১২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
হরমুজ প্রণালীকে ‘অস্ত্র’ বানিয়ে দীর্ঘদিন চাপ ধরে রাখতে পারবে ইরান ১৩ বছরের কিশোরকে চাপা দিয়ে হত্যার পরও দুই বছরেই মুক্তি, ক্ষোভে ফুঁসছে পরিবার সিসিলির উপকূলে ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান জাহাজের সন্ধান, মিলেছে শত শত প্রাচীন পাত্র সমুদ্রের নিচে ৭০ কিলোমিটার ছুটে যায় তিমির ভয়ংকর ডাক, কেন এত জোরে ডাকে বিজ্ঞানীরাও নিশ্চিত নন তীব্র ঝাঁকুনিতে বিমান ৯১ মিটার নিচে, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের মাদক পরীক্ষা ইংরেজি ভাষা নিয়ে প্রচলিত তিন ধারণা, যেগুলো আসলে পুরোপুরি সত্য নয় ইউক্রেনের আকাশে ভয়াবহ শূন্যতা, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে মিত্রদের দিকেই তাকিয়ে কিয়েভ আগুনে পুড়ে ছাই ফ্রান্সের গ্রাম, ঘরে ফিরে বাসিন্দাদের একটাই প্রশ্ন—কেন রক্ষা করা গেল না? ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেও জীবনকে ভালোবাসতে শিখিয়েছিলেন সিডনি টোউল ইউরোপের বিমানবন্দরে পাঁচ ঘণ্টার লাইন, নতুন সীমান্ত ব্যবস্থায় ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ বাড়াতে নীতিমালা করছে সরকার

জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনে বেসরকারি খাতের ভূমিকা নির্ধারণ করে একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখাই প্রস্তাবিত ‘বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

বেসরকারি বিনিয়োগ ও অবকাঠামো কাজে লাগানোর উদ্যোগ

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এর আওতায় জাতীয় স্বার্থে বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে কাজে লাগানো হবে।

বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালার খবরকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল  সরকার | The Business Standard

বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতি বা সংকটের সময়ে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্ষমতাকে ব্যবহার করে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

নীতিমালার চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও সুপারিশ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। অর্থাৎ, খসড়া প্রণয়নের পর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এর চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

জনস্বার্থ ও প্রতিযোগিতার ওপর জোর

জ্বালানি বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কেবল তখনই, যখন তা জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।

বিভাগটি স্পষ্ট করে বলেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালার আওতায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

বেসরকারি তেল আমদানির নীতিমালা নিয়ে 'অনুমাননির্ভর তথ্য' প্রচারে সতর্কতা -  সময়ের কাগজ

জ্বালানি বিভাগের এই অবস্থান এমন সময়ে এসেছে, যখন প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। এসব আলোচনার মধ্যে কিছু অনুমাননির্ভর ও ভুল তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

ভুল তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান

জ্বালানি বিভাগ বলেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অনুমানভিত্তিক ও অসঠিক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ বা মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ কীভাবে বাড়ানো যায়, তার একটি নীতিগত কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে নীতিমালাটি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত নেওয়ার পরই এর চূড়ান্ত রূপ নির্ধারণ করা হবে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীকে ‘অস্ত্র’ বানিয়ে দীর্ঘদিন চাপ ধরে রাখতে পারবে ইরান

বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ বাড়াতে নীতিমালা করছে সরকার

১০:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণনে বেসরকারি খাতের ভূমিকা নির্ধারণ করে একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখাই প্রস্তাবিত ‘বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

বেসরকারি বিনিয়োগ ও অবকাঠামো কাজে লাগানোর উদ্যোগ

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এর আওতায় জাতীয় স্বার্থে বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে কাজে লাগানো হবে।

বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালার খবরকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল  সরকার | The Business Standard

বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতি বা সংকটের সময়ে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্ষমতাকে ব্যবহার করে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

নীতিমালার চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও সুপারিশ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। অর্থাৎ, খসড়া প্রণয়নের পর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এর চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

জনস্বার্থ ও প্রতিযোগিতার ওপর জোর

জ্বালানি বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কেবল তখনই, যখন তা জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।

বিভাগটি স্পষ্ট করে বলেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালার আওতায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

বেসরকারি তেল আমদানির নীতিমালা নিয়ে 'অনুমাননির্ভর তথ্য' প্রচারে সতর্কতা -  সময়ের কাগজ

জ্বালানি বিভাগের এই অবস্থান এমন সময়ে এসেছে, যখন প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। এসব আলোচনার মধ্যে কিছু অনুমাননির্ভর ও ভুল তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

ভুল তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান

জ্বালানি বিভাগ বলেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অনুমানভিত্তিক ও অসঠিক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ বা মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ কীভাবে বাড়ানো যায়, তার একটি নীতিগত কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে নীতিমালাটি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত নেওয়ার পরই এর চূড়ান্ত রূপ নির্ধারণ করা হবে।