ব্রিটিশ রাজত্বে সুন্দরবন (পর্ব-৯৯)
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় এক জঘন্যতম সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এরা দরিদ্র কৃষককে ক্রীতদাসের জীবনযাপনে বাধ্য করেছিল এবং সেদিন গ্রামজীবনে…
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় এক জঘন্যতম সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এরা দরিদ্র কৃষককে ক্রীতদাসের জীবনযাপনে বাধ্য করেছিল এবং সেদিন গ্রামজীবনে…
প্রদীপ কুমার মজুমদার এ থেকে বোঝা যাচ্ছে এখানে সংখ্যাগুলি হচ্ছে-এক, দশ, শত, সহস্র, অযুত, লক্ষ, প্রযুত, কোটি, অর্বদ, অজ, খর্ব, নিখর্ব, মহাসরোজ, শম্ভু, সরিতাপতি, অন্ত, মধ্য, পরাধ।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকা শ্রমিকদের এই বড় কাজ দেখাশোনাও নিয়ন্ত্রণ করত নানা (Chief)।
অ্যানেট কেহনেল, মানহেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যযুগীয় ইতিহাসের অধ্যাপক মধ্যযুগে, মানুষ বর্জ্য তৈরি করত, এটি নিঃসন্দেহে সত্য।
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় ১৯৪৬ খ্রীষ্টাব্দে খুলনার মৌভোগে প্রাদেশিক কৃষক সম্মেলন কৃষকদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার অংকস্থান সম্পর্কে পরবর্তী কালে যখন আরও ব্যাপক জ্ঞান হল তখন থেকেই একক অনুযায়ী সংখ্যাগুলিকে সাজান হতে থাকে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় কমল বলে যে, তাহার পূর্ব্বের মোহর মহারাজের নিকট থাকায়, সে তাঁহার নিকট তাহা চাহিয়াছিল, কিন্তু তিনি ফেরত দেন নাই।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।
শশাঙ্ক মণ্ডল কৃষি ও কৃষক চতুর্থ অধ্যায় সাম্রাজ্যবাদ ও তার দেশীয় অনুচররা আতঙ্কিত হল, সামন্ততন্ত্রের ভিত কেঁপে গেল; সরকার ও প্রশাসন অনুধাবন করল তারা একটা ভয়ঙ্কর আগ্নেয়গিরির ওপর বসে আছে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার এদের আবার প্রত্যেকটি জঘন্য, মধ্যম এবং উৎকৃষ্ট এই তিনভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় প্রাসঙ্গিক (Formal) সাক্ষীদিগের কথা ছাড়িয়া দিলে, ফরিয়াদীর পক্ষ হইতে কমল উদ্দীন, তাহার ভৃত্য হোসেন আলি, খাজা পিক্রস, সদর উদ্দীন, মোহনপ্রসাদ, নবকৃষ্ণ, সহবৎ পাঠক এবং কৃষ্ণজীবন দাস এই আটজন প্রধান সাক্ষীকে উপস্থিত করা হয়।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় শাসন কাঠামোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে ছিলেন সাপাইনকা (Sapa Inca) এবং তার স্ত্রী-রা। এদের নিয়ন্ত্রণ ছিল খুবই কড়া এবং রক্ষণশীল।
পাতা ১০৮ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা