দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু এক হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মারা গেছেন ১ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে ১০১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছিল, ৯৯৮ জন মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে।
এই সময়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৫ জনের শরীরে উপসর্গ দেখা গেছে, হাম শনাক্ত হয়েছে ২১ হাজার ৩০৮ জনের। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৯ জন। ২৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় নতুন উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৩১০ জনের; মারা গেছে তিন শিশু—চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন, সিলেটে একজন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন, হাম-রুবেলায় আক্রান্তদের ৮২ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু।
কোন লক্ষণে সতর্ক হবেন
- জ্বরের সঙ্গে কাশি, সর্দি ও চোখ লাল হওয়া।
- কয়েক দিনের মধ্যে মুখ থেকে সারা শরীরে লালচে দানা ছড়িয়ে পড়া।
- শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, খেতে না পারা, পানিশূন্যতা বা শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়লে দেরি না করে হাসপাতালে নিন।
- আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের কাছ থেকে আলাদা রাখুন, স্কুলে পাঠাবেন না।
টিকা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) শিশুকে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা দেওয়া হয় ৯ ও ১৫ মাস বয়সে, সরকারি টিকাকেন্দ্রে বিনামূল্যে। এবারের প্রাদুর্ভাবে ৩ মে থেকে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য দেশব্যাপী বিশেষ টিকাকরণ শুরু হয়। শিশুর টিকার কার্ড দেখে কোনো ডোজ বাকি থাকলে নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
ফাইল ছবি: হাম-রুবেলা ও টিডি টিকার চালান গ্রহণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ৬ মে ২০২৬। ছবি: তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি), উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)












