হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৪)
সত্যেন্দ্রকুমার বসু শ্রাবস্তীপুরীর এক ক্রোশ দূরে জেতবন। জন্যে অনাথপিণ্ডদ নামে পরিচিত ছিলেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু শ্রাবস্তীপুরীর এক ক্রোশ দূরে জেতবন। জন্যে অনাথপিণ্ডদ নামে পরিচিত ছিলেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার ভগ্নাংশ পাশ্চাত্য পণ্ডিতগণ মনে করেন সাফল্যজনক ভগ্নাংশের ব্যবহার ১৫৫০ খ্রীষ্টপূর্বে আহমীস পেপিরাসে দেখতে পাওয়া যাবে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় একজন মুফতি ও দুই জন মৌলবী কাজীর সাহায্যের জন্য নিযুক্ত হন এবং ইংরেজ কালেক্টরগণ তাহার তত্ত্বাবধানের ভার গ্রহণ করেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু পূণ্যভূমি কৌশান্বী দেখবার পর হিউএনচাঙ গঙ্গাতীর ছেড়ে উত্তর অযোধ্যায় আর নেপালের দিকে বুদ্ধের জন্মভূমি দেখতে গেলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ডে-ক্যালেন্ডার এবং ধর্মীয় বিশ্বাস আজতেক সমাজের আরেক বৈশিষ্ট্য হল বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেণ্ডার এবং ধর্মের অবিচ্ছেদ্য, গভীর সম্পর্ক।
প্রদীপ কুমার মজুমদার ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন: "তুল্যেন সম্ভবে সতি হরং বিভাজ্যং চ রাশিনা ছিবা। ভাগোহার্য: ক্রমশঃ প্রতিলোমং ভাগহারবিধিঃ।"
শ্রী নিখিলনাথ রায় জমিদারগণ পূর্ব্বে আপনাদের ক্ষুদ্র উদর পরিপূরণের জন্য প্রজাদিগের উপর যাহা কিছু অত্যাচার করিত, এক্ষণে গবর্ণর ও তাঁহার অনুচরবর্গের বিশ্বগ্রাসী উদর পরিপূরণার্থ কিরূপ মাত্রায় অত্যাচার করিতে বাধ্য হইয়াছিল, তাহা সহজেই বুঝা যায়!
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেক সমাজে স্কুল কলেজ বা প্রথাগত বিদ্যা বা শিক্ষাদানের ব্যবস্থা তেমন ছিল না।
প্রদীপ কুমার মজুমদার ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে ভাগকে সাধারণত ভাগহার, ভাজন; হরণ, ছেদন প্রভৃতি শব্দে ভূষিত করা হয়েছে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় মহম্মদ রেজা খাঁর পদচ্যুতির পর মীডলটনের অধীনতায়, তিনি আরও দক্ষতা প্রকাশ করিতে থাকেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু অশোকের নির্মিত দুই শ ফুট উঁচু একটি স্তূপও সে সময়ে এখানে ছিল, আর বসুবন্ধু যে দুতলা স্তম্ভের উপরে একটি ঘরে তাঁর একখানা গ্রন্থ লিখেছিলেন, আর অসঙ্গ যে আম্রকুঞ্জে বাস করতেন, হিউএনচাঙ তাও দেখেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রথা ব্যক্তি (Person)-দের ক্ষেত্রেও সমানভাবে পালিত হয়। এক্ষেত্রে চিত্রকর-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে।
পাতা ৬২ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা