এ নাম্বারে ফোন দিও
বড় উদাস ছিল সে হাওয়া— যখন রাজলক্ষ্মী প্রতিদিন হেঁটে ফিরত তার মাসির বাড়িতে ওই পথে ওই সময়ে কলেজের সব কাজ ফেলে আমারও যাবার…
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
বড় উদাস ছিল সে হাওয়া— যখন রাজলক্ষ্মী প্রতিদিন হেঁটে ফিরত তার মাসির বাড়িতে ওই পথে ওই সময়ে কলেজের সব কাজ ফেলে আমারও যাবার…
অচল সিকি জেবুন্নেসা বললে, 'এতো সিরিয়াস হচ্ছো কেন? এমনিই বললাম-' চা-বিস্কুট বাবদ আট আনা হলো ওদের। এনামুল দিতে যাচ্ছিলো, জেবুন্নেসা বাধা দিলো।
অচল সিকি কথা বলতে বলতে বুড়োর গলা ধরে এলো। পাতলা ছানি পড়া চোখে ওদের দিকে তাকিয়ে রইলো।
অচল সিকি বুড়ো ফোকলা গালে মাড়ি চিতিয়ে শিশুর মতো ফিক করে হাসলো। তারপর সে অনেক কথাই বললে, যে কথার সব বোঝা যায় না।
অচল সিকি যে রাস্তা ধরে তারা এতোক্ষণ দ্রুত পায়ে হাঁটছিলো এবার সে প্রাচীন অশথ গাছের বীথি ঘেঁষে ধনুকের মতো বাঁক নিলো।
অচল সিকি শালবন পার হয়ে ওরা এইবার সরু পিচের রাস্তায় উঠলো। দুপুরের রোদ ধু ধু করছে।
অচল সিকি 'তবু যদি তোমার মতো আবলুস কাঠ হতাম।' খিলখিল করে হাসতে হাসতে জেবুন্নেসা ওর গায়ের ওপর ভেঙে পড়লো, 'তোমাকে দেখে অনেক দিন আগের একটা কথা মনে পড়ছে, আমার দাদুর হাতের থেলো হুঁকো-' 'সন্দেহ কি!
অচল সিকি তোমার মতো মুরোদের মানুষ গাঁ-গেরামের কুমড়ো ক্ষেতে কতো কাত হয়ে পড়ে আছে, দেখোগে-' 'আমার মতো মাসে দেড়শো টাকার সিগ্রেটখানেওলা একটাও দেখাতে পারবে?'
অচল সিকি 'এটা মনগড়া কথা! বিয়ে করার কোনো দরকারই আমার হতো না। তুমি তো জানোই, বন্ধুমহলে চালাক বলে আমার কিছুটা সুনাম ছিলো।
অষ্টম পরিচ্ছেদ 'ওহে, তোমার চাবুকখান দাও দিকি,' কালো দাড়ি একজন গাড়োয়ানকে চিৎকার করে বলল। লোকটা তার ঘোড়ার মাথার কাছটাতে ভয়ে-ভয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
অচল সিকি কতো বয়েস এই সূর্যের? অদ্ভুত অদ্ভুত সব কথা মনে হয় জেবুন্নেসার।
অষ্টম পরিচ্ছেদ তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স'টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই ছিল আমার ইচ্ছে।
পাতা ১১ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা