মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৬৫)
শ্রী নিখিলনাথ রায় গিরিয়া হইতে অর্দ্ধ ক্রোশের কিছু অধিক দক্ষিণপূর্ব্ব মিঠিপুর নামে এক গ্রাম আছে; মিঠিপুর হইতে খামরা পর্যন্ত বিস্তৃত প্রান্তরের নামই জালিম সিংহের মাঠ।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
শ্রী নিখিলনাথ রায় গিরিয়া হইতে অর্দ্ধ ক্রোশের কিছু অধিক দক্ষিণপূর্ব্ব মিঠিপুর নামে এক গ্রাম আছে; মিঠিপুর হইতে খামরা পর্যন্ত বিস্তৃত প্রান্তরের নামই জালিম সিংহের মাঠ।
শ্রী নিখিলনাথ রায় পরে তিনি গিরিয়া হইতে গওস খাঁ, তাঁহার পুত্রদ্বয়ের ও অন্যান্য সহচরের মৃতদেহ উত্তোলন করিয়া ভাগলপুরে লইয়া গিয়া আবার সমাহিত করেন এবং আয়ুঃপূর্ণ হইলে প্রিয় শিষ্য গওস খাঁর পার্শ্বে নিজেও সমাহিত হন।
সারাক্ষণ ডেস্ক উপমহাদেশের বরেণ্য ইতিহাসবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষক অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে প্রবর্তন করা হয়েছে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন স্বর্ণপদক।
শ্রী নিখিলনাথ রায় তাঁহার সমাধি অদ্যাপি বর্ত- মান আছে। সরফরাজের সহিত আলিদ্দীর যে যুদ্ধ হর, তাহা দিরিয়া আমের নিকট এবং ভাগীরথীর পূর্ব তীরে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় শিবির সন্নিবেশ করিয়া পিপিনা পর্যন্ত অগ্রসর হইয়াছিলেন। নবাব সরফরাজ খ।
শ্রী নিখিলনাথ রায় গিরিয়াপ্রান্তর পূর্ব্ব-পশ্চিমে চারি ক্রোশের অধিক হইবে এবং উত্তর দক্ষিণে খামরা হইতে সূতী পর্যন্তও প্রায় চারি ক্রোশ।
শ্রী নিখিলনাথ রায় গিরিয়া মুর্শিদাবাদ হইতে প্রায় পঞ্চদশ ক্রোশ উত্তরে এবং বর্তমান জঙ্গী- শুর উপবিভাগের নিকট, একটি বিশাল প্রান্তর ভাগীরথীর সলিল-প্রবাহ দ্বারা দ্বিধা বিভক্ত হইয়া বিরাজ করিতেছে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় দুই বংশ উত্তররাঢ়ীয় কায়স্থ বলিয়া এইরূপ ভ্রম হওয়ার সম্ভাবনা; কিন্তু ডাহাপাড়াবংশীয়েরা মিত্র ও ভট্টবাটীবংশীয়েরা সিংহ।
শ্রী নিখিলনাথ রায় লক্ষ্মীনারায়ণ মৃত্যুসময়ে গঙ্গাগোবিন্দ সিংহকে স্বীয় নাবালক পুত্র সূর্য্যনারায়ণের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত করিয়া যান।
শ্রী নিখিলনাথ রায় আলিবন্দীর সময় হইতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পর্যন্ত লক্ষ্মী- নারায়ণ ও মহেন্দ্রনারায়ণ এই দুই জনে কাননগোর কার্য্য করিতেন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় রাজস্বমন্ত্রীর কার্য্য করিতেন; রাজস্ববিভাগের যাবতীয় বন্দোবস্ত তাঁহা- দের হস্তে ন্যস্ত ছিল।
শ্রী নিখিলনাথ রায় দর্পনারায়ণ ডাহাপাড়ায় বাসবাটী নির্মাণ করেন। যদিও এক্ষণে বঙ্গাধিকারিগণের পুনর্ব্বার নূতন বাটা নিৰ্ম্মিত হইয়াছে, তথাপি সেই পুরাতন বাটীর চিহ্ন এখনও স্থানে স্থানে বর্তমান আছে।
পাতা ১৪৪ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা