০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
ফিফার বিতর্কিত ২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহারকে সমর্থন করলেন আর্সেন ওয়েঙ্গার পাকিস্তানের দাপট, সেঞ্চুরিতে শফিক-ব্যাটে জ্বলে উঠলেন বাবর ৫০ বছরের কম বয়সী নারীদের স্তন ক্যানসারের ৯৫ শতাংশ ঝুঁকি শনাক্তে ব্যর্থ বর্তমান নির্দেশিকা: কেমব্রিজ গবেষণা যুক্তরাজ্যে আগাম মুক্তি নীতিতে পরিবর্তন: ধর্ষণ ও শিশু যৌন নির্যাতন মামলার দণ্ডিতরা আর পাবেন না সুবিধা রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত, তদন্তে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ আইন প্রণয়ন কি বিতর্কের জন্য, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলপ্রয়োগের জন্য? রাজধানীর হাতিরঝিলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঠাও রাইডার ভারত থেকে বেনাপোলে এলো ৯.২ টন কাঁচা মরিচ, দাম কমার আশায় বাজার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাচের নতুন দুনিয়ায় পা রাখলেন কোরিয়ার তারকা নৃত্যপরিচালক হরমুজে জাহাজে হামলার পর নতুন অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে সংশয়

ভারত থেকে বেনাপোলে এলো ৯.২ টন কাঁচা মরিচ, দাম কমার আশায় বাজার

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৯.২ টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে। সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে কাঁচা মরিচবাহী একটি ট্রাক ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, শুল্ক ও বন্দরের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর একই রাতেই চালানটি খালাস ও ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

আমদানি ও খরচের হিসাব

চালানটি আমদানি করেছে শিমু এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শিমু শিপিং লাইনস কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ছাড়পত্র গ্রহণ করে।

ভারত থেকে প্রথম চালানে এলো ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ

আমদানিকারক শাহাজান আলী জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। অল্প মুনাফা রেখে বাজারে পণ্যটি বিক্রি করা হবে। তার দাবি, আমদানির পরিমাণ বাড়লে বাজারদর কমতে পারে। তবে কাস্টমস ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার জটিলতার কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

সরকারের অনুমতিতে আমদানি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অনুমতির পর ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বাজারে দামের চিত্র

মঙ্গলবার সকালে বেনাপোল পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ প্রায় ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। ব্যবসায়ীদের আশা, আমদানি বাড়তে থাকলে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং বাজারদরও ধীরে ধীরে কমে আসবে।

আমদানি-সংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, প্রতি টন কাঁচা মরিচের ঘোষিত আমদানি মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কেজি প্রায় ২৪ টাকা। এর সঙ্গে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪৫ টাকা শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। ফলে মৌলিক আমদানি ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৭৮ টাকা।

ভারত থেকে প্রথম চালানে এলো ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ

তবে আমদানিকারকদের ভাষ্য, পরিবহন, কাস্টমস, বন্দর পরিচালনা এবং খালাস-সংক্রান্ত অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে প্রকৃত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

আরও চালান আসছে

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, ভারত থেকে আসা ৯.২ টন কাঁচা মরিচ দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খালাস দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি কাঁচা মরিচবোঝাই ট্রাক অপেক্ষা করছে এবং সেগুলো মঙ্গলবারের যেকোনো সময় বন্দরে প্রবেশ করতে পারে।

দেশীয় বাজারে সরবরাহ সংকট ও ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতেই সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফার বিতর্কিত ২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহারকে সমর্থন করলেন আর্সেন ওয়েঙ্গার

ভারত থেকে বেনাপোলে এলো ৯.২ টন কাঁচা মরিচ, দাম কমার আশায় বাজার

০৩:১৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৯.২ টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে। সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে কাঁচা মরিচবাহী একটি ট্রাক ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, শুল্ক ও বন্দরের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর একই রাতেই চালানটি খালাস ও ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

আমদানি ও খরচের হিসাব

চালানটি আমদানি করেছে শিমু এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শিমু শিপিং লাইনস কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ছাড়পত্র গ্রহণ করে।

ভারত থেকে প্রথম চালানে এলো ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ

আমদানিকারক শাহাজান আলী জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। অল্প মুনাফা রেখে বাজারে পণ্যটি বিক্রি করা হবে। তার দাবি, আমদানির পরিমাণ বাড়লে বাজারদর কমতে পারে। তবে কাস্টমস ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার জটিলতার কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

সরকারের অনুমতিতে আমদানি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অনুমতির পর ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বাজারে দামের চিত্র

মঙ্গলবার সকালে বেনাপোল পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ প্রায় ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। ব্যবসায়ীদের আশা, আমদানি বাড়তে থাকলে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং বাজারদরও ধীরে ধীরে কমে আসবে।

আমদানি-সংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, প্রতি টন কাঁচা মরিচের ঘোষিত আমদানি মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কেজি প্রায় ২৪ টাকা। এর সঙ্গে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪৫ টাকা শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। ফলে মৌলিক আমদানি ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৭৮ টাকা।

ভারত থেকে প্রথম চালানে এলো ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ

তবে আমদানিকারকদের ভাষ্য, পরিবহন, কাস্টমস, বন্দর পরিচালনা এবং খালাস-সংক্রান্ত অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে প্রকৃত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

আরও চালান আসছে

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, ভারত থেকে আসা ৯.২ টন কাঁচা মরিচ দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খালাস দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি কাঁচা মরিচবোঝাই ট্রাক অপেক্ষা করছে এবং সেগুলো মঙ্গলবারের যেকোনো সময় বন্দরে প্রবেশ করতে পারে।

দেশীয় বাজারে সরবরাহ সংকট ও ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতেই সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে।