পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৭২)
বড়ু সেদিন তাহারা আরও কি কি গান গাহিয়াছিল মনে নাই। বাড়ি ফিরিতে ফিরিতে কেবলই মনে হইতেছিল, এই অভাগিনী ভানু নামের মেয়েটি যেন বস্তু।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
বড়ু সেদিন তাহারা আরও কি কি গান গাহিয়াছিল মনে নাই। বাড়ি ফিরিতে ফিরিতে কেবলই মনে হইতেছিল, এই অভাগিনী ভানু নামের মেয়েটি যেন বস্তু।
বড়ু ইহারও বহুদিন পরে। তখন আমি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এম এ পড়ি। যখনই আমি দেশে আসিতাম গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়িতে যাইতাম।
তেহের ফকির দাউদাউ করিয়া ধামাইলের কাঠ জ্বলিতে লাগিল। ফকির তখন হাতে সুন্দরী কাঠের একখানা রুল লইয়া সেই আগুনের চারিদিকে ঘুরিতে লাগিলেন।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ 'ইডিয়ট কোথাকার!' মনে মনে বললুম আমি। অপমানে আর সুখারেভের প্রতি ঘেন্নায় আমার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে উঠেছিল।
তেহের ফকির আমাদের গ্রামে বাঁশ নাচানো দেখানো শেষ হইলে ফকিরের শিষ্যেরা অন্যান্য গ্রামে যাইত। শোভারামপুর, গোয়ালচামট, পরানপুর, শ্যামসুন্দরপুর, কত গ্রামেই ফকিরের শিষ্যেরা যাইত।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ ও'দের কথাবার্তা কিছু, কিছু কানে আসছিল আমার: 'এগিয়ে গিয়ে খাদটা এটু পরখ করি দেখা দরকার।' 'ঘোড়সওয়ার লিয়ে?'
তেহের ফকির আমাদের গ্রামে তাঁতিপাড়ার রহিম মল্লিকের গানের কথা আগেই উল্লেখ করিয়াছি। রহিম মল্লিকের পিতার নাম ছিল তেহের ফকির।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ আমরা জামা বদলাবদলি করে নিলুম। দাঁও কষতে পেরে দু-জনেই খুব খুশি।
অন্যান্য সেবাকাজ সেবার আমাদের বন্ধু শান্তি গাঙ্গুলীর ছোট ভাই বটুর টাইফয়েড হইল। রাঙা টুকটুকে ছয়-সাত বৎসরের ছেলেটি।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ 'কিন্তু এতে লোকটা আরও বেশি খেপে যাবে না? এর জন্যেই লাল ফৌজকে ও আরও বেশি করে ঘেন্না করবে-যে?'
অন্যান্য সেবাকাজ তখন পাড়ায় বাহির হইলাম শ্মশানযাত্রীর খোঁজে। প্রায় সব বাড়িতেই জ্বর। দুই-একজন যাহারা ভালো আছে তাহারা কেহই শ্মশানে যাইতে রাজি হইল না।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ ফেদিয়ার দিকে মাথাটা ঘুরিয়ে ওকে হাতের ঘুসি দেখিয়ে শেবালভ বললেন, 'কেমন করি আবার? না-ছাঁয়ে। তোমারে চিনি না?
পাতা ২৬ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা