পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৫১)
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি নানা বলিলেন, "মা! তোমার ঘর-সংসারের কাজ তাড়াতাড়ি সারিয়া আমার কাছে আসিয়া বস! আমার যেন কেমন ভয় ভয় করিতেছে।"
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি নানা বলিলেন, "মা! তোমার ঘর-সংসারের কাজ তাড়াতাড়ি সারিয়া আমার কাছে আসিয়া বস! আমার যেন কেমন ভয় ভয় করিতেছে।"
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ দামী একজন সহকারীকে হারানোর ভয়ে শেষপর্যন্ত রাজি হয়ে গেলুম।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি নানার এক বৃদ্ধা বোন ছিলেন ফজার মা বুড়ি। তাঁকে লইয়া নানা আবার নতুন করিয়া সংসার পাতিলেন।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ ড্রেডনট চালাচ্ছিলুম আমি আর ফেক্কা। আমাদের পেছনে সম্ভ্রম নিয়ে বেশ খানিকটা তফাত রেখে ভেসে আসছিল বেড়ার গেটটা।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি সেই ছেঁচা হাত লইয়াই নানি মায়ের জন্য পিঠা তৈরি করিয়া আমাদের খাওয়াইলেন, মাকে খাওয়াইলেন, নানি কিছুই খাইলেন না।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ শত্রুপক্ষের দুই নৌ-সেনাপতি, সেন্কা পানতিউঙ্কিন ও গ্রিশৃঙ্কা সিমাকভ, ওদের বাবার হাতে এজন্যে প্রচন্ড মার খেল।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি সেই ঢ্যাপের খই-এর মোয়া খাইতে খাইতে নানির কত আদরের কথা মনে পড়িয়াছে। সেবার নানাবাড়ি গেলাম। বোধহয় জ্যৈষ্ঠমাসে।
আর্কাদি গাইদার চতুর্থ পরিচ্ছেদ গ্রীষ্মের ছুটি পড়ে গেল আমাদের। ফেঢুকা আর আমার মাথায় তখন ছুটি কাটাবার কত রকম প্ল্যানই যে ঘুরছে।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি নানি মাকে ধরিয়া সোয়ারিতে উঠাইয়া দেন। আমি আর আফাজদ্দীন সোয়ারির পাছে পাছে। পাড়ার মেয়েরা, নানা, নানি, সবাই সঙ্গে সঙ্গে।
টুনকু ভারাদারাজান সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তীক্ষ্ণ মন্তব্যের প্রতিভা ধারণ করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্রেক্সিটের আলোচককে তিনি 'গুমোট, কার্টেসিয়ান এবং সন্দেহপ্রবণ' বলে উল্লেখ করেন।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি মাকে খাওয়াইয়া চোখের পানি মুছিতে মুছিতে নানি মায়ের চুলগুলি লইয়া বিনুনি বাঁধিতে বসিলেন। কত কথা আজ তাঁর মনে পড়িতেছে।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ 'নিশ্চয়ই,' বলল ফেদকা। তারপর পায়ের বেগ কমিয়ে দিয়ে, আর আমরা যেন মাঠে না-থেকে লোকের ভিড়ের মধ্যে আছি এইভাবে এদিক-ওদিক ভালো করে দেখে নিয়ে বলল, 'আরে ইয়ার, উনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রাজনীতি করতেন বলে।'
পাতা ৫৭ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা