বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১০:৩১ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নামেই, বাস্তবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে

  • Update Time : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪, ১১.২১ এএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “চাকরির প্রশ্নপত্র ফাঁসে তাঁরা জড়িত, জানত পিএসসি”

রেলওয়ের একটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গত সোমবার গ্রেপ্তার হওয়া ১৭ জনের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তা-কর্মচারী ছয়জন। এর মধ্যে পাঁচজন এখনো কর্মরত। আরেকজনকে ১০ বছর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।

যে পাঁচজন এখন কর্মরত রয়েছেন, তাঁদের সবার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে তিনজনের ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছিল পিএসসি। যে কারণে একজনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। একজনকে ঢাকার প্রধান কার্যালয় থেকে সিলেটে বদলি করা হয়। আরেকজনকে বরখাস্ত করা হলেও আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি দায়িত্ব ফিরে পান।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবিধানিক সংস্থা পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন উপপরিচালক মো. আবু জাফর ও জাহাঙ্গীর আলম। আরও আছেন সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, কর্মচারী (ডেসপাচ রাইডার) মো. খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলাম। এ ছাড়া রয়েছেন পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী।

এই ছয়জনের মধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার বিষয়টি পিএসসির নিজস্ব তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৪ সালে চাকরিচ্যুত হন সৈয়দ আবেদ আলী। বরখাস্ত হয়েছিলেন খলিলুর রহমান। বদলি করা হয়েছিল জাহাঙ্গীর আলমকে। আর পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হয়নি আবু জাফরকে।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পিএসসির যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম এসেছে, দেখা যাচ্ছে তাঁরা আগেও এ ধরনের গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন সময় পিএসসির নিজস্ব অনুসন্ধান ও তদন্তেই তা বেরিয়ে এসেছে। পিএসসির ভেতরেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের একটি চক্র কাজ করছে। এর মধ্যে কেউ ধরা পড়েছেন, কেউ এখনো আড়ালে রয়ে গেছেন। বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক সংস্থা পিএসসি কেন ফৌজদারি মামলা করেনি, সেই প্রশ্নও তুলেছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অপরাধ স্বীকার করে গতকাল মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ছয়জন। এর মধ্যে পিএসসির সাবেক ও বর্তমান কর্মচারীই তিনজন। তাঁরা হলেন সৈয়দ আবেদ আলী, খলিলুর রহমান ও সাজেদুল ইসলাম।

 

 

ইত্তেফাক এর একটি শিরোনাম “চীনের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা”

বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। এখানে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

দুপুরে গ্রেট হলে চীনা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মধ্যাহ্ন ভোজে যোগ দেবেন বাংলাদেশ সরকারপ্রধান। বিকেলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্বিপাক্ষিক এই সফর শেষে বুধবার (১০ জুলাই) রাতে দেশে ফিরবেন তিনি।

 

যুগান্তরের একটি শিরোনাম “পুতিনকে থামাতে হবে, ন্যাটো সম্মেলনে হুঁশিয়ারি বাইডেনের”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে চাচ্ছেন এবং তার আগ্রাসন ইউক্রেনে থামবে না। তাই ইউক্রেনই পুতিনকে থামাতে যা করা লাগবে এবং তা করতে হবে।

বাইডেন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর আইনপ্রণেতাদের প্রশংসা করে বলেন, ন্যাটো আগের চেয়ে এখন আরও শক্তিশালী। তিনি উল্লেখ করেন, ন্যাটোর ৩২ সদস্য দেশের মধ্যে ২৩টি দেশ নিজেদের মোট দেশজ উৎপাদনের ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করতে পারছে। এভাবে তিনি ট্রাম্পের সমালোচনারও জবাব দেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, ন্যাটোর যেসব সদস্য দেশ তাদের প্রতিরক্ষা খাতে যথাযথ ব্যয় করতে পারে না, সেসব দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আসবে না।

বাইডেন আরও ঘোষণা দেন- যুক্তরাষ্ট্র জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, রোমানিয়া ও ইতালির সঙ্গে মিলে ইউক্রেনের জন্য আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আরও কৌশলগত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠাবে।

এদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধি পরিষদের আইনপ্রণেতারা ও সিনেট সদস্যরা ওয়াশিংটনে পৃথক বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে বাইডেনকে প্রার্থী রাখা নিয়ে মতবিরোধ বিদ্যমান ছিল। বাইডেন বৃহস্পতিবার একক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে, যা নিয়ে সবার নজর এখন সেখানে।

ন্যাটো সম্মেলনে বক্তব্যে বাইডেন  ন্যাটোর গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেন এবং ইউক্রেনকে সমর্থনে অটল থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নামেই, বাস্তবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে”

রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭-এর (বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ ১৯৭২) বলে ১৯৭২ সালে পরিপূর্ণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে যাত্রা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুরু থেকেই দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বিবেচিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে। যদিও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নামেই, বাস্তবে এটি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।’

 

মানবজমিনের একটি শিরোনাম “সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী”

বেইজিং সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ (বুধবার রাতে) দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পূর্বনির্ধারিত সূচি মতে, চীনে দ্বিপক্ষীয় সফর শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সরকারপ্রধানের ঢাকা ফেরার কথা ছিল। কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।  তবে ঠিক কী কারণে প্রধানমন্ত্রী চীন সফরটি সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফেরার এমন সিদ্ধান্ত নিলেন এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে বিষয়ে সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা ভাষ্য প্রচার হয়নি। সরকারপ্রধানের সফরসঙ্গী হিসেবে বেইজিংয়ে অবস্থান করা একজন কর্মকর্তা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মানবজমিনকে বলেন, ৮ই জুলাই বেইজিংয়ে পৌঁছার পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ই জুলাই দেশে ফেরার ব্যবস্থা নিতে সফর প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। রাষ্ট্রাচার বিভাগ তৎক্ষণাৎ সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়, সে অনুযায়ী বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টায় বিমান উড্ডয়নের ক্লিয়ারেন্স পাওয়াসহ অন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়। পরিবর্তিত সূচি মতে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে রওনা করে বাংলাদেশ সময় বুধবার মধ্যরাতে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। স্মরণ করা যায়, বুধবার দিনের শুরুতে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং বিকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর। দুই বৈঠকের মাঝে ২০ থেকে ২২টি চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা কামনা: এদিকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারের রাখাইনে ফেরাতে বাংলাদেশকে সাহায্য করার জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধানের চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চীনের নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে আপনারা আমাদের সহায়তা করুন। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিং-এর নেতৃত্বে দলটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি)’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গ্রেট হলে বৈঠক করে। এসময় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে চীনের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তাদের  সহযোগিতা কামনা করেন। সেই বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় ইস্যু, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমানো, অর্থবহভাবে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদ্‌যাপন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাড়ে ছয় বছর আগে মানবিক কারণে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও আজ অবধি মিয়ানমারে তাদের প্রত্যাবাসনের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে উত্থাপন করেছেন। জবাবে সিপিসিসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করবো এবং এর একটি সমাধান খুঁজে পেতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনার সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিতে ভূমিকা পালন করবো। ওয়াং হুনিং বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন যাতে দ্রুত শুরু করা যায় এজন্য চীনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন। 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024