০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
মৃত্যুদণ্ড সত্ত্বেও দেশে ফেরার পরিকল্পনার ‘জুয়া’ কেন খেলছেন শেখ হাসিনা শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষোভ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তথ্যচিত্র নিয়ে দিনে হট্টগোল ও রাতে সরকারের দুঃখ প্রকাশ হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথে ইরান-ওমানের সমঝোতা, যৌথ ব্যবস্থাপনায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ বিশ্ব ব্যাডমিন্টনে ভারতের বড় আশা, শুরুতেই সহজ ম্যাচ সিন্ধু-লক্ষ্যের, কঠিন পরীক্ষায় আয়ুষ ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে জ্বালানিমন্ত্রী: পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চেয়েছে বাংলাদেশ বৃষ্টি সবার জন্য সমান নয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেই দলবিরোধী সিদ্ধান্ত বৈধ নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কেরালায় বন্যায় নিহতদের পরিবারকে ৮ লাখ রুপি সহায়তা, মৃত বেড়ে ২৬

স্বর্ণ খাতকে আইনি কাঠামোয় আনছে সরকার, গয়না রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে আসছে নতুন নীতি

দেশের স্বর্ণ খাতকে দীর্ঘদিনের অনানুষ্ঠানিক অবস্থা থেকে বের করে একটি বৈধ, স্বীকৃত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবসা খাতে রূপ দিতে ‘গোল্ড পলিসি ২০১৮ (সংশোধিত) ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে লিখিত মতামত আহ্বান করেছে। আগামী রোববারের মধ্যে এসব মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে খসড়া নীতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে স্বর্ণ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে যথাযথ নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অভাবে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। এর জন্য শুধু ব্যবসায়ীদের দায়ী না করে নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক দুর্বলতাকেও দায়ী করেন তিনি।

স্বর্ণ খাতকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনার লক্ষ্য

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসা খাতের মতো স্বর্ণ ব্যবসাকেও আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে চায় সরকার। এতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বৈধ আমদানি, রাজস্ব আদায়, স্বর্ণের মজুদ ও লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক ও কর পরিশোধ করবেন এবং সরকারও এ খাতের জন্য উপযোগী নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও বলেন, বৈধভাবে আমদানি করা স্বর্ণের ক্রয়, বিক্রি ও সংরক্ষণের প্রতিটি ধাপ হিসাবের আওতায় আনতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে জানতে হবে ব্যবসায়ীদের কাছে কত স্বর্ণ রয়েছে, কত বিক্রি হচ্ছে এবং সেগুলোর উৎস কী।

মূল্য সংরক্ষণ ও অর্থনীতিতে স্বর্ণের গুরুত্ব

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, মুদ্রার অন্যতম কাজ হলো মূল্য সংরক্ষণ করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণও একইভাবে মূল্য সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণের মজুদ রাখে।

তার ভাষায়, যদি ৪০০ কোটি বা এক হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ স্বর্ণ বৈধভাবে দেশে আমদানি হয়ে এখানেই থাকে, তাহলে সেই সম্পদের মূল্য দেশের মধ্যেই সংরক্ষিত হবে। অবৈধভাবে বিদেশে চলে গেলে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পাচার রোধে মূল্য ব্যবধান কমানোর ওপর জোর

স্বর্ণ পাচার ঠেকাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের দামের মধ্যে অস্বাভাবিক পার্থক্য না রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, প্রতিবেশী বা আঞ্চলিক বাজারের তুলনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম অনেক কম থাকলে তা অবৈধভাবে বাইরে পাচারের অর্থনৈতিক প্রণোদনা তৈরি করে।

তিনি আরও বলেন, শুল্ক ও কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে দুবাইসহ আন্তর্জাতিক স্বর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোর বাজারদর বিবেচনায় নিতে হবে।

একুশে পত্রিকা

গয়না উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন সুযোগ

খসড়া নীতিতে শুধু স্বর্ণ আমদানিই নয়, দেশে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে গয়না উৎপাদন ও রপ্তানির সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টার মতে, যৌক্তিক ও কম শুল্কে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ তৈরি হলে দেশীয় কারিগর ও উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের গয়না উৎপাদন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, একদিকে আন্তর্জাতিক দামে আমদানি করা স্বর্ণ মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা—বিশেষ করে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণের ব্যবহার—বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টিও নীতিতে প্রতিফলিত হতে হবে।

চূড়ান্তের আগে আন্তর্জাতিক নীতির সঙ্গে তুলনা

খসড়া নীতি চূড়ান্ত করার আগে ভারতসহ তিন থেকে চারটি স্বর্ণালংকার রপ্তানিকারক দেশের নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তাদের আমদানি ব্যবস্থা, শুল্ক কাঠামো, মজুদ ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি সুবিধা এবং তদারকি পদ্ধতির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে সম্ভাব্য ঝুঁকি, প্রশ্ন ও বাস্তবায়নসংক্রান্ত জটিলতা চিহ্নিত করে লিখিত মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা।

বৈঠকে জানানো হয়, বিভিন্ন পক্ষের মতামত সংগ্রহের পর প্রয়োজন হলে আরও একটি অংশীজন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংশোধিত স্বর্ণনীতি দ্রুত চূড়ান্ত করা হবে। বৈঠকে বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপতি এনামুল হক খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফসহ এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও স্বর্ণ খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

স্বর্ণ খাতকে বৈধ ও স্বচ্ছ করতে নতুন নীতির খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। বৈধ আমদানি, গয়না রপ্তানি, রাজস্ব বৃদ্ধি ও পাচার রোধে থাকছে একাধিক উদ্যোগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড সত্ত্বেও দেশে ফেরার পরিকল্পনার ‘জুয়া’ কেন খেলছেন শেখ হাসিনা

স্বর্ণ খাতকে আইনি কাঠামোয় আনছে সরকার, গয়না রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে আসছে নতুন নীতি

০৭:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

দেশের স্বর্ণ খাতকে দীর্ঘদিনের অনানুষ্ঠানিক অবস্থা থেকে বের করে একটি বৈধ, স্বীকৃত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবসা খাতে রূপ দিতে ‘গোল্ড পলিসি ২০১৮ (সংশোধিত) ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে লিখিত মতামত আহ্বান করেছে। আগামী রোববারের মধ্যে এসব মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে খসড়া নীতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে স্বর্ণ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে যথাযথ নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অভাবে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। এর জন্য শুধু ব্যবসায়ীদের দায়ী না করে নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক দুর্বলতাকেও দায়ী করেন তিনি।

স্বর্ণ খাতকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনার লক্ষ্য

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসা খাতের মতো স্বর্ণ ব্যবসাকেও আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে চায় সরকার। এতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বৈধ আমদানি, রাজস্ব আদায়, স্বর্ণের মজুদ ও লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক ও কর পরিশোধ করবেন এবং সরকারও এ খাতের জন্য উপযোগী নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও বলেন, বৈধভাবে আমদানি করা স্বর্ণের ক্রয়, বিক্রি ও সংরক্ষণের প্রতিটি ধাপ হিসাবের আওতায় আনতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে জানতে হবে ব্যবসায়ীদের কাছে কত স্বর্ণ রয়েছে, কত বিক্রি হচ্ছে এবং সেগুলোর উৎস কী।

মূল্য সংরক্ষণ ও অর্থনীতিতে স্বর্ণের গুরুত্ব

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, মুদ্রার অন্যতম কাজ হলো মূল্য সংরক্ষণ করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বর্ণও একইভাবে মূল্য সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণের মজুদ রাখে।

তার ভাষায়, যদি ৪০০ কোটি বা এক হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ স্বর্ণ বৈধভাবে দেশে আমদানি হয়ে এখানেই থাকে, তাহলে সেই সম্পদের মূল্য দেশের মধ্যেই সংরক্ষিত হবে। অবৈধভাবে বিদেশে চলে গেলে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পাচার রোধে মূল্য ব্যবধান কমানোর ওপর জোর

স্বর্ণ পাচার ঠেকাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের দামের মধ্যে অস্বাভাবিক পার্থক্য না রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, প্রতিবেশী বা আঞ্চলিক বাজারের তুলনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম অনেক কম থাকলে তা অবৈধভাবে বাইরে পাচারের অর্থনৈতিক প্রণোদনা তৈরি করে।

তিনি আরও বলেন, শুল্ক ও কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে দুবাইসহ আন্তর্জাতিক স্বর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোর বাজারদর বিবেচনায় নিতে হবে।

একুশে পত্রিকা

গয়না উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন সুযোগ

খসড়া নীতিতে শুধু স্বর্ণ আমদানিই নয়, দেশে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে গয়না উৎপাদন ও রপ্তানির সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টার মতে, যৌক্তিক ও কম শুল্কে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ তৈরি হলে দেশীয় কারিগর ও উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের গয়না উৎপাদন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, একদিকে আন্তর্জাতিক দামে আমদানি করা স্বর্ণ মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা—বিশেষ করে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণের ব্যবহার—বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টিও নীতিতে প্রতিফলিত হতে হবে।

চূড়ান্তের আগে আন্তর্জাতিক নীতির সঙ্গে তুলনা

খসড়া নীতি চূড়ান্ত করার আগে ভারতসহ তিন থেকে চারটি স্বর্ণালংকার রপ্তানিকারক দেশের নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তাদের আমদানি ব্যবস্থা, শুল্ক কাঠামো, মজুদ ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি সুবিধা এবং তদারকি পদ্ধতির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে সম্ভাব্য ঝুঁকি, প্রশ্ন ও বাস্তবায়নসংক্রান্ত জটিলতা চিহ্নিত করে লিখিত মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা।

বৈঠকে জানানো হয়, বিভিন্ন পক্ষের মতামত সংগ্রহের পর প্রয়োজন হলে আরও একটি অংশীজন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংশোধিত স্বর্ণনীতি দ্রুত চূড়ান্ত করা হবে। বৈঠকে বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপতি এনামুল হক খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফসহ এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও স্বর্ণ খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

স্বর্ণ খাতকে বৈধ ও স্বচ্ছ করতে নতুন নীতির খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। বৈধ আমদানি, গয়না রপ্তানি, রাজস্ব বৃদ্ধি ও পাচার রোধে থাকছে একাধিক উদ্যোগ।