পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫৫)
ডোরা কাটা মসলিনকে বলা হতো ডোরিয়া। ডোরিয়া লম্বায় ছিল দশ থেকে বারো গজের মতো আর চওড়ায় এক গজ। ওয়াইজ লিখেছেন, আদমশুমারিতে ডোমদের।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ডোরা কাটা মসলিনকে বলা হতো ডোরিয়া। ডোরিয়া লম্বায় ছিল দশ থেকে বারো গজের মতো আর চওড়ায় এক গজ। ওয়াইজ লিখেছেন, আদমশুমারিতে ডোমদের।
হিয়াং চিএ চিউ চাঙ্গ সুয়ান ফা গ্রন্থে আব্দ হই, ১১০০ খ্রীষ্টাব্দে চিয়া হিয়েন প্রমুখেরা দ্বিপদ সহগগুলিকে ত্রিভুজাকৃতিতে সাজানোর কথা বলেছেন।
মৃতদের স্মরণে মানুষের দীর্ঘ অভিযাত্রা পৃথিবীর নানা প্রান্তে মানুষ নানা উপায়ে প্রিয়জনের স্মৃতি রক্ষা করেছে।
দেবী সিংহ যদি কেই অত্যাচারের বিভীষিকাময়ী মূর্ত্তি দেখিতে ইচ্ছা করেন, যদি কেহ মানব প্রকৃতির মধ্যে শয়তানবৃত্তির পাপ অভিনয় দেখিতে চাহেন, তাহা হইলে তিনি…
ষোলো শতাব্দীতে বু-চেন-ইন্ লিখিত 'বাঁদর' নামক বিখ্যাত কৌতুকাবহ আখ্যায়িকায় তিনি এক ঐন্দ্রজালিক শক্তিসম্পন্ন সাধু পর্যটকরূপে অঙ্কিত হয়েছেন।
গোপীকান্ত মোহান্তের অমৃতের সন্তান উপন্যাসে দেখা যায় ডোমরা হলো শিকারি এবং চোর, উড়িষ্যার বনাঞ্চলের ডোমদের তিনি এভাবে চিহ্নিত করেছেন।
'পুব্বাহুপুব্বি হেট্টা সময়াভেএণ কুণজহাজেট্টং উপরিমতুল্লং পুরত্ত নসেজ্জ পুব্বতমো সেসে। এই শ্রেণীতে প্রথম পদ এক, সাধারণ বৃদ্ধি এক এবং পদসংখ্যা ছয়।
নিজ হাতে বহু পুঁথির চৈনিক ত্রিপিটকে হিউএনচাঙ কর্তৃক অনূদিত অনুলিপি করেন। পঁচাত্তর খানা গ্রন্থ আজও আছে।
বিশ শতকের ঘাট দশকেও আবেদ অ্যান্ড কোং ছিল ঢাকার এ ধরনের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান। ... অদ্য ঢাকা নগরী একটি প্রধান রত্নে বিবর্জিতা হইল।
এ ব্যাপারে গাণিতিক সূত্রাদি অনুযোগদ্বারসূত্রেই দেখতে পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে বিখ্যাত ভাষ্মকার এবং গণিতবিদ ভট্রোৎপল এ সম্পর্কে একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে গেছেন।
হিউ এনচাঙ শুধু হাতে আসেন নি। কুড়িটি সুসজ্জিত অশ্বে তাঁর আনীত দ্রব্যগুলি জাঁকজমকে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হল।
উপকৃতা রমণীগণ স্বীয় শিশক্রোড়ে করিয়া রাজপথের এক পাশে দণ্ডায়মান। হইয়া হাপিত্যেশ করিতে লাগিল।
পাতা ৪০ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা