রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৪৩)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ অসহায় ক্ষোভে আঙুল কামড়ে একান্ত দুঃখে দাড়িয়ে রইলুম স্টিমারঘাটার একপাশে।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ অসহায় ক্ষোভে আঙুল কামড়ে একান্ত দুঃখে দাড়িয়ে রইলুম স্টিমারঘাটার একপাশে।
অপেক্ষা শিবলী আহম্মেদ সুজন তুমি কষ্ট দিয়েছ, আমি মেনে নিয়েছি, তোমার যাবার বেলায়, হাসিমুখে বিদায় দিয়েছি, ভুলে থাকার বহু চেষ্টা করেছি, ভুলতে পারিনি…
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি গুলো দিয়ে দাড়ীটাকে চিকণ করতে করতে মৃদু গলায় ফের বললেন: "কিন্তু, কি পাপের?"
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ হঠাৎ গান শুনে আমার ঘুম ভাঙল। মনে হল, মজুররা ভারি কিছু একটা তুলতে তুলতে গান জুড়েছে। সাবাস, জোয়ান, হে'ই-ও!
নাঈম হক ছোট্ট একটি পাখির ছবিকে ঘিরে ২০০৮ সালে বেশ শোরগোল পড়লো।
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ সৈন্যরা এরপর কুচকাওয়াজ করে গান গাইতে-গাইতে স্টেশনে ঢুকল।
মণীশ রায় লেখক মাত্রই তরুণ। তাঁর বয়স কতো তা আলাদা করে বলার অবকাশ নেই। তিনি বরাবরই তারুণ্য উদ্দীপ্ত মানুষ।
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ নিজনি নভগরোদে ট্রেন এসে পৌঁছল রাতে। রেলস্টেশন থেকে বেরিয়েই প্রকাণ্ড একটা চৌকো চত্বরে এসে পড়লুম।
ফরিদপুর জেলা স্কুলে একদিন আমার নামে এক নোটিস আসিল। শহরের পুলিশ সাহেব আমাকে ডাকিয়া পাঠাইয়াছেন।
রবীন্দ্রসঙ্গীত স্বদেশ রায় রবীন্দ্রসঙ্গীত! তুমি রাজপথে আমার বোনের কন্ঠে হয়েছিলে তুমুল স্বাধিকারের শ্লোগান!
ফরিদপুর জেলা স্কুলে প্রায়ই মাস্টার মহাশয়ের বাড়ি যাইতাম। বই-এর নাম অনুসারে ফুলের মতো ফুটফুটে তাঁহার দু'টি মেয়ের নাম রাখিয়াছিলেন উমা আর বনলতা।
ফরিদপুর জেলা স্কুলে বিকাল হইলে তাঁহার সঙ্গে মাঠে বেড়াইতে বাহির হইতাম। আলীপুরের মোড়ে ছোট গাঙের তীরে বসিয়া দুইজনে অস্তগামী সূর্যের শোভা নিরীক্ষণ করিতাম।
পাতা ৩৬ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা