পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৩৩)
চোঙ্গার মুখ খুলে ভেতরের জমাট বাঁধা দ্রবণটি পেয়ালা বা পাত্রে ঢেলে দেয়া হতো কুঞ্জরা ঢাকায় যারা দেশী ফল বিক্রি করতেন, তাদের বলা হতো কুঞ্জরা।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
চোঙ্গার মুখ খুলে ভেতরের জমাট বাঁধা দ্রবণটি পেয়ালা বা পাত্রে ঢেলে দেয়া হতো কুঞ্জরা ঢাকায় যারা দেশী ফল বিক্রি করতেন, তাদের বলা হতো কুঞ্জরা।
প্রথম আর্যভট বর্গ ও ঘনের সংজ্ঞা পাটীগণিতীয় পদ্ধতির পাশাপাশি জ্যামিতিক পদ্ধতিও দিয়েছেন।
'হিউ এনচাঙ বহুদূর থেকে বৌদ্ধধর্মের অনুসন্ধানে আর যোগভূমিশাস্ত্র অধ্যয়ন করতে এসেছিল। কুমাররাজা বললেন, 'তিনি একটা তাঁবুতে আছেন।'
দলবেঁধে ঢাকায় এসে এ এলাকায় বাড়ি ভাড়া করে থাকত ওরা।
মহম্মদ ইবন মুসার প্রায় সাড়ে তিনশ বছর পূর্বে প্রথম আর্যভট "মূল" শব্দটি ব্যবহার করেন।
তিনি কামরূপে!' তিনি কুমাররাজার কাছে সংবাদ পাঠালেন যে, চীনের ভিক্ষুকে অবিলম্বে যেন পাঠানো হয়।
"ব্রাহ্ম প্রাণে প্রাণী হইয়া জীবিত অবস্থায় জীবন্ত জীবনে চলাই সত্য ধৰ্ম্ম, আর ও ব্রাহ্মনাম এই ধর্ম্মের মূল মন্ত্র।
ভারতীয়রা স্বাধীনভাবে এবং একান্ত নিজস্ব পদ্ধতিতে রাশির অমূলদত্ব হৃদয়ঙ্গম করেছিলেন। এবং তাতে কোন বৈদিশির প্রভাব ছিল না।
রাজা আনন্দে রাজ্যের প্রধানকর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা করে প্রাসাদে নিয়ে গেলেন আর প্রতিদিন গীতবাদ্য ভোজ ফুলফল নিবেদন ইত্যাদি খুব আদর যত্ন চলতে লাগল।
মুর্শিদাবাদ শহরের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হাজার দুয়ারী আর ইমামবাড়া থেকে কিছুটা এগিয়ে গেলে রাস্তার পাশেই একটা ভগ্নপ্রায় সিংহদরজা।
স্বাধীনতার পরও বেশ কিছুদিন ক্বাসিদার চল ছিল। এখন তা বিলুপ্ত। কারণ, পুরনো মহল্লাগুলি নেই। বাইরের মহল্লার সঙ্গে আমাদের মহল্লার কাসিদার প্রতিযোগিতা হতো।
গুরু গোবিন্দ চক্রবর্তী মনে করেন পীথাগোরাস অমূলদ রাশি সম্পর্কে জানতে পারেন বৈদেশিক প্রভাবহেতু।
পাতা ৪৬ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা