মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

পদ্মায় আরো ছয় সেতু, শুল্ক ছাড়ের সুবিধা নেই বাজারে, কৃষক আন্দোলন পাঞ্জাবে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ৬.১১ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

পরিবার পরিকল্পনার কাজে গতি কম‘ প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, প্রায় ৯ বছর আগে ২০১৫সালের ১৪ মে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নূর হোসেন তালুকদার অধিদপ্তরের সব কর্মকর্তা–কর্মচারীরউদ্দেশে চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি লিখেছিলেন। অনিয়ম–দুর্নীতি দূরে ঠেলে জড়তা কাটিয়ে সৎভাবে নিজ দায়িত্বটুকু ঠিকভাবেপালন করার আহ্বান ছিল ওই চিঠিতে। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমেসরকার, ডোনার এজেন্সিসহ ইউএনএফপিএ, বিশ্বব্যাংক—কেউ সন্তুষ্ট নয়।…আমরা যদি কাজ না করি এবং কাজ যে করেছিতার প্রমাণ না দেখাতে পারি, আমাদের দপ্তরের প্রয়োজন কী?’

খবরে বলা হচ্ছে,  মো. নূর হোসেন তালুকদার মারা গেছেন। তবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে কোনো পরিবর্তন আসেনি।অনেকে অভিযোগ করেছেন, পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।  অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ে ৯ হাজারের বেশি পদখালি। অধিদপ্তরের বর্তমান মহাপরিচালক এসব পদে লোক নিয়োগের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। প্রায় সারা দেশেরগুদামগুলোতে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর ঘাটতি রয়েছে। এগুলো ঠিক সময়ে কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দেশের প্রায় অর্ধেকঅঞ্চলে স্বাভাবিক প্রসবের সেবাসামগ্রী নেই। তা কেনারও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। মানুষ পুরোপুরি সেবা পাচ্ছে না। পরিস্থিতিদেখে মনে হচ্ছে অধিদপ্তর মুখ থুবড়ে পড়েছে। এখানে নেতৃত্বের বড় সংকট চলছে। বহুদিনের জমে থাকা সমস্যা এখন সংকটেপরিণত হয়েছে। পুরো বিষয়টি আদ্যোপান্ত তদন্ত হওয়া দরকার।

সমকাল পত্রিকার শিরোনাম ‘ বাজারে চার পণ্যের দর ‘এক আনা কমেনি এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোজার আগেদামের রাশ টানতে চাল, চিনি, ভোজ্যতেল ও খেজুরের আমদানি শুল্ক কমিয়েছে সরকার। তবে সপ্তাহ ঘুরলেও বাজারে পণ্যেরদর ‘এক আনা’ও কমেনি। ফলে শুল্ক কমানোর কারণে সরকারের রাজস্ব ছাড়ের ‘বটিকা’ খুব একটা কাজে দিচ্ছে না।অনেকেরই ধারণা, শুল্ক কমালে বাজারে পণ্যের দর কমবে। তবে অতীত বলছে, ভোক্তারা এর সুফল পান না। পুরোনো নিয়মেইনানা ছুতায় ভোক্তার পকেট কেটে শেষ হাসি হাসে ব্যবসায়ীরাই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানিকারকদের দাবি, শুল্ক কমানোর ‘সুবিধা’ খেয়ে ফেলছে ডলার।  এখন এক ডলার কেনাবেচাহচ্ছে ১১২ টাকার বেশি দরে। কোনো কোনো এলসির ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি দাম গুনতে হচ্ছে। ডলারের দর না কমালে শুল্ককমিয়ে লাভ নেই। তাদের মতে, ডলারের দর বাড়লে আমদানি কমে যায়। তাতে বাজারে পণ্যের ঘাটতি দেখা দেয়, যাস্বাভাবিকভাবেই দামকে উস্কে দেয়। সরকারের উচিত শুল্কের চেয়ে ডলারের দর কমানোর দিকে নজর দেওয়া। তাতে পণ্যআমদানি বাড়বে। তখন এমনিতেই কমে যাবে দাম। আবার কেউ কেউ বলছেন, যে পরিমাণে শুল্ক কমানো হয়েছে, তাএকেবারেই কম। ফলে বাজারে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, এলসি খোলার পর পণ্য দেশে এনে বাজারেআসা পর্যন্ত এক মাসের বেশি সময় লেগে যায়। তাই শুল্ক কমানোর দরকার ছিল অন্তত এক মাস আগে। তবু নতুন শুল্কেরআওতায় যেসব পণ্য খালাস হয়ে বাজারে এসেছে, সেগুলোর দাম কমাতে নজরদারি জোরদার করা দরকার।

যুগান্তর পত্রিকার প্রধান  শিরোনাম ‘ নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতা , এবারও সিন্ডিকেটের থাবা   এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন রমজান ঘিরে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম স্থিতিশীল রাখতে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছেসরকার। এ লক্ষ্যে তিনটি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করছে। এর আওতায় রোজায় পণ্যের চাহিদাঅনুযায়ী সরবরাহ বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পণ্যের আমদানি বাড়াতে ডলারের জোগান দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে,পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে কিছু পণ্যের দাম কমেছে।  ৮ পণ্য আমদানির এলসি মার্জিন ও৪ পণ্যের শুল্ক কমানো হয়েছে। তারপরও পণ্যের দাম কমছে না। উলটো বাড়ছে। অন্যবারের মতো এবারও সেই সিন্ডিকেটেরথাবা পড়েছে রমজাননির্ভর পণ্যের ওপর। এতে ভোক্তার জন্য সরকারের দেওয়া ছাড়ের সুবিধা চলে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীদেরপকেটে। ফলে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা।

‘ আরো ছয় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনাএত সেতুর চাপে পদ্মার প্রাণ থাকবে তো? ‘ বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।খবরে বলা হচ্ছে,  বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ থেকে ২০১৮সালের মধ্যে পদ্মা তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ হয়েছে। সোজা অবস্থান থেকে পরিবর্তিত হয়ে আঁকাবাঁকা হয়েছে নদীর গতিপথ।বেড়েছে ‘ব্রেইডিং’ বা পরস্পরছেদী প্রবণতা। প্রমত্তা পদ্মায় এখন সেতু আছে তিনটি।  শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালনশাহ সেতু ও২০২২ সালে চালু হওয়া পদ্মা সেতু। বর্তমানে এ নদীতে নতুন করে আরো ছয়টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকারের সেতুবিভাগ।

খবরে বলা হচ্ছে,  নাসার প্রতিবেদনে পদ্মার আকার ও গতিপথ পরিবর্তন প্রবণতার দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। একটিহলো মুক্তভাবে প্রবাহিত এ নদীর পাড় সুরক্ষায় কোনো ব্যবস্থা নেই। দ্বিতীয়টি হলো পদ্মার তীরবর্তী বালুচর।  এ দুয়ের প্রভাবে ধারাবাহিকভাবে আকার ও গতিপথ পরিবর্তনের প্রবণতা বেড়েছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে ছয়টি সেতু নির্মিত হলেসেগুলো নদীর অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

খবরে আরো বলা  হচ্ছে,  বর্তমানে সেতু বিভাগ ৩০ বছর মেয়াদি একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ করছে, যা শেষ হবেআগামী জুনে। বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাপরিকল্পনায় সেতু, টানেল ও এক্সপ্রেসওয়ে মিলিয়ে প্রায়৮০টি বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তাব করা হচ্ছে। এর মধ্যে পদ্মায় সেতু নির্মাণের প্রস্তাব আছে ছয়টি। প্রাথমিকভাবেপাবনা-রাজবাড়ী, পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ, হরিরামপুর-ফরিদপুর, দোহার-বড়গ্রাম, সুজানগর-পাংশা ও কুষ্টিয়া-পাবনার মধ্যেসেতুগুলো নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার প্রধান  শিরোনাম ‘Supreme Court strikes down electoral bonds scheme: ‘unconstitutional’, ‘arbitrary and violative of Article 14’. খবরে বলা হচ্ছে,  রায় নির্বাচনী বন্ড এই প্রকল্পটি প্রথমঘোষণা করা হয়েছিল ২০২৭ কেন্দ্রীয় বাজেট বক্তৃতায় যখন প্রয়াত অরুণ জেটলি অর্থমন্ত্রী ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবারনির্বাচনী বন্ড স্কিম চালু করার জন্য আইনে করা পরিবর্তনগুলিকে অসাংবিধানিক হিসাবে ধরে রেখেছে, কেন্দ্রের প্রকল্পের আইনিবৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রাজনৈতিক দলগুলিকে বেনামী তহবিল দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার আবেদনের একটি ব্যাচের সর্বসম্মতরায়ে।

খবরে বলা হচ্ছে,  ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের সভাপতিত্বে একটি পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চওনির্দেশ দিয়েছে যে “ইস্যুকারী ব্যাঙ্ক এইভাবে নির্বাচনী বন্ড ইস্যু করা বন্ধ করবে” এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে (এসবিআই)  “এর পর থেকে কেনা নির্বাচনী বন্ডের বিশদ জমা দিতে বলেছে”

‘Private university enrolment looking up’ ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, প্রাইভেটবিশ্ববিদ্যালয়গুলি মহামারী চলাকালীন তাদের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সের জন্য তালিকাভুক্তির সংখ্যা হ্রাস পেতে দেখছে। ২০২২ সালে, যা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সর্বশেষ উপলব্ধ তথ্য, ১১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপলব্ধ ২৪০,৪০৬  আসনের ৩৮,২ শতাংশ খালি ছিল, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তালিকাভুক্তিগুলিও ২০১৮ সাল থেকে সর্বোচ্চ ছিল৷ ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপলব্ধ আসনগুলির ৬০.৮ শতাংশ গড়ে খালি ছিল। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, “শিক্ষার মান এবং ভর্তির মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে।”

খবরে বলা হচ্ছে, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং উন্নত শিক্ষার সুবিধা নিশ্চিত করে শিক্ষার একটি নির্দিষ্ট মানবজায় রেখে সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হোসাইন বলেন,  “শিক্ষার্থীদের আকর্ষণকরতে তাদের কোনো সমস্যা নেই।” ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ মান্নান বলেন, ১১৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েরমধ্যে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি মানসম্মত শিক্ষা দিচ্ছে।অনেক ট্রাস্টির মুনাফাখোর মনোভাব মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি বড় বাধা, বলেছেন ইউজিসির আরেক সাবেক চেয়ারম্যান একে আজাদ চৌধুরী।”তারাযোগ্য শিক্ষক, উপাচার্য নিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে চায় না,” তিনি যোগ করেন। বেসরকারিবিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য আসনের সংখ্যাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আসলে উন্নতি হয়েছে, বলেছেন ইউজিসি সদস্য বিশ্বজিৎ চন্দ, যিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পর্যবেক্ষণ করেন।

Understanding the issues ailing Indian agriculture হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, সরকারী এবং বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রেই কৃষিতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ ছেড়ে দেওয়ায়, ভারতে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তারভবিষ্যত নিরাপদ নয়পাঞ্জাবের কিছু কৃষক ইউনিয়ন ন্যূনতম সমর্থন মূল্যের (এমএসপি) গ্যারান্টির দাবিতে তাদের বিক্ষোভপুনরায় শুরু করার সাথে, কৃষি নীতি জনসাধারণের বিতর্কে ফিরে এসেছে। যদিও, এমএসপি- র জন্য একটি কম্বল গ্যারান্টিপ্রদান করে এমন একটি আইনের কোনও যুক্তি থাকতে পারে না, এই দাবির সমর্থন বা বিরোধিতা ভারতে সমস্ত কৃষি নীতিবিতর্কের অবসান ঘটাতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে, কেউ যুক্তি দিতে পারে যে ভারতীয় কৃষির ট্র্যাজেডি হল যে এটি এই ধরনেরচাঞ্চল্যকর বিতর্কে আটকে গেছে এবং সারগর্ভ বিষয়গুলি সর্বদা জনসাধারণের কল্পনাকে ধরতে ব্যর্থ হয়। যদি ভারতীয় কৃষিরএকটি ভবিষ্যত থাকতে হয় – এটি করা একেবারেই অপরিহার্য – এটির একটি ভবিষ্যত-ভিত্তিক নীতি দৃষ্টিভঙ্গি থাকা দরকার।অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে, এর অর্থ হল পর্যাপ্ত বিনিয়োগ থাকা উচিত। এই প্রয়োজনীয়তা পর্যাপ্তভাবে পূরণ করা হচ্ছে? এখানেতিনটি চার্ট রয়েছে যা এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024