ঠগিনী
আবু ইসহাক সরকারি কর্মজীবীর সংসারে সবচেয়ে তাড়াহুড়োর সময় হচ্ছে ভোরবেলাটা। এ সময়ে গৃহকর্তা ব্যস্ত থাকেন গোসলখানায় আর গৃহকর্ত্রী রান্নাঘরে। ইলিয়াস একজন সরকারি কর্মজীবী।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
আবু ইসহাক সরকারি কর্মজীবীর সংসারে সবচেয়ে তাড়াহুড়োর সময় হচ্ছে ভোরবেলাটা। এ সময়ে গৃহকর্তা ব্যস্ত থাকেন গোসলখানায় আর গৃহকর্ত্রী রান্নাঘরে। ইলিয়াস একজন সরকারি কর্মজীবী।
গ্রাম্য-মামলা পূর্বেই বলিয়াছি আমার পিতার অবস্থা ভালো ছিল না। মাত্র সাত টাকা বেতনে তিনি ফরিদপুর হিতৈষী মাইনর স্কুলে মাস্টারি করিতেন।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ 'ভয় পেয়েছিলি না হাতি! এমনিই। ছিলি তো হাড়জ্বালানে রামকাঁদুনে ছেলে, আবার কী।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি কিন্তু সাপের বাঘের চাইতেও সহস্র গুণে হিংস্র ম্যালেরিয়া জ্বর আসিয়া গ্রামের প্রায় সবগুলি মানুষকে গ্রাস করিয়াছে।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ এরপর চুপ করে গেল ফেকা। এ-ব্যাপারেও ফেকা আমার চেয়ে বেশি জানে দেখে আবারও আমার রাগ ধরে গেল।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি আজ ভাবিতে বিকারে সমস্ত মন ক্ষতবিক্ষত হইতেছে। তখন হয়তো বুঝিবার বয়স হয় নাই।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ 'আচ্ছা, ফেক্কা, এমন কেন হয় রে যে শুধু সিনিউগিনই সব কিছু মজা লুটবে, গ্রহনক্ষত্র দেখবে, আর অন্যদের বেলায় জুটবে লবডঙ্কা?
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি একথায় কি বুড়ির ভাই-এর শোকের অবসান হয়? সেই কতকাল আগে কোথায় বুড়ির বিবাহ হইয়াছিল তাহা আজ আবছার মতো মনে ভাসে।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ সন্ত্রাসবাদীটিকে কেমন বুঝছ?' এই বলে বাবা হেসে আমার মাথায় হাত বুলোল।'
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি নানার মৃত্যুর ১৫/১৬ দিন পরে নানার একমাত্র বোন ফজার মা আমাদের বাড়িতে আসিয়া উপস্থিত হইলেন।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ ফেঙ্কাকে বললুম, 'দ্যাখ, ওই মোড়টা ঘুরলেই এক্ষুনি আমরা সৈন্যদের কবরগুলোর কাছে পৌছব।
আবু ইসহাক ভোর বেলা। পত্রিকা হাতে নিয়েই হেডিং-এ দেখলাম, বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে, 'দানবীয় নাৎসি বাহিনীর নিকট দুর্বল পোল্যান্ডের আত্মসমর্পন।'
পাতা ৫৬ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা