কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেসিডি) এক স্থানীয় নেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের হাত-পা বাঁধা ছিল। সোমবার ভোরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী-কাকছাড়িয়া ঢালা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইসফাতুল ইসলাম জিসান (২৮) কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি উপজেলার দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।

চকরিয়া থানার অপারেশন কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন জানান, মহাসড়কের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাকারা ইউনিয়নের সাবের সদর এলাকার একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জিসান। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত তাকে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে তথ্য এসেছে।

পরে দুর্বৃত্তরা জিসানের মরদেহ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পী বলেন, জিসান সংগঠনের একজন সক্রিয় ও উদীয়মান নেতা ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা না হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
এদিকে জিসানকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় কাকারা ইউনিয়ন এবং চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং হত্যার কারণ কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।











