রণক্ষেত্রে (পর্ব-৪৬)
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ ফেদিয়া চুপ করে রইল বটে, কিন্তু ওর ধরনধারণে অবজ্ঞার ভাব ফুটে উঠল।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ ফেদিয়া চুপ করে রইল বটে, কিন্তু ওর ধরনধারণে অবজ্ঞার ভাব ফুটে উঠল।
আসাদ মান্নান বসন্তের বক্ষ ছেড়ে যাত্রা করে দূরন্ত বৈশাখ; এই মাসে বাঙালির প্রিয় কবি রবীন্দ্রনাথের জন্ম হয় --আজ তাঁর শুভ জন্মদিন: এই দিনে…
নজরুল অল্প সময়ের মধ্যেই কবি তাঁহার লেখা শেষ করিয়া আমার নিকট চলিয়া আসিলেন। আমি অনুরোধ করিলাম, "কী লিখেছেন আগে আমাকে পড়ে শোনান।"
নজরুল সাধারণ কৌতূহলের বশেই মোজাম্মেল হক সাহেবের সঙ্গে দেখা করিতে গেলাম। তিনি তখন কারমাইকেল হোস্টেলে থাকিতেন।
নজরুল রামানন্দবাবুর বাড়ি আবার যাইয়া কড়া নাড়িতেই এক নারী-কণ্ঠের আওয়াজ শুনিতে পাইলাম।
নজরুল আবার সেই খবরের কাগজ বিক্রয় করিতে যাই। পথে পথে 'নায়ক নায়ক'- বলিয়া চিৎকার করি।
নজরুল জাতীয় বিদ্যালয়ের এই সব মাস্টারের চাইতে আমাদের ফরিদপুরের জেলা-ইস্কুলের দক্ষিণাবাবু কত সুন্দর পড়ান, যোগেনবাবু পণ্ডিত মহাশয় কত ভালো পড়ান।
নজরুল আমাদের সংসার ছিল দিন আনিয়া দিন খাওয়া। কেহই বেশি উপার্জন করিতে পারিত না।
নজরুল কিন্তু এসব উপদেশ আমার কানে প্রবেশ করিল না। এইভাবে প্রতিদিন সকালে উঠিয়া খবরের কাগজ বিক্রয় করিতে ছুটিতাম।
নজরুল প্রত্যেক ঘর হইতে পাখার শব্দ আসিত, আর মাঝে মাঝে ছারপোকা মারার শব্দ শোনা যাইত।
নজরুল পদ্মানদীর তীরে আমাদের বাড়ি। সেই নদীর তীরে বসিয়া নানা রকমের কবিতা লিখিতাম, গান লিখিতাম, গল্প লিখিতাম।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ এই পর্যন্ত বলে ফেদিয়া ঘন ঘন নিশ্বাস ফেলতে লাগল যেন সেইমাত্র ও ষাঁড়টার হাত থেকে উদ্ধার পেয়ে এসেছে।
পাতা ২৩ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা