পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৪৮)
সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে পড়বি তো পড়-পরিশেষে বাজানের চক্ষেই আমি আগে পড়িলাম। তিনি হাত ধরিয়া সেই ঝোপের ভিতর হইতে আমাকে টানিয়া আনিলেন।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে পড়বি তো পড়-পরিশেষে বাজানের চক্ষেই আমি আগে পড়িলাম। তিনি হাত ধরিয়া সেই ঝোপের ভিতর হইতে আমাকে টানিয়া আনিলেন।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ধোঁয়ার গন্ধওয়ালা ঝলসানো হাঁসটাকে ছি'ড়ে টুকরো-টুকরো করে পরম তৃপ্তিতে ভোজ লাগালুম আমরা। আর বন্ধুর মতো দু-জনে গল্পগুজব শুরু করলুম।
সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে শ্রীশবাবুর বাসায় থাকিতেই আমি ফরিদপুর সেবা-সমিতির সভ্য হইয়া পড়িলাম।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ "সিগারেট চলে?' ছেলেটা বলল। 'না।' 'রাত্রে জঙ্গলেই ঘুমিয়েছ নাকি? খুব ঠান্ডা, না?'
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ প্রায় কোপটার সামনা-সামনি এসে পড়েছে যখন এমন সময় হাঁসটা হঠাৎ ঘাড় বাঁকিয়ে সন্দেহের চোখে আমার দিকে তাকাল।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ছেলেটার মুখটা দেখতে লাগছিল ফ্যাকাশে, চোখের নিচে গোল হয়ে কালিপড়া।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ আবার সূর্য উঠল, আবার গরম হয়ে উঠল চারিদিক। শুরু হয়ে গেল পাখপাখালির ডাক।
সেজদি এবার সেজদির বর গণেশবাবু কলিকাতা হইতে বি এ পাশ করিয়া আসিলেন। আর সেজদিকে শ্বশুরবাড়ি যাইতে হইবে না।
তোর রক্তে এ উঠোন স্বদেশ রায় পাগলী, তোকে ছাড়া মানায় না এ উঠোন; ভালো লাগে না ঘর দোর, শস্য ক্ষেত্র- সবুজ, হলুদ রঙে ভরা মাঠ, দোলায় না মাথা।
সেজদি বাড়ির ঠাকুর চাকর হইতে আরম্ভ করিয়া ভাই-বোন বাপ-মা এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীরা পর্যন্ত এই মেয়েটিকে সবচাইতে আপনার বলিয়া ভাবিত।
সেজদি জ্বরের ঘোরে যেদিন দিদি প্রলাপ বকিতে লাগিলেন, ডাক্তার বলিলেন, "রোগিণীর মাথায় বরফের আইস-ব্যাগ দিতে হইবে।" ফরিদপুরে তখন বরফ পাওয়া যায় না।
আর্কাদি গাইদার প্রথম পরিচ্ছেদ রাত্তির পর্যন্ত জঙ্গলে এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়ালুম আমি। জঙ্গলটা একেবারে বিজন ছিল না।
পাতা ৩০ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা