রাজধানী ঢাকায় হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কাছে পৃথক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অল্প সময়ের ব্যবধানে এসব বিস্ফোরণ ঘটে। এর আগে গত দুই দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এরপর দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টার মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বাইরেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনারই তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাগুলোর বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিসি জাহিদুল ইসলাম।
হাইকোর্টের সামনে বিস্ফোরণের ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর ওই ঘটনা ঘটে।
সাম্প্রতিক ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে ডিএমপি। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রায় ২০০টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
ডিএমপির ১৯ সেপ্টেম্বরের এক বার্তায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সংবেদনশীল এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চেকপোস্ট ও পিকেট ডিউটি জোরদারের পাশাপাশি থানাভিত্তিক মোবাইল টহল, পায়ে হেঁটে টহল এবং মোটরসাইকেল টহলও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
আজকের বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে পুলিশ কোনো তথ্য জানায়নি। ঘটনাগুলোর পেছনে কারা রয়েছে এবং বিস্ফোরক কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে, তা তদন্ত করে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।












