পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১০৭)
সন্ন্যাসী ঠাকুর এতদিন সন্ন্যাসী ঠাকুর আমাদের গ্রামে ছিলেন বলিয়া যখন-তখন তাঁহার সঙ্গে আসিয়া দেখা করিতাম।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সন্ন্যাসী ঠাকুর এতদিন সন্ন্যাসী ঠাকুর আমাদের গ্রামে ছিলেন বলিয়া যখন-তখন তাঁহার সঙ্গে আসিয়া দেখা করিতাম।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ 'এই! বরিস! এই যে, আমরা এখানে!' 'কী রে, কেমন? জায়গাটায়গা পেয়েছিস?' 'মন্দ-না।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি "ভাষাটাকে তিনি জানতেন আশ্চর্য রকম ভালো ক'রে; এমন কি মারপ্যাঁচগুলোও।
সন্ন্যাসী ঠাকুর খুব ধরিয়া পড়িলে সন্ন্যাসী ঠাকুর অসুখে-বিসুখে রোগীদিগকে নানা গাছ-গাছড়ার ঔষধ বলিয়া দিতেন। তাঁহার নিকট হাতের লেখা একখানা খাতা ছিল।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ নৌবাহিনীর এক ছোকরা অফিসারকে গলা চড়িয়ে তিনি কী-যেন বলছিলেন। অফিসারটি প্ল্যাটফর্মের ওপর একটা ভারি লোহার ট্রাঙ্ক টানার চেষ্টা করছিল।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি "কিন্তু আপনি বলেছিলেন যে তিনি ছিলেন একজন টুলা ভাষার লেখক, এবং তাঁর কোনো শক্তি নেই।"
সন্ন্যাসী ঠাকুর সন্ন্যাসী ঠাকুর চলিয়া যাওয়ার পর তাঁহার বাগানের এত যত্নের ফুলগাছগুলি শুকাইয়া যাইতে লাগিল। আমি ছেলেমানুষ। কত আর পানি ঢালিতে পারিব।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ 'হ্যাঁ, সত্যি কথা,' কথাটা স্বীকার করতে গিয়ে তিষ্কার গলা ধরে গেল। 'এই সবকিছুতে এত অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলুম, বরিস।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি এমন কি করুণা পরবশ হয়েও তাঁর কাছে মিথ্যা বলা ছিল অসম্ভব।
সন্ন্যাসী ঠাকুর পরদিন সকালে শ্মশানে আসিয়া যথারীতি পূজা করিয়া বাহিরে আসিয়া বসিলাম। দেখিলাম আমারই বয়সের একটি বালক সন্ন্যাসীর বেশে শ্মশানের পথ দিয়া যাইতেছে।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ তিষ্কা কিনকে বিদায় জানাতে ওদের কবরখানার বাসায় গেলুম। বাবার সঙ্গে ও চলে যাচ্ছিল ওর কাকার কাছে ইউক্রেনে।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি তারপর অকস্মাৎ চীৎকার ক'রে ব'লে উঠলো, যেন অনেকটা মর্মাহত হয়েই: "আমি ভেবেছিলুম, তিনি সত্যিকার এনার্কিস্ট বুঝি।
পাতা ৪১ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা