প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৯)
বুলু ও চড়ুই 'বুলুমণি, বুলুপা, আপামণি- বোঝা যায় উঠে আসছে। বুলু বিব্রত বোধ করে। হুড়মুড় করে ঘরে ঢোকে আনু, 'দেখে যাও, দেখে যাও!'
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
বুলু ও চড়ুই 'বুলুমণি, বুলুপা, আপামণি- বোঝা যায় উঠে আসছে। বুলু বিব্রত বোধ করে। হুড়মুড় করে ঘরে ঢোকে আনু, 'দেখে যাও, দেখে যাও!'
বুলু ও চড়ুই তিন সপ্তাহ পরে তিনি যখন ফিরে এলেন তখন আর তাঁকে চেনা যায় না। পাগলের মতো লণ্ডভণ্ড চেহারা।
ঝড়ে ও ঝঞ্ঝায় গেরিলা ভঙ্গিতে এ কেমন অন্ধকার ওতপেতে আছে ! তবু পাতার আড়াল থেকে আতঙ্কের জামা গায়ে বেরিয়ে এসেছে রক্তজাত অবরুদ্ধ এক বৃক্ষ আমি তাকে লিখে দেবো আজ অবারিত জল-স্থল মহাশূন্যে অন্তরীণ অন্তরীক্ষ!
বুলু ও চড়ুই 'বাব্বাহ্। কতো টান ওনার আমাদের জন্যে।' 'কি জানি, বুঝতে পারি না কিছুই। মনস্থির ক'রে উঠতে পারি না কিছুতেই।
বুলু ও চড়ুই 'বুলুপা, বুলুমণি, বুলবুলি-' এবার ডাকার ধরনটা একটু অন্য রকমের। বজ্জাতটা সুর পাল্টানোর তুখোড় কারিগর।
বাংলা সাহিত্যে ‘জাতীয় মঙ্গল’-এর কবি হিসেবে খ্যাত মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন উনিশ ও বিশ শতকের সন্ধিক্ষণে মুসলিম নবজাগরণের অন্যতম কণ্ঠস্বর।
বুলু ও চড়ুই ভেতর বারান্দায় দাঁড়িয়ে আব্বা যখন নিষ্ফল আক্রোশে সরবে ওকে ঝাড়াই করছিলেন সে সময় আনু ডাল নাড়া দিয়ে বলেছিলো, 'আপনার ভলিয়ম কন্ট্রোলটা বদলানো দরকার, ওটার পৌনেতেরটা বেজে গেছে এই রকম হয়।
দীনেশচন্দ্র তাঁহাকে প্রায় সব সময়েই কোনো কিছু লিখিতে দেখা যাইত। লোকজনের সঙ্গে তিনি কথাবার্তা বলিতেন, আবার সেই সঙ্গে তিনি বই পুস্তকও লিখিতেন।
বুলু ও চড়ুই শীতের এক সুন্দর বিকেলে পাশের ঘর থেকে আনু ডাক দেয়, 'বুলু!
দীনেশচন্দ্র দীনেশবাবু বলিলেন, "সবুর কর। আমি পুস্তকের উপর যে বিস্তৃত সমালোচনা লিখব তা পড়ে অনেকেই এই পুস্তকের আদর করবে।"
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ১৯১৪ সালে সাহিত্য পরিষদে রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর সংবর্ধনার অভিনন্দনে লিখেছিলেন, 'সর্বজ্জনপ্রিয় তুমি, মাধুর্য্যধারায় তোমার বন্ধুগণের চিত্ত-লোক অভিষিক্ত করিয়াছ।
তুমি কেন এসে সামনে দাঁড়ালে আমার নিজে হাতে গুছিয়ে দিয়েছিলে আমাকে বনপথের শেষ প্রান্তে খালের পাড়ে এসেছিলে তুলে দিতে নৌকায়।
পাতা ৯ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা