শুভ কামনা
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯২৫ সালের কথা। 'চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম সুধীরবাবুদের দোকানে যাই। সেখান তখন প্রতি বিকালে একটি সাহিত্যিক আড্ডা হোত।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯২৫ সালের কথা। 'চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম সুধীরবাবুদের দোকানে যাই। সেখান তখন প্রতি বিকালে একটি সাহিত্যিক আড্ডা হোত।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি জামাইবাড়ির দেশের সোয়ারি বেহারা। ভালোমতো আদর-যত্ন করিলে সে দেশে যাইয়া এদেশের সুনাম গাহিবে।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ আমি কিন্তু এ-সব কথা মোটেই বিশ্বাস করি নি।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি কাল যাইব দেশে। নানাবাড়ি আসিয়া বাঁশের বাঁশি বানাইয়াছি। তীর-ধনুক বানাইয়াছি। ফটকা বানাইয়াছি। আর গহন জঙ্গল হইতে সজারুর কাঁটা সংগ্রহ করিয়াছি।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ ফেক্কা যে সব ব্যাপারে আমার চেয়ে বেশি জানে এতে আমার ভীষণ রাগ হত।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ মা আমার কান্ড দেখে এত রেগে গিয়েছিলেন যে বিছানা থেকে নেমে এসে আলো নিবিয়ে দিয়েছিলেন।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি মনে হইল এই আঘাত যেন মায়ের বুকে আসিয়াই লাগিল। বেচারা মা'র জন্য আমার মনে বড়ই কষ্ট হইল।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ 'সত্যি রে, ওরা জারকে মেরে ফেলেছিল। জারকে মেরেছিল, তাঁর বউকেও মেরেছিল।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি এক-একদিন প্রথম রাতে ফেউ ডাকিয়া ওঠে। ফেউ ডাকিলে গৃহস্থেরা বোঝে পাড়ায় বাঘ আসিতেছে। ফেউ-এর ডাক শুনিয়া বুক দুরুদুরু করে।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ ধাঁধার উত্তর খুঁজে বের করার ভার আমার ওপর চাপিয়ে মা চলে গেলেন।
রাঙাছুটুর বাপের বাড়ি নিজেরাই তো পানের বরজ করিতে পারিত। কত পয়সা পাইত। বারোইদের মতো আটচালা ঘর করিতে পারিত।
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ সপ্তায় একদিন, প্রতি বুধবার, পড়াশুনো শুরু করার আগে ইশকুলের হলঘরে যুদ্ধে বিজয়কামনা করে একটি প্রার্থনাসভার অনুষ্ঠান হত।
পাতা ৫৮ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা