ব্রিটিশ রাজত্বে সুন্দরবন (পর্ব-১১২)
শশাঙ্ক মণ্ডল সাহিত্য পঞ্চম অধ্যায় বিশেষ করে চাষি সম্প্রদায়ের মানুষরা শিক্ষার প্রয়োজন অনুভব করত না। আর ইচ্ছা থাকলেও উপায় ছিল না।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
শশাঙ্ক মণ্ডল সাহিত্য পঞ্চম অধ্যায় বিশেষ করে চাষি সম্প্রদায়ের মানুষরা শিক্ষার প্রয়োজন অনুভব করত না। আর ইচ্ছা থাকলেও উপায় ছিল না।
প্রদীপ কুমার মজুমদার খরোষ্ঠী বা ব্রাহ্মীলিপির সাহায্যে ছোট ছোট সংখ্যাকে লিখতে বিশেষ অসুবিধা হোত না। অসুবিধা হোত বড় সংখ্যাকে লিখতে গিয়ে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় মহারাজের দেবভক্তিও অতুলনীয় ছিল। তিনি ভদ্রপুরে নবরত্বের এক মন্দির স্থাপন করিয়া, তাহাতে লক্ষ্মীনারায়ণের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বীরাকোচা উৎসব হল বছরের সবচেয়ে সেরা উৎসব।
শশাঙ্ক মণ্ডল সাহিত্য পঞ্চম অধ্যায় বাংলা ভাষার পাশাপাশি মুসলমান অধ্যুষিত এলাকায় মুসলমান ছাত্রদের জন্য ফারসি ভাষা শেখানো হত।
প্রদীপ কুমার মজুমদার পণ্ডিতেরা অনুমান করেন ব্রাহ্মী লিপি এবং সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ভারবর্ষের নিজস্ব সম্পদ। মনে হয় এটিই আমাদের জাতীয় লিপি।
শ্রী নিখিলনাথ রায় অদ্যাপি সেই চিত্র নন্দকুমারের দৌহিত্রবংশীয় কুঞ্জঘাটা রাজবংশীয়গণের নিকট বর্তমান আছে। তাঁহারা প্রত্যহ তাঁহার পূজা করিয়া থাকেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকা জনগোষ্ঠীর লৌকিক বিশ্বাস, ধর্মীয় ভাবনা, দেবদেবী এসবের মধ্যে একটি নিজস্বতা আছে।
শশাঙ্ক মণ্ডল সাহিত্য পঞ্চম অধ্যায় পরবর্তীকালের ইংরেজি শিক্ষিত ব্যক্তিরা নিজেদের শিক্ষার অহমিকা প্রকাশ করতে গিয়ে সগর্বে ঘোষণা করতেন ধান চাল দিয়ে লেখাপড়া শিখিনি।
প্রদীপ কুমার মজুমদার আমরা লক্ষ্য করছি-প্রাচীন ভারতীয় লিপিমালার মধ্যে ব্রাহ্মী ও খরোষ্ট্রী লিপিমালাই সবচেয়ে বেশী প্রচলন ছিল।
শ্রী নিখিলনাথ রায় কিন্তু হেষ্টিংসের অনুরোধ অব্যর্থ। যিনি প্রভুভক্তি ও স্বদেশের হিতসাধনের জন্য আপনার জীবনকে উৎসর্গীকৃত করিয়াছিলেন, তাঁহার পুরস্কার জীবনদণ্ড বাতীত আর কি হইতে পারে!
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বীরাকোচা কার্যত ইনকাদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানীয় এবং মৌলিক দেবতা। সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয়ের মূল অধিকারী ছিলেন এই বীরাকোচা।
পাতা ১০৩ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা