প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৯২)
ভগ্নাংশের প্রাথমিক নিয়মাদি ভগ্নাংশ সম্পর্কে প্রথম আর্যভটের পরবর্তী সকলেই কিছু না কিছু আলোচনা করেছেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ভগ্নাংশের প্রাথমিক নিয়মাদি ভগ্নাংশ সম্পর্কে প্রথম আর্যভটের পরবর্তী সকলেই কিছু না কিছু আলোচনা করেছেন।
ইহাদের মধ্যে বিবাদ উপস্থিত হওয়ায়, অবশেষে সকাউন্সিল গবর্ণর জেনারেলের উপর বিবাদ মীমাংসার ভার পতিত হয়।
নালন্দা আমাদের কিছু সৌভাগ্যবশতঃ চৈনিক পরিব্রাজকরা মুসলমান আক্রমণের প্রায় অব্যবহিত পূর্বে ভারতে এসে ভারতীয় সভ্যতার কিছু কিছু বিবরণ দিয়ে গিয়েছেন।
রক্ত দেওয়ার প্রথা মায়া, আজতেক এবং ইনকা সভ্যতার একটি সাধারণ মিল দেখা যায় সাধারণত মানুষের দেহ থেকে রক্ত দেওয়ার প্রথার মধ্যে।
অনুবাদ নিষ্প্রয়োজন। (৬) ভাগমাতৃ-এ সম্পর্কে স্পষ্ট করে আলোচনা করেছেন শ্রীধরাচার্য ও মহাবীরাচার্য।
শম্ভুচন্দ্রের মুখে - তদীয় পিতা ও কর্মচারিগণ কর্তৃক স্বীয় নিন্দাবাদশ্রবণে সিংহ ক্রুদ্ধ সিংহের ন্যায় কৃষ্ণচন্দ্রের সমস্ত প্রার্থনা নিষ্ফল করিয়া, শম্ভুচন্দ্রকে নদীয়ার জমিদারী দিবার জন্য গবর্ণর জেনারেলকে পরামর্শ প্রদান করেন।
হিউএনচাঙ বুদ্ধগয়ায় আট-নয় দিন থেকে একে একে সমস্ত পবিত্র স্থানগুলিতে পূজা দিলেন।
যন্ত্রপাতি ইনকা এবং আজতেকদের জীবন ও সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নিজস্ব ও দেশজ নানা যন্ত্রপাতি।
ব্রহ্মগুপ্তের আলোচনায় এ ধরণের ভাগ ভাগের প্রকাশ না থাকলেও P ধরণের প্রকাশ আছে। তাঁর এটিকে ভগ্নাংশের ভাগ বলাই শ্রেয়।
এইরূপে নিজে রাজস্বসমিতির দেওয়ান ও নায়েব কাননগো এবং পুত্র প্রাণকৃষ্ণকে নায়েব দেওয়ানের পদে নিযুক্ত করিয়া, গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ সিংহপরাক্রমে রাজস্ববিভাগের বন্দোবস্ত আরম্ভ করিলেন।
হিউএনচাঙ দেখলেন যে, একটা মূর্তি বুক পর্যন্ত মাটির নীচে চলে গিয়েছে। প্রগাঢ় ভক্তিসহকারে বোধিক্রমের দিকে চেয়ে থেকে তিনি সাষ্টাঙ্গ প্রণত হলেন।
গুহা মন্দির-এর পবিত্রতা আজতেক এবং মায়া জনসমাজের অন্যতম সাধারণ বৈশিষ্ট্য হল গুহামন্দির এবং গুহার পবিত্রতা।
পাতা ৫৮ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা