পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭)
আগা মসিহ লেন অনেকেই মনে করেন আগা বাকেরের পুত্র আগা সাদেক ও আগা মসিহ।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
আগা মসিহ লেন অনেকেই মনে করেন আগা বাকেরের পুত্র আগা সাদেক ও আগা মসিহ।
তথ্যথা-সমচতুরশ্রমোত্রমালিখ্য অষ্টধা বিভজ্য ত্রিকচতুদ্ধবিস্তারায়ামানি চত্বারি আয়ত চতুরস্র ক্ষেত্রাণি পঞ্চকর্ণানি পরিকল্পয়েত,। তত্রৈবং পরিকল্পিতচতুরশ্রায়তচতুরশ্রক্ষেত্রকর্ণ-বাহুকং সমচতুরশ্রং ক্ষেত্রং মধ্যেহবতিষ্ঠতে।
কাঠের বিমানে মৃত্যুঝুঁকির মিশনে বিমান ছিল কাঠের তৈরি। হাতে ছিল না কোনো গান, রেডিও কিংবা প্যারাশুট।
সভাতে নদীয়ার ও নাটোরের ব্রাহ্মণরাজকে শ্রেষ্ঠ আসন দেওয়া হইয়াছিলা, তৎপরে বর্দ্ধমান, দিনাজপুর, তাহার পর যশোহরের ও পাটুলীর মহাশয়দিগের আসন স্থাপন করা হয়।
বুদ্ধের মৃত্যুর পর তাঁর কথিত উপদেশগুলি যথাযথ রক্ষণ করবার জন্যে রাজগৃহেই তাঁর শিষ্যদের প্রথম সভা হয়।
আই সি ডি ডি আর বি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৬০ সালে মহাখালীতে অনেকটা জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি।
১। (ক) প্রথম ভাস্করাচার্য আর্যভটায়ের টাকায় এই শ্লোকটির নিম্নলিখিত ব্যাখ্যা করেছেন- বর্গঃ করণী কৃতিঃ বর্গণা যাবকরণমিতি পর্যায়াঃ।
উৎকোচ গ্রহণ, জমিদারীলাভ প্রভৃতিতে অগাধ সম্পত্তির অধীশ্বর হইয়া, গঙ্গাগোবিন্দ অনেক সময়ে নিজ ঐশ্বর্য্যগর্ব্বের পরিচয় দিয়াছিলেন।
এই প্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ এখনো দেখা যায়। অজাতশত্রু শোন নদীর তীরে পাটলীপুত্রনগর স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু তাঁর রাজধানী নূতন রাজগৃহেই ছিল।
অভয়চরণ দাস (১৮২৮-১৮৯২) আজ তিনি বিস্মৃত কিন্তু উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকায় ছিলেন তিনি খ্যাতিমান। বিক্রমপুরের বিখ্যাত দাস পরিবারে জন্ম। সামান্য ইংরেজি শিক্ষা করেছিলেন।
বর্গ ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বর্গ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে। তবে পদ্ধতি-গত ভাবে আলোচনা শুরু হয় প্রথম আর্যভটের সময় থেকে।
জনৈক সভ্য ষ্টেবল্ল্স সাহেব গঙ্গাগোবিন্দের বিরুদ্ধে মত দিয়া সালবাড়ী প্রত্যর্পণ করিতে এবং গঙ্গাগোবিন্দ ও প্রাণকৃষ্ণকে পদচ্যুত করিয়া রাজস্ববিভাগের সমস্ত ভার রায়রায়ান রাজা রাজবল্লভের হস্তে অর্পণ করিতে অনুরোধ করেন।
পাতা ৫৩ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা