ব্রিটিশ রাজত্বে সুন্দরবন (পর্ব-১০২)
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় আন্দোলনের নেতৃত্বে চলে এল গ্রামের সাধারণ মানুষ, এরা পরবর্তীকালে অনেকে কাকদ্বীপ ষড়যন্ত্র মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘকাল কারাযন্ত্রণা ভোগ করেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় আন্দোলনের নেতৃত্বে চলে এল গ্রামের সাধারণ মানুষ, এরা পরবর্তীকালে অনেকে কাকদ্বীপ ষড়যন্ত্র মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘকাল কারাযন্ত্রণা ভোগ করেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার 'চতুর' শব্দ 'চল্' ধাতু ধাতু থেকে নিষ্পন্ন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় মহারাজের বাটীতে অঙ্গীকার-পত্রপ্রদানে স্বীকার করিয়া, বুলাকীদাস পাল্কী চড়িয়া, বড়বাজারে হাজারীমলের বাটীতে তাহার নিজ বাসায় গমন করে এবং মহম্মদ কমলকে তাহার নিকট পাঠাইতে বলিয়া যায়।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় মায়া-সমাজ এবং সভ্যতার ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকাচার এবং বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করবার মত।
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের একই অভিজ্ঞতা হল শুরু হল কাকদ্বীপের তেভাগার লড়াই।
প্রদীপ কুমার মজুমদার সংখ্যার ব্যুৎপত্তি এতক্ষণ পর্যন্ত সংখ্যার নামকরণ এবং এ সম্পর্কে কোন্ গ্রন্থে কি বলা হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হোল।
শ্রী নিখিলনাথ রায় তাহার পিতামহ হুগলীতে বাস করিতেন; কিন্তু বর্দ্ধমানের মানকরে তাঁহার কারবার ছিল।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়।
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় সুতরাং এসব আর্ত মানুষদের সাহায্য করার দায়িত্ব জমিদারদের নেবার আদেশ করলেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য ও শ্রীবরাচার্যের বিবৃত অংকস্থানের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। শ্রীধরাচার্য যে সংখ্যাদ্বয়কে মহাসরোজ ও সরিপতি বলেছেন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় ফরিয়াদীর সাক্ষীদিগের মধ্যে মোহনপ্রসাদ অভিযোগের প্রথমে নন্দকুমার জাল করিয়াছেন বলিয়া স্পষ্ট জবানবন্দী দেয়। সুতরাং তাহার সম্বন্ধে অধিক বলিবার প্রয়োজন নাই।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানের যে নির্দিষ্ট দিন তার কয়েকদিন আগে সবাই উপোস-এর ব্রত পালন করে এবং এই সময় তারা যৌন মিলনেও অংশগ্রহণ করে না।
পাতা ১০৭ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা