শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

মশার পেছনে ওড়ে শতকোটি

  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪, ৮.৫৪ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার শিরোনাম ‘Curtain rises on five-year plan for economic revival’ ‘অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ৫ বছরের পরিকল্পনা’

 

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের দুর্বল অর্থনীতি স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায়, নবনির্বাচিত সরকার মূল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে একটি বিস্তারিত পাঁচ বছরের কৌশল তৈরি করতে শুরু করেছে।

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

রোডম্যাপ দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কর বৃদ্ধির দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করা।কৃষকদের সরাসরি সার ভর্তুকি, গুণগত মানের বীজ দেবে সরকার। • সারা দেশে ডেনিশ স্কুল-মডেলকে স্কেল আপ করার লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ রাজনৈতিক, সামাজিক অস্থিরতা শান্ত করতে চাইছেন।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে আগামী অর্ধ দশকে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে।

এই কৌশলগত নকশা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে মনোনিবেশ করবে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকার শিরোনাম ‘Delhi Court refuses to stay summons issued to Arvind Kejriwal by ED’

‘অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে জারি করা সমন স্থগিত করতে অস্বীকার ইডি’র’

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতের দায়রা আদালত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জারি করা সমন স্থগিত করতে অস্বীকার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

শুক্রবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতের দায়রা আদালত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জারি করা সমন স্থগিত করতে অস্বীকার করেছে।

 

ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘Onion import: 50,000 tonnes expected from India soon’

‘ভারত থেকে শীঘ্রই ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি’

 

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশের বাজারে আসবে।  আগামী সপ্তাহে প্রথম ট্রাক লোড হবে।

ওসমানী মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ধীরে ধীরে দেশে মোট ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসবে।

 

সমকালের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘আইনের বেড়াজালে বন্দি ভোক্তার প্রতিকার’

 

খবরে বলা হয়, অসাধু ব্যবসায়ীদের চক্করে পদে পদে ঠকছেন ক্রেতা। কষ্টের আয়ে থলে ভরে বাসায় ফিরছেন ‘বিষ’ কিনে। শুধু তাই নয়, কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়েও গছিয়ে দিচ্ছে ভেজাল কিংবা নিম্নমানের পণ্য। হররোজ মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য হাজির হচ্ছে নতুন মোড়কে। ব্যবসায়ীদের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে শহরকেন্দ্রিক যা দু-একটি অভিযোগ ভোক্তারা দিচ্ছেন; কিন্তু যথাযথ প্রতিকার পাচ্ছেন না ভোক্তা অধিকার সুরক্ষার প্রতিষ্ঠান থেকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় নীতি, বিধিবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো– সবকিছু এখন ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে। তারা নানা কৌশলে প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের পকেট কাটছেন। বিপরীতে ভোক্তার স্বার্থ দেখভালের একমাত্র সক্রিয় প্রতিষ্ঠান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হাত-পা যেন বাঁধা আইনের ফাঁকফোকরে।
অবশ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, ভোক্তার স্বার্থেই আইনে কিছু সংস্কার প্রক্রিয়াধীন। বিদ্যমান আইনে আরও পাঁচটি সেবা খাত যুক্ত হবে। জনবল সংকট নিরসনেও সৃষ্টি করা হবে নতুন পদ।

এমন প্রেক্ষাপটে আজ শুক্রবার অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য– ‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি, ভোক্তার স্বার্থে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করি’।
২০০৯ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, ভোক্তা অধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ ও অধিকার লঙ্ঘনজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি, ক্ষতিগ্রস্তকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা, পণ্য ও সেবা ক্রয়ে প্রতারণা রোধ এবং গণসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন হয়। এরপর গত দেড় দশকে শহরকেন্দ্রিক অধিদপ্তরের কার্যক্রমে কিছু সুফল মিললেও বঞ্চিত রয়ে গেছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। আবার আইনের সীমাবদ্ধতার কারণেও সুরাহা হচ্ছে না অনেক মামলা। কারণ আইনে বলা আছে, ভোক্তা প্রতারিত হলে মামলা করতে পারবেন। কিন্তু কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে মামলা করবেন, সুস্পষ্টভাবে আইনে বলা নেই। তা ছাড়া দেড় দশকে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বদলে গেলেও আইনে এসব অপরাধবিষয়ক ধারা যুক্ত না হওয়ায় অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।

 

যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘চাঁদা ছাড়া ঘোরে না চাকা’

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,সারা দেশে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পরিবহণ চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। মালিক-শ্রমিক সংগঠন, পুলিশ, স্থানীয় মাস্তান ও কতিপয় অসৎ রাজনৈতিক নেতারা এ চক্রে জড়িত। যাত্রী কিংবা পণ্য পরিবহণ-সব ক্ষেত্রেই চাঁদা ছাড়া ঘোরে না গাড়ির চাকা।

পার্থক্য শুধু চাঁদাবাজির কৌশলে। আন্তঃজেলা ট্রাকের ক্ষেত্রে মাসোহারা হিসাবে টোকেন দিয়ে নীরব চাঁদাবাজি করে ট্রাফিক পুলিশ। আর ঢাকায় ঢোকার মুখে চাঁদা তুলতে সরব স্থানীয় মাস্তানদের লাঠিয়াল বাহিনী।
শুধু রাজধানীতে বাস-মিনিবাস থেকে মাসে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি।

যাত্রী পরিবহণে মূল চাঁদাবাজির অভিযোগ রুট মালিক ও মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতাদের বিরুদ্ধে। তারা প্রতিদিন চাঁদা তুলে বিভিন্ন স্তরে ভাগবাঁটোয়ারা করে নেন। দূরপাল্লা ও নগর পরিবহণে ‘জিপির’ (চাঁদা তোলার সাংকেতিক নাম) নামে বাসপ্রতি ৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা তুলেন রুট মালিকরা। এটা অনেকটা স্বীকৃত। এ খাত থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার চাঁদা তোলা হয়। সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে শুধু ঢাকায় চলাচলকারী বাস থেকেই বছরে ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির তথ্য প্রকাশ করে।

 

দেশ রুপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘মশার পেছনে ওড়ে শতকোটি’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় মশা মারার জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৪৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, পরে সেটা বেড়ে ৫৮ কোটিতে দাঁড়ায়। চলতি অর্থবছরে ডিএনসিসিতে মশা মারতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮৪ কোটি টাকা।

পাঁচ বছরের ব্যবধানে মশানিধনের খরচ অনেক বাড়লেও এ কাজে সফলতা দেখাতে পারেনি ডিএনসিসি। একই অবস্থা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেও। সেখানে প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ মশানিধনে আলাদা কর্মসূচি নিয়ে থাকে। কিন্তু তাদের কর্মসূচি তেমন কার্যকরী নয়। ফলে নগরীর মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ থাকে। আবার ডেঙ্গু মৌসুমে হাজার হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। গত বছরও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ লাখ ১০ হাজার ৮ জন। আর ঢাকার বাইরে ২ লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। গত বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১ হাজার ৭০৫ জন। ঢাকায় ৯৮০ জন ও ঢাকার বাইরে ৭২৫ জন। এ হিসাব হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের। তাদের বাইরে কয়েক লাখ লোক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে থেকে ও চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে। এর হিসাব সরকারি দপ্তরে থাকে না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, ‘এখানে যে ওষুধ ছিটানো হয় সেটি কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করে জানা দরকার। কার্যকর ওষুধ আমদানি করা দরকার। ওষুধ ঠিকমতো ছিটানো হয় কি না, তার তদারকি দরকার। সিটি করপোরেশনের তদারকি কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মানুষকে সংযুক্ত করা দরকার। তাহলে নিশ্চিত হওয়া যাবে ওষুধ ঠিকমতো ছিটানো হয় কি না।’ তিনি বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় সিটি করপোরেশনের মশককর্মীরা রাস্তায় ওষুধ ছিটায়। মশা কিন্তু রাস্তায় থাকে না। মশা থাকে বাসাবাড়ির আনাচে-কানাচে, ড্রেনে, ময়লার স্তূপে ও যেসব জায়গায় পানি জমে সেখানে। এসব জায়গা স্থানীয়দের সহায়তা চিহ্নিত করে ওষুধ ছিটাতে হবে। মশানিধনে তিনটি কথা মনে রাখা জরুরি ঠিক ওষুধ, ঠিক সময় ও ঠিকমতো ছিটানো।’

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024