ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে বিক্ষোভ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মেট্রোরেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের পর প্রথমে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। পরে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
সকাল থেকেই সড়কে শ্রমিকদের অবস্থান
সকাল থেকেই মিরপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে পোশাকশ্রমিক মিরপুর-১০ এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। পরে তাঁরা সড়কে অবস্থান নিয়ে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিকদের অবস্থানের কারণে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ এবং পল্লবীসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্মস্থলগামী মানুষ, যাত্রী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, ছত্রভঙ্গ শ্রমিকরা
একপর্যায়ে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। দুপুর ১২টার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিরপুর-১০ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।
এরপর বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মিরপুর-২, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১৪ এলাকার বিভিন্ন সড়কে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থান নেন।
মিরপুর-১০ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর-১০ এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে সীমিত পরিসরে কিছু যানবাহন চলাচল শুরু হলেও অধিকাংশ সড়ক প্রায় ফাঁকা। পুলিশ কাউকে সড়কে দাঁড়াতে দিচ্ছে না।
মিরপুর থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
মেট্রোরেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ থাকায় মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীদের বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করতে হচ্ছে।












