প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭৫)
প্রদীপ কুমার মজুমদার সাধারণ ভাগ ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে সাধারণ ভাগ অম্পর্কে অনেকেই আলোচনা করেছেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
প্রদীপ কুমার মজুমদার সাধারণ ভাগ ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে সাধারণ ভাগ অম্পর্কে অনেকেই আলোচনা করেছেন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় হেষ্টিংসেরও একজন ফারসী মুন্সী ছিলেন। যাহা হউক, এই সমস্ত কারণে, গঙ্গা-গোবিন্দ কান্তবাবু অপেক্ষা উপযুক্ত হওয়ায় এবং কান্তবাবু কাৰ্য্য করিতে অস্বীকৃত…
সত্যেন্দ্রকুমার বসু 'নগরে সুন্দরভাবে অলংকৃত একটি দেবমন্দির আছে। বিধর্মীরা বিশ্বাস করে। যে এ মন্দিরে জীবন ত্যাগ করলে স্বর্গে অনন্ত সুখভোগ হয়।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার গণিতের ভাষায় এটি লেখা যায়: ১২ X ১৩৫ = ১০×১৩৫+২×১৩৫=১৩৪০ + ২৬০= ১৬২০ অথবাষ্টযুতেন গুণেন (২) গুণ্যে গুনিতে ২৪ (৮) গুণিত গুণ্য হীনে চ জাতং তদেব ১৬২০।
শ্রী নিখিলনাথ রায় এই সময় হইতে তাঁহার রাজস্বসংক্রান্ত প্রতিভা দেশমধ্যে বিস্তৃত হইয়া পড়ে। কোম্পানীর ইংরেজকর্মচারিগণ সকলেই গঙ্গাগোবিন্দের পরিচয় পাইয়াছিলেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু তার পর সমস্ত ব্যাপার শুনেও তিনি আগের মতই ধীরভাবে দস্যুদের উপদেশ দিলেন যে, তারা যেন ঐ দস্থ্যর ব্যাবসা ত্যাগ করে।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণভাবে কথ্য ভাষায় প্রত্যেকটি শব্দের দুটি দিক আছে। প্রথমটি হল শব্দ (Sound) গত এবং অপরটি হল তার অর্থগত।
প্রদীপ কুমার মজুমদার প্রসঙ্গেক্রমে বলা যায় শোষোক্ত পদ্ধতি নিম্নরূপে লেখা যায়।
শ্রী নিখিলনাথ রায় যুদ্ধবিগ্রহ, দেশশাসন, কেহ বা আপনাদের আমোদপ্রমোদ লইয়াই ব্যস্ত থাকিতেন; সুতরাং রায়রায়ান রাজস্বমন্ত্রিপদে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তাঁহার দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুতরই ছিল।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু সহসা তাঁর আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মনে হল যেন তিনি সুমেরু পর্বতের মত উঁচুতে উঠে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্বর্গ পার হয়ে পুণ্যাত্মাদের প্রাসাদে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, ভক্তিভাজন মৈত্রেয় অসংখ্য দেবতাদের মধ্যে এক সমুজ্জল সিংহাসনে উপবিষ্ট রয়েছেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এসব চিহ্ন সব সময় এক রকমের হত না। এর মধ্যে বৈচিত্র্যও থাকত।
পাতা ৬৩ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা