ব্রিটিশ রাজত্বে সুন্দরবন (পর্ব-৩৭)
শশাঙ্ক মণ্ডল শিল্প-বাণিজ্য তৃতীয় অধ্যায় আবার গ্রীষ্মের দিনে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য জলের পাত্র নীচে রেখে সুতা তৈরি করত।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
শশাঙ্ক মণ্ডল শিল্প-বাণিজ্য তৃতীয় অধ্যায় আবার গ্রীষ্মের দিনে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য জলের পাত্র নীচে রেখে সুতা তৈরি করত।
শ্রী নিখিলনাথ রায় বিশে- যতঃ তৎকালে ভাগীরথী বড়নগর হইতে আরও দূরে প্রবাহিতা ছিলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় মায়াদের এই ধর্মীয় বিশ্বাস একথাও বলে যে মানুষের কথা, শব্দও ঈশ্বরের ঘরের রূপ গ্রহণ করে।এইভাবে ধূপ, বালচে (এক ধরনের পানীয়) এবং লোকাচার খাদ্যবস্তু লাক-ইল-কু (Lak-il-kuh)-এর মত ঈশ্বরের পাত্রে রাখা হয়।
শশাঙ্ক মণ্ডল শিল্প-বাণিজ্য তৃতীয় অধ্যায় কেন্দ্রীভূত মূলধন কোনদিন প্রাথমিক উৎপাদককে সংহত করতে পারেনি।
শ্রী নিখিলনাথ রায় ভবানীর, কন্যা তারা অত্যন্ত রূপবতী ছিলেন। কথিত আছে, এক- দিবস।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় মায়াদের শিল্পীমন এবং দক্ষতার পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে কোপানে আবিষ্কৃত সিঁড়ির (Stairway) স্থাপত্যের মধ্যে। বারান্দাটি অনেকটাই চিত্রাঙ্কণ দ্বারা সাজানো।
শশাঙ্ক মণ্ডল শিল্প-বাণিজ্য তৃতীয় অধ্যায় বণিকরা সবসময় প্রচলিত ব্যবস্থার পক্ষে ছিল, সামন্ততান্ত্রিক কৃষি-অর্থনীতিকে পরিবর্তন করার কোন প্রয়োজন তাদের কাছে অনুভূত হয়নি।
শ্রী নিখিলনাথ রায় অবশিষ্ট প্রায় সমস্তই পুণ্যকার্য্যে ব্যয়িত হইয়া যাইত। তৎকালে বঙ্গের সমস্ত জমীদারদিগের মধ্যে নাটোরবংশের আয় সর্ব্বাপেক্ষা অধিক ছিল।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য মায়া জনগোষ্ঠীর মানুষ যেসব দ্রব্য তাদের দৈনন্দিন সরল জীবনে ব্যবহার করত তার কিছু নিদর্শন পুরাতাত্ত্বিকদের অন্বেষণে আবিষ্কৃত হয়েছে।
শশাঙ্ক মণ্ডল শিল্প-বাণিজ্য তৃতীয় অধ্যায় ধানচালের বড় ব্যাপারীদের নিজস্ব পরিবহণ ব্যবস্থার অঙ্গ হিসাবে বড় বড় নৌকার মালিকানা তাদের হাতে থাকত । মুর্শিদাবাদের চারটি…
শ্রী নিখিলনাথ রায় রেনেলের কাশীমবাজার দ্বীপের মান- চিত্রে বড়নগরের প্রাধান্য প্রতিপাদনের জন্য তাহার নাম বৃহদক্ষরে লিখিত হইয়াছে।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় মায়া হস্তশিল্প, কাঠ-এর কাজ এইসব মূর্তি স্থাপত্যের নানা নমুনা পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে মায়াদের রাজদরবার-এর নানাদিক, রাজা-মহারাজাদের পরাক্রম, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ক্ষমতার নানা টানাপোড়েন অনেকটা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
পাতা ১২৬ / ১৫১ মোট ১,৮০২টি লেখা