মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন

বিশ্ববাজারে কমলো সয়াবিনের দাম, সৌদিতে ভারী বৃষ্টিতে রেড অ্যালার্ট জারি

  • Update Time : রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪, ৮.৩৯ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের শিরোনাম, Saudi Arabia halts in-person classes amid severe weather warnings.

বিস্তারিত খবরের বলা হয়েছে, সৌদি আরবে কয়েক দিন ধরে চলা ভারী বৃষ্টিতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই মক্কা, মদীনা ও তাবুকসহ বেশ কয়েকটি শহরে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে রাজধানী রিয়াদসহ বেশ কয়েকটি শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাজধানী রিয়াদ, বন্দরনগরী জেদ্দায় গত মঙ্গলবার থেকে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে কাসিম, হাফর আল বাতিন ও এর আশপাশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে। এসব এলাকার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে। সৌদির আবহাওয়া দপ্তর ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি (এনসিএম) জানিয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়া, ভারী বর্ষণ ও বন্যার আশঙ্কায় তাবুকসহ উত্তরাঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা হিসেবে রেড অ্যালার্ট জারি করা হলো।

জনসাধারণকে সতর্ক করে আবহাওয়া দপ্তর বলেছে, আগামী আরও কয়েক দিন উচ্চ-গতির বাতাস, দৃশ্যমানতা হ্রাস, শিলাবৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যার হতে পারে। এ ছাড়া তীব্র বাতাস ধূলিঝড় ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কারণে মদিনা, তাবুক, মক্কা ও উত্তর দিকের উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের চরম সতর্কত থাকতে বলা হচ্ছে। এদিকে সৌদির সিভিল ডিফেন্স অফিসও জনসাধারণকে ‘চরম সতর্কতা’ অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছে। জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা ও বন্যা–প্রবণ এলাকা এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে সিভিল ডিফেন্স। সিভিল ডিফেন্সের জেনারেল ডিরেক্টরেট ২১-২৫ মার্চ পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে একটি সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মক্কা অঞ্চলের তুরবাহ, রানিয়াহ, আল মাওইয়া, আল খুরমাহ এবং আল আরদিয়াতসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া আল বাহা, আসির, জাজান, আল জুফ, হাইল, আল কাশিম, ইস্টার্ন প্রভিন্সসহ উত্তরের সীমান্ত এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নাসডাকের এক প্রতিবেদনের শিরোনাম. Soybeans Drop Back to Red for the Week.

প্রতিবেদনে জানা যায়.আন্তর্জাতিক বাজারে গত কিছুদিন ধরেই সয়াবিনের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। একপর্যায়ে তা গত ২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে উঠেছিল। অবশেষে শনিবার (২৩ মার্চ) শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) তেলবীজটির দর কমেছে। এতে বলা হয়, আলোচ্য কার্যদিবসে সিবিওটিতে সয়াবিনের দরপতন ঘটেছে ১ শতাংশের বেশি। প্রতি বুশেলের মূল্য নেমে এসেছে ১২ ডলার। প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রা ডলার স্থিতিশীল হওয়ায় এই নিম্নগামিতা তৈরি হয়েছে।

সবমিলিয়ে আলোচিত দিনে সয়াবিনের আগামী মে মাসের সরবরাহ মূল্য হ্রাস পেয়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। বুশেলপ্রতি দাম স্থির হয়েছে ১১ ডলার ৯২ সেন্টে। এ নিয়ে টানা ২ দিন বৃদ্ধির পর ভোজ্যতেল তৈরির মূল উপকরণের দরপতন ঘটলো। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সয়াবিন উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রধান উৎপাদন অঞ্চল আইওয়াতে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ফলে সেখানে চাষ তরান্বিত হতে পারে। যার প্রভাব পড়েছে বাজারে।

 

প্রশিক্ষণের নাম করে পকেটে ২২ কোটি– দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরটিতে বলা হয়েছে যে, দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ নিবেন সরকারি হাসপাতালের ৭২ জন চিকিৎসক ও কর্মকর্তা। কিন্তু এ জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক কোটি ৯০ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে থাইল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। পরে দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি আসলে ছিলো সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিকের তৎকালীন এপিএস শেখ আলতাফুর রহমানের। এতে আরও বলা হয়েছে যে, প্রশিক্ষণের জন্য মালয়েশিয়ার যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে যে ই-মেইল আইডি থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, সেটিও আসলে ছিল ভুয়া। মূলত জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে বসেই ওই ই-মেইল আইডি খোলা হয়েছিল। শুধু এটি নয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পু্ষ্টিখাত কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণের নামে এরকম সাতটি জালিয়াতির তথ্য পেয়েছে দুদক। এতে প্রায় ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 ডলার সংকটে হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি– দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরের বিস্তারিত অংশে বলা হচ্ছে, দেশে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য হাসপাতালগুলোকে বিদেশ থেকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই ডলারের সংকট নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এসব জীবন রক্ষাকারী মেডিকেল ডিভাইসের বাজারে। আমদানিনির্ভর চিকিৎসা সরঞ্জামে ব্যাপক ঘাটতি দেখা  দিয়েছে। ফলে দাম বাড়ছে কয়েকগুণ। এসব পণ্যের ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বিশেষ করে হৃদরোগ, অর্থোপেডিক, চক্ষু, ক্যান্সার, জেনারেল সার্জারি, স্নায়বিক রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের প্রায় শতভাগ সরঞ্জামই আমদানি করতে হয়। বর্তমানে এগুলো আনার ক্ষেত্রে  বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বিদ্যমান ডলার সংকট। সরঞ্জামের অভাবে দেশের হাসপাতালগুলোয় এখন বড় অস্ত্রোপচারের সংখ্যাও কমার পথে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা তৈরি হয়েছে হৃদরোগের সার্জারি নিয়ে। ডলার সংকটের কারণে চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানির জন্য ব্যাংকে এলসি (ঋণপত্র) খোলা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যান্ড হসপিটাল ইক্যুইপমেন্ট ডিলার অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইসের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। হৃদরোগের চিকিৎসার পাশাপাশি নিউরো সার্জারি, কিডনি সার্জারি, অর্থোপেডিক সার্জারির মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল সার্জারির সরঞ্জামও নিয়মিতভাবে বিদেশ থেকে আনতে হয়। এছাড়া রোগ নিরীক্ষা ও জীবাণুনাশের যন্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর। দেশে অসংক্রামক রোগে মৃতদের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক হলেন হৃদরোগী। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোয় হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সরঞ্জামের শতভাগই আমদানি করতে হয়। এসব ডিভাইস ও সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে হৃদযন্ত্রের রিং, ভাল্ভ, পেস মেকার, অক্সিজেনেটর। বাংলাদেশে প্রতিদিন কতসংখ্যক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রে এসব সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়, তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যান্ড হসপিটাল ইক্যুইপমেন্ট ডিলার অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে হৃদরোগের চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানি করে চারটি প্রতিষ্ঠান।

ডলারের অভাবে আমদানিকারকরা সময়মতো এলসি (ঋণপত্র) খুলতে পারছেন না। ফলে তারা হাসপাতালগুলোতে চাহিদা অনুপাতে পেসমেকার সরবরাহও করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়ছেন হৃদরোগীরা। আমদানিকারকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি ও জার্মানভিত্তিক একটি কোম্পানির পেসমেকার আমদানি করা হয়। দেশে ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ডলার সমস্যা শুরু হয়। মাঝে কিছুদিন স্বাভাবিক হলেও সাত মাস ধরে সংকট চলছে। আগে লো-মার্জিন অর্থাৎ ২০ শতাংশ মার্জিন দিলেও এলসি খোলা যেত, এখন ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মার্জিন লাগছে। আগে এলসি খোলার জন্য ব্যাংকে আবেদন করলে দু’-একদিনেই পাওয়া যেত। ডলার সংকটের কারণে এখন দেড় মাসেও হচ্ছে না।

 

দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম: ‘বাংলাদেশ সরাসরি চীনের সঙ্গে লেনদেনে যাচ্ছে

এতে বলা হচ্ছে, ডলারের বিকল্প মুদ্রায় লেনদেন বাড়াতে এবার চীনের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ জন্য দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়নায় অ্যাকাউন্ট খুলছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক লেনদেনের বার্তা প্রেরণে সুইফটের আদলে গড়ে ওঠা চায়নার সিআইপিএসে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ চীনের মাধ্যমে পরিশোধ করা। সংশ্লিষ্টরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের প্রাথমিক কাজের জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না বাংলাদেশ। যে কারণে দেশটির পাওনা প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার সোনালী ব্যাংকে একটি ‘স্ক্রো’ হিসাব খুলে সেখানে জমা করা হচ্ছে। রাশিয়ার অর্থায়নে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া এ প্রকল্পে চুক্তিমূল্যের ৯০ শতাংশ তথা ১ হাজার ১৩৮ কোটি ডলার অর্থায়ন করছে দেশটি। প্রকল্পের মূল ঋণ পরিশোধ শুরু হবে ২০২৭ সালের মার্চ থেকে। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা ও দেশটির লেনদেন ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রাশিয়ার ঋণ পরিশোধের চিন্তা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছরের এপ্রিলে রূপপুরের পাওনা সরাসরি রাশিয়াকে পরিশোধ না করে পিপলস ব্যাংক অব চায়নার মাধ্যমে পরিশোধের জন্য একটি প্রটোকল চুক্তি সই হয়। তবে বাংলাদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় অন্য যে কোনো দেশের লেনদেন নিষ্পত্তির বার্তা পাঠানোর একমাত্র উপায় ‘সুইফট’। ফলে এভাবে অর্থ পরিশোধের বিষয়টি সুইফট যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কায় ওই পরিশোধ করা হয়নি।

জানা গেছে, চীনের আমন্ত্রণে গত ৫ থেকে ১০ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দেশটি সফর করে। এ সময় তারা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করে অ্যাকাউন্ট খোলা ও লেনদেনের বার্তা প্রেরণের মাধ্যম দ্য ক্রসবর্ডার ইন্টারব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমে (সিআইপিএস) যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক সমকালকে বলেন, বড় ব্যবসায়িক সহযোগী বেশির ভাগ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য হলেও দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। তবে চীনের মুদ্রা ইউয়ান অফিসিয়াল কারেন্সি হওয়ার পর সরাসরি আমদানি ও রপ্তানি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কেউ ইউয়ানে এলসি নিষ্পত্তি করতে চাইলে করতে পারে। এখন দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি যেন নিষ্পত্তি করতে পারে, সে জন্য এ রকম সিদ্ধান্ত হয়েছে।

 

দৈনিক প্রথম আলো প্রধান শিরোনাম করেছে: ‘ঈদে লম্বা ছুটি, বাড়ি যাবেন বেশি মানুষ

খবরটিতে বলা হচ্ছে যে, আসন্ন ঈদুল ফিতরে এবার লম্বা ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। আর সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও লম্বা ছুটির সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে এবার ঈদে বেশিরভাগ মানুষ গ্রামমুখী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এই ধারণা সত্যি হলে এবার ঈদে পর্যাপ্ত সংখ্যক যানবাহনের অভাবে গ্রামমুখী মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে বলে প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়নকাজের কারণে মহাসড়কে যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে বলেও খবরে বলা হয়েছে।

ছুটির ফিরিস্তি দিয়ে খবরে আরও বলা হয়েছে যে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার ১০শে এপ্রিল থেকে ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকতে পারে। এর পরদিন অর্থাৎ ১৩ই এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। তার পরেরদিন আবার পয়লা বৈশাখের ছুটি। অর্থাৎ সরকারি ছুটি পাঁচ দিন নিশ্চিত। এর বাইরে শবে কদরের পর যদি কেউ দু’দিন ছুটি নিতে পারেন, তাহলে তিনি টানা ১০ দিন বাড়িতে কাটাতে পারবেন। কারণ, শবে কদরের আগের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024