পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৬৬)
মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য কথা বলিতে বলিতে কথা আর শেষ হইতে চাহে না। আরও কত কথা আসিয়া পড়ে।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য কথা বলিতে বলিতে কথা আর শেষ হইতে চাহে না। আরও কত কথা আসিয়া পড়ে।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ গ্রীষ্ম শেষ হয়ে আসছিল। ফেঢুকা তখন ওর দ্বিতীয় পরীক্ষার পড়াশুনো নিয়ে ব্যস্ত আর ইয়াৎকা সুকারন্তেইন জনরে শয্যাশায়ী।
মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য আমি যখন ক্লাসে টুতে উঠিলাম তখন এস. ডি. ও.
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ উনি চুপ করলেন আর রাগে মুখটা কালো করে একবার মা-র দিকে তাকালেন।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মানভূমের টাড় ও জঙ্গল জায়গা। একটু দূরে বড় পাহাড়শ্রেণী, অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।
হিতৈষী স্কুলে প্রতিদিন আমি আমার পিতার সঙ্গে স্কুলে যাইতাম। আমার পিতাকে আমার তখন এত ভালো লাগিত যে সর্বদা তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে থাকিতে চাহিতাম।
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ যাদের ইচ্ছে হয় লড়াই করুক, কিন্তু আমার কী দায় পড়েছে।
আবু ইসহাক ছোট এক শহরের ছোট বাড়ি। সেই বাড়ির উত্তর দিকের দেয়ালের ফোঁকরে থাকত এক জোড়া চড়ুই পাখি।
সরিতুল্লা হাজী মেছের মোল্লার বাড়ির পাশেই ছিল সরিতুল্লা হাজীর বাড়ি। দুইধার তিনি মক্কা শরিফ যাইয়া হজ করিয়া আসিয়াছেন।
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ 'অন্তত এখনও পর্যন্ত কিছু হয় নি,' সৈনিকটি বললেন। 'উনি আপনাদের শুভকামনা জানিয়েছেন আর আমাকে এই প্যাকেটটা আপনাকে দিতে বলেছেন।
যাদব ঢুলি ঢোলের তালে তালে আবার উত্তর দিল, "আমি ঢেঁকি পারাই, ধামুর ধুমুর।" "আমার একটি কথা শুনিবে।" "কি কথা?" "একটু তামুক খাওয়াও।"
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ মজা পাওয়ার ভঙ্গিতে সৈনিকটি আমার দিকে তাকালেন। তাঁর দুঃসহ, কিছুটা বিদ্রূপভরা চোখের দৃষ্টি আমাকে কেমন অপ্রস্তুত করে দিল।
পাতা ৫৪ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা