০৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬
ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন আকাশযুদ্ধের কিংবদন্তি ল্যাঙ্কাস্টার: ভুল পরিকল্পনা থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ বোমারু বিমানের উত্থান ‘প্যানজার’ ভেবে ভুল, আসলে ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী প্যাটন ট্যাংক চীনের চাপের মুখে যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদার, তাইওয়ানের বৃহত্তম সামরিক মহড়া শুরু এক দশকের ভালোবাসার প্রতিদান, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম স্টেডিয়াম কনসার্ট নিয়ে ফিরছেন চার্লি পুথ রোগীর আস্থা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফল ব্যবহার সম্ভব নয়: সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাপটের গাড়ি থেকে ‘ভয়ের প্রতীক’: কেন বদলে গেল মাহিন্দ্রা থারের ভাবমূর্তি? কর্মক্ষেত্রে আহত শ্রমিকদের আইনি লড়াই কঠিন হয়ে উঠছে, আইনজীবীর সংকটে বাড়ছে ভোগান্তি জাতিসংঘের সামনে তিব্বতি কর্মীর আত্মাহুতি, নতুন করে আলোচনায় তিব্বত আন্দোলন ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: উদযাপনের অপেক্ষায় ভক্তরা, কিন্তু বাড়ছে হতাশা

ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উত্তর আটলান্টিক জোট বা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর সীমিত ধরনের হামলা চালিয়ে জোটটির ঐক্য ও প্রতিক্রিয়া যাচাই করার চেষ্টা করতে পারেন—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের নতুন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এই হামলা সরাসরি বড় আকারের যুদ্ধ নাও হতে পারে; বরং সাইবার আক্রমণ, সীমান্তে ছোট পরিসরের অনুপ্রবেশ কিংবা পরিচয় গোপন রেখে সশস্ত্র বাহিনী পাঠানোর মতো কৌশলও ব্যবহার করা হতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধের চাপ বাড়ার সঙ্গে বদলেছে মূল্যায়ন

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, আগে ধারণা ছিল ইউক্রেনে যুদ্ধ চলাকালে পুতিন ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশকে উসকে দেবেন না। তবে চলতি বছরে সেই মূল্যায়ন বদলেছে। কারণ ইউক্রেনে রাশিয়ার অগ্রগতি ধীর হয়ে এসেছে, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ছে রুশ বাহিনী এবং ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি খাত ক্রমেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে থাকা পুতিন নতুন কোনো পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

কী ধরনের হামলার আশঙ্কা?

গোয়েন্দা মূল্যায়নে সম্ভাব্য কয়েকটি পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কোনো ন্যাটো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে সাইবার হামলা, পরিচয়হীন সশস্ত্র দল পাঠিয়ে সীমিত এলাকা দখলের চেষ্টা অথবা পূর্ব ইউরোপের কোনো ন্যাটো সদস্যের সীমান্তে ছোট আকারের সামরিক অনুপ্রবেশ।

এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ চলতি শরৎকাল থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে ঘটতে পারে বলে মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও স্থলপথে সরাসরি সীমিত হামলার সম্ভাবনাকে এখনো কম বলা হচ্ছে, তবে সময় যত এগোবে সেই ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ন্যাটোর ঐক্য ভাঙাই হতে পারে লক্ষ্য

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, এমন কোনো পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হবে ন্যাটোর সদস্যদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ানো।

বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটোর সমষ্টিগত প্রতিরক্ষার নীতি সরাসরি সামরিক হামলার ক্ষেত্রে স্পষ্ট হলেও সাইবার বা মিশ্র ধরনের হামলার জবাব কী হবে, সেই প্রশ্নে এখনো কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারে রাশিয়া।

আগেও দেখা গেছে সীমান্তে উত্তেজনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় নেতারা ইতোমধ্যে এমন কিছু ঘটনার দিকে নজর দিচ্ছেন, যেগুলোকে ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া যাচাইয়ের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের পোল্যান্ডে পড়ে যাওয়া এবং রোমানিয়ার আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশের মতো ঘটনা।

যদিও এসব ঘটনার ব্যাখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও পশ্চিমা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এগুলো ভবিষ্যতের আরও বড় কৌশলের পূর্বাভাস হতে পারে।

ন্যাটো কী

অস্ত্রের মজুদ নিয়ে নতুন উদ্বেগ

প্রতিবেদনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদ আগের তুলনায় কমে গেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা।

দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র, স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদ ইউক্রেনকে সহায়তা এবং ইরান-সংক্রান্ত সংঘাতে ব্যবহারের কারণে কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এই ঘাটতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে এবং প্রয়োজনে যেকোনো সময় সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আছে। একই সঙ্গে অস্ত্র উৎপাদন আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

চীনকেও ঘিরে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান উদ্বেগ শুধু রাশিয়াকে ঘিরে নয়। যদি যুক্তরাষ্ট্রকে একই সময়ে একাধিক অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে অস্ত্রের মজুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্র ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলাও আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এবং বিশ্বজুড়ে নতুন কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই মূল্যায়ন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন

ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন

০৯:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উত্তর আটলান্টিক জোট বা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর সীমিত ধরনের হামলা চালিয়ে জোটটির ঐক্য ও প্রতিক্রিয়া যাচাই করার চেষ্টা করতে পারেন—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের নতুন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এই হামলা সরাসরি বড় আকারের যুদ্ধ নাও হতে পারে; বরং সাইবার আক্রমণ, সীমান্তে ছোট পরিসরের অনুপ্রবেশ কিংবা পরিচয় গোপন রেখে সশস্ত্র বাহিনী পাঠানোর মতো কৌশলও ব্যবহার করা হতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধের চাপ বাড়ার সঙ্গে বদলেছে মূল্যায়ন

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, আগে ধারণা ছিল ইউক্রেনে যুদ্ধ চলাকালে পুতিন ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশকে উসকে দেবেন না। তবে চলতি বছরে সেই মূল্যায়ন বদলেছে। কারণ ইউক্রেনে রাশিয়ার অগ্রগতি ধীর হয়ে এসেছে, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ছে রুশ বাহিনী এবং ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি খাত ক্রমেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে থাকা পুতিন নতুন কোনো পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

কী ধরনের হামলার আশঙ্কা?

গোয়েন্দা মূল্যায়নে সম্ভাব্য কয়েকটি পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কোনো ন্যাটো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে সাইবার হামলা, পরিচয়হীন সশস্ত্র দল পাঠিয়ে সীমিত এলাকা দখলের চেষ্টা অথবা পূর্ব ইউরোপের কোনো ন্যাটো সদস্যের সীমান্তে ছোট আকারের সামরিক অনুপ্রবেশ।

এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ চলতি শরৎকাল থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে ঘটতে পারে বলে মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও স্থলপথে সরাসরি সীমিত হামলার সম্ভাবনাকে এখনো কম বলা হচ্ছে, তবে সময় যত এগোবে সেই ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ন্যাটোর ঐক্য ভাঙাই হতে পারে লক্ষ্য

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, এমন কোনো পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হবে ন্যাটোর সদস্যদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ানো।

বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটোর সমষ্টিগত প্রতিরক্ষার নীতি সরাসরি সামরিক হামলার ক্ষেত্রে স্পষ্ট হলেও সাইবার বা মিশ্র ধরনের হামলার জবাব কী হবে, সেই প্রশ্নে এখনো কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারে রাশিয়া।

আগেও দেখা গেছে সীমান্তে উত্তেজনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় নেতারা ইতোমধ্যে এমন কিছু ঘটনার দিকে নজর দিচ্ছেন, যেগুলোকে ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া যাচাইয়ের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের পোল্যান্ডে পড়ে যাওয়া এবং রোমানিয়ার আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশের মতো ঘটনা।

যদিও এসব ঘটনার ব্যাখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও পশ্চিমা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এগুলো ভবিষ্যতের আরও বড় কৌশলের পূর্বাভাস হতে পারে।

ন্যাটো কী

অস্ত্রের মজুদ নিয়ে নতুন উদ্বেগ

প্রতিবেদনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদ আগের তুলনায় কমে গেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা।

দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র, স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদ ইউক্রেনকে সহায়তা এবং ইরান-সংক্রান্ত সংঘাতে ব্যবহারের কারণে কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এই ঘাটতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে এবং প্রয়োজনে যেকোনো সময় সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আছে। একই সঙ্গে অস্ত্র উৎপাদন আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

চীনকেও ঘিরে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান উদ্বেগ শুধু রাশিয়াকে ঘিরে নয়। যদি যুক্তরাষ্ট্রকে একই সময়ে একাধিক অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে অস্ত্রের মজুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্র ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলাও আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এবং বিশ্বজুড়ে নতুন কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই মূল্যায়ন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।