অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও হেরেছে বাংলাদেশ নারী দল। বুধবার ব্রিসবেনে স্বাগতিকদের কাছে তারা হেরেছে আট উইকেটে। ফলে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয়েছে টাইগ্রেসরা। এই হারের পর আইসিসির নারী ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে দুই ধাপ নেমে নবম স্থানে চলে গেছে বাংলাদেশ।
সিরিজ শুরুর আগে ৭৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানেরও পয়েন্ট ছিল ৭৩, তবে দশমিকের হিসাবে তারা ছিল বাংলাদেশের নিচে। ৭২ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোয়াইটওয়াশের পর বাংলাদেশ এক পয়েন্ট হারিয়ে ৭২-এ নেমেছে। পাকিস্তান এক ধাপ উঠে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম। সমান ৭২ পয়েন্ট নিয়েও ওয়েস্ট ইন্ডিজ উঠে গেছে অষ্টম স্থানে।
শীর্ষে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান আরও পোক্ত হয়েছে। ক্লিন সুইপের পর এক পয়েন্ট বাড়িয়ে তাদের রেটিং এখন ১৬৪। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ১২৬। অর্থাৎ শীর্ষ দলের সঙ্গে বাকিদের ব্যবধান বিশাল। তবে সপ্তম থেকে নবম, তিন দলের মধ্যে ফারাক মাত্র এক পয়েন্টের। নারী ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে তাই সামনের এক-দুটি সিরিজই বাংলাদেশকে আবার ওপরে তুলতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই ব্যর্থতা নতুন নয়। ২০২৪ সালের মার্চে মিরপুরে ঘরের মাঠেও তাদের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেবার তিন ম্যাচের একটিতেও ১০০ রান করতে পারেনি দল, স্কোর ছিল ৯৫, ৯৭ ও ৮৯। শেষ ম্যাচটিও সেবার হেরেছিল আট উইকেটে। দুই সিরিজের ছয় ম্যাচেই হার বলে দেয়, সেরা দলের বিপক্ষে লড়াই করতে এখনো অনেক পথ বাকি।
নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে কিছু বড় জয় পেয়েছে, বিদেশেও ঐতিহাসিক সাফল্য আছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে ব্যাটিং বারবার ভেঙে পড়ছে। নারী ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে নবম স্থান সেই দুর্বলতারই প্রতিফলন। পয়েন্টের ব্যবধান কম হওয়ায় সামনের সিরিজগুলোতে ভালো খেললে দ্রুতই আগের জায়গায় ফেরার সুযোগ থাকছে।












