মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৯)
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ভেষজ ডাক্তারের বিশেষ কাজ দৈনন্দিন জীবনের খুব স্বাভাবিক দিক হল রোগ ভোগ।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ভেষজ ডাক্তারের বিশেষ কাজ দৈনন্দিন জীবনের খুব স্বাভাবিক দিক হল রোগ ভোগ।
শশাঙ্ক মণ্ডল লবণ তৃতীয় অধ্যায় এ সময়ে সল্ট চৌকির সুপার যিনি অবশ্যই সাহেব হবেন তাঁর মাসিক বেতন দুই হাজার টাকা।
শ্রী নিখিলনাথ রায় রাজস্ববিষয়ে নন্দকুমারের দক্ষতা দিন দিন বৃদ্ধি পাইতে থাকার, নবাব আলিবর্দী খাঁর রাজত্বসময়ে তিনি হিজলী ও মহিষাদলের আমীন নিযুক্ত হইয়া, উক্ত পরগণাদ্বয়ের রাজস্বসংগ্রহে প্রবৃত্ত হন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় জমি সংরক্ষণের পবিত্রতা এবং আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা মায়াদের মধ্যে প্রচলিত লোকাচার, ধর্মীয় বিশ্বাস মূলত তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে একাত্মভাবে জড়িয়ে আছে।
শশাঙ্ক মণ্ডল লবণ তৃতীয় অধ্যায় ১৮৪৬ খ্রীষ্টাব্দে বালিয়া লবণ চৌকির (তখনও বসিরহাট নামটি বহুল প্রচলিত হয়নি) ভারোগা ছিল শেখ কাসিমুদ্দিন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় সেই সময়ে ভারতের চতুদ্দিকে ঘোর রাজনৈতিক বিপ্লব উপস্থিত হইয়াছিল। কিন্তু বাঙ্গলারাজ্য তৎকালে কাৰ্য্যদক্ষ নবাবাগ্রণী মুর্শিদকুলীর তর্জনীতাড়নে স্থিরভাবে শাসিত হইতেছিল।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক ক্ষেত্রে গুহার নাম অনুযায়ীই নিকটতম বসতির নামকরণ করা হয়েছে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় এ প্রবন্ধে মহারাজ নন্দকুমারের একটি। সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রদত্ত হইতেছে। তাঁহার জীবনী সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের আলোক ও অন্ধকারে মিশ্রিত।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় শবাধার মাটিতে পোঁতা বা কবর দেবার রীতি মায়াদের মধ্যে শব বা শবাধার নিয়ে বিশেষ রীতি বা আচার ছিল।
শশাঙ্ক মণ্ডল লবণ তৃতীয় অধ্যায় প্রায়ই অসংখ্য চোরাই নৌকা বে-আইনি লবণসহ নদীতে ধরা পড়ত।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় মায়াদের ধর্মীয় বিশ্বাস, রীতি, আচার এসবে মধ্যে ছিল নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।
শশাঙ্ক মণ্ডল লবণ তৃতীয় অধ্যায় লর্ড কর্নওআলিস অবশ্য সীমাবদ্ধ কিছু এলাকায় নীলামের ব্যবস্থা করেছিলেন- বণিকদের একচেটিয়া ব্যবসা খর্ব করার জন্য ১৮৩৩ খ্রীষ্টাব্দে এই নীলাম প্রথা রদ করা হল।
পাতা ১২১ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা