প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)
স্মীথের থিয়ন প্রীতি ছাড়াও মূলাকর্ষণ সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করতেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
স্মীথের থিয়ন প্রীতি ছাড়াও মূলাকর্ষণ সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করতেন।
গঙ্গাগোবিন্দ নবদ্বীপ প্রভৃতি স্থানের পণ্ডিতদিগকে বৃত্তি প্রদান করিয়া উৎসাহিত করিতেন, এবং তাঁহাদিগের গৃহাদির সংস্কার ও ছাত্রগণের আহারপরিচ্ছদের ব্যয়ের জন্য অজস্র অর্থ প্রদান করিতেন।
বিখ্যাত সম্রাট পুলকেশিন উত্তর-ভারতের সম্রাট হর্ষবর্ধনের প্রত্যেক আক্রমণ রোধ করে তাঁর দাক্ষিণাত্যে অগ্রসরের চেষ্ট। ব্যর্থ করে দেন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্রছাত্রীরা মিছিল বের করেছিলেন।
বহু পাশ্চাত্ত্য গণিত ঐতিহাসিক দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য বা প্রথম আর্যভটের প্রণালীকে গ্রীক প্রণালী বলে অভিহিত করেন।
এইরূপ মহাসমারোহে দেওয়ানজীর মাতৃশ্রাদ্ধ সম্পন্ন হয়। এজ জমিদার ও অন্ত্যান্ত ভূস্বামিগণ যে যথাসাধ্য অথবা সাধ্যাতিরিক্ত নজর প্রদান করিয়াছিলেন, তাহা বোধ হয়, নূতন করিয়া উল্লেখ করিতে হইবে না।
“১৯৭৭-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা বুঝতেই পারিনি যে জনসমর্থন আমাদের দিকে রয়েছে।
বিখ্যাত ভাস্কর্য 'গঙ্গাবতরণ' যখন খোদা হয় সে সময় নিজেই উপস্থিত ছিলেন।
আব-ই-রওয়ান মসলিনের নানা ধরন ছিল। মুঘল আমলে ঢাকার তৈরি এক ধরনের মসলিনের নাম ছিল আব-ই-রওয়ান। আব-ই-রওয়ান ফার্সি শব্দ। এর অর্থ 'প্রবাহিত পানি'।
এইভাবে পুনরায় ভাগফলের দ্বিগুণ করিতে হইবে। 'পুনরায় সমরাশির দ্বার। ভাগ করিতে হইবে এবং ভাগফলের বর্গ দ্বারা ভাগ করিতে হইবে।
নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন।
আবদুস সালাম (১৯২৫-১৯৫২] ভাষা শহিদ আবদুস সালাম ভাষা শহিদ আবদুস সালাম ছিলেন শিল্প বিভাগের পিয়ন। থাকতেন নীলক্ষেত ব্যারাকে।
পাতা ৪৯ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা