প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৮৩)
প্রদীপ কুমার মজুমদার বেদ- ৪ কারণ আমাদের শাস্ত্রে চারটি বেদ যথা ঋক, সাম, যজু ও অথর্ববেদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেইহেতু বেদ ৪ লেখা হয়।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
প্রদীপ কুমার মজুমদার বেদ- ৪ কারণ আমাদের শাস্ত্রে চারটি বেদ যথা ঋক, সাম, যজু ও অথর্ববেদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেইহেতু বেদ ৪ লেখা হয়।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু রাজা এ কথায় কর্ণপাত করলেন না।- 'আপনার এ শিষ্যের আপনার প্রতি ভক্তি অসীম। আপনাকে পূজা নিবেদন করতে আমি বদ্ধপরিকর।
প্রদীপ কুমার মজুমদার তিন-৩; অগ্নি, বৈদিক শাস্ত্রে তিন ধরনের অগ্নি যথা দক্ষিণাগ্নি, গার্হপত্যয় অগ্নি, ও আহ্বানীয় অগ্নি'র কথা উল্লেখ থাকাতে অগ্নি-৩ ধরা হয়।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু রাজাও সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে তখনই মশালের আলোতে পরিব্রাজককে অভ্যর্থনা করে এক মহামূল্য আচ্ছাদনে সজ্জিত জমকালো তাঁবুতে স্থাপন করলেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার এক- ১ চন্দ্র। যেহেতু চন্দ্র একটি অতএব একের পরিবর্তে চন্দ্র শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু হামির মরূদ্যানে হিউএনচাঙ একটি সঙ্ঘারামে কিছুদিন যাপন করেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার শূন্য, (বিন্দু) জলবিন্দু যেমন অতিক্ষুদ্র এবং নিরবয়ব। এতই ক্ষুদ্র যে শূন্য মনে হয়।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এরা যে ভাষা ব্যবহার করতেন, যে ভাষায় শত শত সংস্কৃত গ্রন্থ এঁরা অনুবাদ করেছেন সে ভাষা এখন মৃত (আধুনিক পণ্ডিতরা তার নাম দিয়েছেন তুষারীয় বা তুথারীয়)।
প্রদীপ কুমার মজুমদার নামসংখ্যার ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ ইতিহাস প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্র, গণিতগ্রন্থ, কোষ, "ও প্রয়োগ ইতিহাস সম্বন্ধে কিছু জানা যায়।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এইসমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার ফলে এদেশের পুরাকালের সভ্যতার ইতিহাস প্রকাশ হয়ে পড়ছে।মরুভূমি ক্রমশ বিস্তারলাভ করে এসব দেশের বহু নগর গ্রাম ইত্যাদি গ্রাস করে ধ্বংস করেছে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার এখানে দেখা যাচ্ছে যে একই সংখ্যা কিন্তু নাম সংখ্যার প্রয়োগ দুটি ভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু চীনদেশ থেকে ভারতে বা অন্য কোনো সভ্যদেশে স্থলপথে আসতে হলে এই প্রদেশের উত্তর দিকের বা দক্ষিণ দিকের মরূদ্যানগুলি ধ'রে আসা ছাড়া অন্য উপায় নেই।আধুনিককালে এদেশের সৃভ্যতা বস্তুতঃ মৃতই বলা চলে।
পাতা ৮৯ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা