবার জটিল করেছে। তবে এই একই ভূগোল এখন এমন একটি বিষয়ে দুই পক্ষকে কাছাকাছি আনার সুযোগ তৈরি করেছে, যেখানে তাদের স্বার্থ মূলত অভিন্ন—মাদকপাচার ও মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে লড়াই। ভারত ও শ্রীলঙ্কার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বর্তমানে নিয়মিত রাজনৈতিক যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে। কিন্তু তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতীতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংঘাত এবং মৎস্যজীবীদের বিরোধের কারণে আলাদা এক ধরনের সংবেদনশীলতা রয়ে গেছে। এর মধ্যেই মাদক - [ইয়ামিনের ৫ বছরের কারাদণ্ড, বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে মালদ্বীপের বিরোধীদের গুরুতর অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/189444/): মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও তৎকালীন বিরোধী নেতা আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে দেশটির পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস (কংগ্রেস পার্টি)। দলটির অভিযোগ, অর্থপাচারের মামলায় ইয়ামিনের বিচার ছিল রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং এর মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠ দমনের চেষ্টা করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কংগ্রেস পার্টি দাবি করে, ইয়ামিনের বিরুদ্ধে আনা অর্থপাচারের অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলটির ভাষ্য, বর্তমান প্রশাসনের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণের অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছিল। বিচার শেষ হওয়ার আগেই তাকে আটক করা হয়, যার ফলে ২০১৯ সালের এপ্রিলের সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগও বাধাগ্রস্ত হয়। নির্বাচনের কয়েক দিন আগে পর্যন্ত - [সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আচরণ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/189422/): রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে গত মার্চে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তবে অধ্যক্ষ অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি নিয়ম অনুযায়ী ২০ শতাংশ সিটি ভাতা নিচ্ছেন এবং বাকি অভিযোগ ভিত্তিহীন। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে অভিযোগ অভিযোগে বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ নিজেকে সামরিক বাহিনীর মেজর পরিচয় দিয়ে কলেজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। বিভিন্ন সময়ে ছাত্রীদের নিজ কক্ষে ডেকে অপদস্থ করা এবং নারী শিক্ষকদের সঙ্গে বিব্রতকর ভাষায় কথা বলার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নারী শিক্ষকদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও অধ্যক্ষ আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। জরুরি প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও ছুটি - [বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৫ যোদ্ধা নিহত, ২৩ জিম্মি উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/189429/): পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে পাঁচজন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত এবং ২৩ জন জিম্মি উদ্ধার করা হয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী রোববার এ তথ্য জানিয়েছে। সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার ভোররাত থেকে কালাত এলাকার কাছে একটি সড়কে অবৈধ চেকপোস্ট বসিয়েছিল সশস্ত্র একটি দল। তারা বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে মানুষকে অপহরণ, মুক্তিপণের জন্য জিম্মি করা, অর্থ আদায় এবং যানবাহন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী পাঁচজন যোদ্ধাকে হত্যা করে। ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি ট্রাক, তিনটি বাস ও দুটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিহতদের এমন একটি গোষ্ঠীর - [১৪ নবজাতকের মৃত্যু: পাকিস্তানের উন্নয়ন ভাবনায় যে কঠিন প্রশ্ন সামনে এলো](https://sarakhon.com/news/189426/): ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে গত আগস্টে আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু শুধু একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা নয়; এটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার, জনসেবা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান নিয়ে গভীর প্রশ্ন সামনে এনেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক গুরুত্ব যখন বাড়ছে, তখন দেশের অভ্যন্তরে এমন একটি ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে—রাষ্ট্রের দৃশ্যমান ক্ষমতা ও সাধারণ নাগরিকের দৈনন্দিন নিরাপত্তার মধ্যে ব্যবধান কতটা বড়। চার দশক আগে জাপান সরকারের অর্থায়নে ইসলামাবাদে যে শিশু হাসপাতালটি চালু হয়েছিল, সেখানে মূলত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের শিশুরাই চিকিৎসা নেয়। ২৬ আগস্ট হাসপাতালের নবজাতক বিভাগে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় ১৫টি শিশু ইনকিউবেটর অথবা অক্সিজেনের সহায়তায় ছিল। শেষ পর্যন্ত মাত্র একটি শিশু বেঁচে যায়। প্রাথমিকভাবে এয়ার - [মানবিক সংকট কি এখন বিশ্বের নতুন স্বাভাবিকতা? যুদ্ধ থামছে না, বদলে যাচ্ছে শুধু বিশ্বের মনোযোগ](https://sarakhon.com/news/189390/): বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটের চিত্র এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে একের পর এক যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ক্ষুধা ও ধ্বংস যেন মানুষের কাছে ধীরে ধীরে পরিচিত বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে। সুদানে ভয়াবহ সংঘাত চলছে, গাজায় মানবিক বিপর্যয় অব্যাহত, ইয়েমেন এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধের ক্ষত বহন করছে। আফগানিস্তানে কয়েক দশকের যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি ও বঞ্চনা মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে। অন্যদিকে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সংঘাত চলছে। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, এসব সংকটের মধ্যে বেড়ে উঠছে লাখ লাখ শিশু। বাস্তুচ্যুতি, নিরাপত্তাহীনতা, ক্ষুধা ও ত্রাণের ওপর নির্ভরতা তাদের কাছে আর সাময়িক অভিজ্ঞতা নয়। যুদ্ধ ও সংকট তাদের শৈশব কেড়ে নিচ্ছে। কিন্তু বিপদ শুধু - [আইফোন ছিনিয়ে নিতে গিয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ওপ্রতিমকে হত্যা: পুলিশ](https://sarakhon.com/news/189419/): কুমিল্লায় আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী যশাত শাহরিয়ার ওপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই-সানন্দা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯ বছর বয়সী সিয়াম নামে আরও একজনকে আটক করে তার সম্পৃক্ততা যাচাই করছে পুলিশ। রোববার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এসব তথ্য জানান। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ওপ্রতিমের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটি প্রধান সন্দেহভাজন সাইফুল ইসলাম তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ফোন উদ্ধারের সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ধারাবাহিকতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ১৮ - [কাশ্মীরের সংঘাত: ভারত-পাকিস্তানের বয়ানের আড়ালে কাশ্মীরিদের অবস্থান কোথায়?](https://sarakhon.com/news/189416/): কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের বিরোধ শুধু ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, রাজনৈতিক পরিচয়, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, স্বায়ত্তশাসন এবং কাশ্মীরিদের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রশ্ন। এই সংঘাতের ধারাবাহিকতা নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের মতো করে যে বয়ান তৈরি করেছে, তার মাঝখানে কাশ্মীরিদের অভিজ্ঞতা ও মতামত অনেক সময়ই আড়ালে পড়ে যায়। একটি বিশ্লেষণে লেখক আনাম জাকারিয়া কাশ্মীর সংঘাতের এই জটিল দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—কাশ্মীর সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার জন্য প্রকৃতপক্ষে দায়ী কে এবং ভারত ও পাকিস্তান কি কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, নাকি নিজেদের তৈরি করা বয়ান প্রতিষ্ঠার জন্যও লড়াই করছে? কাশ্মীর নিয়ে দুই দেশের ভিন্ন বয়ান - [আজিমপুরে পার্ক করা বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা, যুবক আটক](https://sarakhon.com/news/189413/): রাজধানীর আজিমপুরে পার্ক করে রাখা একটি বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে আজিমপুর মাতানির ওভারব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম আমিনুল ইসলাম শাওন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী জানান, ভোর আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটের দিকে আজিমপুর মাতানির ওভারব্রিজের নিচে পার্ক করে রাখা ‘ভিআইপি’ নামের একটি বাসে আমিনুল ইসলাম শাওন আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি বাসের কর্মী ও স্থানীয় লোকজনের নজরে আসে। পরে তারা তাকে ঘটনাস্থলেই ধরে ফেলেন এবং পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। খবর পেয়ে - [স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের নীরব মূল্য: পাকিস্তানের অর্থনীতিতে কত বড় ক্ষতি?](https://sarakhon.com/news/189410/): একটি শিশু স্কুলে না গেলে সাধারণভাবে যে ক্ষতিটিকে সামনে আনা হয়, তা হলো তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া। কিন্তু বাস্তবে এই ক্ষতি শুধু একটি শ্রেণিকক্ষ বা একটি শিক্ষাবর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। একটি শিশু যতদিন শিক্ষার বাইরে থাকে, ততদিন তার দক্ষতা অর্জনের সুযোগ কমে, ভবিষ্যৎ আয় করার সম্ভাবনা সংকুচিত হয় এবং কর্মজীবনে উৎপাদনশীলতার ঘাটতি তৈরি হতে থাকে। দীর্ঘ মেয়াদে এই ব্যক্তিগত ক্ষতিগুলো একত্র হয়ে একটি দেশের অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে। পাকিস্তানে এই সমস্যা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। দেশটিতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্কুলের বাইরে থাকা শিশুদের অন্যতম বড় জনগোষ্ঠী রয়েছে। জাতীয় শিশু অধিকার কমিশনের (এনসিআরসি) হিসাবে, পাকিস্তানে ৫ থেকে ১৬ - [পাকিস্তানের কোহাট পুলিশ লাইন্সে হামলা: অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা](https://sarakhon.com/news/189407/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহাটে পুলিশ লাইন্সের মসজিদে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবাদ, হত্যা, হত্যাচেষ্টা এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। কোহাট সিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএইচও) অভিযোগ দেওয়ার পর কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের (সিটিডি) একটি থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরোনো পুলিশ লাইন্স এলাকায় ওই হামলা চালানো হয়। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ নামে উল্লেখ করা একটি গোষ্ঠীর সদস্যরা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি ব্যবহার করে হামলা চালায়। পুলিশ লাইন্সের মসজিদের কাছে পৌঁছানোর পর হামলাকারীরা গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা মসজিদের দিকে যাওয়ার সড়ক ব্যবহার করে - [শি–ট্রাম্প বৈঠকের আগে কূটনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে চীন, কী বার্তা দেবে বেইজিং?](https://sarakhon.com/news/189404/): যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল বাড়ছে। দুই দেশের নেতারা এমন এক সময়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন, যখন বিশ্ব রাজনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও যুদ্ধের নানা সমীকরণ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, এবারের বৈঠকে আগের তুলনায় তুলনামূলক শক্ত অবস্থান নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে চীন। দুই দেশ সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীলতা’ প্রতিষ্ঠার দিকে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো, ওয়াশিংটনের বৈঠকে সেই সমঝোতাকে বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে কি না। চীনের শক্ত অবস্থানের পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে সাম্প্রতিক - [দুই দিল্লি, এক সপ্তাহান্ত—বিশ্ব যখন নৈশভোজে এলো](https://sarakhon.com/news/189401/): ভারতের রাজধানী দিল্লিকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, এটি যেন একই সঙ্গে দুই রকমের শহর। একদিকে প্রতিদিনের পরিচিত, ধুলোময়, যানজটে আটকে থাকা, অপরিকল্পিত নগরজীবনের দিল্লি; অন্যদিকে বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাতে মুহূর্তে সাজিয়ে তোলা ঝকঝকে, পরিপাটি ও আড়ম্বরপূর্ণ দিল্লি। সম্প্রতি ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনকে ঘিরে এই দুই দিল্লির পার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ( দিল্লিতে বড় হয়ে ওঠা মানুষের কাছে এই বৈপরীত্য নতুন কিছু নয়। শহরের একটি অংশ লুটিয়েন্স দিল্লি—গাছঘেরা প্রশস্ত সড়ক, ঔপনিবেশিক আমলের বিশাল বাংলো এবং ভিআইপিদের বসবাসের জন্য পরিচিত তুলনামূলক শান্ত এলাকা। আরেকটি দিল্লি তার ঠিক বিপরীত। সেখানে রাস্তার পাশে জমে থাকা আবর্জনা, হাঁটার মতো ফুটপাতের অভাব, সরু সড়ক, বিশৃঙ্খল - [১৯৭১ কি শুধু ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ছিল? যে ইতিহাসের শিকড় ছিল পাকিস্তানের ভেতরেই](https://sarakhon.com/news/189398/): ১৯৭১ সালকে আমরা সাধারণত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং শেষ পর্যায়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ—এই তিনটি পর্বের সমন্বিত ইতিহাস হিসেবে দেখি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ১৯৭১ কি আসলে শুধু ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি যুদ্ধ ছিল? পাকিস্তানি লেখক ও মৌখিক ইতিহাস গবেষক আনাম জাকারিয়ার মতে, বিষয়টি এত সরল নয়। ১৯৭১ সালের ঘটনাকে শুধু ভারত-পাকিস্তানের সামরিক সংঘাত হিসেবে দেখলে সেই ইতিহাসের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। কারণ এর শিকড় ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই দুই অংশের মধ্যে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ভাষাগত ও সামাজিক বৈষম্যের মধ্যে। দ্য ফ্রাইডে টাইমসের একটি আলোচনায় আনাম জাকারিয়া ১৯৭১ সালের এই জটিল ইতিহাস নিয়ে কথা - [আখাউড়া সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে ১৪ বছরের কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ](https://sarakhon.com/news/189395/): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার পাশ থেকে শাকিল নামে ১৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি কিশোরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ত্রিপুরার লঙ্কামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সানমুড়া সীমান্ত এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন। নিহত শাকিল আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মালু মিয়ার ছেলে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। এরপর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি এবং মাইকিং করেও তার সন্ধান পাননি। বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ শাকিলের বাবা মালু মিয়া জানান, বুধবার রাতে তার মেয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অনুষ্ঠান শেষে - [খুলনায় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, খুবির ৪ শিক্ষার্থীসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা](https://sarakhon.com/news/189392/): খুলনায় নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) চার শিক্ষার্থীসহ ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। শনিবার রাতে হরিণটানা থানায় মামলাটি করেন নিহত আজমুলের বাবা কুতুবউদ্দিন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খান জাহান আলী হলের বিপরীতে ইসলামীপুর রোডের মসজিদ গলির একটি মেসে আজমুলকে মারধর করা হয়। তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। পরে তাকে ওই ভবনের ছাদে নিয়ে আরও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে - [জীবনের বড় সুখবর সামাজিক মাধ্যমে নয়, কাছের মানুষকে বলেই বেশি আনন্দ](https://sarakhon.com/news/189384/): জীবনের কিছু মুহূর্ত এতটাই ব্যক্তিগত ও মূল্যবান যে সেগুলো সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ না করে প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সরাসরি ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই অন্যরকম আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়। বিয়ে, বাগদান, নতুন বাড়ি কেনা কিংবা সন্তানের আগমনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই অনেক অভিনন্দন, মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কিন্তু সেই আনন্দের সঙ্গে সামনাসামনি পাওয়া আলিঙ্গন, চোখের জল কিংবা কাছের মানুষের আন্তরিক উচ্ছ্বাসের তুলনা হয় না—এমনই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন লেখিকা রেনেট ফ্লানাগান। কয়েক বছর আগে এক বন্ধুর কাছ থেকে ফোন পেয়েছিলেন তিনি। বন্ধু উচ্ছ্বসিত হয়ে জানালেন, তার জীবনে অসাধারণ একটি ঘটনা ঘটেছে—তারা বাগদান করেছেন। প্রেমিক কীভাবে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, - [হাইকোর্টের সামনে ও শিল্পকলা একাডেমির কাছে ককটেল বিস্ফোরণ, ঢাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা](https://sarakhon.com/news/189381/): রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কাছে পৃথক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অল্প সময়ের ব্যবধানে এসব বিস্ফোরণ ঘটে। এর আগে গত দুই দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এরপর দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টার মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বাইরেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনারই তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাগুলোর বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিসি জাহিদুল - [কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলায় মা ও তিন শিশুসহ নিহত ৪](https://sarakhon.com/news/189378/): ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের এক মা ও তাঁর দুই তিন বছর বয়সী যমজ সন্তান রয়েছে। রোববার কিয়েভ অঞ্চলের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার রাত থেকে চালানো হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। হামলার একটি ঘটনায় একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে রুশ ড্রোন আঘাত হানলে ওই মা ও তাঁর দুই তিন বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়। কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, অন্য একটি জেলায় পৃথক ড্রোন হামলায় আহত এক কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর ফলে রাতভর হামলায় নিহতের সংখ্যা চারজনে পৌঁছায়। - [যুদ্ধ ও বিভাজনের স্মৃতি পেরিয়ে ডানিউবের সেতুতে হাঙ্গেরি-স্লোভাকিয়ার বন্ধুত্বের নাশতা](https://sarakhon.com/news/189375/): যুদ্ধ, রাজনৈতিক বিভাজন আর দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিচ্ছিন্নতার ইতিহাস পেরিয়ে এবার বন্ধুত্বের বার্তা নিয়ে ডানিউব নদীর ওপর একটি ঐতিহাসিক সেতুতে একসঙ্গে নাশতা করলেন হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার বাসিন্দারা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের সীমান্তবর্তী সম্প্রদায়ের মানুষ ঐতিহাসিক মারিয়া ভ্যালেরিয়া সেতুতে বসে খাবার ভাগ করে নেন এবং নতুন করে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। হাঙ্গেরির এস্টেরগম ও স্লোভাকিয়ার স্তুরোভো শহরকে যুক্ত করেছে মারিয়া ভ্যালেরিয়া সেতু। ১৮৯৫ সালে প্রথম চালু হওয়ার পর যুদ্ধ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে সেতুটি দুইবার ধ্বংস হয়েছে এবং পরে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। দীর্ঘ ইতিহাসের কারণে সেতুটি শুধু দুই শহরের যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের সম্পর্ক ও বিভাজনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ - [বংশালে আহত অবস্থায় উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত্যু অজ্ঞাত যুবকের](https://sarakhon.com/news/189371/): রাজধানীর বংশাল এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে কসাইটুলি জুম্মান কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন মোড় থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৫ বছর। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী তানভীর হোসেন জানান, তিনি রিকশায় করে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় মোড়ের কাছে যুবকটিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তানভীর জানান, যুবকের দুই পা ভাঙা বলে মনে - [দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ফাঁদে আমেরিকা: দ্রুত বিজয়ের ধারণা কি বদলাতে হবে?](https://sarakhon.com/news/189362/): আধুনিক যুদ্ধের চরিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দেখিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল উন্নত অস্ত্র, বড় প্রতিরক্ষা বাজেট কিংবা সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব থাকলেই দ্রুত বিজয় নিশ্চিত হয় না। বরং যুদ্ধ ক্রমেই এমন এক প্রতিযোগিতায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে কে কতটা সময় ধরে অস্ত্র, জনবল, অর্থনৈতিক সামর্থ্য এবং রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখতে পারে—সেটিই হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে ক্ষয়যুদ্ধের ধারণা। এক পক্ষ যদি অন্য পক্ষকে দ্রুত পরাজিত করতে না পারে, তাহলে যুদ্ধের লক্ষ্য ধীরে ধীরে বদলে যায়। প্রতিপক্ষের সক্ষমতা কমানো, নিজেদের ক্ষয় পূরণ করা এবং রাজনৈতিকভাবে কে আগে ক্লান্ত হয়ে পড়ে—সেই প্রতিযোগিতাই হয়ে ওঠে যুদ্ধের মূল চরিত্র। যুক্তরাষ্ট্রের - [শত বছর পর নতুন বন্য বিড়ালের সন্ধান, বলিভিয়ার জঙ্গলে মিলল ক্ষুদ্র প্রজাতি](https://sarakhon.com/news/189359/): বলিভিয়ার আন্দিজ পর্বতমালার মেঘে ঢাকা বনাঞ্চল ইউঙ্গাসে বিজ্ঞানীরা এমন এক বন্য বিড়ালের সন্ধান পেয়েছেন, যাকে এতদিন আলাদা কোনো প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নতুন জীবিত বন্য বিড়াল প্রজাতির নাম ও বৈজ্ঞানিক পরিচয় দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বৈজ্ঞানিক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজি-তে। দীর্ঘদিন ধরে বলিভিয়ার একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে থাকা ছোট আকারের ছোপযুক্ত বিড়ালটিকে পরীক্ষা করতে গিয়ে এই আবিষ্কারের সূত্র পান গবেষকেরা। বলিভিয়ার জীববিজ্ঞানী, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের অভিযাত্রী এবং গবেষণাটির প্রধান লেখক পাওলা নোগালেস-আসকারুনসকে প্রাণীটির বিষয়ে পরীক্ষা করতে বলেন এক সহকর্মী। স্থানীয় একটি পরিবার জঙ্গলে প্রাণীটিকে খুঁজে পাওয়ার পর সেটিকে পোষা প্রাণী হিসেবে রাখার - [টানা বৃষ্টিতে ঢাকার সড়কে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে অফিসগামী ও শিক্ষার্থীরা](https://sarakhon.com/news/189355/): রোববার ভোরের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। কোথাও হাঁটুপানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয়েছে, আবার কোথাও গণপরিবহনের সংকটে রিকশা কিংবা হেঁটেই গন্তব্যে যেতে হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোর ৪টার পর রাজধানীতে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। সকাল ৮টার দিকে বৃষ্টি থামলেও এর প্রভাব থেকে যায় বিভিন্ন সড়কে। রাত ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকায় ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে রাজধানীর মালিবাগ, মৌচাক, মগবাজার, গ্রিন রোড, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, জিগাতলা, ধানমন্ডি, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, পশ্চিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, পল্টন ও মাদারবাগসহ বিভিন্ন - [বৃষ্টিতে ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, নামল দূষণের মাত্রা](https://sarakhon.com/news/189351/): বৃষ্টির পর ঢাকার বাতাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। রোববার সকালে বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ভিজে যাওয়ার পর শহরের বায়ুমান ‘মধ্যম’ পর্যায়ে নেমে আসে। সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার বায়ুমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ৬১। শুষ্ক মৌসুমে নিয়মিত বায়ুদূষণের কারণে ঢাকার বাতাসের মান প্রায়ই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তবে বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে বাতাসে ভাসমান ধুলা ও ক্ষুদ্র কণার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সাধারণত বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি দেখা যায়। এবারের বৃষ্টিও রাজধানীর বাতাসের মান উন্নত করতে ভূমিকা রেখেছে। রোববার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৩৬তম। ওই সময় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ১৭২ একিউআই নিয়ে - [দুবাইয়ের নতুন জলশহরে বদলে যাচ্ছে বিলাসী জীবনের ধারণা, ৩ বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টে তারই ইঙ্গিত](https://sarakhon.com/news/189347/): দুবাইয়ের আবাসন মানচিত্রে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে ডুবাই মেরিটাইম সিটি। সমুদ্র, মেরিনা ও শহরের আকাশচুম্বী ভবনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই এলাকা এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তবে নির্মাণাধীন এই নতুন জলঘেঁষা আবাসিক এলাকার কয়েকটি প্রকল্প এরই মধ্যে ইঙ্গিত দিচ্ছে—ভবিষ্যতের দুবাইয়ের বিলাসী আবাসন কেবল বড় জায়গা বা সুন্দর দৃশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ঘরের ভেতরের নকশা, প্রযুক্তি, আলো, আরাম ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ রিভা রেসিডেন্সেসের একটি তিন বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট। অ্যাপার্টমেন্টটির অভ্যন্তরীণ নকশা দেখলে শুধু একটি বিলাসবহুল বাড়ির চিত্রই পাওয়া যায় না; বরং ডুবাই মেরিটাইম সিটি কোন ধরনের আবাসিক পরিবেশের দিকে এগোচ্ছে, তারও একটি ধারণা - [জাঞ্জিবারে দ্বিতীয় ‘রাশিদ ভিলেজ’ প্রকল্প চালুর নির্দেশ শেখ হামদানের](https://sarakhon.com/news/189344/): দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম জাঞ্জিবারে ‘রাশিদ ভিলেজ’ উদ্যোগের আওতায় দ্বিতীয় একটি গ্রাম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার এই নতুন প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়। উদ্যোগটির লক্ষ্য হলো স্থানীয় পরিবারগুলোর জন্য আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করা। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলো যেন দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও স্থিতিশীল জীবনযাপন করতে পারে, সে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি চালুর সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রয়াত শেখ রাশিদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের মৃত্যুর ১১তম বার্ষিকীর সঙ্গে মিল রেখে দ্বিতীয় ‘রাশিদ ভিলেজ’ প্রকল্পটি শুরু করা হচ্ছে। প্রয়াত শেখ রাশিদের মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও - [মস্কো অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় নিহত ২, রুশ রাজধানীর তেল শোধনাগারেও আঘাত](https://sarakhon.com/news/189342/): ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার মস্কো অঞ্চলে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে রুশ রাজধানী মস্কোর একটি তেল শোধনাগারেও কয়েকটি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। রাশিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচনের শেষ দিনে এই হামলার ঘটনা ঘটল। রাশিয়া ও ইউক্রেন সাম্প্রতিক সময়ে একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের মধ্যে এ ধরনের হামলা বন্ধে সমঝোতা হয়েছে বলে জানান। তবে এরপরও উভয় পক্ষের হামলা অব্যাহত রয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন রোববার তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানান, শনিবার থেকে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক হাজার ৬০০টির বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৪৫০টি ড্রোন - [ভারত-আমিরাত সম্পর্ক আরও জোরদারে মোদি-শেখ মোহামেদের আলোচনা](https://sarakhon.com/news/189339/): সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ১৮ সেপ্টেম্বর এক ফোনালাপে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্বের আওতায় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে কার্যকর থাকা ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা সিইপিএর মাধ্যমে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। ফোনালাপের সময় শেখ মোহামেদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। তিনি মোদির সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন এবং ভারতের উন্নয়ন এগিয়ে - [দুবাইয়ের ফ্যাশনে নতুন মোড়, শোর চেয়ে এখন বড় হচ্ছে ব্যবসা](https://sarakhon.com/news/189336/): দুবাইয়ের ফ্যাশন অঙ্গনে ধীরে ধীরে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। একসময় যেখানে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ক্যালেন্ডারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বড় আয়োজন, ঝলমলে রানওয়ে আর তারকাদের উপস্থিতিই ছিল মূল আকর্ষণ, এখন সেখানে ফ্যাশনকে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায়িক খাত হিসেবে গড়ে তোলার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন আয়োজন, খুচরা বিক্রির সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য—সব মিলিয়ে দুবাইয়ের ফ্যাশন জগত নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। এই পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো দুবাই ফ্যাশন উইক-এর সময়সূচিতে পরিবর্তন। ২০২৭ সালের বসন্ত-গ্রীষ্ম মৌসুমের আয়োজন আগামী ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। আগে সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে এই আয়োজন হতো। নতুন সময়সূচি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের প্রচলিত - [ম্যাকলমোর বিতর্কে অবস্থান বদল, কনসার্টে ক্ষমা চাইলেন এড শিরান](https://sarakhon.com/news/189333/): বিখ্যাত ব্রিটিশ গায়ক এড শিরান ম্যাকলমোরকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নিজের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘অন্যায়, বিপর্যয়কর ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ডে কনসার্টে প্রথমবারের মতো বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন শিরান। এর আগে চলতি সপ্তাহে র‍্যাপার ম্যাকলমোরকে তার কনসার্ট সফরের উদ্বোধনী শিল্পী হিসেবে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। কনসার্টের শুরুতেই শিরান ২০২৩ সালের অক্টোবরের হামলার কথা উল্লেখ করেন। হামাসের ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হওয়ার ঘটনাকে তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে এরপর গাজায় ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। শিরানের ভাষায়, গাজায় - [দুবাই মলে হঠাৎ হাজির শেখ মোহাম্মদ, অবাক দর্শনার্থীরা](https://sarakhon.com/news/189330/): সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, হঠাৎ করেই দুবাই মলে হাজির হয়ে চমকে দিয়েছেন সেখানে থাকা দর্শনার্থীদের। কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই কয়েকজন কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই বিপণিবিতানে ঘুরে দেখেন। এ সময় সাধারণ ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা নিজেদের মতো করে কেনাকাটা ও চলাফেরা করছিলেন। শেখ মোহাম্মদের উপস্থিতির ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মলের বিভিন্ন সাধারণ এলাকায় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এবং আশপাশের মানুষ তাঁকে দেখছেন। দুবাই মলে তাঁর এই আকস্মিক সফর নতুন কিছু নয়। এর আগে চলতি বছরের ৮ এপ্রিলও তিনি কোনো - [সংযুক্ত আরব আমিরাতে হাইব্রিড-ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা বাড়ছে, এগিয়ে টয়োটা-টেসলা-বিওয়াইডি](https://sarakhon.com/news/189326/): সংযুক্ত আরব আমিরাতে গাড়ি কেনার বাজারে ধীরে ধীরে বদল আসছে। পেট্রোলচালিত গাড়ির পাশাপাশি হাইব্রিড ও পুরোপুরি বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের আগস্টে অনলাইন গাড়ির বাজারে হাইব্রিড ও বৈদ্যুতিক গাড়ির বিজ্ঞাপন দেখার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ প্রবণতায় টয়োটা, টেসলা ও বিওয়াইডি ছিল সবচেয়ে আলোচিত ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে। অনলাইন গাড়ি বিক্রির প্ল্যাটফর্ম দুবিজলের আগস্টের তথ্য অনুযায়ী, হাইব্রিড সেডান, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল বা এসইউভি, উচ্চক্ষমতার গাড়ি এবং ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ি—বিভিন্ন শ্রেণিতেই ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে। হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে টয়োটা সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখিয়েছে। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক গাড়ির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিজ্ঞাপন দেখা হয়েছে টেসলার মডেলগুলোর। এই সময়ে দুবাইয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং অবকাঠামোও - [নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সাত মাসে এখনো নিখোঁজ ২ হাজারের বেশি](https://sarakhon.com/news/189322/): বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনায় উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ হওয়া ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে নানা ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৫৫ শিশু। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যা, শারীরিক নির্যাতনে মৃত্যু, পারিবারিক সহিংসতা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শিশু হত্যার ঘটনাও রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় ১৫৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে সংগঠনটি এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে। সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও এই - [রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে ভয়াবহ আগুন, হুথি হামলার পর ব্যাপক ফ্লাইট বিপর্যয়](https://sarakhon.com/news/189318/): সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে শনিবার বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনের পর আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়। একই সঙ্গে ওই এলাকায় কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনায় রিয়াদ বিমানবন্দরের স্বাভাবিক উড়োজাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার বিমানবন্দরের আশপাশে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর আগে ইয়েমেনভিত্তিক হুথি বিদ্রোহীদের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষ পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে ‘অল ক্লিয়ার’ বার্তা দেয়। এর পরই রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে আগুনের খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ছবি ও ভিডিওতে বিমানবন্দর এলাকার ওপর ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা - [সৌদি আরবের আকাশে বাড়ছে হুমকি, রিয়াদসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরে জরুরি সতর্কতা](https://sarakhon.com/news/189315/): সৌদি আরবে আকাশপথে হামলার আশঙ্কা ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাত থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ভোর পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের মোবাইলে ‘শত্রুতাপূর্ণ আকাশপথের হুমকি’ সম্পর্কে সতর্কবার্তা পাঠায় কর্তৃপক্ষ। রিয়াদ ছাড়াও জেদ্দা, তাইফ, খামিস মুশাইত, আলউলা এবং আরও কয়েকটি জনবহুল এলাকায় এই সতর্কতা জারি করা হয়। সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ‘অল ক্লিয়ার’ বা বিপদ কেটে যাওয়ার বার্তা পাঠায়। তবে সতর্কতার মাত্রা এবং একাধিক শহরে একই সময়ে নিরাপত্তা বার্তা জারি হওয়ায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। রিয়াদে সতর্কতার পর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত ১৯ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানী - [২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ২০ এয়ারলাইন, শীর্ষে সিঙ্গাপুর—কাতার দ্বিতীয়, এমিরেটস ষষ্ঠ](https://sarakhon.com/news/189312/): ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা এয়ারলাইনগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন রেটিং সংস্থা স্কাইট্র্যাক্স। এবার বিশ্বের সেরা এয়ারলাইন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস। গত বছরের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেনি কাতার এয়ারওয়েজ; এবার তারা দ্বিতীয় হয়েছে। তালিকায় তৃতীয় ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজ, চতুর্থ এএনএ অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ এবং পঞ্চম তুর্কিশ এয়ারলাইনস। মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইনগুলোর মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। দুবাইভিত্তিক এমিরেটস বিশ্বের ষষ্ঠ সেরা এয়ারলাইন হয়েছে। সৌদি আরবের সাউদিয়া রয়েছে ১৫তম অবস্থানে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইতিহাদ এয়ারওয়েজ ২২তম হয়েছে। ২০২৬ সালের স্কাইট্র্যাক্স ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন অ্যাওয়ার্ডসে বিশ্বের ৩০০টির বেশি এয়ারলাইনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর লন্ডনের দ্য ল্যাংহাম হোটেলে এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা - [ইরানের ৭ শর্ত, আলোচনার পথে কি যুক্তরাষ্ট্র–তেহরান?](https://sarakhon.com/news/189309/): ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে তারা সাতটি শর্ত দিয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাইয়ের দাবি, কাতারের মাধ্যমে এসব শর্ত ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান। এই বার্তা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আলোচনার আগে ইরানের সাত শর্ত ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য তেহরান সাতটি শর্ত নির্ধারণ করেছে। তবে প্রতিবেদনে ওই সাতটি - [ইউক্রেন যুদ্ধে যৌন সহিংসতার ভয়াবহ চিত্র, জাতিসংঘের নথিতে ৮৯% অভিযোগ রাশিয়ার বিরুদ্ধে](https://sarakhon.com/news/189306/): ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে যৌন সহিংসতার ভয়াবহ ও বিস্তৃত চিত্র উঠে এসেছে জাতিসংঘের নতুন এক প্রতিবেদনে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) জানিয়েছে, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত তারা সংঘাত-সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতার ১ হাজার ৪টি ঘটনা যাচাই করেছে। এর মধ্যে ৮৯ শতাংশ ঘটনার জন্য রুশ কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হয়েছে। বাকি ১১ শতাংশ ঘটনার সঙ্গে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের সদস্যদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। জাতিসংঘের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিভুক্ত ঘটনাগুলো পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। যুদ্ধের সময় যৌন সহিংসতার ঘটনা ব্যাপকভাবে প্রকাশের বাইরে থেকে যাওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। বিশেষ করে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড, - [চীনের কাছে ১৩ গোল, এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের মেয়েদের কঠিন অভিষেক](https://sarakhon.com/news/189302/): এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী হকি দলের ঐতিহাসিক অভিষেকটা হলো কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে। আসরের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী চীনের কাছে ১৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। আজ জাপানের কাকামিগাহারার গিফু প্রিফেকচারাল গ্রিন স্টেডিয়ামে পুল ‘এ’-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। এশিয়ান গেমসে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া বাংলাদেশ শুরুতে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলানোর চেষ্টা করলেও চীন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি। ম্যাচের প্রথম তিন মিনিট পর্যন্ত চীনের আক্রমণ ঠেকিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চীন প্রথম গোল করার পরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে তারা। প্রথম কোয়ার্টারেই চার গোল করে চীন। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও তিনবার বাংলাদেশের - [রাশিয়ায় ভোট, পুতিনের সামনে যুদ্ধের বার্তা](https://sarakhon.com/news/189300/): রাশিয়ায় তিন দিনব্যাপী সংসদ নির্বাচন রোববার শেষ দিনে পৌঁছেছে। ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি এবারও স্টেট ডুমায় বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই নির্বাচন শুধু সংসদের আসন নির্ধারণের ভোট নয়। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এটিকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রতি রুশ জনগণের সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর এটিই রাশিয়ার প্রথম সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে যুদ্ধ পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ নেই। দীর্ঘ যুদ্ধের প্রভাব এখন রাশিয়ার অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনেও অনুভূত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের ফলাফল পুতিন সরকারের জন্য বিশেষ রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন - [ময়মনসিংহে গভীর রাতে বাসে আগুন, তদন্তে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/189297/): ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১২টার দিকে সড়কের পাশে পার্ক করে রাখা ‘সওকিন পরিবহন’ নামের বাসটিতে আগুন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গভীর রাতে বাসটিতে আগুন জ্বলতে দেখে বিষয়টি জানানো হলে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, খবর পাওয়ার পর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এদিকে বাসে আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিতভাবে কেউ - [যশোরে চাঁদের বিলে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, জমল গ্রামবাংলার উৎসব](https://sarakhon.com/news/189294/): যশোরের অভয়নগর উপজেলার ধূলগ্রামের চাঁদের বিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা এই পুরোনো সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে গতকাল বিকেলে আয়োজন করা হয় এ প্রতিযোগিতার। স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান পল্লী ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত নৌকাবাইচে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৭টি ডিঙি নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে চাঁদের বিলের দুই পাড়ে মানুষের ভিড় জমে ওঠে। নৌকার ছন্দময় গতি আর মাঝিদের প্রতিযোগিতা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। প্রতিযোগিতায় ইমান আকুঞ্জির নৌকা প্রথম স্থান অর্জন করে। দ্বিতীয় হয় দীপঙ্কর সরকারের নৌকা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক এ টি এম মঞ্জুর - [কুমিল্লায় ১৩ বছরের অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভিতে শনাক্ত কিশোরের বাড়ি থেকে আইফোন উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/189290/): কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। অপ্রতিমের সঙ্গে শেষবার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া এক কিশোরের বাড়ি থেকে তার মায়ের আইফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের সালমানপুর এলাকায় ওই কিশোরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ফোনটি উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই কিশোরকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে শনিবার বিকেলে তাকে আটক করা হয়। কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে শনিবার দিবাগত রাতের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অপ্রতিম হত্যার রহস্য অনেকটাই উদ্‌ঘাটিত - [সৌদির পাশে তুরস্ক, হুথি হামলার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তির নতুন সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/189287/): ইয়েমেনের হুথিদের ধারাবাহিক হামলার মধ্যে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন মেটাতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, সৌদি আরবের ভূখণ্ড, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার ওপর হামলা অত্যন্ত গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের প্রয়োজন হলে তুরস্ক সামরিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। শনিবার তুরস্কের সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ওপর সাম্প্রতিক হামলার বিষয়টি তুরস্ক অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তিনি বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশ একে অন্যের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফিদানের ভাষায়, সৌদি আরবের কিছু সামরিক প্রয়োজন তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে কিছু কারিগরি ক্ষেত্রে। এসব প্রয়োজন - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই নিরাপদ করা সম্ভব? নিয়ন্ত্রণের দৌড়ে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/189283/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যত শক্তিশালী হচ্ছে, ততই সামনে আসছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—এই প্রযুক্তিকে কি সত্যিই নিরাপদ রাখা সম্ভব? এমনকি এআই দুনিয়ার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী তিন ব্যক্তিত্ব—ওপেনএআইয়ের স্যাম অল্টম্যান, অ্যানথ্রপিকের ড্যারিও আমোডেই এবং টেসলার ইলন মাস্ক—সাম্প্রতিক সময়ে এআই উন্নয়নের দৌড় কিছুটা ধীর করার পক্ষে কথা বলেছেন। তাদের আশঙ্কা, অতিমানবীয় ক্ষমতাসম্পন্ন এআই তৈরির প্রতিযোগিতা যদি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে এগোয়, তাহলে ভুলের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তবে ঝুঁকি শুধু ভবিষ্যতের তথাকথিত ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ নিয়ে নয়। বর্তমানের তুলনামূলক কম শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাকেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় দেখা গেছে, এআই মডেল নিজের নির্ধারিত কাজের বাইরে গিয়ে এমন কর্মকাণ্ড - [লে পেনের দাপট, বিভক্ত মধ্যপন্থীরা—ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাড়ছে শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/189281/): ফ্রান্সের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে একটি বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন—এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নয়; বরং মেরিন লে পেনকে কে ঠেকাতে পারবেন? আগামী বছরের এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রার্থী হতে পারবেন না ম্যাক্রোঁ। ফলে তাঁর রাজনৈতিক মধ্যপন্থার পরবর্তী অধ্যায় কী হবে, সেটিও এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। এ মুহূর্তে জনমত জরিপে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদী দল ন্যাশনাল র‍্যালির নেতা মেরিন লে পেন। সাম্প্রতিক পাঁচটি জরিপে প্রথম দফায় তাঁর সমর্থন ৩২ থেকে ৩৬ শতাংশের মধ্যে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপের চেয়ে তিনি অন্তত - [মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মুহাম্মদের দুর্বল হচ্ছে শাসন, বাড়ছে অনাস্থা](https://sarakhon.com/news/189277/): মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মুহাম্মদ দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে দেশ শাসন করছেন। এই সময়ে দেশটি অর্থনীতি, অবকাঠামো ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। কিন্তু রাজপরিবারের জৌলুশের আড়ালে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা বাড়ছে। একই সঙ্গে রাজতন্ত্রের ভেতরের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং রাজার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে নানা আলোচনা তাঁর শাসনকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। এর সবচেয়ে নাটকীয় উদাহরণ দেখা যায় গত ৩০ জুলাই ‘সিংহাসন দিবস’-এ। ওই দিন রাজা মদিনা শহরের কাছাকাছি উপকূলীয় অবকাশকেন্দ্র মদিক থেকে একটি প্রায় জনশূন্য মহাসড়ক দিয়ে রাজকীয় বহরে করে অনুষ্ঠানে যান। সেখানে অভিজাত শ্রেণির সদস্যরা তাঁর হাতে চুম্বন করে আনুগত্য প্রদর্শন করেন। অথচ একই সময়ে বিপরীত - [দক্ষিণ আফ্রিকায় মাফিয়ার উত্থান, রাষ্ট্রের ভেতরেই ঢুকে পড়ছে অপরাধচক্র](https://sarakhon.com/news/189275/): একসময় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল বিদ্যুৎ সংকট। নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই উদ্বেগের জায়গা দখল করেছে আরও গভীর ও জটিল একটি সংকট—সংগঠিত অপরাধ ও মাফিয়া চক্রের বিস্তার। দক্ষিণ আফ্রিকায় অপরাধ জগতের অস্তিত্ব নতুন নয়। তবে এখন সেই অপরাধ শুধু সমাজের প্রান্তিক অংশে সীমাবদ্ধ নেই; বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং বৈধ ব্যবসার ভেতরেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমবুইসেলি মাদলাঙ্গার নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ তদন্ত কমিশনের শুনানিতে গত এক বছরে উঠে এসেছে এমন সব তথ্য, যা দেশটির গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। ১৭ সেপ্টেম্বর - [অবৈধ সোনার খনিতে নারীদের নির্মম জীবন, কলম্বিয়ার বাউজো কাউকায় গ্যাংদের দখল](https://sarakhon.com/news/189272/): কলম্বিয়ার প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চল বাউজো কাউকার জারাগোজা শহরে বসবাসকারী মারিয়ার জীবনের একটি নীতি খুব সহজ—“আপনি যত কম জানবেন, তত বেশি দিন বাঁচবেন।” শহরটির ওপর প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ এতটাই গভীর যে তাদের সদস্যদের পরিচয় জানা থাকলেও অনেক বাসিন্দা ইচ্ছা করেই তা জানতে চান না। কারণ, সেখানে অজ্ঞতাই অনেক সময় আত্মরক্ষার ঢাল। কলম্বিয়ার আন্তিওকিয়া প্রদেশের বাউজো কাউকা দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক সম্পদের দখল নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘাতের কেন্দ্র। একসময় এ অঞ্চলের অবৈধ অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি ছিল কোকা চাষ—যে উদ্ভিদ থেকে কোকেন তৈরি করা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। এখন সোনার অবৈধ খনিই এই অঞ্চলের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। বিশ্ববাজারে সোনার চাহিদা - [প্রো-ফ্যামিলি রাজনীতি: ট্রাম্প-পরবর্তী আমেরিকার নতুন নীতির ইঙ্গিত?](https://sarakhon.com/news/189268/): যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনীতিতে পরিবারকেন্দ্রিক নীতিকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। সন্তান নেওয়া ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি সন্তান লালন-পালনের খরচ কমানো, পরিবারকে কর সুবিধা দেওয়া এবং সন্তান থাকা পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহায়তা বাড়ানোর মতো প্রস্তাব এখন রিপাবলিকান রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হয়ে উঠছে। এই প্রবণতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের পরিবারবিষয়ক অবস্থানের কারণে। ভ্যান্স দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারনীতি নিয়ে রক্ষণশীল মত প্রকাশ করে আসছেন। তিনি ‘নো-ফল্ট ডিভোর্স’ বা দোষ নির্ধারণ ছাড়াই বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। এমনকি সন্তান থাকা বাবা-মায়েদের নির্বাচনে তুলনামূলকভাবে বেশি রাজনৈতিক প্রভাব থাকা উচিত বলেও তিনি মত দিয়েছেন। তার বক্তব্যে এমন একটি পরিবারনীতির ধারণা - [চীনে তরুণদের কর্মসংস্থান সংকট আরও গভীর, বদলে যাচ্ছে কাজ ও জীবনের ধারণা](https://sarakhon.com/news/189262/): চীনে তরুণদের বেকারত্ব এখন আর শুধু সাময়িক অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; এটি ধীরে ধীরে সমাজের কাঠামো, তরুণদের ভবিষ্যৎ ভাবনা এবং কাজ সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাকেও বদলে দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেকর্ডসংখ্যক তরুণ স্নাতক হয়ে বের হলেও তাদের জন্য উপযুক্ত চাকরির সুযোগ একই হারে বাড়ছে না। ফলে দেশটির তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ কঠিন ও অনিশ্চিত শ্রমবাজারের মুখোমুখি হচ্ছে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ হয়ে উঠেছে পূর্ব চীনের গাড়ির যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান শিংইউ অটোমোটিভ লাইটিংয়ের ঘটনা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রীষ্মে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কর্মী নিয়োগ করেছে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে চাকরিতে যোগ দেওয়া প্রায় ১৪০ জন নতুন স্নাতককে কঠিন অবস্থার মধ্যে ফেলে। তাদের বলা হয়, - [ব্রিটিশ রাজনীতিতে টাকা বেশি নয়, বরং কম—দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ](https://sarakhon.com/news/189261/): ব্রিটিশ রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলের জন্য বড় অঙ্কের অনুদান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ডানপন্থি জনতাবাদী দল রিফর্ম ইউকে-কে দেওয়া বিপুল অর্থকে ঘিরে ওয়েস্টমিনস্টারে সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ বলছে, সমস্যাটি রাজনৈতিক দলগুলোতে অতিরিক্ত অর্থের প্রবাহ নয়; বরং ব্রিটিশ রাজনীতিতে বৈধ ও স্বচ্ছ অর্থের ঘাটতি। সম্প্রতি ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া বেন ডেলো ও ক্রিস্টোফার হারবর্ন—দুজনই রিফর্ম ইউকের জন্য ৩ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড করে অনুদান দিয়েছেন। অর্থাৎ দলটি তাদের কাছ থেকে মোট ৭ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড পেয়েছে। এই বিপুল অর্থ ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। দ্য ইকোনমিস্টের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দাতার - [দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘মাফিয়া রাষ্ট্রের’ ঝুঁকি, তবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও আছে](https://sarakhon.com/news/189255/): দক্ষিণ আফ্রিকার গণতন্ত্র, সমাজ ও অর্থনীতির জন্য সংঘবদ্ধ অপরাধ এখন সবচেয়ে বড় ও তাৎক্ষণিক হুমকিগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা নিজেই এমন মন্তব্য করেছেন। ব্যবসায়ী নেতারাও বলছেন, বিদ্যুৎ সংকটের চেয়েও সংঘবদ্ধ অপরাধ তাদের বেশি উদ্বিগ্ন করছে। গত এক বছরে একটি সরকারি তদন্তে দেশটির অপরাধী চক্র, সরকারি কর্মকর্তা এবং পুলিশের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর যোগসাজশের চিত্র উঠে এসেছে। একটি হিসাব অনুযায়ী, মাফিয়াদের প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকির দিক থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের সপ্তম সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এর চেয়েও খারাপ অবস্থায় রয়েছে কঙ্গো, মিয়ানমার এবং লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার সহিংস অপরাধের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। একই সঙ্গে মাদক, মানবপাচার এবং বিপন্ন - [ইউক্রেনকে সহায়তার স্বার্থপর যুক্তিও এখন ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ](https://sarakhon.com/news/189252/): যুদ্ধের গতিপথ কত দ্রুত বদলে যেতে পারে, ইউক্রেন যুদ্ধ তার একটি বড় উদাহরণ। কয়েক মাস আগেও মনে হচ্ছিল, রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে খুব বেশি এগোতে পারছে না। সামনের সারিতে অগ্রগতি সীমিত ছিল, অথচ রুশ বাহিনী প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক হতাহতের মুখে পড়ছিল। একই সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালিয়ে মস্কোর ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। রাশিয়া নতুন প্রযুক্তি এবং বাড়তি উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনের শহর, অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থার ওপর হামলা বাড়িয়েছে। লক্ষ্য শুধু সামরিক স্থাপনা নয়; সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদে ইউক্রেনের অর্থনীতি ও জনমনে চাপ সৃষ্টি করাও এই কৌশলের অংশ বলে মনে হচ্ছে। - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়: নিরাপত্তা নাকি চীনের চেয়ে এগিয়ে থাকা?](https://sarakhon.com/news/189250/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত অগ্রগতি নিয়ে একই সঙ্গে দুটি উদ্বেগ সামনে এসেছে। একদিকে, এআই গবেষণা ও শিল্পের কিছু ব্যক্তি সতর্ক করছেন যে ভবিষ্যতের অত্যন্ত সক্ষম এআই ব্যবস্থা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। অন্যদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে—সামরিক প্রযুক্তিতে তুলনামূলক ছোট অগ্রগতিও যুদ্ধক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সুবিধা তৈরি করতে পারে। এই দুই বাস্তবতা এআইয়ের অগ্রগতির গতি কমানো উচিত কি না, সেই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। এআই নিয়ে উদ্বেগ কেন বাড়ছে এআই শিল্পের কিছু শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে অত্যন্ত সক্ষম এআই ভবিষ্যতে মানুষের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একটি আশঙ্কা হলো, কোনো এআই ব্যবস্থা মানুষের - [মারিবে হুতিদের অনুপ্রবেশ ঠেকিয়ে ১২ যোদ্ধা নিহতের দাবি](https://sarakhon.com/news/189248/): ইয়েমেনের তেলসমৃদ্ধ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মারিব প্রদেশে হুতি যোদ্ধাদের একটি অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী। শনিবারের ওই সংঘর্ষে ১২ জন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, মারিব শহরের দক্ষিণে আল-ফালিহা এলাকায় সরকারি বাহিনীর প্রতিরক্ষা অবস্থানে ঢোকার চেষ্টা করে হুতিরা। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সরকারি বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে হুতিদের পিছু হটতে হয়। সংঘর্ষে আরও কয়েকজন হুতি যোদ্ধা আহত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। ইয়েমেনের এক সামরিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মারিবের বিভিন্ন ফ্রন্টে হুতিরা যোদ্ধা ও তাদের মিত্র - [গাজা পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর ও অযৌক্তিক’ বললেন এড শিরান](https://sarakhon.com/news/189246/): যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় কনসার্টে গান পরিবেশনের আগে গাজা যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী এড শিরান। তিনি গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর ও অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, তাঁর কনসার্ট এমন একটি জায়গা, যেখানে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও মানুষকে ঐক্য, মানবতা ও পারস্পরিক সম্মানের জায়গায় একত্রিত হওয়া উচিত। শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ফিলাডেলফিয়ার একটি প্রায় পূর্ণ স্টেডিয়ামে দর্শকদের সামনে বক্তব্য দেন শিরান। তাঁর এই মন্তব্য আসে এমন এক সময়ে, যখন গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফর ও কনসার্ট ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শিরানের বক্তব্যের আগে তাঁর সফরকে ঘিরে বেশ কিছু পরিবর্তনও হয়েছে। তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফরে শুরুতে র‍্যাপার ম্যাকলমোরকে উদ্বোধনী শিল্পী হিসেবে - [চিনি ছাড়াই ৩০ দিন: পুষ্টিবিদের তৈরি ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন কী থাকছে](https://sarakhon.com/news/189244/): স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে অনেকেই চিনি কমানোর পাশাপাশি এমন একটি খাদ্যপদ্ধতি খুঁজছেন, যা দীর্ঘদিন অনুসরণ করা যায়। এ ক্ষেত্রে ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যপদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। শাকসবজি, ফল, ডাল, সম্পূর্ণ শস্য, বাদাম, বীজ, মাছ ও স্বাস্থ্যকর চর্বিকে গুরুত্ব দেওয়া এই খাদ্যপদ্ধতিতে অতিরিক্ত চিনি বাদ দিয়ে ৩০ দিনের একটি খাবারের পরিকল্পনা তৈরি করেছে EatingWell। পুষ্টিবিদদের তৈরি এই পরিকল্পনাটি মূলত প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৮০০ ক্যালরির জন্য সাজানো। প্রয়োজন অনুযায়ী এটিকে ১ হাজার ৫০০ বা ২ হাজার ক্যালরিতেও সামঞ্জস্য করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন অন্তত ৭৪ গ্রাম প্রোটিন এবং ৩০ গ্রাম খাদ্যআঁশ রাখার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি বজায় থাকে। এই পরিকল্পনার - [একটি সিদ্ধান্তের আগে কতটা ভাবনা, আর কতটা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে?](https://sarakhon.com/news/189218/): কোনো সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রকৃত চরিত্র বোঝার জন্য শুধু সিদ্ধান্তটি কী—সেটি দেখলেই হয় না। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে কী ধরনের যাচাই হয়েছে, কার আপত্তি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে এবং একই ধরনের ঝুঁকির ক্ষেত্রে সরকার কতটা সমান মানদণ্ড প্রয়োগ করছে। থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এই প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে। বিশেষ করে ব্যাংককের বর্জ্য সংগ্রহে ডিজেলচালিত ট্রাকের বদলে বৈদ্যুতিক ট্রাক চালুর পরিকল্পনা এবং দেশজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ‘টিএইচ-এআই পাসপোর্ট’ প্রকল্প—দুটি উদ্যোগই আধুনিকায়নের নামে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুটির ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি ও সতর্কতার মধ্যে যে পার্থক্য দেখা গেছে, সেটিই আসল আলোচনার বিষয়। ব্যাংককের বৈদ্যুতিক বর্জ্যবাহী ট্রাকের পরিকল্পনাটি প্রথম দেখায় খুব - [বিদ্যুৎ বিল ৫০ শতাংশ বেশি, আয় কমেছে দেড় লাখ: ঢাকার মধ্যবিত্তের সংসারে এখন টিকে থাকার লড়াই](https://sarakhon.com/news/188992/): মাসের শুরুতে বিদ্যুতের বিল হাতে নিয়ে ঢাকার এই মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলেন। গত মাসেও একই বাসায়, একই সংসারে, প্রায় একই জীবনযাত্রায় বিদ্যুতের বিল এসেছিল ১২ হাজার টাকা। এবার সেই বিল এসে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার টাকায়। এক মাসে অতিরিক্ত ৬ হাজার টাকা। শতাংশের হিসাবে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। কিন্তু এই পরিবারের জন্য বিদ্যুৎ বিলের এই বাড়তি ৬ হাজার টাকাই একমাত্র দুশ্চিন্তা নয়। বরং এটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন পরিবারের তিনজন উপার্জনকারীর সম্মিলিত আয় কমেছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থাৎ সংসারের একদিকে ব্যয়ের চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে আয় কমছে। মাসের বাজার খুললে সেই চাপ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত মাসে - [গেরান-৫: নতুন রুশ ড্রোনে ন্যাটোর সীমান্তে বাড়ছে অনিচ্ছাকৃত সংঘাতের ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/189000/): ইউক্রেন যুদ্ধের আকাশপথে রাশিয়ার নতুন জেটচালিত গেরান-৫ ড্রোনের আবির্ভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন নয়; এর প্রভাব এখন ইউক্রেনের সীমানা ছাড়িয়ে ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরও পড়তে পারে। দ্রুতগতি, দীর্ঘ পাল্লা এবং তুলনামূলক ভারী বিস্ফোরক বহনের সক্ষমতার কারণে এই ড্রোনকে আগের প্রজন্মের গেরান বা শাহেদ-ধরনের ড্রোনের তুলনায় ভিন্ন মাত্রার হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক সম্প্রতি দেশটির সংসদে রাশিয়ার সম্ভাব্য ‘হাইব্রিড’ হামলার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল এমন একটি আশঙ্কা—ইউক্রেনকে সহায়তা করা ন্যাটো সদস্যদের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে রুশ হামলার পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পোলিশ সীমান্তের কাছে আকাশপথে এমন অস্ত্রের উপস্থিতিও বাড়ছে। - [চুলে রুপালি ঝিলিক, মুকুটে রাজকীয় ছোঁয়া—সুকি ওয়াটারহাউসের নতুন ‘ডিস্কো’ লুক](https://sarakhon.com/news/189234/): সুকি ওয়াটারহাউসের সাজে বরাবরই দেখা যায় পুরোনো দিনের রোমান্টিক আবহ, একটু এলোমেলো চুল আর সত্তরের দশকের রক তারকাদের অনুপ্রেরণা। এবার সেই পরিচিত সাজে নতুন মাত্রা যোগ করলেন এই ব্রিটিশ গায়িকা ও অভিনেত্রী। চুলে জুড়ে নিলেন সূক্ষ্ম রুপালি ঝিলিক, সঙ্গে মাথায় পরলেন ঝকঝকে একটি টায়রা। ফলে তার পুরো উপস্থিতিতেই ফুটে উঠল এক ধরনের আধুনিক ডিস্কো আবহ। সাম্প্রতিক সময়ে দ্য টুনাইট শো স্টারিং জিমি ফ্যালন-এ নিজের গান ‘উইয়ার্ডো’ পরিবেশন করেন ওয়াটারহাউস। সেই অনুষ্ঠানের জন্য তার স্বাভাবিক ঢেউখেলানো সোনালি চুলে যোগ করা হয় চিকন রুপালি টিনসেল। চুল ছিল সোজা, সামান্য লম্বা এবং বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ‘ক্ল্যাভি-কাট’-এর কাছাকাছি। কপালের ওপর এসে পড়া ছোট ছোট অসমান চুলের - [৫৫ বছর বয়সে নতুন ক্যারিয়ার, ৫৬-তে আকাশে উড়ছেন ক্রেইগ](https://sarakhon.com/news/189238/): ৫৫ বছর বয়সে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের বাসিন্দা ক্রেইগ সেলেক। বহু বছরের চাকরি ও ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, এবার একটু ভিন্ন কিছু করা যাক। সেই সিদ্ধান্তই তাকে নিয়ে যায় উড়োজাহাজের কেবিনে—ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রশিক্ষণ শেষ করে নতুন পেশায় যোগ দেন ৫৬ বছর বয়সী ক্রেইগ। তার ভাষায়, এটি তার কর্মজীবনের ‘তৃতীয় অধ্যায়’। আর নতুন এই কাজে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, বয়স এখানে বাধা নয়; বরং এত বছরের জীবন ও কাজের অভিজ্ঞতাই তার বড় সম্পদ হয়ে উঠেছে। কলেজ শেষ করার পর ক্রেইগ ১৫ বছর হংকংয়ের একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। এরপর তিনি নিউ ব্যালান্সের একটি - [এসডিজি বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর দাবি, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা](https://sarakhon.com/news/189213/): ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনের সময়সীমা ঘনিয়ে এলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। নির্ধারিত ১৭টি লক্ষ্যের বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো, পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার দাবি উঠেছে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক জনসম্মিলনে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে দেশের সব মানুষের জন্য কার্যকর ও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের কারিতাস কার্যালয়ে ‘রিজিওনাল পিপলস অ্যাসেম্বলি ২০২৬’ শীর্ষক এ জনসম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক কার্যক্রম ও বৈষম্য অবসানে জনগণের উদ্যোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নে বৈশ্বিক কর্মসপ্তাহ উপলক্ষে এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস ও আইএসডিই বাংলাদেশ - [দ্বিতীয় পর্বশেষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও শিক্ষক দিবসে কচি-কাঁচা একাডেমিতে অভিভাবক সভা](https://sarakhon.com/news/189222/): গাজীপুরের সদর উপজেলার নয়নপুরে কচি-কাঁচা একাডেমি, নয়নপুর এন এস আদর্শ বিদ্যালয় এবং ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় পর্বশেষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছে বিশেষ অভিভাবক সভা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নয়নপুরে প্রতিষ্ঠানের সাযযাদ কাদির মঞ্চে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইকবাল সিদ্দিকী এডুকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষাবিদ ও শিশু-সংগঠক প্রয়াত প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইকবাল সিদ্দিকী এডুকেশন সোসাইটির সদস্য সচিব ও প্রধান নির্বাহী হায়দার সিদ্দিকী উদয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন - [নতুন মুখ, নতুন অর্থ: মিয়ানমারের বদলে যাওয়া সম্পদের গল্প](https://sarakhon.com/news/189217/): থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক কিছু অভিজ্ঞতা আমাকে মিয়ানমারের অর্থনীতি ও সমাজের পরিবর্তন নিয়ে নতুন করে ভাবিয়েছে। ইয়াঙ্গুনে ফেরার অপেক্ষায় থাকা মিয়ানমারের যাত্রীদের ভিড় ছিল যথেষ্ট। ব্যবসা শ্রেণির কাউন্টারেও যাত্রীর অভাব ছিল না। কিন্তু অদ্ভুতভাবে পরিচিত মুখ প্রায় দেখিনি। মিয়ানমারের ব্যবসায়ী ও সামাজিক পরিমণ্ডলে বহু বছর থাকার কারণে বিষয়টি আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। অতীতে বিমানবন্দরে পরিচিত কাউকে না কাউকে পাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। ব্যবসায়ী, করপোরেট নির্বাহী, পেশাজীবী, পরিবারের সদস্য—কোনো না কোনো সূত্রে তাদের চেনা থাকত। এবার যেন দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। পরিচিতদের অনুপস্থিতির জায়গা নিয়েছে অচেনা অনেক মুখ। তারা কারা, কীভাবে অর্থ উপার্জন করছে এবং মিয়ানমারের অর্থনীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন তাদের উত্থানকে - [উজবেকিস্তানে মিলল প্রাচীন অগ্নিবেদির সন্ধান, জোরোয়াস্ট্রিয়ান ধর্মের যোগসূত্রের ইঙ্গিত](https://sarakhon.com/news/189210/): উজবেকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে প্রাচীন শহর ওদিরমনের ধ্বংসাবশেষে একটি সম্ভাব্য জোরোয়াস্ট্রিয়ান অগ্নিবেদি ও একটি অস্থিকোষের সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। আবিষ্কারটি মধ্য এশিয়ার প্রাচীন ধর্মীয় আচার ও সংস্কৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের এই খননকাজ পরিচালিত হচ্ছে সামরকন্দ প্রত্নতাত্ত্বিক ইনস্টিটিউট এবং উজবেকিস্তানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে। গবেষক দলের নেতৃত্বে রয়েছেন সানজার আবদুরাখিমভ। তবে এখনো অগ্নিবেদি ও অস্থিকোষ—দুটিরই সুনির্দিষ্ট সময়কাল নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। প্রাচীন শহর ওদিরমন দক্ষিণ উজবেকিস্তানে অবস্থিত প্রাচীন ওদিরমন ছিল প্রতিরক্ষা প্রাচীর, সড়ক এবং একটি আয়তাকার দুর্গ বা নগরকেন্দ্রসমৃদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বসতি। প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য অনুযায়ী, খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতক পর্যন্ত শহরটিতে মানুষের বসবাস - [মা হলেই কেন এত বিচার? ‘খারাপ মা’ হওয়ার সংস্কৃতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/189208/): মা হওয়া যেন শুধু সন্তানকে ভালোবাসা, যত্ন আর নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয় নয়—সমাজের চোখে এটি প্রতিনিয়ত পরীক্ষায় বসার মতোও হয়ে উঠেছে। সন্তান কী খাচ্ছে, কতক্ষণ মোবাইল বা টেলিভিশন দেখছে, কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, মা কী পোশাক পরছেন, চাকরি করছেন কি না—প্রায় সবকিছু নিয়েই মায়েদের বিচার করা হয়। কোনো একটি বিষয়ে প্রচলিত ধারণা থেকে সামান্য সরে গেলেই জুটতে পারে ‘খারাপ মা’ হওয়ার তকমা। এই সংস্কৃতি নিয়েই নতুন বই লিখেছেন নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের ‘দ্য কাট’-এর জ্যেষ্ঠ লেখক ইজ ডিকসন। তাঁর বই ‘ওয়ান ব্যাড মাদার: ইন প্রেইজ অব সাইকো হাউসওয়াইভস, স্টেজ পেরেন্টস, মমফ্লুয়েন্সার্স, অ্যান্ড আদার উইমেন উই লাভ টু হেট’-এ জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে মায়েদের কীভাবে বিচার করা হয়, - [তেজগাঁওয়ে সন্দেহভাজন জঙ্গি-সম্পর্কের অভিযোগে আটক ২৩ জনের ১১ জন মুক্ত, ১২ জন আদালতে](https://sarakhon.com/news/189205/): রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সন্দেহভাজন জঙ্গি-সম্পর্কের অভিযোগে আটক ২৩ জনের মধ্যে ১১ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে বাকি ১২ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হক জানান, পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের আগে ১১ জনের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। অন্যদিকে, পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের হেফাজতে থাকা বাকি ১২ জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের প্রক্রিয়া চলবে। - [ভারতে ২০২৭ সালেই আসছে প্রথম ডেঙ্গু টিকা ‘কিউডেঙ্গা’](https://sarakhon.com/news/189203/): ডেঙ্গু মোকাবিলায় বড় এক অগ্রগতির পথে এগোচ্ছে ভারত। প্রথমবারের মতো দেশটির বাজারে আসতে যাচ্ছে ডেঙ্গুর টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ (QDENGA)। জাপানের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাকেদার তৈরি এই টিকা ভারতের প্রধান ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন—সিডিএসসিওর অনুমোদন পেয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের প্রথমার্ধেই ভারতের বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র ও হাসপাতালগুলোতে টিকাটি পাওয়া যেতে পারে। ভারতে কিউডেঙ্গার বাজারজাত ও বিপণনের দায়িত্ব পেয়েছে দেশটির ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ড. রেড্ডিজ ল্যাবরেটরিজ। অনুমোদিত ব্যবহারের আওতায় ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষ এই টিকা নিতে পারবেন। চার ধরনের ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সুরক্ষা কিউডেঙ্গা ‘TAK-003’ নামেও পরিচিত। এটি একটি লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড বা দুর্বল প্রকৃতির ভাইরাসভিত্তিক টিকা। ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি - [নামাজ পড়তে বেরিয়ে নিখোঁজ ১১ বছরের আবদুল্লাহ, সন্ধান চায় পরিবার](https://sarakhon.com/news/189186/): রাজধানীর হাজারীবাগের ঝাউচর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে আবদুল্লাহ নামে ১১ বছরের এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘ কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে ঝাউচর বাজার সংলগ্ন এলাকার বাসা থেকে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয় আবদুল্লাহ। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পরিবার। তবে শনিবার - [হাটহাজারীতে দলীয় নাম ভাঙিয়ে হুমকির অভিযোগ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার](https://sarakhon.com/news/189198/): চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে দলীয় নাম ভাঙিয়ে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. মোমিনুল হক নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। মো. মোমিনুল হক হাটহাজারী উপজেলার ১৩ নম্বর দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ মিজানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোমিনুল হকের বিরুদ্ধে অনৈতিক উদ্দেশ্যে দলের নাম ব্যবহার করে হুমকি-ধমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে তাঁর - [জর্জ ওয়াশিংটন: যুদ্ধের সেনাপতি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট](https://sarakhon.com/news/189195/): জর্জ ওয়াশিংটনকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সাধারণত স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান সামরিক নেতা এবং দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্মরণ করা হয়। তবে তাঁর জীবনকে শুধু এই দুটি পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করলে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার অনেকটাই অজানা থেকে যায়। তিনি ছিলেন ভার্জিনিয়ার একজন ভূস্বামী, জরিপকারী, সামরিক কর্মকর্তা, মহাদেশীয় বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, ১৭৮৭ সালের সাংবিধানিক সম্মেলনের সভাপতি এবং শেষ পর্যন্ত নতুন ফেডারেল সরকারের প্রথম প্রেসিডেন্ট। ১৭৩২ সালে ভার্জিনিয়ার ওয়েস্টমোরল্যান্ড কাউন্টিতে জন্ম নেওয়া ওয়াশিংটন অল্প বয়সেই বাবাকে হারান। মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি বাবার কাছ থেকে ১০ জন দাসত্বের শিকার মানুষ উত্তরাধিকারসূত্রে পান। পরবর্তী জীবনে তিনি আরও মানুষকে দাস হিসেবে কিনেছিলেন। অর্থাৎ জীবনের শুরু থেকেই তিনি তৎকালীন দাসপ্রথাভিত্তিক - [গাজা খালি করার ‘৭১০’ পরিকল্পনা: বেন-গভিরের রাজনৈতিক বাজি কতটা কার্যকর?](https://sarakhon.com/news/189192/): ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের প্রস্তাবিত ‘ডিসএনগেজমেন্ট ৭১০’ পরিকল্পনা গাজা সংকটকে সামরিক সংঘাতের গণ্ডি ছাড়িয়ে জনসংখ্যা ও ভূখণ্ডের প্রশ্নে নিয়ে এসেছে। পরিকল্পনাটির ঘোষিত লক্ষ্য হলো সাত বছরের মধ্যে গাজা থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনিকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া। প্রথম বছরেই প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে স্থানান্তর এবং তিন বছরের মধ্যে সেই সংখ্যা ১১ লাখ ১০ হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবে রয়েছে বিপুল অর্থের সংস্থান। প্রাথমিক বিনিয়োগ হিসেবে ৩১০ কোটি ডলার এবং পুরো প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থের কাঠামোর কথা বলা হয়েছে। বেন-গভির এটিকে ‘স্বেচ্ছামূলক অভিবাসন’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। এর আওতায় গাজা ছাড়তে - [নতুন খোঁড়া পুকুরে খেলতে গিয়ে ডুবে গেল দুই ভাই-বোন](https://sarakhon.com/news/189189/): নাটোরের লালপুরে বাড়ির কাছে নতুন খনন করা পুকুরে ডুবে দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ঈশ্বরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু হলো—ঈশ্বরপাড়া গ্রামের কৃষক আতীকুল ইসলামের মেয়ে সোহাঙ্গী খাতুন আতিয়ারা, বয়স ৯ বছর, এবং ছেলে আবু বকর, বয়স ৬ বছর। তারা ছংধুপইল ইউনিয়নের ঈশ্বরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে বাড়ির কাছেই নতুন খোঁড়া পুকুরটির পাড়ে কাদা নিয়ে খেলছিল দুই ভাই-বোন। খেলাধুলার একপর্যায়ে আবু বকর কাদা সংগ্রহ করতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। ছোট ভাইকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে আতিয়ারাও পুকুরে ঝাঁপ দেয়। এরপর দুজনই পানিতে তলিয়ে যায়। ঘটনার - [জুবিন গার্গ: মৃত্যু যেখানে শেষ নয়, সুর যেখানে অমর](https://sarakhon.com/news/189184/): একজন শিল্পীর মৃত্যু কখনো কখনো কেবল একজন মানুষের চলে যাওয়া নয়। তার সঙ্গে হারিয়ে যায় একটি সময়ের আবহ, একটি প্রজন্মের স্মৃতি এবং মানুষের জীবনের সঙ্গে মিশে থাকা অসংখ্য অনুভূতির পরিচিত কণ্ঠ। ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জুবিন গার্গের মৃত্যু আসামের মানুষের কাছে এমনই এক শূন্যতা তৈরি করেছিল। ৫২ বছর বয়সে সিঙ্গাপুরে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু বহু মানুষকে এমন এক বাস্তবতার সামনে দাঁড় করায়, যা মেনে নেওয়া সহজ নয়—যে মানুষটি এতদিন সর্বত্র ছিলেন, তিনি হঠাৎ কীভাবে কোথাও নেই? কিন্তু এক বছর পর জুবিনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় স্পষ্ট: তাঁর অনুপস্থিতি তাঁর গানকে থামাতে পারেনি। বরং তাঁর মৃত্যুর পরও সেই গান নতুন করে মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে। - [মানিকগঞ্জে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার, শিশুকন্যাসহ স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার সন্দেহ](https://sarakhon.com/news/189177/): মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, তার স্ত্রী এবং ১৮ মাস বয়সী শিশুকন্যা। শনিবার দুপুরে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বারাহী জান্নাকান্দি গ্রামের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন—একই গ্রামের নুর হক ডাক্তারের ছেলে একরাম মোল্লা (৪০), তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং তাদের ১৮ মাস বয়সী মেয়ে আলিজা। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একরামের মরদেহ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে স্কার্ফ দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে তার স্ত্রী ও শিশুকন্যার মরদেহ ঘরের ভেতরে পড়ে ছিল। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মানিকগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ - [ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন হলে ৩০ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন শিক্ষার্থীরা, তীব্র গরমে ভোগান্তি](https://sarakhon.com/news/189178/): কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তিনটি আবাসিক হলে প্রায় ৩০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকায় ঘুম ও পড়াশোনায় ব্যাঘাতের পাশাপাশি পানির সংকট, খাবার প্রস্তুত এবং মোবাইল ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাদের। বিদ্যুৎহীন থাকা হল তিনটি হলো—বেগম খালেদা জিয়া হল, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল এবং শাহ আজিজুর রহমান হল। শিক্ষার্থীরা জানান, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এসব হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেল ৩টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়। দীর্ঘ এই সময়ে তীব্র গরমে হলে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে - [মক্কা চুক্তির প্রথম বড় পরীক্ষা: সৌদি নিরাপত্তা, হুতিদের উত্থান ও পাকিস্তানের কঠিন সমীকরণ](https://sarakhon.com/news/189172/): ইয়েমেনে হুতিদের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। বিশেষ করে বাব আল-মান্দাব প্রণালির কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ হুতিদের হাতে যাওয়ার ফলে সৌদি আরবের সামনে যে নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একই সঙ্গে আগস্টে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিও প্রথম বাস্তব পরীক্ষার মুখে পড়েছে। চুক্তিটির মূল কথা হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু এই নীতির বাস্তব প্রয়োগ কীভাবে হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিশেষ করে হুতিরা যদি সৌদি জাহাজ চলাচলকে লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেয়, তাহলে সেটি - [মিরপুরে চলন্ত বাসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস](https://sarakhon.com/news/189165/): রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় চলন্ত একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জামজাম টাওয়ারের কাছে শিখর পরিবহনের একটি বাসে এ আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি কর্মকর্তা রাশেদ বিন খালিদ জানান, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটের দিকে বাসে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। তিনি বলেন, বাসটি চলন্ত অবস্থায় থাকতেই আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট বর্তমানে ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। বাসটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণের পর - [জেন জেডের একাংশ কেন সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমের দিকে ঝুঁকছে?](https://sarakhon.com/news/189164/): যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ প্রজন্মের একটি অংশের মধ্যে সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজম নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে একটি সাম্প্রতিক জরিপের ফল প্রকাশের পর। ক্যাটো ইনস্টিটিউটের জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের ৩৮ শতাংশ কমিউনিজম সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। একই বয়সী ৫৩ শতাংশ সমাজতন্ত্রের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব জানিয়েছেন, যেখানে পুঁজিবাদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৫ শতাংশ। বয়সভেদে এই পার্থক্য আরও স্পষ্ট। ক্যাটোর জরিপে দেখা গেছে, ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের মধ্যে কমিউনিজমের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব ২৯ শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৯ শতাংশ এবং ৫৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৩ শতাংশ। ৬৫ বছর বা তার - [চট্টগ্রামে ৮ হাজারের পথে হাম রোগী, নেই স্থানীয় পরীক্ষার ব্যবস্থা](https://sarakhon.com/news/189851/): চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও রোগ শনাক্তের জন্য স্থানীয়ভাবে পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। ফলে সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজলস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে পাঠাতে হচ্ছে। এতে পরীক্ষার ফল পেতে সময় লাগছে, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জটিলতাও। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি সময়ে জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৪১ জন। এ রোগে মারা গেছেন ১৮ জন। তাদের মধ্যে ১৫ জন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং তিনজন পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা - [বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, যাত্রীদের বাদ দিয়ে সিদ্ধান্তের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/189846/): জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে আন্তঃজেলা বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে নৌপথে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এসব প্রস্তাব জানায়। পাশাপাশি ভাড়া পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় যাত্রীদের অংশগ্রহণ না থাকা এবং পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর গোপন বৈঠক নিয়ে অভিযোগ তোলে তারা। ভাড়া নির্ধারণে যাত্রীদের অংশগ্রহণ নেই যাত্রী কল্যাণ সমিতির অভিযোগ, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা থাকতেই পারে। তবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ বারবার পরিবহন - [ধানমন্ডি লেক থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার](https://sarakhon.com/news/189843/): রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি থানার রোড নম্বর ১০ এলাকায় আবেশ হোটেলের পেছনে একটি সেতুর নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ শনাক্ত পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম জাভেদ। তার বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। স্থানীয়দের সহায়তায় লেকের পানি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে সিঁড়ির ওপর নিয়ে আসে পুলিশ। ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক এসএম আব্দুল গফুর জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে লেকে একজনের মরদেহ ভাসতে থাকার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারকে খবর দেয় - [পোশাক রপ্তানিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ, বাড়ছে উন্নত পোশাকে ঘাটতি](https://sarakhon.com/news/189839/): বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বিশ্ববাজারে বড় অবস্থান ধরে রাখলেও উন্নত ও বেশি মূল্য সংযোজিত পোশাক রপ্তানিতে এখনও পিছিয়ে রয়েছে দেশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের ট্রেড ম্যাপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি এখনো মূলত মৌলিক পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে উন্নত ও উচ্চমূল্যের পোশাকের অংশ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৮৮২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে বিশ্বজুড়ে মোট পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। মৌলিক পোশাকেই বেশি নির্ভরতা তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৭৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ এসেছে মৌলিক শ্রেণির পণ্য থেকে। এর মধ্যে রয়েছে প্যান্ট ও - [রাশিয়ার হুমকিতে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তায় লিথুয়ানিয়ার নজিরবিহীন প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/189830/): রাশিয়ার সীমান্তের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিদ্যুৎ গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ করছে লিথুয়ানিয়া। তবে এটি হবে সাধারণ কোনো বিদ্যুৎ অবকাঠামো নয়। সম্ভাব্য সামরিক ড্রোন হামলা, বিস্ফোরকবোঝাই ট্রাক, ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ এবং নাশকতার মতো হুমকি মোকাবিলায় স্থাপনাটিকে বিশেষভাবে সুরক্ষিত করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। লিথুয়ানিয়ার বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান লিটগ্রিডের প্রধান নির্বাহী আন্দ্রিয়ুস সেমেসকেভিচিয়ুস জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে অবকাঠামো নির্মাণের সময় মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো ঝুঁকি বিবেচনা করা হতো। এখন সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচলিত ও ‘হাইব্রিড’ হুমকি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। লিথুয়ানিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে নির্মিত হবে গিজাই - [হরমুজে তেল পরিবহনের নতুন কৌশল, খরচ বাড়ছে বহুগুণ](https://sarakhon.com/news/189826/): মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো তেল রপ্তানি সচল রাখতে নতুন এক ধরনের ব্যয়বহুল পরিবহনব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে। এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে সমুদ্রে তেল স্থানান্তরের এই পদ্ধতি এখন ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। ওমানের উপকূলের কাছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে এখন সারি সারি তেলবাহী জাহাজ নোঙর করে থাকতে দেখা যাচ্ছে। অনেক জাহাজকে দড়ি ও পাইপের মাধ্যমে পাশাপাশি যুক্ত করে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে অপরিশোধিত তেল স্থানান্তর করা হচ্ছে। সমুদ্রের ওপর তৈরি হচ্ছে এক ধরনের ভাসমান সরবরাহসেতু, যার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের তেলক্ষেত্র থেকে - [প্রিন্সেস ডায়ানার ভাইয়ের নতুন বই ঘিরে রাজপরিবারে ফের উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/189823/): ব্রিটিশ রাজপরিবারের ইতিহাসে প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন, তাঁর ব্যর্থ দাম্পত্য এবং ১৯৯৭ সালের মর্মান্তিক মৃত্যু এখনো গভীর আলোচনার বিষয়। ডায়ানার মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর তাঁর ভাই চার্লস স্পেন্সারের নতুন স্মৃতিকথা সেই পুরোনো অধ্যায়কে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বইটিতে ব্রিটেনের বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের আচরণ নিয়ে স্পেন্সারের করা কিছু অভিযোগ ইতোমধ্যে রাজপরিবারের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। চার্লস স্পেন্সারের নতুন বই ‘Swan Song: Diana, My Sister’ মঙ্গলবার প্রকাশিত হচ্ছে। এতে তিনি তাঁর বোন ডায়ানার জীবন, রাজপরিবারে তাঁর অবস্থান, তৎকালীন প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য এবং ডায়ানার মৃত্যুর পরের ঘটনাগুলো নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরেছেন। স্পেন্সারের দাবি, তিনি এই বই লিখেছেন ইতিহাসের একজন - [গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ, আর্কটিকের দায়িত্ব নেবে ন্যাটো](https://sarakhon.com/news/189820/): গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে চুক্তিটি স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে। ডেনমার্কের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্ব শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের হাতে থাকবে না; বরং এতে ন্যাটোর ভূমিকাও আরও স্পষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ হবে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এতে ১৯৫১ সালের যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্ক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে কি না, সেটিও - [ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষের দাবি দুই রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থীর, ট্রাম্পের অবস্থান থেকে দূরে সরে বার্তা](https://sarakhon.com/news/189817/): যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান থেকে দূরত্ব তৈরি করছেন রিপাবলিকান দলের দুই সিনেট প্রার্থী। মিশিগানের মাইক রজার্স ও আইওয়ার অ্যাশলি হিনসন সোমবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জ্বালানির বাড়তি দামের চাপ কমাতে গ্যাসোলিন কর স্থগিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি সাময়িকভাবে বন্ধেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দুই প্রার্থীর এই অবস্থান পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, এর আগে দুজনই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ক্ষমতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এখন যুদ্ধ প্রায় সাত মাস ধরে চলার পর জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে - [পাইপলাইন হামলার পর উপসাগরীয় পথে সৌদির তেল রপ্তানি বাড়ছে](https://sarakhon.com/news/189813/): সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে হামলার পর দেশটি লোহিত সাগরের বদলে উপসাগরীয় বন্দরগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়িয়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, হামলার কারণে সরবরাহে যে বিঘ্ন তৈরি হয়েছিল, তা সামাল দিতে সৌদি আরামকো বিকল্প রপ্তানি পথ ব্যবহার করছে। রোববার সৌদি আরামকো উপসাগরের ভেতরে সাতটি বিশাল আকারের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেল তুলেছে। ট্যাংকার চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, এসব জাহাজ ছিল ‘ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার’ বা ভিএলসিসি শ্রেণির সুপারট্যাংকার। রয়টার্সের দেখা উপগ্রহচিত্রেও রোববার সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরের কাছে সাতটি তেলবাহী জাহাজের অবস্থান দেখা গেছে। তবে সৌদি আরামকোর একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে কোনো - [গ্রিনল্যান্ডে নতুন দুই সামরিক ঘাঁটি গড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্কের সঙ্গে চুক্তি আজ](https://sarakhon.com/news/189811/): শীতল যুদ্ধের সময়ের একটি পুরোনো সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করার পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে আরও একটি নতুন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে একটি নতুন চুক্তি মঙ্গলবার স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। চুক্তির আওতায় যে দুটি স্থানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেগুলো হলো দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াক এবং পূর্ব উপকূলের মেস্টারসভিগ। একসময় নারসারসুয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান’ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটিটি বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানকার জনসংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বর্তমানে সেখানে কয়েক ডজন মানুষ - [ইসলামাবাদ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, পিটিআইয়ের মিছিলে যাচ্ছে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ](https://sarakhon.com/news/189808/): পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ২৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ঘোষিত মিছিল ও বিক্ষোভকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাঞ্জাব ও সিন্ধু থেকে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা রাজধানীতে পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে কনটেইনার বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের এই কর্মসূচির মূল দাবি দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তি এবং সংবিধানের সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করা। দলটি জানিয়েছে, প্রতিবাদ ও মিছিল থেকে তারা সরে আসবে না। পাঞ্জাব-সিন্ধু থেকে পুলিশের বড় বহর পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সিন্ধু থেকে প্রায় ১ হাজার ৯৫০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য মঙ্গলবার রাতে ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা। - [পিংক বাসে যাত্রী নেই, প্রতিদিন ৫০-৬০ হাজার টাকা লোকসান](https://sarakhon.com/news/189805/): নারীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীতে চালু হওয়া পিংক বাস সেবা এক মাস পেরিয়েও প্রত্যাশিত যাত্রী পাচ্ছে না। ফলে বিশেষায়িত এই পরিবহনসেবা চালু রাখার টেকসইতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে যাত্রীস্বল্পতার পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ উঠে এসেছে—স্বল্পসংখ্যক ট্রিপ ও অনিয়মিত সময়সূচি, সীমিত রুট, পর্যাপ্ত বাস না থাকা, নারী চালকের সংকট ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি এবং প্রচারের সীমাবদ্ধতা ও যাত্রীদের প্রচলিত অভ্যাস। রাজধানীতে পিংক বাসের যাত্রীচিত্র বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বিশেষায়িত পিংক বাসের একটি রাজধানীর জোয়ারসাহারা ডিপো থেকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে বাসটিতে তেমন যাত্রী ছিল না। আবদুল্লাপুর হয়ে মতিঝিলের পথে বিভিন্ন স্টপেজ থেকে - [জাতিসংঘে তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত সফর, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক নয়: হুমায়ূন কবির](https://sarakhon.com/news/189802/): জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবির। তিনি জানান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই বিভিন্ন সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ূন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। জাতিসংঘ অধিবেশন ঘিরে ব্যস্ত কর্মসূচি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী ডজনের বেশি - [নেতানিয়াহুর নজিরবিহীন সংক্ষিপ্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক নেই](https://sarakhon.com/news/189799/): ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবার যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তার অন্যতম সংক্ষিপ্ত সফরে। বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে নিউইয়র্কে পৌঁছে স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। এরপর একই দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার কথা রয়েছে। ফলে সফরে এক রাতও দেশটিতে না কাটানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সফরের সূচি বদলেছে একাধিকবার নেতানিয়াহুর এবারের সফরকে ঘিরে কয়েক দিন আগেও পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। শুরুতে বুধবারের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর কথা ছিল তার। পরে সফরে টেক্সাস যুক্ত হয়, যেখানে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এমনকি স্পেসএক্সের একটি স্থাপনাও পরিদর্শনের বিষয়টি বিবেচনায় ছিল। নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে একটি অগ্রবর্তী প্রতিনিধিদল টেক্সাসে পৌঁছে প্রস্তুতিও শুরু - [৯৮ বছরে ইন্তেকাল গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ শোবেইরি জাঞ্জানি, শোকে ইরান ও শিয়া বিশ্ব](https://sarakhon.com/news/189795/): ইরান ও বৃহত্তর ইসলামী বিশ্বে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শিয়া ইসলামী আইনশাস্ত্রের অন্যতম প্রভাবশালী আলেম ও সম্মানিত ধর্মীয় কর্তৃত্ব গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুসা শোবেইরি জাঞ্জানি ৯৮ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার তাঁর কার্যালয় মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে তাঁর কার্যালয় জানায়, ফেরেশতারা যখন সৎ অবস্থায় মানুষের প্রাণ গ্রহণ করেন, তখন তাদের শান্তির অভিবাদন জানিয়ে জান্নাতে প্রবেশের আহ্বান জানানো হয়। ফুসফুসের জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি গত শুক্রবার পবিত্র কোম শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আয়াতুল্লাহ শোবেইরি জাঞ্জানিকে। ফুসফুসের জটিলতার কারণে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। সেখানেই সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯২৮ সালে জন্ম নেওয়া এই বিশিষ্ট ধর্মীয় - [ইরানের হুঁশিয়ারি: নতুন হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে আরও কঠোর জবাব](https://sarakhon.com/news/189792/): ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নতুন কোনো আগ্রাসন চালানো হলে তার বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির সামরিক নেতৃত্ব বলেছে, ভবিষ্যতে ইরানের ওপর হামলা হলে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে এর জন্য বড় ধরনের মূল্য দিতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ ও খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এ সতর্কবার্তা দেয়। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরুর ৪৬তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবছর এই সময় ইরানে ‘পবিত্র প্রতিরক্ষা সপ্তাহ’ পালন করা হয়। ইরান-ইরাক যুদ্ধের উত্তরাধিকার বিবৃতিতে আট বছরব্যাপী ইরান-ইরাক যুদ্ধকে জাতীয় প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ইরানের দাবি, সামরিক, - [টাটা ট্রাস্ট–টাটা সন্স দ্বন্দ্বে মালিকানার অধিকার নিয়ে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/189789/): টাটা ট্রাস্ট ও টাটা সন্সের চলমান আইনি বিরোধকে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার সাধারণ দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন টাটা ট্রাস্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও ভারতের পাঁচবারের সংসদ সদস্য অভিষেক সিংভি। তাঁর মতে, এই বিরোধের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন হলো—কোম্পানির মালিক ও শেয়ারহোল্ডারদের মৌলিক অধিকার কোনোভাবেই খর্ব বা বাতিল করা যায় কি না। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিংভি বলেন, টাটা সন্সের ৬৬ শতাংশ মালিকানা টাটা ট্রাস্টের হাতে থাকা সত্ত্বেও তাদের অধিকারকে পাশ কাটিয়ে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা করপোরেট শাসনের মৌলিক নীতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে। শেয়ারহোল্ডারের অধিকার বনাম পরিচালনা পর্ষদ সিংভির বক্তব্য অনুযায়ী, টাটা ট্রাস্ট তাদের ৬৬ শতাংশ মালিকানার - [১২২ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাত্র ১১টি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল](https://sarakhon.com/news/189783/): বাংলাদেশের ১২২টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার মধ্যে মাত্র ১১টিকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হিসেবে চিহ্নিত করেছে অর্থ বিভাগ। এ চিত্র দেশের সরকারি খাতের বড় একটি অংশের আর্থিক দুর্বলতা, ঋণনির্ভরতা ও লোকসানের চাপকে সামনে এনেছে। অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নে দেখা গেছে, এই ১১ প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থ ও তারল্যসম্পদ তাদের মোট ঋণের চেয়ে বেশি। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের নিট ঋণ ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে, যা আর্থিক সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। স্বচ্ছল ১১ প্রতিষ্ঠান মূল্যায়নে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স, হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল, যমুনা সার কারখানা, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, নিউক্লিয়ার পাওয়ার - [ঢাকার কয়েকটি এলাকায় মঙ্গলবার ৫ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ](https://sarakhon.com/news/189779/): জরুরি গ্যাস পাইপলাইন মেরামত কাজের জন্য মঙ্গলবার ঢাকার কয়েকটি এলাকায় পাঁচ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। টিটাসের জরুরি মেরামত কাজ টিটাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, গ্যাস পাইপলাইনে জরুরি মেরামত কাজের কারণে নির্ধারিত সময়জুড়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সরবরাহ বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ পাইকপাড়া, সোনালী নগর এবং বটতলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশসহ সংলগ্ন এলাকাগুলো এ সাময়িক সরবরাহ বন্ধের আওতায় থাকবে। সংলগ্ন এলাকায় কমতে পারে চাপ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার প্রভাব শুধু নির্ধারিত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। আশপাশের এলাকাগুলোতেও মেরামতকাজ চলাকালে গ্যাসের চাপ কমে - [জাপানে অবৈধ বিদেশি শ্রম ঠেকাতে মন্ত্রণালয়গুলোর যৌথ অভিযান](https://sarakhon.com/news/189776/): জাপানে অবৈধভাবে বিদেশি নাগরিকদের কাজ করার প্রবণতা ঠেকাতে বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির অভিবাসন পরিষেবা সংস্থা। আগামী অক্টোবর থেকেই সংশ্লিষ্ট সরকারি পরিদর্শকদের সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন নির্মাণ ও স্থাপনা ভাঙার এলাকায় অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ জাপানের ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা নির্মাণ ও ভবন ভাঙার স্থানগুলোতে নিয়মিত পরিদর্শন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব অভিযান পরিচালিত হলেও বিদেশি শ্রমিকদের পরিচয় যাচাই করার আইনি ক্ষমতা স্থানীয় কর্মকর্তাদের নেই। এই সীমাবদ্ধতা কাটাতেই অভিবাসন পরিষেবা সংস্থার কর্মকর্তাদের এসব অভিযানে যুক্ত করা হবে। জাপানের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও শরণার্থী স্বীকৃতি আইনের - [জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব, নিহত ৪ নিখোঁজ ৬](https://sarakhon.com/news/189773/): জাপানের পূর্বাঞ্চলে টাইফুন দুজুয়ানের প্রভাবে রেকর্ড বৃষ্টিপাতের পর ভূমিধস ও বন্যায় অন্তত চারজন নিহত এবং ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কানতো অঞ্চলের চিবা ও কানাগাওয়া প্রিফেকচারে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ, দমকল বাহিনী ও জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনী। ইজু দ্বীপপুঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্কতা টাইফুনের প্রভাবে সোমবার জাপান আবহাওয়া সংস্থা ইজু দ্বীপপুঞ্জের ওশিমাসহ কয়েকটি এলাকায় ভূমিধসের জন্য সর্বোচ্চ স্তরের বিশেষ সতর্কতা জারি করে। প্রবল বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে বাড়িঘরে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে পড়ে। কানাগাওয়া প্রিফেকচারের ইয়োকোসুকা শহরে নিজের বাড়ির ভেতর থেকে ৬৪ বছর বয়সী এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দুই তলা ভবনটির নিচতলায় কাদা ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে পড়েছিল। এর - [জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৩৬ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/189767/): চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে চার ধরনের প্রধান তরল জ্বালানির দাম কয়েক দফা পরিবর্তন হয়েছে। সর্বশেষ ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে দাম বাড়ানোর পর জানুয়ারির তুলনায় ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ প্রায় ৩৬ শতাংশ। জানুয়ারির তুলনায় বড় মূল্যবৃদ্ধি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ছিল ১০২ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা, পেট্রল ১১৮ টাকা এবং অকটেন ১২২ টাকা। সর্বশেষ নির্ধারিত দামে এখন ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা লিটারে। ফলে জানুয়ারির তুলনায় ডিজেলের দাম বেড়েছে ৩৩ টাকা বা - [দিল্লিতে পুলিশ সেজে ১৭ বছরের কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১](https://sarakhon.com/news/189764/): দিল্লির কালকাজি এলাকায় পুলিশ পরিচয় দিয়ে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুজনকে ধরতে অভিযান চলছে। পুলিশ পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে হামলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই কিশোরী তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুর সঙ্গে প্রার্থনার জন্য কালকাজি মন্দিরে যায়। মন্দিরে যাওয়া শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তারা কাছের আস্থা কুঞ্জ পার্কে বসে। পার্কটি কালকাজি মন্দির ও ইস্কনের মন্দিরের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত। পুলিশ জানায়, ওই সময় ২৫ থেকে ৩০ - [কিশোর গ্যাং, অপ্রতীমের মৃত্যু এবং “মবস্টার ইউনূস”](https://sarakhon.com/news/189760/): বাংলাদেশে কিশোর গ্যাংয়ের এই ভয়াবহ বিস্তার ও সমাজের এই ছবি একদিনে বা কয়েক মাসে ঘটেনি। এমনিতে কিশোর অপরাধী সব সময়ই ছিল। যে কারণে দেশে কিশোর সংশোধনাগার রয়েছে। বাস্তবে কিশোর-কিশোরীর মন একটি ফুলের কুঁড়ির মতো। যারা বাগান করেন, তারা জানেন প্রতিটি কুঁড়ি ফোটার আগে কী পরিমাণ যত্ন নিতে হয়। অতীতে এ সমাজে প্রতিটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা জানত কীভাবে ফুলের কুঁড়ির প্রতি যত্ন নিতে হয়। কারণ, তখন শহর বা গ্রামের বাড়িগুলোতে ঢুকতেই একটা ফুলের বাগান থাকত। বাড়ির সকলের লক্ষ্য ওই বাগানের প্রতি থাকলেও কিশোর-কিশোরীরাই ফুলবাগানের প্রতি বেশি আগ্রহী থাকত। তেমনি অতীতে প্রতিটি বাড়িতে যথেষ্ট পোষা প্রাণী থাকত। তাদের শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা, তাদের - [ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি](https://sarakhon.com/news/189757/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক উত্তেজনা কমিয়ে রাখা এবং বিদ্যমান সমঝোতা আরও দীর্ঘ করার বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। তবে এই দুই নেতার রাজনৈতিক বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। ট্রাম্পকে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ও চলমান যুদ্ধের তাৎক্ষণিক চাপ সামলাতে হচ্ছে। অন্যদিকে শি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হিসেবে সম্ভাব্য চতুর্থ মেয়াদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দুই নেতার ভিন্ন রাজনৈতিক সময়সূচিই শিকে আলোচনায় কিছুটা কৌশলগত সুবিধা দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। যুদ্ধবিরতি ধরে রাখাই শির লক্ষ্য গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা কমাতে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, সেটি ধরে রাখাই শির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হতে পারে। কারণ নতুন করে - [জ্বালানির দাম বেড়েছে, এবার বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম?](https://sarakhon.com/news/189754/): জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পর নতুন করে নিত্যপণ্যের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখনো অধিকাংশ পণ্যের খুচরা দামে বড় পরিবর্তন দেখা না গেলেও পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয় বাড়তে শুরু করায় সামনে এর প্রভাব বাজারে পড়তে পারে। ব্যবসায়ীদের মতে, পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়লে সেই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপরই চাপবে। প্রথম ধাক্কা পরিবহনে জ্বালানির নতুন দরের প্রভাব ইতোমধ্যে গণপরিবহনে দেখা যাচ্ছে। রাজধানীর চিটাগং রোড, সাইনবোর্ড, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদসহ বিভিন্ন রুটে বাস ও লেগুনায় ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। দূরপাল্লার কয়েকটি রুটেও ৫০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা। রাইডশেয়ারিং সেবা এবং পণ্য - [ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির শেয়ারে উত্থান, টানা চার দিন কমল অপরিশোধিত তেলের দাম](https://sarakhon.com/news/189751/): আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো কমায় ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তিন তেল বিপণন কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়ামের শেয়ারে উত্থান দেখা গেছে। চার দিনে বিপিসিএলের শেয়ার বেড়েছে ৩ শতাংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ৩০৬ দশমিক ৮০ রুপিতে লেনদেন শেষ করা শেয়ারটি ২১ সেপ্টেম্বর বেড়ে ৩১৫ দশমিক ৭৫ রুপিতে পৌঁছায়। একই সময়ে ইন্ডিয়ান অয়েলের শেয়ার ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ১৩৭ দশমিক ৭০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১৩৪ দশমিক ১০ রুপি। হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের শেয়ারও চার দিনে প্রায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। চলতি লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ার সর্বোচ্চ ৩৫৯ দশমিক ৫৫ রুপিতে ওঠে। ১৭ - [মেরি ক্যাসাট: ইমপ্রেশনিজমের পর যে অধ্যায়ে তৈরি হয় তাঁর সেরা শিল্পকর্ম](https://sarakhon.com/news/189747/): মেরি ক্যাসাটকে ইমপ্রেশনিজমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, তাঁর শিল্পীজীবনের পরবর্তী পর্যায়েই তৈরি হয় সেইসব অনন্য কাজ, যেগুলো আজও তাঁর শিল্পীসত্তার সবচেয়ে শক্তিশালী পরিচয় হয়ে আছে। শিকাগোর আর্ট ইনস্টিটিউটে ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া ‘মেরি ক্যাসাট: আফটার ইমপ্রেশনিজম’ প্রদর্শনীতে তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টিই তুলে ধরা হয়েছে। প্রদর্শনীটি চলবে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। শিকাগোর আর্ট ইনস্টিটিউটের বিখ্যাত সংগ্রহে এমন বহু শিল্পকর্ম রয়েছে, যেগুলো দর্শক আগে থেকেই ছবির মাধ্যমে চেনেন। এডওয়ার্ড হপারের ‘নাইটহকস’, জর্জ স্যুরার ‘আ সানডে অন লা গ্রঁদ জাট’, গ্রান্ট উডের ‘আমেরিকান গথিক’ কিংবা গুস্তাভ কাইবোটের ‘প্যারিস স্ট্রিট; রেইনি ডে’—এসব কাজ দেখতে দর্শকের আলাদা আগ্রহ থাকে। সেই - [বাণিজ্যের নতুন পথ, জলবায়ুর পুরোনো বিপদ](https://sarakhon.com/news/189634/): বিশ্ব বাণিজ্য যখন একের পর এক ভূরাজনৈতিক সংকটে আটকে যাচ্ছে, তখন এশিয়া নতুন নতুন পথ খুঁজে নিচ্ছে। কিন্তু এসব বিকল্প পথের অর্থনৈতিক সুবিধার আড়ালে যে পরিবেশগত মূল্য জমা হচ্ছে, তা কতটা গ্রহণযোগ্য—সেই প্রশ্ন এখন আর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সম্প্রতি চীনের সি লেজেন্ড লাইন পরিচালিত একটি পণ্যবাহী জাহাজ নিংবো থেকে ইংল্যান্ডের ফেলিক্সস্টো বন্দরে মাত্র ২০ দিনে পৌঁছেছে। রাশিয়ার উত্তর সমুদ্রপথ ধরে আর্কটিক পেরিয়ে সম্পন্ন হওয়া এই যাত্রার নাম দেওয়া হয়েছে ‘আইস সিল্ক রোড’। সুয়েজ খাল হয়ে একই পথ পাড়ি দিতে যে সময় লাগে, তার প্রায় অর্ধেক সময়েই জাহাজটি ইউরোপে পৌঁছেছে। বাণিজ্যের দৃষ্টিতে এটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কিন্তু এই নতুন পথের পেছনে - [যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসায় নতুন বাস্তবতা: আর্থিক সক্ষমতার পরীক্ষায় অনিশ্চিত গ্রিন কার্ড](https://sarakhon.com/news/189647/): যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখা অভিবাসীদের জন্য গ্রিন কার্ডের পথ কখনোই পুরোপুরি সহজ ছিল না। তবে সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তন সেই পথকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এখন শুধু আবেদনকারীর যোগ্যতা, পারিবারিক সম্পর্ক বা অনুমোদিত আবেদনই যথেষ্ট নয়; তিনি ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন কি না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আসছে। এখানেই অভিবাসন ব্যবস্থার একটি পুরোনো প্রশ্ন নতুনভাবে সামনে এসেছে—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যোগ্যতা প্রমাণ করা এবং সেখানে গিয়ে নিজের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখার নিশ্চয়তা কি একই পরীক্ষার অংশ হয়ে উঠছে? আবেদনকারীর পাশাপাশি স্পনসরও এখন গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী কোনো ব্যক্তি পরিবারের সদস্যের জন্য অভিবাসন আবেদন করলে সাধারণত একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার - [পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/189570/): পাকিস্তান সরকারের প্রস্তাবিত পেট্রোল ভর্তুকি কর্মসূচি নিয়ে অর্থের পরিমাণ, উপকারভোগী নির্বাচন, প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা এবং সরকারি অর্থ ব্যবহারের জবাবদিহি—সবকিছু ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০০ রুপি ছাড় দেওয়া হবে। মোটরসাইকেল, দুই ও তিন চাকার যানবাহনের জন্য সপ্তাহে পাঁচ লিটার এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির জন্য প্রতি ১০ দিনে ১০ লিটার বা মাসে ৩০ লিটার পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নিবন্ধিত মোবাইল সিম, জাতীয় পরিচয়পত্র ও যানবাহনের তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন হবে। পেট্রোল কেনার আগে নির্ধারিত নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে টোকেন নিতে হবে এবং পেট্রোল পাম্পে তা দেখিয়ে ভর্তুকি পাওয়া যাবে। অর্থনৈতিক সমন্বয় কমিটি প্রাথমিকভাবে ৭৫ বিলিয়ন রুপি অনুমোদন করেছে। তবে - [পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ](https://sarakhon.com/news/189740/): চট্টগ্রামের পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর কক্সবাজারের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চক্রশালা স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিবহন কর্মকর্তা মো. ফারহান মাহমুদ জানান, বিকেল ৪টার দিকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের একটি বগির দুটি চাকা রেললাইন থেকে ছিটকে যায়। ওই অংশের রেলপথ একক লাইনের হওয়ায় বগি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষের পর লাইনচ্যুত রেলওয়ে সূত্র জানায়, বগি লাইনচ্যুত হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনটির সঙ্গে একটি পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে - [জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা](https://sarakhon.com/news/189674/): জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর দেশের বাসভাড়া সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। প্রাথমিক প্রস্তাবে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং রাজধানীসহ শহরাঞ্চলের বাসে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এই হারই চূড়ান্ত নয়। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পর প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন ভাড়া কার্যকর করা হবে। ভাড়া সমন্বয়ে বিআরটিএর বৈঠক সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বনানীতে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে বাসভাড়া সমন্বয় নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং শহরাঞ্চলে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর নীতিগত - [তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন](https://sarakhon.com/news/189735/): যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামায় নির্বাসিত হওয়ার পর ইরানি খ্রিষ্টান তরুণ আরসালান সালেহ ফার্দের জীবন আটকে গেছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। বৈধভাবে কাজের সুযোগ নেই, স্থায়ীভাবে থাকার অনুমতিও নেই। ভাষা না জানায় দৈনন্দিন জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতির আওতায় নিজ দেশের বদলে তৃতীয় দেশে পাঠানো শত শত অভিবাসীর পরিস্থিতির একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে তার জীবন। পানামায় ঠাঁই, কিন্তু ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ২৫ বছর বয়সী সালেহ ফার্দ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামায় পাঠানো ২৯৯ অভিবাসীর একজন। তাদের কারও সঙ্গেই এর আগে পানামার কোনো সম্পর্ক ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতির আওতায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করা চুক্তির মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে অভিবাসীদের - [জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থানের জ্বালানি: হারিয়ে যাওয়া গৌরবের নস্টালজিয়া](https://sarakhon.com/news/189730/): জার্মানিতে উগ্র ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডির জনপ্রিয়তা বাড়ার পেছনে শুধু অভিবাসনবিরোধী মনোভাব নয়, অতীতের হারিয়ে যাওয়া গৌরব ও পরিচয়ের প্রতি এক ধরনের নস্টালজিয়াও কাজ করছে বলে বিশ্লেষকদের মত। অর্থনৈতিক ও শিল্পখাতের অবনতি, সামাজিক অনিরাপত্তা এবং দ্রুত বদলে যাওয়া সমাজের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারার অনুভূতি দলটির সমর্থন বাড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক রাজ্য নির্বাচনেও এএফডির অগ্রগতি এই প্রবণতাকে আরও স্পষ্ট করেছে। মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্ন রাজ্যে দলটি প্রথম হয়েছে এবং বার্লিনে পেয়েছে তৃতীয় স্থান। অন্যদিকে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মেরৎসের খ্রিস্টীয় গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন সেখানে দুর্বল ফল করেছে। মেরৎস নিজেই ফলাফলকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হারানো অতীতের প্রতি আকর্ষণ বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের বিভিন্ন ডানপন্থী ও জনতুষ্টিবাদী দলের - [জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরানোয় তাইয়েবকে হুমকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি](https://sarakhon.com/news/189719/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জাদুঘর থেকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন আবু তাইয়েব হাবিলদার। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক ও সহযোদ্ধা’ পরিচয়ে একটি সংগঠনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়। এতে তাইয়েব ছাড়াও মাসকুর রাতুল, আবদুল মজিদ অন্তর, শামীম হোসেন, আবু বকরসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। ১৪ সেপ্টেম্বর জাদুঘরে জিন্নাহর প্রতিকৃতি প্রদর্শনের প্রতিবাদে তাইয়েব সেটি খুলে সরিয়ে দেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকির অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, প্রতিকৃতি সরানোর ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের - [এডিপি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন হার, দুই মাসে অগ্রগতি মাত্র ১.৮৫ শতাংশ](https://sarakhon.com/news/189725/): চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার নেমে এসেছে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে। গত পাঁচ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি সর্বনিম্ন বাস্তবায়ন হার। এ সময়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করেছে ৫ হাজার ৭০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অথচ পুরো অর্থবছরের জন্য এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। বাস্তবায়ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর ২০২৫-২৬-এর জুলাই-আগস্টে এডিপিতে ব্যয় হয়েছিল ৫ হাজার ৭১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। ওই সময়ে বার্ষিক বরাদ্দের তুলনায় বাস্তবায়নের হার ছিল ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে উন্নয়ন - [ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬৫৫](https://sarakhon.com/news/189722/): বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ২১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন ছয়জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে ছয়জন মারা গেছেন, তাদের সবাই রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা। তবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকার মৃত্যুর হিসাব এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। এদিকে, একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ১ হাজার ৪২৮ জন ডেঙ্গু - [বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ছকে দেখলে ভারতেরই কৌশলগত ক্ষতি](https://sarakhon.com/news/189567/): বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীদের একজন। কিন্তু গত দুই বছরে দুই দেশের সম্পর্ক এমন এক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে, যেখানে দুই দেশের প্রতিবেশী সম্পর্ক ক্রমেই ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির অংশ হয়ে উঠেছে। এই প্রবণতা শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জটিল করছে না, ভারতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের জন্যও নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর চিত্র অবশ্য একরকম নয়। নেপালের সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের সঙ্গে যোগাযোগও উন্নত হয়েছে। ভুটানের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক ঘনিষ্ঠতা বজায় আছে। বিপরীতে পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা অব্যাহত এবং বাংলাদেশেও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দিল্লির সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। এই দুই দেশকে একই দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতাই এখানে মূল সমস্যা। - [নাক থেকে অন্ত্র—শরীরের অদৃশ্য প্রতিরক্ষা দেয়াল, কীভাবে কাজ করে মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম?](https://sarakhon.com/news/189715/): সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি, নাক বন্ধ বা পানি পড়া, চোখ চুলকানো কিংবা গলা ব্যথা—এসবকে আমরা সাধারণ অসুস্থতার লক্ষণ হিসেবে দেখি। আবার মানসিক চাপ বাড়লে অনেকের পেটের সমস্যা, পেট ফাঁপা, ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যও দেখা দেয়। এসবের পেছনে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কাজ করে, যার নাম মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম। শরীরের যেসব অংশের ভেতরের আবরণ কোনো না কোনোভাবে বাইরের পরিবেশের সংস্পর্শে আসে, সেসব জায়গায় এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে। নাক থেকে ফুসফুস পর্যন্ত শ্বাসনালি, মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত পরিপাকতন্ত্র এবং মূত্র ও প্রজনন অঙ্গের বিভিন্ন অংশে মিউকোসাল টিস্যু রয়েছে। এসব জায়গা প্রতিদিন অসংখ্য জীবাণু, ভাইরাস, ধুলা, অ্যালার্জেন ও নানা ধরনের অণুর মুখোমুখি হয়। - [পাঞ্জাবই কি পাকিস্তান? ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণে বাড়ছে প্রাদেশিক বৈষম্য](https://sarakhon.com/news/189705/): পাকিস্তানের রাজনীতি, প্রশাসন, সামরিক বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কাঠামোতে পাঞ্জাবের প্রভাব দীর্ঘদিনের। দেশটির সবচেয়ে জনবহুল এই প্রদেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চল থেকে সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচার বিভাগ ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা আসায় সমালোচকদের অনেকেই মনে করেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা ক্রমেই পাঞ্জাবকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। এর ফলে বেলুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও সিন্ধুর মতো প্রদেশগুলোর মধ্যে বঞ্চনা ও অবিশ্বাসের অনুভূতি বাড়ছে। তবে পাঞ্জাবকে পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকটের জন্য এককভাবে দায়ী করাও যথার্থ নয়। বিষয়টি বুঝতে হলে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ক্ষমতার কাঠামোর পরিবর্তন, বিভিন্ন প্রদেশের সঙ্গে কেন্দ্রের সম্পর্ক এবং সামরিক-বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা একসঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হয়। পাকিস্তানের ক্ষমতার রাজনীতিতে - [নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি, কূটনীতিতে নতুন গতি](https://sarakhon.com/news/189708/): ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্কে বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনকে ঘিরে দুই নেতার এই বৈঠক ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। রোববার দুই নেতার মধ্যে ফোনে কথা হওয়ার পর জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, নিউইয়র্কে তাদের বৈঠক হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই বৈঠক অনেক কিছু পরিবর্তন করতে পারে এবং ইউক্রেন ইস্যুতে কূটনৈতিক তৎপরতায় গতি তৈরি হয়েছে। ফোনালাপে ইউক্রেন সফরে আসতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের বিষয়েও আলোচনা করেন দুই নেতা। জেলেনস্কি বলেন, শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া এখনো কিয়েভের প্রধান অগ্রাধিকার। দুই নেতা উত্তেজনা কমানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ - [পাকিস্তানের আফগান সীমান্তে বিমান হামলা, নিহত ২৮ সন্ত্রাসী](https://sarakhon.com/news/189693/): পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত অঞ্চলে সন্ত্রাসী আস্তানায় বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ২৮ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। হামলায় আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের প্রশিক্ষণকেন্দ্রসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সাম্প্রতিক একাধিক সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত সংগঠনগুলোর গোপন আস্তানা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল লক্ষ্য করে এসব ‘পরিমিত ও সুনির্দিষ্ট’ হামলা চালানো হয়। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগান সীমান্ত অঞ্চলে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির জন্য পাকিস্তান সরকারের ব্যবহৃত ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ নামের পরিচিতি এবং তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও আস্তানা চিহ্নিত করা হয়। এরপর নির্ভুলভাবে হামলা চালানো - [করাচির কৌতূহলী মেয়েটি থেকে মহাবিশ্বের ‘শব্দ’ শোনার বিজ্ঞানী নেরগিস মাভালভালা](https://sarakhon.com/news/189702/): পাকিস্তানের করাচিতে বেড়ে ওঠা একটি কৌতূহলী মেয়ে ছোটবেলায় নানা জিনিস খুলে দেখতেন, কীভাবে সেগুলো কাজ করে তা বোঝার চেষ্টা করতেন, এমনকি সাইকেলও মেরামত করতেন। সেই কৌতূহলই একদিন তাকে নিয়ে যায় বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল বৈজ্ঞানিক যন্ত্রগুলোর কাছে। সেই মেয়েটিই আজ অধ্যাপক নেরগিস মাভালভালা—বিশ্বের অন্যতম পরিচিত পরীক্ষামূলক পদার্থবিদ, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটির স্কুল অব সায়েন্সের ডিন এবং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে নিজের বেড়ে ওঠার শহর করাচিতে ফিরছেন তিনি। এই ফিরে আসা তাই শুধু একজন খ্যাতিমান বিজ্ঞানীর সফর নয়; এর মধ্যে রয়েছে শৈশবের শহরে ফিরে আসা, বিজ্ঞানের প্রতি কৌতূহলের গল্প এবং পাকিস্তানের তরুণ শিক্ষার্থীদের সামনে একটি - [ইমরান খানের আরও দুই বোন আটক, ৩০ দিনের জন্য কারাগারে](https://sarakhon.com/news/189699/): পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের দুই বোন ডা. উজমা খান ও নূরিন নিয়াজিকে ৩০ দিনের জন্য আটক করেছে লাহোরের প্রশাসন। দলটির ২৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও ইসলামাবাদমুখী কর্মসূচির আগে এই আটকের ঘটনা ঘটল। এর আগে রোববার ইমরানের আরেক বোন আলিমা খানকেও একই আইনের আওতায় ৩০ দিনের জন্য আটক করা হয়। ফলে ইমরানের তিন বোনই এখন প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছেন। লাহোরের ডেপুটি কমিশনার মুহাম্মদ আলী ইজাজ ২০ সেপ্টেম্বরের এক আদেশে উজমা ও নূরিনকে পাঞ্জাবের জনশৃঙ্খলা রক্ষণ অধ্যাদেশের আওতায় আটক করার নির্দেশ দেন। আদেশে বলা হয়, তাদের উপস্থিতি জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। আটকের পর তাদের - [৯০ বছর বয়সে বাবার জন্মভূমি ও হারানো স্বজনদের খুঁজতে ওকিনাওয়া যাচ্ছেন ফিলিপাইনের নারী](https://sarakhon.com/news/189696/): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর কেটে গেছে সাত দশকেরও বেশি সময়। কিন্তু বাবার জন্মভূমি ওকিনাওয়াকে ভুলে যাননি ফিলিপাইনে জন্ম নেওয়া জাপানি বংশোদ্ভূত আদেলাইদা কাকাজু। ৯০ বছর বয়সে এসে জীবনের এক অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণ করতে চান তিনি—বাবার জন্মভূমি জাপানের ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে গিয়ে তাঁর স্বজনদের খুঁজে বের করা এবং বাবার কবরের কাছে শ্রদ্ধা জানানো। আদেলাইদা চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথমবারের মতো ওকিনাওয়া যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। সেখানে বাবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে চান তিনি। এ জন্য জাপানে থাকা আত্মীয়দের খুঁজে বের করতে একটি সহায়তা গোষ্ঠীর সহযোগিতা নিচ্ছেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় স্বজনদের সন্ধান পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। - [প্রায় তিন বছর পর গাজায় স্কুলে ফিরল শিশুরা, তাঁবুতেও চলছে নতুন স্বপ্নের শুরু](https://sarakhon.com/news/189687/): প্রায় তিন বছর পর আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরেছে গাজার লাখো শিশু। তবে তাদের সেই ফেরা কোনো স্বাভাবিক শিক্ষাবর্ষের মতো নয়। যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন, অস্থায়ী স্থাপনা ও তাঁবুতে বসেই নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু করেছে তারা। অনেক শিশুর পরনে নেই স্কুলের পোশাক, হাতে নেই খাতা-কলম। পরিবারের কাছে এসব সামগ্রী কেনার অর্থও নেই। শনিবার গাজায় কয়েক লাখ শিশু সরাসরি স্কুলে ফিরে আসে। প্রায় তিন বছর ধরে তারা নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, যুদ্ধের সময় গাজার ৯৮ শতাংশ স্কুল হয় ধ্বংস হয়েছে, নয়তো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাজার শিক্ষা কর্মকর্তাদের হিসাবে, প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শিক্ষার্থী সরাসরি - [কুমিল্লায় মা ও দেড় বছরের নাতনি নিহত, ছেলেকে আটক](https://sarakhon.com/news/189690/): কুমিল্লার দেবিদ্বারে এক নারী ও তাঁর দেড় বছরের নাতনিকে কুপিয়ে ও আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওই নারীর ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার বরশালঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—গ্রামের ফরিদ মিয়ার স্ত্রী ৬২ বছর বয়সী পেয়ারা বেগম এবং তাঁর নাতনি ইশরাত জাহান। ইশরাতের বয়স প্রায় দেড় বছর। সে মো. সুজনের মেয়ে। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পেয়ারা বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন তাঁর ছেলে ইমন, ২৪। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর ইমন তাঁর ছোট ভাইঝি ইশরাতকে একটি খাটের ওপর আছড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ - [সমুদ্রের ১০ মিটার গভীরে সৌরবিদ্যুৎ! প্রথমবার ‘সাবমেরিন সোলার ফার্ম’ পরীক্ষা চীনের](https://sarakhon.com/news/189681/): সমুদ্রের পানির নিচে সূর্যের আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বিশ্বের প্রথম ব্যবহারিক ‘সাবমেরিন সোলার ফার্ম’ তৈরি করে খোলা সমুদ্রে ১০ মিটার বা প্রায় ৩৩ ফুট গভীরে সফলভাবে পরীক্ষা করেছেন। এই পরীক্ষায় পেরোভস্কাইটভিত্তিক আলোক-বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। সমুদ্রের পানির নিচে সাধারণত সূর্যের আলো দ্রুত দুর্বল হয়ে যায়। বিশেষ করে পানির গভীরে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে লাল ও হলুদ আলোর বড় অংশ শোষিত হয়ে যায়। ফলে সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত আলো পাওয়া কঠিন বলে মনে করা হতো। তবে চীনের এই পরীক্ষায় দেখা গেছে, সমুদ্রের নীল-সবুজ ম্লান আলোও কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। চীনের ইউনান - [জেমি অলিভারের ২০ মিনিটের দুই রেসিপি: ফিশ পাই পাস্তা বেক ও টমেটো-ফেটা ডাল](https://sarakhon.com/news/189684/): রান্না অনেকের কাছে আনন্দ, অভ্যাস, স্বস্তি কিংবা উৎসবের অংশ। তবে ব্যস্ত দিনের শেষে এমন খাবারের প্রয়োজন হয়, যা কম সময়ে তৈরি করা যায় এবং একই সঙ্গে পেট ভরায় ও স্বাদে মন ভালো করে। বিশ্বখ্যাত রাঁধুনি জেমি অলিভারের দুটি রেসিপি—ফিশ পাই পাস্তা বেক এবং টমেটো ও ফেটা ডাল—ঠিক সেই ধরনের দ্রুত তৈরি খাবারের উদাহরণ। দুটিই প্রস্তুত ও রান্না মিলিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে তৈরি করা যায়। ফিশ পাই পাস্তা বেক প্রস্তুতির সময়: ৫ মিনিট রান্নার সময়: ২০ মিনিট পরিমাণ: ৪ জনের জন্য উপকরণ ৩২০ গ্রাম হিমায়িত পালং শাক ১টি পেঁয়াজ, প্রায় ১৬০ গ্রাম অলিভ অয়েল ৩০০ গ্রাম শুকনো ম্যাকারনি ৫০ - [কারাগারে কর্মকর্তার ওপর চিনি মেশানো ফুটন্ত পানি ছোড়ার অভিযোগ সাউথপোর্ট হত্যাকাণ্ডের আসামির](https://sarakhon.com/news/189678/): সাউথপোর্টে তিন শিশুকে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অ্যাক্সেল রুদাকুবানার বিরুদ্ধে কারাগারে এক কর্মকর্তার ওপর চিনি মেশানো ফুটন্ত পানি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গুরুতর শারীরিক ক্ষতি করার চেষ্টা, আরও দুই কারা কর্মকর্তাকে হামলা এবং কারাগারে ছুরি বা অন্য কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০ বছর বয়সী রুদাকুবানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৫ সালের ৮ মে লন্ডনের এইচএমপি বেলমার্শ কারাগারে নিজের সেলের দরজার ছোট জানালা দিয়ে তিনি ফুটন্ত পানি ও চিনির মিশ্রণ এক কারা কর্মকর্তার দিকে ছুড়ে দেন। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তা গুরুতর আহত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়লেও দ্রুত চিকিৎসা পাওয়ায় তার স্থায়ী কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি বলে আদালতকে জানানো হয়েছে। - [জিবুতিতে চীনের সামরিক ঘাঁটি আধুনিকায়ন, মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশি তৎপরতায় নজর বাড়াতে পারে বেইজিং](https://sarakhon.com/news/189671/): জিবুতিতে নিজেদের সামরিক ঘাঁটিতে যোগাযোগ ও তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়িয়েছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঘাঁটিতে নতুন যোগাযোগ সরঞ্জাম স্থাপনের ফলে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সংকেত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে জিবুতি ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অন্য দেশের সামরিক কার্যক্রম সম্পর্কে চীন আরও বেশি তথ্য পাওয়ার সুযোগ পেতে পারে। চীন ২০১৭ সালে জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি চালু করে। সে সময় বেইজিং এটিকে নৌবহরের নিরাপত্তা কার্যক্রম, শান্তিরক্ষা ও মানবিক সহায়তা মিশনের জন্য একটি সহায়ক ঘাঁটি হিসেবে বর্ণনা করেছিল। পরে ঘাঁটিটি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগর এলাকায় চীনা নৌবাহিনীর কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক আধুনিকায়নের গুরুত্ব আরও - [ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং, ২৩-২৫ সেপ্টেম্বর বৈঠক](https://sarakhon.com/news/189675/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হবে বলে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফর করবেন।’ এই সফর শি জিনপিংয়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০১৫ সালের পর এটিই হবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন যাওয়া। একই সঙ্গে চলতি বছরে ট্রাম্প ও শির মধ্যে এটি হবে দ্বিতীয় সরাসরি মুখোমুখি বৈঠক। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক গত কয়েক বছরে বাণিজ্য, প্রযুক্তি - [চীনের ১১ হাজার মেগা সেতু কি ছোট ড্রোন হামলায় ঝুঁকিতে?](https://sarakhon.com/news/189658/): চীনের প্রায় ১১ হাজার বিশাল সেতুর কিছু অংশ ছোট ড্রোনের হামলায় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। আধুনিক যুদ্ধে ছোট আকারের ড্রোন কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে, তা বোঝার জন্য চীনা বিজ্ঞানীরা একটি বড় ঝুলন্ত সেতুর ওপর ড্রোন হামলার সম্ভাব্য প্রভাবের কম্পিউটার সিমুলেশন চালিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৩০ কেজি বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন নির্দিষ্ট জায়গায় বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে সেতুর প্রধান ঝুলন্ত তার বা মূল সাসপেনশন কেবল যেখানে সহায়ক টাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, বিস্ফোরণটি যদি সেই সংযোগস্থলের একেবারে কাছাকাছি ঘটে, তাহলে সেতুটি ধসে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে - [ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে এআই সংলাপে রাজি যুক্তরাষ্ট্র-চীন](https://sarakhon.com/news/189667/): যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে একটি নতুন সংলাপ কাঠামো গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে। ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের মাত্র কয়েক দিন আগে দুই দেশের মধ্যে এই সমঝোতা হলো। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে নিউইয়র্কে প্রায় আট ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় এআই, বাণিজ্য ও দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রোববার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হে লাইফেং এবং শীর্ষ বাণিজ্য প্রতিনিধি লি চেংগ্যাং অংশ নেন। আলোচনার লক্ষ্য ছিল শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে সম্ভাব্য কিছু সমঝোতার ভিত্তি তৈরি করা। বৈঠক - [চীনে বিদেশিদের থাকার নিবন্ধনে নতুন সুবিধা, পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার ঝামেলা কমল](https://sarakhon.com/news/189662/): চীনে বিদেশি পর্যটক ও অন্যান্য বিদেশি নাগরিকদের জন্য থাকার জায়গা নিবন্ধনের নিয়মে বড় ধরনের সুবিধা আনা হয়েছে। এখন হোটেলের বাইরে কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা অন্য আবাসস্থলে থাকলে বিদেশিদের থাকার তথ্য পুলিশ স্টেশনে গিয়ে নিবন্ধন করার পরিবর্তে অনলাইনে জমা দেওয়া যাবে। চীনের জাতীয় অভিবাসন প্রশাসন ২১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে এই অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করেছে। এর ফলে বিদেশি নাগরিকদের থাকার নিবন্ধনের জন্য স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে গেল। চীনের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিদেশি কোনো নাগরিক হোটেলে থাকলে সাধারণত হোটেল কর্তৃপক্ষই তার থাকার তথ্য পুলিশের কাছে নিবন্ধন করে। কিন্তু হোটেলের বাইরে কোনো বাসা বা অন্য আবাসস্থলে থাকলে আগমনের ২৪ ঘণ্টার - [এমবাপ্পের ‘অন’–এ যোগদান, নাইকির সংকট কি আরও গভীর হচ্ছে?](https://sarakhon.com/news/189659/): ফ্রান্সের তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে নাইকির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে সুইস ক্রীড়া জুতা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘অন’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম পরিচিত মুখের এই সিদ্ধান্ত শুধু একজন তারকার পৃষ্ঠপোষকতা বদলের ঘটনা নয়, বরং ক্রীড়া সামগ্রীর বাজারে নাইকির প্রতিদ্বন্দ্বীরা কতটা দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠছে, সেই বিষয়টিও সামনে এনেছে। এমবাপ্পে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ১০ গোল করেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়ায় ২২—যা রেকর্ড। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই তিনি ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ফলে তাঁর মতো একজন খেলোয়াড়ের ব্র্যান্ড পরিবর্তন ক্রীড়া সামগ্রীর বাজারে যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। তবে এমবাপ্পে নাইকি ছেড়েছেন - [ডায়ানার মতো পরিণতি এড়াতে হ্যারি-মেগানকে নিরাপত্তা দেওয়ার পক্ষে ভাই চার্লস স্পেন্সার](https://sarakhon.com/news/189608/): প্রয়াত ব্রিটিশ রাজবধূ প্রিন্সেস ডায়ানার ছেলে প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেলকে সরকারি নিরাপত্তা দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ডায়ানার ভাই চার্লস স্পেন্সার। তার আশঙ্কা, সংবাদমাধ্যমে হ্যারি ও মেগানকে যেভাবে অনুসরণ ও উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা ডায়ানার মৃত্যুর আগের সময়ের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যাচ্ছে। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পেন্সার বলেন, নিজের বোনকে এমন পরিস্থিতিতে হারানোর পর নিরাপত্তার বিষয়টি তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। তার মতে, হ্যারি ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারক্রমে পঞ্চম এবং সাবেক সেনাসদস্য—এই দুই কারণেও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ডায়ানা ১৯৯৭ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে প্যারিসে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন। দুর্ঘটনার সময় আলোকচিত্রীরা মোটরসাইকেলে করে গাড়িটিকে অনুসরণ করছিলেন। - [এইচ-১বি ভিসার অনিশ্চয়তায় বদলে যাচ্ছে ‘আমেরিকান ড্রিম’, বিকল্প দেশ খুঁজছেন বিদেশি কর্মীরা](https://sarakhon.com/news/189650/): যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগকে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দক্ষ পেশাজীবীদের কাছে স্বপ্নের মতো মনে করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম প্রধান পথ। কিন্তু গত এক বছরে এই ভিসাব্যবস্থাকে ঘিরে তৈরি হওয়া নানা অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তন আন্তর্জাতিক কর্মীদের একটি অংশকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। ব্যবসা ও প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ মাসের নানা ঘটনা বিদেশি কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কঠিন করে তুলেছে। ফলে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার বদলে অন্য দেশে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন। তাদের কাছে এখন প্রশ্ন শুধু ভালো - [১০ বছর বয়সে মেয়ের ব্যবসার স্বপ্ন, ‘শার্ক ট্যাঙ্ক’-এ মিলল ২ লাখ ডলারের বিনিয়োগ](https://sarakhon.com/news/189644/): মাত্র ১০ বছর বয়সে নিজের প্রসাধনী ব্র্যান্ড তৈরির স্বপ্ন দেখেছিল সিডনি মায়ার্স। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তার মা-বাবা। একসময় চিকিৎসা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা বাবা হয়ে গেলেন মেয়ের প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। আর মায়ের দায়িত্ব হলো সৃজনশীল দিকটি দেখভাল করা। পরিবারের এই সম্মিলিত উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত পৌঁছে যায় জনপ্রিয় মার্কিন ব্যবসায়িক রিয়েলিটি শো ‘শার্ক ট্যাঙ্ক’-এ। সেখানে সিডনির প্রতিষ্ঠান ‘গ্লিমার উইশ’ পায় ২ লাখ ডলারের বিনিয়োগ। গ্লিমার উইশ মূলত শিশুদের জন্য তৈরি সৌন্দর্যপণ্য ও প্রসাধনী ব্র্যান্ড। তবে এর বিশেষত্ব হলো—শিশুদের পছন্দের রঙিন, মজার ও কল্পনাময় নকশার সঙ্গে নিরাপদ উপাদান ব্যবহারের চেষ্টা। সিডনির উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পে তাই ব্যবসার পাশাপাশি - [আমেরিকান নিরাপত্তা বলয়ে ফাটল: মধ্যপ্রাচ্যের সংকট থেকে এশিয়ার নতুন হিসাব](https://sarakhon.com/news/189642/): ইয়েমেনের মোচা বন্দর একসময় কফির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল। এখন সেটি হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। হুথিদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার মধ্য দিয়ে বাব এল-মান্দেব প্রণালির প্রবেশপথে তাদের প্রভাব আরও বাড়ল। ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগরের মধ্যে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোচার পতনকে শুধু ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধের আরেকটি সামরিক পরিবর্তন হিসেবে দেখলে বিষয়টির গভীরতা বোঝা যাবে না। একই সময়ে ইরাক থেকে চালানো একটি ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবকে তার পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ করতে হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ, যা লেখকের বিশ্লেষণে ক্রমেই ব্যর্থ ও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। এসব ঘটনা - [হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,০৬৩](https://sarakhon.com/news/189635/): দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নতুন ছয় মৃত্যুর সবগুলোই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)। এর ফলে চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৩ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ছয়জনসহ দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা এখন ৯৬২। অন্যদিকে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ১০১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ২২১টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ - [রাশিয়ার সংসদে পুতিনপন্থিদের দাপট, আঞ্চলিক সংসদে সামান্য জায়গা পেল যুদ্ধবিরোধীরা](https://sarakhon.com/news/189638/): রাশিয়ার জাতীয় সংসদে আবারও বড় ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রধান দল ইউনাইটেড রাশিয়া। প্রায় সম্পূর্ণ ফলাফলে দলটি ৫৭ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। একই নির্বাচনে দেশটির একমাত্র নিবন্ধিত যুদ্ধবিরোধী দল ইয়াবলোকো জাতীয় সংসদে কোনো আসন না পেলেও একটি আঞ্চলিক সংসদে সামান্য জায়গা করে নিয়েছে। রোববার শেষ হওয়া তিন দিনের এই নির্বাচনকে পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রতি রুশ জনগণের সমর্থনের পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল রাশিয়ার প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জাতীয় সংসদের পাশাপাশি কয়েকটি অঞ্চলের সংসদ ও গভর্নর নির্বাচনও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থা অত্যন্ত - [জ্বালানির দাম বাড়ায় চাপে বাইকার ও রাইড শেয়ারিং চালকরা](https://sarakhon.com/news/189628/): জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়ায় নতুন করে চাপের মুখে পড়েছেন মোটরসাইকেলচালক, রাইড শেয়ারিংয়ের চালক এবং নিয়মিত মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। একই দূরত্বে চলাচল করতে এখন আগের তুলনায় বেশি অর্থ খরচ করতে হবে। ফলে যাদের দৈনন্দিন আয় মোটরসাইকেল চালানোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাদের ওপর চাপ সবচেয়ে বেশি পড়ছে। রোববার রাতে জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন দাম সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। কেরোসিনের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫৫ টাকা। পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে - [দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে](https://sarakhon.com/news/189624/): সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এম নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামকে এক দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। সংসদ সদস্যের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এই আদেশ দেন। এর আগে শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুজ্জোহা দুজনকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত, উসকানি, চাপ, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়ার ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম - [ট্রাম্পের ‘বিজয় তোরণ’ এবার ড্রোন-স্নাইপার সামরিক স্থাপনা, বাড়ছে বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/189609/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনের কাছে নির্মাণের পরিকল্পনা করা বিশাল ‘বিজয় তোরণ’কে শুধু স্মারক স্থাপনা হিসেবে নয়, একটি সামরিক স্থাপনা হিসেবেও ব্যবহার করতে চান। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ২৫০ ফুট বা ৭৬ মিটার উঁচু এই তোরণে ড্রোন রাখা ও দ্রুত ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি ভবনের ছাদ ও চত্বর এলাকায় স্নাইপার মোতায়েনের সুযোগ এবং বিপুল পরিমাণ স্নাইপার গোলাবারুদ সংরক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হবে। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, সামরিক বাহিনীর ‘জোরালো অনুরোধে’ তিনি তোরণটিকে একটি ‘উচ্চমানের সামরিক কমপ্লেক্স/বিজয় তোরণ’-এ পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই স্থাপনায় সামরিক সক্ষমতা যুক্ত করার প্রয়োজন কেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট হুমকি বা নিরাপত্তাঝুঁকির - [ইউক্রেনের হাজার ড্রোন হামলার পর জাপোরিঝঝিয়ায় রুশ ড্রোনের আঘাত, আহত ৫](https://sarakhon.com/news/189621/): ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝঝিয়ায় রোববার গভীর রাতে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় আবাসিক ভবন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি শপিং মল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবারের এই হামলা ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাশিয়ায় এক হাজারের বেশি ড্রোন পাঠানোর একদিন পর ঘটল। রাশিয়ায় সংসদীয় নির্বাচন চলার সময় ইউক্রেনের ওই ব্যাপক ড্রোন হামলার পর দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাশিয়া থেকে পাঠানো ১৪৮টি ড্রোন তারা ভূপাতিত বা নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে। হামলায় জাপোরিঝঝিয়াসহ ইউক্রেনের আরও নয়টি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাপোরিঝঝিয়ায় রুশ ড্রোনের আঘাতে একটি বাণিজ্যকেন্দ্রে - [ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসছে](https://sarakhon.com/news/189618/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পুরো সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, শিগগিরই এ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হতে পারে। তবে ঠিক কবে ঘোষণা আসবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করা আন্তর্জাতিক এই আদালতের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান চাপের এটি হতে পারে আরও বড় পদক্ষেপ। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন আদালটির কয়েকজন বিচারক ও কৌঁসুলির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এবার পুরো প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করলে আদালটির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল ও আফগানিস্তান তদন্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই আইসিসির কার্যক্রমের বিরোধিতা করে - [বিরল খনিজের অবস্থানে নরম ট্রাম্প, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে বদলেছে সুর](https://sarakhon.com/news/189615/): চীনের সঙ্গে বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থানে আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয়তা দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর অন্যতম বড় কারণ চীনের বিরল খনিজের ওপর প্রায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। প্রযুক্তি, গাড়ি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ এসব খনিজের সরবরাহে চীনের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই সপ্তাহে ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। বৈঠকের আগে সাধারণত যেভাবে চীনের বিরুদ্ধে বড় শুল্ক, প্রযুক্তি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা কিংবা কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়া হয়, এবার তেমন আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে দেখা যায়নি ট্রাম্প প্রশাসনকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে বড় কারণ বিরল খনিজ। বিশ্বজুড়ে এসব খনিজের খনন, পরিশোধন ও চুম্বক - [ইউক্রেনের মতো অপ্রস্তুত কি ইউরোপও?](https://sarakhon.com/news/189612/): বারো বছর আগে ইউক্রেন এমন এক বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, যার অনেক সতর্ক সংকেতই তখন দৃশ্যমান ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সমাজের বড় অংশ সেই সংকেতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। আজ ইউরোপের পরিস্থিতি হুবহু ইউক্রেনের মতো নয়। ইউরোপ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, তার প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল এবং ন্যাটোর নিরাপত্তা কাঠামো এখনো কার্যকর। তবু নিরাপত্তা নিয়ে আত্মতুষ্টি, প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় দীর্ঘ অবহেলা এবং সম্ভাব্য হুমকিকে অবমূল্যায়নের প্রবণতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে। ২০১৪ সালের আগে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নিরস্ত্রীকরণের কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। দেশটির নীতিনির্ধারকেরা ধরে নিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামো বড় ধরনের যুদ্ধের ঝুঁকি কমিয়ে দেবে। কিন্তু রাশিয়ার - [রাশিয়ার নির্বাচনে পুতিনপন্থি দলের বড় জয়, ৫৭ শতাংশের বেশি ভোট](https://sarakhon.com/news/189601/): রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ ক্ষমতাসীন দল ইউনাইটেড রাশিয়া। ৯৫ শতাংশের বেশি ভোট গণনা শেষে দলটি ৫৭.৮৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। ২০২১ সালের সর্বশেষ স্টেট ডুমা নির্বাচনে ইউনাইটেড রাশিয়া পেয়েছিল ৪৯.৮ শতাংশ ভোট। এবার সেই তুলনায় দলটির ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রতি রুশ জনগণের সমর্থনের একটি পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরেছিলেন পুতিন। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যেই অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ইউনাইটেড রাশিয়ার বড় জয় ক্রেমলিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমান ফলাফলের ভিত্তিতে ৪৫০ আসনের স্টেট ডুমায় - [দুই মাসেই ১৪০ শতাংশ উত্থান: ইন্দো-এমআইএমকে ঘিরে বাজারের নতুন প্রত্যাশা](https://sarakhon.com/news/189605/): নতুন তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম মাত্র দুই মাসে ১৪০ শতাংশের বেশি বেড়ে যাওয়া শেয়ারবাজারে বিরল ঘটনা নয়, তবে এমন উত্থান বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ার মতোই। ইন্দো-এমআইএমের ক্ষেত্রেও সাম্প্রতিক সময়ে ঠিক এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কোম্পানিটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প খাতে অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ চাহিদার সম্ভাবনাকে ঘিরে বাজারে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সোমবার ইন্দো-এমআইএমের শেয়ার ১০ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমায় উঠে ১ হাজার ১৬৩ দশমিক ৬০ রুপিতে পৌঁছায়, যা কোম্পানিটির নতুন সর্বোচ্চ দর। আগের কার্যদিবসে শেয়ারটির দর ছিল ১ হাজার ৫৭ দশমিক ৮৫ রুপি। ফলে মাত্র দুই কার্যদিবসে শেয়ারটির দাম বেড়েছে ১৭ শতাংশের বেশি। জুলাইয়ের শেষ দিকে বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর শেয়ারটি একপর্যায়ে ৭০১ - [ইরানের নতুন অস্ত্র নিয়ে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি, ‘বিশ্ব অবাক হবে’](https://sarakhon.com/news/189595/): যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালালে দেশটির সামরিক সক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, নতুন অস্ত্র ও নতুন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ইরান যুদ্ধে নামবে, যা দেখে বিশ্ব ‘অবাক’ হয়ে যাবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে মোহেব্বি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ইরানের প্রতিরক্ষা ও পাল্টা হামলার কৌশলে ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন’ আসবে। তিনি বলেন, এসব পরিবর্তনের মধ্যে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের পরিবর্তনও থাকবে। মোহেব্বির ভাষায়, ‘আমরা নতুন সক্ষমতাসম্পন্ন নতুন অস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে আসব। বিশ্ব অবাক হয়ে - [দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা জালিয়াতির অভিযোগে তদন্তের পথ ফের খুলল](https://sarakhon.com/news/189596/): ভারতের কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সময় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় নতুন করে তদন্তের পথ খুলে দিয়েছে দিল্লির একটি আদালত। নিম্ন আদালতের অভিযোগ খারিজের সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিষয়টি আবারও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিশেষ বিচারক বিশাল গোগনে বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ম্যাজিস্ট্রেট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। আদালত ওই আদেশকে মামলার তথ্য-প্রমাণের বিষয়ে ‘নন-স্পিকিং’ বা যথেষ্ট ব্যাখ্যাবিহীন বলেও মন্তব্য করেছে। বিশেষ বিচারক ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ‘আইনের স্পষ্ট ভুল’ রয়েছে বলে উল্লেখ করে বিষয়টি পুনরায় তদন্ত ও শুনানির জন্য ফেরত পাঠান। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর বিশেষ আদালতে মামলাটি নতুন করে - [লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়তি: বছরে মানুষের পকেট থেকে যাবে প্রায় ১৫–১৬ হাজার কোটি](https://sarakhon.com/news/189590/): জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। সরকারি ২০২৬–২৭ সালের চাহিদা পূর্বাভাস অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের সম্ভাব্য ব্যবহার প্রায় ৫৪ লাখ ৭২ হাজার টন। প্রচলিত ঘনত্ব ধরে এই পরিমাণকে লিটারে রূপান্তর করলে, একই পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার অব্যাহত থাকলে নতুন দামে ভোক্তা ও ব্যবসার বাড়তি ব্যয় বছরে আনুমানিক ১৫–১৬ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। বিপরীতে, দাম বাড়িয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বার্ষিক ক্ষতি প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেলের দাম ১১৫ থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। - [লালমনিরহাটে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে দীর্ঘ লাইন, মধ্যরাতের আগে বিক্রিতে অনীহা](https://sarakhon.com/news/189587/): সরকার জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর রোববার রাতে লালমনিরহাটের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির ভিড় দেখা যায়। নতুন দামের খবর ছড়িয়ে পড়তেই জেলার পাঁচটি উপজেলায় একাধিক পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। মধ্যরাতের আগে জ্বালানি নিতে হুড়োহুড়ি রোববার রাতে সরকারের নতুন মূল্য ঘোষণা প্রকাশের পরপরই অনেক মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালক বাড়তি দাম কার্যকর হওয়ার আগে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য পাম্পগুলোতে ছুটে যান। এতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। লালমনিরহাটের কয়েকটি পাম্প ঘুরে দেখা যায়, মধ্যরাতের আগে কিছু পাম্প মালিক জ্বালানি বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছিল, রাত ১২টার পর নতুন নির্ধারিত - [নাটোরে ট্রাকের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক নিহত](https://sarakhon.com/news/189584/): নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বপন চন্দ্র (৩২) নামে এক অ্যাম্বুলেন্সচালক নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে নাটোর সদর উপজেলার চাঁদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত স্বপন চন্দ্র বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর এলাকার গোবর জৈনের ছেলে। তিনি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে অবস্থিত খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক ছিলেন। ভোরে ভয়াবহ সংঘর্ষ পাবনা হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক হায়দার আলী জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চাঁদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্বপন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন রোগীকে পৌঁছে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে এনায়েতপুরের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ফিরছিলেন। ফেরার পথে নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির - [চার এসপিকে বদলি, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় নতুন পুলিশ সুপার](https://sarakhon.com/news/189581/): বাংলাদেশ পুলিশের চার সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশকে (এসপি) বদলি করা হয়েছে। রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। জনস্বার্থে জারি করা আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। বদলি ও নতুন দায়িত্ব প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদারকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) উপকমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইভাবে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খানকেও ডিএমপির উপকমিশনার পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত মো. জামিরুল ইসলামকে বাগেরহাটের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ শাখায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেহেদী শাহরিয়ারকে বদলি করে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অবিলম্বে কার্যকর আদেশ স্বরাষ্ট্র - [৩১ হাজার টাকায় বিক্রি, দুই মাস পর উদ্ধার ১১ মাসের শিশু](https://sarakhon.com/news/189578/): গাইবান্ধায় ৩১ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ ওঠার দুই মাস তিন দিন পর ১১ মাস বয়সী এক শিশুকে উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফুলছড়ি উপজেলার মাদানের পাড়া গ্রামের সোলেমান চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মাদকের টাকা জোগাড়ে শিশুকে বিক্রির অভিযোগ পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গাইবান্ধা পৌর এলাকার দক্ষিণ ধানঘড়া গ্রামের বাসিন্দা শিশুটির বাবা হামিদুল ইসলাম মাদকাসক্ত। মাদক কেনার টাকা জোগাড় করতে তিনি শিশুটিকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান এবং পরে ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা রোমানা আক্তার - [গাইবান্ধার একই গ্রামে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩](https://sarakhon.com/news/189572/): গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব শিবরাম গ্রামে পৃথক ঘটনায় দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে মরদেহ দুটি উদ্ধারের পর একটি ঘটনায় নিহত নারীর স্বজনের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুই মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আয়েশাকে হত্যার অভিযোগ নিহতদের একজন আয়েশা সিদ্দিকা। তিনি পূর্ব শিবরাম গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে। চার বছর আগে পাশের গ্রামের প্রবাসী মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। আয়েশার বাবা সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, সম্প্রতি তার মেয়ে জানতে পারেন, তার দেবরের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত। বিষয়টি আয়েশা মেনে না নিয়ে বাধা দেওয়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সিরাজুলের অভিযোগ, রোববার মধ্যরাতে আয়েশাকে - [অবশেষে কথার বাইরে ব্রিটেন: ইসরায়েলি বসতি নিয়ে নীতির বদল কতটা কার্যকর হবে?](https://sarakhon.com/news/189560/): দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে আসছিল ব্রিটেন। কিন্তু সেই অবস্থানের সঙ্গে বাস্তব নীতির দূরত্বও ছিল স্পষ্ট। এখন লন্ডন সেই দূরত্ব কিছুটা কমানোর পথে হাঁটছে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, বসতি সম্প্রসারণে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বসতি-সম্পত্তির বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের সঙ্গে যুক্তদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জোরদারের ঘোষণা—সব মিলিয়ে ব্রিটিশ নীতিতে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তন কি কেবল রাজনৈতিক বার্তা, নাকি এর বাস্তব প্রভাবও পড়বে? বহু দশকের নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে নতুন নীতির ঘোষণা দিয়ে বলেন, অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতি অবৈধ এবং - [দেবিদ্বারে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: মা-ভাবি ও ৮ মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/189562/): কুমিল্লার দেবিদ্বারে একই পরিবারের তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে অভিযুক্ত যুবকের মা পেয়ারা বেগম, ভাবি রাবেয়া বেগম এবং আট মাস বয়সী ভাতিজি রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত ইমনকে (২৪) আটক করে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। তিনি ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে। মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোমবার সকালে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ইমন দা দিয়ে তাঁর মা পেয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার পর ঘটনাস্থলেই পেয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। - [চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, সুন্দরগঞ্জে আতঙ্ক](https://sarakhon.com/news/189555/): গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভোররাতে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালচরণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে কেউ হতাহত না হলেও বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় স্থানীয়দের। ঘটনাস্থল থেকে ককটেলের খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার চার মিনিটেই তিন বিস্ফোরণ পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোর ৪টা ২৬ মিনিটে সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু সোলাইমান সরকার সাজা’র বাসভবনের সামনে প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে। এর দুই মিনিট পর, ৪টা ২৮ মিনিটে গোপালচরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ হয়। আরও দুই মিনিট পর ৪টা ৩০ মিনিটে বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের সড়কে - [সার না পেয়ে কৃষকের হামলা, পেটালেন কৃষি কর্মকর্তাকে](https://sarakhon.com/news/189554/): কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নে নির্ধারিত সময়ে সার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের হামলার শিকার হয়েছেন এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা। হামলায় মামুন অর রশিদ নামে ওই কর্মকর্তা মাথা, পিঠ ও নাকে আঘাত পেয়েছেন। ভেঙে গেছে তার চশমার কাচ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দৌড়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদের কাছে সার ডিলারের গুদামের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। গুদাম না খোলায় উত্তেজনা ঘোগাদহ ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত মেসার্স অলিল মোল্লা নামের সার ডিলারের গুদামে রোববার - [আলিমা খান আটক, ২৭ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে পাকিস্তানে নতুন উত্তেজনা](https://sarakhon.com/news/189551/): পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে লাহোরে আটক করেছে পুলিশ। রোববার তাকে জনশৃঙ্খলা রক্ষা আইনের (এমপিও) ৩ ধারায় আটক করা হয় বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে তাকে কোট লাখপাত কারাগারে নেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের দলীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, লাহোরের আপার মলে নিজের বাসা থেকে জিমে যাওয়ার জন্য বের হওয়ার সময় আলিমা খানকে আটক করা হয়। লিটন রোড থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। তার গাড়িটি পরে ওই থানায় রাখা হয়। আলিমার আরেক বোন নোরিন নিয়াজি জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার সময়ই তাকে আটক করা হয়েছে। পরে তিনি খবর পান, আলিমাকে কোট লাখপাত কারাগারে নেওয়া - [বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান, নিহত ৪](https://sarakhon.com/news/189548/): পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের পাঞ্জগুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে চারজন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জিও নিউজ। নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাঞ্জগুরের আফান-ই-কোহ ও প্রোম এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যোদ্ধাদের তীব্র গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে চারজন নিহত হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, নিহতরা ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্য এবং তারা ভারতের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছিল। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযান শেষে নিহতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্র। এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে - [আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭, আহত ১০](https://sarakhon.com/news/189545/): সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামগড়া চৌরাস্তা এলাকায় প্রীতি গ্রুপের এফঅ্যান্ডএফ কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নামানোর সময় সেটি বিস্ফোরিত হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা জোন-৪-এর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন এতটাই পুড়ে গেছেন যে - [কমলাপুরে ট্রেনের বগিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট](https://sarakhon.com/news/189536/): রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে একটি ট্রেনের বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতের এ ঘটনায় দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পাঁচটি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের স্টেশন কর্মকর্তা তালহা বিন জাশিম জানান, রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে ট্রেনের বগিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট এবং সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট। রাত ৯টা ৫২ মিনিটের দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা। ঢাকা - [নতুন প্রজাতির ক্ষুদ্র বন্যবিড়াল, দেখতেই বলিভিয়ায় ছুটছেন পর্যটকরা](https://sarakhon.com/news/189535/): বলিভিয়ায় সম্প্রতি নতুন প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত হওয়া একটি ক্ষুদ্র বন্যবিড়ালকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বিরল এই প্রাণীটি এখন দেশটির একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের অপ্রত্যাশিত আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটে আসছেন তাকে একনজর দেখার জন্য। তবে মানুষের এই বাড়তি আগ্রহে মোটেও স্বস্তিতে নেই ছোট্ট বন্যবিড়ালটি। বড় বড় চিতাবাঘের মতো দাগযুক্ত এই বিড়ালটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘টিগ্রিনো’। প্রাণীটি খুব সহজেই মানসিক চাপে পড়ে যায়। এ কারণে লা পাজের কাছাকাছি সেনদা ভার্দে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের কর্মীরা তাকে সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছ থেকে দূরে রাখছেন এবং তার কাছে মানুষের প্রবেশও সীমিত করছেন। রোববার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের একটি দল অভয়ারণ্যে গেলে টিগ্রিনো অল্প সময়ের জন্য নিজের আশ্রয়স্থল - [চীনের তরুণীদের পোশাকে জাপানি ‘লোলিটা’ ফ্যাশনের নতুন ঢেউ](https://sarakhon.com/news/189531/): ফ্রিল, লেস, ফিতা আর পুতুলের মতো সাজ—জাপানের জনপ্রিয় ‘লোলিটা’ ফ্যাশন এখন দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে চীনের তরুণীদের মধ্যে। জাপান ও চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক যখন নানা টানাপোড়েনে আছে, তখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন কেনাকাটার হাত ধরে এই বিশেষ পোশাকধারা চীনের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চীনের সাংহাইয়ে জুলাইয়ের শেষ দিকে ২৩ বছর বয়সী এক তরুণী প্রথমবারের মতো বাইরে লোলিটা পোশাক পরে বের হন। হালকা নীল রঙের চেক নকশার পোশাক, ফিতা ও পুতুলের মতো সাজে তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখাচ্ছিল। “আজ প্রথমবার বাইরে পরে বের হলাম। খুব আনন্দ লাগছে, মনটাও ভালো হয়ে যাচ্ছে,” তিনি বলেন। পোশাক বেছে নিতে তাকে সাহায্য করেন ২০ - [ইউয়ান শক্তিশালী করার চাপ বাড়ছে, কিন্তু কেন ধীরে এগোচ্ছে চীন?](https://sarakhon.com/news/189528/): যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে চাপ বাড়তে থাকায় চীনের মুদ্রা ইউয়ানকে আরও শক্তিশালী করার দাবি জোরালো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের আগে এই বিষয়টি আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নতুন রেকর্ডের দিকে এগোচ্ছে। একই সময়ে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকের হিসাবে, ইউয়ান প্রকৃত মূল্যের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কম মূল্যায়িত হতে পারে। তাদের যুক্তি, ইউয়ানের দাম বাড়লে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাণিজ্য ভারসাম্য কিছুটা ঠিক হতে পারে এবং চীনা পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় থাকা বিদেশি উৎপাদকদের ওপর চাপও কমবে। তবে বেইজিং দ্রুত ইউয়ানের মূল্য বাড়ানোর পথে হাঁটতে চাইছে না। - [জাকার্তায় ভিনফাস্টের বৈদ্যুতিক মোটরবাইক ট্যাক্সি, এশিয়ায় নতুন করে ছড়াচ্ছে গ্রিন এসএম](https://sarakhon.com/news/189524/): ভিয়েতনামের বৈদ্যুতিক যানবাহনভিত্তিক পরিবহন প্রতিষ্ঠান গ্রিন অ্যান্ড স্মার্ট মোবিলিটি (জিএসএম) ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় বৈদ্যুতিক মোটরবাইক ট্যাক্সি সেবা চালু করেছে। ভিয়েতনামের বাইরে এই প্রথম মোটরবাইকভিত্তিক সেবা চালু করল প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বড় পরিবহন বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভিয়েতনামের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা ভিনফাস্টের জন্যও নতুন বিক্রির সুযোগ তৈরি হতে পারে। ভিয়েতনামের শিল্পগোষ্ঠী ভিনগ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জিএসএম ‘গ্রিন এসএম’ ব্র্যান্ডের অধীনে এই সেবা পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে জাকার্তায় চার আসনের বৈদ্যুতিক ট্যাক্সি চালাচ্ছে। এর পাশাপাশি শনিবার আরও ৫০০টি ছয় আসনের ভিনফাস্ট গাড়ি বহরে যুক্ত করা হয়েছে। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে বৈদ্যুতিক মোটরবাইক ট্যাক্সি সেবা। ২০২৪ সালে ১ হাজার গাড়ি - [উপসাগরীয় দেশ থেকে পাকিস্তানে টাকা পাঠানো হবে আরও সস্তা ও দ্রুত, কমতে পারে ‘হাওলা’](https://sarakhon.com/news/189521/): উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মরত লাখ লাখ পাকিস্তানির জন্য দেশে টাকা পাঠানো আরও সহজ ও সস্তা করার উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালিত তাৎক্ষণিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘রাস্ত’কে আরব মনিটারি ফান্ডের আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট নেটওয়ার্ক ‘বুনা’র সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই সংযোগ চালু হতে পারে। এই ব্যবস্থা চালু হলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে পাকিস্তানে অর্থ পাঠানোর খরচ প্রায় ৩২ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। একই সঙ্গে টাকা পৌঁছানোর সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। ফলে বর্তমানে প্রচলিত অনানুষ্ঠানিক অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থা ‘হাওলা’র ওপর নির্ভরতা কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাকিস্তানের স্টেট ব্যাংক ২০২২ সালে ‘রাস্ত’ চালু করে। বর্তমানে প্রায় ৫ কোটি - [হিউম্যানয়েড রোবটের উন্মাদনায় লাগাম চীনের, আইপিওতে এখন কঠিন পরীক্ষার মুখে কোম্পানিগুলো](https://sarakhon.com/news/189515/): চীনে হিউম্যানয়েড রোবট বা মানবাকৃতির রোবট নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উচ্ছ্বাস এখন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো। দ্রুত বাড়তে থাকা মূল্যায়ন, সরকারি সহায়তানির্ভর আয় এবং প্রকৃত বাণিজ্যিক চাহিদা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এই খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারবাজারে প্রবেশ বা আইপিওর অনুমোদন কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত কয়েকজনের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, চীনের নিয়ন্ত্রকেরা হিউম্যানয়েড রোবট নির্মাতা কোম্পানিগুলোর আইপিওর গতি কমিয়ে দিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। বরং বিভিন্ন বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে নতুন নির্দেশনা বা ‘উইন্ডো গাইডেন্স’ দিয়ে অনুমোদনের মানদণ্ড কঠোর করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ইউনিট্রি রোবোটিকসের শেয়ারের অস্থিরতা। - [গার্মেন্টস কারখানা ঠান্ডা রাখার বিনিয়োগ, ৪ বছরেই উঠতে পারে খরচ](https://sarakhon.com/news/189511/): বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মীদের অতিরিক্ত গরম থেকে সুরক্ষা দিতে ছাদে প্রতিফলক রং করা, ছাদে তাপরোধী ব্যবস্থা এবং বায়ু চলাচল বাড়ানোর মতো উদ্যোগে বিনিয়োগ করলে চার বছরের মধ্যেই সেই অর্থ উঠে আসতে পারে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল লেবার ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি বলছে, গরম কমানোর এসব ব্যবস্থা শুধু শ্রমিকদের আরাম ও নিরাপত্তা বাড়ায় না, কারখানার জন্যও তা আর্থিকভাবে লাভজনক হতে পারে। অর্থাৎ কর্মপরিবেশ ঠান্ডা রাখতে যে অর্থ ব্যয় করা হবে, তা দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত খরচ না হয়ে বিনিয়োগ হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে প্রচণ্ড গরমের কারণে শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, ক্লান্তি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই - [গণহত্যা থেকে বেঁচে ওঠা রোহিঙ্গা তরুণের লড়াই, রাষ্ট্রহীনতা পেরিয়ে নতুন স্বপ্ন](https://sarakhon.com/news/189508/): একসময় নিজের দেশেই ছিল তার ঘর, পরিবার, ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা স্বপ্ন। কিন্তু পরিচয়, নাগরিকত্ব ও অধিকারহীনতার কারণে সেই স্বাভাবিক জীবন ধীরে ধীরে তার কাছে অসম্ভব হয়ে ওঠে। এরপর আসে ভয়াবহ সহিংসতা, প্রাণ বাঁচানোর জন্য দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত এবং সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার কঠিন পথ। তিনি মোহাম্মদ আসেম। ২০১৭ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসেন। সেই পালানোর পথেই তিনি দেখেছেন গুলিতে মানুষ মারা যেতে, নাফ নদীতে শিশুদের মরদেহ ভেসে থাকতে এবং নিজের পরিবারের সদস্যদের প্রাণ নিয়ে পালাতে। আজ সেই শিশুটি একজন রোহিঙ্গা তরুণ কর্মী, মানবাধিকারকর্মী এবং তরুণদের সংগঠক। নিজের জীবনের দীর্ঘ বঞ্চনা তাকে - [হুথি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুমকি](https://sarakhon.com/news/189505/): মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন করে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকি আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দ্রুত সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়ে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া কিংবা দেশটির নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের ওপর নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও স্বার্থের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হবে। রোববার ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন কোনো হামলা হলে তার জবাব হবে কঠোর ও ধারাবাহিক। যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদেরও তারা সংঘাতের পক্ষ হিসেবে বিবেচনা - [রাজশাহী স্টেশনে রাতভর তাণ্ডব, ট্রেন চলাচল বন্ধ—ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী](https://sarakhon.com/news/189502/): রাজশাহী রেলস্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মারধর করেছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ঢাকাগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানেও আটকা পড়েছে কয়েকটি ট্রেন। রোববার রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজশাহী রেলস্টেশনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। রাত দেড়টা পর্যন্ত চলা বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্টেশনের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে যাত্রীদের বসার বেঞ্চ, বিভিন্ন কক্ষের দরজা-জানালা এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত হয় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, রোববার রাত ৯টার দিকে ইসলামের - [আমেরিকা-চীনের গল্পের লড়াই: বিশ্বকে কে বেশি বিশ্বাসযোগ্য গল্প শোনাতে পারে?](https://sarakhon.com/news/189462/): আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি দেশের শক্তি এখন আর শুধু তার অর্থনীতি, সামরিক সক্ষমতা কিংবা কূটনৈতিক প্রভাব দিয়ে পরিমাপ করা হয় না। বিশ্ববাসী সেই দেশকে কীভাবে দেখে, তার বক্তব্য কতটা বিশ্বাসযোগ্য মনে করে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে তার কর্মকাণ্ড কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে—এসবও রাষ্ট্রীয় শক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতায় এই বাস্তবতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক গণমাধ্যম নীতির দায়িত্ব নিতে মনোনীত সারাহ বি. রজার্স মার্কিন সিনেটে তাঁর নিয়োগসংক্রান্ত শুনানিতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় গণমাধ্যম ও প্রভাব বিস্তারের চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক জনমতকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। - [ইয়েমেনে পাহাড় দখলের লড়াই, লোহিত সাগরের নৌপথে নতুন শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/190177/): ইয়েমেনে হুথি বাহিনীর নতুন সামরিক অভিযান দেশটির সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা দখলের চেষ্টা করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি। এসব অবস্থান নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে লোহিত সাগরের উপকূলকে সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। চলতি মাসে ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হয়েছে হুথিরা। তাদের সাম্প্রতিক সাফল্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নতুন একটি ফ্রন্ট তৈরি করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌ ও জ্বালানি সরবরাহপথগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। কাহবুব পাহাড় ঘিরে নতুন লড়াই ইয়েমেনের পাঁচ সামরিক সূত্র জানিয়েছে, হুথিরা এখন তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কাহবুব পাহাড় দখলের দিকে নজর দিয়েছে। লোহিত সাগরের উপকূল এবং - [ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকের মধ্যেই ইউক্রেনে রুশ হামলা, নিহত ৮](https://sarakhon.com/news/190171/): জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন ঘিরে নিউইয়র্কে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ঠিক সেই সময়ই ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় বড় ধরনের রুশ হামলার খবর এসেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চালানো এসব হামলায় অন্তত আটজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও সম্মুখসারির বিভিন্ন এলাকায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। গ্রীষ্মজুড়ে রাশিয়া ইউক্রেনের ওপর বিমান হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলায় শুধু সামরিক স্থাপনা নয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বন্দর, পণ্য পরিবহনকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কিয়েভের দাবি। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে দেশটির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, খামার, গুদাম, - [ছোট দামে বৈদ্যুতিক গাড়ির নতুন চমক, ২০২৭ সালে আসছে নিসান পিক্সো](https://sarakhon.com/news/190167/): বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে কম দামের ছোট গাড়ির চাহিদা বাড়ছে। এই বাজারে এবার নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আসছে নিসানের নতুন পিক্সো। ইউরোপের বাজারকে সামনে রেখে তৈরি এই ছোট বৈদ্যুতিক গাড়িটি ২০২৭ সালের শুরুতে যুক্তরাজ্যের রাস্তায় নামার কথা। গাড়িটির সম্ভাব্য দাম ধরা হচ্ছে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার পাউন্ডের মধ্যে, যা যুক্তরাজ্যের বাজারে তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক গাড়ির তালিকায় এটিকে রাখতে পারে। মাত্র ৩ দশমিক ৮ মিটারের কাছাকাছি দৈর্ঘ্যের পিক্সোর লক্ষ্য মূলত শহুরে পরিবহন। ছোট আকার, বৈদ্যুতিক মোটর, ব্যবহারিক অভ্যন্তরীণ নকশা এবং তুলনামূলক কম দাম—এই চার বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করেই গাড়িটিকে তৈরি করেছে নিসান। পিক্সোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি পুরোপুরি নিসানের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে তৈরি নয়। - [লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘স্টার ওয়ার্স’-এর মতো জাদুময় জাদুঘর, লুকাস মিউজিয়ামের স্থাপত্যে মুগ্ধতা ও বিতর্ক](https://sarakhon.com/news/190164/): লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন লুকাস মিউজিয়াম অব ন্যারেটিভ আর্ট যেন বাস্তব জগতের কোনো সাধারণ জাদুঘর নয়। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, বিশাল কোনো মহাকাশযান শহরের ওপর ভেসে আছে। বাঁকানো শরীর, উঁচু-নিচু ঢেউয়ের মতো গঠন, বিশাল খিলান এবং মাটির সঙ্গে খুব কম জায়গায় সংযোগ—সব মিলিয়ে ভবনটি স্থাপত্যের পাশাপাশি এক ধরনের দৃশ্যমান কল্পকাহিনিও তৈরি করে। স্থপতি মা ইয়ানসঙের বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এমএডি স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্ট্যানটেকের সঙ্গে মিলে ভবনটির নকশা করেছে। প্রায় ৩ লাখ বর্গফুট আয়তনের এই জাদুঘরে রয়েছে প্রায় ১ লাখ বর্গফুট প্রদর্শনী এলাকা। ভবনটির চারপাশে ১৩ একর জায়গাজুড়ে বাগান, গাছপালা, হাঁটার পথ, অ্যাম্ফিথিয়েটার, খোলা তৃণভূমি ও জলাধারসহ একটি বিস্তৃত ল্যান্ডস্কেপ তৈরি করেছেন মিয়া - [কুকুরের শরীরে পিসু নাকি টিক? পার্থক্য জানুন, রক্ষা করুন প্রিয় পোষ্যকে](https://sarakhon.com/news/190159/): কুকুরের শরীরে পিসু ও টিক—দুই ধরনের পরজীবীই অস্বস্তি তৈরি করে। কিন্তু এদের জীবনচক্র, আক্রমণের ধরন এবং প্রতিরোধের কৌশল এক নয়। শুধু কুকুরের শরীরে ওষুধ প্রয়োগ করলেই সব সময় সমস্যা পুরোপুরি দূর হয় না। বিশেষ করে পিসুর ক্ষেত্রে ঘর ও আশপাশের পরিবেশও পরিষ্কার রাখা জরুরি। অন্যদিকে টিকের প্রধান ঝুঁকি হলো বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে দেওয়া। পোষ্য কুকুরের সুস্থতার পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে মানুষের স্বাস্থ্যও এসব পরজীবীর কারণে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই পিসু ও টিকের পার্থক্য জানা এবং নিয়মিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পিসু কোথায় থাকে, কীভাবে ক্ষতি করে পিসু কুকুরের শরীরে পাওয়া সবচেয়ে সাধারণ বাহ্যিক পরজীবীগুলোর একটি। এটি ক্ষুদ্র আকারের পোকা, যা প্রাণীর - [কোহাটের কাছে আফগান তালেবানের পাঠানো দুই ড্রোন ভূপাতিত: পাকিস্তান](https://sarakhon.com/news/190158/): পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট শহরের কাছে আফগান তালেবান সরকারের পাঠানো দুটি ‘অপরিণত ড্রোন’ ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কোহাট শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে ড্রোন দুটি শনাক্ত করে প্রতিহত করা হয় বলে নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে। নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ‘সফট কিল’ পদ্ধতি ব্যবহার করে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করে। ‘সফট কিল’ বলতে সাধারণত এমন প্রতিরোধব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে সরাসরি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার পরিবর্তে ইলেকট্রনিক বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত উপায়ে সেটির নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্ষমতা নষ্ট করা হয়। পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলেছে, আফগানিস্তান থেকে আসা হুমকি মোকাবিলায় দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিন-রাত - [প্রাচীন দাবানল থেকেই কি মৃৎপাত্র তৈরির ধারণা? আগুন ও ভূমিধসের নতুন রহস্য](https://sarakhon.com/news/190155/): মানুষের সভ্যতার ইতিহাসে মৃৎপাত্রের আবিষ্কার ছিল এক বড় পরিবর্তনের সূচনা। খাবার সংরক্ষণ, পানি রাখা, রান্না কিংবা কৃষিজ পণ্য মজুত—সব ক্ষেত্রেই মাটির পাত্র মানুষের জীবনযাত্রাকে নতুনভাবে বদলে দিয়েছিল। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ধারণা মানুষ ঠিক কীভাবে পেল, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। নতুন এক গবেষণা বলছে, মৃৎপাত্র তৈরির ধারণা হয়তো মানুষের পরিকল্পিত কোনো আবিষ্কার হিসেবে শুরু হয়নি। বরং হাজার হাজার বছর আগে প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দাবানল ও তার পরের ভূমিক্ষয়ের দৃশ্য দেখে মানুষ পোড়ানো মাটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকতে পারে। গবেষণাটি করেছেন জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব আর্থ সায়েন্সেসের গবেষক আমোস ফ্রুমকিন। তাঁর প্রস্তাবিত ধারণাটিকে বলা হচ্ছে ‘প্রাকৃতিক চুল্লি - [ঘোলা পানিতে মাছের আচরণে চমক, খাবার খুঁজতে আরও কাছাকাছি হয় দল](https://sarakhon.com/news/190152/): পানি ঘোলা হলে সাধারণত মাছের জন্য একে অপরকে দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে দলবদ্ধ মাছগুলো ছড়িয়ে পড়বে—এমনটাই স্বাভাবিক বলে মনে হতে পারে। কিন্তু নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, অন্তত তিন-কাঁটাওয়ালা স্টিকলব্যাক মাছের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঠিক উল্টো। পানি কিছুটা ঘোলা হয়ে গেলে তারা একে অপরের আরও কাছে চলে আসে, দলকে আরও শক্তভাবে গুছিয়ে নেয় এবং পরস্পরের গতিবিধিতে দ্রুত সাড়া দেয়। এই পরিবর্তিত আচরণ তাদের খাবার খুঁজে পেতে কিছুটা সহায়তা করে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টলের আচরণগত প্রতিবেশবিদ্যার অধ্যাপক ক্রিস্টোস ইওয়ানুর নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষকরা অগভীর একটি ট্যাংকে ৭২টি মাছ নিয়ে পরীক্ষা চালান। পানির ঘোলাভাব এমন মাত্রায় রাখা হয়েছিল, যা ঝড়ের পর কোনো - [প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটা জরুরি নয়, গতি বাড়ালেও মিলতে পারে বড় উপকার](https://sarakhon.com/news/190148/): প্রতিদিন কত পা হাঁটছেন, সেই হিসাব রাখেন অনেকেই। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দীর্ঘদিন ধরে দিনে ১০ হাজার পা হাঁটার লক্ষ্যটিকেই একটি প্রচলিত মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। তবে নতুন এক গবেষণা বলছে, শুধু মোট কত পা হাঁটা হচ্ছে তা নয়, কতটা দ্রুত হাঁটা হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ‘ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিন’-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, তুলনামূলক কমসংখ্যক পদক্ষেপ দ্রুত গতিতে হাঁটার সঙ্গে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমার যে সম্পর্ক দেখা গেছে, ধীরগতিতে বেশি পা হাঁটার ক্ষেত্রেও তার কাছাকাছি সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। গবেষণার সহলেখক ও অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক কর্মকাণ্ড, জীবনযাপন ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ইমানুয়েল স্টামাটাকিস বলেন, দিনে ১০ হাজার পা হাঁটার লক্ষ্যটি - [রিফর্ম ইউকে বলছে ব্রিটেন ভেঙে পড়েছে, কিন্তু বার্মিংহাম বলছে অন্য গল্প](https://sarakhon.com/news/190146/): ব্রিটেনের রাজনীতিতে রিফর্ম ইউকের উত্থান নিয়ে যে জাতীয় আলোচনা চলছে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বার্মিংহাম। গত সপ্তাহে শহরের ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে হাজারো সমর্থক নিয়ে সমাবেশ করে দলটি নিজেদের ভবিষ্যৎ সরকার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। এর আগে একাধিকবার জাতীয় প্রচারণা ও সম্মেলনের জন্যও বার্মিংহামকে বেছে নিয়েছে দলটি। কিন্তু বার্মিংহামের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা রিফর্ম ইউকের দাবির চেয়ে অনেক বেশি জটিল। শহরটি তরুণ, শ্রমজীবী এবং বহু জাতিগোষ্ঠীর মানুষের বসবাসের জায়গা। ২০২১ সালের আদমশুমারির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শহরের ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ বাসিন্দা নিজেদের বৃহত্তর ‘শ্বেতাঙ্গ’ শ্রেণিতে এবং ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ বাসিন্দা কৃষ্ণাঙ্গ, এশীয়, মিশ্র বা অন্যান্য জাতিগত - [উচ্চ খরচ, কম উচ্চাকাঙ্ক্ষা—রপ্তানি বাঁচাতে পাকিস্তানের সামনে দুই দিকের লড়াই](https://sarakhon.com/news/190143/): পাকিস্তানের বৈদেশিক বাণিজ্যে চাপ আরও বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি ১৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আমদানি বাড়লেও রপ্তানি প্রায় স্থবির রয়েছে। এই পরিস্থিতি পাকিস্তানের বৈদেশিক খাতের একটি গভীর দুর্বলতাকে সামনে এনেছে—দেশটির রপ্তানিকারকেরা একদিকে ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয়ের চাপে পড়ছেন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতেও হিমশিম খাচ্ছেন। পাকিস্তানের রপ্তানি সংকটের একটি বড় কারণ হচ্ছে ব্যবসা পরিচালনার বাড়তি খরচ। আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় উচ্চ সুদের হার, ব্যয়বহুল ও অনেক ক্ষেত্রে অনির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর বাড়তি কর সরাসরি উৎপাদন ব্যয় বাড়াচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এসব খরচ রপ্তানি পণ্যের দামের ওপর - [পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে দ্বিতীয় স্তরের বেড়া কেন চাইছে ইসলামাবাদ?](https://sarakhon.com/news/190140/): পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে আফগানিস্তানে থাকা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির (টিটিপি) তৎপরতা নিয়ে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে বিরোধ ক্রমেই গভীর হয়েছে। চীনের মধ্যস্থতার চেষ্টাও এখন পর্যন্ত এই সংকটের দৃশ্যমান সমাধান আনতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের জন্য নতুন করে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব সামনে এসেছে—আফগানিস্তানের সঙ্গে বিদ্যমান সীমান্ত বেড়ার ভেতরের দিকে আরও একটি সমান্তরাল বেড়া নির্মাণ। সেপ্টেম্বর ১৬-এ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে রেজা খান লিখেছেন, আফগান তালেবান টিটিপিকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করবে—এমন প্রত্যাশা থেকে পাকিস্তান ও চীনের খুব বেশি কিছু আশা করা উচিত নয়। তাঁর যুক্তি, কাবুল সাময়িকভাবে টিটিপিকে আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করলেও সেটি পাকিস্তানের কাছ থেকে সীমান্ত খুলে দেওয়া বা অন্য - [ভালুকের আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত গাছেই নতুন জীবন, সেই কাঠে তৈরি হচ্ছে সার্ফবোর্ড-স্কেটবোর্ড](https://sarakhon.com/news/190133/): জাপানের বনাঞ্চলে ভালুকের নখের আঁচড়ে ক্ষতিগ্রস্ত গাছ অনেক সময় কাঠশিল্পের জন্য বাণিজ্যিক মূল্য হারায়। কিন্তু জাপানি কারুশিল্পী তাকুয়া সুৎসুমির হাতে সেই ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ কাঠই হয়ে উঠছে শিল্প, আসবাব ও দৈনন্দিন ব্যবহারের মূল্যবান উপকরণ। তৈরি হচ্ছে সার্ফবোর্ড, স্কেটবোর্ড, চেয়ার, ক্লাইম্বিং দেয়ালের গ্রিপ, ট্যাটু স্টুডিওর সাইনবোর্ড—এমনকি বাড়ি সংস্কারের সামগ্রীও। সুৎসুমির এই উদ্যোগ শুধু কাঠের পুনর্ব্যবহার নয়। এর মাধ্যমে তিনি জাপানে মানুষ ও ভালুকের ক্রমবর্ধমান সংঘাত নিয়ে ভিন্ন ধরনের আলোচনা তৈরি করতে চাইছেন। তার লক্ষ্য হলো, ভালুককে শুধু বিপজ্জনক প্রাণী বা নিধনের লক্ষ্য হিসেবে না দেখে বন, কাঠ, বন্যপ্রাণী এবং মানুষের জীবনের পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন করে ভাবা। জাপানে গত কয়েক বছরে ভালুক মানুষের জন্য বড় - [সরে যাচ্ছে পাকিস্তানের সিন্ধু নদ, তবু কেন নীরব সরকার?](https://sarakhon.com/news/190136/): পাকিস্তানের সিন্ধু নদ গত ৩৫ বছরে লারকানার পূর্বদিকে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সরে গেছে। নদীর গতিপথের এই পরিবর্তন এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ বাঁধের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। মহাকাশ ও উচ্চতর বায়ুমণ্ডল গবেষণা কমিশন (SUPARCO)-এর স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও তীরভাঙনের ধারাবাহিক চিত্র উঠে এসেছে। বিশেষ করে আকিল ও মরিয়া লুপ বাঁধের আশপাশে নদীর ভাঙন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সিন্ধুর বাম তীরে ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমি নদীভাঙনে হারিয়ে গেছে। কয়েক দশকের ভাঙন ও পলি জমার ফলে নদীর সক্রিয় প্রবাহপথ ধীরে ধীরে বন্যা প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর দিকে এগিয়ে এসেছে। ফলে নদীর পানি বাঁধ উপচে যাওয়ার আগেই - [এক দশকে বদলে গেছে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সমীকরণ, ওয়াশিংটনে আরও আত্মবিশ্বাসী শি](https://sarakhon.com/news/190131/): প্রায় এক দশক পর আবারও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে এবার ওয়াশিংটনে তাঁর অবস্থান ২০১৭ সালের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। তখন চীন ছিল প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক প্রভাবের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভরশীল। আর এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি প্রযুক্তি, উৎপাদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বৈদ্যুতিক গাড়ি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মহাকাশ প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের সক্ষমতা তৈরি করেছে। ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এবারের বৈঠকে শি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনের কথা বলবেন না, বরং চীনের বদলে যাওয়া অবস্থানও তুলে ধরতে পারবেন। বেইজিংয়ের নীতিনির্ধারণী মহলে এখন এমন ধারণা জোরালো যে, যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো একতরফাভাবে - [৯/১১-এর ২৫ বছর পর সামনে আসছে ক্যানসারের নতুন ঢেউ](https://sarakhon.com/news/190128/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ধসে পড়ার পর লোয়ার ম্যানহাটনে ছড়িয়ে পড়েছিল ঘন ধুলোর বিশাল মেঘ। ধ্বংসস্তূপের সেই ধুলো শুধু ভবনের কংক্রিট বা সাধারণ ময়লা ছিল না। এতে ছিল সূক্ষ্মভাবে গুঁড়ো হয়ে যাওয়া নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি পোড়ার উপজাত এবং ক্যাডমিয়াম, সিসা ও পারদের মতো ভারী ধাতুর কণা। ছিল অ্যাসবেস্টসও। ধ্বংসের পর ওই বিষাক্ত ধুলো বাতাসের সঙ্গে ঢুকে পড়েছিল আশপাশের ভবনগুলোর ভেতরে। কার্পেট, পর্দা, আসবাব ও বিভিন্ন পৃষ্ঠে জমে থাকা ধুলো বহুদিন ধরে মানুষের সংস্পর্শে ছিল। কেউ কেউ সরাসরি ধুলোর মেঘের মধ্যে পড়েছিলেন, আবার অনেকে নিজেদের বাসা, কর্মস্থল বা স্কুলে ফিরে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দূষিত পরিবেশে ছিলেন। - [ইবোগেইন: মাদকাসক্তির চিকিৎসায় নতুন আশা, নাকি বড় ঝুঁকি?](https://sarakhon.com/news/190125/): আফ্রিকার একটি বিশেষ গাছের শিকড় থেকে পাওয়া সাইকোঅ্যাকটিভ যৌগ ইবোগেইন সাম্প্রতিক সময়ে মাদকাসক্তির চিকিৎসা নিয়ে গবেষণায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ওপিওয়েড ও কোকেন-নির্ভরতার পাশাপাশি পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (পিটিএসডি), বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো সমস্যার ক্ষেত্রেও এর সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে। তবে ইবোগেইন এখনো পরীক্ষাধীন এবং এর সঙ্গে গুরুতর হৃদ্‌যন্ত্রের ঝুঁকিও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ইবোগেইন রাখা বা প্রেসক্রাইব করা বেআইনি। দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের শ্রেণিবিন্যাসে এটি ‘শিডিউল-১’ নিয়ন্ত্রিত পদার্থ। এই শ্রেণিতে এমন পদার্থ রাখা হয়, যেগুলোর বর্তমানে স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যবহার নেই বলে ফেডারেল সরকার মনে করে এবং অপব্যবহারের সম্ভাবনাও বেশি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইবোগেইন নিয়ে গবেষণার প্রতি আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। - [শোকের পাঁচ ধাপ: প্রিয়জন হারানোর পর মন কীভাবে সামলায়, কীভাবে এগোনো যায়](https://sarakhon.com/news/190122/): প্রিয়জনের মৃত্যু মানুষের পরিচিত পৃথিবীটাকেই যেন হঠাৎ বদলে দেয়। শোকের সেই সময়ে অনেকের মনে হতে পারে, এই কষ্টের কোনো শেষ নেই। কেউ হতবাক হয়ে যান, কেউ রাগে ভেঙে পড়েন, কেউ বারবার ভাবেন—আর একটু আগে কিছু করলে হয়তো মানুষটিকে বাঁচানো যেত। আবার কেউ গভীর বিষণ্নতায় ডুবে যান, কিংবা ধীরে ধীরে নতুন বাস্তবতাকে মেনে নিতে শেখেন। শোকের এই অভিজ্ঞতাকে বোঝাতে সবচেয়ে পরিচিত ধারণাগুলোর একটি হলো ‘শোকের পাঁচ ধাপ’। ১৯৬৯ সালে সুইস-আমেরিকান মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এলিজাবেথ কুবলার-রস তার On Death and Dying বইয়ে মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের মৃত্যুকে মেনে নেওয়ার অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করতে এই কাঠামো তুলে ধরেন। পাঁচটি ধাপ হলো—অস্বীকার, রাগ, দর-কষাকষি, বিষণ্নতা ও গ্রহণযোগ্যতা। তবে গুরুত্বপূর্ণ - [২০২৮-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কি শুরু হয়ে গেল? ট্রাম্পের ছায়ায় নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/190118/): যুক্তরাষ্ট্রে এখনো ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—দুই দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরাই এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন, যা সাধারণত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দীর্ঘ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা যায়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারে এমন সব অঙ্গরাজ্যে যাচ্ছেন, যেগুলো ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক বাছাইপর্বে গুরুত্বপূর্ণ। তারা নীতি ও জাতীয় ইস্যু নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন, স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছেন এবং ভোটারদের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করছেন। কেউ প্রকাশ্যে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলছেন, আবার কেউ সম্ভাবনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এ সময় এমন তৎপরতা - [তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে চাপ দেবেন শি, ১৯৮২ সালের চুক্তির কথা তুলে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি](https://sarakhon.com/news/190111/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি তুলতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-শি বৈঠকে বেইজিং ১৯৮২ সালের চীন-যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ বিবৃতির ব্যাখ্যা সামনে আনতে পারে। শি বুধবার ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুই নেতার আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার কথা এবং শুক্রবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আর্কাইভসে যাবেন। সূত্রগুলোর মতে, ন্যাশনাল আর্কাইভসেও তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থান তুলে ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। তাইওয়ান প্রশ্নকে চীন তার সবচেয়ে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করে। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং দ্বীপটির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র - [বিশ্ব ফ্যাশনে ভারতীয় কারুশিল্পের নতুন পরিচয়, ৪০ বছরে চানাকিয়ার বড় উদ্যোগ](https://sarakhon.com/news/190114/): ইউরোপের বিলাসবহুল ফ্যাশনজগতের অনেক পরিচিত নামের পেছনে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছেন ভারতের দক্ষ কারুশিল্পীরা। জটিল সূচিকর্ম, ঐতিহ্যবাহী বয়ন, অলংকরণ ও হাতে তৈরি নকশায় তাঁদের অবদান থাকলেও আন্তর্জাতিক ফ্যাশন দুনিয়ায় তাঁদের পরিচয় অনেক সময় আড়ালেই থেকে গেছে। এখন সেই চিত্র বদলাতে চাইছে ভারতের অন্যতম পরিচিত কারুশিল্প প্রতিষ্ঠান চানাকিয়া ইন্টারন্যাশনাল। মুম্বাইভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি গত চার দশকে ফেন্ডি, ডিওর, গুচি, প্রাডাসহ বিশ্বের ৫০টির বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য শুধু আন্তর্জাতিক বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডের জন্য কাজ করা নয়; বরং ভারতীয় কারুশিল্পের নিজস্ব ইতিহাস, দক্ষতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা। চানাকিয়ার ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয়েছে একাধিক - [কুয়েটে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন, ভিসি পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর](https://sarakhon.com/news/190107/): চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু ছাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সারিতে দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিচয়পত্রের নম্বর ও স্বাক্ষর দেন। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, গণস্বাক্ষর সংগ্রহের পর তা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু ছাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। কুয়েটের - [ট্রলিং ও নারীদের আপত্তিকর ছবি, পাপারাজ্জিদেরও কড়া বার্তা সালমানের](https://sarakhon.com/news/190106/): অনলাইনে কাউকে শরীরের গঠন, বয়স কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের কোনো পরিবর্তন নিয়ে অপমান করা কতটা অনুচিত—‘বিগ বস ২০’-এর মঞ্চে সেই প্রশ্নই সামনে আনলেন বলিউড তারকা সালমান খান। একই সঙ্গে নারী তারকাদের পেছন থেকে কিংবা শরীরের নির্দিষ্ট অংশকে কেন্দ্র করে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতারও তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’ পর্বে সালমান বিশেষভাবে কথা বলেন অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে অনলাইনে হওয়া ট্রলিং প্রসঙ্গে। মুম্বাইয়ে গত সপ্তাহে একটি গণপতি উৎসবে ক্যাটরিনার উপস্থিতির ছবি প্রকাশের পর সন্তান জন্মের পর তার শারীরিক পরিবর্তন ও ওজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করা হয়। ক্যাটরিনার পক্ষ নিয়ে সালমান বলেন, গর্ভধারণের পর - [দক্ষিণ আফ্রিকায় বাড়িতে পার্টিতে বন্দুক হামলা, নিহত ১১](https://sarakhon.com/news/190102/): দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশে একটি বাড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বন্দুক হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে ডারবানের দক্ষিণে কোয়ামাখুথা টাউনশিপে এ ঘটনা ঘটে।  পুলিশ জানিয়েছে, তিনজন সশস্ত্র ব্যক্তি ওই বাড়িতে ঢুকে উপস্থিত লোকজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। হামলার সময় সেখানে একটি জমায়েত চলছিল। হামলাকারীরা গুলি চালানোর পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন, যিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ওই অনুষ্ঠানে ওই নারীসহ ১৩ জন পুরুষও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়, হামলার পর ১০ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত চারজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁদের মধ্যে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা - [৩৩ ঘণ্টা সাগরে, ডোভারে পৌঁছাল ৫১ অভিবাসী; গোসপোর্টে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৬](https://sarakhon.com/news/190094/): ইংলিশ চ্যানেলে ছোট নৌকায় করে ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পথে ৩৩ ঘণ্টার বেশি সময় সাগরে কাটানোর পর ৫১ জন অভিবাসী যুক্তরাজ্যের ডোভারে পৌঁছেছেন। বুধবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের ডোভারে নামানো হয়। নৌকাটি সোমবার সকালে ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। ফরাসি কোস্টগার্ড নৌকাটিকে অনুসরণ করছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নৌকাটিতে থাকা অভিবাসীরা ‘ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে’ ছিলেন। তাদের উদ্ধারে সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং যুক্তরাজ্যে পৌঁছাতে ‘সব ধরনের ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত’ ছিলেন। পরে ব্রিটিশ উদ্ধারকারী নৌযান পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। এরপর অভিবাসীদের সীমান্ত নিরাপত্তা কমান্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফরাসি কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ছোট নৌকাটিতে থাকা - [ট্রাম্পের প্রশংসা, চ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জের চুক্তি নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধ](https://sarakhon.com/news/190097/): জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। বৈঠকে বার্নহামের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও চ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব হস্তান্তর নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। নির্ধারিত ৩০ মিনিটের বৈঠক শেষ পর্যন্ত আরও দীর্ঘ হয়। বৈঠকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পতাকার সামনে বসে ট্রাম্প বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে দুই দেশের আন্তঃআটলান্টিক সম্পর্ক ‘আরও ভালো অবস্থায়’ রয়েছে। বার্নহাম এর আগে ইংল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি জি-৭ভুক্ত একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। জাতিসংঘে নিজের প্রথম ভাষণেও তিনি কৃত্রিম - [দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত ইন্দোনেশিয়া, শ্বাসযন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ১ লাখ ৭৫ হাজার](https://sarakhon.com/news/190092/): ইন্দোনেশিয়ায় সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে চলা ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়ায় শ্বাসযন্ত্রের রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ হাজারের বেশি শিশু, যাদের বয়স দুই বছরের কাছাকাছি। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তীর্ণ বন ও ভূমিতে আগুন জ্বলতে থাকায় বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবেশী মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও। কোথাও কোথাও বায়ুর মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইন্দোনেশিয়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপে ৫৪ হাজারের বেশি কর্মকর্তা ও কর্মী এবং কয়েক ডজন বিমান মোতায়েন করেছে। আগুন নেভাতে বিমান থেকে পানি ছোড়া হচ্ছে। তবে দেশটির বিশাল ভূখণ্ড, দুর্গম এলাকা এবং পিট বা - [সস্তায় চোখের পাতার অস্ত্রোপচার, বিপদে বহু নারী—চোখ বন্ধ করতে না পেরে আতঙ্ক](https://sarakhon.com/news/190082/): চোখের নিচের ফোলা ভাব, ঝুলে পড়া চোখের পাতা কিংবা চোখের চারপাশের বয়সের ছাপ কমাতে অনেকেই চোখের পাতায় অস্ত্রোপচার বা ‘ব্লেফারোপ্লাস্টি’ করান। তুলনামূলক কম খরচে এই ধরনের অস্ত্রোপচার করানোর সুযোগ থাকায় অনেক মানুষ বিদেশেও চিকিৎসা নিতে যান। কিন্তু সস্তায় করানো এই সৌন্দর্য অস্ত্রোপচারের পর গুরুতর জটিলতায় পড়ার ঘটনা নিয়ে এখন উদ্বেগ বাড়ছে। চোখের চারপাশের অস্ত্রোপচারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, বিদেশে কম খরচে চোখের পাতার অস্ত্রোপচার করিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী বিভিন্ন সমস্যার জন্য চিকিৎসা নিচ্ছেন। কারও অস্ত্রোপচারের ক্ষত ঠিকভাবে শুকাচ্ছে না, কারও চোখের চারপাশে দাগ তৈরি হয়েছে, আবার কেউ তীব্র ব্যথা ও সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে এমন কয়েকজন নারীর - [শি জিনপিংয়ের জন্য ওয়াশিংটনে নজিরবিহীন আয়োজন, ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বাণিজ্য-এআই-তাইওয়ান](https://sarakhon.com/news/190079/): এক দশকেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁকে ঘিরে ওয়াশিংটনে এবার এমন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করা হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র দেশের নেতারাও সাধারণত পান না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে শিকে স্বাগত জানাতে বিমানঘাঁটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। এরপর হোয়াইট হাউসে থাকবে সামরিক কুচকাওয়াজ, আকাশে যুদ্ধবিমানের প্রদর্শনী, রাজকীয় নৈশভোজসহ নানা আয়োজন। তবে এই জাঁকজমকের আড়ালে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল কিছু আলোচনা। বাণিজ্য ও শুল্কনীতি, বিরল মাটির খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, তাইওয়ান এবং দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক—সবকিছুই ট্রাম্প ও শির বৈঠকের আলোচনায় আসতে পারে। শি বুধবার ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর কথা। তাঁকে অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটিতে ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানাতে পারেন - [দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য প্রতিদিন বন্ধুদের সঙ্গে যে অভ্যাস করেন ডেমি মুর](https://sarakhon.com/news/190075/): হলিউড অভিনেত্রী ডেমি মুরের বয়স এখন ৬৩। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবন কাটানোর জন্য তিনি নানা ধরনের অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। তবে তার দীর্ঘায়ু বা ভালোভাবে বয়স বাড়ানোর ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছে খুব সাধারণ একটি বিষয়—কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং মানুষের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ। সম্প্রতি ‘হারপার্স বাজার আরাবিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেমি মুর জানান, তিনি প্রতিদিন কৃতজ্ঞ থাকার বিষয়গুলো মনে করেন এবং এই অভ্যাসটি নিজের ঘনিষ্ঠ একদল নারী বন্ধুর সঙ্গেও ভাগ করে নেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিনের একটি নিয়মিত চর্চা রয়েছে, যেখানে প্রত্যেকে নিজেদের অনুভূতি ও জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। ডেমি মুরের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের এই দলে প্রতিদিন তিনটি বিষয় লিখতে - [ইইউর সঙ্গে ব্রিটেনের নতুন সমঝোতা বছরের শেষেই চান অ্যান্ডি বার্নহ্যাম](https://sarakhon.com/news/190072/): ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনা বছরের শেষ নাগাদ একটি বাস্তব চুক্তিতে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। বাণিজ্য, তরুণদের চলাচল এবং ইউরোপীয় পণ্যের জন্য নতুন নিয়ম নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে চান তিনি। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে গিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন বার্নহ্যাম। সেখানে ব্রিটেন-ইইউ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এবং দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা নতুন সমঝোতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। ব্রিটিশ শিল্পে ‘মেড ইন ইউরোপ’ নিয়ে উদ্বেগ ব্রিটেন ও ইইউর মধ্যে আলোচনার অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবিত ‘মেড ইন - [ট্রাম্প-শির বৈঠকে এআই, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মতো চুক্তি কতটা সম্ভব?](https://sarakhon.com/news/190069/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মধ্যেই এআইয়ের জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি কীভাবে সামলানো যায়, তা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এআই নিয়ন্ত্রণকে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করা ঠিক হবে না বলে মনে করছেন চীনবিষয়ক প্রযুক্তিনীতি বিশ্লেষক আন্তোনিয়া হমাইদি। তাঁর মতে, পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে যে ধরনের যাচাই ও নজরদারি ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে সম্ভব, এআইয়ের ক্ষেত্রে তা অনেক বেশি কঠিন। হমাইদি জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠান মারকাটর ইনস্টিটিউট ফর চায়না স্টাডিজের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কর্মসূচির - [অনলাইন প্রতারণার ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হবে না কম্বোডিয়া, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে হুন মানেত](https://sarakhon.com/news/190066/): অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক চক্রের জন্য কম্বোডিয়া কোনো ‘নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত। বুধবার রাজধানী নমপেনে অনলাইন প্রতারণা দমনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দুই দিনের এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ এক ডজনের বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের মাধ্যমে কম্বোডিয়া একদিকে আন্তঃদেশীয় প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে নিজেদের অভিযান তুলে ধরতে চাইছে, অন্যদিকে এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। হুন মানেত বলেন, অপরাধী চক্রকে কম্বোডিয়ার অগ্রগতি এবং দেশটির ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষের জীবিকা ও নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি বিভিন্ন - [পশ্চিম তীর নিয়ে ম্যাক্রোঁর মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ইসরায়েল, বলল ‘চরম অযৌক্তিক’](https://sarakhon.com/news/190063/): জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসরায়েল। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের সমালোচনা এবং সেখানে হামাসের হামলা হয়নি—ম্যাক্রোঁর এমন মন্তব্যকে ‘চরম অযৌক্তিক’ ও বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যটি ছিল প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাক্রোঁর শেষ ভাষণ। সেখানে তিনি গাজায় চলমান মানবিক সংকটের পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডেরও কঠোর সমালোচনা করেন। গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ম্যাক্রোঁ বলেন, ওই হামলার পর ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। তবে পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়েও তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। - [ছয় দিন ধরে কমছে তেলের দাম, বাড়ছে সরবরাহের আশা ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/190060/): বিশ্ববাজারে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল পাইপলাইন পুনরায় চালু হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার সম্ভাবনা—এই তিনটি বিষয়ই তেলের বাজারে দাম কমার চাপ বাড়িয়েছে। বুধবার এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ০৯ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯৮ দশমিক ১৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে ১ দশমিক ৫০ ডলার বা ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এতে প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৯ দশমিক ০১ ডলারে। ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দামই টানা - [মেটার ‘মিউজ’ এআইয়ের আড়ালে মানুষ, গোপনীয়তা নিয়ে বড় প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/190056/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে মানুষের দৈনন্দিন কাজের বিকল্প হিসেবে গড়ে তোলার দৌড় এখন আরও দ্রুত হচ্ছে। ই-মেইল লেখা, অনলাইনে কেনাকাটা, ভ্রমণ বুকিং কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফোন করে তথ্য নেওয়ার মতো কাজও এআইয়ের মাধ্যমে করানোর চেষ্টা করছে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে এই স্বয়ংক্রিয়তার আড়ালে শেষ পর্যন্ত মানুষ কতটা জড়িয়ে থাকছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে মেটার একটি পরীক্ষাকে ঘিরে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক মেটা তাদের নতুন ব্যক্তিগত এআই সহকারী ‘মিউজ’-এর কিছু ফোনকল গোপনে মানব কর্মীদের দিয়ে করানোর একটি পরীক্ষা চালিয়েছিল। ব্যবহারকারীর হয়ে এআই যে ফোন করার কথা, কিছু ক্ষেত্রে সেই ফোনের দায়িত্ব নিচ্ছিলেন প্রশিক্ষিত মানব কর্মীরা। মেটার অভ্যন্তরীণ নথি ও কর্মীদের - [তেলের দামে আটকে রুপি, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির দিকে তাকিয়ে বাজার](https://sarakhon.com/news/190053/): ভারতীয় রুপির দর বুধবার বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে মুদ্রাটির পরবর্তী গতিপথ অনেকটাই নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওপর। একই সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি বাজারও সেই আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছে। বুধবার রুপি প্রতি ডলারে প্রায় ৯৫ টাকা ৬০ থেকে ৯৫ টাকা ৬৫ পয়সার মধ্যে লেনদেন শুরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা। আগের অধিবেশনে রুপির দর ছিল প্রতি ডলারে ৯৫ টাকা ৫৯ পয়সা। তেলের দামে স্বস্তি, তবে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে ভারতীয় সম্পদবাজারের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর একটি হয়ে উঠেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। - [ভারতের ইউপিআইয়ে নতুন ফি, আরও শক্তিশালী হবে ফোনপে-গুগল পের আধিপত্য](https://sarakhon.com/news/190050/): ভারতের বহুল ব্যবহৃত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেসে (ইউপিআই) নতুন ফি চালুর সিদ্ধান্ত বড় দুই অ্যাপ ফোনপে ও গুগল পের বাজার দখল আরও শক্তিশালী করতে পারে। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ২ হাজার রুপির বেশি ইউপিআই লেনদেনে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা বণিক ফি নেওয়া যাবে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ইউপিআই লেনদেনের মোট মূল্যের প্রায় ৮০ শতাংশই পরিচালনা করে ওয়ালমার্ট-সমর্থিত ফোনপে ও গুগল পে। নতুন ফি থেকে ২০২৮ সালের মার্চ নাগাদ বছরে সর্বোচ্চ ১১০ কোটি ডলার আয় হতে পারে বলে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান বার্নস্টেইনের হিসাব। বাজারের বর্তমান অংশীদারত্ব ধরে নিলে এর প্রায় ৯০ কোটি - [তিন কিলোমিটার সড়কে ৫ হাজারের বেশি গর্ত, ২৬ কোটি টাকার কাজেও থমকে বগুড়ার গোহাইল রোড](https://sarakhon.com/news/190047/): বগুড়া শহরের সাতমাথা থেকে গোহাইল রোডে ঢুকলেই চোখে পড়ে সড়কের বেহাল দশা। প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে অসংখ্য গর্ত, উঠে যাওয়া পিচ, বেরিয়ে থাকা খোয়া ও জমে থাকা পানিতে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন নগরবাসী। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সরেজমিনে ঘুরে পাঁচ হাজারের বেশি গর্ত গোনা হলেও এরপর আর হিসাব রাখা সম্ভব হয়নি। কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে মোটরসাইকেল ও স্কুটির নিচের অংশ মাটিতে ঠেকে যাচ্ছে। পানিতে ডুবে থাকা গর্তগুলোর গভীরতা বোঝাও কঠিন। এর মধ্যেই রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক, অটোরিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক ও বাস চলাচল করছে। গর্তে বিপজ্জনক তিন কিলোমিটার সাতমাথা থেকে গোহাইল রোডের কৈগাড়ী থেকে ফুলতলা অংশে অনেক - [যুক্তরাষ্ট্রে চীনের সৌন্দর্যপণ্যের দাপট, বাণিজ্যযুদ্ধও ঠেকাতে পারছে না রপ্তানি](https://sarakhon.com/news/190044/): যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা যখন গাড়ি, ব্যাটারি, প্রযুক্তিপণ্যসহ কৌশলগত শিল্পে তীব্র প্রতিযোগিতার রূপ নিয়েছে, তখন তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত ভিন্ন এক চিত্র দেখাচ্ছে। চীনে তৈরি চুল, পরচুলা, চুলের বাড়তি অংশ এবং কৃত্রিম নখের মতো সৌন্দর্যপণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি দ্রুত বাড়ছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, চীনের উৎপাদন সক্ষমতা শুধু উচ্চপ্রযুক্তি বা বড় শিল্পপণ্যে সীমাবদ্ধ নয়; কম দামের ভোক্তা পণ্যেও দেশটির সরবরাহব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। চীনের শুল্ক ও বাণিজ্যসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের চুলজাত পণ্য রপ্তানি করেছে। এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় এই রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ধারা অব্যাহত থাকলে - [গাজায় শান্তির দাবি নিয়ে ট্রাম্পকে ম্যাক্রোঁর তীব্র কটাক্ষ, ‘এ দৃশ্য আমাদের লজ্জিত করা উচিত’](https://sarakhon.com/news/190041/): জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিজের শেষ ভাষণে গাজা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি সরাসরি খারিজ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি করা হলেও সেখানে এখনো এক মুহূর্তের জন্যও মানবিক সহায়তার পথ পুনরায় খুলে দেওয়া হয়নি। এমন পরিস্থিতিকে তিনি ‘লজ্জাজনক দৃশ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন ম্যাক্রোঁ। এটিই জাতিসংঘে তাঁর শেষ ভাষণ। আগামী বছর মে মাসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ম্যাক্রোঁর ভাষণের কয়েক ঘণ্টা আগেই একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প তাঁর গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর উদ্যোগের মাধ্যমে - [স্বামীকে মুক্ত করতে শির কাছে ট্রাম্পের আবেদন, চীনে বন্দি মার্কিন ভূকম্পবিদের পরিবারের আশা](https://sarakhon.com/news/190038/): চীনে প্রায় দুই বছর ধরে বন্দি থাকা মার্কিন ভূকম্পবিদ ইউলিন চেনকে মুক্ত করতে এবার সরাসরি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে আবেদন জানাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—এমন আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন চেনের স্ত্রী ইউফাং রং। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দুই নেতার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি এই আশ্বাস পেয়েছেন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রং বলেন, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তাকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় তার স্বামীর মুক্তির বিষয়টি তুলবেন। চেনের পাশাপাশি চীনে আটক আরেক মার্কিন নাগরিক মিন জিনের মুক্তির বিষয়টিও ট্রাম্প তুলবেন বলে তাকে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই - [জ্বালানি তেলের দামে যাতায়াতে নতুন হিসাব, কাটছাঁট চলাফেরায়](https://sarakhon.com/news/190034/): জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর রাজধানীর মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের হিসাবেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বাসে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে, বেড়েছে রাইড শেয়ারিংয়ের খরচ। ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অনেকেই এখন প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের হিসাব কষছেন। বাড়তি ব্যয় সামলাতে কেউ গাড়ি গ্যারেজে রেখে দিচ্ছেন, কেউ বাদ দিচ্ছেন অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত। রাজধানীর মালিবাগ, ফার্মগেট, গুলশান, বাংলামটর, আসাদগেট, শনির আখড়া, হাজীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় মঙ্গলবার এমন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও বাড়তি ভাড়া নিয়ে যাত্রী ও বাসকর্মীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে, যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে হাতাহাতিতেও গড়িয়েছে। বাসভাড়ায় বাড়তি চাপ সরকারি নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশের আগেই রাজধানীর কয়েকটি রুটে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া বেড়ে - [স্মার্ট চশমা-এআই ডিভাইসের নতুন দুশ্চিন্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কতটা নিরাপদ?](https://sarakhon.com/news/190030/): স্মার্টফোনের পর প্রযুক্তি দুনিয়ায় পরবর্তী বড় পরিবর্তন হিসেবে সামনে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত বিভিন্ন পরিধানযোগ্য যন্ত্র। চোখে পরার স্মার্ট চশমা, এআই পিন, গলায় ঝোলানো ছোট ডিভাইস, কানে পরার যন্ত্র কিংবা ফোনের সঙ্গে যুক্ত ভয়েস রেকর্ডার—এসব প্রযুক্তি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এই যন্ত্রগুলো শুধু তথ্য দেখাবে না। এগুলো ব্যবহারকারীর কথা শুনতে পারবে, চারপাশের পরিবেশ বুঝতে পারবে, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, কথোপকথন মনে রাখতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শও দিতে পারবে। ফলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মনে করছে, একসময় স্মার্টফোনের অনেক কাজ সরাসরি এসব ছোট যন্ত্রের মাধ্যমে করা সম্ভব হবে। কিন্তু এই সম্ভাবনার পাশাপাশি বড় হয়ে উঠছে আরেকটি প্রশ্ন—এই প্রযুক্তি - [মবের শিকার হাজার শিক্ষক, দুই বছরেও ফিরতে পারেননি কর্মস্থলে](https://sarakhon.com/news/190026/): ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মব সৃষ্টি করে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের পদত্যাগে বাধ্য করা, হেনস্তা এবং কর্মস্থল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে সহস্রাধিক শিক্ষক এখনও নিজ কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি বলে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের একটি সংগঠন দাবি করেছে। অথচ ঘটনার প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কিংবা জেলা শিক্ষা অফিসের কাছে এ ধরনের ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নেই। মবের মুখে পদত্যাগ বরিশালের গৌরনদীর শরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কণিকা মুখার্জী ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে মবের হেনস্তার শিকার হন। কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ একটি দল তাঁর শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেয় এবং - [বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের হুমকি ‘অত্যন্ত মারাত্মক’: শেখ হাসিনা](https://sarakhon.com/news/190023/): বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর হুমকি অত্যন্ত গুরুতর এবং বিষয়টি কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। এনডিটিভির প্রকাশিত সাক্ষাৎকারেও শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের হুমকিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে প্রশ্ন সাক্ষাৎকারে উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশ কি পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর আঞ্চলিক নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে? জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের সময়ে বাংলাদেশকে চরমপন্থীদের নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত হওয়া থেকে রক্ষা করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, তার শাসনামলে জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি - [বাড়ছে খরচ, কমছে ক্রয়ক্ষমতা: সংকটে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবন](https://sarakhon.com/news/190020/): বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এখন সবচেয়ে বড় চাপের নাম আয়-ব্যয়ের ভারসাম্যহীনতা। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম, যাতায়াত, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষার খরচ একের পর এক বাড়লেও নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে প্রয়োজনের তালিকা ছোট করে, সঞ্চয় ভেঙে কিংবা ধারদেনা করে অনেক পরিবারকে মাস পার করতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে থাকতে পারে এবং নিম্নআয়ের মানুষের মজুরি পণ্যের দামের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। একই সময়ে জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। - [ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের, জাতিসংঘে চুক্তির চেষ্টাও চলছে](https://sarakhon.com/news/190017/): ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা যখন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে জোরদার হচ্ছে, ঠিক তখনই দেশটিকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি হতে পারে, যার মাধ্যমে দেশটি আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠবে; অথবা যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার পথ বেছে নিতে পারে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমার সামনে একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় রয়েছে।’ তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব হলে তিনি সেই পথ বেছে নিতে পারেন। কিন্তু চুক্তি না হলে ইরানকে এমনভাবে নিশ্চিহ্ন করার হুমকিও দেন, যাতে দেশটি আর - [মিয়ানমারের কারাগারে নারী বন্দিদের ওপর নির্যাতন, যৌন সহিংসতার অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/190013/): মিয়ানমারে রাজনৈতিক বন্দি নারীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন, যৌন সহিংসতা এবং গুরুতর চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির কারাগার ব্যবস্থায় বন্দিদের ওপর নির্যাতন ও অবহেলা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে মিয়ানমারে দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ চলছে। এতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংঘাতে প্রায় এক লাখ মানুষ নিহত এবং ৩৫ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কারাগারে নির্যাতনের ভয়াবহ অভিযোগ নিউইয়র্কভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে ৩০ হাজারের বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ হাজার ৬০০-এর - [গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্ক-গ্রিনল্যান্ডের চুক্তি](https://sarakhon.com/news/190010/): আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও খনিজসমৃদ্ধ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন অবসানের লক্ষ্যে নতুন একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়েছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পরিণত করার ট্রাম্পের আগের দাবিকে বাস্তবায়ন করছে না। তবে এর মাধ্যমে দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি মোকাবিলায় ন্যাটোর ভূমিকা আরও জোরালো করার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে। বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি চুক্তির প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি - [ইরানকে ‘ধ্বংস’ নাকি চুক্তি: জাতিসংঘে ট্রাম্পের হুমকির মধ্যেই সমঝোতার চেষ্টা](https://sarakhon.com/news/190007/): ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চুক্তি হবে, নাকি সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নেবে—এই প্রশ্নের মধ্যেই মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইরানকে কঠোর হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার হয়েছে। জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি হতে পারে, যার মাধ্যমে দেশটি পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে। তবে চুক্তি না হলে ইরানকে ধ্বংস করার হুমকিও দেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ইরান যাতে ভবিষ্যতে অন্য দেশ ও মানুষের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে ট্রাম্পের - [ভারতের সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় ইস্যু কাঠামোবদ্ধ আলোচনায় সমাধানে প্রস্তুত ঢাকা](https://sarakhon.com/news/190003/): বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী পথে এগিয়ে নিতে চায় ভারত। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যকার সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে আলোচনায় বসে সমাধানের আগ্রহের কথাও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারতের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী ধারায় এগিয়ে নেওয়া। দুই দেশের মধ্যকার সব দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নিয়ে বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে আলোচনা করতে ভারত প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক দিকে এগিয়ে নিতে চায়। - [২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৭ শতাংশ: এডিবি](https://sarakhon.com/news/189999/): বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০২৬ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। একই সঙ্গে ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও কমিয়ে ৪ শতাংশ করেছে সংস্থাটি। গত জুলাইয়ের পূর্বাভাসে ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল এডিবি। এডিবির সর্বশেষ এশীয় উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গি, সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি, মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক খাতের পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলোও তুলে ধরা হয়েছে। প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে এ প্রভাব সীমিত - [মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না](https://sarakhon.com/news/189997/): জ্বালানি তেল থেকে ১০ বছরে সরকার পেয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা প্রথম আলো , আমদানি পর্যায়ে একক পণ্য হিসেবে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ডিজেল থেকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, গত অর্থবছরে শুধু ডিজেল আমদানিতেই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারকে ১১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা শুল্ক-কর দিয়েছে। ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল মিলিয়ে অঙ্কটি আরও বড়। বিপিসির হিসাবে, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে শুল্ক-কর বাবদ সরকারকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে সংস্থাটি। এই বিপুল শুল্ক-কর দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মুনাফায় ছিল বিপিসি। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত নিরীক্ষিত হিসাবে - [নতুন করে শুরু করার সাহস: কখনো কখনো ভাবনার চেয়ে পদক্ষেপই জরুরি](https://sarakhon.com/news/189911/): জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত আগে থেকে নিখুঁতভাবে হিসাব করে নেওয়া সম্ভব নয়। কখনো এমন সময় আসে, যখন অতিরিক্ত চিন্তা মানুষকে সিদ্ধান্তহীন করে তোলে। তখন প্রয়োজন হয় কিছুটা ঝুঁকি নেওয়ার, পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এবং নিজের অন্তর্গত আকাঙ্ক্ষার প্রতি আস্থা রাখার। ট্যারোটের ‘নাইট অব ওয়ান্ডস’ সেই তাগিদকেই প্রতীকীভাবে ধারণ করে—উদ্দীপনা, আবেগ, গতি এবং সম্ভাবনার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস। জুলাই যেন এই মানসিকতারই একটি স্বাভাবিক প্রতিরূপ। গ্রীষ্মের তাপ, দীর্ঘ দিন, উজ্জ্বল আলো এবং দৈনন্দিন রুটিন থেকে সাময়িক বিরতি—সবকিছু মিলে মাসটি মানুষকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার বাইরে তাকাতে প্ররোচিত করে। বিশেষ করে দীর্ঘ ও কঠিন শীতের অঞ্চলে গ্রীষ্মের প্রতিটি আলোকিত মুহূর্তকে কাজে লাগানোর তাগিদ আরও - [কারাগার যখন রাজনৈতিক অস্ত্র: রাশিয়ায় ভয় ও নীরবতার রাজনীতি](https://sarakhon.com/news/189836/): রাজনৈতিক দমন-পীড়নের সবচেয়ে গভীর প্রভাব অনেক সময় কারাগারের ভেতরে দেখা যায় না; তার প্রতিফলন দেখা যায় সমাজের নীরবতায়। মানুষ যখন প্রকাশ্যে মত প্রকাশের আগে সম্ভাব্য শাস্তির কথা ভাবতে শুরু করে, তখন রাষ্ট্রকে প্রত্যেক বিরোধী কণ্ঠকে আলাদাভাবে দমন করতে হয় না। কয়েকটি দৃশ্যমান মামলা, কঠোর সাজা এবং অনিশ্চিত আইনি পরিবেশই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মসংযম তৈরি করতে পারে। রাশিয়ায় রাজনৈতিক বন্দিদের নিয়ে কাজ করা ফ্রিডম জোনের প্রতিষ্ঠাতা ক্সেনিয়া কাগারলিৎস্কায়ার বক্তব্যে এই বাস্তবতার একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়। তার বাবা বরিস কাগারলিৎস্কি—মার্কসবাদী চিন্তাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক কর্মী—পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। ২০২২ সালে ক্রিমিয়া সেতুতে বিস্ফোরণ নিয়ে ইউটিউবে প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে তাকে - [জাতিসংঘ অধিবেশনে গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান পাকিস্তানের](https://sarakhon.com/news/189991/): জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার ফিলিস্তিন বিষয়ক ছয় সদস্যের কমিটির বৈঠকে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন এখনো “ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ও গোটা মুসলিম উম্মাহর সম্মিলিত বিবেকের কেন্দ্রবিন্দু।” দার পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও একতরফা সংযুক্তি নীতিকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এসব কার্যক্রম “পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও ধারাবাহিকতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।” গাজা প্রসঙ্গে তিনি জানান, যুদ্ধবিরতি চুক্তি “প্রায় প্রতিদিনই লঙ্ঘিত হচ্ছে”, যদিও যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবে অনুমোদিত ব্যাপক শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দার ছয় দফা অগ্রাধিকার - [থার্ড পার্টি অ্যাপ হ্যাক করে বিগকমার্সের ক্রেতাদের তথ্য ফাঁস](https://sarakhon.com/news/189982/): ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম বিগকমার্সের বিক্রেতাদের ব্যবহৃত থার্ড-পার্টি অ্যাপ রিবন ও রিবন ১.৫-এর লগইন তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। ফাস্টর কোম্পানির মালিকানাধীন “বি আ পার্ট অব” প্রতিষ্ঠানের তৈরি এই অ্যাপগুলোর মাধ্যমে ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন বিগকমার্স দোকানে ক্ষতিকর কোড ঢুকিয়ে দেয় হ্যাকাররা। ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাপগুলো সরিয়ে হ্যাকারের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেয় বিগকমার্স। একাধিক বিগকমার্স বিক্রেতা এই বিগকমার্সের তথ্য ফাঁসের নোটিশ পেয়েছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক অনলাইন মদের দোকান মাস্টার অব মল্ট প্রকাশ্যে তাদের গ্রাহক তথ্য ঝুঁকিতে পড়ার কথা জানিয়েছে এবং তাদের নিজস্ব মূল্যায়ন অনুযায়ী শত শত অন্যান্য দোকানও একই ঝুঁকিতে থাকতে পারে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে ক্রেতাদের নাম, ইমেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ও ডাক - [ইসলামাবাদে পিটিআই নেতাদের বাড়িতে অভিযানের অভিযোগ, এসএসপিকে তলব হাইকোর্টের](https://sarakhon.com/news/189988/): পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি, বাড়িতে অভিযান এবং আটকের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট পুলিশের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপারকে (অপারেশনস) আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিচারপতি রাজা ইনাম আমিন মিনহাস পিটিআই নেতা মালিক আমির দোগার ও শোয়েব শাহীনসহ কয়েকজনের করা আবেদনের শুনানি করেন। আবেদনে পিটিআই নেতাদের বাড়িতে পুলিশের কথিত অভিযান ও হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরা হয়। আইনি অনুমতি ছাড়া বাড়িতে অভিযান নয় আদালতের আদেশ অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আইনজীবী অভিযোগ করেন, পুলিশ কর্মকর্তারা পিটিআই নেতাদের বাসভবনে কথিত বেআইনি অভিযান চালাচ্ছেন। এ ধরনের অভিযান যথাযথ আইনি অনুমোদন ছাড়া পরিচালনা করা যায় না - [পোলিও টিকাদান দলের নিরাপত্তায় হামলা, বেলুচিস্তানে ২ পুলিশ সদস্য নিহত](https://sarakhon.com/news/189985/): পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের নোশকিতে পোলিও টিকাদান দলের নিরাপত্তায় নিয়োজিত দুই পুলিশ সদস্য সশস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার মোটরসাইকেলে আসা হামলাকারীরা টিকাদান দলের ওপর গুলি চালালে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিরাপত্তায় থাকা দুই পুলিশ সদস্য নিহত নোশকি শহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনাওয়ার জামান জানান, নিহত দুই পুলিশ সদস্য ছিলেন কনস্টেবল মুহাম্মদ ইয়াসির ও আবদুর রউফ। তাঁরা নারী পোলিও কর্মীদের একটি দলের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। বেলুচিস্তানের ৩২ জেলায় সোমবার থেকে শুরু হওয়া এক সপ্তাহব্যাপী পোলিও টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই দলটি মাঠে কাজ করছিল। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে আসা সশস্ত্র হামলাকারীরা হঠাৎ তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে নিরাপত্তায় থাকা - [ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনার ইঙ্গিত, জাতিসংঘ অধিবেশনকে ‘সোনালি সুযোগ’ বলছে তেহরান](https://sarakhon.com/news/189964/): ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে আবারও কূটনৈতিক আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার দুই দেশের পক্ষ থেকেই আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। একই সময়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার পর এই প্রথম একই সময়ে দুই নেতা জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে যাচ্ছেন। রোববার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে তিনি আগ্রহী। আলোচনায় ফেরার সুযোগ ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের সরাসরি বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে ইরানি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর পূর্ণ - [সিঁড়ি ভাঙার এই সহজ অভ্যাসই বাড়াতে পারে আয়ু, বলছেন চিকিৎসকেরা](https://sarakhon.com/news/189978/): দীর্ঘ জীবন পাওয়ার জন্য বড় কোনো পরিবর্তন সবসময় প্রয়োজন হয় না। প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসও শরীরকে সক্রিয় রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এমনই একটি সহজ অভ্যাস হলো—সম্ভব হলে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করা। প্রাথমিক চিকিৎসা ও ক্রীড়া-চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ হারিস ভাকিলের মতে, সিঁড়ি ব্যবহার করা প্রতিদিনের শারীরিক কার্যক্রম বাড়ানোর একটি সহজ উপায়। নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন পাঁচ তলা সিঁড়ি ভাঙার সঙ্গে কোনো সিঁড়ি না ওঠার তুলনায় যেকোনো কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি ৭ থেকে ৯ শতাংশ কম থাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। অল্প - [বিগ ফার্মার প্রবৃদ্ধির সংকট, সমাধান হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ অধিগ্রহণ](https://sarakhon.com/news/189965/): বিশ্বের বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো এমন এক প্রবৃদ্ধি-সংকটের মুখে পড়েছে, যার সমাধান খুঁজতে গিয়ে তাদের আরও বড় ঝুঁকি নিতে হতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভার্টিসের বাজারমূল্য থেকে সম্মিলিতভাবে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মুছে গেছে। বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের বড় কারণ হয়ে উঠেছে কোম্পানি দুটির অধিগ্রহণ ও একীভূতকরণ বা মার্জার-অ্যাকুইজিশন কৌশল। সমস্যাটি শুধু শেয়ারবাজারের মূল্যপতন নয়। বড় ওষুধ কোম্পানিগুলোর নিজেদের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম থেকে আগের তুলনায় কম ফল আসছে। একই সময়ে নতুন ওষুধের পাইপলাইনও ক্রমে পাতলা হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে তাদের বাইরের উদ্ভাবনী কোম্পানি, বিশেষ করে বায়োটেক প্রতিষ্ঠান কিনে নেওয়ার ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে। এখানেই তৈরি হচ্ছে বড় দ্বন্দ্ব। একদিকে - [ইয়েমেনের হুথিদের চাপে সৌদি আরব: তেলের পথ থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/189972/): ইয়েমেনের হুথিদের সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্য মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে নতুন এক কৌশলগত পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এর প্রভাব শুধু সৌদি আরবের নিরাপত্তা কিংবা ইয়েমেনের ক্ষমতার লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দাব ও হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথের ওপর চাপ বাড়লে এর প্রভাব পৌঁছাতে পারে বৈশ্বিক বাজারেও। সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন এই সমীকরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পারস্য উপসাগরীয় উপকূল থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পৌঁছে দেয় এই পাইপলাইন। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প পথে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার প্রস্তুতি হিসেবে ১৯৮০-এর দশকে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে সমুদ্রপথে তেল পরিবহন ব্যাহত হলে সৌদি তেল রপ্তানিতে পাইপলাইনটি - [শরীর নিয়ে অসন্তুষ্টি নয়, নিজেকে ভালোবাসার ১০ উপায়](https://sarakhon.com/news/189969/): শরীর নিয়ে অসন্তুষ্টি, নিজের চেহারা নিয়ে হতাশা কিংবা ওজন নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা অনেকের আত্মবিশ্বাসকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সমাজ, বিজ্ঞাপন ও গণমাধ্যম প্রায়ই এমন একটি ‘আদর্শ শরীরের’ ধারণা তৈরি করে, যা অধিকাংশ মানুষের জন্য বাস্তবে অর্জন করা সম্ভব নয়। ফলে নিজের শরীরকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করতে করতে অনেকেই নিজের প্রতিই কঠোর হয়ে ওঠেন। শরীরের আকৃতি বদলে ফেললেই জীবন সম্পূর্ণ বদলে যাবে—এমন ধারণাও অনেকের মধ্যে কাজ করে। কিন্তু এই মানসিকতা বরং আত্মসম্মান কমাতে পারে, ব্যর্থতার অনুভূতি তৈরি করতে পারে এবং নিজের শরীরের সঙ্গে এক ধরনের বিরোধ তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের শরীর সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করা শুধু চেহারা বা - [ভিয়েতনামের ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার খাতে ঢুকছে মার্কিন লিথিয়াম কোম্পানি](https://sarakhon.com/news/189957/): ভিয়েতনামে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হওয়া ব্যাটারি বর্জ্য ও লিথিয়ামের চাহিদা—দুই দিকেই সম্ভাবনা দেখছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক লিথিয়াম পুনর্ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান আরথ্রি লিথিয়াম। কোম্পানিটি দেশটির ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার শিল্পে প্রবেশের পরিকল্পনা করছে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ভিয়েতনাম সরকারের এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, সোমবার হ্যানয়ে আরথ্রি লিথিয়ামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিন অস্টিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী নগুয়েন ভ্যান থাং। বৈঠকে ভিয়েতনামের পুনর্ব্যবহার খাতে কোম্পানিটির সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজের পরিকল্পনা আরথ্রি লিথিয়াম ভিয়েতনামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পুনর্ব্যবহার কার্যক্রমে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি। কোম্পানিটি শুধু বৈদ্যুতিক - [ইমরান খানের বোনের আটকাদেশ নিয়ে আদালতে যুক্তি শুনানি](https://sarakhon.com/news/189958/): পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে গত রোববার লাহোর কর্তৃপক্ষ পাবলিক অর্ডার সংরক্ষণ অধ্যাদেশের অধীনে ৩০ দিনের জন্য আটক করে। তার ছেলে শাহরায়েজ খান এই আটকাদেশের বিরুদ্ধে লাহোর হাইকোর্টে আইনি চ্যালেঞ্জ দাখিল করেছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ “বেআইনিভাবে আটকাদেশ জারি করেছে এবং অধ্যাদেশের তিন নম্বর ধারায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করেনি।” আবেদনে আরও দাবি করা হয়, “আদেশে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই এবং তা কোনো বিচারবুদ্ধির প্রয়োগ দেখায় না।” মঙ্গলবার বিচারপতি আবহার গুল খান এই আলিমা খানের আটকাদেশ সংক্রান্ত মামলার শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তাইমুর মালিক আদালতে যুক্তি দেন, “প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারপর জেলা তদন্ত কমিটির বৈঠক হয়েছে,” অর্থাৎ আটকাদেশের - [সন্ত্রাস দমনে সেনাবাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, পেশোয়ারে বললেন মুনির](https://sarakhon.com/news/189934/): পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মঙ্গলবার পেশোয়ার কোর সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে সন্ত্রাস দমনে সামরিক বাহিনীর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের বিবৃতি অনুযায়ী তিনি বলেন, “জাতির অটুট সমর্থন নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী সন্ত্রাস দমন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সংকল্পে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।” পরিদর্শনকালে মুনিরকে খাইবার পাখতুনখোয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করা হয়, যার মধ্যে ছিল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং মোতায়েনকৃত বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতির বিস্তারিত। তিনি সেনাদের উচ্চ মনোবল, প্রস্তুতি ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে দেশ রক্ষায় তাদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতাকে স্বীকৃতি দেন এবং সতর্কতা ও কার্যক্রমের মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মুনির শহীদ স্মৃতিসৌধ ইয়াদগার-ই-শুহাদায় পুষ্পস্তবক - [রাখাইনের চার শহরে বিমান হামলা, ব্যর্থ জান্তার অভিযান](https://sarakhon.com/news/189951/): মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পোন্নাগিয়ুন, পাউকতাও, গোয়া ও মিনবিয়া, এই চার শহরে একযোগে বিমান হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী। ২০২৪ সালে আরাকান আর্মির দখলে যাওয়া এই শহরগুলো রাজধানী সিত্তওয়ে থেকে ২০ থেকে ৪০০ মাইল দূরত্বে অবস্থিত। হামলায় অন্তত দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন, পোন্নাগিয়ুনের কালাচাউং গ্রামে একজন, পাউকতাওয়ের তাউংপু গ্রামে একজন নিহত ও একজন আহত, আর গোয়াতে দুজন আহত। এর একদিন আগেই রাথেডাউং শহরে গোলাবর্ষণে আরও দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। আগস্টের মাঝামাঝি এক হাজারের বেশি জান্তা সেনা অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে পৌঁছানোর পর সেপ্টেম্বরের শুরুতে শুরু হয় “অপারেশন ৪৯২৬”। তবে সূত্র বলছে এই পাল্টা অভিযান ব্যর্থ হয়ে সেনারা সিত্তওয়ে শহরে - [মিয়ানমার সেনাবাহিনীতে সোয়া লাখ বাধ্যতামূলক নিয়োগের নথি প্রকাশ এনইউজির](https://sarakhon.com/news/189952/): মিয়ানমারের ছায়া সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট বা এনইউজি নথি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সামরিক জান্তার বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ আইন কার্যকরের পর থেকে ২৭টি ধাপে প্রায় এক লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার আশি জন পুরুষকে জোর করে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়েছে। এনইউজি এই মিয়ানমারে বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগকে জান্তার “টিকে থাকার প্রধান হাতিয়ার” হিসেবে অভিহিত করেছে। আইন অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষ এবং ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী নারীদের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের সামরিক সেবা বাধ্যতামূলক, আর চিকিৎসকের মতো বিশেষজ্ঞদের জন্য তিন বছর। জান্তা নারীদের নিয়োগের কথা অস্বীকার করলেও নারী সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিবেদন বহুবার উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে - [আইআইটি বোম্বের শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ‘নির্যাতন ও জাতিগত বৈষম্যের কথা জানিয়েছিল ছেলে’](https://sarakhon.com/news/189948/): ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) বোম্বের ২০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর কথিত আত্মহত্যার ঘটনায় নতুন করে অভিযোগ তুলেছেন তার বাবা-মা। নিহত শিক্ষার্থীর মা জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগে তার ছেলে পরিবারকে জানিয়েছিল, সে ‘নির্যাতন’ ও ‘জাতিগত বৈষম্যের’ শিকার হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তে যাচাই করা হচ্ছে। মা-বাবার অভিযোগ মঙ্গলবার নিহত শিক্ষার্থীর মা বলেন, ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি প্রশাসন ও ভারতের সংবিধানের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন। তার বিশ্বাস, তার ছেলে ন্যায়বিচার পাবে। নিহতের বাবা অভিযোগ করেন, যেদিন তার ছেলেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, সেদিনই পরীক্ষায় নকল করার যে দাবি সামনে আসে, তা মূল ঘটনা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। - [প্রজ্ঞাপনের আগেই বাসভাড়া বাড়তি, দূরপাল্লায় যাত্রীপ্রতি গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা বেশি](https://sarakhon.com/news/189938/): জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ কিলোমিটারপ্রতি বাসভাড়া ১৭ পয়সা বাড়াতে একমত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। এর মধ্যেই রাজধানীর গাবতলীসহ বিভিন্ন টার্মিনালে দূরপাল্লার যাত্রীদের কাছ থেকে রুটভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপের ভাড়াও বাড়তে শুরু করেছে। জ্বালানির দাম বাড়ার পরই ভাড়ার চাপ গত রোববার সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ায়। এতে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে গাবতলী বাস - [চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার, বদলি আরও ১৮ এসপি](https://sarakhon.com/news/189941/): নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজবাড়ী ও মেহেরপুরে নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এসপি পদমর্যাদার আরও ১৮ কর্মকর্তাকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলির আদেশ দেওয়া হয়। চার জেলায় নতুন এসপি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নেত্রকোনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে র‌্যাবের মো. বদরুদ্দোজাকে বদলি করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার করা হয়েছে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মু. জালাল উদ্দিন ফাহিমকে। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন র‌্যাবের মীর মনির হোসেন। আর মেহেরপুরের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পুলিশ সদর দফতরের এআইজি আলী হায়দার চৌধুরী। - [তুরস্কে স্কুলের বাইরে কিশোরের গুলিতে আহত ১১ শিক্ষার্থী](https://sarakhon.com/news/189935/): পশ্চিম তুরস্কের মানিসা প্রদেশের তুরগুতলু শহরে মঙ্গলবার সকালে এক স্কুলের বাইরে গুলি চালিয়েছে এক কিশোর, যাতে আহত হয়েছেন ১১ জন। ঘটনাস্থলেই পুলিশ কিশোরটিকে গ্রেপ্তার করে, আর তদন্তের স্বার্থে তার বাবা-মা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে। আহত ১১ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে, যদিও কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘটে স্থানীয় সময় সকাল আটটার দিকে, রিসোর্ট শহর ইজমিরের কাছেই অবস্থিত এই শহরে। তুরস্কে স্কুলে গুলি চালানোর ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল, তবে এবারের ঘটনাটি ঘটল এপ্রিলে পরপর দুটি স্কুল-গুলির ঘটনার মাত্র পাঁচ মাস পর, যা তখন ব্যাপক জনরোষ তৈরি করেছিল। এপ্রিলের ঘটনাগুলোর একটিতে কাহরামানমারাশে এক শিক্ষক ও নয়জন শিক্ষার্থী নিহত - [গ্র্যানোলা না মুসেলি—হৃদ্‌যন্ত্র ও আঁশের জন্য কোনটি ভালো?](https://sarakhon.com/news/189867/): সকালের নাশতায় গ্র্যানোলা বা মুসেলি—দুটিই সহজ, পুষ্টিকর এবং জনপ্রিয় খাবার। সাধারণত এগুলোতে ওটস, বাদাম, বীজ ও শুকনো ফল থাকে, ফলে দুটিই খাদ্যআঁশের ভালো উৎস। তবে কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর, তা শুধু খাবারের নামের ওপর নির্ভর করে না; বরং এতে কতটা চিনি, চর্বি, লবণ ও অন্যান্য উপাদান যোগ করা হয়েছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্র্যানোলা ও মুসেলির প্যাকেটের সামনের দিকের আকর্ষণীয় তথ্যের পাশাপাশি পেছনের পুষ্টি তালিকা ও উপাদানগুলোর তালিকাও দেখা জরুরি। কারণ একই ধরনের দেখতে দুই পণ্যের পুষ্টিমানেও উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকতে পারে। পুষ্টিতে কোথায় পার্থক্য? প্রতি ১০০ গ্রাম হিসেবে একটি সাধারণ পুষ্টি তুলনায় গ্র্যানোলায় প্রায় ৪১৮ ক্যালরি এবং মুসেলিতে ৩৮৮ ক্যালরি থাকে। গ্র্যানোলায় - [অসুস্থতার পর শরীরের হারানো শক্তি ফেরাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০টি উপায়](https://sarakhon.com/news/189914/): সর্দি-জ্বর বা অন্য কোনো অসুস্থতা সেরে যাওয়ার পর অনেকেই ভাবেন, এবার বুঝি শরীর আগের মতো হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও কয়েক দিন, কখনো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত শরীরে দুর্বলতা ও ক্লান্তি থাকতে পারে। অসুস্থ থাকার সময় ক্ষুধা কমে যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া, ঘুমের ব্যাঘাত এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা—সব মিলিয়ে শরীরের স্বাভাবিক শক্তি কমে যেতে পারে। তাই অসুস্থতা কেটে যাওয়ার পর হঠাৎ করে আগের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় ফিরে না গিয়ে ধীরে ধীরে শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানো গুরুত্বপূর্ণ। খাবার, পানি, ঘুম, হালকা ব্যায়াম ও বিশ্রামের দিকে নজর দিলে অনেক ক্ষেত্রেই শক্তি ফিরে পেতে সাহায্য করতে পারে। ১. পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করুন - [ইউএসএইড বিলুপ্তির পর বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মৃত্যু ও সংকট](https://sarakhon.com/news/189929/): বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড বিলুপ্ত করে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ১৯৬০-এর দশকে প্রেসিডেন্ট কেনেডি ও মার্কিন কংগ্রেসের উদ্যোগে সফট পাওয়ার কূটনীতি ও মানবিক সহায়তার হাতিয়ার হিসেবে গড়ে ওঠা এই সংস্থার অবসান এখন বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকট আরও গভীর করছে। দ্য ল্যানসেটের এক গবেষণা অনুযায়ী, ২০০০-এর দশকে ইউএসএইডের কার্যক্রম বিশ্বজুড়ে প্রায় নয় কোটি দশ লাখ মানুষের মৃত্যু ঠেকিয়েছিল, যার মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ছিল তিন কোটি। গেটস ফাউন্ডেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সাল এই শতাব্দীর প্রথম বছর হতে যাচ্ছে যেখানে বিশ্বজুড়ে শিশুমৃত্যুর হার বাড়বে, কমার বদলে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তহবিল কাটছাঁটের পর বিভিন্ন দেশে ব্যাপক ক্ষুধা, ওষুধ সংকট এবং - [পোর্শে: ভক্সওয়াগনের মুনাফার মুকুট থেকে এখন বড় বোঝা](https://sarakhon.com/news/189926/): একসময় জার্মান গাড়ি নির্মাতা ভক্সওয়াগনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মুনাফার উৎসগুলোর একটি ছিল বিলাসবহুল স্পোর্টস কার ব্র্যান্ড পোর্শে। কিন্তু মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই পোর্শেই এখন ভক্সওয়াগনের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। ২০২২ সালে বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর পোর্শের মূল্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই ম্লান। চীনের বাজারে বিক্রি কমে যাওয়া, বৈদ্যুতিক গাড়িতে রূপান্তরের ব্যয়বহুল ভুল সিদ্ধান্ত, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এবং সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক গাড়ির বাজারের পরিবর্তন—সব মিলিয়ে চাপের মুখে পড়েছে ব্র্যান্ডটি। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে মূল প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগনের ওপর। কোম্পানিটি পোর্শেতে থাকা ৭৫ শতাংশ অংশীদারির মূল্যায়ন থেকে ৬০০ কোটি ইউরো বা প্রায় ৬৯০ কোটি ডলার - [করপোরেট কেলেঙ্কারির আসল ক্ষতি: জরিমানার পর যে কর্মীরা আর থাকতে চান না](https://sarakhon.com/news/189832/): কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্যবস্থা নিলে সাধারণত ক্ষতির হিসাব শুরু হয় জরিমানা দিয়ে। কত টাকা দিতে হবে, আইনি লড়াইয়ে কত খরচ হবে, শেয়ারের দামে কী প্রভাব পড়বে—এসব নিয়ে দ্রুত হিসাব কষা হয়। এরপর ধরে নেওয়া হয়, জরিমানা পরিশোধ এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রতিষ্ঠানও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। কিন্তু এই হিসাবের একটি বড় অংশ প্রায়ই বাদ পড়ে যায়—প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কীভাবে এই ঘটনাকে দেখছেন এবং তাদের কতজন এরপর আর সেখানে থাকতে চাইছেন না। গবেষণা বলছে, করপোরেট অনিয়মের প্রভাব কর্মীদের ওপর প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠানের আচরণকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা অন্যায্য বা ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করে জরিমানা করলে - [শোনার শিল্প: ভালো লেখা, পাঠ ও সত্যিকারের যোগাযোগের নেপথ্যে যে নীরব শক্তি](https://sarakhon.com/news/189923/): ফ্রান্সের লোয়ার অঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম রিগনি-উসে রোববারের এক বিকেল। দূরে গির্জার ঘণ্টাধ্বনি, চারপাশে কালো শালিক, ফিঞ্চ ও চড়ুইয়ের ডাক। বাগানে কাজ করতে করতে এই শব্দগুলোর মধ্যেই অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের এক অদৃশ্য সংযোগ অনুভব করেন লেখক আমান্ডা হোমস ডাফি। তাঁর উপলব্ধি—শোনা কেবল একটি ইন্দ্রিয়গত অভিজ্ঞতা নয়; এটি বোঝার, পড়ার, লেখার এবং মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার অন্যতম ভিত্তি। ইতিহাসের শব্দ শোনা লোয়ার অঞ্চলের বাড়িটির জমি দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। ঝোপঝাড় ও ঘন ঘাসে ঢেকে থাকা জমি প্রতিবেশী কৃষক মঁসিয়ে তাফানো ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করে দেওয়ার পর শুরু হয় নতুন করে বাগান তৈরির কাজ। মাটি সমান করা, আগাছা সরানো এবং এরপর ভেড়ার ঘাস, - [অস্থির বিশ্বে শুরু হলো জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন](https://sarakhon.com/news/189920/): নিউইয়র্কে শুরু হয়েছে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন, এমন এক সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। কূটনীতিকদের মধ্যে ঐকমত্য দুর্লভ হলেও প্রায় সব নেতাই একমত, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সংঘাত, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক চাপে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস তার ভাষণে বলেন, “বিশ্বনেতারা গভীর অনিশ্চয়তার এক যুগে জাতিসংঘে সমবেত হচ্ছেন,” আর ক্ষমতার ভরকেন্দ্র বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বদলাতে হবে বলে মন্তব্য করেন। জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রবার্ট উড আরও কড়াভাবে বলেন, “জাতিসংঘ এখন সত্যিকারের এক টার্নিং পয়েন্টে দাঁড়িয়ে, গতবারও পরিস্থিতি খারাপ ছিল, এবারও তেমন ভালো নয়।” অধিবেশনের পটভূমিতে রয়েছে দুটি চলমান বড় যুদ্ধ, ইউক্রেনে রাশিয়ার চার বছরের অভিযান এবং - [তাইওয়ান কেন চীনের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ, বিরোধের নেপথ্যে কী?](https://sarakhon.com/news/189917/): তাইওয়ান ইস্যু চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর একটি। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি তুলতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেইজিংয়ের কাছে তাইওয়ান শুধু একটি ভূখণ্ডের প্রশ্ন নয়; এটি জাতীয় সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি বিষয়। চীন তাইওয়ানকে তার ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং একে ‘মূল স্বার্থের মূল’ হিসেবে বিবেচনা করে। বেইজিংয়ের ভাষায়, তাইওয়ান প্রশ্নে বাইরের কোনো দেশের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেকে একটি গণতান্ত্রিক ও স্বশাসিত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচালনা করে এবং চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি - [ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে লুলা ও বলসোনারোপুত্র](https://sarakhon.com/news/189908/): ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবার এক অভাবনীয় সমানে-সমান লড়াইয়ের দিকে যাচ্ছে। বিটিজি প্যাকচুয়াল-নেক্সাসের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য লড়াইয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা পেয়েছেন ৪৬ শতাংশ ভোট, আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারো পেয়েছেন ৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে কুয়েস্তের জরিপে চিত্র উল্টো, সেখানে বলসোনারো এগিয়ে ৪২ শতাংশ ভোট নিয়ে, লুলা ৪১ শতাংশে। আগামী ৪ অক্টোবর প্রথম দফা ভোট হবে, কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পেলে শীর্ষ দুই প্রার্থী ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় লড়বেন। ফ্লাভিও বলসোনারো সাবেক কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে এবং একজন সিনেটর, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। লুলার জন্য - [গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধের পরও নীলনদ সংকটের সমাধান হয়নি](https://sarakhon.com/news/189896/): ইথিওপিয়ার গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধ নির্মাণ শেষ হয়েছে, কিন্তু নীলনদের পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মিসর, সুদান ও ইথিওপিয়ার বিরোধের মূল প্রশ্নগুলো এখনো অমীমাংসিত। বাঁধ নির্মাণ শেষ হওয়া কোনোভাবেই এর পরিচালনা, পানি ছাড়ার নিয়ম, তথ্য বিনিময় কিংবা দীর্ঘস্থায়ী খরার সময়ে ভাটির দেশগুলোর পানির নিশ্চয়তা নিয়ে সমঝোতার বিকল্প হতে পারে না। কায়রোতে বিদেশি সংবাদদাতাদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে মিসরের পানি সম্পদ ও সেচমন্ত্রী হানি সুয়েইলাম যে অবস্থান তুলে ধরেছেন, তার মূল কথা হলো—উজানে নেওয়া সিদ্ধান্তের ঝুঁকি ভাটির দেশগুলোকে একতরফাভাবে বহন করতে হবে, এমন ব্যবস্থা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। নীলনদের মতো আন্তঃসীমান্ত নদীর ক্ষেত্রে স্থায়ী ও পূর্বানুমেয় নিয়ম ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন। মিসরের পানি সংকটের - [জয়ন্ত রায় চৌধুরী ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়ার ইংরেজি সংবাদসেবার সম্পাদক](https://sarakhon.com/news/189905/): প্রবীণ অর্থনৈতিক সাংবাদিক জয়ন্ত রায় চৌধুরী ভারতের ঐতিহ্যবাহী সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়ায় (ইউএনআই) ইংরেজি ভাষার সংবাদসেবার সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুতে তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জয়ন্ত রায় চৌধুরীর সাংবাদিকতায় দীর্ঘ ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইউএনআইতেই আশির দশকের শেষ দিকে তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের শুরু হয়। নতুন দায়িত্বকে তিনি সেই প্রতিষ্ঠানে এক ধরনের প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখছেন। ৩৫ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ইউএনআইয়ে যোগ দেওয়ার আগে জয়ন্ত রায় চৌধুরী প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) পূর্বাঞ্চলের আবাসিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি ১১টি রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত প্রতিবেদক-নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেছেন। তবে তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় কেটেছে দ্য টেলিগ্রাফে। পত্রিকাটিতে - [হুথি হামলা ঠেকাতে সৌদি জেটে জ্বালানি দেবে ব্রিটিশ বিমানবাহিনী](https://sarakhon.com/news/189902/): সৌদি জেট জ্বালানি সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। রয়্যাল এয়ার ফোর্স সৌদি যুদ্ধবিমানে আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহের অভিযান চালাবে বলে জানান তিনি, “প্রতিরক্ষামূলক আকাশপথ জ্বালানি সরবরাহের এই অনুরোধে আমি সম্মত হয়েছি।” এই সহায়তা সময়সীমাবদ্ধ এবং নিয়মিত পর্যালোচনার আওতায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ইয়েমেনের হুথি বাহিনী সম্প্রতি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাজধানী রিয়াদ লক্ষ্য করে, শনিবারের এক হামলা সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করে। আকাশ হামলার পাশাপাশি হুথিরা লোহিত সাগরের কৌশলগত মোকা বন্দর ও একাধিক দ্বীপ দখল করে নিয়েছে, যা তাদের জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে। বাব-এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় - [নাসার চন্দ্র-আমন্ত্রণ ফিরিয়ে বিশ্বকে ডাকল ভারত নিজের চন্দ্রাভিযানে](https://sarakhon.com/news/189899/): ভারতের চন্দ্র কৌশল নতুন মোড় নিয়েছে, কেননা চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গড়ার নাসার পরিকল্পনায় ভারতকে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, যা প্রথম উত্থাপিত হয় ২০২৬ সালের আগস্টে বেঙ্গালুরুতে ভারত-মার্কিন মহাকাশ বৈঠকে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সের্হিও গোর জানান, নাসা চায় ভারত তাদের “পাশে থাকুক” চাঁদে ফেরা ও সেখানে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ার পথে। তবে ভারতের চন্দ্র কৌশলের মূল কথাই হলো সরাসরি হ্যাঁ বা না বলার বদলে পুরো আলোচনাটাই নতুন করে সাজিয়ে নেওয়া। নয়াদিল্লি প্রশ্ন তুলেছে, এই অংশগ্রহণে ভারতের লাভ কী এবং ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে তাদের প্রভাব কতটা থাকবে। যৌথ কর্মী পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশ বিজ্ঞান, মানববাহী মহাকাশযাত্রা ও উন্মুক্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য বিনিময়ে সহযোগিতা গভীর করার সিদ্ধান্ত - [প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ স্থগিত করল জামায়াতে ইসলামি](https://sarakhon.com/news/189879/): জ্বালানি তেলের ওপর ধার্য কর প্রত্যাহারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামি লংমার্চ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে পাকিস্তানের এই ইসলামপন্থী দল। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের ব্যক্তিগত অনুরোধের পর মুলতানে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির আমির হাফিজ নাঈমুর রেহমান এই সিদ্ধান্ত জানান। ২১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া লংমার্চের কাফেলা ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মুলতানে পৌঁছে যায়। এমন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শরীফ ফোন করে রেহমানকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান এবং যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে ফেরার পর সরাসরি বৈঠকে বসার প্রতিশ্রুতি দেন। রেহমান বলেন, “আমরা আমাদের প্রতিবাদ থেকে সরে আসব না, লংমার্চ থেকেও না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা তাদের সঙ্গে বসব, তাদের কথা শুনব এবং আমাদের যুক্তি তুলে ধরব।” পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, “যদি - [ক্যারিবীয় সাগরে মাদক নৌযানে মার্কিন হামলা, জাতিসংঘের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/189893/): জাতিসংঘের মানবাধিকার ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ দূত বেন সল একটি প্রতিবেদনে বলেছেন, সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী নৌযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে পারে। তার ভাষায়, এসব হামলা “আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, জীবনের মানবাধিকার লঙ্ঘন করে এবং সম্ভাব্যভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জলসীমায় ৬৮টি নৌযানে হামলা চালানো হয়েছে, যাতে অন্তত ২২৩ জন নিহত হয়েছেন। এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার। সলের প্রতিবেদন বলছে, মাদক পাচার আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞায় “সশস্ত্র হামলা” নয়, তাই আত্মরক্ষার যুক্তিতে এসব হামলা ন্যায্য নয়। তার মতে নৌযান আটকের মতো কম প্রাণঘাতী বিকল্প থাকা সত্ত্বেও - [ট্রাম্প-শি বৈঠকে বড় চুক্তির চেয়ে ছোট সমঝোতার সম্ভাবনাই বেশি](https://sarakhon.com/news/189889/): মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যিক টানাপোড়েন এবং তাইওয়ান ইস্যুতে গভীর মতপার্থক্যের মধ্যেই মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে শির রাষ্ট্রীয় সফরকে ঘিরে তাই আলোচনার প্রত্যাশা অনেক। তবে বড় কোনো ঐতিহাসিক চুক্তির বদলে সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি সমঝোতার দিকেই দুই দেশের অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থা, আন্তসীমান্ত বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এবং তাইওয়ানের অবস্থান—সবই ট্রাম্প-শি বৈঠকের আলোচনায় আসতে পারে। এক দশকেরও বেশি সময় পর এটি যুক্তরাষ্ট্রে শির প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। চীনা বড় ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন নির্বাহীও তাঁর সঙ্গে ওয়াশিংটনে আসতে - [এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে ভয়, ৭৩ শতাংশের মতে বিপদ ঠেকাতে যথেষ্ট করছে না কোম্পানিগুলো](https://sarakhon.com/news/189886/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের উদ্বেগ দ্রুত বাড়ছে। দেশটির প্রতি চারজনের প্রায় তিনজন মনে করেন, এআই কোম্পানিগুলো এই প্রযুক্তি থেকে সমাজে বড় ধরনের ক্ষতি বা বিপর্যয় ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না। একই সঙ্গে অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, বিশ্বে এআই উন্নয়নের দৌড়ে এগিয়ে থাকার চেয়ে প্রযুক্তিটির নিরাপদ ও দায়িত্বশীল বিকাশ নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রয়টার্স/ইপসোসের নতুন এক জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে। চার দিন ধরে চালানো এই জরিপ শেষ হয়েছে রোববার। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের ১ হাজার ২৭৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। জরিপে ৭৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন, এআই কোম্পানিগুলো সমাজে প্রযুক্তিটির কারণে গুরুতর ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি ঠেকাতে যথেষ্ট কাজ - [যুক্তরাজ্যের ঋণ বেড়ে চাপে চ্যান্সেলর, বাজেটের আর্থিক সুযোগ কমছে](https://sarakhon.com/news/189883/): যুক্তরাজ্য সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ আগস্টে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে ১৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে। ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন চ্যান্সেলর জন হিলির আগামী মাসের প্রথম বাজেটকে ঘিরে আর্থিক চাপ আরও বাড়ল। আগস্টের সরকারি ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ছিল শহরের অর্থনীতিবিদদের ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন পাউন্ডের পূর্বাভাস এবং বাজেট দায়বদ্ধতা কার্যালয়ের ১৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন পাউন্ডের পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি। এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সরকারের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ড, যা সরকারি পূর্বাভাসের চেয়ে ৮ দশমিক ১ বিলিয়ন পাউন্ড বেশি। ঋণের সুদে রেকর্ড ব্যয় জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে যুক্তরাজ্য সরকার - [তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে চাপ দেবেন শি, ১৯৮২ সালের চুক্তির দোহাইয়ে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি](https://sarakhon.com/news/189868/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি তুলতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ১৯৮২ সালের যুক্তরাষ্ট্র-চীন যৌথ ঘোষণাকে ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরবে বেইজিং। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। ওয়াশিংটনে চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ও শির বৈঠক হওয়ার কথা। বুধবার শি ওয়াশিংটনে পৌঁছাবেন, বৃহস্পতিবার দুই নেতার আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে এবং শুক্রবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আর্কাইভসে যাবেন। ধারণা করা হচ্ছে, আর্কাইভস সফরকেও তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার একটি প্রতীকী সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে পারে চীন। তাইওয়ান প্রশ্নকে বেইজিং চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বিষয়গুলোর একটি হিসেবে - [ভারতে ইউপিআইয়ে নতুন ফি, আরও শক্তিশালী হবে PhonePe-গুগল পে](https://sarakhon.com/news/189876/): ভারতের বহুল ব্যবহৃত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ইউপিআইয়ে বড় পরিবর্তন আসছে। ছয় বছর ধরে প্রায় বিনা খরচে চলা এই ব্যবস্থায় আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ২ হাজার রুপির বেশি মূল্যের লেনদেনে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ০.৪ শতাংশ হারে ফি নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থা থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইউপিআইয়ের বাজারে আগে থেকেই আধিপত্য থাকা PhonePe ও Google Pay-এর। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নতুন মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর থেকে ২০২৮ সালের মার্চ নাগাদ পেমেন্ট অ্যাপগুলো বছরে সর্বোচ্চ ১১০ কোটি ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে বলে ধারণা করছে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান বার্নস্টেইন। ইউপিআই লেনদেনের বর্তমান বাজার অংশীদারত্ব ধরে - [নাইজেরিয়ায় হেফাজতে ৩৭ খনি শ্রমিকের মৃত্যু, বেঁচে ফেরাদের ভয়াবহ বর্ণনা](https://sarakhon.com/news/189873/): নাইজেরিয়ায় আটক ৩৭ খনি শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। হেফাজত থেকে বেঁচে ফেরা কয়েকজনের দাবি, একটি ছোট ও অতিরিক্ত ভিড়ভাট্টা কক্ষে তাদের আটকে রাখার পর নিরাপত্তাকর্মীরা সেখানে অজ্ঞাত একটি পদার্থ স্প্রে করেছিলেন। এরপরই একের পর এক আটক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন এবং অনেকে মারা যান। মৃতদের মধ্যে অনেকেই কিশোর ও তরুণ, যারা দেশটির নাইজার রাজ্যের মিননা শহরের আশপাশে ছোট পরিসরে সোনা উত্তোলনের কাজে যুক্ত ছিলেন। অবৈধভাবে পরিচালিত সোনার খনি বন্ধের অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করেছিল নাইজেরিয়া সিকিউরিটি অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কর্পস (এনএসসিডিসি)। ঘটনার পর দেশজুড়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে - [ট্রাম্প-শি বৈঠকে তিন ‘টি’: বাণিজ্যে সামান্য অগ্রগতি, তাইওয়ানে অনড়তা, প্রযুক্তিতে অনিশ্চয়তা](https://sarakhon.com/news/189869/): ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক হতে যাচ্ছে। কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও দুই নেতার আলোচনায় ফিরে আসছে তিনটি পরিচিত বিষয়—বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও তাইওয়ান। তবে এবারের বৈঠকের পরিবেশ আগের তুলনায় কিছুটা বদলেছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ প্রযুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার আরও গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি ইস্যুতে পরিণত করেছে। তারপরও এই বৈঠক থেকে বড় ধরনের কৌশলগত সমঝোতা আশা করার কারণ কম। দুই দেশের মধ্যে এমন কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে সীমিত সমঝোতা সম্ভব, কিন্তু মৌলিক স্বার্থের সংঘাত এত গভীর যে একটি শীর্ষ বৈঠক দিয়ে সম্পর্কের গতিপথ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বাণিজ্যে সমঝোতা হতে পারে, পরিবর্তন নয় তিনটি ইস্যুর মধ্যে বাণিজ্যই তুলনামূলকভাবে - [সৌদি আরবকে হুথি হামলা ঠেকাতে সামরিক সহায়তা দেবে ব্রিটেন, জ্বালানি সংকটের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/189863/): ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের অনুরোধে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি ভয়েজার উড়োজাহাজ সৌদি যুদ্ধবিমানকে প্রতিরক্ষামূলক আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহ করবে। তাঁর দাবি, এই সীমিত সময়ের সহায়তা ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থ এবং দেশের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সঙ্গেও যুক্ত। বার্নহ্যাম সোমবার সন্ধ্যায় সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতে সৌদি অনুরোধে সাড়া দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ব্রিটিশ সামরিক সহায়তা কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হতে পারে। এরই মধ্যে একটি ছোট ব্রিটিশ সামরিক পরামর্শক দল সৌদি আরবে মোতায়েন করা হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহে নতুন শঙ্কা হুথিদের ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ - [নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম](https://sarakhon.com/news/189860/): বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম শিগগিরই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। ভারতের পক্ষ থেকে তাঁর নিয়োগের আনুষ্ঠানিক সম্মতিপত্র ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বর্তমানে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন সিয়াম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে তিনি সেখানে রয়েছেন। নতুন পররাষ্ট্র সচিব হচ্ছেন নোমান চৌধুরী সিয়ামের নয়াদিল্লি মিশনে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। নোমান চৌধুরী বর্তমানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের - [পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে ককটেল-আগুনের নেপথ্যে কারা: রাশেদ খাঁন](https://sarakhon.com/news/189857/): এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তার দাবি, এভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সাত মাসের - [ব্যয় সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত: তথ্য উপদেষ্টা](https://sarakhon.com/news/189853/): দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি সফরসূচি, বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা এবং জ্বালানি খাতের লোকসান ও ভর্তুকি নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী। ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তথ্য উপদেষ্টা জানান, সান ফ্রান্সিসকোতে দলীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি - [দক্ষিণ আফ্রিকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বন্দুক হামলা, নিহত ২৭](https://sarakhon.com/news/199930/): দক্ষিণ আফ্রিকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি পৃথক বন্দুক হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৬ জন। হামলা দুটির একটিতে জোহানেসবার্গের পশ্চিমে একটি পানশালায় এবং অন্যটি কেপটাউনের পূর্ব প্রান্তের একটি বিনোদনকেন্দ্রে ঘটে। দুই ঘটনায় জড়িতদের ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। জোহানেসবার্গ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার - [পোষ্য দত্তক নিয়ে বদলে গেল জীবন, ডানাওয়ালা-চারপেয়ে সঙ্গীদের গল্প](https://sarakhon.com/news/199926/): একটি পোষ্যকে দত্তক নেওয়ার দিনটি সাধারণত আনন্দের ছবি আর নতুন পরিবারের সদস্যকে ঘিরে শুভেচ্ছায় ভরে ওঠে। কিন্তু প্রকৃত গল্প শুরু হয় তার পর থেকে—নতুন বাড়িতে প্রথম রাত, প্রথম হাঁটাহাঁটি, প্রথম খেলাধুলা কিংবা প্রথমবার মানুষের কোলে নিশ্চিন্তে মাথা রাখা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীকল্যাণ সংগঠন বেস্ট ফ্রেন্ডস অ্যানিমেল সোসাইটির কাছে দত্তক নেওয়া পোষ্যদের পরিবারগুলো নিয়মিত তাদের এমন অভিজ্ঞতা শেয়ার - [হাইলাইটঃ ‘চাঁদা না দেওয়ায়’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/199922/): চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর অভিনেতা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। সালমানের অভিযোগ, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা না দেওয়ায় তার স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। স্টুডিওটির এক কর্মকর্তা - [জাসদের কার্যালয় থেকে ২৮৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ](https://sarakhon.com/news/199891/): জাসদের কার্যালয় থেকে ২৮৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রথম আলো, রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ২৮৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে জাসদ নেতা–কর্মীদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার বেলা তিনটার দিকে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিক নেতাসহ নেতা–কর্মীদের - [নারীমুক্তির রামমোহন, পূর্ববাংলার ব্রাহ্ম সমাজ ও রাহুল গান্ধী](https://sarakhon.com/news/199894/): হিন্দু সমাজ এক সময়ে বদ্ধ জলাশয় হয়ে গিয়েছিল। রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উভয়েই ওই বন্ধ জলাশয়ে জন্ম নেওয়া কুসংস্কার নামক বৃষবৃক্ষ উৎখাত করেছিলেন। মোটাদাগে রামমোহন রায় হিন্দু বিধবাকে স্বামীর সঙ্গে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার রীতি বন্ধ করেছিলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবার বিবাহ চালু করেছিলেন। হিন্দু সমাজের এই দুই ভয়াবহ বৃষবৃক্ষ যে তাঁরা উৎখাত করেছিলেন, তা - [৬৩ ডিগ্রি তাপেও বেঁচে থাকে ‘ফায়ার অ্যামিবা’, বদলে দিচ্ছে জীবনের সীমা](https://sarakhon.com/news/199887/): ক্যালিফোর্নিয়ার ল্যাসেন আগ্নেয়গিরি জাতীয় উদ্যানের উষ্ণ জলধারায় বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধরনের অ্যামিবার সন্ধান পেয়েছেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ইনসেনডিয়ামিবা ক্যাসকাডেনসিস। জীবটি ৬৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে পারে। জটিল কোষবিশিষ্ট জীবের ক্ষেত্রে এত উচ্চ তাপমাত্রায় বংশবিস্তারের ঘটনা এখন পর্যন্ত বিরল বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত এই জীব চলাচল - [ওয়েমোর চালকবিহীন গাড়ি মানুষের চেয়ে কম দুর্ঘটনায় জড়াচ্ছে](https://sarakhon.com/news/190496/): চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে নিরাপত্তার বিতর্কের মধ্যেই নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাতা ওয়েমো। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের চালকবিহীন গাড়ি মানুষের চালানো গাড়ির তুলনায় অনেক কম দুর্ঘটনায় জড়াচ্ছে এবং দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ওয়েমো জানিয়েছে, চলতি বছরের জুনের শেষ পর্যন্ত আটলান্টা, অস্টিন, ফিনিক্স, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং সান ফ্রান্সিসকো-বেই এরিয়ায় তাদের চালকবিহীন গাড়ি মোট - [‘সুপার এল নিনো’ আসছে? বিশ্বজুড়ে বন্যা, খরা ও তীব্র তাপপ্রবাহের শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/190492/): প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হওয়া এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতি রেকর্ডের অন্যতম শক্তিশালী রূপ নিতে পারে। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, খরা, তীব্র তাপপ্রবাহ, দাবানল এবং ফসল উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) ধারণা করছে, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে এই এল নিনো সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট - [ভারতের প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ: মানদণ্ডের ভোক্তা নয়, নির্মাতা হতে হবে](https://sarakhon.com/news/190465/): ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রযুক্তি আর কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি খাত নয়; এটি রাষ্ট্রীয় সেবা, ব্যবসা, আর্থিক লেনদেন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশে ইন্টারনেটের বিস্তার এবং বিপুল সংখ্যক স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহার এই পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। কিন্তু এই সাফল্যের আড়ালে একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা রয়ে গেছে—ভারত যে প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর - [যুদ্ধে মৃত রাজপুত্র ও সাধুদের দেহাবশেষ পাঠাচ্ছে রাশিয়া, কেন?](https://sarakhon.com/news/190477/): ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে আরেকটি দীর্ঘ শীতের প্রস্তুতি নিচ্ছে রুশ সেনারা। এর মধ্যেই তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে ছয় শতাব্দীরও বেশি পুরোনো এক ‘যোদ্ধা রাজপুত্রের’ দেহাবশেষ। রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি ও অধিকৃত ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে দেখানো হচ্ছে মধ্যযুগীয় রুশ শাসক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষের একটি অংশ। দনস্কয় ১৩৮০ সালের কুলিকোভোর যুদ্ধে বিজয়ের জন্য রাশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ - [ক্যালিফোর্নিয়ায় সাগরের দাপট, বিলীন হচ্ছে সৈকত-ঘরবাড়ি; সামনে আরও ভয়ংকর শীত?](https://sarakhon.com/news/190473/): যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণ উপকূলে সমুদ্রের ভয়াবহ দাপটে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, সড়ক ও জনপ্রিয় সৈকত। সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে কোথাও তৈরি হয়েছে বিশাল গর্ত, কোথাও আবার একেবারে উধাও হয়ে গেছে বালুর সৈকত। আবহাওয়াবিদ ও উপকূল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে এ গ্রীষ্মে একের পর এক পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় ও - [হোয়াইট হাউসের মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশে আপাতত ফিরল সিএনএন, পলিটিকো ও এমএস নাও](https://sarakhon.com/news/190471/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে তিনটি সংবাদমাধ্যমের আইনি লড়াই আপাতত থামেনি। আদালতের আদেশে সিএনএন, পলিটিকো ও এমএস নাওকে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সাময়িকভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি বাতিল হয়েছে—এমন কোনো চূড়ান্ত রায় এখনো আসেনি। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিস্থিতি অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক টিমোথি কেলি ১৪ দিনের জন্য ওই তিন - [ওবামাকেয়ার ছাড়ছেন লাখো মার্কিন, স্বাস্থ্যবিমায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা](https://sarakhon.com/news/190467/): যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যবিমার খরচ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় লাখ লাখ মানুষ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে চালু হওয়া অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট (এসিএ), যা সাধারণভাবে ‘ওবামাকেয়ার’ নামে পরিচিত, থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে অনেকেই তুলনামূলক সস্তা কিন্তু কম সুবিধার স্বল্পমেয়াদি স্বাস্থ্যবিমা, হেলথ-শেয়ারিং কর্মসূচি কিংবা কোনো বিমা ছাড়াই চিকিৎসা চালানোর পথ বেছে নিচ্ছেন। ২০২৬ সালের শুরুতে প্রিমিয়াম ও ডিডাক্টিবল—অর্থাৎ বিমা - [ট্রাম্পের কূটনৈতিক সপ্তাহে ফুটে উঠল ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা](https://sarakhon.com/news/190461/): বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে নিজের প্রভাব ও নেতৃত্বের শক্তি আবারও দেখাতে চেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে কঠোর ভাষণের পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক—পুরো সপ্তাহজুড়েই ছিল ট্রাম্পের ব্যস্ত কূটনৈতিক তৎপরতা। কিন্তু সপ্তাহ শেষে চিত্রটি দাঁড়িয়েছে কিছুটা ভিন্ন। নানা উদ্যোগ ও কঠোর অবস্থানের মধ্যেও ইরান যুদ্ধের অচলাবস্থা, মিত্রদের অনীহা, চীনের সঙ্গে - [ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো ছাড় নয়, শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজও বন্ধ](https://sarakhon.com/news/190458/): ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরান স্পষ্ট করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীও খুলে দেওয়া হবে না। শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এসব কথা জানান। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা - [ইরানের শান্তি প্রস্তাবে ট্রাম্পের না, হরমুজ ঘিরে যুদ্ধের নতুন শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/190456/): ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন একটি শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে, যার আওতায় সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। যদিও রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে ওই প্রতিবেদনটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে - [পারিবারিক বিরোধে রংপুরে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে](https://sarakhon.com/news/190453/): রংপুরের পীরগাছায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ২২ বছর বয়সী ছেলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে উপজেলার মাস্টারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মাহাবুর হোসেন ওরফে মাহুবুর। তিনি ওই এলাকার ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে। পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক জানান, শুক্রবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাড়িতে - [ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্যবাদ: বাজারের স্বাধীনতার জায়গায় রাষ্ট্রের বাড়তি নিয়ন্ত্রণ](https://sarakhon.com/news/190450/): ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতিতে যে পরিবর্তনটি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তা কেবল শুল্ক বাড়ানো বা বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে অর্থনীতিতে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ বাড়ানোর একটি প্রবণতা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সরকারের মালিকানা, করপোরেট সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক প্রভাব এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর প্রকাশ্য চাপ—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক অর্থনৈতিক পথে এগোচ্ছে, যা দেশটির - [গ্লোরিয়া স্টেইনেম: নারীদের একত্র করার যে শক্তি বদলে দিয়েছিল সমাজ](https://sarakhon.com/news/190446/): নারীর অধিকার, সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আন্দোলনে গ্লোরিয়া স্টেইনেম ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ঢেউয়ের নারীবাদী আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ। তবে তাকে শুধু একজন নারীবাদী নেত্রী বা লেখক হিসেবে দেখলে তার কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আড়াল থেকে যায়। তার জীবনের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল মানুষকে এক জায়গায় আনা, তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা - [৯/১১-এর ২৫ বছর পরও যে শূন্যতা বয়ে চলেছে মানুষ](https://sarakhon.com/news/190443/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। নিউইয়র্কের আকাশে তখনও সকালের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর টাওয়ারের ১০৭ তলায় অবস্থিত ‘উইন্ডোজ অন দ্য ওয়ার্ল্ড’ রেস্তোরাঁয় দিনের কাজ শুরু করছিলেন কর্মীরা। কারও হাতে ছিল আগের রাতের চকোলেট কেকের শেষ টুকরো, কেউ জানালা দিয়ে শহরের ওপর সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়া দেখছিলেন। সকালের এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই ছিল - [৯/১১-এর ২৫ বছর: সেদিন আমরা একই গল্প শুনেছিলাম, আজ আর শুনি না](https://sarakhon.com/news/190440/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটের পর পৃথিবী যেন হঠাৎ থেমে গিয়েছিল। নিউইয়র্কের আকাশে ধোঁয়া উঠছিল, মানুষ দিশেহারা হয়ে ছুটছিল, টেলিভিশনের পর্দায় বারবার ভেসে উঠছিল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া টুইন টাওয়ার। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ তখনও বুঝে উঠতে পারেনি, তারা ঠিক কী দেখছে। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায়—এটি শুধু একটি বিমান দুর্ঘটনা নয়, এটি - [শিল্পের মাধ্যমে ক্ষত সারানোর গল্প: ৯/১১-এর ভয় থেকে ‘কাম ফ্রম অ্যাওয়ে’](https://sarakhon.com/news/190437/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দিনগুলোর একটি। সন্ত্রাসী হামলায় নিউইয়র্কসহ দেশজুড়ে যখন আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা আর শোক ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন সেই ঘটনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অভিঘাত মানুষের জীবনে নানা রকমভাবে থেকে যায়। কারও কাছে তা হারানোর স্মৃতি, কারও কাছে ভয়, আবার কারও কাছে মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধের নতুন উপলব্ধি। নাট্যপরিচালক ক্রিস্টোফার অ্যাশলির কাছেও - [৯/১১-এর ২৫ বছর পরও ক্ষত শুকায়নি, বিষাক্ত ধোঁয়ার শিকারদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে তহবিল](https://sarakhon.com/news/190434/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার দিনটি Allison Turkel-এর জীবনেও গভীরভাবে ছাপ ফেলেছিল। সেদিন তিনি নিউ মেক্সিকোর আলবুকার্কির বাইরে ছিলেন। তখন তিনি শিশু নির্যাতনের মামলায় প্রসিকিউশন সহায়তাকারী একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। প্রতিষ্ঠানটি একটি সম্মেলনের আয়োজন করছিল। সকালে রিসেপশনিস্ট এসে জানালেন, একটি বিমান নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আঘাত করেছে। চাইলে বিরতির কক্ষে গিয়ে টেলিভিশনে - [৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ভয়াবহ দিন এখন নতুন প্রজন্মের কাছে শুধু ইতিহাস](https://sarakhon.com/news/190431/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। নিউইয়র্কের সকালটা শুরু হয়েছিল অন্য দিনের মতোই। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, আর সেই সঙ্গে বদলে যায় বিশ্বরাজনীতির গতিপথও। সারি বেথ রোজেনবার্গের জন্য দিনটি ছিল আরও একটি কারণে বিশেষ। ২৬ বছর বয়সী রোজেনবার্গের সেদিনই প্রথম ছাত্র-শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করার কথা ছিল। নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া হাইস্কুলে একজন শিক্ষক কীভাবে - [ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন](https://sarakhon.com/news/190428/): কান্ট্রি সংগীতের কিংবদন্তি ডলি পার্টন শুধু গান দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেননি, নিজের জীবন, রসবোধ, উদারতা এবং মানুষের প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বিশ্বজুড়ে এক অনন্য সাংস্কৃতিক প্রতীক। ৮০ বছর বয়সে ২৫ আগস্ট ন্যাশভিলে মারা যাওয়া এই শিল্পী রেখে গেছেন ঝলমলে পোশাক, উজ্জ্বল মঞ্চসজ্জা আর অসংখ্য জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ - [নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যু, শোকে ওসলো](https://sarakhon.com/news/190425/): নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশজুড়ে। গত ২৮ আগস্ট ৮৯ বছর বয়সে মারা যান নরওয়ের এই জনপ্রিয় রাজা। রক্তে ছড়িয়ে পড়া ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসা চলছিল তাঁর। রাজাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ওসলো শহরের প্যালেস স্কয়ারে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক মানুষ। রাজপরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও দীর্ঘদিনের এই রাজার সঙ্গে নিজেদের স্মৃতি ভাগ করে নিতে - [বিতর্ক পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় র‍্যাচেল জেগলার, এবার ব্রডওয়েতে ইভা পেরন](https://sarakhon.com/news/190422/): অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে র‍্যাচেল জেগলার। কখনো অসাধারণ অভিনয়ের জন্য প্রশংসা, কখনো জাতিগত পরিচয় নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ আক্রমণ, আবার কখনো রাজনৈতিক মতামত ও জনপ্রিয় চরিত্রের অভিনয় নিয়ে তীব্র বিতর্ক—সব মিলিয়ে মাত্র ২৫ বছর বয়সেই নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। তবে এসবের কোনোটিই তাকে নির্দিষ্ট কোনো ছাঁচে আটকে রাখতে পারেনি। বরং একের পর এক - [শিল্পের নতুন প্রভাবশালীদের খোঁজে টাইম, ৫০ বছর পর প্রচ্ছদে জীবিত চিত্রশিল্পী](https://sarakhon.com/news/190419/): শিল্পের ইতিহাসে কিছু ছবি কেবল একটি সময়কে ধারণ করে না, বরং একটি যুগের অনুভূতি, ভয়, আশা ও পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে ওঠে। জনপ্রিয় মার্কিন সাময়িকী টাইম-এর দীর্ঘ ইতিহাসে এমন বহু প্রচ্ছদ রয়েছে, যেগুলো সংবাদপত্রের প্রচ্ছদের গণ্ডি ছাড়িয়ে শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনে পরিণত হয়েছে। এবার সেই ঐতিহ্যকে নতুনভাবে সামনে এনে চারুকলার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দিতে নতুন তালিকা - [৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এক প্রজন্ম](https://sarakhon.com/news/190416/): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার সেই ভয়াবহ দিন পেরিয়ে গেছে প্রায় ২৫ বছর। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে, সেই দিনের ক্ষত ততটা মুছে যায়নি। বরং যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন, যারা সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন এবং যারা খুব ছোট থাকায় পুরো ঘটনা বুঝতে পারেননি—সবার জীবনেই ৯/১১ রেখে গেছে ভিন্ন ধরনের ছাপ। নিউইয়র্কের ফায়ার সার্ভিসের এক দমকলকর্মীর - [নিজের ঘরেও পরবাসী: ‘কারা আমাদের মানুষ’—এই প্রশ্নের রাজনীতি](https://sarakhon.com/news/190413/): ‘আপন’ বলে পরিচিত হওয়ার চেয়ে ‘আপন’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এখন অনেক বেশি কঠিন। মানুষ কোথায় জন্মেছে, কোথায় বসবাস করে, কোন সম্প্রদায়ের, কোন ভাষায় কথা বলে কিংবা কোন রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত—এসব প্রশ্ন ক্রমেই নির্ধারণ করছে সে কোনো ভূখণ্ডের বৈধ অংশীদার কি না। ফলে ‘অন্তর্ভুক্তি’ এখন কেবল সামাজিক অনুভূতি নয়; এটি নাগরিক অধিকার, রাজনৈতিক বৈধতা এবং - [ট্রাম্প-শির নৈশভোজে জাঁকজমক, আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের গভীর টানাপোড়েন](https://sarakhon.com/news/190409/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে আতিথ্য দিয়েছেন। দিনভর সামরিক কুচকাওয়াজ, যুদ্ধবিমানের মহড়া, আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিকে স্বাগত জানানো হলেও এই জাঁকজমকের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার গভীর কৌশলগত ও বাণিজ্যিক উত্তেজনা স্পষ্ট ছিল। শির সফরে বাণিজ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে - [ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় লাভবান তারেক রহমান, ক্ষতি বাংলাদেশের](https://sarakhon.com/news/190403/): দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে যারা এসেছিলেন, তাদের সবার মধ্যে যে পারস্পরিক শতভাগ বন্ধুত্ব আছে, এ কথা বলা যায় না। কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো রাষ্ট্রের শতভাগ বন্ধুত্ব কখনো হয় না। কিছু সমস্যা ও বন্ধুত্ব—এই নিয়েই রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাস্তবে রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব বলতে বোঝায় প্রয়োজনীয়তা। ব্রিকসে যে দেশগুলো এসেছিল, তাদের প্রত্যেকের কাছেই বাংলাদেশের - [জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ইসির প্রস্তুতি](https://sarakhon.com/news/190400/): আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাবলিক পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, উপনির্বাচনসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে - [ইতালির ব্যাংকিং খাতে নতুন শক্তি, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় জায়ান্ট বিএপিইআর](https://sarakhon.com/news/190397/): ইতালির ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএপিইআর ব্যাংকা (BPER Banca)। ১৮৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংক একসময় মূলত আঞ্চলিক সঞ্চয় ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু প্রায় ১৬০ বছরের ইতিহাস পেরিয়ে এখন প্রতিষ্ঠানটি ইতালির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ব্যাংকিং শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। মোদেনা শহরকে সাধারণত ফেরারির যান্ত্রিক উৎকর্ষ এবং - [শিল্পের পুরোনো শক্তিতে নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়া, ইতালিতে শুরু ‘শিল্প পুনর্জাগরণ’](https://sarakhon.com/news/190394/): ইতালিকে বিশ্বজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে দেখা হয়েছে শিল্প-ঐতিহ্য, কারুশিল্প, ফ্যাশন, নকশা ও মধ্য-শতকের নান্দনিকতার দেশ হিসেবে। কিন্তু সেই ঐতিহাসিক পরিচয়ের আড়ালে দেশটির শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে এখন বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে। লম্বার্দি ও এমিলিয়া-রোমানিয়ার শিল্পাঞ্চলগুলোতে দেখা যাচ্ছে এমন এক রূপান্তর, যেখানে প্রচলিত উৎপাদনব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ। ইতালির নতুন - [এআইকে মানুষ যতটা ভাবছে, বাস্তবে তার প্রভাব হতে পারে আরও বড়](https://sarakhon.com/news/190391/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ভবিষ্যতে এর বাস্তব প্রভাব তার চেয়েও অনেক বড় হতে পারে বলে মনে করছেন কোয়ালকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টিয়ানো আমন। তাঁর মতে, অতীতে ইন্টারনেটের সম্ভাবনাকেও মানুষ যে মাত্রায় কল্পনা করেছিল, বাস্তবে তার বিস্তার হয়েছে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি। এআইয়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। - [ব্যক্তিত্বের গড়নে জিনের প্রভাব কতটা? ১০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য থেকে মিলল নতুন উত্তর](https://sarakhon.com/news/190388/): মানুষের ব্যক্তিত্ব কি জন্মগত, নাকি জীবনের অভিজ্ঞতা ও পরিবেশের প্রভাবে গড়ে ওঠে—এই প্রশ্ন নিয়ে মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিতর্ক রয়েছে। নতুন এক বড় গবেষণা সেই বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য যোগ করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে এক হাজারেরও বেশি জিনগত পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে। তবে ব্যক্তিত্বের বড় অংশই যে শুধু জিনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, - [ঘুম আসছে না? বিছানায় পড়ে না থেকে উঠে পড়ুন, বলছেন ঘুম বিশেষজ্ঞরা](https://sarakhon.com/news/190385/): রাত ২টা। এক ঘণ্টা ধরে বিছানায় শুয়ে আছেন, কিন্তু ঘুমের কোনো লক্ষণ নেই। একই জায়গার ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকা, মনে মনে ভেড়া গোনা কিংবা পরদিন কতটা ক্লান্ত লাগবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা—সবই যেন ঘুমকে আরও দূরে ঠেলে দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক প্রবণতা হলো বিছানায় পড়ে থেকে আরও বেশি করে ঘুমানোর চেষ্টা করা। কিন্তু ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে, - [মিয়ানমারে ১০০ দিনের বেশি কারাভোগের পর মুক্ত অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী](https://sarakhon.com/news/190381/): মিয়ানমারে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ১০০ দিনেরও বেশি সময় আটক থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী ইয়ে খাউং কিয়াও, যিনি ড্যানি নামেও পরিচিত। তিনি মিয়ানমারে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের (অ্যামচ্যাম) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মিয়ানমারের একটি আইনি সূত্র বুধবার জানিয়েছে, ইয়াঙ্গুনের একটি আদালতের সিদ্ধান্তের পর তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে আদালত তাকে - [বাবাকে হারিয়ে বদলে যাওয়ার লড়াই, অভিবাসী পরিবারের কণ্ঠ হয়ে উঠছেন সালগাদো ভাইয়েরা](https://sarakhon.com/news/190378/): যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে সালগাদো পরিবারের বাড়িটি ছিল বহু বছর ধরে আনন্দ-উৎসবের কেন্দ্র। জন্মদিন, ছুটির দিন কিংবা পারিবারিক কোনো আয়োজন—তিন ছেলে ও ভবিষ্যৎ নাতি-নাতনিদের নিয়ে বড় পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে রাখার স্বপ্ন থেকেই বাড়িটি তৈরি করেছিলেন লোরেঞ্জো সালগাদো আরাউহো। মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করে ধীরে ধীরে অর্থ সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বাড়িই - [ঢাকা মেডিকেলে দুই হাজতির মৃত্যু](https://sarakhon.com/news/190375/): ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুই হাজতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার রাতে পৃথক সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুজন হলেন—মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকার মাহবুব আলমের ছেলে মোহাম্মদ ইফতেখার মাহমুদ (৩৬) এবং রাজধানীর দারুস সালাম থানার বাগবাড়ী এলাকার আলী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন পলাশ (৩৮)। কারাগারের প্রহরী আমিনুল ইসলাম - [চট্টগ্রামে পিকআপ থামিয়ে ৫০ লাখ টাকার সিগারেট লুটের অভিযোগ](https://sarakhon.com/news/190371/): চট্টগ্রাম নগরের লাভলেইন মোড়ে একটি পিকআপের গতিরোধ করে প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের সিগারেট লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পিকআপের চালক ও হেলপারকে মারধর করে আহত করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় - [মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের সড়কে মানতে হবে ১২ নিয়ম](https://sarakhon.com/news/190367/): সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকদের জন্য ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব - [রাশিয়ার জ্বালানি-নির্ভরতা থেকে সবুজ শক্তির পথে হাঙ্গেরি, নেতৃত্বে NAP Energy](https://sarakhon.com/news/190365/): হাঙ্গেরি এখন অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও জ্বালানি-নিরাপত্তার নতুন এক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটির বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব জ্বালানি সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে উঠে আসছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত। এই পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে ন্যাপ এনার্জি। ২০২০ সালে - [হাঙ্গেরির অর্থনীতিতে নতুন মোড়, অরবান-পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগ ও শিল্পে বড় সম্ভাবনা](https://sarakhon.com/news/190361/): ২০২৬ সালে হাঙ্গেরির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের পর দেশটির অর্থনীতিতেও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ভিক্টর অরবানের বিদায় এবং পেতের মাগিয়ার নেতৃত্বে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ইউরোপের সঙ্গে হাঙ্গেরির সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছেও দেশটি নতুন করে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। এর পেছনে অন্যতম বড় কারণ ইউরোপীয় - [জার্মানির নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থীদের ঐতিহাসিক উত্থান, চাপে মের্জের সরকার](https://sarakhon.com/news/190357/): জার্মানির পূর্বাঞ্চলীয় স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থী দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে দলটির এই জয় দেশটির রাজনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে কোনো কট্টর ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী দলের এমন সাফল্য খুব কমই দেখা গেছে। জার্মানির তুলনামূলক ছোট ভোটার-অঞ্চল স্যাক্সনি-আনহাল্টের এই ফলাফল শুধু একটি আঞ্চলিক নির্বাচনের হিসাবেই - [ট্রাম্পের শুল্কে কি সত্যিই ‘বেঁচেছে’ মার্কিন গাড়িশিল্প?](https://sarakhon.com/news/190354/): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন, তাঁর আরোপ করা শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের গাড়িশিল্পকে আবার শক্তিশালী করেছে, এমনকি তিনি বলেছেন—এই নীতির কারণেই তিনি ‘আমেরিকার অটোমোবাইল ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত’ এবং ‘রক্ষা’ করেছেন। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে, ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে গাড়িশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে দ্রুত বাড়তে থাকা বাণিজ্যযুদ্ধ উত্তর আমেরিকার প্রায় - [‘লেক আমেরিকা’ থেকে ‘নিউ আমেরিকা’, বিশ্বের মানচিত্র বদলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের](https://sarakhon.com/news/190351/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে শুধু বাণিজ্য, পররাষ্ট্রনীতি কিংবা সামরিক কৌশলেই নয়, ভূগোল ও মানচিত্রের নাম নিয়েও তৈরি হচ্ছে নতুন বিতর্ক। একের পর এক ভৌগোলিক নাম বদলের প্রস্তাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন মানচিত্র প্রকাশ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখানো—সব মিলিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে অস্বস্তি ও সমালোচনা। এর - [‘ইসরায়েলকে নিউ জার্সি দিয়ে দিন’, ট্রাম্পকে মজা করে বলেছিলেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট](https://sarakhon.com/news/190348/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গোলান মালভূমি নিয়ে আলোচনার সময় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মজা করে বলেছিলেন, ইসরায়েলকে গোলান মালভূমির বদলে নিউ জার্সি দিয়ে দেওয়া হোক। তাঁর যুক্তি ছিল, গোলান মালভূমির মালিকানা ট্রাম্পের নেই, কিন্তু নিউ জার্সি যুক্তরাষ্ট্রের অংশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আটলান্টিক কাউন্সিলের এক আলোচনায় আল-শারা ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকের - [ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্যবিরতি বাড়ল, সামনে বাণিজ্য-প্রযুক্তি-তাইওয়ান-ইরান](https://sarakhon.com/news/190344/): প্রায় তিন বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে সফরে গেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে গিয়ে তাকে স্বাগত জানান। জাঁকজমকপূর্ণ এই অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দুই পরাশক্তির গুরুত্বপূর্ণ তিন দিনের শীর্ষ বৈঠক। এই সফরকে ঘিরে বড় কোনো ঐতিহাসিক সমঝোতার প্রত্যাশা অবশ্য কম। বরং বাণিজ্য, প্রযুক্তি, - [গর্ভবতী হওয়ায় চাকরি ছাড়তে বাধ্য, সিঙ্গাপুরে নারীর ক্ষতিপূরণ ১৯,৮০০ ডলার](https://sarakhon.com/news/190341/): সিঙ্গাপুরে গর্ভবতী এক নারীকে সন্তান জন্মদান ও মাতৃত্বকালীন ছুটির পর চাকরিতে ফিরতে দেওয়া হবে না—এমন বার্তা দিয়ে কার্যত পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় তাকে ১৯ হাজার ৮০০ সিঙ্গাপুরিয়ান ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত ঘটনাটিকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতির ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করেছে। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর রায়ে সিঙ্গাপুরের এমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস ট্রাইব্যুনালের বিচারক লি লি চুন বলেন, ওই নারী - [দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের ছায়ায় চীনে কি দক্ষ মানুষের দেশত্যাগ বাড়ছে?](https://sarakhon.com/news/190278/): চীনের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে শুধু দুর্নীতি দমন বা প্রশাসনিক শুদ্ধি অভিযানের দৃষ্টিতে দেখলে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আড়ালে থেকে যায়। রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার পাশাপাশি এমন অভিযান ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং দক্ষ মানবসম্পদের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা থেকে বেসরকারি খাতের প্রভাবশালী উদ্যোক্তা—কেউই যখন ভবিষ্যৎ তদন্তের ঝুঁকি সম্পর্কে নিশ্চিত থাকতে পারেন না, তখন - [রাশিয়ার দিকে ইন্দোনেশিয়ার ঝোঁক: জোট নয়, বিকল্প শক্ত করার কৌশল](https://sarakhon.com/news/190274/): ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সাম্প্রতিক রাশিয়া সফরকে শুধু মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার প্রতীক হিসেবে দেখলে দেশটির পররাষ্ট্রনীতির বড় একটি দিক আড়ালে থেকে যায়। গত দুই বছরে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে প্রাবোওর পাঁচবার সাক্ষাৎ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে যখন ইন্দোনেশিয়ার মোট বৈদেশিক বাণিজ্যে রাশিয়ার অংশ ১ শতাংশেরও কম। এই বৈপরীত্যই ইঙ্গিত দেয়, জাকার্তার লক্ষ্য সম্ভবত কোনো - [রপ্তানি বাড়াতে হলে কৌশলগত আমদানির পথও খুলতে হবে](https://sarakhon.com/news/190089/): পাকিস্তান যখন ২০২৬-৩১ মেয়াদের নতুন কৌশলগত বাণিজ্যনীতি প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন দেশটির সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শুধু কীভাবে বেশি রপ্তানি করা যায়, তা নয়। বরং প্রশ্ন হলো—রপ্তানিমুখী অর্থনীতির জন্য কোন ধরনের আমদানি প্রয়োজন এবং কোন ধরনের আমদানি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি করে। দীর্ঘদিন ধরে আমদানিকে মূলত বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় হিসেবে দেখার প্রবণতা পাকিস্তানের - [যুদ্ধের ভাষার আড়ালে কূটনীতির শেষ দরজা](https://sarakhon.com/news/190337/): জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশন আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি পুরোনো সত্যকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে—যুদ্ধ যতই তীব্র হোক, শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রগুলোকে কোনো না কোনো পর্যায়ে আলোচনার টেবিলে ফিরতেই হয়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের ভাষণ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান এবং একই সময়ে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ—এই তিনটি ঘটনা পরস্পরবিরোধী মনে হলেও বাস্তবে একটি - [টিকটক শপে চারুকলা: শিল্পবাজার বদলের শুরু, নাকি ব্যর্থ এক পরীক্ষা?](https://sarakhon.com/news/190316/): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাণিজ্যিক ব্যবহার এখন আর পোশাক, প্রসাধনী কিংবা দৈনন্দিন পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শিল্পের মতো ঐতিহ্যগতভাবে অভিজাত ও মধ্যস্থতানির্ভর একটি ক্ষেত্রও ধীরে ধীরে সেই পরিসরে প্রবেশ করছে। টিকটক শপে ‘ফাইন আর্ট’ বিভাগ চালুর ঘটনা সেই পরিবর্তনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। তবে প্রশ্ন হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বাণিজ্যিক কাঠামো কি সত্যিই প্রচলিত শিল্পবাজারকে বদলে দিতে পারবে? - [নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ভারত এগিয়ে, কিন্তু বিদ্যুৎ গ্রিডে বাড়ছে চাপ](https://sarakhon.com/news/190331/): ভারতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন দ্রুত বাড়লেও সেই বিদ্যুৎ সবার কাছে পৌঁছে দিতে পারছে না দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিড। ফলে একদিকে সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ ও পারমাণবিক বিদ্যুতের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে, অন্যদিকে গ্রিডের সীমাবদ্ধতার কারণে উৎপাদিত পরিচ্ছন্ন বিদ্যুতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। চলতি বছরের জুলাইয়ের এক গরম দুপুরে ভারতের নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ অল্প - [প্রজ্ঞাপন জারি: জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস-মিনিবাসের ভাড়া কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বৃদ্ধি](https://sarakhon.com/news/190328/): জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের মহানগর, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির বাস ও মিনিবাসের ভাড়া যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা করে বেড়েছে। নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের পাশাপাশি আন্তঃজেলা, দূরপাল্লা এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের - [২০ তলা থেকে সাইকেলসহ নানা জিনিস ছুড়ে দিলেন ব্যক্তি, ৬ ঘণ্টার পুলিশি অভিযানে আটক](https://sarakhon.com/news/190325/): সিঙ্গাপুরের বুকিত বাতক এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের ২০ তলার ফ্ল্যাট থেকে সাইকেলসহ বিভিন্ন জিনিস নিচে ছুড়ে ফেলার ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। প্রায় ছয় ঘণ্টার অবস্থান শেষে পুলিশ তাকে আটক করে। ঘটনাটি ঘটে ২১ সেপ্টেম্বর, ব্লক ৩৯৩ বুকিত বাতক ওয়েস্ট অ্যাভিনিউ ৫-এ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের - [চাঁদের আলোয় সায়েন্স সেন্টারে এক রাতের নাচ-গান, সিঙ্গাপুরে ‘মুনবিটস: আফটারডার্ক’](https://sarakhon.com/news/190322/): মধ্য-শরৎ উৎসব উপলক্ষে সিঙ্গাপুরের সায়েন্স সেন্টারে এবার আয়োজন করা হয়েছে একটু ভিন্ন ধরনের রাতের অনুষ্ঠান—‘মুনবিটস: আফটারডার্ক’। বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, নাচ, সঙ্গীত ও রাতের বিনোদনকে একসঙ্গে মিলিয়ে তৈরি এই আয়োজনটি হবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, মাত্র এক রাতের জন্য। সাধারণ সময়ে যে গ্যালারিগুলোতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানা প্রদর্শনী দেখা যায়, সেদিন রাতেই সেগুলো বদলে যাবে নাচ ও - [একা থাকা ৭২ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু, দরজার নিচ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে আসতেই মিলল মরদেহ](https://sarakhon.com/news/190317/): সিঙ্গাপুরের আং মো কিও এলাকায় নিজ বাসায় একা থাকা ৭২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক দিন তাকে দেখা না যাওয়ার পর প্রতিবেশীরা তার ফ্ল্যাটের প্রধান দরজার নিচ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসতে দেখে বিষয়টি টের পান। ঘটনাটি ঘটে ব্লক ৫৩০, আং মো কিও অ্যাভিনিউ ১০-এর একটি এইচডিবি ফ্ল্যাটে। ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে প্রতিবেশীরা দরজার নিচ - [টোকিওর কাছে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাত, নিহত ৯, নিখোঁজ ৪](https://sarakhon.com/news/190311/): জাপানের রাজধানী টোকিওর আশপাশের কান্তো অঞ্চলে টাইফুন দুজুয়ানের ভারী বৃষ্টিতে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ আছেন আরও চারজন। জাপানের সংবাদপত্র দ্য জাপান টাইমস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হিসাব উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে। চিবা জেলায় ছয়জন ও কানাগাওয়া জেলায় তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। বুধবার নতুন করে দুটি মৃত্যু নিশ্চিত হয়। টাইফুনটি সোমবার কান্তো অঞ্চলের দিকে আসে। এতে - [এল নিনোর তাপে ভারতে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১৫ হাজার ৮০০ মৃত্যুর শঙ্কা](https://sarakhon.com/news/190308/): রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনোর তাপে ভারতে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব বুধবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলে খবরটি দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা বিশ্বে গত জুন থেকে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বাভাবিক বছরের তুলনায় অতিরিক্ত ৪ লাখ ৫১ হাজার - [ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো, চূড়ায় ওঠার আগেই ভাঙল রেকর্ড](https://sarakhon.com/news/190302/): প্রশান্ত মহাসাগরে গড়ে ওঠা এল নিনো এখন রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী। সমুদ্রের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণকারী বিজ্ঞানীদের বরাতে ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে। মধ্য-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ১৯ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের দৈনিক তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এর আগের রেকর্ড ছিল ২০১৫ সালের খুব শক্তিশালী এল নিনোর সময়ের ৩ দশমিক - [চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে স্কুলে গুলি, ওপেনএআইকে নতুন স্কুল গড়ে দিতে মামলা](https://sarakhon.com/news/190305/): কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশ ওপেনএআই ও এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। প্রদেশটির দাবি, টাম্বলার রিজ শহরে স্কুলে গুলির ঘটনার পর ভেঙে ফেলা স্কুলের জায়গায় নতুন স্কুল গড়ার খরচ দিতে হবে ওপেনএআইকে। মার্কিন প্রযুক্তি সংবাদমাধ্যম আর্স টেকনিকা এ খবর দিয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে কানাডার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই হামলায় আট জন নিহত হন। হামলাকারী ১৮ - [১৮৯৭ থেকে পথিকের আশ্রয়, আধুনিক জীবনের ক্লান্তি কাটাতে নতুন করে জেগে উঠছে আর্কটিকের ছোট্ট দ্বীপ](https://sarakhon.com/news/190301/): নরওয়ের উত্তর প্রান্তে, আর্কটিক সার্কেলের সামান্য উত্তরে সমুদ্রের বুকের ছোট্ট দ্বীপপুঞ্জ স্টোট্ট। চারদিকে ধূসর সমুদ্র, কুয়াশা, পাথুরে পাহাড় আর উত্তরের তীব্র প্রকৃতি। একসময় ঝড়ের কবলে পড়া জেলেদের জন্য এই দ্বীপ ছিল নিরাপদ আশ্রয়। এখন সেই পুরোনো পরিচয় নতুন অর্থ পাচ্ছে—আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, অতিরিক্ত কাজ আর শহুরে চাপ থেকে কিছুদিনের জন্য মানুষকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার আশ্রয় - [টয়োটার কারখানায় চার লাখ রোবটের পরিকল্পনা, শ্রমিকেরাই শেখাচ্ছেন কাজ](https://sarakhon.com/news/190259/): জাপানি গাড়ি নির্মাতা টয়োটার শ্রমিকেরা এখন মানবাকৃতির রোবটকে কাজ শেখাচ্ছেন। কোম্পানিটির লক্ষ্য, ভবিষ্যতে কারখানাগুলোতে চার লাখ রোবট বসানো। মার্কিন প্রযুক্তি সংবাদমাধ্যম আর্স টেকনিকা নিক্কেই এশিয়ার বরাতে এ খবর দিয়েছে। ২০২৮ সাল থেকে টয়োটা গ্রুপ প্রতি বছর ৬৪২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়। সেই অর্থে কারখানাগুলোকে নতুন রোবট শ্রমশক্তি দিয়ে সাজানো হবে। নিজস্ব গাড়ি কারখানায় বসবে - [ভারতে স্মার্ট চশমায় গোপন ভিডিও, এক ভিডিওতে উল্টে গেল জীবন](https://sarakhon.com/news/190292/): দিল্লির একটি বিক্ষোভে গিয়েছিলেন ৩৮ বছরের গ্রাফিক ডিজাইনার ও শিক্ষক শুবনম। বিক্ষোভটি ছিল ট্রান্সজেন্ডার মানুষের আইনি স্বীকৃতি সংকুচিত করার একটি বিলের বিরুদ্ধে। সবুজ শাড়ি আর ন্যাড়া মাথায় ছিলেন তিনি। এক কনটেন্ট নির্মাতা এসে জানতে চান, কেন তিনি “মেয়েদের পোশাক” পরেছেন। শুবনম তাঁকে সরে যেতে বলেন। কয়েক দিন পর বন্ধুর পাঠানো একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিও দেখে তিনি - [আলুর রাজধানীতে চীনের এআই ডেটা সেন্টার, গড়ে উঠছে চীনা গতিতে](https://sarakhon.com/news/190288/): চীনের অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়ার বিস্তীর্ণ তৃণভূমিতে কৃষকেরা আলু তুলছেন। তাঁদের নতুন প্রতিবেশী বিশাল আয়তাকার সব ভবন। এগুলো চীনের এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর শক্তি জোগাবে। ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম বিবিসি উলানচাব শহর থেকে এই প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। বহু বছর ধরে শহরটি চীনের সরকারি “আলুর রাজধানী” নামে পরিচিত। এখন এর মাঠগুলো একের পর এক ডেটা সেন্টারের নির্মাণস্থল। হলুদ হেলমেট পরা শত শত শ্রমিক - [এআই নিয়ে বিপর্যয়ের সতর্কতা, তবু গতি কমাতে রাজি নয় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন](https://sarakhon.com/news/190284/): এআই শিল্পের নেতারা মানবজাতির স্বার্থে বিশ্বজুড়ে এআই উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু যে দুই পরাশক্তি এই প্রযুক্তির দৌড়ে সবার আগে, তারা থামার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দুই দেশই এআইয়ের গতি কমানোর আহ্বান নাকচ করেছে। অথচ গবেষকেরা বলছেন, বিপর্যয়কর এমনকি অস্তিত্বের ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি। ট্রাম্প - [প্রথমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ডিপসিক, এআই ঝুঁকি নিয়ে বৈঠক আজ](https://sarakhon.com/news/190281/): চীনা এআই কোম্পানি ডিপসিক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে বক্তব্য দেবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স দুটি সূত্রের বরাতে এ খবর দিয়েছে। সিঙ্গাপুরের দ্য স্ট্রেইটস টাইমস খবরটি প্রকাশ করেছে। নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য ২৩ সেপ্টেম্বর এআই ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠকে বসবে। এর কয়েক সপ্তাহ আগে এআই শিল্পের কয়েকজন শীর্ষ নেতা সমন্বিতভাবে উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান - [জাভা সাগরে ফেরিডুবিতে মৃত বেড়ে ২৬, এখনো নিখোঁজ ১০৯ যাত্রী](https://sarakhon.com/news/190273/): ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী ফেরিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ২০। এখনো ১০৯ জন নিখোঁজ। জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ১০৮ জন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক চ্যানেল নিউজএশিয়া এ খবর দিয়েছে। ভার্গো ট্রান্সপোর্ট এইট নামের ফেরিটিতে ৩০ জন ক্রুসহ ২৪৩ জন ছিলেন। সঙ্গে ছিল অজানাসংখ্যক যানবাহন। ১৩ সেপ্টেম্বর ভোরে পূর্ব জাভার সুরাবায়া - [শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডে হামলার সাত বছর পর ১৫ জনের দীর্ঘ কারাদণ্ড](https://sarakhon.com/news/190268/): শ্রীলঙ্কার হাইকোর্ট ২০১৯ সালের ইস্টার সানডে বোমা হামলার পরিকল্পনার দায়ে ১৫ জনকে দীর্ঘ কারাদণ্ড দিয়েছে। প্রত্যেকের সাজা ২০০ থেকে ২৬০ বছর। সেই হামলায় ২৭০ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছিলেন। বিবিসি জানিয়েছে, দণ্ডিতদের মধ্যে আছেন নওফার মৌলভি। কৌঁসুলিদের দাবি, তিনিই আত্মঘাতী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী। নয়জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ২৫ জনের একজন হেফাজতে মারা - [ইমরান খানের মুক্তির মিছিল ঠেকাতে ইসলামাবাদের সব পথ বন্ধ](https://sarakhon.com/news/190262/): পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ রাজধানী ইসলামাবাদে ঢোকার প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করতে শুরু করেছে। কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকেরা যাতে শহরে পৌঁছাতে না পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। আল জাজিরা জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে ইসলামাবাদ-পেশোয়ার মোটরওয়ে, ইসলামাবাদ-ডেরা ইসমাইল খান মোটরওয়ে ও গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড কয়েকটি জায়গায় বন্ধ থাকবে। পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডন লিখেছে, বন্ধ অনির্দিষ্টকালের জন্য। ইমরান খানের - [ট্রাম্প-শি বৈঠকে বড় চুক্তির চেয়ে স্থিতাবস্থাই গুরুত্বপূর্ণ](https://sarakhon.com/news/190085/): ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠক ঘিরে প্রত্যাশা যথেষ্ট বড়। বাণিজ্য, সরবরাহব্যবস্থা, বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ান—দুই পরাশক্তির সম্পর্কের প্রায় প্রতিটি স্পর্শকাতর বিষয়ই আলোচনায় আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফল হয়তো কোনো ঐতিহাসিক চুক্তি নয়। বরং বড় কোনো ভুল সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলাই উভয় পক্ষের জন্য বেশি মূল্যবান - [অ্যালকোহলের বোতলে স্বাস্থ্যঝুঁকির তথ্যই নেই, ‘দায়িত্বশীলভাবে পান’ বার্তাই বেশি](https://sarakhon.com/news/190264/): অ্যালকোহলের বোতল ও প্যাকেটের লেবেলে পানীয়টির প্রকৃত স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। বরং ভোক্তাদের ‘দায়িত্বশীলভাবে পান’ করার পরামর্শই দেওয়া হচ্ছে বেশি। অস্ট্রেলিয়ার একটি নতুন গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার তিনটি বড় খুচরা বিক্রেতার কাছে থাকা ৬ হাজারের বেশি অ্যালকোহল পণ্যের লেবেল বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন, মাত্র ২৫ শতাংশ পণ্যে কোনো ধরনের স্বেচ্ছামূলক - [চীনা রাষ্ট্রীয় টিভিতে শির প্রশংসায় ইলন মাস্ক, ওয়াশিংটনে অস্বস্তি](https://sarakhon.com/news/190247/): মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। হংকংভিত্তিক সংবাদপত্র সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, সাক্ষাৎকারটি সিসিটিভির উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে প্রচারিত হয়েছে। মাস্ক বলেন, “তাঁকে একজন দারুণ নেতা মনে হয়। তাঁর সময়ে চীন বিপুল সমৃদ্ধি পেয়েছে। আমি নিজের চোখে দেখেছি।” তিনি আরও বলেন, রাস্তায় হাঁটলেই বোঝা যায়, সাধারণ - [হোয়াইট হাউসে শি জিনপিং, বাণিজ্য বিরতির মেয়াদ ফুরানোর আগে বৈঠক](https://sarakhon.com/news/190252/): চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই সপ্তাহে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে আতিথ্য দেবেন। নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, আলোচ্যসূচি দীর্ঘ, আর দুই পরাশক্তির বাণিজ্য বিরতির মেয়াদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এটি চলতি বছরে দুই নেতার দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠক। মে মাসে ট্রাম্প বেইজিং সফর করেছিলেন। আবুধাবিভিত্তিক দ্য ন্যাশনাল জানিয়েছে, এক দশকের মধ্যে এটিই শির প্রথম - [বিশ্বে তেল-গ্যাসের নতুন খনি আবিষ্কার ৪০ বছরে সর্বনিম্নে](https://sarakhon.com/news/190253/): বিশ্বে নতুন তেল ও গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সংখ্যা ২০২৫ সালে ৪০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া এই হিসাব প্রকাশ করেছে। শুধু সংখ্যা নয়, আবিষ্কৃত ক্ষেত্রগুলোতে মজুতের পরিমাণও ২০১৩ সালের সর্বোচ্চ অবস্থানের মাত্র এক-দশমাংশে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনের মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি কোম্পানিগুলো অনুসন্ধানে বিনিয়োগ কমিয়েছে। আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যম আজারনিউজ - [জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, একই দিনে ট্রাম্পের ধ্বংসের হুমকি](https://sarakhon.com/news/190234/): নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা আলোচনা করেছেন। জুনের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার পর এটিই দুই দেশের প্রথম আলোচনা। বিবিসি জানিয়েছে, কাতারের মধ্যস্থতায় এই যুক্তরাষ্ট্র ইরান আলোচনা হয়। এতে ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ। মধ্যস্থতাকারীরা সারা দিন দুই পক্ষের মধ্যে আসা-যাওয়া করেন। কোনো বড় - [মিয়ানমারে সোয়া লাখ তরুণ জোর করে সেনাবাহিনীতে, জান্তাপ্রধান যোগ দিলেন দলে](https://sarakhon.com/news/190245/): মিয়ানমারে বাধ্যতামূলক সামরিক আইন চালুর পর থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮০ জন পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়েছে। জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকার বা এনইউজি এই হিসাব দিয়েছে। মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডিভিবি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আইনটি কার্যকর হয়। এরপর ২৭ দফায় এই নিয়োগ হয়েছে। এনইউজি ১৮ সেপ্টেম্বর বলেছে, তরুণদের জোর করে নিয়োগ দেওয়াই এখন সামরিক একনায়কতন্ত্র - [এআই জোয়ারে এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশে, এল নিনো ও জ্বালানি বড় ঝুঁকি](https://sarakhon.com/news/190204/): এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক উন্নয়নশীল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সামান্য বাড়িয়েছে। চলতি ২০২৬ সালে অঞ্চলটির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ শতাংশ। জুলাইয়ের পূর্বাভাসের চেয়ে এটি শূন্য দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। চ্যানেল নিউজএশিয়া জানিয়েছে, দেশীয় চাহিদা আর এআই চিপের চাহিদা মিলে জ্বালানির উচ্চ দাম ও এল নিনোর ধাক্কা কিছুটা সামলে দিচ্ছে। বেসরকারি বিনিয়োগ ও - [এডিবির পূর্বাভাসে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নামল ৪ শতাংশে, মূল্যস্ফীতি ৯](https://sarakhon.com/news/190240/): এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৪ শতাংশ করেছে। একই সময়ে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ শতাংশে উঠতে পারে বলে সংস্থাটি সতর্ক করেছে। বুধবার প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকের সেপ্টেম্বর সংস্করণে এ তথ্য আছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম খবরটি প্রকাশ করেছে। জুলাইয়ে এডিবি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বলেছিল। এপ্রিলে বলেছিল - [ইরান যুদ্ধ ঘিরে হরমুজে জাহাজে হামলা, জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ](https://sarakhon.com/news/190237/): ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং পাল্টা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং দুজন হতাহত হয়েছেন। ব্রিটিশ নৌবাণিজ্য পরিচালনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটির সব ক্রুকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে - [ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছাড়াল ২০০, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১,৮৬৮](https://sarakhon.com/news/190230/): বাংলাদেশে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হওয়ায় এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০১ জনে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৮৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে - [ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনুমতিপত্র](https://sarakhon.com/news/190213/): ভারত থেকে ইলিশ আমদানি হঠাৎ বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। জনপ্রিয় এই মাছ আমদানির জন্য আগে দেওয়া ১০৩টি অনাপত্তিপত্র বা এনওসি বাতিল করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এর ফলে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আনার প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে। মঙ্গলবার মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এসব অনাপত্তিপত্র বাতিল - [ডলারের নির্ভরতা কমাতে টাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নতুন দুয়ার](https://sarakhon.com/news/190226/): আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা টাকার ব্যবহার বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনার আওতায় বাংলাদেশের বিদেশি বাণিজ্যিক অংশীদার ব্যাংকগুলো কোনো প্রাথমিক জমা ছাড়াই বাংলাদেশে ‘টাকা ভস্ট্রো হিসাব’ খুলতে ও পরিচালনা করতে পারবে। এর ফলে আমদানি-রপ্তানির চুক্তি ডলার বা অন্য কোনো বৈদেশিক মুদ্রায় হলেও চূড়ান্ত লেনদেন টাকায় নিষ্পত্তির সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে - [তারেক রহমানকে ভুটান-মালদ্বীপ-তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ](https://sarakhon.com/news/190223/): আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক তৎপরতায় একাধিক দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব বৈঠকে পারস্পরিক সম্পর্ক, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যতে যোগাযোগ আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে ভুটান, মালদ্বীপ ও তুরস্কের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিজ নিজ দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে বৈঠক আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক - [মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পর ৩ দিনেও নিখোঁজ মিসবাহ, উদ্বিগ্ন পরিবার](https://sarakhon.com/news/190220/): চট্টগ্রাম নগরের শোলকবহর এলাকার জামিয়া মাদানিয়া মাদ্রাসা থেকে মো. সেকেন্দর হোসেন মিসবাহ নামে ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পাঁচলাইশ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরিবার ও জিডি সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে - [ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার অবস্থান অপরিবর্তিত, ল্যাভরভ-রুবিও বৈঠকের আগে বার্তা ক্রেমলিনের](https://sarakhon.com/news/190217/): ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরুর আগে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের নিউইয়র্কে সম্ভাব্য বৈঠকের আগে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসার মতো প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। তবে একই সঙ্গে মস্কো শান্তি আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি বলেও জানিয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর - [যুদ্ধ জয়ের পরও যে লড়াই বাকি: নতুন চিনল্যান্ড গড়ার পরীক্ষা](https://sarakhon.com/news/190210/): মিয়ানমারের চিন রাজ্যে প্রতিরোধের গল্পটি শুধু অস্ত্র হাতে লড়াই, দখল করা এলাকা কিংবা সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে কয়েকটি সফল অভিযানের গল্প নয়। এর ভেতরে আরও বড় একটি প্রশ্ন আছে—যুদ্ধ শেষ হলে সেই ভূখণ্ডে কেমন সমাজ তৈরি হবে? ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর চিন রাজ্যের বহু তরুণ ও সাধারণ মানুষ প্রথমে রাস্তায় নেমেছিলেন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে। দমন-পীড়ন শুরু - [লালমনিরহাটে ১০ বছরের বাক্‌প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, আসামির যাবজ্জীবন](https://sarakhon.com/news/190190/): লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ১০ বছরের এক বাক্‌প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় শাহিদুল ইসলাম (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লালমনিরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার - [বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া](https://sarakhon.com/news/190207/): জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব এবার পড়ল নৌপথের গণপরিবহনেও। বাসের ভাড়া বাড়ানোর পর এবার লঞ্চের ভাড়াও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে লঞ্চের ভাড়া ২৩ পয়সা বাড়বে। ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ২০ পয়সা। একই সঙ্গে লঞ্চের সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। বুধবার - [১১ শিশুর মৃত্যুতে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১ হাজার](https://sarakhon.com/news/190203/): বাংলাদেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। নতুন এই ১১ মৃত্যুর পর দেশে হামসদৃশ উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ১১টি মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামজনিত - [ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকের পরই কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত ২](https://sarakhon.com/news/190176/): যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালের এই হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কিয়েভের নগর কর্তৃপক্ষ। হামলায় রাজধানীর রেল অবকাঠামো, গুদাম, ব্যবসায়িক স্থাপনা ও জ্বালানি সরবরাহকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় - [ইমরান খানের দলের মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে কঠোর নিরাপত্তা, বন্ধ মহাসড়ক](https://sarakhon.com/news/190196/): পাকিস্তানে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ডাকা মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজধানী ইসলামাবাদে নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। রোববারের পরিকল্পিত মিছিলের আগে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত প্রায় ৩৫ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীর সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের - [থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় মিয়ানমার শরণার্থীদের আতঙ্ক, ফেরার ভয়ে দিন কাটছে](https://sarakhon.com/news/190193/): প্রায় ২০ বছর আগে রাখাইন থেকে পালিয়ে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন ৫৪ বছরের মোহাম্মদ সাদেক। তিন বছর আগে মিয়ানমারের দক্ষিণের তানিনথারি থেকে থাইল্যান্ডে পালান ৩৯ বছরের লেলে খাইন। আজ দুজনেই একই আতঙ্কে আছেন। তাঁদের হয়তো ফেরত পাঠানো হবে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজএশিয়ার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বলছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আশ্রয়দাতা দেশগুলো নীতি বদলাচ্ছে। ফলে হাজারো মানুষের মধ্যে - [মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত, ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম দল](https://sarakhon.com/news/190183/): মালয়েশিয়া প্রায় পাঁচ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদের বেশির ভাগই রোহিঙ্গা। প্রথম ধাপে ১ হাজার ৪৭৬ জনকে ২৯ সেপ্টেম্বর পাঠানোর কথা জানিয়েছে কুয়ালালামপুর। এরা সবাই দেশটির অভিবাসন আটক কেন্দ্রে বন্দি আছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক অধিকার সংগঠন বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে এই রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডিভিবি এ খবর - [জাতীয় পতাকা: আবেগের প্রতীক থেকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্ন](https://sarakhon.com/news/190186/): একটি জাতীয় পতাকাকে কেবল রঙ, নকশা ও প্রতীকে সাজানো কাপড় হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত তাৎপর্য ধরা পড়ে না। রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সাংবিধানিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দৃষ্টিতে পতাকা একটি রাষ্ট্রের পরিচয়, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্বের দৃশ্যমান প্রকাশ। কোনো রাষ্ট্রের পতাকা বিদেশের মাটিতে উত্তোলিত হলে সেটি কেবল একটি জাতীয় প্রতীক প্রদর্শন করে না; নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেটি ওই - [ডিজেলের দামে রেকর্ড, বিশ্বজুড়ে সরবরাহ সংকট আরও গভীর](https://sarakhon.com/news/190179/): বিশ্বের প্রধান বাজারগুলোতে ডিজেল সরবরাহ ক্রমেই চাপে পড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে রাশিয়া, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বড় উৎপাদক দেশগুলো থেকে জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। ইউরোপে ডিজেল ফিউচার গত সপ্তাহে সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে লেনদেন শেষ করেছে। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এ দাম দ্বিগুণেরও ## Pages - [নিউজলেটার](https://sarakhon.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/): সারাক্ষণের সাথে সর্বশেষ তথ্য জানুন সারাক্ষণের সর্বশেষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মতামত সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন। আমাদের নিউজলেটারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানতে পারবেন। এতে সারাক্ষণের নির্বাচিত সংবাদ, বিশ্লেষণ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আপনি যা পাবেন সারাক্ষণের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করলে আপনি পেতে পারেন: গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ - [সারাক্ষণে বিজ্ঞাপন দিন](https://sarakhon.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8/): আমাদের পাঠকদের কাছে পৌঁছান সারাক্ষণ একটি বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি ও সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আমাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয়ের সংবাদ, বিশ্লেষণ, মতামত ও তথ্য প্রকাশ করা হয়। ফলে এটি এমন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক সংস্থার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম, যারা একটি সক্রিয় ডিজিটাল পাঠকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে - [যোগাযোগ করুন](https://sarakhon.com/%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a8/): সারাক্ষণের সাথে যোগাযোগ করুন আমরা আমাদের পাঠক ও অংশীদারদের প্রশ্ন, মতামত, সংবাদ-সংক্রান্ত তথ্য, সংশোধনের অনুরোধ, বিজ্ঞাপন-সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা এবং অন্যান্য বার্তাকে স্বাগত জানাই। আপনার বার্তাটি যেন সঠিক টিমের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য নিচের উপযুক্ত যোগাযোগের মাধ্যমটি ব্যবহার করুন। সংবাদ সংক্রান্ত তথ্য ও সংবাদ পাঠান আপনার কাছে কি এমন কোনো সংবাদ, তথ্য, নথি, ছবি বা অন্যান্য উপাদান - [কুকি নীতি](https://sarakhon.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/): সর্বশেষ হালনাগাদ: জুলাই ২০২৬ সারাখন ওয়েবসাইটে আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে, ওয়েবসাইটের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে, দর্শকসংক্রান্ত তথ্য বুঝতে এবং আমাদের পরিষেবাগুলো উন্নত করতে কুকি ও অনুরূপ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। এই কুকি নীতিতে কুকি কী, কীভাবে আমরা এগুলো ব্যবহার করি এবং আপনি কীভাবে কুকি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ১. কুকি কী? কুকি হলো - [ব্যবহারের শর্তাবলি](https://sarakhon.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf/): সর্বশেষ হালনাগাদ: জুলাই ২০২৬ সারাখন-এ স্বাগতম। সারাখন একটি সংবাদ, বিশ্লেষণ, মতামত ও তথ্যভিত্তিক প্রকাশনা প্ল্যাটফর্ম। এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি নিচের ব্যবহারের শর্তাবলিতে সম্মত হচ্ছেন। আপনি যদি এই শর্তাবলির কোনো অংশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে অনুগ্রহ করে ওয়েবসাইটটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ১. ওয়েবসাইটের ব্যবহার সারাখন ওয়েবসাইটের সংবাদ, প্রতিবেদন, মতামত, বিশ্লেষণ, ছবি, ভিডিও, - [গোপনীয়তা নীতি](https://sarakhon.com/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/): সর্বশেষ হালনাগাদ: [তারিখ লিখুন] সারাক্ষণ (“আমরা”, “আমাদের” বা “সারাক্ষণ”) আপনার গোপনীয়তাকে সম্মান করে। এই গোপনীয়তা নীতিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে আপনি আমাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করার সময় কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে, কীভাবে সেই তথ্য ব্যবহার করা হয় এবং কীভাবে আমরা তা সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করি। সারাক্ষণ ওয়েবসাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি এই গোপনীয়তা - [আমাদের সম্পর্কে](https://sarakhon.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87/): সারাক্ষণ — সব সময়ের সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মতামত সারাক্ষণ একটি বাংলা ডিজিটাল সংবাদ ও মতামতভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, প্রযুক্তি এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মতামত প্রকাশ করা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো পাঠকদের কাছে তথ্যবহুল, প্রাসঙ্গিক ও সহজবোধ্য সংবাদ এবং বিশ্লেষণ পৌঁছে দেওয়া। আমরা - [home](https://sarakhon.com/): টপ নিউজ নতুন করে শুরু করার সাহস: কখনো কখনো ভাবনার চেয়ে পদক্ষেপই জরুরি Sarakhon_Contributor2September 23, 2026 জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত আগে থেকে নিখুঁতভাবে হিসাব করে নেওয়া সম্ভব নয়। কখনো এমন সময় আসে, যখন অতিরিক্ত চিন্তা মানুষকে সিদ্ধান্তহীন করে তোলে। তখন প্রয়োজন হয় কিছুটা ঝুঁকি নেওয়ার, পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে সামনে… কারাগার যখন রাজনৈতিক অস্ত্র: রাশিয়ায় ভয় ও ## Optional - [Agent (MCP protocol)](websites-agents.hostinger.com/sarakhon.com/mcp) [comment]: # (Generated by Hostinger Tools Plugin)