সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় নতুন নাগরিকের ক্ষেত্রে মেক্সিকোর পর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত মালদ্বীপের ক্ষমতাসীন দল পুনরায় সরকার গঠন করতে যাচ্ছে মানুষ ও হাতি একসাথে বাঁচার লড়াই : আশঙ্কাজনকহারে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে উভয়ই যদি  বিচারে ট্রাম্প দোষি সাবস্ত্য হন স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৩৬) স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোন আপোষ করা হবেনা: বিএনএফ প্রেসিডেন্ট দিবারাত্রির কাব্য: মানিক বন্দোপধ্যায় ( ৪৫ তম কিস্তি ) কাতারের আমির আজ ঢাকায়, বাংলাদেশ যা যা চাইছে সৌর ও বায়ু শক্তির বিদ্যুত সবচেয়ে সস্তা এ ধারনা ভুল 

 ‘৩০ হাজার টাকায় রোহিঙ্গা হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি!’, ‘নতুন নির্দেশনা ঋণখেলাপির সুযোগ’, ফল এবং শাকসবজি গেম চেঞ্জার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ৪.২৪ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক 

চট্টগ্রামে রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে বেপরোয়া অপরাধীরা, নীরব চাঁদাবাজি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার মাশুল দিচ্ছে নগরবাসী’ দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। খবরটিতে বলা হয়েছে যে,  চট্টগ্রামে রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অপরাধীরা। পাহাড় কাটা, মানব পাচার, বন্যপ্রাণী পাচার, প্রাণঘাতী মাদক ইয়াবা-ফেনসিডিল-আইস ব্যবসা, মানুষের জায়গাজমি, ঘরবাড়ি দখল, ফুটপাত ব্যবসা, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রব্যবসা এবং প্রকাশ্য ও নীরব চাঁদাবাজিসহ প্রায় সব ধরনের অপকর্মের নেপথ্যে কোনো না কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবিধারীদের নাম শোনা যায়। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি জন্মসনদ নিয়ে নাগরিক হয়ে যাচ্ছে অসৎ জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায়।

পুলিশ বলছে, শুধু পারিবারিক সহিংসতা ছাড়া বাকি প্রায় সব ক্ষেত্রেই অপরাধীরা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করার চেষ্টা করে। তাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য কথিত ‘বড় ভাই’ পুলিশের কাছে তদবির করে। অপরাধীদের সঙ্গে একশ্রেণির পুলিশ সদস্যের সখ্য রয়েছে। তারা বড় কোনো অপরাধ ঘটানোর আগে স্থানীয় থানা থেকে সবুজ সংকেত নেয়। থানায় নিয়মিত মাসোহারা দেয় বলে পুলিশকে খুব একটা তৎপর দেখা যায় না। ফলে ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে আইনের আশ্রয় পান না। থানা থেকে তাদের আদালতে যেতে বলা হয়। অপরাধীদের নেটওয়ার্ক আদালত পর্যন্ত বিস্তৃত। অপরাধীদের আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট আইনজীবীও রয়েছে। তারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করা, জামিন পাইয়ে দেওয়াসহ নানা ধরনের আইনি সহযোগিতা দেয়। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কেউ মামলা করলে তারা পালটা মামলা দিয়ে নিরীহ লোকজনকে ঘায়েল করার চেষ্টা করে।

 

৪২% শিক্ষকের পদ খালি রেখে চলছে সরকারি মেডিকেল কলেজ’- দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার একটি খবরের শিরোনাম এটি। বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে,  সারা দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজ চলছে শিক্ষকের ঘাটতি নিয়ে। এই ঘাটতির মধ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন চিকিৎসক। সমস্যাটি বহু বছরের পুরোনো, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সদিচ্ছার অভাবে তা দূর হচ্ছে না। প্রথমে মৌলিক বিষয়গুলোতে কত শিক্ষক দরকার, তা নির্ণয় করতে হবে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের নিজস্ব কোনো হাসপাতাল নেই। হাতেকলমে শিখতে ও সন্ধ্যাকালীন পাঠ নিতে শিক্ষার্থীদের যেতে হয় জেলা সদর হাসপাতালে। প্রতিদিন চারবার যাওয়া-আসায় কমপক্ষে চার ঘণ্টা সময় চলে যায়। এভাবে চলছে ১২ বছর। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০০৮ সালে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। কলেজটি ঝিলংজা ইউনিয়নে। আর সদর হাসপাতাল শহরের মধ্যে। কলেজ ও হাসপাতালের দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। যাওয়া-আসা করতে হয় শহরের মধ্য দিয়ে।কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন গত রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এমবিবিএস তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস করতে হয় দিনে দুবার, সকালে ও সন্ধ্যায়। একবার যেতে এক ঘণ্টা সময় যায়। এভাবে দুবার যাওয়া ও দুবার আসায় প্রতিদিন চার ঘণ্টা সময় চলে যায়। শিক্ষার্থীদের ওপর বড় চাপ যাচ্ছে।’

বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে, কলেজে আরও সমস্যা আছে। গত শনিবার পঞ্চম বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, কলেজে পর্যাপ্তসংখ্যক শিক্ষক নেই। প্রত্যেক বিভাগে শিক্ষকের স্বল্পতা আছে। অফথালমোলজি বা চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগে একজনও শিক্ষক নেই। কলেজ কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে একজন অধ্যক্ষসহ শিক্ষকের পদ আছে ৯৫টি। এর মধ্যে ৪২ জন শিক্ষকের পদ খালি। এই কলেজে অধ্যাপকের পদ আছে ১৫টি, এর মধ্যে ১২টি পদই খালি। কলেজ পড়ানোর কাজ চালাচ্ছেন মূলত প্রভাষকেরা। তাঁদের পদ আছে ২৫টি, তাঁদের মধ্যে আছেন ২১ জন। ৪৪ শতাংশ শিক্ষক ছাড়াই চলছে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ।

 

বিভিন্ন দেশের কারাগারে ,৩৭০ জন বাংলাদেশি আটক’- দৈনিক সংবাদের প্রথম পাতার একটি খবর এটি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের বরাত দিয়ে বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে, ৯ হাজার ৩৭০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক বা প্রবাসী বিদেশের কারাগারে আটক রয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ২৭টি দেশের কারাগারে তাঁরা বন্দী আছেন। এর মধ্যে সৌদি আরবের কারাগারে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৪৬ জন আটক আছেন। এরপর তুরস্কে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০৮ জন বন্দী আছেন। সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

খবরে বলা হয়েছে,  পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ২২৬ জনকে লিবিয়া থেকে, ৫১ জনকে ফ্রান্স ও ইউরোপের অন্যান্য দেশের জেলখানা থেকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভারত, মিয়ানমার এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জেলখানা থেকে আরও প্রায় ১ হাজার ৯৫০ জন বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে।

 

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার প্রধান  শিরোনাম ‘Next step for farmers: Fruits and vegetables can be a gamechanger’. খবরে বলা হচ্ছে,  বিশ্বের জন্য শীর্ষস্থানীয় ফল এবং উদ্ভিজ্জ (F&V) উত্সগুলির মধ্যে একটিতে নিজেকে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের। শুধু রপ্তানির জন্য নয়, এফএন্ডভিতে দেশীয় ব্যবহারের জন্যও একটি বিশাল সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। যেহেতু আমরা 2030  এবং তার পরেও সামনের দিকে তাকাচ্ছি, ভারতীয় খাদ্যের ফোকাস শুধুমাত্র ক্যালোরি নিরাপত্তা থেকে পুষ্টি-সুরক্ষিত মানসিকতায় স্থানান্তরিত হচ্ছে, যার ফলে F&V-এর মাথাপিছু খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান খাদ্যতালিকাগত চাহিদা পূরণ করা দেশে উদ্যান চাষে উত্থান ঘটাতে থাকবে।  খবরে বলা হচ্ছে,  হর্টিকালচারের উৎপাদন বৃদ্ধি চাষাবাদের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এনেছে এবং বীজ, কৃষি রাসায়নিক ও সার সমন্বিত কৃষি-ইনপুট সেক্টরের জন্য অপার সম্ভাবনা উন্মোচন করে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে দীর্ঘমেয়াদে বিঘ্নের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বীজের মধ্যে রয়েছে, যখন স্বল্প মেয়াদে কৃষি রাসায়নিকের জন্য উপলব্ধিযোগ্য সম্ভাবনা বিশাল। ডিজিটাল এবং প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং জৈব-ভিত্তিক এবং টেকসই সমাধানগুলির উপর বর্ধিত ফোকাসের সাথে মিলিত, ভারত জুড়ে বহু উদ্যানপালন মূল্য শৃঙ্খলে জর্জরিত কিছু মূল চ্যালেঞ্জের মৌলিকভাবে সমাধান করতে তার মূল দশকে প্রবেশ করছে।

 

কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম ‘ ৩০ হাজার টাকায় রোহিঙ্গা হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি!‘। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেয়র, চেয়ারম্যান কিংবা ইউনিয়ন সচিবের আইডি ব্যবহার করে তাঁদের কম্পিউটার অপারেটর ও অন্য সহযোগীদের সহায়তায় রোহিঙ্গাসহ হাজার হাজার অপরাধীর ভুয়া জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে পাঁচ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে। সেই জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র। তা দিয়ে রোহিঙ্গারাও পেয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি পাসপোর্ট, দাগি আসামিরা ঠিকানা বদল করে নতুন ঠিকানায় জন্ম সনদ নিয়ে আবারও অপরাধে জাড়াচ্ছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ করে অপকর্ম চালিয়ে যাওয়া এই চক্রের পাঁচ সদস্যকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। গ্রেপ্তাররা হলেন—শহিদুল ইসলাম মুন্না, রাসেল খান, মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুর রশিদ ও সোহেল চন্দ্র। দিনাজপুর, বাগেরহাট ও নারায়ণগঞ্জ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।  তদের মধ্যে দুজন কম্পিউটার অপারেটর, একজন স্থানীয় একটি গার্মেন্টের কর্মী এবং অন্য দুজন পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটখাটো কাজে নিয়োজিত। ডিবি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চক্রটি তিন হাজার থেকে চার হাজার জন্ম সনদ করেছে।

 

দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনামনতুন নির্দেশনা ঋণখেলাপির সুযোগ তৈরি করবেবিস্তারিত খবরে বলা হচ্ছে, খেলাপি বা মন্দ ঋণ (রাইট অব) অবলোপনের সময় এক বছর কমিয়ে দুই বছর নির্ধারণ করে নতুন নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা শিথিল হওয়ার ফলে এতদিন কোনো ঋণ ‘মন্দ’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার তিন বছর পার হওয়ার পর তা অবলোপন (রাইট অব) করা যেতো। এখন থেকে তা করা যাবে দুই বছর পরই। এ ছাড়া যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খেলাপি ঋণ থাকলে ওই ঋণ কোনো মামলা ছাড়াই অবলোপন বা ব্যাংকের মূল হিসাব থেকে বাদ দেয়া যাবে। এ ছাড়া সামনের দিনে অবলোপন করা ঋণ ‘বিক্রির’ সুযোগও রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা নতুন নীতিমালায় এমন সুযোগ দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবলোপন করলে ব্যালেন্স শিট থেকে হাজার কোটি টাকা বাদ হয়ে যাবে। তখন ব্যালেন্স শিট দেখতে একটু ভালো দেখাবে। এজন্য এরকম সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। আর নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে ঋণ খেলাপির সুযোগ আরও বাড়বে। অবলোপন বা রাইট অব হচ্ছে মন্দ মানের ঋণকে ব্যাংকের স্থিতিপত্র থেকে (ব্যালেন্স শিট) বাদ দিয়ে আলাদা হিসাবে রাখা। বর্তমানে অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, দুই বছরের মন্দ বা ক্ষতিজনিত ঋণ অবলোপন হলে এক সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমবে ৪৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এটা হলে সার্বিকভাবে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ কম দেখানো যায়। এতে ওই ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখায়।

 

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Fraudsters sneak into NID server again’ বা প্রতারকরা ফের এনআইডি সার্ভারে ঢুকেছে।  বিস্তারিত খবরে বলা হচ্ছে, প্রতারকরা আবারও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবস্থায় অ্যাক্সেস পেয়েছে, ক্লোন করা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারী পরিষেবা প্রদানের জন্য অননুমোদিত ব্যবহারের জন্য সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য অর্জনের মাধ্যমে তাদের সিস্টেমটি শোষণ করার অনুমতি দিয়েছে।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ডিভিশনের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ একটি সরকারি ওয়েবসাইট ক্লোনিংয়ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে গ্রেপ্তার করে এই র‌্যাকেটটি ফাঁস করেছে।

বিস্তারিত খবরে বলা হচ্ছে, তদন্তকারীরা বলছেন, এই চক্রটি ভুয়া জমি ভাড়া প্রদানের শংসাপত্র, টিআইএন নম্বর, জনশক্তি ব্যুরো, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের শংসাপত্র, প্রবাসীদের জন্য স্বাস্থ্য সনদ, ট্যাক্স সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং বিভিন্ন হারে সচ্ছলতা শংসাপত্র সহ বিভিন্ন পরিষেবা সরবরাহ করছিল। তারা এই পরিষেবাগুলি প্রদানের জন্য “sebacenter.xyz” নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে এবং সেইসাথে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মতো বেশ কয়েকটি ক্লোন করা ওয়েবসাইট তৈরি করেছে৷

 

চেয়ারম্যানকাঠের পুতুলএমপিইউএনও সর্বেসবা‘- দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়েছে, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বসতে নেতারা যে এত উতলা, আদতে ওই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এলাকায় ‘কাঠের পুতুল’! জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে প্রত্যক্ষভাবে জনগণেরই কল্যাণ করতে পারছেন না তারা। এলাকার উন্নয়নে তারা পান না সরকারি কোনো বরাদ্দ। স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাই (ইউএনও) এলাকার সর্বেসর্বা। উপজেলার প্রতিটি উন্নয়নকাজ হয় কমিটির মাধ্যমে। চেয়ারম্যানরা কমিটির সভাপতি থাকলেও উপদেষ্টা করা হয় স্থানীয় এমপি আর ইউএনওকে। ফলে কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে চেয়ারম্যানদের প্রস্তাব অনেক ক্ষেত্রে ধোপে টেকে না!

খবরে বলা হয়েছে, উপজেলা চেয়ারম্যানরা মাস গেলে ভাতা পান মাত্র ১০ হাজার টাকা। ভাইস চেয়ারম্যানরা আরও কম– ৭ হাজার ৫০০। ভাইস চেয়ারম্যানরা ভাতার বাইরে আর কিছু না পেলেও চেয়ারম্যান হাঁকাতে পারেন একটি জিপগাড়ি; সঙ্গে চালক আর মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি। উপজেলায় নির্বাহী ক্ষমতা থাকার কথা চেয়ারম্যানের হাতে। আর সাচিবিক দায়িত্ব ইউএনওর। তবে নির্বাহী ক্ষমতা সব সময় থেকেছে ইউএনওর হাতেই। এ প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর দুমকী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদসহ পাঁচ জনপ্রতিনিধি আদালতে মামলা করেন। সেই মামলায় গত ২৯ মার্চ হাইকোর্ট ইউএনওদের সাচিবিক দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। এরপর ইউএনওদের পক্ষ থেকে আপিল করলে সেটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024