হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৭)
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এখানে অনেকগুলি স্তূপ ছিল। বুদ্ধ যে-বাড়িতে তাঁর শেষ আহার করেন, সেই কর্মকার চুন্দর বাড়ি, যে শালকুঞ্জে পরিনির্বাণ হয়, সেই স্থানে, যে জায়গায় তাঁহার দেহাবশেষ বিতরিত হয়, সেই সমস্ত জায়গায়ই একটা একটা স্তূপ ছিল।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এখানে অনেকগুলি স্তূপ ছিল। বুদ্ধ যে-বাড়িতে তাঁর শেষ আহার করেন, সেই কর্মকার চুন্দর বাড়ি, যে শালকুঞ্জে পরিনির্বাণ হয়, সেই স্থানে, যে জায়গায় তাঁহার দেহাবশেষ বিতরিত হয়, সেই সমস্ত জায়গায়ই একটা একটা স্তূপ ছিল।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েক বছর অন্তর খরার এমন পর্যায়ে যায় যে দুর্ভিক্ষ, মহামারী দেখা দেয়।
প্রদীপ কুমার মজুমদার (১) ভাগঃ আধুনিক গণিতের ভাষায় "ভাগ" লেখা হয়ে থাকে এ সম্পর্কে দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য বলেছেন: "অন্যোন্য হারাভিহতৌ হরাংশৌরান্ডোঃ সমচ্ছেদবিদ্বানমেবম্।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু তার পর দক্ষিণ-পূর্বে ১৪০ মাইল গিয়ে হিউএনচাঙ অবশেষে বুদ্ধের জন্মস্থান কপিলাবাস্তর ভগ্নাবশেষ দেখতে পেলেন। এ-স্থান কালক্রমে জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় তবে এ প্রসঙ্গে একথাও বলা প্রয়োজন আজতেকদের যান্ত্রিক উপায়ে চাষ করার কোনো যন্ত্র ছিল না। প্রধানত শ্রমনির্ভর চাষই তারা করত।
প্রদীপ কুমার মজুমদার প্রথম আর্যভটের পূর্বে ভাগ সম্পর্কে নানা আলোচনা থাকলেও সে আলোচনায় গণিতের রূপ ধরা পড়েনি।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু মৌদগল্যায়নের যোগবলে পৃথিবী কম্পমান হল, কিন্তু চাদর নড়ল না।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় মেক্সিকো এবং মেক্সিকা সহ এই ভৌগোলিক অঞ্চল ছিল কৃষিকেন্দ্রিক। কার্যত বলা যায় আজতেক অর্থনীতিটা দাঁড়িয়ে ছিল কৃষিব্যবস্থার উপর।
প্রদীপ কুমার মজুমদার তবে অপ্রত্যক্ষ ভাবে এর উল্লেখ থাকতে দেখা যায়।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু অশোক জেতবনের পূর্ব তোরণের দুইদিকে দুইটি স্তম্ভ নির্মাণ করেন। হিউএনচাঙ সে দুটো দেখেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেক সমাজের কৃষিভিত্তিক জীবিকা: মায়া, ইনকার মত আজতেক শাসনপর্বের সমসাময়িক সমাজে শিল্পসৃষ্টি বলে তেমন কিছু ছিল না।
প্রদীপ কুমার মজুমদার মিশর, ব্যাবিলন, চীন, গ্রীস প্রভৃতি দেশের মত ভারতবর্ষেও ভগ্নাংশের ব্যবহার। অতি প্রাচীনকাল থেকে দেখা যায়।
পাতা ৬১ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা